আশরাফ রহমানকে ব্যান করা হলো। কারনটা ছিলো খুবই অদ্ভুত! তিনি নাকি হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থের ছবি ব্লগে দিয়ে অন্যায় করেছেন। অথচ কোরানের ছবি ব্লগে দিয়ে কতলোক কোরানের সমালোচনা করে যাচ্ছে, সেগুলো নিয়ে কোন কথা নেই। দুই দিন আগে দীক্ষক দ্রাবিড় নামের এক ব্লগার মহিলাদের বোরখার একটি অদ্ভুত ছবি ছাপিয়েছে তার ব্লগে। সেটা ছিল পুরো পুরিই বিকৃত একটি ব্যাঙ্গ চিত্র। তাঁর নামে আরেকটা অভিযোগ তিনি ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয় ব্লগে তুলে এনেছেন। অথচ ব্লগের বেশীর ভাগ লেখাই বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে লেখা। দুই তিনদিন আগেও পাকিস্থানের অভ্যন্তরিন বিষয়ে টপিক হয়েছে। কতৃপক্ষ আশরাফ রহমানকে মেইল করেছেন যে অনেক ব্লগারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা আপনাকে প্রথম পাতায় ব্যান করলাম। কতৃপক্ষ এটা জানে না যে একজল লোক অসংখ্য মেইল এড্রেস করে সেখান থেকে মেইল করলেই অসংখ্য প্রতিবাদ হয় না। আমাদের পরিচিত এক ব্লগার 'হারাধরন' ওরফে 'আইজুদ্দি' (কয়েক ডজন নিক আছে ভদ্রলোকের)। বুঝাই যায় তার কয়েক ডজন মেইল আইডিও আছে। কতৃপক্ষকে তার একার অভিযোককে কয়েকডজন অভিযোগ বলে মেনে নিবেন? সবচেয়ে বড় কথা এতদিনের পুরোনো এবং জনপ্রিয় একজন ব্লগারকে কি শুধু মাত্র কিছু মেইলের ভিত্তিতে ব্যান করে দেয়া যায়? আমার ইয়াহু এবং এমএসএনে ১২০০+ বন্ধু আছে। তাদের সবাইকে বলে যদি আমি কোন ব্লগারের নামে ১২০০ মেইল করাই কতৃপক্ষ কি তাকে ব্যান করে দিবেন?
এই তো গেল কতৃপক্ষের কথা... এবার আসি আমদের সেই তথাকথিত বিবেকবানদের কথায়। দুইদিন আগেই দৃক্ষক দ্রাবিড় নামে এক ব্লগার মুসলমানদের পর্দাকে ব্যাঙ্গ করে এক ছবি দিয়েছেন এমনকি তিনি মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে অনেক আজেবাজে বানোয়াট কথা দিয়েও তার ব্লগ ভর্তি করে রেখেছেন। আমাদের তথাকথিত বিবেকবানদের বিবেকে সেই ছবি বা পোষ্টগুলো কোনরকম তাড়নার সৃষ্টি করেনি বরং দীক্ষক'কে গিয়ে বরাবরের মত মোবারকবাদ জানিয়ে এসেছেন তারা। বিষযটা আসলে ইসলাম ও ইসলামিক লেখকদের প্রতি তাদের বিদ্বেষরই বহি:প্রকাশ। কিন্তু কতৃপক্ষ তাদের কথায় চলবেন কেন? এটি নিয়ে আমরা কি নতুন করে ভাবতে শুরু করবো?
আমরা আশরাফ রহমানের অযৌক্তিক ব্যানের প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে তাকে ব্যানমুক্ত করার দাবী জানাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

