আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা...

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আমাদের এক বন্ধু, যখনই সে শুনবে কোন বই বিখ্যাত হয়েছে বা কোন পুরুষ্কার পেয়েছে তখনই সে সেটার উপরে ঝাপিয়ে পড়বে। যেভাবেই হোক বইটা জোগাড় করে পড়ে ফেলবে এবং সেটা নিয়ে তার জ্ঞান গর্ভ বক্তিমা শুনিয়ে দিবে আড্ডায়। সিনেমার বিষয়েও একই কাহিনী। এই একটি বাতিক ছাড়া দুনিয়ার তাবৎ সব বিষয়ে সে ছিল অমায়িক। সে থাকলে আড্ডায় চায়ের বিল, কোকের টাকা ইত্যাদি নিয়ে আমাদের কোন টেনশনই করতে হতো না। বিনিময়ে শুধু তার জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় আমাদের সায় দিয়ে যেতে হতো। বিষয়টা মাঝে মাঝে খুব বিরক্তিকর হলেও ভাল মানুষ সেই বন্ধুটিকে কষ্ট দিতে চাইতাম না। তাই বলে মাঝে মাঝে মজাও যে করতাম না, তা কিন্তু নয়।

Gladiator একসময়ের বেশ আলোচিত ইংরেজী সিনামা ছিলো। এই ছবির বিভিন্ন রিভিউ আর আলোচনা পড়ে পড়ে বন্ধুটি সিনামা দেখার আগেই বিশেষজ্ঞের মত যখন তার বিখ্যাত বক্তিমা দিতে শুরু করলো তখন আমরা সবাই মিলে ঠিক করলাম এইবার তাকে একটু সাইজ করতে হবে। সুতরাং শুরু হলো আমাদের দুই নাম্বারী। ওয়েব সাইট ঘেটে ঘেটে সব পেজ বের করে সেগুলো এডিট করে আমরা প্রিন্ট নিয়ে রেডী। কবে বন্ধুটি Gladiator দেখবে এবং তার বিখ্যাত আলোচনা শুরু করবে। যথারীতি একদিন সে ছবিটি দেখে চকচকে চোখে বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে চলে এলো আড্ডায়। আমরা আগেই প্রস্তুত ছিলাম.. শুরু হলো বিটলামী। সবাই খুব সিরিয়াস ভাব নিয়ে বিভিন্ন দেশের সিনামা বিষয়ক বিখ্যাত ওয়েব সাইটের পেজ পড়তছি.. আর হতাশাব্যাঞ্জক ভাব করছি Gladiator এর বিষয়ে। বন্ধুটিও আগ্রহী হলো বিষয় কি জানার জন্য। তাকে আমরা বুঝাতে সক্ষম হলাম যে বড় বড় চলচিত্র বিশেষজ্ঞরা এটি নিয়ে অনেক আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ছবি দেখার পর সবাই বেশ হতাশ হয়েছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে রিভিউ প্রকাশের অভিযোগও নাকি তারা তুলেছেন। সর্বপরি Gladiator একটা ভূয়া ছবি। এসব শুনে বন্ধুটি আমাদের হাত থেকে প্রায় জোর করেই সকল প্রিন্ট আউট কেড়ে নিয়ে এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেললো। আমরা তখন আরেক প্রস্থ চা'য়ের অর্ডার দিয়ে ছবি কেমন দেখেছে জানতে চাইলাম। বন্ধুটি খুব বিরক্ত নিয়ে Gladiator এর মত একটা ভূয়া ছবির সমালোচনা করতে শুরু করলো। এই দৃশ্যুটা ভাল লাগে নাই.. শেষের বিষয়টা ঠিক মিললো না.. মাঝখানে ঐ ডায়লাগটা কেমন বেখাপ্পা লেগেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা সব ভেতরে ভেতরে হেসে অস্থির... হাসি চাপতে না পেরে প্রসংগ বদলে হাসির গল্প শুরু করলাম এবং চেপে রাখা হাসি বের করে সেযাত্র রক্ষা।

এই বন্ধুটিকে নিয়ে করা আরো অনেক রকম মজার গল্প আছে.. পরে আরেকদিন শুনানো যাবে। তবে এরকম শুধু আমাদের সেই গ্রুপেই ছিলো না। অসংখ্য দেখেছি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে অন্তত এক ডজন বোদ্ধা(!) কে চিনি যারা কোনরকম জগাখিচুরী একটা ছবি বা বই হিট হলেও তার ভেতরে অনেক ভাল ভাল জিনিষ দেখতে পায় আবার ভাল কোন ছবি/বই কোন কারনে পাবলিক না খেলে সমালোচনার ঝড় বইয়ে দেয়। এদের আসলে নিজস্ব চিন্তা চেতনা বলে কোন বস্তু থাকে না। আট দশজনে কি বলে সেটাই তাদের মতামত। যেটা বললে সবাই পাত্তা দিবে সেটাই তারা তোতা পাখির মত আউড়ে যায়।


যাই হোক, মূল প্রসংঙ্গে ফিরে আসি। কথা হচ্ছিলো হুমায়ূন আযাদকে নিয়ে। হুমায়ুন আযাদের সম্পর্কে বুঝে হোক আর না বুঝে হোক একটা মন্তব্য বেশ শুনা যায়। তা হলো, "হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা..."। মজার বিষয় হচ্ছে যারা এসব মন্তব্য করে থাকেন তাদের বেশীর ভাগেরই হুমায়ুন আযাদের বই পড়েও দেখেননি। এমনকি বই পড়া তাদের কাছে বিরক্তিকর একটি বিষয় ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু আলোচনা করতে এসে তো একটা ভাব নিতে হবে। তাই অমুক বোদ্ধা বড় ভাই বলেছেন হুমায়ুন আযাদ বুঝার মত বুদ্ধি সবার থাকে না.. সুতরাং আমাকে বুদ্ধিমান হতে হবে। আমাকেও বলতে হবে হুমায়ূন আযাদ বুঝার বুদ্ধি তোমার নাই, আমার আছে। হুমায়ুন আযাদ এক্ষেত্রে কি বলেছেন সেটা যাচাইয়ের সময় কোথায়। তার সকল কথা অমৃত সমান। হোক সেটা জন্মদাত্রী "মা" কে অপমান করে কোন বাক্য বা সমগ্র নারী জাতীকে হেয় করে করা কোন বক্তব্য। তাই, 'শুধু মাত্র বুদ্ধিমানেরাই রাজার পোষাক দেখবে', এই মূলো ঝুলিয়ে ধুর্ত খলিফা হাতিয়ে নেয় স্বর্ণমূদ্রা।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: চিন্তা ভাবনা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
চতুরভূজ বলেছেন: এই ধরণের মানসিকতার লোকদের জন্যই সমাজের এই দুরাবস্থা। নিজেরা জানবেনা কিছুই কিন্তু ভাব ধরে বসে থাকবে না জানি কত জানি! কোন কিছু যাচাই বাছাই না করেই নিজেকে সুশীল প্রমান করতে গিয়ে এই মূলো না ঝুলালে যে টাদের বুদ্ধিমত্তার প্রমান পাওয়া যাবেনা! অদ্ভুত যুক্তি দেখালম কিছু মানুষের। সেলিব্রেটি হলেই যে তার সব কথা অমৃত সমান হবে এরকম চিন্তা ভাবনা পরিহার করা যাবেনা কারণ, তারা তথাকথিত বুদ্ধিমান!


ত্রিভুজ, কেমন আছেন?
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চতুরভূজ।


ভাল আছি... আপনি কেমন? দু:খিত উত্তর দিতে অনেক দেরী হয়ে গেল। অনেক ব্যস্ততার মাঝে দিন কাটছে।

২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
'এক দিন হয়তো গর্ভধারণ গণ্য হবে আদিম ব্যাপার বলে, মানুষ বেছে নেবে সন্তানসৃষ্টির বিকল্প উপায়; তখন গর্ভধারণই নারীত্ব বলে মনে হবে না। নারী গর্ভধারণে আনন্দ পায় না। পুরুষতন্ত্রের শিক্ষার ফলে নারী আজো মনে করে গর্ভধারণেই তার জীবনের সার্থকতা, কিন্তু এটা তা নয়। অধিকাংশ নারী এখনই গর্ভধারণপ্রক্রিয়া থেকে রক্ষা পেলে আনন্দে তা গ্রহন করবে, গর্ভবতী হওয়ার মধ্যে জীবনের কোন সার্থকতা, মহত্ত্ব, পূণ্য নেই। এক সময় নিয়ম গর্ভিনী থাকাই ছিলো নারীর কাজ; এখন গর্ভের সংখ্যা কমেছে, তাতে ক্ষতি হয় নি, বরং সমাজরাষ্ট্র এটা চায়। আমূল নারীবাদীরা মনে করেন, মানবপ্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নারীর নয়, পুরুষকে উদ্ভাবন করতে হবে সন্তানসৃষ্টির বিকল্প পথ; েবং কেকশো বছর পরে গর্ভধারণ যে আদিম পাশবিক কাজ বলে গণ্য হবে তাতে সন্দেহ নেই।"
৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের অনেক বই বা উপন্যাস আমার কাছেও ভালো লাগেনি। বরং খুব খারাপই লেগেছে। পাক সার জামিন সাদ বাদও ভালো লাগে নি। কিছু বই, শুধু ভালো না অসাধারণ লেগেছে। কিশোরদের উপযোগী বই লাল নীল দীপাবলী ও কত নদী সরোবরে তো আমি এখনও পড়ি- বারবার পড়ি। আব্বুকে মনে পড়ে, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না এসব বইকে তো স্কুল লেভেলের ছেলেপেলেদের অবশ্য পাঠ্য মনে করি। ওর ভাষার উপর গবেষণাগ্রন্থসমূহ একেকটা মাস্টারপিস। এমন অনেক কিছুই বলা যায়।

যাহোক, প্রসঙ্গে আসি- হুমায়ুন আজাদ এর এমন কিছু আলোচনা আছে, এমন কিছু বক্তব্য আছে- তা সাধারণ চিন্তা বা গরপরতা চিন্তা দিয়ে বোঝাটা কঠিন। কেননা, এনাদের মত ব্যক্তিরা শুধু একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে চিন্তা করেননা, কোনরূপ সংস্কার এনাদের চিন্তাভাবনার গণ্ডীকে টুটে ধরতে পারেনা।

এবার যে লাইন কটিতে আপনি আতকে উঠেছেন সে সম্পর্কে দুটি কথা বলি-
"...নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।..."

১। ফেমিনিস্ট অনেক ধারার মধ্যে একটি শক্তিশালী ধারা আছে- যারা মনে করে গর্ভ-ধারণ বা এই গর্ভকালীন ৯/১০ মাসটিই দুনিয়ায় নারীকে পুরুষের থেকে ধীরে পিছিয়ে দিয়েছে।

২। প্রসব কালীন যন্ত্রণাকে অনেকেই অমানবিক মনে করেন।

৩। মানুষও তো পশু- তাই নয়কি? তবে পার্থক্য হলো- মাথায়?

৪। মস্তিষ্কজাত বিষয়াদি মাইনাস করলে মানুষকে পশু বলা যায়, এবং এটি বলার রীতি আজকের নয়।

৫। আগের জামানায় মহামারিতে লোক মারা যেত, সামান্য অসুখে ছটফট করতে করতে লোক মরতো-
সেটাকেও অনেকসময় বলা হয়, পশুর মত লোক মরছে।

৬। "পশুর মত লোকটি মরেছে"- এটি যখন বলা হয়েছে, তখন সেই লোকটির প্রতি কোন অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন নয়, বরং এখানে পশুর সাথে সিমিলারিটি দিয়ে এমন একটি বিষয়কে ইণ্ডিকেট করা হয়েছে যে, পশু যেমন একটি অসুখে সম্পূর্ণ অসহায়- সে সময় ঐ লোকটিরও অবস্থা অনুরূপ ছিল।

৭। যন্ত্রণাভোগ বা কষ্টের দিক দিয়ে গর্ভধারণের বিষয়টি বা বিশেষ করে প্রসব কালীন অবস্থাটি এখন পর্যন্ত অনেকখানি পশুদের মতই রয়েছে।

৮। ফলে, হু.আ. শুধু নন- আমি আপনি আমরা- আমাদের সকলের মা-ই এই পাশবিক যন্ত্রণা ভোগ করেছেন।

৯। গর্ভে ধারণ করলেই যে শুধু মায়ের ভালোবাসা থাকে- সেটা আজকের প্রেক্ষিতে চারপাশের প্রেক্ষাপটে সত্য মনে হলেও, সেটাই চুড়ান্ত সত্য নয়।

১০। বাবা গর্ভে ধারণ না করেও সন্তানের প্রতি প্রচণ্ড টান ফীল কি করে না??

১১। গর্ভে ধারণ করার পরও মা সন্তানকে ত্যাগ করেছেন, এমন উদাহরণ কি নেই চারপাশে?

১২। আবার গর্ভে ধারণ না করেও কোন পালিত বাচ্চাকে পাগলের মত ভালোবেসেছে এমন উদাহরণও কিন্তু আছে।



১৩। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় একজন নারীর শরীরের যে কণ্ডিশন হয়- ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে- মেদ জমে-........... চোখ-মুখ-মুখমণ্ডল আর যাই হোক নর্মাল অবস্থার সাথে তো একটা পার্থক্য তো হয়ই।

এখন সেটাকে যদি নারীকে অবমাননার জন্য, নারীর সেসময়ের অসহায়ত্বের জন্য, নারীর প্রতি ঘৃণা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়- তখন তার বিরুদ্ধে কথা বলা দরকার ঠিক আছে। কিন্তু, হু.আজাদের ঐ গ্রন্থের আলোচনা গুলো নারীদেরই উপস্থাপনকৃত, সেটিতে হু.আজাদ মাত্র তাঁর সমর্থন জানিয়েছেন- কেননা তিনি অনেক বড়মাপের মানুষ।

কেননা, যে নারীরা বা ফেমিনিস্টরা এসব কথা বলেছেন- তার পেছনের কথা হলো- এই যে, গর্ভবতী নারী তো আসলেই অথর্ব- করুনার পাত্র- তাদের পশুবত বললেও যে সমালোচনার ঝড়, তা কি করুনা নিসৃত নয়? এখানে সহমর্মিতা, সমবেদনাই মূল নয়? নারীর জন্য তা কতখানি সম্মানকর??

এখন ফেমিনিস্টদের এ অবস্থানকে সমর্থন জানানোর একটি বিশেষ দিক আছে- নারীর মানুষ ও পুরুষের মানুষ হয়ে ওঠার স্বার্থেই এর দরকার আছে বৈকি।
৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
এবি+ বলেছেন:
ঠিক



ঠিক



ঠিক
৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪০
রাজনীতিক বলেছেন: বুঝবার চেষ্টায় আছি।
৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনি কি জানেন আপনি একজন বির্কত মনের মানুষ (!)।
৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯
পান্জেরী বলেছেন: ভাল লেখা। ধন্যবাদ।
৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১২
বিবেক সত্যি বলেছেন: হুমায়ুন আযাদ "বুঝবার মত" কিছু লিখেছে নাকি ? কি যেন একটা বইয়ের দুয়েকটা পাতা উল্টেছিলাম...সস্তা নোংরামী ছাড়া আর কিছু ছিলোনা ওখানে ...
৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: উনার লেখা বোঝার বুদ্ধি আমার নেই। মাতৃত্বের প্রতি যার এই দৃষ্টিভংগি, তিনি কি কেন স্ত্রীর মাতৃত্বকে বাধা দিলেন না?
১১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
স্নোবল বলেছেন: ভালো লাগলো না -
১২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
দারুন বলেছেন ত্রিভুজ ভাই
১৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
দুরন্ত পিথক বলেছেন: ভালো বলেছেন।এরা শুধু বই না এই ব্লগের পোস্ট না পড়েও উল্টাপাল্টা কমেন্ট করে। কারণ ঐ একই।
১৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
১৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "নারী গর্ভধারণে আনন্দ পায় না। পুরুষতন্ত্রের শিক্ষার ফলে নারী আজো মনে করে গর্ভধারণেই তার জীবনের সার্থকতা, কিন্তু এটা তা নয়। "

মাতৃত্বের অনুভূতি একমাত্র মায়েদের পক্ষেই বোঝা সম্ভব।
১৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪১
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: off যান, ফালতু পোষ্ট করবেন না।
১৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৭
নরাধম বলেছেন: সালাম, পুস্ট বাল হইছে।
১৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৮
ভাইটামিন বদি বলেছেন: পড়তে চেষ্টা করেছিলাম; না পেরেছি পুরোপুরি বুঝতে....না পেয়েছি আনন্দ।।।।।

সুতাং বুঝিলাম,

হুমায়ুন আজাদ বোঝা আমার কাম না।।।।
২০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১৫
সোনার বাংলা বলেছেন:
অনেক চেষ্টা কইরা হেইটাই বুঝিলাম যেইটা সবাই কইচে.........


তিনি অসময়ে (সময়ের আগে)জন্ম নিয়েছেন.... ,বঙদেশের মানুষ
তা বুঝে নাই!

শেষ পর্যন্ত একটা অন্ধকার মালয় সাগর দেখিলাম! আর দেখিলাম
কিছু অন্ধ নাবিকে..........

হেইওচ হেইওচ করিতেছে...................................

আর আমি সাগরের উপর দিয়ে চইলা গেলাম অবুঝের দেশে........:)
২১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৭
দৃষ্টির ছায়া বলেছেন: "হুমায়ুন আযাদ এক্ষেত্রে কি বলেছেন সেটা যাচাইয়ের সময় কোথায়। তার সকল কথা অমৃত সমান। হোক সেটা জন্মদাত্রী "মা" কে অপমান করে কোন বাক্য বা সমগ্র নারী জাতীকে হেয় করে করা কোন বক্তব্য। তাই, 'শুধু মাত্র বুদ্ধিমানেরাই রাজার পোষাক দেখবে', এই মূলো ঝুলিয়ে ধুর্ত খলিফা হাতিয়ে নেয় স্বর্ণমূদ্রা।"

দুর্দান্ত!

"....এসব বুঝার মাথা কি আপনার/আপনাদের আছে?" এমন বাণীও শোনা গেছে আমাদের অতি উর্বর মস্তিষ্ক সম্পন্ন/সম্পন্না কিছু ব্লগারের কাছ থেকে। সেগুলো মনে হচ্ছে "হুমায়ান আযাদ টাইপ মস্তিষ্ক"। :)
২৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
পিচাশ বলেছেন: আমি ভাবলাম ত্রিভূজের মুখে এই কথা ?? পড়ার পর দেখি ঠিকাসে। ভাল হইসে। ভাল লাগসে। আমি শুনছিলাম আপনি আর লেখবেন না। ফিরা আসছেন ভাল লাগছে। মাঝে মাঝে আপনাদের লেখা পড়তে আসি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ