আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

ব্লগীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ভাইসব, একটু থামুন, আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো...

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

কম্পিউটর গ্রুপের জন্য এক্সপি টিপস লিখছিলাম। এমন সময় কে যেন এসে ঢাকা ভার্সিটির ইতিহাস লিখতে গিয়ে ৫২'র ভাষা আন্দোলনে গোলাম আজমের স্বারকলিপি প্রদান সম্পর্কিত কিছু তথ্য প্রকাশ করলেন। সাথে সাথে আমাদের ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাগন ঝাপিয়ে পড়লেন। অশ্লীল সব শব্দ নিয়ে একজন আবার কবিতাও(!) রচনা করে ফেললেন...
আমরা জানি আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধারা পাকি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলিবর্ষন করে এদেশ স্বাধীন করেছিলেন। কিন্তু আমাদের ব্লগীয় মুক্তিযোদ্ধারা দেখি গালিবর্ষন করে ব্লগ স্বাধীন করার চেষ্টায় থাকেন সবসময়... আহা, কতই না উৎকৃষ্ট তাহাদের চেতনা..

যাই হোক, এই ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা ও আমাদের দেশের প্রফেশনাল মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু আচরণ আমাকে মাঝে মাঝে ভাবিত করে। সেই ভাবনা থেকেই আমার কিছু প্রশ্ন চলে আসলো মাথায়। ব্লগীয় মুক্তিযোদ্ধারা দয়া করে জবাব দিয়ে যাবেন-

প্রশ্ন-১: এত যে মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ করেন, কিন্তু কোনদিনও আপনাদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গনি ওসমানীর কথা শুনলাম না। রহস্য কি? এদেশে ভারতের অতিরিক্ত নাকগলানি তিনি পছন্দ করতেন না বলে? ভারতের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে দেখি আপনাদের গা জ্বলে... ভারত যে গত ৩৬ বছর ধইরা আমাদেরকে বাঁশ দিচ্ছে, এই সত্যটা আপনারা মেনে নিতে পারেন না কেনো? ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আপনারা নির্বাক কেন সবসময়?

প্রশ্ন-২: আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানীকে বাদ দিয়ে একজন ভারতীয় জেনারেল (অরোরা) পাকিস্থানীদের আত্মসমর্পনের দলিলে সাক্ষর দিলেন, এটা নিয়া কোন প্রশ্ন আপনাদের মনে কোনদিন জাগে নাই কেন? কেউ এই প্রশ্ন করলেও তো তারে রাজাকার উপাধী দিয়া ফেলেন! কোন চেতনার বলে এই কাজ করেন বলতে পারেন?

প্রশ্ন-৩: যে যুদ্ধে আমরা ৩০ লক্ষ প্রাণ দিলাম, সেই যুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানীকে বাদ দিয়ে ভারতীয় একজন জেনারেলকে প্রধান কেন করা হলো, এই প্রশ্ন কোনদিন করেনি কেন? কেউ করলেও তো তার উপরে ঝাপিয়ে পড়েন... বিষয়টা একটু পরিষ্কার করবেন কি?

প্রশ্ন-৪: আপনারা যে এত রাজাকার রাজাকার করেন.. এতযে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি-বিপক্ষ শক্তি বলে চিৎকার চেঁচামেচি করেন, সেই চেতনা কোথায় যায় যখন ৭১ এ পাকিদের তোষন করে কবিতা রচনাকারী শামসুর রাহমানকে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির মঞ্চে দেখা যায়? উলটো তো দেখি শামসুর রাহমানের গুন গান করেন আযানরে বেশ্যার দালালের ডাকের সাথে তুলনা করার জন্য। সমস্যাটা কি তাইলে স্বাধীনতার পক্ষ/বিপক্ষ না ইসলাম?

প্রশ্ন-৫: এই ব্লগে একদা একদল স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির(!) ব্লগার ছিলেন যাদের নেতা এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিদের আস্তানার নামে নাস্তিকতা চর্চার একটি সাইটই করে ফেলেছেন। সেই তিনিই "আমেরিকাকে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শক্তি" বলাতে আমাদে ধমে দিয়েছিলেন এই বলে যে, "এইসব বলা ঠিক না... .. কুটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে.. সামহোয়্যার ত্রিভুজের কারনে মামলা খাবে!" তার স্বগোত্রীয় একজন অতি উৎসাহের সাথে বলেছিলো, 'আমেরিকাকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি বলে আমি নাকি ইতিহাস বিকৃতি করেছি।" যাই হোক, সেই মহান মুক্তিযোদ্ধা(!) ব্লগাররে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তখন আজকে পাকিস্থান যদি আমেরিকার অবস্থানে থাকতো, তাহলে কি আপনি পাকিস্থানের তোষন করতেন? সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার হিম্মত তার হয়নি.... উত্তরটা আপনারা দিতে পারবেন?

প্রশ্ন-৬: সম্প্রতি আমাদের আরেক আমেরিকা প্রেমিক আপুমনি মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট পেয়েছেন এক ব্লগারকে অন্যায় ভাবে আক্রমন করে ও গালাগালি করে। তিনি আবার আমেরিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আমেরিকার সমালোচনা করা উচিত নয়, এই মর্মে তিনি নিজের ব্লগে বেশ কিছুদিন আগে বিশাল পুথিও রচনা করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের ছার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যেভাবে ৭১ ফান্ডমেল্টালিষ্টের মত আচরণ করেছিলেন, তাকে যদি বলি- আপনি কেন আমেরিকাকে একই কারনে ঘৃনা করেন না, কারন আমেরিকাও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জোটে ছিলো! এর উত্তরে তিনি কি জবাব দিবেন জানি না.. তবে জানতে ইচ্ছে করে খুব....! জানি জবাব পাবো না.. ইদানিং তাকে গালিবাজদের আড্ডায় দেখা যায় খুব বেশী... আমার এই প্রশ্নের জবাব দেয়ার কি তার সময় হবে...!? না দিলেও অবশ্য সমস্যা নেই.. আমার ব্লগে গালিবাজ বা গালিবাজদের সঙ্গীসাথীদের আমি সবসময়ই আসতে বারণ করে থাকি....

প্রশ্ন-৭: যে রবিন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে এত বিশাল ভূমিকা রেখেছিলো, তাকে তো দেখি আমাদের তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিরা দেখি রীতিমত পূজো করে..! এমনকি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যে রাখী বন্ধন কালচার তিনি প্রবর্তন করলেন, সেটাকে এই তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি(!)র লোকেরা বাঙালী সংস্কৃতি বলে চাপানোর চেষ্টা করে! আমাদের এই স্বাধীনতার ধারাবাহিক ইতিহাসের মূলে বিরোধীতা করা একটি কালচারকেই আমাদের সংস্কৃতি বলে চাপানোর চেষ্টা করার সময় চেতনা কোথায় চলে যায়? শুধু তাই নয়, যে রবীন্দ্রনাথ ঢাকা ভার্সিটি প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখলেন, সেই ভার্সিটির শিক্ষক/ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝেই দেখি রবীন্দ্র পুজারী বেশী... তারাই পহেলা বৈশাখে রাখী বন্ধনে তৎপর! স্বাধিনতার চেতনা তখন কাজ করে না কেন, সেটাই গবেষনার বিষয়.. উত্তরটা আপনাদের জানা আছে?


এরকম আরো হাজারো প্রশ্ন ঘুড়ে বেড়ায় আমার মনে... একদিনে সবগুলো বলতে চাচ্ছি না.. হজম করতে পারবেন না! আপাতত সাহস করে এই ৭টি প্রশ্নের উত্তরই দিয়ে যাবেন... দেখি আপনাদের চেতনার দৌড় কতটুকু!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দেশপর্যবেক্ষন  বিভাগে ।

 

  • ১৮৩ টি মন্তব্য
  • ১৮০৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৩ জনের ভাল লেগেছে, ৩৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
comment by: গুড ফর নাথিং বলেছেন: জাহাজের টিকেট ফ্রি করা হইয়াছে । আপনার জন্য এক হাজার ফ্রি টিকেট বরাদ্দ করা হইলো । ধন্যবাদ ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: হ! ৭১ এ শামসুর রাহমনা পাকিগো তোষন কইরা কবিতা লেইখা স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি হইতে পারে.. আর আমি এইটা জিগাইলেই জাহাজের টিকিট ধরায়া দিবেন...

২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যারা গালা গালি করেছে তারা নিজ দায়িত্বে করেছে ।। খারাপ তো সবসময়ই খারাপ ।
আপনার কাছে আপাতত একটাই প্রশ্ন -

# আপনি কি মনে করেন গো.আ. ভাষা সৈনিক আছিলো ??

(উত্তর হ্যাঁ অথবা না এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে খুশী হব)
৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@বিষাক্ত মানুষ
গোলাম আজম ভাষা সৈনিক ছিলো কি ছিলো না সেটা আমার মূল প্রসংঙ্গ নয়। আমি শুধু ৭১ ফান্ডামেন্টালিষ্টদের আচরণের ব্যাখ্যা চাইলাম। তাদের ভন্ডামীগুলো খুব চোখে লাগে!


আমার এই ৭টা প্রশ্নের জবাব আপনার কাছে থাকলে দিয়ে যাবেন দয়া করে।
৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩
comment by: ভালো বলেছেন: উত্তর নাইরে , উত্তর নাই, এখানেই কবি নীরব । পাল্টা প্রশ্ন চলে আসছে। তিন কি.মি. দুরের ব্যাপার নিয়ে ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: কবি এখন গুগলে চেতনা বিষয়ক সার্চ দিচ্ছেন...

৫. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: ১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: গোলাম আযম ভাষা সৈনিক ছিলো না, গোলাম আযম নাকি ডাকসুর জি এস আছিল না, ১৯৫২ তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই আছিল না।




এইবার খুশি হইছোস?
৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এড়িয়ে গেলেন তো !!!
এখন যদি কেউ আপনাকে নিয়ে অন্য কিছু সন্দেহ করে সেটা কি তার দোষ হবে !!!!
(আপনার তাতে কিছুই যায় আসে না জানি)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: আপনিই তো আমার ৭টা প্রশ্ন এড়িয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করলেন! মূল প্রসংঙ্গে আসেন। গোলাম আযম নিয়া আমি কোনদিন পোষ্টও করি নাই, তার পক্ষে কোন মন্তব্যও করি নাই। বরং বেশ কয়েকবার বলেছিলাম ৭১ এ গোলাম আযমের ভূমিকার স্বপক্ষে আমি এখনো কোন যুক্তি খুঁজে পাই নাই....


যাই হোক, পারলে আমার ৭টা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাবেন।


আর হ্যা, ভন্ডরা আমারে কি ভাবে, তাতে আমার আসলেই কোন কিছু যায় আসে না... ভন্ডদের ভন্ডমী ধরে ফেললে তারা তো আমার উপরে ক্ষ্যাপা থাকবোই.. গানিতিক হিসেব তাই বলে...!

৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬
comment by: গুড ফর নাথিং বলেছেন: গোআর বিরুদ্ধে কিছু কইলাম আর আপনার লাগলো কেন ? এর ব্যাখ্যা দেন আগে । ভন্ড কে ? তা তো নিজেই পরকাশ করে দিলেন । গুড জব ভাইজান । আপনি এগিয়ে যান । প্রথম যাত্রী হিসেবে আপনাকে সিলেক্ট করলাম । স্বাগতম হে জনাব ! আমাদের গোআ মিশন জাহাজে ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: গোলাম আজমের সাফাই গাইলাম কই ভাইজান? চোখে কি আজকাল বেশী দেখেন নাকি? আমি তো আপনাদের আচরণের ব্যাখ্যা চাইছি...


আমার ৭টা প্রশ্নের জবাব জানলে দিয়া যাইবেন.. (প্রশ্ন আরো আছে.. বলা যায় না.. দ্বিতীয় পর্ব বের করে ফেলতে পারি.. তার আগেই সাফ সাফ জবাব দিয়া আমারে ঠান্ডা কইরা ফালান :))

৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭
comment by: ভালো বলেছেন: আমি কিন্তু কোথাও বলিনি গোলাম আযম ভাষা সৈনিক নাকি ভাষা রাজাকার । শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অতি সামান্য অংশ তুরে দিয়েছি । কিন্তু ওদের ফ্লাডিঙ-গালাগালি আমাকে অবাক করলো । আমার পোষ্টকে পাত্তা না দিলেই পারতো । নাহয আরেকটা পোষ্ট করে সবাই মিলে সেখানে সত্যিকারের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতো ।
৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
comment by: ভালো বলেছেন: কে আগে প্রশ্ন করেছে আর জবাব পাওয়ার তাড়া কে দেয় ? অদভূত !
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি এই টপিকের সাথে গোলাম আজমরে যুক্ত না করলে খুশি হই। আমি গোলাম আজমের পক্ষে সাফাই গাওয়ার কোন কারন এখন পর্যন্ত খুঁজে পাই নাই। কোনদিন পাইলে জোর গলায়ই গামু... আবার বিরুদ্ধে বলার কারন পাইলেও জোর গলায় বলুম সেইটা....


আপাতত ভন্ডদেরকে আমার ৭টা প্রশ্নের উত্তর দিতে দেন... টপিক অন্যদিকে নিয়ে যেতে তাদের সাহায্য কইরেন না!

১০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: দ্যাটস ইট!
১১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০২
comment by: গুড ফর নাথিং বলেছেন: আরো দুজন যাত্রী লিস্টেড ।
১২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১২
comment by: রাহাত আহমেদ বলেছেন: ভাই আমি দাওয়াত গ্রুপের মেম্বার হতে চাই ।
সাহায্য করুন .....।
কম্পিউটার বিষয়ে অনেককিছু আপনে জানেন । আমাকে একটা বিকল্প উপায় বলে দেন ।
১৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৪
comment by: ভালো বলেছেন: স্যরি ত্রিভুজ । কিন্তু পোস্টের দ্বিতীয় লাইনটা ভালোর ওপর আরোপিত । গোলাম আযমের পক্ষে সাফাই গাওযার কোন ইচ্ছা ভালোরও নাই । বাই-ঘুমাবো !
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: দেখেন, এমনিতেই আমার মূল প্রসংঙ্গ এড়িয়ে মুক্তিযোদ্ধারা(!) উদ্ভট সব কথা বলছে.. তাদের আরো উদ্ভট প্রশ্ন করতে দিতে চাই না...

যাই হোক, গুড নাইট। ভাল থাকেন।

১৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আপাতত ভন্ডদেরকে আমার ৭টা প্রশ্নের উত্তর দিতে দেন...


- এটা কি একটা গালি?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: ছোট বেলা আমাকে শেখানো হয়েছিলো, কানাকে কানা বলিও না, ল্যাংরাকে ল্যাংড়া বলিও না.. কিন্তু এটা শেখানো হয়নি যে, ভন্ডদেরকে ভন্ড বলিও না।


পারলে মূল আলোচনায় আসেন। প্রশ্নগুলোর সদুত্তর দিয়া যান। না পারলে অফ যান। আপনি নিজেও আমাকে আপনার ব্লগে বক্তব্য রাখতে দেন না.. আমার ব্লগে এসে আপনার বক্তব্য রাখাটা কিছুটা অশোভন... আমার জবাবগুলো নিয়ে আলাদা পোষ্ট দিলেই আমি পড়ে নেব...

এর পর অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য করলে মুছে দেব....

১৫. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫
comment by: এম.এ.হামিদ বলেছেন: ভিসা পাইলাম না বইলা আম্রিকার ওপরে রাগ কেন ত্রিভুজ
১৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
comment by: মোহাম্মদ আলী মাখন বলেছেন: চোরের মার বড়ো গলা । তোমারে মিয়া ভাল করে চিনি । বাইন মাছ । খালি পিছলাও । তোমার মন মতো উত্তর না পেলে তুমি সন্তুষ্ঠ হইবা না । এক কাজ করতে পারো । নিজেই একটা উত্তর দিয়ে যাও । তুমি তো অনেক স্টাডি করতাছো মুক্তিযুদ্ধ নিয়া । ভারতের দোষ এতো তাড়াতাড়ি খুইজা পাইলা আর রাজাকারদের দোষ এখনো কি পাও নাই ? রেন্টু ফেন্টুর বইয়ের সাথে সাথে অন্যান্য বইও পইড়ো । তোমার ব্লগে তো প্রায় সবাই ব্লক । তাদেরকে আগে ঘোষনা দিয়ে আনব্যান করো । তারপর উত্তর খুজ । ধন্যবাদ ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: আপনি তো ব্লক না.. আপনিই উত্তটা দিয়ে যান... একটু বুঝার চেষ্টা করি...

১৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
comment by: বজলু মহাজন বলেছেন: হ
উপরের সবাই এ্যত ম্যা ম্যা কইরা প্রসংগ অন্য দিকে ঘুরাইতে চাইতাছে ক্যান? স্বাধীনতার স্বপক্ষধারী (?) গো মুখ দিয়া এহন কোন কতা বাইর হয়না ক্যান? জবান বন্ধ হইয়া গ্যাল নিকি?
একজনেওতো কোন জবাব দিলনা! খালি প্যাচাইয়া গোচাই্যা অন্যদিকে লইয়া লাওনের চেষ্টা! কই হ্যাডম থাকলে জবাব দিয়া হেরপর কাঠালপাতা নিয়া চিন্তা কর নাইলে কিন্তু তগো শইল্যে দিনরাইত এইরকম চোত্রা পাতার ডলনই পড়ব। খিকজ!

সাব্বাশ বাপের বেডা ত্রিভুজ!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: কোথায় পালিয়েছিলেন আপনি? ওয়েলকাম ব্যাক....

আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করা বাংগালিদের কথা আর কি বলবো... কিছু বলার নাই আসলে... ভন্ড বলতেও আর ইচ্ছে করে না.. ভন্ডরা তাতে মাইন্ড করতে পারে....

১৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
comment by: ১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: বজলু কাকু,

বহুদিন পর আসিলা ! কোথাও ঘুরতে গেছিলা নিকি? একটু কও, হুনি............
১৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২২
comment by: আবাবিল বলেছেন: উত্তর তো পাইলাম না, হয় উত্তর নাই, নয় উত্তর দেয়ার লোক নাই।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: সেরকমই মনে হচ্ছে...

২০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
comment by: বজলু মহাজন বলেছেন: হ, ঘুরতে গেছিলাম হংকং। হেইল্যাইগা এতদিন আইতে পারিনাই। @১৯৭১ আমার চেতনা
২১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
comment by: পিক্সেল বলেছেন: হাহাহা ভাল প্রশ্ন। এইগুলা পলিটিক্যাল বিষয়। হাজার বছর ধরে এই প্রশ্ন নিয়া বিতর্ক করা যাবে। তবুও কেউ কাউকে ছাড় দিবেনা।
২২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৩
comment by: পান্জেরী বলেছেন: আমাদের ও একই কথা।

রুখে দাঁড়াও এসব মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নব্য ব্যবসায়ীদের।
২৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: না বলা কথা বলেছেন:
ভাইটি, আপনে বলে কমপুর হেভি উস্তাদ।
মুই মন্তব্যের ঘরে ছবি লাগামু কেমনে।
কনছেন দেহি।
অনেক ফায়দা হয়।
২৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১০
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: পান্জেরী বলেছেন:রুখে দাঁড়াও এসব মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নব্য ব্যবসায়ীদের।

ভাইজান, আগে রাজাকারদের রুখি, তারপর দেখাযাবে কে নব্য ব্যাবসায়ী না কি? ব্যাবসায় করলে করে। তাও তো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকে। কিন্তু আপনি কেমনে রাজাকারগো বাদ দিয়া হেগোরে রুখতে চান। খালি আজাইরা পেচাল তাইনা?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: সমস্যাটা হলো মুক্তিযু্দ্ধের চেতনা হওয়া উচিত ছিলো আমাদের জাতীয় চেতনা.. কিন্তু তা না হয়ে হয়েছে একটি রাজনৈতিক দলের চেতনা... নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে তারা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ককে অস্বীকার করে বসতে পারে... পাকিস্থানীদের তৈল মর্দনকারী শামসুর রাহমানকে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি আখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মঞ্চে দাঁড় করাতে পারে.. মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে এখন চলে ভন্ডামী... এই ভন্ডামী চেতনার পক্ষে সাফাই গাইতে বলছেন?

২৫. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: ঘোড়ার ডিম বলেছেন:
+
২৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: মাঝেমধ্যেই এই পোষ্ট দেখে যাবো জবাবের আশায় ...

দেখি, কবে ঘটে ভন্ডদের চেতনার বিষ্ফোরণ...
২৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: মাথামোটা বলেছেন:
আনব্যান করছ দেইকা কুশী হইলাম।
২৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৩
comment by: জমির মাতব্বর বলেছেন: বলেন কি? আসলে অনেক ব্যাপারেই মনে হয় আপনার ধারণা অস্পষ্ট। আপনি যাদের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তাদেরই উচিত আপনার প্রশ্নগুলোর জবাব দেওয়া। তবে বাংলাদেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে ইতিহাস যেটুকু জেনেছি তাতে আপনার কিছু প্রশ্নের জবাব হয়তো আমি দিতে পারব। আমার মতো সাধারণ ব্লগার অনেকেই দিতে পারবেন। কিন্তু সেটা আপনি গ্রহন করবেন কিনা।

প্রশ্ন ১, ২ এবং ৩ মোটামুটি একই প্রশ্ন ঘুরেফিরে করা হয়েছে।

ওসমানী ভারত বিদ্বেষী ছিলেন না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন বাঙালী বলে চরম বঞ্চনার শিকার হয়েছিলেন, তাকে আগাম অবসরও দেওয়া হয়েছিল শুধু কর্ণেল পদোন্নতি দিয়ে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় তার সমপর্যায়ের অনেকেই লে. জেনারেল পর্যন্ত পৌছে গেছেন। একটা স্বাভাবিক যুক্তি দিচ্ছি আপনাকে। ঠাণ্ডা মাথায় পড়বেন দয়া করে। ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধটা হয়েছিল তা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের কাছ থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীন হওয়ার যুদ্ধ। দু দেশের মাঝখানে ভারত। যুদ্ধে তারা একটা বড় ভূমিকা রেখেছিল। পূর্ব পাকিস্তান যেটাকে বলে স্বাধীনতা যুদ্ধ, পশ্চিম পাকিস্তান সেটাকেই ১৯৭১ সালে বলেছে আভ্যন্তরিন গোলযোগ, গৃহযুদ্ধ ইত্যাদি। পূর্ব পাকিস্তান ভারতকে ব্যবহার করেছে এই যুদ্ধে। স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার অবস্থান করেছে ভারতে, সাধারণ মানুষ প্রাণ বাচাতে আশ্রয় নিয়েছে সে দেশে (এক পর্যায়ে শরণার্থী প্রায় এক কোটি হয়েছে যাদের থাকা খাওয়ার ব্যয় বহন করেছে ভারত)। মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে ট্রেনিঙ নিয়ে তাদের অস্ত্র দিয়েই যুদ্ধ করেছে। আপনাকে এটা বুঝতে হবে মুক্তিযোদ্ধারা কিন্তু তখনও অখন্ড পাকিস্তান সরকারের কাছে দুষ্কৃতিকারি, আভ্যন্তরীন গোলোযোগ সৃষ্টিকারী। এই মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সেনা বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন (যা তখন মুক্তিফৌজ বলে পরিচিত ছিল)। কর্ণেল ওসমানীকে জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ সরকার এই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ভার দেয়। তার অধীনেই বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন। আবারও বলি এই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কিন্তু পাকিস্তান সরকারের কাছে তখনও দুষ্কৃতিকারী এবঙ বিদ্রোহী। পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক প্রশাসক তাদের (সেক্টর কমান্ডার ও সিনিয়র সেনাকর্তাদের) বারবার নোটিশ পাঠিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলেছে তখন।
ভারত পরোক্ষ ভাবে এই যুদ্ধে থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ছিল না। তাই তখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার ভারতকে ইচ্ছেমতো অভিযুক্ত করলেও কিছু করতে পারছিল না। এখানে জেনে রাখুন যে এর আগে ১৯৬৭ সালেও পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল এবং পশ্চিম রণাঙ্গনে পাঞ্জাবের অনেকখানিসহ একটা বড় অংশ হারিয়েছিল ভারত। সেই জমি উদ্ধারের জন্য মরিয়া ছিল তারা।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমন করে পাকিস্তান। তখনই শুরু হয়ে যায় পাক-ভারত যুদ্ধ। শুধু বাংলাদেশ নিয়ে নয় সব সীমান্তেই। পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধ করেছে ভারত ও বাংলাদেশের মিত্র বাহিনী। এদের অধিনায়ক ছিলেন ভারতীয়। গোটা যুদ্ধে তো বটেই। পূর্ব রণাঙ্গনে পাকিস্তান যখন আত্মসমর্পণ করে, সেটা আনুষ্ঠানিকভাবেই তারা করতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় অধিনায়কের কাছে। কারণ তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। পশ্চিম রণাঙ্গনে আরো কিছুদিন যুদ্ধ চলেছে, ততদিনে ভারত তাদের পুরো জমি উদ্ধার করে ফেলেছে।

এখন ভারতীয় এই আগ্রাসনকে অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা তিনদিক থেকে আমাদের ঘিরে আছে। আমাদের রাষ্ট্রনীতি এবং ব্যবসাবানিজ্য থেকে শুরু করে সবকিছুতেই তাদের দাদাগিরি আমাদের সহ্য করতে হয়। কারনটা আর কিছু নয়, আমরা ভারতকে মোকাবেলার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নই। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে হয়তো ভারতীয় নেতাদের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে মিছিল করা যায়, পত্রিকায় গরম গরম লেখা যায়, বক্তৃতা দেয়া যায়। কিন্তু সরকারে গেলে ভারতকে তোষন করতেই হবে। কারণ আমাদের চালটা থেকে চিনিটা পর্যন্ত তাদের থেকে আনতে হয়। এমনকি কোরবানীর গরুটাও। পেটে খেলে পিঠে তো সইতে হবেই।


৪. শামসুর রাহমানকে নিয়েও আপনি ভুল জানেন। উনি দেশ ছেড়ে যাননি, কিন্তু যুদ্ধের সমযটা পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আন্দালিব আদিব ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন যা সে সময় ভারতীয় দেশ পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কবিতাগুলো নিয়ে তার একটি বই আছে বন্দিশিবির থেকে। আর বেশ্যার সঙ্গে আজানের তুলনা নিয়ে যা বলছেন সেটাও আসলে অজ্ঞতাপ্রসূত। এমন চান্দিপসর রাইতে... দিয়ে শুরু কবিতাটা এক মাতালের প্রলাপ। সে যা তা বলছে। কবিতার চরিত্র, গল্পের চরিত্র কিংবা উপন্যাসের চরিত্র সবসময়ই ফিকশন বলে বিবেচিত হয়। মাতালের প্রলাপ হিসেবে কবিতাটা অসাধারণ। এখন যদি সেই প্রলাপ ধরে কবিকে আক্রমণ করতে হয়, তাহলে সবার আগে ধরতে হবে কবিতার লোকটা মদ কেন খেল? মদ খাওয়া তো হারাম।


আপনার ৫ ও ৬ নম্বর নিয়ে আমার কিছু জানা নেই।

৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তরে বলবো আবারও আপনার ভুল হচ্ছে। বঙ্গভঙ্গ বিষয়টাই আপনি বোধহয় বুঝতে পারেননি। এনিয়ে নাস্তিকের ধর্মকথা নামের একজন ব্লগার বেশ ভালো একটা পোস্ট দিয়েছেন। যদি খোলামন নিয়ে পড়েন তাহলে নিশ্চয় আপনার অনেক ভ্রান্তি কেটে যাবে।

এখন কথা হচ্ছে মানুষ তার প্রচলিত বিশ্বাসকে অস্বীকার করতে চায় না কখনই। সেটা দোষের নয়। দোষ হচ্ছে অন্ধের মতো তা আকড়ে থাকা, প্রতিপক্ষের যুক্তি শুনতে না চাওয়া। কিছু মনে করবেন না, আপনার মধ্যে সেটা অনেকখানিই প্রকট।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: রেফারেন্স ছাড়া এরকম প্রলাপ বকা কঠিন কোন কাজ নয়। আপনার কথাগুলোতে সত্যের সাথে মিথ্যাকে এমন সুকৌশলে মেশানো হয়েছে যে সাধারন মানুষ খুব সহজেই ধোঁকা খেয়ে যাবে।


আপনি বললেন, এখানে জেনে রাখুন যে এর আগে ১৯৬৭ সালেও পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল এবং পশ্চিম রণাঙ্গনে পাঞ্জাবের অনেকখানিসহ একটা বড় অংশ হারিয়েছিল ভারত। সেই জমি উদ্ধারের জন্য মরিয়া ছিল তারা।
তাহলে কি ধরে নেব ৭১ এর যুদ্ধটা ভারতই বেশী চেয়েছিলো আমাদের চেয়ে? নিজেদের জমি ফ