আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

রবীন্দ্রসঙ্গীতকে কেউ যদি নিজের নামে চালাতে চায়.. তাও নিজের সম্পত্তি দাবী করে?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রশ্নটা করা মনে হয় ঠিক হলো না.. কারন এর আগে ফিডব্যাকের মাকসুদ শুধু মাত্র রবিন্দ্রসঙ্গীতের সুর পারিবর্তনের কারনে রবীন্দ্রপূজারীদের আক্রমনের লক্ষবস্তু হয়েছিলেন। তবুও আমার হলো এরকম একটি প্রচেষ্টা নিলে কি হতে পারে? কি কি জবাব আসতে পারে তা আমাদের অনেকেরই অজানা নয়। কপিরাইট ভঙ্গের একটি বিষয়ও জড়িতে থাকতে পারে। কিন্তু যদি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথই কপিরাইটের তোয়াক্কা না করে থাকেন, তাহলে বিষয়টা কেমন দাঁড়ায়?

অনেকদিন আগে একটি কৌতুক শুনেছিলাম অনেকটা এরকম যে, এক লোক অনেক চাপাবাজি করে। তো সে সঙ্গীত নিয়েও চাপাবাজি করছে। সে এই সঙ্গীত লিখেছে সেই সঙ্গীতের সুর দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
তো তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিষয়ে কি জানো?
জবাবে সে বললো, কত রবীন্দ্রসংঙ্গীত লিখলাম আর তুমি বলো কি জানি!?
এই কৌতুক শুনে আপনি হয়তো হাসবেন। কিন্তু আমি যদি বলি শুধু এই চাপাবাজই নন, আরো অনেক ব্যক্তি রবীন্দ্রসংঙ্গীত বানিয়েছেন তাও রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই, তাহলে নিশ্চই এটাকেও কৌতুক ভেবে উড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু সেরকমটি সত্যি হয়েছিলো।

"কতবারো ভেবেছিনু ..." গানটা নিসন্দেহে অনেকের প্রিয় তালিকায় আছে। গানটা আমারো অনেক প্রিয়। আমার মেডিকেল পড়ুয়া এক কাজিন একবার বলেছিলো শুধু এই গানের জন্যই নাকি কোনদিন সে রবীন্দ্রনাথের কোন সমালোচনা সহ্য করতে রাজী নয়। তো তার কাছে ক্ষমা চাওয়া পূর্বক আমাকে বলতে হচ্ছে যে এই গানটি রবিসাহেব কপি করেছিলেন মোজার্ট থেকে। এটি নিয়ে আগে একটি পোস্ট ছিলো দেখতে পারেন
রবীন্দ্রনাথ এই গানের নকল করে কোনরকম প্রাপ্তি স্বীকার না করেই নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেনএমনকি এটির কপিরাইটও নিয়ে নেয়া হয়েছে...
গানটির রবীন্দ্র রিমিক্স শুনতে এখানে ক্লিক করুন

"পুরানো সেই দিনের কথা".. অসম্ভব সুন্দর একটি গান। আমার প্রিয় বিশটা গানের একটি। কিন্তু এই গানটিও হুবহু কপি করা হয়েছে ১৭০০ শতাব্দির স্কটিশ মিউজিক থেকে।
- মূল গানটির করা হয়েছিলো ১৭৮৮ তে। শুনতে হলে এখানে ক্লিক করুন
- রবীন্দ্রনাথ করেছেন ১৮৮৫ সালে। শুনতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

মূল গানের লিরিকটি দিলাম-
Auld Lang Syne - 1788- Scottish Folk
Should old acquaintance be forgot
And never brought to mind?
Should old acquaintance be forgot,
And auld lang syne!
The new year brings us hope for peace,
A new day for mankind,
Where we can all live hand in hand
And leave all hate behind.
For auld lang syne, my dear.
For auld lang syne.
We'll take a cup of kindness yet
For auld lang syne.
When dreams they seem so far away,
Your soul can feel so low.
But love is never far away;
Your heart won't be alone.
Let's make a world where people care,
A world that knows no fear,
Where we can open up our hearts
And hold each other dear.
Our children grow, they need to know
The Future's theirs to hold.
If we can teach them how to love
Then the world can carry on.
For auld lang syne, my dear.
For auld lang syne.
We'll take a cup of kindness yet
For auld lang syne.


"ফুলে ফুলে.." গানটিও একটি স্কটিশ ফোক গানের সুর নকল করে করা। মূল গানটি করা হয়েছিলো ১৭৯২ তে এবং রবীন্দ্রনাত সেটিকে নিজের বলে চালাতে শুরু করেছেন ১৮৮৫ তে।
- মূল গানটির লিংক
- রবীন্দ্রনাথের কপি করা ভার্সনের লিংক

"ওহে দয়াময়.." গানটিও রবীন্দ্রনাথ Go Where Glory Waits Thee গানের নকল করে করেছেন যার মূল গানটি ১৮০৭ সালে করা হয়েছিলো। রবিন্দ্রনাথ করেছেন ১৮৮৫ তে।
- মূল গানের লিংক (পরে আপলোড করবে)...
- রবিন্দ্রনাথের কপি।

আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে পরিচিত আমার সোনার বাংলা'ও মৌলিক কোন সৃষ্টি নয়। একটি বাউল সঙ্গীতের সূর হুবহু মেরে দিয়ে এই গানটি তৈরি করা হয়েছে। মূল বাউল সঙ্গীতটির লিরিক নিচে দেয়া হলো-

আমি কোথায় পাবো তারে,
আমার মনের মানুষ যে রে।
হারায়ে সেই মানুষে তার উদ্দেশ্য
আমি বেড়াই ঘুড়ে দেশে দেশে।

লাগে সে হৃদয় শশী
সদা প্রাণ হয় উদাসী
পেলে মন হতো খুশি
দিবানিশি দেখতাম নয়ন ভরে
আমার প্রেমাণলে মরলাম জ্বলে
নিভাই কেমন করে
মরি হায়!

ও তার বিচ্ছেদে প্রাণ কেমন করে
ওরে দেখনা তোরা হৃদয় চিরে
আমি কোথায় পাবো তারে
আমার মনের মানুষ যে রে।

দিবো তার তুলনা কি?!
যার প্রেমে জগৎ সুখী
হেরে যে জুড়ায় আখি
সামান্যে কি দেখতে পাবি তারে।
তারে যে দেখেছে সে মজেছে
ছাই দিয়ে সংসারে
মরি হায়।

ওরে না জানি কি কুহক জানে
অলক্ষে মন চুরি করে
আমি কোথায় পাবো তারে?

কুলমান সব গেলোরে
তবু না পেলাম তারে,
প্রেমের লেশ নাই অন্তরে
তাই তো মোরে দেয়না দেখা সে রে।

ও তার বসত কোথা না জেনে
কয় গগন ভেবে মরে
যদি সেই মানুষের হদিশ জানিস
কৃপা করে আমার সুহৃদ হয়ে
আমার গেতি হয়ে বলে দেরে
কোথায় পাবো তারে
আমার মনে মানুষ যে রে।
হারায়ে সেই মানুষে তার উদ্দেশ্য
আমি বেড়াই ঘুড়ে দেশে দেশে।
কোথায় পাবো তারে
আমার মনে মানুষ যে রে।

শুনতে চাইলে ক্লিক করুন: Click This Link


এমনি আরো বেশ কিছু গানের মূল দলিল সহকারে গানগুলো রয়েছে যেগুলো হুবহু বিভিন্ন দেশের কপিরাইটেড মিউজিক থেকে কপি করা। এমনকি শিলাদহে থাকবার সময় কুষ্টিয়ার অনেক বাউল গান রবিন্দ্রনাথ কপি করেছেন, যার মধ্যে খোদ লালনের গানও আছে । প্রশ্ন হচ্ছে এগুলো তাহলে বিশ্বভারতীর কপিরাইট হয় কি করে?

প্রজন্ম ফোরাম ও অমিক্রন ল্যাবে এবিষয়ক কিছু আলোচনার লিংক দিলাম।
- প্রজন্ম ফোরামে
- অমিক্রনল্যাবে
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কপি করা বেশ কিছু গানের মূলগুলো ডকুমেন্টস সহ এখানে পাওয়া যাবে

আরো বিস্তারিত আলোচনা চলতে পারে এখানে? তবে তার আগে আমার একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন, কেউ যদি এখন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরে নতুন কথা যুক্ত করে নিজের নামে এ্যালবাম বের করে, কাজটা অন্যায় হবে কি?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রবীন্দ্রনাথগাননকলকপিরাইট ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পর্যবেক্ষন  বিভাগে ।

 

  • ৫২ টি মন্তব্য
  • ৯৯৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৭ জনের ভাল লেগেছে, ২০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: রবীন্দ্রসংঙ্গীতক, রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রপুজারীদের পিছনে লাগছেন কেন? রবীন্দ্রনাথের অনেক ভালো কাজ আছে সে গুলা নিয়া কথা বলেন। 'বি পজেটিভ' হতে অসুবিধা কোথায়।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ অনেক ভাল কাজও করেছেন সেটা অস্বীকার করিনি। তবে ব্লগে একটা ট্রেন্ড আছে যে কেউ যদি বাই এনি চান্স কোন খারাপ কাজ করে ফেলে, তার বাকি সব ভালকাজও মূল্যহীন হয়ে যায়। তবে এটা যারা বলে বেড়ায় তারা নিজেদের বেলায়ও একই বিশ্বাস পোষন করে কিনা তা পরিক্ষা করার জন্য এই পোস্ট। এটিকে আপনি লিটমাস পেপার হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
comment by: রাগিব বলেছেন: (ছোট্ট একটা সংশোধন - আপনি "কপিরাইটেড" বলছেন ... লেখকের/কবির মৃত্যুর ১০০ বছর পেরুলে অধিকাংশ দেশেই কোনো কিছুরই কপিরাইট থাকে না, কাজেই কপিরাইটেড কথাটা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বরং অনুকরণ বলতে পারেন)।

auld lang syne এর সূর আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বেল-টাওয়ারের ঘণ্টাতে শুনে একদিন তাজ্বব বনে গিয়েছিলাম (পুরানো সেই দিনের কথার সুর দেখে)। তবে পরে জানতে পেরেছি, বিদেশী লোকগাঁথা বা লোকসঙ্গীতের সূর ধরে এরকম বেশ কিছু গান রবীন্দ্রনাথের রয়েছে, যাকে "ভাঙা গান" বলা হয়ে থাকে।

auld lang syne এর সূরে কিন্তু দুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে অনেকগুলো সঙ্গীত রচিত হয়েছে। তালিকা পাবেন এইখানে Click This Link

(মার্কিন জাতীয় সঙ্গীত star spangled banner এর সুর কিন্তু একটি ব্রিটিশ মদ-খাওয়ার সঙ্গীত থেকে নেয়া Click This Link )
৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪
comment by: সুনাগরিক বলেছেন: কঠিন।
৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

রবীন্দ্রনাথ ১০০ বছর পেরুনোর আগেই নকল করেছিলেন। অনুকরণ মানে কি গানের কথা ও সুর হুবহু মেরে দেয়া?

auld lang syne এখনো কপিরাইটেড! তাহলে একই গান কি করে বিশ্বভারতীর কপি রাইটের অধীনে থাকতে পারে?
৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
comment by: সুনাগরিক বলেছেন: পুরানো সেই দিনের কথা.. এই সুরটার ইংরজীটা অনেক কমন। অনেকবার নানা স্থানে শুনেছি। কিন্তু কতবার ভেবেছিনুর ব্যাপারটা সত্যিই রহস্যময়। রবীন্দ্রনাথের হয়তো ভালো লেগেছিল তাই একই সুরে গান করেছেন।
৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: @ ত্রিভুজ

দেখতে হবে খারাপের গভিরতা কতটুকু - অমার্জনীয় খারাপ - মার্জনা করার প্রশ্নই উঠে না।

রবীন্দ্রনাথ কিন্তু ধার করা বিষয় বা লেখা দিয়ে নোবেল পাননি। আমার গর্ভটা সেখানেই।

আমি রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্প এবং সিলেকটেট কিছু গানের ভক্ত।
৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: এগুলো অনেক পুরাতন খবর, আপনি হয়ত নতুন শুনেছেন।
ব্লগে অলরেডী আলোচনা হয়েছে, তবু পোস্ট করলেন।

রবীন্দ্রনাথ, ১৭ বছর বয়সে লন্ডনে এসে যে বাড়িতে ছিলেন। সেই বাড়ির কন্যাদের সাথে পশ্চিমা গানের তালিম নিতেন। এর ফলে পাশ্চাত্যের অনেক সুরই তিনি বাংলায় প্রয়োগ করেছেন।

আর যে গান দিয়েছেন এটার সুর দুনিয়ার অনেক দেশে ব্যবহার হয়েছে। এতে কিছু ক্ষতি-বৃদ্ধি নেই। সবার রচনাই মৌলিক।

আরও বলি, মাইকেল ইতালীর অমিত্রাক্ষর ছন্দে কবিতা লিখেছেন। নজরুলের কবিতায় হুইটম্যানের প্রভাব অনেক বেশি। অনেক ক্ষেত্রে ভাবে-শব্দে মিল পাওয়া যায়। বাংলার ত্রিশের কবিরা সব বোদলেয়ারের দ্বারা প্রভাবিত। এখনকার গল্পকাররা সব ল্যাটিন 'ম্যাজিক রিয়ালিজম' দিয়ে গল্প লেখেন।

এতে কি বুঝা যায় এরা সবাই চুরি করছেন? এভাবে দিতে হলে আপনাকে অনেক পোস্ট দিতে হবে।

৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫
comment by: রাগিব বলেছেন: "রবীন্দ্রনাথ ১০০ বছর পেরুনোর আগেই নকল করেছিলেন। অনুকরণ মানে কি গানের কথা ও সুর হুবহু মেরে দেয়া?"

১০০ বছর সংখ্যাটা আমি আপার-লিমিট হিসাবে ধরেছি ... এটা বাংলাদেশ/ভারতে ৬০ বছর, পাকিস্তানে ৫০, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭০।


""auld lang syne এখনো কপিরাইটেড! তাহলে একই গান কি করে বিশ্বভারতীর কপি রাইটের অধীনে থাকতে পারে?""

গানটি বা তার সুর কপিরাইটেড না। আপনি যে ছবি দিয়েছেন, তাতে কপিরাইটেড হলো ঐ স্বরলিপির কাগজ/শিট-টা। ব্রিটেনে কপিরাইট আইনে কপিরাইটের সীমা হলো কবির মৃত্যুর ৭০ বছর পর্যন্ত।

Click This Link
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন:
স্বরলিপির "কাগজ"-এর কপিরাইট? হা হা


যাই হোক, যে প্রশ্নটা সবার শেষে দিয়েছিলাম সেটির জবাব কি হতে পারে? প্রশ্নটা আবারো দেই-

কেউ যদি এখন রবীন্দ্রসংঙ্গীতের সুরে নতুন কথা যুক্ত করে নিজের নামে এ্যালবাম বের করে, কাজটা অন্যায় হবে কি?

৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫
comment by: ওয়ামি বলেছেন: রাগিব ভাইয়ের সাথে একমত। এটাকে অনুকরণ বলা যেতে পারে। লালনের অনেক সুরও রবীন্দ্র সঙ্গীতে পাওয়া যাবে। এটাকে পজিটিভলি নেয়াই ভালো।
১০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: প্রামান্য বিশ্লেষণ...
কি জানি..
প্যানপ্যানানি রবীন্দ্রসঙ্গীত আমি শুনিনা । হলের ল্যান- থেকে বেশ কিছুদিন আগে কিছু গান ডাউনলোড করেছিলাম..
মাঝে কয়েকবার টেষ্ট করার চেস্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছি...
১১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: @ নাজিম উদদীন

ধন্যবাদ।
১২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
জটিল
১৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: আমাদের জাতীয় সংগীতের সুর লালন/ গগন হরকরার কাছ থেকে কবি নিয়েছেন।
১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
comment by: মোমের আলো বলেছেন: ফাটায়া দিসেন বস
১৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
comment by: নির্ভয় বলেছেন: ভাল বিশ্লেষন।
১৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন:
ত্রিভুজ সাহবের কপিরাইট জ্ঞান দেখে অবাক হলাম, দেশ ভেদে যে কোন ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক যে ক্রিয়েটারের মৃত্যার ৫০-৬০-৭০ বসরের মধ্যে যে পাবলিক ডোমেনে চলে আসে তা মনে হয় তিনি জানেননা
১৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০২
comment by: চিরচেনা বলেছেন: ভাল
১৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৭
comment by: যুদ্ধ বলেছেন: ভাল
১৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: @ত্রিভুজ- ভাই গানবাজনা আমার ভাল লাগে তাই শুনি যদিও বিশেষজ্ঞ নই, তবুও কিছু বলার আকাঙ্খা রাখি। রবীন্দ্রনাথ পশ্চ্যাত্যে গিয়েছেন, সেখানে গান শিখেছেন ওদের জেনেছেন। বিধায় সেখানের গানের প্রভাব রবীন্দ্রনাথের গানে থাকাটা একেবারেই স্বাভাবিক। তিনি যখন পূর্ব বাংলায় জমিদারি দেখতে আসেন তখন তার পরিচয় ঘটে এখানকার বাউলদের সাথে। বাউলরা নিজেরাই রবীন্দ্রনাথের কাছে আসতেন, গান শুনাতেন এবং আলোচনা করতেন। বিধায় পূর্ব বঙ্গে আসবার পরের গানগুলিতে বাউল ধারার মিশ্রন পাওয়া যায়। পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর সে গুলোকে গ্রহন করার মাঝে মহত্ত্ব আছে বলেই আমার মনে হয়। যদিও রবীন্দ্রনাথের গানের কপিরাইট আইন সম্পর্কে আমি তেমন জানি না, তবে পৃথিবীর সুন্দর গুলো গ্রহন করে, সেগুলো আটকে রাখার পক্ষপাতি আমি নই।


আপনার একটা প্রশ্ন হচ্ছে: কেউ যদি এখন রবীন্দ্রসংঙ্গীতের সুরে নতুন কথা যুক্ত করে নিজের নামে এ্যালবাম বের করে, কাজটা অন্যায় হবে কি?

শুধু রবীন্দ্রসংগীত কেন, অন্য কোন সুরে ক্ষেত্রেই এই নিয়ম থাকা উচিত নয় বলে আমার মনে হয়। আমি শ্রোতা যদি কোন বিশেষ গায়কের কন্ঠে অন্য গানের সুরে নতুন গান পছন্দ করি, তবে আমাকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয় একেবারেই। একই ব্যাপার বলছেন নচিকেতা। তার যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে নাকি একলা চলতে হয় গানটি কিন্তু রবীন্দ্র সংগীতের সুরে (আমার যতদূর মনে হয়)। এর জন্য নচিকেতার নাকি অনেক আদালতে দৌড়াতে হয়েছে।
২০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১০
comment by: বৃত্ত বলেছেন: +++++++++++
আমাদের জাতীয় সঙ্গীত কী উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল, তাও একটু লিখবেন প্লিজ।
২১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৩
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: আর একটা কথা, আপনি চুরি/মেরে দেওয়া/চালিয়ে দেওয়া শব্দটা ব্যবহারে খুব উৎসাহী। একইর রকম ব্যাপার স্কুলের কেমিস্ট্রি বইতে দেখতাম। রাদারফোর্ডের পরমানু মডেলের যে সীমাবদ্ধতা গুলো ছিল, বইতে তা লেখা হত ত্রুটি হিসেবে। যাইহোক পরে কি করে জানি না, কর্তৃপক্ষের বুদ্ধির উদয় হয় এবং তারা "ত্রুটি" শব্দটির স্থলে "সীমাবদ্ধতা" ব্যবহার করেন।
২২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@বিবর্তনবাদী
আপনার মন্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই "মেরে দিয়েছে" পরিবর্তন করে "কপি করেছেন" দিলাম। তবে "চুরি" শব্দটা আমি ব্যবহার করিনি এই লেখায়।

সত্যি কথা বলতে কি বর্তমান এইসব কপিরাইট আইনের প্রতি আমার নিজেরও কোন আস্থা নেই। ইনটেলেকচ্যুয়াল প্রোপার্টিজের বর্তমান সিস্টেমে কপিরাইট হওয়া উচিত নয় বলেই মনে করি। যেটুকু হওয়া উচিত তাহলে ক্রিয়েটরের নাম উল্লেখপূর্বক তা ব্যবহার করা।
২৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: রবীন্দ্রসংঙ্গীতকে কেউ যদি নিজের নামে চালাতে চায়.. তাও নিজের সম্পত্তি দাবী করে? - ত্রিভুজ

টাইটেলে সঙ্গীত বানান ঠিক করেন।
২৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
ঠিক করা হলো। ধন্যবাদ নাজিম উদদীন।
২৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
comment by: রাগিব বলেছেন: "স্বরলিপির "কাগজ"-এর কপিরাইট? হা হা"

এটার একটু ব্যাখ্যা দেই, সম্ভবত গানটির সুরকে স্বরলিপির চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করাটাকেই উইলিয়াম ওয়ালেস কপিরাইট দাবি করছেন, গানটাকে না। গানটা পাবলিক ডোমেইনে এসে গেছে শ দুয়েক বছর আগেই।


""কেউ যদি এখন রবীন্দ্রসংঙ্গীতের সুরে নতুন কথা যুক্ত করে নিজের নামে এ্যালবাম বের করে, কাজটা অন্যায় হবে কি?""


রবীন্দ্রনাথের রচনাবলী পাবলিক ডোমেইনে এসে গেছে ২০০০ সালে, কাজেই এই প্রশ্নটা অবান্তর।

কেউ যদি দাবি করে পুরোপুরি তার নিজের সুর, তাহলে তা অনুকরণ হবে বৈ কি।

এই ক্ষেত্রে আরেকটা প্রশ্ন, রবীন্দ্রনাথ কি কখনো অস্বীকার করেছেন, এই গানের সুর auld lang syne থেকে নেয়া? যদি না করে থাকেন, তাহলে সমস্যা কোথায় দাঁড়াচ্ছে? অনুবাদ সাহিত্য তো সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা বটে।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: : )

২৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: @ রাগিব

সহমত।
২৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
comment by: মামু বলেছেন: { রাগিব বলেছেন:
১০০ বছর সংখ্যাটা আমি আপার-লিমিট হিসাবে ধরেছি ... এটা বাংলাদেশ/ভারতে ৬০ বছর, পাকিস্তানে ৫০, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭০। }

---------------------------------------------------------------
আবালীয় মন্তব্য। সময়ের দোহাই দিয়া জায়েজ করার চেষ্টা।

তাইলে আমি আজকাই একটা রবিন্দ্র সংঙ্গীত কপি কইরা কমু এইটা আমার ... আমি আইজ বাজারে নতুন একটা এ্যালবাম চাড়ুম....
২৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
comment by: রাগিব বলেছেন: @মামু
কপিরাইট সম্পর্কে আপনার ধারণা ঠিক করুন। ৭০ বছর পরে কপিরাইট শেষ হয়, তার মানে আপনি-আমি যে কেউ তা বিনা সমস্যায় কপি করতে পারি। বাংলাদেশে অজস্র রবীন্দ্ররচনাবলী বর্তমানে বৈধভাবেই প্রকাশিত হচ্ছে, তা কপিরাইট শেষ হয়ে গেছে বলেই। আর আমার মন্তব্য দয়া করে পড়ে তার পর লিখুন।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: নির্বিঘ্নে প্রকাশিত হওয়া আর নিজের নামে চালিয়ে দেয়ার মাঝে বিশাল ফারাক রয়েছে রাগিব ভাই। আমি যদি এখন রবিন্দ্ররচনাবলী নিজের নামে চালাতে শুরু করি, আপনি সেটাকে কোন দৃষ্টিতে দেখবেন?

২৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
comment by: মামু বলেছেন: {এই ক্ষেত্রে আরেকটা প্রশ্ন, রবীন্দ্রনাথ কি কখনো অস্বীকার করেছেন, এই গানের সুর auld lang syne থেকে নেয়া? যদি না করে থাকেন, তাহলে সমস্যা কোথায় দাঁড়াচ্ছে? }
---------------------------------------------------

এই কাজ একজন আত্বমর্যদাপূর্ন মানুষ কি ভাবে করতে পারে? নকল করে যদি বলে "আমি তো অস্বীকার করি নাই এইটা নকল" । তাতে করে ঐ ব্যক্তির কর্ম নিয়ে কিচু্ই বলার নাই।

এই ধরনের প্রশ্নের অবতারনা কেবল মাত্র নিচু শ্রেনীর মানুষই উত্থাপন করে, নিজেকে চুরির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।

দয়া করে এই ধরনের প্রশ্নের অবতারনা করে রবিটাকুর কে ছোট করবেন না,
৩০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: রাগিব ভাইকে হাজারো ধন্যবাদ। উপযুক্ত জবাব দেবার জন্যে। ত্রিভুজের উত্তরের প্রতিক্ষায়. .
৩১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: অদ্ভূত। একটা লোকের হাজারো গান এর মধ্যে কিছু গানে অন্য কারো কথার আর সুরের প্রভাব থাকতেই পারে। তাঁতে কি প্রমাণিত হয়। রবীন্দ্রনাথ একজন মানুষ, একজন কবি, যেকোন সুন্দর কিছু তাঁকে আকৃষ্ট করবে এটাই স্বাভাবিক মনে করি আমি। মানলাম কথা এবং সুর সবই রবীন্দরনাথ নকল করেছেন ঐ দুয়েকটা গানের ক্ষেত্রে , তাঁতে কি এসে যায়। আমি বরং কবিগুরু কে ধন্যবাদ জানাবো এই বলে যে, ভাগি্যস আপনি নকল করেছিলেন, নইলে এত সুন্দর সুর হয়তো অগোচরেই রয়ে যেত আমার, আমার মত কিছু মানুষের। এইসব নিয়ে চিল্লাচিল্লি করার কিছু নাই।
৩২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
comment by: আজনবী বলেছেন: ত্রিভূজ সফল, এই পর্যন্ত ৩৩টা মন্তব্য আদায় করেছেন।

রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানাই, কারন তিনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। ভিন্ন ভাষা থেকে কিছু আহরন করে নিজের ভাষাকে সমৃদ্ধ করা কোনো অপরাধ হতে পারে না, বরং প্রসংশার দাবীদার। পজেটিভ হতে শিখুন, পজেটিভ ভাবতে শিখুন।

এ জাতীয় পোষ্ট না দেয়াই ভালো।
৩৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: + দিয়েছি কারন আপনি সূত্র সহ সঠিকভাবে একটি বিষয় উপস্ঠাপনা করেছেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট।
৩৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
comment by: রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ত্রিভুজ প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এই পোষ্টটি দেবার জন্য কারণ এখানে চমত্কার সব তথ্যমূলক মন্তব্যগুলো আসার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে যা অনেকেরই রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর সৃষ্টির কিছু গোড়ার কথা জানার ব্যপারে সাহায্য করেছে। আপনার এ পোষ্টা