আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

ব্যক্তিগত আক্রমন, মুক্তিযুদ্ধ, রাজাকার, অভিযোগ ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি

২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

ব্লগে মোটামুটি একটা ট্রেন্ড দাঁড়ি গিয়েছে যে হয় তুমি মুক্তিযোদ্ধা (তাও আবার ভার্চুয়াল) নতুবা তুমি রাজাকার বা ড়াজাকার। ব্লগের কিছু লোক নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষনা করে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা যেকোন ব্যক্তিকে রাজাকার ঘোষনা করে গালাগালি, নোংরা আক্রমন ও প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত। এদের বিরুদ্ধে গত দুই বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছি। ফলাফল হিসেবে "রাজাকার" থেকে শুরু করে আরো অনেক খেতাব পেয়েছি। কিন্তু কোন কাজের কাজ কিছুই হয়নি..

ব্লগে ব্যক্তিগত আক্রমন ঠেকানোর জন্য করা নীতিমালাটা বলা চলে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলনেরই একটা ফলাফল। সেই নীতিমালায় অনেকগুলো ধারা। ধারনা করা হয়েছিলো কাজের কাজ কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র সেই কথা বলে না। উপরন্তু এই আইনের এ্যাবিউস হচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগ তুলেছিলেন। আমার কিন্তু কোন অভিযোগ ছিলো না... আমি জানতাম কতৃপক্ষের নিয়ম মেনে অভিযোগ করলে পদক্ষেপ নেয়া হয়।

যাই হোক, মূল বিষয়ে চলে আসি। তার আগে একটু ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে। যারা এখানে নিয়মিত লেখক বা পাঠক, তারা সবাই জানেন ব্লগে একটা তীব্র আন্দোলন চলছে.. সেটা হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী লেখা ও ব্লগার দমন আন্দোলন। গত দুই বছরেরও অধিক সময়ে আমি এই ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যতগুলো আপত্তিকর লেখা দেখলাম, তার বেশীর ভাগই করেছিলো কোন এক অজানা নতুন ব্লগার যাদের বেশীর ভাগই গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দিয়ে কেটে পড়েছেন! কিন্তু সেই রেশ ধরে মাসের পর মাস ব্লগে গোলামাল ও গালাগালির ব্ন্যা বইয়ে দিয়েছেন আমাদের ব্লগীয় ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা মহল। আবার কিছু কিছু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আপত্তিকর পোস্ট এই ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা মহলের বাসিন্দাদেরই ক্লোন নিক থেকে দেয়া। উদাহরণ হিসেবে ব্লগার "অশ্রু", "কিব্রিয়াল", "পাহাড়" বা "ইসলামী শাষন" নিকগুলোর কথা যেতে পারে। ব্লগার "অশ্রু"র একটি পোস্ট নিয়ে তো রীতিমত যুদ্ধ ঘোষনা হয়ে গিয়েছিলো। পরে দেখাগেল সেই নিকটি আসলে মুক্তিযোদ্ধা মহলের একজন বিখ্যাত ব্লগারের ক্লোন। সাইমুম ভাই সেই ব্লগারকে হাতেনাতে ধরে ফেলার অপরাধে "ত্রিলোরা" খান নামের এক মহিলা ব্লগারের আগমন ঘটলো সাইমুম ভাইকে সাইজ করার জন্য.. সাইমুম ভাই সাইজ(ব্যান) হলো! ইসলামী শাষন নিকটি কার ছিলো সেটা পরে ব্লগবাসী জানতে পেরেছিলেন সেই নিকের মালিকের কাছ থেকেই। পরে তিনি বিষয়টিকে হালাল করেছেন "রিভার্স সাইকোলজী"র দোহাই দিয়ে।

যাই হোক, এই হলো তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারী ব্লগারদের বিষয়ে কিছু ওপেন সিক্রেট কথা যা অনেকেই জানেন। এবার আসি সেই তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি বলে প্রচারকারী ব্লগারদের বিষয়ে।
এই ব্লগ যারা অনেকদিন ধরেই নিয়মিত পড়েন, তাদের জানার কথা এখানে বাংলাদেশের স্বার্থ নষ্ট করার কারনে ভারতের সমালোচনা করলে কারা ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়। ইসলাম নিয়ে অযৌক্তিক সব কথাবার্তায় কারা সমর্থন দেয়। রাসুল (সাঃ) এর ছবি কারা প্রোফাইলে ব্যবহার করে বা রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কুরুচিপূর্ন বক্তব্যের সমালোচনাকারীকে কারা আক্রমন করে। অথবা তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষ শিবিরের কোন রাজাকারের পরিচয় প্রকাশ করলে গাত্রদাহ শুরু হয় এবং সেই রাজাকারের পক্ষে গীত গাইতে কার্পন্য করেন না। হ্যা, এরা তারাই, যারা এখানে এসে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি সেজেছেন। এদের মতের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানেই আপনার রাজাকারিত্ব কনফার্ম! এদের পক্ষে থাকলে আপনার সাত খুন মাফ!!

তো এদের দলেরই কাউকে যদি বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য "ভারতীয় দালাল" বা কারো পরিবারের কোন রাজাকারের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখে "রাজাকার" বলা হয় তাহলে কি খুব বেশী অন্যায় হবে? হ্যা, এই ব্লগের আইন ভঙ্গ হবে, যদি কাউকে "রাজাকার" বা "দালাল" বলাকে ব্যক্তিগত আক্রমন হিসেবে কাউন্ট করে থাকে বিবিএটিম।

আমি তেমনি একটি আইন ভঙ্গ করেছিলাম এক ব্লগারের পোস্টে । সেই তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপের একজন আছেন যিনি ভারত বাংলাদেশকে কিভাবে দিনের পর দিন শোষন করছে সেইসব ডকুমেন্টস প্রদানকারী এক ব্লগারকে প্রচুর ব্যক্তিগত আক্রমন করেচেন এবং কোন এক ব্যক্তির নানা রাজাকার ছিলো তথ্য প্রকাশ করার পর আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করেছেন বেশ কয়েকবার। সেই ব্লগারকে বাংলাদেশের স্বার্থ নষ্টকারী ভারতীয় ইস্যুগুলোতে ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়া ও কয়েকদিন আগে এক রাজাকারের পরিবারের সাফাই গাওয়ায় "রাজাকার" ও "ভারতীয় দালাল" বলে অভিহিত করেছিলাম।

আমার এই আইন ভঙ্গের নালিশ আবার বিবিএ টিমের নিকট পৌঁছে দিয়েছিলেন এমনই এক ব্লগার যিনি সেই ঘটনার একদিন আগেই আমার ব্লগে এসে নোংরা গালাগালি করে নিজের বংশের পরিচয় দিয়ে গিয়েছিলেন

যাই হোক, তার সেই বিখ্যাত অভিযোগের ভিত্তিতেই কতৃপক্ষ আমাকে একটি মেইল প্রদান করলেন যা নিন্মরুপ-

dear blogger,

your front page and comment access has been temporarily banned for three days due to violation of the blog rules.

you are ban due to violation of the blog rule, the blog rule attached and pasted,

4f. if they make comments on a blogger's page that contains personal attack, harassment, defamation, vulgarity, profanity, obscenity, name calling or pornography.

thank you,
somewhere in...blog team

মেইলটা পেয়ে আমার প্রথমেই মনে হয়েছিলো যে গত দুই বছরের আন্দোলনের একটি সফলতা হয়তো এটি। ব্যক্তিগত আক্রমন বন্ধে কতৃপক্ষ এতদিনে সজাগ হয়েছেন। আমি সাথে সাথে ব্লগ কতৃপক্ষের পদক্ষেপের প্রশংসা ও ব্লগ আইন ভঙ্গের জন্য দু:খ প্রকাশ করে একটি মেইল করলাম। কতৃপক্ষ যথারীতি আমাকে তিনদিন পরে আনব্যান করলেন। ধন্যবাদ তাদেরকে।

এখন কথা হচ্ছে এই ব্লগে প্রতিদিনই এরকম "রাজাকার" "দালাল" বা অন্য ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমন করা হচ্ছে কাউকে না কাউকে। আমরা কি এখন সেই "রাজাকার" বা "দালাল" বা এধরনের ব্যক্তিগত আক্রমনকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আক্রমনকারীকে 4F ধারায় তিনদিনের জন্য ব্যান করা হবে? কতৃপক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট না হলে তো হওয়ারই কথা।

আমি বিশ্বাস করি সা.ই.কতৃপক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট নয়। আমি জানি না আমার বিশ্বাস কতটুকু সঠিক।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আক্রমনরাজাকরমুক্তিযুদ্ধব্যক্তিগতবিবিএসামহোয়্যারইন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পর্যবেক্ষন  বিভাগে ।

 

  • ১০৭ টি মন্তব্য
  • ১০৮১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৪ জনের ভাল লেগেছে, ২২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: আমিও বিশ্বাস করলাম, সা.ই.কতৃপক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট নয়
আমিও জানিনা আমার বিশ্বাস কতটুকু সত্যি...
২. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২২
comment by: ডাক্যাইত বলেছেন: সা ইন পক্ষপাতদুষ্ট নয়? আরিল জানা'র উপর মডারেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর ব্লগের গালিবাজদের এবং ব্যক্তি-আক্রমনকারীদের পোস্ট নির্বাচিত পোস্টের তালিকায় চলে যাচ্ছে। ভার্চুয়াল ধর্ষকদের পোস্ট স্টিকি হচ্ছে। কুলাঙ্গারদের প্রমোট করা হচ্ছে। আমি এখানে নির্লজ্জ পক্ষপাত দেখতে পাচ্ছি।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন:


@ডাক্যাইত

আপনি কিছু টেকনিক্যাল ভুল করছেন। প্রথমত আরিল এবং জানা'র উপরে মডারেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া হয়নি। তারা দুইজনই সামহোয়্যারইনের মালিক। দ্বিতীয়ত ব্লগের নীতিমালায় বলা হয়েছে কোন সমস্যায় অভিযোগ করার জন্য। আপনি অভিযোগ করে ফল পেয়েছেন কি পাননি সেটার বিষয়ে বলতে পারেন। অতীতে না পেলেও হয়তো এখন থেকে পাবেন। ধারনা করছি ব্লগের মডারেশন এখন খুব স্ট্রং। আপনি এখন থেকে অভিযোগ করতে থাকুন। অভযোগে কাজ না হলে আপনার উপরের মন্তব্যটি ভ্যালিড হতে পারে.. কিন্তু এভাবে সরাসরি আপনি উপরের মন্তব্যটি করতে পারেন না। অন্তত নীতিগত ভাবে সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।

ধন্যবাদ।

৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৪
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ব্লগে ব্যক্তিগত আক্রমন ঠেকানোর জন্য করা নীতিমালাটা বলা চলে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলনেরই একটা ফলাফল।এই আমরা কারা ত্রিভুজ?
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন:
এই আমরাটা ব্লগের গালিবাজরা ব্যতিত বাকী সকল ব্লগার.. যারা সুস্থ্য ধারার ব্লগিং চান। এই দলে আস্তিক নাস্তিক নির্বিবাদে সকল ধরনের ব্লগারই আছেন। আমার পূর্বের কিছু পোস্ট দেখতে পারেন ধারনা পেতে চাইলে... লিংক দিচ্ছি.. দেখে নিন।

২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন:


Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link


(এগুলো শুধু আমার ব্লগ থেকে দেয়া.. যেখানে গালিবাজরা ব্যতিত সকল ব্লগারই সহমত পোষন করেছিলেন। বাকী ব্লগারদেরও অনেক পোস্ট আছে.. তাদের ব্লগ থেকে খুঁজে আনার মত যথেষ্ট সময় নেই...।)

৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

@ডাক্যাইত

আপনি কিছু টেকনিক্যাল ভুল করছেন। প্রথমত আরিল এবং জানা'র উপরে মডারেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া হয়নি। তারা দুইজনই সামহোয়্যারইনের মালিক। দ্বিতীয়ত ব্লগের নীতিমালায় বলা হয়েছে কোন সমস্যায় অভিযোগ করার জন্য। আপনি অভিযোগ করে ফল পেয়েছেন কি পাননি সেটার বিষয়ে বলতে পারেন। অতীতে না পেলেও হয়তো এখন থেকে পাবেন। ধারনা করছি ব্লগের মডারেশন এখন খুব স্ট্রং। আপনি এখন থেকে অভিযোগ করতে থাকুন। অভযোগে কাজ না হলে আপনার উপরের মন্তব্যটি ভ্যালিড হতে পারে.. কিন্তু এভাবে সরাসরি আপনি উপরের মন্তব্যটি করতে পারেন না। অন্তত নীতিগত ভাবে সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।

ধন্যবাদ।
৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
comment by: ডাক্যাইত বলেছেন: না ... এভাবে পড়তে হবে - "জানার উপর মডারেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন আরিল"।

আমি জানি তারা এই ব্লগের মালিক, তবে মডারেশনের দায়িত্ব বোধহয় জানার উপর। তিনি বিভিন্ন ব্লগে যেভাবে ব্লগের বিবেক হয়ে ভাষন দিয়ে যান সেটা দেখে এমনটাই মনে হয়।

@ ত্রিভূজ
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: জানা'র বক্তব্যে আমি এখন পর্যন্ত কোন অসমাঞ্জস্য পাইনি যদি তার বক্তব্য ও আচরণকে ব্লগের নীতিমালা দিয়ে মাপি। তিনি শুধু সেইসব বিষয়েই বক্তব্য রেখেছেন যেগুলোর বিষয়ে 'কোন সমস্যা'য় ক্লিক করে অভিযোগ করা হয়েছে। তাই ওবায়াদের ব্লগে প্রচুর ব্যক্তিআক্রমনমূলক মন্তব্যকে পাশ কাটিয়ে তিনি শুধুমাত্র ওবায়েদের সমালোচনা করেছেন।

ব্লগের নীতিমালা অনুযায়ী তিনি পুরোই সঠিক। কারন সেখানে বলা হয়েছে শুধুমাত্র 'কোন সমস্যা'য় ক্লিক করে অভিযোগ করলেই কতৃপক্ষ সেটার বিষয়ে কিছু করবে বা বলবে।

এখন অন্যদের ব্যক্তিগত আক্রমনের বিষয়ে আপনারা হয়তো অভিযোগ করতে পারেননি তাই তাদের কিছু বলা হয়নি। এটাতো আপনাদের ব্যর্থতা। জানা বা বিবিএ টিমের দোষ দিয়ে লাভ আছে?

ভবিষ্যতে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করার পর ব্যবস্থা গ্রহন না করলে আপনার এই অভিযোগটি যথার্থ হবে... আশা করি বুঝতে পেরেছেন আমি কি বলতে চেয়েছি।

শুভ কামনা।

৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন:

রাগ ইমনকে সভ্যতা বিবর্জিত,জঘন্য ব্যক্তিগত আক্রমন কে করেছিলো?
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: যদিও সেটা ছিলো রাগইমনের রাখা পর্দা প্রথার বিরুদ্ধে বক্তব্যের প্রতিবাদে আমার (অতি) প্রতিক্রিয়া এবং সেটার জন্য আমি রাগ ইমনের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলাম। এবং রাগইমনের সাথে বিষয়টা মিটমাট হয়ে গিয়েছিলো।

আপনাদের এই প্রশ্ন তোলা সাজে না, যখন এই ব্লগে অসংখ নারী ব্লগারকে আপনারা জঘন্য ভাষায় ও পদ্ধতিতে আক্রমন করে কোনরকম ক্ষমাই চাননি।

৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪২
comment by: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: গালিবাজরা বনাম সুস্থ্য ধারা এই দ্বৈততা ব্লগে চলেনা । এইটা যদি ব্লগের নিয়ম হইত বা এখন যদি হয় তা কয়েক ধরণের মিথষ্ক্রীয়ার ফলাফল।
১. যারা গালি দিতে চাননা কিন্তু দিতে বাধ্য হইছেন (গালি নিয়া আমার কোন সুশীল ধারণা নাই, মানুষের মনে চাইলে সে গালি দিব হয় প্রকাশ্যে দিব তা না হলে আড়ালো দিব )
২. যারা গালি দেন
৩. যারা গালিরে ঢাল বানাইয়া অন্য গল্প করেন
৪. যারা গালিরে অস্ত্র বানাইয়া নিজের মত নিয়া ফালাফালি করেন

এই যে শোভন; সামষ্টিক ব্লগের অধিকাংশের চেতনার কথা জানা গেল তা যথার্থ নয়। প্রথম পাতা তথাকথিত পরিষ্কার রাখা যেমন ব্লগে কতৃপক্ষের উদ্দীষ্ট হইতে পারে, তেমনি মত প্রকাশকে টিকায়া রাখার জন্যও গালি ব্যবহৃত হইতে পারে।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: গালি ব্যবহৃত হতে পারে কি পারেনা সেই আলোচনায় যেতে চাচ্ছি না। আমার বক্তব্য পরিষ্কার... কাউকে "রাজাকার" বলার কারনে আমাকে যদি তিনদিনের ব্যান খেতে হয়, তাহলে বাকীদেরও খাওয়া উচিত। যদি কতৃপক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট না হয়ে থাকে।



গালিবাজরা কেন গালি দেন বা গালিবাজি কেন হয় অথবা গালিবাজি নিয়ে কে কি করছে তা নিয়ে এখানে গবেষণার প্রয়োজন দেখি না।


ধন্যবাদ।

৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭
comment by: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
শরত মিয়া, আপ্নে যেইখানে আছেন, তার আশপাশে কাঁঠাল পাতা কি বেশি হইসে?
ছাগলরে জ্ঞান দিলে মানুষ হয়, কখনো শুনছেন?
১০. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: থার্ড পণ্ডিত বলেছেন: হা হা হা নির্বাক সুশীল, তুমি একটা কমেন্ট নিয়া আর কতদিন ঘুরবা??

তুমি কও দেখি কাউরে রাজাকার বইলা গালি দাও নাই?
১১. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আমার বক্তব্য পরিষ্কার... কাউকে "রাজাকার" বলার কারনে আমাকে যদি তিনদিনের ব্যান খেতে হয়, তাহলে বাকীদেরও খাওয়া উচিত। যদি কতৃপক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট না হয়ে থাকে।

দুই বছর আগে এই কথার একটা মানে থাকত মনে হয়।

আর গবেষণা করার প্রবণতা, এইটা পেশাগত দোষ বা গুন । এইটা আপনার মধ্যেও ইদানিং দেখা যাচ্ছে প্রবল ভাবে ।

থার্ড পন্ডিত: মিথ্যা রাজাকার চিহ্নিত করণ যেমন সমস্যার তারচেয়েও বড় সমস্যা রাজাকারকে রাজাকার না কওনের।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন:

ব্লগে রাজাকার বা মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেয়ার মহান দায়িত্ব কাদের হাতে ন্যাস্ত? কিসের ভিত্তিতে?

১২. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৫
comment by: ডাক্যাইত বলেছেন: ত্রিভূজের অনেক কিছুই আমি সাপোর্ট করিনা। কিন্তু এই বিষয়ে একমত হইতে হয়। সে যখন জেবতিকরে রাজাকার কয়া ব্যান খাইছে তখন আমি ছিলাম। ত্রিভুজরে রাজাকার কওন যাইবো, আরিফ জেবকিতরে যাইবো না এটা সামহোয়্যারে দ্বৈত নীতি। এই নীতির উপর জারি থাকলে ব্লগে কোনদিন শান্তি আসবোনা। জানা'রে কই, এই বিষয়ে তিনি তার মতামত জানায় যাক। রাজাকার কওয়া ব্যাক্তি আক্রমন হইলে এই ব্লগের অর্ধেক জনগোষ্ঠীরে ব্যান করতে হইবো।
১৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১১
comment by: ছায়ার আলো বলেছেন: কমেডি ওফ দা ইয়ার :)
১৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১২
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ব্লগে রাজাকার বা মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেয়ার মহান দায়িত্ব কাদের হাতে ন্যাস্ত? কিসের ভিত্তিতে?
খুবই জরুরী প্রশ্ন........
ব্লগে আস্তিক নাস্তিক/সুশীল/ অশীল/ ভদ্র/অভদ্র/ইসলামের অবমাননাকারী বা না কারী এই সার্টিফিকেট দেয়ার মহান দায়িত্ব কাদের হাতে ন্যাস্ত? কিসের ভিত্তিতে?
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন:

আস্তিক / নাস্তিক বিষয়ক:
কিন্তু কেউ যদি নিজেকে নাস্তিক বলে দাবী করে, তাকেও কি নাস্তিক বলাটা অন্যায় নয়? তবে কেউ নিজেকে আস্তিক বলে বড়াই করে বেড়ায় না যেমনটা তথাকতথি মুক্তিযুদ্ধে স্বপক্ষ শিবিরের লোকজন করে বেড়াচ্ছে।

ভদ্র/অভদ্র বিষয়ক:
এই বিষয়ে কেউ কাউকে সার্টিফিকেট দিয়েছে বলে জানা নেই।

সুশীল/অশীল:
সুশীল অশীল বিষয়ক থিউরীগুলোও সেই তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শিবিরের লোকজনের মুখে বেশী শুনা যায়। এখানে কেউ নিজেকে সুশীল বলে দাবী করেছে বলে দেখিনি।

ইসলামের অবমাননাকারী/ না কারী:
এইধরনের কোন গ্রুপ এখানে সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা নেই। কেউ ইসলাম নিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে কোন বক্তব্য রাখার পর তাকে ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের মত গালাগালি বা ব্যক্তিগত আক্রমন না করে তথ্যভিত্তিক প্রতিবাদ করা হয়েছে। সেখানেই প্রমাণীত হয়েছে যে সেই ব্যক্তি সঠিক ছিলো না বেঠিক ছিলো। তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা শিবিরের লোককে আজ পর্যন্ত দেখিনি কাউকে রাজাকার বা স্বাধীনতা বিরোধী বলার পর তা প্রমাণ করে দেখাতে পেরেছে। আমাকেও অনেকবার রাজাকার বলেছে.. আমি প্রমাণ হাজির করতে বলেছি.. কেউ কোনদিন প্রমাণ নিয়ে আসতে পারেনি।


২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: "তাকেও কি নাস্তিক বলাটা অন্যায় নয়?" = তাকেও কি নাস্তিক বলাটা অন্যায়?

১৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: ওয়েলকাম ব্যাক
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অ্যামাটার।

১৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৮
comment by: মুহিব বলেছেন: সহমত
১৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
comment by: রামন বলেছেন: এত অভিমান কেন দাদা ? সহনশীল হোন,গালি হযম করা একটি বিশেষ গুণ,সবার মাঝে থাকে না। যদি সহ্য না হয় তাহলে ব্লোগের পাতায় সমস্ত গালি বমির আকারে ঢেলে দিয়ে নিজে স্বস্হি লাভ করুন ।
১৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২২
comment by: দিগন্ত বলেছেন: "ব্লগে রাজাকার বা মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেয়ার মহান দায়িত্ব কাদের হাতে ন্যাস্ত? কিসের ভিত্তিতে?
খুবই জরুরী প্রশ্ন........"
- ঠিক, আমার ধারণা কিছু না করেই আমি কিছুদিনের জন্য প্রথম পাতায় ব্যান ছিলাম আর আমাকে মেল করে জানানোর কোনো সদিচ্ছাও দেখায়নি কতৃপক্ষ। তবে এতে আমার কিছু এসে যায় না।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য সমবেদনা....

১৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই,

ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনাকে রাজাকার মনে করি না। তবে আওয়ামী লীগের বিরোধীতা করতে গিয়ে জামাত বা মুসলিম লীগের ছড়ানো কিছু প্রোপাগান্ডার থেকে আপনি বের হতে পারেননি। আওয়ামী লীগ বিরোধীতার ক্ষেত্রে সেগুলোই আপনার রেফারেন্স, এটাই আপনার সাথে সমস্যা।

আওয়ামী লীগ বিরোধীকে বাংলাদেশ বিরোধী সিল মেরে দেওয়া, আওয়ামী লীগের অনেক পুরানো টেকনিক। কিন্তু বাস্তবতা হল এই পথে চলার ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে আওয়ামী লীগের। ওই সব আচরণকে পাত্তা দিলে চলে না।

আমি আশা করব, আপনি আপনার লেখায় আওয়ামী লীগ হতে শেখ মুজিবকে পৃথক রাখতে সক্ষম হবেন, সক্ষম হবেন ইসলামকে জামাতের কালোছায়া হতে দূরে রাখতে। কে কি বলল, কয়টা নিকে কয়টা মাইনাস দিল সেদিকে পাত্তা না দিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: হতে পারে.. সেক্ষেত্রে আপনি আমার বক্তব্যের বিপক্ষে শক্তিশালী রেফারেন্স নিয়ে হাজির হতে পারেন। আমার বক্তব্যে আমি ভুল দেখতে পেলে ভুল স্বীকার করতে দেরী করি না... সম্ভবত আপনি জানেন।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়... আপনি যেমন বললেন আওয়ামীলিগের বিরুদ্ধে জামাত বা মুসলিম লিগের প্রোপাগান্ডা আছে তেমনি জামাতের বিরুদ্ধে আওয়ামীলিগের প্রোপাগান্ডা থাকতে পারে না? (এটার জবাব পরে দিলেও চলবে)।

দ্বিতীয় প‌্যারার জন্য ধন্যবাদ। আওয়ামীলিগের ঐ আচরণের বিষয়ে আপনার সাথে একমত। তবে আওয়ামীলিগকে আমি বেশী দেখতে পারিনা তাদের নীতিহীনতার জন্য.. মুখে এক মনে আরেক নীতির লোক বা দল সবসময়ই ক্ষতিকর।

শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগ থেকে দুরে রাখাই এই জাতির জন্য হীতকর। কিন্তু কোথাও কি তা হচ্ছে? শেখ মুজিবকে পুঁজি করে বানিজ্য চলছে সব জায়গায়। এসব কারনেই লোকজন শেখ মুজিবের ভুল গুলো তুলে ধরতে উৎসাহী হয়। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সবার ভুল ত্রুটিই তুলে ধরতে আগ্রহী। অন্যদের বিষয়টা সম্ভবত এরকম যে শেখ মুজিবকে ব্যবহাকারী দল তাদের প্রতিপক্ষের ইতিহাস ধরে টান দেয় বিধায় তারাও শেখ মুজিবের ইতিহাস ধরে টান দেয়। এটা একটা রাজনৈতিক আচরণ.... শেখ মুজিবকে নিয়ে রাজনীতি করতে আসলে এমনটা হবেই।


কে কয়টা নিক নিয়ে কি মাইনাস বা প্লাস দিলো তাতে আসলে কিছু যায় আসে না। তবে মাইনাস কিন্তু একটা সিম্বলিক বিষয়। যখন ভারত আমাদের প্রতি অত্যন্ত অন্যায় আচরণ করে, এবং সেই বিষয়ে প্রতিবাদ করে রাখা কোন বক্তব্যে তথাকথিত দেশপ্রেমিকরা ঘোষনা দিয়ে মাইনাস দিয়ে যায় বা কটু মন্তব্য করে, তখন তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলাটাইতো স্বাভাবিক! কি বলেন?

যাই হোক, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। তবে লেখার মূল বিষয়ে কিছু বললে ভাল লাগতো।

২০. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: সহমত
২১. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
comment by: ডাক্যাইত বলেছেন: বিবর্তনবাদীর মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক মনে হইলো। এইখানে বোধহয় ত্রিভুজের ব্যান নিয়া আলোচনা হইতেছে।
২২. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫৪
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: অবিশ্বাস্য!!
একজনকে ‘রাজাকার’ ডাকার জন্যে ব্যান খেয়েছেন, আমি বিশ্বাসই করতে পারছিনা!!!
তাহলেতো আমার ব্লগে যে ২৬ জন ব্লকড আছেন, তাদেরকে শুধু ব্যান না, তাদেরকে পারমানেন্ট বাতিল করে দেয়ার কথা কর্তৃপক্ষের! ‘রাজাকার’ ডাকাতো তাদের কাছে পান্তাভাত। তাদের মুখের মত খারাপ মুখ তো মনে হয় দুনিয়ার কোথাও আর সৃষ্টি হয়নি। কর্তৃপক্ষ কী অন্ধ? ত্রিভুজ ভাই, আপনি ব্যান খেয়েও ঠান্ডা মাথায় কর্তৃপক্ষের উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন, কিন্তু আমার স্ট্রেট ফরোয়ার্ড কথা- সামোয়ার এখন সামোয়ারলীগ।
এক চোখ না, তাদের দুই চোখই কানা। ভয়ের চোটে মুক্তিযুদ্ধাদেরকে যারা পাপোশের মত ব্যাবহার করছে তাদের পা চাটছে!
সাবাশ সামোয়ার!
ত্রিভুজ একজনকে রাজাকার ডেকেছেন তাই ত্রিভুজকে ব্যান করেছেন, আর ‘তোর মায়েরে চুদি’ এর অর্থ বুঝেন? নাকি এইটা খুবই সভ্য ভাষা মনে হয় আপনাদের কাছে? নাকি আপনাদের ও পকেটে কিছু পড়েছে? ডলারে পে করেছে তো? বেশ বেশ!

২৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৫
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: লেখার মূল বিষয়ের সাথে: সহমত।


কিন্তু একটা বিএনপি ও তাদের দর্শনের বিরুদ্ধে আওয়ামী প্রোপাগান্ডা চালু আছে এটা অবশ্যই সত্য। কিন্তু, প্রশ্ন হল জামাতের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা বলতে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন???

জামাতের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আমরা জানি তার কোনটি মিথ্যা??

ওরা স্বাধীনতা বিরোধী। ধরে নেওয়া যায় তৎকালীন ৭ কোটি জনগনের ১০০% নিশ্চয়ই একমত হবে না, ভিন্ন মতাবলম্বী থাকবেই। কিন্তু ভিন্ন মতাবলম্বী হওয়া আর দেশবাসীকে হত্যা সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন ব্যাপার। জামাতের প্রতিপক্ষ ছিল একটা জাতি