আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

আল-কায়েদা বনাম বুশ ও জেএমবি বনাম হাসিনা

২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

শেয়ারঃ
0 6 0

সম্প্রতি জেএমবি নামটা খুব বেশী শুনা যাচ্ছে। বিশেষ করে পিলখানার ঘটনার পর থেকে। জেএমবির উত্থান এবং জেএমবি কতৃক সিরিজ বোমা হামলার ঘটনাগুলো এত দ্রুত ঘটেছে যে সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছে। এটা দিবালোকের মতই পরিষ্কার যে বাইরের কোন শক্তির সাহায্য ছাড়া জেএমবির মত বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হওয়া কোন ভাবেই সম্ভব নয়। কথা হচ্ছে সেই বাইরের শক্তিটা কারা?

জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলা নি:সন্দেহে জোট সরকারকে বিতর্কিত করেছে। ক্ষতি হয়ে বিএনপি-জামাত জোটের এবং এই ঘটনা থেকে লাভবান হয়েছে তৎকালীন বিরোধীদল তথা আজকের সরকারী দল আওয়ামীলিগ। আওয়ামীলিগ বরাবরই দাবী করে আসছে জেএমবি জোট সরকারের মদদে সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই জেএমবি জোট সরকারকে বিপাকে ফেলা ছাড়া আর তেমন কোন কাজেই আসেনি। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ও তৎকালীন সরকারের ইমেজ বহি:বিশ্বে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার পাশাপাশি আওয়ামীলিগের বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারনায় ব্যপক রসদ জুগিয়েছে।

জেএমবির নেটওয়ার্ক তৈরিতে যে কোন বিদেশী শক্তি জড়িত সেটা বেশ পরিষ্কার। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার পর তদন্ত করে জানা গেল বোমাগুলো সব ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে। ভারত এবং আওয়ামীলিগ যৌথ ভাবে দাবী করছে এই নেটওয়ার্কের পেছনে ইসলামী শক্তিগুলো রয়েছে। তাহলে সেই তথাকথিত ইসলামি শক্তি ভারতীয় পুরো গোয়েন্দা সংস্থা ও বিএসএফের দৃষ্টি এড়িয়ে কিভাবে দেশের ভেতরে বোমা হামলার প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করে?

জেএমবির বড় আকারের হামলার পর জোট সরকার খুবই দ্রুত জেএমিবর শীর্ষ নেতাদের ধরে ফেলতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি ফাঁসি দেয়া হয়েছে। আমাদের অভ্যন্তরিন গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ ও RAB-ই যথেষ্ট ছিলো এই কার্য সমাধা করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকারের ভাষ্য মতে প্রায় ধ্বংস করে দেয়া এই নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে নাকি বিদেশী শক্তির সাহায্য দরকার! দেশের যে সংস্থাগুলো অতীতে সাফল্যের সাথে এদের দমনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হয়েছিলো তাদের উপর এই সরকারের ভরসা এত কম কেন? নাকি বাংলাদেশে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপটাই এখানে মূর্খ্য?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামলে জেএমবি নেটওয়ার্ক যেন অনেকটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। তারপর হঠাৎ করে ঠিক নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই জেএমবি ঘোষণা করলো শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হবে। কেন? জেএমবির নেতাদেরকে তো ফাঁসি দিয়েছিলো জোট সরকার। তারা প্রতিশোধ নিতে চাইলে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাদের হত্যার হুমকি দিতে পারে.. তা না করে শেখ হাসিনাকে কেন? তাও আবার ঠিক নির্বাচন মূহুর্তে কেন? মনে পড়ে যায় বুশের বিন-লাদেন জুজুর কথা। বুশ প্রসাশন কোন কুকর্ম করার আগে বা নির্বাচনের আগে আগেই কোত্থেকে বিন লাদেন আবির্ভাব হয়ে একটা ভাষণ মেরে দিতো। মূর্খ বাঙালীর সামনে আমরা সেই পুরানো ট্রিকস আবার নতুন বোতলে দেখলাম মনে হচ্ছে।

আওয়ামীলিগ সরকার গঠনের পর হঠাঃ খুব দ্রুতই দেশের আইন শৃক্ষলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেল। আওয়ামী ছাত্র সস্থাগুলো এত ভয়ানক আকারে সন্ত্রাস আর নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে শুরু করলো যে অনেক গোড়া আওয়ামী সমর্থকও বিষয়টাকে সমর্থন দিতে পারলো না। এই সময়ে সরকার দাবী করলো তাদের সরকারের বয়স অল্প.. এত দ্রুত কিভাবে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করবেন? শান্ত একটা দেশে হঠাৎ করে তাদের সন্ত্রাসীরা যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে সেটার জন্য তারা আরো দুই বছর আগের সরকারকে দায়ী করলো। কি হাস্যকর যুক্তি...!

এর ভেতরে ঘটে গেল পিলখানার নির্মম ট্রাজেডি। সরকারের ব্যর্থতা আর সীমাহীন অবহেলা নিয়ে যখন সমালোচনা ওঠতে শুরু করলো ঠিক তখনি আবার জেএমবিকে দরকার হয়ে পড়লো। পিলখানার ঘটনার পর থেকেই আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও সাংসদরা ঘটনার দায় জেএমবির উপরে চাপাতে শুরু করলেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না, দোষ জেএমবির। ছাত্রলীগ ক্রমাগত সন্ত্রাস করে যাচ্ছে, দোষ জেএমবির। পিলখানার ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতাও জেএমবির কাঁধে।

আজকে দৈনিক সমকালে 'সরকারকে আলাদা ইসলামী প্রদেশ দিয়ে সমঝোতায় আসতে হবে' শিরোনামে জেএমবির একটি নিউজ এসেছে। সেখানে দেখলাম জেএমবির চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমান্ডার জাবেদ ইকবাল ওরফে মোহাল্ফ্মদ বলেছেন, "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্পীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না। শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা গোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে। জঙ্গিদের জন্য আলাদা প্রদেশ দিয়ে সেখানে ইসলামী আইন চালুসহ বিভিল্পম্ন দাবি মেনে নিয়ে সরকারকে সমঝোতায় বসতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম কারা সুপারের মাধ্যমে রাষ্দ্ব্রপতি ও প্রধানমন্পী বরাবরে তারা চিঠিও পাঠাবেন কয়েকদিনের মধ্যে।"
সৃত্র: http://www.shamokal.com/details.php?nid=106659

নিউজটির দিকে খুব ভাল ভাবে নজর করলেই কয়েকটি বিষয় খুব পরিষ্কার হয়ে ওঠে। লক্ষ্য করুন জেএমবি লিডারের নিজের মুখের বক্তব্য-

ক) "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না।"

ক.১) জেএমবির যদি জাতীয় সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুপ্ত হামলার পরিকল্পনাই থাকে তাহলে তারা সেটা এভাবে ফলাও করে প্রচার করতে যাবে কেন? তাদের এই বক্তব্য কি গত কয়েক সপ্তা ধরে সরকারের বক্তব্যগুলোকেই শক্তিশালী করছে না যে সরকার জেএমবি কতৃক আক্রান্ত?

লক্ষ্য করুন তাদের বক্তব্যগুলো-
খ) "শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাগোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে।".. আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জাবেদ এসব হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে জাবেদ এসব কথা বলেন।

খ.১) ইসলামী আন্দোলনকারীরা নিজেদের নেতাকে এভাবে 'জঙ্গি নেতা' বলে দাবী করে?
খ.২) জেএমবি গোপনে শক্তি সঞ্চয় করে থাকলে তাদের দমন করা যায়নি বলে অকারণে কেউ এভাবে নিজেদেরই তথ্য প্রকাশ করে?
খ.৩) গোপন তৎপরতার খবর কেউ এভাবে সবার সামনে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দেয়?
খ.৪) আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ১৫ মিনিট ধরে এভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করার বিষয়টি লক্ষ্য করুন।

জাবেদ আদালতকে আরো বলেন, "সারাদেশে যে আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা বন্ধ হবে না। "... তার মানে সারাদেশের আইনশৃক্ষলা পরিস্থিতির অবনতি, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, পিলখানার ঘটনা সবকিছুর দায় জেএমবি স্বেচ্ছায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিলো? আওয়ামীলিগের গত কয়েকসপ্তাহের প্রচারনাগুলোকে হালাল করতে? উল্লেখ্য পিলখানার ঘটনার তদন্তকারীরা দুইদিন আগেও বলেছে এই ঘটনায় তারা জেএমবির সংশ্লিষ্টতা পায়নি। এমতাবস্থায় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের জেএমবি কানেকশন সম্পর্কিত বক্তব্যগুলোকে হালাল করার এর চাইতে আর উৎকৃষ্ট পদ্ধতি কী হতে পারে?

জেএমবি কারা এবং কাদের সুবিধামত কাজ করে যাচ্ছে ও কাদের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করছে তা নিয়ে আমাদের আরো গভীর ভাবে ভাবতে হবে। আমরা চাই ইসলাম ও দেশের জন্য ক্ষতিকর এসব জেএমবি নেটওযার্কের সম্পূর্ন ধ্বংস এবং এরা যাদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে তাদের বিচার।

একই সাথে ফেসবুক , আইডি বাংলাপ্রথম আলো ব্লগে প্রকাশিত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জেএমবিআওযামীলিগরাজনীতি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আওয়ামীলিগআমার দেশপর্যবেক্ষন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
চন্দন বলেছেন: জেএমবি আসলে ভারত ইসরাইল ও আওয়ামীলীগ এর জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্ট তারা নিজেদের সার্থ হাসিল করার জন্য এই ধারাটি সৃস্টি করেছে।

২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
ত্রিভুজ বলেছেন: জেএমবির কাজকর্ম কোন ভাবেই ইসলামিক নয়। এমনকি ইসলামের মৌলিক কোন বিধানই এরা মানে না.... এদের কাজের সাথে ইসলামের কোন কথারই কোন মিল নেই...

তাহলে ইসলামি আন্দোলনের নামে এরা এসব চালাচ্ছে কেন? আর এতে কারা লাভবান হচ্ছে?
৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
ত্রিভুজ বলেছেন: ধন্যবাদ। সাইনলীগ এটাকে প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
নুভান বলেছেন: এই জ়ে এম.বি গুলোকে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফাঁসি দিলেও মনে হয় কাজ হতো না, এদের একটা মাথা কাটলে দশটা গজাবে, এরা ইসলাম ধর্মকে সরাসরি হাইজ্যাকিং করছে। মূল সমস্যা হলো বেকারত্ব ও শিক্ষার অভাব, যার কারনে মানুষ বিপথগামী হচ্ছে। দুঃখজনক।
৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
ত্রিভুজ বলেছেন: এদের পেছনে খুব বড় ধরনের মাস্টারমাইন্ড আছে। তাদেরকে আগে ধরতে হবে... এরা কার স্বার্থে কাজ করছে তা খুঁজে বের করলেই হবে...
৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:

ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্ট দেওয়ার জন্য। +

আফসোস হচ্ছে প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য।
আসলে নিরপক্ষ বলতে কিছুই নাই।
৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
ত্রিভুজ বলেছেন: এটাই স্বাভাবিক। যাদের নুন খাচ্ছে তাদের স্বার্থে কাজ না করলে নিমকহারামী হতো...

সামুলীগের জয় হোক
৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
চন্দন বলেছেন: প্রথম পাতা থেকে পোস্টটি সরিয়ে ফেলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি .. প্রতিবাদ করায় আমাকে ডাবল প্রমোশন করা হয়েছে :) ওয়াচ এ রাখা হয়েছে

জয় বাংলা, জয় সামুলীগ।


১০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২১
ত্রিভুজ বলেছেন: জয় বাংলা, জয় সামুলীগ।
১১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
চন্দন বলেছেন: জয় বাংলা , জয় সামুলীগ
জয় ভারতমাতা, কুচ নেহিআতা.... মেরি ভারত মহান, ১০০ মে ৯৯ বেইমান :)
১২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
ওবায়েদ বলেছেন: http://www.youtube.com/watch?v=CHyzIrLGs4k

http://www.youtube.com/watch?v=a1qusjO5Eik

http://www.youtube.com/watch?v=fbfY5sYIyh4

বাংলা ভাই এর সাক্ষাতকার গুলো দেখলে, বুঝাযায় বাংলা ভাই এই বোমা বাজি মানুষ হত্যার পক্ষে ছিলো না। কিন্তু সে পরে তা করেছে, কেন করেছে..! কারসাথে মিশে করেছে....! সাক্ষাতকার থেকে বুঝা যায় বাংলাভাই নিজ গ্রামে জনসচেতনা মুলক কাজ শুরু করে প্রথম। তারপর তার গ্রাম থেকে অন্যের গ্রামে যায়। সেই খান থেকেই হয়তো তার বোমাবাজি মানুষ হত্যার মতো জগণ্য কাজ গুলো শুরু করে। সবার জানা দরকার কার বুদ্ধি পরামর্শে বাংলা ভাই এমন কর্মে লিপ্ত হলো...?
তখনকার পত্রিকা গুলো পড়ে যা বুঝা যায় তা হচ্ছে, শায়খ আবদুর রহমানই সে ব্যক্তি যে বাংলাভাইকে এই জগন্য কর্মকান্ড গুলো করতে উৎসাহ দিয়েছে এবং নিজেও করেছে।
আমাদের জানতে হবে......... শায়খ আবদুর রহমান কে? কোথায় থেকে এসেছে? তাকে অস্ত্র এবং অর্থ দিয়ে কে সাহায্য করেছে ? সে কার আত্মীয়? তাকে কে সৃষ্টি করেছে? এই সবই আমাদেরকে জানতে হবে। জানলেই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায়।
১৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
আশরাফ রহমান বলেছেন: সামুরা নাকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি! দেশ বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আপনি পোস্ট দিলেন আর সামুরা তা সরিয়ে দিলো! হায়রে দেশ প্রেম, হায়রে নিরপেক্ষতা !!

১৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
বাঙ্গাল বলেছেন: জব্বর। ১০০% স হ ম ত। ভাই আমি কি এই লেখাটা ফেসবুকে ইম্পোরট করতে পারি?পারমিশন দিলে আমার নাদান বন্ধু গুলার কিছু জ্ঞান বৃদ্ধি হয়।
১৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন:

আজেবাজে পোষ্ট লেখার অপরাধে (!) জীবনে প্রথম জেনারেল হলাম।
সকলের দোয়াপ্রার্থী।
১৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: জেএমবি = জয় মহাভারত। জেএমবির প্রত্যেকটি কর্মকান্ড ভারত ও তার তাবেদার আলীগের ফেভারে গেছে।
১৮. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৯
ন্যায় পথিক বলেছেন: আল-কায়েদা বনাম বুশ ও জেএমবি বনাম হাসিনা.....ভালই বলেছেন।

পিলখানার হত্যাকান্ডের পরের ঘটনাগুলো কটু বিশ্লেষন করলেই কানেকশনটা ধরা পড়ে....
১. ভারতীয় পত্রিকাগুলোর বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর BDR-এর ঘটনায় জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উথ্থাপন,
২. পরের দিনই মন্ত্রী মেজর(অবঃ) ফারুক খানের আমেরিকার রাষ্ট্রদূতকে পাশে নিয়ে ঐ ঘটনায় জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ,
৩. পরের দু'দিন সংসদে সরকার দলীয়দের তুমুল হট্টগোলম
৪. আওয়ামী নেতা তোরাব আলীর BDR-এর ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতারের ফলে সরকার দলীয়দের চুপসে যাওয়া,
৫. বসুন্ধরা অগ্নিকান্ড দিয়ে সবার মনোযোগ অন্যদিকে ফেরানোর পাঁয়তারা এবং ফের জঙ্গী প্রসংগ উথ্থাপন...এবারে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের বিবৃতি,
৬. প্রথম আলোসহ ভারত তথা আওয়ামীপন্থী পত্রিকাগুলোতে হঠাৎ করে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা নিয়ে ক্রমাগত সিরিজ রিপোর্ট প্রকাশ শুরু,
৭. সেনাবাহিনীকে চাপে ফেলতে বিশ্ব দরবারে সেনাবাহিনীতে জঙ্গী অভিযোগ তুলে জনৈক হিন্দুর খোলা চিঠি,
৮. বেশ কিছু তথাকথিত জঙ্গীর অস্ত্রসহ ধরা খাওয়া,
৯. জে.এম.বি-র চিঠি প্রকাশ,
১০. 'গ্রিন ক্রিসেন্ট' নামক এন,জি,ও থেকে অস্ত্র উদ্ধার,
১১. ভারতের সাথে নৌ ট্রানজিট চুক্তির পুনরায় স্বাক্ষর।


এরপর কি হবে/হতে পারে?

-পিলখানার ঘটনায় ইসলামী দলগুলোর সংশ্লিষ্টতা প্রদান?
-কিছু ইসলামী দলকে নিষিদ্ধ করন?
-ভারতকে স্থল ট্রানজিট ?
-আমেরিকাকে গভীর সমুদ্র বন্দর করার অনুমতি ও TIFA চুক্তি স্বাক্ষর?


তারও পর?

-দেশের ভিতর অস্বাভাবিক পরিস্ছিতির সৃষ্টি?
-ভারতের পন্যবাহী যানবাহনে তথাকথিত ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলা?
-ফলশ্রূতিতে ভারতের সেনাবাহিনী প্রেরন ও যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি?
-সবশেষে দু'দেশকে শান্ত(!) করতে জঙ্গী দমনে বিশ্বত্রাতা(!!!) আমেরিকার মেরিনদের বাংলার ধরিত্রীতে আগমন???

সবই হয়তো কষ্টকল্পনা। আর আমার কল্পনা মিথ্যা প্রমানিত হলে আমার চেয়ে বেশি খুশি বোধহয় আর কেউ হবে না। আল্লাহ আমাদের দেশের মানুষকে রক্ষা করুন।
১৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৭
আবু সালেহ বলেছেন:
ভালা কইছো......

তয় এখন এসব দেখবো কে??? সেটাই একটা প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে....
২০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
চাচামিঞা বলেছেন: তত্বাবধায়ক সরকার বাংলাভাইদের তরিঘরী করে ফাঁশিতে লটকে কি প্রমান করেছে? ইনারা ফাণনশীতে ঝুলার আগে কি বলেগেছেন? ওদের গডফাদারডের নাম কি? ওরাকি হাসিনার নাম উচ্চারন করেছিলো? কল্পনাবীলাশি হওয়া ভালো......তবে এতোটা করা উচিত না যেনো জিনিষটা হাস্যকর হয়ে যায়।
২২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: ত্রিভুজ কেমন আছেন ?

যাই হোক অনেক দিন পরেই দেখা হল, ব্লগার সংখ্যা এত যে, সবাইকে চিএত কষ্ট হয় ।
মূল কথায় আসা যাক । আমি এসে আপনার নাম শুধু এড্রেস বার এ সামুর সাথে http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuz দিয়ে সার্চ দেই, তারপর না পেয়ে একটু থতমত খেয়ে যাই ।

কারণ লিংকটা সংরক্ষিত ছিল না, আমার ।
যাই হোক পরে ব্লগার সার্চ করে আপনার বাসা পাই ।

দিন কাল কেমন যাচ্ছে ?

শাওন কেমন আছে ? দেখি এখন এর ব্লগে পাই কিনা ।

ভাল থাকুন ।

২৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
জইন বলেছেন: এই পোস্টা এই বিভাগে কেন???
২৫. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২১
রাজনীতিক বলেছেন: আওয়ামী লীগের জঙ্গী কানেকশনের ব্যাপারে যে কোন তথ্যের জন্য যুবলীগ নেতা ও হুইপ মীর্জা আযমের সাথে যোগাযোগ করুন।
২৬. ২২ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
অকপট শুভ্র বলেছেন: জটিল লিখসেন কতগুলা ++++++++++ দিলাম
২৭. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
নিশাত শাহরিয়ার বলেছেন: মনে পড়ে যায় বুশের বিন-লাদেন জুজুর কথা। বুশ প্রসাশন কোন কুকর্ম করার আগে বা নির্বাচনের আগে আগেই কোত্থেকে বিন লাদেন আবির্ভাব হয়ে একটা ভাষণ মেরে দিতো। মূর্খ বাঙালীর সামনে আমরা সেই পুরানো ট্রিকস আবার নতুন বোতলে দেখলাম মনে হচ্ছে।

*************************একমত

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ