আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

Facebook.com এর রাজনৈতিক চেহারা!

২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫০

শেয়ারঃ
0 3 0

ইরান ইস্যুতে পশ্চিমারা তাদের সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে। ইরাকের বিষয়ে CNN এর ক্রমাগত মিথ্যাচারের কারণে অনেকের কাছেই CNN তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। অতঃপর.... পশ্চিমারা তাদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ঐদিন দেখলাম ইউটিউবের ভূমিকা আজকে ফেসবুকের।

ফেসবুক পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট তাতে কোন সন্দেহ নেই। ফেসবুকে সদস্য হওয়ার সময় আমরা কেউ-ই এই সাইটের মালিক কে বা কারা তা নিয়ে ভাবিনি বা ভাবার প্রয়োজন মনে করিনি। তবুও অনেকেরই আশংকা (বেশ কিছুদিন আগে আমিও কিছু আশংকা প্রকাশ করেছিলাম) এগুলো পশ্চিমাদের ও জায়ানিস্ট গোষ্ঠীর ফায়দা লুটার টুল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সেই আশংকাটা এত দ্রুত বাস্তবে পরিনত হবে তা ভাবতে পারিনি। তাই আজকে যখন ফেসবুকের তরফ থেকে একটি ম্যাসেজ পেলাম তখন বেশ অবাক হয়েছি। ইরান ইস্যুতে দুইটি বা দুইয়ের অধিক গ্রুপ থাকতেই পারে। সেই দুই বা ততোধিক গ্রুপের কে সঠিক আর কে ভুল সেটা অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু ইউটিউব বা ফেসবুক যখন এসব ইস্যুতে একটি পক্ষের হয়ে ওকালতি করতে শুরু করে তখন এই সাইটগুলোকে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা টুল হিসেবে ভাবাটাই স্বাভাবিক। সিএনএন এর রিপোর্ট দেখুন-


Facebook at the forefront 4:55
Facebook has been in the forefront of the battle for information out of Iran. CNN's Dan Simon reports.
Click This Link

ফেসবুকের এহেন রাজনৈতিক রুপের বিরোধীতা অনেক ফেসবুক সদস্যই করেছেন। তাদের কিছু বক্তব্য তুলে ধরি-









আরো দেখলাম অনেকে অভিযোগ করেছেন তাদের একাউন্ট ব্লক করার বিষয়ে। Sarah Tiessen নামের একজনের বক্তব্য দেখুন-


ফেসবুক CNN এর সাথে প্রোপাগান্ডা মিশনে নেমেই ক্ষ্যান্ত হয়নি বরং এর বিরুদ্ধে আসা বক্তব্যকে মডারেট করতে শুরু করেছে। ইসরায়েলীরা যখন ফিলিস্তিনে বর্বরতা চালিয়েছে তখন ফেসবুকে একটি গ্রুপ করে সেই বর্বরতার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছিলাম। সেগুলো ফেসবুক মুছে দিয়ে আমাকে সতর্ক করে দিয়েছিলো যাতে তা প্রকাশ না করি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি চালানো বর্বরতা প্রকাশে ফেসবুকের আপত্তি... আবার এদিকে ইরানীদের প্রতি কথিত বর্বরতা নিয়ে তারা ক্যাম্পেইন করে....

ফেসবুকে আমরা যখন সদস্য হয়ে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারছি মানে এই না যে ফেসবুকের রাজনৈতিক মতবাদ আমরা গ্রহণ করতে বাধ্য। অথবা আমার বন্ধু তালিকায় না থাকার পরও আমার পাতায় তারা তার রাজনৈতিক মতবাদ ছাপিয়ে জোরপূর্বক তা পড়তে বাধ্য করতে পারে। মিলিয়ন মিলিয়ন সদস্যের সামনে এভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব দেখি ও প্রোপাগান্ড টুল হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ফেসবুক তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। একই সাথে এই মিডিয়াগুলোর আসল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হচ্ছে।

----
৩৫ নং মন্তব্যের জবাবে দেয়া একটি মন্তব্যের কিছু অংশ মূল পোস্টে যুক্ত করে দিলাম। তাদের জন্য যারা বুঝেও বিষয়টি না বুঝার ভান করছেন-
পশ্চিমারা ইরান ইস্যুটাকে খুব গুরুত্বপূর্ন করে তুলতে চাচ্ছে। আর ফেসবুকের মত বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে নাড়াচড়া করে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ন হওয়াতে রসদ জুগিয়েছে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: পর্যবেক্ষন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০৪
ফিরোজ-২ বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিবাদ জানাই।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: প্রতিবাদ জানান এবং এসব মিডিয়ার আসল চেহারা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করুন। ধন্যবাদ।

৩. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
ত্রিভুজ বলেছেন: উইকিপিডিয়াও দেখলাম প্রোপাগান্ডামূলক নিউজগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পাতায় প্রকাশ করে যাচ্ছে। সবগুলো মিডিয়ার আসল চেহারা বের হয়ে আসছে।
৪. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: খাইচে, আমারে আনব্লক করলেন কবে! খুশীতে আত্নহারা :) পোস্টটা ভালো দিসেন। পেলাচ।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৭
পেনাল্টিমেট বলেছেন: পৃথিবীজুড়ে ফেইসবুক, ইউটিউবের ব্যবহারকারী সংখ্যা কোটি কোটি, সম্রাজ্যবাদীরা এই সুযোগ হাতছাড়া করবে কেন।

প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পর ইন্টারনেটও সম্রাজ্যবাদীদের হাতিয়ারে পরিণত হলো। ব্যাপারটা দুঃখজনক হলেও এই পরিণতি অবশ্যম্ভাবী ছিল। কে জানে, ভবিষ্যতে হয়তো আমরা ব্লগিংয়ের মাধ্যমে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার হারাবো।
২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: হতে পারে.. তখন বিকল্প কিছু দাঁড়িয়ে যাবে এমন বিশ্বাস আমার আছে। শুধু সবাইকে সচেতন করতে হবে...

আর সম্রাজ্যবাদীদের হাতিয়ারের লেবেল যাদের কপালে আছে তারা আর খুব বেশীদিন টিকে থাকতে পারবে বলে মনে হয় না। খোদ পশ্চিমারাই সিএনএনএর উপর আগের মত ভরসা রাখতে পারছে না... পৃথিবীর সব মানুষ আত্মপ্রবঞ্চক নয় আবার সবাই জ্ঞানপাপীও নয়।

৬. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
আশরাফ রহমান বলেছেন: বি.বি. ছিঃ
এন.
এন.
কিংবা ফেসবুকের উদ্দেশ্য একই। বিষয়টি ব্লগে তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: তাদের উদ্দেশ্য যে এক সেটা এমনিতেই বুঝা যায়। যদিও অনেকে ভাবতো এগুলো কাল্পনিক ধারনা মাত্র.. এখন বিষয়গুলো পরিষ্কার হচ্ছে।

৭. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২১
বিলাশ বিডি বলেছেন: "CNN visited our offices today to talk about ways people are using Facebook to spread the word about what's happening in Iran. Watch this interview with two of our employees who share their personal experiences as Iranian-Americans."

এই কথাটার মধ্যে রাজনীতি কোথায়?

ইহুদী লোকজন রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে কারণ ফেসবুক Holocaust Denial গ্রুপগুলোকে নিষিদ্ধ করছেনাঃ

Click This Link
Click This Link
Click This Link

আর ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে সঠিক ইনফরমেশন প্রবাহ কতোটা জরুরী এটা এই লিঙ্ক দেখলে বোঝা যাবেঃ

Click This Link
২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: বিষয়টার সাথে রাজনীতি এই কারণে যে এই ইস্যুতে ফেসবুকের কথা বলা সাজে না। প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফেসবুক বা তাদের কোন এম্প্লয়ী কোন পক্ষের দিকেই তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে না। এমনকি ফেসবুকের তরফ থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন সদস্যের প্রতি এধরনের তথ্য পাঠাতে পারে না। আবার দেখুন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলীদের আক্রমনের সময় ফেসবুকের সদস্যরা কম তথ্য শেয়ার করেনি। সেসময় ফেসবুকের তরফ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এখন যাচ্ছে কেন?

আর জায়ানিস্টদের চরমপন্থী গ্রুপ নিষিদ্ধ করাটা ফেসবুকের অস্তিত্ব রক্ষারই অংশ। কারণ ফেসবুক বা ইন্টারনেটের কোন পাবলিক সাইটই কোনরকম চরমপন্থীদের জায়গা দেয় না। জায়ানিস্টদের সেটা দিলে ফেসবুককে খুব সহজেই জায়ানিস্টদের মিডিয়া হিসেবে ট্যাগিং করে ফেলা যেতো। আর এখন নিরপেক্ষ নিরপেক্ষ ভাব দেখিয়ে কৌশলে ঠিকই ইরানের বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। এতে লাভটা কাদের হচ্ছে?

২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আরেকটা বিষয়.... উইকিপিডিয়া সম্পর্কে যতটুকু জানি তাতে 'Internet censorship in Iran' নামে এধরনের এন্ট্রি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়েছে এবং তা বহাল তবিয়তেই আছে এবং আপনি এটা দেখিয়ে পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডাকে হালাল করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে মনে হলো (ভুল বুঝলে দুঃখিত)।

লিংকটা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। উইকিপিডিয়া তাহলে শুধু নিউজ লিংকই নয়, এন্ট্রিও তৈরি করতে শুরু করেছে এই বিষয়ে। ভালই...

২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০২

লেখক বলেছেন: রাগিব হাসান জানালেন Internet censorship in Australia , Internet censorship in Germany, Internet censorship in United States, Internet censorship in United Kingdom নামে উইকিতে এন্ট্রি রয়েছে। উইকির এন্ট্রি সম্পর্কিত আমার আগের কনফিউশন দূর হলো.. একই সাথে প্রশ্ন-

ইন্টারনেট সেন্সরশীপ তো বিশ্বের আরো অনেক দেশেই আছে দেখা যাচ্ছে... তাহলে Internet censorship in Iran নিয়ে এত চিন্তিত কেন আপনি?

৮. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪
বিলাশ বিডি বলেছেন: ইরানের বিষয়ে কী বক্তব্য দিলো ফেসবুক? ব্ল্যাংকেট কমেন্ট না করে স্পেসিফিকালি বলুন।

খেয়াল রাখবেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের পক্ষে কথা বলা আর কোন ইস্যুতে পক্ষ নেওয়া দুটি ভিন্ন ব্যাপার।

ধন্যবাদ।
২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: আমি সম্ভবত বিষয়টি বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ইরানের বিষয়ে বক্তব্যের কথা নয়... ইরান ইস্যুতে বক্তব্য। ইরানের বিষয়ে সিএনএন ও বাদবাকী পশ্চিমা মিডিয়ার বিরামহীন প্রোপাগান্ডা চলছে.. আগেরদিন দেখলাম ইউটিউব বিষটি ব্যপক ভাবে প্রচার করে যাচ্ছে। এসব দেখে শুনে পাবলিক ইরানের বিষয়ে যা মনে আসছে তাই বলে যাচ্ছে। এগুলোকে অনেকটা সমর্থই দিলো ফেসবুক। সেই সাথে আপনি লক্ষ্য করে দেখুন... কারো কারো বক্তব্য ও তথ্য ফেসবুক মডারেট করছে.. কারোটা করছে না। ফেসবুকে শেয়ার করা তথ্যগুলোর দিকে তাকালে দেখবেন পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডাগুলোরই চর্বিত চর্বন। সেগুলোর দায়িত্ব সেই তথ্য শেয়ারকারীর। ফেসবুক এগুলোর মাঝে কথা বলতে এসে কিছু দায়িত্ব নিজেদের কাঁধেই তুলে নিল বলতে হয়...

একই সাথে ফেসবুকের ঐ ম্যাসেজটিতে দেয়া অন্যদের মন্তব্যগুলো দেখুন.... সময়ের অভাবে আমি যেটা তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছি সেটা পরিষ্কার ভাবেই বুঝে যাবেন।

ধন্যবাদ।

৯. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
অলস ছেলে বলেছেন: বিলাশ বিডি:
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ইহুদী লোকজন যুদ্ধ ঘোষণা করছে দেখেই একপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা সম্ভবত ঠিক হবে না। প্রতিটা বাস্তবতার প্রতিবাস্তবতা আছে, পেছনের অনেক ঘটনাই আমরা জানি না। ইহুদীদের মধ্যেই কিছু বিষয় আছে সাধারণ ভাবে শেয়ার করা, কিছু মানুষ আছে জায়নবাদ বিরোধী, কিন্তু জায়নিজম ই এখন ইহুদীবাদের মূলধারা।
অনেক কনস্পিরেসী থিওরীষ্টের মতে, জায়োনিষ্টদের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান নেশান চিন্তার একটা ক্ষুদ্র অংশ ফেসবুকের মত সাইটগুলো, যা দিয়ে তারা মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষের পারসোনাল ইনফরমেশন দিয়ে ডাটাবেস তৈরী করছে। এটা তারা কি কাজে লাগাবে, তার কোন ধারণাই আমাদের নেই।
১০. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪১
বিলাশ বিডি বলেছেন: @অলস ছেলে, ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে আরেকদিন কথা বলা যাবে। আজকে টু দি পয়েন্ট কথা বলা যাকঃ-)
১১. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
বিলাশ বিডি বলেছেন: আমাকে শুধু একটা উদ্ধৃতি দেখান ফেসবুকের যেটা প্রমাণ করে ওরা কোন একটা পক্ষ নিচ্ছে। দইয়া করে আমাকে দেখে নিতে বলবেন না, উদ্দৃতিটি তুলে দেন। আপনার পোস্ট এবং সেখানকার লিঙ্কগুলো দেখে আমি কোথাও দেখলাম না ফেসবুক কোন পক্ষ নিচ্ছে।

ফেসবুক একটা সোশাল নেটওয়ার্ক যা বাস্তব জীবনের মানুষের নেটওয়ার্ককে ওয়েবে আনার চেষ্টা করছে। ওয়েবে হওয়ার কারণে এই নেটওউয়ার্ক ব্যবহার করে খুব দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করা যাচ্ছে। যেহেতূ ইরানের নির্বাচন পরবর্তী ঘটনাগুলোর খবর সংবাদমাধ্যমের সাহায্যে বাইরে আসতে পারছিলোনা ভালো করে, ফেসবুক চাচ্ছিলো তাদের নেটোয়ার্ক ব্যবহার করে মানুষ যাতে সঠিক খবরটি জানতে পারে। আমি নিশ্চিত, আহমেদিনিজাদ নিজেও চাইবে তার জয়ের খবরটি সারা পৃথিবী জানুক!

আসলে মূল ব্যাপারটি হচ্ছে টুইটারের সাথে প্রতিযোগিতা। ইরানের নির্বাচন পরবর্তী খবরাখবর সবচেয়ে বেশি এসেছে টুইটারের মাধ্যমে। সেজন্য সিএনএন, গুগল, ফেসবুক সবাই প্রমাণ করতে চাচ্ছে তথ্য প্রবাহের জন্যও তাদের সাইটও কম যায় নাঃ

Click This Link
২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ইরানের বিষয়ে যে তথ্যগুলো ফেসবুকে ছড়াচ্ছে সেগুলোর প্রায় সবই প্রোপাগান্ডামূলক। এখানে একটা ফ্যাক্ট জড়িত... মূলত ইরানী উচ্চবিত্ত ও শহুরে শ্রেণীকে আমেরিকা ব্যবহার করছে ইরানকে অস্থিতিশীল করতে। এবং এই উচ্চবিত্তের হাতেই রয়েছে তথ্য প্রযুক্তি সুবিধা.. ফলশ্রুতিতে বেশীরভাগ তথ্যই ওখানে ইরানের বিরুদ্ধে যাচ্ছে।

http://www.facebook.com/facebook লিংকে গেলে আপনি ফেসবুকের ঐ ম্যাসেজটা পেয়ে যাবেন যেখানে তাদের দুই এম্প্লয়ী ইরান বিষয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছে। সিএনএনে দেয়া তাদের ইন্টারভিউটা দেখতে পারেন। একই সাথে ঐ ম্যাসেজের নিচে ফেসবুক সদস্যদের মন্তব্যগুলো দেখুন.. মন্তব্যগুলোর বেশীর ভাগই ইরানের বিষয়ে পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডাকে সমর্থনসূচক যার জন্য দায়ী ফেসবুকে প্রকাশিত বিভিন্নজনের সত্য-মিথ্যা তথ্য। আর ফেসবুকের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয় যে এই তথ্য প্রকাশের মহান দায়িত্ব পালনে অংশগ্রহণ করতে পেরে ফেসবুক আনন্দিত। অথচ পৃথিবীর অন্যকোন স্থানে হওয়া বিপর্যয়ের সময় ফেসবুক সদস্যরা যেসকল তথ্য প্রকাশ করেছিলো সেগুলো নিয়ে ফেসবুকওয়ালাদের এরকম কোন বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি বা তাদের কোন এম্প্লয়ী সাক্ষ্যাৎকারও দেয়নি। এ থেকে আপনি কি বুঝতে পারেন?

আর টুইটারের সাথে প্রতিযোগীতাটা একটু হাস্যকর শোনালো.... ফেসবুক টুইটারের সাথে প্রতিযোগীতা করতে যাবে কেন? দু'টো সাইট একই ক্যাটাগরির নয় এবং তারা কেউ কারো প্রতিদ্বন্দীও নয়। আপনি এত কনফিডেন্টের সাথে "মূল ব্যপার" আবিষ্কার করলেন কিভাবে?

১২. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
বাঙ্গাল বলেছেন: উবামার সাফাই গাওয়া... ইস্লামিক দুনিয়ার প্রতি ভাষন গুলান নিউজফিডে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা---এইসব কি তারি আলামত?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:২১

লেখক বলেছেন: কিসের নিউজ ফিডে?

১৩. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
শ।মসীর বলেছেন: ভাই ত্রিভূজ পশ্চিমা মিডিয়া তাদের তৈরী প্রোপাগন্ডা চালাবেই।এতে এত টেনসিত হবার কিছু নেই।ফেস বুকও শেষ পর্যন্ত সাধু থাকবে এটা আশা করার ও কোন কারন নেই।

আমাদের মুসলীমদের চিন্তাচেতনার জগতে পরিবর্তন আনা দরকার। ধনী দেশ আমেরিকা পশ্চিমা চিন্তাভাবনার মূলধারক।ধনসম্পদ তো মধ্যপ্রাচ্যের ও কম নেই।বিলাসী আর জঙ্গীবাদী আমরাতো এর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছি।

অত দূরে যাবার দরকার নেই।ঘরের ভিতরে দেখুন।আমাদের একটা চ্যানেলও ভারতে দেখা যায়না।আর ওদেরটা দেখতে দেখতে আমাদের লোল পড়ে।
কাউরে দোষ দিয়া লাভ নাই।যেমন লাভ নাই প্রথম আলোর বদলে যাও শ্লোগানে।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে দ্বিমত নেই। ফেসবুক কারো পক্ষপাতিত্ব করতেই পারে.. সেক্ষেত্রে আমরা ফেসবুকের এই পরিচয় জেনে তাকে মূল্যায়ণ করবো.. একই সাথে হুট করে ফেসবুককে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় দেখে আমরা কিছুটা প্রতিবাদ করতেই পারি। কারণ আমাদের (সদস্যদের) কারণেই ফেসবুক জনপ্রিয়।

আর এখানে আমি শুধু ফেসবুকের রাজনৈতিক চেহারাটা তুলে ধরলাম।

১৪. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
রাগিব বলেছেন: লিখতে ভুলে গেছেন, উইকি, গুগুল, স্ক্রিপ্ট কিডি, টুইটার, ফেইসবুক ইত্যাদি ইত্যাদ সবই বিশেষ এক ধর্মের লোকের ষড়যন্ত্র ইত্যাদি ইত্যাদি। তদুপরি গুগলের দুই মালিকই বিশেষ ধর্মের বলে অবধারিতভাবে ইউটিউব এরকম করছে ... (স্ক্রিপ্ট থেকে আরো কিছু বাদ গেছে কি? আগের পোস্টগুলো দেখে বোঝার চেষ্টা করবো)।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: উইকিপিডিয়া সম্পর্কে যতটুকু জানি তাতে 'Internet censorship in Iran' নামে এধরনের এন্ট্রি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়েছে এবং তা বহাল তবিয়তেই আছে... এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

১৫. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
বল বীর বলেছেন:

বুশ আর ওবামা একই মুলার আগা আর গোড়া। সিএনএন কি বিবিসি বা ফক্স সবই একই সূত্রের।

২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: সমস্যাটা হলো আমেরিকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন ইহুদী বা জায়ানবাদীদের হাতে...

১৬. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
স্পাইডার বলেছেন: শামসীরের কতার লগে ১মত।

রাগিব বাইজান কি কইতে চায়? দুইন্যার বেবাক লোক বুকা??? গুগুলে কেউ চার্কি করতামই পারে তাই বইলা ইউটিউব আর ফেসবুকের সব কিচু বালা???
১৭. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২০
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: [মন্তব্যটি একান্তই ফান করার জন্য। কেউ মনে কষ্ট নিবেন না দয়া করে।]

ফেসবুকের মালিক যদি বিএনপি হতো, তাহলে ভারত আর টিপাইমুখের গোষ্ঠী উদ্ধার করতো.....

আর যদি আওয়ামীলীগ হতো তাহলে বিএনপি'কে নোয়াখালী সমিতি বলে গালি দিত..........

যদি জাতীয় পার্টি এর মালিক হতো, তবে আজ যে মতধারা দেখবেন... কাল ফেসবুক খুলে দেখবেন নতুন মতধারা..........

আর কোন ক্রমে যদি এর মালিক জামাতীরা হয়ে যেত আরকি,, তাহলে আর রক্ষা নেই,,, রাজাকার বলে যে শব্দটি আমরা ব্যবহার করি, তারা বলতো এই শব্দটি হিন্দু বা ইহুদীরা ব্যবহার করে। সুতরাং এই রাজাকার শব্দটি মুসলমানরা ব্যবহার করলে কবিরা গুনাহ্ হবে।

সুতরাং, ফেসবুকের মালিকরা যদি তাদের স্বার্থে এটাকে ব্যবহার করে তাহলে আপনার আমার কিছু করার থাকে না। আমাদের তো তারা সেধে সদস্য করে নি। আমরাই আগ্রহী হয়ে তাদের দলে যোগ দিয়েছি....,.

[মন্তব্যটি একান্তই ফান করার জন্য। কেউ মনে কষ্ট নিবেন না দয়া করে।]
২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: আমরা আগ্রহী হয়ে তাদের সদস্য হয়েছি ঠিকই.. কিন্তু তাদেরকে একটা রাজনৈতিক টুল হিসেবে জেনে নয়।

১৮. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৬
রাজর্ষী বলেছেন: তারমানে সামুর ভুত এখন ফেসবুকের উপরেও সওয়ার হইসে? হা হা হা...। নাকি সবাই একচোখে সবকিছু দেখে? পশ্চিমাদের তৈরী করা এবং মালিকানাধীন মিডিয়া পশ্চিম দিকে কান্নি খায়া থাকতেই পারে। তবে ওরা মনে হয় অত নগ্ন ভাবে এদের ব্যবহার করে না যা আমাদের কন্ট্রোলে থাকলে আম্রা করতাম।
১৯. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৬
:) বলেছেন: ১. রবার্ট ফিস্ককে কোট করি

""…this was not just the trendy, young, sunglassed ladies of north Tehran. The poor were here, too, the street workers and middle-aged ladies in full chador. A very few held babies on their shoulders or children by the arm, talking to them from time to time, trying to explain the significance of this day to a mind that would not remember it in the years to come that they were here on this day of days.""

ইরাক/লেবাননের পরীক্ষিত, নৈতিকভাবে তথাকথিত 'মুসলমানের পক্ষ নেয়া' রবার্ট ফিস্ক ও কি প্রপাগান্ডা মেশিনের টুল?

২. Another canard being forwarded by the Iranian regime and its defenders is that “Western media” have somehow generated the uprising. That one is falling flat, though, and the regime has undercut its own argument by putting foreign reporters under house arrest, expelling others, even arresting some, and prohibiting them from shooting video or photographs of what occurs in the streets. They’ve made the capitalist media secondary players, dependent on citizen journalists for the images and words in their reports. Western corporate media has been neutered and spayed when it comes to reporting from Iran this week. And the Authentic Journalism Renaissance – media from below – is evident to the world.

এটার কাউন্টারে কী বলবেন? বিবিসি / সিএনএন নিয়ে রাগ আছে আপনার? তা হলে আল জাজিরা / আল এরাবিয়াদেরও কাজ করতে দেয় না? সবাই প্রপাগান্ডা ছড়ায়?

২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: দেখুন, সবাই কি ছড়ায় সেটা আলাদা বিতর্ক। যদিও প্রাঙ্গিক ভাবে এখানে আলোচনাটা চলে এসেছে। আমার মূল বক্তব্য ইরান ইস্যুতে ফেসবুক তাদের খোলস ছেড়ে বের হওয়া নিয়ে।

কোন গ্রুপ সঠিক আর কোন গ্রুপ বেঠিক সেই বিতর্ক পরে করা যাবে। আপাতত আমরা ফেসবুক, ইউটিউব আর উইকিপিডিয়ার অবস্থান সম্পর্কে আলোচনা করতে পারি।

২০. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
জানপরী বলেছেন: জোর যার মল্লুক তার !
ডলার যার মিডিয়া তার !!
পস্চিমাদের দালাল ইরানের ভোটে জয়ী হলে ইরানের ভোট নিরপেক্ষ হত।
পস্চিমাদের দালাল ইরানের ভোটে হেরে গিয়ে ওদের মাথা নস্ট হয়ে গেছে।
২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ.. সেটাই। তবে আমাদেরকেও সচেতন হতে হবে। কারা কাদের দালালী করছে সেটা জেনে রাখা ভাল...

২১. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: আনব্লক করার জন্য প্লাস।
২২. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন: ওয়াল্ড মিডিয়া যে ৫ টি কোম্পানী নিয়ন্ত্রন করে তা হয়ত আমরা জানি ই না , ফলে কোন সংবাদ বা অন্য কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে নয়
২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: এই কথাটা অনেকেই গুজব বলে উড়িয়ে দেন। এবার হাতে নাতে প্রমাণ পাওয়া গেল... সেজন্যই এই প্রচারণা।

২৩. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
বিলাশ বিডি বলেছেন: @রাগিব, মার্ক জুকারবার্গও ইহুদি পরিবারে জন্ম নিয়েছে কিন্তুঃ-)

@ত্রিভুজ, ফেইসবুকের সাথে টুইটারের তুলনা শুনে হাসি পাচ্ছে? হাসি ভালো জিনিস। হাসির সাথে সাথে একটু চোখকান খোলা রাখা যায়, কী বলেন? এই লিঙ্কটা দেখেনঃ

Click This Link

Click This Link

ওয়েব 2.0 এর মূল জিনিস হচ্ছে তথ্য আদানপ্রদান! গুগল, মাইক্রোসফট, ইয়াহু, ফেইসবুক, টুইটার, সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, উইকিপিডিয়া সবাই এই তথ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। এর মধ্যে একমাত্র উইকিপিডিয়া অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, আর অন্যরা কোনোনা কোনোভাবে লাভের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ধন্যবাদ।
২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: লিংক দেখলাম। কিন্তু আপনি চোখ কান খোলা রেখে টুইটারকে ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দী দাঁড় করালেন সেটা পরিষ্কার হলো না। নানা রকম ব্লগে নানা কথা লেখা থাকতেই পারে.. তা দিয়ে ফেসবুককে টুইটারের প্রতিদ্বন্দীও প্রমাণ করার হাস্যকর প্রচেষ্টা না করাই ভাল। যারা ফেসবুক ব্যবহার করেছে এবং টুইটার (http://twitter.com/) ব্যবহার করেছে তারা পার্থক্যটা ভালই জানে.... আপনিও হয়তো একদিন জানতে পারবেন।

আর দ্বিতীয় লিংকটার জন্য ধন্যবাদ। .. ভেবে দেখুন.. ইরান ইস্যুকে কতটা গুরুত্ব দিলে ফেসবুক তড়িঘড়ি করে এই কাজ করেছে। ইরান ইস্যুকে গুরুত্বপূর্ন হিসেবে কারা দাঁড় করাতে কারা বেশী আগ্রহী তা কারো অজানা নয়!

২৪. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০০
রাগিব বলেছেন: @বিলাশ, তবেই সেরেছে ... এখন দেখবে বিশাল ষড়যন্ত্রের প্রমাণ এসে যাচ্ছে ফেইসবুক ও গুগলের মালিকদের । তবে সাবধান, অপাত্রে "যুক্তি" তুলে না ধরাই উত্তম। একটু পরেই দেখবে তোমার পুরো কমেন্ট কপি করে তোমার আড়ালে জামাতী আইডি ফোরামে বসে বসে গীবত শুরু করে দিয়েছে ফোরামের মালিক ও তার "সাথী" দল। :)
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: ট্রলদের সাথে নাচতে নাচতে ধীরে ধীরে আপনিও ট্রল হয়ে ওঠছেন। কখনো গভীর রাতে খুব গভীর ভাবে বিষয়টা নিয়ে ভেবে দেখতে পারেন।

২৫. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
বিলাশ বিডি বলেছেন: খাইসেরে, আমি ফুটি! আর কোনো মন্তব্য না এখানে!!
২৬. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
তানহা তাবাসসুম বলেছেন: পশ্চিমা মিডিয়ার মধ্যে একমাত্র BBC কিছুটা নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করে......... CNN, ABC, Times, FOX এই কয়টা কট্টর ইহুদীবাদী......... এরা US election এর আগে ওবামাকে মুসলিম এবং টেরোরিষ্ট গোষ্টীগুলার সাথে সম্পর্ক আছে এটা প্রমান করতে সমালোচনা, কার্টুন, কু মন্তব্য কিছুই বাদ রেখেছিলো না......... FOX news এ একটা প্রোগ্রাম হত, নাম ছিলো "Obama-Biden & Osama-Bin-Laden...... coincidence?" আর সবচেয়ে মজার ব্যপার এদের আমি জীবনেও কখোনো কোন ব্যপারে ইসরাইলের সমালোচনা করতে দেখিনি......... এখন ইরানে ১৭ জন মারা গেলো আর তারা বলতেছে মানবাধিকারের কথা.........যখন ইসরাইল ১৩ দিনে গাজায় ১৪০০ ফিলিস্তিনি হত্যা করলো, তখন CNN থেকে বারবার বলা হত "Israel has the right to defend itself"....... আর ইরান ইস্যুতে তারা মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি পেয়ে গেছে......... এ সু্যোগ কি তারা হাতছাড়া করবে?
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: এদের এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের কথা সবাই জানে। আপনার প্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৭. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
যাযাবর রাজিব বলেছেন: ওরা যে কি পরিমান কুত্তা দেখছন.............................
২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন: "কুত্তা" টাইপ শব্দগুলো আমার ব্লগে ব্যবহার না করলে খুশি হই...

২৮. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
শ।মসীর বলেছেন: যাক বিলাশ ভাই বুঝতে পারছে :)
৩০. ২৫ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
কিউরিয়াস বলেছেন: বিলাস_বিডির সাথে একমত, টুইটার আর ফেসবুকের ঠান্ডা লড়াইটা আসলেই আছে, অন্তত খবর ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে।

আরো একমত, যে সিএনএনের সাথে "অবাধ তথ্যপ্রবাহ" নিয়েই তাদের কথা, অন্তত আপনার লিংক দেখে তাই মনে হয়েছে।

আর লেখক যখন নিজেই বলেন: "মূলত ইরানী উচ্চবিত্ত ও শহুরে শ্রেণীকে আমেরিকা ব্যবহার করছে ইরানকে অস্থিতিশীল করতে।"
আর এরপর যখন দাবী করেন বাকীরা "প্রপাগান্ডা" চালায়, এবং দাবী করেন "ফেসবুক বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে" তাতে কথাটা অনেকটা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়ে যায়না?
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আরেকটু পরিষ্কার করে বলুন...

৩১. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪১
রাগিব বলেছেন: "লেখক বলেছেন: উইকিপিডিয়া সম্পর্কে যতটুকু জানি তাতে 'Internet censorship in Iran' নামে এধরনের এন্ট্রি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়েছে এবং তা বহাল তবিয়তেই আছে... এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?"

উইকি সম্পর্কে আপনি ভালো করে জানেননা তা বিভিন্ন সময়ে প্রমাণিত হয়েছে। যাহোক, উইকিতে একটি ক্যাটেগরিই আছে এই বিষয়ে (Click This Link ) যার অধীনে আছে Internet censorship in Australia , Internet censorship in Germany, Internet censorship in United States, Internet censorship in United Kingdom ইত্যাদি ইত্যাদি। এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী? :)
২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: জানলাম... ইরাকে মার্কিন আগ্রাসন বা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলী আগ্রাসন নামে কোন এন্ট্রি করা সম্ভব?

৩২. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
রাগিব বলেছেন: "লেখক বলেছেন: ট্রলদের সাথে নাচতে নাচতে ধীরে ধীরে আপনিও ট্রল হয়ে ওঠছেন। কখনো গভীর রাতে খুব গভীর ভাবে বিষয়টা নিয়ে ভেবে দেখতে পারেন।"

আর আপনি বিভিন্ন স্থানে তর্কে না পেরে নিজের চাটুকারদের জন্য আলাদা ফোরাম খুলে তাতে মনের সুখে গীবত করে চলেন। প্রথম আলো ব্লগ থেকে আমার পোস্ট ও কমেন্ট কপি করে আইডি ফোরামে আপনার জামাতী মানসিকতার "সাথী" ভাইদের সাথে প্রাণ খুলে গীবত যা করেছেন, তাই এর প্রমাণ। এই কমেন্টটাও ওখানে পাঠাবেন নাকি? :)
২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা... পুরোপুরি এ-টিম মার্কা মন্তব্য হয়েছে... আপনার জন্য উত্তম ঝাঝা। :)

এর আগে বলেছিলাম "ট্রলদের সাথে নাচতে নাচতে ধীরে ধীরে আপনিও ট্রল হয়ে ওঠছেন।".. কথাটা ভুল ছিলো স্বীকার করলাম। আপনি আসলে হয়ে ওঠছেন না.. হয়ে গিয়েছেন। অভিনন্দন..

২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: আর বিভিন্ন সাইটে তর্কে না পেরে আইডি ফোরামে চাটুকারদের জন্য আপনার কমেন্ট কপি-পেস্ট করেছি এটা একটা ভুল তথ্য। আপনি যদি চান তাহলে সেই মন্তব্যগুলো এখানেও পোস্ট করতে পারি..

এখানে পোস্ট করার আগেই কেউ দেখতে চাইলে নিচের লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন-
Click This Link

৩৩. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
মতলববাজ বলেছেন: ইহুদিদের মাইনাস।মুসলমানদের ব্যর্থতার জন্য আমি মুসলমান হিসেবে নিজেরে মাইনাস দিলাম।ইরান রে নিয়া গর্ব করতাম।কিন্তু এই যুগে যারা মিডিয়া বন্ধ করে দেয় তারা আসলেই বোকার স্বর্গে বাস করে।ইরানের উচিত ব্যান তুলে নেয়া ।
৩৪. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫১
কিউরিয়াস বলেছেন: পরিষ্কার করে বলতে বললেন। শুধু ২ টা কথা বলতে চাই

১। ব্লগার নিজেই দাবী করলেন : "মূলত ইরানী উচ্চবিত্ত ও শহুরে শ্রেণীকে আমেরিকা ব্যবহার করছে ইরানকে অস্থিতিশীল করতে।"

২। ব্লগার ফেসবুকের একটি নিরীহ লিনক দেখিয়ে দাবী করলেন যে ফেসবুক "বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে" এবং এটা "জায়ানিস্ট গোষ্ঠীর ফায়দা লুটার টুল"।

এখন একজন পাঠক যদি বলেন, ব্লগার ১ নং কথাটা দিয়ে নিজেই প্রপাগান্ডা চালিয়েছেন, এবং ২ নং কথাটা দিয়ে একটা লেজিটিমেট, আধুনিক সংবাদ মাধ্যমকে মিথ্যা অভিযোগে নস্যাত করে দিতে চাইছেন, তাহলে ব্লগার কী জবাব দেবেন?

এখনে কার আচরণ ফ্যাসীবাদী মনে হচ্ছে? ফেসবুকের, না লেখকের?

২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ.. আমার কথাকে আপন প্রোপাগান্ডা হিসেবে চিন্হিত করতে পারেন বৈকি। এই অধিকার আপনার আছে যদিও আমার বক্তব্যটা বাস্তবতার নীরিখেই ছিলো।

আর আপনার পয়েন্ট অব ভিউ থেকে আপনার দাবীটা ঠিক আছে... কারো কাছে যদি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে সঠিক মনে হয় তাহলে আমার বক্তব্যটা তারকাছে প্রোপাগান্ডামূলকই মনে হয়। এক্ষেত্রে স্ট্যাটমেন্ট না দিয়ে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে কথা বলা উচিত ছিলো। এই ভুল স্বীকার করে নিলাম।

এবার মূল টপিকে আসি... ধরুন আমি একটা পক্ষ নিয়েছি (আমি কিন্তু দাবীও করিনি আমি কোন পক্ষ নই)... কিন্তু তাতে কি? ব্যক্তি হিসেবে আমি একটা পক্ষ নিতেই পারি। কথা হচ্ছে ফেসবুকের পক্ষ নেয়া নিয়ে। যে লাখো মানুষের জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফেসবুক গড়ে ওঠেছে তারা সবাই এক মত ও পথের নয়। তাদেরকে একটি ফ্রি সার্ভিসের লোভ দেখিয়েই কিন্তু ফেসবুক জড়ো করেছে। কোন রাজনৈতিক মতবাদের লোকের জন্য ফেসবুক তৈরি হয়নি। এখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক থেকে কোন রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে যাওয়াটা নিশ্চয় সুস্থ চর্চা নয়।

ব্যক্তি ত্রিভুজের পক্ষপাতিত্ব আর একটি প্রতিষ্ঠান (ফেসবুক) এর পক্ষপাতিত্ব কি এক হতে পারে?

৩৫. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
কিউরিয়াস বলেছেন: আপনি বললেন : "এখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক থেকে কোন রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে যাওয়াটা নিশ্চয় সুস্থ চর্চা নয়।"

কিভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার হলো ফেসবুক? আপনার দেয়া লিংক থেকে তো এর কোন প্রমাণই পাচ্ছিনা! সাক্ষাতকারের খবর আর কিছু অসংলগ্ন কমেন্ট থেকে ফেসবুককে "জায়ানিস্ট গোষ্ঠীর ফায়দা লুটার টুল" বলার মত পেলাম না কিছুই।

অন্য মন্তব্যগুলোতেই আপনার যুক্তির দূর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: দেখুন, ইরানে যা ঘটছে এর চাইতেও অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন বিষয় পৃথিবীতে ঘটেছে। সেগুলো নিয়ে ফেসবুকের এরকম কোন কিছু পাওয়া যায়নি।


পশ্চিমারা ইরান ইস্যুটাকে খুব গুরুত্বপূর্ন করে তুলতে চাচ্ছে। আর ফেসবুকের মত বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে নড়াচড়া করে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ন হওয়াতে রসদ জুগিয়েছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

এরপরও বুঝতে না পারলে আর কিছু বলার নেই। এর চাইতে সহজ ও শিশুতোষ ভঙ্গিতে বোঝানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

৩৬. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
কালের শপথ বলেছেন: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পোস্ট করেছেন। আশা করি আপনার ফেস বুকের বন্ধুদের লিঙ্কটি শেয়ার করবেন। াবশ্য ওটা আবার মডারেশন করে কিনা?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ... করবো।

৩৭. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১০
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:


Click This Link
এখানে একটা দারুন বিতর্ক চলছে। আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: এই ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনায় আমি আগ্রহী নই। কারণ এখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে চলে ধান্ধাবাজ আর নোংরামী। এর মাঝে জড়াতে চাই না....

ধন্যবাদ।

৩৮. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩০
:) বলেছেন: ১৯ নং কমেন্টের উত্তরে বলছি


"ইউটিউব বা ফেসবুক যখন এসব ইস্যুতে একটি পক্ষের হয়ে ওকালতি করতে শুরু করে তখন এই সাইটগুলোকে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা টুল হিসেবে ভাবাটাই স্বাভাবিক"

কেউ তো কারো পক্ষের হয়ে ওকালতি করছে বলে মনে হচ্ছে না!
সিএনএন একটি টিভি চ্যানেল , যেমন একুশে টিভি , বাংলাদেশে সবাই তো আর একুশে টিভির ফ্যান না এখন একুশে টিভি যদি কাল্পনিক 'বাংলা খোমাখাতা' নামক একটি সোশাল নেটওয়ার্কিং সইটে আসে " একুশে visited our offices today to talk about ways people are using বাংলা খোমাখাতা to spread the word about what's happening in বাংলাদেশ- রিগার্ডিং টিপাইমুখ. Watch this interview with two of our employees who share their personal experiences as বাংলাদেশী-ইনডিয়ান."

আপনার সমস্যাটা কৈ?

আর ইউটিউবে / ফেইসবুকে যদি মুসাভির সমর্থক বেশী থাকে ওদের কী করার আছে? আহমেদিনাজাদের সমর্থকদের তো আর ইউটিউব/ ফেইসবুক ব্যবহার করতে কোন বিধিনিষেধ নাই।


এসব ছেড়ে আহমদিনাজাদের সমর্থকদের নৈতিক শক্তি নিয়ে কিছু বলতে পারেন, কী কারনে আল জাজিরা/ আল এরাবিয়া সহ সকল সংবাদ মাধ্যমকে তাদের দেশে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না? সরকার পক্ষের মুখপত্র ছাড়া কেন সকল সংবাদ পত্রের লাইসেন্স কেড়ে নেয়া হয়েছে?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি তো ভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে আসলেন। আপনার বক্তব্য নিয়ে একটা আলাদা পোস্ট দিন.. সেখানে আলোচনা করা যাবে। আপাতত আমার মূল বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী। ৩৫ নং মন্তব্যের জবাবে আমি যা বলেছি আপনাকেও তা বলি-

পশ্চিমারা ইরান ইস্যুটাকে খুব গুরুত্বপূর্ন করে তুলতে চাচ্ছে। আর ফেসবুকের মত বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে নড়াচড়া করে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ন হওয়াতে রসদ জুগিয়েছে।

আর ইরানের এই বিষয়টাকে এভাবে হাইলাইট করার জন্য পশ্চিমারা উঠে পড়ে লেগেছে... সেই ক্যাম্পেইনে ফেসবুকও যোগদান করেছে। এখানেই আমার আপত্তি...

ফিলিস্তিনে যখন ইসরায়েল হাজার হাজার লোক অন্যায় ভাবে হত্যা করে তখন সেটা মানবধিকার লঙ্ঘন হয় না আর ইরানে বাইরের শক্তির ইন্ধনে চলা বিক্ষোভে ১৫-১৬ জন মরলে সেটা নিয়ে বিশাল হৈ চৈ করতে হবে!.. এটাই মানবতা... তাই না?

৩৯. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২০
কিউরিয়াস বলেছেন: ৩৮ নং এর ষাথে একমত।

আপনি বলেছেন : "পশ্চিমারা ইরান ইস্যুটাকে খুব গুরুত্বপূর্ন করে তুলতে চাচ্ছে।"

একমত।


"আর ফেসবুকের মত বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে নড়াচড়া করে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ন হওয়াতে রসদ জুগিয়েছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।"

এইখানে যুক্তির একটা ফাঁক আছে। ২ টা ভুল কাজ কখনো ১ টা ঠিক কাজ তৈরী করেনা।

খুব সাধারণ যুক্তি দিয়ে বোঝাই:

ফেইসবুক ফিলীস্তিনকে যথাযথ কাভারেজ দেয় নি। আপনি তাতে ক্ষুব্ধ, তার কারণ নিচের ২ টার যেকোন ১টা হতে পারে,
১। আপনি ফিলীস্তিনের পক্ষে, তারা ভাল হোক আর খারাপ হোক। তাই আপনি ক্ষুব্ধ।
অথবা,
২। আপনার মনে হয়েছে ফিলীস্তিনে অন্যায় হচ্ছে, এবং সবার তা জানার অধিকার আছে। সেই অধিকার ফেসবুক না দেয়ায় আপনি ক্ষুব্ধ।

১ হলে কিছু বলার নাই, ২ হলে বলতেই হয়, আপনি কোন মুখে ইরানের খবর চেপে রাখার পক্ষপাতী?? কোন খবর শুধুমাত্র "পশ্চিমা"দের পক্ষে যায় দেখে সেই খবর চেপে যাব, যুক্তিটা ছেলেমানুষী হয়ে গেলনা?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনি আমার পোস্টের মূল বক্তব্য বুঝেননি ও আমার মন্তব্যগুলোও বুঝতে পারেননি মনে হলো। এই পোস্টের সারাংশ হচ্ছে "ফেসবুক ইরান ইস্যুতে একটা রাজনৈতিক সাইড গ্রহণ করেছে যা উচিত নয় বা আমরা আশা করি না"। এখানে আমাদের নিজেদের রাজনৈতিক সাইড গ্রহণ করার অধিকার আছে বা আমরা করতে পারি। ফেসবুকও তা পারে.. কিন্তু ফেসবুকের মত মিডিয়াগুলো সাধারণত জনমানুষের মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তারা যখন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের টুলে পরিনত হয় তখনই আমাদের আপত্তি।


আর ইরানের খবর চেপে রাখতে চাই এমনটা বলিনি বা রাখা উচিত এমনটাও দাবী করিনি। একই সাথে মনে করি ইরানের বিষয়ে তিলকে তাল করাটা ন্যায় সঙ্গত নয়। আর ফেসবুকের বিষয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে 'ইরান ইস্যুতে তাদের ভূমিকা আমার পছন্দ নয়।'

৩৫ নং মন্তব্যের জবাবটা আপনার জন্যও... আরেকবার পড়ে দেখতে পারেন।

৪০. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২৬
:) বলেছেন:

"আর ইরানের এই বিষয়টাকে এভাবে হাইলাইট করার জন্য পশ্চিমারা উঠে পড়ে লেগেছে... সেই ক্যাম্পেইনে ফেসবুকও যোগদান করেছে। এখানেই আমার আপত্তি..."

ফেইসবুক কোন ক্যাম্পেইনে যোগদান করে নাই, আপনি নিজে কিছুক্ষন আগে স্বীকার করলেন না, আপনি বায়াস্ড, সেজন্যই আপনার সমস্যা হচ্ছে মুসাভী-পক্ষের কথাবার্তার বিরুদ্ধে আপনি লজিকাল কিছু বলতে পারছেন না। ফেসবুক একটা ফ্রি টুল, গাইডলাইন ফোলো করে যে কেউ যে কোন কিছু করতে পারে। ওর অফিসে সিএনএন গেলেই কি আর আল এরাবিয়া গেলেই কি?

ফানি একটা ভিডিও দেখেন







২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি বায়াসড... ঠিক আছে.. কিন্তু ফেসবুককে তো আমরা এতদিন বায়াসড বলে জানতাম না। এখন থেকে জানছি... বিষয়টা এখানেই।

৪১. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
অ্যামাটার বলেছেন: এটাই হয়ে আসছে, জোর যার, মুল্লুক তার।
২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন: জোর যার মুল্লুক তার নীতিতে যারা চলে তারা বেশীদিন টিকতে পারে না। তাদের পতন আরো তরান্বিত করার জন্যই এই প্রচারণা...

৪২. ২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
কিউরিয়াস বলেছেন: আপনি খামাখাই ত্যানা প্যাচাচ্ছেন,বারবার একই কথা বলে যাচ্ছেন: ফেসবুক ইরান ইস্যুতে একটা রাজনৈতিক সাইড গ্রহণ করেছে যা উচিত নয় বা আমরা আশা করি না"--যেখনে আপনি কোন প্রমাণই দেখাতে পারেননি সাইড গ্রহণের, একমাত্র "অতিরিক্ত ঔৎসুক্য" ছাড়া, যেটা কোনভাবেই সাইড গ্রহণ বলে মানা যায় না, এবং এই "অতিরিক্ত ঔৎসুক্য"-এর কারণ বিলাশ বিডি ঠিকই দিয়ে দিয়েছেন।



২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কিউরিয়াস, আপনার মতামতের জন্য।

৪৩. ২৭ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
রোহান বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই আমরা হইলাম নয়া হাফপ্যান্ট ব্লগার... আইডি বাংলায় দেখলাম প্যালেস্টাইনের হত্যাযজ্ঞ নিয়ে আপনি অনেক সোচ্চার... তো বাংলার তিরিশ লাখ মানুষের হত্যাযজ্ঞ নিয়েও কি আপনি ততোটা সোচ্চার??? বললেন এই ব্লগে নাকি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ধান্দাবাজি আর নোংরামি চলে... ভালো কথা...

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার মতাদর্শ নিয়া আরেকখান পোষ্ট দেন... হাফপ্যান্ট ব্লগারদের আপনার সম্পর্কে আরো কিছু জানা হোক... ব্লগ সেলিব্রেটি বলে কথা ;)
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে তিরিশ লাখ মানুষের হত্যাযজ্ঞ আমি সমর্থন করেছি এমনটা মনে হওয়ার কারণ কী? ভিত্তিই-বা কী?

৪৫. ২৭ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
রাগিব বলেছেন: আপনি প্রথমে আমার পোস্টে গায়ে পড়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বললেন, তার পরে সেইখানে সুবিধা করতে না পেরে জামাতিদের নিয়ে গড়া আপনার নিজের ফোরামে আমার আড়ালে বসে আমাকে তুলাধুনা করলেন -- এইটাকে গীবত ছাড়া আর কী বলবো? আড়ালে বসে কথা বলা আপনার প্রিয় অভ্যাস। গুগলের কল্যাণে আপনার সেই জামাতী চামচাদের নিয়ে করা গীবতী থ্রেডটি আমার চোখে পড়ে। তা, আপনি আমাকে জানিয়ে শুনিয়ে ওখানে আমার কমেন্ট সব কপি করেছিলেন নাকি? আমার তো মনে পড়ে না। আপনি ওখানে গীবতী ঐ থ্রেড শুরু করেছেন, কেবলই আপনার জামাতী চামচাদের পিঠ চাপড়ানো পাবার জন্য। তা পেয়েছেনও। এখন এই কমেন্টটা নিয়েও ওখানে থ্রেড খুলেন। সমমনাদের বহু বাহবা / মারহাবা কুড়াতে পারবেন :)

জানি, এটার কোনো সাফাইই আপনার নেই। যেমন নেই উইকিতে নিজের জীবনী লিখে ধরা খেয়ে উইকির চির শত্রু হয়ে গেছেন তার যৌক্তিকতা
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: আপনাকে তুলোধূনা করা হলো কিভাবে? আপনি যা বলেছেন হুবহু তা-ই কপি-পেস্ট করেছি। ওখানে তথ্যসূত্রও দেয়া ছিলো। বাড়িয়ে কিছু তো বলা হয়নি....

আর ঐ ফোরামকে আপনার জামাতী ফোরাম মনে হওয়ার কারণ কী? ওখানে নিয়মিত গেলে আপনার জানার কথা যে হিযবুত তাহরীরের ছেলে পেলেরা জামাতকে আচ্ছামত ধোলাই দিচ্ছে। আর আওয়ামী ও বিএনপি ভাবধারার কিছু পোস্টও পাবেন ওখানে। আপনি গিয়ে রাজাকার আর আলবদর নিয়ে লিখুন না... কেউ তো মানা করছে না। যদি রাজাকার আর আলবদর নিয়ে লিখতে কেউ আপনাকে বাঁধা দেয় তাহলে ফোরামটাকে বায়াস বলতে পারেন। অন্যথায় গায়ের জোরে এইসব বকোয়াজ না করলেই কি নয়?

উইকিতে জীবনী লিখে ধরা খেয়ে উইকির চিরশত্রু? হা হা হা..... গেট ওয়েল সুন রাগিব হাসান। অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য..... :)

নতুন ব্লগারদের জ্ঞাতার্থে ত্রিভুজের উইকিপিডিয়া এলার্জি সংক্রান্ত কিছু পোস্টের লিংক নিচে দেয়া হলো-
১) Click This Link
২) Click This Link
৩) Click This Link
৪) Click This Link
৫) Click This Link

উইকি নিয়ে আরো পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে রাখি ভবিষ্যতে... হয়তো এই পোস্টের পরের পোস্টটাই উইকি নিয়ে হবে।

৪৬. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: তোমার বুঝতে পারার অক্ষমতা আমাকে বারংবার বিস্মিত করে। প্রতিবারই ভাবি বোধ হয় তোমার সামান্য হলেও বুঝবার ক্ষমতা আছে , এবং প্রতি বারই বিভ্রান্ত হই, কারণ আদতে তুমি কিছুই বুঝো না।

হতে পারে এটা তোমার বিশ্লেষণী ক্ষমতার অভাব, কিংবা তোমার বিশ্লেষণের স্বকীয় ধারা, যারা অন্য সবাই যারা স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করে তাদের সাথে মিলে না কোনো ভাবেই।

ইরানের মুসাভি সমর্থক হলো উঠতি মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত শিক্ষিত মানুষ, যাদের ধ্যান ধারণায় পশ্চিমা ভাবধারার অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তারা বিকল্প পথে হলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, অনেক রকম ব্যান থাকা সত্ত্বেও তারা কিন্তু নিজেদের রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করছে। সে রাজনৈতিক মতবাদ সংস্কারবাদী, মুসাভীর সমর্থন এখানে বেশী।

এটা সামাজিক বৈষম্য এবং ইরানের সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভেতরে সংস্কারপন্থী যারা আছে তাদের সংখ্যা বেশী , এই বাস্তবতাকেই নিশ্চিত করে। একই সাথে অন্য সব আপাতনিরপেক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক যারা বলছেন তেহরান এবং অন্য বড় বড় শহরে মুসাভি সমর্থক বেশী, এবং মুসাভীর রাজনৈতিক অবস্থানকে সমর্থন করে শহুরে শিক্ষিত তরুণেরা, এই বাস্তবতাই সমর্থন করছে।

আহমেদিনেজাদ হয়তো ভালো রাজনৈতিক, কিন্তু মুসাভিকে যতটা নমনীয় মনে হয়েছিলো, আহমেদিনেজাদ ঠিক ততটা নমনীয় নয়, বরং উগ্র জাতীয়তাবাদী।

এমন কি মুসাভির স্লেটও পরিস্কার নয় কোনোভাবেই- শুধুমাত্র পশ্চিমা দেশগুলোর বিরোধিতা করার জন্য কতিপয় উজবুক মুসলিম উগ্রপন্থী ধরেই নিয়েছে আহমেদিনেজাদ এবং তালেবান আসলে আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়ছে, এটা পূঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এমন একটা অন্ধ ধারণাও আছে কারো কারো, তবে এটাও এক ধরণের ভ্রান্তি।

যাই হোক, ফেসবুকের সদস্য সংখ্যা এত বেশী, ম্যানুয়ালী আসলে কোনো বক্তব্যকে এডিট করা সম্ভব না তাদের পক্ষে। সুতরাং আহমেদিনেজাদের সমর্থনের মন্তব্য, বক্তব্য তারা মুছে দিচ্ছে এটা তোমার কষ্টকল্পনা। এতটা অসাধারণ চিন্তা না করে বরং সামহোয়্যারের অবস্থা দেখো। এখানে নিয়মিত ব্যবহারকারী মাত্র ১০০০ হবে, এরপরও সকল পোষ্ট পড়ে ৪ জন মডারেটরও নিয়মিত পরিস্কার রাখতে পারছে না প্রথম পাতা।

সেখানে কয়েক কোটি ব্যবহারকারীকে এবং তাদের রাজনৈতিক মন্তব্যগুলোকে ডিলিট কিংবা এডিট করতে কি পরিমাণ পরিশ্রম করতে হবে এটা সম্পর্কে কোনো ধারণা কি তোমার আছে?

ইশ্বরে আমার বিশ্বাস নেই, থাকলে অন্তত তার কাছে প্রার্থনা করতাম, তিনি যেনো তার করুণাবলে তোমাকে সামান্য বুঝবার ক্ষমতা দেন। যদি এটা তিনি করতে পরেন তবে সেটাই হবে চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার ১৪০০ বছর পরে প্রথম মিরাকল।
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৪

লেখক বলেছেন: আল্লাহর উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাই প্রার্থনা করলাম যেন তিনি আরেকবার আপনাকে পুরো পোস্টটা ও মন্তব্যগুলো পড়ে কিছু বোঝার তৌফিক দান করেন... আমিন।

৪৭. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩২
রাসেল ( ........) বলেছেন: অন্য যেকোনো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মতো ফেসবুকেরও নিজস্ব একটা নৈতিকতার সীমা আছে, অতিরিক্ত ভায়োলেন্ট কোনো দৃশ্য, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের মানসিকভাবে আহত করতে পারে এবং সহিংসতা এবং রক্তাক্ততা, শিশুর উপরে যৌন হয়রানি, পশুদের বলৎকার করা, এইসব দৃশ্য কেউ যদি আপত্তি জানায় তবে তারা মুছে দেয়।

এটা বোধ হয় খুব স্বাভাবিক এবং সচেতন একটি প্রক্রিয়া। মানুষ মানসিক ভাবে আক্রান্ত বোধ করবে এমন কোনো কিছুর প্রদর্শন, সেক্সুয়াল ইমেজ, শিশু নির্যাতনের ভিডিও সবই মুছে ফেলা উচিত।
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: এটা আমিও জানি এবং মানি। কিন্তু পোস্টের বক্তব্য তো এটা নিয়ে নয়... আরেকবার প্রার্থনা করতে হবে নাকি?

৪৮. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:০৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: টিপাইমুখবাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে দেশে-বিদেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন

Click This Link

এই তথ্যবহুল পোস্টটি স্টিকি করার জন্যে কর্তৃপক্ষের কাছে মেইল পাঠান
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২.... টিপাইমুখী বাঁধের বিষয়ে পাশে আছি সর্বদা। অনেক ব্যস্ততার ভেতরে যতটুকু সম্ভব আছি আপনাদের পাশে....

৪৯. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫২
শওকত বলেছেন: চট্টগ্রামের ভাষায় কথ্য আছে..... রসুনের কোয়া যতটা হোক শিকড় একটাই........... মুসলমানের বিরুদ্ধে সব ইহুদী-নাসারা এক.
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ... কোরআনেও এমনটা বলা আছে। ধর্ম বিষয়ে আমি বেশ লিবারেল.. যার যার ধর্ম তার তার মত পালন করতে দিতে আমার কোন রকমই আপত্তি নাই। কিন্তু ইসলামের বিরুদ্ধে সবার একজোট হয়ে ক্রমাগত লেগে থাকাটা আমাকে আবার নতুন করে ভাবায়।

৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: কেন?

৫১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: নতুন কি ? এবারের প্রচারণাগুলো এতটাই বেশি নগ্ন !!! এতটা নির্লজ্জ হওয়াটা সম্ভব সেটা জানা ছিল না

অফ-টপিক : আমি মুসাভির জয় চেয়েছিলাম
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ.. সেটাই। নির্লজ্জতার সীমা পেরিয়ে গেল আমেরিকা-ইহুদী লবি। সেলুকাস!

মুসাভির জয় দেখলাম অনেকেই চেয়েছিলো। আমার পরিচিত অনেকেও... আমি এই নির্বাচন নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামাইনি.. তবে মুসাভির পরাজয়ের পর আমেরিকা আর ইহুদী লবি এরকম পাগল হয়ে যাওয়া দেখে মনে হলো মুসাভি তাদের এজেন্ট ছিলো... আবার মুসাভিকে যারা চাচ্ছে তাদের চাওয়ার পেছনের কারণগুলো পর্যালোচনা করে মনে হলো ইরানের জন্য মুসাভির পরাজয়টা অনিবার্য ছিলো এবং যা হয়েছে ইরানের সাধারণ জনগণের জন্য ভাল হয়েছে। সবকিছু পর্যবেক্ষন করে মুসাভির জয় না হওয়াতে ভাল হয়েছে বলে মনে করি।

৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সালেহ... খবর কী তোমার? অনেকদিন পর দেখলাম..!

৫৩. ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
অনন্ত বৃষ্টি বলেছেন: Internet Download Manager v12.exe

এর crack code (first name, last name, email id, serial no.)
খুব দরকার। ত্রিভুজ ভাইয়া, আপনার কাছে থাকলে দেবেন PLEASE.

আমার mail id :
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আইডিএম এর চাইতে এফডিএমটা বেশী ভাল লাগে আমার। বিশেষ করে টরেন্ট ডাউনলোড করার জন্য বেশ কাজের....

http://www.freedownloadmanager.org এ গিয়ে ডাউনলোড করে নিন। এটি ফ্রিওয়্যার... তাই ক্র্যাক লাগে না।

৫৪. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৩
সািদক বলেছেন: +,
একটা ব্যাপার, ফেইসবুক সি.এন.এন যেটা করতে চাচ্ছে, সেটা আমেরিকা তথা ইসলামবিদ্বেষীদের বক্তব্য এবং টার্গেটকে সামনে নিয়েই...আর এটা আপনার পোষ্টে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। এদের স্বপক্ষে যারা সাফাই গাইতে চায়, তারা কার দালাল???
০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: বিষয়টা সম্ভবত দালালী নয়.... কেউ কেউ এখানে শুধু তর্কের খাতিরেই তর্ক করেছেন বলে মনে হয়েছে। আর কেউ কেউ প্রকট ভাবে পশ্চিমা মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আছেন.. নিজেদের বিবেক ও মস্তিস্ক ব্যবহার কম করছেন। পশ্চিমা মিডিয়াগুলো এইসব ক্ষেত্রেই স্বার্থক....

৫৫. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মুসাভি ওয়েস্টার্ন এজেন্ট এটা সম্ভবত খুবই ভুল ধারণা , সিচুয়েশনের কারণে এমনটা আপাত দৃষ্টিতে হয়ত মনে হচ্ছিল

সময় করে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করব
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: হুমম... অপেক্ষায় রইলাম। পোস্ট দিও..

৫৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
ইমন সরওয়ার বলেছেন: ইহুদীবাদীদের সম্পর্কে ধারণা থাকলেও অনেক মন্তব্যকারীদের কথা থেকেই বোঝা যায় কীভাবে তাদের মনোজগত এরা নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা কীভাবে সহজ হয়ে গেছি তাদের বুত্তিবৃত্তিক শব্দ-ভাষা-ঘ্রাণ-রঙ-এর মাধ্যমে কথা শুনে শুনে। এই অভ্যাসটা একদিনে তৈরি হয়নি। যার জন্যই আপনার প্রসঙ্গ ফেইসবুকের রাজনৈতিক টুল হিসেবে ব্যবহার হওয়ার বিষয় থেকে মন্তব্যকারীরা বার বার ফসকে যাচ্ছেন। কেউ কেউ হয় তো ইচ্ছে করেই গোলাটে করতে চাচ্ছেন কিন্তু অধিকাংশেরই অভ্যাসবসত হাওয়ায় ভেসে যাওয়া।
এই যুদ্ধে কখনও ক্লান্তি আনতে নেই। এ এক নিরন্তর চালিয়ে যাওয়ার বিষয়। আমরা অনেককেই বলি মোসার্দা এর এজেন্ট, সিআই'র এজেন্ট কেন বলি? আসলে এজেন্ট বলতে দুই ধরণের আছে। এক ধরণের এজেন্ট হলো তারা মিশন নিয়েই আসে বিভ্রান্তি বা প্রোপাগান্ডা করে কিছু লোক জোগাড় করতে। তাদের হাতে কিছু কৃত্রিম তথ্য-উপাথ্য দেয়াও হয় কৌশলে। ভ্রান্তি গ্রহিতা নিজেকে মুক্তচর্চার মনে করে ভুল তথ্যগুলোই ব্যবহার করতে থাকে। ততদিনে ক্ষতি যা হবার হয়েই যায়। ইরাক আক্রমণের পূর্বে যত তথ্য আমেরিকা ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইল (আমি সচেতনভাবেই ইসরাইলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলি এবং এটা বলা উচিৎ) প্রচার করেছিল তাদের ভায়াসড মিডিয়ার সামনে এর কি কোনো হদিস আজ পর্যন্ত মিলেছে?
আপনার পয়েন্ট থেকে সরে গিয়ে আপনাকে যে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে না তা কি নিশ্চত হওয়া যায়? ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে এ জন্য যে যা পোস্ট করেছেন তারচে ক্লান্তিহীনভাবে সকল প্রশ্নের/অভিযোগের জবাব দিয়ে যাচ্ছেন।
আপনি যে প্রশ্ন তুলেছেন এই যায়গায় আক্রান্ত অন্য কোনো দেশও হতে পারতো তাতে আপনার পয়েন্টের মূলকথাটির মধ্যে কোনোই ব্যবধান হতো না যে, ফেইসবুক রাজনৈতিক টুল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সেটাই। ধন্যবাদ আপনার বিশাল মন্তব্যের জন্য।

৫৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ত্রিভুজ ভাই কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৫৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০২
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ধন্যবাদ.... ফেসবুকেই শেয়ার করলাম পোস্ট টা........
৫৯. ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
ত্রিভুজ বলেছেন: দেখুন, চীনে এতগুলো মুসলমান মেরে ফেললো। সেটা নিয়ে আমাদের ফেসবুকওয়ালাদের কোন টেনশন নাই। ইরানের চাইতে অনেক বেশী মানুষ মরেছে চীনে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ