আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও ইসলাম

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৩

শেয়ারঃ
0 3 0

ইদানিং রাজনীতির অঙ্গনে যে শব্দগুলো খুব বেশি শোনা যায় তার ভেতরে একটি হচ্ছে "ধর্মভিত্তিক রাজনীতি"। সত্যি কথা বলতে কি, "ধর্মভিত্তিক" শব্দটার ভেতরেই একটু গলদ আছে। দুই কলম পড়াশোনা আছে কিন্তু 'ইসলাম' সম্পর্কে ধারণা ধোঁয়াটে এরকম যেকারোই "ধর্মভিত্তিক রাজনীতির" বিপক্ষে অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হলে ধর্মের নামে যে অত্যাচার আর সন্ত্রাস খ্রিস্টানরা করে গিয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। "মৌলবাদ" শব্দটার উৎপত্তি কোথা হতে তাও জানতে হবে। সেসব ইতিহাস লব্ধ জ্ঞান "ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি"-তে আমাদের উৎসাহ দেয়া তো দূরের কথা, বরঞ্চ রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতিতে ধর্মীয় মতবাদের প্রধান্য দেয়ার পথে বাঁধা হিসেবে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় ধর্ম ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার যেকোন অধ্যায় বিশেষ করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা ভাবতেই অন্ধকার আর খারাপ একটি ব্যবস্থার চিত্র ভেসে ওঠার উপক্রম হয়। কোন একটি ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্ম থেকে বহুযোজন সরে এসে মনগড়া বিধানের দোহাই দিয়ে পৃথিবীতে কি অনাচার সৃষ্টি করেছিলো তা দিয়ে অনেক কিছু যেখানে বিচার করা হচ্ছে সেখানে ধর্মীয় মতাদর্শ থেকে দেশ পরিচালনা তো দূরের কথা ধর্মগুরুদের প্রাধান্যের কথা ভাবাটাই কষ্টকর। অথচ এই আমরা যদি জ্ঞান আহরনের পথে আরেকটু উদার হতে পারতাম, আরো অধিক জ্ঞান পিপাসা আমাদের থাকতো তা হলে নিঃসন্দেহে এক দলের সীমাবদ্ধতা ও ইতিহাস দিয়ে সামগ্রিক ভাবে ধর্মকে বিচার করতে যেতাম না। কোন এক ধর্মের অপব্যাখ্যাকারী ও বিকৃতকারীদের সৃষ্ট নৈরাজ্য থেকে ধর্মভিত্তিক জুজুর সৃষ্টি হতো না।

ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির বিষয়ে আবার ফিরে আসি। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করা যাবে কি যাবে না এই আলোচনা করার আগে ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্কে তা বুঝতে দুইকলম জ্ঞান আহরণ করা উচিত। রাজনীতির সাথে ইসলামের সম্পর্ক জানতে হলে যে জ্ঞান প্রথমেই অর্জন করতে হবে সেটি হচ্ছে, "ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা"। জীবনের এমন কোন দিক নেই যে-বিষয়ে ইসলামের দিক্‌-নির্দেশনা পাওয়া যায় না। প্রতিদিন সকালে ঘুমভাঙার পর থেকে ঘুমানো পর্যন্ত, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে পরিষ্কার গাইডলাইন প্রদান করা জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। রাজনীতি যেহেতু জীবনের বাইরের কোন বস্তু নয় সেহেতু পরিপূর্ন এই জীবন ব্যবস্থা রাজনীতিতেও আমাদেরকে পথ প্রদর্শন করে। কিন্তু এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত না জানার ফলে অজ্ঞদের কাছ থেকে আসা সিদ্ধান্তগুলো ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। কোন কিছু সম্পর্কে ভাসা ভাসা জ্ঞান থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা ও ইতিহাসের কিছু চিত্র দিয়ে সমগ্র মানবজাতির ইতিহাস ও ঘটনাকে মূল্যায়ণ করা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য হোক আর নিজেদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থেকেই হোক আমরা বরাবরই এই বোকামী করে আসছি।

বিভিন্ন দিক বিচার বিশ্লেষণ না করলে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অনেক যুক্তিই দাঁড় করানো সম্ভব। আমাদের ভেতরে বেশির ভাগই যেখানে নিজেদের বুদ্ধি বিবেচনার উপরে ভরসা নেই, অন্যদের দেখে ও অন্যদের মাথাকে নিজের মাথা ভেবে তাদের কথাকে কোন রকম চিন্তা ভাবনা না করেই মেনে নেয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠেছে সেহেতু এটা খুব স্বাভাবিক যে একটা বিশাল জনগোষ্ঠী এবং ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে রায় দিচ্ছে এবং দিবে। আগেই বলেছি, ইসলামী রাজনীতি কেন নিষিদ্ধ হওয়া উচিত না তা বোঝার জন্য ইসলাম আসলে কি এবং ইসলামের ব্যাপ্তি কতটুকু সেটা জানা জরুরি। আর যেহেতু ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকারীদের মিছিলের বেশিরভাগই হয় ইসলাম বিদ্বেষী অথবা ইসলাম সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞ সেহেতু তাদের পক্ষে সত্যিকার অর্থেই বিষয়টা অনুধাবন করা কষ্টকর। খুব সহজ ভাষায় বিষয়টি তাদেরকে বোঝানোর জন্য বলা যেতে পারে যে- কমিউনিজম, সেক্যুলারিজম এবং আরো বিভিন্ন ধরনের মতবাদের ভিত্তিতে যেমন রাজনীতি হতে পারে তেমনি ইসলামি সিস্টেমেও তা করা যেতে পারে, কারণ ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা। সুতরাং অন্যসকল মতবাদের পাশাপাশি ইসলামি মতবাদও উপস্থান করার সুযোগ রাখতে হবে। মানুষের তৈরি বিভিন্ন মতবাদ যেখানে রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারে তা হলে 'পরিপূর্ন জীবন বিধান' ইসলামও এই রাস্তায় তাদের সাথে পাল্লা দিতে পারে, পারা উচিত। রেসের ময়দানে কমিউনিজম আর সেক্যুলারিজমের ঘোড়ার সাথে ইসলামের ঘোড়াও পাল্লা দেয়ার অধিকার আছে । কোন ঘোড়া রেসে কেমন পারফর্ম করছে বা কোন ঘোড়া অধিকতর উপযোগী ও কার্যকরী সেটা রেসে নামার পর বিবেচনা করা যাবে। কিন্তু রেসের আগেই প্রতিপক্ষের ঘোড়াকে ময়দান থেকে সরিয়ে দেয়াটা অবশ্যই সুস্থ্য চর্চা নয়।


--
বিশেষ আপডেটঃ
ইসলাম বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবেই যে মানুষ ইসলামি রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলে তার অনেক নমুনা বই-পত্র, পত্রিকা, ব্লগ এবং আরো নানা যায়গা দেখতে পাওয়া যায়। প্রয়োজনের সময় এগুলো খুঁজে পাওয়া যায় না। ব্লগে এধরনের অজ্ঞতাপ্রসূত লেখাগুলো এখন থেকে চোখে পড়লেই এখানে লিঙ্ক জড়ো করবো।
১) Click This Link

(আরো আপডেট হবে)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আওয়ামীলিগআমার দেশচিন্তা ভাবনা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০১
এ এম রােসল বলেছেন: লিখার আগামাথা কিছু বুঝলাম না। অল্প বিদ্যা বড়ই ভয়ংকরী গো ছাগুরাম।
২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৩
ধ্রুব তারা বলেছেন: মানুষ গিনিপিগ নয়। ইসলামী রাষ্ট্রনীতির সমস্যা হচ্ছে তা দ্বারা অন্যান্য ধর্মের মানুষের অধিকার ভুলুণ্ঠিত হবে।

অধিকার বলতে আমি শুধু থাকা-খাওয়া, ভাল ব্যবহার বোঝাচ্ছি না। ধরুণ আজ দেশে সম্পূর্ণ ইসলাম নীতি প্রতিষ্ঠিত হল...তখন নিঃসন্দেহে পর্দা প্রথা বাধ্যতামূলক করা হবে...কিন্তু অন্যান্য ধর্মে তো পর্দা প্রথার কথা নেই তবে তারা কেন পালন করবে।

তারপর ইসলাম মতে কোন বিশেষ পরিস্থিতি-এর সৃষ্টি না হলে নেতা মুসলমান হওয়া বাঞ্ছনীয়। ৮৯% মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কিন্তু একজন অমুসলিম-এর বদলে মুসলমান কাউকে খুঁজে বের করা খুব একটা কষ্টকর নয়, তবে এটা কি অধিকার খণ্ডন নয়?

এখন ধরুণ বাংলাদেশের সংবিধানে রয়েছে প্রথমেই সর্ব শক্তিমান আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন। যদি কোন মুসলমানকে প্রথমেই সর্বশক্তিমান মহেশ্বর/জিহোভা-এর উপর বিশ্বাস স্থাপন করে তারপর বলা হয় নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা তোমার আছে তবে তা কতটুকু মূল্যবান বা গ্রহণযোগ্য?

আলোচনা চলতে পারে...
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: ধ্রুব তারা, আমি পোস্টেই বলেছি যে ইসলাম সম্পর্কে ধোঁয়াটে জ্ঞান যাদের তারাই বিষয়টাতে ভুল বোঝে। এই যে ধরুন আপনি বললেন-
"ধরুণ আজ দেশে সম্পূর্ণ ইসলাম নীতি প্রতিষ্ঠিত হল...তখন নিঃসন্দেহে পর্দা প্রথা বাধ্যতামূলক করা হবে...কিন্তু অন্যান্য ধর্মে তো পর্দা প্রথার কথা নেই তবে তারা কেন পালন করবে।"

আপনার এই ধারনাটা যে কত ভুল, সেটা ইসলাম সম্পর্কে একটু খোঁজ নিলেই জানতে পারতেন। আমি আপনাকে পুরোপুরি দোষ দিতে পারছি না, ইসলামের নামে এত বেশি অপপ্রচার.... স্যেকুলারদের বই থেকে ইসলাম বুঝতে না যাওয়াই উত্তম। কোন কিছুর সমালোচনা করার জন্য সেই বিষয়ে জেনে নেয়া জরুরী। ইসলাম সম্পর্কে ইসলাম বিরোধী আর বিদ্বেষীদের কাছ থেকে যা জেনেছেন সেগুলো ভুলে নতুন করে শুরু করুন। শুভ কামনা রইলো।

৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৪
মুহিব ইরম বলেছেন: কমিউনিজম, সেক্যুলারিজম এবং আরো বিভিন্ন ধরনের মতবাদের ভিত্তিতে যেমন রাজনীতি হতে পারে তেমনি ইসলামি সিস্টেমেও তা করা যেতে পারে, কারণ ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা

এসব জেনে যারা ইসলামী রাজনীতির বিপক্ষে কথা বলে, এককথায়
চোর শোনেনা ধর্মের কাহিনী!
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতা আর পর্যবেক্ষন থেকে যেটুকু বুঝেছি, ইসলামী রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলা বেশির ভাগেরই ইসলাম সম্পর্কে অনেক ভুল ধারনা রয়েছে। আবার সোকল্ড মুসলিমদেরও নিজের ধর্ম সম্পর্কে সীমাহীন উদাসীনতা রয়েছে। এই পরিস্থিতি তখনি কাটবে যখন সত্যিকার অর্থে একটি জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যাবে।

৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ঠিক। জনগনের এই অধিকার থাকা উচিত। জনতাই ভোটের বাক্সে ঠিক করবে তারা কোন ঘোড়াকে বিজয়ী দেখতে ইচ্ছুক।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সেটাই। প্রতিপক্ষের সাথে ময়দানে লড়তে যারা ভয় পায় তারাই নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ হিসেবে স্যেকুলাররা কাপুরুষগোত্রের।

৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৮
ইমরান বেস্ট বলেছেন: (এ,এম রাসেল বলেছেন: লিখার আগামাথা কিছু বুঝলাম না। অল্প বিদ্যা বড়ই ভয়ংকরী গো ছাগুরাম।)
আগামাথা কিছু না বুঝলে নিজের জঞানের দৈণ্যতা প্রকাশ পায়,অযথা আরেক জনকে বকার দরকার কি ?
প্রবাদ ই ঠিকঃ নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সবাই সবকিছু বুঝবে এমনটা আশা করাও বোকামী। আর যুক্তি হারিয়ে ফেলা মানুষই গালাগালির আশ্রয় নেয়।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: দেখুন, ইসলাম সম্পর্কে আপনি শুধু অজ্ঞ নন অনেক ভুল ধারনাও রাখেন। ২+২=৪ বোঝানোর আগে ১ ২ ৩ ৪ পর্যন্ত অন্ত কারো জ্ঞান থাকা জরুরী। নতুবা ২, ৪ এগুলো কি সেটাই তার কাছে পরিষ্কার হবে না। কোন কিছু না জেনে বুঝে এরকম হাজারো পয়েন্ট দাঁড় করানো যায়। সেগুলোর উত্তর দেয়া শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়।

আর আপনার পয়েন্টগুলোও খুব হাস্যকর। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবী সম্পর্কেও আপনার বাস্তব জ্ঞানের অভাব পরিষ্কার। জানার চেষ্টা করুন, জানার আছে অনেক কিছু।

৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩১
ফেরদৌস ৬৯ বলেছেন: বিষয়বস্তুর সামান্যই ধরতে পারলাম। মনে হয় আরেকটু পরিস্কার করা দরকার। ধন্যবাদ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪০

লেখক বলেছেন: আরেক পর্ব করলে হয়তো আরেকটু পরিষ্কার হবে। কিছু টাইপো ছিলো। দিয়ে কয়েকটি লাইনের দাড়ি, কমা, বানান ও কয়েকটি বাক্যের গঠন একটু পরিবর্তন করতে হয়েছে। আরেকবার পড়ে দেখতে পারেন।

৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৫
হাসিব মীর বলেছেন: @ ধ্রুব তারা , এইটা ঠিক ইসলামি রাস্ট্রে একজন অমুসলিম রাস্ট্রপ্রধান ( নাকি প্রধানমন্ত্রী) হতে পারবেন না। এবং এইটা একধরনের বৈষম্য। ধরে নিলাম ইসলামী রাষ্ট্রনীতির এইটা একটা সমস্যা।
এই সমস্যা কোথায় নাই?
একটি কমুনিস্ট রাস্ট্রে কি একজন পুজিবাদি রাস্ট্রপ্রধান হবে? বাংলাদেশে কি একজন উপজাতি রাস্ট্রপ্রধান হতে পারবে? আমি তাত্বিকতার কথা বলছি না। বাস্তবতার কথা বলছি। স্বাধীন ভারতে কি একজন মুসলমান কংগ্রেস এর প্রধান হবে? (পরাধীন ভারতে একজন ছিলেন)।সোনিয়া গান্ধির অপরাধ তো শুধু এইটুকু তিনি জন্মসুত্রে ভারতীয় নন। বারাক হুসেইন ওবামাকে তো নির্বাচনের আগে বার বার বলতে হয়েসে যে সে একজন ধর্ম্পরায়ন খ্রীস্টান।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: বাদ দিন, ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় আর ওপেন প্লাটফর্মে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকায় এরকম অনেক কিছুই আপনাকে সহ্য করে যেতে হবে।

৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৫
ধ্রুব তারা বলেছেন: যুক্তির যখন স্বল্পতা পড়ে তখন খুব স্বাভাবিক ভাবে মানুষ যা বেছে নেয় তা হচ্ছে নিজেক উপরের সারির দেখিয়ে এড়িয়ে যাওয়া। যে কাজটি আপনি করছেন।

ব্যাপারটি ভাল লাগল। আপনি অস্বীকার করেন নি। উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানালেন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: যুক্তির স্বল্পতা নয়, মুর্খতায় বিরক্ত হয়েছি বলতে পারেন। প্রতিটা সিস্টেমেরই কিছু রুলস থাকে, যোগ্যতার মাপকাঠি থাকে। আজকে আপনি যে অফিসে চাকরী করছেন সেই অফিসের বসকে দেখিয়ে যদি বলেন আপনি কেন বস হতে পারলেন না, এতে আপনার অধিকার খন্ডিত হচ্ছে তাহলে আপনাকে নিয়ে পাগলও হাসবে।

আপনার স্যেকুলার সিস্টেমেও যেমন একজন সত্যিকার মুসলমান কোনদিন নেতা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না বা তাকে যোগ্য ধরা হবে না। এক্ষেত্রে কি আপনি অধিকার খন্ডনের যুক্তি খুঁজে পাচ্ছেন না?

আর ইসলামী রাষ্ট্র হলেই সকল ধর্মের লোককে রাষ্ট্রের ধর্মের প্রভুর উপরে বিশ্বাস স্থাপণ করতে বলা হবে এমনটা মনে হওয়ার কারণ কী? যেটা জানেন না সেটা নিয়ে অযথা বিরক্ত না করলে খুশি হই।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: আর আপনার স্যেকুলাররা কেমন অধিকার সচেতন সেটার বেশ নমুনা বর্তমান সরকার দেখিয়ে চলেছে। তুরস্কের কথা নাইবা বললাম। তবুও একটা লেখা পড়তে পারেন- Click This Link

মন খোলা রাখুন। ভাল থাকুন।

১০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪২
ধ্রুব তারা বলেছেন: @হাসিব মীর: বাংলাদেশে উপজাতি রাষ্ট্রপ্রধান হলে প্রথমত আমি কোন সমস্যা দেখছি না। কারণ তিনি হয়তো বাঙালি নন কিন্তু বাংলাদেশি। (উপজাতি শব্দটি আপত্তিকর, অন্য সকল জাতির মতোই তারা একটি জাতি কোন সাবকাস্ট নয়)

আমি প্রধাণমন্ত্রী নয়, রাষ্ট্রপ্রধাণ বা প্রেসিডেন্টের কথাই উল্লেখ করছি। উল্লেখ্য স্বাধীন ভারতে কিন্তু মুসলমান প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি তাঁর যোগ্যতা বলেই ছিলেন।

ওবামার ঘটানাটা রাজনৈতিক। রাজনীতি আর থিওরি এক নয়। তিনি কিন্তু বাধ্য ছিলেন না কাজটি করতে, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে করেছেন। অপরপক্ষে বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণেই অমুসলিম রাষ্ট্রপ্রধাণ হতে পারবে না, রাজনীতি তো দূরে থাক।
১১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫০
স্বপ্নকথক বলেছেন: ধর্ম নয়, মৌলবাদ ভিত্তিক রাজনিতীর অবসান চাই।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: "মৌলবাদ" (আভিধানিক অর্থে নয়) ভিত্তিক রাজনীতি না থাকাই মঙ্গলজনক। যেকোন সিস্টেমেই চরমপন্থা খারাপ পরিনতি বয়ে আনে। আপাতত আমরা মৌলবাদী স্যেকুলারদের পাল্লায় আছি। এর অবসান হোক।

১২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৮
হাসিব মীর বলেছেন: @ধ্রুব তারা, আমি যতটুকু জানি উপজাতি শব্দ টি কম জনসংখ্যার জাতি কে বুঝায়। তাদের মর্যাদা, গুরুত্ব বা অধিকার কে ছোট করে না। নৃবিজ্ঞানে এইটা একটা একাডেমিক শব্দ।

প্রধানমন্ত্রী শাসিত ব্যবস্তায় এইটা প্রধাণমন্ত্রী হওয়ার কথা।

আমি যেটা বলতে চাছছি, ইসলামী রাস্ট্রে যে বৈষম্যটা হয় তাত্বিক ভাবে সেই একই বৈষম্য আধুনিক গনতান্ত্রিক দুনিয়ায় হয় বাস্তবে।
কাজেই পার্থক্যটা সামান্য।আর ইসলামের দিক দিয়ে দেখলে এইটা তার আলাদা ধর্ম বিশ্বাস হওয়ার কারনে বঞ্চিত করা না বরং একজন অমুস্লিম স্বাভাবিক ভাবেই ইসলাম সম্পর্কে না জানার কারনে এবং এই আদর্শে বিশ্বাসি না হয়ার কারনে এই সিস্টেমটা চালানোর জন্য উপযোগি নন।

দ্বিতীয়ত, এইটাকে একটা নেগেটিভ দিক ধরে নিয়েই ইসলামি
রাষ্ট্রনীতির অন্যান্য দিকের পর্যালোচোনা হতে পারে।তাতে যদি পসিটিভ দিক বেশি আসে তাহলে এইটা বিবেচোনার বিষয় হতে পারে।
১৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০২
নাজনীন১ বলেছেন: মূলত সংবিধানের ৫ম সংশোধনী আংশিক বাতিলের মাধ্যমে ইসলামভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হবার কথা শোনা যাচ্ছে। অথচ গণতন্ত্র বহাল রাখা হবে, সমাজতন্ত্রে ফিরে যাবার কথা শোনা যাচ্ছে না। তাহলে গণতন্ত্রের সাথে কারো মত প্রকাশের স্বাধীনতা রোধ করা কি করে সামঞ্জস্যশীল হতে পারে? আর বামপন্থীরা পর্যন্ত দাবী করে সেক্যুলার শব্দের অর্থ ধর্মহীনতা, ডিকশনারীতেও তাই বলা আছে, অথচ আমাদের দেশে কেউ কেউ এটাকে ধর্মনিরপেক্ষতা নাম দেয়। আজব!

@ধ্রুবতারা, আপনি ইসলামী গণতন্ত্রের উপর লেখাপড়া করে দেখুন, আশা করি বুঝতে পারবেন। এখানে কিছু দেখতে পারেন,

Click This Link

Click This Link

Click This Link

লেখককে ধন্যবাদ এ প্রসঙ্গে পোস্ট দেবার জন্যে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: মৌলবাদ শব্দটার আভিধানিক অর্থও কিন্তু খারাপ নয়। কিন্তু প্রয়োগ ভিন্ন। ধরে নিন স্যেকুলারিজম-কেই ওরা ধর্মনিরপেক্ষতা নাম দিয়ে চালানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু ভেতরের উদ্দেশ্য তো সেই একই, ধর্ম নির্মূল (বিশেষ করে ইসলাম নির্মূল) করা। সুতরাং পাথর্ক্য নেই তেমন একটা।

আর যারা "ধর্মনিরপেক্ষতা" শব্দের মোহে আবদ্ধ তাদের জন্য বিষয়টা পরিষ্কার করা যেতে পারে। আপনার লিঙ্কগুলোর জন্য ধন্যবাদ।

১৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৩
হাসিব মীর বলেছেন: @ লেখক, আমার মনে হয় , প্রত্যেকের কথা বা যুক্তির জায়গাটা বুঝতে চেস্টা করলে ভালো। আমার মতের সাথে অনেকেরই মত মিল্বে না, কিন্তু আমরা যদি অন্তত শুনতে এবং বুঝতে চেস্টা না করি তাহলে একটা ভালো সমাজ হবে না। কেউ যদি বুদ্ধিব্রত্বিক জায়গায় না দাঁড়িয়ে অযথা কুযুক্তি দেয় সেইটাও খারিজ করতে হবে যুক্তি, বুদ্ধি আর পরমতের প্রতি শ্রদ্ধা দিয়ে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন: আমি ডাক্তার নই, ডাক্তারী বুঝিও না। কিন্তু যদি মেডিকেল কলেজে গিয়ে ডাক্তারদের সাথে মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে তর্ক জুড়ে দেই আর ডাক্তাররা আমাকে মেডিক্যাল সায়েন্স বোঝানোর মহান(!) দায়িত্ব নিয়ে "ভালো সমাজ" গঠনের চেষ্টা করেন সেটা কতটুকু গ্রহনযোগ্য হবে জানি না।

কিছু আছে কুযুক্তি আর কিছু অজ্ঞতাপ্রসূত অযথা ক্যাচালের চেষ্টা। এগুলোকে প্রশ্রয় দেয়াটা কঠিন। প্রথম মন্তব্যে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার পরও যখন কেউ এই ক্যাচালের চেষ্টা অব্যহত রাখে তার প্রতি বিরক্ত প্রকাশ ছাড়া গতি থাকে না। হয়তো এটা আমার সীমাবদ্ধতা।

১৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: @ধ্রুব তারা,

"আল্লাহ" শব্দটি যে কোন বিশেষ ধর্মের জন্য সংরক্ষিত নয় তা আশাকরি মালয়েশিয়ার আদালতের রায় থেকে বুঝে নিয়েছেন। কবি নজরুল বিদ্রোহী কবিতায় কতবার "ভগবান" শব্দটি লিখেছিলেন।


মুসলিম রাষ্ট্রে রাষ্ট্র প্রধান মুসলিম হওয়া না হওয়া - এটা তো সংবিধান সংশোধনের বিষয়। আমি এরকম বিধিনিষেধের সাথে একমত নই। এসব বিষয় মানুষের ব্যক্তিগত বিবেচনার উপর ছেড়ে দেয়া প্রয়োজন। যদি দেখা যায় যে একজন অমুসলিম শাসক হলে সে সবার অধিকার সংরক্ষন করবে, কিন্তু একজন কথিত মুসলিম রাষ্ট্র প্রধান হলে উল্টোটা করবে, তা হলে মানুষ কেন একজন অমুসলিমকে ভোট দেবে না।
১৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৮
ধ্রুব তারা বলেছেন: স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি পরোক্ষভাবে ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের 'বস' বলছেন এবং অন্যান্যদের কিছু সেট অফ রুলস এর যোগ্যতার বাইরে পড়তে হবে তারা মুসলমান নয় বিধায়। ব্যাপারটি কেউ স্বীকার করতে চায় না, কিন্তু আপনি করলেন। তবে লজিক্যাল ডিডাকশনে বলছে যদি ইসলামী শাসন কায়েম হয় তবে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের বুঝতে হবে তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না, কারণ ইসলাম তো তাদের সে অধিকার দেয়ইনি।

আপনার সেক্যুলারইজম আর এ্যাথিজমে চূড়ান্ত ভুল ধারণা আছে। পড়ে তারপর আমাকে 'আমাদের' সেক্যুলারিজম' সম্পর্কিত যে প্রশ্ন আছে তা করুন। সেক্যুলারিজম রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে ধর্মীয় কন্সিডারেশন দূর করতে বলেছে। জনগণের ধর্ম নয়। অবশ্য ইসলামিক শাসন এর বিপক্ষে। কন্সিডারেশন তো থাকতেই হবে। তা হোক না মানুষকে নিষ্পেষনের জন্য। কাল এক ব্লগার এটা বলে এক পোস্ট দিয়েছিল যে, বাংলাদেশে যদি মুসলমানদের অগ্রাধিকার দেওয়া না হয়, তবে গণতন্ত্র বজায় রাখা যাবে না।

আর অধিকাংশ ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর প্রথম শর্ত সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন কি সকল ধর্মের লোককে রাষ্ট্রধর্মের প্রভুর ওপর বিশ্বাস স্থাপনে বাধ্য করছে না? মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অন্য ধর্মাবলম্বীদের এমন-কি নিজের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার অধিকার নেই।

আপনি এখন রেগে যাচ্ছেন। ভালই লাগছে। যুক্তিহীনতার মাঝে আর কতকাল থাকবেন?

Unfortunately you are not as good as you think
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার বোঝার ক্ষমতায় মোটামুটি মুগ্ধ! এত বুঝদার লোক দেখে ভাল লাগছে।

বস আর কর্মচারীর উদাহরণটা আপনার বোধগম্যতার স্তর সম্পর্কে আরেকটু উঁচু ধারণার কারণে দিয়েছিলাম। আপনাকে আরো সহজ উদাহরণ দেয়া উচিত ছিলো।

আপনার জন্য আমার বক্তব্যের শিশুতোষ ভার্সন দিচ্ছি-
১) ইসলাম ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনার ধারণা ভুল। "যোগ্যতা" অর্জন করতে পারলে যেকেউ-ই নেতা হতে পারবে।
২) যোগ্যতা অর্জন না করতে পারলে পৃথিবীর কোন সিস্টেমেই আপনি নেতা বা অন্য কিছু হতে পারবেন না। এবং সেটাকে অধিকার হরণ ভাবা বোকামী
৩) সত্যিকার এবং পুরোপুরি ইসলামিক রাষ্ট্র বলতে যা বোঝায় তার কোন মডেল এই মূহুর্তে পৃথিবীতে একটিও নেই। সুতরাং "অধিকাংশ ইসলামিক রাষ্ট্র" বলে আপনি যা বোঝাতে চেয়েছেন সেটা আপনার অজ্ঞতাই প্রকাশ করছে।


আপনার সেক্যুলারিজমের কয়েকটা বাস্তব উদাহরণই দিচ্ছি-
১) আপনার সেক্যুলার দল আমার রাজনীতি করার অধিকার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করছে এবং আপনিও সেটার সমর্থন দিচ্ছেন। এটা পরিষ্কার ভাবেই আমার ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্থক্ষেপ
২) আপনাদের এক রোল মডেল তুরস্কে ইসলাম যথাযথ পালন করা এক কথায় অসম্ভব। এই বিষয়ে ছোট একটা উদাহরণ দেই- এই লেখাটা পড়ুন, তারপর বলুন- Click This Link

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১০
ধ্রুব তারা বলেছেন: @উম্মু আবদুল্লাহ: বিষয়টা সাংবিধানিক কিন্তু ধর্মীয়ও বটে। কুরআনে বলা আছে, কোন বিশেষ পরিস্থিতি বা সংকট বা নেতৃত্বের অভাবেই কেবল বিধর্মী নেতৃত্ব মেনে নেওয়া সম্ভব।
১৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৩
ধ্রুব তারা বলেছেন: হাসিব মীর: দুঃখজনক ভাবে একটা প্রজ্ঞাপন রয়েছে যে শব্দটি আদিবাসী হিশেবে ব্যবহৃত হবে। আর সাংবিধানিক মতে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধাণ, প্রধাণমন্ত্রী সরকার প্রধান। রাষ্ট্রপতি দেশের সর্ব্বোচ্চ পদ।
১৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: @ধ্রুবতারা,

তারমানে আপনি বুঝতে পারছেন এরকম সাংবিধানিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে না। করার চেষ্টা হলে আমাদের মত মানুষেরা তার প্রতিবাদ করবে।

দ্বিতীয়ত: আলোচনাটা চলছে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি সাংবিধানিক ভাবে নিষিদ্ধ করার পায়তারা নিয়ে। এর মধ্যে আপনি নিয়ে আসলেন ইসলামের কথা - যা একটি ব্যপক বিস্তৃত বিষয়। এদিকে সরকার তো এ ব্যখা দিচ্ছে না। সরকার বলছে তারা ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে দেখতে চায় না।
২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩১
হাসিব মীর বলেছেন: @ ধ্রুব তারা, ধন্যবাদ। রাস্ত্রের প্রজ্ঞাপন থাকলে ঠিক আছে।
আমার পরের দুইটা পয়েন্টে আপনার মত জানতে পারলে খুশী হতাম।
২১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩২
ধ্রুব তারা বলেছেন: যদিও লেখক সরকারকে 'আমার' সরকার বলে অভিহিত করলেন, আমি জানি না কেন, তার চিন্তা হয়তো এর বেশি আর যায় না। আমি কিন্তু বাংলাদেশের প্রধান ইসলামিক দল জামায়াতে ইসলামী-কে তার দল বলে অভিহিত করিনি।

আমার মতে গলদ সংবিধানেই রয়েছে। কিছু সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য আওয়ামীলীগ কখনোই তা সংশোধন করবে না। তবে তারপরেও আমি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যদি আদৌ নিষিদ্ধ করে তার পক্ষপাতি। নিদেনপক্ষে একটা সূচনা হবে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি-এর ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ফ্যাসিস্ট পন্থী (লেখক নিজেই বলেছেন বিশেষ ক্ষেত্রে অবশ্যই অমুসলিম-রা যদি তাদের অধিকারের দাবী তোলে তবে তা হাস্যকর) চিন্তা-ভাবনা কাজ করে তা থেকে তো মুক্তি পাবে। সেক্যুলারইজম-কে আজকাল দেখলাম অর্ধশিক্ষিত কিছু ব্লগার এ্যাথিজম হিশেবে অভিহিত করছে। আসলে আমি ভুল তারা ভাল ভাবেই শিক্ষিত। ইচ্ছে করেই করছে ম্যানুপুলেশন অফ ট্রুথ...
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: ধ্রুব তারা,
আপনি আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। আপনার নৈতিকতাবোধে এটাকে আবার আপনি অধিকার হিসেবে দেখেন কিনা নিশ্চিত না হওয়াতে আপনার এই ভুল ব্যাখ্যা না করার অনুরোধ জানাতে পারছি না। কিন্তু আপনি কিন্তু আমার পয়েন্টগুলোর জবাব দেননি।

২২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪০
গরীবের কথা বলেছেন: প্রিয় ইস্লামী কমরেডরা,
আপনাদের লাল সালাম ( পিকিং, মস্কো-সহ আরো নাম না জানা সবপন্থী )
পর সমাচার এই - আফনেরা পিলিজ, ধ্রুবতারা (এম এ রাসেল ভাইয়ের প্রক্সি নিক কিনা কেডায় জানে) কে ডির্স্টাব কইরেন না।
স্টাটিসটিক্স কইতেছে, এই লেখা প্রথম পোষ্ট হইছে রাত ৩:৫৩ টায়। এই পোষ্ট-এ আরেকখান কম্পলিমেন্ট পোষ্ট-এর লিংক দেওয়া আসে - যেইটা এই পোষ্ট বুঝবার জন্য মাস্ট রিড। এই দুইখান পোষ্ট-এ এম-এস-ওয়ার্ড ওয়ার্ড কাউন্ট দেখাইতেছে মাত্র ১৪১৭। সেই সাথে হাফ-সেঞ্চুরীর উপরে কমেন্ট আছে। সব লিটারেচারকে না পইড়া রাসেল সাব কমেন্টাইছে ভোর ৪:০১ টায়। তারপরে তারা নিকে মূল্যবান কমেন্ট দিছে ভোর ৪:০৩ টায়।
আপ্নারা এই সব (স্বপ্রণোদিত+আরোপিত) প্রলাপকে আমলে না নিয়া পোষ্টে কি আছে তাতে মনযোগ দিন, পিলিজ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: লেখা না পড়ে মন্তব্য করা লোকের সংখ্যাই এখানে বেশি। অযথা আলোচনাটা অন্যদিক নিয়ে গেলেন তিনি...

২৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪১
ধ্রুব তারা বলেছেন: আমি নিজে কী বুঝবো আপনার মতো জ্ঞানী মানুষই যখন বুঝতে পারছে না...যে কোন কথাকে অন্যভাবে সাজানোটা খুব একটা কঠিন নয়। আমার ধারণা আমি কেন আমার মত জ্ঞানের অধিকাংশ মানুষই ব্যাপারটাকে আমার মতো করেই দেখবে। আমার মতো জ্ঞানের মানুষই মনে হয় বেশি। যেমন আমি কিন্তু একবারও বুঝিনি বা বলিনি আপনি জামায়াতের সাথে সম্পৃক্ত, কিন্তু আপনি তো বেশ আমায় আওয়ামী ঘরানার দাবী তুললেন।

আপনার তুরস্কের লেখাটা পড়লাম। আফগানিস্তানে যখন বাধ্য করা হত হিজাব পড়তে সেটাকে আপনি কী চোখে দেখেন?

মজার ব্যাপার হলো সেক্যুলারিজম সম্পর্কিত কোন নেতিবাচক তথ্য হল তার প্রকৃত রূপ আর ইসলাম নিয়ে তো আপনি ব্যতিরেকে কেউ কোন সঠিক তথ্যই দিতে পারেনি। দুঃখজনকভাবে পৃথিবীর এত দেশের এত জুরিস্ট কেউ ইসলাম-কে আপনার মতো চিনতে পারলো না...যার কারণে ওখন পৃথিবীতে কোনো ইসলামিক দেশ নেই।

আপনি যে সব সোর্স ব্যবহার করছেন সেরকম প্রচুর সোর্স থেকেই কিন্তু এ্যান্টি-ইসলাম বক্তব্য দে'য়া সম্ভব।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: "আফগানিস্তানে যখন বাধ্য করা হত হিজাব পড়তে সেটাকে আপনি কী চোখে দেখেন?"

খারাপ চোখে দেখি। এবং ইসলাম এরকমটা বলেনি।

এবার তুরষ্কের বিষয়টায় আপনি কোন চোখে দেখেন সেটা পরিষ্কার করুন। একই সাথে মুসলমানদের রাজনীতি করার ধর্মীয় অধিকার খর্ব করার বিষয়ে কিছু বলুন।

আরেকটা প্রশ্ন, স্যেকুলার রাষ্ট্রে একজন সত্যিকার মুসলমান কি কখনো নেতা হতে পারবে?

২৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪১
বিডি আইডল বলেছেন: ভালো আলোচনা চলছে...পর্যবেক্ষণে রাখলাম....

একটা প্রশ্ন ছিল (নির্দিষ্ট কারো প্রতি নয়) ইসলামিক রাষ্ট্র ইরানে খোমেনীর পদটার সৃষ্টি কোথা থেকে? ইসলামে কি এই ধরণের পদবী স্বীকৃত?
২৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৩
স্বপ্নকথক বলেছেন: আপাতত আমরা মৌলবাদী স্যেকুলারদের পাল্লায় আছি।

দুক্ষিত। সহমত নই। আমরা ধর্মভিত্তিক মৌলবাদীদের পাল্লায় আছি।
এর শেষ দেখতে চাই। মৌলবাদী স্যেকুলারদের দিন বহু আগেই শেষ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন: মৌলবাদী সেক্যুলারদের দিন শেষ হলো কোথায়? ইসলামি রাজনীতি নিষিদ্ধ করার মত কঠিন পদপক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যারা তারা আর যাই হোক শেষ হয়ে যায়নি।

২৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৪
হাসিব মীর বলেছেন: @ বিডি আইডল,
ইরানে খোমেনীর পদটার সৃষ্টি তাদের নিজস্ব।
গনতন্ত্রে যেমন আমেরিকা আর ব্রিটেন আলাদা মডেল, তেমনি এইটা ইরানী মডেল।
এখন এইটা ভালো না খারাপ তার আলাপ আলোচনা আলাদা।এইটা রাস্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়।
২৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৫
গরীবের কথা বলেছেন: @আইডল ভাই,
পোষ্টে আছে রেসের ঘোড়াকে রেসে পার্টিসিপেট করার প্রপোজিশন। রেসটা ম্যানিপুলেট না করবার আকুতি।
ঘোড়া রেসে জিতলে কি হবে, সেইটা পড়বার/ জানবার জন্য নেট হাতাইতে হবে। আর ইরানীরা শিয়া বলে যদি আমি বলি তারা ইসলামের মধ্যেই নাই, তাইলে তাদের আনালজি দিয়া কি লাভ?

বিঃদ্রঃ শিয়াদের / ইরানীদের প্রতি আমার কোন ক্ষোভ নাই। কিছুটা ক্ষোভ আছে তাদের যারা মরুভূমির মধ্যে কোন এটাক ছাড়াই হেলিকপ্টার হারাইছিল।
২৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৮
ধ্রুব তারা বলেছেন: আমি আপনাকে বলতাম তো সেক্যুলারইজম-এ খারাপ কিছু হলে সেটা তার দোষ আর ইসলামের অধীনে এটা ডেভিয়েশন।

the core meaning of secularism is the belief in the separation of Church and state. Religion, the secularist contends, ought not to have a place in shaping the laws or political realities by which we live. Thus there should be no bishops in the House of Lords, the Queen ought not to be the head of state and Supreme Governor of the C of E, and so on. There are many Christians who believe in this sort of thing.

ভাল করে পড়ে দেখুন এগুলো। একজন সাধারণ মুসলমানের এতে আপত্তি থাকার কথা নয়...সে উগ্রবাদী হলে আলাদা কথা। যখন একটি দেশে অন্য ধর্মের-ও লোক থাকে তখন এটাই স্বাভাবিক। কারন অন্যথায় প্রতি ধর্মের লোক নিজেদের জন্য যদি আলাদা আলাদা ধর্মীয় আইনের তাবী তোলে সেটা অযৌক্তিক কিছু হবে না।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: "সাধারণ মুসলমান" বলতে যদি ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ মুসলমানদের আপনি ধরে থাকেন তাহলে ঠিক আছে, কিন্তু রাজনীতি ইসলামেরই অংশ এবং অধিকারও বটে। সেক্যুলার সিস্টেম একজন মুসলমানের এই রাজনীতি করার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এটাকে কি আপনি মুসলমানদের অধিকার হরণ বলবেন না?

একটি দেশে যখন অন্য ধর্মের লোক থাকে তাদের যথাযথ অধিকার রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা ইসলামী রাষ্ট্রে থাকে। ধর্মীয় আইন শুধুমাত্র ঐ ধর্ম পালনকারীদের জন্য প্রযোজ্য।

আপনি কিন্তু আমাকে প্রায় বাধ্য করেছিলেন আপনার প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দেয়ার বিষয়ে। কিন্তু আপনি নিজেই এখন আমার প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন। উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

২৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০০
বিডি আইডল বলেছেন: এনালজি দেই নাই...বিষয়টা নিয়ে ক্ষাণিক কৌতুহল আছে (এবং পড়াশোনা করার মত সুযোগ হয় নাই) কারণ ইসলামে এই ধরণের পদকে সমর্থন না করার কথা

রাষ্ট্রবিজ্ঞাণে জ্ঞাণ নাই...তবে ইসলামীক রাষ্ট্র বলতেই ইরান বুঝে অনেকেই অজ্ঞাণ হয়ে যায়
৩০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২১
মাশরুর মিনহাজ বলেছেন: খা .. রা ... প

*(খাটি ...রাজাকিয় ......পোস্ট )
৩১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৪
ধ্রুব তারা বলেছেন: আপনার প্রশ্নটা বোধহয় ছিল সেক্যুলারইজম মুসলমানকে নেতৃত্বের অধিকার দেয় কি-না। আমি ইংরেজি কোটেশনটি তা বোঝাতেই ব্যবহার করেছি। একজন মুসলিম (ধার্মিক) অবশ্যই সেক্যুলারিস্ট হতে পারবেন। কারণ তাকে রাজনৈতিক ভাবে বলা হয়নি তুমি ধর্ম পালন কোর না। তবে হ্যা তাকে ধর্মীয় রাজনীতি বর্জণ করতে হবে। সে ধর্মের নামে শিবসেনা বা শিবিরের মতো রাজনীতি করতে পারবে না। তাকে হতে হবে মুক্তমণা। সবকিছু নিরপেক্ষ চোখে তাকে দেখতে হবে। হ্যা এখন যদি বলেন সে তো কুরআন-এর আইন প্রতিষ্ঠার দাবীতে রাজনীতি করছে না, তবে সে কি-ভাবে মুসলমান হল। সে ক্ষেত্রে বলব সে তো আগে থেকেই সেক্যুলাইজম কে বর্জণ করেছে তবে কী করে সে নেতৃত্ব দিতে পারবে? আপনার বর্ণনায় যে খাঁটি মুসলমান হলেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করতে হবে আইডিয়া ফুঁটে তাতে ইসলামী দলগুলো ব্যতীত কিছুতেই মুসলমান থাকা যায় না। তবে এটাই একমাত্র খাঁটি মুসলমান হবার শর্ত কি-না সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান রয়েছি।

চার্চসমূহের একপেশে আইন তন্ত্রকে ভাঙতেই কিন্তু সেক্যুলারিজম-এর জন্ম হয়েছিল।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: "তবে হ্যা তাকে ধর্মীয় রাজনীতি বর্জণ করতে হবে।"

এটা একটা কন্ডিশন। আর এই কন্ডিশন মানলেই তাকে নেতা হওয়ার "যোগ্য" ভাবা হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ইসলামকে পুরোপুরি ভাবে মানতে গেলে এই কন্ডিশন মানা যাবে না। তাহলে এটাই পরিষ্কার হলো যে, সেক্যুলার সিস্টেমে খাঁটি মুসলমানদের নেতা হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

আর একজন ইসলাম জানা ধার্মিক মুসলমান সেক্যুলার হওয়া সম্ভব নয়। আপনার দৃষ্টিতে সম্ভব কারণ আপনি ইসলাম সম্পর্কে মোটামুটি অজ্ঞ।

খাঁটি মুসলমান হতে হলেই ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করতে হবে এমনটা বলেছি বলে মনে হয় না। কিন্তু যে নেতা হতে যাবে তাকে তো রাজনীতির সাথে জড়াতেই হবে। আর তার রাজনীতির আদর্শ হবে "ইসলাম"। কিন্তু আপনার সেক্যুলার সিস্টেম আবার এই ইসলামী আদর্শের রাজনীতিবিদকে নেতা হওয়ার জন্য যোগ্য মনে করে না। সুতরাং শেষ পর্যন্ত কোন মুসলমান নেতা হওয়ার সম্ভবনা একেবারেই নাই। তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো?


তুরষ্কে হিজাব নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টা আপনি আফগানিস্থানের হিজাবে বাধ্য করার বিষয়টা দিয়ে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিন্তু আপনি এই বিষয়টা পরিষ্কার করলেন না। সেক্যুলারিজমের নামে তুরস্কে যে ইসলাম পালনে বাঁধা দেয়া হচ্ছে এটা আপনি কোন চোখে দেখছেন? ইসলামি শাসন ব্যবস্থায় কিন্তু আইন করে কোন ধর্মের কোন বিধানকে নিষিদ্ধ করা হয় না।

৩২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৪
ধ্রুব তারা বলেছেন: সেটাকে আমি অবশ্যই খারাপ দৃষ্টিতে দেখব। কারোর ব্যক্তিস্বাতন্ত্রে হাত দে'য়ার অধিকার কারো নেই। এবং সেক্যুলারিজম এটাকে সাপোর্ট করে থাকে না। আমি কোন কিছু জাস্টিফাই করি না। শুধু উদাহরণ দিয়েছি। এবং আশা করেছিলাম আপনার মতো জ্ঞানী ব্যক্তি দু'টো ঘটনার সাযুজ্য বুঝতে পারবে।

সেক্যুলার মতে ব্যক্তিগত ভাবে তার ইসলাম পালনে সমস্যা নেই তবে হ্যা রাজনীতির ক্ষেত্রে নয়। যদি তার রাজনীতির আদর্শ ইসলাম হয় তবে আপনি তো আমার কথাই বললেন যে, আপনার মতে সকল খাঁটি মুসলমান রাজনীতিবীদকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি-ই করতে হবে।

আমার আগের কমেন্টে খাঁটি মুসলমান... বলেছি কারন পুরো্ব্যাপারটা আমরা রাজনীতি নিয়েই আলোচনা করছি
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে। যদিও মূল আলোচনাটাকে আপনি সম্পূর্ন ভিন্নদিকে নিয়ে আসতে সফল হয়েছেন। মূলত এই কারণেই আপনার মন্তব্যগুলো ইগনোর করার চেষ্টা করেছিলাম।

এটা পরিষ্কার যে আপনি আমার বক্তব্য পুরোপুরি না পড়েই মন্তব্য করেছেন। লেখা না পড়ে মন্তব্য করার কারণে এই পোস্টে আমি যে ধরনের আলোচনা আশা করেছিলাম সেটা হয়নি। এই কাজটা ভবিষ্যতে করবেন না। অনুরোধ রইলো।

৩৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৪
আশমএরশাদ বলেছেন: আপনি একটা কনস্টেন্ট ধারনার উপর থেকে প্রবাহমান কোন কিছুর সাথে মিশালে তো হবে না --

আর ইসলাম আর রাজনীতি এসবের সমসলোচনা করতে গেলে প্রথম যে গালিটা আসে সেটা হল অমুকের ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার ফলে এই কথা বলেছে----আর ধর্ম পক্ষীয় মানুষটি মনে করে তার জানা জিনিসটা পারফেক্ট----আর বিপক্ষ পথ ভ্রষ্ট---
সুবিধা হল যিনি ধর্মের পক্ষে কথা বলেন ----এখন মোটামোটি আস্তিক একজন মানুষ ইসলামের রাজনীতির ব্যাপকায়ন কেন জরুরী নয় ----সেটা বলতে গেলে -----ধর্মের সম্পুর্ন বিপক্ষে গিয়ে যুক্তি দিতে পারেনা তাকে যুক্তি দিতে হয় রয়ে সয়ে----

এখানে আপনি কার্ল মার্কসকে লেলিনকে ধুয়ে ফেলতে পারবেন গালি দিতে পারবেন কেউ আপনাকে খারাপ বলবে না কিন্তু পাল্টা যদি ধর্মীয়দের ব্যাপারে বলেন তাহলে কিন্তু আপনি শেষ----তাই এই পর্বে যুক্তির পাল্টাটা আপনার ভারী----


আর জ্ঞান আহরন -----মনে করার কোন কারন নেই যে আপনিও কলাম বই মেনিফেষ্টু আর্টিকেল পড়ে জেনেছেন এই গুলো ----কোন গুপ্ত লাইব্রেরীতে গিয়ে আপনি অমৃত জেনে এসেছেন আর অন্যরা কেবল ভাসা ভাসা জেনেছেন -----সবচেয়ে দুর্বল মানুষেরাই বলে বিপক্ষের লোকদেরকে যে সব কম জেনে এসেছেন-----

ইসলাম ইসলামী রাষ্ট্র পরিপুর্ন জীবন বিধান এই গুলোর চমৎকার সুন্দর ব্যখ্যা বইয়ের খাতায় আলোচনায় বেশ সুন্দর হয়ে উঠে ----যতটা না প্রায়োগিক তার চেয়ে বেশী তাত্বিকতায় এদের মনোনিবেশ-----

প্রায়োগিক ----- ইসলামে রাজনীতির উদ্দশ্য হল ---ইসলামী হুকুমতের রাষ্ট্র কায়েম----
প্রশ্ন আসছে কোনদল করবে? বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে---জামায়াত---নেজামে ইসলামী-----আমিনি?
বাংলাদেশের বর্তমান সংস্কৃতিক আবহ কতটা ইসলাম ঘনিষ্ট----

বর্তমান অর্থনীতিক বিশ্বায়ন ব্যবস্তায় বাংলা দেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী দল গুলোর রাষ্ট্রিয় ব্যবাস্তা কি রূপ হবে এসব কিন্তু তারা খুব স্পষ্ট ধারনা দিয়ে দিতে পারছেনা----যা দিচ্ছে তা কতটা ইফেক্টিভ তা বলছেনা---
বা কনেষ্টেন্ট ধারনার মানুষগুলো বাস্তবতার আলোকে সেটাকে বিচার করছেনা কারন ঐ ধর্মের ধ্রুবতা----

বিশ্বের দিকে তাকালেও দেখতে পারেন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গুলোর কি নতজানু হাল----কেন? কতটা ইফেক্টিভ---

সামাজিক প্রেক্ষাপট ইসলাম ঘনিষ্ট না করেই কি ইসালমী রাষ্ট্র বানানো যায়? বর্তমানে যে দল গুলো লিডিং দিচ্চে তাদের মোট ভোট ১২% এবং এটা কমতির দিকে কেন? ধর্মের সমস্যা নাকি নেতাদের?
ইসলামী দল গুলোর বা তাদের নেতাদের এখন মুল উদ্দেশ্য হয়ে গেছে বড় দলের সাথে ভাগ বাটোয়ারা করে সুবিধা জনক ভাবে জীবন যাপন করা ----তাদের কাজ কর্মে পরিপুর্ন ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্টার জন্য যে ইস্পাত দৃঢ মনোবল সেটা নেই---নেই তাদের নীতির ও অটলতা--

যাক এ সব বললে অনেক ---- আশাকরছি প্রায়োগিক দিকটার দিকে বেশী মনোযোগ দিবেন----কেবল বিরুধীতার জন্য বিরুধীতা নয়-----
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: প্রায়োগিক বিষয়ে মনোযোগ দিতে গিয়ে তো আতংকিত হতে হয়, তুরস্কের অবস্থা দেখুন। ধ্রুব নীলকে একটা লিঙ্ক দিয়েছিলাম, আপনাকেও দিলাম- Click This Link

এরকম ঘটনা বহু আছে। সুইসরা সম্প্রতি মসজিদের মিনার তৈরি নিষিদ্ধ করেছে। ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ। জার্মানীতে নাকি হিজাব করলে নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। তাহলে বিষয়টা কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? ইসলামি রাজনীতি নিয়ে অল্প কিছু বছর আগেও আমার কোন মাথা ব্যাথা ছিলো না। এমনকি এখনো ইসলামি রাজনীতিতে সরাসরি অংশগ্রহনের (নেতা হওয়ার) কোন ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু পুরো পৃথিবীর মুসলমানদের দিকে তাকালে খুবই কষ্ট লাগে। সম্প্রতি দেখুন কি হচ্ছে... ইসলামের এটা নিষিদ্ধ, ওটা নিষিদ্ধ, এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না.. ইত্যাদি দেখতে দেখতে এটা বেশ অনুভব করতে পারছি যে বেশ বড় ধরনের ইসলামি মুভমেন্টের দরকার আছে। দুর্বলরা বরাবরই অত্যাচারিত। সবল হতে হবে, আর বৃহৎ ইসলাম শক্তির সৃষ্টি না করলে এটা সম্ভব না।

আর এই পোস্টের মূল বক্তব্য কিন্তু ভিন্ন। বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতি কারা করে বা তাদের ভবিষ্যত কি বা তাদের দিয়ে কি হবে এগুলো বিবেচনা করার বিষয়টা কেন আসবে? আলোচনাটা একাডেমিক হওয়া উচিত না? ইসলামি রাজনীতি নিষিদ্ধ কেন হবে? অন্য সকল মতবাদ যেখানে রেসে অংশগ্রহণ করতে পারছে সেখানে মাঠ থেকে ইসলামি রেসারদের দেয়ার চেষ্টা কেন হচ্ছে? রাজনীতির ময়দানে এটা কতটুকু এথিক্যাল?

৩৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৪
জিন্নাহ্ বলেছেন:
আমার এই লেখাটা প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে

Click This Link
৩৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "বর্তমান অর্থনীতিক বিশ্বায়ন ব্যবস্তায় বাংলা দেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী দল গুলোর রাষ্ট্রিয় ব্যবাস্তা কি রূপ হবে এসব কিন্তু তারা খুব স্পষ্ট ধারনা দিয়ে দিতে পারছেনা"

নির্বাচনের আগে দলগুলো যখন মেনিফেস্টো দেয়, তখন পরবর্তী পাচ বছরের গৃহীত কর্মসূচী কি হবে তা আচ করা যায়। এখন যদি নিষিদ্ধই করে দেয়া হয়, তা হলে কি করে ধারনা দেবে?

"সামাজিক প্রেক্ষাপট ইসলাম ঘনিষ্ট না করেই কি ইসালমী রাষ্ট্র বানানো যায়? বর্তমানে যে দল গুলো লিডিং দিচ্চে তাদের মোট ভোট ১২% এবং এটা কমতির দিকে কেন? ধর্মের সমস্যা নাকি নেতাদের?"

মানুষই নির্বাচনে এদের প্রত্যাখ্যান করছে। তা হলে সাংবিধানিক ভাবে নিষিদ্ধের তোড় জোড় কেন?

ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল বিশ্বের সব গনতান্ত্রিক দেশে রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশে বর্তমান সরকার সমাজবাদী দলগুলোর রাজনৈতিক অধিকার মেনে নিলেও (বলা বাহুল্য কমিউনিজম মুসলিমদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করে), ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাইছে। বহু দলীয় গনতন্ত্রকে ধরে রাখা প্রয়োজন।


৩৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৩
আশমএরশাদ বলেছেন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ বলতে আমি এটুকু বুঝেছি যে

ধর্ম যুক্ত নাম নিয়ে রাজনৈতিক দল হিসাবে নিবন্ধন করা যাবে না ----
নাম পরিবর্তন করে তো তারা থাকতে পারে---রাজনীতিতো নিষধ নয়---
শুধু বলা হচ্ছে ধর্ম নাম নেয়ার কারনে তারা রাজনীতির মাঠে বেনিফিট পাচ্ছে---এবং ধর্মের সোল এজেন্সি রাষ্ট্র তাকে দেয়নি----
জামাতের বিপক্ষে ভোট দেয়া মানেতো ইসলামের বিপক্ষে ভোট দেয়া নয়-----

বিশ্বের অন্যন্য দেশে আরো অনেক খারাপ কালচার ও রয়েছে তাই বলে ফলো করতে হবে সব---

নির্বাচনের আগে দলগুলো যখন মেনিফেস্টো দেয়, তখন পরবর্তী পাচ বছরের গৃহীত কর্মসূচী কি হবে তা আচ করা যায়। এখন যদি নিষিদ্ধই করে দেয়া হয়, তা হলে কি করে ধারনা দেবে? -------
না পুরাপুরি দেয় না --- বলে না ফাঁসি হবে না কতল হবে ----চুরি করলে হাত যাবে না মাথা যাবে
বলে না হাজার হাজার অর্থলগ্নীকারী প্রটিষ্টানের কি হবে----বিশ্ব ব্যাংককে মুদরাবা দিবে নাকি সুদ দিবে --
বলেনা মমতাজ মেহরিনরা বোরখা পরে গান গাইবে না হামদ নাথ গাইবে---
বলে না শেরটন হোটেল থেকে কয়টা তারকা নামিয়ে ফেলবে----
বলে না গ্রামার স্কুল ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষা পদ্ধতি কি রূপ হবে ---
বলে না তারা ক্ষমতায় গেলে কমিউনিষ্ট পার্টি করার অধিকার থাকবে কিনা প্রকাশ্যে কাল মার্কসের তত্ব প্রকাশ করা যাবে কিনা----
আরো অনেক বিষয়ের জবাব খোদ মতি্উর রহমান নিজামী দিতে পারেনি সবিনয় জানতে চাই অনুষ্টানে---
কেবল ভাসা ভাসা অপ্রয়োগিক কিচু ধারনা দিয়ে তারা একটা ইসলামী অর্থনীতি নামের পুস্তিকা বানিয়েছেন ---


৩৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৯
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: দুটো প্রশ্ন:

১) পুরোপুরি ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরির সম্ভাবনা বা বাস্তবতা কতটুকু আছে বলে আপনি মনে করেন?
(আমার ধারণা, বর্তমান পৃথিবীতে প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র বলতে যা বোঝায় তা নেই)

২) সত্যিকারের ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরির জন্য যে ধরণের লিডারশিপ প্রয়োজন তা বাংলাদেশে বর্তমানে আছে কিনা? থাকলে কয়েকজনের উদাহরণ দেওয়ার অনুরোধ রইল। আর না থাকলে কোন পথে এগোতে হবে বলে মনে করেন?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিয়াজুল, আপনার প্রশ্নের জন্য। কিন্তু এই প্রশ্নগুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক এবং ইসলামি রাষ্ট্র তৈরি বা বাস্তবায়ন টাইপ টপিকে এত স্বল্প পরিসরে উত্তর দেয়া সম্ভব না। কোন ধরনের লিডারশীপ প্রয়োজন এবং না থাকলে কোন পথে এগোতে হবে এগুলো পুরোপুরি আলাদা টপিক ও অনেক বিস্তারিত আলোচনার বিষয়।

৩৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৭
ম্যাকানিক বলেছেন: প্রিয় লেখক

কমিউনিজম, সেক্যুলারিজম এবং আরো বিভিন্ন ধরনের মতবাদের ভিত্তিতে যেমন রাজনীতি হতে পারে তেমনি ইসলামি সিস্টেমেও তা করা যেতে পারে, কারণ ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা।
২য় মত পোষন করছি
কারন ইসলামের নাম দিয়ে রাজনীতি করে মুসলমানদের নিজেদের মধ্যে বিভক্তি ছাড়া আর কিছুই হবে না।
আর মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি সৃস্টি করতে আল্লাহ ও তার রাসুল উভয়ই নিষেধ করেছেন।
আজকে মুসলমানরা অলরেডি নানা দলে মতে বিভক্ত শিয়া সুন্নি কাদিয়ানি বাহায়ি হানাফি মালেকি হাম্বলি শাফেয়ি ও নানারকম কু শিক্ষায় শিক্ষিত যেমন মানত পির মাজার দরগাহ এ সিন্নি চড়ানো এই ডিভাইডেশন কিভাবে কমানো যায় সকলের উচিত সেইদিকে নজর দেয়া।


এখন আপনি হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে দুনিয়াতে ইসলাম কায়েম হবে কিভাবে।
ইসলাম যেভাবে শুরুতে কায়েম হয়েছিলো ঠিক সেইভাবে।
নবী মুহাম্মদ (সাঃ) যেইভাবে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে গেছেন ঠিক সেইভাবে।
সাহাবী (রাঃ) রা যেইভাবে নিজেদের জীবন ও পরিবারকে ইসলামের সুশিতল ছায়া তলে এনে নিজেদের একজন উদাহারন হিসেবে রেখে গেছেন ঠিক সেইভাবে।
আজকে আপনি যুবক ত্রিভুজ একজন ইমানদার মুসলমান হলেন এবং সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলাম পালন করে বিয়ে করলেন পরিবার পরিজন নিয়ে আবারো সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলামের হুকুম আহকাম পালন করলেন আপনার দেখা দেখি আপনার প্রতিবেশিও ইসলামের প্রতি অনুরাগি হলেন তারাও একসময় বেশ সিনসিয়ার হয়ে গেলেন একসময় দেখবেন পুরা মহল্লা আপনার মত বা আপনার চাইতেও বেশি দ্বীনদার মুসলমানে ভরে গেছে এইভাবে ক্রমান্বয়ে পুরা রাস্ট্র ভালো সৎ ইমানদার মুসলমানে ভরে গেল তারপর এই আপনিই যদি রাস্ট্র ক্ষমতায় যান আপনি কি কোনো আন ইসলামিক কাজ সমর্থন করতে পারবেন।
পারবেন না কারন ততদিনে সব্বাই আপনার স্ট্যান্ড্যার্ড অনুযায়ী মুসলমান হয়ে গেছে।
শুধু জামাতে ইসলামী না ইসলাম ধর্মের নামে রাজনীতি করে ক্ষমতা দখল করতে চাওয়া আমি জঘন্যতম একটা কাজ হিসেবে মনে করি ।
কারন
তোমরা ধর্মকে স্বল্প মুল্যের বিনিময়ে বিক্রি করো না
আর রাজনীতির মাধ্যমে ইসলামের বিনিময়ে একটা ভোট কেনা ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না।

আপনার ইসলাম বিষয়ক প্রায় সব লেখার সাথেই একমত কিন্তু এই একটা যায়গাতে আমি মনে করি আপনার আরো আনবায়াসড স্টাডি প্রয়োজন।
ইসলাম ঠিক শুরুতে কি ছিলো আর কিভাবে তা প্রচার হয়েছে।


১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলাম পালন করতে হলে আমাদের কি কি করতে হবে তার কিছু নমুনা যদি বলতেন...

৩৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৭
ম্যাকানিক বলেছেন: এরকম ঘটনা বহু আছে। সুইসরা সম্প্রতি মসজিদের মিনার তৈরি নিষিদ্ধ করেছে। ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ। জার্মানীতে নাকি হিজাব করলে নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। তাহলে বিষয়টা কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? ইসলামি রাজনীতি নিয়ে অল্প কিছু বছর আগেও আমার কোন মাথা ব্যাথা ছিলো না। এমনকি এখনো ইসলামি রাজনীতিতে সরাসরি অংশগ্রহনের (নেতা হওয়ার) কোন ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু পুরো পৃথিবীর মুসলমানদের দিকে তাকালে খুবই কষ্ট লাগে। সম্প্রতি দেখুন কি হচ্ছে... ইসলামের এটা নিষিদ্ধ, ওটা নিষিদ্ধ, এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না.. ইত্যাদি দেখতে দেখতে এটা বেশ অনুভব করতে পারছি যে বেশ বড় ধরনের ইসলামি মুভমেন্টের দরকার আছে
সহমত
কিন্তু
দুর্বলরা বরাবরই অত্যাচারিত। সবল হতে হবে, আর বৃহৎ ইসলাম শক্তির সৃষ্টি না করলে এটা সম্ভব না।
দেখেন আজকে আমরা মুসলমানরা নিজেরা নিজেদের যতটা অত্যাচার করছি সেই তুলনায় অমুসলমানরা এখনও আমাদের রিতিমত সমীহ করে।
আরবদেশে যান দেখেন তারা নিজেদের কতটা শ্রেষ্ঠ ভাবে আর আপনাকে কতটা অমানুষ মনে করে।
বাংলাদেশের কথাই ধরেন রাস্তায় যে ছিনতাই করে সে কিন্তু একজন মুসলমানেরই ছেলে অফিসে যে ঘুষ ছাড়া আপনার ফাইল ছাড়ছে না এক মহল্লায় থাকলে দেখবেন আপনি আর সে একই মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়ছেন।
তারপরও আপনি আমি অত্যাচারিত হচ্ছি আমরা মুসলমানরা নিজেদের কামরা কামড়ি করছি কারন ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও তার প্রয়োগের অভাব।
বসনিয়ার যুদ্ধের আগে আমার এক আরব কলিগ বসনিয়াতে একটা কাজে গিয়েছিলো এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সিতে যেতে যেতে ড্রাইভার উনাকে বলছিলো কোন হোটেলে ১৮- ২০ বছর বয়সি মেয়ে পাওয়া যাবে কোন হোটেলে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সি মেয়ে পাওয়া যাবে।
আমার আরব বন্ধুটি বললেন আমি মুসলিম এই ধরনের কাজ করা আমার জন্য নিষেধ।
এই কথা শুনে ড্রাইভার ও বললো আমিও মুসলিম
বন্ধুটি বললেন তাহলে আমাকে সুরা ফাতিহা শোনাও
সে বললো ওইডা কি জিনিস
বন্ধুটি বললেন তাহলে শাহাদাহ বা কালেমা শোনাও
সে বললো ওইটাও সে জানে না
বন্ধুটি জানতে চাইলেন তাইলে তুমি যে মুসলিম তার প্রমান কি
এই কথা শুনে
ড্রাইভার রাস্তার পাশে গাড়ী থামিয়ে প্যান্টের চেইন খুলে তাকে বলে
লুক আই এম মুসলিম।
ইসলাম যখন দিলের মধ্যে থেকে নেমে প্যান্টের চেইন এর ভিতরে যেয়ে ঠেকে তখন আল্লাহর আযাব অবধারিত।
এই অবস্থার অবসানের জন্য ইসলামের প্রায়োগিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: আমি আপনার কাছে সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলাম পালনের পদ্ধতি জানতে চাচ্ছি।

৪০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪০
ম্যাকানিক বলেছেন: সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলাম পালন করতে হলে আমাদের কি কি করতে হবে তার কিছু নমুনা যদি বলতেন...
এই ব্যাপারে প্রশ্নকারী উত্তর দাতার চাইতে ভালো জানে।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: এড়িয়ে যাবেন বুঝতে পারছিলাম। এবং দ্বিতীয় মন্তব্য আপনি যে স্টেরিওটাইপড কথাবার্তা বলেছেন এগুলো বহু পুরানো পদ্ধতি। এখন আর কাজে আসে না।


আর ইসলামি রাজনীতির কারণে মানুষে মানুষে বিভক্তি আসবে তাই রাজনীতি করা যাবে না টাইপ হাইপোথিসিস থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক কিছুই নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। গভীর ভাবে ভাবলে বুঝতে পারবেন।

আর আপনি যদি ইসলাম সম্পর্কে কিছুটা হলেও জেনে থাকেন তাহলে রাজনীতি আর মাজহাবকে গুলিয়ে ফেললেন কেন বুঝলাম না... ইন্টারেস্টিং....!

"ক্ষমতা দখল" শব্দটা এখানে নিতান্তই মূর্খতার পরিচায়ক। আপনি হয়তো ভুলে গিয়েছেন যে আমাদের রাসুল (সাঃ) ও রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন।

আপনার থিওরী অনুযায়ী সবাই সিনসিয়ার মুসলমান হতে হতে একসময় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিও সিনসিয়ার মুসলমান হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু গত ১৪০০ বছরে এরকম নিজে থেকে পুরো রাষ্ট্র সহ সিনসিয়ার মুসলমান হয়ে যাওয়ার নজীর একটাও দেখাতে পারবেন? কত অদ্ভুত আর হাস্যকর বিশ্বাস!

'সিনসিয়ারিটির সাথে ইসলাম পালন' বলেও আপনি আসলে কি বুঝিয়েছেন পরিষ্কার না। সেক্যুলার তুরষ্কের দিকে তাকান, আইন করে হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশ্বের আরো কিছু রাষ্ট্রের দিকে তাকান, ইসলামের অনেক কিছুই দিন দিন গায়ের জোরে নিষিদ্ধ করে দিচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে আপনি কি করতে পারবেন? এত দীর্ঘ সময় ধরে তুরস্কে রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলাম পালন করতে দেয়া হচ্ছে না অথচ কিছুই করা সম্ভব হয়নি।

আর সিনসিয়ার মুসলমান আপনি হবেন কিভাবে? রাষ্ট্র আপনাকে সুদ খেতে বাধ্য করবে, রাষ্ট্র আপনাকে হারাম কাজে বাধ্য করবে। রাষ্ট্র দেশে প্রস্টিটিউশন হালাল করবে, সমকামীতা বৈধ করবে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামি সংস্কৃতি ধ্বংস করা হবে, ইসলামী মূল্যবোধ সৃষ্টি হতে পারবে না এরকম শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবে। কি করতে পারবেন আপনি? আওয়ামীলীগের সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে কি করতে পেরেছেন? কমপক্ষে একটা জেনারেশনকে পুরোপুরি স্যেকুলার করে গড়ে তোলার জন্য যা যা প্রয়োজন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। আরো বিশ বছর পর এর ফল হাতে নাতে পাবেন। ততক্ষন পর্যন্ত বসে বসে সিনসিয়ার মুসলমানে সব ভরপুর হয়ে যাওয়ার দিবা স্বপ্ন দেখতে থাকেন।

৪১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
রাজর্ষী বলেছেন: যার ধর্ম তার তার কাছে। রাস্ট্রের এখানে কি করার আছে?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: রাষ্ট্রের এখানে কিছু করার দরকার নাই, কিন্তু ঠিকই আইন করে ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়া হয়, হেজাব নিষিদ্ধ করা হয়, আরো কতকিছু। তবুও আমরা যার ধর্ম তার তার পকেটে নিয়ে বসে থাকলেই পারি।

৪২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১
ভালো বলেছেন: ইসলাম হলো একটা জীবনব্যবস্থা! আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবনব্যবস্খা । অন্য কোন জীবনব্যবস্থা আল্লাহ গ্রহন করবেন না, এটা তিনি কুরআনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ।

অতএব, যে সকল বিশ্বাসী মানুষেরা... যারা ইসলামী রাজনীতি বন্ধের ভয়াবহতা বুঝতে পারছেননা ... আপনাদের বোধের দরজায় নক করে যাই... আল্লাহ মানুষকে পৃথাবীতে তার খলীফা হিসেবে পাঠিয়েছেন.. নামাজ-রোজাকারী বান্দা হবার জন্য নয় শুধুমাত্র । "যার ধর্ম তার কাছে" হিসেবে আল্লাহর কোন দরকার ছিলোনা ফেরেশতাদের মত এত অনুগত একটা ধার্মিক জাতি থাকবার পরেও মানুষতে সৃষ্টি করার । .... "খলিফা" শব্দটিই রাজনীতিবিদের কথা মনে করিয়ে দেয় খুব সহযে । পৃথিবীকে আল্লাহর নির্দেশিত নিয়মে পরিচালনা করার দায়িত্ব হলো ইসলামী রাজনীতি ও রাজনীতিবাদের ।

যারা কুরআনে বিশ্বাসী, যারা আখিরাতে মুক্তির জন্য উদ্বিগ্ন, অন্তত তারা কখনো ইসলামী রাজনীতির বিরোধীতা করতে পারেনা....

ইসলাম ই পারে কেবল এই পৃথিবীতে নিখুত শান্তির সমাজববস্থা তৈরী করে দিতে ।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: সেটার জন্য প্রচুর প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। এই দেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় এখানের মানুষ ইসলাম কি তাই জানে না, ইসলামি রাষ্ট্র তো আরো বহু দূর!

৪৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৩
ভাবসাধক বলেছেন: আর সিনসিয়ার মুসলমান আপনি হবেন কিভাবে? রাষ্ট্র আপনাকে সুদ খেতে বাধ্য করবে, রাষ্ট্র আপনাকে হারাম কাজে বাধ্য করবে। রাষ্ট্র দেশে প্রস্টিটিউশন হালাল করবে, সমকামীতা বৈধ করবে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামি সংস্কৃতি ধ্বংস করা হবে, ইসলামী মূল্যবোধ সৃষ্টি হতে পারবে না এরকম শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবে। কি করতে পারবেন আপনি? আওয়ামীলীগের সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে কি করতে পেরেছেন? কমপক্ষে একটা জেনারেশনকে পুরোপুরি স্যেকুলার করে গড়ে তোলার জন্য যা যা প্রয়োজন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। আরো বিশ বছর পর এর ফল হাতে নাতে পাবেন। ততক্ষন পর্যন্ত বসে বসে সিনসিয়ার মুসলমানে সব ভরপুর হয়ে যাওয়ার দিবা স্বপ্ন দেখতে থাকেন।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: ইসলাম সম্পর্কে সেক্যুলার তো বটেই, বেশির ভাগ মুসলমানদের ধারনাও পরিষ্কার না।

৪৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩২
হতবুদ্ধি বলেছেন: খুবই ভাল লেখা।

কোন ঘোড়া রেসে প্রথম হবে বা কোন ঘোড়া অধিকতর উপযোগী ও কার্যকরী সেটা রেসে নামার পর বিবেচনা করা যাবে। কিন্তু রেসের আগেই প্রতিপক্ষের ঘোড়াকে ময়দান থেকে সরিয়ে দেয়াটা অবশ্যই সুস্থ্য চর্চা নয়।

কথাটা অবশ্যই ঠিক। তবে বাংলাদেশে প্রচলিত ধর্মভিত্তিক দলগুলো আসলেই ইসলামের আদর্শ মেনে চলছে কিনা অথবা তাদের রাজনীতি ইসলাম ধর্মের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা সেটাও ভেবে দেখা যেতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারকে আগে ইসলামের সংজ্ঞা জানতে হবে। জাকের পার্টী বা জামাত বা আরো কিছু ভুঁইফোর, ধর্মভিত্তিক দলগুলোর আসলেই ইসলাম ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার অধিকার আছে কিনা সেটা নিরুপণ করতে হবে। এসব না করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষেধ করার অধিকার আমার মনে হয় সরকারের নাই। আর ইসলামের ধ্বজাধারীদেরও উচিৎ ইসলামকে অনুধাবন করা, ইসলামের মহিমা, জ্ঞান, সৌন্দর্য অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া, ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করা নয়।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: এখন আছে কি নেই সেটি বড় বিষয় না। আইন করে ইসলামি রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে ভবিষ্যতে যেকোন ইসলামিক রাজনৈতিক দলের পথ রুদ্ধ হবে। সর্বপরি সকল মতবাদ ভিত্তিক রাজনীতি থাকতে পারবে কিন্তু ইসলামিক মতবাদ নিষিদ্ধ হবে, এটা কোন যুক্তির কথা নয়।

৪৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
রাজর্ষী বলেছেন: ধর্মে যেহেতু বিশ্বাস এর উপর নির্ভর করে তাই ধর্ম বিশ্বাসকে প্রচলিত রাজনীতির হাতিয়ার করা যাবে না।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: কেন?

৪৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬
হতবুদ্ধি বলেছেন: আইন করে ইসলামি রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে ভবিষ্যতে যেকোন ইসলামিক রাজনৈতিক দলের পথ রুদ্ধ হবে।

এটা ঠিক।
৪৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ।

৪৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৩
ব্যানেট বলেছেন: ধন্যবাদ আপানকে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও..

৪৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
ওবায়েদ বলেছেন: বাংলাদেশে এটা কেমন গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে, কেউ রাজনীতি করতে পারবে, কেউ পারবে না।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: সবার রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত।

৫০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৫
সুভ্র বলেছেন: কোন মুসলমান কি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে থাকতে পারে? বিশ্বনবী (সাঃ)শুধু ধর্মীয় নেতা নন.তিনি ছিলেন বিচারপতি,রাষ্ট্রনায়ক। মুসলমান হিসাবে নিজেকে দাবী করা আবার ধর্ম ও রাষ্ট্র আলাদা-এ কথা বললে আমাদের তার প্রতি করুণা হয় তার ইসলামী জ্ঞানের দৌরাত্ম দেখে!!!!!!! যারা নিজেকে মুসলমান দাবী করে তারা কি কুরআন পড়ে? পড়লে কি এই অবস্থা হয়? আসলে দোষ আমাদের নয়। দোষ শিক্ষা ব্যবস্থার। আমরা মুসলমান। কিন্তু পাঠ্যপুস্তকে কী পড়ি? মার্কস্, লেলিন,সেতুং,অগাষ্টকোৎ,ডারউইন,ম্যাকিয়াভ্যালি,ট্রটস্কি,প্লেটো,হবস,লক রুশো,জে বদিং.........ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই ফাস্ট ইয়ার থেকে-এখন আবার মাস্টার্সে মডার্ন পলিটিক্যাল এনাইলাইসিস নামে আবার লেলিনচর্চার চর্বিত চর্বন। তাহলে বলুন মাথা ওয়াশ হতে আর কি বাকি থাকে? আমার তো মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী এখনও যারা নিজেকে মুসলমান বলে দাবী তা সৌভাগ্যের ব্যাপার। বরং এমনতো হওয়ার কথা ছিল-নিজেকে প্রকাশ্যে অমুসলিম ঘোষণা করে গর্ব প্রকাশ করা। আল্লাহর শুকরিয়া দু একজন ছাড়া সবাই নিজেকে মুসলমান দাবী করতে ভালবাসে। প্রিয় মুসলমান ভাইবোন-আসুন কুরআন পড়ি তাহলে ইসলামের প্রকৃত পরিচয় জানতে পারব। আদৌও কুরআনে রাজনীতির করার অধিকার আল্লাহ দিয়েছে কিন? বিশ্বনবীর সাঃ এর জীবনীও পড়ার চেষ্টা করি।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: পাঠ্যপুস্তকে মার্কসবাদ, ডারউইনিজম পড়লে ক্ষতি নেই আমিও পড়েছি। সমস্যাটা হচ্ছে ঐ পর্যন্ত গিয়েই অনেকের জ্ঞান থমকে থাকে। আরেকটা বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের চিন্তা ভাবনা বন্ধ করে দেয়া। মানুষ আর পশুর মাঝে সবচাইতে বড় পার্থক্য হচ্ছে মানুষের নিজস্ব চিন্তা চেতনা ও বিবেক আছে পশুর তা নেই। যারা এই চিন্তা চেতনা ও বিবেকের ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে তারা নিজের অজান্তেই নিজেকে নিচে নামিয়ে দিচ্ছে।

৫১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫
রাজর্ষী বলেছেন: কারন এতে হানাহানি বেড়ে যাবে। মানুষ যুক্তিগ্রাহ্য রাজনীতি করার চেয়ে অযৌক্তিক কাজ বেশী করবে। আর এটা খারিজ করে দেবে ভিন্নমতালম্বীদের এক কথায় যে আল্লাহ এটা করতে বলেছেন এবং সুতরাং আর কিছুই করা যাবেন না। এতে ইসলাম ধর্মের মধ্যে বিভেদ তৈরী হবে বেশী।
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি প্রথমেই বলেছি ইসলাম সম্পর্কে ধোঁয়াটে জ্ঞান সম্পন্ন আর অজ্ঞরাই হুট করে এরকম সিদ্ধান্তে চলে আসে। আপনার মন্তব্যটাও এর বেশি কিছু হয়নি। অন্যরা কি বলছে সেটার উপরে এত ভরসা করছেন কেন? যদি সত্যি সত্যি ইসলামিক রাজনীতি বা ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে স্টাডি করতে সমস্যা কোথায়? আপনি যা বলেছেন সেটাকে "ভ্রান্ত ধারণা" বলে লাভ নেই, কারণ আপনি অন্যের চোখে ও অন্যের ব্রেইনে চিন্তা করছেন।

ইসলামিক ব্যবস্থা সম্পর্কে একেবারে অজ্ঞ হলেও আপনার মনে কিছু প্রশ্ন আসা উচিত ছিলো। ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র না থাকার পরও পৃথিবীতে হানাহানি কমে যায়নি। আর কোন দেশের সংবিধানে বা আইনে থাকা বিধানের বাইরেও আপনি কিছু করতে পারবেন না, বলা হবে আইনে এটা আছে তাই মানতেই হবে। আপনি বলতে পারেন যে প্রয়োজনের খাতিরে ভাল-মন্দ বিবেচনা করে আইন পরিবর্তন করা যায়। ইসলামিক রাজনীতিতেও এটা সম্ভব। তাহলে পার্থক্যটা কোথায়? সেক্যুলার রাজনীতিতে সেক্যুলার মতবাদের ছাকুনি দিয়ে ছেঁকে ভাল-মন্দ নিরুপন করা গেলে ইসলামিক রাজনীতিতে ইসলামিক মতবাদের চাকুনি দিয়ে ছেঁকে ভাল-মন্দ নিরুপন করতে আপত্তি কোথায়? এটা বলতে পারেন যে ইসলামিক মতবাদ আপনার পছন্দ নয়, তাহলে কিন্তু সেই একই দাবী অন্যরাও করতে পারে, সেক্যুলার মতবাদও অনেকের পছন্দ নয়।

আর কোন মতবাদ কেমন এবং কোনটা মানবতার জন্য অধিকতর উপযোগী সেটা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা যেতে পারে। তা না করে গায়ের জোরে প্রতিপক্ষের মতবাদের গলা টিপে ধরাটা অবশ্যই সুস্থ চর্চা নয়। আপনি যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি নিজেই অগণতান্ত্রিক আচরণ করছেন এক্ষেত্রে। এটা কি একটা স্ববিরোধীতা নয়?

৫২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
তানজীল ইসলাম বলেছেন: একটু জি মেইলে আসেন-
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লালসালু।

৫৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০২
আজম মাহমুদ বলেছেন: সুহৃদ,
আপনার ভালো থাকা কাম্য। ধর্ম বিষয়ক ব্লগে আপনার আগ্রহ এবং জ্ঞান বেশি বলেই আমি জানি। তাই আপনাকে সর্নিবদ্ধ নিমন্ত্রন আমার ধর্ম বিষয়ক মুক্ত আলোচনার ব্লগে। আশাকরি আপনি আসবেন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আলোচনাটিকে সার্থক করে তুলবেন।

Click This Link
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: দেখলাম। মন্তব্য দিয়েছি।

৫৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই।ভালো লেখেছেন।ধন্যবাদ
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২
আব্দুল রহমান বলেছেন: দেশের উন্নয়ন করার জন্য অনেক কাজ পড়ে আছে তা বাদ দিয়ে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির পেছনে লাগা কিন্তু নিজের নড়বড় অবস্থার কথা বলে!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: এগুলো অনেকটা এসিড টেস্ট টাইপ বিষয়.... এখানে আরো কিছু রাজনীতি আছে।

৫৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৭
বিপ্লবের_অপেক্ষায় বলেছেন: জট্টিল পোষ্ট।

আওয়ামী পান্ডগুলার গা জ্বালা করবার লাগছে। :-B :-B
৬০. ১৭ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:১৩
বাবুকস বলেছেন: ""ধ্রুব তারা বলেছেন: মানুষ গিনিপিগ নয়। ইসলামী রাষ্ট্রনীতির সমস্যা হচ্ছে তা দ্বারা অন্যান্য ধর্মের মানুষের অধিকার ভুলুণ্ঠিত হবে।

অধিকার বলতে আমি শুধু থাকা-খাওয়া, ভাল ব্যবহার বোঝাচ্ছি না। ধরুণ আজ দেশে সম্পূর্ণ ইসলাম নীতি প্রতিষ্ঠিত হল...তখন নিঃসন্দেহে পর্দা প্রথা বাধ্যতামূলক করা হবে...কিন্তু অন্যান্য ধর্মে তো পর্দা প্রথার কথা নেই তবে তারা কেন পালন করবে।""

ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আপনার জ্ঞান তো কমই, অন্য ধর্ম সম্পর্কেও কম। সকল ধর্মেই পর্দার কথা আছে। পর্দা বলতে বোরকার কথা বুঝবেন না। পর্দা মানে পরপুরুষের দৃষ্টি ও স্পর্শ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা।

বিস্তারিত জানতে ড. জাকির নায়েকের 'সিমিলারিটিজ বিটুইন হিন্দুইজম এন্ড ইসলাম' এবং 'সিমিলারিটিজ বিটুইন ক্রিশ্চিয়ানিটি এন্ড ইসলাম।' এখানে জাকির নায়েক রেফারেন্স সহ হিন্দু ও খৃষ্টান ধর্মগ্রন্থ থেকে দেখিয়েছেন যে তাদের ধর্মেও পর্দাপ্রথা আছে। বেদে তো ঘোমটা দিয়ে মেয়েদের বের হতে বলা হয়েছে এবং সৌন্দর্য পরপুরুষকে দেখাতে মানা করা হয়েছে। আর খৃষ্টানদের পর্দার প্রমাণ তাদের নান-রা।


পৃথিবীতে হিন্দু, খৃষ্টান, ইহুদি নামে কোন ধর্ম নেই। এই নামগুলো মানুষের বানানো। সকল ধর্মই ইসলাম যা মানুষ যুগে যুগে বিকৃত করেছে। একারণে পর্দার বিধানও সকল ধর্মেই বিদ্যমান।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ