somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ত্রিভুজ পার্টির চেয়ারম্যান লাফিয়ে উঠলেন, "ইউরেকা!!" নির্বাচনী ওয়াদা তারা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং আরো অনেক কিছুই করে ফেলেছে। ত্রিভুজ পার্টির সমর্থকদের মনে তাই আনন্দের সীমা নাই, সাধারণ আম জনতাও নির্লিপ্ত। কিন্তু ত্রিভুজ পার্টির চেয়ারম্যানের মনে শান্তি নাই, তিনি বেশ চিন্তিত ভঙ্গিতে বসে আছেন। মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরাও বিব্রত... একজন একটু সাহস করে জিজ্ঞেস করেই বসলো- মহামান্য চেয়ারম্যান, আপনি এত চিন্তিত কি নিয়ে?

এত কিছু করেও তো সবার ভাগে খুব বেশি কিছু থাকছে না, চেয়ারম্যানের জবাব

আমরা কি ট্যাক্স, ভ্যাট আরেকটু বাড়িয়ে দেয়ার উপায় বের করার চেষ্টার করবো মাননীয়?, অর্থমন্ত্রী জানতে চাইলো

নাহ, এই বছরের মত আর না..., চেয়ারম্যানের কথাটা অনেকটা স্বগোক্তির মত শোনালো। শিক্ষা ব্যস্থার উপরে ভ্যাট আরোপ করার পর খুবই অনাকাংখিত ভাবে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসায় চেয়ারম্যান চিন্তিত। এইসব ছেলে ছোকরাকে লোকজন ডিজুস জেনারেশন নামে ডাকে বলে শুনতে পেয়েছিলেন তিনি। ডিজ্যুস জেনারেশন নাকি নিজেকেই নিয়ে সবসময় ব্যস্ত, দেশ নিয়ে তাদের ভাবার সময় নাই, এমনটাই বলা হয়েছিলো গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে। কিন্তু যেখানে দেশের বিরোধীদল টু শব্দটি করছে না সেখানে এই ডিজুস ছেলে ছোকরা রাস্তায় নেমে রীতিমত মিছিল করে ফেলবে এটা কল্পনাতীত ব্যপার।

চেয়ারম্যানের চিন্তিত চেহারা দেখে মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরাও চিন্তিত হয়ে পড়লো। সভায় পিন-পতন নীরবতা। হঠাৎ চেহারম্যান এক ঝটকায় চেয়ার থেকে ওঠে দাঁড়ালেন... চিৎকার করে বললেন, "ইউরেকা!!... ইউরেকা!!!" মন্ত্রীরা পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগলো।

মাননীয়...... বলতে শুরু করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁর মুখের কথা শেষ না করতে দিয়েই আবার "ইউরেকা!" বলে চেঁচিয়ে ওঠেন চেয়ারম্যান। পেয়েছি, এটাই সবচাইতে উত্তম, নিরাপদ, ঝামেলাহীন..

মাননীয়...., কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী। তাঁকে থামিয়ে দিয়ে জানতে চাইলেন চেয়ারম্যান, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র আমাদের কাছে ট্রানজিট চাচ্ছে বহুদিন ধরে, তাই না?

হ্যা, মাননীয়...

আমরা কি তাদেরকে ট্রানজিট দিয়ে দিতে পারি না?

কিন্তু... আমাদের জনগন তো এটা মানবে না মাননীয়... আমতা আমতা করে বলার চেষ্টা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

মানবে না মানে? নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করিনি আমরা?

তারচাইতে বেশি কিছু করেছি, মাননীয়...

তাতে জনগন কিছু বলেছে?

না, তা বলেনি মাননীয়, ভাবতে ভাবতে বললেন মন্ত্রী

তাহলে এবারও বলবে না..., অদ্ভুত হাসি দেখা গেল চেয়ারম্যানের চোখেমুখে..

কিন্তু ট্রানজিট দেয়ার মত অবকাঠামো আমাদের নাই মাননীয়, আমতা আমতা করে বললেন মন্ত্রী

এতক্ষনে আসল বিষয়ে এসেছেন, চকচকে চোখে জবাব দিলেন চেয়ারম্যান
পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ঋণ এনে আমরা সেটা তৈরি করতে পারি, অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে বললেন অর্থমন্ত্রী

কারেক্ট! উৎফুল্ল হয়ে ওঠলেন চেয়ারম্যান। 'এজনই আপনাকে অর্থমন্ত্রী বানানো হয়েছে', প্রসংশার দৃষ্টিতে অর্থমন্ত্রীর দিকে তাকালেন চেয়ারম্যান।

'চড়া সুদ ও কড়া শর্তে ঋণ নিতে পারি আমরা', অর্থমন্ত্রীর চোখও এবার চকচক করছে..

তাতে আমাদের লাভ?, জানতে চাইলো এক প্রতিমন্ত্রী..

লাভ? সে তো বহুবিধ... বন্ধুরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন, দলের বিদেশি ফান্ডে অজানা সোর্স থেকে অর্থাগমণ...

কিন্তু পরের সরকার এসে যদি বাতিল করে দেয় চুক্তি?, জানতে চাইলেন এক মন্ত্রী

সে উপায় থাকবে না, প্রকল্প বাতিল করলে চড়া হারে জরিমানা গুনতে হবে বাংলাদেশকে। সেই রিস্ক কোন দল নিবে না, কপাল কুঁচকে ভাবতে ভাবতে বললেন অর্থমন্ত্রী

'বিরোধী দলকেও শায়েস্তা করা যাবে', যোগ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এতক্ষনে বিষয়টা পুরোপুরি বুঝে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন

সেটা কিভাবে?, জানতে চাইলেন আরেক প্রতিমন্ত্রী

'ধরুন, আমাদের পরের টার্মে বিরোধীদল ক্ষমতায় গেলো। কিন্তু তারা ক্ষমতায় গিয়েই ঋণের দায়ে জর্জরিত এক দেশ ছাড়া আর কিছুই পাবে না। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে করতেই তাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে, দেশের অবস্থা আরো খারাপ হবে আর আমরা আন্দোলন করার ইস্যু পাবো', স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে শয়তানী হাসির আভা

কিন্তু দেশের তো বারোটা বেজে যাবে, পেছন থেকে কে বললো কথাটা ঠিক বোঝা গেল না

দেশ!! দেশ নিয়ে কে ভাবছে?, বিরক্ত হয়ে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্য সকল মন্ত্রীদের চোখেও বিরক্তির ছায়া.. পেছন ফিরে দেশ নিয়ে কে এত মাথা ব্যথা করছে দেখার চেষ্টা করছেন তারা...

চেয়ারম্যান মন্ত্রীদের কথা শুনছেন আর মিটিমিটি হাসছেন। এতগুলো গুণী মন্ত্রী পেয়ে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।


বাংলাদেশ ত্রিভুজ পার্টির জয় হোক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29217435 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29217435 2010-08-08 01:45:59
'স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করেছে', এই প্রশ্ন করার অধিকার নাস্তিকদের নাই.. নাস্তিক্যবাদী ঈমানের মূল ভিত্তি হচ্ছে এই বিশ্বজগতের কোন সৃষ্টিকর্তা নাই, এগুলি নিজে নিজেই সৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। এতবড় বিশ্বজগৎ যদি কোন সৃষ্টিকর্তা ছাড়াই সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে তাহলে "স্রষ্ট্রার এমনি এমনি সৃষ্টি হয়ে যাওয়া"-তে তাদের এত সমস্যা কোথায়? তাদের নিজেদের বেলায় এতকিছু সৃষ্টি হওয়ার জন্য কোন স্রষ্ট্রা লাগে না কিন্তু আস্তিকদের স্রষ্ট্রার অবশ্যই একজন স্রষ্ট্রা থাকতে হবে! স্ববিরোধীতার এরচাইতে ভাল উদাহরণ আর কী হতে পারে?


আস্তিকের দাবী অনুসারে এই বিশ্বজগৎ সৃষ্টির পেছনে অবশ্যই একজন স্রষ্ট্রা রয়েছেন এবং সেই স্রষ্ট্রার অস্তিত্ব যতটা না যুক্তির উপরে দাঁড়িয়ে তারচাইতে বেশি বিশ্বাসের উপরে। আর এই বিশ্বাসের নামই হচ্ছে ঈমান যেটাকে নাস্তিকরা অন্ধ বিশ্বাস বলে দাবী করে। তাদের এই দাবী দাঁড়িয়ে আছে যে যুক্তির উপরে সেই যুক্তিও কিন্তু বিশ্বজগৎ সৃষ্টির রহস্যের কোন জবাব দিতে সক্ষম নয়। যুক্তির কবর খুঁড়তে খুঁড়তে তারাও একসময় অসহায় হয়ে পড়েন, তাদের চিন্তার জগতের গোড়াও বিশ্বাসের উপরেই দাঁড়িয়ে কিন্তু তারা দাবী করেন অযৌক্তিক কিছু তারা করতে পারেন না। অথচ বিশ্বজগৎ সৃষ্টির রহস্যের জবাবে কোনরকম যুক্তির ধার না ধেরেই তারা বিশ্বাস করে বসে আছেন সবকিছু এমনি এমনি হয়ে গিয়েছে। যুক্তিবাজদের এহেন অযৌক্তিক আচরণ সত্যিই বিস্ময়কর!

স্ববিরোধী ও অযৌক্তিক বিশ্বাসের উপরে দাঁড়িয়ে থাকা নাস্তিকদের সৃষ্টিকর্তার স্রষ্ট্রা খুঁজতে যাওয়া একধরনের স্ববিরোধীতাই বটে।


বিঃদ্রঃ সিস্টেমের ভেতরে বসে সিস্টেমের ক্রিয়েটরকে সিস্টেমের প‌্যারামিটার দিয়ে যাচাই করতে যাওয়া এক ধরনের অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক কাজ। এই অযৌক্তিক ও অবৈজ্ঞানিক কাজ যারা করেন তাদের (নাস্তিকদের) সাথে যুক্তি দেয়া অর্থহীন বিবেচনা করে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ও সৃষ্টিকর্তার স্রষ্ট্রা বিষয়ক যুক্তি দিয়ে সময় নষ্ট করার পক্ষপাতী নই। তবুও কেউ ঐ বিষয়ে আলোচনায় যেতে চাইলে একটা লেখা পড়তে পারেন-
“সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” – এই প্রশ্নের সরল উত্তর
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29211390 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29211390 2010-07-30 22:52:17
বাঙালি বনাম বাংলাদেশি, জাতির পিতার কফিনের শেষ পেরেক
এই দেশে জাতীয়তার পাশাপাশি জাতির জনক নিয়েও একটা বিশাল রকমের বিতর্ক রয়েছে। যদিও সরকার আইন করে জাতির জনক সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনেকটা নিষিদ্ধের মত করে দিয়েছে তথাপিও এই বিতর্ক অনাদীকাল পর্যন্ত চলতে থাকবে। আর সেই ধারাবাহিকতাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যত নাগরিকরা যারা বাংলাদেশি বলে কোন জাতির অস্তিত্ব খুঁজে পাবে না তারা কেঁচো খুড়তে সাপ বের করে ফেলতে পারে।

বিষয়টা কেমন হতে পারে তার একটা সরল চিত্র তৈরি করি-

২০৮০ সাল, রিশান আজকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সম্পর্কে একটা আর্টিকেল পড়ে বেশ এক্সাইটেড। নিজে বাঙালি হলেও বাঙালির ইতিহাস রিশান ঠিক ঠিক মত জানে না। হাই স্পিড কমিউনিকেশন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে নিমিষেই সে বাঙালি জাতির ইতিহাস সমর্পর্কিত গোটা দশেক বই ও তথ্যপাতা ডাউনলোড করে ফেললো।

৩ মাস পর
রিশান খুবই কনফিউজড। বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর বাবা এমনকি দাদাও বাঙালি ছিলো, এই তথ্যটা তাকে বিভ্রান্ত করে দিয়েছে। যে ব্যক্তি জন্মের আগেই বাঙালি নামক একটা জাতির অস্তিত্ব ছিলো সেই জাতির জনক তিনি কিভাবে হলেন সেটাই তার মাথায় ঢুকছে না। রিশান আরো অবাক হলো ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে নতুন কোন জাতির অস্তিত্ব তৈরি হতে না দেখে। ১৯৭১ নিয়ে রিশান এবার সার্চ করবে ঠিক করেছে...

--
বেচারা রিশান... বাংলাদেশি জাতিয়তাবাদ বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব পেলে হয়তো সে হয়তো নিজেকে কিছুটা হলেও প্রবোধ দিতে পারতো। বাংলাদেশি নামক কোন জাতির অস্তত্ব সম্পর্কে ততদিনে সকল ডাটাবেস ও বই-পুস্তক থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29210966 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29210966 2010-07-30 12:36:10
বাংলাদেশ শব্দটায় এত এলার্জি থাকলে দেশটার নামও পরিবর্তন করে দিক....
"আপিল বিভাগ ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে এনেছে। পুনঃস্থাপিত হয়েছে বাঙালি জাতীয়তাবাদও। তবে পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথিপত্র সংশোধনের ঝক্কি-ঝামেলা ও মানুষের দুর্ভোগের কারণ দেখিয়ে নাগরিকত্বের পরিচয় 'বাংলাদেশি' রাখা হয়েছে।"
source: prothom-alo (29-July-2010)

উল্লেখ্য ঝক্কি-ঝামেলা না থাকলে পুরোপুরি ভাবে আমাদের 'বাংলাদেশি' পরিচয়টা মুছে ফেলা হতো।

বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের বাংলাদেশি ভাবলে সমস্যাটা কোথায়? পশ্চিম বঙ্গের মানুষও তো বাঙালি... কিন্তু তারা তো নিজেদের ঠিকই ভারতীয় ভাবতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। বাংলাদেশের মানুষ হোক বাঙালী, কিন্তু নিজেদের বাংলাদেশি জাতীয়তায় এমন কী ক্ষতি?

আজকে দেশের বাইরে যদি একজন বাংলাদেশের মানুষকে যখন বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে হবে তখন কতৃপক্ষ তাকে ভারতীয় বাঙালি ভাববে না বাংলাদেশি বাঙালি ভাববে? উল্লেখ্য, বাংলাদেশি বলে কোন কিছুর অস্তত্বই রাখার পক্ষে নয় সরকার... তাহলে বাংলাদেশের কী হবে? বাংলাদেশ শব্দটায় এত এলার্জি থাকলে দেশটার নামও পরিবর্তন করে দিক....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29210672 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29210672 2010-07-30 00:00:02
বাংলাদেশ ত্রিভুজ পার্টির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
হ্যাঁ ভাইসব.. ঠিক করলাম ক্ষমতায় যেতে হবে, জনগণের ভ্যাটের টাকায় মৌজ করতে ইচ্ছে করে ভাইসব... তাই আগামী নির্বাচনে আপনাদের সাথে চাই। নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির কাজ দিয়ে শুরু করলাম আমার নির্বাচনী প্রচারণা-

আমি ক্ষমতায় এলে-
* অবশ্যই দেশের মানুষের উপরে আরো বেশি বেশি হারে ভ্যাট ও ট্যাক্স আরোপ করবো..
* জিনিস পত্রের দাম নিয়ে আপনাদের একদমই ভাবতে হবে না ভাইসব। কারণ ঐগুলি আপনাদের নাগালের বাইরেই থাকবে... ১০০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর পরিষ্কার প্রতিশ্রুতি রইলো ভাইসব। ভাববেন না যে পরে এটা অস্বীকার করবো... আমি মোটেও সেরকম না ভাইসব...
* ভ্যাট এবং ট্যাক্সের টাকায় নিজের বাপ-দাদা এবং ফর্টিন জেনারেশনের নামে এটা সেটা বানাবো (বানাতে খরচ বেশি মনে হলে আগের বানানো জিনিসে নিজের ফর্টিন জেনারেশনের নাম বসিয়ে দেব)...
* বিরোধী দলকে অবশ্যই শায়েস্তা করবো। বিরোধী পত্র-পত্রিকা পেলেই সেগুলো বন্ধ করে সম্পাদকদের ধরে সব জেলে পুরে রাখবো..
* বিরোধী দলের লোকদের দমন করার জন্য যত টাকা লাগে খরচ করবো... দরকার হলে দেশে আরো জেলখানা ও টর্চার চেম্বার বসাবো...
* ছাত্র সংগঠন বানাবো একটা। তাদের দায়িত্ব থাকবে দেশের শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্ট করা এবং যাবতীয় টেন্ডারবাজী এবং অপকর্মের দায়িত্ব তাদের উপরে থাকবে। কি করবো বলুন, শুধু ট্যাক্স আর ভ্যাটের টাকায় তো খুব বেশি কিছু করা সম্ভব না...
* টেন্ডারবাজী নিয়ে আমার নিজেদের দলের লোকেরা মারামারি শুরু করলে অবশ্যই তাদেরকে নিজেরা নিজেরা মারামারি না করে বিরোধী দলের উপরে ঝাপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেব ভাইসব।
* যেহেতু নতুন ছাত্র সংগঠন করবো সেহেতু সেখানে অভিজ্ঞ লোকজনের অভাব হলে বিনা অভিজ্ঞতা ও জমানতে সরকারি বড় বড় কাজগুলো আমার দলের লোকজনের পাওয়ার ব্যবস্থা করবো... (আমার দলে যারা যোগ দিতে আগ্রহীরা নিশ্চই এবার খুব উৎসাহ বোধ করছেন! অতিসত্বর যোগাযোগ করুন)..
* বিনা টেন্ডারেও আমার দলের লোকজনের কাজ পাওয়ার বিশেষ সুবিধা থাকবে ভাইসব...
* সরকারি সকল চাকুরি ও সুবিধাতে শুধু আমার দলের লোকজনকেই নেওয়া হবে ভাইসব...
* ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকা বিনা ঝামেলায় হজম করার পথ পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পর আরো বড় অঙ্কের উৎকোচ পেতে বিদেশীদের সাথে চুক্তি করা শুরু করবো ... দরকার হলে সের দরে দেশ বিক্রি করে দেব ভাইসব...
* দেশের টেলিফোন কোম্পানী থেকে শুরু করে সকল দেশী উদ্যোক্তাদের সাইজ করা হবে ভাইসব। সবকয়টা বন্ধ করে বিদেশী বিনিয়োগ নিশ্চিত করবো ভাইসব...
* দেশী ফ্যাক্টরির বিদ্যুত-পানি-গ্যাস সুবিধা কমিয়ে দেওয়া হবে ভাইসব.. কারণ ওগুলো পার্শ্ববর্তী দেশে রপ্তানী করে আরো অর্থ আয়ের পথ করতে হবে ভাইসব.. আপনারা জানেন আমার টাকা পয়সার অভাব কখনোই মিটবে না ভাইসব...
* দেশে বিদ্যুত সমস্যা একদমই থাকবে না ভাইসব.. কারণ দেশে বিদ্যুৎ-ই থাকবে না ভাইসব।
* তারপরও যদি আপনাদের মনে হয় দেশে গ্যাস-বিদ্যুত দরকার, তা হলে পাশ্ববর্তী দেশ থেকে উৎকোচ ও বিশেষ ব্যক্তিগত ও দলীয় সুবিধা আদায়পূর্বক গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি এমনকি বাতাসও আমদানি করার চুক্তি করে ফেলবো ভাইসব, আপনারা একদমই টেনশন নিবেন না...

আরো কত কিছু যে করবো ভাইসব... আপনারা শুধু আমাকে নির্বাচিত করে পরবর্তী পাঁচ বছর দেশ নিয়ে চিন্তা করাকে আজাইরা কাজ মনে করবেন প্লিজ!

দেখুন আমি অন্য সব রাজনৈতিক দলের মত মিথ্যা অঙ্গীকার করি না। আমি যা বলেছি তা অক্ষরে অক্ষরেই পালন করে ছাড়বো ভাইসব..... আগামী নির্বাচনে আপনারা আমাকে অবশ্যই ভোট দিবেন প্লিজ!

চেয়্যারম্যান
বাংলাদেশ ত্রিভুজ পার্টি ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29208439 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29208439 2010-07-27 07:06:01
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে সৌদী নয় ভারতের সাথে সম্পর্ক বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে... Click This Link

তবে যুদ্ধাপরাধের বিচার সঠিক ভাবে শুরু করলে ভারতের সাথে যে আমাদের সম্পর্ক অবনতি শুরু হবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কেন তা হবে তা বুঝতে হলে আপনাকে জানতে হবে তিনটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পর্কে যা অনেকেই জানেন না। এই তিনটি চুক্তি হচ্ছে-

১। সিমলা চুক্তি। ১৯৭২ সালের ৩ জুলাই, সিমলাতে স্বাক্ষরীত হয়, ইন্দিরা গান্ধি ও ভুট্টর মধ্যে।
২। দিল্লী চুক্তি। ১৯৭৩ সালের ২৮ আগষ্ট, দিল্লীতে স্বাক্ষরীত হয়। পি. এন. হাক্সার, ইনডিয়ান প্রধান মন্ত্রির বিশেষ প্রতিনিধি ও আজিজ আহাম্মদ, প্রতিমন্ত্রি, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়, পাকিস্তান সরকার স্বাক্ষর করেন।
৩। ত্রিপক্ষিয় চুক্তি। ১৯৭৪ সালের ৯ এপ্রিল, দিল্লীতে স্বাক্ষরীত হয়। কামাল হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রি, বাংলাদেশ, স্বরণ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রি, ইনডিয়া এবং আজিজ আহাম্মদ, প্রতিমন্ত্রি, পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়, পাকিস্তান স্বাক্ষর করেন।

SIMLA AGREEMENT

Simla Agreement on Bilateral Relations between India and Pakistan signed by Prime Minister Indira Gandhi, and President of Pakistan, Z. A. Bhutto, in Simla on July 3, 1972.

The Government of India and the Government of Pakistan are resolved that the two countries put an end to the conflict and confrontation that have hitherto marred their relations and work for the promotion of a friendly and harmonious relationship and the establishment of durable peace in the subcontinent so that both countries may henceforth devote their resources and energies to the pressing task of advancing the welfare of their people.

In order to achieve this objective, the Government of India and the Government of Pakistan have agreed as follows:

(i) That the principles and purposes of the Charter of the United Nations shall govern the relations between the two countries.

(ii) That the two countries are resolved to settle their differences by peaceful means through bilateral negotiations or by any other peaceful means mutually agreed upon between them. Pending the final settlement of any of the problems between the two countries, neither side shall unilaterally alter the situation and both shall prevent the organisation, assistance or encouragement of any acts detrimental to the maintenance of peace and harmonious relations.

(iii) That the prerequisite for reconciliation, good neighbourliness and durable peace between them is a commitment by both the countries to peaceful coexistence respect for each other's territorial integrity and sovereignty and noninterference in each other's internal affairs, on the basis of equality and mutual benefit.

(iv) That the basic issues and causes of conflict which have bedeviled the relations between the two countries for the last 25 years shall be resolved by peaceful means.

(v) That they shall always respect each other's national unity, territorial integrity, political independence and sovereign equality.

(vi) That in accordance with the Charter of the United Nations, they will refrain from the threat or use of force against the territorial integrity or political independence of each other.

Both governments will take all steps within their power to prevent hostile propaganda directed against each other. Both countries will encourage the dissemination of such information as would promote the development of friendly relations between them.

In order progressively to restore and normalise relations between the two countries step by step, it was agreed that:

(i) Steps shall be taken to resume communications, postal, telegraphic, sea, land, including border posts, and air links, including over flights.

(ii) Appropriate steps shall be taken to promote travel facilities for the nationals of the other country.

(iii) Trade and cooperation in economic and other agreed fields will be resumed as far as possible.

(iv) Exchange in the fields of science and culture will be promoted.

In this connection delegations from the two countries will meet from time to time to work out the necessary details.

In order to initiate the process of the establishment of durable peace, both the governments agree that:

(i) Indian and Pakistani forces shall be withdrawn to their side of the international border.

(ii) In Jammu and Kashmir, the line of control resulting from the ceasefire of December 17, 1971, shall be respected by both sides without prejudice to the recognised position of either side. Neither side shall seek to alter it unilaterally, irrespective of mutual differences and legal interpretations. Both sides further undertake to refrain from the threat or the use of force in violation of this line.

(iii) The withdrawals shall commence upon entry into force of this agreement and shall be completed within a period of 30 days thereof.

This agreement will be subject to ratification by both countries in accordance with their respective constitutional procedures, and will come into force with effect from the date on which the instruments of ratification are exchanged.

Both governments agree that their respective heads will meet again at a mutually convenient time in the future and that in the meanwhile the representatives of the two sides will meet to discuss further the modalities and arrangements for the establishment of durable peace and normalisation of relations, including the questions of repatriation of prisoners of war and civilian internees, a final settlement of Jammu and Kashmir and the resumption of diplomatic relations.
লিঙ্কঃ Click This Link


দিল্লী চুক্তিঃ
১৯৭৩ সালের ২৮ আগষ্টে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৭১ সালের বিরোধের মানবিক সমাধানের জন্য, দিল্লীতে আরো একটি চুক্তি স্বাক্ষরীত হয়, যা দিল্লী চুক্তি নামে পরিচিত। পি. এন. হাক্সার, ইনডিয়ান প্রধান মন্ত্রির বিশেষ প্রতিনিধি ও আজিজ আহাম্মদ, প্রতিমন্ত্রি, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়, পাকিস্তান সরকার নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

AGREEMENT BETWEEN THE GOVERNMENT OF INDIA AND THE GOVERNMENT OF THE ISLAMIC REPUBLIC OF PAKISTAN
REGARDING REPATRIATION OF PERSONS

New Delhi, 28 August 1973

Desirous of solving the humanitarian problems resulting from the conflict of 1971 and thus enabling the vast majority of human beings referred to in the Joint Indo-Bangladesh Declaration to go to their respective countries, India and Pakistan have reached the following agreement :

(i) The immediate implementation of the solution of these humanitarian problems is without prejudice to the respective positions of the Parties concerned relating to the case of 195 prisoners of war referred to in clauses (vi) and (vii) of this paragraph;

(ii) Subject to clause (i) repatriation of all Pakistani prisoners of war and civilian internees will commence from the utmost despatch as soon as logistic arrangements are completed and from a date to be settled by mutual agreement;

(iii) Simultaneously, the repatriation of all Bangalees in Pakistan, and all Pakistanis in Bangladesh referred to in clause (v) below, to their respective countries will commence;

(iv) In the matter of reparticiation of all categories of persons the principle of simultaneity will be observed throughout as far as possible;

(v) Without prejudice to the respective positions of Bangladesh and Pakistan on the question of non-Bangalees, who are stated to have “opted for repatriation to Pakistan”, the Government of Pakistan guided by considerations of humanity, agrees, initially, to receive a substantial number of such non-Bangalees from Bangladesh. It is further agreed that the Prime Ministers of Bangladesh and Pakistan or their designated representatives will thereafter meet to decide what additional number of persons, who may wish to migrate to Pakistan, may be permitted to do so. Bangladesh has made it clear that it will participate in such a meeting only on the basis of sovereign equality;

(vi) Bangladesh agrees that no trials of the 195 prisoners of war shall take place during the entire period of repatriation and that pending the settlement envisaged in clause (vii) below these prisoners of war shall remain in India;

(vii) On completion of repartriation of Pakistan prisoners of war and civilian internees in India; Bangalees in Pakistan and Pakistanis in Bangladesh referred to in clause (v) above, or earlier, if they so agree, Bangladesh, India and Pakistan will discuss and settle the question of 195 prisoners of war. bangladesh has made it clear that it can participate in such a meeting only on the basis of sovereign equality.

The Special representatives are confident that the completion of repatriation provided for in this Agreement would make a signal contribution to the promotion of reconciliation in the sub-continent and create an atmosphere favorable to a constructive outcome of the meeting of the three countries;

(viii) The time schedule for the completion of repatriation of the Pakistani prisoners of war and civilian internees from India, the Bangalees from Pakistan and the Pakistanis referred to in clause (v) above from Bangladesh, will be worked out by India in consultation with Bangladesh and Pakistan, as the case may be. The Government of India will make the logistic arrangements for the Pakistani prisoners of war and civilian internees who are to be repatriated to Pakistan. The Government of Pakistan will make logistic arrangements within its territory upto agreed points of exit for the repatriation of Bangladesh nationals to Bangladesh. The Government of Bangladesh will make necessary arrangements for the transport of these persons from such agreed points of exit to Bangladesh. The Government of Bangladesh will make logistic arrangements within its territory upto agreed points of exit for the movement of the Pakistanis referred to in clause (v) above who will go to Pakistan. The Government of Pakistan will make necessary arrangements for the transport of these persons from such agreed points of exit to Pakistan. In making logistic arrangements the Governments concerned may seek the assistance of international humanitarian organisations and others;

(ix) For the purpose of facilitating the repatriation provided for in this Agreement, the representatives of the Swiss Federal Government and any international humanitarian organisation entrusted with this task shall have unrestricted access at all times to Bangalees in Pakistan and to Pakistanis in Bangladesh referred to in clause (v) above. The Government of Bangladesh and the Government of Pakistan will provide all assistance and facilities to such representatives in this regard including facilities for adequate publicity for the benefit of the persons entitled to repatriation under this Agreement;

(x) All persons to be repatriated in accordance with this Agreement will be treated with humanity and consideration.

The Government of India and the Government of Pakistan have concurred in this Agreement. The Special Representative of the Prime Minister of India, having consulted the Government of Bangladesh has also conveyed the concurrence of Bangladesh Government in this Agreement.

DONE in New Delhi on August 28, 1973 in three originals, all of which are equally authentic.

Sd/- Sd/-
P.N.HAKSAR AZIZ AHMED
Special Representative Minister of State for Defence
of the Prime Minister of India and Foreign Affairs,
Government of Pakistan

..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29201360 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29201360 2010-07-16 22:39:44
মুসা ইব্রাহীম-এর এভারেস্ট জয়, বিতর্ক, বাস্তবতা ও বিবিধ...
এর ভেতরে অফিসের নানা ব্যস্ততায় আর মুসা ইব্রাহীমের বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হয়নি.. মাঝে মাঝে ব্লগারদের শেয়ার করা ফেসবুক লিঙ্ক থেকে কোন ব্লগের কোন পোস্টে এসে পড়ে চলে যাই। এর ভেতরে খাগড়াছড়িতে একটা ছোটখঅট ট্রেকিং করতে ভ্রমণ বাংলাদেশের সাথে রওনা হয়ে যাই। ভ্রমণ বাংলাদেশ হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাচীনতম একটা এডভেঞ্চার/মাউন্টেইনিং/ট্রেকিং/ভ্রমণ ক্লাব যাদের সাথে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অভিযানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। মীর শামসুল আলম বাবু ভাইয়ের সাথেও ওখানেই আমার প্রথম পরিচয়। বিভিন্ন অভিযানে রাতের বেলা ক্যাম্প-ফায়ারে বসে আমাদের যেসব গল্প হতো সেগুলোর বেশির ভাগই জুড়ে থাকতো এইসব মাউন্টেইনিং ও নানা দুঃসাহসী কাহিনী ও অভিযাত্রীদের কথা। সুতরাং খাগড়াছড়ি ট্রেকিং এ রওনা হওয়ার সময় বাবু ভাইকে ফোন দিলাম, মুসা ইব্রাহীম সত্যিই এভারেস্ট জয় করেছেন কিনা জানতে চেয়ে। বাবু ভাই এর উত্তর ছিলো, "কি মনে হয়?" তারপর জানালেন তিনি একটু ব্যস্ত আছেন এটা নিয়ে আমাদের পরে কথা হবে।

গত কয়েকদিন ধরে মুসা ইব্রাহীম এর এভারেস্ট জয় করা নিয়ে ব্লগ,ফেসবুক ও বিভিন্ন অনলাইন কমিউনিটিতে যে আলোচনা শুরু হয়েছে তার সূত্র ধরে কিছুক্ষন আগে বাবু ভাইকে আবার কল দিলাম। ঘন্টা খানেকের বেশি সময় ধরে বাবু ভাই নানা কথা বললেন। সেগুলো তুলে ধরার আগে মীর শামসুল আলম বাবু সম্পর্কে ব্লগারদের কিছু তথ্য জানা জরুরী।

বাংলাদেশে ট্রেকিং বা মাউন্টেইনিং বিষয়টা খুব বেশি জনপ্রিয় না হলেও জেনে অনেকে অবাক হবেন যে এই দেশেও প্রচুর ছেলে মেয়ে মাউন্টেইনিং এর উপরে প্রশিক্ষন কোর্স করে ফেলেছেন। এইচএমআই (HMI = Welcome to Himalayan Mountaineering Institute) ও এনআইএম (NIM = Nehru Institute of Mountaineering) থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯ জন বাংলাদেশি প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হয়েছেন যারা নিজেদের সার্টিফাইড মাউন্টেইনার বলতে পারবেন। এদের ভেতর শুধুমাত্র একজন আছেন যিনি HMI থেকে মাউন্টেইনিং প্রশিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত। সাদা বাংলায় এদেশে মাউন্টেইনিং প্রশিক্ষন দেয়ার মত অফিসিয়াল স্বীকৃতি আছে শুধুমাত্র এক ব্যক্তির। এই ব্যক্তিই হচ্ছেন মীর শামসুল আলম বাবু। বাংলাদেশে মাউন্টেইনিং নিয়ে লেখা একমাত্র বইটাও মীর শামসুল আলম বাবুর লেখা। বাবু ভাইয়ের আরো অনেক গুন ও পরিচয় আছে যেগুলো দিয়ে লেখা বড় না করে মূল আলোচনায় ফিরে যাওয়া যাক।

ব্লগের সাম্প্রতিক কিছু পোস্টের প্রেক্ষিতে বাবু ভাইয়ের সাথে ঘন্টা ব্যপি আলোচনা থেকে যে তথ্যগুলো ওঠে এসেছে সেগুলো অনেকেই জানেন না বা জানার সুযোগ নাই বিধায় মুসা ইব্রাহীম এর এভারেস্ট জয় করা নিয়ে বিতর্কটা আরো জমজমাট হয়ে যাচ্ছে। আবার এই কথাও সত্য যে আমরা যারা মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় করা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও যুক্তি তুলে ধরছি তারা কেউই কিন্তু মাউন্টেইনিং সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু জানি না। একই সাথে বাতাসে অনেক কথা ছড়ানো হয়েছে যেগুলোর কোন সত্যতা নেই, যেমন- পেপসির (ট্রান্সকম) অর্থায়নে পাঠানো মাউন্টেইনার মুহিত এর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে মুহিত নাকি ঐ এলাকায় কাউকে জিজ্ঞেস করে মুসা ইব্রাহিম নামের কোন ব্যক্তির সন্ধান পাননি যিনি এভারেস্ট জয় করতে গিয়েছেন (এই কাজটি ইমেল মারফত প্রথম প্রচার করেন সজল খালেদ যার জন্য পরে তিনি ক্ষমা প্রার্থনাও করেছেন। সজল খালেদের মেইলের অংশ বিশেষ মন্তব্য-২৩ এ পাওয়া যাবে।) বাবু ভাই জানালেন মুহিত দেশে ফিরে জানিয়েছে যে এরকম কিছু তিনি বলেন নাই। একই ভাবে অতীতের বিভিন্ন ঘটনার বিষয়েও ব্লগ ও ওয়েবে অনেক রঙ চড়ানো হয়েছে বলে বাবু ভাই জানালেন। অতীতের ঘটনা ছাড়াও এভারেস্ট জয় করার পর প্রথম আলোর অতিরিক্ত বাড়াবাড়িমূলক লেখাগুলো বিশেষ করে আনিসুল হকের বিভিন্ন লেখাও নানা রকম বিভ্রান্তিকর তথ্য এসেছে যেগুলো এই সন্দেহের দাবানলে জ্বালানী হিসেবে কাজ করছে। যেমন, এভারেস্টে চড়তে গিয়ে মুসা ইব্রাহীম লেডারের উপরে ঘুমিয়ে গিয়েছিলেন যা আসলে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাবু ভাই। এছাড়াও আরো বেশ কিছু সঙ্গতিহীন তথ্য তিনি প্রকাশ করেছেন যার একটি হচ্ছে ২০০৯ এ এভারেস্টে বুদ্ধমূর্তি স্থাপণ করা হয়। মাউন্টেইনিং সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকা, মুসা ইব্রাহীম ফেরার আগেই পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে স্টোরি তৈরি করতে গিয়ে এবং কাহিনীতে একটু নাটকীয়তা আনতে গিয়ে হয়তো আনিসুল হক নিজের অজান্তেই এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ফেলেছেন যা মুসা ইব্রাহীমের কট্টর বিরোধী গোষ্ঠী চতুর ভাবে ব্যবহার করছে এবং করবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুসা ইব্রাহীমকে নিয়ে প্রথম আলোর অতিরিক্ত বাড়াবাড়িও তাঁর জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

মুসা ইব্রাহীম যখন এভারেস্ট জয় করতে যাচ্ছিলেন তখন ট্রান্সকমের (উল্লেখ্য, ট্রান্সকম, প্রথম আলো এবং ডেইলী স্টার এর মালিক এক ব্যক্তি) পক্ষ হতে পেপসির স্পন্সরে আরেকজনকে (মুহিত) এভারেস্ট জয় করার জন্য আলাদা ভাবে পাঠানোর আয়োজন করা হচ্ছিলো। বিএমটিসি'র এনাম আল হক'কে তখন আনিসুল হক (তিনি নর্থ আলপাইন ক্লাবের সভাপতি) অনুরোধ করেছিলেন যাতে মুসাকে মুহিত এর সাথে একসাথে পাঠানো হয়। সেসময় এভারেস্ট জয় করার মত টাকা মুসা ইব্রাহীমের ছিলো না অপর দিকে মুহিত এর জন্য ট্রান্সকম পেপসি থেকে স্পন্সর জোগাড় করে দেয়। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হচ্ছে মুসা ইব্রাহীমকে মুহিত এর সাথে পাঠাতে এনাম আল হক রাজী হননি বা এখানে আরো কিছু ফ্যাক্ট কাজ করতে পারে বলে বাবু ভাইয়ের ধারনা। যেমন, এনাম আল হক এর সাথে মুসা ইব্রাহীমের অতীত তিক্ততা বা ট্রান্সকম গ্রুপের অনাগ্রহ বা পেপসি এর অনুমোদন। এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে পেপসি ট্রান্সকম কতৃক মার্কেটিং হলেও এর মূল নিয়ন্ত্রকরা থাকেন ভারতে (দিল্লী)। এখন দিল্লী থেকেও বিষয়টি এপ্রুভ করার বিষয় জড়িত। তবে এটাও সত্য যে মুহিত এবং মুসা ইব্রাহীম পরস্পরের প্রতিযোগী হিসেবে এভারেস্ট জয়ে নেমেছিলেন এবং ট্রান্সকম গ্রুপ খুব করে চেয়েছিলো যাতে মুহিত জয়ী হতে পারে মতান্তরে প্রথম আলোর সবাই চেয়েছিলো মুসা আগে এভারেস্ট জয় করুক। (মন্তব্য- ২৩ দ্রস্টব্য)

এখানে আরো কিছু রাজনীতি আছে। যারা হালকা পাতলা ভাবেও এসব ক্লাবগুলোর সাথে জড়িত তারা সেসব রাজনীতির খবর রাখেন। আপাতত সে বিষয়ে বিস্তারিত না জানলেও এটা বোঝা যায় যে যে মুসা ইব্রাহীম বাঙালির চিরায়ত লবিং-গ্রুপি রাজনীতির শিকার। একই সাথে মুসা ইব্রাহীমেরও কিছু ভুল আছে... যেমন তিনি ফেসবুকে অচেনা অজানা বা অখ্যাত কোন ব্লগারের পাঠানো প্রশ্নের জবাবে উত্তেজিত হয়ে বা ভুল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলেছেন (ফেসবুকের স্ক্রিন শর্টগুলোর বিষয়ে)। এ বিষয়ে বাবু ভাইয়ের মতামত হচ্ছে, চারিদিকে এত গ্রুপিং ও অতিরঞ্জিত তথ্যের আদান প্রদানে মুসা বিরক্ত হয়ে থাকতে পারে। এই বিষয়ে আমার ধারণা হচ্ছে মুসা ইব্রাহীমের ফেসবুক একাউন্ট থেকে তার প্রিয়জন বা এরকম কেউ লগইন করে হয়তো রাগ সামলাতে না পেরে ওধরনের উত্তর দিয়েছেন। অথবা মুসা ইব্রাহীম নিজেও ওটা করে থাকতে পারেন, যদিও এধরনের কথা বলা তাঁর জন্য শোভন ছিলো না।

এভরেস্টের চূড়ায় বৌদ্ধমূর্তির সাথে মুসা ইব্রাহীমের ছবির বিষয়ে বাবু ভাইয়ের অভিমত হচ্ছে, "হয়তোবা মুসার ক্যামেরা কাজ করছিলো না.. বা ব্যাটারী শেষ হয়ে গিয়েছিলো.. বা যাকে ছবি তুলতে দিয়েছিলেন সে ঠিকঠাক মত ছবি তুলতে সক্ষম হননি"। এভারেস্টের মত খুব উঁচুতে আরোহন করার পর অনেকেই স্বাভাবিক চিন্তা ভাবনা ও কাজ করতে সক্ষম হন না। Altitude sickness বলে একটা বিষয় আছে যাকে AMS(acute mountain sickness), altitude illness, hypobaropathy বা soroche বলেও চিহৃত করা হয়। এই বিষয়ে আগ্রহীরা আরো জানতে গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। এসব সমস্যার কারণে মাউন্টেইনাররা স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। অনেক সময় Hallucination এ ভুগতে থাকে। ঐ অবস্থায় বুদ্ধ মূর্তির সামনে বসে খুব পোজ দিয়ে ছবি তোলার গুরুত্ব বা বিষয়টা ঠিকঠাক মত হচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। আর এভারেস্টের মাথায় বুদ্ধ মূর্তির সামনে ছবি-ই এভারেস্ট সামিটের একমাত্র বা খুব গুরুত্বপূর্ন প্রমাণ নয়। এভারেস্ট জয়ী হিলারীও এভারেস্টের মাথায় নিজের কোন ছবি তুলে আনেননি বা আনতে ভুলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাই বলে কেউ তাঁর এভারেস্ট জয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি। আর মুসা ইব্রাহীম কোন ছবি প্রকাশ করেননি এই দাবীও ঠিক না বলে বাবু ভাই জানালেন। তবে অনলাইনে বিভিন্ন লোকের অনুরোধে বা ব্লগার/কমিউনিটি সদস্যদের দাবীর মুখে মুসা ইব্রাহীম কিছু উপস্থাপণ করছেন না কেন জানতে চাইলে বাবু ভাই বললেন, হয়তো কোন একটা সমস্যা থাকতে পারে। সেটা স্পন্সর বিষয়ক হতে পারে বা ভুল কারো পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় মুসা ইব্রাহীম পরিচালিত হয়ে থাকতে পারে।

কেউ সত্যিকার অর্থেই জয় করে থাকলে অন্য আরো মাউন্টেইনারদের কাছে সেই বিবরণ বিশদ ভাবে তুলে ধরলে অভিযানের বিভিন্ন টেকনিক্যাল তথ্য (যেগুলো শুনে মাউন্টেইনাররা বুঝতে পারেন আসলেই সত্য বলছেন না বানানো গল্প) বিশ্লেষণ করে বাদবাকী মাউন্টেইনাররা নিশ্চিত হতে পারেন। তারপর তাদের বক্তব্যগুলো যথাযথ ভাবে প্রচার করার ব্যবস্থা করা হলে মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক হালে পানি পাবে না বলে বাবু ভাই মনে করেন। এই বিষয়ে মুসা ইব্রাহীম ও দেশের নামকরা মাউন্টেইনারদের যৌথ ভূমিকার গ্রহণ করা উচিত।

যাই হোক, আমরা চাই জাতীয় এই অর্জন নিয়ে যেন আর কোন বিতর্ক সৃষ্টি না হয়।

বিঃদ্রঃ মুসা ইব্রাহীম এর এভারেস্ট জয় নিয়ে বাবু ভাইয়ের একটা লেখা গত ৩০ মে, ২০১০ প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছিলো। নানা জনের নানা কথায় কান না দিয়ে মাউন্টেইনারদের বক্তব্যগুলো আমাদের দেখা উচিত। ব্যক্তিগত ব্যস্ততা কমলে আগমী ৩০ জুনের পর সাম্প্রতিক বিতর্ক ও মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় বিষয়ক আরেকটি লেখা বাবু ভাই দেয়ার চেস্টা করবেন বলে জানিয়েছেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29184997 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29184997 2010-06-25 21:17:54
এদেশের প্রেক্ষাপটে হেরে যাওয়াটাই ছিলো অভ্রের নিয়তি...
১) ট্রেডমার্কঃ
আর্টিকেলটা পড়ে মনে হলো, কোথাও "বিজয়" বি বিজয় এর কাছাকাছি শব্দ ব্যবহার করতে হলেও মুস্তফা জব্বারকে নাকি টাকা দিতে হবে। কম্পিউটার জগতের কাছে দেয়া বক্তব্যে মুস্তফা জব্বার একাধিকবার সেটা উল্লেখ করেছেন। যেমন, তিনি বলেছেন- "বিজয় শব্দটির ট্রেডমার্ক রয়েছে।" .. তিনি অতঃপর বলেছেন- "অভ্র ও অমিক্রনল্যাব ওয়েবসাইট বিজয়ের প্যাটেন্ট অধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং এমনকি ট্রেডমার্কও লঙ্ঘন করেছে।" তিনি আরো বলেছেন- "ইউনিবিজয় একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ, যা দিয়ে বিজয়ের কপিরাইট ও প্যাটেন্ট লঙ্ঘন করার পাশাপাশি ট্রেডমার্কও লঙ্ঘন করা হয়েছে।"

তার মানে হচ্ছে "বিজয়" শব্দটা সরাসরি বা সাথে অন্য কোন শব্দ বা কিছু যুক্ত করে ব্যবহার করার কোন উপায় নেই। এটা কিভাবে সম্ভব সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা জানেন আর জানেন আমাদের আইন প্রণেতা ও বাস্তবায়নকারীরা! এই বিষয়ে মেহেদী হাসান খানের বক্তব্য-


"ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন..:

বিজয় শব্দটি রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক। সেটি যাতে লঙ্ঘন করা না হয় এবং ইউনিবিজয় যে স্পষ্টভাবে আলাদা একটা লেআউট সেটা বোঝাতেই এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। আমরা কোনোদিনই অভ্রের সাথে বিজয় নামে কোনো লেআউট ব্যবহার করিনি। উদাহরণ দিয়ে যদি বলি, ‘স্লাইড শো’ শব্দটা মাইক্রোসফটের রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক অন্য একটা প্রতিষ্ঠান যখন DVD SlideShow Builder (Click This Link নামে একটা সফটওয়্যার বানায়, তখন মাইক্রোসফটের লেজে কামড় বসানো হয় না।"


২) লেআউটঃ
লেআউটের বিষয়ে মেহেদী হাসান খান পরিষ্কার কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে কিছু অংশ তুলে ধরলাম-

"শুধু একটি কী’র মধ্যে পার্থক্য হলেই নতুন লেআউটের জন্ম দেয়।
১৮৭৩-এর নভেম্বরে ক্লাফ-ম্যাকেন্ড্রির প্যাটেন্ট করা লেআউট
2 3 4 5 6 7 8 9 - , _
? Q W E R T U I O P Y :
? ? A S D F G H J K L M
? & Z C X V B N ? ; . ‘

১৮৭৪-এর এপ্রিলে শোলজের প্যাটেন্ট করা লেআউট
2 3 4 5 6 7 8 9 - , _
? Q W E R T Y U I O P :
? ? A S D F G H J K L M
? & Z C X V B N ? ; . ও

১৮৭৮-এর জানুয়ারিতে শোলজের আরেকটি কীবোর্ড
2 3 4 5 6 7 8 9 -
? q w e r t y u i o p
? a s d f g h j k l m
? z c x v b n , ; !

১৮৮২-সালে যখন রেমিংটনের কর্ণধার হয়ে দাঁড়ান ওয়াইকফ, সীম্যানস আর বেনেডিক্ট, তখন শোলজের প্যাটেন্টের ঝামেলা এড়ানোর জন্য তারা ব্যবহার করেন নিচের লেআউট
? 2 3 4 5 6 7 8 9 -
? q w e r t y u i o p
? a s d f g h j k l ;
? z x c v b n m , !

ওয়াইকফদের লেআউটে শোলজের লেআউটের সাথে পার্থক্য শুধু m x c ; এর অবস্থানে। এর মূল কারণ লেআউট প্যাটেন্টের ঝামেলা এড়ানো।"

এই বিষয়ে মুস্তফা জব্বার সাহেব বলেছেন-
"যিনি বা যারা বিজয় কীবোর্ড সম্পূর্ণ বা আংশিক অন্তর্ভুক্ত করে কোনো সফটওয়্যার তৈরি করছেন বা যারা বিজয়ের উদ্ভাবনকে নকল করছেন কিংবা যারা বিজয়ের ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করছেন, তারাই পাইরেসির দায়ে অভিযুক্ত। অভ্র বিজয় কীবোর্ডকে অতি নগণ্য হেরফের করে ইউনিবিজয় নামে তাতে অন্তর্ভুক্ত করেছে।"

৩) বাংলাদেশের কপিরাইট আইন ও তার প্রয়োগ-
মুস্তফা জব্বার যে আইন এতদিন ধরে দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন-
"ক. কপিরাইট :
কপিরাইট আইন ২০০০ (২০০৫ সালে সংশোধিত) অনুসারে, ধারা ২(৮)(ঙ)তে কপিরাইট লঙ্ঘনকারী অনুলিপির এই সংজ্ঞায় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো কমপিউটার প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে সেই প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ পুনরায় উৎপাদন করলে বা ব্যবহার করলে সেটি কপিরাইট লঙ্ঘনকারী অনুলিপি হবে।"


এখানে প্রশ্ন হচ্ছে, অভ্র কি মুস্তফা জব্বারের বিজয় এর সম্পূর্ন বা অংশ বিশেষ পুনরায় উৎপাদন করা বস্তু? অবশ্যই তা নয়। এই বিষয়ে অভ্রের মেহেদী হাসান খান এর বক্তব্য- "বিজয় ক্লোজড সোর্স, যার সোর্স থেকে অভ্র ডেভেলপ করা সম্ভব নয়।" ক্লোজড সোর্স (মানে যার সোর্স কোড দেখা সম্ভব নয়) কোন সফটওয়্যারের সম্পূর্ন বা অংশ বিশেষ কিভাবে পুনরায় উৎপাদ সম্ভব? হ্যাঁ, এটা তাদের যুক্তি হতে পারে যে মুস্তফা জব্বার যেহেতু অভ্রের আগে বাংলা লেখার সফটওয়্যার তৈরি করেছেন তাই আর কেউ বাংলা লেখার সফটওয়্যার তৈরি করলে সেটাকে তার সফটওয়্যারের সম্পূর্ন বা অংশবিশেষ পুনরায় উৎপাদন ধরা হবে? এক্ষেত্রে আমরা পৃথিবীর সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির দিকে তাকাতে পারি। মাইক্রেসফট কর্পোরেশনের এম এস ওয়ার্ড সফটওয়্যারটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যেটির প্রায় হুবহু আরেকটি সফটওয়্যার হচ্ছে ওপেন অফিসের ওয়ার্ড প্রসেসর। এখন মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এর মত হুবহু আরেকটা ওয়ার্ড প্রসেসর বানানোর অপরাধে ওপেন অফিসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বলে কখনো শোনা যায়নি। এছাড়াও কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা একই ধরনের এবং একই ফাংশান সমৃদ্ধ একাধিক কোম্পানীর একাধিক সফটওয়্যার ব্যবহার করেছেন। এরা কেউ অপরের বিরুদ্ধে একই টাইপ সফটওয়্যার তৈরির জন্য মামলা করেছে বলে কোন রেকর্ড নাই।


আমাদের কপিরাইট অফিসের কর্তা ব্যক্তিরা তথ্য প্রযুক্তির কোন খবর রাখেন না সেটা পরিষ্কার হয় তাদের বক্তব্য। কম্পিউটার জগতে প্রকাশিত কপিরাইট অফিসের বক্তব্য এবার তুলে ধরলাম-

কপিরাইট অফিসের বক্তব্যঃ

বিজয় ও ইউনিবিজয় কীবোর্ড নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে রেজিস্ট্রার অব কপিরাইট মো: মনজুরুর রহমান কমপিউটার পণ্যের বিষয়টি কপিরাইট আইনের কোন ধারায় কি কি বিষয় উল্লিখিত আছে তার উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত কপিরাইট আইনেই বিজয় ও ইউনিবিজয় নিয়ে চলমান বিতর্কের সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

বিজয় ও ইউনিবিজয় দু’টি কীবোর্ডে শুধু ৮টি কী-র মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এতে কপিরাইটের কতটা লঙ্ঘিত বা মেনে চলা হয়েছে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কতটুকু মেনে চলা হয়েছে বা হয়নি সেদিকে যাব না। তবে কপিরাইট আইনে যে কথাটি উল্লেখ আছে, ‘কমপিউটার প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কোনো কমপিউটার প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষের পুনরুৎপাদন বা ব্যবহার করাই হচ্ছে পাইরেসি’।

২০০০ সালের যে কপিরাইট আইন রয়েছে তা সংশোধন হয়েছে ২০০৫-এ এবং এ আইনের ২ (৮) (ঙ) অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে, ‘কমপিউটার প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে, কোনো কমপিউটার প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষের পুনরুৎপাদন বা ব্যবহার কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন।"


আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যেখানে তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন না, আমাদের আইন প্রনেতারা যেখানে তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন না এবং মুস্তফা জব্বার এর মত অজ্ঞ লোককে যেখানে সরকারী পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ ধরা হয় এবং আমাদের আইটিকানা মিডিয়া যেভাবে তাকে প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ হেিসবে স্বীকৃতি দেয় এবং রাজনৈতিক চাটুকারীতার কারণে যেখানে মুস্তফা জব্বার সাহেব ক্ষমতাসীনদের প্রিয় পাত্র সেখানে শুধুমাত্র আমাদের সমর্থন ও ভালবাসা নিয়ে অভ্রের বিজয়ী হওয়ার কথা নয়।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29184567 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29184567 2010-06-25 03:57:20
BuddyFox, ব্লগিং করতে করতে যেভাবে ঝটপট ব্লগার বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ হতে পারে..
আজকের এডঅনসটির নাম- BuddyFox. এটি মূলত একটি চ্যাট/কমিউনিকেশন এডঅনস। বিশেষ করে ওয়েব ব্রাউজ করতে করতে আপনার ওয়েব কমিউনিটি/ব্লগ কমিউনিটির বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বেশি কাজে দিবে।

যেভাবে শুরু করবেন-
১) http://www.buddyfox.com এ গিয়ে একটি একাউন্ট খুলে ফেলুন।
২) মজিলার সাইট হতে বাডি ফক্স এডঅনস সেটাপ করুন- Click This Link
৩) মজিলা রিস্টার্ট দিয়ে ডানদিকে নিচে বাডি ফক্সের আইকনে ক্লিক করে লগইন করুন।


তারপর আপনার বন্ধুদের আইডে জেনে নিয়ে তাদেরকে যুক্ত করতে থাকুন।

যেকোন সময় ব্রাউজিং করতে করতে বাডিফক্সের আইকনে ক্লিক করে দেখে নিন কে কে অনলাইনে আছে... বাকীটা আর এখানে বলা যাবে না.. বাডি ফক্সে আসুন, শিখিয়ে দেব.. <img src=" style="border:0;" />

বাডি ফক্সে আমার আইডি- trivuz (ব্লগার বন্ধুরা যুক্ত করে নিতে পারেন.. ব্লগিং করার সময় ওখানে বসে ব্লগ নিয়ে মাঝে মাঝে একটু সিরিকাস আলুছানা করা যাইতে পারে...)

যারা নতুন আইডি খুলছেন, তারা অন্যদেরকে যুক্ত করতে নিজের আইডি মন্তব্যের ঘরে রেখে যেতে পারেন।

সবাই ভাল থাকুন...

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29183885 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29183885 2010-06-24 04:44:00
Pixlr Grabber, একটা অসাধারণ ফায়ারফক্স এক্সটেনশন! http://imm.io/Kof)। এছাড়াও অনলাইনে ফটোশপের মত আপনার স্ক্রিনশর্ট এডিট করার সুযোগও মিলবে। চমৎকার এই এডঅনসটি পাওয়া যাবে নিচের ঠিকানায়-
Click This Link

এডঅনসটি সেটাপ করে ফায়ারফক্সের Tools > Pixlr Grabber > থেকে পুরো পাতা বা নির্দিষ্ট কোন অংশের প্রিন্টস্ক্রিন নিয়ে সেটা এডিট/শেয়ার বা সেভ করা যায়। নিচের ছবিটি দেখুন-


(প্রায়ই দেখি লোকজন প্রিন্টস্ক্রিন বিষয়ক সাহায্য চেয়ে বসেন। তাদের জন্য বা যাদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয় তাদের রেফারেন্সের জন্য এই পোস্ট।)

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29182418 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29182418 2010-06-22 02:28:20
সমর্থকরা পায় আধাআধি, দর্শকরা পায় পুরোটা..
ফুটবল নিয়ে করা আমার আগের পোস্টে উল্লেখ করেছিলাম আমাদের দেশের ফুটবল সমর্থকদের মারামারির কথা। সেই মারামারিতে যারা কখনো পড়েননি তারা কোন ভাবেই কল্পনা করতে পারবেন না সমর্থকদের সেই ভয়ংকর রুপের কথা। সত্যি কথা বলতে কি স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে গিয়ে রেফারীল ভুল সিদ্ধান্ত প্রিয় দলের ক্ষতি হওয়া ঐ সময় আমিও মেনে নিতে পারিনি। আমার এক অতি নিরিহ গোছের বন্ধুও একদিন ঘোষণা করলো যে সে হাতের কাছে পেলে রেফারিকে অবশ্যই খুন করে ফেলবে। বন্ধুর চেহারা দেখে আমরাও সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করলাম, আসলেই পরিস্থিতি ভয়াবহ! রেফারী বেচারা যাতে আমার ঐ অতি নিরীহ গোছের বন্ধুর সামনে না পড়ে সেই দোয়া করতে করতে আমরা স্টেডিয়াম থেকে বের হয়েছি সেদিন।

আমাদের অফিসে ব্রাজিল সমর্থক মাত্র দুইজন। নাঈম আর ইউসুফ ভাই। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হিসেব করলে আমাদের অফিসে আমরা (আর্জেন্টিনা) এগিয়ে <img src=" style="border:0;" />। তবুও নাঈম আর ইঊসুফ ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আর্জেন্টিনা নিয়ে হায়দার আর আমি শুধু জোট করি। প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল খুব একটা ভাল খেলেনি। পরেরদিন অফিসে গিয়ে নাঈম আর ইঊসুফ ভাইকে আচ্ছা মত পঁচাইলাম। <img src=" style="border:0;" /> আর্জেন্টিনার খেলার দিন বিকেলেই অফিস ছুটি দিয়ে তিনজন মিলে বাসায় চলে এলাম। ভাগ্য আমাদের ভাল যে আর্জেন্টিনা ঐদিন ভাল খেলেছে। তারপরও আর্জেন্টিনার গোল খাওয়া নিয়ে নাঈম ভাইয়ের উল্লাস দেখার মত ছিল।

আজকে ব্রাজিলের খেলাটা আরো ভাল হতে পারতো..। ব্রাজিল ৩ টা গোল দিয়েছে সত্যি কিন্তু ভাল খেলেনি। এর ভেতরে প্রায় অকারণেই কাকা লাল কার্ড খেয়ে মাঠ থেকে বের হয়ে গেল। খুবই খারাপ লাগলো দেখে... ম্যারাডোনা, মেসি, রোনালদো, জিদান, কাকা.. এরা সবাই স্টার। সত্যি কথা বলতে কি এদের সবাইকেই আমার ভাল লাগে। কিন্তু খুব কড়া আর্জেন্টিনা সমর্থকের সামনে যদি যদি বলি, 'কাকা আমার ফেবারিট খেলোয়ারদের একজন', তা হলে নিঃসন্দেহে সে আমার দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাবে। আবার ব্রাজিল সমর্থক কেউ যদি অন্য কোন দলের সাথে আর্জেন্টিনার ভাল পারফরমেন্সের প্রশংসা করে তা হলেই হয়েছে! বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল সমর্থকদের অবস্থা এরকম যে, ব্রাজিলের খেলার দিন ব্রাজিলের বিপক্ষে যে খেলবে তার পক্ষ থাকা চাই সকল আর্জেনটিনা সমর্থকদের। একই অবস্থা ব্রাজিলের সমর্থকদের বেলায়ও ঘটে।

অন্ধ সমর্থন এই দেশের মানুষের একটা কমন বৈশিষ্ট্য। রাজনীতির বিষয়ে দেখুন, আওয়ামী সমর্থকরা বিএনপির কোন কাজকেই ভাল চোখে দেখে না... বা বিএনপির সমর্থকরাও আওয়ামীলীগের সকল কাজেই দোষ খুঁজে পায়। যেন তাদের কেউই কোনরকম ভাল কাজ করে নাই বা করতে পারে না। খেলাধূলায়ও এই মনোভাব বেশ শক্ত ভাবেই পরিলক্ষিত হয়। আমার শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু, এই থিউরীটা অবশ্যই সঠিক না!

যাই হোক, খেলা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে অনেকে অনেক সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছে। আমার লেখাটাও মনে হয় সেইদিকে রওনা দিয়েছে। আসলে এত সিরিয়াস হওয়ার কিছু নাই। খেলা দেখি আনন্দের জন্য, খেলা নিয়ে ঝগড়াটাও (অবশ্যই কপট) আনন্দের জন্য। আনন্দ পাওয়াটাই বড় বিষয়। এই বিষয়ে আমার বাবার অবস্থান খুব চমৎকার। তিনি খেলা দেখতে বসে দুই দলের আক্রমণেই আনন্দ পান। গোল কোন দল দিয়েছে সেটা নিয়ে তাঁর কোন মাথাব্যথা নাই, আক্রমণ বা গোল হলেই তিনি আনন্দিত... <img src=" style="border:0;" />

খেলা জিনিসটা যদি আনন্দের জন্য হয়ে থাকে তা হলে দর্শক হিসেবে আমার বাবা অবশ্যই স্বার্থক!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29181722 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29181722 2010-06-21 04:51:51
ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা ছাপিয়ে যেদিন উড়বে আমাদের পতাকা... " style="border:0;" />


ব্রাজিল নামের ফুটবল দলের প্রথম খবর পাই সম্ভবত পেলের মাধ্যমে। আমাদের পাঠ্য-পুস্তকে পেলে নিয়ে একটা চ্যাপ্টার ছিলো। সেই সময় আমাদের দেশে ফুটবল বেশ জনপ্রিয় খেলা ছিলো। আবহানী-মোহামেডান এর খেলা নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রায়ই মারামারি এবং পুলিশের দাবড়ানি খাওয়ার ঘটনা ঘটতো। জীবনে প্রথম টিয়ার গ্যাসের সাথেও পরিচিত হই ঐ খেলা দেখতে গিয়ে। সুতরাং জীবনের প্রথম বিশ্বকাপ আমাদের জন্য বিরাট আনন্দের বিষয় ছিলো সন্দেহ নাই। আর সেই বিশ্বকাপে আমরা প্রথম পরিচিত হই ম্যারাডোনার সাথে। ঐ সময় বাংলাদেশের বেশির ভাগ সমর্থকই সম্ভবত আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলো কারণ আর্জেন্টিনা আর ম্যারাডোনা ছাড়া অন্য কোন কিছু আমরা শুনেছি বলে মনে পড়ে না। তখন আমরা ছোটরা মিলে ফুটবল খেলার সময় একদল হতো আর্জেন্টিনা আরেকদল ম্যারাডোনা। <img src=" style="border:0;" />


৯৮ এর শেষের দিকে বা ৯৯ এর প্রথম দিকে সম্ভবত ফুটবল সম্পর্কে সবচাইতে বেশি জ্ঞান অর্জন করেছিলাম। সেটা আর কারো জন্য নয়, কম্পিউটার গেম ফিফা ৯৮ এর বদৌলতে। ফিফা ৯৮ এর সবচাইতে বড় আকর্ষন ছিলো বাংলাদেশ দলের অন্তর্ভুক্তি। বাংলাদেশ নিয়ে কতবার যে ওখানে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছি তার কোন ইয়াত্তা নাই। দুইজন মিলে যখন খেলা হতো (একজন কীবোর্ডে আরেকজন মাউসে) তখন আমার প্রিয় দল অবশ্য ছিলো এসিমিলান। যদিও আমাদের পিসিতে সেটা ছিলো একটা কাষ্টমাইজড দল। ফিফা ৯৮ এ বন্ধুদেরকে হারাতে গিয়ে একেকজন হয়ে ওঠেছিলাম ফুটবল বিশেষজ্ঞ। এর জন্য EA Sports এর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।

পরবর্তী সময়গুলোতে বাংলাদেশে ফুটবলের ক্রেজ কমতে থাকে। ক্রিকেট নিয়ে চরম মাতামাতির ভেতরেও অবশ্য আমাদের ফিফা ৯৮ চলতে থাকে। কিন্তু বিশ্বকাপ না আসা পর্যন্ত পথে-ঘাটে-হাটে-বাজারে আর ফুটবলের আলোচনা হয় না। চার বছর পর পর হুট করে একটা বিশ্বকাপ এসে সবাইকে মাতিয়ে দিয়ে যায়। দেশে ফুটবল ক্রেজ কমে গেলেও একটা বিষয় নিশ্চই সবাই লক্ষ্য করেছেন যে বিশ্বকাপ মৌসুমে আমাদের মাঝে কি পরিমান উত্তেজনা বিরাজ করে। বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে কিন্তু এতটা হৈ হৈ রৈ রৈ হয় না। বিশ্বকাপ ক্রিকেট আর বিশ্বকাপ ফুটবল এর মৌসুম পর্যবেক্ষন করলে এটাই পরিষ্কার হয় যে আমরা এখনো মনে প্রাণে ফুটবলকে ভালবাসি। রাস্তায় নামলে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল আর জার্মানীর পতাকাগুলো দেখে এই বিশ্বাসটা আরো তীব্রভাবে জেগে ওঠে।


যে খেলাটা আমরা এত ভালবাসি সেই খেলাটা আমাদের দেশ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে যা কোন ভাবেই কাম্য নয়। ফিরে আসুক আমাদের ফুটবল ক্রেজ... আমরা ফুটবলকে ভালবাসি.. আমরা আমাদের দেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই। আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের পাশাপাশি বিশ্বব্যপি উড়বে আমাদের পতাকা, এটাই আমাদের স্বপ্ন।



Bengal Tigers roar again
'bangladesh in fifa' লিখে সার্চ দিতেই এই পেজটায় চলে এলাম। অসম্ভব ভালো লাগলো দেখে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29179068 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29179068 2010-06-17 20:49:09
আওয়ামীলীগের মিডিয়াবাজী ও বিএনপির শেষ ভরসা
কথিত স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন ঘটিয়ে তথাকথিত গনতন্ত্র কায়েম হওয়ার পর এই পর্যন্ত বিএনপি-ই সবচাইতে বেশি সময় ক্ষমতায় থেকেছে। কিন্তু মিডিয়ার দিক থেকে আওয়ামীলীগই সবচাইতে শক্তিশালী থেকেছে এবং আছে। মিডিয়া প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিএনপিকে আমি মূর্খই বলবো। এই ক্ষেত্রে বিএনপির মত মূর্খতা ও অযোগ্যতা আর কোন রাজনৈতিক দল দেখায়নি। এমনকি জামায়েতে ইসলামীও তাদের মিডিয়ার দিকটা বেশ গুছিয়ে এনেছে। জনসমর্থনহীন সমাজতান্ত্রিক দলগুলোও স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষতা ইত্যাদি টার্ম ব্যবহার করে জনগণের কাছে বেশ গ্রহনযোগ্য কিছু মিডিয়া দাঁড় করিয়ে ফেলেছে... যদিও তাদের বুদ্ধিজীবি, পাতি-বুদ্ধজীবি ও গুরুদের ইতিহাস ঘাঁটলে এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে তো দূরের কথা বরং বিপক্ষে কাজ করার অনেক নজীর আছে। আজকে তারা বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু করলেও শেখ মুজিবর রহমানকে এক কালে এরাই জঘন্য সব অপবাদ ও গালাগাল দিয়েছে।

যাহোক, সে এক অন্য ইতিহাস, অন্য বিষয়, আপাতত আমরা মিডিয়াতেই আবার ফিরে আসি। এত দীর্ঘ সময় রাজনীতি করেও মিডিয়ার গুরুত্ব বিএনপি বুঝে নাই এটা বিশ্বাস করা কঠিন। তাহলে তাদের মিডিয়া সমর্থন এত কম কেন? মিডিয়া প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতাই যে তাদের ভরাডুবির অন্যতম কারণ এটা নিশ্চয় তারা এতদিনে বুঝতে পেরেছে। যেহেতু হুট করে ভাল মিডিয়া তৈরিও তাদের পক্ষে তৈরি করা সম্ভব না সেহেতু একটা পথই তাদের সামনে খোলা। সেটা হচ্ছে বিপক্ষ শক্তিশালী মিডিয়াগুলো বন্ধ করে দেয়া। কিন্তু চাইলেই তো আর তা করা সম্ভব ছিলো না। সেই অসম্ভব কাজটাকে সম্ভবত সহজ করে দিচ্ছে আওয়ামীলীগ। কিভাবে?

উত্তরটাকে ধাঁধা হিসেবে নিতে পারেন পাঠক...

(আরেক পর্ব হতে পারে.. তবে নাও হতে পারে...)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29168061 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29168061 2010-06-02 03:02:40
জাতি মুস্তফা জব্বারদের মত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ(!) দের হাত থেকে মুক্তি চায়। Click This Link

ইউনিকোড ভার্সন পাওয়া যাবে নিচের লিঙ্কে-
Click This Link

এই প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য-

--
লেখাটার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে সফটওয়্যার পাইরেসী। অভ্র এবং বিজয় সফটয়্যার বিষয়ক সমসাময়িক আলোচনা সমালোচনার প্রেক্ষিতেই জনাব মোস্তফা জব্বার এই লেখা দিয়েছেন বোঝা যায়। কিন্তু অভ্রের বিষয়ে মোস্তফা জব্বারের অভিযোগ প্রেক্ষিতে প্রতিবাদের যে ঝড় ওঠেছে সেখানে কোথাও কিন্তু পাইরেসীর পক্ষাবলম্বন করা হয়নি। অভ্রকে পাইরেটেড সফটওয়্যার হিসেবে মোস্তফা জব্বারের ঘোষণার প্রতিবাদে দেওয়া বিভিন্ন লেখা ও বক্তব্যে কাউকে এই পর্যন্ত পাইরেসীর পক্ষে বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি বরং অভ্রের নামে পাইরেসীর কলঙ্ক লাগানোর অপচেষ্টার প্রতিবাদ হয়েছে মাত্র। অভ্রের নামে পাইরেসীর কলঙ্ক আরোপ করার ঘৃণ্য অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সকল ব্লগার ও অনলাইন কমিউনিটির সদস্যদের প্রতিবাদে এও পরিষ্কার হয় যে তারা কেহ পাইরেসীর পক্ষে নন। পাইরেসীকে তারা সমর্থন করেন না বিধায় অভ্রকে পাইরেটেড সফটওয়্যার বলা নিয়ে তাদের এত আপত্তি। সুতরাং মুস্তফা জব্বার যখন দাবি করেন সবাই পাইরেসীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সেটা কোন ভাবেই ধোপে টিকে না।

এই আর্টিকেলে মুস্তফা জব্বার পাইরেসীর বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে যারা কাজ করছেন তাদের বেশ অবমাননাও করেছেন। তিনি বলেছেন, "বিজয়ের দ্বিতীয় সফলতা হচ্ছে এর প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ। আমি মনে করি, আমাদের দেশীয় সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোকে এখানেও শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।" মুস্তফা জব্বার একজন প্রযুক্তি ব্যবসায়ী মাত্র, কোন ভাবেই প্রযুক্তিবিদ নন। তিনি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত একটি সফটওয়্যার বা সফটওয়্যারের অংশবিশেষ ডেভেলপ করেছেন এমন দাবি কখনো করতে পারবেন না। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চড়া দামে বিজয় বিক্রি করে ব্যবসা করা ছাড়া আর কোন অবদান তিনি রেখেন এমন দাবীও তিনি করতে পারবেন না। উল্লেখ্য, বিজয়-ও তাঁর নিজের তৈরি সফটওয়্যার নয়। বিজয় যাদের দ্বারা তৈরি করিয়ে নিয়েছেন তাদের মজুরী না মেটানোর অভিযোগও তাঁর নামে আছে। সেখানে তিনি দেশী সফটওয়্যার কোম্পানীগুলোকে তার বাজারজাত করা সফটওয়্যার বা তাঁর ব্যবসায়িক হীন পলিসি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে বলেন কোন মুখে? তিনি আরো দাবি করেছেন- "এর (বিজয়-এর) নির্মাতা আমি না হলে সম্ভবত এর আতুড় ঘরেই মৃত্যু হতো।" .. এটি যে সত্য নয় তা তিনি নিজেও জানেন। বিজয় সফটওয়্যার মূল নির্মাতা তিনি নন এবং আগেই উল্লেখ করেছি তিনি এর মূল নির্মাতা প্রোগ্রামারদের মজুরীও যথাযথ ভাবে প্রদান করেননি।

জনাব মুস্তফা জব্বার বলেছেন, "তিন হাজার টাকায় একটি লাইসেন্সসহ উইন্ডোজ পাওয়া গেলেও আমি পাঁচ হাজার টাকায় যে বিজয় একুশে বিক্রি করতে পারি তার পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে যে, এটি প্রটেক্টেট এবং পেশাদারিভাবে প্রস্তুত। ".. এখানে "প্রটেক্টেড" বলতে তিনি যে কি বুঝিয়েছেন তা তিনি নিজেও বুঝেন কিনা সন্দেহ আছে। কি ধরনের প্রোটেকশনের কারণে লোকজন তিন হাজার টাকা দামের উইন্ডোজ ব্যবহার না করে পাঁচ হাজার টাকা দামের বিজয় ব্যবহার করতে উৎসাহী হচ্ছে তা যদি তিনি জানাতেরন তা হলে আমরা বোঝার চেষ্টা করতে পারতাম। ইতঃপূর্বে তিনি দাবি করেছিলেন যে অভ্রের মত পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করার কারণেই নাকি সরকারি সাইটগুলো হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি বাংলা টাইপ করার সফটওয়্যার কিভাবে কোন ওয়েব সাইটের সিকিউরিটি নষ্টের কারণ হয় তা অনেক জিজ্ঞাসা করার পরেও তিনি উত্তর দিতে সক্ষম হননি। এধরনের প্রযুক্তি জ্ঞান নিয়েই তিনি নিজের নামের পরে 'তথ্যপ্রযুক্তিবিদ' লাগিয়ে আমাদের দেশের তথ্য প্রযুক্তির বারোটা বাজিয়ে চলেছেন।

জনাব মুস্তফা জব্বার আরো দাবি করেছেন যে, "দেশের অন্যান্য বাংলা সফটওয়্যার নিজস্ব শক্তির ওপর না দাঁড়িয়ে বিজয়কে নকল করেছে বিজয় কিবোর্ডকে অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করেছে এবং সেজন্য বিগত ২২ বছরে ডজনের বেশি বাংলা সফটওয়্যার বিজয়ের সঙ্গে খোলা মাঠে লড়াই করে মারা গেছে। " অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে আজকের বাংলাদেশে বিজয়ের চাইতে অভ্র এবং বাদবাকী বাংলা সফটওয়্যারগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা অধিক। ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা বিস্তারে যে টুলগুলোর বিশাল অবদান আছে সেই তালিকার সবার শেষেও বিজয়ের নাম খুঁজে পাওয়া যাবে না, কারণ এই কিছুদিন আগেও বিজয় ইউনিকোড সমর্থন করতো না। যারা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির সাথে কমপক্ষে এক যুগ কাটিয়েছেন তারা সকলেই জানেন এই মুস্তফা জব্বার কিভাবে ইউনিকোডের বিরুদ্ধে তাঁর কলম চালিয়ে গিয়েছেন। আমাদের ভাগ্য ভাল যে মুস্তফা জব্বারদের মত তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের কথায় সবাই বিভ্রান্ত হয় না, তাই আজকে ইউনিকোডে আমরা বাংলা লিখতে পারি। ইউনিকোডে বাংলা লেখা জনপ্রিয় হওয়ায় মুস্তফা জব্বারের আক্ষেপ বেড়েছে বৈ কমেনি, মুস্তফা জব্বারের কাছাকাছি থেকেছেন বা থাকেন এরকম সকলেই তা জানেন। অথচ তিনিই আজকে আমাদেরকে প্রফেশনালিজম শেখাতে আসেন।

এদেশে যতদিন মুস্তফা জব্বারদের মত তথ্যপ্রযুক্তিবিদের মূল্যায়ণ করা হবে ততদিন এই দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের কোন উন্নতি হবে না। জাতি মুস্তফা জব্বারদের মত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ(!) দের কাছ থেকে মুক্তি চায়।

--
সংযুক্তি-

আরেকটা বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। মুস্তফা জব্বার দাবী করেছেন তাঁর ফেসবুক বন্ধুদের ৯৯% নাকি পাইরেসীর পক্ষে কথা বলেছে। মুস্তফা জব্বারের বন্ধুদের ৯৯% পাইরেসীর পক্ষে কথা বলা মানে যে সমগ্র জাতির পাইরেসীর পক্ষে কথা বলা না সেটা বোঝার বুদ্ধি যদি তাঁর থাকতো। মুস্তফা জব্বারের অর্বাচীন বক্তব্যের প্রতিবাদ যারা করেছেন তারা নিঃসন্দেহে তাঁর ফেসবুক বন্ধু নন.. বা থাকলেও তিনি তাদের অনেকের বন্ধুত্ব প্রত্যাহার করে ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন। তাহলে পাইরেসীর পক্ষে থাকা ঐ ৯৯% লোকের দায় তাঁকেই বহন করতে হয়.. তিনি এমন এক পরিমন্ডলে থাকেন যেখানে সবাই পাইরেসীর পক্ষে কথা বলে। এটা যে তার জন্য একটা লজ্জ্বার বিষয় সেটাও যদি তিনি বুঝতেন...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29156338 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29156338 2010-05-16 22:42:21
ব্লক বা ব্যান হওয়া সাইট যেভাবে ভিজিট করবেন

সহজ সমাধান
*** অনেকেই Vidalia সেটাপ বা ব্যবহার করতে পারছেন না। তাই তিন ধাপের এই সহজ সমাধান দেয়া হলো।

১) নিচের লিঙ্কে গিয়ে Tor Browser Bundle ডাউনলোড করে সেটাপ করে নিন।
Click This Link

২) মজিলার সাইট থেকে টর বাটন সেটাপ করে নিন- Click This Link
(মজিলা ডাউনলোড করতে তাদের অফিসিয়াল সাইট mozilla.com বা এখানে ক্লিক করুন ।)

৩) আপনার ফায়ারফক্সে টর এনাবল করে নিশ্চিন্তে ব্রাউজ করতে থাকুন-



(বাকীটুকু আর না পড়লেও চলবে.. তবে Vidalia ব্যবহার করতে পারলে ভালো)
---

Vidalia

১) প্রথমে আপনাকে Vidalia নামের একটি সফটওয়্যার প‌্যাক ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
http://www.vidalia-project.net/download.php
(Stable Bundles থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম অনুযায়ী ফাইল খুঁজে নিন।)

২) আপনি যদি মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সরাসরি সফটওয়্যারটি সেটাপ করে ফেলুন। আর মজিলা ব্যবহার না করে থাকলে মজিলা ডাউনলোড করে সেটাপ করে নিন।


ছবি: vidalia সেটাপ হচ্ছে।

৩) সফটওয়্যারটি সেটাপ করার পর TOR নামের একটি এক্সটেনশন সেটাপ করতে চাইবে। ইনস্টল বাটনে ক্লিক করে সেটাপ করে নিন।


৪) সবকিছু ঠিকঠাক মত হলে পিসি রিস্টার্ট দিন।

৫) পিসি বুটিং হওয়ার পর vidalia কন্ট্রোল প‌্যানেল দেখতে পাবেন। ওখান থেকে প্রয়োজনীয় অপশন পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।



৬) মজিলা ফায়ারফক্স খুলে ডান দিকে নিচে দেখুন লেখা আছে 'Tor Disabled'। ওখানে ক্লিক করে 'Enable' করুন।


৭) এবার সিস্টেম ট্রে-তে থাকা vidalia'র আইকনে ক্লিক করে 'New Identity' কমান্ড দিয়ে যেকোন সময় নিজের আইপি পরিবর্তন করতে পারবেন।


--
ধন্যবাদ।

--
লেখাটা দুই বছর আগে প্রথম আলো ব্লগ ও আমার ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29139365 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29139365 2010-04-21 20:33:48
ডারউইনবাদঃ বিভ্রান্তির বেড়াজাল বিবর্তনবাদ
ডারউইনবাদ

Open your mind
বিবর্তনবাদ প্রানী বিজ্ঞানের একটি শাখা।
ডারউইনবাদ বিবর্তনের একটি তত্ত্ব (সঠিক কি ভুল বিবেচ্য নয়)।

Absent Mind
বিবর্তনবাদ ও ডারউইনবাদ কে প্রায় অনেকেই সমার্থক মনে করেন। বিজ্ঞানের এনালাইসিসে এটাকে "বিসমিলি্লাহ গলদ" ত্রুটি বলা যায়।

Open your eyes
ডারউইনের স্বীকারোক্তিঃ 1860 সালের 22শে মে লিখা একটি চিঠিতে ডারউইন লিখেছিলেন -
"আমার পুস্তকে সর্বধিক বিচু্যতি বিদ্যমান এবং তা গুরুত্বপূর্ণ। হুকার, থয়টিস প্রমুখদের বক্তব্য অনুসারে তো বটেই; এবং আমারো ধারনা, আমার পুস্তকের (অন দি অরিজিন অব স্পেসিস) প্রধানতম বিচু্যতি হলো, কেন প্রাণি-জগতের সকলের গঠন-কাঠামোতে প্রয়োজনীয় বিবর্তন, অগ্রগতি ও পরিবর্তন ঘটে না; এবং কেন ও কিভাবে এতসব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণী সেই আদিকাল থেকে এ যাবত টিকে আছে, - সে বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব।"
(সুত্রঃ ফ্রানসিস ডারউইনঃ 'দি লাইফ এন্ড লেটার্স অব চার্লস ডারউইন' তৃতীয় খন্ড, প্রকাশক, জন মারে)

Open your mind
ডারউইন যথার্থই একজন বড় মাপের বিজ্ঞানী। একটি হাইপোথিসিস (অনুমান ভিত্তিক সিদ্ধান্ত) এর কোন বিষয় বা তত্ত্ব নিয়ে গো ধরে বসে থাকা কোন বিজ্ঞানীর কাজ নয়। বিজ্ঞানের এনালাইসিস পদ্ধতির দিকে তাকালে দেখা যায় - কোন সূত্র বা তত্বের উপর পক্ষ বিপক্ষের মতামত সমূহ একে অপরের পরিপূরক। এই পথ ধরেই চুরান্ত সত্য বের হয়ে আসে। ডারউইনের উপরোক্ত স্বীকারোক্তিতে তার প্রমান রয়েছে।

Absent mind
একটি প্রবাদ রয়েছে ... "পোপের চেয়েও বেশী খৃষ্টান।" মূর্খ জ্ঞানী নির্বিশেষে প্রবাদটি মানুষের সধারন প্রবনতার পরিচায়ক। এই সচেতনতাই আমাদের সবচেয়ে কম।

তথ্য-1 ঃ
Open your eyes
একটা বিশেষ এলাকার প্রাণীজগতের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় যে, সে জগতের মধ্যে একটা ভরসাম্য মূলক অবস্থা বিদ্যমান। এই ভারসাম্য সব স্থানে একই ধরনের নয়। যেমন কোন এটি এলাকায় হয়তো বিশেষ কোন প্রজাতির প্রাধান্য রয়েছে... কিন্তু অন্য একটি এলাকায় সেই বিশেষ প্রজাতির উপর প্রাধান্য বিস্তার করে রয়েছে ভিন্ন কোন প্রজাতির প্রাণী।

Open your mind
সামগ্রিক ভাবে পর্যবেক্ষর থেকে দেখা যায় যে... প্রাকৃতিক নির্বচন সূত্র কোন একটা নির্দিষ্ট এলাকার প্রজাতির মধ্যে কার্যকর হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে গোটা প্রাণীজগতের দেহগত বিবর্তনে কোন প্রভাব বিস্তার করে না। অর্থাৎ প্রাকৃতিক নির্বচন সূত্র localized, universal নয়।

তথ্য-2ঃ
Open your eyes
কোলন ব্যাসিলাস ও ড্রাসাফিলা লাখ লাখ বছর পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌছেও অতীতের চারিত্রিক বৈশিষ্ট ধরে রেখেছে। এরকম আরো প্রাণী আছে যেমন পানক্রনিক প্রজাতির প্রাণী - আদিকাল থেকেই একই রকম আছে। নীল শৈবাল - শতকোটি বছর যাবৎ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। আরো রয়েছে ফেরো ব্যাক্টেরিয়া, স্পঞ্জ, সলিইসকম ইত্যাদি।
কোয়েলাক্যান্থ মাছ লক্ষ কোটি বছর যাবত অপরিবর্তনশীল রয়েছে।

Open your mind
এসব প্রাণী ডারউনের ন্যাচারাল সিলেকশন থিউরির এক জীবন্ত প্রতিবাদ।

তথ্য-3ঃ
Open your eyes
শুধু শক্তিমান ও উপযুক্তরাই বেচে থাকবে- ডারউইনের এই ধারনার প্রকৃত চিত্র হলো- কোন এলাকায় যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন দাবানল, জলোচ্ছ্বাস, আগ্নেয়গিরির অগ্নু্যপাত, আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন ইত্যাদি সংগঠিত হয়, তবে শক্তিমান দুর্বল নির্বিশেষে সবাই মারা পড়ে।

Open your mind
ডারউইন তত্ত্বের পর্যালোচনা করতে গিয়ে পিপি গ্রাশে একটি মাত্র সত্যই তুলে ধরেছেন যে, মৃতু্য কোন বাছ বিচার মানে না। দুর্বলই কেবল মৃতু্যর শিকার হবে, শক্তিমান রক্ষা পাবে- ডারউইন আমাদের এই ধারনাটা দিতে চেয়েছেন।

তথ্য-4ঃ
Open your eyes
একশ্রেনীর দেওদার গাছে একধরনের রাসায়নিক পদার্থের সৃষ্টি হয়, যা পোকামাকরকে আকৃষ্ট করে। ফলে গাছটি মৃতু্য মুখে পতিত হয়। অনুরুপ ফার ও পাইন জাতীয় গাছ-পালাতেও এধরনের বৈশিষ্ট রয়েছে। কোটি কোটি বছর যাবৎ এধারা অক্ষুন্ন রয়েছে। এসব প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। বিবর্তনের ধারায় সর্পকূল তাদের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হারিয়েছে।

Open your mind
কোন জীব বিজ্ঞানী ডারউইন তত্ত্বের সহায়তায় এই ধরনের সম্পূর্ন বিপরীত বিষয়ের কোনই ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তথ্য-5ঃ
Open your eyes
বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং তেলাপোকা তাদের আদিম যুগের অবয়ব নিয়েই এযাবত টিকে রয়েছে।

Open your mind
ডারউইনবাদী, অধুনা নব্য ডারউইনবাদীরা প্রাণের এবং প্রজাতির বহুকরনের ব্যাপারটা শুধু লক্ষই করে গেছেন, কিন্তু একই প্রাণী প্রজাতির কম বেশী অভিন্ন থাকার মত সুস্পষ্ট অথচ অনড় একটি বিষয়কে যে তারা সম্পূর্ন এড়িয়ে গেছেন, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এতো গেল ডারউইনবাদীদের কথা...
ডারউইনের বক্তব্য দেখা যাক-
1861 সালে টমাস থর্টন স্কয়ারকে লিখিত এক পত্রে ডারউইন স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করেছেন যে তিনি বিবর্তনবাদের ব্যাখ্যায় সত্যিই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এবং একথাও বলেছেন- "তবে, আমি ন্যাচারাল সিলেকশন তত্ত্বে বিশ্বাসী। যদিও এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোন প্রজাতি এযাবত পরিবর্তিত হয়ে অন্য আরেকটি প্রজাতিতে পরিবর্তিত হয়েছে- এমন একটি প্রমানও আমি দেখাতে পারবো না, তথাপি আমি এ তত্ত্বে বিশ্বাস করি। আমার এই বিশ্বাসের কারন এই যে, এই তত্ত্ব দ্্বারা সহজেই প্রাণী জগতের শ্রেণী বিভক্তি, ভ্রুনতত্ত, অংগসংস্থান, ভূতাত্তি্বক পরমপরা ও বন্টন ইত্যাদি নানা বিষয় ও ঘটনার চমৎকার ব্যাখ্যা সম্ভব।" - ডারউনের এই পত্রের মূল কপি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।
(সূত্র- এম ভারনেটঃ ইভুলিউশান অব দি লিভিং ওয়ালড)


Absent mind
আসলে, ডারউইন মানুষের অনুসৃত কৃত্রিম নির্বাচনের বিষয়টিকে প্রকৃতির নির্বাচনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিলেন। প্রাণীজগতের ব্যাপারে মানুষের অনুসৃত নির্বাচন তথা কৃত্রিম প্রজনন ব্যাবস্থায় কোন নতুন প্রজাতির জন্ম হয় না। ইহাদের চারিত্রিক কিছু কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর কিছুটা প্রভাব বিস্তার করে মাত্র। এর দ্্বারা প্রাণীর নতুন কোন অংগ গজায় না, নতুন কোন ইন্দ্রিয় সংযুক্ত হয় না- নতুন কোন প্রজাতি তৈরি তো দুরের কথা।

ডারউইনের পুস্তকটির পুরো নাম হলোঃ "অন দি অরিজিন অব স্পেসিস বাই মিনস অব ন্যাচারাল সিলেকশন অব দি প্রিজারভেশন অব ফেভার্ডরেসেস ইন দি ষ্ট্রগল ফর লাইফ।"
প্রকাশকালঃ লন্ডন, 1859 খ্রিঃ

ডারউইন তার পুস্তকে স্পেসিস বা প্রজাতি বলতে কি বুঝায়, তার কোন সংঙ্গা প্রদান করেন নাই। এমনকি তার পুস্তকের গ্রোসারী বা শব্দ ব্যাখ্যাতেও স্পেসিস বা প্রজাতি বলতে তিনি কি বুঝিয়েছেন তা অনুক্তই থেকে গিয়েছে।
...................... - পি পি গ্রাশেঃ মলিকুলার বায়েলজি

ইভু্যলিউশন বা বিবর্তন - শব্দটি ডারউইনের মূল টার্মোনোলজিতে ছিল না। ডারউইন রচিত "অন দি অরিজিন অব স্পেসিস" পুস্তকের ষষ্ঠ সংস্করনের আগের কোন সংস্করনেই এই শব্দটি (ইভু্যলিউশন) আদৌ উল্লেখিত হয় নাই।
.............................. - জে, রজার

অথচ সর্বদা এরকম প্রচারনা চালিয়ে আসা হচ্ছে যে- ডারউইনই প্রথম বিবর্তন বাদের ধারনা প্রদান করেছেন।
মজা বিষয় হচ্ছে -
বিবর্তন বাদের জনক হলো - লামার্ক।
1801 সালে প্রকাশিত - ইনু্যগুরাল স্পিচ অব দি টুয়েন্টি ফাষ্ট ডে অব ফ্লোরিল, ইয়ার এইট" নামক রচনায় তিনি বিবর্তন বাদের রূপরেখা প্রকাশ করেন।
এই সংক্রান্ত তার শ্রেষ্টতম রচনা সম্ভার - "জুওলজিক্যাল ফিলোসফি" প্রকাশিত হয় 1809 সালে, অথ্যাৎ ডারউনের 50 বছর পূর্বে।
ডারউইন কে খুব বেশি করে বললে ট্রানসফরমিষ্ট বা রুপান্তরবাদী বলা যায়, বিবর্তন বাদী নয়।
আরো মজার তথ্য হলো-
মানুষ কোন এক জানোয়ারের বংশধর এই ধারনা প্রথম ব্যাক্ত করেন "হেকেল" 1868 সালে।
অথচ বিবর্তনের ধারায় - মানুষ বানরের বংশধর- তা প্রতিপন্ন করার কাজে সাধারনত ডারউইন তত্ত্বকে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।
বাস্তবতা হলো- নাস্তিক্যবাদী শিবিরে ডারউইন একজন হিরো- পুজনীয় ব্যাক্তিত্ব। বস্তুবাদীরা যখন তাদের মতবাদের যাতাকলে কোনকিছুকে গুড়িয়ে দিতে বা উড়িয়ে দিতে চান, তখনই তারা ডারউইন এবং তার তত্ত্বের দোহাই পাড়েন। অথচ "অন দি অরিজিন অব স্পেসিস" পুস্তকের অধ্যায়ের পর অধ্যায় পড়ে গেলে, যেকেউ দেখতে পাবে যে, ডারউইনের মতবাদ আদৌ ধর্ম বিরোধী কোন বিষয় নয়। এমনকি সে বিবর্তন যদি মানব প্রজাতিরও হয়, তাহলেও তা ধর্মীয় বিশ্বাসকে হেয় প্রতি পন্ন করে না।

আসলে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এই ডারউইনবাদকে যতনা জ্ঞান বিজ্ঞানের সহায়ক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে, তারচেয়েও অধিক মাত্রায় ব্যাবহার করা হয়েছে আদর্শগত উদ্দেশ্য পুরনের নিমিত্ত হিসেবে। অধুনা আমরা বিবর্তনবাদের প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনেক বেশী ওয়াকিবহাল। আর এটা সম্ভব হয়েছে জীবাশ্ম-বিজ্ঞান সহ অপরাপর প্রকৃতি বিজ্ঞানের বহুবিধ সঠিক তথ্য ও প্রমান আবিষ্কারের কারনে। শুধু তাই নয়, ডারউইনের পর থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত প্রাপ্ত বংশগতি (জেনেটিক) ও জীববিজ্ঞান (বিশেষত মলিকু্যলার বায়োলজি) সংক্রান্ত প্রচুর তথ্য জ্ঞান এখন আমাদের নাগালে রয়েছে। এসব প্রমানের মাধ্যমে বিবর্তন বাদ সংক্রান্ত সম্যক জ্ঞান অর্জন যে কারো পক্ষেই অনেকটা সহজ হয়ে পড়েছে। অথচ আমাদের কেউ কেউ শাতাধিক বছর পূর্বেকার এই বিভ্রান্তিকর ডারউইন তত্ত্বটি নিয়েই বসে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এখনো এই ডারউইন তত্ত্বের এমন সমর্থক আছেন, যারা মনে করেন, এই তত্ত্ব বাদ দেয়া মানে তাদের আদর্শের পৃষ্ঠে ছুরিকাঘাত করা। সুতরাং ডারউইনের এই তত্ত্ব আজকের যুগে যতই বাতিল বলে প্রমানিত ও হাস্যকর বলে বর্জিত হোকনা কেন, তারা যে কোন মূল্যেই যে তা আকড়ে ধরে থাকতে চাইবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

--
প্রাসঙ্গিক লেখাঃ
- অ্যান্টি নাস্তিকতা (১): মানুষের উৎপত্তি
- অ্যান্টি নাস্তিকতা (২): বিবর্তনবাদ : কতটা বিবর্তিত ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29139344 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29139344 2010-04-21 19:57:20
বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যত ও দুই যুবরাজ - বিরোধীদল মানেই হরতাল, ভাংচুর, অবরোধ, সরকার পক্ষকে গালাগালি, মারামারি, আন্দোলন ও সরকার পতনের চিন্তা
- সরকারি দল মানেই বিরোধী দলকে অন্যায় ভাবে দমন, দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস
- আম জনতা মানেই সরকারকে গালাগালি, সমালোচনা এবং দেশ নিয়ে হতাশা
- সরকারি দলের সমর্থক জনতা মানেই সরকারের সকল কাজকে (ভাল বা মন্দ) হালাল করার উদ্ভুট প্রচেষ্টা, বিরোধী দলের সমর্থকদের আক্রমণ
- বিরোধী দলের সমর্থক জনতা মানেই, সরকারের প্রায় সকল কাজের সমালোচনা, সরকারি দলের সমর্থকদের আক্রমণ
....ইত্যাদি ইত্যাদি।

এটা সত্য যে আমাদের দেশে সরকার জনগনের চাইতে নিজের দলের প্রতি বেশি নজর দেয়। কিন্তু তাই বলে সরকারের সকল কাজই সমালোচনাযোগ্য নয়। সুতরাং সরকারের ভাল কাজের প্রশংসা ও খারাপ কাজের সমালোচনা চলতে পারে। গণহারে সমালোচনা করলে আসল সমালোচনাটার গুরুত্ব নষ্ট হয়। একই কথা বিরোধী দলের জন্যও প্রযোজ্য। কিন্তু দলীয় অন্ধ লোকজন কখনো এসব ভাবার অবকাশ পায় বলে মনে হয় না। এর জন্য আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি দায়ী না অন্ধ জনগণ দায়ী সেটা নিয়ে গবেষণা হতে পারে।

আগেই বলেছি, এই দেশে সরকারি দল বিরোধী দলকে শত্রু জ্ঞান করে বেশিরভাগ সময়। আবার বিরোধী দলও সরকারি দলকে শত্রু মনে করে থাকে। অথচ দুইজনের লক্ষ্যই এক, জনগনের জন্য কাজ করা। কিন্তু সেই মনোভাব আমাদের ভেতরে এখন পর্যন্ত সেভাবে গড়ে ওঠেছে বলে মনে হয় না।

বিএনপি জোট সরকারের আমলে সজীব ওয়াজেদ জয় যখন দেশে এল তখন তারেক জিয়া তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জয় দেশে ফিরার পর বাংলাদেশী রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্যই হয়তো আওয়ামীলীগের লোকজন জয়কে সেই সংবর্ধনা গ্রহণ করতে দেয়নি মনে হয়েছে।

আমরা জানি শেখ মুজিবর রহমানের ৭১ পুর্ববর্তী জনপ্রিয়তা ও ৭১ পরবর্তী জনপ্রিয়তার ভেতরে আকাশ পাতাল ফারাক ছিল। স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিবর রহমানের মত দুরদর্শী একজন নেতার অধঃপতনের পেছনে অন্যতম একটি কারণ ছিল চাটুকারদের দৌরাত্ব্য। শেখ হাসিনাও এই ধারা থেকে মুক্ত নন, এবং তার ফল তিনি পেতে যাচ্ছেন শীঘ্রই। যেসকল চাটুকাররা আজ শেখ হাসিনার চারদিক ঘিরে রয়েছে শেখ হাসিনার মৃত্যুর পর এরাই আবার শেখ হাসিনার সমালোচনায় ব্যস্ত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আজকের আওয়ামীলীগের শীর্ষপর্যায়ে এমন অনেক নেতা ও বুদ্ধিজীবীও আছেন যারা একসময় শেখ মুজিবকে নিকৃষ্টতম গালি দিতেও কুন্ঠাবোধ করেনি। একদিকে শেখ মুজিবের খুনীদের বিচারে শেখ হাসিনা সান্ত্বনা খুঁজছেন অন্যদিকে শেখ মুজিবকে অবমাননাকারীদের সাথে নিয়ে সরকার পরিচালনা করছেন। হায় সেলুকাস।

অবস্থাদৃষ্টি এটাই প্রতিয়মান হয় যে সজীব ওয়াজেদ জয় ও তারেক জিয়া আমাদের ভবিষ্যত নেতৃত্বে আসতে যাচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে বিএনপি যেসকল ভুল করেছে সেগুলো থেকে তিনি কতটা শিক্ষা গ্রহণ করেছেন তার উপরে নির্ভর করে তাঁর ভবিষ্যত রাজনৈতিক সফলতা। এবং শেখ হাসিনা যেসকল ভুল করেছেন সেগুলো থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার করতে পারলেন তার উপরে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভবিষ্যত।

হানাহানির রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে সুন্দর ও সুস্থ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালুর বিষয়ে নতুন দুই যুবরাজ কতটুকু সফল হবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29106571 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29106571 2010-02-27 14:09:36
পরামর্শ পোস্টঃ +/- এর পরিবর্তে ধন্যবাদ/নিন্দা জানানো যাইতে পারে পুরানো ব্লগার এবং সামহোয়্যারইনের প্রথম দিকের পোস্টগুলো যারা ঘেঁটেছেন তারা হয়তো লক্ষ্য করেছেন 'ব্লগ ডেভেলপমেন্ট', 'ফিচার রিকোয়েস্ট' ও ব্লগ পরিচালনা নিয়ে মতামত/আলোচনামূলক প্রচুর পোস্ট আছে। কমবেশি সকল ব্লগারেরই অংশগ্রহণ আছে এতে। ব্লগারদের চাহিদা মেটাতে সামহোয়্যাইন কখনো চেষ্টার ত্রুটি করেনি যার ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি চমৎকার একটি বাংলা লেখালেখির প্লাটফর্ম (ব্লগ বলছি না কারণ এতদিনে ব্লগ থেকেও বেশি কিছু হয়ে গিয়েছে সামহোয়্যারইন)। সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ না জানিয়ে উপায় নেই।

একটা সময়ে সামহোয়্যারইনে অনেক কিছুই ছিলো না যা এখন আছে... আবার তখন অনেক কিছুই ছিলো যা এখন নেই। মূলত ব্লগারদের চাহিদার ভিত্তিতে অনেক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে আবার অনেক ফিচার বাদ দেয়া বা পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্লগ নির্মাণ পুরোপুরি থেমে না গিয়ে থাকলে সামনেও এই ধারা অব্যহত থাকবে আশা করা যায়। আর এই আশাতেই অনেকদিন পর একটা ফিচারের পরিবর্তন/পরিবর্ধনের অনুরোধমূলক পোস্ট দেয়া-

সামহোয়্যারইন ব্লগের অন্যতম আলোচিত একটি ফিচার হচ্ছে "রেটিং"। প্রথম দিকে রেটিং বলতে ছিলো ১ ২ ৩ ৪ ৫ দেয়া। পোস্ট খুব ভাল লাগলে ৫ খারাপ লাগলে ১ দেয়ার রীতি প্রচলিত ছিলো। নাম্বারিং পদ্ধতির রেটিং এর একটা সুবিধা হচ্ছে এতে মোটামুটি ভাল বা গতানুগতিক রেটিং দেয়া যেত, অসুবিধা গড় রেটিং নিয়ে। বর্তমানে প্রচলিত +/- সিস্টেমটাও ওয়েবে বেশ জনপ্রিয় এবং অনেক কার্যকরী একটি ব্যবস্থা। কিন্তু ভাল লাগা(+) বা খারাপ লাগা(-) দিয়ে মাঝে মাঝে অনুভূতি বোঝানো কঠিন হয় এবং মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিকরও ঠেকে। বিশেষ করে যখন কোন দুঃখজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দেয়া পোস্টে "ভাল লেগেছে(+)" রেট করতে হয় তখন সত্যিই বিষয়টা কেমন যেন লাগে। আজকে সামাজিক অবক্ষয়ের একটি মর্মান্তিক ফলাফল নিয়ে একজন ব্লগার পোস্ট দিয়েছিলেন। এধরনের দুঃখজনক ঘটনার প্রকাশের মাধ্যমে লেখক আমাদের মাঝে সচেতনতা ও প্রতিবাদের মিছিল তৈরির যে প্রয়াস চালান সেটাকে আমরা সাধুবাদ জানাই, আর সে কারণেই হয়তো ওখানে আমাদের ভাল লাগা (+) জানিয়ে আসাটা স্বাভাবিক লাগে। এটা মূলত লেখকের প্রতি পাঠকের ধন্যবাদ জ্ঞাপণ। Click This Link কিন্তু এই ভাল লাগা জানানোর পর যখন লেখাটির নিচে ভেসে ওঠে- "পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি" তখন বিষয়টা কেমন যেন দেখায়। নিচের চিত্রটা দেখুন-


এরকম আরো অনেক মর্মান্তিক খবর প্রায়ই প্রকাশিত হয় যেগুলোর মূলত প্রতিবাদ বা সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য হয় বলে পাঠকরা "ভাল লেগেছে" (+) রেট করে। হুট করে লক্ষ্য করলে মনে হয় লেখার বিষয়বস্তু/ঘটনাটাই সবর ভাল লেগেছে। সামহোয়্যারের নিয়মকানুন জানেন না বা ব্লগিং করেন না এরকম কেউ সার্চ ইঞ্জিন থেকে এরকম একটি পোস্টে এসে এধরনের দুঃখজনক ঘটনায় "পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে" দেখে বিভ্রান্ত হওয়া স্বাভাবিক। এই ভাল লাগা/মন্দ লাগার পরিবর্তে যদি অন্য কিছু ব্যবহার করে এধরনের বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। "ভাল লাগা"/"মন্দ লাগা" পরিবর্তন করে "ধন্যবাদ জ্ঞাপণ"/"নিন্দা জ্ঞাপণ" করার অপশন দেয়া যায়। অন্তত +/- দেয়ার পর "পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি" না দেখিয়ে "লেখককে ১১ জন ধন্যবাদ জানিয়েছেন, ০ জন্য নিন্দা জানিয়েছেন" দেখানো যায়। এই বিষয়ে ব্লগাররা আরো ভালো পরামর্শ দিতে পারবে হয়তো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29091888 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29091888 2010-02-05 21:17:23
এবার একটু ChromiumOS
যারা এখনো ব্যবহার করেননি তারা http://chromeos.hexxeh.net/ এ টোকা দিন। অতৎপর USB Image: Torrent ভার্সনটা ডাউনলোড করে Windows Instructions এ টোকা দিন। Instructions পেজে ইংরেজী জাপানী আরবী পাওয়া গেলেও বাংলা পাওয়অ যাচ্ছিলো না। খানিকটা কষ্ট করে বাংলাটাও যুক্ত করে এসেছি। ওখানে গিয়ে পড়ে নিন এবং ব্যবহার করে কেমন লাগছে জানান।

ভাল লাগলে আরেকটা রিভিউ লেখার চেষ্টা করবো.. আজকে এটুকুই।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29090926 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29090926 2010-02-03 23:24:46
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনীতি"। সত্যি কথা বলতে কি, "ধর্মভিত্তিক" শব্দটার ভেতরেই একটু গলদ আছে। দুই কলম পড়াশোনা আছে কিন্তু 'ইসলাম' সম্পর্কে ধারণা ধোঁয়াটে এরকম যেকারোই "ধর্মভিত্তিক রাজনীতির" বিপক্ষে অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হলে ধর্মের নামে যে অত্যাচার আর সন্ত্রাস খ্রিস্টানরা করে গিয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। "মৌলবাদ" শব্দটার উৎপত্তি কোথা হতে তাও জানতে হবে। সেসব ইতিহাস লব্ধ জ্ঞান "ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি"-তে আমাদের উৎসাহ দেয়া তো দূরের কথা, বরঞ্চ রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতিতে ধর্মীয় মতবাদের প্রধান্য দেয়ার পথে বাঁধা হিসেবে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় ধর্ম ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার যেকোন অধ্যায় বিশেষ করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা ভাবতেই অন্ধকার আর খারাপ একটি ব্যবস্থার চিত্র ভেসে ওঠার উপক্রম হয়। কোন একটি ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্ম থেকে বহুযোজন সরে এসে মনগড়া বিধানের দোহাই দিয়ে পৃথিবীতে কি অনাচার সৃষ্টি করেছিলো তা দিয়ে অনেক কিছু যেখানে বিচার করা হচ্ছে সেখানে ধর্মীয় মতাদর্শ থেকে দেশ পরিচালনা তো দূরের কথা ধর্মগুরুদের প্রাধান্যের কথা ভাবাটাই কষ্টকর। অথচ এই আমরা যদি জ্ঞান আহরনের পথে আরেকটু উদার হতে পারতাম, আরো অধিক জ্ঞান পিপাসা আমাদের থাকতো তা হলে নিঃসন্দেহে এক দলের সীমাবদ্ধতা ও ইতিহাস দিয়ে সামগ্রিক ভাবে ধর্মকে বিচার করতে যেতাম না। কোন এক ধর্মের অপব্যাখ্যাকারী ও বিকৃতকারীদের সৃষ্ট নৈরাজ্য থেকে ধর্মভিত্তিক জুজুর সৃষ্টি হতো না।

ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির বিষয়ে আবার ফিরে আসি। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করা যাবে কি যাবে না এই আলোচনা করার আগে ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্কে তা বুঝতে দুইকলম জ্ঞান আহরণ করা উচিত। রাজনীতির সাথে ইসলামের সম্পর্ক জানতে হলে যে জ্ঞান প্রথমেই অর্জন করতে হবে সেটি হচ্ছে, "ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা"। জীবনের এমন কোন দিক নেই যে-বিষয়ে ইসলামের দিক্‌-নির্দেশনা পাওয়া যায় না। প্রতিদিন সকালে ঘুমভাঙার পর থেকে ঘুমানো পর্যন্ত, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে পরিষ্কার গাইডলাইন প্রদান করা জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। রাজনীতি যেহেতু জীবনের বাইরের কোন বস্তু নয় সেহেতু পরিপূর্ন এই জীবন ব্যবস্থা রাজনীতিতেও আমাদেরকে পথ প্রদর্শন করে। কিন্তু এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত না জানার ফলে অজ্ঞদের কাছ থেকে আসা সিদ্ধান্তগুলো ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। কোন কিছু সম্পর্কে ভাসা ভাসা জ্ঞান থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা ও ইতিহাসের কিছু চিত্র দিয়ে সমগ্র মানবজাতির ইতিহাস ও ঘটনাকে মূল্যায়ণ করা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য হোক আর নিজেদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থেকেই হোক আমরা বরাবরই এই বোকামী করে আসছি।

বিভিন্ন দিক বিচার বিশ্লেষণ না করলে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অনেক যুক্তিই দাঁড় করানো সম্ভব। আমাদের ভেতরে বেশির ভাগই যেখানে নিজেদের বুদ্ধি বিবেচনার উপরে ভরসা নেই, অন্যদের দেখে ও অন্যদের মাথাকে নিজের মাথা ভেবে তাদের কথাকে কোন রকম চিন্তা ভাবনা না করেই মেনে নেয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠেছে সেহেতু এটা খুব স্বাভাবিক যে একটা বিশাল জনগোষ্ঠী এবং ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে রায় দিচ্ছে এবং দিবে। আগেই বলেছি, ইসলামী রাজনীতি কেন নিষিদ্ধ হওয়া উচিত না তা বোঝার জন্য ইসলাম আসলে কি এবং ইসলামের ব্যাপ্তি কতটুকু সেটা জানা জরুরি। আর যেহেতু ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকারীদের মিছিলের বেশিরভাগই হয় ইসলাম বিদ্বেষী অথবা ইসলাম সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞ সেহেতু তাদের পক্ষে সত্যিকার অর্থেই বিষয়টা অনুধাবন করা কষ্টকর। খুব সহজ ভাষায় বিষয়টি তাদেরকে বোঝানোর জন্য বলা যেতে পারে যে- কমিউনিজম, সেক্যুলারিজম এবং আরো বিভিন্ন ধরনের মতবাদের ভিত্তিতে যেমন রাজনীতি হতে পারে তেমনি ইসলামি সিস্টেমেও তা করা যেতে পারে, কারণ ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা। সুতরাং অন্যসকল মতবাদের পাশাপাশি ইসলামি মতবাদও উপস্থান করার সুযোগ রাখতে হবে। মানুষের তৈরি বিভিন্ন মতবাদ যেখানে রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারে তা হলে 'পরিপূর্ন জীবন বিধান' ইসলামও এই রাস্তায় তাদের সাথে পাল্লা দিতে পারে, পারা উচিত। রেসের ময়দানে কমিউনিজম আর সেক্যুলারিজমের ঘোড়ার সাথে ইসলামের ঘোড়াও পাল্লা দেয়ার অধিকার আছে । কোন ঘোড়া রেসে কেমন পারফর্ম করছে বা কোন ঘোড়া অধিকতর উপযোগী ও কার্যকরী সেটা রেসে নামার পর বিবেচনা করা যাবে। কিন্তু রেসের আগেই প্রতিপক্ষের ঘোড়াকে ময়দান থেকে সরিয়ে দেয়াটা অবশ্যই সুস্থ্য চর্চা নয়।


--
বিশেষ আপডেটঃ
ইসলাম বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবেই যে মানুষ ইসলামি রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলে তার অনেক নমুনা বই-পত্র, পত্রিকা, ব্লগ এবং আরো নানা যায়গা দেখতে পাওয়া যায়। প্রয়োজনের সময় এগুলো খুঁজে পাওয়া যায় না। ব্লগে এধরনের অজ্ঞতাপ্রসূত লেখাগুলো এখন থেকে চোখে পড়লেই এখানে লিঙ্ক জড়ো করবো।
১) Click This Link

(আরো আপডেট হবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29075461 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29075461 2010-01-10 03:53:45
নাস্তিকের ধর্মচর্চা ও আস্তিকের মূর্খতা
এটা হয়তো কিছুটা স্বার্থপরের মত বক্তব্য হয়ে গেল। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বেয়াদপদের ভদ্রতা শেখাতে গেলে কাজের কাজ কিছুই হয় না বরং তাদের বেয়াদবী বাড়ে। সুতরাং তারা তাদের সমস্যার ভেতরে নিজেরাই হাবুডুবু খেতে থাকুক। আমরা বরং নিজেদের ভদ্রতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হই।

এই ব্লগে এবং বাস্তব জীবনে আমি অনেক নাস্তিক দেখেছি। এদের অনেকেই আমার বেশ ভাল বন্ধু। নাস্তিক বন্ধুদের কল্যানে হোক আর জানার আগ্রহ থেকেই হোক নাস্তিকদের প্রচুর বই, প্রবন্ধ-নিবন্ধ পড়া হয়েছে। নাস্তিকদের লেখাগুলো খুবই কৌশলী এবং কনভেন্সিং সন্দেহ নেই। সুতরাং দীর্ঘদিনের ধ্যান-ধারনা থেকে মুক্ত হয়ে নাস্তিকতার পথে রওনা দিতে দেরি করলাম না। কিন্তু যে জ্ঞান পিপাসা আমাকে নাস্তিকতার দিকে নিয়ে গিয়েছিলো সেই জ্ঞানপিপাসাই আবার 'নাস্তিক ধর্মের' ঈমানে ফাঁটল ধরিয়ে দিলো। প্রথমবারের মত আবিষ্কার করলাম ইসলাম সম্পর্কে আসলে আমি এতদিন কিছুই জানতাম না। বস্তুত পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ধর্ম ও লোকমুখে শুনা ইসলাম নিয়েই এতদিন সুখী ছিলাম। সেই ইসলামের অনেক কিছুই কুসস্কার, অনেক কিছুই অর্ধসত্য। পুরো সত্যটা জানার জন্য ইসলাম নিয়ে স্টাডির যে কোন বিকল্প নেই সেই সত্য প্রথমবারের মত আবিষ্কার করলাম। আজকে অন্তত এটুকু দাবী করতে পারি যে 'পৈতৃক সূত্রে মুসলমান বা গরু খাওয়া মুসলমান আমি নই। আর লোকমুখে শুনা ইসলাম পালন করে নিজেকে আদর্শ মুসলমান ভাবি না'। তবে হ্যাঁ, নিজেকে খাঁটি মুসমান দাবী করার অবস্থানে এখনো পৌঁছাতে পারিনাই এবং ইসলাম নামের অপারেটিং সিস্টেমটা দ্বারা এখনো পুরোপুরি পরিচালিত নই (একদিন হয়তো পারবো... )। একথা স্বীকার করতে দোষ নেই যে ইসলাম সম্পর্কে প্রাপ্ত জ্ঞানের জন্য নাস্তিক ও নাস্তিক ধর্মের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

যাই হোক, গতানুগতিক নাস্তিকদের বিষয়ে ফিরে আসি। খুব ভাল করে পর্যবেক্ষন করলেই বুঝতে পারবেন আপনার আশেপাশের নাস্তিকরা আসলে ধর্ম (বিশেষ করে ইসলাম) সম্পর্কে খুবই কম জানেন। এরা ছোটবেলায় চারদিকে যে অসম্পূর্ন ইসলাম দেখেছে সেটাকেই সঠিক ভেবে এসেছে। অতঃপর একাডেমিক লেভেলে ইসলাম কি বস্তু তা জানতে পেরেছেন কোন এক জ্ঞানপাপী নাস্তিকের গ্রন্থ থেকে। সেই জ্ঞানপাপী হয়তো ইসলাম সম্পর্কে ঠিকই জানেন কিন্তু ইচ্ছে করেই বিভ্রান্তি ছড়ান (কেন ছড়ান এই বিষয়ে আমার কিছু পর্যবেক্ষন আছে, পরে কখনো শেয়ার করার ইচ্ছে আছে)। তো এই জ্ঞানপাপীদের ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে ইসলাম বুঝতে গিয়ে অর্ধশিক্ষিত মুসলমানরা পাতিনাস্তিকে পরিণত হন। আসলেই ইসলাম কি বলেছে সেটা জানা তো দূরে থাকুক কোরআন আরবী ভাষায় লেখার কারণে আরবী ভাষার উপরেও এদের ঘৃনা তৈরি হয়ে যায় (এই ব্লগেই আরবী ভাষার উপরে ঘৃনা প্রকাশ করা অনেক ব্লগার আছেন যাদের কেউ কেউ লেখক হিসেবে বেশ উঁচু মানেরও বটে)। ভাষা হচ্ছে জ্ঞান প্রসারের একটা মাধ্যম আর সেই ভাষার উপরেই ঘৃনা নিয়ে বসে আছে একদল সো কল্ড জ্ঞানী লোক। বিষয়টা ইন্টারেস্টিংই বটে...!

তো যা বলছিলাম, যে ইসলামকে আপনি এত ঘৃনা করেন সেই ইসলাম সম্পর্কে আপনি কতটা জানেন? আবার সেই ইসলাম বুঝতে আপনি কোন ইসলাম বিদ্বেষীর কাছে কেন যাবেন? ইসলাম বিরোধী কিছু বলার আগে ইসলাম কি সেটা কেন বুঝার চেষ্টা করবেন না? বিষয়টা কি এরকম হয়ে গেলনা যে, এক ব্যক্তি রসায়ন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী কিন্তু রসায়ন সম্পর্কে জানতে গেলেন এমন এক ব্যক্তির কাছে যিনি ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভাবেই হোক রসায়নকে ফালতু মনে করেন। তাহলে যে এই ব্যক্তির কাছে গেলে রসায়ন সম্পর্কে সব নেগেটিভ ধারনাই কেবল পাবেন, আসল বিষয়ের কিছুই জানা হবে না। আর এতে কে ক্ষতিগ্রস্থ হবে? রসায়ন শাস্ত্র? নাকি ঐ ব্যক্তি?

আপনি নাস্তিক হতে চান ভাল কথা, হয়ে যান। ইসলামকে ঘৃনা করতে চান ভাল কথা, করুন! কার কি আসে যায়? আপনি ইসলামকে ঘৃনা করছেন যেসব তথ্যের উপরে নির্ভর করে সেই তথ্যগুলো কতটুকু সঠিক তা জানার চেষ্টা করেছেন কখনো? কই, আমি তো দেখি আপনাদের জানা ইসলাম পুরোপুরিই ভুল, মেনিপুলেটেড! এসব নিয়ে তো কম লেখা হয়নি। ড. জাকির নায়েক আর ক্যাম্পবেলের ডিবেটগুলো দেখুন ইউটিউবে (http://www.idbangla.com/video/index.php?cat=8 ), অনেক ভাল ভাল ইসলামি সাইট আছে নেটে, ওখানে গিয়ে পড়ে থাকুন, প্রশ্ন করুন-জানুন, আপনিই সমৃদ্ধ হবেন। অযথা ইসলাম বিদ্বেষীদের কুযুক্তি আর প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অবিশ্বাসী হবেন কেন? এই ব্লগে 'যুঞ্চিক্ত' নামের এক প্রচন্ড ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক মনের মাধুরী মিশিয়ে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত মেনিপুলেট করে একটা লেখা দাঁড় করিয়েছিল। তার লেখাটা এতই হাস্যকর হয়েছিল যে জবাব দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করিনি প্রথমে। পরে অবশ্য ব্লগারদের অনুরোধে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকেই একটা জবাব দিয়েছিলাম- Click This Link । ঐ জবাব দেওয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না, আপনি যদি নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবি করে থাকেন তা হলে ওসব আপনার নিজেরই জানার কথা, আরেকজনের জ্ঞানের উপর ভর করে কতকাল ঈমান টিকিয়ে রাখবেন?

কিছুদিন আগে আইডি বাংলা ফোরামে এক নাস্তিক এসে খুব জোড়গলায় হাস্যকর সব বক্তব্য দিতে শুরু করলেন। Click This Link । এসব বিষয়ে অতীতে একাধিকার জবাব দেওয়া হয়ে গিয়েছে, নতুন করে কি আর বলবো। তবুও সহকর্মী ইঊসুফ সুলতান ভাই তার প্রতিটা পয়েন্টের জবাব দিলেন। আর আমার মেইলবক্সে অনুরোধ আসতে থাকলো ঐ লেখককে ব্যান করতে, লেখাটা মুছে ফেলতে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আস্তিকরা এইসব লেখায় কেন ভয় পাবে? কেন এইসব মেনিপুলেশন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে নিজের ধর্মটা সম্পর্কে একটু জেনে নয়ার তাগিদ অনুভব করবে না? কেন এই ধরনের অপপ্রচার ও মেনিপুলেশনকারীদের উপরে রাগান্বিত হয়ে তাকে আক্রমণ করতে যাবে, কটূক্তি করবে? যে ব্যক্তি ইসলাম বিদ্বেষী সে ইসলামের আলো পায়নি বলেই না ইসলাম নিয়ে, রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে নোংরা কথা বলে বেড়াচ্ছে। আপনি কেন তার জবাবে তারই মত আচরণ করবেন? আপনি তো ইসলামের আলোয় আলোকিত! আর যদি আলোকিত না-ই হয়ে থাকেন তা হলে কেন হওয়ার চেষ্টা করছেন না?

ব্যক্তিগত ব্যস্ততা নিয়ে অনেক ঝামেলায় আছি, তবুও এত বড় একটি পোস্ট লিখে ফেলার মত সময় বের করলাম 'নাস্তিকের ধর্মকথা' নামের এক ব্লগারের কোরআন বিষয়ক পোস্টে হওয়া কিছু মন্তব্যে বিরক্ত হয়ে। এই ব্লগ ইসলামিক স্কলারদের ব্লগ না, এখানে ইসলামিক স্কলাররা ইসরা বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে বসে নেই। নাস্তিকের ধর্মকথাকে বলেছিলাম ইসলামিক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেখানে সম্ভব হবে সেখানে যান, যদি সত্যিই আপনার উত্তর জানার আগ্রহ থাকে। আরো বললাম আপনার প্রশ্নের উত্তরগুলো আমি জানি, কিন্তু লিখবো না। কেন লিখবো? আমার তো ভাই ঠেকা পড়ে নাই। যাই হোক, তিনি আমাকে "ভন্ড" বলেছেন। এই ব্লগে গালিবাজদের গালি খেতে খেতে এইসব ছোটখাট গালি আর গায়ে লাগে না, কিন্তু কষ্ট পেলাম যখন বললেন 'মা-বাবা' তুলে গালি দিতে। উপরের মন্তব্যগুলো দেখে আরো খারাপ লাগলো, তাঁর আর কি দোষ, অনেক আস্তিক ব্লগার তাঁকে ইতোমধ্যে অনেক গালাগালি দিয়ে ফেলেছে। আস্তিকদের উদ্দেশ্যে আমি আবারো ঐ একই কথা বলতে চাই, কেন গালি দিবেন? 'নাস্তিকের ধর্মকথা' নাস্তিক হলে আপনার ক্ষতি কি? আর ঐ মেনিপুলেটেড অসত্য বক্তব্য ভেরিফাই করে যদি কোন সো কল্ড মুসলমান নাস্তিক হয়ে যায় সেটার দায় কি আপনার না সেই মূর্খ মুসলমানের? তার উপরে সৃষ্টিকর্তার আদেশ ছিল জ্ঞান অর্জন করার, সেটা সে না করে যে পাপ করেছে তার ফল তো তাকে পেতেই হবে, তাই না? হোক সে নাস্তিক, যাক্‌ জাহান্নামে, আপনি আমি শুধু তাকে সতর্কই করতে পারি, আর কিছু না।

অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার 'নাস্তিকের ধর্মকথা'র কোরআন কন্ট্রাডিকশন নিয়ে কিছু কেন বলছি না সেটা বলি-
তিনি কোরআনের দু'টো আয়াতের মাঝে কেমন কন্ট্রাডিকশন খুঁজে পেলেন সেটা দেখাই-

১। সুরা ১০৯:৬
"লাকুম দিনুকুম ওয়ালিইয়াদিন"- "যার যার ধর্ম তার তার কাছে"
এর সাথে-
২:১৯১
"আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে| বস্তুত: ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ| আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে| অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে| তা হলে তাদেরকে হত্যা কর| এই হল কাফেরদের শাস্তি।" এবং এমন অসংখ্যা আয়াত।

এই দু'টি আয়াত তুলে দিয়ে তিনি একে পরস্পর বিরোধী আয়াত বলে দাবি করেছেন। এখানে দেওয়া দ্বিতীয় আয়াতটি মুসলমানরা আক্রান্ত হলে কি করতে হবে বলা হয়েছে। সেটা কিভাবে 'যার যার ধর্ম তার তার কাছে আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক হয়? এই আয়াতগুলোর কনটেক্স কি তিনি একবারো পড়ে বুঝার চেষ্টা করেছেন? মুসলমানদের যখন আক্রমণ করা হবে তখন তাদেরকে পাল্টা আক্রমণ করাকে তিনি 'নীতি-নৈতিকতার বিচারে বর্বর ও চরম অনৈতিক আয়াত' বলতেও কুন্ঠা বোধ করেননি। তাহলে মুসলমানদের কী করণীয়?

আবার কোরআন নাজিলের পদ্ধতি না জেনে তিনি লিখেছেন, 'কন্ট্রাডিকশন ৫: মুহম্মদ সা: একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে তাৎক্ষণিক আয়াত।' তিনি তো এই তথ্যই জানেন না যে কোরআনে মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান দেয়ার জন্য একটা বিশেষ পদ্ধতিতে নাজিল হয়েছে। রাসুল (সাঃ) এর জীবন-যাপণ পদ্ধতিকে অনুসরণ করার ঘোষণা কোরআনেই দেয়া আছে আর সেকারণেই বিভিন্ন সমস্যার সিমুলেশন ও সমাধাণ তাঁর জীবনেই তৈরি করা হয়েছে।

তো, এসব অহেতুক কথার জবাব দেওয়ার কি আছে? ইসলাম সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান অর্জন করলে আর সামান্য কমনসন্স থাকলেই তো এইসব ফালতু কথা হেসেই উড়িয়ে দিতে পারার কথা। অজ্ঞ প্রসূত বক্তব্য ভরপুর এসব নাস্তিকদের বক্তব্যে বিভ্রান্ত হওয়ার কী আছে? আর যে বিভ্রান্ত হতে চায় সে তো এগুলোরই সন্ধান করে। সে তো আসলে নিজেকেই বিভ্রান্ত করতে আগ্রহী, তাকে আপনি কিভাবে শেখাবেন? আত্ম প্রবঞ্চকরা তো অন্ধকারেই ডুবে থাকবে, তাতে আপনার আমার করার কিছু নেই, চাইলে একটু করুনা করতে পারেন, একটু শুভকামনা জানাতে পারেন, যদি কোনদিন নিজের ভাল নিজে বুঝতে শেখে, কোন ভাবেই আক্রমন নয়।

যাই হোক, এতবড় লেখা পড়ে সময় নষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ। যদিও 'নাস্তিকের ধর্মকথা' টাইপ ব্যক্তিদের সৃষ্ট বিভ্রান্তির কোন কঠিন জবাব দেওয়ার জন্য এই লেখা নয়, বরং এসব ক্ষেত্রে আস্তিকদের করণীয় কি তা জানানোই মূল উদ্দেশ্যে। একই সাথে এটাও ঠিক যে এসব প্রশ্নের জবাব বহুশত বছর আগে বড় বড় আলেমগন দিয়ে থাকলেও বাংলা ভাষায় আমাদের হাতের নাগালে নিয়ে আসা হয়নি। এই প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করেই এসব বিভ্রান্তিকর বিষয়গুলোর জবাবগুলো নিয়ে বাংলা ভাষায় তথ্যভিত্তিক একটি সাইট করার কাজ এগিয়ে নিতে ছোট একটি দল করে আমরা এগিয়ে চলেছি। চাইলে আপনিও অংশগ্রহণ করতে পারেন।

যোগাযোগ রাখুন- trivuz@জিমেইল ডট কম

আর হ্যাঁ, নাস্তিকদের ও ইসলাম বিদ্বেষীদের আক্রমণ করবেন না, তাদের প্রতি ঘৃনা পোষণেরও প্রয়োজন নেই বরং করুনার দৃষ্টিতে তাকাতে পারেন। কারণ তারা তো শুধুমাত্র নিজেদেরকেই ক্ষতিগ্রস্থ করে চলেছে, তাদের জন্য সব সময় শুভকামনা। আল্লাহ আমাদেরকে ইসলাম সম্পর্কে আরো জানার ও তাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুন, আমীন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29063449 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29063449 2009-12-22 04:32:08
ঈদের ছুটিতে চলুন উবুন্তুপুরে যাই (Setup Ubuntu in Virtual Box)
উবুন্তু (Ubuntu) যেহেতু *nix গ্রোত্রের অপারেটিং সিস্টেম তাই অনেকেরই ধারনা এটি খুব জটিল একটি বস্তু। একারনেই উইন্ডোজ ফেলে দিয়ে উবুন্তু লাগাতে ভরসা পান না অনেকে। ডুয়্যালবুটিং একটা সমাধান হতে পারে কিন্তু ডুয়্যালবুটিং সম্পর্কে অনেকে পরিষ্কার নন। তাছাড়া খুব বেশি নবীস হলে বা একটু বেখেয়ালী হলে ডুয়্যালবুটিং করতে গিয়ে পুরো হার্ডডিস্কের পার্টিশন ভেঙ্গে ফেলাটা বিচিত্র কিছু না। তাহলে সবচাইতে সহজ ও নিরাপদ কোন উপায় খুঁজে দেখা দরকার যাতে ১০০% মানুষ কোনরকম সমস্যা ছাড়াই উবুন্তু সেটাপ করার সাহস পেয়ে যান। এক্ষেত্রে আমার মনে হয় ভার্চুয়াল পিসি টুলগুলো বেশ কাজের। Virtual PC, VMWare, Virtual Box এর যেকোনটি আদর্শ হতে পারে। এই তিনটির ভেতরে আমরা Virtual Box কে বেছে নিতে পারি কারণ এটি অনলাইনে ফ্রি পাওয়া যায় এবং প্লাটফর্ম ইন্ডিপেন্ডেন্ট। তাহলে শুরু করা যাক-

প্রথমেই আমদের কাজগুলোকে আমরা তিনটি ভাগে ভাগ করে নেই-
ক) সফটওয়্যার সংগ্রহ (Virtual Box ও Ubuntu সংগ্রহ করা)
খ) Virtual Box সেটাপ করে পিসি কনফিগার করা
গ) উবুন্তু সেটাপ করা।

ক) সফটওয়্যার সংগ্রহঃ
প্রথমে আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে Virtual Box নামের সফটওয়্যারটি যা virtualbox.org থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায়। নিচের লিঙ্কে গিয়ে * VirtualBox 3.0.12 for Windows hosts x86/amd64 টা ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
লিঙ্ক: http://www.virtualbox.org/wiki/Downloads (68.9 MB)

তারপর আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে উবুন্তুর যেকোন একটি সংস্করণ। বর্তমানে উবুন্তু ৯.১০ চলছে যার সিডি ইমেজ সরাসরি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। উবুন্তুর অফিসিয়াল হোম পেজে গিয়ে এটি সংগ্রহ করুন-
লিঙ্ক: http://www.ubuntu.com/getubuntu/download (689 MB)

সর্বমোট 689 + 68.9 = 757.9 মেগাবাইট অনলাইন থেকে নামাতে হবে জেনে যারা ভিমরি খেয়েছেন তারা চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। একটি পেন ড্রাইভ নিয়ে যেকোনদিন দেখা করতে চলে আসুন... (trivuz@জিমেইলে মেইল দিয়ে দেখা করার জায়গা ও দিন তারিখ সময় ঠিক করে নিতে পারেন)

খ) Virtual Box সেটাপ করে পিসি কনফিগার করা
সেটাপঃ
Virtual Box একটি সাধারণ সফটওয়্যারের মতই আপনার পিসিতে সেটাপ করতে পারবেন। তাই এ নিয়ে আর বিস্তারিত লিখতে চাচ্ছি না। (সেটাপ করা নিয়ে কেউ সমস্যায় পড়লে মন্তব্যের ঘরে জানাবেন, বিস্তারিত জানানো হবে তখন।)

পিসি কনফিগারঃ
যথাযথভাবে সেটআপ করার পর Virtual Box সফটওয়্যারটি খুললে নিচের মত দেখাবে-


১) এবার Machine মেনু থেকে New কমান্ড দিন অথবা টুলবারের New বাটনে ক্লিক করে ভার্চুয়াল Virtual Machine Wizard চালু করুন।
২) যেকোন একটি নাম সেট করে OS Type এ যে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মেশিন বানাচ্ছেন সেটা নির্বাচন করুন। এক্ষেত্রে আমরা Operating system = Linux এবং Version = Ubuntu সেট করে Next করবো।


৩) ভার্চুয়াল মেশিনের RAM সাইজ নির্বাচন করতে Base Memory Size ঠিক করুন। ভার্চুয়াল মেশিন চলাকালীন সময়ে এই মেমরীটুকু আপনার পিসির RAM থেকে দখল হয়ে যাবে। সুতরাং আপনার আসল RAM এর অর্ধেকের বেশি কখনো সেট করবেন না। আমার RAM ৩ গিগাবাইট হলে ভার্চুয়াল মেশিনের জন্য এক গিগা সেট করতে পারেন অনায়াসে। এক্ষেত্রে যতবেশি RAM দিতে পারবেন আপনার ভার্চুয়াল মেশিনটি তত ভাল চলবে।


৪) এবার ভার্চুয়াল হার্ডডিস্ক তৈরির পালা। এক্ষেত্রে এক্সিস্টিং হার্ডডিস্ক ব্যবহার না করে Create new hard disk নির্বাচন করুন এবং খেয়াল রাখুন Boot Hard Disk (Primary Master) টিক দেয়া আছে কিনা। Boot Hard Disk (Primary Master) টিক না দেয়া থাকলে অপারেটিং সিস্টেম বুট হবে না।

৫) দুইবার নেক্সট করার পর Dynamically Expanding storage নির্বাচন করে আবার নেক্সট করুন। Dynamically Expanding storage দিলে বরাদ্দকৃত যায়গাটুকু একবারে দখল না হয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে দখল হতে থাকবে। (তবে হার্ডডিস্ক ফ্রাগমেন্টশন থেকে বাঁচতে চাইলে Fixed-size storage ব্যবহার করতে পারেন।

৬) ভার্চুয়াল বক্স এবার আপনাকে Virtual Disk Location and Size ঠিক করার সুযোগ দিবে। লোকেশনের ঘরে আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত লোকেশন ঠিক করে দিতে পারেন। যেমন আমার সবগুলো ভার্চুয়াল মেশিন C:/ ড্রাইভে VM নামের একটি ফোল্ডারে আছে। উল্লেখ্য আপনার নির্ধারিত ঐ ফোল্ডারেই আপনার ভার্চুয়াল পিসির সবকিছু সংরক্ষিত থাকবে। আপনি চাইলে যেকোন সময় এই ফোল্ডারটি কপি করে বাইরের কোন পিসিতে Virtual Box সেটাপ করে আপনার ভার্চুয়াল মেশিনটি চালাতে পারবেন।


৭) Virtual Disk Location and Size এ হার্ডডিস্ক সাইজ ঠিক করে নেক্সট করে ফিনিশ করুন।

আপনার ভার্চুয়াল মেশিন কাজ করার জন্য এখন প্রস্তুত।

গ) উবুন্তু সেটাপ করাঃ
১) আগের ধাপে আমরা একটি ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি করেছি যাতে উবুন্তু চলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এবার আমাদের Virtual Box সফটওয়্যারটি খুললে বাঁদিকে প‌্যানে উবুন্তুর জন্য তৈরি করা ভার্চুয়াল মেশিনটি দেখা যাবে-


২) লক্ষ্য করুন ubuntu 9.10 এর নিচে Powered Off লেখা রয়েছে। উপরের টুলবার বা Machine মেনু থেকে Start কমান্ড দিলে মেশিনটি চলতে শুরু করবে।

৩) ভার্চুয়াল মেশিনটি একটি সত্যিকার পিসির মতই বুট হবে এবং আপনার কাছে সিডি অথবা সিডির ইমেজ লোকেশন জানতে চাইবে। যদি উবুন্তুর সিডি থেকে থাকে তাহলে আপনার পিসির সিডি/ডিভিডি ড্রাইভে সেটি প্রবেশ করিয়ে নেক্সট করুন অথবা ব্রাউজ করে ডাউনলোডকৃত উবুন্তু সিডি ইমেজ (ISO File)টি দেখিয়ে দিন।

৪) সাধারণ পিসিতে যেভাবে ইনস্টল হয় ঠিক সেভাবেই সেটাপ উইজার্ড কাজ করবে এখানে......। সুতরাং দেশে শুনে পড়ে বুঝে একটু একটু করে এগিয়ে যেতে থাকুন। সেটাপ করার সময় ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে ভাল কারণ উবুন্তু অনলাইন থেকে নিজের মত আপডেট নিতে পারবে।

সেটাপ উইজার্ড নিয়ে আর বিস্তারিত বলে লেখার সাইজ বড় করলাম না। আশা করি সবাই ঠিকঠাক মত সেটাপ করে ফেলতে সক্ষম হবেন। তথাপিও কোন সমস্যা হলে আরেকটি পর্বে সেটাপ নিয়ে বিস্তারিত লেখা যেতে পারে। উবুন্তু নিয়ে আরো লেখা দেয়ার ইচ্ছে রইলো যেখানে উবুন্তু ব্যবহার সম্পর্কিত সাধারণ বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে।

সবাই ভাল থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29051599 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29051599 2009-11-30 17:59:21
bdnews24.com এর নতুন ডিজাইন ও কিছু কাক বা বকতালীয় বিষয় http://www.ibnews24.com/ নামে অনলাইনে সেটা আপলোডও করেছি মাস দুয়েক আগে। আরো বেশ খানিকটা কাজ বাকী। চেষ্টা করছি আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করার জন্য। সাইটি সম্পর্কে মতামত জানতে পরিচিত কিছু ডেভেলপার বন্ধাবান্ধবের সাথে লিঙ্কটি শেয়ার করেছিলাম। মিডিয়ার কিছু বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতজনের সাথেও শেয়ার করেছি। আমার http://www.shabakasoft.com/ কোম্পানীর হোম পেজেও লিঙ্ক দেয়া ছিলো। নিজের নেটওয়ার্ক থেকে হোক আর কোম্পানীর হোমপেজ থেকে হোক লিঙ্কটি যে অনেক মানুষের হাতে চলে গিয়েছে তার প্রমাণ পেলাম আলেক্সাতে গিয়ে।

Click This Link

সাইট চালু করার আগেই অনেক মানুষ জেনে যাওয়া হয়তো ভাল। কিন্তু আমার জন্য মনে হয় বিষয়টা খারাপের দিকে চলে গেল। ঘটনাটা ঘটলো আজকে বিডিনিউজ২৪ ভিজিট করতে গিয়ে। বিডিনিউজ২৪ ভিজিট করতে গিয়ে আজকে যে ডিজাইনটা দেখলাম তাতে বেশ অবাক হয়েছি-


যেহেতু নিজেই ডেভেলপার তাই সাইটটি ভাল হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে সেই বিষয়ক মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে এপর্যন্ত যাদেরকে দেখিয়েছি সবাই ভাল বলেছেন। ibnews24 নামকরণ নিয়ে একজন বেশ গঠনমূলক কিছু মন্তব্য করলেন। bdnews24 এর সাথে একটু মিল থাকার বিষয়টা নিয়ে আমিও ভাবছিলাম। কিন্তু ibnews ডোমেইনটা খালি থাকায় ডোমেইনের শেষে 24 যুক্ত করে ibnews24 করতে হলো। এতকিছু থাকতে ২৪ যুক্ত করার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে ২৪ ঘন্টা লাইভ নিউজ দেয়ার বিষয়টি। তা ছাড়া ২৪ শব্দটা সকলে সহজেই মনে রাখতে পারবে। তথাপিও ইউনিক কোন নাম নেয়া যায় কিনা তা নিয়ে এখনো ভাবছি। কিন্তু বিডিনিউজের নতুন ডিজাইনটা আমার সাইটের মত করে ফেলায় এখন পাঠকরা পুরো সাইটের ডিজাইন নিয়েও সংশয়ে ভুগতে শুরু করবেন।

দুনিয়াতে এতসব ডিজাইন থাকতে হুট করে আইবিনিউজের মতই একটা ডিজাইন বিডিনিউজে কেন লাগানো হলো সেটাই ভাবছি। বিষয়টা কি কাকতাল না বকতাল?

আমি দাবি করছি না যে সাইটের উপরে এরকম একটি বার আমার আগে কেউ লাগায়নি। বিভিন্ন সাইটের ডিজাইন, টেমপ্লেটের বিশেষ কোন ফিচার এবং নিজের চিন্তা ভাবনার মিক্সার হিসেবেই একটি ডিজাইন দাঁড়ায়। যে কেউ যে কারো ডিজাইনের পুরোপুরি বা আংশিক অনুকরণ করতে পারে। কিন্তু সাধারণত একই এলাকায় একই টাইপের সার্ভিস দাতা দু'টি প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন ও বিভিন্ন বিষয় একটু আলাদা থাকা ভাল বা উচিত। নতুবা একটিকে অন্যটির হুবহু অনুকরণ বলে মনে হয়। এক্ষেত্রে আমার সাইটটি তৈরির পরে আমারটার মত ডিজাইন আরেকটি সাইটে পাওয়া গেলে পাঠক কোনটাকে ইউনিক ভাবে সেটাই দেখার বিষয়।

যাই হোক, সবার প্রতি শুভেচ্ছা রইলো।
ঈদ মোবারক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29051153 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29051153 2009-11-29 15:35:41
বাংলা বানান যাচাই করতে - ত্রিভুজ যাচক (বেটা-২) বানান যাচাই করার একটি ব্যবস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলাম। সেই প্রচেষ্টায় অনেকে উৎসাহ দিয়েছেন, অনেকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করেছেন। আর তাই অনেক ব্যস্ততার মাঝেও একটু একটু করে বানান যাচাই করার ব্যবস্থাটা অনেকদূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। এখন পর্যন্ত এতে চার শতাধিক সাধারণ ভুল ঠিক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দিনদিন তা আরো বেড়ে চলেছে। সবাই মিলে পরামর্শ আর ভুল-শুদ্ধ বানানের তালিকা তৈরি করে দিতে পারলে কাজটা আরো দ্রুত এগিয়ে যাবে সন্দেহ নেই।

যাই হোক, আজকে বানান যাচাই ব্যবস্থাটার বেটা-২ রিলিজ দিলাম। নিচের লিঙ্কে গিয়ে আপনার লেখাগুলো যাচাই করুন। যেকোন পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

লিঙ্কঃ http://trivuz.com/bangla/language/jachok.php

-
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
-
অফটপিকঃ প্রচুর ব্যস্ততার কারণে কম্পিউটার গ্রুপের পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানটা একটু বিলম্বিত হচ্ছে। এর জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আগামী সপ্তাহের ভেতরেই বিজয়ী ঘোষণা ও পুরষ্কার বিতরনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে। একই সাথে পিএইচপি টিউটোরিয়াল সিরিজটাও বন্ধ আছে। সময় করে সিরিজটা চালিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি রইলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28990233 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28990233 2009-08-07 17:56:18
একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি! ৪৩ টি খালকে খুঁজে পাওয়া যাইতেসে না...
গতকাল দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার বক্তব্য শুনলাম টিভিতে। তিনি জানালেন ঢাকা শহরের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা নাকি ঘন্টায় ১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি সেচ করতে পারে। কিন্তু ৩০-৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি স্বাভাবিক। এবং ঢাকায় প্রায় সময়ই নাকি ৫০ মিমি বৃষ্টি হয়। সুতরাং তারা এই পানি সেচ করতে সক্ষম নয় এবং এটাতে নাকি তাদের কিছু করারও নেই। আর আজকে সংসদীয় উপকমিটি বলছে খাল পুন:খনন ব্যতিত এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নেই। রাজধানীতে প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। আমি ভাবছি ধান চাষের কথা... পুকুর খনন করে মাছ চাষ করা গেলেও মন্দ হয় না!

নগর পরিকল্পনা কেন্দ্রের প্রধান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনিও খাল খনন ছাড়া আর কোন উপায় বাৎলাতে পারেননি। নগর পরিকল্পনা কেন্দ্র নামে আমাদের যে কিছু একটা আছে এটা জেনেই আপাতত আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুললাম। যদিও তারা এতদিন কি পরিকল্পনা করলো সেটা পরিষ্কার না।

যাক, ঢাকা নগরী তা হলে খালের নগরী হতে যাচ্ছে। বেকাররা সব নৌকা কিনে প্রস্তুত হয়ে যান... আমরা নৌকায় করে ঢাকা শহর ঘুরে বেড়াবো। কত মজা হবে!

--
খবর সূত্রঃ প্রথম আলো (২৯ জুলাই, ০৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28985519 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28985519 2009-07-29 09:44:32
পরিত্যক্ত হওয়ার পথে ঢাকা? - বিকল্প রাজধানী নিয়ে ভাবা উচিত!

ছবিঃ ২৮ জুলাই, বৃষ্টিতে অচল ঢাকা (কৃতজ্ঞতা, ব্লগার ইচ্ছে )



ভিডিওঃ কিছুদিন আগে একটা চাইনিজ রেস্তরায় খেতে ঢুকেছিলাম.. তখন বৃষ্টি শুরু হলো। খেতে খেতেই রাস্তার এই অবস্থা হয়েছিলো।


এই ভিডিওটা আজকের। ওসমান মাহিন নামের একজন ইউটিউবে আপলোড করেছেন।

এক ভদ্রলোক আছেন যিনি ঢাকা শহরের অস্তিত্ব নিয়ে বেশ চমৎকার সব লেকচার দিয়ে বেড়ান। উদ্দেশ্য ঢাকাকে রক্ষা করা। তাঁর বক্তব্য থেকে জানতে পারলাম আগামী দশ বছরের ভেতরে ঢাকার স্যুয়ারেজ লাইন কলাপস করবে। দুঃখজনক এই ঘটনা যদি ঘটেই যায় কি হতে পারে? আজকে সামান্য বৃষ্টির কারণে যে জলাবদ্ধতা আপনি দেখতে পাচ্ছেন এরচাইতেও ভয়াভয় অবস্থা সৃষ্টি হবে না? কল্পনা করুন দৃশ্যটা, ঢাকার শহরের সকল রাস্তা ডুবে যাচ্ছে স্যুয়ারেজ আবর্জনাতে। পানি তাও ধীরে ধীরে নেমে যাবে.. কিন্তু সেই আবর্জনা? অবশ্য সেই ভয়াভয় আবর্জনা ঢাকা বাসী দেখে যাওয়ার আগেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে। স্যুয়ারেজ সিস্টেম কলাপস করার পর আবর্জনা রাস্তার উপর আসার আগেই ওয়াসার পানি বণ্টন সিস্টেমটাকে ধ্বংস করে দিবে। রাতারাতি ভয়াভয় সব ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে নগরবাসী। পরিনতি স্রেফ মৃত্যু! স্যুয়ারেজ সিস্টেম কলাপস্‌ হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে যদি এখনি পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তা হলে মৃত্যুর আগেই একবার নরক দর্শন হয়ে যাবে ঢাকাবাসীর।

আমাদের ভাগ্য যদি খুব ভাল হয় তা হলে সরকার হয়তোো এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে। কিন্তু এক স্যুয়ারেজই আমাদের জন্য হুমকি নয়। আরো বহুবিধ হুমকি রয়েছে। এরভেতরে সবচাইতে ভয়াভয়টি হচ্ছে ভূমিকম্প। ঢাকার শহরে যেভাবে অপরিকল্পিত নগরায়ন হয়েছে এবং বিল্ডিং কোড না মেনে স্থাপনা তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে তাতে করে ভূমিকম্পের ক্ষতি আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অনেকের মতে মাঝারী মানের একটা ভূমিকম্পই ঢাকা শহরের ৬০ ভাগ বিল্ডিং ধ্বসে ফেলার জন্য যথেষ্ঠ। বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জানা যায় ঢাকা শহরের ঠিক মাঝ বরাবর টেকটোনিক প্লেটের একটি সংযোগস্থল আছে। মানে দুই প্লেটের মাঝের ফাটলটা আমাদের শাহবাগের নিচ দিয়ে ঢাকা শহরকে আড়াআড়ি ভাগ করে দিয়ে গিয়েছে। যার ফলে ভূমিকম্প হলে সেটার ধ্বংসের পরিমাণও অনেক বেশি হবে। আবার ঢাকা শহরের বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য অতিরিক্ত পানি পাম্প করার কারণে ভূ-গর্ভস্থ যে শূন্যতা তৈরি হচ্ছে তাতে করে পুরো শহর রাতারাতি ডেবে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এই এলাকায় প্রতি ১১০ বছর পরপর বড়ধরনের একটা ভূমিকম্প হওয়ার কথা। শেষবার এখানে এরকম বড় ভূমিকম্প হয়েছে ১৮৯৭ সালে তথা ১১২ বছর আগে। সুতরাং যেকোন সময় এই এলাকায় বড় একটি ভূমিকম্প হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ডেটা এনালাইসিস করেও জানা যায় তেমন একটি ভূমিকম্প আমাদের এখানে হতে যাচ্ছে। অথচ অপেক্ষমাণ এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন প্রস্তুতি আমাদের নেই।

এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যাতে বুঝা যায় পরিত্যক্ত নগরী হওয়ার পথে আছে আমাদের প্রিয় ঢাকা নগরী। তেমনটিই যদি হয়, তা হলে বিকল্প রাজধানী নিয়ে এখনি ভাবা উচিত। একই সাথে এই বিষয়টি নিয়ে জনসেতনতা তৈরিতে সবার এগিয়ে আসতে হবে। তাতে হয়তো ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কম হবে, রক্ষা পাবে অনেক জীবন।

--
প্রাসঙ্গিক পোস্ট-
# প্রসংঙ্গ ভূমিকম্প: জনগণ ও সরকারকে এখনই সচেতন হতে হবে
# ভূমিকম্পে আমাদের করণীয় কি?
# প্রসঙ্গ ভূমিকম্পঃ আমাদের ভবিষ্যত কি অন্ধকারের দিকে...?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28984962 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28984962 2009-07-28 11:21:10
ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ - ৩ (MySQL সেটাপ) - ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-১ (ওয়েব সার্ভার সেটাপ)
- ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-২ (পিএইচপি সেটাপ)

*** এই লেখার ভাষার ব্যবহারে 'আপনি' ব্যবহার না করে 'তুমি' ব্যবহার করার কারণ প্রথম পর্বে জানানো হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে কিছু করার নেই। ***

--
অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার এবং পিএইচপি সেটাপ করার পর আমরা একটি ডেটাবেস সার্ভার হিসেবে MySQL সেটাপ করা শিখবো। তাহলে চলো শুরু করা যাক।

১) http://dev.mysql.com/downloads থেকে MySQL এর Windows MSI Installer ডাউনলোড করে নাও।
২) ডাউনলোড শেষে সাধারণ সফটওয়্যারের মত করে সেটাপ করে নাও।
৩) সেটাপ শেষ হলে Configure the MySQL Server now এ চেক করলে MySQL কনফিগারেশন উইজার্ড শুরু হবে। অথবা স্টার্ট মেনু হতে MySQL > MySQL Server Instance Config Wizard এ ক্লিক করতে হবে।


৪) কনফিগার টাইপ Detailed Configuration করে Next করো।


৫) সার্ভার টাইপ Developer Machine নির্বাচন করে Next করো।
৬) ডেটাবেস ইউজেস Multifunctional Database নির্বাচন করো।
৭) InnoDB Tablespace Settings এ \Data\ নির্বাচন করো।
৮) নাম্বার অব কনকারেন্ট কানেকশনে Decision Support (DSS)/OLAP নির্বাচন করো।
৯) এরপরের ধাপে অবশ্যই Enable TCP/IP Networking চেক করতে হবে যার পোর্ট হবে 3306 ।

১০) ক্যারেক্টার সেটে Standard Character Set নির্বাচন করো।
১১) উইন্ডোজ অপশনে Install As Windows Service চেক করলে MySQL সার্ভিস হিসেবে ইনস্টল হবে। এবং Launch the MySQL Server automatically চেক করা থাকলে প্রতিবার উইন্ডোজ ওপেন হওয়ার সময় নিজে থেকে MySQL চালু হয়ে যাবে। দু'টো অপশনই চেক করে Next করো
১২) এরপর সিকিউরিটি অপশনে রুট পাসওয়ার্ড নির্ধারন করো। সার্ভারের নিরাপত্তার জন্য Enable root access from remote machines আনচেক থাকা ভাল। তবে অন্য মেশিন থেকে সরাসরি MySQL এডমিন একসেস করতে চাইলে চেক করে Next করো।
১৩) সব শেষে Execute বাটনে ক্লিক করলে কনফিগার হয়ে যাবে। সব ঠিকঠাক মত হলে নিচের মত দেখাবে।


এটুকু হয়ে যাওয়ার পর PHP5 কে তোমার MySQL এর সাথে কাজের উপযোগী করতে আরে কিছু কাজ করতে হবে। এরজন্য PHP যেখানে সেটাপ করা হয়েছে ওখান থেকে libmysql.dll বা php_mysql.dll ফাইলটিকে উইন্ডোজে(Windows\System32\) কপি করতে হবে। সংক্ষেপে-
C:\php\ext\php_mysql.dll কপি হবে C:\Windows\System32\php_mysql.dll এ।

এবার C:\php\ থেকে php.ini ফাইলটি খুলো ;extension=php_mysql.dll লাইনটি এডিট করে extension=php_mysql.dll করো। মানে পেছন থেকে সিমিকোলনটি ( ; ) সরিয়ে দিতে হবে।

সব শেষে অ্যাপাচি Restart করো। MySQL সেটাপ এখানেই শেষ। এবার আমরা দেখবো MySQL ঠিকমত সেটাপ হয়েছে কিনা।

১) স্টার্ট মেনু থেকে MySQL > MySQL Command Line Client-টি খুলে কনফিগার করার সময় যে root পাসওয়ার্ডটা ব্যবহার করা হয়েছিলো সেটি টাইপ করে লগইন করতে হবে।
২) Status কমান্ড দিলে MySQL সম্পর্কিত কিছু তথ্য দেখাবে। যেখানে সার্ভার Uptime: দেখে বুঝতে পারবে সার্ভারটি যথাযথভাবে চলছে কিনা।

--

আগামী পর্বে আমরা PHP5 এর সাথে MySQL ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরিক্সা করতে ছোট একটি কোড লেখা শিখবো। সেই সাথে ডেটাবেস ম্যানেজ করার জন্য phpMyAdmin সেটাপ করা শিখবো। সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28982904 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28982904 2009-07-24 12:34:33
ডেলিসিয়াস! - একটি সোশ্যাল বুকমার্ক সার্ভিস
ইনন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন সোশ্যাল সার্ভিসগুলো যে আমাদের কত উপকার করছে সেটা নিয়ে নতুন করে বলবার কিছু নেই। তেমনি একটি মহা উপকারী সাইট হচ্ছে delicious.com. আপনার পছন্দের লিঙ্কগুলো নিজের পিসিতে বুকমার্ক না করে এখানে করলে একদিকে যেমন সেগুলো হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকছে না অন্যদিকে যেকোন জায়গা থেকে ব্যবহার করার সুবিধা পাচ্ছেন। আপনার লিঙ্ক যাতে অন্য কেউ দেখতে না পারে তার জন্য বুকমার্ক করার সময় প্রাইভেট করে রাখতে হবে। তবে বন্ধুদের সাথে যদি আপনার পছন্দের লিঙ্কগুলো শেয়ার করতে চান তার জন্য শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।যেমন আমার পাবলিক লিঙ্কের তালিকাটা এখানে পাবেন- http://delicious.com/trivuz

এটা শুধু যে আপনার বুকমার্কগুলোকে সংরক্ষণ করবে তাই না, বরং প্রতিটি বুকমার্ককে ট্যাগিং করতে পারবেন। ট্যাগ ব্যবহারের ফলে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে বুকমার্ক করা লিঙ্কগুলো খুঁজে পেতে সুবিধা হবে। এই ট্যাগিং যে শুধু আপনার নিজের কাজে লাগবে তাও না, বরং পুরো পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মানুষের সাথে আপনার ট্যাগটি মিলে গেলে সেই তালিকা আপনিও দেখতে পাবেন। বিষয়টা পরিষ্কার করার জন্য ছোট একটা উদাহরণ দিচ্ছি-

ধরুন আপনি একটি লিঙ্ক বুকমার্ক করে ট্যাগ করেছেন php। বুকমার্ক করা শেষ হলেই দেখতে পাবেন php লিখে আরো অসংখ্য মানুষ ট্যাগ করেছে। ক্লিক করলেই সবার পছন্দের php লিঙ্কগুলো একসাথে পেয়ে যাচ্ছেন। আর যেহেতু কোয়ালিটি সাইট বা লিঙ্ক না হলে কেউ বুকমার্ক করে না সেহেতু ঐ তালিকায় থাকা লিঙ্কগুলোর প্রায় সবগুলোই আপনাকর কাজে লাগবে, সার্চ ইঞ্জিন থেকে যা পাওয়া এতটা সহজ ছিল না।

একই সাথে আপনার বন্ধুদের আপনার নেটওয়ার্কে যুক্ত করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় লিন্কগুলো শেয়ার করতে পারেন। সাম্প্রতিক ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ের উপরে গুগরুত্বপূর্ন সব লিঙ্ক পেতে পারেন যা সার্চ ইঞ্জিনে অত সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। বিশ্বজুড়ে লোকজনের সাম্প্রতিক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে একটা ধারণা পাবেন।

সামহোয়্যারইন এ আপনার পছন্দের পোস্টগুলোকে এখানে যুক্ত করতে চাইলে পোস্টের উপরে 'শেয়ার করুন: ' এর সাথেই প্রথম আইকনটা দেখুন ডেলিসিয়াসের। প্রিয় পোস্টগুলো ট্যাগ করে বুকমার্ক করে রাখুন.. কাউকে জানতে দিতে না চাইলে প্রাইভেট করে দিন। ব্যাস...

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28982099 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28982099 2009-07-22 16:06:07
ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-২ (পিএইচপি সেটাপ) ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-১ (ওয়েব সার্ভার সেটাপ)
---

অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার সেটাপ করার পর এবার আমরা পিএইচপি সেটাপ করবো। প্রথমেই তোমাকে http://windows.php.net/download/ থেকে PHP 5 এর উইন্ডোজ বাইনারীর জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করতে হবে। অনেকগুলো বাইনারী থেকে VC9 x86 Thread Safe ভার্সনটি ডাউনলোড করো। ডাউনলোড শেষে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করো-

১) জিপ ফাইলটি C:\php লোকেশনে আনজিপ করো।
২) তারপর C:\php\ লোকেশনে গিয়ে php.ini-development ফাইলটিকে php.ini নামে পরিবর্তন করে দাও।
৩) নেটপ‌্যাড দিয়ে php.ini খুলে নিচের মত মডিফাই করো-
doc_root = "C:\Apache2.2\htdocs" (উল্লেখ্য আমরা অ্যাপাচির কনফিগ ফাইলে DocumentRoot হিসাবে যা সেট করেছিলাম এখানে doc_root হিসাবে তাই করতে হবে)। extension_dir = "./" কে পরিবর্তন করে extension_dir = "C:\php\ext" করো । আমাদের পরিবর্তনগুলো নিচের মত হবে-
doc_root = "C:\Apache2.2\htdocs"
extension_dir = "c:\php\ext"


৪) এবার তোমাকে অ্যাপাচি কনফিগ ফাইলটিকেও একটু পরিবর্তন করে নিতে হবে। পূর্বের মত স্টার্ট মেনু থেকে httpd.conf ফাইলটি খুলতে পারবে বা C:\Apache2.2\conf থেকে httpd.conf ফাইলটি খুলে নিচের লাইনগুলো যুক্ত করো-
LoadModule php5_module "C:/php/php5apache2_2.dll"
AddType application/x-httpd-php .php
PHPIniDir "C:/php"

৫) অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার সাধারণত index.htm ফাইলটি প্রথমে চালু করে থাকে। এটি পরিবর্তন করে index.php করতে চাইলে httpd.conf ফাইলে DirectoryIndex অংশটি খুঁজে নিচের মত পরিবর্তন করে নাও-

DirectoryIndex index.php index.htm index.html default.html



ব্যাস, হয়ে গেল। এবার তোমার অ্যাপাচি সার্ভারটি রিস্টার্ট করে DocumentRoot (C:/Apache2.2/htdocs) এ গিয়ে test.php নামে একটি ফাইল তৈরি করে তাতে নিচের কোডটুকু লিখে সেভ করো-



অতঃপর ব্রাউজারে http://localhost/test.php খুলে নিচের মত একটি পেজ দেখতে পেলে বুঝতে পারবে সবকিছু ঠিকঠাকমতই হয়েছে।


---
পরের পর্বে আমরা ডাটাবেস সার্ভার MySQL সেটাপ করা শিখবো। সেই পর্যন্ত....
--
পরের পর্ব...
--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28981314 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28981314 2009-07-21 08:48:18
ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-১ (ওয়েব সার্ভার সেটাপ) -------------------------

১) উন্ডোজ এনভায়রমেন্টে পিএইচপি
১.১) ওয়েব সার্ভার সেটাপ
১.২) পিএইচপি সেটাপ
১.৩) ডাটাবেস সার্ভার সেটাপ

১.১) ওয়েব সার্ভার সেটাপ
পিএইচপি শিখতে হলে তোমার পিসিতে পিএইচপি ইনস্টল করে নিতে হবে। আর পিএইচপি চালানোর জন্য আমাদেরকে প্রথমে একটি ওয়েব সার্ভার ব্যবহার করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আমরা অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার ব্যবহার করবো। চলো তা হলে প্রথমে আমরা অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার সেটাপ করি-

প্রথমে অনলাইন থেকে অ্যাপাচি ওয়েব সার্ভার ডাউনলোড করে নিতে এই লিঙ্কে যাও- Click This Link । এখান থেকে MSI Installer Package টি (যেমন, win32-x86-no_ssl.msi) ফাইলটি নামিয়ে নাও। এবার সাধারণ সফটওয়্যার সেটাপ করার মত করে সেটাপ শুরু করো। ইনস্টলারটি তোমার কাছে কিছু তথ্য(Server Information) জানতে চাইবে। নিচের মত করে তথ্যগুলো পুরণ করে নিতে হবে-
Server Information
Network Domain: localhost
Server Name: localhost
Admin Email: (your any email)

এবার for All Users, on Port 80, as a Service সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করো।


পরের বিষয়গুলোতে যেমন আছে তেমন রেখে Next করে যাও। Destination Folder হিসাবে সরাসরি C:\ ড্রাইভ ব্যবহার করা ভাল। তা হলে আমাদের অ্যাপাচি সার্ভার লোকেশন হবে C:/Apache2.2. Finish বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে তোমার অ্যপাচি সার্ভার চলতে শুরু করবে। সিস্টেম ট্রে তে লক্ষ করো অ্যাপাচির প্লে বাটনের মত আইকনটি() দেখা যাচ্ছে। অ্যাপাচি বন্ধ করার পর ঐ আইকনটি দেখতে স্টপ সাইনের মত হবে ()। ঐ আইকনে ক্লিক করে খুব সহজেই তুমি অ্যাপাচি সার্ভারটি চালু করতে বা বন্ধ করতে পারবে। অ্যাপাচি ঠিকমত চলছে কিনা বুঝতে হলে ব্রাউজার ওপেন করে এড্রেসবারে http://127.0.0.1/ বা http://localhost/ লিখো। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ব্রাউজারে 'It works!' লেখা একটি খালি পেজ দেখতে পাবে।

ডকুমেন্ট রুট(DocumentRoot ):
ওয়েব সার্ভার সেটাপ সম্পন্ন হওয়ার পর তাতে তোমার সাইট রাখার জন্য যে ফোল্ডারটি ব্যবহৃত হয় তাকে বলে DocumentRoot বলা হয়। তুমি যদি C:/Apache2.2 এ তোমার সার্ভার সেটাপ করে থাকো তা হলে তোমার DocumentRoot হবে C:/Apache2.2/htdocs লোকেশনে। তুমি চাইলে httpd.conf ফাইল থেকে পরিবর্তন করে যেকোন ড্রাইভ বা লোকেশনে এই DocumentRoot রাখতে পারো। এরজন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে "Apache HTTP Server 2.2 > Configure Apache Server > httpd.conf" খুলে DocumentRoot খুঁজে বের করো পরিবর্তন করে নিতে পারো।


----
এবার নিজের সাইট তৈরি তৈরি করে DocumentRoot ফাইলগুলো রেখে ব্রাউজারে http://127.0.0.1/ বা http://localhost লোকেশন থেকে ব্রাউজ করে দেখুন। কোন সমস্যা হলে জানাতে পারেন। পরেরপর্বে PHP সেটাপ করা দেখানো হবে।

- পরের পর্ব
--
লেখাটি কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28980803 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28980803 2009-07-20 11:08:11