somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য
প্রথমে যেহেতু একটি ফোরাম ইঞ্জিনের এক্সটেনশন হিসেবে কাজটা শুরু করেছিলাম সেহেতু ফিনিশিংটাও ওটা দিয়েই করছি। পাশাপাশি বাংলা বানান ও ভাষা বিষয়ক চমৎকার লেখালেখিগুলোকে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার প্রচেষ্টাও চালাচ্ছি।

বাংলা বানান যাচাইকরণঃ
বাংলা ভাষায় লেখা আপনার যেকোন লেখার সাধারণ ভুলগুলো ঠিক করে নিতে ব্যবহার করতে পারেন এই টুলটি। বানান ঠিক করার লিংকটি ওপেন করে আপনার লেখাটুকু কপি-পেস্ট করে দিন, অথবা ওখানেই টাইপ করুন। অতঃপর "যাচাই করুন" বাটনটিতে ক্লিক করুন। আপনার লেখাটিতে থাকা বানান সংক্রান্ত ভুলগুলোকে শুদ্ধ হয়ে আপনার চোখের সামনে ভেসে ওঠবে। তারপর ওখান থেকে কপি পেস্ট করে টেক্সটুকু যেকোন সাইটে ব্যবহার করতে পারবেন। (যাচাই করুন এ ক্লিক না করে "সাবমিট" এ ক্লিক করলে আপনার লেখার একটি কপি ওখানে সংক্ষিত হয়ে যাবে। কেউ চাইলে নিজের লেখাগুলোর একটি কপি ওখানে রাখতে পারেন, তবে তার জন্য আপনাকে নিবন্ধিত হতে হবে। কেউ নিবন্ধিত না হয়ে ভুলক্রমে সাবমিট দিয়ে ফেললেও সমস্যা নেই, একটা নির্দিষ্ট সময় পর আপনার পোস্টটি ওখান থেকে নিজে থেকে মুছে যাবে।

এই সিস্টেমটি এখনো প্রাথমিক অবস্থায় আছে বিধায় খুব বেশী বানান ঠিক করতে সক্ষম নয়। পরিক্ষামূলক ভাবে চালু করা এই বানান শুদ্ধিকরণ সার্ভিসে নিচের শব্দগুলো লিখে দেখুন-
আশ্চর্য্য, গীতাঞ্জলী, চট্রগ্রাম, দারুন, পুস্পাঞ্জলী, পোষ্ট , ব্যাক্তিগত, ব্যাবহার, ভূল, শ্রদ্ধাঞ্জলী, সাধারন, ধৈর্য্য


এই শব্দগুলোর মত আরো অনেক শব্দ আছে যেগুলোর বানানে আমরা সচারাচর ভুল করে থাকি। এধরনের আরো কমন ভুলের তালিকা তৈরি করে সিস্টেম ডাটাবেসে যুক্ত করার কাজ চলছে। এই ডাটাবেস তৈরিতে আপনিও ভূমিকা রাখতে পারেন। নিচের ফর্মেটে জানিয়ে দিন এধরনের সাদামাটা ভুল ও সঠিক বানানটি। উদাহরণ-
সাধারন - সাধারণ
দারুন - দারুণ
ভূল - ভুল
ধৈর্য্য - ধৈর্য

আপাতত বাংলা একাডেমীর আধুনিক বানানরীতি অনুসারে এটিকে সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে কাজটি আরো সহজ ও দ্রুততর হতে পারে। এই সিস্টেমটিকে আরো উন্নত করে বাক্য গঠন সংক্রান্ত ভুলগুলোও ঠিক করার ব্যবস্থা করা যায় কিনা ভাবছি। আপনাদের যেকোন ধরনের পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।

বানান শুদ্ধ করার জন্য নিচের লিংকে ভ্রমণ করুন-
লিংকঃ Click This Link

মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা নিচের লিংকে গিয়ে বুকমার্ক করে নিতে পারে-
লিংকঃ Click This Link

ইতিপূর্বে যারা বাংলা ভাষা বিষয়ক অসাধারণ সব পোস্ট দিয়ে সবাইকে সচেতন করেছেন তাদের লেখাগুলো সব ওখানে আর্কাইভ করার অনুমতি চাচ্ছি। সবচাইতে ভাল হয় যদি ওখানে নিক রেজিস্ট্রেশন করে নিজে থেকে পোস্ট করে রেখে আসেন।
লিংক: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28971984 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28971984 2009-07-01 05:14:55
Facebook.com এর রাজনৈতিক চেহারা!
ফেসবুক পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট তাতে কোন সন্দেহ নেই। ফেসবুকে সদস্য হওয়ার সময় আমরা কেউ-ই এই সাইটের মালিক কে বা কারা তা নিয়ে ভাবিনি বা ভাবার প্রয়োজন মনে করিনি। তবুও অনেকেরই আশংকা (বেশ কিছুদিন আগে আমিও কিছু আশংকা প্রকাশ করেছিলাম) এগুলো পশ্চিমাদের ও জায়ানিস্ট গোষ্ঠীর ফায়দা লুটার টুল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সেই আশংকাটা এত দ্রুত বাস্তবে পরিনত হবে তা ভাবতে পারিনি। তাই আজকে যখন ফেসবুকের তরফ থেকে একটি ম্যাসেজ পেলাম তখন বেশ অবাক হয়েছি। ইরান ইস্যুতে দুইটি বা দুইয়ের অধিক গ্রুপ থাকতেই পারে। সেই দুই বা ততোধিক গ্রুপের কে সঠিক আর কে ভুল সেটা অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু ইউটিউব বা ফেসবুক যখন এসব ইস্যুতে একটি পক্ষের হয়ে ওকালতি করতে শুরু করে তখন এই সাইটগুলোকে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা টুল হিসেবে ভাবাটাই স্বাভাবিক। সিএনএন এর রিপোর্ট দেখুন-


Facebook at the forefront 4:55
Facebook has been in the forefront of the battle for information out of Iran. CNN's Dan Simon reports.
Click This Link

ফেসবুকের এহেন রাজনৈতিক রুপের বিরোধীতা অনেক ফেসবুক সদস্যই করেছেন। তাদের কিছু বক্তব্য তুলে ধরি-









আরো দেখলাম অনেকে অভিযোগ করেছেন তাদের একাউন্ট ব্লক করার বিষয়ে। Sarah Tiessen নামের একজনের বক্তব্য দেখুন-


ফেসবুক CNN এর সাথে প্রোপাগান্ডা মিশনে নেমেই ক্ষ্যান্ত হয়নি বরং এর বিরুদ্ধে আসা বক্তব্যকে মডারেট করতে শুরু করেছে। ইসরায়েলীরা যখন ফিলিস্তিনে বর্বরতা চালিয়েছে তখন ফেসবুকে একটি গ্রুপ করে সেই বর্বরতার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছিলাম। সেগুলো ফেসবুক মুছে দিয়ে আমাকে সতর্ক করে দিয়েছিলো যাতে তা প্রকাশ না করি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি চালানো বর্বরতা প্রকাশে ফেসবুকের আপত্তি... আবার এদিকে ইরানীদের প্রতি কথিত বর্বরতা নিয়ে তারা ক্যাম্পেইন করে....

ফেসবুকে আমরা যখন সদস্য হয়ে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারছি মানে এই না যে ফেসবুকের রাজনৈতিক মতবাদ আমরা গ্রহণ করতে বাধ্য। অথবা আমার বন্ধু তালিকায় না থাকার পরও আমার পাতায় তারা তার রাজনৈতিক মতবাদ ছাপিয়ে জোরপূর্বক তা পড়তে বাধ্য করতে পারে। মিলিয়ন মিলিয়ন সদস্যের সামনে এভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব দেখি ও প্রোপাগান্ড টুল হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ফেসবুক তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। একই সাথে এই মিডিয়াগুলোর আসল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হচ্ছে।

----
৩৫ নং মন্তব্যের জবাবে দেয়া একটি মন্তব্যের কিছু অংশ মূল পোস্টে যুক্ত করে দিলাম। তাদের জন্য যারা বুঝেও বিষয়টি না বুঝার ভান করছেন-

পশ্চিমারা ইরান ইস্যুটাকে খুব গুরুত্বপূর্ন করে তুলতে চাচ্ছে। আর ফেসবুকের মত বিশাল একটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে নাড়াচড়া করে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ন হওয়াতে রসদ জুগিয়েছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28969235 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28969235 2009-06-25 07:50:54
মোবাইলে বাংলা সাইট পড়তে হলে যা করবেন
১) http://www.opera.com/mini থেকে প্রথমে অপেরা মিনি ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে নিন।


২) অপেরা মিনি ওপেন করে এড্রেসবারে লিখুন- opera:config


৩) অপেরা কনফিগার পেজ ওপেন হলে Use bitmap fonts for complex scripts অপশনটি খুঁজে বের করে YES করে সেভ করুন।


তারপর ইচ্ছে মত বাংলা সাইট ভ্রমণ করতে থাকুন।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।

বিঃদ্রঃ একই বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন আগে ব্লগার দুর্লভ একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28967715 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28967715 2009-06-21 23:06:31
হ্যাকিং এর শিকার "ইসলাম গ্রুপ"! গ্রুপের অতিরিক্ত এডমিন/মডারেটর ও সদস্যদের প্রতি.. 'ইসলাম গ্রুপের' এর একজন এডমিন এর আইডি হ্যাক করে গ্রুপের সকল সদস্যকে ব্যান হয়েছে ও গ্রুপ সম্পর্কে ব্লগে কিছু পোস্ট করা হয়েছিলো। এই অনাকাংখিত ঘটনার জন্য গ্রুপের সদস্যদের কাছে আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। গ্রুপটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য সা.ইন কতৃপক্ষের কাছে মেইল করা হয়েছে। সাম.ইনের সহায়তায় ডেটাবেস ব্যাকআপ থেকে গ্রুপটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার আগে পর্যন্ত নতুন কোন সদস্যকে গ্রুপে যোগদান না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

একই সাথে সামহোয়্যারইনের সর্বোচ্চ সংখ্যাক সদস্য সম্বলিত ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা গ্রুপ "কম্পিউটার", ফটোগ্রাফি গ্রুপ "ডিজিটাল ফটোগ্রাফি" এর সকল মডারেটর ও এডমিনদের পদ সাময়িক ভাবে অপসারণ করা হলো এবং তাদেরকে ই-মেইলে (trivuz@জিমেইল) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নিক হ্যাক হওয়া সক্রান্ত কিছু সতর্কতা ও গ্রুপ পরিচালনা বিষয়ক কিছু ব্রিফিং দেয়ার পর এডমিন ও মডারেটরদেরকে আবার পূর্ব পদে বহাল করা হবে। দুর্বল পাসওয়ার্ড ও অসতর্কতার কারণে নিক হ্যাক হওয়া খুব স্বাভাবিক ঘটনা বিধায় গ্রুপের এডমিন ও মডারেটরদের নিকের নিরাপত্তার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে 'দাবারুদের আড্ডাখানা' গ্রুপের নতুন নিয়োগকৃত এডমিন ও মডারেটরদেরকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য আহ্বান জানানো হলো।

এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28963298 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28963298 2009-06-11 18:42:40
গ্রুপ দাবা টুর্নামেন্ট - ২০০৯
এই বিষয়ে মতামত কাম্য...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28950085 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28950085 2009-05-13 11:09:17
আল-কায়েদা বনাম বুশ ও জেএমবি বনাম হাসিনা
জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলা নি:সন্দেহে জোট সরকারকে বিতর্কিত করেছে। ক্ষতি হয়ে বিএনপি-জামাত জোটের এবং এই ঘটনা থেকে লাভবান হয়েছে তৎকালীন বিরোধীদল তথা আজকের সরকারী দল আওয়ামীলিগ। আওয়ামীলিগ বরাবরই দাবী করে আসছে জেএমবি জোট সরকারের মদদে সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই জেএমবি জোট সরকারকে বিপাকে ফেলা ছাড়া আর তেমন কোন কাজেই আসেনি। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ও তৎকালীন সরকারের ইমেজ বহি:বিশ্বে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার পাশাপাশি আওয়ামীলিগের বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারনায় ব্যপক রসদ জুগিয়েছে।

জেএমবির নেটওয়ার্ক তৈরিতে যে কোন বিদেশী শক্তি জড়িত সেটা বেশ পরিষ্কার। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার পর তদন্ত করে জানা গেল বোমাগুলো সব ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে। ভারত এবং আওয়ামীলিগ যৌথ ভাবে দাবী করছে এই নেটওয়ার্কের পেছনে ইসলামী শক্তিগুলো রয়েছে। তাহলে সেই তথাকথিত ইসলামি শক্তি ভারতীয় পুরো গোয়েন্দা সংস্থা ও বিএসএফের দৃষ্টি এড়িয়ে কিভাবে দেশের ভেতরে বোমা হামলার প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করে?

জেএমবির বড় আকারের হামলার পর জোট সরকার খুবই দ্রুত জেএমিবর শীর্ষ নেতাদের ধরে ফেলতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি ফাঁসি দেয়া হয়েছে। আমাদের অভ্যন্তরিন গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ ও RAB-ই যথেষ্ট ছিলো এই কার্য সমাধা করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকারের ভাষ্য মতে প্রায় ধ্বংস করে দেয়া এই নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে নাকি বিদেশী শক্তির সাহায্য দরকার! দেশের যে সংস্থাগুলো অতীতে সাফল্যের সাথে এদের দমনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হয়েছিলো তাদের উপর এই সরকারের ভরসা এত কম কেন? নাকি বাংলাদেশে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপটাই এখানে মূর্খ্য?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামলে জেএমবি নেটওয়ার্ক যেন অনেকটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। তারপর হঠাৎ করে ঠিক নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই জেএমবি ঘোষণা করলো শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হবে। কেন? জেএমবির নেতাদেরকে তো ফাঁসি দিয়েছিলো জোট সরকার। তারা প্রতিশোধ নিতে চাইলে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাদের হত্যার হুমকি দিতে পারে.. তা না করে শেখ হাসিনাকে কেন? তাও আবার ঠিক নির্বাচন মূহুর্তে কেন? মনে পড়ে যায় বুশের বিন-লাদেন জুজুর কথা। বুশ প্রসাশন কোন কুকর্ম করার আগে বা নির্বাচনের আগে আগেই কোত্থেকে বিন লাদেন আবির্ভাব হয়ে একটা ভাষণ মেরে দিতো। মূর্খ বাঙালীর সামনে আমরা সেই পুরানো ট্রিকস আবার নতুন বোতলে দেখলাম মনে হচ্ছে।

আওয়ামীলিগ সরকার গঠনের পর হঠাঃ খুব দ্রুতই দেশের আইন শৃক্ষলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেল। আওয়ামী ছাত্র সস্থাগুলো এত ভয়ানক আকারে সন্ত্রাস আর নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে শুরু করলো যে অনেক গোড়া আওয়ামী সমর্থকও বিষয়টাকে সমর্থন দিতে পারলো না। এই সময়ে সরকার দাবী করলো তাদের সরকারের বয়স অল্প.. এত দ্রুত কিভাবে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করবেন? শান্ত একটা দেশে হঠাৎ করে তাদের সন্ত্রাসীরা যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে সেটার জন্য তারা আরো দুই বছর আগের সরকারকে দায়ী করলো। কি হাস্যকর যুক্তি...!

এর ভেতরে ঘটে গেল পিলখানার নির্মম ট্রাজেডি। সরকারের ব্যর্থতা আর সীমাহীন অবহেলা নিয়ে যখন সমালোচনা ওঠতে শুরু করলো ঠিক তখনি আবার জেএমবিকে দরকার হয়ে পড়লো। পিলখানার ঘটনার পর থেকেই আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও সাংসদরা ঘটনার দায় জেএমবির উপরে চাপাতে শুরু করলেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না, দোষ জেএমবির। ছাত্রলীগ ক্রমাগত সন্ত্রাস করে যাচ্ছে, দোষ জেএমবির। পিলখানার ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতাও জেএমবির কাঁধে।

আজকে দৈনিক সমকালে 'সরকারকে আলাদা ইসলামী প্রদেশ দিয়ে সমঝোতায় আসতে হবে' শিরোনামে জেএমবির একটি নিউজ এসেছে। সেখানে দেখলাম জেএমবির চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমান্ডার জাবেদ ইকবাল ওরফে মোহাল্ফ্মদ বলেছেন, "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্পীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না। শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা গোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে। জঙ্গিদের জন্য আলাদা প্রদেশ দিয়ে সেখানে ইসলামী আইন চালুসহ বিভিল্পম্ন দাবি মেনে নিয়ে সরকারকে সমঝোতায় বসতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম কারা সুপারের মাধ্যমে রাষ্দ্ব্রপতি ও প্রধানমন্পী বরাবরে তারা চিঠিও পাঠাবেন কয়েকদিনের মধ্যে।"
সৃত্র: http://www.shamokal.com/details.php?nid=106659

নিউজটির দিকে খুব ভাল ভাবে নজর করলেই কয়েকটি বিষয় খুব পরিষ্কার হয়ে ওঠে। লক্ষ্য করুন জেএমবি লিডারের নিজের মুখের বক্তব্য-

ক) "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না।"

ক.১) জেএমবির যদি জাতীয় সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুপ্ত হামলার পরিকল্পনাই থাকে তাহলে তারা সেটা এভাবে ফলাও করে প্রচার করতে যাবে কেন? তাদের এই বক্তব্য কি গত কয়েক সপ্তা ধরে সরকারের বক্তব্যগুলোকেই শক্তিশালী করছে না যে সরকার জেএমবি কতৃক আক্রান্ত?

লক্ষ্য করুন তাদের বক্তব্যগুলো-
খ) "শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাগোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে।".. আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জাবেদ এসব হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে জাবেদ এসব কথা বলেন।

খ.১) ইসলামী আন্দোলনকারীরা নিজেদের নেতাকে এভাবে 'জঙ্গি নেতা' বলে দাবী করে?
খ.২) জেএমবি গোপনে শক্তি সঞ্চয় করে থাকলে তাদের দমন করা যায়নি বলে অকারণে কেউ এভাবে নিজেদেরই তথ্য প্রকাশ করে?
খ.৩) গোপন তৎপরতার খবর কেউ এভাবে সবার সামনে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দেয়?
খ.৪) আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ১৫ মিনিট ধরে এভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করার বিষয়টি লক্ষ্য করুন।

জাবেদ আদালতকে আরো বলেন, "সারাদেশে যে আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা বন্ধ হবে না। "... তার মানে সারাদেশের আইনশৃক্ষলা পরিস্থিতির অবনতি, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, পিলখানার ঘটনা সবকিছুর দায় জেএমবি স্বেচ্ছায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিলো? আওয়ামীলিগের গত কয়েকসপ্তাহের প্রচারনাগুলোকে হালাল করতে? উল্লেখ্য পিলখানার ঘটনার তদন্তকারীরা দুইদিন আগেও বলেছে এই ঘটনায় তারা জেএমবির সংশ্লিষ্টতা পায়নি। এমতাবস্থায় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের জেএমবি কানেকশন সম্পর্কিত বক্তব্যগুলোকে হালাল করার এর চাইতে আর উৎকৃষ্ট পদ্ধতি কী হতে পারে?

জেএমবি কারা এবং কাদের সুবিধামত কাজ করে যাচ্ছে ও কাদের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করছে তা নিয়ে আমাদের আরো গভীর ভাবে ভাবতে হবে। আমরা চাই ইসলাম ও দেশের জন্য ক্ষতিকর এসব জেএমবি নেটওযার্কের সম্পূর্ন ধ্বংস এবং এরা যাদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে তাদের বিচার।

একই সাথে ফেসবুক , আইডি বাংলাপ্রথম আলো ব্লগে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28928296 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28928296 2009-03-23 12:33:56
অনলাইনে টাকা কামানোর সবচাইতে সহজ পন্থা..!
পৃথিবীটা বোকা মানুষে ভরপুর হলেও আমার নিজের দেশের মানুষের উপরে আমার ভালই আস্থা ছিলো এতদিন। সম্প্রতি সেই আস্থার দেয়ালে ফাঁটল ধরতে শুরু করেছে। বছর খানেক আগে এডসেন্স এবং ব্লগিং থেকে টাকা কামানো সম্পর্কিত কিছু টিউটোরিয়াল লিখেছিলাম। আশা ছিলো সাধারণের উপকারে আসবে.. তারা কিছু ডলার কামিয়ে দেশের রেমিটেন্সে কিছুটা হলেও অবদান রাখবে। টিউটোরিয়ালগুলো থেকে অন্তত টাকা কামানোর পদ্ধতির সাথে অনেক পরিচিত হয়েছে। এতে যে সবাই সফল হবে এমনও না.. কিন্তু চেস্টা করতে দোষ কী? যাই হোক.. সম্প্রতি খুব অবাক হয়েছি এইসব পদ্ধতির টিউটোরিয়াল নিয়ে শ্রেণীর মানুষকে ব্যবসা করতে দেখে। তারা এইসব সাধারণ টিউটোরিয়াল সিডিতে করে বাজারে ছেড়ে চড়া দামে বিক্রি করতে শুরু করেছে। কিছু সেমিনারওয়ালাও দেখলাম গজিয়ে উঠেছে। হাজার টাকা খরচ করে লোকজন সেই সেমিনারে গিয়ে টাকা বানানোর পদ্ধতি শিখে আসছে। যারা টাকা কামানোর পদ্ধতি শিখছে তারা টাকা কামাতে পারুক আর নাই পারুক সেমিনারওয়ালারা কিন্তু ঠিকই অনেক টাকা কামিয়ে নিচ্ছে। এটা এক ধরনের লোক ঠকানোর বানিজ্য ছাড়া আর কিছুই না। অথচ সকলের সামনেই চলছে এই কারবার। যেন কারোই কিছু বলার নেই...

তো এই ডিজিটাল ঠকবাজদের পাল্লায় যারা পড়েছেন তারা কিছু শিখতে না পারলেও একটা বিষয় কিন্তু শেখার কথা... সেটা হচ্ছে টাকা কামানোর পদ্ধতি অন্যকে শিখিয়ে কিভাবে টাকা কামানো যায়। আমি অনেক চিন্তা ভাবনা করে আরো আধুনিক আরো ডিজিটাল একটা পদ্ধতি বের করলাম। চলুন আমরা সেই পদ্ধতি শিখে ফেলি...

টাকা কামানোর সহজ পদ্ধতি:
- প্রথমে আপনি একটা ওয়েবসাইট খুলবেন বা পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দিবেন.. এই মর্মে যে- "এখানে টাকা কামানোর সহজ পদ্ধতি শেখানো হয়"।
- তারপর যারা টাকা কামানোর পদ্ধতি শিখতে আসবে তাদেরকেও পরামর্শ দিবেন এরকম টাকা কামানোর পদ্ধতি শেখানোর ট্রেইনিং সেন্টার দেয়ার জন্য। স্টুডেন্ট জোগার করতে পারলে নিশ্চিত ভাবেই তারা টাকা কামাতে পারবে।

কিভাবে টাকা কামানোর কথা বলে লোকজনের পকেট থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়া যায় তা সকলে জেনে যাওয়ার আগেই সত্যিকার অর্থে কিছু লোক টাকা কামিয়ে ফেলতে পারবে। এটা অন্তত মন্দের ভাল.... হাজার টাকা ফি নিয়ে যে পদ্ধতি শেখানো হয় সেই পদ্ধতি থেকে অন্তত বেশী কার্যকরী।

জয়তু ধান্ধাবাজী!
--
পূর্বে প্রকাশিত, প্রথম আলো ব্লগফেসবুকে
একই সাথে কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28928191 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28928191 2009-03-23 03:33:18
সুমন রহমান এর 'সামহোয়্যারনামা ৪' এর প্রেক্ষিতে কিছু কথা (ত্রিভুজ) সামহোয়্যারনামা ৪ এর বিষয়বস্তুতে ত্রিভুজ আর তার ভার্চুয়াল যুদ্ধ বিষয়ক কিছু তথ্য এসেছে। তথ্যগুলোর বাস্তবিক তেমন কোন ভিত্তি না থাকলেও সুমন রহমানসহ আরো অনেক ব্লগার এগুলো বিশ্বাস করেন। এসব ধারনা ও তথ্য প্রচারে আমি সাধারণত বাঁধা দেই না... তবুও এবার আসল সত্যটা তুলে ধরার একটা ছোট্ট প্রয়াস নিচ্ছি... কোন বিষয়ে দ্বিমত থাকলে নির্দ্বিধায় তুলে ধরতে পারেন।


সুমন রহমানের লেখায় যে কয়েকটি বিষয় ফুটে ওঠেছে বলে মনে হলো(ভুল বুঝলাম কিনা তাও জানাতে পারেন)-
১) এ-টিম হল সামহোয়ারের প্রথম এলিট গ্রুপ যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি হিসেবে কাজ করে।
২) ত্রিভুজ এর একটি দল রয়েছে যারা জামাত পন্থী।
৩) এটিমের মত হীন কৌশল অবলম্বন করতে ত্রিভুজও পিছপা হয়নি।
৪) এটিমের মত ত্রিভুজেরও রয়েছে দুর্ধর্ষ এবং আত্মঘাতী নিকস্কোয়াড।
৫) এসি-টিম প্রো-প্রগ্রেভ, প্রো-লিবারেশন, সেক্যুলার এবং বিজ্ঞানমনস্ক।
৬) ঐতিহাসিক ভাবে ত্রিভুজ এন্টি-লিবারেশন, প্রো-জামাত এবং প্রো-ইসলামী নেটওয়ার্কেই সময় কাটিয়েছে।
৭) এ-টিমকে গালির উপলক্ষ তৈরি করে দেয়াতে ত্রিভুজকে বা তার নেটওয়ার্ককে তৎপর দেখা গিয়েছে।
৮) এ-টিমের ব্লগারদের ব্যক্তিগত প্রসঙ্গের সত্যমিথ্যা ব্লগে প্রকাশ করে দেয়ার মাধ্যমে ইমেজ ডাউনসাইজ করার কাজ করে গিয়েছে ত্রিভুজ বা তার নেটওয়ার্ক, রিলিজিয়াসলি।
৯) উইকিপিডিয়ায় কন্ট্রিবিউট করতে গিয়ে ত্রিভুজ ধরা খেয়েছে।
১০) ত্রিভুজ আক্রান্ত হয়েছে সামহোয়ারে এবং অপরাপর কম্যুনিটি ব্লগগুলোতে।
১১) এটিমের আক্রমন ত্রিভুজকে কাহিল করতে না পারলেও "অশ্রু" নামের একটি নিক এই বিষয়ে সফল।
১২) ব্লগীয় রাজাকার ও ব্লগীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এটীম অন্য কিছু করার সময় পায়নি।

এই বারোটি পয়েন্টের বিষয়ে আমার বক্তব্য (অল্প কথায়):
১) আমার দৃষ্টিতে এটিম হলো সেই গ্রুপ যারা মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কলুষিত করেছে ব্লগে।
২) ত্রিভুজের কোন দল নাই। দল থাকলে ত্রিভুজের বিরুদ্ধে করা পোস্টগুলোতে প্রতিবাদের বন্যা দেখা যেতো.. সেরকম কিছু দেখা যায় না। এটিমের বিরুদ্ধে কিছু লিখলেই তেমনটা দেখা যায়। আর ত্রিভুজের রাজনৈতিক বা দলীয় অন্ধত্ব নাই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম দিকে সকল রাজনৈতিক দল ও তাদের বেশীর ভাগ সমর্থকরা দূর্নীতি দমনের বিরুদ্ধে থাকলেও ত্রিভুজ সেই দুর্নীতি দমনকে স্বাগত জানিয়েছিলো। ত্রিভুজের পুরানো পোস্ট ঘাঁটলে আওয়ামীলিগ, বিএনপি ও জামাত সহ সকল দলেরই সমালোচনা পাওয়া যাবে।
৩) এটিমের মত কোন হীন কৌশল ত্রিভুজ গ্রহন করেছে সেটা পরিষ্কার করার জন্য লেখকের প্রতি ত্রিভুজের আহবান রইলো। অন্য ব্লগাররাও এগিয়ে আসতে পারেন..
৪) কিসের ভিত্তিতে এই বক্তব্য দিলেন? ত্রিভুজের দুর্ধর্ষ এবং আত্মঘাতী নিকস্কোয়াড এর কয়েকটা নিকের নাম বলার জন্য অনুরোধ রইলো।
৫) ওয়েব কমিউনিটিতে ট্রোলিং করা যদি প্রো-প্রগ্রেভ, প্রো-লিবারেশন, সেক্যুলার এবং বিজ্ঞানমনস্কতা হয় তাহলে আমার কিছু বলার নাই।
৬) ত্রিভুজ আরো অনেকের সাথেই সময় কাটিয়েছে। এটিমের আক্রমনের একটা কৌশল ছিলো ইসলাম নিয়ে লিখলেই কাউকে প্রথমে রাজাকার ঘোষণা করা তারপর আক্রমন করা। এই তথাকথিত রাজাকারদের আক্রমনের যেমন প্রতিবাদ ত্রিভুজ করেছে তেমনি স্বঘোষিত অনেক নাস্তিক ব্লগারকে আক্রমন করলেও ত্রিভুজ প্রতিবাদ করেছে। ব্লগে অসুস্থ এক চরিত্র 'মাহমুদুল হাসান রুবেল' এর 'মিথিলা নাটকের' পর যখন সবাই রুবেলের পিন্ডি চটকাতে ব্যস্ত তখন সেই স্রোতে গা না ভাসিয়ে ত্রিভুজ সবাইকে শান্ত হতেই আহবান জানিয়েছিলো। অথচ সেই রুবেল কিন্তু চরম এন্টি ত্রিভুজ গ্রুপেরই একজন একটিভ সদস্য! ট্যাগিং করার সময় এই বিষয়গুলো কেউ বিবেচনা করে নাই...
৭) ব্লগে ত্রিভুজের কোনরকম নেটওয়ার্ক নিয়ে ঘুরে না, আগেই বলেছি। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।
৮) এটিমের ব্লগারদের সত্য-মিথ্যা ব্লগে প্রকাশ করার মহান(!) দায়িত্ব কখনো ত্রিভুজকে পালন করতে দেখা যায় নাই। স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধা ব্লগার অমি রহমান পিয়াল নিজের যৌবনজ্বালায় তার ৪০০০ এডাল্ড পোস্ট দেয়ার বিষয়টি ব্লগে সবাইকে জানিয়েছিলো। সেই সময়ে পর্নগ্রাফির পক্ষে অবস্থান নেয়া ব্লগারের সংখ্যাটাও নেহায়েত কম ছিলো না.. এ সম্পর্কিত একটি পরিসখ্যান ব্লগেই আছে। Click This Link
৯) এই বিষয়ে আমার দুটো পোস্ট ছিলো। লেখককে পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো।
১০) এই তথ্যটা পুরোপুরি ঠিক নয়। ব্যক্তিগত ব্লগ সাইট, ইয়াহু গ্রুপ, গুগল গ্রুপ ইত্যাদিতে ত্রিভুজ বিরোধীরা প্রচারণা চালাচ্ছে বটে কিন্তু অন্য কমিউনিটিগুলোতে তারা এসব ট্রোলিং করার সুযোগ পায়নি। উদাহরণ হিসেবে প্রথম আলো ব্লগ কমিউনিটিতে ত্রিভুজের ব্লগ দেখে আসতে পারেন লেখক।
১১) অশ্রু নিকের মালিক এরকম দাবী করলেও এর কোন বাস্তবতা নেই। কেউ নোংরামী করে নিজেকে সফল দাবী করলেই সে সফল হয়ে যায় না এটা সুমন রহমান না বুঝতে পারলে আমার করার কিছু নেই।
১২) সামহোয়্যারইনে এটিমের মূল মিশন ছিলো ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করা.. মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কাজ করা না। ব্লগের বেশীর ভাগ তথাকথিত রাজাকারী নিকগুলোও মালিকও এরা। এই বিষয়ে গত তিন বছরে আমি একাধিক পোস্ট দেয়ার পরেও তারা এই কাজগুলো চালিয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি তাদের দলেরই একজন ঘটনাগুলো ফাঁস করে দেয়। Click This Link

ত্রিভুজ এর বিষয়ে এসব ভ্রান্ত ধারনার জন্য ত্রিভুজ কখনো অন্যকে তেমন ভাবে দায়ী করে না। মূলত ত্রিভুজের বিরুদ্ধে ব্লগে এবং ব্লগের বাইরে অনেক রকম অপপ্রচার রয়েছে। ত্রিভুজের এমন অনেক বন্ধু রয়েছে যারা আগে এসব অপপ্রচারে কান দিয়ে ত্রিভুজকে খারাপ জানতো... পরে তারা ত্রিভুজের বেশ ভাল বন্ধু হিসেবেই ত্রিভুজের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। এরকম একজনের সাথে ম্যাসেঞ্জারে হওয়া আলাপের কিছু অংশ প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় তুলে ধরছি-

জনৈক বন্ধু: তোমার নামে ব্লগে আর ব্লগের বাইরের অপপ্রচারগুলো নিয়ে কিছু বলো না কেন?
ত্রিভুজ: বললে কী হতো?
বন্ধু: বললে সবাই সবার ভুল বুঝতে পারতো.. তারা তোমাকে খারাপ মনে করতো না।
ত্রিভুজ: নিজের বিবেক বুদ্ধি প্রয়োগ না করে যারা অন্যের কথায় বিশ্বাস করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে তাদের কাছে ভাল হওয়ার কোন ইচ্ছে নাই.. মূর্খদের কাছ থেকে দূরে থাকা উত্তম।
বন্ধু: তারা যে সবাই মূর্খ এমনও তো না.. ব্লগে তারা অনেক ভাল ভাল কাজ করতেছে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে করা কাজগুলো তার ভেতরে অন্যতম।
ত্রিভুজ: যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে অনেক ভাল ক্যাম্পেইন হচ্ছে বটে.. আমিও সেটা সমর্থন করি। কিন্তু এদের বেশীর ভাগই হলো সুবিধাবাদী চরিত্র... তাদেরকে ভাল মনে হওয়ার কারণ কী?
বন্ধু: খারাপ মনে হওয়ারই বা কারণ কী?
ত্রিভুজ: যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে যারা নাচতেছে তাদের গিয়ে বলো সকল দূর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে এধরনের একটা ক্যাম্পেইন করতে পারবে কিনা.... কাউকেই পাবে না। নিজের প্রিয় দলের সমালোচনা করতে বলো.. কেউ এগিয়ে আসবে না... দেশ এদের কাছে কোন ফ্যাক্টই না..
বন্ধু: তবুও তুমি নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করে কিছু লিখতে পারো। আমার মনে হয় লেখা উচিত।
ত্রিভুজ: আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হবে কেন? সবাই তো আমার কাজকর্ম দেখতেই পাচ্ছে... যারা নিজের বিচার বিবেচনার চাইতে অন্যের কথার উপরে বেশী ভরসা করে তাদের কাছে ভাল হওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নাই। তবুও আমার বিষয়ে অপপ্রচারের জবাবে একবার পোস্ট দিয়ে সবাইকে প্রমাণ করে যেতে বলেছিলাম। সেখানে তো কেউ কিছু লিখতে পারলো না... এরপর আর বলার কী আছে?

যাই হোক, সত্যিকার অর্থেই ত্রিভুজ তার নামে বাতাসে ভেসে বেড়ানো নানারকম অপপ্রচারে বিচলিত নয়। সত্যিকার বুদ্ধিমান ও প্রাজ্ঞাবানরা কখনো এসবে কান দেয় না.. যারা দেয় সেইসব মূর্খদের নিয়ে ভাবার সময় ত্রিভুজের নাই।

সবাইকে ধন্যবাদ। আর সুমন রহমান এর সামহোয়্যারনামার পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28927717 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28927717 2009-03-22 04:33:41
অবশেষে সাফল্যের পথে আওয়ামীলিগ! অভিনন্দন!! আওয়ামীলিগ সরকারের শেষের দিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বাংলাদেশে আসলেন । এর আগে থেকেই আওয়ামীলিগ প্রচার করে আসছিলো যে বাংলাদেশ আফগানিস্তান হয়ে ওঠছে। ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় সেই প্রচারনা এতই জোরালো হলো যে আমাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ক্লিনটনের সাথে আমরা বসার আগেই তিনি জান নিয়ে পালালেন। ক্ষতিগ্রস্থ হলো বাংলাদেশের জনগণ।

আমেরিকা গিয়ে আমাদের মহান নেত্রী শেখ হাসিনা প্রচার করে এলেন বাংলাদেশে তালেবান আর আলকায়েদায় ভরপুর। এক প্রচারণাতেই বাংলাদেশকে ব্ল্যাক লিস্টেড করা হলো। পরে হিলারী ক্লিনটনের লবিং এ বাংলাদেশ সেই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছিলো। তবে ততদিনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জীবন অতিষ্ঠ।

তারপরের ইতিহাস সবাই জানেন। ক্রমাগত দেশের নামে বিদেশে দূর্নাম রটিয়ে আসছে আমাদের মহান নেত্রী হাসিনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। উদ্দেশ্য একটাই, আফগানিস্তানকে আমেরিকা যেভাবে ট্রিট করছে বাংলাদেশকেও যেন সেভাবে করা হয়।

ক্ষমতায় যাওয়ার কিছুদিন আগেও আমাদের মহান হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এক আমেরিকান সেনা কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে হার্বাডে থিসিস প্রকাশ করে দিলেন যে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে ইসলামিস্ট(Islamist) দ্বারা ভরপুর হয়ে গিয়েছে। দেশের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল সবই নাকি ইসলামিস্ট ও তালেবানী সন্ত্রাস রোগে আক্রান্ত। ইসলামিস্টরা নাকি হসপিটালে ভাল ব্যবহার করে দেশের মানুষের ব্রেইন ওয়াশ করে দিচ্ছে। স্কুল কলেজে ইসলামিস্ট বেড়ে যাচ্ছে... দেশে বোরখা বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়া নাকি এর অন্যতম বড় প্রমাণ। সুতরাং ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ সোনাবাহিনী ও বাংলাদেশ থেকে ইসলামিজমের ভূত তাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিলেন। ইসলামিস্ট দের দেখে নেয়ার প্রকাশ্য অঙ্গীকার সেই থিসিসে ছিলো।

আওয়ামীলিগ ক্ষমতায় এলো। এসেই ভারতের দীর্ঘদিনের একটা ভিত্তিহীন অভিযোগকে হাসিনা সরকার স্বীকার করে নিলেন। ভারতের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর দূর্নামের ভাগী হলাম আমরা। এই সন্ত্রাস দূর করতে ভারতীয় বাহিনীকে নিয়ে আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করলেন তারা। স্বভাবতই বিরোধীদল এবং দেশের জনগন এটাকে ভাল চোখে দেখছিলো না। সরকার উপলদ্ধি করলো ভারতের আজ্ঞাবহ হওয়াটা যতটা সহজ ভেবেছিলেন ব্যপারটা আসলে ততটা সহজ নয়।

এরপর ঘটে গেল পিলখানা ট্রাজেডি। পিলখানার ঘটনার দিন থেকেই ভারত আবার নতুন উদ্যমে এই ঘটনা কারা ঘটিয়েছে তা প্রচার করে দিলো। ঘটনার দিন থেকেই এর পেছনে কারা দায়ী তা নিয়ে নানরকম ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে শুরু করলেন আমাদের বানিজ্যমন্ত্রী(!) ...! ধীরে ধীরে ভারতের সাথে সুর মেলাতে শুরু করলো আমাদের সরকারও... মিডিয়ার শক্তি ব্যবহার করে মোটামুটি স্ট্যাবলিশ করার গেল যে এটা সেই তথাকথিত সন্ত্রাসীদের কাজ যাদের দমন করতেই আওয়ামীলিগ এতদিন ধরে এত তদ্বীর করে আসছে। সুতরাং ভারতের সাথে আঞ্চলিক সন্ত্রাস দমন টাস্কফোর্স করতে আর বাঁধা কোথায়!

এর ভেতরে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঘটেছে যেটা আমাদের বিবেকবান মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষন করতে তেমন একটা সমর্থ হয়নি। পিলখানার ঘটনার পরপরই সজীব ওয়াজেদ জয় আল-জাজিরায় একটা বিবৃতি দিয়ে দিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ সরকারের আন-অফিসিয়াল এডভাইজার হিসেবে নিজেকে দাবী করেছেন।

এর ভেতরে আমাদের মহান প্রধানমন্ত্রী বিদেশী পত্রিকাতে প্রচার করে দিলেন বাংলাদেশে সন্ত্রাস এত বেড়ে গিয়েছে যে তার নিজেরই কোন নিরাপত্তা নাই। পরোক্ষভাবে দাদাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হলো বলতে গেলে। এর ভেতরে আব্দুল গাফফার চৌধূরী নামের আওয়ামী বুদ্ধিজীবি আবার নতুন করে বিবৃতি দিতে শুরু করলেন। সেই আব্দুল গাফফার চৌধূরী যিনি কয়েক বছর আগে ভারতকে অনুরোধ করেছিলেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সামরিক হস্তক্ষেপ করার জন্য। সরকার দেখলাম তাকে এবার নানারকম পুরুষ্কারেও ভূষিত করতে যাচ্ছে এসব মহান অবদানের জন্য।

সংসদ ভবন হতে শুরু করে সর্বত্র যখন সরকার দলীয়রা কোন রকম তদন্ত ছাড়াই বিবৃতি দিয়ে ঘটনার পেছনের ঘটনা ফাঁস করে দেয়ার মহান দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তখনি বেরসিক RAB গিয়ে ধরলো আওয়ামীলিগেরই একজন নেতাকে। তার কাছ থেকে নাকি অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে.. তবে সেগুলো জনগণ জানতে পারবে কিনা সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সরকারী মাধ্যম ও মিডিয়া ততক্ষনে প্রচার করে দিয়েছে এই ঘটনার মূলে আছে জেএমবি। সেই জেএমবি, যার শীর্ষস্থানী লিডার ছিলেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরম-আত্মীয়। সম্প্রতি জানা গেল পিলখানার ঘটনা সমাধান করতে যে মির্জা আজমকে পাঠানো হয়েছিলো তিনিও নাকি শায়খ আব্দুর রহমানের আত্মীয়। কাকতাল না বকতাল?

যাই হোক, শেষ পর্যন্ত.... আজকে ১৯ মার্চ, ২০০৯ ভারতে সিআইএ'র প্রধান লিওন প্যানেট্টা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছেন মর্মে খবর পাওয়া গিয়েছে। বার্তাসংস্থা শিনহুয়া ও রয়টার্স ভারতীয় সংবাদ সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে, এসব আলোচনায় পাকিস্তান , আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্থান পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকার সেই তথাকথিত সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের তালিকায় আফগানিস্তান ও ইরাকের পর এবার বাংলাদেশের নামটাও যুক্ত হয়ে গেল।

এতদিনে আওয়ামীলিগের বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচারগুলো সফল হতে যাচ্ছে। আওয়ামীলিগকে অগ্রিম অভিনন্দন....!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28926783 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28926783 2009-03-20 00:10:43
শেখ হাসিনাকে না হয় ভারত বাঁচাবে.. আমাদেরকে কে বাঁচাবে?
যাদের কাজ দেশকে শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করা সেই সামরিক বাহিনীই আক্রান্ত। যারা আক্রমণ করেছে তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের চোখের সামনে দিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল। অবশেষে আমাদের মন্ত্রীমহোদয়েরা ঘোষণা করলেন দেশ নিরাপদ নয়। জায়গায় জায়গায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির খবর আমরা খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে দেখতে পাচ্ছি। এসব দেখে আমাদের আতংক বাড়ে বৈ কমে না.. এর ভেতরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিদেশী সংবাদপত্রে নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে দিলেন। পুরো বিশ্ব জানলো বাংলাদেশ এমন এক দেশ যেখানে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নিরাপদ নন... সামরিক বাহিনীর অফিসারদের তো কচুকাটা আগেই করা হয়েছে... আর জনগণ তো...



লিংক: Click This Link

যাই হোক, অত্যন্ত আনন্দের কথা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত আমাদেরকে তাদের অঙ্গরাজ্য মনে করে এখানের মূখ্যমন্ত্রী তথা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে নিয়েছে। তারা বলেছে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। দরকার হলে সরাসরি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবে। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর তাহলে চিন্তার কিছু নাই। কিন্তু আমজনতার নিরাপত্তার কী হবে? আমাদের স্বাধীনতার কথা আপাতত নাই বা ভাবলাম....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28925876 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28925876 2009-03-18 04:08:46
Atari 2600 নামের সেই আজব বক্সটা

ছবি: Atari 2600 গেম কনসোল (ছবিটি সূত্র: উইকিপিডিয়া)

Atari 2600 পরিচিত ছিলো Atari VCS - (Video Computer System) নামে যা ছিলো পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বেজড গেম কনসোল। ১৯৭৭ সালে এটি যখন বাজারে এলো তখন চারদিকে হৈহৈ পড়ে গেল। গেম চালনার জন্য দুটো প্যাডেল প্যাড ও জয়স্টিক ছিল এর সাথে। গেমগুলো পাওয়া যেত কার্টেজ আকারে। উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে Combat এবং PacMan ছিলো এর প্রথম দু'টো কার্টেজ। বিপুল মার্কেট পাওয়ার কারণে ১৯৮২ সালে Atari 5200 নামে এর একটি উন্নত সংস্করণও এসেছিলো।


ছবি: Combat এবং PacMan। পৃথিবীর প্রথম গেম কার্টেজ।

এখনকার দিনের গেমগুলো খেলার পর সেই আটারী যুগের গেমগুলো হয়তো অনেকেরই ভাল লাগবে না। কিন্তু এই ছোট ছোট গেমগুলোই একসময় চরম উৎসাহের সাথে দিনের পর দিন খেলে গিয়েছি। একই পুলিশ চোরকে দৌড়াচ্ছে.. একই বিমান সব ধ্বংস করে যাচ্ছে... একই প্যাকম্যান সব খেয়ে ফেলছে। একটা গেমের কথা খুব মনে আছে... আমরা নাম দিয়েছিলাম "ভূতের গলি"। অলিগলি দিয়ে কিম্ভুতাকার সব বস্তু ঘুড়ে বেড়াতো। সুজোগ পেলেই তারা আপনাকে খপ করে খেয়ে ফেলবে... আপনার কাজ হচ্ছে মাইন পেতে রেখে যাওয়া... তারপর তাদেরকে ট্রাপ করে সেই মাইনের উপরে ফেলা... যায়গা মত পড়লেই ঠাস্‌ ঠাস্‌ ঠাস্‌ ঠাস্‌ শব্দের প্রতিধ্বন্নি তুলে ভূতবাবাজী অক্কা পেত। মাইন ফুটলে যে ঠাস্‌ ঠাস্‌ শব্দ হয় এটা আমরা বিশ্বাস না করলেও ঠাস্‌ ঠাস্‌ শব্দে ভূতের মৃত্যুটা খুব উপভোগ করতাম। একটা গেম ছিলো মাটিকাটা। মানে আমরা নাম দিয়েছিলাম। মাটি কেটে কেটে চলতো সেটা... সুচের মত চিকন একটা বিমান ছিলো যেটা উপরের দিকে উড়তে থাকতো আর পথে হেলিপ্টার থেকে শুরু করে নানারকম বিমানের আবির্ভাব হতো। এরকম আরো অনেক রকম গেম ছিলো....! সেই বিখ্যাত গেম কনসোলটা মামার বাসা থেকে খালার বাসা হয়ে আমার বাসায় শেষ পর্যন্ত এসেছিলো। এখনো স্টোররুম ঘাঁটলে হয়তো পাওয়া যাবে এই বিখ্যাত বস্তুটা!


চিত্র: আটারী কনসোলের একটি গেমের স্ক্রিনশর্ট (উইকি থেকে)

যাই হোক, হঠাৎ করে আটারীর কথা মনে পড়ার কথা নয়। ঐদিন কাজ করছিলাম আর পড়ছিলাম। হঠাৎ একটা বিষয়ে সার্চ দিতে গিয়ে স্টেলা ইমুলেটরটার সন্ধান পেলাম যেটা দিয়ে আটারীর গেমগুলো খেলা যাবে। আরেকটু খুঁজতেই ROMগুলো পেয়ে গেলাম। প্রায় হাজারখানেক গেম আছে ওখানে। গেমগুলো সহ পুরো প্যাকেজটা আপলোড করে দিলাম। যারা কখনো খেলে দেখেননি তারা ট্রাই করে দেখতে পারেন।


ডাউনলোড করতে: এখানে ক্লিক করুন


ডাউনলোড করার পর C ড্রাইভে আনজিপ করে নিন। লোকেশন হবে C:\Atari2600। তারপর Stella.exe ফাইলটা রান করলেই গেমের তালিকা পেয়ে যাবেন। অণ্য কোন ড্রাইভ বা লোকেশনে আনজিপ করলে তালিকাটা দেখাবে না। তখন অপশনে গিয়ে ROM (.bin) file path ঠিক করে দিন। আপনার গেমের লোকেশন যদি হয় C:\Atari2600 তাহলে এই লোকেশন হবে C:\Atari2600\roms। মানে গেমের roms ফোল্টারটা দেখিয়ে দিতে হবে।

তালিকা হতে যেকোন গেম ওপেন করে স্পেসবার বা F1, F2, F3 ব্যবহার করুন গেম শুরু করার জন্য। মুভমেন্টের জন্য এ্যারো কী এবং গোলাগুলি বা অন্য কাজে স্পেসবার, Alt, Ctrl বা অন্য কোন কী ব্যবহৃত হতে পারে। X-Doom বা Pacman দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারেন।


ছবি: স্টেলা আটারী ইমুলেটর।


আটারীর সেই বিখ্যাত চোর-পুলিশ খেলা.. যেটা অসংখ্যবার খেলেছিলাম।


এই ভিডিওটায় অনেকগুলো গেমের প্রিভিউ দেখা যাবে।

আটারী ২৬০০ এর বিখ্যাত কিছু গেমের ভিডিও দেখতে ও ডাউনলোড করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28924597 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28924597 2009-03-15 13:02:00
মিডিয়া যার মুল্লুক তার
ইন্টারনেটে সেনাকুঞ্জের অডিও প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ইউটিউব, ইস্নিপ্স সহ বেশ কিছু সাইট সরকার ব্যান করে দিলো। অনেকেই এই ঘটনার নিন্দা করেছেন এবং সাইটগুলোর আনব্যান দাবী করেছেন। ফেসবুকে এটা নিয়ে গ্রুপও হয়েছিলো কিছু। কিন্তু আন্দোলনটা ততটা জোড়ালো ভাবে হয়নি। অথচ বছরখানেক আগেই সচলায়তন নামের অখ্যাত এক সাইট ব্যান হওয়া নিয়ে ব্লগ-ফোরামে কি কান্ডটাই না হলো। তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং আর্মিদের পিন্ডি চটকানো হলো... সেই তুলনায় ইউটিউব ও ইস্নিপ্স ব্যান হওয়া নিয়ে তো কেয়ামত হয়ে যাওয়ার কথা। গতবার চরম হৈচৈকারীদের কেউ কেউ দায়সারা গোছের কিছু বক্তব্য দিলেও তাদের আগের সেই তুমুল সমালোচনার ধারাটা বজায় থাকতে দেখিনি। একই কাজ আওয়ামী সরকার না করে বিএনপি সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার করলে কী হতে পারতো তা আমরা অতীতের ঘটনা থেকেই বুঝতে পারি।

পিলখানার ঘটনায় আবার ফিরে আসি। পিলখানার ঘটনা যে বিশাল বিশাল কিছু প্রশ্নবোধক চিহ্নের জন্ম দিয়েছে সেগুলো কিন্তু বেশীর ভাগ মিডিয়াই কাভার করেনি। একটি বা দুটি মিডিয়া বিষগুলো নিয়ে কিছু কিছু খবর প্রকাশের ফলে ক্ষমতাসীন সরকারের মন্ত্রী ও দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদেরকে এসব থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছেন। অথচ তাদের মন্ত্রী ও সাংসদরাই একের পর এক উটকো বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনার দিন থেকেই বানিজ্য মন্ত্রী (যার ডিপার্টমেন্ট ভিন্ন) ইংগিতপূর্ন ও সরাসরি মন্তব্য করে আসছেন.. এখনো করছেন। তাদের মিডিয়াও সেগুলো খুব ফলাও করে প্রচার করে যাচ্ছে..... তদন্ত ছাড়াই তাদের এই বক্তব্য মিডিয়া পজেটিভলি নিচ্ছে কিভাবে? পিলখানার ঘটনার দিন থেকেই ভারতীয় মিডিয়া যে প্রচারণা চালিয়ে আসছে সেটাই আজকে আওয়ামী মন্ত্রী ও সাংসদ এবং বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়ার প্রচারের বিষয়। তদন্ত ছাড়াই তারা একের পর এক এধরনের খবর প্রচারে কোন সমস্যা দেখেন না কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে একম কিছু সামান্য প্রচারে নিয়ে আপত্তি তুলছেন!

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ছাত্রলীগ যেরকম লাগাম ছাড়া সন্ত্রাস করে যাচ্ছে সেটার বিষয়ে মিডিয়ার ভূমিকা কী? এরকম লাগামছাড়া সন্ত্রাস যদি জোট সরকার করতো তাহলে তাদের ভূমিকা কী হতো? রাজশাহী ভার্সিটিতে প্রতিপক্ষের সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা করা হলো। একটি টিভি চ্যানেলে দেখলাম পুলিশের ছত্রছায়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসের নমুনা। অথচ বেশীরভাগ মিডিয়ার সূর উলটো... ক্ষমতাসীন দলের পক্ষেই হচ্ছে বেশীর ভাগ নিউজ। একই ঘটনা জোট সরকারের আমলে হলে কী হত পারতো? বা আজকে বিরোধী দলের কেউ মারা না গিয়ে সরকারী দলের কেউ মারা পড়লে সেটা নিয়ে মিডিয়া কী করতো?

ব্লগার 'সুন্দর সমর' কিছু প্রশ্ন রেখেছেন। প্রশ্নগুলো নিয়ে ভাবলেই বুঝতে পারা যায় মিডিয়া আসলে কী বস্তু। আর আমাদের এখানে মিডিয়ার জোরে কারা রাতকে দিন দিনকে রাত করে ফেলছেন। মিডিয়ার প্রভাব সবসময়ই থাকে.. কিন্তু আমাদের এখানে একটু বেশি মাত্রায়ই। আমাদের দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থা আর অসচেতন জনগনের কারণেই এখানে মিডিয়ায় কেউ শক্তিশালী না হতে পারলে তার ধ্বংস অনিবার্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28924340 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28924340 2009-03-14 20:52:43
যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন?
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে কোন কিছু যে আটকে রাখা সম্ভব নয় এই সহজ সত্যটা আমাদের বুদ্ধিমান সরকারের মাথায় কেউ এখন পর্যন্ত ঢোকাতে পারেনি। সরকার তার অতি বুদ্ধিমান পরামর্শদাতাদের বুদ্ধিতে একের পর এক সাইট ব্যান করতে থাকলেও আপনি সেই ব্যান করা সাইটে খুব সহজেই ভ্রমন করতে পারবেন। ব্যানড সাইটে ভ্রমণ করার একটি সহজ ও নীর্ভযোগ্য পদ্ধতি জানিয়ে দিচ্ছি-

১) প্রথমে আপনাকে Vidalia নামের একটি সফটওয়্যার প‌্যাক ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
http://www.vidalia-project.net/download.php
(Stable Bundles থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম অনুযায়ী ফাইল খুঁজে নিন।)

২) আপনি যদি মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সরাসরি সফটওয়্যারটি সেটাপ করে ফেলুন। আর মজিলা ব্যবহার না করে থাকলে মজিলা ডাউনলোড করে সেটাপ করে নিন। মজিলা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


ছবি: vidalia সেটাপ হচ্ছে।


৩) সফটওয়্যারটি সেটাপ করার পর TOR নামের একটি এক্সটেনশন সেটাপ করতে চাইবে। ইনস্টল বাটনে ক্লিক করে সেটাপ করে নিন।


৪) সবকিছু ঠিকঠাক মত হলে পিসি রিস্টার্ট দিন।


৫) পিসি বুটিং হওয়ার পর vidalia কন্ট্রোল প‌্যানেল দেখতে পাবেন। ওখান থেকে প্রয়োজনীয় অপশন পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।


৬) মজিলা ফায়ারফক্স খুলে ডান দিকে নিচে দেখুন লেখা আছে 'Tor Disabled'। ওখানে ক্লিক করে 'Enable' করুন।


৭) এবার সিস্টেম ট্রে-তে থাকা vidalia'র আইকনে ক্লিক করে 'New Identity' কমান্ড দিয়ে যেকোন সময় নিজের আইপি পরিবর্তন করতে পারবেন।


যেকোন সাইট ব্যান হলে এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই সাইটগুলো ভিজিট করা যাবে। সুতরাং ব্লগ বা ফেসবুক ব্যান হলেও চিন্তার কিছু নাই। কিন্তু সরকারের এইসব ব্যান ব্যান খেলা বন্ধ করা উচিত। সরকারের এইসব অর্বাচীন সিদ্ধান্তের কারণে বহি:বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

সবাই ভাল থাকুন।

-
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28922148 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28922148 2009-03-10 00:08:36
YouTube, eSnips, MediaFire BANNED? http://www.upload-mp3.com নামের সাইটটিও খুলছে না। সূত্রটা খুব সহজেই বুঝা গেল.. যেসকল সাইটে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর অডিও পাওয়া যাচ্ছিলো সেগুলো সব ব্যানড!

অতীতে আমরা বিভিন্ন দেশে ইউটিউবসহ আরো অনেক সাইট ব্যানের খবর শুনেছি। অনেকে সেসব দেশের সমালোচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশেও এই কান্ড হবে কে জানতো!

প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর মিটিং এর অডিও-এর জন্যই যদি আলোচ্য সাইটগুলোর ব্যান হয়ে থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই rapidshare.com, gmail.com সহ আরো অনেক সাইট ব্যান করতে হবে। যে অডিও ফাইলটির জন্য সাইটগুলো ব্যান হচ্ছে সেটির বিষয়ে ইতিপূর্বে অনেকের আগ্রহ না থাকলেও এখন সবাই অডিওটা খুঁজতে শুরু করবে। কয়েকটা ফোরামে দেখলাম বেশ কয়েকজন আগ্রহীও হয়ে ওঠেছেন। এই আগ্রহীরা এখনা google.com এবং অন্যসকল সার্চ ইঞ্জিনের দ্বারস্থ হবেন অডিও ফাইলটি খুঁজে বের করার জন্য। সরকার কী তাহলে google.com এবং যাবতীয় সকল সার্চ ইঞ্জিনও ব্যান করে রেখে দিবে? এত কষ্ট করার দরকার কী? ফাইবার অপটিক লাইনটা কেটে দিলেই তো হয়! <img src=" style="border:0;" />

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28921228 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28921228 2009-03-08 01:46:26
পিলখানার ঘটনা ও কিছু প্রশ্ন.... (২) আগের পর্ব পর্ব
--
পিলখানার ঘটনার সময় বিরোধী দলের হৈ চৈ আশা করেছিলো সরকার?
সংসদে দেখলাম সরকার দলীয় সাংসদরা পিলখানার ঘটনার সময়ে বিরোধীদলের চুপচাপ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আওয়ামী মননের বুদ্ধিজীবি ও ব্লগারদেরও এখন একই প্রশ্ন... ঘটনার সময়ে বিরোধী দলের ভূমিকায় তারা মনে হচ্ছে হতাশ। বিরোধী দলের কাছ থেকে তারা কী আশা করেছিলো? সংকটময় মূহুর্তে এমন কোন বিবৃতি যা সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারতো? পিলখানার ঘটনায় সরকারের সবগুলো পদক্ষেপই যে ভুল ছিলো সেটা এখন সবাই বুঝতে পারছে। এই ভুল পদপক্ষেপের বিরুদ্ধে বিরোধীদল তখন কোন বক্তব্য দিলে সেটা নিয়ে কী হতে পারতো তা আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি। বিরোধীদল এই ক্ষেত্রে নীরবতা পালনের জন্য ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। কিন্তু সেই নীরবতাই এখন তাদের দোষ হয়ে গিয়েছে। যারা এখন বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা ঐ সময় সরকার কী বিরোধীদলকে ডেকেছিলো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার জন্য? আমরা সকলেই জানি সরকার নিজের বুদ্ধিতেই সকল কাজ করেছে। গত কয়েক মাসের বিভিন্ন কাজ থেকে তো এটা প্রমাণীত যে সংসদে নিরন্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে সরকার কাউকেই তেমন তোয়াক্কা করছে না। পিলখানার ঘটনার বেলায়ও সেটাই হয়েছে। এখন সরকার কিভাবে বিরোধীদলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে?

কোন পরিস্থিতিতে সেনা কর্মকর্তারা প্রশ্ন করেছেন?
সেনাকর্মকর্তারা কিভাবে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন এটা নিয়ে অনেকে মাঠ গরম করার চেষ্টা করছেন। সেনা কর্মকর্তাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মিটিং এর অডিও শুনে আসল বিষয় বাদ দিয়ে "প্রশ্ন করা"টা গুরুত্ব পায় কিভাবে তা ভাবছি। ঘটনার দিন থেকেই একটা উড়ো খবর এসেছিলো যে সেনা কর্মকর্তাদের বউ ও মেয়েদের উপর পাষবিক নির্যাতন হয়েছে। সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সম্মান রক্ষার্থেই হোক বা পরিস্থিতি শান্ত করার জন্যই হোক এই খবরটি মিডিয়ায় তেমন ভাবে আসেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মিটিং এ এক সেনাকর্মকর্তার বক্তব্য থেকে মোটামুটি বর্বরতা বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এরকম বর্বরতা যাদের চোখের সামনে হয়েছে তাদের ভেতরে ক্ষোভ সৃষ্টি হওয়াটাই কি স্বাভাবিক নয়? ভিকটিম সেনা কর্মকর্তাদের বক্তব্য থেকে এটাও পরিষ্কার যে নিহত কর্মকর্তারা ঘটনার ঘটার অনেক আগেই সাহায্য চেয়েও পাননি। কর্মকর্তারা অপেক্ষায় ছিলেন সেনাবাহিনীর অপারেশনের। অপারেশন চালাতে না দেয়াটা সরকারের সিদ্ধান্তে হয়েছে। এমতাবস্থায় ক্ষুব্ধ সেনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সরকার কেমন আচরণ আশা করে? পুরো ঘটনায় সেনাবাহিনী যে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে সেটা কেউ মূল্যায়ণ করছে না, বরং মিটিং এ সেনা কর্মকর্তাদের প্রশ্নগুলো সমালোচনা ওঠতে শুরু করেছে! মিটিং এর অডিওতে সরকারের যে ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরেছে সেনাকর্মকর্তারা সেগুলো নিয়ে আলোচনা না করে সেনা কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করা নিয়ে আপত্তি তোলাটা কতটুকু সমীচিন?

কারা সেনা বিদ্বেষী?
'বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর দরকার নাই', এধরনের বক্তব্য অতীতে কারা দিয়েছে তা আমরা দেখেছি। পিলখানার ঘটনার দিন থেকে কোন মহলের পোষা বুদ্ধিজীবিরা সেনাবাহিনীর সমালোচনা চালিয়ে গিয়েছে তাও আমরা দেখেছি। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চরম বিষেদাগার ও সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে কারা আনন্দ প্রকাশ করেছে তাও আমরা দেখলাম পিলখানার ঘটনার পরে। এ থেকে আমরা কী বুঝতে পারি?

পিলখানার ঘটনা থেকে প্রাপ্তিগুলো(!) কী কী আসুন একনজরে বুঝে নেই-
১) পিলখানার ঘটনার সাথে সাথেই ওপার বাংলার (ভারতীয়) মিডিয়া এটা নিয়ে রাজনীতি করতে শুরু করেছে। আমাদের অভ্যন্তরিন এত সেনসেটিভ বিষয়ে ভারতীয় মিডিয়ার এই ভূমিকা আমাদের জন্য নিশ্চই একটা বড় প্রাপ্তি! বলুন জয় বাংলা... (এপার বাংলা+ওপার বাংলা)

২) পিলখানার ঘটনায় কিছু হোক আর নাই হোক বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সীমান্ত প্রহরীদের পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। রৌমারী পাদুয়ার সহ আরো অসংখ্য ঘটনার প্রতিশোধ নেয়া হলো? (একটা প্রতিশোধ অবশ্য আগেই নেয়া হয়ে গিয়েছে... রৌমারী পাদুয়ার সেই কমান্ডারের বিরুদ্ধে তৎকালীণ আওয়ামী সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো... সীমান্ত রক্ষার উত্তম পুরুষ্কার(!) স্বরুপ!)

৩) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কিছু চৌকষ অফিসার হারিয়েছে যে গ্যাপ পুরন হতে এক যুগেরও বেশী সময় লাগতে পারে। উপরের সারির অনেক অফিসারের পদ খালি হওয়াতে সুবিধাই হয়েছে বলতে গেলে..... ওখানে আরো কিছু দলীয় লোক বসানো যাবে!

৪) বিডিআর ও সেনাবাহিনীকে পরস্পরের শত্রু ও দেশপ্রেমিক বিডিআরকে জনগণের শত্রু বানানো শেষ। এখন বাকী আছে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আলামত দেখে বুঝা যাচ্ছে ভারতীয় সন্ত্রাসবাদের সাথে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে জড়িত করে সেগুলোকেও পঙ্গু করার চেষ্টা চলবে...

....আরো অনেক প্রাপ্তি(!) আছে.... আমরা অসহায় জনগণ শুধু দেখেই যাচ্ছি। আরো কত দেখতে হবে কে জানে....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28920574 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28920574 2009-03-06 01:44:46
মেইল বক্স হতেঃ True story of BDR mutiny --
Our beloved People of Bangladesh:

Take the salute of Bangladesh Army. We know that you feel now how much you were bluffed at Pilkhana by the so-called "cause" of the BDR jawans on 25th February 2009. You at first thought that they were right...they were deprived. But you see, we are the army, given birth, trained and fed by the people's money. we can never betray our people, our nation. if we wanted, we could bring martial law in the country on 1/11 or anytime after that.

Here is the true story of BDR:

1. Before 2002, only very average army officers were posted to BDR. Those officers used to pass time and wait for retirement. The scenario was changed in late 2002, when army started to pump in outstanding officers to BDR to shape up the national border and curb cross-border crime and smuggling. If you plz recall, Phencidil was introduced by India in Bangladesh across benapole in the mid 1980s at the cost of Tk 2 per bottle. Once they captured our young brains, they raised the price gradually and now they have phency factories all along Bangladesh border only to supply to Bangladesh. This is just an example of cross-border crime. So, to guard our beloved land, army started pumping very good officers into BDR. Before 2002, the BDR jawans were very rich through the earning of smuggling. Their sepoys and naiks and havilders had buildings and house that even officers can only dream of. After 2002, smuggling and its sharing by BDR jawans started coming down. Capture of smuggling figures, if you can manage, will rightly prove that. Therefore the young BDR jawans that were pictured from pilkhana were the young ppl with 5-10 years of service who couldn't earn from smuggling. Their seniors told them, "You see, we have made house when we were sepoy, but you can't have now because army officers are making money and not sharing with you." this is theme they used to motivate the young jawans.

2. Whenever there is an encounter with BSF, always we are the winner. Plz remember the incidents of Roumari, Padua etc.. But all that appear in media is about our casualty only, rightly for the purpose of diplomacy principle. as long as army officers lead BDR, BSF will never win any single battle, they will always be in the loser's end and India will not be able to pump in drugs, fake currency and other harmful things into Bangladesh. The DADs of BDR are the worst losers. They are educated officers but can't do anything because of army officers.

3. If you take another glance of Point 1 and 2 above, you will realize that if you were the enemy of Bangladesh, you would surely do the following:

• Capitalize on point 1 to motivate DADs and young BDR jawans against the army officers
• if BCS officers are posted, the shrewd DADs would be able to easily bluff the innocent and educated BCS officers, threat them, and earn money.
4. This is the point on which our enemy used to motivate and raise the point of "nirjaton and bonchona" by army officers. If there were any such "bonchona and nirjaton" in this new millennium, could it be kept hidden from your eyes and from the eyes of international media and also from the people of Bangladesh? IMPOSSIBLE!

5. Now come to 25th February:

• RAB arrives at Pilkhana gate at about 10am and ready to move in. Home Ministry said a stubborn "No".
• Troops of Mirpur Cantt and Dhaka Cantt arrives at Pilkhana by 11:30am. They seek permission to go in. Again a big "No"
• Innocent Media people, bluffed by the BDR jawans, focus to the nation the good side or the "right cause" of rebellion BDR. They ask for BCS officers.... !!!
• Govt sends nanok and others and they enter courageously into BDR Pilkhana and safely come back and they are not held hostage.
• At 4:30pm, army tanks are ready to go in, briefing done, again a big "No". The army is told to go 3 km away from Pilkhana.
• Night comes. sahara and nanok enter BDR and all lights are off. sahara visits families of army officers without nanok as seen on TV channels through BTV footage. She does not, we repeat DOES NOT meet any army officer of BDR.
• Media people telecast live sound of firing from inside Pilkhana when sahara is inside.
• Sahara comes out and faces the media. Some channel representative asks her "Apni jokhon vitorey chilen, amra goolir shobdo shunlam, apni shunen ni?" she say "No. I did not hear any firing". sahara did not mention anything about the 168 officers inside, nor the media asked her where were the officers.

• THIS WAS BECAUSE AT THAT TIME BDR WAS COMPLETING THE TOTAL KILLING OF ALIVE OFFICERS AND THIER FAMILIES UNDER THE EYES OF NANOK AND MASS GRAVES WERE BEING PREPARED. Please refer to the Ntv exclusive with major Mokarram on 28th evening. He said that he heard the voice of home minister entering into the kote when he was surrounded by BDR gunmen.
• IG police freely moved in because his daughter and son in law capt haider was inside. he ensured the rescue of his daughter, married 82 days earlier.
• Only police is allowed to enter pilkhana and throughout the night they find only 7 dead bodies and suggest that search could not be done due to darkness.

• NON-MILITARY AMBULANCES ENTER AND LEAVE PILKHANA A NUMBER OF TIMES AND TAKES AWAY SO MANY DEAD BODIES...BUT THE TOTAL STILL REMAINS 7. Only 5-7 other bodies appear from canal behind BDR naturally floating. IT WAS BECAUSE ABOUT 32 KILLERS WERE TAKEN AWAY BY THOSE AMBULANCES.
• Next morning there is no sign of bodies. Bodies and mass graves are discovered after army and fire brigade (fire brigade boss is a brigadier of army) enter into pilkhana late in the morning.
• Size and depth of mass graves indicate that killers used the whole night to dig those and also to FLY AWAY from PILKHANA. Only about 200 fools of BDR were left at Pilkhana.
• Nanok in a media briefing in front of Pilkhana declares that "It was a big conspiracy" and lac lac crore taka were distributed in Pilkhana." DEAR MEDIA, HE WAS RIGHT. BECAUSE EACH DAD WORKING AT PILKHANA GOT TK 25 LAC between 22 and 24th February, distributed by nanok's men.
6. you see how brutally the representative of Bangladeshi people, elected just 50 days back-- sahara, nanok, mirza azam and jalil...all of them ensured that your officers and their familes, the officers of Bangladeshi people, are killed and molested. Only about 37 or 57 officers were killed in our War of Liberation 1971 by Pakistanis in 9 months. and our own ministers and MPs ensured that more than 140 officers and families are killed in about 24 hours!!! What an achievement of our nation!!

7. BCS officers in BDR, and no officer from army, would ensure that another Rakhkhi Bahini could be in the making.
8. Added fuel to the fire was the corruption of DG and other very few officials in 'operation daal vaat'. We regret that and we apologize to the nation.
9. It is now clear that nanak and DAD tauheed had been communicating each other for last 1 month plus. They are classmates.

Your home minister and nanak arranged the safe exit of all 13-14,000 BDR troops from Pilkhana throughout the night.

Bangladesh army was not allowed to fire on the plea that "peaceful negotiation' was going on. We are servant of govt. we can't but abide by orders.
If we were allowed to enter Pilkhana even at 4pm on 25th February, we could save many innocent lives. Ask the people from the area/village of the dead officers. They all will say that those were our golden sons of the soil.....truly so. They prove it in UN missions. That is why Bangladesh is the largest troops contributing country to UN. It is not India, Pakistan, US, Canada...it is poor Bangladesh! How strange..... ...!!!!!
We are not asking you to believe this email. We are requesting you to use your judgment.

Please let the People of Bangladesh know what your judgment say. Do something for the nation...in exchange of 140+ lives of your families.... your officers...your sisters...martyred at Pilkhana by .......

If your judgment concludes that what were said in this mail in the name of Allah are true, please forward to all possible contacts. Let the world know what you understand to be the truth.. It is your responsibility as a human being. is not it?



Thank you for patiently reading this.
--
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28920183 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28920183 2009-03-05 02:12:43
এই মূহুর্তে সেনাবাহিনী ও বিডিআর নিয়ে বিতর্ক করার চাইতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা বেশী জরুরী
যেসকল কারণে আমরা বিপদের মুখে আছি বলে মনে হচ্ছে-
১) বিডিআর এর চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে। খুব দ্রুত এই কমান্ড প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নাও হতে পারে।
২) যেসব দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিডিআর অফিসার ছিলেন তাদের অভাব পুরন হতে কম পক্ষে দশ বছর লাগতে পারে। কারণ হুট করে নতুন সেনা অফিসাররা গিয়েই সব কিছু বুঝে ওঠতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে।
৩) সেনা অফিসারদের নির্মম ভাবে হত্যা করার কারণে বিডিআরের ও সেনাবাহিনীর মাঝে যে দুরত্ব তৈরি হয়েছে সেটা দূর হতে অনেক সময় লাগতে পারে।
৪) বিদ্রোহীদের বিচার করার পর বাদবাকী বিডিআর সদস্যদের ভেতরে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে যা তাদেরকে সীমান্ত প্রহরায় আন্তরিক হতে বাঁধা দিতে পারে।
৫) চেইন অব কমান্ডের অভাবে বা অন্য সকল সমস্যার কারণে সীমান্ত অরক্ষিত হলে দেশে ব্যপক চোরাচালানী বেড়ে যেতে পারে যা আমাদের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে।
৬) অরক্ষিত বা দূর্ব সীমানা দিয়ে বড় ধরনের কোন সন্ত্রাসী গ্রুপের (যেমন জেএমবি, সর্বহারা পার্টি বা অন্যসকল সন্ত্রাসী গ্রুপ) আগমন বা বড় ধরনের কোন অস্ত্রের চালান আসতে পারে যা আমাদের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।

করণীয়:
এমতাবস্থায় করণীয়গুলো খুঁজে বের করার জন্য অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তারাই ঠিক করবেন কিভাবে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যেতে পারে। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হচ্ছে সেনাবাহিনীকে সাময়িক ভাবে সীমানা প্রহরার কাজে পাঠিয়ে আমরা কিছুটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারি। একই সাথে বেশীর ভাগ বিডিআর সদস্যকে ক্যান্টনমেন্টে এনে কিছুদিন রাখা যেতে পারে যা সেনাবাহিনীর সাথে তাদের দুরত্ব কমাতে সাহায্য করতে পারে। একই সাথে তাদের ডিসিপ্লিন বাড়াতেও সহায়তা করতে পারে।

বি:দ্র: আমি সামরিক বিশেষজ্ঞ নই.. নিতান্তই কমনসেন্স ব্যবহার করে এই পোস্ট লিখেছি। এই বিষয়ে অন্যদের ভাবনা জানা যেতে পারে.. এই মূহুর্তে সেনাবাহিনী ও বিডিআর নিয়ে বিতর্ক করার চাইতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা বেশী জরুরী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28918270 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28918270 2009-03-01 03:21:43
পিলখানার ঘটনা ও কিছু প্রশ্ন....
প্রথমত, টিভি মাধ্যমগুলোতে জওয়ানরা বলতেছিলো যে আগের দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তারা তাদের অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলো। কিন্তু তারা সেটা শুনতে নরাজ ছিলেন। পরবর্তীতে অবশ্য এই বক্তব্যওয়ালাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেনা অফিসারদের লাশের সাথে তাদের লাশও পড়ে গিয়েছে কিনা সেটা স্রষ্ট্রাই ভাল জানেন।

দ্বিতীয়ত, বিডিআর জওয়ানদের এলোমেলো বক্তব্যকে খুব বেশী হাইলাইট করে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের প্রতি জনগণের সিম্প‌্যাথি বাড়ানো হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত এটা মোটামুটি স্ট্যাবলিশ করা হয়েছে যে সেনা অফিসাররাই আগে গুলি করেছে। প্রচার মাধ্যম যখন এসব প্রচার করছিলো তখনও টক শোতে নানা রকম বিশেষজ্ঞ নানা কথা বলেছে। কেউ তখন মিটিং এ লোডেড গান নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ফ্যাক্ট তুলে ধরে এই গুজবটা বন্ধ করেনি কেন?

তৃতীয়ত, সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার আগেই যখন সেনা বাহিনী মিশন পরিচালনা করতে চেয়েছিলো তখন তাদের সেটা করতে দেয়া হয়নি কেন? সরকারের দাবী হচ্ছে যদি সেনা কর্মকর্তারা হয়তো ভেতরে জিম্মি আছে যাদের রক্ষা করা প্রয়োজন। জিম্মিদের সাথে সরকার ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিলো না কেন? নাকি সরকার জানতো ততক্ষনে সবার লাশ পড়ে গিয়েছে?

চতু্র্থত, সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পরেও যখন বিদ্রোহীরা আত্মসমর্পন করতে রাজী হয়নি তখনই কি বুঝা উচিত ছিলো না যে ঘটনা গুরুতর? আমরা তখন শুধু আমাদের সাংসদ আর মন্ত্রীদের ক্রেডিট নিতে দেখেছি.... তারা এতগুলো মিটিং করলেন কিন্তু একটিবারও সেনা অফিসারদের জীবনের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিলেন না কেন? ভেতরে যদি সেনা সদস্যরা বেঁচেই থাকে তাহলে তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সিং করা যেতো.. ফোনে কথা বলা যেতো। এগুলো কিছু না করেই বিদ্রোহীদের কথায় সরকার বিশ্বাস স্থাপণ করলো কেন?

এর মাঝে আরে অনেক প্রশ্ন আছে... কিন্তু সবচাইতে গুরুতর প্রশ্নটি হচ্ছে সরকার জেনে শুনে বিদ্রোহীদের পালানোর পথ করে দিলো কেন? বিদ্রোহীরা যখন বের হয়ে যাচ্ছিলো তখন কিছুদূর রাস্তা পার হওয়ার পরপরই তাদের ধরা হলো না কেন? আমরা দেখলাম বিভিন্ন জেলা থেকে তাদের খুঁজে খুঁজে বের করা হচ্ছে। ধরনার করা হচ্ছে মূল খুনীরা পালিয়ে গিয়েছে। পিলখানা থেকে সরকারের চোখের সামনেই আসল খুনীদের পালিয়ে যাওয়ার উপায় করে দেয়া হলো কেন?

এই ঘটনার সরকারের বিব্রত হওয়ার কথা... আমরা দেখছি সরকার উলটো রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে শুরু করেছে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা জনগণের সামনে গিয়ে যেসব বক্তব্য গত দুইদিন ধরে দিচ্ছে সেগুলো কী তারা দায়িত্ব নিয়ে দিচ্ছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28918099 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28918099 2009-02-28 18:06:30
প্রসঙ্গ বিডিআর বিদ্রোহঃ বিক্ষিপ্ত ঘৃনা বর্ষণে যেন আমরাই আহত না হই
একথা কেউই অস্বীকার করতে পারবে না যে বিডিআর আমাদের সীমানা পাহাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যপক বীরত্ব দেখিয়ে আসছে। তাদের দেশপ্রেমের পরিচয় আমরা অতীতেও অনেকবার দেখেছি। একি সাথে দেশের প্রতি সেনাবাহিনীর কন্ট্রিবিউশনও কম নয়। উভয়েই আমাদের জাতীয় সম্পদ.. আমাদের অহংকারের বস্তু। কিন্তু আজ আমাদের অহংকারের বিডিআর ও সেনাবাহিনী এখন আমাদের পরম ও চরম শত্রু। আমাদের ঘৃনা বর্ষনের টার্গেট। এমনটা তো হওয়া উচিত ছিলো না...

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে কিছু বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা যে অন্যায় ও অত্যাচার করেছে সেটার প্রতিবাদ জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। কিন্তু তাই বলে পুরো দেশের সকল বিডিআরের প্রতি ঘৃনা প্রকাশের অবকাশ নেই। একই সাথে কিছু হত্যাকারী ও লুটেরা বিডিআর সদস্যের অপপ্রচারে সেনাবাহিনীর বিষয়েও আমাদের খারাপ ধারনা করা করা উচিত নয়।

আমরা চাই দোষী বিডিআর ও এর পেছনে কোন অপশক্তি থেকে থাকলে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। একই সাথে গণহারে সকল বিডিআর ও সেনাবাহিনীকে যেন আমরা ভুল না বুঝি... আমাদের এই দেশপ্রেমিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যেন কোনরকম জনমত তৈরি হতে না পারে। নতুবা আমরাই ক্ষতিগ্রস্থ হবো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917692 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917692 2009-02-27 22:34:31
প্রসঙ্গ বিডিআর বিদ্রোহ ও সরকারের বর্তমান ভূমিকা "অফিসারদের ভেতর থেকে গুলি করে বিডিআর এর এক জওয়ানকে মারার পর ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে।" এছাড়াও বিডিআরদের আরো অনেক ভিত্তিহীন তথ্যকে খুব বেশী হাইলাইট করে জনগনকে সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছে। যারা নিয়মিত সবগুলো চ্যানেল দেখেছেন তারা লক্ষ্য করেছেন কিছু চ্যানেল সেনা সদস্যদের প্রতি জনগনের সহমর্মিতা বৃদ্ধির পরিবর্তে বিডিআরের কিছু যৌক্তিক ও কিছু অযৌক্তিক দাবীকে হাইলাইট করে এবং কিছু গুজবে বেশী হাইলাইট করে সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের মনে ক্ষোভ জাগিয়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন চ্যানেলে টক শো করে সবকিছুর দায় সেনাবাহিনীর উপরেও চাপাতেও দেখা গিয়েছে। কেন করেছে তারা এটা?

গতকাল একটি চ্যানেলে দেখলাম জনৈক RAB অফিসার কয়েকজন লাশের ভেতরে ১২ বছরের একটি কিশোরীর লাশের খবর প্রচার করলো...সাথে সাথেই আরেকটা চ্যানেলে গিয়ে দেখি ঐ অফিসারের বক্তব্য তারাও প্রচার করছে.. তবে ঐ কিশোরীর খবর চেপে গেল। কেন? বিডিআরের হিরোইজম বাঁচাতে? এতজন অফিসার মেরে ফেললো.. সেগুলোকে বেশী হাইলাইট না করে কোথায় কতজন বিডিআর জওয়ান ধরা পড়লো সেটাও খুব গুরুত্বের সাথে প্রচার করছে। অফিসারদের এই নির্মম হত্যাকান্ডের চাইতে বিডিআর এর জওয়ানদের গ্রেফতারটা বেশী গুরুত্ব পায় কেন?

আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘটনার পরপরই কোন রকম তদন্ত ছাড়াই গণমাধ্যমে প্রচার করে দিলেন এই ঘটনার পেছনে একটি মহলের হাত রয়েছে। এই ঘটনার পেছনে শক্তিশালী কোন হাত রয়েছে সেটা আমরাও বুঝি। কিন্তু একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কোন তথ্য প্রমাণ ও তদন্ত ছাড়াই ঘটনার সাথে সাথেই এটা কিভাবে বলেন? নানক দেখলাম হ্যান মাইক দিয়ে প্রচার করছেন যে বিডিআর সদস্যরা তাদের কাছে এই ঘটনার পেছনের কাহিনী বলে দিয়েছে। যে বিডিআর জওয়ান হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তারা জীবন বাঁচানোর জন্য এখন নানা রকম গল্পের অবতারনা করতেই পারে। সেনা রিমান্ড ও বড় ধরনের তদন্তের পরই শুধু বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এই ঘটনার জন্য দায়ী বিডিআর জওয়ানদের বক্তব্যে এত বেশী আস্থা স্থাপণ করে সেটা জনসন্মুখে এভাবে মাইক দিয়ে প্রচারের উদ্দেশ্য কী? একজন প্রধান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এতটা দায়িত্বজ্ঞানতার পরিচয় কেন দিচ্ছেন?

পুরো বিষয়টির জন্য সরকারের দায় এড়ানোর কোন উপায় নেই.... কিন্তু আমরা দেখছি এই ঘটনার সরকার সামান্যতমও বিব্রত নয়. বরং তারা বিডিআর জওয়ান ও বিভিন্ন উড়ো খবরের উপর ভিত্তি করে খুব গরম গরম বক্তব্য দিচ্ছে... নিজেদের দোষ স্বীকার ও প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের চাইতে কোন এক মহলকে জড়ানোর জন্য তৎপর। কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917604 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917604 2009-02-27 19:58:16
চলেন আমরা ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় বীরত্ব দিবস ঘোষণা করি
বিডিআর এর এই তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদেরকে আর দোষ দিয়া কী লাভ? আমরা শিক্ষিত আর সচেতন নাগরিকরা কী করছি? মিডিয়ার প্রচারণা আর বুদ্ধিমান বাঙালীর হুজুগ মিলে এখন বিডিআর হলো বাংলার হিরো। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী কেন প্রথম প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের মত সুবিধা পায় না এই প্রশ্ন এখন আমাদের মত বুদ্ধিমান মানুষও তুলতে শুরু করেছে। বিডিআর এর আর কী দোষ? এতজন সামরিক অফিসারকে মেরে ফেলা হয়েছে সেটা নিয়ে ততটা আক্ষেপ নেই যতটা বিডিআরের অধিকার নিয়ে আছে। টিভি চ্যানেলগুলোতে সেনাবাহিনী নিয়ে মেনিপুলেটেড খবর প্রকাশিত হতে থাকে.. আর আমরা সেগুলো দেখে উত্তেজিত হই। "শালার আর্মি দেশটারে শ্যাষ করে দিলো!".. এগুরোর মরনই ভাল। স্যুয়ারেজ লাইনের শেষ মাথায় অফিসারদের লাশ ভেষে ওঠে.. তা দেখে আমরা বলি "মরছে ভালই হইছে, দেশের খরচ কমলো...."... মাত্র নাকি ৯টি লাশ পাওয়া গিয়েছে। বাদ বাকী ১৩৭ জনেরও লাশের অপেক্ষায় আমরা। বিডিআর কি দ্যাখাইলো রে....... জাতীয় বীর বিডিআর!!

সেনা অফিসারদের মত খারাপ বস্তুগুলো পৃথিবী থেকে দূর করার জন্য বিডিআরকে জাতীয় বীর ঘোষণা করা হউক। আর ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় বীরত্ব দিবস ঘোষণা করা হউক!!

--
বি:দ্র: সিরিয়াস পাঠকরা কিছু মনে করবেন না... হুজুগে বাঙালীর নির্বুদ্ধিতায় প্রচন্ডরকম বিরক্ত হয়ে লেখাটা লিখেছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917209 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28917209 2009-02-27 00:21:20
বাঙ্গালীর আর্মি বিদ্বেষ
পৃথিবীর আর কোন স্বাধীন দেশের জনগণ তাদের সেনাবাহিনীকে এতটা ঘৃনা করে কিনা আমার জানা নেই। জানি না কেন আমাদের দেশের এই অবস্থা। আমি বলছি না যে সেনাবাহিনীর সবাই ধোয়া তুলসি পাতা... কিন্তু সবকিছুরই তো একটা সীমা আছে। এই দেশে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পলিটিক্যাল লিডার হতে শুরু করে মিডিয়া পর্যন্ত নেতিবাচক প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে আর জনগণ তাদের বিবেচনা শক্তি ব্যবহার না করে সেগুলো বিশ্বাস করে বসছে। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ সেসবে আরো রং চড়িয়ে নতুন নতুন কথা ছড়াচ্ছে যা সত্যিই দু:খজনক।

যাই হোক, এই পোস্টটা অনেকটা আমার নিজের জন্য করা। গত ১৭-১৮ ঘন্টায় ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে দেখা সেনা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও এর পেছনের কারণ হিসেবে তারা কি উল্লেখ করছে সেগুলো নিয়ে একটু গবেষণা করার ইচ্ছে। বক্তব্যগুলো সব সেভ করে রেখেছি। ধীরে ধীরে একটু একটু করে পোস্টে যুক্ত করবো। আপাতত ঘুমাতে যাই... ... সবাই ভাল থাকুন।

---
বি:দ্র: যাদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপরে প্রচুর পরিমানে ক্ষোভ রয়েছে তারা এখানে চাইলে ক্ষোভের কারণগুলো তুলে ধরতে পারেন। বেশীর ভাগ মন্তব্যে বুঝা গিয়েছে ক্ষোভ আছে... কেন আছে সেটা বুঝা যায়নি। সেটা বুঝার চেষ্টা করার জন্যই পোস্টটা দিয়েছি...

(আপডেট হবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916608 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916608 2009-02-26 05:47:54
বিডিআর সংকট সমাধানের পথে এবং আমার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ---

আজকের ঘটনার সার-সংক্ষেপ-
* ভোরে বিডিআর জোয়ানরা অফিসারদের বন্দী করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে
- তাদের এলোপাথালি গোলাগুলিতে পথচারী ও শিশু নিহত হওয়া সহ বেশ কিছু সাধারণ মানুষ আহত হয়েছে
- সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে সেনাবাহিনী তলব করেছে এবং সেনাবাহিনী পরিস্থিনি নিয়ন্ত্রন করতে গেলে বিডিআর তাদের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি
- প্রধানমন্ত্রী বিডিআর এর দাবী দাওয়া মেনে নেয়ার কথা ঘোষণা করলেন
- দু্ইজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে বিডিআর সদরদপ্তরে ঢুকলেন
- রাজনৈতিক ব্যক্তিদ্বয়ের কাছে বিডিআররা তাদের দাবী-দাওয়া উত্থাপণ করলো। সেখানে দেখা গেল বিডিআরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নাখোষ
- একই সাথে টিভিতে বিডিআরএর এর একজন সাবেক মহা পরিচালকের ভাষণ থেকে বুঝা গেল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তিনিও নাখোষ


কথা হচ্ছে যদি বিডিআর জোয়ানদের সেনাবাহিনীর প্রতি এলার্জি থেকে থাকে তারা সেটা সুষ্ঠ্যু ভাবে প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু তা না করে এভাবে এগুলো কেন? বিডিআরএর একজন সাবেক মহাপরিচালককে জোয়ানদের সাথে গলা মেলাতে। তাহলে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোন সিন্ধান্ত কী আগেই গ্রহণ করা হয়েছিলো? বা করার চেষ্টা করা হয়েছে?

আরো কিছু বিষয় নিয়ে ভাবছি... পাঠকরা কী ভাবছেন?

--
বি:দ্র: লেখার মূল বিষয়বস্তু অনেকে বুঝতে ভুল করছেন... মূলত এই ঘটনার রাজনৈতিক হস্থক্ষেপ নিয়ে আমি চিন্তিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916233 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916233 2009-02-25 15:50:19
বিডিআর সংকট, মিডিয়ার ভূমিকা ও জনগণের গুজব
বিটিভি বরাবরই ক্ষমতাশীনদের টেলিভিষন হয়ে যায়। দিনের পর দিন এটি একটি মিথ্যা কথার বাক্সে পরিনত হচ্ছে। তাহলে আমরা কেন এখনো বিটিভি দেখি? বেসরকারী চ্যানেলগুলো ভূমিকা অবশ্য প্রশংসার যোগ্য.. আমরা আশা করবো বেসরকারী মিডিয়াগুলো সঠিক ঘটনা তুলে ধরে জনগণকে গুজবের হাত রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

যাই হোক, আসল বিষয় হচ্ছে বিডিআরএর সাথে এই সংঘর্ষ আমাদের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে না। পরিস্থিতি খুব দ্রুতই খারাপ দিকে চলে যাচ্ছে বা যেতে পারে.. এবং সেটা আমাদের সকলের জন্যই দু:সংবাদ। আর সেজন্যই বিষয়টি নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি আরো খারাপ করাও উচিত না। সবাই খুব নিশ্চিত না হলো কোন খবর প্রচার না করাই ভাল। আশা করি পরিস্থিতি আজকের ভেতরেই শান্ত হয়ে যাবে। সবাই দেশের জন্য দোয়া করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916195 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28916195 2009-02-25 14:30:24
ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য নতুন পত্রিকা, ডিজিটাল আলো

যাই হোক, আজকে প্রথম আলো খুলতেই দেখি গরম গরম সব খবর। কিন্তু দেশ যে ডিজিটাল হয়ে গেল এই খবর পত্রিকাওয়ালারা মনে হয় জানে না। তাই ভবিষ্যত ডিজিটাল বাংলাদেশের যে সন্ত্রাসও ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে সেই বিষয়টাও কারো মাথায় নাই। এজন্যই উদ্যোগী হয়ে একখানা ডিজিটাল পত্রিকা বের করে ফেলার পরিকল্পনা করতেছি। দেশ যদি আজকে পুরাপুরি ডিজিটাল হইতো তাহলে আমাদের ডিজিটাল আলোয় কী প্রকাশিত হইতে পারতো? চলেন একটু মাথা ঘামাই...


খবর শিরোনাম:
- ছাত্রলীগের নেটওয়ার্কে ভাইরাস। দুই গ্রুপের দশটি কম্পিউটার ক্রাশ, তেরটি ইনফেক্টেড

- হ্যাকিং এর ভয়ে বিএনপির ডাটা ক্যাবল ডিসকানেক্টেড

- ভূয়া সফটওয়্যার তৈরির বিষয়টি তদন্ত হবে

- রাজশাহী বোর্ডের ছয় হাজার নকল সিডি উদ্ধার

- নোমান সার্ভারে সাকা হ্যাকারদের আক্রমন, ক্রাশ

- হ্যাকার দেবর ভাইরাস পাঠালো ভাবীকে

এবং ......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28912429 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28912429 2009-02-17 14:38:49
নির্বাচন নির্বাচন খেলা
সকাল থেকেই সাজ সাজ রব। এর আগে সপ্তাখানেক ধরেই চলেছে প্রস্তুতি। ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। প্রার্থীদের পক্ষে মিছিল করা হয়েছে... পোস্টার ব্যানার লাগিয়ে একাকার। যখন তখন বিভিন্ন যায়গা থেকে মিছিলের আওয়াজ আর মজাদার সব স্লোগান শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। সেসব মিছিলে আবার প্রতিপক্ষের হামলা হচ্ছে... তাতে কৃত্তিম হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। রং দিয়ে রক্ত বানিয়ে সেটা গায়ে মাখিয়ে ঘটনা আরো গুরুতর করা হয়েছে। আমরা ছোটরা এসব দেখে চরম এক্সাইটেড! আশেপাশের মাত্র কয়েকটি বাড়ি মিলে ভোট হচ্ছে। সুতরাং প্রতি বাড়ি থেকেই কয়েকজন করে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে। তাদের সমর্থনে সকাল বিকাল করা মিছিলে দেখা গেল সকল দলের লোকই যাচ্ছে। মজার বিষয় হচ্ছে এক প্রার্থীর মিছিলে তার প্রতিপক্ষের প্রার্থীও যাচ্ছে। কারণ আর কিছু না, মিছিলের শেষে সুপার বিস্কিট নামের যে অতি সুস্বাদু বস্তুটা খাওয়ানো হবে ওটা কেউ মিস্‌ করতে চায় না। ../../extensions/custom_smilies/img1/smile

ক্রমে নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে এলো। ভোটের দিন ভোরবেলা সবাই ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই শুরু হয়ে গেল কার্যক্রম। সেকি উত্তেজনা! আমাদের বাড়িতে প্রায় সকলেই শিক্ষিত হওয়ায় এলাকার লোকজন বিশেষ মূল্য দেয়। সুতরাং আমরাই হলাম নির্বাচন কমিশন.. মানে আমাদের বাড়ির পাশের জঙ্গলেই ভোট কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সকলের অতি উৎসাহে জঙ্গল সপ্তাখানেকেই জঙ্গল পরিষ্কার! সুতরাং বড়রাও খুশি.. আমাদের কিছু বলে না। ভোটের দিন ভোরেই পাটের সুতোয় লাল-নীল কাগজ লাগিয়ে কেন্দ্র সাজিয়ে ফেলা হলো। যতদূর মনে পড়ছে ভোট গ্রহণ করার জন্য দুটো বুথ তৈরি করা হয়েছিলো। নির্বাচনের আগের দিন থেকে আবার পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে। আমাদের ভেতরে যারা ছোট কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়াতে চায় তাদের খুশি করার জন্যই পুলিশ, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার পদ দেয়া হয়েছে। আমার ভাগ্যে পড়েছে প্রিজাইডিং অফিসারের পদ। নির্বাচনের দিন প্রার্থীরা কাউকে কিছু খাওয়াতে পারছে না.. কিন্তু আমরা যারা পুলিশ আর অফিসার ছিলাম তাদের জন্য বিশেষ লেবু চা আর সুপার বিস্কিটের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। আমরা তো মহাখুশি! ঐদিকে হাতে লেখা ব্যালট পেপারে ফেলে দেয়া স্টাম্প দিয়ে সিল মেরে বিশেষ একটা ভাব আনা হয়েছে। পোলিং এর দায়িত্বে থাকায় সেই সেই মহামূল্যবান ব্যালট আমাদের জিম্মায়। সেটা নিয়ে আমাদের সেকি ভাব!

যথাসময়ে নির্বাচন শুরু হলো। সবাই লাইন ধরে ভোট দিতে দাঁড়িয়েছে। সকাল থেকে বেশ কিছুক্ষন সুন্দর ভাবেই চলে ভোট দেয়া নেয়া। তবে ভোটাররা ভোট দিয়ে বের হয়ে আসলে আমরা যে স্ট্যাম্প প্যাডের কালি মেখে দিতাম সেটা কচু পাতার কষ দিয়ে মুছে আবার ভোট দিতে আসতো। একেকজন কয়েক ডজন করে জাল ভোট দিয়ে দাঁত বের করা হাসি দিতে দিতে ভোট কেন্দ্র থেকে বের হতো। ব্যালট পেপার ফুরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত চলতো এই কাহিনী। অবশেষে ভোট দেয়া শেষ করে সবাই নিজ নিজ প্রার্থীর সাথে জোট বেঁধে প্রস্তুত হতো ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও কেন্দ্র দখলের জন্য।

ঐসময় যদিও এরশাদ সাহেবের সমর্থিত দলকেই বিশেষ ফেভার করা হতো কিন্তু আমাদের সেই নির্বাচনে সকল প্রার্থীই চেষ্টা করতো নির্বাচনে নিজে জিতে যাওয়ার জন্য। সুতরাং সকলেই মোটামুটি একটা বিশেষ সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করে ফেলার কাজ পুরো সপ্তাহ জুড়েই চলতো। সেইসব সন্ত্রাসীদের অস্ত্রগুলোও ছিলো দেখার মতই। লাঠির মাথায় বেথুনের কাটা বেঁধে বানানো হয়েছে ভয়াভয় অস্ত্র। খরকূটো আর ট্যালকম পাউডার বিশেষ ভাবে মিশিয়ে জর্দার কৌটায় ভরে বানানো হয়েছে বোমা। এগুলো ফুটার সময় শব্দ না হলেও অনেকটুকু এলাকা জুড়ে সাদা ধোঁয়াটে পরিবেশ তৈরি হয়ে যেতো। সেই সাথে সাধারণ পটকা ফুটানো হতো। মুখ দিয়ে বিতিকিচ্ছিরি সব শব্দ করে একটা ভয়াভয় পরিবেশও তৈরি করা হতো। আমাদের মত ছোটদের জন্য সে এক বিশাল আনন্দের বিষয় ছিলো বলাই বাহুল্য। সেই সন্ত্রাসীদের নিয়ে প্রার্থীরা দুই দিক থেকে স্লোগান দিতে দিতে কেন্দ্রের দিকে রওনা দিতো। আমরা তখন ভোট গুনে ফলাফল ঘোষনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। ফলাফল ঘোষন্য আগেই দুই দলের মিছিল কেন্দ্রের সামনে এসেই ধুন্ধুমার লেগে গেল। বোমা ফাটানো হচ্ছে। লাঠির আগায় থাকা কাঁটার ভয় দেখিয়ে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের তাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। উদ্ভট সব আওয়াজ বের হচ্ছে সন্ত্রাসীদের মুখ থেকে। কেউ কেউ কৃত্তিম রক্তে ভেসে যাচ্ছে... পুলিশরা তাদের ধরে কেন্দ্রের পাশে কলাপাতার বিছানায় শুইয়ে দিতো। কেউ কেউ প্রতিপক্ষের কাউকে ঘায়েল করার পর লাশ পুলিশের হাতে না দিয়ে নিজেরাই সেটা নিয়ে চম্পট দিতো... লাশ নিয়ে পালানোর দৃশ্যটাও ছিলো দেখার মতই। মাথা ভর্তি লাল রঙে রাঙ্গানো লাশকে কাঁটার ভয় দেখিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লাশের ভারি আপত্তি তাদের সাথে যেতে.. কিন্তু কে শুনে কার কথা! সে এক বিতিকিচ্ছিরিঅবস্থা!

এইসব মারামারির পর সেই প্রার্থীই কেন্দ্র দখল করতে পারতো যার সন্ত্রাসী বাহিনী সবচেয়ে বড়। মূলত আগের একসপ্তাহে মিছিল মিটিং করার চাইতে সন্ত্রাসী বাহিনী বড় করার পেছনেই প্রার্থীদের সময় বেশী দিতে হতো। দলে ভেড়ানোর জন্য সবাইকে সুপার বিস্কিট, লেবা চা, হাওয়াই মিঠাই, আইসক্রিম হতে শুরু করে সকল প্রিয় প্রিয় খাদ্র বস্তু ঘুষ হিসেবে দেয়া হতো। দেখা যেতো সবাই মিলেই সেগুলো খেতাম.. কিন্তু ভোটের দিন নিজের বাড়ির প্রিয় লোকদের পক্ষেই সবাই দাঁড়িয়ে গিয়েছে। যাই হোক, মারামারিতে বিজয়ীরা অবশেষে ব্যালট বাক্স দখল করতে আসতো। পুলিশ বাহিনী ততক্ষনে পালিয়ে গিয়েছে। তাদেরকে অবশ্য জিতে যাওয়া পার্টির দলে দেখা যেতো তখন। এমনকি প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের সাথে যেতে আপত্তি করা লাশরাও দেখতাম মাথা ভর্তি রং নিয়ে লাফাতে লাফাতে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে আসছে। আমরা যারা পোলিং এর কাজে থাকতাম তারা সেটায় বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করতাম। সুতরাং অবধারিত ভাবেই প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ধোলাইয়ের একটা পর্ব থাকতো। আমি যেহেতু প্রথমবারের মত ওখানে সেহেতু আমার আর সেটা ছিলো না। সবাই যখন ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিতে এসে অফিসারদের মারধোর (কৃত্তিম হলেও দেখতে সেটা ভয়াভয় ছিলো) শুরু করলো তখন আমি পড়িমরি করে কাগজের তৈরি দেয়াল ছিঁড়ে কেন্দ্রের পেছন দিক দিয়ে ভোঁ দৌড়.... উফ্‌... খেলা হলেও কী ভয়টাই না পেয়েছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই মিলে বিজয় মিছিল করে একটা পিকনিকের আওয়াজন করতো.. সব কিছু মিলিয়ে কয়েকটা দিন পুরো হাওয়ার উপর দিয়ে চলে যেতো... সেগুলো যে কি পরিমান এক্সাইটিং আর মজার ছিলো লিখে কখনো বুঝানো যাবে না।

৯০ সালের পর এরশাদ সাহেবও নাই.. এত ব্যাপক ভাবে ভোটকেন্দ্র দখলের পদ্ধতিও নাই..। অনেকিদন পর একবার গ্রামে গিয়ে জানলাম নির্বাচন নির্বাচন খেলাটা আর হয় না। মারামারি আর ভোট কেন্দ্র দখলই যদি না থাকলো তাহলে আর নির্বাচন করে মজা কী? অবশেষে এই ২০০৯ এ এসে আবার মনে হচ্ছে গ্রামগুলোতে সেই নির্বাচন নির্বাচন খেলাটা শুরু হবে। পরেরবার গ্রামে গিয়ে আশা করি সেই ছোটবেলার মত করে আরেকবার নির্বাচন নির্বাচন খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28901585 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28901585 2009-01-24 00:21:29
গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক
আমরা কি ১৯৮২ সালের লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের কথা ভুলে গিয়েছি? তখন ১৭ হাজার ৫০০ মানুষকে তারা হত্যা করেছিল। এদের বেশির ভাগই ছিল নিরীহ জনসাধারণ। ওই বছরই লেবাননের শাবরা-শাতিলা শরণার্থী শিবিরের গণহত্যায় এক হাজার ৭০০ নিরীহ মানুষ খুন হয়। ১৯৯৬ সালের কানা গণহত্যায় নিহত হয় ১০৬ জন লেবাননি। এরাও ছিল জাতিসংঘ আশ্রিত এবং নিহতদের অর্ধেকই ছিল শিশু। ২০০৬ সালে তারা লেবাননের মারওয়াহিন গ্রামের অধিবাসীদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। সবাই তা মেনে নিয়ে পথে নামলে হেলিকপ্টার থেকে তাদের গুলি করে মারা হয়। ২০০৬ সালের লেবানন আগ্রাসনেও তাদের হাতে নিহত হয় এক হাজার জন। তারা তো বেসামরিক মানুষই ছিল, না কী?

আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই, যখন পাশ্চাত্যের প্রায় সব নেতা, অনেক অনেক প্রেসিডেন্ট, অনেক অনেক প্রধানমন্ত্রী এবং অনেক সাংবাদিক, সম্পাদকও ইসরায়েলি মিথ্যাচারের কাছে আত্মা বিক্রি করে বসে আছে। ‘ইসরায়েল বেসামরিক মৃত্যু এড়াতে অতি সচেষ্ট’, গাযায় গণহত্যা শুরুর আগের দিনও বলছিলেন একজন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। আর যে রাষ্ট্রপ্রধানেরা এই বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, পরিষ্কারভাবে তাঁদের উদ্দেশ্য যুদ্ধবিরতির চাপ এড়ানো। ইসরায়েলের সাফাই গাওয়া এই নেতাদের হাতেও লেগে রয়েছে ফিলিস্তিনি গণহত্যার রক্ত। জর্জ বুশ যদি দুই দিন আগেও সাহস করে ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতেন, তাহলেও অন্তত শতটি জীবন রক্ষা পেত। বেঁচে থাকত ওইসব নারী ও শিশু।

যা ঘটছে তা কেবল লজ্বাজনকই নয়, মর্মান্তিক। কেবল যুদ্ধাপরাধ শব্দ দিয়ে কি এই অপরাধকে পরিমাপ করা সম্ভব? একই কাজ যদি হামাস করত, তাকে আমরা কী নাম দিতাম? কী ব্যবস্থা নিতাম তার বিরুদ্ধে? আমি ত্যক্তবিরক্ত। অথচ ইসরায়েল বলছে, তারা নাকি আমাদের ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ লড়ে যাচ্ছে। তারা দাবি করে, গাযায় তারা নাকি আমাদের হয়েই লড়ছে, আমাদের পশ্চিমা মূল্যবোধ রক্ষার জন্য, আমাদের পাশ্চাত্যের নিরাপত্তার জন্য, আমাদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য। তাই যদি হয়, তাহলে গাযায় যে হত্যাযজ্ঞ চলছে, তার দায় আমাদেরও।

আমাদের চোখের সামনেই লেবাননের শাবরা-শাতিলায় ইসরায়েলের ডানপন্থী ফ্যালাঞ্জিস্ট মিলিশিয়ারা গণহত্যা চালায়। ইসরায়েলের নিজেদের তদন্ত প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী তাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছিল। এ নিয়ে ইসরায়েলকে নিন্দা করা হলে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মেনেশিম বেগিন উল্টো বিশ্বকে দোষারোপ করেন। ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ শিবির কানায় বোমাবর্ষণ করার সময়ও ইসরায়েল বলেছিল যে, সেখানে নাকি হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা লুকিয়ে ছিল। এটা ছিল ডাহা মিথ্যা। লেবানন আগ্রাসনে এক হাজার জন নিহত হওয়ার দায়ও নাকি হিজবুল্লাহর। ইসরায়েল দাবি করে, নিহত শিশুদের লাশ নাকি কবর থেকে তুলে এনে ধ্বংসস্তূপের ভেতর রাখা হয়েছিল। এটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। মারওয়াহিন গণহত্যাকে তারা স্বীকারই করে না। অথচ সেখানে গ্রামবাসীকে পালাতে বলে পেছন থেকে গুলি করে হত্যা করে। ওই হতভাগ্যরা শিশুদের দেখিয়ে নিজেদের বেসামরিক জনসাধারণ প্রমাণ করতে গিয়েছিল, ঘাতকেরা তাদেরও হত্যা করে।

১২ বছর আগে এভাবেই ইসরায়েলি হেলিকপ্টার ফিলিস্তিনি অ্যাম্বুলেন্সে হামলা চালিয়ে নিরপরাধ নাগরিকদের হত্যা করে। অজুহাত সেই একই, অ্যাম্বুলেন্সে নাকি হামাসের গেরিলা ছিল। এটাও ভুয়া কথা। আমি নিজে এসব ঘটনার খবর সংগ্রহ করেছিলাম। আমি বিস্তারিত অনুসন্ধান করেছি, বেঁচে থাকা সাক্ষীদের কথা শুনেছি। সেসব তথ্য ফাঁস করায় এখন ইসরায়েলের কাছে আমাদের পরিচয় হয়েছে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’।

নিচের কথাগুলো নিয়েও আমার কোনো সন্দেহ নেই: গাযা হামলা নিয়েও আবারও মিথ্যার ফুলঝুরি ছুটতে দেখব। সব দোষ চাপানো হবে হামাসের ঘাড়ে। তাদের দোষ নিশ্চয়ই রয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল যা বলে সেগুলো নয়। এবারও বলা হবে, লাশগুলো নিশ্চয়ই কবর থেকে তুলে আনা। আবারও ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ গালি শুনতে হবে আমাদের। আর আমাদের নেতারা ধরি মাছ না ছঁুই পানি করে আবারও ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি এড়ানোর সুযোগ করে দেবেন, সুযোগ করে দেবেন ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ণ করার। তাঁরা বলবেন যে, হামাসই প্রথম যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে। এটাই নির্জলা মিথ্যা কথা। ইসরায়েলই প্রথম ১৮ মাস অবরোধ দিয়ে, গত ৪ নভেম্বরের বোমাবর্ষণে ৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে এবং পুনরায় ১৭ নভেম্বরে আরও আরও ফিলিস্তিনিকে বোমাবর্ষণে খুন করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।

অবশ্যই, ইসরায়েলিদেরও নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে। গত ১০ বছরে নিহত হয়েছে ২০ জন ইসরায়েলি। কিন্তু গত এক সপ্তাহেই নিহত হয়েছে ৯০০ ফিলিস্তিনি। ১৯৪৮ সাল থেকে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা যোগ করলে কত হয়? এর শুরু ১৯৪৮ সালের দায়ের ইয়াসিন গণহত্যা দিয়ে। তারপরই দলে দলে ফিলিস্তিনি প্রাণ রক্ষায় বিদেশে উদ্বাস্তু হওয়া শুরু করে। আজ সেই অঞ্চলে ইসরায়েল কায়েম হয়েছে। আরবে যা ঘটে চলেছে তা পরিষ্কারভাবেই ঔপনিবেশিকতা, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা। এর সঙ্গে একমাত্র তুলনীয় বসনিয়া-কসোভোর গণহত্যা। আজকের একজন আরব যখন সার্বক্ষণিক মৃত্যু, আক্রমণ, নির্যাতনের মধ্যে থাকে, যখন চোখের সামনে তার স্বজাতি নিধন দেখে, তখন তার মধ্যে যে ঘৃণা জন্ন হয়, তার লক্ষ্য কিন্তু একা ইসরায়েল নয়, গোটা পাশ্চাত্য। আমরা বলতে পারি, আমাদের কী দোষ? কিন্তু আমরা কি জানতে চেয়েছি, কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? এখন আমরা বলতে পারি না যে, এর উত্তর জানা নেই।

ব্রিটেনের দি ইনডিপেনডেন্ট থেকে নেওয়া
রবার্ট ফিস্ক: ব্রিটেনের দি ইনডিপেনডেন্ট-এর মধ্যপ্রাচ্য সংবাদদাতা।


লিংক: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897707 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897707 2009-01-15 07:32:49
ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা
আর সেই ভালবাসার বার্তা লেবানিজ শিশুরা কিভাবে গ্রহন করেছিলো দেখুন-

সোর্স: Jewish children send 'love' messages to Lebanese children (লিংকটি কোন ভাবেই শিশুদের সামনে খুলবেন না দয়া করে)

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী প্যালেস্তাইনে মোট ৯৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এর ভেতরে ৩১১ ই শিশু এবং ১০০ জন মহিলা। এদের ভেতরে স্নাইপার রাইফেল দিয়ে ঠান্ডা মাথায় মারা শিশুও রয়েছে। প্যালেস্তাইনে ইসরায়েলী বর্বরতার শিকার হওয়া শিশুদের ছবিগুলো এতই ভয়াভয় যে কোথাও পোস্ট করতে ইচ্ছে করে না। ফেসবুকে তেমনি কিছু ছবি ফেসবুকে আপলোড করার পর ফেসবুক কতৃপক্ষ এধরনের ছবি আপলোড না করার অনুরোধ সম্বলিত মেইল পাঠিয়েছে... কারণ শিশুরাও যায় ওখানে। এসব ছবি দেখে আমার মত প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষই অসুস্থ বোধ করে.. শিশুদের কি অবস্থা হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। সুতরাং শিশুদের ছবি আপলোড করা বন্ধ রেখেছি.... ২০০৬ সালের ইসরায়েলী বর্বরতায় ব্যবহৃত বোমাগুলোতে শিশুরা ভালবাসার বার্তা লেখার সময় কি একবারো চিন্তা করেছিলো এগুলো শিশুদের জন্য কতটা ভয়াভয় হতে পারে? এবার যে বোমাগুলো এতগুলো শিশুর জীবন ছিনিয়ে নিলো সেগুলোতেও কি কোন ইসরায়েলী শিশুর ভালবাসার বার্তা যুক্ত করা হয়েছিলো? ফেসবুক যে শিশুদের কথা চিন্তা করে এসব ভয়াভয় ছবি প্রকাশ করতে নিষেধ করে সেটাকে আমি স্বাগত জানাই। কিন্তু ফেসবুক কি জানে ইসরায়েলী সেই শিশুদের কথা যারা ভালবাসার বার্তা হিসেবে মারনাস্ত্রে পাঠায়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897429 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897429 2009-01-14 16:20:08
বয়কট ইসরাঈলঃ ছোট ছোট প্রতিবাদের ঢেউ তৈরি করতে পারে সুনামী
এই কয়দিন ফিলিস্তিন ও ইহুদীদের ইতিহাস ঘেঁটে যেসকল তথ্য পেয়েছি সেগুলোর জানার পর ঠিক কতজন ইসরাইলকে সমর্থন করতে পারে তা নিয়ে ভাবছি। আলোচ্য জরিপে আমেরিকা থেকে ১ লাখের বেশী ভোট গ্রহন করা হয়েছে। এর ভেতরে ৮৯ হাজার লোকই ইসরাইলের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ফেসবুকের গ্রুপগুলোতেও বেশীর ভাগ নাম দেখে বুঝা যায় এরা ইংলিশ পিপল। এর দ্বারা বলতে পারি ইংলিশ পিপলদের বিবেক বলতে কিছু নেই? মনে হয় না.... বস্তুত এদের বেশীর ভাগই মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত। তবে এদের ভেতরে যারা বুদ্ধিমান তারা ঠিকই ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। টিভি এবং ইন্টারনেটে এরকম হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষেরও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বুদ্ধিমান মানুষের সংখ্যা পশ্চিমে কম। আর সেকারণেই হয়তবা এত দীর্ঘ সময় ধরে প্রশ্চিমারা মিডিয়ার দ্বারা দিনকে রাত আর রাতকে দিন বানিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বুশের বিরুদ্ধে এত যুদ্ধাপরাধ ও গত কয়েক দশক ধরে ইসরাইলের এত অন্যায় অবিচারের স্বত্বেও মানুষ তাদের সমর্থন করেছে বা করছে।


(গ্রাফে ইসরাঈলের জন্য নীল রং ও ফিলিস্তিনের জন্য লাল রং ব্যবহার করা হয়েছে)
সোর্স: http://www.israel-vs-palestine.com/gz/?stats

আমরা যারা দূর হতে ফিলিস্তিনিদের এই দুর্যোগে দেখে কিছু করার কথা ভাবছি কিন্তু করার মত কিছু খুঁজে পাচ্ছি না তাদের বিষয়টা কী? আসলেই কিছু করার নেই? আপনার লেখা একটি ব্লগ পোস্ট বা আপনার ছুড়ে দেয়া একটি মন্তব্যও কী একেবারেই নিস্ফল? আপনি যে তথ্যটুকু জানার কারণে ইসরাইলের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন সেই তথ্যটুকু আরেকজনকে জানানোর পরও কি সে সচেতন হবে না? স্বভাবগত ভাবেই মানুষ অন্যায়ের পক্ষে বেশীক্ষন থাকতে পারে না। বুঝতে দিন সবাইকে, কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়। সচেতনতার বীজ বপন করতে পারলে এমনিতেই এসব অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবাই সোচ্চার হবে। হতে পারে অন্যায়কারীদের হাতে হাজারো পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট সহ যাবতীয় সব সুবিধা। অত্যাধুনিক সব প্রোপাগান্ডা মেশিন দিয়ে কতকাল তারা মিথ্যাচার চালিয়ে যেতে পারবে? তাদের এই অন্যায়গুলোর বিরুদ্ধে কিছু বলার উপায় নেই? আপনার আমার হাতের কাছে কমপক্ষে একটি ইন্টারনেট লাইন আছে যেখানে আমরা একত্র হতে পারি... নিজেদের হাতে থাকা তথ্য ও যুক্তি উপস্থাপণ করতে পারি। এই যে আমরা হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন সাইটে জড়ো হয়ে ছোট ছোট প্রতিবাদ করছি এগুলো কি একেবারই নিরর্থক? আমাদের সকলের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় করা প্রতিবাদটুকু অনেক ছোট হলেও পৃথিবী জুড়ে এরকম ছোট ছোট প্রতিবাদের ঢেউ মিলেই একটি বিশালাকার সুনামী সৃষ্টি করতে পারে... যে সুনামী সকল মিথ্যাবাদী ও অন্যায়কারীদের অপশক্তিদের পৃথিবী থেকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897007 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28897007 2009-01-13 17:15:33
ফিলিস্তিন বিরোধী প্রোপাগান্ডাগুলোর জবাব দেয়া প্রয়োজন

আমরা ইতিহাস থেকে গোয়েবলস এর প্রোপাগান্ডা সম্পর্কে জানি। কিন্তু বর্তমানে ইহুদী মিডিয়া সিএনএন ও তাদের পরিচালিত বিভিন্নগ্রুপের অপপ্রচার দেখে গোয়েবলসকে তুচ্ছ মনে হচ্ছে। আজকে ফেসবুকের একটা গ্রুপে দেখলাম যেখানে বিভিন্ন বানোয়াট ও অতিরন্জিত তথ্য দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে ইসরায়েল ফিলিস্তিনের অসম যুদ্ধে হামাসেরই সকল দোষ.. ইসরায়েলীরা শুধু জীবন রক্ষার তাগিদে পাল্টা জবাব দিচ্ছে। অথচ প্রকৃত চিত্র আমরা জানি। গতকাল দেখলাম কিভাবে ইসরায়েলী স্নাইপাররা ঠান্ডা মাথায় ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যা করছে। উল্লেখ্য স্নাইপারদের গুলি কখনো ভুলক্রমে কারো গায়ে লাগে না। কারণ অনেকসময় নিয়ে প্রচুর ঠান্ডা মাথায় ভিকটিমকে টার্গেট করা হয়। আর সেই ইসরায়েল নাকি নিজেদের রক্ষার্থে পাল্টা হামলা করছে... এমনই প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে ইহুদী মিডিয়া সিএনএন এবং তাদের সমর্থিত ওয়েবগুলো।

সিএনএন একটা টিভি চ্যানেল। সুতরাং তাদের কথার জবাব দেয়া আমাদের মত সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু বিভিন্ন ওয়েব/ফোরাম আর ফেসবুকে যেসব প্রোপাগান্ডা চলছে সেগুলোর জবাব দেয়া সম্ভব। এধরনের ওয়েব এবং গ্রুপগুলোর লিংক একত্র করতে সাহায্য করুন। এগুলোতে হওয়া প্রোপাগান্ডাগুলোর বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রমাণ একত্র করতে সাহায্য করুন। অত:পর কেউ একজন তাদের গ্রুপের সদস্য হয়ে তথ্য ও প্রমাণগুলো রেখে আসুন। কারণ এরা অনেক মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

--
পরিশেষে অন্য প্রসঙ্গে একটা কথা বলি.... হিটলারের ইহুদী নিধনের কাহিনী সম্পর্কে আমরা কম বেশী সবাই জানি। এমনকি আমাদের পাঠ্য পুস্তকেও ওসব কাহিনী আছে। আমি বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করবো এসব কাহিনী আমাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে সরিয়ে ফেলুন। হিটলারের কোন কাজ সমর্থন না করলেও এই বর্বর ইহুদীদের হত্যা করার কাজটা আমি আজ তীব্রভাবে সমর্থন করতে ইচ্ছে করে। তবে থেমে যাই.. কারণ একটি অন্যায়ের জণ্য আরেকটি অন্যায়কে সমর্থন দেয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই। কিন্তু একটি বিষয় নতুন করে অনুধাবন করতে পারি.... কেন একজন লোক (যিনি মুসলিম পর্যন্ত ছিলেন না) ইহুদীদের উপরে এতটা ক্ষ্রিপ্ত ছিলেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28894865 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28894865 2009-01-08 23:49:37