somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মুক্তমতের টুটি চেপে ধরার আয়োজন থেকে সরে আসুন। একটা পেজ থেকে জানতে পারলাম এবারের ব্লগ দিবসে ব্লগের মালিক পক্ষ ও সদস্যরা সরকারের মন্ত্রীদের ব্লগ নিয়ন্ত্রন আইনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। খুবই দুঃখজনক!

একটা সময় ছিলো যখন নিউজ পেপার আর টিভি মিডিয়ার খবর দেখে মানুষ ধরে নিতো সব কত সুন্দর ভাবে চলছে। ব্লগ ও ফেসবুক আসার পর মানুষ বুঝতে শুরু করলো প্রিন্ট আর টিভি মিডিয়ার উপরে নীর্ভর করা কতটা ভুল, বিকল্প মিডিয়ার উত্থান এখান থেকেই শুরু। ভিকারুন্নেসার ঘটনা সহ আরো অনেক ঘটনায় যখন নিউজ মিডিয়ার অসহায়ত্ব ও দেউলিয়াত্ব প্রকাশ পেয়েছে তখন ব্লগ ও সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটের ভূমিকা লোকজনের অনেক বেশি গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে, মানুষ বিকল্প মিডিয়ার খুঁজে পেয়েছিলো। স্বভাবতই প্রিন্ট মিডিয়া ও নিউজ মিডিয়া এটাকে সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনি। তাই বিডিনিউজের স্টাফরা ব্লগার সেজে ব্লগ আইনের পক্ষে কথা বলতেই পারে, প্রথম আলো গুরুত্ব দিয়ে ছাপাতেই পারে। আমরা আম ব্লগার কেন তাদের সাথে যোগ দেব?

সরকার আসবে সরকার যাবে, প্রচলিত মিডিয়া তাদের সুবিধা বুঝে সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিনত করবে। আমরা আমজনতা প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে চাই আর সেজন্যই ব্লগের মত মুক্তমঞ্চের গুরুত্ব এত বেশি। যেসব ব্লগাররা আজকে এই গুরুত্ব বুঝতে পারছেন না তারা একটা সময়ে এসে পস্তাবেন সন্দেহ নাই। সময় থাকতে আমাদের সচেতন হতে হবে।

এখনো সময় আছে, মুক্তমতের টুটি চেপে ধরার আয়োজন থেকে সরে আসুন। ব্লগারদের উচিত না ব্লগ নিয়ন্ত্রন আইনের পক্ষে কথা বলা বা এধরনের কোন আয়োজনে অংশগ্রহণ করা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29519928 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29519928 2012-01-10 16:39:31
ব্লগে যখন আসলাম একটা পোস্ট দিয়া-ই যাই (সবাইকে একটু বাঁশ দিয়া যাই) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> অনেকদিন পর ব্লগে আসলাম, ভাবলাম একটা পোস্ট দিয়া যাই। কি দেব ভাবতে ভাবতে মনে পড়লো একসময় আমরা যখন ফোরামিং করতাম তখন ফোরামে পোস্ট করার মত কিছু না পেলে নিজের ডেস্কটপের চেহারা দেখিয়ে দিতাম। আর শুরু হয়ে যেত তুলকালাম... কার ডেস্কটপে কত আইকন আর গ্যাজেট (প্লাগইন) আছে সব অন করে প্রিন্টস্ক্রিন - পোস্ট। তো, আমার ডেস্কটপে আসলে কি আছে?


ছবিঃ বাঁশ, বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ হওয়া উচিত।

তো, শুধু নিজের ডেস্কটপের ছবি দেখাতে এই পোস্ট না, এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনাদেরকেও "বাঁশ" দেয়া। এই নিন, বাঁশ (HD, তাও মাইনাস ডট কমে আপলোড করা) ! <img src=" style="border:0;" />

সবাইকে কঞ্চিযুক্ত বাঁশের শুভেচ্ছা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29519416 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29519416 2012-01-09 20:15:43
আমরা ও আমাদের ওয়ান্ডারসমূহ
যারা কমপক্ষে একবছর ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন তারা অবশ্যই অনলাইনে মিলিওন ডলার কামানোর বিশাল সুযোগটা একবার হলেও পেয়েছেন এবং উত্তেজিত হয়েছেন। তাদের দোষ দেব না, ১৯৯৮ সালে আমি প্রথম এরকম মিলিওনিয়ার হওয়ার সুযোগ পাই। জনৈকা দক্ষিন আফ্রিকানবাসীর পুরো ফ্যামিলি মরার আর জায়গা পায়নি, বাংলাদেশে এসে তাদের বিমান ক্রাশ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে তাদের কোটি কোটি টাকা আমাকে তুলে দিতে হবে সেটা, তাহলেই নাকি অর্ধেক আমার। বিরাট উত্তেজনার বিষয়! সাথে সাথে মেইলটা ফরোয়ার্ড করলাম আমেরিকায় পড়ালেখা করতে যাওয়া ভাই-বোনদের কাছে। তারা আমাকে নিয়ে হাসতে হাসতে বিষম খেলো। হবু মিলিওনিয়ার বলে ক্ষেপাতে শুরু করলো। SSC পরিক্ষা সামনে ছিলো তাই কিছুদিনের জন্য ইন্টারনেট মোডেম আম্মুর ড্রয়ারে তালাবদ্ধ হলো, আমারো আর মিলিওনিয়ার হওয়া হলো না। পরিক্ষার পর মেইলবক্সে প্রায় একইরকম গোটাদশেক মিলিওনিয়ার হওয়ার অফার। Yahoo-তে সার্চ দিলাম(তখন পর্যন্ত গুগল আসেনি) প্রথমবারের মত জানলাম- Scam এবং Spam এর সংজ্ঞা। এরপর আর কখনো ভুল হয়নি।

এরপর অনেক সময় পার হয়েছে। ২০০৭ এর কথা, Seven Natural Wonders of the World নামের একটা সাইট নিয়ে কিছুদিন খুব হৈচৈ হলো। পৃথিবীর ওয়ান্ডারই নাকি বদলে দিচ্ছে তারা, পিরামিডের সিন কাটা! সার্চ করে জানলাম ঘটনা- ইন্টারনেটে ভোট করে ওয়ান্ডার বদলে দেয়া, ছেলেমানুষি বৈকি! গার্ডিয়ানের রিপোর্ট দেখলাম - "The Seven Wonders should be chosen by a cultural institution, not the average man on the street.."। তাইতো, রাস্তা-ঘাট থেকে যেকেউ একটা সাইট বানিয়ে ভোট নিয়ে ওয়ান্ডার বানিয়ে দিলেই হলো নাকি! অবৈধভাবে UNESCO-র নাম ব্যবহার করছে দেখে UNESCO সাফ জানিয়ে দিলো- এটা ব্যক্তিউদ্যোগে করা প্রতিযোগীতা, এর সাথে ইউনেস্কোর কোন সম্পর্ক নাই। New 7 Wonders of Nature Campaign is a scam () শিরোনামের একটা আর্টিকেলে প্রমাণ সহ বলা হলো- New7Wonders campaign is a scam that the media should pay attention to. একই রকম গোটা দশেক রিপোর্ট পড়লাম, সবকটাতেই পরিষ্কার প্রমাণ আছে। UNESCO-র বরাত দিয়ে নিউজও আছে, অনলাইনে সার্চ করলেই পাওয়া যাবে।

তবে অনলাইনে সার্চ করলে যেমন অনেক তথ্য-যুক্তি-প্রমাণ পাওয়া যাবে যা প্রমাণ করে এটা নিছক একটা ধান্ধাবাজী ছাড়া আর কিছু না তেমনি অনলাইনেই পাওয়া যাবে এদের স্বপক্ষে শত শত ওয়েবব্লগ, লিঙ্ক। SMS আর ভোটিং বানিজ্য করে এরা ততদিনে মিলিওন মিলিওন ডলার কামিয়ে ফেলেছে। সেই টাকার ঠিক কতটা অংশ এরা মেসি, কাকা, বাংলাদেশের মন্ত্রী, আমলা, মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবিদের কিনতে ব্যবহার করেছে জানি না তবে এরা এই কাজে সফল। সুতরাং এদের পক্ষে বিপক্ষে অনলাইন লিঙ্ক প্রদান বন্ধ করে চলুন কিছু তথ্য জানি ও মস্তিস্কটা ব্যবহার করি-

১) শুধুমাত্র ইন্টারনেটে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা কোন কিছুকে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয় না, কোনদিন হওয়ার সম্ভবনাও নাই। ইন্টারনেটে ভোটাভুটিতে ফাঁকি দেয়া সহজ এবং আরো অনেক কারণে এটা গ্রহণযোগ্য না।
২) new7wonders.com সাইটটির ভিজিটর আমাদের সামহোয়্যারইন ব্লগ থেকেও কম। এদের আলেক্সা রেংক ৬ হাজারের উপরে, সামহোয়্যারইন ব্লগের আলেক্সা রেংক ৩০০০ এর ভেতরে। বিশ্বের অন্যতম কম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একটি দেশের ব্লগ সাইটের চাইতে যাদের ভিজিটর কম তাদের সাইটে আমার সুন্দরবন আর কক্সবাজারের ছবি ঝোলানোর জন্য কোটি কোটি টাকার SMS অপচয়, আফসোস! তারচাইতে সামহোয়্যারইন ব্লগে সুন্দরবন আর কক্সবাজারের ছবি পোস্ট করুন, আরো বেশি মানুষ জানবে।
৩) আলেক্সার ট্রাফিক পরিসংখ্যান দেখুন- http://www.alexa.com/siteinfo/new7wonders.com .. New7wonders.com’s Regional Traffic Ranks-এ কোন দেশ থেকে সবচাইতে বেশি ভিজিটর এরা পেয়েছে তার পরিসংখ্যান আছে, সেই তালিকায় প্রথম ২০ জনের ভেতরেও পৃথিবীর সবচাইতে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশের নাম নাই।
৪) এদের সাইটে কয়েক বছর টানা বাংলাদেশের দু'টো স্থান প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলো। আমেরিকা বা অষ্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৫% ও যদি এসব ধান্ধাবাজিতে বিশ্বাস করতো তাহলে একসপ্তাহও লাগতো না শুধু আমেরিকা বা অষ্ট্রেলিয়ার সবগুলো স্থানের এই লিস্ট দখল করতে।
৫) আন্তর্জাতিক মানের কোন প্রতিষ্ঠান এই ন্যাচারাল ওয়ান্ডারকে স্বীকৃতি দেয়নি। গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল ভাব নিয়ে এরকম ৭ ওয়ান্ডার্স আপনি আমি যেকেউই ঘোষণা দিতে পারি, তাতে পৃথিবীর কিছু যায় আসে না।

যাই হোক, এরকম অনেক যুক্তি প্রমাণ আছে। সবচাইতে বড় কথা এটা একটা ব্যক্তিমালিকানায় নেয়া উদ্যোগ যার কোন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নাই। এরকম একটা বিষয় নিয়ে ভাবলেও সময় নষ্ট, SMS করে পকেটের টাকা নষ্টের তো কোন কারণই নাই। শুধু কিছু ধান্ধাবাজ মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবি টাকার জন্য এদের পক্ষ হয়ে আমাদের সহজসরল জনতাকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে দেখে খারাপ লাগে। নষ্টদের দখলে চলে যাওয়া এই বাংলাদেশের মিডিয়া আর বুদ্ধিজীবিদের ধান্ধাবাজীতে আজকাল আর অবাক হইনা, তবে সত্যিই খুব আহত হয়েছি মুনির হাসান স্যারের মন্তব্যে। তাঁর মত একজন বুদ্ধিমান লোকের কাছে এটা একদমই আশা করিনি, বিশেষত যখন সবাই তাঁকে আইটিবিশেষজ্ঞ হিসেবে জানে-

আশা করি শীঘ্রই তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারবেন এবং মন্তব্যের জন্য লজ্জ্বিত হবেন।

ভাল থাকুন সবাই, সবসময়।

--
কিছু রিলেটেড লিঙ্ক-
-
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক প্রতারনা
- ফেসবুক নোট ও মন্তব্য
- ফেসবুক স্ট্যাটাস ও মন্তব্য
- N7W is a SCAM and Lebanon Should Pull Itself Out IMMEDIATELY
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29482733 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29482733 2011-11-13 22:38:24
মাত্র দশ বছরই যথেষ্ঠ দেশের চেহারা পুরোপুরি বদলে দেয়ার জন্য, আপনিও পারবেন! http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29443570 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29443570 2011-09-06 01:09:56 বারবার শুধু মনে হচ্ছে তালেবানি রাষ্ট্রে বসবাস করছি
যখন ফেসবুক ছিলো না তখন মানুষ চায়ের দোকানে গোল হয়ে বসে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছে। কেউ সেটার সাথে একমত হয়েছে কেউ হয় নাই, আলোচনা, বিতর্ক অনেক কিছুই হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে মানুষ চায়ের দোকান ছেড়ে ইন্টারনেট চ্যাট, ফোরাম, ব্লগ ও সোশ্যাল মিডিয়াতে জড়ো হতে শুরু করেছে এবং যথারীতি আলোচনাগুলোও ওখানেই হচ্ছে। এখানেও একই অবস্থা, সবাই মত প্রকাশ করছে, আলোচনা করছে, বিতর্ক করছে। এগুলো তাদের নাগরিক অধিকার। অন্তত রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিক কি বলতে পারবে কি বলতে পারবে না তা ঠিক করে দেয়ার চেষ্টা সুস্থ চর্চা নয়।

এই লেখাটা লেখার সময় অনেক চিন্তা ভাবনা করে লিখতে হচ্ছে। প্রতিটা লাইন ও শব্দ টাইপ করার আগে কমপক্ষে দশবার করে ভেবে দেখতে হচ্ছে সরকার এবং সরকার সমর্থকদের অপছন্দের কারণ হয়ে না যাই, হাইকোর্টের রুল জারি হওয়াটাও এখন সময়ের বিষয় মাত্র, যেকোন বিষয়েই! এমন একটা রাষ্ট্রে বাস করি যেখানে সরকারের মন্ত্রীরা সংসদের বসে একে অন্যের দূর্নীতি ফাঁস করে দিলেও মন্ত্রীদের কিছু হয় না কিন্তু মন্ত্রীদের দূর্নীতি নিয়ে কিছু বললে বিপদ। দূর্নীতিগ্রস্থদের কার্যকলাপের সমালোচনা করলে বিপদ।

আরো অনেক কিছু বলার ছিলো, কিন্তু দেশের যে অবস্থা তাতে ভরসা পাচ্ছি না খুব একটা। শুধু একটা বিষয়ই মনে হচ্ছে বারবার... আমরা কি তালেবানী রাষ্ট্রে বসবাস করছি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29435113 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29435113 2011-08-19 20:55:35
অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা...
গত কয়েক মাসে দেশে 'পরিমল জয়ধর' সহ আরো প্রায় গোটা দশেক হিন্দু শিক্ষকের নামে যৌন হয়রানী ও ধর্ষনের অভিযোগ এসেছে। সেসব নিউজের শিরোনামে তাদের "হিন্দু" পরিচয় তুলে ধরতে দেখা যায়নি কিন্তু যখনই কোন মুসলিম নামধারী অপরাধীর নামে নিউজ হয় তখন সেখানে "ইমাম", "মাদ্রাসার শিক্ষক" ইত্যাদি বিশেষন ব্যবহারে সংবাদ সংস্থাগুলোকে বেশ আগ্রহী দেখা যায়। এটা যে শুধুমাত্র আমাদের দেশেই হয় তা কিন্তু নয়। কিছুদিন আগে নরওয়ের বর্বরোচিত হামলার বিষয়ে আমি ফেসবুক ও কিছু বিদেশি নিউজ সংস্থায় "ইসলাম"-কে দায়ী করে নিউজ ও প্রচুর স্ট্যাটাস দেখিছি। যখনই প্রমাণীত হলো যে আক্রমণকারী "মুসলিম" নয় তখন আর তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে কোথাও কোন আওয়াজ শোনা গেল না। এটা হচ্ছে বর্তমান চলমান বিশ্বের একটা বাস্তবতা।

বিষয়টা এখন অনেকটা এরকম দাঁড়িয়ে গিয়েছে- (ইন্টারনেটে অনেক প্রচলিত একটা কৌতুকের ফরম্যাটে)-
এক আরব মুসলিম নিউইয়র্কের এক পার্কে একটা কুকুরের আক্রমণ থেকে এক ব্যক্তিকে রক্ষা করতে কুকুরটিকে গুলি করে মেরে ফেলে। ঘটনা দেখে সংবাদ কর্মীরা সাথে সাথে ছুটে আসে, লোকটির সাহস ও সাহায্যের প্রশংসায় তারা পঞ্চমুখ-
সাংবাদিকঃ আপনি নিশ্চয় একজন সাহসী নিউইয়র্কবাসী
ব্যক্তিঃ না, আমি তা নই
সাংবাদিকঃ তাহলে নিশ্চয় একজন মহৎ হৃদয় আমেরিকান
ব্যক্তিঃ না, আমি একজন আরব মুসলিম

পরেরদিন পত্রিকায় খবর বের হলো-
"সন্ত্রাসী আরব মুসলিমের গুলিতে একটা নিরীহ কুকুরের জীবন নাশ"

দুঃখজনক হলেও, এটাই বাস্তবতা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29434357 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29434357 2011-08-18 14:11:01
নোয়াখালির "মিলন" বোমায় একজন কঠোর পুলিশ অফিসারের ক্যারিয়ার অবসান
১) এই ঘটনাটা যে পুলিশ অফিসারকে টার্গেট করে ঘটানো হয়েছে তিনি সম্প্রতি ওখানে যোগ দিয়েছেন।
২) তাঁর জয়েনের পূর্বে ঐ এলাকায় পুলিশের সহযোগীতায় ডাকাতরা ডাকাতি করে বেড়াতো। কারা এই ডাকাতি করে তা ঐ এলাকার লোকজনের কাছে ওপেন সিক্রেট ব্যপার।
৩) নতুন অফিসার আসার পর তিনি সন্ত্রাসী/ডাকাতদের সাথে মিলে কাজ করতে সম্মত হননি ফলশ্রুতিতে ওখানে ডাকাতি কমে যাচ্ছিলো।
৪) আলোচ্য অফিসারের শক্ত ভূমিকার কারণে স্থানীয় ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের সমস্যা হচ্ছিলো।
৫) আলোচ্য অফিসারের কারণে কিছুদিন আগে রাজনৈতিক একটা ইভেন্টে কতিপয় রাজনৈতিক ক্ষমতাবানের ক্ষতি হয়েছে (তাদের সাথে দখলদারীতে সহযোগীতা করেননি উক্ত অফিসার)।

এছাড়াও আরো কিছু বিষয় আছে। আগ্রহী সাংবাদিকরা এসাইনমেন্ট হিসেবে নিতে পারেন বিষয়টাকে। যারা সত্যিকার অর্থেিই সাংবাদিকতাকে একটা মহান পেশা ভাবেন তাদের উচিত ঐ এলাকায় গিয়ে মূল ঘটনা ও ঘটনার পেছনের ঘটনা বের করে আনা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29429478 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29429478 2011-08-10 23:18:31
ফেসবুক টিপসঃ কে আপনাকে ডিলিট করলো?
ফেসবুক বা বিভিন্ন সাইটে আপনার নিজের মত সুবিধা যুক্ত করে নেয়ার আপনাকে ব্যবহার করতে হবে 'ইউজার স্ক্রিপ্ট'। এই স্ক্রিপ্ট চাইলে আপনি নিজে লিখে নিতে পারেন বা অনলাইন থেকে খুঁজে নিতে পারেন। এরজন্য প্রথমে আপনাকে gracemonkey নামের একটা প্লাগইন সেটাপ করে নিতে হবে। ধাপগুলো লক্ষ করুন-

১) মজিলা ফায়ারফক্সের উপযোগী এডঅনস gracemonkey ডাউনলোড করে নিন, এখান থেকে- Click This Link
২) Greasemonkey সেটাপ শেষ হলে ব্রাউজার রিস্টার্ট দিয়ে Greasemonkey এনাবল আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩) এবার Unfriend Finder নামের ইউজারস্ক্রিপ্টটি সেটাপ করে নিন এই লিঙ্ক থেকে - http://userscripts.org/scripts/show/58852

ফেসবুক খুলে দেখুন উপরে ডানদিকে এবং বামদিকে নিচের ছবির মত Unfriends অপশন যুক্ত হয়ে গিয়েছে।


এটি একটি ক্লায়েন্ট সাইড স্ক্রিপ্ট যা মূল সাইটের কোন পরিব্তন না করে শুধুমাত্র ব্যবহারকারীদের কাছে ঐ সাইটকে পরিবর্তন করে দেয়। অনেক মজার মজার সব ইউজারস্ক্রিপ্ট পাওয়া যায় অনলাইনে যেগুলো ব্যবহার করে গোটা ফেসবুক সহ আরো অনেক সাইটের চেহারা বদলে দিতে ও বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করে নিতে পারবেন।

(সামহোয়্যারইনের জন্য কয়েক বছর আগে এরকম একটা ইউজারস্ক্রিপ্ট লিখেছিলাম যেটা এই সাইটের পুরো চেহারা বদলে দিতে পারতো, পোস্টটা খুঁজে পাচ্ছি না। স্ক্রিপ্টটা কারো কাছে ব্যাকআপ থাকলে একটা পোস্ট দিন বা মেইলে জানাতে পারেন)

ধন্যবাদ।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29426349 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29426349 2011-08-06 01:09:53
পুলিশের মত সাংবাদিকরাও কি নিজেদের ঘৃণার বস্তু বানিয়ে ফেলছে? * জানতাম, ভিকারুন্নেসায় আসলে তেমন কিছুই হয়নি। - (বেশির ভাগ মিডিয়ার নীরবতার কারণে)
* জানতাম, আন্দোলন রত ছাত্রীরা আসলে দুই ভাগে বিভক্ত। (প্রথম আলোর নিউজ থেকে)
* জানতাম, ভিকারুন্নেসার মেয়েরা আসলে উগ্র হয়ে গিয়েছে, তাদের অভিভাকরা তাদের নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। (আজকের এটিএন-এ মুন্নি সাহার বক্তব্য থেকে)
* জানতাম, পরিমল এবং হোসনে আরার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা ছাত্রীদের সাহায্য করছে বিরোধী দলীয় শক্তি।

কিন্তু আসল ঘটনা যে পুরোপুরিই ভিন্ন তা জানার জন্য আমাকে নির্ভর করতে হলো ব্লগ পোস্ট আর ফেসবুকে তৈরি করা ভিকিদের গ্রুপ 'ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজে ঘটে যাওয়া প্রকৃত ঘটনা ' থেকে। সাংবাদিক ভাইয়েরা, এটা কি আপনাদের ব্যর্থতা না? এটা কি আপনাদের জন্য লজ্জ্বার কথা না যে আপনাদের উপরে ভরসা করতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে? এটা কি আপনাদের ব্যর্থতা না যে ফেসবুকে আপনাদের বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে পেজ হয় এবং সেখানে শত শত লোক অংশগ্রহণও করে?

সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা বলেই আমরা জেনে এসেছি। সাংবাদিক হতে হলে অনেক বুদ্ধিদৃপ্ত ও সাহসী হতে হয় বলেও সবাই জানে। কিন্তু অতীতের আরো অনেক ঘটনার মত ভিকারুন্নেসার ঘটনার পর যখন সাংবাদিকদের কাছ থেকে আমাদের উদ্ভট ও বুদ্ধিপ্রতীবন্ধীর মত সব যুক্তি শুনতে হয় তখন আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা কোথায় অবস্থান করবে? আমাদের কেন শুনতে হয় 'আন্দোলনরত ছাত্রীদের পেছনে আসলে বিরোধী দলের সহায়তা আছে'? আচ্ছা ধরে নিলাম বিরোধী দলের হাত আছে তাহলে সেটার জন্য বিরোধী দলের সমালোচনা করা উচিত না বাহবা দেয়া উচিত? পরিমল এবং হোসনে আরা-রা যা করেছে সেটা কি সভ্যতা বিবর্জতি কাজ নয়? সেই কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কি বাহবা পাওয়ার যোগ্য কাজ নয়? আপনাদের অক্ষমতা বা অসততা যদি সেই কাজের পক্ষে দাঁড়ানোর পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় অন্যের দাঁড়ানোকে কেন নেতিবাচক দৃষ্টিতে প্রচার করবেন? আমার তো মনে হয়, বিরোধী দল যদি এর সাথে জড়িত নাও থাকে, তাদের জড়ানো উচিত। এরকম একটা ভাল কাজে যে জড়াবে তাকেই সাধুবাদ।

সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনাদের অবস্থা দেখুন- আপনারা নিজেরাই সর্বক্ষন ব্লগে এসে বসে থাকেন কোন খবরের সর্বশেষ আপডেট জানার জন্য আর আপনাদের কাছেই হুমকি পেতে হয় একজন ব্লগারকে, সঠিক খবর পৌঁছে দেয়ার অপরাধে। আলম আল রাজী নামের ব্লগারকে দেয়া এই নিকৃষ্ট হুমকিটা একবার পড়ে দেখুন তো-

"পানিতে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই করতে আসবেন না আলীম আল রাজি। আপনি আপনার অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলেছেন। আধা ঘন্টার মধ্যে সামুর পোস্ট থেকে সাংবাদিকদে​র against-এ লেখা প্রতিটা লাইন মুছবেন। নাহলে আপনার জন্য অনেক খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে। মাইন্ড ইট।"
Click This Link

শুধু তা-ই নয়, দুজন টিভি সাংবাদিক অান্দোলন রত ছাত্রীদের হুমকিও দিয়েছে শুনলাম। এটা নিয়ে ফেসবুকে পেজ খোলা হয়েছে, ভিডিও নাকি আপলোড করা হচ্ছে। মুন্নি সাহার রিপোর্ট নিয়ে ফেসবুকের আলোচনাটা দেখুন- Click This Link ... একবার শুধু দেখুন আপনাদের অপসাংবাদিকতা কোন পর্যায়ে এসে পোঁছিয়েছে! ভেবে দেখুন, এই যদি হয় মহান পেশার মহান সৈনিকদের অবস্থা তাহলে জনগণের কাছে আপনাদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

গতকাল ফেসবুকে বিকল্প মিডিয়া কি হতে পারে জানতে চেয়ে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, তেমন কাউকে আমন্ত্রন জানানোর আগেই যারা উত্তর দিয়েছে তাদের কেহ-ই বর্তমান অবস্থায় সুখী বলেনি, এই ব্যর্থতা কি আপনাদের নয়?

লিঙ্ক- Click This Link

ফেসবুক আর ব্লগে শত শত মানুষের কাছে সাংবাদিকরা হয়ে ওঠছে খল নায়ক, হুমকি দাতা, অসৎ ও দূর্নীতিবাজ। এর পরিনতি আসলে কী? পুলিশের আজকের অবস্থা দেখেও কি সাংবাদিকরা শিক্ষা নিতে পারে নাই? সকল পুলিশই কি খারাপ? গুটি কয়েক অসৎ লোকের জন্য যেভাবে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট সকলের শ্রদ্ধা হারিয়েছে গুটি কয়েক অসৎ সাংবাদিকের জন্য কি সাংবাদিকতাও একটা অসৎ পেশা হিসেবে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে পরিচিত হবে? এই প্রশ্নের উত্তর চিন্তাশীল ও বিবেকবান সাংবাদিকদের কাছে রইলো, তাদের নিজেদের ভালোর জন্যই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29413717 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29413717 2011-07-16 00:06:34
উলফার জন্য যদি বিএনপি অস্ত্র সরবরাহ করেও থাকে, তাতে সমস্যা কোথায়?
হ্যাঁ, উলফার জন্য অস্ত্র সরবরাহের জন্য সরকারি বিচার তখনি জায়েজ যখন বাংলাদেশ ভারতের অঙ্গ রাজ্য হবে, হয়েছে কী?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29403167 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29403167 2011-06-27 10:00:59
পারিবারিক অশান্তি, কিছু বাস্তবতা ও ফ্যাক্ট
১) সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যা তৃতীয় ব্যক্তির পক্ষে কখনো পুরোপুরি বোঝা সম্ভব না, তাই সম্পর্কের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির পরামর্শ বা হস্তক্ষেপ সব সময়ই খারাপ ফল বয়ে আনে।
২) সমস্যা যতটা নিজেদের ভেতরে রাখা যায় তত সহজে এবং সুন্দর ভাবে সেটার সমাধান হয়ে যায়।
৩) অনেকই পুরুষই জানে না সে কেন বিবাহ করছে বা জানলেও ভুল ভাবে জানে, তাদেরকে আগে বুঝতে হবে কেন সে বিয়ে করবে। অনেক মেয়েরও পুরুষদের সম্পর্কে স্টেরিওটাইপ কিছু ধারণা আছে যা সুন্দর একটা সম্পর্ক নির্মাণের জন্য বাঁধা স্বরুপ। এদের উভয়কেই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর ভাবে ভাবতে হবে, জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।
৪) বউ কোন সাপোর্ট টুল না বরং হিউম্যান অপারেটিং সিস্টেমের একটা মেজর আপডেট, এই ফ্যাক্টটা ছেলেদের এবং তাদের মা'দের মাথায় রাখা জরুরি।
৫) জামাই কোন বারোমাসি শস্যক্ষেত্র না। এটা বউদের এবং তার দিকের আত্মীয়দের মাথায় রাখা জরুরি।
৬) নারীদের উপরে পুরুষদের চাইতে অন্য নারীরাই বেশি নির্যাতন করে থাকে, পুরুষদের উচিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা।
৭) আমাদের বেশিরভাগ মা'য়েরা নিজের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির যে কাজগুলোর সমালোচনা করতে ছাড়ে না সেই কাজগুলো নিজের বউদের সাথে করতে একটুও কার্পন্যবোধ করে না। তাদের সামাজিক কাউন্সিলিং প্রয়োজন।
৮) অনেক মেয়ে আছে যারা শশুড়বাড়ির সকল কথা ও বিষয় নিজের বাড়িতে বা অন্য লোকের সাথে শেয়ার করে এবং পরামর্শ গ্রহণ করে সে অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিয়ে যায়। এদের জানা থাকা উচিত বাইরে থেকে একটা ফ্যামিলির কাজকর্ম যথাযথ মূল্যায়ণ কোনদিনও সম্ভব না সুতরাং পরামর্শ ভুল হতে বাধ্য যা তাদের জীবনকেই দূর্বিষহ করে ফেলে।
৯) অনেক শাশুড়ি আছেন যারা তাদের বউদের নামে পরিবারের বাইরের কোন সদস্যের কাছে ক্রমাগত নালিশ করতে থাকেন। এরা বোঝেন না ঐ ব্যক্তি বা পরিবার কোনদিনও তার জন্য টানা একমাসও কিছু করবে না, করলে বউ-ই করে যাবে পুরো জীবন। এদের হেদায়াত জরুরি।
১০) আমাদের দেশের মেয়েদের জন্য কিছু কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি যাতে এরা অলস থাকতে না পারে। বেশিরভাগ পারিবারিক সমস্যার মূল কেন্দ্র এই অলস অলস নারীগোষ্ঠী।
১১) আমার পর্যবেক্ষন বলে, টিভি সিরিয়াল যে ফ্যামিলিতি যত জনপ্রিয় সেখানে অশান্তি তত বেশি। ছেলেদের উচিত বিয়ে করার আগে কৌশলে মেয়ে সিরিয়াল পছন্দ করে কিনা ও তার ফ্যামিলিতে সিরিয়াল কতটা জনপ্রিয় জেনে নেওয়া। সিরিয়াল ভক্ত মেয়ে বা ফ্যামিলিগুলো বাদ দিয়ে সম্পকর্ গড়লে সমসাময়িক অনেকগুলো সমস্যা/ক্যাচাল থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব (নিতান্তই ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন ও মতামত এটা)।

আরো অনেক ফ্যাক্ট ও বাস্তবতা আছে এবং থাকতে পারে যেগুলো মাথায় রাখা জরুরি। সময় স্বল্পতা কারণে ও ব্লগের স্বল্প পরিসরে সেগুলো সব তুলে ধরা গেল না বা অনেক ফ্যাক্ট আমার নিজেরও জানা নাই। যারা এসব নিয়ে ভাবেন তাদের ভাবনা শেয়ার করলে ও আলোচনা করলে এই বিষয়গুলো আরো পরিষ্কার হতে পারে। যাই হোক, আমার একটা ব্যক্তিগত ভাবনা দিয়ে শেষ করছি, আমি বিশ্বাস করি- 'পৃথিবীর কোন মানুষই খারাপ না, বেশিরভাগ মানুষ অনেক কাজ ভাল ও সঠিক মনে করে করে কিন্তু অন্যের কাছে সেটা খারাপ। এটাকে আমরা কনসেপচ্যুয়াল এরর বলতে পারি। একটু সময় নিয়ে ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খতিয়ে দেখলে অনেক সমস্যাই সমাধান করা খুব সহজ হয়ে যায়। এটা সকলের জন্যই প্রযোজ্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29396647 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29396647 2011-06-14 16:08:57
একটি সফল বানিজ্যিক রহস্য - বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল যা শয়তানের ত্রিভুজ নামেও পরিচিত এলাকাটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশেষ ত্রিভুজাকার অঞ্চল যেখান বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রচারিত আছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ভৌগলিক অবস্থান নির্দিষ্ট নয়। কেউ মনে করেন এর আকার ট্রাপিজয়ডের মত, যা ছড়িয়ে আছে স্ট্রেইটস অব ফ্লোরিডা, বাহামা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জ এবং ইশোর (Azores) পূর্বদিকের আটলান্টিক অঞ্চল জুড়ে। আবার কেউ কেউ এগুলোর সাথে মেক্সিকোর উপসাগরকেও যুক্ত করেন। তবে লিখিত বর্ণনায় যে সকল অঞ্চলের ছবি ফুটে ওঠে তাতে বুঝা যায় ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূল, সান হোয়ান (San Juan), পর্তু রিকো, মধ্য আটলান্টিকে বারমুডার দ্বীপপূঞ্জ এবং বাহামা ও ফ্লোরিডা স্ট্রেইটস এর দক্ষিণ সীমানা জুড়ে এটি বিস্তৃত। বিভিন্ন লেখক লেখায় বারমুডার যে বিচিত্র ম্যাপ পাওয়া যায় তা নিন্মরুপ-

ছবি-১ বরমুডা ম্যাপ - সূত্র: উইকিপিডিয়া

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিষয়ে বিভিন্ন লেখক রেফারেন্স হিসেবে সর্বপ্রথম ক্রিস্টোফার কলম্বাসের কথা উল্লেখ করেছেন। কলম্বাস লিখেছিলেন যে তাঁর জাহাজের নবিকেরা এ অঞ্চলের দিগন্তে আলোর নাচানাচি, আকাশে ধোঁয়া দেখেছেন। এছাড়া তিনি এখানে কম্পাসের উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশনার কথাও বর্ণনা করেছেন।

১৯৫০ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর সর্বপ্রথম এ বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে খবরের কাগজে লিখেন ই. ভি. ডব্লিউ. জোন্স( E.V.W. Jones)। এর দুই বছর পরেই এই বিষয়ে ফেইট (Fate)ম্যাগাজিনে জর্জ এক্স. স্যান্ড( George X. Sand) "Sea Mystery At Our Back Door" শিরোনামে একটি ছোট প্রবন্ধ লিখেন। এ প্রবন্ধে তিনি ফ্লাইট নাইনটিন ( ইউ এস নেভী-র পাঁচটি ‘টি বি এম অ্যাভেন্জার’ বিমানের একটি দল, যা প্রশিক্ষণ মিশনে গিয়ে নিখোঁজ হয়) এর নিরুদ্দেশের কাহিনী বর্ণনা করেন এবং তিনিই প্রথম এই অপরিচিত ত্রিভুজাকার অঞ্চলের কথা সবার সামনে তুলে ধরেন।
সূত্র: George X. Sand (October 1952). "Sea Mystery At Our Back Door" ও উইকিপিডিয়া

ফ্লাইট নাইনটিনের দূর্ঘটনাকে আমেরিকান লিজান (American Legion) ম্যগাজিনে ১৯৬২ সালে সর্বপ্রথম অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখানো হয় (লেখক- Allen W. Eckert (April 1962). "The Lost Patrol". American Legion.)। সেসময়ে এই রহস্যময় ঘটনা নিয়ে প্রচুর আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ১৯৬৪ সালে 'The Deadly Bermuda Triangle' নামের আরেকটি কাহিনী ছাপিয়ে এই আলোড়নে আরো মশলা যুক্ত করার দায়িত্ব পালন করেন ভিনসেন্ট গডিস (Vincent Gaddis) নামের এক লেখক। এর উপরেই আরো রং চড়িয়ে 'Invisible Horizons' নামের বিখ্যাত বইটি লেখা হয় যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে আরো রহস্যাবৃত করে তোলে। বারমুডার বিষয়ে লেখালেখি পাঠক প্রিয়তার তুঙ্গে উঠে আসলে প্রকাশিত হয় আরো কিছু লেখকের বই। এর ভেতরে উল্লেখযোগ্যগুলো হচ্ছে ওয়ালেস স্পেন্সারের "লিম্বো অফ দ্যা লস্ট" (Limbo of the Lost, 1969, repr. 1973), রিচার্ড উইনারের "দ্যা ডেভিল'স ট্রায়াঙ্গেেল" “শয়তানের ত্রিভুজ” (The Devil's Triangle, 1974) এবং চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz)-এর সেই বিখ্যাত বই “দি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল”(The Bermuda Triangle, 1974)। এদের প্রায় সকলেই ঘুরেফিরে একার্ট (Eckert) বর্ণিত অতিপ্রাকৃতিক ঘটানাই বিভিন্ন স্বাদে উপস্থাপন করেছেন। (Allen W. Eckert (April 1962). "The Lost Patrol". American Legion)।

এসব লেখকরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল বিষয়ে কি লিখেছে সেটা আগ্রহীদের অনেকেই জানেন। সেগুলো বর্ননা করে পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে চাই না বরং এই ঘটনাগুলোর পেছনের ঘটনা ও এসব কাহিনীর বিষয়ে হওয়া বিভিন্ন গবেষণা নিয়ে আলোচনা করবো।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিভিন্ন রহস্য একটা দীর্ঘ সময় ধরে পাঠক প্রিয়তা পেলেও বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কার ও আধুনিক স্যাটেলাইট ও নৌ যোগাযোগ পদ্ধতির কারণে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে শুরু করে। এসময়টায় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে বেশ কিছু কৌতুহলী মানুষ ও প্রতিষ্ঠান গবেষণা শুরু করে। “অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি”-র রিসার্চ লাইব্রেরিয়ান লরেন্স ডেভিড কুসচ ১৯৭৫ সালে "দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল মিস্ট্রি: সলভড" নামে একটি বই বের করেন যেখানে তিনি চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz) এর বর্ণনার সাথে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের বর্ণনার অসংগতিগুলো তুলে ধরতে সক্ষম হন। যেমন- যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমান থাকার পরেও বার্লিটজ (Charles Berlitz) বিখ্যাত ইয়টসম্যান ডোনাল্ড ক্রোহার্সট(Donald Crowhurt) এর অন্তর্ধানকে বর্ণনা করেছেন রহস্য হিসেবে। আরও একটি উদাহরণ হল- আটলান্টিকের এক বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার তিন দিন পরে একটি আকরিকবাহী জাহাজের নিখোঁজ হবার কথা বার্লিটজ বর্ণনা করেছেন, আবার অন্য এক স্থানে একই জাহাজের কথা বর্ণনা করে বলেছেন সেটি নাকি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি বন্দর থেকে ছাড়ার পর নিখোঁজ হয়েছিল। এছাড়াও কুসচ(Kusche) দেখান যে বর্ণিত দূর্ঘটনার একটি বড় অংশই ঘটেছে কথিত ত্রিভুজের সীমানার বাইরে। অথবা সবগুলো ঘটনাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে আনতে গেলে ট্রায়াঙ্গেলের আকৃতি আর ট্রায়াঙ্গেলের মত থাকে না (ছবি-১ দ্রষ্টব্য)। কুসচের গবেষনায় সহজ ভাবেই এসব লেখকের অসততা ফুটে ওঠে। তিনি লেখকদের বর্ণনায় বিভিন্ন দূর্ঘটনার তারিখ, সময় ইত্যাদি অনুযায়ী সে সময়ের খবরের কাগজ থেকে আবহাওয়ার খবর আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সংগ্রহ করেছেন যা গল্পে লেখকরা বলেননি। অথচ এসব আবহাওয়ার খবর আর সমসাময়িক ফ্যাক্টগুলোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনাই অতি-সাধারণ দুর্ঘটনায় পরিনত হয়। কুসচের গবেষনায় বেশ চমৎকার কিছু বিষয় বের হয় আসে যা নিয়ে এর আগে কেউ ভাবেনি। তার ভেতরে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে-
* বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেলে যে পরিমান জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হয় তার পরিমান বিশ্বের অন্যান সমুদ্রের তুলনায় বেশি নয়। মানে দুর্ঘটনার এই হার ঐ সময় স্বাভাবিকই ছিলো।
* এ অঞ্চলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় (tropical storms) নিয়মিত আঘাত হানে যা জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ার অন্যতম কারন। কিন্তু বার্লিটজ বা অন্য লেখকেরা এধরনের ঝড়ের কথা অনেকাংশেই এড়িয়ে গিয়েছেন।
* অনেক ঘটনার বর্ণনাতেই লেখকেরা কল্পনার রং চড়িয়েছেন। আবার কোন নৌকা নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দেরিতে বন্দরে ভিড়লে তাকে নিখোঁজ বলে প্রচার করা হয়েছে।
* আবার কখনোই ঘটেনি এমন অনেক ঘটনার কথা লেখকেরা বরেছেন। যেমন- ১৯৩৭ সালে ফ্লোরিডার ডেটোনা সমুদ্রতীরে( Daytona Beach) একটি বিমান দূর্ঘটনার কথা বলা হয়, কিন্তু সেসময়ের খবরের কাগজ থেকে এ বিষয়ে কোন তথ্যই পাওয়া যায়নি।
কুসচ –এর গবেষণার উপসংহারে বলা যায়- লেখকরা অজ্ঞতার কারনে অথবা ইচ্ছাকৃত ভাবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল নিয়ে বানোয়াট রহস্য তৈরি করেছেন।
সূত্র: Lawrence David Kusche (1975). The Bermuda Triangle Mystery Solved. ISBN 0-87975-971-2

বারমুডাকে রহস্যময় হিসেবে প্রচার করে বেড়ানো লেখকেরা কলম্বাসের রেফারেন্স দিলেও বিশেষজ্ঞরা কলম্বাসের প্রকৃত লগবুক পরীক্ষা করে পেলেন ভিন্ন চিত্র। ১১ই অক্টোবর, ১৪৯২ খ্রিষ্টাব্দে লিখিত কলম্বাসের সেই লগের মূল অংশ নিচে তুলে ধরা হলো-
"The land was first seen by a sailor (Rodrigo de Triana), although the Admiral at ten o'clock that evening standing on the quarter-deck saw a light, but so small a body that he could not affirm it to be land; calling to Pero Gutiérrez, groom of the King's wardrobe, he told him he saw a light, and bid him look that way, which he did and saw it; he did the same to Rodrigo Sánchez of Segovia, whom the King and Queen had sent with the squadron as comptroller, but he was unable to see it from his situation. The Admiral again perceived it once or twice, appearing like the light of a wax candle moving up and down, which some thought an indication of land. But the Admiral held it for certain that land was near..."
সূত্র: ১১ই অক্টোবর, ১৪৯২ এ লিখিত কলম্বাসের নোটবুক

এই লগ পর্যবেক্ষন করে বিশেষজ্ঞরা যে মত দিয়েছেন তার সারমর্ম হল – নাবিকেরা যে আলো দেখেছেন তা হল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত নৌকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত আগুন আর কম্পাসে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল নক্ষত্রের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে। আকাশে অদ্ভুত রকমের আলোচ্ছটার আরো বহুরকম ব্যাখ্যা রয়েছে। অরোরা বোরিয়ালিস (aurora borealis) তাদের ভেতরে অন্যতম (যদিও এটা মরু অঞ্চলে বেশী হয়)। তাছাড়া তৎকালীন সময়ে নাবিকরা তিলকে তাল বানাতে ওস্তাদ ছিলো। আর তাদের ভেতরে কাজ করতো নানারকম কুসংস্কার, যা আগ্রহীদের সকলেই জানেন। কিছুদিন আগে আমরা সাগরের ভেতর থেকে আগ্নেয়গিরির উদ্গীরনের যে অসাধারণ চিত্র দেখতে পেলাম তেমন কিছু তৎকালীন নাবিকরা দেখে কতরকম কাহিনী তৈরি করতো তা বলাই বাহুল্য-


ছবি: Underwater volcano erupts off the coast of Tonga's capital Nuku'alofa
(কলম্বাস ও তার নাবিকরা এধরনের কিছু দেখলে হয়তো গোটা সাগরকেই অশুভ কিছু ঘোষণা করে দিতেন...)

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিষয়ে লিখিত বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের(USA) কোস্ট গার্ড ব্যাপক অনুসন্ধানের পর অনুমোদন করেছে এই অঞ্চলে অস্বাভাবিক কিছু নেই।
সূত্র: Click This Link

বর্তমানে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কথিত রহস্যজনক এলাকা দিয়ে প্রতিনিয়তই কোনরকম বিপদ ও অস্বাভাবিকতা ছাড়াই হাজার হাজার জাহাজ ও বিমান চলাচল করছে। এসব জাহাজ আর বিমান যেসকল প্রতিষ্ঠানে বীমা করা হয় তেমন একটি মেরিন বীমা কোম্পানী “লয়েড'স অব লন্ডন”(Lloyd's of London) অনুসন্ধান করে নিশ্চিত করেছে যে ঐ এলাকায় এমন কোন অস্বাভাবিক কিছু নেই যার জন্য তারা ঐ অঞ্চল দিয়ে গমনকারী জাহাজের কাছ থেকে অতিরিক্ত মাশুল আদায় করতে পারে। উল্লেখ্য ঝুকিপূর্ন এলাকা দিয়ে চলাচলকারীদের কাছ থেকে বীমা কোম্পানী অতিরিক্ত মাশুল আদায় করে থাকে।

বারমুডাকে রহস্যাবৃত্ত করার কাজে নিয়োজিত অন্যতম লেখক John Wallace Spencer (1969) তাঁর Limbo Of The Lost বইযে ভি.এ. ফগ (V.A. Fogg) নামের একটি ট্যাঙ্কারের বিধ্বস্ত হওয়ার কাহিনী উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, "ঐ ট্যাঙ্কারের সব আরোহী অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে শুধুমাত্র এর ক্যাপ্টেনকে তার কেবিনের টেবিলে হাতে কফির মগ ধরা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে" (সূত্র- ১২.০ ১২.১ ১২.২ John Wallace Spencer (1969). Limbo Of The Lost. ISBN 0-686-10658-X)। অথচ কোস্ট গার্ডরা সে বিধ্বস্ত ট্যাঙ্কারের ছবি তোলেন এবং বেশ কিছু মৃত দেহও উদ্ধার করেন (সূত্র- V A Fogg (PDF). USCG.)।

টিভি সিরিয়াল NOVA / Horizon এর “ দ্যা কেস অব দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল (১৯৭৬-০৬-২৭)” পর্বে বলা হয়েছিল- "যে সব দূর্ঘটনার কথা বলা হয় সেগুলো ভিত্তিহীন"।
সূত্র: series = NOVA / Horizon (BBC TV series), "The Case of the Bermuda Triangle", airdate = 1976-06-27, network = PBS

১৯৪০ থেকে শুরু করে ১৯৮৯ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বেশ কিছু দূর্ঘটনার জন্য বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো গেলেও ১৯৯০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ১৯ বছরে তেমন কোন দোষ চাপানো যাচ্ছে না। তাহলে কি বারমুডার রহস্য হঠাৎ করে বাতাসে মিলিযে গেল? বারমুডা ট্রায়াঙ্গেেল খ্যাত অঞ্চলের কিছু অংশে স্থলভাগও রয়েছে। যেমন পোর্তো রিকো(Puerto Rico), বাহামা এমন কি বারমুডা নিজেই। এসব জায়গায় কোন রকম রহস্যের দেখা না পেয়েই মানুষজন নিশ্চিন্তেই বসবাস করে যাচ্ছে। এছাড়াও এই বারমুডার সীমানায় অবস্থিত ফ্রীপোর্ট শহরে বড়সড় জাহাজ কারখানা রয়েছে। সেখানে একটি বিমান বন্দরও রয়েছে যারা কোনরকম গোলযোগ ছাড়াই বছরে ৫০ হাজার বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

একটা সময়ে পুরো দুনিয়া ও সাগর জুড়েই ঘটে যেতো অনেক দুর্ঘটনা। এমনকি আজকের তথ্য-প্রযু্ক্তির যুগেও অনেক দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয় করা যায় না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফির "এয়ার ক্রাশ ইনভেস্টিগেশন" সিরিজটা যারা দেখেন তারা বিষয়টা জানেন। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মত আরো বিভিন্ন জায়গায় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো বাদ দিয়ে শুধু বারমুডাকেই কেন বিশেষ ভাবে হাইলাইট করা হলো? সংশয়বাদী গবেষকগণ (আর্নেস্ট ট্যাভস ( Ernest Taves)[২০] এবং ব্যারি সিংগার( Barry Singer) প্রমুখ) এই বিষয়ে গবেষণা করে বলেছেন, "মিথ্যে রহস্য তৈরি করা বেশ লাভজনক। কারন তখন ঐ মিথ্যে রহস্যের উপর ভিত্তি করে বই লিখে বা টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে প্রচুর অর্থ কামানো যায়।"
সূত্র: The Humanist, issue - 3, year - 1979, page p.44–45

- বারমুডা ট্রাযাঙ্গেল নিযে ন্যাশনাল জিওগ্রাফীর "ন্যাকেড সায়েন্স" সিরিজে প্রচারিত একটি ফিচার রয়েছে। আগ্রহীরা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

- বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিযে ছড়ানো কল্পগল্পের অসারতা প্রমাণে ডিসকভারীও প্রচুর অবদান রেখেছিলো একসম (যদিও আজকাল ডিসকভারির ভারতীয় ভার্সনে বারমুডাকে রহস্যময় বলে প্রচার করা হয়)। আগ্রহীরা নিচের লিংকে ভ্রমণ করে আসতে পারেন-
* Dive to Bermuda Triangle

একবিংশ শতাব্দিতে এসে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যে পেছনের কাহিনী নিয়ে এত বেশী আলোচনা আর লেখালেখি হয়েছে যে সেগুলোর সবগুলো বা শুধু সারাংশও তুলে ধরতে গেলে একটা আস্ত বই হয়ে যাবে। সুতরাং বেছে বেছে খুব গুরুত্বপূর্ন কিছু বিষয় তুলে ধরলাম মাত্র। তারপরও কেউ সংশয় মুক্ত হতে না পারলে নিচের বইগুলো সংগ্রহ করে পড়তে পারেন-

* Gian J. Quasar (2003). Into the Bermuda Triangle: Pursuing the Truth Behind the World's Greatest Mystery, (Reprinted in paperback (2005) ISBN 0-07-145217-6), International Marine / Ragged Mountain Press. ISBN 0-07-142640-X.
* Charles Berlitz (1974). The Bermuda Triangle, 1st, Doubleday. ISBN 0-385-04114-4.
* Lawrence David Kusche (1975). The Bermuda Triangle Mystery Solved. ISBN 0-87975-971-2.
* John Wallace Spencer (1969). Limbo Of The Lost. ISBN 0-686-10658-X.
* David Group (1984). The Evidence for the Bermuda Triangle. ISBN 0-85030-413-X.
* Daniel Berg (2000). Bermuda Shipwrecks. ISBN 0-9616167-4-1.
* Richard Winer (1974). The Devil's Triangle. ISBN 0553106880.
* Richard Winer (1975). The Devil's Triangle 2. ISBN 0553024647.
* Adi-Kent Thomas Jeffrey (1975). The Bermuda Triangle. ISBN 0446599611.


--
TRIVUz
17 April, 2009]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29368721 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29368721 2011-04-24 22:23:34
পুনঃ ভবিষ্যতবাণী- আগামী পাঁচ বছরের ভেতরে হাতে গোনা দুই-একটা ব্লগ (বা শুধু একটা বাদে) বাকী সব ব্লগ বন্ধ হয়ে যাবে/যাওয়ার...
১) টেকনিক্যাল সমস্যা
২) মেইনটেনেন্স সমস্যা
৩) বাজেট সমস্যা
৪) আগ্রহ মারা যাওয়া
ইত্যাদি ইত্যাদি...

১) টেকনিক্যাল সমস্যাঃ এই সমস্যাটা সবচাইতে বেশি হওয়ার কথা। মূলত সাধারণ ওয়েব এপ্লিকেশন মনে করে ব্লগ বানানোর খেসারত দিতে হবে ব্লগ ডেভেলপারদেরকে। 'আমর ব্লগ' ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার তাদের এপ্লিকেশন সম্পূর্ন নতুন করে বানিয়েছে। তাতেও কোন কাজ হয়েছে বলে মনে হয় না। আর প্রথম আলো ব্লগ তাদের প্রথম এপ্লিকেশনটা পুরোপুরি শেষ না করে নতুন করে বানিয়েছিলো। সেটা ইতিমধ্যে আরো দুবার নতুন করে বানানো শেষ। শেষ এপ্লিকেশনটাও স্ট্যাবল না..

২) মেইনটেনেন্স সমস্যাঃ এটাও প্রকট আকারে ধারন করবে। এর ভেতরেই অনেকে টের পেতে শুরু করেছে... দিন দিন এটা আরো চরম আকার ধারন করবে।

৩) বাজেট সমস্যাঃ যতই দিন যাবে সাইট তত বেশি স্পেস ও ব্যান্ডউইথ খাবে। একটা সময় পর বেশির ভাগ ব্লগেরই নিজস্ব ডেডিকেটেড সার্ভারের প্রয়োজন দেখা দিবে, আর মাসে ১৫০-৩০০ ডলার খরচ করে কতজন ব্লগ চালাবে সেটাই দেখার বিষয়। মনে রাখতে হবে যে, এই দেশে বাংলা সাইটে স্পন্সর পাওয়া বেশ কঠিন।

৪) আগ্রহের কমতিঃ অনেকেই ঝোকের মাথায় ব্লগ খুলে বসেছে। এধরনের ঝোক বেশিদিন থাকে না। থিওরী বাদ দিলেও গত বারো-তের বছর নেটে বিভিন্ন কমিউনিটির সাথে থেকে শত শত সাইটের শুরু এবং শেষ দেখা হয়েছে। আগ্রহ ছাড়াও দলাদলি, ভাঙাভাঙি ইত্যাদি তো আছেই।

লেখাটা ব্যক্তিগত ডায়েরী থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে তুুলে ধরা হলো। এটা ফেসবুক/ব্লগে তুলে ধরার কারণ একটাই- তা হচ্ছে ব্লগ ডেভেলপার/মালিকগন যাতে একটু সতর্ক হয়। আর সবচাইতে বেশি সতর্ক হতে হবে লেখকদেরকে। তারা যেন সবসময় তাদের লেখা ও লেখার সাথে পাওয়া মন্তব্যগুলো ব্যাকআপ রাখেন।
--

বিঃদ্রঃ এই লেখাটাকে আমার আগের লেখার সিক্যুয়েল ধরা যাইতে পারে। এই সিরিজে আরো কিছু লেখা আসতে পারে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29368188 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29368188 2011-04-24 00:21:35
আহা! আমার ব্লগ বেলা... ২০০৪ এ নিজের সাইটে শুরু করি ব্লগিং। ব্লগ নামটা তখন পর্যন্ত তত পপুলার ছিল না, আমরা বলতাম জার্নাল (http://bit.ly/trivuzblog)। বেশিরভাগই ছিল আজকে কোন ওয়েব দেখে টাশকি খাইছি, গতকাল কোথায় উষ্টা খাইছি টাইপ লেখাজোকা। আমি এবং আমার কিছু বিদেশী বন্ধু মিলে নিজেরাই লিখতাম; নিজেরাই মন্তব্য করতাম, অনেকটা খেলতে খেলতে ব্লগিং টাইপ। তখনো ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস কারো জন্ম হয় নাই, ব্লগিং জিনিসটাই ছিল অপরিচিত। আমরাও জানতাম না এই বস্তু একদিন এত জনপ্রিয় হবে। ব্লগিং জিনিষটা জার্নাল নামে বেশি পরিচিত ছিল বেশি। ওয়েব জার্নাল থেকে ওয়েব লগ এবং পরে ওয়েব্লগ বা ব্লগ।

ওয়েব জার্নাল বা ব্লগগুলো মূলত আমরা নিজেদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পাশাপাশি নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করতে ব্যবহার করতাম। তবে ত্রিভুজ ডট কমে আমার ব্লগিং এর মূল উদ্দেশ্য যতটা না ছিল বন্ধু তৈরি তারচাইতে বেশি সাইটকে জনপ্রিয় করা। ২০০৪ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত টানা প্রায় দুই বছর অনেক সময় দেওয়ার ফল পেয়েছি যখন সাইটটি আলেক্সায় ৩০ হাজারের ভেতরে চলে এলো। ঐ সময় গুগল এডসেন্স এর জয়জয়কার, কি মনে করে এডসেন্স যুক্ত করে দিয়েছিলাম সাইটে, ফলাফল কয়েক হাজার ডলারের আগমন প্রতিমাসে। তখন পর্যন্ত আমার ব্যক্তিগত সাইটের সংখ্যা ডজন ছাড়িয়ে গিয়েছে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পাওয়া সময়টুকু ওগুলোর পেছনেই ব্যয় হতো। তখন পর্যন্ত অনলাইনে বাংলার তেমন প্রচলন হয়নি। আমার একটা আইআরসি নেটওয়ার্ক ছিল, ২০০৫ এর দিকে ওখানে বাংলায় চ্যাট করার জন্য একটা স্ক্রিপ্ট লিখে রুম খুলে দিয়েছিলাম। লোকজন প্রথম প্রথম অনলাইনে বাংলা দেখে খুব আনন্দ পেলেও পরে আর তাদেরকে পাওয়া গেল না, খুব সম্ভবত বাংলা টাইপ কঠিন হওয়ার কারণে সবাই উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিল। হতাশায় বাংলা নিয়ে কাজ করা মোটামুটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এর কিছুদিন পর শুরু হলো সামহোয়্যারইন, ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারিতে প্রচন্ড আনন্দ নিয়ে লিখলাম জীবনের প্রথম বাংলা ব্লগ। কিন্তু এই বাংলা ব্লগ শেষ পর্যন্ত কতটুকু জনপ্রিয় হবে তা নিয়ে তখনো সন্দেহ ছিল। কিন্তু সকল সন্দেহের অবসান ঘটিয়ে দিনে দিনে জনপ্রিয় হতে লাগলো ব্লগটা। সামহোয়্যারইনের জনপ্রিয়তা দেখে দাঁড়িয়ে গেল আরো কয়েকটা ব্লগ, সামনে হয়তো আরো আসবে। ওয়েবে বাংলা ভাষা এতটা জনপ্রিয় করতে ও এত ব্যপক ভাবে দিতে ব্লগের ভূমিকা কেউ কোনদিন অস্বীকার করতে পারবে না। এখন সময়ের অভাবে আগের মত ব্লগিং করা হয় না ঠিকই কিন্তু ব্লগিং কে মিস করি ঠিক আগের মতই। তাই সময় পেলেই ব্লগগুলোতে ঢু মেরে যাই। ভাল লাগে যখন গুগলে সার্চ দিয়ে লাখ লাখ বাংলা লিঙ্ক পাই এবং সেগুলোর অধিকাংশই বাংলা ব্লগ সাইটগুলো থেকে আসে।

শুভেচ্ছা ও শুভকামনা, সকল বাংলা ব্লগ পরিচালক ও ব্লগারদের জন্য।

ফেসবুক সহ একাধিক ব্লগে একযোগে প্রকাশিত।

--
ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা- এখানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29361453 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29361453 2011-04-12 14:10:51
প্রাসঙ্গিক ভাবনাঃ ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও তার সমালোচকরা ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এর সংসদে দেয়া একটি বক্তব্যের ভিডিওটা এতদিন দেখা হয় নাই। আজকে ভিডিওতে পার্থের বক্তব্য এবং তাঁর বিপক্ষে অনেক ব্লগও পড়লাম। এটা কি ব্লগারদের সমস্যা না আমাদের জাতীয় সমস্যা জানি না, আমরা মূল বিষয় রেখে অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে বেশি পছন্দ করি। একজন মানুষ কি বক্তব্য দিচ্ছে এবং সেই বক্তব্যের কতটুকু সত্য কতটুকু মিথ্যা তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তা না করে তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করাটা মানে যে তাঁর বক্তব্যের কাছে অসহায় হয়ে যাওয়ারই প্রমাণ করে, এটা আমরা এখনো জানি বলে মনে হয় না।

একজন সাংসদ কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন যেগুলো আমরা সচেতন জনতা অনেকদিন ধরেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, নেতাদের গালি দিয়েছি তারা কেন এগুলো দেখেন না বা তুলে ধরেন না। আমাদের অভিযোগ- এই দল ঐ দলের আসল গোমড় ফাঁক করে না, ঐ দলও এই দলেরটা করে না। কিন্তু যখন পার্থ করে বসলেন এখন পার্থের চরিত্র বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেল। ধরে নিলাম পার্থ খুব খারাপ, তার ফর্টিন জেনারেশন খারাপ... কিন্তু তাতে কি তাঁর প্রকাশিত সত্যগুলো মিথ্যায় পরিনত হবে? যে বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেছেন সেগুলো নিয়ে ভাবা জরুরী। হ্যাঁ, এটা ঠিক তিনিও পক্ষপাতদুষ্ট, তিনি শুধু প্রতিপক্ষের অন্যায়ের কথা তুলেছেন কিন্তু এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে তার প্রতিপক্ষও কি তাঁর দলকে ছেড়ে কথা বলবে? চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন, এই দল ঐ দলের সকল কুকীর্তি ফাঁস করে দিলো; ঐ দলও এই দলের কুকীর্তি ফাঁস করতে শুরু করলো- লাভটা কার হবে? নিতান্তই নিন্মশ্রেণীর বুদ্ধিসম্পন্ন না হলে এটা বোঝার কথা যে এতে আমাদের আমজনতারই লাভ, দেশের লাভ। সুতরাং চলুক না, অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে যে অন্যায়ের কথা তিনি তুলে ধরেছেন সেটা নিয়ে সোচ্চার হোন। আগামীতে তাঁর দেখানো পথে অন্যরাও অনেক অন্যায় তুলে ধরবেন, তখনও আমরা সোচ্চার হবো। এভাবেই একদিন শুদ্ধ হতে বাধ্য হবে আমাদের রাজনৈতিক নেতারা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29360236 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29360236 2011-04-10 12:29:15
পোষাক তৈরি ও রপ্তানীকারক সমিতি বিজিএমইএ-র ভবনের উপরে সরকারের এত রাগ কেন?
১) জলাধার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দিকে তাকালে ঢাকার অনেক ভবন ও আবাসিক এলাকাই তুলে দেয়ার কথা, সেগুলো নিয়ে সরকারের কোন পরিকল্পনা কোন কালেই দেখা যায় নাই বা ইচ্ছে আছে বলেও মনে হয় না।

২) নকশা রাজউকে অনুমোদন অনেকেই করে নাই। এই নিয়মে ঢাকার বেশির ভাগ সুউচ্চ ভবনই ভেঙ্গে ফেলার কথা। তাছাড়া রাজউক চার্চ না যে তাদের নিয়মনীতি পরিবর্তন করা যাবে না। এরকম গুরুত্বপূর্ন একটা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে অনুমোদ না থাকলে পরবর্তীতে জরিমানা বা অন্য কোন শাস্তি দেয়া যেতে পারে, ভবন ভেঙ্গে ফেলাটা বেশি বেশি হয়ে যায়।

৩) রাজধানী উন্নয়ন পরিকল্পনা বা ড্যাপ এর কোন সুফল আমরা পেয়েছি বলে মনে হয় না, তাছাড়া এই পরিকল্পনা অপরিবর্তনীয়ও নয়। ঢাকা সিটিতে নিচু জমি ভরাট করে করা ভবনের সংখ্যাও একটি দুটি না, সবকিছু বাদ দিয়ে বিজিএমইএ-র ভবনের বিষয়ে সরকারের এত মাথা ব্যথা কেন?


তারপরও বুঝলাম অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা জরুরী, কিন্তু দেশে এত অবৈধ স্থাপনা থাকতে বিজিএমইএ ভবনই কেন ভাঙতে হবে? ভাঙলে সবকটা ভেঙ্গে দিক, বেছে বেছে গুরুত্বপূর্নগুলো নয়। এই দেশের পোষাক শিল্পের বারোটা বাজাতে ইতিমধ্যে সরকার অনেক কিছুই করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামীলীগ ধ্বংস করেছিলো এই দেশের পাট শিল্প, এখন হয়তো পোষাক শিল্প বলির পাঠা হতে যাচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29356751 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29356751 2011-04-04 12:33:35
কতটুকু দেশপ্রেমিক হলে ভারত সমর্থন করা সম্ভব?
যাহোক, ভাবছিলাম অন্য একটা বিষয় নিয়ে... বাংলাদেশ নিয়ে ধোনীর মন্তব্যগুলো যদি ভারত নিয়ে বাংলাদেশের কেউ করতো তাহলে সমগ্র ভারতে বাংলাদেশ টীমের পক্ষে একজন সমর্থক পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ...! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29353880 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29353880 2011-03-30 18:02:27
ভারতের স্বার্থ রক্ষাই যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের প্রধান দায়িত্ব হয় তাহলে এরকম মুক্তিযোদ্ধা দেশ প্রেমিকের দরকার নাই আমাদের...

ভারতের স্বার্থ রক্ষাই যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের প্রধান দায়িত্ব হয় তাহলে এরকম মুক্তিযোদ্ধা দেশ প্রেমিকের দরকার নাই আমাদের...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29311838 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29311838 2011-01-21 23:38:15
ডিভি - একটা আমেরিকান ধান্ধাবাজি
উপরের তথ্যগুলো আজগুবি ও ভিত্তিহীন মনে হতে পারে, তাই এই লেখাটার প্রেক্ষাপট ও কিছু ঘটনা বলা প্রয়োজন মনে করছি। সেই বহুবছর আগে যখন প্রথম ডিভি লটারির আয়োজন দেখি তখনি আমার পরিচিত অনেকে ডিভির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ পর্যন্ত গিয়ে শেষ পর্যন্ত ভিসা পায়নি। তখন জানতাম না বিষয়টাতে মাঝখানে টাকা পয়সার লেনদেন আছে। তারপর গত কয়েক বছরে আরো অনেক মানুষকে আমেরিকান এ্যাম্বাসিতে টাকা জমা দিতে দেখেছি এবং এরা সবাই রিজেক্টেড। এদের রিজেক্টেড হওয়ার কারণগুলো খুবই হাস্যকর রকমের। কারো নামের বানান নিয়ে সমস্যা, কারো জন্মদিনের তারিখে উনিশ-বিশ বা কারো স্থায়ী ঠিকানায় গলদ, কারো ছবির মাপ ঠিক নাই হ্যান ত্যান ইত্যাদি ইত্যাদি। এই গলদগুলো নাকি কোন ভাবেই টলারেট করার মত নয়। তা হলে কথা হচ্ছে প্রথম দুই ধাপে কিভাবে তারা এদের এপ্রুভ করেন? গতবছরও দেখেছি কিছু মানুষ দিনের পর দিন দৌড়াদৌড়ি করলো, টাকা পয়সা সবই জমা দিলো কিন্তু এরকম খুঁটিনাটি গলদের কারণে ভিসা পেল না। এবছরও এরকম কিছু মানুষকে দেখলাম, লাখ লাখ টাকা দিয়ে বসে আছে আমেরিকাকে। এদের একজনকে আমি অনেকবার নিষেধ করেছিলাম এভাবে টাকা অপচয় না করতে, কিন্তু বাঙালির আমেরিকা যাওয়ার শখ কি এত সহজে মেটে? তারা দৌড়াদৌড়ি করলেন, আড়াই লক্ষ টাকাও জমা দিলেন এবং এ্যাম্বাসিতে ঢোকার ১ মিনিটের ভেতরে কেন তাদেরকে ভিসা দেওয়া হবে না তার বিবরণ পেয়ে গেলেন। বিবরণটা তৈরি করে ছাপিয়ে সিল-সাইন দিয়ে বহু আগেই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে বোঝা গেল। তার মানে আমেরিকান এ্যাম্বাসি বহু আগেই এদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। তা হলে এদেরকে খামোখা এভাবে হয়রানী করে টাকা পয়সাগুলো হাতিয়ে নেওয়ার মানে কী?

প্রতিবছর যতসংখ্যক লোক নেওয়া হবে তার কয়েকগুন বেশি লোককে নির্বাচিত করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার আইডিয়্যাটা আসলেই চমৎকার! আর পুরো পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে কোটি কোটি মানুষের সাথে এটা করা হচ্ছে বলে বিষয়টা কখনোই বড় হয়ে কারো চোখে পড়েনি হয়তো। আমেরিকা এমন একটা দেশ যেখানে আপনি কাউকে পাঁচটাকা ঠকিয়ে পার পাবেন না, স্যু খাবেন। কিন্তু তারা যখন পুরো পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষকে ঠকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ স্যু করে না কেন সেটাই ভাবি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29310227 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29310227 2011-01-19 13:39:26
ঘুমোও বাউন্ডুলে, ঘুমোও এবার।। দরকার নেই সেই হিসেব নেবার
ঘুমোও বাউন্ডুলে, ঘুমোও এবার।

কে বেশি মাতাল- কবি না কবিতা?
মহুয়ার দায় নেই, খবর দেবার
ঘুমোও বাউন্ডুলে, ঘুমোও এবার।

কে বেশি ক্লান্ত- কবি না কবিতা?
কবিতার ক্লাশ শেষ, এবারের মত

কে বেশি বোঝাবে- কবি না কবিতা?
বাউন্ডুলে তা কোন ছন্দে বোঝাবো?

কে বেশি অবুঝ- কবি না কবিতা?
পদ্যের দায় নেই হিসেব দেয়ার
ঘুমোও বাউন্ডুলে, ঘুমোও এবার।।

- সুমন

--
ডাউনলোড লিঙ্ক ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29293397 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29293397 2010-12-21 09:18:00
পরিকল্পনা বোর্ড ২০১১

৩ মাসে মোট ৯০ দিনের মত সময় পাচ্ছি... ৬৪ জেলা দেখতে খুব বেশি হলে ৮০ দিন লাগার কথা.... ভাবতেই ভাল লাগছে... কাজে আগের চাইতে বেশি উৎসাহ পাচ্ছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29291805 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29291805 2010-12-18 13:19:17
সুখী হওয়ার ফর্মূলা


সুখ-দুঃখ বিষয়ক ভাবনা ও ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করে কয়েকটি বিষয়ে সামনে চলে আসলো। প্রাইভেট নোট হিসেবেই তা যুক্ত রইলো আপাতত।

আজকে নতুন একটা মন্তব্য যুক্ত করলাম ঐ নোটে, শিরোনাম- "সুখী হওয়ার ফর্মূলা"



"মানুষ সুখী হওয়ার চাইতে দুঃখী হতে বেশি পছন্দ করে। এজন্যই দুঃখবিলাশ নামের একটা শব্দ পাওয়া যায়, সুখ বিলাস নামের কোন শব্দ চোখে পড়েনি এখনো। আবার সুখানুভূতির চাইতে দুখানুভূতি বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় এবং মানুষ এটাকে আরো দীর্ঘায়িত করতে পছন্দ করে। তাহলে দুঃখ-কে সুখের সাথে বদলে দিলেই হয়.. আজ থেকে দুঃখ = সুখ, সুখ = দুঃখ।





মানবকূলকে সর্বাধিক সুখী করার এর চাইতে ভাল সংস্কার আর কী হতে পারে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29291503 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29291503 2010-12-17 21:23:45
আজকে অফিসের লাঞ্চ আইটেম ছিলো ভূনা খিচুরী
দুইদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, তাই আজকে অফিসে দুপুরের লাঞ্চ আইটেম করা হয়েছে খিচুরি। বাইরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর আমরা অফিসের মুরগি, ডিম আর খিচুরী খেতে খেতে কেমন একটা বর্ষা বর্ষা আমেজ পাচ্ছি। ক্যালেন্ডারের দিকে না তাকালে বর্ষাই ভাবার কথা। আবহাওয়ার এই উলটা পালটা আচরণ দেখে খানিকটা বিরক্ত হলেও অবাক হই না আমরা। এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে সবকিছুই উলটা পালটা... বিদেশি কোম্পানীগুলো পর্যন্ত এখানে ব্যবসা করতে এসে শেষ পর্যন্ত উলটা পালটা আচরণ করতে শুরু করে। বলা যায় মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে.. সেখানে আবহাওয়াকে দোষ দিয়ে লাভ কী?

নচিকেতার একটা গান ছিলো- কোন এক উলটো রাজার উলটো বুঝলে প্রজার দেশে.. চলে সব উলটো পথে উলটো রথে... গানটা নেটে পাওয়া যায় কিনা সার্চ করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29286370 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29286370 2010-12-09 13:59:11
ড. ইউনুসের নোবেল ছিনিয়ে নেয়ার আহ্বান! জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের আর কত ছোট করবো? --
ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ছিনিয়ে নেয়ার আহ্বান শাসক দলের

স্টাফ রিপোর্টার
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেছেন শাসক দল আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ড. ইউনূস যে দুর্নীতিবাজ তা আবারও প্রমাণিত হলো। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ছিনিয়ে নেয়ার জন্য নোবেল কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল পৃথকভাবে সরকারি দলের নেতারা এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
গতকাল সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে জাতীয় শ্রমিক লীগ সিলেট জেলা শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন হানিফ। সম্মেলনে বক্তৃতার পর ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ড. ইউনূস যে ‘দুর্নীতিবাজ’ তা আবারও প্রমাণিত হলো। বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে অপমান করার কোনো অধিকার তার নেই। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছপা হবে না বলেও মন্তব্য করেন হানিফ।
আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সমালোচনার কথা তুলে ধরে হানিফ আরও বলেন, ড. ইউনূস যখন রাজনীতিতে আসার পাঁয়তারা করেছিলেন, তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সুদখোর বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
এদিকে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ছিনিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত্ কেলেঙ্কারির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার নোবেল ছিনিয়ে নিয়ে নতুন কাউকে দেয়ার জন্য নোবেল কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি এ সমাবেশ করে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুজাতুর রহমান, দফতর সম্পাদক নাসিম আল রূপক, ঢাবি সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু, ঢাবি সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আবু আব্বাস ভুইয়া প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, একদিন আগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন, তিনি (ইউনূস) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি। তার দুর্নাম হলে তা জাতির জন্য দুর্নাম বয়ে আনবে। তাই এ বিষয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।

সূত্রঃ আমার দেশ Click This Link

--

....মন্তব্যের ভাষা নাই! জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের আর কত ছোট করবো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29284355 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29284355 2010-12-05 23:05:51
ড. ইউনুসকে ছোট করতে পারলে কি শুধু ড. ইউনুসই ছোট হবেন? একজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করলে আমরা কোন কারণ ছাড়ই সন্দেহ করি-মিথ্যা রটাই, নিজেদের সেনাবাহিনীর নামে কুৎসা রটাই , নিজের দেশের বিরুদ্ধে আমাদের রাজনৈতিক দলের নেতারা মিথ্যা রটিয়ে দেশকে ব্লাক লিস্টে ফেলে দিলে খুশি হই... আরো কত কি! সম্প্রতি নতুন যোগ হয়েছে ড. ইউনুস।

ভদ্রলোক যাই করুন না কেন দেশের জন্য তো একটা নোবেল এনেছেন যা আমাদের জন্য অবশ্যই গৌরবের। হতে পারে তার কাজকর্ম আমাদের পছন্দ না (গ্রামীণ ব্যাংকের কাজকর্মের আমিও সমালোচনা করি) কিন্তু তাই বলে একটা বিদেশি রাষ্ট্র যখন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে তখন দেশের কথা চিন্তা করে হলেও কি আমাদের ড. ইউনূসের পাশে দাঁড়ানো উচিত না? তাঁর নামে তোলা অভিযোগটা কি শুধুই অভিযোগ? এর ভেতরে কি কোন রাজনীতি নাই? ড. ইউনুস সাথে টেলিনরের বিশাল সমস্যা আছে, যে সাংবাদিক ডকুমেন্টরীটা তৈরি করেছে তারও কিছু ইগো কাজ করেছে এখানে। সবকিছু মিলিয়ে পুরো বিষয়টায় যতটা না অন্যায়ের বিরুদ্ধচারণ আছে তারচাইতে বেশি আছে রাজনীতি।

ধরে নিলাম তারা যে অভিযোগ করেছে সেটা পুরোপুরি সঠিক, ড. ইউনুস যা করেছেন সেটা অন্যায়.. কিন্তু এখানে মামলাটা শুধুমাত্র ড. ইউনুস বনাম নরওয়ে না.. মামলায় এই দেশের সুনামও জড়িত। ড. ইউনুসকে ছোট করতে পারলে কি শুধু ড. ইউনুসই ছোট হবেন?

আসলেই বিষয়টাতে কতটুকু রাজনীতি আর কতটুকু বাস্তব আছে তা নিয়ে আমরা একবারো ভাবছি না কেন? ড. ইউনুসকে নিয়ে বিদেশীদের রাজনীতিতে আমরা কেন অংশগ্রহণ করছি? ড. ইউনুসের পাশে দাঁড়ানো যুক্তিসঙ্গত মনে না হলে চুপ থাকুন, ঘটনায় রং চড়িয়ে বিষয়টাকে এত ঘোলাটে করে তুলছেন কেন? ড. ইউনুস অন্যায় করে থাকলে সেটা আমাদের লজ্জ্বার কারণ হতে পারে, কিন্তু আমাদের ভাব দেখে মনে হয় আমরা বিষয়টাতে ব্যাপক আনন্দ পাচ্ছি। এই বিষয়টা আমার কাছে ভাল লাগছে না।

--
মন্তব্য না করে যারা শুধু মাইনাস দিতে আসবেন তাদের জন্য এই অংশ-
১) পিলখানায় হত্যাকান্ডে প্রথম দুইদিন সবাই মোটামুটি বাতাসের উপরে ভর করেই সেনাবাহিনীর পিন্ডি চটকানো শুরু করেছিলো। ঐ সময়ে 'বাঙালির আর্মি বিদ্বেষ ' শিরোনামে একটা পোস্ট দিয়ে বিষয়টার প্রতিবাদ করায় ৩৬ জন মাইনাস দিয়েছিলো, ১৫ জন প্লাস। 'চলেন আমরা ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় বীরত্ব দিবস ঘোষণা করি ' শিরোনামে দেয়া আরেকটা প্রতিবাদমূলক পোস্টে ৫৭ জন মাইনাস দিয়েছিলো। দুইদিন পর বাঙালি ঠিকই নিজের ভুল বুঝতে পারলো.. কিন্তু পিন্ডি যা চটকানোর তা ততক্ষনে শেষ।

২) মুসা ইব্রাহিমের নামে মিথ্যা রটিয়ে ইচ্ছেমত তাঁর পিন্ডিচটকানো হলো কিছুদিন। সেটার প্রতিবাদে দেয়া পোস্টেও সবাই জিহাদী জোস নিয়ে মাইনাস দিয়ে গেল। ( যদিও ঐ পোস্টে প্লাস পড়ে বেড়েছে)।

এত আবেগী না হয়ে একটু সেনসিবল হওয়া ভাল। প্লাস মাইনাস দিন, কিন্তু দেয়ার সাথে নিজের মতামতটাও রেখে যান, যাতে পরে পস্তাতে পারেন কমপক্ষে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29283007 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29283007 2010-12-03 18:22:44
নাস্তিকরা নাস্তিকদের মতই আচরণ করবে, তাতে এত হতাশ হওয়ার কিছু নাই! (উৎসর্গ- লালসালু ও রনি রাজশাহী) রনি রাজশাহী ব্লগ থেকে দুরে চলে যাচ্ছে আর লাল সালু ব্লগ ড্রাফট করে ফেলেছে। তারা নাস্তিকদের আচরণে কষ্ট পেয়েছেন, পাওয়াই স্বাভাবিক। তাদের এই কষ্ট পাওয়া বা প্রতিবাদকে সম্মান জানানো পূর্বক বলতে চাই, নাস্তিকদের ব্যান করে তাদের মুখ চেপে ধরার যে দাবীটা তারা জানাচ্ছেন সেটা সঠিক সমাধান না। নাস্তিকদের তারা আস্তিকের চোখ দিয়ে দেখছেন, যেটা ভুল। আপনি আস্তিক তাই আপনার কাছে যেটা খারাপ নাস্তিকদের কাছে সেটা ভাল হতেও পারে, হচ্ছেও। যেহেতু খারাপকে খারাপ ভাবার সেন্সটা তাদের নাই সেহেতু তারা এগুলো করছেন এবং খুব স্বাভাবিক ও ভাল কাজ মনে করেই করছেন। একারণেই তাদেরকে আমি ঠিক দোষ দিতে পারি না... তাদের অধিকার আছে নিজেদের চিন্তা-চেতনা, স্বরুপ ব্লগে এসে প্রকাশ করার।

এই ব্লগে নাস্তিকদের আচরণ দেখে বিবেকবানরা অনুভব করেন, কেন একজন মানুষের আস্তিক হওয়া জরুরী। এটাই বা কম কিসে? রাসুল (সাঃ) এর সময় মুশরেকরা কি এর চাইতেও জঘন্য কাজ করতো না? তাই বলে রাসুল (সাঃ) কি রাগ করে তাদের ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন? হতে পারে রাসুল (সাঃ) এর লক্ষ ভাগের এক ভাগ গুনও আমাদের নাই, কিন্তু চেষ্টা করতে দোষ কী? ধৈর্য ধরুন, আল্লাহ ধৈর্য ধারন কারীদের ভালবাসেন। নিতান্তই সহ্য করতে না পারলে নাস্তিকদের ব্লগগুলো এড়িয়ে চলুন, নিজের মত থাকুন। নাস্তিকদেরকে তাদের স্বরুপ প্রকাশ করতে দিন, নাস্তিকতা মানুষের কেমন অবনতি করে সেটা অন্যদের দেখার সুযোগ দিন।

শুভ ব্লগিং...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29282659 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29282659 2010-12-03 02:37:27
হরতাল স্পেশাল (হরতাল নিয়ে কে কি ভাবছেন?)
কবে আমরা এরকম একটা রাজনৈতিক দল পাবো যারা বিরোধী দলে এসে বলবে, "আমরা আর কখনো হরতাল দেব না এবং ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করবো"।

বাকীরা হরতাল নিয়ে কি ভাবছেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29280629 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29280629 2010-11-30 09:58:10
মুসলমানদের আবার অধিকার কিসের, তাদের বেলায় 'মানবতা' টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে ফেলতে হয়..
নাস্তিক, সেক্যুলার এবং বিলুপ্তপ্রায় চেতনার মুসলমানদের বেশ কিছু কমন বৈশিষ্ট আছে যার ভেতরে অন্যতম একটি হচ্ছে এরা স্বঘোষিত মানবতাবাদী, মানে তাদের দাবী অনুযায়ী তারা মানবতার জন্য সব কিছু করেন, বলেন। নিজেদের মানবতাবাদী প্রমাণ করতে এরা বিভিন্ন ধর্মের উপরে আক্রমণের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপণ করেন যেটা আসলেই সাধুবাদ পাবার যোগ্য। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে আক্রমণটা যখন ইসলাম ও মুসলমানদের উপরে হয় তখন তারা আক্রমাণকারীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকেন। বাস্তব জীবনে ও ব্লগের এই ভার্চুয়াল পরিবেশে এর অনেক উদাহরণ আমরা দেখেছি। সম্প্রতি ইসলামী ফাউন্ডেশনে ইসলাম সংস্কৃতির উপরে করা ন্যাক্কার জনক আঘাতের পক্ষে এদের ক্যাম্পেইনটা বেশ চোখে লাগার মত ছিলো।

নাস্তিক, সেক্যুলার, আধাচেতন আস্তিকরা ক্রমাগত যুক্তি দিয়ে যাচ্ছে "ব্যালে নৃত্য" এমন কি ক্ষতি করলো যার জন্য প্রতিবাদ করা যেতে পারে। ব্যালে ডান্স জিনিষটা ভাল না খারাপ বা খারাপ হলে কতটুকু খারাপ তা নিয়ে তর্কে যেতে চাচ্ছেন তারা। কিন্তু তারা এটাও জানেন যে ইসলাম ধর্মের সাথে এই বস্তুর কনফ্লিক্ট রয়েছে। মুসলমানরা গরু খায়, গরু জবেহ করে এবং এটা তাদের কাছে অবশ্যই তাদের কাছে খুব স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু কোন মুসলমান যদি হিন্দুদের মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে গরু জবেহ দেয়ার আয়োজন করে সেটা কতটুকু যুক্তযুক্ত কাজ হবে? গরু জবাই খুব সাধারণ ঘটনা বা 'এ আর এমন কী'- টাইপ বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে?

আজকে কোন মুসলমান 'গরু জবাই' কে খুব স্বাভাবিক ঘটনা ও তার অধিকার মনে করে হিন্দুদের মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গরু জবাই করতে গেলে একজন মুসলমান হিসেবে আমি অবশ্যই প্রতিবাদ জানাবো। প্রতিবাদ জানাবেন এই নাস্তিক, সেক্যুলার ও চেতনালুপ্ত মুসলিম সম্প্রদায়ও। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র মুসলমানদের বেলা। মুসলমানদের ধর্মের বিরুদ্ধ কোন কাজ তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করলে সেটার প্রতিবাদ না জানিয়ে উলটো মুসলিমদের বিরুদ্ধেই ক্যাম্পেইন করাই সম্ভবত 'মানবতা'। মুসলমানদের আবার অধিকার কিসের, তাদের বেলায় 'মানবতা' টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে ফেলতে হয়।

মুসলমানদের জন্য 'মানবতা' টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে ফেলার অনেক উদাহরণ আমরা দেখেছি। সেক্যুলার তুরষ্কের কথাই ধরুন, ওখানে সেক্যুলারিজম প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইন করে হেডস্কার্ফ পড়া নিষেধ করা হয়েছে। জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন দাবী করে একদম পড়ার অধিকারই হরণ করা হয়েছে। যদি কাউকে জোর করে স্কার্ফ পড়ানো মানবধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে তাহলে কেউ স্কার্ফ পড়তে চাইলে বা হেজাব করতে চাইলে তাকে আইন করে বাধা দেয়াটাও কি মানবধিকার লঙ্ঘন নয়? কে জানে... মানবধিকারের সংজ্ঞাটা মনে হয় আরেকবার পড়ে দেখতে হবে। সম্প্রতি পৃথিবীর বহু সেক্যুলার দেশে মুসলমানরা এরকম বহু অধিকার হারিয়েছেন। সুইজারল্যান্ডে মসজিদের মিনার বানানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু পৃথিবীর কোন নাস্তিক, সেক্যুলার ও আধাচেতন আস্তিককে সেটার প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। মন্দির বা গীর্জা বানানোর উপরে মুসলিম কোন দেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে নিঃসন্দেহে আমরা তাদের মানবতাবোধের নমুনা দেখতে পেতাম।

শুধুমাত্র মুসলমানদের বেলাই নাস্তিক, সেক্যুলার, অমুসলিমদের 'মানবতা', 'অধিকার' আর 'কমনসেন্সের' বুলি অচল হয়ে যাচ্ছে... সেই প্রাচীন আমল থেকেই। অদূর ভবিষ্যতেও হয়তো থাকবে।

বিঃদ্রঃ মুসলমানদের বেলায় অনেকেরই চিন্তা করার ক্ষমতা স্থবির হয়ে যায়, তাই হিন্দুদের উদাহরণ টানলাম, কোন হিন্দু দয়া করে ভুল বুঝবেন না।
--
ইসলাম গ্রুপে প্রকাশিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29280285 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29280285 2010-11-29 20:41:16
সেক্যুলার হওয়ার জন্য ইমামদের সামনে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশন করা কতটা জরুরী ছিলো?
---
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে এবার ইমামদের সামনে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে এবার অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশন করা হয়েছে প্রশিক্ষণরত ইমামদের সামনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে গতকাল আগারগাঁও কার্যালয়ে এ নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
আগারগাঁও ফাউন্ডেশন অফিসের সপ্তম তলার হলরুমে যখন সারা দেশ থেকে আগত বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের সামনে এ অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করা হয়, ইমামরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ফাউন্ডেশনের ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালের নির্দেশে এ নৃত্য পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বোর্ড অব গভর্নরসের অনেক সদস্য উপস্খিত ছিলেন।
...
নৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্খিত কয়েকজন ইমাম জানান, ঠিক যখন জোহরের আজান শুরু হয় তখন ডিজি অনুষ্ঠান ঘোষককে নির্দেশ দেন এবার ব্যালে ড্যান্সের ঘোষণা দাও। আজান চলাকালে নাচ শুরু হলে কয়েকজন ইমাম আপত্তি জানালেও থামেনি দু’জন তরুণ-তরুণীর অশ্লীল নৃত্য।
....
....
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইমাম জানান জীবনে এমন ঘটনার মুখোমুখি হবো তা কল্পনাও করিনি। ইসলামি একটি প্রতিষ্ঠানে ইমামতির প্রশিক্ষণ নিতে এসে উলঙ্গ অশ্লীল নাচ দেখতে হবে তা চিন্তারও অতীত। হাত ধরাধরি করে বুকে বুক মিলিয়ে যে অশ্লীল নৃত্য করেছে তা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কথা বলতে অস্বীকার করেন। এরপর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পিআরও আনোয়ার কবির বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩০ জনের একটি টিম শিক্ষা সফরে আসে ফাউন্ডেশনে। তাদের বাংলাদেশের একটি কালচারাল অনুষ্ঠান দেখানো এবং তাদের পক্ষ থেকে আমেরিকান কালচার বিষয়ে একটি অনুষ্ঠান উপস্খাপনের কর্মসূচি ছিল। সে অনুযায়ী প্রথমে আমাদের হামদ নাত শেষে তাদের কালচারাল প্রোগ্রাম শুরু করতে বলা হয়। তারা প্রথমে একটি গান পরিবেশন করে। এরপর ব্যালে ড্যান্স শুরু হলে আজান শুরু হয় এবং অনুষ্ঠান বìধ করে দিয়ে তাদের লাঞ্চের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইমামদের জন্য ব্যালে ড্যান্স পরিবেশন কতটা শোভনীয়­ এ প্রশ্নের জবাবে পিআরও আনোয়ার কবির বলেন, অনুষ্ঠানের সূচিই ছিল আমরা আমাদের অনুষ্ঠান দেখাব, তারা তাদের কালচার দেখাবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আমেরিকার কালচার দেখানো কতটা শোভনীয়­ এ প্রশ্নের জবাবে অপ্রাসঙ্গিকভাবে আনোয়ার কবির বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করে বলেন, খালেদা জিয়া তো মদ খায়। খালেদা জিয়া মদ খায় আপনি দেখেছেন? জানতে চাইলে থতমত খান পিআরও।

অনুষ্ঠানে উপস্খিত একাধিক ইমাম জানান, পিআরও’র এই বক্তব্য মিথ্যা। তারা পুরো নৃত্য পরিবেশন করেছে। এরপর ডিজি তাদের পুরস্কার প্রদান করেছেন। ছেলেমেয়ে প্রত্যেকের সাথে দীর্ঘ সময় নিয়ে করমর্দন করেছেন। তাদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন।
সূত্রঃ
নয়া দিগন্তঃ Click This Link
মানবজমিনঃ Click This Link
---

বিষয়টা পর্যবেক্ষন করে এটা বেশ পরিষ্কার যে, কাজটা ইচ্ছে করেই করা হয়েছে। কোন মন্ত্রনালয় থেকে অনুমতি ছাড়া সরকারী একটা সংস্থায় এধরনের প্রোগ্রাম করা সম্ভব না, বিশেষ করে যেখানে বিদেশি এতগুলো লোক ছিলো। এদের সিকিউরিটির ব্যবস্থার জন্যও অনেক কিছু করা হয়েছে। সুতরাং বিষয়টা শুধু ইসলামি ফাউন্ডেশনের ডিজির কাজ না, কাজটার জন্য পুরো সরকার এবং তাদের প্রশাসন দায়ী।

প্রশ্ন হচ্ছে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মত একটি যায়গায় ইমামদের সামনে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশন করা কতটা জরুরী ছিলো? সেক্যুলার হওয়ার জন্য আর কি কি কার্যক্রম হাতে নেয়া জরুরী?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29279311 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29279311 2010-11-28 07:47:11
উবুন্তুতে ম্যাক ওএসএক্সের মজা নিন, পিসিতেই!
ম্যাকবুন্তু ব্যবহারের জন্য প্রথমে আপনাকে উবুন্তু সেটাপ করতে হবে। উবুন্তুর সাইট হতে ISO-টা নামিয়ে সিডিতে বার্ন করে বা ইউএসবি স্টিক (প্যান ড্রাইভ নামে আমরা চিনে থাকি) সেটাপ করে নিতে পারেন। তবে নতুনদের জন্য Wubi হচ্ছে সবচাইতে ভাল সমাধান। Wubi দিয়ে মাত্র কয়েকটা ক্লিক করে উইন্ডোজে অধিনে সাধারণ সফটওয়্যার সেটাপের মত করে উবুন্তু সেটাপ করা যায়। নিচের ধাপে আমরা ঐ প্রক্রিয়াটা দেখবো-

Wubi দিয়ে উইন্ডোজে উবুন্তু সেটাপ প্রক্রিয়াঃ
১) উবুন্তুর অফিসিয়াল সাইট হতে Ubuntu 10.10, Maverick Meerkat এর ISO-টা নামিয়ে নিন।
২) Ubuntu 10.10, Maverick Meerkat এর জন্য রিলিজ করা Wubi ডাউনলোড করুন।
৩) Wubi এবং Ubuntu 10.10, Maverick Meerkat একই ফোল্ডারে রেখে Wubi চালু করুন।


৪) Install Inside Windows বাটনে ক্লিক করে সেটাপ শুরু করুন-


৫) প্রয়োজনীয় সেটিংস ঠিক করে Install বাটনে ক্লিক করলে পিসি রিস্টার্ট হবে এবং তারপরের ধাপগুলো অতিক্রম করলেই আপনার উবুন্তু প্রস্তুত।

ম্যাকবুন্তু (MacBuntu) সেটাপঃ
উবুন্তু যথাযথ ভাবে সেটাপ হওয়ার পর আমরা ম্যাকবুন্তু (MacBuntu) সেটাপ শুরু করবে। ম্যাকবুন্তুর স্টেবল ভার্সন ২.২ Ubuntu 10.04 Lucid Lynx এর জন্য তৈরি। আমরা যেহেতু Ubuntu 10.10 Maverick Meerkat ব্যবহার করছি, আমাদের জন্য Macbuntu ২.৩ লাগবে। ম্যাকবুন্তু সেটআপের জন্য নিচের ধাপগুলো ফলো করুন-

১) উবুন্তু টার্মিনাল খুলে ম্যাকবুন্তু ডাউনলোডের জন্য নিচের কমান্ডটি প্রয়োগ করুন-
wget Click This Link -O /tmp/Macbuntu-10.10.tar.gz
Macbuntu-10.10.tar.gz ফাইলটির সাইজ ৪০ মেগাবাইটের মত, ডাউনলোড ঠিকঠাক মত হওয়ার জন্য কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন।

২) ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার পর এবার আনজিপ করতে নিচের কমান্ড প্রয়োগ করুন-
tar xzvf /tmp/Macbuntu-10.10.tar.gz -C /tmp

৩) ম্যাকবুন্তু ফোল্ডারে যেতে কমান্ড দিন-
cd /tmp/Macbuntu-10.10/

৪) Macbuntu সেট আপের জন্য আবার কমান্ড দিন-
./install.sh

সেটাপ শুরু হবে এবং টুইক ও বিভিন্ন অপশনের জন্য সিস্টেম আপনাকে প্রম্পট করবে। আপনার সুবিধামত অপশন নির্বাচন করতে থাকুন। সবশেষে সিস্টেম রিবুট করতে চাইবে, রিবুট করুন….. এবং উপভোগ করুন- ম্যাক ওএসএক্সের চেহারা, উবুন্তুতে!

Uninstall Macbuntu:
কখনো যদি মনে হয় আর Macbuntu ব্যবহার করবেন না, তাহলে মুছে ফেলার জন্য টার্মিনালে গিয়ে নিচের কমান্ডগুলো দিন-
cd /tmp/Macbuntu-10.10/
./uninstall.sh

উইন্ডোজেও ম্যাকের থিম পাওয়া যায়, কিন্তু উইন্ডোজের ফাইল সিস্টেম এবং নানাবিধ সমস্যার কারণে খুব একটা আনন্দদায়ক হয় না সে অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে উবুন্তুর ফাইল সিস্টেম থেকে শুরু করে বেশ কিছু বিষয়ের সাথে ম্যাকের বেশ মিল থাকায় অনেকটাই উপভোগ্য হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, ম্যাক ইউনিক্স বেজড অপারেটিং সিস্টেম। আশা করি ম্যাক ওএসক্স ব্যবহারের স্বাদ কিছুটা হলেও মিটবে। সবাই ভাল থাকুন।

--
কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29276158 http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/29276158 2010-11-23 00:30:57