যেখানেই লেখি...কিছু প্রব্লেম শুরু হয়। প্রথমে ফেসবুকে লেখিলাম..."ভোটের ভাত কুত্তায় খায়! "
বাবা ফুন করিয়া বলিলেনঃ "বিদাশে গিয়া পলিট্রিক্স করিও না, ধাতানি খাইবা।" বাবায় জানলো কি করিয়া? উনিতো কীবোর্ড খানাও ঠিক মতোন ধরিতে পারেন না। তবে কি উনিও ডিজুস জামানায় আসিয়া ফেসবুকে একাউন্ট খুলিয়া "ফ্রেন্ড হান্টে" নামিয়াছেন।কভি নেহি... । বুইঝলাম... বড় ভাই মিরজাফরী করিয়াছে। এরপর হইতে সক্কল নোটে ভাইজানকে ব্লক করিলাম। তারপরেও বাসা থিকা ফোন পাইলাম। এইবার কে জানাইলো? বুঝিলাম কাজিনদ্বয় মিরজাফরী করছে। মিরজাফরের গুষ্টি!
উদ্ভূত পরিস্থিতি থিকা ফায়দা হাসিল করতে লিখলাম "আমার বউ কই? "
এইবার ফোন অন করিয়া প্রতিক্ষায় থাকিলাম "কখন আসিবে বাসার ফোন, পাড়িব বিবাহের কথা, নাচিছে মোন।" কিন্তু না। ব্যাটে বলে হলো না ...রান যা ছিল তাই।ব্যক্তিগত স্কোর শুন্য...দলীয় সংগ্রহ শুন্য।বুঝিলাম সুড়সুড়ি দিয়া কাজ হইবে না, হুমকি দিতে হইবেক।
দিলাম পরকীয়ার হুমকি। "মর শালারা সব...আমারেও মার.. " লিখিলাম। এবারেও কাজ হৈলো না। ফুন বুবা...আমি এলুন...দুনিয়াবি এলুন।
হের বাদে ট্র্যাক চেঞ্জ করিয়া একটা জার্নাল পেপার লিখিতে বসিলাম। আবারো প্রব্লেম। ২য় সুপার ভাইজার ১ম সুপার ভাইজারকে টপাকাইয়া...সামনে নাম দিতে চাহিলেন। "আমার কাছাকাছি আসার এই আগ্রহ অথার লিস্ট ছাড়া আর কোথাও দেখিতে পারিলাম না। এই জীবনে কেহই কাছে আসিল না! আফচুষ"
যাহা হউক... ঘটনা বিলক্ষন বুঝিয়া... ১ম সুপারের নিকট... ২য় সুপারের কুমতির বর্নণা করিলাম। অতঃপর উহারা ৯ বছরের শান্তিপূর্ন সহঅবস্থান ত্যাগ করিয়া দ্বন্দে লিপ্ত হইলো। তাহাদিগের মইদ্দে গিট্টা লাগাইয়া আমি দূরে দাড়াইয়া তামাশা দেখিয়া দেখিয়া দিন গুজ্রাইলাম। মাস গড়াইতেই গোলযোগ চূড়ান্ত হইলো... ফলাফলঃ ২য় সুপার স্বসম্মানে আমাকে সুপারভাইজার চেঞ্জ করিতে সম্মতি দিল। "দুষ্ট গরু অপেক্ষা শুন্য গোয়াল ভাল"। আমি বাকুম বাকুম করিয়া উনার সাইন লইয়া আসিলাম...দরখাস্তে। আগেও বলিয়াছি "মিরজাফরের গুষ্টি"।
এরপর বোলগ লেখিলাম। বিজ্ঞানের ছাত্র হইয়া অর্থনীতির শাখা প্রশাখায় শাখামৃগের ন্যায় লম্ফঝম্প করিলাম। গোটা দুয়েক প্রমিনেন্ট ব্লগারের নাক কাটিলাম, ব্যাপক প্লাসের জোয়ারে ভাসিতে থাকা পোষ্টের ডিবাংক মারিলাম। লোকের বাহবা কুড়াইলাম। কিন্তু মিরজাফরের রক্ত ক্রমেই মাথায় উঠিতে লাগিল। শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যারের ধুতিতে টান দিলাম। লিখিলাম "জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন?ডেনড্রাইটের কঙ্কালে সবুজ শ্যাওলা "। শতাধিক প্লাস মাইনাস হজম করিলাম। সমালোচকেরা সমালোচনা করিয়া বলিলো "সমালোচনা? হাহ... ওতো সহজ কাজ... ভাল কিছু করিয়া দেখাওতো দিকিনি"। বেশ বেশ।
খেলাধুলাতো অনেক হইলো... ব্যালাতো আর কম হইলো না মেঘে মেঘে ...তাই ভাবিতেছিলাম...বেলতলায় আর যাইব না। কিন্তু ভ্রাতা দিনমজুরের ধামাকা লেখা পড়িয়া... কীবোর্ড চাপকাইতে মন চাহিল। আধা পাতা থুক্কু আধা স্ক্রিন লিখিয়াও ফেলাইলাম "ব্যানানা বাংলাদেশ -৫(শেষ): উন্নয়নের ভূড়িতে তেল,গ্যাস ও গণজাগরনের রূপকল্প"
আশা রাখি সামনের উইকেন্ডেই শেষ করিব।
ডিসক্লেইমারঃ গল্পের সকল চরিত্র কাল্পনিক। আমিও কাল্পনিক। শুধু জীবন পৌনপুনিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

