somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বুয়েটের সমস্যার সহজ পাঠঃ ডোন্ট মেস উইথ আস লেখাটি ফেইসবুকে প্রকাশিত ২ জানুয়ারী ২০১২
পেপার-পত্রিকা মারফত, ভূল-চূক কি শুঞ্ছেন জানি না, তাই কাহিনী খোলাসা করি। বুয়েটের অবস্থা এখন এতই কঠিন যে, প্রথম্বারের মতো ডিএস.ডাব্লিউ পদত্যাগে বাধ্য হৈছেন। তবে সাবেক কুয়েট-পলাতক ভিসি ও মসনদে আসীন প্র-ভিসি এখনো বহাল আছেন। উনাদের নিরাপত্তায় ৬ ট্রাক দাঙ্গা পুলিশ প্রেরন করা হৈছে বুয়েটে।



এর আগে, ছাত্ররা যেই তিনজন অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করতেছিল, তারা সবাই ক্যাম্নে ক্যাম্নে জানি ছাত্রলীগ করতো। তবে কাকতালীয় এই ঘটনা অস্বীকার করছে বুয়েট ছাত্রলীগের সাম্বাডি(সাধারন সম্পাদক)। এরমধ্যে মাছ্রাঙ্গা টিভি ক্যাম্নে ক্যাম্নে জানি জাইনা ফেলছে, এইটা ছিল ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের মাইরপিট। তিন ছাত্র যদি ১জন নিরস্ত্রকে পিটায়, তাইলে কি সেইটা ২ গ্রুপ বলা যায়? আহত সাধারন ছাত্র কম্পুবিজ্ঞানের স্নাতক হইতে মাত্র ১টা পরীক্ষা দূরে। কিন্তু আফসোস তার হাত ভাইঙ্গা ফেলছে ছাত্রলীগের পোলাপানের হকিস্টিক। তার অপরাধ, সে জনৈক ছাত্রলীগ কর্মীদের র‍্যাগ কন্সার্টের ইনার সার্কেলে স্বসম্মানে প্রবেশ করতে দেয় নাই। বিশাল গুস্তাফি। ইনার সার্কেলের বাইরেও আরামে কন্সার্ট দেখা যায়। আমি জীবনে ৪/৫টা কন্সার্ট বাইরে দাড়ায়া দেখছি। ১টা দেখছি ভিতরে, যখন আমার ব্যাচের র‍্যাগ কন্সার্ট ছিল। এইটাই নিয়ম। তবে এই নিয়ম ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না, এইটা বেওকুফ ঈশান বুঝে নাই। বুঝে নাই বৈলাই, তারে হকিস্টিক, ব্যাট, রড দিয়া হাত-পায়ে পিটায়া শিক্ষা দেয়া হইছে। ২দিন পরে যে ছেলে বুয়েটের শিক্ষা শেষ হবে, তার এইটুকু শিক্ষা বাকি ছিল।



ডেইলী স্টারে ভিসি প্রফেসর নজরুল বলছে "politics had nothing to do with the incident." এইটাও একটা শিক্ষনীয় বিষয়। স্যার নিজে রাজনীতি কৈরা ভিসি হৈছেন, তাই উনি রাজনৈতিক প্রশ্ন পছন্দ করেন না। ২১ আগষ্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার সময় বুয়েটে পরীক্ষা চলতেছিল। ২২ আগষ্টে ০২ ব্যাচের পরীক্ষাও ছিল। আর পরীক্ষার আগের রাতে, ছাত্রলীগের ৯জনের একটা মিছিল হয়। সেই মিছিলে পানি, জুতা মারছিল সাধারন ছাত্ররা; পরের দিন ৯জনরে শো-কজ নোটিশ দিছিল বুয়েট। ছাত্রলীগের সেই ক্ষুদ্রদলকে মিছিল ও পরদিন বুয়েটের গেটে তালা দিতে বলছিলেন নজরুল স্যার। আওয়ামী লীগ ২১ আগষ্ট সারা ঢাকায় কোন মিছিল করছে জানা নাই, কিন্তু নজ্রুল স্যারের নির্দেশে বুয়েটে মিছিল হইছে। এতটা নিচ বুয়েটের আর কোন শিক্ষক হৈতে পারে নাই। তাই আওয়ামী আমলে এতটা উপরে আর কেউ উঠতেও পারে নাই। উনি আবার নিজে ভিসি হৈয়া ক্ষান্ত হন নাই, প্র-ভিসি নামক একটা পোষ্ট ক্রিয়েট কইরা আওয়ামী লীগের আরেক জিগ্রী দোস্তরে বসাইছেন। সুন্দর।



প্রথম আলো জানাইলো, বুয়েটের সেই হকিস্টিক বাহিনীর ৩জনকে ৬ মাসের জন্য বরখাস্ত করা হইছে। খবরের ভিতরে গিয়া দেহি, সাময়িক বহিস্কার। আবার একি সাথে ৪জনের তদন্ত কমিটি করা হইছে। যদি ৩জন অভিযুক্ত সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত না হয়, তাইলে তাদের সাময়িক বহিস্কারাদেশ দেয়া হোইল কোন বিচারে? আর যদি সাময়িক বহিস্কার দেয়াই হয়, তাইলে বেহুদা তদন্ত কমিটির সার্কাসটা করার দরকার কি? দরকার, কারন তারা ভাবছিল, পুলাপান ভ্যাব্দা। সাময়িক বরখাস্ত শুইনা বাড়ি যাবে, লেপমুড়ি দিয়া ঘুমাবে। কেউ বাড়ি যায় নাই। সারারাত সবাই পৈরা ছিল "আজীবন বহিস্কারের দাবিতে"।


তিনজন ছাত্রলীগ কর্মীর নাম ধাম পরিচয় সবাই জানে। আহত ছাত্রের টেস্টমনি সারা দূনিয়ার মানুষ শুনতে পাইছে ফেইসবুক/ইউটুব ভিডিওর মাধ্যমে (http://www.youtube.com/watch?v=JRXNCv6vjw8)। কিন্তু তদন্ত কমিটি শুনতে পান নাই। তাদের বিস্তর গবেষনা চলতেছে।

বুয়েটে পরীক্ষায় নকল/দেখাদেখি কইরা ২ সেমিস্টার নির্বাসন কাটাইছে, শিক্ষককে তালেবান বলার কারনেও ২সেমিস্টার বহিস্কার খাইছে- এমন নজির আছে। কিন্তু একজন ছাত্রকে পিটায়া তক্তা বানানোর অপরাধে ৬ মাস সাময়িক(!) বহিস্কার? আর এই চুনোপুটিস্য চুনোপুটি ছাত্রলীগের তিনটা ছোকরাকে বাচাইতে ঘন্টার পর ঘন্টা মিটিং? চোখ বন্ধ কৈরা আজীবন বহিস্কার দিয়া দেন। এত ক্যারফা করতে গিয়া আপনাদের রাজনৈতিক ল্যাজ ও ল্যাজের গুচ্ছবাল সবাইকে দেখায়া দিচ্ছেন ক্যান? এখন ক্ষেমতায় আওয়ামী লীগ।ফাসীর আসামীরে ফিরাইয়া আন্তেছে, আর মামুলী বহিস্কারাদেশ তো **ও না! আজীবন বহিস্কারাদেশ নিয়া এরা আদালতে যাবে, ৪/৫ মাস পরে এই মেরুদন্ডহীন আদালত তাদের সাজা কমায়া ২ সেমিস্টার কোইরা দিবে। নাকি এই দুই সেমিস্টারের বিরহও আপনাদের সইতেছে না?
--------------------------------------
ধন্যবাদ বুয়েট প্রশাসনকে। দেরিতে হলেও লেজ গুটানোর জন্য

বুয়েট নিয়া আরো কিছু লেখাঃ ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29517216 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29517216 2012-01-06 07:35:49
রাজনীতির কাদাপানিতে রাজাকার শিকার: গেইম প্লান ২০১২
গুপ্ত হত্যা vs. চোরাগোপ্তা খেলা শুরু হৈছে। স্কোর ৪০-২।
কোন পক্ষ কোন দিকে গোল দিতেছে বুঝা যাইতেছে না। ব্রুট মেজিরিটির সরকার ৩ বছরের মাথায় আইসা আবর-স্প্রিয়ের ভয়ে প্রি-এম্পটিভ এটাক চালাইতেছে। অজানা হাজার খানেক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়া রাখছে। যাতে যেখানে যারে সন্দেহ হয়, তারে শ্রী ঘরে ঢোকান যায়। তবে রাজনীতির এই আগুনে কাবাব হৈতেছে পাব্লিক। নিতান্ত আম পাব্লিক।

এদিকে যুদ্ধাপরাধের বিচারে দেশী-বিদেশী মিডিয়াতে বেশ শোড়গোল[2,3,4] পড়ছে। এতে বুঝা যাইতেছে বিদেশী মিডীয়াতেও অনেক ইনভেস্টমেন্ট হইতেছে।


কোনটা যুদ্ধাপরাধ-কোনটা মানবাধিকার লংঘন এইসবের সংজ্ঞায় যাচ্ছি না। যুদ্ধাপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে হেন করা হচ্ছে, তেন করা হচ্ছে... এইসব ঢাল সরকার যত্রতত্র ব্যবহার করায় ব্যাপারটা বেশ খেলো হৈয়া গেছে। এমন কি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ঢাকা ভাগের হরতাল সমর্থকদের (এই তালিকায় নব্যপ্রতিষ্ঠিত কিছু সুশীল ব্যানারের অনেক স্বনামধন্য শিক্ষক, কলামনিষ্টও আছেন) সাথে রাজাকার সমর্থকদের মিল পাইতেছেন। তিনি কচ্ছেন "নিরপেক্ষ বা মধ্যমপন্থী বলে কিছু নেই"[5] ...তাহৈলে উনার সাথে হিটলারের পার্থক্য কোথায় থাক্লো (বিশাল গোঁফটা ছাড়া)?

তবে হঠাৎ হানাহানির রাজনীতি শুরু হওয়াতে মনে হচ্ছে বিরোধী জোট কোন কারণে আর বসে থাকতে পারতেছে না। কিসে যেন তাদের বেশ তাড়া। ইনফ্লেশন ১০% ক্রস করছে ৩ মাসের উপরে। টিপাইমুখ নিয়া সরকারের অবস্থান ভারতের অঙ্গরাজ্য ত্রিপুরার চেয়েও দূর্বল ও অনুগত। সরকার ৬১ জন জেলা প্রসাশক একরাতে পরিবর্তন করে ভোটের মাঠ সাজাচ্ছে। স্টক মার্কেটে পৌনপুণিক দরপতন ও বিশাল অংকের টাকা গায়েব, তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশে সরকারের নিতান্ত অনিহা। এইসব কোনটাই বিরোধীদলকে তেমন অসুবিধায় ফেলে নাই, যতটা যুদ্ধাপরাধ বিচারের আন্তর্জাতিক(কার্যত দেশীয়) ট্রাইবুনালের মামলার গতি ফেলছে। ঢিমে তালে বছর খানেক চলার পরে হঠাৎ গতি বাড়ার কারন নির্বাচন হতে পারে। আমাদের বিচার বিভাগ মূলত গরুর গাড়ির গতিতে আগায়। সরকারের হাতে হালুয়া পেন্টির বাড়ি না খেলে তার নড়ন-চড়ন তেমন দেখা যায় না। ১৫ আগষ্টের আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার করতে ২বার ক্ষমতায় আসা লাগছে আওয়ামীলীগকে।


রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সরকারের বা দলের থাকতে পারে। উকিলের উদ্দেশ্য প্রফেশনালি অপরাধ প্রমান করা। কিন্তু মনে হইতেছে, তারা তাড়াহুড়া করতে চাইতেছে। এবং বিরোধীদল রাজনৈতিক সহদর বাচাইতে তাড়াহুড়া করে আন্দোলনে যাইতে চাচ্ছে। আবার স্বাধীনতার বিপক্ষ-শক্তির চোরাগোপ্তা হামলা ঠেকাইতে স্বাধীনতার স্বপক্ষ-শক্তির জনবল বৃদ্ধির বিশেষ দরকার পড়ছে তাই সরকার ফাসির আসামী, খুনের আসামী সবাইকে বেকসুর খালাস করে দিচ্ছে।[6]


যুদ্ধাপরাধের বিচারের খবর নিউজ মিডিয়াতে তেমন পরিস্কার করে আশতেছে না। কারন প্রতিটা দৈনিকপত্রিকাই কম বেশি কোন না কোন ব্যবসায়ীক গ্রুপের বেতনভূক, সেই সাথে রাজনীতির ২ মেরুর কোন একদিকে ভরকেন্দ্র সরায়া রাখছে। তারা মাঝে মাঝে সাকা চৌধুরীর যেসব বক্তব্য শুনায়, তাতে মনে হয় ট্রাইবুনাল পল্টনে বসছে, সাকা নিশ্চিন্তে ভাষন দিয়াই যাচ্ছে।


আমি তাই কোট করবো ডেভিড বার্গম্যানের ব্লগ। বার্গম্যান ১৯৯৫ সালে War Crimes File [7] নামের একটি চমৎকার ডকুমেন্ট্রি করেন ও পুরস্কার পান। উনার ব্লগে ভিউজ না দিয়ে তিনি নিউজ দিয়েছেন, ধারাবাহিক জেরার বর্ণনা দিচ্ছেন।

সাঈদীর যুদ্ধাপরাধ প্রমানে প্রথম সাক্ষীঃ ২০০৪ সালে খালেদার আমলে মুক্তিযোদ্ধার খাতায় নাম লেখাইছেন। তাও আবার সাঈদীর সুপারিশে (সাঈদী আবার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিচ্ছে কবে থেকে? বেহেস্তের টিকিট কি শেষ নাকি?)। পরবর্তীতে আওয়ামী সরকার আমলে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা তাকে ভূয়া হিসাবে আখ্যা দেন!আশেপাশের গ্রামের পিস কমিটির সদস্যদের নামও বলতে পারতেছেন না।[8]

মুক্তিযুদ্ধের পরে প্রায় ৮২হাজার তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও পরে তা বাড়তে বাড়তে ৩ লাখ হৈছে। আবার একি সাথে রাজাকারের সংখ্যাও যুদ্ধের পরে বাড়তেছে। জিয়াউর রহমান, কাদের সিদ্দীকীর মতো অনেকেই নুতুন করে রাজাকারের খাতায় স্থান পাচ্ছেন সরকারী দলের নেক নজরের কারণে।

এই বর্ধিত রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা ভূয়া। সমস্যা হৈল এইরকম ভূয়া সাক্ষী একটা গেলে সমস্যা নাই। কিন্তু এইরকম অপরিপক্ক সাক্ষী পায়া জেরা করা হৈছে ৩দিন। এইটা স্পষ্টই সময় নষ্ট করার চেষ্টা। আর এই সময়েই রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়তেছে।

আশঙ্কার বিষয়ঃ
রাষ্ট্র বরাবরের মতই প্রসিকিউট করতে ব্যর্থ হৈতেছে। প্রতিটা ব্যর্থতার কন্সিকোয়েন্স আছে। আমরা হাসিনা-খালেদা-এরশাদের দূর্নীতি প্রমান করতে ব্যর্থ হৈছি। তার মাসুল দিচ্ছি। এখন নিজামী-গোলাম আযম-সাঈদীর বিচারেও ব্যর্থ হৈলে- এরা আগামীতে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিবে। গেল কয়েক বছরে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার হইছে, এরপরে রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা সাজবে। ৫ বছরের মিউজিকাল চেয়ারের খেলায় বর্তমান বিরোধীদলের ক্ষমতায় যাবার সম্ভাবনাকে প্রকট ধরলে এই বিচার এই সরকারের আমলে শেষ না হলে, আগামীতে আর হবে না।

এরমধ্যে একটা অসহিষ্ণু ক্রাউড তৈরী হৈছে। এরা ৪০ বছর পরে, আর অপেক্ষা করতে পারতেছে না, স্রেফ কয়েকজনকে ঝুলায়া দেয়ার পক্ষপাতী। কিন্তু ঝুলায়া দেয়াটা বিচারের মূল উদ্দেশ্য না। আজকে ২টা রাজাকারের ফাসি দিলে, মূল অবস্থার তেমন পরিবর্তন হবে কি? আর ৪০ বছর পরে এদের মেমোরিয়াল হবে, সেই খানে সমাজের ১০জন গন্যমান্য লোক স্পিচ দিবে। ১০টা টিভি চ্যানেল, ২ হালি পত্রিকায় নিউজ দিবে। সেই প্রজন্ম হয়তো আমাদেরকেই খুনি, বর্বর বলবে।

কিন্তু যদি ২-৪জনের অপরাধ পর্যাপ্ত আর্গুমেন্ট ও স্ক্রুটীনির মাধ্যমে প্রমাণ করে, ঝুলায়া দেয়া যায়... আর ২০০ রাজাকার তাদের ১৪ গুষ্টি কোন দিন মাথা তুইলা দাড়াইতে পারবে না।

কিন্তু ট্রাইবুলান যদি পত্রিকার লেখনী দেইখা বিচলিত হয়ে যায়, সম্পাদককে ডাইকা আইনা ঝাড়ি দিতে চায়[9]--তাইলে ফ্রি-ফেয়ার ক্যাম্নে হবে? আসামী পক্ষকে যদি বাই ল(LAW) মাত্র ৩ হপ্তা সময় দেয়া হয়, আর সরকারী উকিল ১ বছর ধরে মামলা গুছায়, তাইলে ফেয়ার হইলো? ডিফেন্সের উকিল, সাক্ষীদের যদি মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখায়, তাইলেতো হবে না।

তার উপরে যদি সরকার প্রথমেই একটা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা দিয়ে শুরু করে, তাইলে বুঝতে হবে, তাদের উদ্দেশ্য তাড়াহুড়া করে দুই-এক্টা রায় দিয়ে বাকিদের ইলেকশন পর্যন্ত ঝুলায়া রাখা। ইলেকশনের আগে চয়েস ফর্ম ফিলাপ করতে হবে "রাজাকারদের কি জেলে দেখতে চান? চাইলে ভোট দেন"। কারন বিএনপি আজ পর্যন্ত রাজাকারের বিচার করবে এমন কোন স্টেটমেন্ট দেয় নাই।

কোয়ালিশন ইলেকশন কমিটমেন্ট
রাজনীতির ঘোলা পানিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের আসল শক্তির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম আবার সক্রিয় হতে পারে। তারা অরাজনৈতিকভাবে কিছু মৌলিক দাবিতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিকে রাজি করাতে পারে। এটাকে বলা যেতে পারে "কোয়ালিশন ইলেকশন কমিটমেন্ট", নির্বাচনের পরে (নির্বাচন হবে কিনা সেইটা নিয়াও সন্দেহ আছে) যাতে বিচারকাজ আপন গতিতে চলতে পারে সেইজন্য দুইপক্ষে কাছে কিছু স্পষ্ট কমিটমেন্ট আদায় করতে হবে। যেমনঃ
*ট্রাইবুনাল ভেঙ্গে দেয়া যাবে না *কোন আইনে বিচার হলে সেটা গ্রহনযোগ্য হয়- সেটা আন্তর্জাতিকমানের হয় সেটার শোনা। শুধু শুধু, ট্রাইবুনালের নিরপেক্ষতা প্রশ্ন করা যাবে না, *মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক, বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের তথ্য-প্রমান দলিল করতে গবেষনায় বরাদ্দ কত হবে ও মূল গবেষক কারা হবেন তার লিখিত তালিকা নেয়া
* এরকম আরো কিছু পয়েন্টে মতামত আদায় করা যেতে পারে।

তবে এই কাজে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের লে.জেনারেল হারুন-অর-রশিদকে ডেস্টিনি ২০০০লিমিটেডের ডিরেক্টর [৯] হিসাবে নয়, হাত বাড়াতে হবে চেয়ে প্রবল জনসমর্থন আদায়ে। স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির এইটাই শেষ সুযোগ। আমাদের এক্ষনী আরেকজন জাহানারা ইমাম প্রয়োজন।

Reference Links
[1] PM office: Click This Link
[2]New York Times: In Bangladesh: Reconciliation or Revenge? Click This Link
[3]The International news(Pakistan): Myth and reality of war crimes in 1971 war Click This Link
[4] Voice of America:
Bangladesh International Crimes Tribunal
The judges, at the first opportunity, must define what the term "crimes against humanity" means.
Click This Link
[5]http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-12-08/news/207231
[6]সানাউল্লাহ হত্যা মামলার ২৩ আসামির জামিন (ভিডিও) Click This Link
[7] War Crimes File http://www.youtube.com/watch?v=4A1Ev17ZTAY
[8] Click This Link
[9] Click This Link

লেখাটি ব্লগস্পটে প্রকাশিত
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29508492 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29508492 2011-12-23 14:09:33
আই এম আ পর্র্ন স্টার! কারণ আমরা ব্লগ পাড়ায় যাই..সুশীল পত্রিকায় আমাদের জাগা হয় না ...হাতের লেখা খারাপ.. কারণ উনাদের মত কানিজ আলমাসের কাছে সিস্টেম খাই না ...ভারতের সাথে চুক্তি আগা পাশতলা যাচাই করে রিজ্ভিদের জন্ম পরিচয় খুজি ..টিপাইমুখ নিয়ে ২ বছর পিছে লাইগা থাকি ...আশরাফ- মইন-তারেক-আশরাফুল সব আমাদের কাছে সমান

গণতন্ত্রের অবস্থা কেরোসিন ... ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সরকার যখন ৩ বছরেই জনমতকে ভয় পায়, বিরোধীদলবিহীন একটা সংসদে ঢাকা বিভক্ত করার বিলে ৪/৫ মিনিট আলোচনার সুজোগ দিতে চায় না নিজের জোটের সাংসদদের ...একবার ফেইসবুক বন্ধ করে, একবার ইউটিউব বন্ধ করে, ব্লগারদের গ্রেফতার করে ...তখন বুঝতে হবে ...সামান্য সমালোচনাও সহ্য করার ক্ষমতা নাই যেই গণতন্ত্রের ...আমি টার মুখে পেচ্ছাব করি

১০ টাকা কেজি চালের গণতন্ত্র আমাদের শিখাইতে আইসেন না .... ঢাকায় চিকন চালের ভাত খান ...একদিন ২ টুকটা করেন, পরের দিন ৪ টুকরা করেন ... কৃষকের বাড়িতে কি রান্না হয় খোজ নিছেন? ... ওই ১০ টাকার চাল যারা ঘাম ঝরায়ে ফলায়...তাদের কয় টাকা লাভ দিছেন? উচ্ছিষ্ট যেই কারেন্ট দেন আপনাদের এসি চালাবার পরে...তাতে সেচ হয়... স্কুলের ছেলে মেয়ের পড়া হয় না ... অবশ্য তার দরকার কি? চাষার বেটা চাষা হবে ...জিয়ার ব্যাটা প্রধানমন্ত্রী হবে, মুজিবের নাতি পইসা হাতাবে... আজকে বসুন্ধরা...কালকে সামিট....সবাই মিলে দেশটা চুষবেন ..আমরা ভোটের দিন ফুর্র্তি করব ...১দিনের গনতন্ত্র...হাহ!


আগামী ১/১১ এর জন্য আশরাফ সাহেবদের আগাম শুভেচ্ছা ...আমার খুব ইচ্ছা ...এবার একটা স্টেডিয়ামে সব লীগ-জামাত-বিএনপির নেতাদের লগি-বৈঠা- কাস্তে নিয়ে জড়ো করে...যুদ্ধ বাধায়ে দিব. আর পাবলিক সেই যুদ্ধ টিকিট কেটে দেখতে যাবে ...আর হল্লা করে বলবে " মর হারামজাদা, মর"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29496387 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29496387 2011-12-04 21:17:15
মাইক্রো ব্লগিং সংকলনঃ সমকালীন
ঢাকার সব গু একসাথে টানা যাচ্ছে না। তাই আলাদা দুইটা টুকরা করে ঢাকার গু সাফ করতে হবে। উত্তর ঢাকার গুয়ের সাথে দক্ষিণ ঢাকার গুয়ের গুরুচন্ডালী মিশ্রন বর্জণীয়।

তেল-গ্যাস চুক্তি নিয়ে কথা বলা যাবে না, টিপাইমুখ নিয়ে আলোচনা হবে না, ট্রাঞ্জিটের চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, ঢাকা বিভক্ত হলেও কোন কথা হবে না। জাতির জনকের খোয়াব আজ সত্যি। #বাকশাল

উত্তর ঢাকা ছাত্রলীগের সাথে দক্ষিন ঢাকা ছাত্রলীগের আশু সংঘাত কামনা করি

পুরাতন ভেড়াদের আতঙ্কিত হবার কিছু নাই। ভেড়ার পাল বড় হচ্ছে। NEWS: নতুন মন্ত্রীদের শপথ রাত ৮টায়

সরকারের পাশাপাশি বিরোধীদলের পদত্যাগ চাই। এইরকম মাকুন্দা বিরোধীদলের দরকার নাই। যারা সংসদেই যায় না।


এই মুহূর্তে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। বুয়েট শিক্ষকরা কি লাগাতার আন্দোলনের মাধ্যমে এ বিচার প্রক্রিয়া বিঘ্ন করতে চান?- জনকন্ঠ #আজকাল জোরে বায়ু ছাড়লেও বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়

বুয়েটের পুলাপানের মেরুদন্ড নরম হৈয়া গেছে... আগের জামানা থাকলে আজকে হলের কমনরুমের সব জনকন্ঠ কপি পুড়ায়া দেয়া হৈত

গলার কাটা রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট: হাইটেক দুর্র্নীতির নুতুন মাত্রা

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কি তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি ও বিটিভিতে উনার বর্নাঠ্য জীবণ নিয়া প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হবে? #এত_বিনুদুন_কুতায়_রাকি প্রামান্যচিত্রের নেরেটর হবেন "শফিক রেহমান"... #বিয়োন্ড_এনি_ডাউট

সূত্র: ওয়েবসাইট--- দিয়া প্রথম আলোর সংবাদ ট্রান্সলেশন । দৈনিক মগবাজারের লেখকরাও এরচেয়ে বেশি মেধা ব্যয় করে নিউজঃ বসকে পদোন্নতির কথা বলবেন কীভাবে

সচেতন হৈয়া চুক্তির ১ বছর পরে আওয়াজ দিছেন। ব্যাফক সচেতন! গন্ডারের সচেতনতাকেও হার মানাচ্ছে। নিউজঃ টিপাইমুখ নিয়ে আমরা সচেতন: প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবনকে ভট দিয়ে দেশপ্রেম নবায়ন করুন। মাত্র ২টাকা। ২টাকার এসেমেস দিলেই দেশপ্রেমের ভাত বলক দিয়া উঠবে। হুহ!

সারাদিন লিঙ্ক খুচাই, নিড়ানি দেই। আমি তাই লিঙ্ক-চাষী!

Agami election engineering er jonno hasina khaleda k ekti apps toiri more dibe Jobbar Kagu.Apps Name #bijoy-election-wizard #fb_leakes

অর্থনীতি গম আছে : প্রধানমন্ত্রী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29493317 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29493317 2011-11-30 10:05:32
খসড়া ঈদ আনন্দমেলা ২০১১

এবছর দেশের সেরা বিনোদন দিয়েছেন গোলাম মওলা রনি। আমি কোন চ্যানেল মালিক হৈলে (শুঞ্ছি সঠিক চ্যানেল থাকলেই দেশে চ্যানেল মালিক হওয়া যায়)...ঈদের আনন্দমেলা টাইপ কোন অনুষ্ঠান উনারে দিয়া করাতাম। স্ট্যান্ডাপ শো অফ গোলাম ম. রনি। অনুষ্ঠানের পরে সারা দেশ হাস্তে হাস্তে শুয়ে পড়তো আর উনি দাড়ায়া থাকতেন। স্ট্যান্ডাপ যাকে বলে!


আগে সব আনন্দমেলায় কৌতুক অভিনেতারা একটা অংশ করতেন, যেমন টেলিসামাদ, কাজল। এখন আর এদের ভাত নাই। এরাও ব্যবসা গুটাইছে বা পরিবর্তন কর্ছে। কারন আবুলদের পারফরমেন্স দেখার পরে এইপেশায় থাকা বুদ্ধিমানের কাজ না।



দেশের সংগীতাঙ্গনেও স্থবীরতা আসছে। আগে রবী চৌধুরী, আসিফ- এরা হাত পা ছুড়ে গান গেয়ে এলবাম ছাড়তেন ঈদের আগে। এগুলাও বেশ বিনোদন ছিল। এখন সেই জায়গা দখল করছে কিছু মিউজিশিয়ান যারা সবাইকে ফিয়েচারিং করে। সাম-বডি ফিয়েচারিং এভ্রিবাডি (আনিলা ft. ফুয়াদ, মিলা ft. ফুয়াদ, তাহসান ft. ফুয়াদ)। বা, এভ্রিবাডি ফিয়েচারিং সাম-বাডি। এইরকম কিছু গান ঈদ আনন্দমেলায় থাকতে পারে। গানের পরে কুইজঃ এই গান্টি কোন কোন ইংরাজি গানের নকল। A. B. C. D. এসেমেস করূন ২১২১ নাম্বারে।



এক দমে দেশের সবগুলো জেলার নাম বলে ইতিপূর্বে অনেকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তাই এবার নতুনত্ব আনতে একনিশ্বাসে নিজের ১৪ গুষ্টির সবার নাম বলে তাক লাগিয়ে দিবেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। সাথে কাকে কোথায় কবর দেয়া হয়েছে- সেটাও বলে দিবেন চক্ষু বন্ধ করে। আমি এই অংশটুকু পরে ইউটিউবে আপ্লোড করবো। এতে ইউটিউব দেশে আবার ব্যান খাইলেও আমি আপ্লোড করবো। প্রবাসীদেরও বিনোদনের দরকার আছে।



গেইমশোতে খাওয়া-দাওয়ার একটা দারূন পর্ব থাকে, যেখানে সবাইকে খেতে দেয়া হয় ফল বা মিষ্টী। এবার নুতুন কিছু আনতে পারি আমরা। উপস্থিত দর্শকদের মধ্য থেকে "জিন্স-টিশার্ট পড়ুয়া তরূন প্রজন্মের" ৩জনকে স্টেজে আনা হবে। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবি ছেড়ে জিন্স পড়ে যদি শামীম ওসমান আসেন উনাকে কোনভাবেই তরুন প্রজন্মের সাথে খেলায় অংশ নিতে দেয়া হবে না। কারন, তিনি সবকিছু "উল্টায়ে ফেলতে পারেন"। বা উল্টা দিক দিয়ে খাওয়া শুরু করতে পারেন। খাবার হিসাবে দেয়া হবে সীসা। বাদশাহী ভাব আছে।


ঈদে সংবাদের খুব অভাব। কারন সাংবাদিকরা ঈদেই কেবল ছুটি পান। তাই আনন্দমেলায় ফান-সংবাদ করা যেতে পারে। এটা করা হবে ১মাসের প্রথম আলোর কাটপিছ সংবাদ থেকে টূক্লিফাই এন্ড রিসাইকেল করে। যেমন- "বিন্দুর অনেক জ্বর", "মেয়েরা ছেলেদের কাছে যা চায়", "জামাইরা শ্যালিকাদের কাছে যা চায়", ইত্যাদি ইত্যাদি।



আনন্দমেলাইয় সামান্য টকশো করা যেতে পারে। টকশো করবেন মকসুদ সাহেব ও রনী। রনী কাহিনী বলবে, কেন মকসুদ সাহেব গরমের দিনে চাদর পড়ে ঘুরেন। তবেঁ অনুষ্ঠানের আগেই মকসুদ সাহেবকে জানায়ে দেয়া হবে, ভূলেও যেন "আনন্দমেলা করে ভুরুঙ্গুমারীর কি লাভ?" এজাতীয় কোন ক্রিটিকাল প্রশ্ন জাতিকে না করতে। ঈদের দিনে নো প্রশ্ন।



ফ্যাশন শো না থাকলে অপূর্ণ থেকে যায়। ঈদে খালেদা জিয়ার ১০০টি বাহারী শাড়ি ও তার সাথে ম্যাচিং করে পড়া ফ্যাশন সামগ্রীর বর্নণা দিবেন আই.এস.পি.য়াড়. ডিরেক্টর। তবে উনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে, এটি পরিবারের ছোট-বড় সবাইকে নিয়ে দেখার মত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান- বিটিভির সংবাদ না। তাই, সবকিছু(!) এখানে দেখানো যাবে না।



অনুষ্ঠানের শেষের দিকে একটা ভালো গান থাকা লাগবে। ইভা রহমানের গান দেয়া যাইতে পারে। উনি খুব জনপ্রিয়।খুব। গানের শেষে এসেমেস থাকবে- গানটি বিশ্বের কয়টি দেশে চিত্রায়িত? A) ২ B) ৪ C) ৬.৫ D) ১৪

এসেমেসের পয়সায় আগামী ২ ঈদের গরু কেনার খরচ উঠে আসবে।
ব্লগস্পটে সব লেখা http://bangalullash.blogspot.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29481201 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29481201 2011-11-11 12:48:42
পোস্ট গ্রাজুয়েটের জীবন থেকে নেয়া বাংলাদেশের প্রবাসীদের মাঝে যে পোস্ট গ্রাজুয়েট পেশার লোকজন নগন্য হৈলেও- ফেইসবুকে তাদের আধিপত্য নারায়ঙ্গঞ্জের শামীম ওসমানের আধিপত্যের চেয়েও বেশি। কারন পরিস্কার- রাজনীতির মাঠ দখল করে যেমন আধিপ্ত্য প্রতিষ্ঠা হয়, তেমনি ফেইসবুকে সারাক্কন পৈড়া থাইকাও আধিপত্য বজায় থাকে।


শিক্ষাদীক্ষার লাইনে জাগো যুগাযোগ কম, তারা এই পেশার লোকজন সম্পর্কে ভূল ধারনা রাখেন। তাদের মনে বদ্ধমূল ধারনা... পোস্টগ্রাজুয়েট্রা ব্যাফক মেধাবি...তাই তাগ পোইসা দিয়া বিদাশিরা পড়ায়। কথা আংশিক সত্য। এত কম টাকায় এতবড় ছাগল বিদাশে পাওয়া যায় না... তাই বাংলাদেশ থিকা আমদানী করা হয়।


একজন পোস্টগ্রাড সকালে ঘুম থিকা উঠে কিংবা কেউ কেউ সকালে ঘুমাইতে যায়। এদের লাইফ স্টাইল ঘড়ির কাটায় সেট থাকে না। ক্যালেন্ডারের পাতায় সেট করা থাকে। কোন সুপারভাইজার কখন জিগাবে না "গতকাল তুমি কি করছো?"। বরং জিগাবে " হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট উইক/মান্থ?"


আদর্শ পোস্টগ্রাডের প্রথম কাজ...সকালে ঊইঠা ফেইসবুক-টুইটার নিজের মুবাইলে দেখা...এরপরে ডিপার্মেন্টে আইসা...আবার একি নোটিফিকেশঙ্গুলারে বড় পর্দায় (ডেস্কটোপে) দেখা। এরবাদে ১০-১২টা নিউজপেপারের গুতায়া ...ফেইবুকে শেয়ারিত কৈরা...নিজে ও নিজের ভাই-ব্রাদারদের হোম পেজ ভাসায়া দিয়া হাপায়া উঠলে...লাঞ্ছের পরে...এক্টা বিজ্ঞানবিষয়ক পেপার ডাউনলোড কৈরা প্রিন্ট দিয়া...বিকালের কফি খায়া বাসায় চৈলা যাওয়া। এমন একটা ভাব...। ডিপার্টমেন্টে পড়া হৈতেছে না... বাসায় গিয়া মাথা ঠান্ডা কোইরা পড়া লাগপে।


খাওয়াদাওয়া কথা যখন চৈলাই আস্লো... তাইলে আরেকটু বিস্তারিত না বললেই না। অধিকাংশ পোস্টগ্রাড জৈবিক চাহিদা দ্বারা তাড়িত প্রানী। এরা কোন অনুষ্ঠানের শেষে ফ্রি-ফুড না থাকলে জিন্দেগীতে পশ্চাদ্দেশের ১ ফুট সরণ ঘটাবে না। যেকোন দাওয়াতে সবার আগে কবুল করবে। এবং বেশুমার খাইয়া খাবারে শর্ট ফেলাবে। পোস্ট-গ্রাজুয়েটের জন্য ভার্সিটী ফ্রি চা-কফি-চিনি-দুধ দিয়া রাখলেও... সব সময় দুধের সংকট থাকবে। দুধ খাওয়া থেকে বিরত করতে বড় বড় নোটিশ টাঙ্গায়েও কোন লাভ হয় না। কারন পড়ালেখা করতে পুষ্টির বড় প্রয়োজন। এদের জীবণে বিনোদনের বড় অভাব। IMBD থিকা ২৫০ মুভির লিস্ট শেষ হৈলে ...৫০০ মুভির লিস্ট নামানো হয়...কিন্তু বিনোদনের ক্ষুধা শেষ হয় না। তাই খাদ্য এদের এক্মাত্র বিনোদন। ভোজন এদের হবি। একমাত্র কমন ভিলেন- সুপারভাইজার।


তবে এর ব্যতিক্রম আছে। সবখানেই থাকে। জগত সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন একদল পোস্টগ্রাড আছে যারা বাইরের দুনিয়ার কোন খোজ রাখে না। এরা ফেইসবুকে শুধুমাত্র জন্মদিনের দিন আসে... বন্ধুদের উইশ পাওয়ার আশায়। ২ বছর পরপর দেশে যায়, ২ সপ্তাহের জন্য... কারন অনেক কাজ...অমূক পেপারটা সাবমিট করা লাগবে...তমুক এক্সপেরিমেন্ট আবার করা লাগবে। পোলাপানের তমুক পরীক্ষার খাতা কাটা লাগপে।

আর সবার মত সকল পোস্টগ্রাডের স্বপ্ন বাড়ি-গাড়ি-চাকরী- পরিবার। যা তারা পাবে...কিন্তু শেষ বয়সে


#লেখাটি ব্লগস্পটে প্রকাশিত লিঙ্ক

আরো কিছু লেখা
একজন দরিদ্র পোস্ট গ্রাজুয়েটের সবিনয় নিবেদন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29463378 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29463378 2011-10-10 15:04:08
বাই দা পিপল ফর্দা পিপল

কোনো এক আহাম্মক বাই দা পিপল ফর্দা পিপল সংগা বানাইছিল ভুইলা গেছি ...ছোটবেলায় সেইটা মুখস্ত লিখা কিছু নাম্বার পাইছিলাম ...কিন্তু এখন আমি জানি সেসব ফালতু কথা..গনতন্ত্র মানে এখন বুঝি ..আমারে কেউ বুঝাইতে আসলে আমি ক্ষেইপা যাই এখন....আমনে আমাত্তে বেশি বুঝেন?


সারা দুনিয়ায় ডেমোক্রেসির ফেরিওয়ালারা যখন বিনা ক্লেশে পটাপট সরকার ফেলে দেয়ার নেশায় মাতে...তাতে আমার মত হাজার গনতন্ত্রপ্রেমি শিহরিত হয়...স্বপ্ন দেখে ..কৈসা টুইট মারে ..

তারা যখন দেমক্রেসির বিক্রি করে লিবিয়ার তেল, সোনা-দানার হিসাব করে... তখন বুঝা যায় ...দেমক্রেসির বাজার বড্ড চড়া ...আমরা ফ্রিতে যা পাচ্ছি মন্দ কি?



জনৈক মতি সাহেব যখন দেশবাসীকে লেকচার দিয়ে কলমের খোচায় বুঝায়া দেন ...পানি না নিয়ে ট্রানজিট দেয়া যাবে না ...তখন দেশবাসী দেশপ্রেম জ্বরে কাপতে থাকে ...বিশাল কলামের নিচে লিখে দেন

ট্রানজিট = পানি (প্রমাণিত)

তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না ...জনগণ তাদের কাছে নিকৃষ্ট শ্রেনীর বেশ্যা, যারা ভুলে যায় কোন খদ্দেরে কাছে তার কতো পাওনা. কারণ জনগনের কাছে এখন ট্রানজিট মানে শুল্কমুক্ত পণ্য নয়, ট্রানজিটের টোল নয়, কাটাতারে ফেলানিদের লাশ নয় ....ট্রানজিট মানে শুধুই পানি...যা আমাদের কয়েক দশকের প্রাপ্য


ডেমোক্রেসি আছে বলেই ৫ বছর পর পর ঢাকার রাস্তায় হামভি, লেক্সাস পরে থাকে প্রভুহীন কুকুরের মত... ডেমক্রেসী আছে বলেই একজন শির্র্ষ ঋণখেলাপি পায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদ ..দান খেলতে খেলতে এরা হয় স্টক এক্সচেঞ্জের দরবেশ... .আর কেউ আবার কিডনি বিক্রি করে ঋণ মেটাতে



গনতন্ত্র মানে এখন বুঝি ...৫ বছর যা খুশি তাই করার অধিকার (প্রমাণিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29445078 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29445078 2011-09-09 00:37:39
শহীদ মিনারে হবে ঈদ, আবুল তুমি গাও গীত-১ আসল আবুল দূরে বৈসা মজাক দেখতেছে

উনাদের দাবিসমূহ:

এক. আমাদের প্রধান দাবি ৩১ আগস্টের মধ্যে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদচ্যুত করতে হবে।
দুই. অবৈধ লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে।
তিন. সড়ক ও পরিবহন সেক্টরের দুর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
চার. গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হবে।
পাঁচ. সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনটি কঠোর করতে হবে।
ছয়. চালকদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
সাত. সড়ক ও পরিবহনসহ প্রশাসনের সবস্তরে কার্যকর জবাবদিহিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। (লিঙ্ক )


মূলদাবি যোগাযোগমন্ত্রীর পদত্যাগকে আমার কাছে অগুরুত্বপূর্ন মনে হয়, যদিও উনার পদে থাকার কোন যোগ্যতা নাই। তবে দেশের ঢাকাইয়া বুদ্ধিজীবি সমাজ জেমতে তারে চাইপ্পা ধর্তে চাইতেছে তাগো কলামে, চোপাতে...আমার কাছে সেইটা আজাইরা মনে হয়। এই মন্ত্রী গেলেও রাস্তাঘাটের তেমন কোন উন্নতি হবে না...যোগাযোগ ব্যবস্থার কিছুই পরিবর্তন হবে না। তাই মন্ত্রীর গদি ধৈরা টান দেয়ার চেয়ে পুরা যোগাযোগ ব্যবস্থার (সড়ক-রেল-নৌপথ) সমস্যা নিয়া ভাবা উচিত...এবং আরো গুরুত্বপূর্ন সাজেশন সরকারকে দেয়া উচিত। কিন্তু আফসোসের বিষয়, শুধুমাত্র আবুল সাহেবের নিকুচি কইরাই বুদ্ধিজীবি ও সোশাল সুশীল সমাজ (ফেইসবুক ঘরনা) তাদের সমস্ত গলার রগ ফুলায়া ফেলতেছেন। বুদ্ধিজীবিদের কলামে তারেক মাসুদ ও আশফাক মুনীরকে (আল্লাহ তাদের আত্মার শান্তি দিন) হারাবার বেদনাই প্রকট...বুদ্ধির চর্চা নাই। সড়ক নিরাপত্তা দিয়া যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয় না। আমার মনে হয় ৩টা গুরুত্বপূর্ন ইস্যুকে আরো শক্তভাবে এড্রেস করা উচিতঃ

১। রেল ও নৌপথে যাতায়াত ব্যবস্থায় সরকারী ইনভেস্টমেন্ট ও তার ব্যবহার ২। সড়ক রক্ষনাবেক্ষন বাজেট ঘাটতি পূরনে পরিপূরক ব্যবস্থা ৩। ট্রানজিটে ভারতের কাছে প্রতিটি রুটের জন্য পর্যাপ্ত টোল আদায় করা যা "রোড ফান্ডে" ব্যবহার করা যাবে

উনাদের দাবিগুলা শুধু মন্ত্রীর বিরুদ্ধে, কিছু চালকের বিরুদ্ধে। আর ট্রানজিট উনাদের কাছে একটা এলিয়েন ইস্যু। কিন্তু উপরের তিনটিই সড়কের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত বিষয়---যার উপরে নির্ভর করতেছে আগামী ১০ বছরে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার কোন পরিবর্তন হবে, নাকি শুধু মন্ত্রীর পরিবর্তন হবে।

ঈদ মুবারক। (চলছে চলুক)




অন্যান্য অপ্রাসঙ্গিক সাম্প্রতিক লেখাঃ
জার্নাল রিভিউয়ারদের মোকাবেলা করবেন কিভাবে?

যেভাবে পাব্লিশ করবেন আপনার গবেষণা- থিসিস থেকে জার্নাল পেপার ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29441184 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29441184 2011-08-30 21:16:42
সার্বজনীন হরতাল স্কেল
দুধের ভেজাল মাপ্তে ল্যাক্টোমিটার আছে। গোয়ালা যতই ফালাফালি করুক...ল্যাক্টোমিটার ডুবাইলেই কাহিনী পরিস্কার।

হরতালের কোন স্কেল নাই। তাই বিটিভি সারাজীবন ভ্যানভ্যান কর্তেই থাকবো "আজ হরতালে জনজীবন ছিল স্বাভাবিক। ব্যাংকগুলোতে লেন্দেন হয়েছে।" কথা সত্য। হরতালের দিনেই শুধু ঢাকার জীবন স্বাভাবিক থাকে। অন্যদিনগুলাতেই যা জ্যাম থাকে ...সেইটারে কোন ভাবেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বলা যায় না। আরেকদিকে বিরোধী সংবাদ মাধ্যমে থাকবে পুলিশের মাইরপিটের ছবি।

তাই হরতালে একটা পরিমাপক ইউনিট করা দর্কার। ব্যাপারটায় সায়েন্টিফিক জাস্টিফিকেশন আনার জন্য সিভিলের ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারদের সাহায্য নেয়া যাইতে পারে...ঢাকার গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্টে এভারেজ ট্রাফিক চেঞ্জ দেখে এইটা করা জাইতে পারে...সাথে আরো কিছু ফ্যাক্টর যোগ-বিয়োগ-গুন-ভাগ কৈরা সর্বজনীন হরতাল স্কেল সূত্রে ফেলায়া ১০ এর মদ্ধে নাম্বারিং করা যাইতে পারে।

বাস পুড়াইলে ১০ পয়েন্ট
টেম্পু জ্বালানো ৫ পয়েন্ট
রিক্সা ভাংলে ২ পয়েন্ট
পুলিশের মাথা ফাটাইলে বেশি পয়েন্ট

এছাড়াও আহত-নিহত এইসব ফ্যাক্টর দিয়া হিসাবটা পাকা করা লাগব।

তবে এই স্কেলের নামকরন নিয়া খালেদা হাসিনার মদ্ধে ব্যাপক কাজিয়ার সম্ভাবনা আছে।



পাঠক, আপনি কি হাস্তেছেন? আমরা এত অসুস্থ ক্যান?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29408839 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29408839 2011-07-07 14:20:48
একজন দরিদ্র পোস্ট গ্রাজুয়েটের সবিনয় নিবেদন লাস্ট কাপুলোভ ইয়ার্স বিদাশে থাকার কারনে আমার নানান কিসিমের ইমেইল করতে ও পড়তে হৈছে। (শুরুতে ইংরাজী না কৈলে পাব্লিক বিশ্বাস নাও খাইতে পারে...তাই লেখকের খুদ্র প্রয়াস)। তবে এই প্রবাস জীবণে আর যাই হোক ইংরাজির চেয়ে খাটি বাংলার চর্চা বেশী হৈছে। কারন অভ্র এস্তেমাল করে শুধু বাংলা টাইপিং না...সাথে যুক্ত হৈছে পথে ঘাটে ফরেন বালিকাদের প্রতি নানান মন্তব্য নিখাদ বাংলায় করার অভিজ্ঞতা। আধুনিক বাংলায় এইটারে নাকি এখন 'ইভ টিজিং' কয়।


যাহোক, দরিদ্র পোস্ট গ্রাজুয়েট জীবণের কিছু বাংলা ইমেইল দিয়া পাঠকের মনোরঞ্জেনের ইচ্ছা নিয়া শুরু করছিলাম...সেইখানে ফিরা আসি।

একদা ইউরোপে যাইবার জন্য মনে বড় টান আসছিল। এর মূলে আছে "ইউরো ট্রিপ" নামের একটা মুভি। সেই থিকা আমরা কিছু নালায়েক...ইউরোপ যাবার জন্য চেষ্টা চরিত্র করতে লাগলাম। কোন এক বেওকুফ জানি জানাইলো...জার্মান দেশের দাউদ স্কলারশিপে ব্যাফক পৈসা...কিন্তু এরজন্য দরকার সৈয়দ মুজতবা আলীর মত জার্মান ভাষায় দক্ষতা। এরপরে দলে বলে ভর্তি হৈলাম...জার্মান কালচারাল সেন্টারে...গোঊঊথে ইনিস্টিটুট (ইনিস্টিটিউট না কৈলাম...হৈব... ট্টূট...খুব খিয়াল কৈরা)...দলে ছিলেন সাফফাত ভাই, ইয়াকুত, রাসেল ভাই, হের রানা, শামস এবং আরো কিছু ভেন্ডারজেক্স পিপাসু ভাই ও বৈনেরা। নানা ইউনিভার্সিটির প্রস্পেক্টাসে্র কভারে প্রস্পেক্টিভ ললনাদের সবুজ ঘাসে শুইয়া বসিয়া পড়িতে দেখিয়া শিহরিত হৈতাম। একে অপরকে দেইখাইয়া গা টিপাটিপি করিতাম।এ যেন স্বগ্য উদ্যানের প্রাইভেট ভার্সিটি(সুন্দরী মাত্রই প্রাইভেট ভার্সিটি)। কিন্তু আফসুস...জার্মানির রাস্তায় জিলাপি বেচা আর হৈল না আমার...চিয়ার বয় রাসেল ভাই নাচ দেখায়া স্ট্রিট শো কোইরা বেড়াইতে চাইছিলেন...হৈল না। এক-এক জন এক-এক মহাদেশে ছিটকায়া পড়লাম।

মাস্টার্স শেষ কোইরা আবারো নিশা চাপ্লো...এইবার পিএইচডিতে ইউরুপ যামু...বাপ চাচারা জতই মানা করুক...

তাই কতিপয় ইউরোপীয় ডিগ্রীধারী ভাই-ব্রাদারদের (স্রষ্টার বিশেষ আশীর্বাদপুষ্ট) ইমেইল করলামঃ

প্রিয় ভাইও, সাথীও, আসসালামু আলাইকুম আপনারা নিশচই অবগত আছেন, আমার প্রবাস জীবণের ১.৫ বছর অতিক্রান্ত হইতে চলিতেছে। ইতমধ্যে আমার মাষ্টার্সের কাজ প্রায় শেষের পথে। আশা করা যায়, মে ২০১০ এর মধ্যে থিসিস জমা দেয়া যাইবেক। এমতাবস্থায়, বিবাহ জরুরী হইয়া উঠিয়াছে। কিন্তু বিবাহের নিমিত্তেই পিএইচডির এডমিশন নেয়াও জরুরীতর হইয়া দেখা দিয়াছে। কেননা, বিবাহ বাজারে বেকার পোস্টগ্রাজুয়েটের মূল্য শুন্য... আপনারা আরো ।ইউরোপ আমার স্বপনে শয়নে আসিতেছে...অন্যদিকে GRE আসিতেছে দুঃস্বপ্নে।অবগত আছেন যে, ইংরাজী ভাষা সাহিত্যে (GRE) আমার অরুচী প্রগাড়। মশায়ের অবগতির জন্য জানাচ্চি, আমার অর্ধশত ব্লগ পোষ্টে জাহার খানে্ক হিটের পাশাপাশি কিছু বিজ্ঞান বিষয়ক ফ্লপ প্রবন্ধ রহিয়াছে, সুগুলো পাব্লিকেশন লিস্টে পত্রের সাথে বাধিয়া(attached) দেয়া হইল। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশী... বাঙ্গাল


ফলাফল হৈল আরো হালি খানেক রিজেশন...ইউরোপের নানান প্রান্ত হৈতে...রিজেকশন লেটার গুলান বাংলায় তরজমা করলে দাড়ায়ঃ

সম্মানিত আহাম্মক, পিএইচডি কামলা পদে আবেদনকারীদের মধ্যে এইবার অনেক উচ্চমানের আহাম্মক ছিলেন...তাদের মধ্য থেকে খুব কম সংখ্যককে আমরা নিতে পারছি। সেইজন্য আমাগ মনে অনেক দুক্ষু! এইবারের জন্য ক্ষান্ত দেন, আগামীবার ভালো কিছু কৈরা আবার আইসেন...দেখবানে কি করা যায়। (ডু নট রিপ্লাই টু দিজ মেইল...ইনাফ ইজ ইনাফ!)


হায়। বিধর্মী রাষ্ট্রে গিয়া ডিগ্রী অর্জনের সৌভাগ্য আর হৈয়া উঠলো না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29376335 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29376335 2011-05-06 15:32:29
সমাবর্তন নিয়া টালবাহানা- মানি না- মানবো না

বুয়েটে প্রথম দিনে OAB বিল্ডিঙ্গের অলিগলির ভিত্রে দৌড়াদৌড়ি কৈরা ক্লাস রুম খুইজা পাইতে মাত্র পনারো মিনিট দেরি হওয়াতে অলক স্যার তীব্র ঝাড়ি লৈছিলেন। কিছু কৈ নাই।


সেইযে শুরু হৈল, এরপরে খালি ঝাড়ী খাইতেই থাকলাম। সেশ্নালের রিপোর্ট দেরিতে জমা দেয়ার ঝাড়ি। সেশনাল ক্লাসের আগে হলে গিয়া ভাত-ঘুম দেয়ার পরে আবার ঝাড়ি। টার্ম-ফাইনালের রেজাল্ট নিয়া এডভাইজারের কাছে আবার ঝাড়ি "কি ব্যাপার, হলে কি লেখা পড়া হয় না নাকি? সারাদিন খালি মুভি দেখা হয়?" (জ্ঞানীলুকের হক কথা<img src=" style="border:0;" />...কিসসু কৈ নাই


কিন্তু আইজগা মওকা পাওয়া গেছে। আজকে আমি বলবো, জাতি শুনবে


শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই যেমন তার পারিশ্রমিক মিটায়া দিতে হয়,

সেইরকমঃ পাশ করার সাথে সাথেই সমাবর্তন দেয়া ফরজ। অনেক বুজূর্গ আতেল বলেন, প্রেসিডেন্ট সাবের শিডিউল নাকি পাওয়া যায় না। আমিতো উনার শিডিউল পুরাটাই আউল ফাউল কাজে ভরা দেখি। কুথায় কুন স্কুলের ক্রিয়া প্রতিযুগীতার মেডেল দিতে হবে...সেইখানে পেসিডেন্ট সাব হাজির। কুথায় কুন মুরগী খামারের উদ্বধোন হৈব...সেইখানে দেখি প্রসিডেন্ট সাব। আর তেনার যদি এইসব কাজে এতি ব্যস্ততা, তাইলে তারে টানা হ্যাচড়া না কোইরা...ভিসি সাব্রে দিয়া সার্টিফিকেট দেয়াইলেইতো হয়। একজন ঈমানদার লুকের কাছ থিকা সার্টিফিকেট নিলাম...রাষ্ট্রপতির মত দূর্বল মেরুদন্ডের(গেল দুই রাষ্ট্রপতির ঈমানি তাকদের স্যাম্পল দেইখা জাতি চিন্তিত) লুকজনরে ডাকাডাকি না করাই ভাল।

সমাবর্তনের টাইম ফেলাইছে ফেব্রুয়ারী মাসে। এইটা স্টিয়ারিং কমিটির একটা সুক্ষ চক্রান্ত। এতে আটলান্টীক পাড়ি দেয়া শীতের পাখিরা সমাবর্তন মিছ করতেছে। এতে কম সংখ্যক লোকের আয়োজন করতে হোইতেছে...কমিটীর কাজ কমতেছে। আম্রিকা-কানাগা-শুইডেন- সৌদি ভাইগো জন্য আমাগো দিল কান্দে। এক ভাই হাস্পাতালে থাকলে, আরেক ভাই যেমন পরীক্ষা দিতে পারে না। সেই রকম, হাজার ভাইকে হাজার মেইল দূরে রেখে...আমরা সমাবর্তনে যুগ দিতে ফারি না না না...(ইকো হবে)


এছাড়াও শুনা যায়, আমাদের সমাবর্তনে দেয়া হবে না কোন ক্যাপ। না থাকবে কোন টিক্লি। তাইলে এত্তুডি টাকা ক্যান নিলি। দরকার পড়লে আরো এক দুইশো টাকা নিয়া আমাগো একটা কালা ক্যাপ (সোনালী টিক্লিওয়ালা) দেয়ার জন্য স্টিয়ারীং কমিটিকে বনবন কৈরা স্টীয়ারিং ঘুরানোর জন্য আহবান জানাইতেছি।


আমাদের ন্যায্য দাবি না মাইনা নিলে, এই প্রহসনের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করমু ...



আমার হ্যাট গেল কৈ...হৈ হৈ রৈ রৈ--- সমাবর্তন নিয়া টালবাহানা- মানি না- মানবো না দালাল ভিসির টুপিতে আগুন জ্বালো একসাথে



বন্ধুগন, আগামী ৩ তারিখ ভিসি অফিস ঘেরাও ও মেইন গেলে তালা দেয়া হবে। কোন ক্লাস হবে না। দেখা হবে বুয়েট ময়দানে।



আতেল সমীপেঃ ইহা একটি ফান পোস্ট।

বুয়েটের অনেক আতেল এইসব নাও বুঝতে পারে, কারন পলাশীর চোথায় এইসব লেখা থাকে না :
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29318537 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29318537 2011-02-01 20:24:31
টুট টূট 2010
তবে টুইটারকে বড় আবিস্কার ভাবার মূল কারন, টুইটার না, টুইটারের মানুষ গুলান। পুলাপাঙ্গুলান খুবি পাগলা কিসিমের। ২/৪ দিন কিছু টূট না করলেই এরা সমানে টূটুট গালি দেয়া শুরু করে। এদের টানেই (ঝাড়িতেই) কিছু টূট করা হোইছে গেল বছর। আজকের নোটটা তার সংকলন মাত্রঃ

২জুনঃ ক;ফেইসবুক আমারে কৈছে পাজামা(privacy settings) ঠিক কর্তে...আমি কৈছি "পারলে টান দিয়া দেখ!"
খঃ Another newspaper ban in Bangladesh! Youtube, facebook, daily newspaper...whatnext? blog-sites?

১৬ জুনঃ ওরে ভিসি তুই কোন দল/ চল গিয়া দেখি ফুটবল #ওয়ার্ল্ডকাপ

১৯ জুনঃ তুমার ভালোবাসা রাইখো ফ্রিজে, ঘৃনাগুলান ওভেনে/ গভীর রাইতে ফিরমু আমি, তুমার প্রেমের গহীনে।

৩ জুলাইঃ Maradona Starts match preparation by scolding referees..damn smart. #worldcup will lose remaining 50% attractions without him. Love u man!

৮ জুলাইঃ ATNবাংলা যদি মূসা ইব্রাহীমরে স্পন্সর কর্ত তাইলে পেপারে খবর আসত "বাংলাদেশী তরূনের 'ইভা'রেস্ট জয়"! How many mountains must a man climb down, before you call him a Musa Ibrahim!#Bangladesh#Prothomalo

খিদা লাগছে...হনারেবল হাইকোর্ট...আমারে কিছু মামলা দেন...খাই।

২৬ আগস্টঃ সংবিধানটা পেন্সিল দিয়া লেখা উচিত ছিল...তাইলে বারে বারে কাটাকুটি করা লাগতো না...স্যাপ দিয়া ডৈলা লৈলেই হৈত।

দেশের সেমি নির্র্বোধ তরুণ সম্প্রদায় নিয়া আমি খুবই হতাশ #YabaGeneration


২৭ আগস্টঃকাজী নজরুল বাইচা থাকলে টুইট কইরা ভাসায়া ফেলতেন..কারণ উনারতো কাগজ কলম কিনার পয়সা থাকত না, মোবাইলে টুইট করতেন খালি<img src=" style="border:0;" />

১ সেপ্টেম্বরঃ দেশে নুতন গাড়ি কিনা আর নুতন বিয়া করা একই...দুইটাই রিকন্ডিশন্দ #লিটনেরফ্লাট_জেনারেশন

৩ সেপ্টেম্বরঃ Greatest Science Fiction Writer of this Godless Universe #Stephen Hawking

গরিব হওয়ার অনেক জ্বালা- জসিম #GoriberPrem

৪ সেপ্টেম্বরঃ রাজীব তুই একটা ছোটলোক-অপূর্ব #অপূর্ব তুই একটা বেইমান -রাজীব #প্রভা ভিডিওটা চাইরা ভালা করলা না -রাজীব #MathaNosToMaaN

৮ সেপ্টেম্বরঃ বাসার সামনের মাঠে খেইলা অর্র্জেন্তিনা যে ফাল দিছে, তাতে তাগো একটা ওয়ার্র্ল্ড কাপ না দিলেই না ....#শ্রমের_মর্যাদা

১০ সেপ্টেম্ম্বরঃ #Obama said "Quran burning is destructive",Indeed! bcz its the nature of burning!

১৫ সেপ্টেম্ম্বরঃঢাকাবাসীর এখন খাটের তলায় ঘুমানো উচিত।#Earthquake #Again&Again

১৬সেপ্টেম্ম্বরঃদুপুরের ঘুম ঠেকানো যায় না, আর রাতের বেলায় সে আসে না ...ঘুম: তুই বড় লস্কর

২৪ সেপ্টেম্বরঃ How many chat box must a man open, before u call him bachelor? #JatiBIYApagla

২৯ সেপ্টেম্বরঃপাবনার ডিসি, এসপি, ওসিকে দৃষ্টান্ত মূলক শান্স্তি দেয়া হোক...কত্ত বড় সাহস ছাত্রলীগের হাতে মাইর খায়া আবার কান্নাকাটি করে

১৪ অক্টবরঃ শ্যাকিব তুমি এগিয়ে চলো, আমরা আছি টিভির সামনে

২০ অক্টবরঃ -বদি, তোমার কি ভয় কর্তেছে? # ছি ছিঃ আমার ভয় কর্বে ক্যান বাকের ভাই?

৮ নভেম্বরঃ আগে মেম্বার চেয়ারম্যানের ভাস্তারা রেইপ করত, এখন ইভ টিজিং করে #DigitalPREM

ট্রানজিট নিয়া বিএনপির ধর্ফরানি দেইখা গন্ডারের কাতুকুতির গল্পটা ইয়াদ আসল #JatirGhumVangse

১৪ নভেম্বরঃ দেশের রাজনীতিতে মাথায় সক্রিয় মগজযুক্ত প্রাণীর বড় অভাব

১৪ নভেম্বরঃ গরু আগামীকালের হরতালের আওতামুক্ত থাকবে, কারণ বিএনপি একটি গরুবান্ধব রাজনৈতিক দল

১৫ নভেম্বরঃ Iawami-Service Public Relations Directorate (ISPR)

১৭ নভেম্বরঃPrince William has given his fiancee Kate Middleton his late mother Diana's sapphire and diamond engagement ring #rajaBadsharPREM

১৯ নভেম্বরঃ#DontAskDontTell that u r a gay. Just do the job in #USArmy.Kill some innocent bloody civilian in #Afghanistan #Iraq #Pakistan.#Senate

১৭ ডিসেম্বরঃদুনিয়ার সকল পোস্ট গ্রাজুয়েটের একমাত্র কমন বিনোদন...সুপারভাইজারকে গালি দেয়া #bangal

২২ ডিসেম্বরঃ WikiLeaks cables: US pushed for reopening of Bangladesh coal mine http://t.co/KTdPb26 via @guardian

এছাড়া অনেক মজার মজার টুট পেইছি। ফেইসবুকবাসিদের জন্য কিছু শেয়ার করতেছি।

by palashmustafiz: "জাতীয় পার্টি দেশে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে": এরশাদ..http://bit.ly/d5UKWq .Hit me in my ass so i can stop laughing.
by NaomiAKlein Rape is being used in the #Assange prosecution in the same way that women's freedom was used to invade Afghanistan. Wake up! #wikilieaks

by sifat2188 porikkhar khatay 140 character er besi lekte issa kore na :s #twitter #fb]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29308508 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29308508 2011-01-16 14:59:25
বাঙ্গালের দোষ, তার পাসপোর্ট রাস্তায় হরতালের চেয়ে হরতাল বিরোধী প্রচারনাই বেশি...বাসের গায়ে পোস্টার...ব্যানার...সব হরতালবিরোধী ...শুধু পত্রিকায় হরতালের ডাক পাওয়া যায়... বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেন ক্রিয়ার চেয়ে প্রতিক্রিয়ায় বেশি ...বাড়ি গেল একজনের...গাড়ি পুড়ল কত জনের ....কারণ হরতাল পালন করাটা সহজ ...একটা প্রেসব্রিফিং দিলেই হলো...কিন্তু হরতাল ঠেকানটা কঠিন...যেটার চেষ্টা সরকারী দল প্রতিবার করে...কিন্তু হিতে বিপরীত হয়...

মজা পেলাম..বনানী মোড়ের দুইটা জিনিস দেখে...একটা হলো ঘড়ি বিক্রেতা...ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ি বেচতেছে...বালতির পানিতে ঘড়িগুলো চুবিয়ে রাখা ...সত্যি ওয়াটার প্রেফ...তার চাক্ষুস প্রমান...
আরেকটা মজার জিনিস হলো ...সম্মিলিত ইসলামিক জোটের পোস্টার...সেখানে হেডিং দেয়া "দেশবাসী সাবধান , খালেদা জিয়া মদ খান"...সাথে একটা ছবি... সাদা কালো ...খালেদাজিয়ার হাতে কাচের পাত্র..তাতে কালো পানি..পাশের চেয়ারে একজন পুরুষ ...সুট কোট পড়া... উনার হাত চিয়ার্র্স করার ভঙ্গিমায় তোলা...খুবই আনাড়ি ফটোশপের কাজ ..লোকজন ভীড় করে দেখছে..

মদ খাওয়া কাজটা মোটেও মারাত্মক মাত্রার খারাপ না...কারণ যে মদ খায়...সে নিজের পয়সায় খায় ..বরং এরচেয়ে হরতাল অনেক বড় মাত্রার অপরাধ...কারণ সে দেশের ক্ষতি করে ...কিন্তু ভদ্রসমাজে "আমি মদ খাই".. বললে ছি: ছি: রব উঠলেও...আমি হরতালে ভাংচুর করি বললে...কেউ নাক সিটকায় না

-----------------------------------------------------------------------------
২. পরদিন ২৭ নভেম্বরে আমার ফ্লাইট ছিল...রাত ১১:৩০এ যখন LCCT Airport, Kuala Lumpur এ নামলাম, তখন কানে ভনভন...খিদাও পাইছে বেশ...
এই এয়ারপোর্টটা আমার চেনা..অনেকবার এসেছি...তাড়াতাড়ি চলে আসলাম ইমিগ্রেশনের কাউন্টারে ...কিন্তু বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের আলাদা লাইন করতে বলা হলো...
মাথায় চুল ছোটো করে ছাটা একজন অফিসার এসে বাংলায় জিজ্ঞাসা করলো "বাংলা?...সিনি সিনি(মালে ভাষা ) ...এদিকে এদিকে "
ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে দুরে দার করানো হলো ৩০-৩৫জোন বাংলাদেশীকে ...যারা ফ্যামিলি নিয়ে এসেছেন.. তাদের যেতে দেয়া হলো ...বাঙালি মহিলাদেরকেও সোজা ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হলো ...সাদা কামরার একটা মেয়ে এসে কিছুক্ষণ আমাদের লাইনের আসে পাশে বিভ্রান্ত হয়ে ঘোরল..সেও ঠিক বুঝতে পারছে না...এদিকে এই আলাদা লাইনের কারণ কি ..একজন মহিলা অফিসার ব্যস্ত হয়ে মেয়েটাকে বুঝিয়ে দিল...তার স্থান এখানে না...এটা বাংলাদেশীদের স্পেশাল লাইন
আমি এগিয়ে গিয়ে পরিচয় দেই না ..."আমি একজন ছাত্র...ওয়ার্রকার না"...কারণ ওরাতো পরিচয় জানতে চায় নি ...তাদের একটাই বিভাজন "বাংলা?"
আমাদের সবুজ পাস্পর্র্ট দেখেও ওরা নিশ্চিত হয় না ...কারণ পাসপোর্ট বানানোর হাজার কৌসল আমরা অনেক আগেই দেখিয়েছি ...হাজারখানেক অবৈধ শ্রমিক এখনো মালেশিয়ার রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়...পুলিশ দেখলে ঘুষ দেয়...রাতের বেলা বাজার করে ...কবে একটা চাকরি পাবে - বৈধ ওয়ার্র্ক পারমিট পাবে সেই আশায় ...

চাপ দাড়িওয়ালা একজন বাংলাদেশী যুবক এগিয়ে গিয়ে অফিসারের কাছে জানায় তার পরিচয়...তার উচ্চারণে ব্রিটিশ ঝাজ ...পেছন থেকে কে যেন বলে "লাভ নাই মামা ...হালারা ইংরাজি বুঝে না"

কিছুক্ষণ পরে সেও অপ্রস্তুত হয়ে লাইনের পিছনে দাড়ায় ...কয়েকজন লাইনে সামনে যাবার জন্য ফাক ফোকর খোজে ...আমি দাড়িয়ে থাকি ..পিঠের ৭কেজি বোঝাটা নামিয়ে রাখি ..২০-২৫ মিনিট পরে...৪/৫ জন মালেশিয়ান অফিসার(২ জন মহিলা )...আমাদের লাইন ধরে হটিয়ে নিয়ে যায়...দূরে একটা করিডরে...চিপা...করিডরে ঘন হয়ে দাড়ায় সবাই...সবাই কম বেশি বিরক্ত ...আমিও ..

আমি এইজন্য বিরক্ত না...যে আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র, বাংলাদেশে অন্যতম সেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছাত্র ...আমাকে এভাবে অবৈধ শ্রমিকদের মত সন্দেহ করার জন্য আমি বিরক্ত না ...কারণ ওই শ্রমিকরা আমার গ্রামের মত একটা গ্রাম থেকেই এসেছে ...

আমি বিরক্ত হই...যখন ওরা অশুদ্ধ বাংলায় বলে "পাস্পর্র্ট দাও"...একটা কাগজের কার্টুনে সবাইকে পাস্পর্র্ট রাখার ইঙ্গিত করে
আমি এগিয়ে গিয়ে বলি "ইংলিশ প্লিজ"...এবারে খাটি মালে ভাষায় উত্তর আসে "পাস্পর্র্ট সিনি"...হাত বাড়িয়ে কার্র্তুনটা সামনে ধরে ...টিকিট বোর্ডিং পাস সহ বাক্সে ফেলে দেই...
গাট্টাগোত্তা অফিসার আবার মালে ভাষায় জানায় "পাস্পর্র্ট সাহাজা"...(সাহাজা মানে অনলি)..আমি ভ্রু কুচকে না বুঝার ভান করে বলি "হোয়াট?"
আমার বোর্ডিং পাস আর টিকিট বাক্স থেকে তুলে বাড়িয়ে দেয়.... খুবই বিরক্তভাবে

সবার পাসপোর্ট জমা হবার পর...ছোটো করিডরে সবাইকে লাইনে দাড় করে...আবার লাইনে সামনে যাবার একটা হালকা হুরাহুরি ...মহিলা অফিসাররা মাঝরাতের এই নাটকে বেশ মজা পায় ...তারা হাসা হাসি করে
গাট্টা গোত্তা অফিসার এবার হুকুম করে "বসো বসো (বাংলায়...যেন বাঙালিরা এটুকু ইংরেজিও জানে না ..তাই বাংলা শিখেই এরা এসেছে তারা)"...দুই হাত নেড়ে বুঝলো মাটিতে বসতে হবে
লোকজনের মধ্যে চাপা গুঞ্জন ...ও চরম বিরক্তি ...কে জানি বাংলায় "হালার পুত " টাইপ একটা গালি দিল..আমার কানের ভনভন আওয়াজটা মনে হয় আরো বেড়ে গিয়েছিল...পরিস্কার শুনতে পাই নাই ...অনিচ্ছা স্বত্তেও একে একে সবাই বসলো ...মাটিতে ...আমিও
কম বয়সী মহিলা অফিসাররা ...একে অপরের গাটিপে হাসে ...যেন নাটকের এই অংশে তাদের বড্ড মজা

এরপরে একে একে দেকে পাস্পর্র্ট পরীক্ষা করে প্রায় সবাইকেই ছেড়ে দিল ...সোজা ইমিগ্রেশন কাউন্টারে ...গিয়ে আবার চেকিং

এইরকম ছোটো খাটো (!) বঞ্চনা প্রবাসে মেনে নেয়ায় যেতে পারে ...কারণ এটা ওদের দেশ ...নিজের দেশে নিরাপত্তার খাতিরে ওরা যেকোনো পদক্ষেপ নিতেই পারে
আর আমরা বাংলাদেশী ...আমাদের নিজেদের কোনো মান ইজ্জ্বত নাই ..নেংটি খুলে যাক তবু ..নেত্রীর মান ইজ্জ্বতে আঘাত আসলে আমরাদের লড়াইয়ে নামতে হবে ....নিজেদের ধংস করার নেশায় পাইছে আমাদের ... শরম কিসের? আমরাত নিজের দেশটাকে অতল কোন বালতিতে চুবিয়ে রাখছি...প্রমান করেছি আমরা শরম-লজ্জাপ্রুফ...

লেখাটি ব্লগস্পটে প্রকাশিত :২৮ নভেম্বর, ২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29280355 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29280355 2010-11-29 22:21:07
রাষ্ট্রযন্ত্রের স্ক্রু ঢিলা জ্বী, এক সময় এই আইএসপিআর এর খবর রেগুলার টিভিতে দেখছেন. পিলখানার ঘটনায়. আইএসপিআর বিডিয়ারের ঘটনাতেও পাক্কা তিন দিন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে ...সুতরাং এই সরকারের আমলে তাদের হাচা কথা বলার রেইট প্রায় শুন্যের কাছাকাছি.

বাসা খালি কইরা তারা বলল ..."বাসাটি এখন পুলিশের হেফাজতে আছে"...ক্যান বাবা? ক্যান্তন্মেন্তের ভিতরের বাসা পুলিশ হেফাজত করব ক্যান ? আবার কিছুক্ষণ পরে...জানা গেল..বাসার ভিতরে সাদা পোশাকে সামরিক বাহিনীর লোকজনই পাহারা দিতেছে.. ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বাড়ির নিয়ন্ত্রণে আছে... এই কথাডা কইতে এত শরমের কি আছে?

এরপরে আসলো খালেদা জিয়া কান্না ভরা প্রেস কনফারেন্স. পাবলিকের মনে প্রশ্ন: এইটা কি আসল কান্না?
বাংলাদেশের এমন কোনো মেয়ে নাই ...যে একটা বাড়ি(ঢাকা শহরের সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গায়) হারানো সহজে মাইনা নিতে পারবে...তার যতগুলান বাড়িই থাক ...সুতরাং খালেদা জিয়া হঠাত উদার হইয়া সুরসুর করে বাড়ি ছাইড়া দিবে ...তারে নিয়া আমি এইরকম উচ্চাশা করি না ..আফটার অল আমি নিজের দেশের মা-বোনদের অন্তত চিনি ...৩৮ বছরের ব্যবহৃত বাড়ি ফেলায়া আইসা কানবো না এইরম বাংলাদেশী মাইয়া আমি কল্পনাও করতে পারি না

গতকাল যে নাটক ক্যান্টনমেন্ট মঞ্চায়িত হৈছিল, তা ছিল পুরাপুরি সামরিক বাহিনীর "রাজনীতি মুক্ত" থাকার প্রয়াসের সফল প্রতিফলন...সে জন্য আইএসপিআর মিথ্যা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে...আর তাদের দোসর "ব্যাপকমাত্রায় স্বাধীনতা ভোগকারী" পত্রপত্রিকা তা ফলাও করে প্রচার করে...তারা তিনটা বেসামরিক ট্রাক সাজায় রাখছিল বাড়ির সামনে...এটাও নাটকের একটা অংশ...আমি খুব খুশি হইতাম ...যদি বাংলা ভাই ধরার মত ...টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট করত... কিন্তু আফসোস ...আজ ক্যান্টনমেন্টের কোনো টিভি ক্যামেরাও যেতে দেয়নি সেনাবাহিনীর কড়া সামরিক প্রহরা... কারণ ওনাদের ভয়... এই ব্যাপক গণতান্ত্রিক সরকারের পোশাকের আড়ালে যদি সামরিক উর্দিটা ধরা পরে যায় আম জনতার চোখে

আমার আফসোস বেশিক্ষণ করা লাগে নাই, উচ্ছেদের ২৪ ঘণ্টা পর আইএসপিআরের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নেয়া হয় সে বাড়িতে। দরজায় শাবলের চিন্হ রং-পট্টি মাইরাও মুছা যায় নাই... তবে সবচেয়ে বড় রগড় দিছেন তারা বিটিভির রাতের সংবাদে "খালেদার বাসা থেকে পর্ন ম্যাগাজিন পাওয়া গেছে তা দেখাইল ".আইএসপিআর চরম খেলা দেখাইছে..জাতি ব্যাপক বিনোদিত .মহিলার বেডরুমে ক্যান মেয়েদের পর্ণ ফটু পাওয়া যাবে? উনারতো ছেলেদের ফডুওয়ালা ছবি সংগ্রহে রাখা উচিত ছিল ...সেনাবাহিনীর কাচা কাজে জাতি অত্যন্ত হতাশ

আমি এইটাও মাইনা নিতে পারি...ঐসব পাইতেই পারে ..সেনাবাহিনিত অনেক কিছুই পাইছিল "আধা সামরিক কাম তত্বাবধায়ক সরকার আমলে... ভিআইপিদের বাড়ির বাথরুমে বিদেশী শাড়ি, মদ, অস্ত্র ...তেনারা এইসব পাইতেই পারেন...অভ্যাস যায় নাই... সবকিছুর পরেও এইটা ছিল একটা বাসা ...মসজিদতো না? এইটা বিটিভিতে সারা দেশের ছোট-বড় সবার সামনে প্রচার করার মত মানসিকতা সরকারী দল ক্যান দেখাইল? ধরা যাক, উনার বাসায় দুইটা কনডম পাওয়া গেল...এখন কি সেইটা বিটিভির ক্যামেরার সামনে নাইরা চাইরা দেখানো উচিত?
এখন আসা যাক এই ঘটনার সুদুর প্রসারী খতরনাক প্রতিক্রিয়ায়

১. আজকে যেই আইএসপিআর সরকারের কথায় মিছা কথা কৈতেছে ...বিটিভির সাথে তাদের পার্র্থক্য় কি থাকলো?......এইখান থিকা তার রাজনৈতিক অভিযাত্রা শুরু হৈল...কালকে যেই গদিতে বসবে...সেই আইএসপিআর এর মাইক ভাড়া করবে প্রচার প্রপাগান্ডার কাজে ... জনগনের চক্ষেও তার রং ৫ বছর পর পর পাল্টাবে...সেনাবাহিনীর ভিতরেও এর প্রভাব ব্যাপক ক্রমিক পালাবদল তৈয়ার করবে. পিলখানা-রূপগঞ্জের পরে, খালেদার উচ্ছেদ অভিযান সেনাবাহিনীকে আবারো কলঙ্কিত করলো

২. খালেদার সাথে সাথে তার পোলা দুইটাও নিশ্চিত কানতেছে আজকে ...যেকোনো সন্তান তার মায়ের অপমানের প্রতিশোধ নিবেই...যদি তার সেই ক্ষমতা থাকে ..তা সে যত বড় কুসন্তানি হোক .আজ হোক কাল হোক...এরা ক্ষমতায় আসবেই ..এবং এই অপমানের প্রতিশোধ নিবে (এদের নিয়েও আমার কোনো উচ্চাশা নাই ...এরা জিয়ার পুত্র হইতে পারে...কিন্তু জিয়া না)..এই প্রতিশোধের ভাষা গ্রেনেড কিংবা বন্দুকের গুলিও হইতে পারে ..ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটা বুলডোজার দিয়া গুরায়াও দিতে পারে ...২ বছরের সেনাশাসনের পরে এখন সবাই বুইঝা গেছে ক্যামনে আদালত চালাইতে হয়, আইএসপিআররের মাইক ভাড়া করতে হয়, পত্রিকাওয়ালাদের খামোশ রাখতে হয় (দেশে বিরোধীদলের পত্রিকা, টিভি ওয়েব্সিত সহ প্রায় হাফডজন প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে নানা উছিলায়...শুরুটা একুশে টিভি থিকা) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসাটা জন্ম লগ্ন থিকা বাংলাদেশের রাজনীতির একটা স্বাক্ষী ...এই বাসাটারে এইভাবে হুমকির মুখে ফেলাটা ভালো হয় নাই...সেই সাথে ক্যান্টনমেন্টের বাসাটাও একটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে..৭ই নভেম্বরে এই বাসা থেকেই মুক্তি হন ... সেনাপ্রধান হওয়ার পরও এ বাড়িতেই ছিলেন জিয়াউর রহমান। এ বাড়িটি ছেড়ে সেনাপ্রধানের জন্য নির্ধারিত বাড়িতে যান নাই।৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে একাধিকবার এই বাড়িতে গৃহবন্দী ছিলেন খালেদা জিয়া.....উচ্ছেদ করছে ভালো কথা...কিন্তু বাসাতারে সংরক্ষণ করা জিতে পারত...এইখানেই ক্যান পুনর্বাসন করতে হবে...সেনাবাহিনীর কি জাগার অভাব?

৩. দেশের সহিংস রাজনীতির আগুনে আরেকটু ঘি দেয়া হইলো...জার ফলাফল ঈদের আগে আজকে একটা হরতাল পাইল দেশবাসী...সামনে আরো পাবে অথচ দুইটা দলের মূল সুরে কোনো পার্র্থক্ক নাই ..উদ্দেশ এক ...গন্তব্য এক ...গদি...জনগণ তাদের সেইটা বাই টার্নস দিতেছে...তারপরেও ক্যান এত দাঙ্গা ফ্যাসাদ ...এরা কি একটু শান্তিতে থাকতে দিবনা?

৪. শেখ হাসিনাকে গণভবন আর খালেদা জিয়াকে তার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি চিরস্থায়ী ভাবে দিয়ে না দিলে এই দেশে আর শান্তি আসবে না...দেশের শান্তি এই দুইটা বাড়ির সাথে জড়িত ...আমরা কি পারি না ..তাদের বাড়ি দুইটা দিয়া দিতে? বাপ, তোরা বাড়ি দুইটা নে, আর আমাগো একটু শান্তিতে থাকবার দে...কারেন্ট নাই, গ্যাস নাই, রাস্তায় জ্যাম, জীবনের নিশ্চয়তা নাই ...এলা একটু ক্ষান্ত দে!

৫. কিন্তু না, চলছে চলবে


লেখাটি গতকাল ব্লগস্পটে প্রকাশিত: বানান ভুলের জন্য আন্তরিক ভাবে ক্ষমাপ্রার্র্থী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29272897 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29272897 2010-11-15 23:12:14
সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা
The Wall Street Journal এ একটা আর্টিকেল ছাপছে আগস্টের ৩০ তারিখে "Bangladesh's Secular Revolution "হেডিঙ্গের নিচে ছুট্ট কৈরা লেখা Women are powering the country's rejection of radical Islam, but more must be done. বুঝা যায়, লেখক বিশেষ কামেল লোক। আমাদের কি করা উচিত আর কি করা উচিত না তা তিনি বৈলা দিছেন "more must be done" হুহু।লেখক আনিস আহমেদ University of Liberal Arts Bangladesh Foundation এর ভাইস প্রসিডেন্ট।
যেকোন বাংলাদেশি পাঠক পয়লা প্যারাগ্রাফেই হেচকি খাইবো।

"... Bangladesh seems an unlikely place for a secular revolution. It is a dry country with no bars, casinos or horse races. ...And secular principles are far from being consistently upheld: Madrassas receive state funding, while citizens are often hounded for perceived slights to Islam"

এর মানে দাড়াইল "সেক্যুলার রাষ্ট্র" হৈতে গেলে আমাদের "ড্রাই" কান্ট্রিটারে ভিজাইতে হবে...বার, ক্যাসিনোতে নাচাপিচা করতে হবে আর ঘোড়া দাবড়াইতে হবে... জুয়া খেলতে হবে। আর মাদ্রাসার মত ফালতু জাগায় টাকা পৈসা না দিয়া মদ- জুয়াতে ইনভেস্ট করা লাগপে। লেখকের সেক্যুলার রাষ্ট্রের নব্য মডেল্টার দিকে আমি তাকায়া থাকি...অনেকক্ষন।
ব্যান
লেখক আরো বলছে, আমাদের সেক্যুলার সরকার ক্ষমতাগ্রহনের পরেই হাওয়া পাল্টায়া দিয়া এই সেক্যুলার বিল্পব শুরু করছে। এবং এই শুরুটা হোইছে, হাইকোর্টের মওদুদী বই ব্যান করার মাধ্যমে। একটা ধর্মীয় বই ব্যান কোইরা আমরা ক্যাম্নে ধর্ম নিরপেক্ষ হৈলাম, তা আমার মাথায় আসে না। হুমায়ন আজাদ স্যারের বই হোক বা মওদুদী বই হোক...আমি ব্যানের বিপক্ষে। এই ব্যান করার কালচারটা বাড়তেই আছে। আমাদের নব্য সেক্যুলার সরকার এরি মইদ্দে ফেইসবুক, ইউটিউব, ইস্পিন, আর কয়েক হালি টিভি চ্যানেল, পত্রিকা ব্যান কর্ছে। এমনকি অনলাইনে লেখালেখির প্লাটফরমগুলাও তাগো পছন্দ না। মঙ্গলধ্বনি নামের একটি অনলাইন মিডিয়া যেখানে প্রাণ-প্রকৃতি-প্রতিবেশের পক্ষে লেখালেখি থাক্তো,সেইটাও ব্যান খাইছে সম্প্রতি। কারন ফুলবাড়ি কয়লাখনি নিয়ে লেখা তারা বরদাস্ত করে না, সিরাজ সিকদারের রক্তের দাগের সাথে সাথে তারে নিয়া লেখালেখিও তারা মুইছা দিতে চায়। আর ২৫মার্চ শেখ মুজিবের ভুমিকা নিয়া কোন আলোচনা (যেখানে তারে পর্যাপ্ত তেল দেয়া হয় না)তারা টলারেইট করে না। আমি যা শুনতে চাই, তুমি তা বলো নাই, তাই তুমারে আমার ভালো লাগে না...ব্যান খাও!

পরের অংশে লেখক আনিস খান বাংলাদেশের এই "সেক্যুলার বিপ্লবের" মূল কারন অনুসন্ধান করছেন। উনার মতে নারী ক্ষমতায়নই মূল কারন।আর যুদ্ধাপরাধী থুক্কু মানবতাবিরোধীদের বিচারের মাধ্যমেও নাকি সেক্যুলারিস্ট বাংলা সমাজের গোড়া পোক্ত হৈতে যাইতেছে। পাঠকের উপ্রেই লেখকের দাবির সত্যতা খুজার ভার দিলাম।


সবচেয়ে বিরক্তিকর হৈল, ফরেন কমুনিটির আশির্বাদ কামনায় লেখকের উদাত্ত আহবান ।

The foreign community could reinforce these positive trends by supporting the war crimes tribunal. Important in its own right, the success of the trials is crucial to the secularization process as well. Trade and development partners also need to review their economic policies. The United States, for example, could reduce its punitive tariffs on Bangladeshi garments, providing an immediate boost to the economy.

যুদ্ধাপরাধী বিচার আর শুল্কমুক্ত সুবিধার সাথে সেক্যুলারিজমের কি কি যোগসূত্র আছে তা এই নাদানের মাথায় আসে না।
এই ধরনের লেখাকে হঠাত কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবা ঠিক হবে না। ইলেকশনের ঠিক আগে আমাদের সজীব ওয়াজেদ জয় লিখছিলেন Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh
Harvard International Review তে।প্রকাশিতঃ , ১৯ নভেম্বর ২০০৮। ইলেকশনের আগেই তিনি কিছু দিক নির্দেশনা দিছিলেন ক্যাম্নে সেক্যুলার বাংলাদেশ গড়া যায়। সঙ্গে ছিলেন আমেরিকান কোঅথার Carl Ciovacco। তারা লেখছেন-

“Can the Awami League stop the growing tide of Islamism in a country that has seen the sale of burkas rise nearly 500 percent in the last five years?"

৫০০% এর হিসাবটা জানা যায় নাই...এই সার্ভেটা কে করলো তাও জানা যায় নাই।তবে বোরখার দিয়া যে জঙ্গিবাদের চর্চা হয় সেইরম একটা ধারনা এখন সারা দুইন্নাতে এখন পোক্ত হইছে । ফ্রান্সে বোরখা নিষিদ্ধ হোইছে। ফরাসী আইনমন্ত্রী মিশেল মাখি এরপরে বলছেন , "গণতন্ত্র ও ফরাসি মূল্যবোধের জয় হয়েছে। বোরকা নারীর বিচ্ছিন্নতার চিহ্ন অতএব তাদের মুক্ত করতে হবে"। বাহ। সামান্য একটা পোষাক নিষিদ্ধের মাধ্যমে বিখ্যাত ফরাসী জাতির গনতন্ত্রের ভিত মজবুত হৈল। সাধু সাধু। বাংলাদেশেও এই কিসিমের একটা হাইকোর্ট আদেশ দেখলাম। তবে এখনও সেইটা স্কুল-কলেজের উপ্রে আছে, কুন্দিন এই সেক্যুলার বিপ্লবের সামিয়ানা স্কুল-কলেজ ছাড়ায়া সারাদেশ ঢাইকা দিয়া আমাদের নড়বড়ে গনতন্ত্রের ভীত শক্ত কোইরা দেয়- সেই অপেক্ষায় আছি।

পাঠক খেয়াল কৈরা থাকবে, হার্ভাড ইন্টারন্যাশ্নাল রিভিউ আর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দুইটাই আমেরিকার মেইনস্ট্রিম পাব্লিশার। টোটকা ফোটকা না। লেখকদের প্রফাইলো যথেষ্ট ভারি। তাদের লেখাগুলা গুরুত্বের দাবিদার । তবে সেক্যুলার রাষ্ট্রের স্বপ্নে বিভোর লেখকরা যাদের সাহায্যপুষ্ট, তাদের দিকে নজর দেই। তারা কেমন সেক্যুলার, সেইটা দেখি।
১। গ্রাউন্ড জিরো মসজিদ: আমি এইটারে আমেরিকার বাবরি মসজিদ বলি। একটা মুস্লিম কমিনিটি সেন্টার নির্মানের কাহিনি নিয়া সারা আমেরিকায় হাউকাউ। বুঝতে হবে খুবি সেক্যুলার দেশ। নাম শুইনা মনে হইতে পারে এই মসজিদটা নাইন ইলিভেনের টুইন টাওয়ার হামলার পড়ে টাওয়ার দুইটার পাদদেশে বানানো একটা মসজিদ। কিন্তু না ...এইটা মোটেও গ্র্যান্ড জিরোতে না , আসে পাশেও না, ঝারা ২ ব্লক দুরে যেখান থেকে গ্রাউন্ড জিরো দেখাও যায় না ....তার চেয়েও বড় কথা এইটা কোনো মসজিদ না ...এইটা একটা ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টার যেখানে ফুড কোর্ট, বাস্কেটবল কোর্ট থাকবে। সাথে নামাজের জন্য ২টা ফ্লোর।প্রতিবাদী আমেরিকার মূল কথা- ইসলাম একটি ঘৃণিত ধর্ম। ক্রিশ্চিয়ানিটি নিশ্চিহ্ন করতে মুসলমানরা উঠে পড়ে লেগেছে। আমেরিকার গ্রামাঞ্চলে ২০ টি গোপন জিহাদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প রয়েছে। ভবিষ্যতে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর জন্য সেগুলো এখনো সন্ত্রাসী তৈরি করছে। মুসলমানরা তাদের সন্তানদের হত্যা করছে।পাঠককে নিচের ভিডিওটা দেখার অনুরোধ রাখতেছি

২। বার্ন কোরআনঃ "We believe that Islam is of the devil, that it's causing billions of people to go to hell, it is a deceptive religion, it is a violent religion and that is proven many, many times," Pastor Terry Jones, CNN. আমেরিকান এই ভদ্রলোক "Islam is of the Devil" নামের একটা জ্ঞানগর্ভ পুস্তকও লিখেছেন।
৩। বারাক ওবামাঃ এইলোক্টা হৈল আরেক ধর্মনিরপেক্ষতার পরাকাষ্ঠা। কাজে কর্মে আগেরটার (বুশ) মতই কিন্তু তিনি আবার হাদিস-কুরআন কিছু মুখস্ত করসেন ।এই হোইছে প্রব্লেম। এখন সেক্যুলার আমেরিকারে ঠান্ডা করতে হোয়াইট হাউস থিকা বিবৃতি দিতে হয় "আমাদের প্রেসিডেন্ট নিয়মিত চার্চে যান, তিনি নামাজ পড়েন না। আতংকিত হবার কিছুই নাই"।
আমাদের দেশের মন্ত্রিসভায় এত গুলান হিন্দুমন্ত্রি...আমাগোতো এত পেরেশানি লাগে না। হিন্দু এম্পিরে ভোট দিতেও আমাগো হাত পা এতো কাপে না। এরপরেও শুনতে হৈব, "আমাদের আরো সেক্যুলার হোইতে হৈব"।কি আজিব!

এদিকে আমাদের জাগ্রত বিবেক প্রথম আলোও ফিল্ডে নামছে...৫ সেপ্টম্বরের খবর আদমশুমারির তথ্য মতে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ
লেখাটায় নানা দিকে ধানাই পানাই কৈরা...বার বার বলা হোইছে সামাজিক বৈষম্য, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সম্পদ ধ্বংস, দৈহিক নির্যাতন,ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা, ধর্ষণ ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণহানি, ভূমি গ্রাস এবং ২০০১ সালে নির্বাচনের পরে সংখ্যালঘুদের উপ্রে নির্যাতন---এই হ্রাসের কারন।

প্রতি ইলেকশনের পরেই মাইরপিট হয়...এইটা দাড়ায়া গেছে বাংলাদেশের কালচার (দূঃক্ষজনক হৈলেও এইটাই সত্য)। এখন বিএনপি- আওয়ামী লীগ মাইরপিটে যদি আওয়ামীলীগের মোট ১০০জন হতাহত হয় ...তার মদ্দে যদি ২০জন হিন্দু-আওয়ামী সাপোর্টার হয়...সেইটারে কি সংখ্যালঘুদের উপ্রে নির্যাতন নাকি রাজনৈতিক বিরোধ বলবো? কিন্তু যেই ৮০ জন মুস্লমান হিট খাইলো...তাদের জন্য এইটারে "সংখ্যাগুরুদের উপ্রে নির্যাতন" বলা যাবে না। কারন তাইলেতো আমাদের সেক্যুলার হওনের বিল্পব মাঠে মারা যাইব।

ধর্মীয় ব্যখ্যা শুধরাইতে চাইয়া মামলা-মোকদ্দমাও হইতেছে বাংলাদেশের ...যে মামলা করসে তার মতলব কি সুষ্ঠু ব্যাখ্যা খোজা ছিল নাকি একটা ধর্র্মীয় দাঙ্গা-ফ্যাসাদ লাগানো ছিল? দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের মত কুরবানির ইতিহাসও মনে হয় চেঞ্জ করতেই হইব! কিন্তু কেউ কোনো পাল্টা আঘাত করে নাই ...কারণ আমরা সেক্যুলার না.

সবাইকে সেক্যুলার বিপ্লবের লাল সালাম।


লিঙ্কসঃ আমেরিকায় ইসলামঃ টাইম ম্যাগাজিন
পোষাক ও পর্দা: ধর্মনিরপেক্ষতা এবং রাষ্ট্র: চিন্তা
Chronology of a Bizarre Controversy: Hurt Feelings and the Ground Zero Mosque: CounterPunch
নিরঙ্কুশ রাষ্ট্র আর বন্ধ মঙ্গলধ্বনি :বাধন অধিকারী

লেখাটি ব্লগস্পটে প্রকাশিত হয় ৮ সেপ্টেম্বর ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29238909 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29238909 2010-09-12 17:21:58
হারবিচ্চারে তোবা কৈরা বল খেলাডা চাড়! ফুটবল আমার বেলাডে। যদিও খেলাডা আমি সেরাম পারি না...কারন দৌড়াইলে ক্লান্ত লাগে। কিন্তু আমি ছিলাম এককালের মাঠ কাপানো---ম্যানেজার। অনেকে ভাবতে পারেন, ম্যানেজার মাঠ কাপায় ক্যাম্নে ...মাঠতো কাপায় খেলোয়াড় ...মানে স্ট্রাইকার, গুল্কি...হালে "রেফ্রি"...এরা।

হেহে। মিয়া ...কাপাইতে জানলে মাঠের বাইরে থিকাও কাপান যায়। মাঠে আমার পজিশন ছিল...সাইড লাইন বরাবর। উইং ব্যাকের মতো আমি মাঝে মাঝেই চিল্লাইতে চিল্লাইতে উপরে উইঠা জাইতাম...আবার লাইন ধইরা নিচে নাইমা আসতাম। আমার সাফল্য সেরাম। প্রথম বারেই আমি আমার দলরে ফাইনালে পৌছায়া দিছি। ফাইনালে কি কর্ছি সেইটা পরে বলতেছি...উত্তেজিত হইয়েন না, পাঠক।

আগে বৈলা রাখি। এইটা কৈলাম ১০০% সত্যি ঘটনা। আমার হল ফুটবল টিমের পারফরমেন্স মারাত্মক। ১২ বছরে কিছুই জিতে নাই। মাঝে মাঝেই ১১ জনের টীমে শর্ট পরে খেলোয়াড়ের। তো রেগুলার প্লেয়ার হিসাবে আমার রুমমেটকে দেয়া হৈছিল ক্যাপ্তানের দ্বায়িত্ব। সে দ্বায়িত্ব ঘাড়ে নিয়া রুমে আসল বেনসন হাতে লোইয়া। কয় "দোস্ত...বিড়ি খাওয়া এইমাসে ছাইড়া দেওন লাগবো রে...দম বাড়াইতে হোইব"।
-ক্যান দুস্ত?
- ফুটবল খেলা লাগবো...আমি কাপ্তান...তুই ম্যানেজার হবি?
- আলবত। আমিতো খুবি ভাল পারমু কাজটা...যদিও আগে করি নাই।
কাপ্তান মাথা নাড়ায়..."তোর কিছুই করা লাগবো না। তুই খালি সাথে থাক। পোলাপান জোগাড় কর...আমাগো হল টীমে ১১ জন প্লেয়ারি হয় না। আর কাজ বেশি দিনের না...ফাস্ট রাউন্ড পর্যন্ত। তোরে ম্যানেজার নিলাম...কারন কোন শালা খেলার আগের মূহূর্তে ফোন অফ কৈরা ডুব দিলে তোর খেলা লাগব"।
আমার হাড্ডির জয়েন্ট গুলা পটপট কৈরা ফুটা শুরু কর্ল... ভয়ে। ফুটবল খুবি রিস্কি খেলা...তাছাড়া আমার আবার হাড্ডিতে ক্যালসিয়াম কম।

নাইমা পড়লাম প্লেয়ার সংগ্রহে...রাইতে ডাইনিঙ্গে টেবিলে পোস্টার দিলাম...ইতং বিতং...কি লিখছিলাম মনে নাই...কিন্তু খাতা ভৈরা গেল আগ্রহীদের নামে। কাপ্তান রুমমেটরে আইসা রিপোর্ট দিলাম। সে পাশ ফিরা শুইয়া কোইল...
"ভালো...কিন্তু প্রথম ম্যাচ হারার পরে ২য় ম্যাচে কয়জন আইবো...সেইটাই দেখার বিষয়"।
ব্যাপারটা মাথায় ছিলো না। বুয়েটের ছেলেরা হারতে পছন্দ করে না। এরা রণেভংগ দিয়া পালাবে...কিন্তু পরাজয় মানি নিবে না। যাহোক এইবার সিনিয়র ধরতে বাইর হোইলাম। বুয়েট মাঠের পিরামিড ...পারভেজ ভাই আর মধ্য মাঠের কুশলী খেলোয়ার নাহিদ ভাইকে খেলানোর জন্য এদিক উদিক ফুন লাগাইলাম। তেনারা খেলবেন...রাজি হৈলেন।

নাইমা গেলাম প্রস্তুতিতে। প্রস্তুতির চেয়ে বিকালে হলের ফান্ড থিকা ১০টাকা নাস্তাই বেশি ভালো লাগত আমার।

যাহোক, প্রথম ম্যাচ পড়লো গেলবারের চ্যাম্পিয়নদের সাথে। ক্যান...দূর্বল দলকে প্রথম ম্যাচেই চ্যাম্পিয়নদের সাথে খেলতে দেয়া হয়...এইটা আমার মাথায় আসে না। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ হওয়া উচিত এক্স-চ্যাম্পিয়ন ভার্সেস এক্স-রানার আপ। তাইলে টুর্নামেন্টের শুরুতেই একটা চাঙ্গা ভাব চৈলা আসত। আমি ডিএসডাব্লিউ অফিসে গিয়া এই "সুক্ষু ষড়যন্ত্রের" মামলা করমু কিনা ভাবতাছিলাম...লুঙ্গি ছাইড়া প্যান্টো পড়ছিলাম, কিন্তু কাপ্তান আইসা আমারে থামাইলো। কয় এইটাই নাকি "ইন্টারন্যাশ্নাল প্রাক্টিস"। আজিব। সারা দুনিয়াতেই খালি শোষন...দূর্বলরে চড়ায় সবল।

যথা সম্ভব প্রস্তুতি নিয়া প্রথম ম্যাচে নাম্লাম। মানে টীম নামাইলাম। প্রথমার্ধে ফরমেশন ছিল ৯-০-১।মানে সবাই মিলা ডিফেন্স...এক্সেপ্ট পারভেজ ভাই। স্ট্রাইকার পারভেজ ভাই কিন্তু যেনতেন স্ট্রাইকার নন। দূরপাল্লা শটের সাথে তার ছিল ধাক্কায়া ডিফেন্স ভাঙ্গার ক্ষমতা। দূর থেকে তারে পাস দিয়া বল দিতে পারলেই হৈল...আর কাজ নাই।কিছু একটা হৈবই। তিনি হতাশ করেন নাই। হতাশ করে নাই ডিফেন্স। তাগো প্রধান কাজ ছিল...গেঞ্জি মুচড়ায়া ধৈরা রাখা, আর স্ট্রাইকাররে ২/৩বার মাটিতে ফেলায়া দিয়া দম বাইর কৈরা দেয়া। বুয়েট মাঠের এই স্ট্যাটেজি মধ্য মাঠের নাহিদ ভাইয়ের। আমি বরাবরই গান্ধিজী স্টাইলের ফুটবল প্রমোট করছি...অহিংস এবং রক্ষনাত্নক।

আমাদের স্ট্যাটেজি প্রথম ম্যাচে কাজে লাগ্লো। ১-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন নজরুল হলকে হারায়া দিলাম। গোল্টা কর্ছিল পারভেজ ভাই।

আজকে আর লেখতে মন চাইতেছে না। শুধু ফাইনালের রেজাল্টটা জানায়া রাখি। ১-০ তে শোচনীয় ভাবে হাইরা গেছিলাম আমরা। অনেকেই ভাবতে পারে ৯০ মিনিটের খেলায় ১-০তে হারকে শুচনীয় বলোনটা ঠিক না। কিন্তু আসল কাহিনী হৈল ৯০ মিনিটে খেলা গোল শুন্য ড্র ছিল। এক্সট্রা ৩০ মিনিটেও গোল শুন্য। খুবি কষা খেলা...গোল হৈতেই চায় না। শেষে গেল ট্রাইবেকারে...ফলাফল ১-০। না পাঠক। ভূল দেখেন নাই। আমার দল ৫টাই মিস করছিল, আর শেরেবাংলা হল ৪টা।

ওয়ার্ল্ড কাপের স্ট্যাটাস সংকলন পোষ্ট
পাদুকা-গোলক লৈ বেহুদা বাহাসে কাম নাই/ ১মাস পরে দেখপা *** ছাড়া আর কারো নাম নাই! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29197327 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29197327 2010-07-11 19:59:53
পাদুকা-গোলক লৈ বেহুদা বাহাসে কাম নাই/ ১মাস পরে দেখপা ব্রাজিল ছাড়া আর কারো নাম নাই!
১।ওরে ভিসি তুই কোন দল/ চল গিয়া দেখি ফুটবল
২। পাদুকা-গোলক লৈ বেহুদা বাহাসে কাম নাই/ ১মাস পরে দেখবা ব্রাজিল ছাড়া আর কারো নাম নাই!
৩। মালেশিয়ান ন্যাশনাল টিভিতে খেলা না দ্যাখায়া ভূতের নাটক দ্যাখাইতেছে। এই জাতিরে কানে ধৈরা ১০ মিনিট রৈদে খাড়া করায়া রাখা উচিত।
৪। গোলের বন্যায় ভেসে যাবে পথ ঘাট/ অরে তোরা ব্রাজিলের জন্য রেডি থাক!
৫। বাফানা বাফান...বিশ্বকাপ কাপানাআআ!
৬।জয় ব্রাজিল, জয় দুঙ্গা, বাংলাদেশ দীর্ঘজীবি হোক।<img src=" style="border:0;" /> সৌজন্যে সাব্বির বিন তাহের
৭। জয় ব্রা, জয় জিল, জয় পুঙ্গা, সরি দুঙ্গা। সৌজন্যে রেজাউল করিম রানা
৮। 'দুঙ্গা' কো কাপ লে নে নেহি যা নে 'দুঙ্গা'!! সৌজন্যে কায়েস ভাই
আরো কিছুঃ
৯। বিশ্বকাপ ফাইনালঃ একদিকে শাকিরা, অন্য দিকে বাকিরা!
১০।উরুগুয়ে-জার্মানির দূর্দান্ত ম্যাচের পর ফাইনালে "১কোটি পাস=১গোলের"খেলা দেখার জরুরত দেখি না
১১। ভেড়ামারা দুইদলের 'কষা' ফাইনাল দেখার চেয়ে, জার্মানি-উরুগুয়ের এন্টারটেইনিং খেলা দেখা ভাল!
১২. ATNবাংলা যদি মূসা ইব্রাহীমরে স্পন্সর কর্ত তাইলে পেপারে খবর আসত "বাংলাদেশী তরূনের 'ইভা'রেস্ট জয়"!
১৩. হুনলাম আইজকা নাকি শেমি-ফাইনাল! ৬ জুলাই
১৪। to Argentina supporters: "Take is easy man....it happens every 4 year."
১৫. Firoz Ahmed, a doctor at the Dhaka hospital, said a large number of fans took an excess amount of sleeping pills as they "could not digest the loss" (nice choice of words, Doc).
১৬. দুঙ্গা আর মেরাডোনা দুই জনই চাকরি হারাত যাছে। আবাহনি আর মহামেডান এর উচিত এই সুজোগ কাজে লাগানো। বলেছেন Md. Shahidul Islam
১৭। হায়! আমি এখন সাপোর্ট করব কাকে!- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল হারার পরে
১৮. ব্রেকিং নিউজঃ ফেইসবুকের দখল আর্জেন্টীনার সাপোর্টাররা ২৪ ঘন্টাও রাখতে পারলো না...আবারো ব্রাজিল সাপোর্টাদের দখলে ফেইসবুক। যেনঃ চর দখল
১৯. NEDz played with 12man....bcz MELO joined them in 2nd half...and did his job!- ব্রাজিল হারার পরে
২০. হোন্ডার গিয়ার পাল্টাইতে হৈব!--জাপান হারার পরে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29178274 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29178274 2010-06-16 18:10:54
ফেইসবুক ও পাঠকের শক্তি
একটা আধাখেচড়া মিলিটারি সরকার গদি ছাড়ছে। মেলা নাটকের পরে ইলেকশন হৈছে। ইলেকশনের সময়টা চুপ থাকা যায় না। কারন তখনি সবচেয়ে বেশি মিথ্যা তৈরী হয়, আদর্শের বেচাকেনা হয়। চুপ থাকা যায় না।

চুপ থাকতে পারি নাই যখন মিথ্যাকে সত্যের সাথে মিশায়ে সত্য করতে চায় প্রতিষ্ঠিত দৈনিক পত্রিকারা (প্রথম আলো)। ২৫ বছর চুপ ছিলাম। আর না। এখন ফেইসবুক আছে...অভ্র আছে...কিছু লিখে ফেলা যায় চট করে। সবাইকে জানানোও যায়। দেশের নামে যখন মৌলবাদী তকমা পড়ে ইন্টারন্যাশনাল হার্ভার্ড বিভিউএ ... তখন আর বসে থাকা যায় না। সেটা যেই লেখুক...আমি তারে ছিড়েফুড়ে ফেলতে চাই আমার ফেইসবুক খাতায়। তাতে আমি রাষ্ট্রের চোখে দেশোদ্রহীতা হইলেও কিছু যায় আসে না। কারন সমর্থন পাবার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না...দেশ বিদেশ থেকে সমমনারা লাইক, কমেন্ট দিয়ে সমর্থন জানায়।

২দিনের নানা নাটকের পর যখন পিলখানায় বিডিয়ারের বিদ্রোহ ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যায় আর প্রতি দিন লাশের হিসাবে গরমিল হয়... তখন আবারো আমরা লাশ গুন্তে বসি। সরকার ও সেনাবাহিনীর দেয়া গোজামিল গুলো নিয়ে কনস্পেরেসি থীওরী লিখি। এতগুলান লোক সারা দেশের কড়া নজরের মধ্যে মরে গেল...আবার হাজার খানেক পালিয়েও গেল...ফাইজলামো নাকি? সবচেয়ে বেশি তর্ক বিতর্ক হয় সেই সময়টাতে। সরকার অতটা সহিষ্ণু ছিল না। তারা ইউটিউব, মিডিয়া ফায়ার বন্ধ করে দেয়।

এরপর তেল গ্যাস নিয়ে অনেক হাঙ্গামা কর্লাম। অনেকের লাফছাপের পর...শেষ পর্যন্ত সরকারকে সমুদ্রসীমানার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে পাঠানো গ্যাছে। শেষ রক্ষা হলে হয়।

এরপর ক্যানো জানি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের লোকদের মাথায় পোকা ঢুকলো। তারা বুঝলো ফেইসবুকেই সব ফাজিলের আস্তানা...সেখানেই তাদের সব অন্যায়ের বিপক্ষে জনমত গঠন হচ্ছে। সুত্রাংম কাটো মাথা। আমি টিভিতে ফেইসবুক বন্ধের খবরটা টিভির আগেই পাইছি..... মোবাইল ফেইসবুকেই। ভ্যান গাড়িতে বসে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্রাউজ কর্ছিলাম। টিভিতে শুনার আগেই ফেইসবুকেই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখলাম সবার মাঝে। আর কোন দিন সরকার এই দুঃসাহস কর্বে বলে মনে হয় না।

মাত্র ১ সপ্তাহ। সরকার আর ফেইসবুক বন্ধ রাখতে পারলো না। তারা আমারদেশ বা যমুনা টিভি, চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করে যতটা জনপ্রিয়তা হারাইলো...ফেইসবুক বন্ধের ঘোষনা দেয়া মাত্র, তারচেয়ে বহুগুন পাব্লিক পচানি খাইছে। বিশ্বাস হয় না? প্রমান আছে। আমারদেশের সম্পাদককে সাজানো নাটক করে গ্রফতার করে এখন এটা সেটা নানান মামলায় জড়িয়ে আবার ৮ দিনের রিমান্ড নেয়া হয়েছে। শ খানেক সাংবাদিককে চাকরী ছাড়া করা হয়েছে। আবার একটা গণ মামলা দিয়ে সবাইকে দৌড়ের উপ্রেও রাখা হোইছে। কৈ...এত বড় অন্যায়ের পরেও সরকার দিব্বি রিমান্ড, গ্রেফতার চালাচ্ছে। অথচ ফেইসবুক বন্ধ করে সরকার ৭দিনও থাকতে পারে নাই। কাউকে গ্রেফতার না করেও...কারো কোন ভোগান্তি না দিয়েও...ব্রুট মজরিটির সরকার হঠাত জাতীয় ভিলেন হয়ে গেল। বাকশালের গালি হজম করতে হইলো?

সারাদেশে সুলভ ইন্টারনেট আর মোবাইল নেটওয়ার্কই হবে সবচেয়ে বড় মিডিয়ার শক্তি...টিভি চ্যানেল বা সংবাদপত্র না। জনগনই হবে দেশের প্রধান বিরোধীদল। এখনো হয়ত ইন্টারনেট অতটা জনপ্রিয় হয় নাই গ্রামে গঞ্জে। কিন্তু সেই দিন দূরে নাই যেদিন প্রত্যন্ত গ্রামের কোন কৃষক "সার দে হারামজাদা" স্ট্যাটাস বা টুইট দিয়ে সারাদেশে হৈ চৈ ফেলে দিবে।

ডিজিটাল সরকারকে ধন্যবাদ। ফেইসবুক বন্ধ না হলে আমরা ফেইসবুকের শক্তিটা পরখ কর্তে পারতাম না। এখন বুঝতে পারি...আমাদের কমেন্ট শেয়ার, লাইক, নোট, লিঙ্ক এগুলাই আগামী কালের গণতন্ত্রকে আকৃতি দেয়। শুধু এন্টারটেইন্মেন্টই না, ফেইসবুককেই আধিকার আদায়ের হাতিয়ার বানান। শাসকের দল আপনাকে তখনি ভয় পাবে, যখন আপনার আওয়াজ সারা দুনিয়ায় শোনা যাবে।


আরেকটি নুতন লেখা
রাজা হবুচন্দ্রের সহিত বাঙ্গাল ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29174072 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29174072 2010-06-10 12:21:10
রাজা হবুচন্দ্রের সহিত বাঙ্গাল।
কিন্তু রাজসভায় কথা পাড়িতে গিয়া বাঙ্গাল বুঝিল, ইহা মোটেও ছেলে খেলা নয়। তাহার হাটু কাপিয়া উঠে...গলা শুকাইয়া যায়। কিপ্টে রাজা গেল বছর ফেরিতে ডুবিয়া মরা সকল পরিবারকে একখানা করিয়া ছাগলের রশি দিয়া বাড়ি পাঠাইয়াছিল। জলের অভাবে এখনো কেউ মরে নাই...অবশ্য মরিতেও দেরি নাই। এবছর না মরলেও আগামী বছর না খেয়ে আদ্দেক মরবে নিশ্চিত। বাঙ্গাল ভাবিল...সোজাসাপ্টা রাজকোষ খুলিবার কথা বলিলে জুতো ছাড়া কিছুই মিলিবে না। তাই সে অনেক ভাবিয়া ভিন্ন পথ নিল।

পরদিন রাজসভার প্রভাতী অধিবেশনে বাঙ্গাল একখানা পুরনো ময়লা ধুতি... হাটুর কিছুটা উপরে পড়িয়া আসিল। সকলে মুখ টিপাটিপি করিয়া হাসিতে লাগিল। সবার পরনে চকচকে কাপড়চোপড়ের মাঝে মলিন বিমর্ষ বাঙ্গালের সুচিক্কন কৃষ হাটু বড়ই বেখাপ্পা লাগিতেছিল। ব্যাপারখানা রাজা হবুচন্দ্রের নজর এড়াইলো না। বাঙ্গালকে ডাকা হৈল।

"কিরে তোর কি হইয়াছে? ধুতিখানাও ঠিক মতো পড়িতে শিখিস নাই?" রাজা শুধান।
- জ্বী রাজা মশায়। বেয়াদপি লিয়েন না...আজ্ঞে রাস্তা ঘাটে বড্ড ধুলোতো তাই উঠিয়ে রেখেছি এক্টূ
"ক্যানো রে...ধুলো লাগ্লে ধুয়ে ফেল্লেই তো হয়...হেহে"... চারিদিকে হাসিতে কয়েকজন একে অপরের উপরে এলাইয়া পড়িল।
- "আজ্ঞে কাপড় ধোয়ার সাবানতো বাসায় রয়েচে...কিন্তু জল নেই"
- "বড় হাসালিরে...তোর বাসায় জল না থাকলে ধোপার কাছে দে..."
- "রাজা মশায়...আমার ধোপা গতকাল জল খাইতে না পাইয়া তেষ্টায় মারা গেছে"

চারিদিকে নিরবতা পড়িল। হবুচন্দ্র ক্ষিপ্ত হোইয়া তাহার ডিজিএফাইকে ডাকিলেন "প্রজারা পানির অভাবে মরিয়া জাইতেছে তোমরা আমায় সেই খবরটা দিতে পারিলে না...আমাকে শুনিতে হৈল নটাঙ্গি বাঙ্গালের কাছে...তাও আধা ঘন্টা নাটক করিবার পর!"

ডিজিএফাই বাহাদুর বিশাল গোফ নাড়ীয়া বলিলেন "খবর নিবার জন্য ঘোড়সাওয়ার পাঠাইতে চাইয়াছিলাম...কিন্তু রাজপ্রসাদ হৈতে এতটা পথ যাইতে ঘোড়ারো পানি খাইতে হয়...উহা পাইব কোথায়?"

পরদিন রাজা হবুচন্দ্র রাজ্যে নিয়ম জারি হোইল "প্রকাশ্যে কাপড় ধোয়া নিষেধ। ধুতি হাটুর উপরে পড়ীতে হবে"...লে হালুয়া!

--------------------------------------------------------------------------------------------------
এতটুকু স্বপ্ন দেখবার পরে বাঙ্গালের ঘুম ভাঙ্গল। হবুচন্দ্রের দেশে নয়...নিজের বাংলাদেশে। ফ্যানের পাখা ঘুরছে...কারেন্ট গেলেও সমস্যা নাই...আইপিএস আছে। রিমঝিম বরষাও এসে গেছে। কাথামুড়ি দিয়ে কষে ঘুম দিল সে। বাংলাদেশের সব মানুষই এখন আরামে ঘুমুচ্ছে। বিদ্যুত নিয়ে তারা আর ভাবে না। এ বছরটা না হয় গেল। আগামী বছর গ্রীষ্মে? একদিকে সরকার এডিবির ঋণে গ্যাস পাইপ বসিয়ে যাচ্ছে। গ্যাস কোথায়? পাচ বছর আগে আমরা খাম্বা পুতেছি। এখন বিদ্যুত নাই।
দুইকোটি মানুষের কংক্রীটের জঙ্গলে কি শান্তিতেই না আমারা আছি। ১১৭জন পুড়ে মরেছে? দুই দিন চুক চুক করে ঢাকাবাসি। আরো ডজন খানে ভবণ ধসে মরেছে? আহারে। ওরা অভাগা ছিল। আমিতো বেচে আছি। দামি ফ্লাটে আছি...লক্ষাধিক টাকায় কেনা...হুহু...হেল্বে না ফাটবে না...ভূমিকম্প? সেটা আবার কবে হয়েছিল?

ঢাকাবাসি আবার ঘুমায়। আগামী বছরের চিন্তা কে করে? আগামীকালের চিন্তাইতো মাথায় আসে না। হবুচন্দ্রের দেশে সবাই সুখেই থাকে। যাদের সুখ শেষ হয়...তারা মারা যায় বা পুড়ে যায় বা কোথাও মাথা থেতলে চাপা পড়ে থাকে...শিয়াল-শকুনেরা তাদের খোজ পায়। ঢাকাবাসী তাদের খোজ রাখে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29170794 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29170794 2010-06-05 16:44:22
চলছে চলুক যখন যার মূল্লুক!

চলছে চলুক, যখন যার মূল্লুক
পান থেকে খসলেই চুন
চুপচাপ ঢুশ- ফুস
ক্রসফায়ার-- মিডিয়া বেহুশ!

বাক-স্বাধীনতাতো আটার বল যতই ডলবি, ততোই গোল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29168445 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29168445 2010-06-02 14:57:05
তুমি আর আমি ছাড়া এই ঘরে কেউ নাই! আল্লার দুনিয়ায় বালা মুছিবতের অভাব নাই। আবার মুছিবত আসানের রাস্তারো অভাব নাই। টিভিতে একটা গান শুনতাম আগে -"রোগ বালাইতো আছে দুনিয়ায়, ভালু থাকার আছে যে উপায়"। কাহিনীটা হৈল। হঠাত বাসার দুই হাউসমেট দেশে চৈলা যাওয়ায় বড়ই কষ্টে পড়ছে এই আইজুদ্দিন। রাত কৈরা বাসায় ফিরলে এখন আর গরম ভাত পাওন যায় না। তরকারীর ঝুল কম পড়লে, নুন কম হৈলে...হাউকাউ করার কেউ নাই। নুন/ ঝুল কম খাইলাম সেইটা কষ্ট না, দুক্কুটা হৈল হাউকাউ করা হৈল না।

গেল রাইতে বাসায় ফিরা দেখি নতুন অতিথিরা সারা ঘরে। তারা শিশুদের মতো ছুডাছুডি কর্তেছে। দরজা বন্ধ ছিল, জানালা বন্ধ ছিল...মাগার গেষ্ট আইলো কুন দিক দিয়া? হাউসমেটরে ফুন দিলাম...।দেশে তখন রাত ৮টা। "কি ভাই, ঠিক মতো গেছেন?... দেশের কি অবস্থা...ভালো...ভাতিজারা ভালো আছে?...আইচ্ছা...আপ্নেরা বাসা থিকা বাইর হওনের টাইমে ইন্দুর গুলার কাছ থিকা বিদায় নিয়া গেছিলেন নাকি?"

-ক্যান?

--আরে বাসায় ঢুইকাই দেখি সারা ঘরে ইন্দুর দোউড়ায়...আমারেতো গুনায় ধর্তেছে না।

- হেহে...বিদায় নেয়ার সময় ...তুমি যে বাসায় থাকবা সেইটা বলা হয় নাই...তারা তাই তোমারে বেইল দিতেছে না। হেহে

যাক। ভাত রাইন্ধা... খায়া... দিলাম ঘুম। সারা ঘরে দিলাম ইন্দুরের বিষ। কিঞ্ছিলাম নিউমার্কেট থৈন। ১০টাকা। প্যাকেটের মোইদ্দে মুড়ি-চানাচুর...সাথে বিষ মাখাইন্না।খা...মুড়ী খা! আবার একটা বাদামো আছে ইন্দুরের চানাচুরে। মানুষের চানাচুরে বাদাম নাই, ইন্দুরের চানাচুরে বাদাম...আজীব দ্যাশ।

সকালে ঘুম থিকা উইঠা ইন্দুরের ডেড বডি খুজতে এক সদস্যের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কমিটী মাঠে নাম্লো একটা ঝাড়ু আর মৈলা ফেলার ট্রে নিয়া। কিন্তু কুথাও ইন্দুর খুইজা পাওয়া গেল না...জ্যান্তা বা মরা...কোন টাই না। বাদাম সহ বিষ চানাচুর-মুড়ী গায়েব । আছে কিছু ইন্দুরের বিষ্ঠা।

মুছিবতের কথা জানাইলাম...পাঠক এখন সলিউশন দ্যান
---------------------------------------------
একটি গুরুত্বপূর্ণ কপি পেস্ট পোস্ট
গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট: সমাধান সম্ভব, তবে... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29132323 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29132323 2010-04-10 14:52:14
গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট: সমাধান সম্ভব, তবে... আনু মুহাম্মদ স্যারের একটা লেখা শেআর করলাম
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে শিল্পকারখানা ও জনজীবনসহ সব পর্যায়ে ভোগান্তির মাত্রা কী দাঁড়িয়েছে, সে সম্পর্কে বর্ণনা অনাবশ্যক। প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাতারাতি এর সমাধান হবে না।’ রাতারাতি কেউ সমাধান চায়ওনি; রাতারাতি কেন, এই সরকারের এক বছর ক্ষমতাকালে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানও কেউ প্রত্যাশা করেনি। কিন্তু মানুষ এটা নিশ্চয়ই বিচার করছে যে এ খাতে গত দু-তিন সরকারের আমলে গৃহীত নীতি (পলিসি) ও দুর্নীতির কারণে যে সংকটের সৃষ্টি, এর সমাধানে এই সরকারের ভূমিকা কী? আগের নীতি ও দুর্নীতির কি কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত আছে? বাগাড়ম্বর ও অস্বচ্ছতা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা এবং ক্ষতিকর বা প্রশ্নসাপেক্ষ ফাইলপত্রের দ্রুত নড়াচড়া, বিভিন্ন লবিস্টের আকর্ষণীয় প্যাকেজ নিয়ে ঘোরাফেরা—সব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন আছে।
বিদ্যুৎ উত্পাদন বহুভাবে হতে পারে। গ্যাস, কয়লা, তেল দিয়েই সরাসরি বেশির ভাগ বিদ্যুৎ উত্পাদিত হয়। তবে বিশ্বব্যাপী পানি, বায়ু ও সৌরশক্তিচালিত বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্রমেই বাড়ছে। এ ছাড়া পারমাণবিক শক্তিও আছে। জাপান, সিঙ্গাপুরসহ বেশ কয়েকটি দেশ গ্যাস, তেল, কয়লা না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ-সমস্যার সমাধান করেছে। আবার নাইজেরিয়াসহ বহু দেশ বিপুল তেল, গ্যাস বা কয়লা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। আফ্রিকার মধ্যে সর্ববৃহত্ তেল রপ্তানিকারক দেশ নাইজেরিয়ায় এখন বিদ্যুৎ-সংকট ভয়াবহ। স্বাস্থ্য খাতে তাদের যে বাজেট, এর পাঁচ গুণ বেশি তারা ভর্তুকি দিচ্ছে জ্বালানি খাতে। ভেনেজুয়েলা তৃতীয় বৃহত্তম তেল মজুদের দেশ এবং অন্যতম তেল রপ্তানিকারক দেশ হয়েও এখন বিদ্যুৎ-সংকটে জর্জরিত। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ধরনে পরিবর্তনের কারণে ভেনেজুয়েলা এসব থেকে উত্তরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আর নাইজেরিয়া আগের নীতি ও দুর্নীতিতে ডুবে থাকায় আরও গভীর খাদে পড়ছে। বাংলাদেশ এখনো এই দ্বিতীয় ধারার অন্তর্ভুক্ত।
নাইজেরিয়ার তুলনায় বাংলাদেশে অনবায়নযোগ্য সম্পদ অপ্রতুল। ৫০ বছরের সম্ভাব্য চাহিদা বিবেচনায় (১৬০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস ও কয়লার যতটুকু সন্ধান পাওয়া গেছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় শতকরা মাত্র ২৫ ভাগ। স্থল ও সমুদ্রে আরও অনুসন্ধানে সম্পদের প্রাপ্তি ঘটলে তা এই ঘাটতি কিছুটা কমাবে, কিন্তু এর পরও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কমই থাকবে। সে জন্য রপ্তানির বিধানযুক্ত তেল, গ্যাস ও কয়লা উত্তোলনের যেকোনো চুক্তি বাংলাদেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক। বর্তমান পরিস্থিতিই এর প্রমাণ।
বছর দশেক আগে ‘বাংলাদেশ গ্যাসের ওপর ভাসছে’ বলে এক শোরগোল তৈরি করা হয়েছিল। এই শোরগোলে মূল ভূমিকা ছিল বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোর, সহযোগী ছিল মার্কিন দূতাবাস, বিশ্বব্যাংক, এডিবি, কতিপয় আমলা ও কনসালট্যান্টের। পাঠক, খেয়াল করুন, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থাকাতেই শিল্পকারখানাসহ সর্বত্র এত নৈরাজ্য। আর মার্কিন কোম্পানি ইউনোকল চেয়েছিল বিবিয়ানা থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রপ্তানি করতে। গণপ্রতিরোধের মাধ্যমে তা ঠেকানোর কারণে সে গ্যাস এখন বিদ্যুৎ ও গ্যাস উত্পাদনে কাজে লাগছে; সেই গ্যাসভিত্তিক সিএনজির বিস্তার ঢাকা মহানগরের কোটি মানুষকে পরিবেশদূষণের বিপর্যয় থেকে অনেকখানি রক্ষা করেছে। পরিবহনব্যয় কমেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি। কাটেনি বলেই বর্তমান সংকট।
বর্তমানে যে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট চলছে, এর সমাধানে গ্যাসের ঘাটতি পূরণ করতে হবে। এর জন্য স্বল্প মেয়াদে যে পথগুলো আছে:

তিতাস ও হবিগঞ্জের মতো সমৃদ্ধ গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন বৃদ্ধি;
পেট্রোবাংলার কর্তৃত্বাধীন যে ১২টি গ্যাসকূপ এখন বন্ধ, সেগুলো চালু করা;
বিদেশি কোম্পানিগুলোর হাতে যেসব গ্যাসক্ষেত্র আছে, এর বেশির ভাগেই এখনো অনুসন্ধান ও উত্তোলন করা হয়নি। নির্দিষ্ট মেয়াদে তা করতে তাদের বাধ্য করা, নয়তো চুক্তি বাতিল করা।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিবহন লাইন মেরামত ও নবায়ন করা।
রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ প্লান্ট মেরামত ও নবায়নে গুরুত্ব প্রদান এবং কম দামে বিদ্যুৎ উত্পাদন পাওয়ার জন্য এসব প্লান্টে গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার প্রদান। জরুরি ভিত্তিতে ক্ষুদ্র বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের জন্য বেসরকারি দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুযোগদান।
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলন এবং গ্যাসে রূপান্তর করে কয়লাসম্পদের নিরাপদ ব্যবহারের জন্য জাতীয় সংস্থাগুলোকে ক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় সুযোগদান; আর সে জন্য—
জাতীয় সক্ষমতা বিকাশে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।
বর্তমান সংকট নিরসনে সরকার কী করছে এবং কী করছে না? এ সম্পর্কে সংবাদপত্রের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ‘বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ২০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের উত্পাদন বাড়াতে “ফাস্ট ট্রাক কর্মসূচি” নিয়েছিল। এর অধীনে প্রথমে আটটি কূপ খনন, একটি পুরোনো কূপে সংস্কার (ওয়ার্কওভার) এবং কয়েকটি স্থানে অনুসন্ধানের পরিকল্পনা ছিল।’ ঠিক ছিল পরিকল্পনা। ‘কিন্তু এখন পর্যন্ত এই কাজের জন্য দরপত্র-প্রক্রিয়াই শুরু করা হয়নি।’ কেন? এ ছাড়া ‘পেট্রোবাংলার অধীন তিনটি কোম্পানির মোট ১২টি কূপ থেকে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ আছে। পেট্রোবাংলা সূত্রের দাবি, এই কূপগুলো থেকে কম সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে উত্পাদন শুরু করে দৈনিক সর্বনিম্ন ১৫ থেকে ২৫ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস তোলা সম্ভব’ (প্রথম আলো, ২৭ মার্চ ২০১০)।
লক্ষণীয়, ওপরের যেকোনো একটি কাজ করলেও বর্তমানে গ্যাসের ঘাটতি থাকার কথা নয়। এগুলো করার জন্য সরকারের বাড়তি অর্থ বরাদ্দেরও দরকার ছিল না। সিলেট গ্যাসক্ষেত্র ও বাংলাদেশ গ্যাসক্ষেত্র নিজস্ব বাজেট থেকেই এ কাজ করতে সক্ষম। জাতীয় সংস্থা বাপেক্সের কর্মক্ষমতায়ও শেকল পরিয়ে রাখা হয়েছে। উত্পাদন-খরচের চেয়ে কম দামে গ্যাস কেনা অব্যাহত না থাকলেই বাপেক্স ঝরঝরে অবস্থায় যেতে পারে। বন্ধ তিনটি কূপসহ অনেক নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে নিয়োজিত হতে পারে। কেন তা করতে দেওয়া হচ্ছে না?
যখন এসব কাজে জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিষ্ক্রিয়, তখন এই সংকট মেটানোর কথা বলে আবার অন্যত্র তা খুবই সক্রিয়। এর মধ্যে আছে স্থলভাগে নতুন পিএসসি চুক্তি স্বাক্ষর এবং সমুদ্রবক্ষে পিএসসি ২০০৮ অনুযায়ী কনকো ফিলিপস ও টাল্লোকে গ্যাসক্ষেত্র ইজারা দান (প্রথম আলো, ২ এপ্রিল ২০১০)। কিন্তু এখন যে ১২টি গ্যাসক্ষেত্র বিদেশি কোম্পানিগুলোর হাতে আছে, সেগুলোর বেশির ভাগ তারা অলস ফেলে রেখে পুরো দেশকে জিম্মি করে রেখেছে, সেগুলোতে অনুসন্ধানের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, এমনকি কোনো কোনোটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও নবায়ন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পুরোনো চুক্তি বাতিল না করে কেন এই নবায়ন এবং কেন আবার একই ধরনের কোম্পানিগুলোর হাতে আরও নতুন নতুন ক্ষেত্র তুলে দেওয়ার আয়োজন? কেন এখনো শেভরন ও নাইকোর কাছ থেকে মাগুরছড়া বা টেংরাটিলার ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়নি, যার পরিমাণ বর্তমানে জ্বালানি খাতে বার্ষিক বরাদ্দের পাঁচ গুণ? সব সময় আমরা সম্পদের অভাবের কথা শুনি। কিন্তু এই তহবিল দিয়েই তো জাতীয় সক্ষমতা বিকাশে শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তিসহ দীর্ঘমেয়াদি ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।
কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে মালিকানা ছাড়াও পদ্ধতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ভূমিধস, বাড়িতে ফাটল ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ার সমস্যা জনমনে খনি নিয়ে দুর্ভাবনা আরও বাড়িয়েছে। আবার এসব সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে নিয়ে উন্মুক্ত খনির পক্ষেও প্রচারণা বাড়ছে। অথচ হিসাবে দেখা যায়, উন্মুক্ত খনির ক্ষতি এর হাজার গুণ বেশি। বলা হয়, এতে কয়লা উত্তোলনের হার অনেক বেশি। কিন্তু এই প্রচারণায় যা আড়াল করা হয়, তা হলো, এই বেশি উত্তোলিত কয়লা বিদেশি কোম্পানির মালিকানায় রপ্তানি হলে বাংলাদেশের কী লাভ। আর এর ফলে জনবসতি ছাড়াও দেশের তিনফসলি উর্বর আবাদি জমি, অমূল্য পানিসম্পদ নষ্ট হয়ে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা বিনষ্ট হলে এর দায় কে নেবে? সবকিছু বিনষ্ট করে উত্তোলিত কয়লা বিদেশে পাচার হলে বিদ্যুৎ উত্পাদন হবে কীভাবে?
এখনো বাংলাদেশের উর্বর মাটি, পানির স্তর ও জনবসতি বিবেচনা করে কী ধরনের পদ্ধতি কয়লাসম্পদকে দেশের কাজে লাগানোর জন্য সহায়ক, তা নিয়ে অনুসন্ধান, গবেষণা, আলোচনার উদ্যোগ নেই। অথচ এসব রক্ষা করেও কয়লাসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের পদ্ধতি গ্রহণ করা সম্ভব, যার মধ্যে ‘কোল গ্যাসিফিকেশন’ অন্যতম। ২০০৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থ বিবেচনায় উন্মুক্ত খনন-পদ্ধতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে দৃঢ় ঘোষণা দিলেও এখন সরকারের তত্পরতা উল্টো। অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের কেউ কেউ উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্পাদনের পক্ষে জোর বক্তব্য দিচ্ছেন।
দীর্ঘ মেয়াদ গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট সমাধানে দেশের নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য দুই সম্পদেরই সমন্বিত ব্যবহার প্রয়োজন হবে। নবায়নযোগ্য সম্পদের মধ্যে সৌরশক্তি বাংলাদেশে অসীম সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। অনবায়নযোগ্য সম্পদের মধ্যে নিশ্চিত ও সম্ভাব্য যে কয়লা ও গ্যাসের মজুদ আমাদের আছে, এর সর্বোত্তম ব্যবহারের নীতি দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি-নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। সর্বোত্তম ব্যবহারের অর্থ অবশ্য সবার জন্য এক নয়। বহুজাতিক কোম্পানির দৃষ্টিতে, দ্রুত যত বেশি সম্ভব উত্তোলন করে রপ্তানির মাধ্যমে উচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করাই হচ্ছে এসব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পথ।
আর জনগণের বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের স্বার্থের বিবেচনায় এসব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের অর্থ হচ্ছে, প্রয়োজন অনুযায়ী এর উত্তোলন, যাতে দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রতিটি বিন্দু ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এবং জাতীয় অর্থনীতি বিকাশে শিল্প ও কৃষির প্রবৃদ্ধিতে কাজে লাগানো সম্ভব হয়। সে জন্য শতভাগ মালিকানা নিশ্চিত ও রপ্তানি নিষিদ্ধ করে সমন্বিত জ্বালানি-নীতি অপরিহার্য। কিন্তু এদিকে সরকারের মন নেই।
বর্তমান সরকারি নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি কোম্পানির দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পরিচালিত, যার ফলে কয়লা ও গ্যাস নিয়ে, সংকটের সুযোগে, উচ্চ ব্যয়বহুল ও রপ্তানিমুখী চুক্তির তত্পরতাতেই জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সব উত্সাহ ও সক্রিয়তা। বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা জন উইলিয়ামসন দেশে দেশে তাঁদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘these worst of times give rise to the best of opportunities.’ অর্থনীতি বিপর্যস্ত করে, জনগণের জীবন অতিষ্ঠ করে তাদের কাছ থেকে সর্বনাশা কাজে, অর্থাত্ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বহুজাতিক কোম্পানির শৃঙ্খলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলপূর্বক সম্মতি আদায়ের এই মডেল আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় অনেক দেখা গেছে। এখন তা-ই আমরা বাংলাদেশে দেখছি।
আনু মুহাম্মদ: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29131478 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29131478 2010-04-09 00:14:33
গুরু ধরিতে বাঙ্গাল পুনরায় ঢাকায় পূর্ব পাঠের পুনরালোচনাঃ বাঙ্গালের মিথ্যা ইমাম সাহেব ফাস করিয়া দেয়ায় গ্রামে ছি ছি রব উঠিল। একি করিল বাঙ্গাল? সামান্য একটুকরা জমিনের জন্য আপন দাদির পেটের চাচার নামে মিথ্যা অপবাদ। এত জ্ঞানপাপী!

বাঙ্গাল এই অপমান সইতে না পারিয়া। গ্রাম ত্যাগ করিল। সে বুঝিল, তাহার দরকার একজন মুরুব্বি। চট করিয়া মাথায় আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালার গুরুর নাম আসিল। হুম। সেবার বেমক্কা প্রশ্ন করিয়া মশায়ের ধুতিতে টান ফেলিয়া... বড় শর্মিন্দায় ফেলাইয়াছিল বাঙ্গাল। এবার গড় করিয়া পেন্নাম দিয়া তার প্রায়সচিত্ত করিবে বলিয়া সে মনে মেনে ঠিক করিয়া নেয় সে।ঢাকায় আসিয়া সোজা পাঠশালার দিকে রওনা হয় সে। পাঠশালায় আসিয়া বাঙ্গাল থমকিয়া দাড়াইল।একি। দরজা বাহির হৈতে বন্ধ। দেয়ালে সেই পুরানো নোটিশটাও আছে "কুকুর ও ছাগু প্রবেশ নিষেধ"। পাঠশালার নোটসমূহ বারান্দায় ছড়ানো। কিন্তু গুরুর দেখা নাই। প্রবেশদ্বারে গুরুর খড়ম জোড়াও নাই। তবে কি পাঠশালা বন্ধ হৈয়া গিয়াছে?

বাঙ্গাল কিছুক্ষন ঠায় দাড়াইয়া রয়। তারপর সে পথে পথে ঘুরিয়া বেড়ায়। উদ্ভ্রান্ত বাঙ্গাল তার আধুনিক ইতিহাসের পাঠ এখন কার কাছে লৈবে? কোথায় তার গুরু? প্রখর রদ্দুরে ঢাকার পথে পথে ঘুরিয়া বাঙ্গাল শ্রান্ত হৈল। সারা সকাল ঘুরিয়া ব্যর্থ হৈয়া এক বাড়ির সামনে আসিয়া তার পা থামিয়া গেল। দুয়ারে আঘাত করিতে ভিতর হৈতে ৮/৯ বৎছরের এক বালক দ্বার খুলিয়া উকি দিল।

বাঙ্গাল বলিল "দিদি, আমায় একটু জল দিবে?"
বালক মুখ ঝামটা দিয়া বলিল "আপনার মাথা ঠিক আছে...মশাই?"
বাঙ্গাল ক্লান্ত হৈয়া মাটিতে বসিতে বসিতে কহিল "গুরু হারাইলে কি মাথা ঠিক থাকে মা!"
----------------------------------------------------------
কোন রাজনৈতিক দলের লেজে গুড় মাখানো ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা না...আমাদের দরকার সঠিক কিছু মানুষ যারা জাতির স্বার্থ বুঝবে আর নিঃস্বার্থভাবে প্রতিবাদ করবে।
----------------------------------------------------------
সিরিজের অন্যান্য লেখা

আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল

আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল-দ্বিতীয় খন্ড। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29125399 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29125399 2010-03-29 12:14:21
আধুনিক ইতিহাসের জনককে বিদায় জানাইতে বাঙ্গাল উইঠা খাড়াইছে...ঐ তোরা তালি দে! বহুত সময় নষ্ট করলাম, স্যরি ? আমি ভাবছিলাম, ভার্চুয়াল হৈলেও তেনার দেমাগ আছে...ত্যাজ আছে...তিনি ইতিহাস জানা মানুষ...আধুনিক ইতিহাসের পথিকৃত। কিন্তু তার শেষ কালির বিন্দুটাও তিনি স্বভাবজাত গালিগালাজে খতম করায় ঝাতি তার ইতিহাসের অনেক অন্ধকার কুঠুরির কথা জানা থিকা বঞ্চিত হৈল।যাইহোক, তিনি দূরে থাকবেন। দূরে থাকলেও তিনি দূরথিকা টর্চলাইট মাইরা আমাদের জ্ঞানের আলো দিবেন(মানে অন্য প্লাটফরমে লিখবেন), সেই আশা রাখি। তেনার অগ্যস্ত যাত্রাকে স্মরণীয় করতে আমি বাঙ্গাল...উইঠা দাড়াইলাম। তয় আমার ক্যান জানি মনে হৈতেছে তিনি রকিবুলের মত ফিরা আসবেন আমাদের মাঝে।
উনার স্মরণে এই অধম মাত্র একটা পোষ্ট দিছিল মাত্র কিছু দিন আগে। আজ এই আসরে সেইটা শেয়ার না কৈরা থাকতে পার্তেছি না।

আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল

আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল-দ্বিতীয় খন্ড।


উনার দীর্ঘ ব্লগ জীবণ স্মরণে তার একটা জ্ঞানগর্ভ কমেন্ট শেয়ার কর্লাম।
তেল-গ্যাস বুঝো না, স্বাধীনতা বুঝো?




হে মহান, আপনি যেখানেই থাকেন ভাল থাকেন। আর গালাগালি কম করেন। যাতে আপনার মহান ব্লগসমূহ আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে পড়তে দিতে পারি। আমিন!
লেটেস্ট খবরঃ আমাগোবোলগের নোটিশবোর্ডে এই গুনীর হাতের ছাপ পাওয়া গেছে। তিনি লিখেছেন "আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী কোনো প্রচারণা আমাগোবোলগে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। উল্লেখ্য যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপরীত যে কোনো প্রচারণা আমাগোবোলগে কঠোরভাবে দমন করা হবে।"
ইশ! এই অনুষ্ঠানটা মিস হয়া গেল।কেক-কুক কি ছিল মেন্যুতে জানা যায় নাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29125106 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29125106 2010-03-28 21:53:59
আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল (দ্বিতীয় খন্ড) পূর্বপাঠের পুনরালোচনাঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের নির্দেশে ইতিহাসে কাচা বাঙ্গাল বোলগে গিয়াছিল "আধুনিক ইতিহাস" শিখিতে। 'আধুনিক ইতিহাস' শিক্ষার পাঠশালায় গিয়া বিবাদে জড়াইয়া বাঙ্গালের নাম কাটা গেল। ফিরিবার কালে তার চটি জোড়াও খোয়া গেল।
------------------------------
কিন্তু অর্জনটাও কম নহে। গ্রামে ফিরিয়া নব্য ইতিহাস জ্ঞান ছড়াইয়া সে বেশ খ্যাতি পাইয়াছে। এ বাড়ির মিষ্টি কুমড়ো, ও বাড়ির পাকা কলা ইনাম আসিল।১০ গ্রামে এরম কথা কেউ বলিতে পারিয়াছে? দিকে দিকে তার বাণী ছড়াইয়া গেল। "বাকশাল ছিল দ্বিতীয় বিপ্লব, সমাজতান্ত্রিকমন্ত্রের বিপ্লব। যাহারা উহাকে স্বৈরশাসনের রুপকল্প বলে তাহারা আসলে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি"। তবে লোকে আরো জানিতে চায়। তাহারা আরো শুনিতে চায় বাঙ্গালের কাছে। বাঙ্গাল ভাবিয়া পায় না, সে নুতন কি বলিবে। কোথা হৈতে বলিবে, সবি তো ইতিহাস। সকলে দেখিয়াছে। বানাইয়া বলিলেতো ডাহা মিথ্যা হৈবে। এদিকে আমাগোবোলগের আধুনিক ইতিহাস শিক্ষার দুয়ারো বন্ধ।নাম কাটা। আর কে যায় ওপথে, আবার চটি জোড়া হারাইতে!

অনেক ভাবিয়া একদিন প্রভাতে বাঙ্গাল ঢাকার পথে রওনা হৈল। ঝোলায় আধুনিক ইতিহাস শিক্ষার নানান ফরমান। ঢাকায় আসিয়া সে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের রাস্তায় ঘুরিতে লাগিল। জনে জনে জিজ্ঞাসিল "আধুনিক ইতিহাস শিক্ষা কোথা পাই?"। এরুপ কোন ডিপার্ট্মেন্টের কথা কেহ বলিতে পারিল না। শেষে এক রিক্সাচালক ভ্রাতা বলিল "পাব্লিক লাইব্রেরী যান মামা, উহা জ্ঞান ভান্ডার"। পাব্লিক লাইব্রেরীতে গিয়া বাঙ্গাল নানা পুস্তক ঘাটিল। কিন্তু নুতন কিছুই পাইলো না। কোথায় আধুনিক ইতিহাস? সবি তো গ্রাম্য বিদ্যালয়ে পড়ানো সেই পুরাতন ইতিহাস লাগিচ্ছে। মোটা মোটা বই টানিয়া বাঙ্গাল হাপাইয়া উঠিল। শেষে পুস্তক ছাড়িয়া পত্রিকা ধরিল। সহসা তাহার জ্ঞান নেত্র উন্মোচিত হৈল। আহা! ইহাই তো খুজিতে ছিলাম। খাতা খুলিয়া বাঙ্গাল খসখস করিয়া নোট লৈতে থাকিল।

"দুনিয়া কাপানো ত্রিশ মিনিট"- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বিষয়ে ২০১০ সালের পূর্বে কেহ এই বিষয়ে আলোকপাত করে নাই। শেষমেষ গ্রাম্যমুঠাফোন আর শহুরে প্রথম আলোই ...ইহা ইতিহাসের খনি হৈতে টানিয়া তুলিয়া লোকের সুনাম কাড়ীল। ইহা আধুনিক ইতিহাস না হৈয়া যায় না।

“ভাষা আন্দোলনে শেখ মুজিবের অবদান”...হুহু...ইহাও নুতন,২০১০ সালের আগে কেহ এরুপ দাবি করে নাই। ১৯৫২ সালে তরুন যুবা শেখ মুজিব সুদূর কলিকাতায় বসিয়া সুতা টালিয়া বাংলা ভাষাকে রক্ষা করেছেন।গুনীলোকের কর্মপ্রক্রিয়াই অন্যরকম। ইহারা স্থান-কাল-পাত্রকে জয় করিয়া কোথা হৈতে কবে উদয়, কাহাকে কুপোকাত করে বুঝা যায় না।
যথেষ্ট। বাঙ্গাল গুলিস্তান আসিয়া বাসে উঠিল।বাস যাত্রায় সে শুধুই ভাবিল। তাহার তন্ময় ভাবনা সুদূর প্রসারী।

পরদিন গ্রামের মুরুব্বি জমায়েতে বাঙ্গাল তার খাতা খুলিয়া জ্ঞান বিতরন সারিল। একি শুনাইলো বাঙ্গাল। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা-সকলের মুখ সদ্য প্রস্ফুটিত শাপলার ন্যায় প্রসারিত হৈল। খাতা নামাইয়া রাখিয়া বাঙ্গাল বলিয়া চলিল “ভাষা আন্দোলনের সেই ত্রিশ মিনিটের আন্দোলনে যোগদিতে আমার বাবাও ঢাকা গিয়াছিল। মিছিল করিয়াছিল। শেষে পুলিশের ধাওয়া খাইয়া গ্রামে ফিরিয়া আসিয়াছিলেন। কিন্তু টিয়ারগ্যাসের প্রভাবে তাহার চোখে সমস্যা দেখা দেয়। এই সুযোগে তমিজ চাচা জমির দলিলে বাবার সাক্ষর করাইয়া জমির দখল লৈয়াছে।”
তমিজ মিয়া দাড়াইয়া ছাতি উচাইয়া কহিল “তবেরে! ছ্যাপ দিয়া গুনিয়া তোর বাবারে জমির দাম দিয়াছি। ভুলিয়া গিয়াছিস!”
বাঙ্গাল নির্লিপ্ত “ভাষার জন্য লড়াই করিতে গিয়া আমার বাবা জমিন হারাইয়াছেন। তোমরা আমার জমিন ফিয়াইয়া দাও। তমিজ চাচা...স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি...ছলেবলে সে জমিন দখল নিয়াছে”। সকলে গুঞ্জন তুলিল। একিরম কথা, চাচা হৈয়া ভাতিজার হক মারিয়া দিল তমিজ! বেশ গোল বাধিল।

গ্রামের মসজিদের ইমাম কলহ থামাইতে বলিল "শোনো বাবা, বাঙ্গাল। তোমার বাবা আমার বাল্যবন্ধু ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী আমরা একত্রে পলাইয়া সিনেমা দেখিতে শহরে গিয়াছিলাম। আল্লাহ মাফ করুন , উনার আত্মার শান্তি দিন"
----------------------------------------
অন্যান্য রম্য লেখা
আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল-প্রথম খন্ড
ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান
বুয়েটের ঝড় ডুয়েটেও আসিতেছে! হুশিয়ার!
নয় রশি পীরের(RP9) তাবীজ!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29123959 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29123959 2010-03-26 22:00:16
আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল, 'আ' তে আওয়ামী, 'ব' তে বাকশাল ইতিহাসে বাঙ্গাল বরাবরই কাচা ছিল। কিছুতেই সন মনে রাখিতে পারিত না সে। তারপরেও কি করিয়া যেন সে পরীক্ষায় টানিয়া টুনিয়া পাশ করিয়া ফেলাইত। বিদ্যালয়ের ইতিহাস শিক্ষকের নজরে ব্যাপার খানা ধরা পড়িল। তিনি উপদেশ দিলেন...আধুনিক ইতিহাস কিছু শিখিতে চাস তালে... বোলগে যা। শিরোধার্য গুরুপদেশ।আধুনিক অনলাইন শিক্ষা। বাঙ্গাল আমগোবোলগে আর সামু বোলগে একাউন্ট খুলিল। খুজিয়া বেড়াইলো আধুনিক ইতিহাস শিক্ষার বোলগ। নানা লিঙ্ক ঘুরিয়া সে আধুনিক ইতিহাস খুজিল। শেষে পাইল ফুফার বোলগ। সেখানে সে আধুনিক ইতিহাসের জ্ঞান লাভ করিয়া গুরুর নিকট ফিরিল।

- তো বল, কি শিখিয়া ফিরলি!
- জ্বী। ফুফার বোল্গে দেখিলাম "হাজার বছরের শেষ বাঙ্গালী শেখ মুজিবর প লাশীর প্রান্তরে সিরাজকে ল ড়িবার নির্দেশ দিয়াছিলেন। কিন্তু অনভিজ্ঞ সিরাজ উনার নির্দেশ সঠিকরুপে পালন করিতে না পারিয়া, পলাশীর বাজারে বাংলার স্বাধীন তার সূর্য টানিয়া নামাইয়াছে। পরবর্তীতে সেই স্বাধীনতার সূর্য আবার টানিয়া উঠাইয়াছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী।"
বর্ননা শেষ হৈবা মাত্র বাঙ্গালের গালে চড় পড়ীল।
গুরু মশায় চটিয়া কহিলেন "এ তোর আধুনিক ইতিহাস শিক্ষা হৈল? অনলাইনে বসিয়া জ্বালা ডট কমের চটি পড়িলেও এর চেয়ে ঠের ভাল শিক্ষা পাইতি।"
মশায়ের মুখে একি কথা। রাম রাম। বাঙ্গাল মিউ মিউ করিয়া শুধাইল " তালে কোন বোলগ পড়িব?"

- হুম। জ্বালা ডট কমের দন্ডমুন্ডির কর্তা লিখিতেছেন আমাগোবোলগে। উহা পড়িয়া জ্ঞান বৃর্দ্ধি করিয়া আয়।

পরদিন প্রভাতে বাঙ্গাল স্নান সারিয়া আমগোবোলগে গেল। বোলগের প্রবেশ দ্বারে বড় করিয়া "ড়াজাকার ও কুকুর ঢুকিতে মানা" লেখা। বাঙ্গাল বুঝিল গুরু তাহাকে সঠিক শিক্ষকের সন্ধান দিয়াছেন। চটি জোড়া খুলিয়া সে প্রবেশ করিল।ইহা স্বাধীনতার স্বপক্ষের ইতিহাস শিক্ষক না হৈয়া যায় না। আধুনিক ইতিহাসের চর্চাতো ইহারাই করিতেছে। গুরু বলিয়াছিলেন "আধুনিক ইতিহাসই প্রকৃত ইতিহাস। যে ইতিহাস তোর বাবা-দাদা পাঠ করিয়াছে, কিন্তু ভূলিয়া ভ্রম ঠাউরাইয়াছে...এবং বতর্মানে সে ইতিহাস 'স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি' ঘবেষনা করিয়া টানিয়া তুলিয়া আনিয়াছে উহাই আধুনিক ইতিহাস।"

সুন্দর পাঠশালা। গুছানো। আধুনিক পিসি। স্ক্যানার। ভিডিও ক্যামেরা। আর একখানা পুরানো টাইপ রাইটার এক কোনায় পড়িয়া আছে। আধুনিক পিসির পাশে পুরানো টাইপ রাইটারের কি জরুরত তাহা বাঙ্গালের ক্ষুদ্র খুপ্রিতে ঢুকিল না।

মনিটরে সদ্য লিখা একখানা বোলগ দেখিল। "দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই"। বাঙ্গাল দ্রুত টুকিয়া লইল খাতায় লিঙ্কঃ http://omipial.amarblog.com/posts/101959

কমেন্টে গিয়া বাঙ্গাল প্রশ্ন রাখিল "বাকশাল গঠন করিয়া উহাকে দ্বিতীয় বিপ্লব বলিয়া উহার শীর্ষপদে নিজেই আসীন হৈয়া 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী কি গণতান্ত্রিক কাজ করিয়াছে?'
-উত্তর আসিল। "উহা গণতান্ত্রিক নহে মূর্খ ... সমাজতান্ত্রিক সীদ্ধান্ত। তুই কেরে ...উনাকে তাচ্ছিল্য করিস!"

বেয়াড়া বাঙ্গাল শুধাইলো "গুস্তাফি মাফ করিবেন জনাব। শিক্ষার উদ্দেশ্যে আরো একখানা প্রশ্ন রাখিতে চাই। সমাজতান্ত্রিক দেশ গড়িবার সাধ থাকিলে তা প্রথমেই কেন করা হৈল না। কেন হঠাত ৩ বছর রাজকার্য চালাইবার পর সব রাজনৈতিক দলকে নির্বংশ করিয়া বাকশাল করিতে হৈল। বিরোধীরা কি বড় বেশী গোল বাধাইতেছিল? আর যদি ইহা উনার শেষ খোয়াব হৈবে...তাহা হৈলে আওয়ামী সরকার তাহা বাস্তবায়ন না করিয়া ক্যানো বহুদল লৈয়া ভেজাল পাকাইতেছে? আজ উহাকে পিটায়...কাল তাহার মাথা ভাঙ্গে "

আর বরদাস্ত হৈল না।আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালা হৈতে বাঙ্গালের নাম কাটা গেল। তাহার অপরাধ... সে বড় বেয়াড়া প্রশ্ন করিয়া পন্ডিত মশায়ের ধুতিতে টান ফেলাইয়া দিয়াছিল।
সদুত্তর না পাইয়া আধুনিক ইতিহাস শিক্ষার পাঠশালা হৈতে মাথা চুলকাইতে চুল্কাইতে বাঙ্গাল ফিরিয়া আশিল। দুয়ারে রাখা চটি জোড়া কোথাও খুজিয়া পাওয়া গেল না।


আধুনিক ইতিহাসের পাঠশালায় বাঙ্গাল-দ্বিতীয় খন্ড।
---------------------
বাঙ্গালের অন্যান্য রম্য লেখা
ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান
বুয়েটের ঝড় ডুয়েটেও আসিতেছে! হুশিয়ার!
নয় রশি পীরের(RP9) তাবীজ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29122888 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29122888 2010-03-25 06:41:10
যে কারনে রকিবুল অবসরে...বাঙ্গাল এক্স-ক্লুসিভ "হারবিচ্চারে তোবা কৈরা, বল খেলাডা চাড়"- এরাম একটা গান শুঞ্ছিলাম। কিন্তু আমরার রকিবুল যে হাচা হাচাই তোবা কৈরা বল খেলা চাইড়া দিব...ইরাম বুঝি নাই। অবসর লওনটা আমাগো কালচারেই নাই। কবরে এক পা, এক হাত ঢুইকা রইছে, ঝাতি অবসর ছাইতাছে, তাও অবসর নেয় না এরম কত আছে। আমাদের নান্নু, আকরামরে অবসর দিতে কিরম ঝক্কি গেছে...তা নিশ্চয় সক্কলের ইয়াদ আছে । যাজ্ঞা, মূল কাহিনী হৈল, ২২ বছরের চেংড়া পোলা অবসর-অবসর খেলা শিখল কৈত্থে? চাচা-মামারা তো এরম ছিল না। কাহিনীডা কি?আজকের দিনে এইটাই বাংলাদেশে মিলিয়ন পৈসার প্রশ্ন।

ঢাকার বাতাস থিকা যেইসব স্পেকুলেশন জানা গেছে হের মইদ্দে সরকারী দলের ভাষ্য "আশরাফুলরে বাদ দেয়ায় মির্জা আব্বাস গোসসা হৈয়া (এলাকার পুলা বাদ গেলে দরদী নেতা বেজাড় হৈতেই পারেন)...রকিবুলের বাসায় তবারক পাঠাইছেন"। আব্বাস সাহেবের তবারকে এমন কিছু ছিল "হি(রকিবুল) কান্ট ডিনাই ইট"।

বিরোধী দলের ভাষ্য "লুডা থুক্কু লুটাস কামালের সাথে তেড়িবেড়ি করায় সে...রকিবুলরে আরামে বসতে কৈছে"।ছুডু বেলায় পিটি ক্লাসে "আরামে দাঁড়াও" শুনছি। কিন্তু "আরামে বসা" কি জিনিস সেইটা আইজগা বুঝলাম।

এদিকে আমাদের এরশাদ নানা বলেছেন "আজকাল কার ছেলে পেলেরা ২২ বছরেই ফুরিয়ে যাচ্ছে, স্ট্যামিনা নেই। আমার মতএকটা লং ইনিংস খেলার সামর্থ্য এদের নেই। আপা যদি ক্রিড়া মন্ত্রানালয়ের দ্বায়িত্ব আমাকে দিতেন তাহলে আজ এসব হোত না। আমি ওদের যৌবণ ধরে রাখার, বল বৃ্দ্ধি করার টিপস দিতাম"।

যাজ্ঞা পলিটিকাল প্যাচাল শুনার জন্য আপ্নারা নিশ্চয়ই বাঙ্গালের লেখা পড়েন না। আপ্নারা চান বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ বিশ্লেষন। হেহে। আমি জানি। তাইতো নানা দিকে আতাপাতা লাগায়া জানতে পারছি আসল কারন।

পোলার বয়স ২২। দিলটা নরম। দ্যাশে বিদাশে খেলাধুলা কৈরা তার নরম দিল বেচইন হৈছে। সে ভাল ছেলে। উলটাপালটা কিছু করে নাই। পরিবাররে জানাইছে তার দিলের কথা। কিন্তু পরিবার তারে ২২ বছরে বিয়া দেবে না। বাপে কৈছে "তুই টেস্টে একটা সেঞ্চুরি কর্তার্লে বুঝহুম তুই বিয়া করার মত স্ট্যাবল হৈছোস। যা মন দিয়া খেল। " রকিবুল দেখল এরা তো তারে প্যাচে ফেলাইছে। সেঞ্চু---রীইইইই...সেইটা কি মুখের কথা? সেও বাপকা বেটা...বাপরে উলটা প্যাচে ফেলাইতে...সে অবসরের ঘোষনা দিয়া ফেলছে। রকিবুলের এক অজ্ঞাত পরিচয় মামা এইসব জানাইছে। এমতাবস্থায় রকিবুলরে বিহা দেয়া ছাড়া আমার মাথায় আর কুন বুদ্ধি আস্তেছে না। কি কন, মুরুব্বি?

---------------------
বাঙ্গালের অন্যান্য রম্য লেখা
ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান
বুয়েটের ঝড় ডুয়েটেও আসিতেছে! হুশিয়ার!
নয় রশি পীরের(RP9) তাবীজ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29114232 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29114232 2010-03-11 13:36:39
বুয়েটের ঝড় ডুয়েটেও আসিতেছে! হুশিয়ার! পূর্বপাঠের পুনরালোচনাঃ "ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান" শীর্ষক প্রবন্ধে আপনারা জানিয়াছেন, কি করিয়া ছাত্রন্যাতাদের সবুজ ঘাস ও ইউরিয়া খাইবার দাবির মুখে বুয়েটের নজরুল হল ক্যান্টিন বন্ধ করিয়া দেয়া হোইয়াছে। এই ঘটনাকে পুজি করিয়া কিছু সংখ্যক হলুদ পাঞ্জাবি পরিহিত সাংবাদিক, ফলাও করিয়া প্রচার করিয়া দেয় যে "অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধিদের চাঁদাবাজির দরুন হল ক্যান্টিন বন্ধ হইয়াছে"। লোক মুখে শুনিয়াছি, আমার ডিবাংক প্রবন্ধ পড়িয়া অনেকেই জিব কাটিয়া উক্ত পত্রিকা পড়া পরিহার করিয়াছেন।

এরম অবস্থায় আবারো একটি হলুদ খবর পড়িয়া মেজাজ চটিয়া গেল। এবারে লেখিয়াছে "আলোচ্য জনপ্রিয় অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধি নাকি ডুয়েটের শিক্ষক পদ লাভ করিয়াছেন। এবং এই নিয়োগের পর হৈতে 'ডুয়েট শিক্ষক বিনিয়োগ বোর্ডের' পশ্চাতদেশ হৈতে দলীয় রাজনিতীর ধোয়া বাহির হইতে দেখা গেচে" । আরো শুনা গেচে, ডুয়েট ক্যান্টীন মালিকরা নাকি পূর্ব হৈতেই সবুজ ঘাস ও ইউরিয়া সার জোগাড়ে ব্যস্ত। ডুয়েটে প্রতিটি সবুজ মাঠে এখন ঘাস মাড়াই করা শুরু হোইয়াছে। চারিদিকে নবান্নের থুরি নব-ঘাসের উত্তসব। সকলেই তৈয়ার অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধিকে বরণ করিতে।

প্রথম না হৈয়াও, পরীক্ষালব্ধ ফল খারাপ হৈয়াও, কি করিয়া আমাদের অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধি সবাইকে ডিঙ্গাইয়া শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করিলেন?
ডুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ওই 'বি'নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ড. মো. শওকত ওসমান সাংবাদিকদের এরুপ ত্যাড়া প্রশ্নের জবাবে বলেন "মৌখিক পরীক্ষাটায় সে এত ভাল করেচে, যে উনাকে না নিয়ে পারা গেল না"। হুম! জীবনে এত মৌখিক পরীক্ষা দিয়াছি, কেহ "প" বলিলে আমি প্রশ্ন বুঝিয়া উত্তর দিয়া ফেলাই। ফলাফল "প্রশ্ন না বুঝিয়া উত্তর দেয়ার জন্য অকৃতকার্জ"। যা হোউক। এরুম জাহাবাজ মৌখিক পরীক্ষা দেনে ওয়ালার নিকট হৈতে কিছু টিপস নিবার জন্য প্রান উতলা হৈল। জিমেইল পায়রার পায়ে বাধিয়া প্রশ্ন পাঠাইলাম "কী করিয়া তুমি এমন মৌখিক পরীক্ষা দাও, গুনীন!"। জবাব আসিল "এ আর এমন কি! প্রশ্ন সোজা ছেল!"। বিনয় বিনয়, মহানরা এমনি হয়। বিলক্ষন বুঝিয়াছি। শুধাইলাম "প্রশ্নগুলো উত্তরসহ পাঠাইলে কৃতার্থ হৈ"। এইবার দীর্ঘ উত্তর আসিল, গলায় এটাচমেন্ট বাধা পায়রা। খুলিয়া পড়িলাম-
"জনাব, পদধুলি নিবেন। অনেক পরিশ্রম করিয়া মাথার পেশীগুলি পিশিয়া সেদিনের প্রশ্ন ও উত্তর মেমরী কুঠুরী হৈতে বাহির করিয়াছি। সারাজীবণ কৃতজ্ঞ থাকিবেন আশা করি"।

প্রশ্ন ১। বাবা তোমার নাম কি?
উত্তর। অমিত সম্ভাবনা
প্রশ্ন ২। বাহ বাহ। সুন্দর নাম। তোমার অপেক্ষাতেই আমরা ছিলাম। ভিসি সাহেব স কাল হৈতে ফোন করিয়া তোমার নাম স্মরণ করাইতেছেন প্রতি ঘন্টায়। হেহে(বিগলিত হাসি)। সকালের নাস্তা খেয়ে এসেচ, না গিয়ে খাবে?
উত্তর। আজ্ঞে না, নাস্তা হয়নি। নজরুলের ক্যান্টীন বন্ধ রৈয়াছে। জানেন নিশ্চয়?
প্রশ্ন ৩। হ্যা হ্যা, জানবনা ক্যানো। তো তুমি যাও তবে... তোমার পরীক্ষা শেষ।
উত্তর। এ কি করিয়া হয়। রাত জাগিয়া এত এত পড়িয়া আসিলাম। আপনারাতো কিছুই জিজ্ঞাসা করিলেন না।
প্রশ্ন ৪। তবে তো প্রশ্ন করিতেই হয়। একটা অংক ধরি, তুমি চাদা চাহিলে ৫০হাজার, পাইলে ১০ হাজার। এখন বলতো, ২০ হাজার টাকা চাদা লাভ করিতে হৈলে তোমাকে কত চাহিতে হৈত?

উত্তরঃ হেহে। দাদা পাগল আছেন নাকি? ভাবিয়াছেন দ্বিগুন চাহিলেই দ্বিগুন পাওয়া যাইবে? হেহে। ২০ হাজার পাইতে হৈলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করিয়া কোন লাভ নাই। ব্যাটা কঞ্জুস ক্যান্টীন মালিক কিছুতেই ১০ হাজারের বেশী দিবে না। আমি চাহিয়াছি বলিয়া ১০ হাজার দিয়াছে। স্বয়ং শেখ কামাল কবর হৈতে উঠিয়া আসিলেও এর চাইতে বেশী চাদা আদায় করিতে পারিত না।হুহ! ২০ হাজার টাকা চাদা পাইতে হৈলে ৫০ হাজারই চাইতে হবে, তবে দুইজনের কাছে। নজরুলের ক্যান্টিন ও আউল্লার ক্যান্টিন।

আমার এই উত্তরে চমৎকৃত হৈয়া, তাৎক্ষনিক প্রশ্নকর্তা মূর্ছা যান।।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29109410 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29109410 2010-03-03 21:32:48
ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান "ক্যান্টিনে নাস্তা করিয়া সুখ হইতেছে না। ক্যান্টিনে ভর পেট নাস্তা করিলেও বৈকাল পার হইতেই লুঙ্গির প্যাচ হালকা হইয়া যায়।" দিনের পর দিন অপুষ্টি চলিতে থাকায় ছাত্রদের পশ্চাদদেশের চর্বিস্তুপ গলিতে লাগিল। কোমরবন্ধনীর কাটা নামিতে নামিতে এমন অবস্থায় নাবিল যে, অস্ত্রপচার করিয়া নতুন ফুটো না করিলেই নয়। বাতেল ছাত্রদের ব্যাপক স্বাস্থ্যহানি ঘটায় অনেকের ছাত্রী-প্রেমিকা অন্যত্র ভাগিয়া গেল। এমতাবস্থায় আতেল ছাত্রকূলও ক্ষেপিয়া উঠিল। তাহারা কাষ্ঠনির্মিত শক্ত চেয়ারে বসিয়া পাঠে মনোযোগ দিতে পারিতেছিল না। পশ্চাদদেশের ব্যথায় উহাদের বিদ্যা ধ্যানে ব্যাঘাত ঘটিল। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করিতে নজরুল হলের কমন রুমে ছাত্রকূল এক্ত্রিত হইল।

একজন টিংটিঙ্গে ছাত্র দাড়াইয়া কহিল "ভাই সকল এরুপ আর চলিতে দেয়া যায় না। অপুষ্টির কবলে পড়িয়া... গেল মাসে আমাদের ফুটবলদল গোহারা হারিয়া ১ম রাউন্ডেই বিদায় নিয়াচে। হলের মান ইজ্জত খানদান ধুলায় মিশিয়া গিয়াছে।"
আরেক বিজ্ঞ ছাত্র ল্যাপটপ খুলিয়া এক্সেল শিট দেখাইয়া বলিতে লাগিল "গেল টার্মে আমাদের হলের মাথাপিছু সিজিপিএ নামিয়া গিয়া এখন ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন... "
একজন সাধারন ছাত্র প্রতিনিধি দাড়াইয়া হাকিল "ইহা স্মরণকালের সবচাইতে বড় বিপর্যয়, একাডেমিক ও এক্সটা কারিকুলার জগতে আমরা ক্রমেই পিছাইয়া যাইতেছি। আমাদের ঐতিহ্য সমুন্নত রাখিতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকেই ভাবিতে হইবেক"।
গোল বাধিয়া গেল কি করা যায় তা লইয়া। নানা মুনির নানা মত। শেষে সাব্যস্ত হইল "হল ক্যান্টীনের উপর কড়া নজর রাখা হইবেক, এর হিসাব কিতাবে স্বচ্ছতা আনিতে কম্পুটারাইজ করা হইবেক। খুজিতে হইবে ক্যানো খাদ্যমান নামিয়া যাইতেছে.. "। আলোচনা ভালই চলিতেছিল...কিন্তু ন্যাতারা আসিয়া বিবাদ বাধাইল। ন্যাতাদের পেশী বহুল শরীর...ছাত্রকূল দিন দিন শুকাইলেও...ন্যাতারা ক্যানো যানি তাগড়া হইয়া উঠিতেছেন। ক্ষমতাসুখের কারনেই কিনা। ন্যাতারা হুমকি দিয়া বলিলেন "ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ...জানা আচে নিচ্চয়...যে যার গর্তে না ঢুকিলে খবর করিয়া দিব কিন্তু"। যে যার মত রুমে চলিয়া গেল।


কিন্তু পরদিন হইতে নজরদারি চলিল... চুপি চুপি। সারাদিন কোন কিছু ধরা পড়িল না। কিন্তু রাত্রি ৪ ঘটিকায় ক্যান্টিনের পাশে টিংটিঙ্গে সেই সাধারন ছাত্রপ্রতিনিধি, চেচাইয়া লোক জড়ো করিল । টিংটিঙ্গের হাক শুনিয়া অনেকে নামিয়া আসিল ...কি হইয়াছেরে? টিংটিঙ্গে একখানা ত্রিচক্র-যানের পাশে দাড়াইয়া আছে। ঘটনা যাহা জানা গেল..."টিংটিঙ্গে হল ক্যান্টিনের সামনে ভ্যানচালক আর ক্যান্টিন মালিককে কথা কহিতে দেখিয়াছে। আগাইয়া আসিতেই...টিংটীঙ্গেকে দেখিতে পাইয়া ভ্যানচালক আর ক্যান্টীনের মামা উভয়েই দৌড়াইয়া কোথায় জানি লুকাইয়াছে"। ভ্যানে বিশাল ...সাদা বস্তা। সমবেত ছাত্ররা বস্তা কাটিয়া দিল। হড়হড় করিয়া বস্তা হইতে সবুজ ঘাস পড়িল। আর পাওয়া গেল ছোট একবস্তা ইউরিয়া সার। ক্ষুধার্ত মানুষ দ্রুত ক্ষেপিয়া যায়। তাই ছাত্ররাও ক্ষেপিয়া ক্যান্টিনে হানা দিল..."কোথায় গেলিরে ...হতভাগা ক্যান্টীন মামা"। শোর শুনিয়া ভয়ে ক্যান্টিন মামা লুঙ্গি তুলিয়া পালাইয়া গেল। দরজা ভাঙ্গিয়া ভিতরে ঢুকিল। ক্যান্টিন বয়দের শুইবার ব্যবস্থা ভিতরেই...উহারা জাগিয়াছে আগেই। অগ্নি মূর্তি ছাত্রদের দেখিয়া সব বলিয়া দিল..."ন্যাতারা পুষ্টি বাড়াইতে সবুজ ঘাস আর ইউরিয়ার মিশ্রণ অর্ডার দিয়াছে ক্ষমতায় আসিয়াই...প্রথমে ভালই চলিতেছিল...কিন্তু সারাদেশে সবুজ ঘাসের আকাল পড়ীল...পাশের অক্সফোর্ডে আর কবিরাজখানাতেও ব্যাপক মাত্রায় সবুঝ ঘাসের অর্ডার আসাতে...সবুঝ ঘাস আর ইউরিয়ার দাম বাড়িয়া গেল... খরচা কমাইতেই সাধারন ছাত্রদের খাবারে টান পড়িল...সেই জন্যই হালিমে মাংস নাই, বার্গারে কিমা নাই, সসে টমেটো নাই, জিলাপিতে শিরাও নাই"। সকলেই বুঝিতে পারিল...তাহাদের দূরাবস্থার মূল কারন কি! প্রভোষ্টের বাড়িতে সেই ভোর রাত্তিরেই ফোন বাজিল...। প্রভোষ্ট ধড় স্যার ধড়মড় করিয়া ঘুম হইতে উঠিলেন। ফোনে ২/১ মিনিট বৃত্তান্ত শুনিলেন...অস্থির প্রকৃতির মানুষ উনি... কিন্তু সবুজ ঘাস আর ইউরিয়া দিয়া নেশা করিবার বর্নণা শুনিয়াই...হাকিলেন "পিএলের মধ্যে কাহিনী ফাদিয়াছ?...ভাবিয়াছ গোল বাধাইলেই পরীক্ষা পিছাইবে?...নটাঙ্গির দল...আজ হইতে তোদের ক্যান্টিন বন্ধ। পড়িতে বস সকলে "। বলিয়া খটাশ করিয়া ফোন কাটিয়া দিলেন।

পরদিন খবরে প্রকাশঃ প্রথম আলো - ছাত্রলীগের চাঁদা দাবির মুখে বুয়েটের হল ক্যানটিন বন্ধ

ক্যান্টিনে শোরগোল! দ্বিতীয় পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29106730 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29106730 2010-02-27 18:08:25
গত বছরের প্রশ্নগুলার উত্তর এখনো পাই নাই "কন্সপিরেসি থিওরী রিপোষ্ট" Conspiracy theory part 1 যখন লেখছিলাম...তখন এত ঝামেলায় পড়ি নাই। কারন অখন তেমন ডিটেইলস কাহিনী জানতাম না। এখন হইছে প্রব্লেম। এক এক জন এক একটা নতুন নতুন কাহিনী বলতেছে। কারো কথা বিশাস হয় না।যাদের কথা বিশাস হবার কথা...এরাই সব চেয়ে বেশি মিথ্যা বলতেছে। পুরা জাতিকে এরা ৪ দিন মিথ্যা বলছে, সজ্ঞানে। নিখোজ ৭২ জন...(Who were believed to be dead)..এইটা ছিল একটা ভাওতাবাজী। Gen Jamali ” Initially, we got to know that 168 officers were there. But we could not trace them. (Their) relatives started asking about them. They did not know where those officers were. So we guessed they were missing” guess? Ppl are dying and he is guessing? কেন করলো...হয়তো...আমাদের(ব্লাডি সিভিলিয়ানদের) সিম্প্যাথি নেয়ার জন্য। সাধু সাধু

১। কিন্তু উনারা এই মিডিয়া প্রপাগান্ডা ছাড়া ২৫-২৮ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কি করছেন? পিলখানার চারদিকে নজরদারী করছেন। যার ফলাফল...হাজার হাজার BDR সদ্যস্য হাপিস...পুরা গায়েব। সংখ্যাটা ১০-১২ হইলে ভাবতাম সুরং কাইটা এরা ভাগছে...কিন্তু না...সংখ্যাটা কয়েক হাজার(১০,০০০-৫০০=৯,৫০০প্রায়!!!)

২। উনারা সকল Airport, ঢাকা থিকা বের হবার রাস্তায় কি চেকপোস্ট বসাইছিলেন? আমার জানা মতে Zia International Airport এ ২৫-২৬-২৭ কোন Special Army check post ছিল না।মনে হয়, উনারা অয়েটাইতেছিলেন, কখন প্রধানমন্ত্রী বাশি ফু নিয়া...অপারেশন রেবেল হান্ট সুরু করেন। এখন তারা বলতেছে...এরা সব নাকি বর্ডার দিয়া পলাইছে...।আরে বেটা...ঢাকা থিকা বের হবার রাস্তায় চেকপোস্ট থাকলে বর্ডার প্রযন্ত যায় কেমনে?

৩। আমাদের সেনাপ্রধান ও প্রধান্মত্রী আর্মি অফিসারদের সাথে একটা মিটিং করছেন...সেই মিটিঙ্গের কোন নিউজ কোন পেপারে নাই...কিন্তু ফেসবুকে এর অডিও আছে। এতে অবাক হবার কিছু নাই। জলিল বাবর সেলিমের রিমান্ডের অডিও যে পথে বাজারে আসছে এইটাও সেই পথেই আশ্চে।খুব খেয়াল করে শুনেন...পুরা অডিওতে প্রধান্মত্রী মেলা কথা বলছেন।পাশের সিটে বসা...U সাহেব, উনার কথা তো এক্টাও শুনলাম না।উনি কি যান্তেন...এই অডিও টেপ হইতেছে...বাজারেও আসবে?
Click This Link

৪। লেফটেনেন্ট করনেল কামরুজ্জামান...যিনি ছিলেন ডিজি শাকিলের(আল্লাহ তার আত্মার শান্তি দিন)...সাথে ২৫ তারিখে...দরবার হলে...উনার ভাষ্য মতে, লাইভ আমুনিশন ছাড়া ফায়ারিং শুরু হইছে...দরবার হলের বাইরে থেকে...১০।৪৫ থেকে ১১ টার আগে কেউ মারা যায় নাই...ডিজি শাকিলের সাথে প্রধান্মন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের কথা হয়। উনারা force পাঠাবেন বলেছিলেন। RAB এর গুলজার সাহেব (আল্লাহ তার আত্মার শান্তি দিন) ফোন করেছিলেন...RAB কে জানানো হয়েছিল। খুব স্বাভাবিক...বিপদে পড়লে সবার কাছে সাহায্য চাইবে এটাই স্বাভাবিক ও বিশ্বাসযোগ্য।
কিন্তু...বিদ্রোহকারী ৪৪ব্যাটলিয়ানের প্রধান লেফটেনেন্ট করনেল শামস ETV কে বলেছেন...”মনে হয় ১০।৩০ এর আগেই সবাইকে মারা হয়েছে”(?!)উনি নাকি লুকায়া ছিলেন উনার box খাটের নিচে...উনি এতটাই স্পষ্ট দেখেছেন যে...”Ash কালারের গাড়ি...৩/৪ টা আমুনিশন বক্স খোলা দেখেছেন।”
http://www.youtube.com/watch?v=HJBbsQOduvQ
আমার প্রশ্নঃ চান্দু...তোমার ব্যাটলিয়ানের লোকে বিদ্রোহ কইরা...এত্তগুলা লোক মাইরা ফেলাইলো...আর তুমি box খাটের নিচে ছিলা কেন...এখন ETV তে statement দিয়া বেরাইতাছো...শরম করে না? সরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগে উনার পদত্যাগ করা উচিত।... সবার আগে রিমান্ডে নেয়া দরকার।

৫। “মাননীয় প্রধান্মত্রী, আপনি যদি সরবোচ্চ অবস্থানে থেকে কাউকে সাহায্য করতে না পারেন, তাহলে আমাদের ইনিস্টিটিউশ্নের(আর্মি) দরকার কেনো? দিয়ে দেন অন্য দেশকে লিজ”---লেফটেনেন্ট করনেল জামান।কতটা দুক্ষ আর আফসোস নিয়ে একজন অফিসার এই কথা বলেন “দিয়ে দেন অন্য দেশকে লিজ।” প্রতিবেশী দেশের বিমান বাহিনী নাকি প্রস্তুত ছিল আমাদের মাননীয় প্রধান্মত্রীর ফোনের অপেক্ষায়। বিডিয়ারের বেতন ভাতা ব্রিদ্ধির জন্য ট্যাকা পইসাও নাকি দিতে চান উনারা। তাইলে আর সমস্যা কি?লিজ দিয়া দিলেই হয়। আর্মি বিডিয়ার দিয়া আমরা হাল চাষ করাই...ব্যস...খেল খতম।

৬। ডিজি শাকিলের ফোন পেয়ে প্রধান্মত্রী...সামরিক উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানকে জানান। এদের মদ্দে কেউ একজন প্রধান্মত্রীকে বলেছেন “সেনাবাহিনী যেতে ২ ঘন্টা লাগবে”আমার মনে হয়...ঢাকা ক্যান্টন্মেন্ট থেকে রাইফেল স্কয়ার আস্তে ট্যাক্সি ক্যাবেও ১ ঘন্টার বেশি সময় লাগে না। জুতা মুজা underwear পড়তে বাকি ১ ঘন্টা?হয়তো উনার নিজের ১ ঘন্টা লাগে...তাই হিসাব করে বলেছেন। খুজে দেখতে হবে কার জুতা মুজা underwear পড়তে ১ ঘন্টা লাগে।
আজকে আবার শুনলাম নতুন কাহানী...ফেসবুকে জয়কে নিয়া লেখালেখি হইতাছে...সেটা নাকি সরকারের পছন্দ না। ভুল কি লেখা হইছে...পারলে সামুতে আইসা জবাব দেনঃ
Click This Link

প্রথম "কালোও" এইটা ধামাচাপা দিতে ২ দিন ধইরা ১০ টেরাক ১০ টেরাক করতাছে।
Click This Link

youtube, e-snipes and mediafire এগুলাও নাকি অফ কইরা দিতেছে আমাদের সাহসী...সরকার. বাকি আছে ফেসবুক।
Click This Link

আরো কিছু গুপ্ত হত্যা
Click This Link
আজকে এ প্রযন্তই থাক...মুখে অনেক থু থু জইমা গেছে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29105337 http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/29105337 2010-02-25 15:33:48