আমার প্রিয় পোস্ট

Every man dies, not every man really lives.

সারাবিশ্বে মোবাইল ও কিছু তথ্য

০১ লা জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:২১

শেয়ার করুন:                   Facebook


বাংলাদেশ : বাংলাদেশে মোবাইল ফোন প্রথম চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। Hutchison Bangladesh Telecom Limited (HBTL) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে ।

বর্তমান অবস্থা :বাংলাদেশের ছয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানী গত মাসে ১৭ লক্ষ গ্রাহক বৃদ্ধি করতে পেরেছে। ফলে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ৪ কোটি ২০ লক্ষ অতিক্রম করেছে। এশিয়ার যেসব দেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তিন কোটি ৪০ লক্ষ্যে উপনীত হয়েছিলো বলে বিআরটিবি আজ জানিয়েছে। ২০১১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা সাত কোটিতে পৌছাবে বলে বাজার সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি জরীপে দেখা গেছে।

বিশ্ব : মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ডঃ মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে। তিনি ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফল ভাবে এই ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন।

বর্তমান অবস্থা : ২০০৭ সালে মোবাইল ফোনের বিক্রির পরিমান আকাশচুম্বী আর তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ মিলিয়নের বেশি। সম্প্রতি গার্টনার বাজার গবেষণা করে এ রিপোর্ট দিয়েছে। সারা বিশ্বে ২০০৭ সালে ১.১৫ বিলিয়ন মোবাইল বিক্রি হয় যেখানে ২০০৬ সালে এ বিক্রির হার ছিল ৯৯০.০ মিলিয়ন। এক বছরে ১৬% বিক্রি বৃদ্ধি থেকে বোঝা যাচ্ছে বিশ্ববাজারে এ প্রযুক্তির চাহিদা কেমন। তার উপরে দিন দিন মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে আসছে তাতে রিপ্লেসমেন্টের হারও কম নয়। উন্নত বিশ্বে নতুন সেলফোন আসা মাত্র সেটার ব্যাপক প্রচার আর আপডেটেড অবস্থা ক্রেতাকে বিশেষভাবে নতুন সেট কিনতে আগ্রহী করে তুলছে। সবাই এখন চায় সাম্প্রতিক আসা মোবাইল সেট ব্যবহার করতে। অনেকের ক্ষেত্রে এটা স্টাইল অনেকের জন্য এটা চাহিদা।


এখন ল্যাপটপ হাতে নিয়ে ঘোরার চেয়ে মিনি কম্পিউটার কাম মোবাইল বেশি পছন্দ ব্যবসায়ীদের। আর প্রতিযোগিতার বাজারে এটাও একটা বড় উপাদান প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার।

আর তাছাড়া যুবকদের জন্য বিনোদনের এক অপূর্ব মাধ্যম মোবাইল। বাসে ট্রেনে যেখানেই তারা ঘুরছে তাদের কানে দেখা যাচ্ছে হেডফোন। আর হেডফোনের তারের শেষ অংশটা মোবাইলের সাথে সংযুক্ত। মোবাইল সেট নির্মাতারা সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে এফএম রেডিও আর এমপিথ্রিকে সংযুক্ত করে। ফলে সকল বয়সীরা মোবাইলকে শুধু যোগাযোগের মাধ্যম না, তাদের একান্ত সঙ্গী মনে করছে দৈনন্দিন জীবনে।

গার্টনারের মোবাইল ডিভাইস গবেষণা পরিচালক ক্যারোলিনা মিলানেসির মতে, চীন এবং ভারতে মোবাইল ফোনের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে বিশেষভাবে। এ বাজার জাপান এবং পশ্চিম ইউরোপের বাজারের মতো শক্তিশালী। এ বাজারগুলোতে হাই রেজুলেশন ক্যামেরা, জিপিএস ফাংশন, টাচস্ক্রিন এবং টিভি টিউনার সমৃদ্ধ ফোনগুলো সবচেয়ে বেশি চাহিদা তৈরি করছে।

বিশ্ববাজারে জায়ান্ট মোবাইল ফোন নির্মাতা নোকিয়া ৪০% মার্কেট শেয়ার দখল করে রেখেছে গত বছরের শেষের দিকে। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৪৩৫ মিলিয়ন ফোন বিক্রি করেছে। অন্যদিকে মটোরোলা ঐ বছর বাজার ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এলজি, স্যামসাং এবং সনি এরিকসন ২০০৭ সালে তাদের শেয়ার ধরে রাখতে সক্ষম হয়। উপরন্তু তারা আগের বছরগুলোর চেয়েও ভালো করছে।

গার্টনারের বিশেষজ্ঞরা মনে করছে ২০০৮ সালে মোবাইল বিক্রির হার ১০% বাড়বে এবং এর হার দেখা গেছে উন্নত বিশ্বের বাজারে। তবে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপে এ বিক্রির হার কিছুটা ধীর গতিতে চলছে, ফলে গোটা বিশ্বের এ হার অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছু কম হয়েছে। উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ আশা করছে এ বছরের মধ্যে তারা ৩০% বিক্রি বাড়াবে মোবাইল ডিভাইসের।

গার্টনারের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোকিয়ার বিক্রি বৃদ্ধি যে হারে আমেরিকায় হওয়া দরকার ছিল, সেখানে সেটা দেখা যাবে না। বরং উত্তর আমেরিকায় নোকিয়ার বাজার ভালো। আমেরিকার ক্রেতারা নোকিয়ার এনসিরিজ ফোনকে স্বাগত জানায় এর উন্নত ফিচারের জন্য এবং এর পাশাপাশি অ্যাপলের আইপড তার নতুন আবেদন নিয়ে এমনভাবে বাজারে আসে যে নোকিয়াও এতে কিছুটা চাপের মুখে পড়ে।

অন্যদিকে মটোরোলার অবস্থা নিয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান খুব বড় ধরনের আকাঙ্খা নিয়ে বসে নেই। তারা এ বছর তাদের নতুন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে ভাবছে। তারা হ্যান্ডসেট বিক্রি নিয়ে এখনও কোনো বড় পরিকল্পনা করছে না।

গার্টনারের রিপোর্টে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। আর তা হলো মোবাইল হ্যান্ডসেট নির্মাণে নতুন সদস্যের আগমণ। এর মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান জেডটিই খুব অল্প দামে সেট বিক্রি করছে যা ইতিমধ্যে ইউজার এন্ডে পৌঁছে গেছে। সবচেয়ে চমক রয়েছে এ বছর যে বিষয়টাকে নিয়ে তা হলো- গুগলের সেল ফোন। বছরের যে কোনো সময় এটা উন্মুক্ত হবে। আর তখন দেখা যাবে এ বছর মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রির পরিমান কতটা আকাশচুম্বী হয়?


সূত্র : ইত্তেপাক ও উইকিপিডিয়া

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মোবাইল ;

 

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ২০৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
০১ লা জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:২৮
comment by: তানিয়া রেহমান বলেছেন: PDF করে রাখলাম পরে পরব ।
০১ লা জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৩. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
comment by: ছাগল ফাউন্ডেশন বলেছেন: ইত্তেপাক
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, ইত্তেপাক ।

৪. ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
comment by: অচিন অচেনা বলেছেন: েতামার েলখাটার জন্্য ধন্যবাদ তাও আবার বািস।হা হা হা.........................................................
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: বাসি ! তাই হবে হয়তো।

 



 


বন্দ্ধু মানেই একসন্ঙ্গে অনেকটা পথ চলা
বন্দ্ধু মানেই প্রানের কথা যা কাউকে যায়না বলা
যতই নামুক রাত্রি গভীর ঘনাক আঁধার কালো
বন্দ্ধু মানেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৩৪৮৯