আমার প্রিয় পোস্ট
- ইন্কলিং অফ অ্যান আইসকোল্ড কন্সপীরেসী : প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের লাটভাই কে ? - দাসত্ব
- SEO (Search Engine Optimization) টিউটোরিয়াল লিংক - খুজে ফিরি অজানা কে?
- সফটওয়্যারের নিশ্চিত মান নিয়ন্ত্রণ - আফরোজ_জাহান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ছন্দোবদ্ধ বাংলা কোরআন, পর্ব-১৪ (নামাযের দোয়া-৩) - মৈত্রী
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- ই-বুক বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- “এবং ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই কর যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং দ্বীন একান্তভাবে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়।” (আনফালঃ ৩৯) - *~জানি না~*
- ২৮ অক্টোবর : সংঘর্ষের দুটো পক্ষ : কি তাদের বৈশিষ্ট্য ! - ভালো
- পাল্টিয়ে দেন দিন - মেহেরুল হাসান সুজন
- নাস্তিকতার প্রথম ক্লাস - কমুনিস্ট
কোন একদিন.. এদেশের আকাশে... কালেমার পতাকা দুলবে, সেদিন সবাই ... খোদায়ী বিধান পেয়ে দু:খ বেদনা ভুলবে..

মসজিদের মিনার নিষিদ্ধ করার পক্ষে রায় দিয়েছে সুইস নাগরিকগন!!!
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
শুরুটা হয়েছে চার-পাচশ বছর কিংবা তারও আগে। গ্রানাডার মুসলিমদের নের্তৃত্বের দুর্বলতাকে পুঁজি করে সাধারন মুসলিম জনগনকে ধোঁকা দেয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল হিংস্র খ্রিস্টানগন। যে মুসলিমগন ইউরোপকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করেছে, তাঁদের অনেককে তারা ধোঁকা দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। যারা তাদের প্রিয় জন্মভূমিকে ত্যাগ করে সাগর পাড়ি দিয়ে ইসলামি রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিল তারাই শুধু বেচে গিয়েছিল। আর যারা পালাতে পারেনি, তাদেরকে খ্রিস্টান রাজার আদেশে চরম অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সে অত্যাচারে অনেকে শহীদ হয়েছেন, কেউ কেউ আবার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অপমানজনক "মরিস্কো" খেতাব নিয়ে অন্ত:স্বার শুন্য হয়ে ধুঁকে ধুঁকে জীবনের বাকিটা সময় কাটিয়েছেন।
"মরিস্কো"। হয়তোবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এটিই ইউরোপের প্রথম অপমান। মুসলিমগন সাতশ বছর স্পেন শাষন করেছে। তাদের পতনের পর মুসলিমদের প্রধান শক্তি অর্থাৎ তাদের মূল পরিচয়কে কেড়ে নিয়েছে স্পেনের নতুন শাষকগন। মুসলিমদেরকে এমনভাবে কোনঠাসা করে ফেলা হয়েছিল যে, তাদেরকে হয় মরতে হতো নয়তো নিজের ধর্মকে ত্যাগ করতে হতো। শেষ পর্যন্ত ধর্মান্তরিত হয়েও তাদের শেষ রক্ষা হয়নি, তাদের কে নতুন পরিচয় দেয়া হল, মরিস্কো। তাদের সকল নাগরিক সুবিধা কেড়ে নেয়া হল। তাদেরকে নিজদেশে শরণার্থী মত জীবন যাপন করতে হয়েছে।
সময় পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর গীর্যার পবিত্র পানি ছিটিয়ে কাউকে মরিস্কো ঘোষনা করে পার পাওয়ার উপায় নেই। ইউরোপ এখন আর কারো নাগরিক সুবিধা কেড়ে নিয়ে আন্তর্জাতিক কমুনিটিতে নিজেদের বিভৎস রূপ সহজে বের করতে আগ্রহী নয়। তাই তারা বেছে নিয়েছে নতুন কর্ম পদ্ধতি। ফ্রান্সের আদালত নারীদের হিজাব পরার উপর বিধি নিষেধ জারি করেছে। ডেনমার্কের পত্রিকায় মহানবীর (সা) কার্টুন ছেপে তাদের হৃদয়ের জিঘাংসাকে নগ্ন করে দেখিয়েছে। তারা ইসলামকে হেয় করে মুক্তি দিয়েছে "ফিতনা" চলচ্চিত্রকে। এভাবে চলছেই। আজ সুইজারল্যান্ডের প্রতিক্রিয়াশীল নাগরিকগন মসজিদের মিনার নিষিদ্ধকরনের পক্ষে রায় দিয়েছে।
একজন মানুষ কোন পোষাক পরবে, তার বাড়ি কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কেমন চিহ্ন ব্যবহার করবে তার উপর কোন সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোন কারন আছে কিনা আমার মাথায় ধরেনা। প্রায় শতভাগ মুসলিম দেশের নাগরিক হিসেবে আমি হিন্দুদের মন্দির কিংবা খ্রিস্টানদের গীর্জার আকৃতি পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেয়ার পক্ষপাতি নই। বৌদ্ধদের প্যাগোডায় মিনার থাকবে কি থাকবেনা তা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথাও নেই। তবে কেন আধুনিকতার ধামাধারী, মৌলবাদবিদ্বেষী ইউরোপীয়রা সংখ্যালঘুদের সব ব্যপারে হস্তক্ষেপ করতে আগ্রহী?
ঘৃনা করি এ আধুনিকতা। যে আধুনিকতা মানুষকে উদার করে না, বরং আরো সংকীর্নমনা করে দেয়। এই আধুনিকতার ধারে কাছে যেতেও আমি আগ্রহী নই। আমি মুসলিম, ইসলাম আমায় উদার হতে শিখিয়েছে, আমি ভাল মুসলিম হতে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অন্যরকম মানে? একই কারন, ইসলাম বিদ্বেষ, তথা খ্রিস্টান মৌলবাদ।
উচ্ছল বলেছেন:
আমি মুসলিম, ইসলাম আমায় উদার হতে শিখিয়েছে, আমি ভাল মুসলিম হতে চাই।
লেখক বলেছেন: আমরা ভাল মুসলিম হতে চাই।
ডিজিটাল কলম বলেছেন:
নাউজুবিল্লাহ......সুইসদের ওয়াক থু
লেখক বলেছেন: মক্কা যেদিন বিজয় হয়েছিল, সেদিন মহানবী (সা) সকল শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তার ফলে শত্রুরা পরম বন্ধুতে পরিণত হয়েছিল। আমরাও ইউরোপীয়দেরকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত আছি। তবে অপেক্ষা শুধু বিজয়ের।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অন্যরকম মানে? একই কারন, ইসলাম বিদ্বেষ, তথা খ্রিস্টান মৌলবাদ। আমার পোস্টখান পড়েন নাই। কারণ হইল অনেকটা অর্থনৈতিক, আর বেশ খানিকটা সাংস্কৃতিক।
লেখক বলেছেন: দি টার্মিনাল সিনেমায় একটা ভারতীয়ের ঝাড়ুদারের রোল ছিল। রোলটা ছিল এমন যে, তিনি খুনের আসামী হয়ে আমেরিকায় পালিয়ে এসেছিলেন। তাঁর একটা সংলাপে বলেছেন যে, "এদেশে আমি কি এবং কেন এসেছি তা কোন ব্যাপারই নয়, যতিদিন আমি তাদের জন্য কাজ করব, ঝাড়ুদার হয়ে থাকব ততদিন আমি এদেশে নিরাপদ।" সংলাপটা হুবহু এটি না হলেও বক্তব্য এটিই। ইউরোপ চায় একদল শ্রমিক তাদের দেশে আসুক, তবে তাদের পরিচয় ইসলাম হলে তা সহ্য করা হবে না।
রাজন সান বলেছেন:
মিনার ব্যানের কারণ খ্রিস্টায় মৌলবাদের নতুন জাগরণ। তারা ইসলাম বিদ্বেষী।
লেখক বলেছেন: ইসলামের বিদ্বেষের কারনেই তারা মুসলিম পোষাকের কোড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আকৃতি সহ্য করতে পারছেনা। অর্থনৈতিক কোন কারন নেই।
আধুনিকতার আড়ালে লুকানো পশ্চিমাদের ভন্ডামীটা আস্তে আস্তে খোলাসা হচ্ছে এটা সুসংবাদ।
লেখক বলেছেন: ইউরোপীয়রা অনেক জঘন্য মানসিকতার জাতি, কিন্তু আধুনিক মিডিয়ায় তা এমনভাবে প্রচার করা হয় যাতে তাদেরকে সবাই হিরো বলে জানতে শুরু করে।
সৌরদীপ্ত বলেছেন:
আল্লাহ মুসলমানদের জয়ী করবেন নিশ্চয় ।
লেখক বলেছেন: ইনশা আল্লাহ।
লেখক বলেছেন: মাটিতে লুটোপুটি খাওয়া আধুনিকতা নিয়ে যাদের গর্ব তারা সত্যিই আর ঐ ঔদ্ধত্যকে সহ্য করতে পারছেনা।
পেনাল্টিমেট বলেছেন:
জার্মানিতেও এমনটা হয়েছিল। সেখানে নির্মিতব্য এক মসজিদের মিনার স্থানীয় গির্জার চাইতে কিছুটা উঁচু হয়ার কারণে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করেছিল। তাদের সাথে সুর মিলিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী এঞ্জেলা মার্কেল। পরে জানানো হয়েছিল যে, মসজিদের মিনার কিছুতেই গির্জার চাইতে উঁচু হতে পারবেনা। তাতে নাকি জনগণের সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগবে। আসলে ইউরোপিয়ানরা চরম বর্ণবাদী ও মৌলবাদী।
কালের সাক্ষী বলেছেন:
আমি মুসলিম, ইসলাম আমায় উদার হতে শিখিয়েছে, আমি ভাল মুসলিম হতে চাই।
লেখক বলেছেন: আমরা সবাই ভাল মুসলিম হতে চাই।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
নিন্দা জানাই সুইজারল্যান্ডের এধরণের সাম্প্রদায়িক মনোভাবের প্রতি। তবে সংঘর্ষটা মনে হয় সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকগত বেশী।অঃটঃ মিনার কিন্তু ধর্মীয় কোনো উপাদান নয়। এটি ইসলামী স্থাপত্য শিল্পের একটি অংশ। "মসজিদে মিনারের সূচনা করেন উমাইয়া খলীফাগণ। সিরিয়াতেই প্রথম মসজিদ মিনার স্থাপিত হয়। সেখানে দেশীয় নজরদারী মিনারের ধাঁচে অথবা তার অনুকরণে নির্মিত গির্জার মিনারের ধাঁচে গোড়ায় তা নির্মিত হতো, যা ছিলো বর্গাকার। দামাস্কাসে উমাইয়াদের মসজিদে একটি মিনারের সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করার ব্যাপারে যাঁদের মত পাওয়া গেছে তাঁদের মধ্যে একজন খোলাখুলিই বলেছেন, ওই মিনারটি ছিল সেন্ট জনের গির্জার নজরদারী-মিনার(নাতুর)। মিশরে মুয়াবিয়ার রাজ্যপাল জিয়াদ পাথরের মিনার তৈরি করেন। তিনি আল-ফুসতাতে আমর প্রতিষ্ঠিত মসজিদের চারটি কোণের প্রত্যেকটির ওপর একটি করে মিনার বসান।আল-ইরাকের বাসরা মসজিদে মুয়াবিয়ার রাজ্যপাল জিয়াদ পাথরের মিনার বসান।"(সূত্র- হিস্ট্রি অফ আরবস-পি.কে. হিট্টি)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার দেয়া তথ্যের জন্যে।
সুধাসদন বলেছেন:
আশিক হাসান বলেছেন: আসলে ইউরোপিয়ানরা চরম বর্ণবাদী ও মৌলবাদী।
মামন বলেছেন:
ভাল লাগেনি
রাজর্ষী বলেছেন:
মৌলবাদীরা যেখানেই ক্ষমতা পাবে একই রকম আচরন করবে
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
সৌরদীপ্ত বলেছেন: আল্লাহ মুসলমানদের জয়ী করবেন নিশ্চয় ।
কফি হাউজের আড্ডা বলেছেন:
ছয় জন নাস্তিক বাঈ, তথাকথিত ধর্মনিরেপেক্ষ বাঈেরা যেগুলান আবার নিজেগ আধুনিক, সেকুলার ভাবতে ভাবতে আসমানে উইঠ্যা হাদুম পাদুম করে চুরি কইরা মাইনাস দিয়া ভাগছে।
২. "মুসলিমগন সাতশ বছর স্পেন শাষন করেছে"
৩. "প্রায় শতভাগ মুসলিম দেশের নাগরিক হিসেবে আমি"
উপরে তিনটা কোটেশন আপনার লেখা থেকে নিয়েছি। এগুলোর ভিতরে দিয়ে আপনি ইসলাম নিয়ে একটা গর্বের ভাব ফুটিয়ে তুলেছেন। সমস্যা গর্ব নিয়ে না। গর্বের পিছনে একটা হীনমন্যতা আছে - এটাই উল্টো করে গর্ব বলে আমরা দেখতে পাচ্ছি।
আমি যে ঠিক বুঝেছি এটা আরও টের পেলাম আপনার তিন নম্বর মন্তব্যে আপনার জবাব থেকে। ওখানে আপনি বলছেন,
"মক্কা যেদিন বিজয় হয়েছিল, সেদিন মহানবী (সা) সকল শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তার ফলে শত্রুরা পরম বন্ধুতে পরিণত হয়েছিল। আমরাও ইউরোপীয়দেরকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত আছি। তবে অপেক্ষা শুধু বিজয়ের"।
আপনার "সাতশ বছর স্পেন শাসনের" কথাটা বলা একটা নেহায়েতই ফ্যাক্টস বলা নয়। উপরের "ইউরোপীয়দেরকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত" থাকার জবাবের আলোকে এর মানে আপনি পুরানো সাতশ বছর স্পেনে রাজত্ত্বের মত সারা ওয়েষ্ট বা ইউরোপীয়দের উপরে ইসলামের ঝান্ডা নিয়ে একটা বিজয়ের স্বপ্ন দেখছেন। এজন্যই আপনার "অপেক্ষা শুধু বিজয়ের" । আপনার এই স্বপ্ন ভয়ঙ্কর - দুঃস্বপ্ন। কারণ এটা তো ধর্মযুদ্ধের কামনা, খ্রিস্টানের বিরুদ্ধে ইসলামকে খাড়া করা, ক্রসেডের। ফলে স্বভাবতই ঘোরতর বিপদজনক।
তার মানে, সুইজারল্যান্ডের Swiss People's Party যে ক্রসেড খেলায় নেমেছে আপনি উস্কানিতে পড়ে, হয়ত সতর্ক খেয়াল করেন নি, নিজেকে সে জায়গায় নামালেন। ৯/১১ এর পর, বুশও একই ক্রসেড লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
পশ্চিম, যা ওয়েষ্ট বা ইউরোপীয় নয় এমন সবকিছুর প্রতি একটা উপেক্ষা, ঘৃণা করে। নিজেদের সভ্যতার গর্বে বাকী সবকিছুকে অবদানহীন একটা পশ্চাদপদ কিছু বলে দেখার চেষ্টা করে। - ইতিবাচক দিক থেকে বললে আপনার মনবাসনা হলো এটাকেই উল্টে দেওয়া। নতুন করে দুনিয়াকে সাজানো। এই অর্থে ওয়েষ্ট বা ইউরোপীয়দের উপরে বিজয় যাতে দুনিয়া সকলের বসবাসযোগ্য একটা জায়গা হয়।
ওয়েষ্ট বা ইউরোপীয়দের উপরে বিজয় আপনি ইসলামের ঝান্ডা তুলে করতে পারবেন না। এমন স্বপ্ন দেখলে তা আর একটা পুরনো ধর্মযুদ্ধ বা ক্রসেডের প্রতিচ্ছবিই সকলের মনে ভাসবে।
এটা দৈহিকভাবে তলোয়ার দিয়ে মেরে কেটে দেখা বিজয়ের স্বপ্ন। আপনার এটা ভাল লাগলে কী আর করা। পশ্চিম ক্রুসেডের পথে হাটতে উঁকি দিয়ে চাইছে - আপনিও সেই পথে। ক্রশ আর চাঁদতারা ভিন্ন এখানে আর কোন তফাৎ নাই।
আমি মনে করি বিজয় প্রশ্নটা তলোয়ারের না; তবে অবশ্য বিজয়ের; কিন্তু উপেক্ষার জবাব দিতে হবে জ্ঞানের, চিন্তার বিজয়ে। এটা সহজ কাজ নয় বটে। ও কাজে আরও অনেক কিছুর সাথে ইসলাম আপনার সাথে থাকতে পারে। থাকবে অবশ্যই। তবে ঝান্ডায় নয় অন্তরে, জ্ঞানের জ্যোতির মত। আরও অনেক মত বললাম এজন্য যে পশ্চিমের অর্জনকে ধুলায় ফেলে নয় সাথে নিয়ে তবে ওর চেয়ে আরও উপরে দাড়িয়ে। তখনই আপনি সকলের, ফলে পশ্চিমের নেতা।
দেখেন আপনি বলেছে,
"সময় পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর গীর্যার পবিত্র পানি ছিটিয়ে কাউকে মরিস্কো ঘোষনা করে পার পাওয়ার উপায় নেই। ইউরোপ এখন আর কারো নাগরিক সুবিধা কেড়ে নিয়ে আন্তর্জাতিক কমুনিটিতে নিজেদের বিভৎস রূপ সহজে বের করতে আগ্রহী নয়"।
সময় পরিবর্তনের কৃতিত্ত্ব, অর্জন কার? নাগরিক সুবিধা কেড়ে না নিতে পারার ভাবনা - কার অর্জন? ইউরোপের এই অর্জনের উপরে দাড়িয়ে এথেকে সুবিধা নিয়ে আপনি পশ্চিমে নিজেকে রক্ষা করার, প্রটেকশন উপায় ভাবতে পারছেন। এসব অর্জনকে সাথে নিতে হবে, তবে অবশ্যই একে টপকে আরও উচুতে যেতে হবে।
সংকীর্ণভাবে বললে এটাই সেই পশ্চিমের উপর পুবের বিজয়। আসলে তা সকলের। মানুষের কমিউনিটি উম্মার।
লেখক বলেছেন: মক্কার বিজয় হয়েছিল সম্পুর্ন রক্তপাতহীনভাবে। সে বিজয়ে অস্ত্র হাতে নিতে হয়নি, কারন সম্পুর্ন অন্ত:স্বার শূন্য মক্কা তখন নের্তৃত্বহীনতায় ভুগছিল। বর্তমান ইউরোপ যে ভ্যালুস নিয়ে চলে তা যে সম্পুর্ন ফাঁপা তা তারাও বিশ্বাস করে। আমি স্বপ্ন দেখি সেদিনের, যেদিন তারাই নিজেদের ভগ্ন সমাজকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য ইসলামের দ্বারস্থ হবে।
সে যাক। আমি বলেছি সময় পরিবর্তন হয়েছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন বেড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা মহল তেলের উপর মধ্যপ্রাচ্যের উপর প্রচন্ড নির্ভরশীল। ইউরোপ নিশ্চয়ই মধ্যপ্রাচ্যকে হঠাৎ করে রাগিয়ে দিতে চায়না, তাই তারা কৌশল নির্ধারন করে নিয়ে এগোচ্ছে।
আপনিই বললেন যে, বুশ ক্রুসেডের আহ্বান জানিয়েছে। এবং সে তা শুরুও করেছিল। বারাক ওবামা তার নতুন রুপ দিয়েছে। আপনি কি মনে করেন না, এর প্রতিফল হিসেবে আমেরিকা ও ইউরোপ কিছুই ভোগ করবেনা? সময় যাক, আল্লাহ তো উপরে আছেনই। বুশের ক্রুসেডের বিরুদ্ধে সবচে সোচ্চার ছিল তো ঐ আমেরিকার জনগনই, নাকি!
শয়তান বলেছেন:
একজন স্বঘোষীত জামাত শিবির পোষ্টে উলুবনে মুক্তা ছড়িয়ে লাভ নাই ।
লেখক বলেছেন: শয়তান, শয়তানের পূজারী লুসিফারিয়ানদের ঘৃনা করি। প্যাগান বর্বর জাতির চিহ্নকে কোরবান (ব্লক) করা হল।
লুকার বলেছেন:
প্রতিবাদ হিসাবে গির্জার ক্রস নিষিদ্ধ করেন।
লেখক বলেছেন: গির্জার ক্রস নিষিদ্ধের কোন প্রয়োজন নাই। আমাদের উদারতা যেন তাদের হেদায়াতের জন্য কাজে লাগে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
মুসলমাগো সবাই ডরায় ইদানিং, আস্তে আস্তে ইউরোপ-আমেরিকায় তালা পড়বো যাক, হিজাব তো নিষিদ্ধ করে নাই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আধুনিকতারে ঘৃনা করেন আপনি । ঠিক আছে। (স্রেফ ঘৃনা যদিও কোনো কাজের জিনিস না)কিন্তু অতীতে আপনারেই বলতে দেখছি- ইসলামের সাথে আধুনিকতার বিবাদ নাই, ইসলাম নিত্যাধুনিক ধর্ম ইত্যাদি ইত্যাদি।
মেলে? মেলেনা।
লেখক বলেছেন: সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আধুনিকতার সাথে ইসলামের বিরোধ নাই তা আমি আজও জোর গলায় বলতে পারি। বর্বর সমাজকে আধুনিক সমাজে পরিণত করেছে যেই ইসলাম, তা কি করে আর আধুনিকতার বিরুদ্ধে যাবে। তবে আজ পশ্চিমারা তাদের সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রমান করে দিচ্ছে তারা জাহেলিয়াতের সমাজের সেই বর্বর সমাজে আবার ফিরে যাচ্ছে। অথচ তারা একেই আধুনিকতা বলে দাবি করছে।
তাই আমি বলতে চাই, তাদের চালচলনকে যদি আধুনিকতা বলা হয়, তবে এ আধুনিকতা আমি ঘৃনা করি। সত্যিকারের আধুনিকতা মনকে করে উদার, সংকীর্ন করে না।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আর এই মিনার বন্ধকরন নিয়া অবাক হওয়ার মতন কিছু আছে?নাই।
অথচ আপনের দেওয়া লিংকেও দেখি জাজিরার স্টাফ ব্লগার লিখছে 'শকিং রেজাল্ট', যা কিছু 'অ' ইওরোপিয় তার বিরুদ্ধে নেতি অবস্থান ইওরোপের জনসাধারনের, বহু দিনের অবস্থান।
ইওরোপে থাকতে হইলে আপনের সেইখানকার সমাজে হজম (আসিমিলেশন) হয়াই থাকতে হইবো। আপনার যা কিছু অ ইওরোপিয় তা বাদ দিতে হইবো।
''আত্মপরিচয়ের আত্মহত্যা’র এই দাবি’র আরো নির্মম ইতিহাস ইওরোপে আছে। দার্শনিক ভলতেয়ার ‘‘জাহেল’’ ও ‘‘বর্বর’’ ইহুদীদের আক্রমণ করে যুক্তিবোধ ও সভ্যতার রক্ষক হিশাবে তার কৃতিত্বকে আরো উজ্জ্বল করেছিলেন। ''
এইসব 'বর্বরতা'র চিহ্ন ইওরোপ নিজের জমিনে রাখবো ক্যান?
পারলে এইখান থেইকা ঘুইরা আসেন । এইসব আর শকিং মনে হইবো না
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
''বর্বর সমাজকে আধুনিক সমাজে পরিণত করেছে যেই ইসলাম''প্রমান দ্যান। ইসলাম মানুষের সমাজরে আধুনিক করতে চাইছে, সেই প্রমানটুকুই অন্তত দ্যান।
লেখক বলেছেন: জবাব কি দেব ভাই!
তবে আপনি অনেক জ্ঞানী মানুষ, আপনার মগজের ভেতরের জ্ঞানটুকু ঘাটতে অনুরোধ করছি। মগজ ঘাটার হিন্টস:
১. ৭০০ সালের আরব ও ইউরোপের অবস্থা কি ছিল?
২. ১৪০০ সালে আরব ও ইউরোপের অবস্থা কি ছিল? এবং
৩. আজ ইউরোপের কি অবস্থা?
ভাইজান, যদ্দুর জানি, ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরাই বলে থাকেন, ইসলামের জয়জয়কারের সময় বিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছিল তা হল "ডন অব সাইন্স" বা "বিজ্ঞানের ভোর"।
সততার আলো বলেছেন:
৬০০ সালে সারা বিশ্বে যেমন ভঙ্গুর সমাজ ছিল তেমনটাই এখন আমরা পশ্চিমে দেখতে পাই। ইউরোপীয়রা ইসলামপ্রধান বিশ্বের সমাজের শক্ত ভিত দেখে হিংসে করে।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
এইযে আমারে গেয়ানি টেয়ানি কইয়া (আল্লা না করুক বুদ্ধিজীবী গাইল দিয়েন না আবার, আমি শ্রমজীবী মানুষ!) আপনে আসলে আলাপে অনাগ্রহ প্রকাশ করতাছেন।---------------------------------
যেহেতু আপনের জবান অনুযায়ি- ''বর্বর সমাজকে আধুনিক সমাজে পরিণত করেছে যেই ইসলাম'', তাই আমি স্রেফ জানতে চাইছি যে, সেই ইসলাম আধুনিকতা'র দিকে কখন কিভাবে বনি আদমরে দাওয়াত দিল, সেইসব বয়ান।
এহন আপনে যদি কন সেইসব ইতিহাস আর কথা আপনে জানেন কিন্তু আমারে কইবেন না, তাইলে কি আর করা।
তয় যদি না কন তাইলে কিন্তুক ``ওয়া মা আলাইনা ইল্লাল বালাগ'' কওয়ার খোস নসিব আপনের হইতো না।
লেখক বলেছেন: তাইলে একটু কই।
ইসলামের প্রথম দাওয়াত হল, হাজার খোদা ত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহর উপর বিশ্বাস আনতে হবে।
যারা এ দাওয়াত গ্রহন করবে তাদের জীবন চলার পথ হবে কুরআন ও সুন্নাহ।
সে সমাজে নারীর কোন অধিকার ছিল না। নারীকে পণ্যের মত বেচাকেনা করা হত। তারা বাবার সম্পদের কোন ভাগ পেতনা। এমনকি নারী শিশুকে হত্যার প্রচলনও সে সমাজে ছিল। ইসলাম নারীকে স্বামীর সম্পদ ও বাবার সম্পদের উপর অধিকার প্রদান করে সমাজে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
দাসমুক্তিকে অন্যতম ইবাদাত ঘোসনা দিয়ে ধীরে ধীরে সমাজ হতে দাসপ্রথাকে দুর করেছে।
সততার আলো বলেছেন:
খ্রিস্টধর্ম যেখানে বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানচর্চাকে প্রতিরোধ করত তখন ইসলামই সে সমাজে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চাকে ফরজ করে নতুন সভ্যতার দুয়ার খুলে দিয়েছে। আপনি নিশ্চয় জানের রাসূল (সা) বলেছেন,"জ্ঞান চর্চা করা সকল মুসলিমের জন্যে ফরজ"। এই এ এল ফিশারের "ইউরোপের ইতিহাস" সহ আরো কিছু বই মারফত জানতে পারলাম যে, ইউরোপের শাষনকার্য চলত মূলত গীর্জার সুনজরে থাকা রাজার মাধ্যমে, অর্থাৎ পাদ্রীগনই রাষ্ট্র পরিচালনা করত। আর এ পাদ্রীগন প্রচন্ডভাবে বিজ্ঞান চর্চার বিদ্বেসী ছিল।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আমার সওয়াল ছিল এইটা-ইসলাম কবে কখন কিভাবে কোথায় কোন মানুষরে আধুনিকতা দাওয়াত দিছলো? আধুনিক সমাজ গড়ছিল। ?
আশা করি- আল্লা আপনাকে উত্তম জবাবদাতাদের অন্তর্ভূক্ত করেছেন।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়, আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি যথার্থই দিয়েছি। যদি ইসলাম কারো কাছে নতুন হয়ে থাকে, তবে একটা নতুন জীবন পদ্ধতি ও তার সম্পুর্ন নিয়ম নীতি ও শিক্ষাগুলো জানাটা তার জন্যে খুব সহজ নয়। আর আমার পক্ষেও ব্লগের স্বল্প পরিসরে তা আলোচনা করা সম্ভব না। আর তাছাড়া আমি এখন মাত্র জানতে শুরু করেছি। কয়েকটা তাফসীর আর হাদীস গ্রন্থের জ্ঞান দিয়ে অত গভীর হতে কাউকে শেখাতে যাওয়াটা আমার জন্যে বোকামী ছাড়া আর কিছুই না।
জানজাবিদ বলেছেন:
মুসলমানদের যাওয়ার দরকার কি ঐসব দেশে? ...............তাগো দেশ, তারা যা মনে চাইবো তা-ই করবো। এগুলা নিয়া কথা কইয়া কোন ফায়দা নাই। বরং মুসলমানদের উচিত নিজেদের আরো শক্তিশালী করা।
লেখক বলেছেন: দরকার ইউরোপীয় আর অভিবাসী উভয়েরই। ইউরোপীয়রা পাচ্ছে ভিন দেশের সবচেয়ে কর্মঠ ও মেধাবীদের, আর অভিবাসীরা পাচ্ছে তুলনামূলক বাড়তি সুযোগ সুবিধা।
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটিগুলো সেদেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সেসব প্রতিষ্ঠানে বিপুল অর্থব্যয়ে অধ্যয়ন করে আমাদের দেশের মেধাবীরা যদি তাদের দেশের উন্নয়নে অবদান রাখে তবে তারা নিশ্চয়ই অর্থকরী এই মানুষগুলোকে তাড়িয়ে দিতে চাওয়ার কথা ভাববেও না।
সেদেশে মুসলিম দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলিম দেশগুলোর জন্য কোন ক্ষতি নেই, বরং লাভের পরিমানই বেশি।
সততার আলো বলেছেন:
কেমন করে যেন এক আমেরিকান ছাত্রের সাথে পরিচয় হয়ে গিয়েছিল আমার এক বন্ধুর। গুলশানে একটা শিশু সংগঠনের ছোট অনুষ্ঠানে তাকে সে নিয়ে এসেছিল। সে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির জার্নালিজমের ছাত্র, এসাইনমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল। সে কুরআন ও সুন্নাহ সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখত। আমার খুব অবাক লেগেছিল সত্যিকারের আধুনিকতায় ইসলামের অবদান সম্বন্ধে তার কোন সন্দেহ ছিলনা। তবে আল্লাহ যে এক, তার যে কোন সন্তান কিংবা স্ত্রী থাকতে পারেনা এবং বান্দারা সরাসরি আল্লাহর ইবাদাত করতে পারে, এ বিষয়গুলোতে তার খটকা ছিল।
আমার মনে হয়, কেউ যদি ইসলামকে জানতে চায়, তবে কুরআন সুন্নাহর ব্যপারে সরাসরি জ্ঞান অর্জন করাটা জরুরি। কোন পীর -ফকিরের বয়ানের কোন প্রয়োজন নাই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আমি তাইলে আমার প্রশ্ন আপনেরে বুঝাইতে ব্যর্থ হইছি । (আল্লা আমার ব্যর্থতা ক্ষমা করুক)
অ্যামাটার বলেছেন:
পি মুন্সী'র ১৮নং মন্তব্যে প্লাস। চমৎকার বিশ্লেষন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
বাংলার গ্রামে বড় হইছি। যেইখানের মানুষ জর্জ বার্নাডশ সাহেবের বরাতে যে মানুষেরা নিজেদের ইসলামিত্ব প্রমান করে না, যেইখানের ভাবুক মানুষেরা ইসলামের মইধ্যে মানবাধিকার, নারী অধিকার, ব্যক্তি স্বাধীনতা , গনতন্ত্র, ইত্যাদি আবিস্কার করার জন্য দিস্তা দিস্তা কাগজ খরচ করে না। যারা ইওরোপের (সুতরাং আমেরিকার) মতের অধীনতার মধ্যে গিয়া ইসলামি হয় না, সেই গ্রামের (সুতরাং সমাজের) ভাবুবকতার মইধ্যে বড় হইছি। এখনো আছি।যেহেতু ইসলাম আমরার কাছে নতুন কিছু না।
সেহেতু এই কথা কইতে পারি যে, তেলে আর জলে মিশলেও মিশতে পারে, কিন্তু ইসলাম আর আধুনিকতায় (মর্ডানিটি) মেশে না। যারা আপনাগো মন আর মগজের মইধ্যে ঢুকাইছে যে আধুনিকতা হইলো সত্য ; তারাই কিন্তু এই কথা কয় ইসলামের প্রভাবাধীন যুগরে মধ্যযুগ সাব্যস্ত কইরা, (বিশ্ব বা ইওরোপীয় সভ্যতা এখন আর মধ্যযুগে নাই) সুতরাং সভ্য হইতে হইলে আধুনিকযুগ এর একজন হইতে হইবো, যে আধুনিকতা নাসারাধর্ম আর পূজিতান্ত্রিক অর্থনীতির এক চমৎকার সম্মিলিত রুপ। আপনেরা নৈতিকভাবে হাইরা গেছেন। (আল্লা আপনাদের এই দুর্বলতা ক্ষমা করলে বেজার হমু)। আপনেরা স্বীকার করছেন- তা ঠিকাছে, আধুনিকতা এই সময়ের মহাসত্য, কিন্তু আমাগো ইসলামেও তো আধুনিকতা আছে, দেখেন- এই এই সব হইলো আমাগো আধুনিকতা। আধুনিকতার সাথে আমাগো কোনো বাহাস নাই।
সেহেতু আমরা এইটাও বলতে পারি- অনেকানেক আগে থেইকাই ইওরোপের সমাজের প্রভাবশালী চিন্তা ভাবনার মধ্যে এমন সব উপাদান জয়ী হয়া আছে, যেখানে ওই চিন্তা ভাবনার অধীন প্রত্যেকটা ব্যক্তি- যা কিছু অ-ইওরোপীয় (ইসলামী, ইয়াহুদী কিংবা অন্য যে কোনো), যেসব ব্যক্তি অ-ইওরোপিয় (মুসলিম, এয়াহুদি কিংবা অন্যান্য)- তার এবং তাদের ওপর এক একজন হিটলার।
লেখক বলেছেন: আধুনিকতার সংজ্ঞা আমার কাছে একরকম আপনার কাছে হয়তো ভিন্ন তাইই আমাদের দুজনের মধ্যে আলোচনাটা সফল হলনা। যাই হোক আপনি আধুনিকতা বলতে কি বোঝেন আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে। জানাবেন আশা করি।
আধুনিকতার মানে যদি হয় পুরোনোকে ঝেড়ে নতুনকে মেনে নেয়া আর ইউরোপীয় সভ্যতা যদি হয় খ্রীস্টান সভ্যতা তবে ইসলামই আধুনিক।
আবার আধুনিকতার মানে যদি হয় স্পষ্টতা, তবেও ইসলামই স্পষ্ট, ইসলামই আধুনিক।
আধুনিকতা মানে যদি হয় সংকীর্ন হৃদয় পরিহার করে উদারতা, তবে ইসলামই তো আধুনিক।
আধুনিকতার মানে যদি হয়, বর্বরতার বিপক্ষে থাকা, নিয়মিত পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন করা তবে, আমি ইসলাম ছাড়া আর কিছুকে কেন যেন খুঁজে পাইনা।
দু:খিত, অনেক কথা বলছি। অনেক কথা শুনতে চাই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
সুতরাং মসজিদের মিনারে কিংবা রাস্তার কিনারে ইওরোপের আসল চেহারা দেইখা আমার অবাক হইনা। এখন পর্যন্ত এইটাই ইওরোপ। যা কিছু অ-ইওরোপীয় তা-ই অ-সভ্য! সূত্র সাধারন!সর্বশেষ : আপনেরা যেইভাবে ইসলামরে আর নিজেগোরে আধুনিক প্রমানের জন্য মরিয়া চেষ্টা কইরা মরিয়া যাইতেছেন তাহা দেখিয়া আমরা বড়ই মজা পাইতেছি।
লালসালু বলেছেন:
খ্রিস্টানদের ভূত দেখি এই ব্লগেও আছে। অনেক মাইনাস পড়েছে।
রাজর্ষী বলেছেন:
পি মুন্সি, আরজু আপনাদের কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু পোস্টাদাতা এসব কি বুঝতে পা্রবে?সততার আলু, হুদাই ফাল না পাইরা পি মুন্সি আর আরজু কি কইতে চায় হেইডা বুঝার চেস্টা করেন বহুত ফায়দা হবে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















Click This Link