somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মুসলমানদের একটা বৈষম্যহীন ভূমির দাবীতেই তৈরী হয়েছিল পাকিস্তান আরো দেখুন... ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29513566 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29513566 2011-12-31 20:21:11 একটি কালজয়ী(!) রহস্য গল্প চমতকার (!) এই রহস্য গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে

এক সুস্থ প্রৌঢ় ভদ্রলোক একটা লোকাল বাসে চড়ে হার্টফেল করে মারা গেলেন। মৃতদেহে কোন অস্বাভাবিকতার লক্ষ্ণণ দেখা গেলনা, কিন্তু তাঁর গোয়েন্দা বন্ধু এই মৃত্যুর পেছনে রহস্যের গন্ধ পেলেন। মৃত বন্ধুর হৃদয়ের স্তব্ধ হয়ে যাবার পেছনের রহস্যের শেষ পর্যন্ত অর্ধমীমাংসিত অবস্থায় সমাধান হল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29438773 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29438773 2011-08-26 08:51:41
কক্সবাজার কলাতলী সাগর সৈকতের আশপাশে হাঙরের উপদ্রব






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29219367 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29219367 2010-08-10 16:20:37
৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া? নাকি, ঠান্ডা গৃহযুদ্ধের সূচনা?
সমাজতন্ত্র, শুনলেই মনে পড়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের কথা যা ভেঙে-চুরে আজ সুপ্ত পরাশক্তি রাশিয়াতে পরিণত হয়েছে। সমাজতন্ত্রে সকল সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানাকে নিষিদ্ধ। রাষ্ট্র সেখানে সকল সম্পদের মালিক এবং সম্পদের বণ্টন সমানভাবে সবার মাঝে বণ্টন করার নিয়ম এখানে।

অপরদিকে গনতন্ত্র চর্চায় সবার সামনের অবস্থানে রয়েছে আমেরিকা নামক পরাশক্তি। গনতন্ত্র স্বীকৃতি দেয় পুঁজিবাদকে। আর পুঁজিবাদ হল এমন নীতি যেখানে রাষ্ট্র কোন সম্পদের মালিক নয়, জনগন প্রত্যেকে আলাদা আলাদা ভাবে তাদের নিজেদের দখলে থাকা সম্পদের মালিক।

সমাজতন্ত্র এবং পূঁজিবাদী গনতন্ত্র হল দুটি পরস্পর বিরোধী নীতি। এ দুই নীতি কেমন করে একই সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত হতে পারে তা কৌতুহল উদ্দীপক। দেখা যাক, কেমন করে এ দুটি নীতি একসাথে বসবাস করে, কিছুদিন গেলেই নিশ্চয়ই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই ঠান্ডা যুদ্ধ না আবার লেগে যায় এই ভয় হচ্ছে। একই ঘাটে বাঘ আর ছাগে পানি খেতে গেলে, ছাগের কপালে বাঘের পানিগ্রহনপূর্ব হালকা নাস্তায় পরিণত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যেমন করে সোভিয়েত ইউনিয়ন আজ রাশিয়াতে পরিণত হয়েছে, তেমনি পূঁজিবাদ কিংবা সমাজতন্ত্রের যে কোন একটা অপরটার হাতে নিহত হবে এটা পুরোপুরি নিশ্চিত ভাবে বলা যায়। তবে কোনটা টিকে থাকবে তা বলা কঠিন। ৭২ এর পর রক্ষীবাহিনীর হাতে যেমন করে নিহত হয়েছে অজস্র সমাজতান্ত্রকামী তেমনি আরেকটা হলোকাস্টের পূর্বাভাস অনেকের হৃদয়কেই হয়তো শংকিত করে তুলছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29214598 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29214598 2010-08-04 00:16:27
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেড়ী কুত্তার পুন: আবির্ভাব ঘটেছে
এদেশের রাজনীতিতে একদল নেড়ী কুত্তার আবির্ভাব ঘটে পাঁচ সাত বছর পর পর। একটি বিশেষ মেয়াদোত্তীর্ণ দলের ক্ষমতায় আরোহনের সাথে সাথে তাদের ভ্যালিডিটি নষ্ট করতে এ নেড়ী কুত্তারা বেশ ভূমিকা রাখে। দেড় বছর আগে ঐ রাজনৈতিক দলটি বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের তাঁবেদার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অসাংবিধানিক কার্যকলাপকে সমর্থন দিয়ে আবারও দেশের কপাল পোড়ার জন্য সরকার গঠন করে। সেদিন থেকেই এই নেড়ি কুত্তার দল একজোট হয়ে ঘেউ ঘেউয়ে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরো দেশকে মুখরিত করে তোলে। এরা কুত্তার স্বভাবসূলভ পারস্পরিক সংঘর্ষেও লিপ্ত হয়। কুত্তার মত প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ধর্ষনও করে এরা।

বিরোধী দলের হরতালের দিন এ নেড়ী কুত্তাদেরকে রাস্তায় দেখা গেছে। এরা যে সত্যিই নেড়ী (এদের কোন মাবাপ নাই) তা প্রমান হয়েছে এদের গার্ডিয়ান দলের নেতার বক্তব্যের মাধ্যমে। সেই নেতা বলেই ফেললেন, "এদের দায়-দায়িত্ব আমরা নেবনা।" এরা আশ্রয়হীনতার কারনে এতই দুশ্চিন্তায় আছে যে, এরা বিরোধী দলগুলোর কোন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গেলেই স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে আগ্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছে।

এ কুত্তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি। দেশের অভিশপ্ত এই শ্রেনী বিলুপ্ত হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29189900 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29189900 2010-07-02 00:08:21
হরতাল- আজকের দিন ও কিছু কথা
আজকের দিনটায় সারাদিন কোথাও বেরুই নি। গতকাল বৃষ্টি হয়েছে বলে আজকে বিদ্যুত বিভ্রাট তিন-চার ঘন্টার বেশি ছিলনা এবং পানিও আর দুর থেকে বহন করে আনতে হয়নি। দুপুর বেলা ক্ষানিকক্ষন ঘুমালাম। বিকেলে বেরিয়ে দেখি সব জায়গাতেই পুলিশ খুব তেঁতিয়ে আছে।

বাসায় ফিরে খবর শুনলাম। পুলিশ বেশ বাজে আচরন করেছে হরতাল সমর্থনকারীদের প্রতি। লক্ষীপুরের এমপি অ্যানির প্রতি বাজে আচরনের মাত্রা যেন একটু বেশিই হয়েছে। তাকে আহত অবস্থায় চ্যাংদোলা করে হাসপাতাল থেকে ধরে নিয়ে যেতে দেখা গেল দুরদর্শনের কল্যানে। আবার তাকে ফেরত দিতেও দেখা গেল। সব মিলিয়ে সরকারের আচরন লাগামছাড়া হয়ে গেল, যা খুব ভাল লক্ষ্ণন নয়।

ছাত্রলীগকে তাদের সবসময়কার রূপেই পুলিশের ছায়ায় সন্ত্রাসীর ভূমিকায় দেখা গেল। তাদের উচ্ছৃংখলতা দেখেই হয়তো লজ্জায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও আওয়ামী সাধারন সম্পাদক আশরাফ তো বলেই ফেললেন "আওয়ামী লীগের সাথে ছাত্রলীগের কোন সম্পর্ক নেই।" তার মানে ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের ত্যায্য পূত্রে পরিণত হয়ে গেছে। অবশ্য শেষে এসে আশরাফ বললেন যে, ছাত্রলীগের সাথে এখনো তাদের বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক বজায় রয়েছে।

সর্বোপরি, হরতাল শেষে যা বোঝা গেল সরকার সহিষ্ণুতা অবলম্বনের পক্ষে তো নয়ই, একটু বেশি মাত্রায় বিপক্ষে অবস্থান করছে। পানি, বিদ্যুত ও গ্যাস সমস্যা এবং রাজনৈতিক কারনে গ্রেফতারকৃতদেরকে মুক্তির ব্যাপারেও সরকার ঋনাত্নক অবস্থানেই থাকবে। ছাত্রলীগের সহিংসতাকে পুলিশের মাধ্যমে সাপোর্ট দিয়ে সরকার সহিষ্ণুতার বিপক্ষে ও সন্ত্রাসের পক্ষে এবং রাজনৈতিক হানাহানির প্র্যাকটিস ছেড়ে আসার প্রতি বিএনপির আহ্বান কে পুরোপুরি অস্বীকার করল। এই মুহুর্তে হরতাল কে উপর্যুপরি আন্দোলনে পরিণত হতে দেখলেও অবাক হবার কিছু থাকবেনা। আর তার জন্য দায়ী হবে সরকার নিজেই। দেশের সকল সমস্যা দুর হয়ে যাক এই আশা দলমত নির্বিশেষে সবার। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবি নয় পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত জিন্দাবাদ ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29186596 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29186596 2010-06-27 22:51:11
আমি হরতালের পক্ষে...
এবারের হরতালের পেছনে বিএনপির বেশ কিছু যৌক্তিক দাবী রয়েছে। দাবীগুলোর মধ্যে গুরুত্বপুর্ন কয়েকটি হল,
১. পানি-বিদ্যুত-গ্যাস নিশ্চিত করন,
২. রাজনৈতিক হয়রানীমূলক পুলিশী ধরপাকড় বন্ধ ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি
ইত্যাদি।

উপরের দুটো বিষয়কে বিচার করলে হরতালের মত আত্নঘাতি আন্দোলনকে সমর্থন করতে ইচ্ছে করে। বিএনপির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে হরতালের কারনে জনগনের কাছ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা এবং জনগনের নিজেদের স্বার্থেই হরতালকে সমর্থন করার আহ্বান এসেছে। আমার মনে হয় জনগন তা গ্রহন করবে, অন্ত:ত আমি করছি। বিএনপি এরই মধ্যে ঘোষনা করেছে যে, যদি সরকার পানি-বিদ্যুত-গ্যাস সমস্যা দুর করার ব্যপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয় এবং বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে হয়রানী বন্ধ করে তবে হরতাল ঘোষনাকে উঠিয়ে নেবে। কিন্তু আজও এ বিষয়গুলোর প্রতি সরকারের কোন নজর আছে বলে মনে হচ্ছেনা। গত এক মাস সুযোগ পেয়েও সামান্যতম সচেতনতা সরকারের মাঝে দেখা যায়নি। গত ছয়মাসে আমরা হতভাগা জনগন ঘন্টা মেপে নিয়মিত বিদ্যুতের আসা যাওয়ার অসহ্য এ পরিবর্তনে অভিযোজিত হতে চলেছি। এখনো আমার বাসায় পানি নেই, সেই সাথে লাখো মানুষ পানির জন্য আমার সাথে হাহাকার করছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুপুরের খাবার পরেরদিন রাত খেতে হচ্ছে অনেককে। সর্বোপরি বাংলাদেশের মানুষকে ঈঁদুরের গর্তে আটকে বিষাক্ত গ্যাস চালিয়ে দেয়া হয়েছে যেন। এই ঈঁদুরের গর্ত থেকে আমরা বেরুতে চাই। বেরুতে গেলে একটু শক্তি প্রয়োগ করতেই হবে। আর গনতান্ত্রিক দেশে শক্তি প্রয়োগের সর্বশেষ পদ্ধতি হল হরতাল। তাই আমি হরতালের পক্ষে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29184470 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29184470 2010-06-25 00:30:42
রাজশাহী আর আগের মত শান্তিপুর্ন নেই- এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন
তিনি শান্তি নষ্ট হবার ব্যপারে দোষারোপ করলেন বিএনপি ও জামাত-শিবিরকে। তাঁর বক্তব্যে রাজশাহীর শান্তির প্রতি আকাঙ্খার পাশাপাশি পক্ষপাতিত্বেরও আভাস পাওয়া গেল। কেননা সবাই দেখেছে কখন থেকে রাজশাহীর পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। রাজশাহীর শান্তি নষ্ট হবার জন্য আমি একমাত্র আওয়ামী লীগকেই দায়ী করব। আমরা সবাই দেখেছি এতদিনের শান্ত রাজশাহী ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশকে কারা নষ্ট করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরপরই দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের তান্ডব শুরু হয়। তার ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাড়া করা সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যা করানো হয় ছাত্রশিবির সেক্রেটারী নোমানীকে। আমরা সবাই নিজেদের টেলিভিশনের কল্যানে স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি দা, বটি, রামদা, বোমা ও পিস্তল নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিল একদল সন্ত্রাসী। সেদিন শান্তিপ্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন মানুষ ও ছাত্রশিবির মিলে একাকার হয়ে প্রতিহত করেছিল ভাড়া করা সরকার দলের এ সন্ত্রাসীদেরকে। কোণঠাসা ছাত্রশিবির ও ঐ এলাকার সাধারন মানুষকে আক্রমন করতে সন্ত্রাসীরা পরিবহন হিসেবে ব্যবহার করেছে এম্বুলেন্স ও পুলিশ জিপ। পুলিশ সন্ত্রাসীদের বাধা দেয়নি বরং নগ্ন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল।

তার কিছুদিন পর এ ঘটনার ব্যর্থতাকে সফলতায় রূপ দিতে ছাত্রলীগ হত্যাকান্ডের নাটক বানিয়ে পুলিশকে সাথে নিয়ে রাতের আঁধারে চড়াও হল ছাত্রশিবিরের উপর। শান্ত রাজশাহীর অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে, নির্বিচারে চলল চিরুনী অভিযানের নামে সরকারী সন্ত্রাস। সর্বোপরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী এবং সারাদেশের শান্ত গনতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংশ করল লিটনের ক্ষমতাসীন দল।

দেশে মহাজোটের ব্যানারে গোপনে সক্রিয় বাকশালের নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক। হিংসা নয় ভালবাসার রাজনীতি এদেশকে নিয়ে যাক সাফল্যের চুড়ায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29173400 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29173400 2010-06-09 10:54:49
ফেসবুক ব্যান ও তরুন প্রজন্মের সমর্থন...
ফেসবুক শুধু একটা সময় কাটানোর কিংবা মজা করার একটি মাধ্যমই নয় এই তরুনদের কাছে। এটি তাদের কাছে বহির্বিশ্বের জ্ঞানের সাগরে প্রবেশ করার পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে তারা নিজেদের উদ্ভাবন ও চিন্তা শেয়ার করে এবং তাকে বিশ্লেষিত করার সুযোগ পায়। ফেসবুক এপ্লিকেশন তৈরীর মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগের সাথে সাথেই রয়েছে নতুন উদ্যোগের আলোচনার সুযোগ। তরুন প্রজন্ম অনেক কিছু হারাল।
এই মুহুর্তে আবার যদি নির্বাচন দেয়া হয়, তবে আওয়ামী লীগ তরুনদের ভোট হারিয়ে নেহায়েত হেরে যাবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29165394 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29165394 2010-05-29 23:13:06
দুর্ঘটনা যেন আর কোন সম্রাটকে কেড়ে না নেয়
কাউন্টার ওয়ালা বাসগুলোতে সাধারনত যাত্রী উঠানামা নিয়ে তেমন কোন প্রতিযোগীতা হয়না। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত বড় ও বিশাল আকৃতির সিএনজি চালিত এ বাসগুলোর প্রস্থ রাস্তার প্রস্থের সাথে মানানসই না হওয়ার কারনে রাস্তায় যানজট ও বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটার সুযোগ থেকে যাচ্ছে। তারওপর সিএনজি অটোরিক্সার মতো সিএনজি চালিত এ বাসগুলোর চালকের মধ্যে হাই এক্সিলারেশন ও হার্ডব্রেক করার প্রবণতাও অনেক বেশি। এমনিতেই এই বাসগুলোর সাইজের তুলনায় ইন্জিন খুব বেশি শক্তিশালি নয়। যাত্রীর সংখ্যা বাসের সংখ্যার তুলনায় পর্যাপ্ত না হওয়ায় এসব বাসে কানায় কানায় ভরে যাত্রী উঠানো হয়। যানজটে ভরা রাস্তা একটু ফ্রি পেলেই গাড়িগুলো হাই এক্সিলারেশনে গাড়িকে টান দেয়। ছুটতে ছুটতেই আবার হঠাৎ করে হার্ডব্রেক চেপে দুর্ঘটনা এড়ায়। প্রায়ই দেখা যায় এই বাসগুলো রাস্তার ডিভাইডারের উপর চড়ে বসে, কখনো আবার যাত্রীদের উপরও চড়ে বসে। রাস্তার পাশ দিয়ে চলা রিকশাকে গুতো দেয়, কখনো কখনো সামনের গাড়ির বাম্পার ভেঙে ফেলে।

ঢাকার রাস্তায় যানজট ও দুর্ঘটনা দুর করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। আজ যদি পরিকল্পনা করা হয়, তবে আশা করা যায় আগামীকাল পরিকল্পনা করলে তা বাস্তবায়ন হতে যত সময় লাগার কথা তার চেয়ে অন্তত: একদিন কম লাগবে। যত দ্রুত সম্ভব কিছু একটা করা দরকার। নইলে ক্ষীনগতির অনিরাপদ ঢাকা পুরোপুরিই একটা স্থবির মৃত্যুফাঁদে পরিণত হবে।

বাসে চাপা পড়ে নিহত বুয়েটের ছাত্র সম্রাটের জন্য দু:খ ও বাসচালকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এ পোস্টটি সম্রাটের জন্য উৎসর্গ করা হলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29164114 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29164114 2010-05-28 06:21:19
আইন প্রতিমন্ত্রীকে দেখলে প্যাঁচার গল্পটা মনে পড়ে যায়...
একবার বনের সব পাখি তাদের রাজা ঈগলের কাছে এসে বনের বিচ্ছিরি ও ভয়ংকরতম পাখি প‌্যাঁচাকে বিতাড়িত করার জন্য অনুরোধ জানাল। ঈগলও আপামর পাখিসাধারনের মতের কারনে প‌্যাঁচাকে বন থেকে বের করে দেবার নিয়মতান্ত্রিক আদেশ দেবার জন্য সভা ডাকল। সবার সাথে সাথে প‌্যাঁচাও সেই সভায় উপস্থিত হল। ঈগল যে-ই না বলল, "আজকে একটা বিচ্ছিরি পাখিকে আমাদের বন থেকে বের করে দেব", সাথে সাথেই প‌্যাঁচা নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য বলে উঠল "জ্বী মহারাজ, অতি উত্তম প্রস্তাব। তবে আপনি আমাকে দেখিয়ে দিন, কাকে বের করতে হবে। তাকে আমি ঘাড় ধরে বন থেকে বের করে দেব।"

শান্তি কমিটির নেতা হাফেজ আজিজুল ইসলামের ভাই ও অন্যতম সহযোগী বর্তমান আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের অবস্থা ঠিক ঐ প‌্যাঁচার মতই লাগছে। যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে তাঁকেই সবচে খোলামেলা, উত্তেজিত এবং মারমুখি ভূমিকায় দেখা যায়। অথচ যুদ্ধাপরাধের সহযোগী কিংবা নিরব সমর্থনকারী হিসেবে তিনিও প্রায় যুদ্ধাপরাধী। নিজেকে সকল সন্দেহের উর্ধ্বে রাখতে তিনি নিজেকে যুদ্ধাপরাধীদের সবচে বড় ঘৃনাকারী প্রমান করতে উদগ্রীব রয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার জন্য, সব ফাঁস হয়ে গেল।

আমার দেশ এর প্রতিবেদন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29163563 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29163563 2010-05-27 10:47:27
মিষ্টির প‌্যাকেটের মত বাংলাদেশ
বেনেপিট্রো মিষ্টির বাক্স নিয়ে শিক্ষকের আদেশমত নদীর পাড়ে পায়ের ছাপ রেখে প্রায় আধঘন্টা পর ফিরে এল। এবার শিক্ষক পল্টিট্রিক্স তাঁর অপর ছাত্র আওয়ামেট্রিক্সকে মিষ্টির প্যাকেটটা দিয়ে একই আদেশ করলেন। আধঘন্টা পর আওয়ামেট্রিক্সও ফিরে এল। শিক্ষক তাদেরকে বললেন, “বাছারা, তোমাদের পরীক্ষা হয়ে গেছে। এবার ফলাফল দেব।“ এই বলে তিনি মিষ্টির প্যাকেটটা খুললেন এবং একটা একটা করে মিষ্টিগুলো বেশ কয়েকবার গুনে দেখলেন। অনেকটা রাগত স্বরে ছাত্রদেরকে বললেন, “কি ব্যাপার! আমি যখন মিষ্টিগুলো প্যাকেট করেছি, তখন এতে বিশটা মিষ্টি ছিল, অথচ এখন দেখছি এখানে মাত্র তেরটা। বাকি মিষ্টিগুলো কোথায়?”

আওয়ামেট্রিক্স প্রশ্ন শুনে সাথে সাথেই নিজেকে নিরপরাধ প্রমান করার জন্য স্থূল জ্ঞানে জবাব দিল, “দেখেন আমার কোন দোষ নাই, আমাকে যখন আপনি প্যাকেটটা দিয়েছিলেন, তখন আমি গুনে দেখেছি এতে সতেরটা মিষ্টি ছিল। নিশ্চয়ই বেনেপিট্রো আগেই কয়েকটা মিষ্টি মেরে দিয়েছে।“

--পাঠক, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, হারিয়ে যাওয়া বাকি চারটা মিষ্টি কে মেরে দিয়েছে? এই আজগুবি কাহিনীর মতই আমাদের দেশের রাজনীতিবিদগন নিজেদেরকে নির্দোষ প্রমানিত করার জন্য একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকেন। অথচ তারা এটুকুও আন্দাজ করতে পারেনা যে, সাধারন মানুষ খুব বেশি বোকা নয়। আওয়ামী সভানেত্রী যখন বিএনপি সভানেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বক্তব্য রাখেন, তখন সাধারন মানুষ বুঝতে পারে যে, আওয়ামী সভানেত্রী নিশ্চয়ই নিজের কোন অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করছেন।

আশা করি, স্থুল বুদ্ধির এসব রাজনীতিবিদদের পর নিশ্চয়ই কোন বুদ্ধিমান নের্তৃত্ব আসবে যারা নিজেদের দুর্বলতা এমন সহজভাবে প্রকাশ করে দেবেনা। বরং ভাল ভাল কিছু কাজের মাধ্যমে খারাপকে দূরীভূত করে সকলের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে যে, এভাবেই দেশকে গড়তে হয়। হিংসা দিয়ে নয়, সহানুভূতিই এদেশকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সংঘর্ষ কখনোই ভাল ফলাফল আনেনা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29160697 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29160697 2010-05-22 23:18:08
বিএনপি-র কর্মসূচী হতাশ করেছে
কেন:
১. আজকে দেশের চৌদ্দ কোটি মানুষ বিদ্যুত পাচ্ছেনা,
২. ঢাকাসহ অন্যান্য মহানগরীগুলোর পরিশ্রমী মানুষগুলোকে খাবারের দুএক ফোঁটা পানি সংগ্রহের জন্যে রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
৩. মহানগরীর অসংখ্য মানুষের হাঁড়িতে খাবার উঠছে না গ্যাসের অভাবে।

অথচ, কোন জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারের উঁচু মহল থেকে এ ব্যপারে কোন উচ্চবাচ্য শোনা যাচ্ছেনা। জনগনকে পুরোপুরি উপেক্ষা করছে সরকার। গিনিপিগের মত এ জনগনকে নিয়ে খেলা করছে সরকার।

এমতাবস্থায়, বিএনপির এ কর্মসূচিকে কোন সমস্যার তুলনায় যোগ্য কর্মসূচি ভাবতেই ইচ্ছা করছেনা।



আজকে কর্মসূচি দেয়া উচিত ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার সাথে সাথে তাঁর কার্যালয় এবং বাসস্থানে পানি, বিদ্যুত ও গ্যাস এর অবরোধ দেয়া।

পানি-বিদ্যুত-গ্যাসের জন্য রাস্তায় রাস্তায় হন্যে হয়ে ঘোরা সাধারন জনগন সকলে একসাথে মিলে আজ এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে নিশ্চয়ই রাজী আছে। এমনিতেই তারা রাস্তায় রয়েছে, তারা তাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির টিকির দেখাও পাচ্ছেনা। কোন সমাধান তো দুরের কথা আশ্বাসও তাদের কাছে আজ স্বপ্ন। তারা কোন দু:স্বপ্ন দেখতে এই অযোগ্য লোকদের নির্বাচিত করেনি। তাদের দেখা স্বপ্নগুলো আজ ক্ষমতাসীন সরকার ব্যর্থ বলে প্রমানিত করেছে। আজ সবাই ফুসছে, সবার ইচ্ছা অন্তত: একদিন শেখ হাসিনা যেন অনুভব করেন, পানি ছাড়া একটা দিন মানুষের কেমন করে চলে। দিনের পর দিন গ্যাসহীন কিংবা নিভু নিভু গ্যাসের আগুন দিয়ে কেমন করে মানুষের রান্না হয়। বিদ্যুতের অভাবের জ্বালা কতটুকু। জনগন শেখ হাসিনাকে বুঝাতে চায় তাদের বোন কিংবা কন্যা সন্তানের যখন বস্ত্রহরন করা হয় কিংবা যৌন হয়রানী করা হয় তখন তাদের অনুভুতি কেমন হয়।

সরকারের জানা উচিত:
১. আজ যে জনগনের সাথে গিনিপিগের মত আচরন করা হচ্ছে, তেমনি আগামী নির্বাচনে জনগন গিনিপিগের মত করে বর্তমান বিরোধীদের নির্বাচিত করবে। যদিও এতেও তাদের সমস্যা সমাধান হবেনা। কিন্তু পরপর দুবার একজনকে নিয়ে খেলবে না জনগন।

২. ইনফোরমেশন টেকনোলজির ছাত্ররা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার শপথে অংশ নিতে চায়, কিন্তু তাদের কাছে নেই যথাযথ উপকরন। সেই সাথে যদি বিদ্যুতও ডিজিটাল পদ্ধতিতে অন-অফ হতে থাকে, তবে তরুন প্রজন্ম আওয়ামী লীগকেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে অন করার ঠিক পরই অফ করে দেবে।

৩. ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে সরকার ভয় পায়, কিন্তু ছাত্রলীগের দেয়া অসহ্য যন্ত্রনা সহনীয় পর্যায় ছাড়িয়ে যাবার পর, সাধারন ছাত্ররা একজোট হয়ে এদেরকে মাটির নিচে পুতে দিতেও হয়তো কুণ্ঠাবোধ করবেনা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29158486 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29158486 2010-05-19 23:48:52
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ৮১ তে নয় ২০০৮ এ
প্রথমবার হতাশ করেছেন স্বৈরাচারী এরশাদের সাথে মৈত্রী করে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে অংশ নিয়ে, এবং দ্বিতীয়বার রাজপথে প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা ও লাগাতার অবরোধের মুখে গনতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যহত করে অসাংবিধানিকভাবে সামরিক আশ্রয়ে ফখরুদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে সাহায্য করে। শুধু সাহায্য করেই তিনি ক্ষান্ত হননি, সেই সরকারের মাইনাস টু ফরমুলাকে কার্যকর করতে দেশ ছেড়েছিলেন তিনি। কিন্তু মাইনাস টু সফল করতে দেশপ্রেমকে বিসর্জন দিয়ে অজ্ঞাত কামাইয়ের লোভে তিনি দেশ ছাড়লেও প্রতিপক্ষ বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া যখন সকল অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করে শক্ত করে দেশের মাটি আঁকড়ে থাকলেন তখন তাঁরও সৎবিত ফিরল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারও উপায়ন্তর না দেখে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে সাহায্য করলেন এবং কিছু একটা সমঝোতার মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে দিলেন।

যাই হোক ২০০৮ এ শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসাটা গনতন্ত্রের মুক্তির জন্য আবারও একটা লক্ষ্ণন তৈরী করেছে, যদিও সত্যিকারের গনতন্ত্র আসবে হয়তো আরো পরে। আশা রাখি গনতন্ত্র আসবেই। ৮১ এর শেখ হাসিনার ফিরে আসাটা অনেক কালিমায় লেপ্টে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে, ২০০৮ এর ফিরে আসাটাই তাঁর জন্য বেশি সম্মানজনক। তাই আজ কিছুতেই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করাটা শেখ হাসিনার জন্য লজ্জাজনক বই অন্য কিছু হতে পারেনা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29156238 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29156238 2010-05-16 20:30:25
পানি-বিদ্যুত-গ্যাসের সরবরাহে পরিবর্তন
১৯৯১ এর বিএনপি সরকারের আমলে:
১. নলকূপের পরিবর্তে সবার ঘরে ঘরে ওয়াসার লাইনের পানির ব্যবস্থা হল। তখন এ পানির জন্য কাউকে মোটর ব্যবহার করতে হতনা, এমনিতেই পানি ছলছল করে সবার কাছে পৌছে যেতে শুরু করল।

২. আগে ঢাকার কিছু অভিজাত এলাকা ছাড়া সব জায়গাতে লাকড়ির চুলা কিংবা হিটারের মাধ্যমে রান্নার ব্যবস্থা ছিল। এ সরকারের আমলে তা পরিবর্তন হল। সিটি কর্পোরেশনের সবার কাছে গ্যাস পৌছে গেল।

৩. লোডশেডিংও ছিল নগন্য। তখন ঢাকার বিদ্যুতের গ্রাহক খুব বেশি ছিলনা মনে হয়, ডেসা-ই সবার কাছে বিদ্যুত পৌছে দিতে পারত।

১৯৯৬ এর আওয়ামী সরকারে আমলে:
১. ওয়াসার পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বন্ধ হল। দিনের পর দিন পানির অভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত হতে লাগল। ধীরে ধীরে সবাই ওয়াসার পানি লাইন থেকে পানি টেনে আনার জন্য টিউবওয়েল লাগিয়ে নিল। ধনী শ্রেনী ঘরে ঘরে মোটর বসাল।

২. লোডশেডিং প্রতিদিন প্রায় দুঘন্টা করে হত নিয়মিত। মাঝে মাঝেই ডেসা সারারাতই বিদ্যুত দিতে ব্যর্থ হত। ডেসার সার্ভিস প্রচন্ড জঘন্য অবস্থায় চলে গেল। অবশেষে ডেসাকে ডেসকোতে পরিনত করার পরিকল্পনা গ্রহনের অবস্থা সৃষ্টি হল।

৩. গ্যাসের সংকটের কোন ঘটনার কথা মনে নেই।

২০০১ এর জোট সরকারের আমলে:
১. পানি সমস্যা আগের অবস্থাতেই রইল। কোন উন্নতি নাই, তবে নতুন করে কোন সমস্যার কথা মনে পড়েনা।

২. লোডশেডিং সন্ধায় একঘন্টা করে হত নিয়মিত। মাঝে মাঝে ঘোসনা দিয়ে দিনের বেলা দুয়েক ঘন্টা বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ থাকত। ডেসকোর সার্ভিস উন্নত হল। রমজান মাসে লোডশেডিং এর মাত্রা বাড়ত, ঠিক ইফতারের সময় ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ হয়ে যেত।

৩. গ্যাস সংকট নামক সমস্যার উদ্ভব হল।
২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এদেশে কোন শাষক ছিলনা, বরং একদল অগনতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিকভাবে কুটিল লোকজন দেশের শাষনের নামে শোষন করেছে। স্বভাবতই এ সময়ে কোন উন্নতি হয়নি, বরং আজকের উদ্ভুত সমস্যার মূল কারন সেই সময়ের দু:শাষন।

২০০৯ এর মহাজোট সরকারের আমল:
কিছুই বলার নাই। চারিদিকে খালি নাই আর নাই। পানি নাই। গ্যাস নাই। বিদ্যুত নাই। পানি-বিদ্যুত-গ্যাসের দাবীতে রাস্তায় নামলে সরকার পক্ষের কর্মীদের নিয়ে পুলিশ হামলে পড়ছে। জনগন পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29154484 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29154484 2010-05-14 00:14:39
জনগনের চাহিদা পূরনে বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে
এর কিছু উদাহরন:
১. পানি-বিদ্যুত গ্যাস হল দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ বিষয়। এ দিকটার প্রতি সকল সরকারেরই উচিত শক্তভাবে তত্ত্বাবধান করা। এ তিনটি বিষয়ের সাথে সারা দেশের প্রত্যেকটি মানুষেরই সম্পৃক্ততা রয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলেই পানি-বিদ্যুত-গ্যাস নিয়ে দেশে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিনতম বিপর্যয় ঘটেছে, এবং দিনে দিনে এ সমস্যা বৃহদাকার ধারন করছে।

২. নাম পরিবর্তনসহ আজব আজব কিছু ঘটনা ঘটিয়ে সরকার বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে, অপরদিকে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বিপুল অর্থ পড়ে আছে যা ব্যয় করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

৩. সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, ধর্ষন ইত্যাদি সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাস গুলোর পরিবেশ সরকারের দলীয় কর্মীদের কারনে নষ্ট হয়ে গেছে। সেখানে পড়াশোনার নয় মারামারির পরিবেশ বিরাজ করছে।

৪. জিডিপির সঠিক বাস্তবায়ন হচ্ছে না, উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে আছে। পূর্বের সরকারের শুরু করা অনেক প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। ব্যবসা-বানিজ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে এখন পর্যন্ত তার কাম্য গতিতে চলতে পারছেনা।

উপরে বর্ণিত উদাহরনগুলোর প্রভাব সারাদেশের মোটামুটি সকলের উপরই প্রভাব ফেলছে, এবং এ সমস্যাগুলো সবাইই একসাথে প্রত্যক্ষ করছে। এছাড়াও দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরে ধরে ধরে পর্যবেক্ষন করলে দেখা যাবে, আসলে কিছুই ঠিকমত চলছেনা। বরং কোন একটা পাশবিক বাধায় সব পিছিয়ে যাচ্ছে।

কারন:
১. সরকারের জনগনের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব। নির্বাচিত সরকার যখন পুরোপুরি জনগনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের মাধ্যমেই সরকার গঠন করে, তখন তাদের মধ্যে জনগনের প্রতি একটা কর্তব্যবোধ ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত থাকে। কিন্তু এ সরকারের মধ্যে তার কোন বালাই দেখা যাচ্ছেনা, যা তাদের নির্বাচিত হবার মাধ্যম (সমর্থন না ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং) সম্বন্ধে সন্দিহান করে দিচ্ছে।

২.অযোগ্য মন্ত্রীপরিষদ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারছেনা। উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করতে না পারাটা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অযোগ্যতার ফল। ইতিমধ্যে আমরা লক্ষ্য করেছি, মন্ত্রীপরিষদকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজের মত করে (ক্যামন জানি বিদঘুটে করে) তৈরী করেছেন। দলের সিনিয়র নেতাদের পূর্বের কিছু ভুলকে মাথায় রেখে তাদের দাঁত ভেঙে দিয়ে তাঁর দল ও মন্ত্রীপরিষদ সাজিয়েছেন পুরোপুরি ইনট্যাক্ট সদস্যদের দিয়ে। এদের কার্যক্রম ও বিবৃতি সবকিছুই কেমন যেন অসংলগ্ন মনে হচ্ছে।

৩. সারাদেশে যখন তান্ডব চলছে ছাত্রলীগ কিংবা আ্ওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনগুলোর দ্বারা তখন সরকার চিরুনি অভিযান চালালেন প্রতিপক্ষ দলের ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে। এধরনের মূর্খতা ও হিংসাত্নক কার্যকলাপ সন্ত্রাস দুরীকরনে সরকারের আন্তরিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ২৮শে অক্টোবরে রাজপথে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কে প্রকাশ্যে লগি বৈঠা দিয়ে পাশবিক ভাবে হত্যা ও লাশের উপর নৃত্যের যারা নের্তত্ব দিয়েছেন, সেই নেতাদের হাতে দেশ সন্ত্রাসমুক্ত হবে তা আমি অন্তত: বিশ্বাস করিনা।

৪. মাত্রাতিরিক্ত দলীয় করন, স্বাধীন দুর্নিতি দমন কমিশন সহ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা হরন করে তাদেরকে সরকারের ইচ্ছাধীন ব্যবহার করা ও এসকল প্রতিষ্ঠানের সীমা নির্ধারনের মাধ্যমে দেশের সকল গুরুত্বপুর্ন সেক্টরকে অযোগ্যতায় ভরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অযোগ্য আমলাতন্ত্র দেশকে এগিয়ে নিতে পারবেনা।

অতএব, এদেশের সরকার জনগনের চাহিদা পূরনে ব্যর্থ ইতিমধ্যে হয়েছে, এবং তাদের সকল কার্যক্রম এ ব্যর্থতাকে শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বিধায় তাদের পক্ষে সফলতার কোন সম্ভাবনা নেই। জনগনের এ দুর্ভাগ্য দুর করতে এ মুহুর্তে হয় সরকারকে আন্তরিক ভাবে এগিয়ে আসতে হবে, নইলে নিজেদেরকে ব্যর্থ ঘোষনা করে পদত্যাগ করতে হবে। সর্বোপরি, আবার নতুন করে হাল ধরতে হবে। সরকার যদি এ ব্যপারে আন্তরিক না হয়, জনগনের দুর্ভাগ্য সীমা অতিক্রম করবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29154112 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29154112 2010-05-13 11:45:23
হাসিনা আর মঈনের সম্পর্ক দেয়া-নেয়ার.. -নাহ! কেন দেব?
-দে-না, তোর তো আরো আছে, আমার না একটাও নেই।
-আচ্ছা, ঠিক আছে, দেব তোকে, কিন্তু তুই আমাকে তোর কলমটা দে।
-ঠিক আছে, নে। তুই আমার কলমটা নে, আর আমি তোকে আমার চকটা দিচ্ছি।
-এবার ঠিক আছে।

কথোপকথনটা হচ্ছিল দুটো শিশুর মধ্যে। অনেকটা মধ্যযূগীয় পদ্ধতির আদান প্রদান হলো। অবশ্য শিশুরা তো আর টাকার লেনদেন সম্বন্ধে তেমন ধারনা রাখেনা, আর তাই তাদের জীবনের শুরুটা মধ্যযুগ হলেও অনেক এগিয়ে। এবার আসা যাক আমাদের রাষ্ট্রীয় আধুনিক মধ্যযূগীয় একটা লেনদেনে।

একদিন হঠাৎ মঈন ইউ আহমেদ একটা চাদর মুড়ি দিয়ে বিশেষ কারাগারে লুকিয়ে দেখা করতে গেলেন শেখ হাসিনার সাথে। গিয়ে বললেন, "আপা! আমি ভেজালে আছি গো আপা। আমারে বাচান।"
শেখ হাসিনা তাঁর ব্যক্তিত্বসূলভ কণ্ঠে বললেন, "কি হয়েছে। আমাদেরকে কষ্টে রেখে আপনি কেমনে ঝামেলায় পড়লেন, বুঝলাম না।"
-আসলে আপা, আমি জনগনরে বলদ ভাবছিলাম। ভাবছিলাম, যুদ্ধ শেষ হইছে বহু আগে। জনগন বোধহয় সব স্বার্থপর হয়ে গেছে, এরা হয়তো দেশ নিয়ে তেমনা ভাবে না। তারউপর ছাত্ররাও হয়তো সব ডেটিং নিয়েই ব্যস্ত। কিন্তু ভুল, সব ভূল। জনগন ভেতরে ভেতরে ফুসতেছে, আর ছাত্ররাতো একহাত দেখাইয়াই দিল। আমি ডরাইছি গো আপা, আমি ডরাইছি। আমারে বাচান।
-ঠিক আছে, আমি আপনাকে বাচাব। স্বার্থপরের মতোই বাচাব আপনাকে। তবে আগে বলতে হবে ক্যামনে বাচাব, তার বিনিময়ে আমি কি পাব?
-আপনে আমার গুন্ডা সরকারকে বৈধতা দেবার অঙ্গীকার করলে, আমি আপনারে বৈধ ভাবে ক্ষমতা দিয়ে দেব।
-তা-ই সই।

উপরের কথোপকথনগুলো সব সত্য নাও হতে পারে, কিন্তু ঠিকই শেখ হাসিনা স্বার্থপরের মত ঘোষনা দিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আওয়ামী লীগ বৈধতা দেবে। এবং বিনিময়ে তিনি সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে বৈধভাবে সরকার গঠন করলেন। আমরা পেলাম অযোগ্য এক সরকার। এ সরকার আমাদের পানি দেয়না, বিদ্যুত দেয়না, পানি-বিদ্যুত চাইলে তাদের দলের পোষা কুত্তা দিয়ে খেদিয়ে দেয়। নিয়মিত এরা রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সন্ত্রাসের মহড়া দেয়, আর আমরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি।

একটি লেনদেন আমাদের ভাগ্যে দুর্বিষহ যন্ত্রনা বয়ে নিয়ে এল। মধ্যযূগীয় এ ধরনের দেয়া নেয়া লেনদেন বন্ধ হোক, সবকিছু আধুনিক হোক, সেই আধুনিক গনতন্ত্রের মুক্তির কামনায় রইলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29152882 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29152882 2010-05-11 09:23:24
বিদ্যুত আমদানীর নামে ভারতের ফাঁদে পা দিচ্ছে বাংলাদেশ
কিভাবে:
১. বাংলাদেশ যদি ভারতের কাছ থেকে বিদ্যুত কিনে বিদ্যুতের চাহিদা পুরন করতে শুরু করে, তবে ধীরে ধীরে আমরা বিদ্যুতের ব্যপারে ভারতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ব। পরবর্তিতে এই নির্ভরশীলতার পরিমান বেড়ে যাবে, ভারত চাইলেই আমাদের উপর তাদের কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে।

২. বিএনপি জোট আমলে যদিও জাতীয় গ্রীডে প্রায় দুহাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত যোগ হয়েছে, কিন্তু তার আগের আওয়ামী আমলে তা হয়নি। এবারও হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কেননা অযোগ্যদের দিয়ে পরীক্ষামূলক মন্ত্রীপরিষদ তৈরী করাতে জিডিপিও ঠিকমত বাস্তবায়ন করা যাচ্ছেনা। ফলে আগামী সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুত উৎপাদন নাও বাড়তে পারে, আর ভারতের কাছ থেকে বিদ্যুতের যোগান দেয়া গেলে সরকার এ ব্যপারে আরো উদাসীন হয়ে যাবে। তখন হয়তো সচল বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোও একে একে বন্ধ হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, সরকার ভারতকে বাইরের কোন চাপে পড়ে বিদ্যুতের ট্রিগার তুলে দিতে চাইছে।

সরকার যদি সত্যিই বর্তমান চাহিদা মেটানোর জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুত আমদানী করে, তা মেনে নেয়া যেতে পারে। কিন্তু সরকারের এই সদিচ্ছার বাস্তব প্রমান চাই। তাদের জিডিপির বাস্তবায়ন হওয়া চাই। পড়ে থাকা অর্থ দিয়ে অন্তত চারজন মন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে এদেশেই বিদ্যুত সমস্যা মেটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এক্ষুনি, আর এজন্যে কয়লার ব্যবহার করা যায় কিনা তা নির্ধারন করার জন্যে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব টেকসই থাকুক চিরকাল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29147989 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29147989 2010-05-04 00:18:36
অদক্ষতায় মাতাল সরকারের তো কিছু করতে হবে, তাই ওয়ানকে বন্ধ করেছে দেখে শুনে অজ্ঞতা,
বাড়ে তত পক্ষতা,
মুরুব্বির বক্রতা,
অর্জনকে করেছে তিক্ততা।



সরকারের বক্র মনোভাবই ধীরে ধীরে সংবাদ মাধ্যমকে তাদের কাছে তিক্ত করে তুলছে। সংবাদ মাধ্যমগুলোকে টিকে থাকতে হলে এখন ডানা কাটা পরীর মত করে সেজে গুজে বসে থাকতে হবে, আর রাজপরিবারের পা চুষতে হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29143845 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29143845 2010-04-28 06:35:50
আওয়ামী লীগ কি গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংশ করতে চায়?
ঐ সময়ে গার্মেন্টস শিল্প কারখানাগুলোতে যতবারই শ্রমিক অসন্তোষের নামে শিল্প প্রতিষ্ঠান জ্বালাও-পোড়াও করা হয়েছে, তার প্রত্যেকটাতেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার পেছনে আওয়ামী নেতাদের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া গেছে। যারা আসলে শ্রমিক নয় তাদেরকে দিয়ে সেই অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করে পেছনের খলনায়করা বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ সকল শিল্পের সুনাম ক্ষুন্ন করেছে, দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিদ্যুতের সংকট শুরু হয়েছে, সেই সাথে গ্যাস আর পানিরও। সেই সংকট মোকাবিলার কোন লক্ষ্ণনই দেখা যাচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে, বরং সরকার পক্ষ যেন বেশিই নিরবতা প্রদর্শন করছে এ ব্যপারে। মূলত তারা গত কয়েকমাসে বিদ্যুত ও গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরী তাদের পুরোন বাসনাটার বাস্তবায়নের জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে। তার সাথে সাথে ভারত থেকে সুতা আমদানীর পথ চালু করে দিয়ে এদেশের সুতা তৈরী শিল্পকেও পংগু করে দিতে চাচ্ছে। তারা চায় এদেশের শিল্পখাত সম্পুর্নরূপে ধ্বংশ হয়ে যাক। আর এটি নিশ্চয়ই তাদের কোন বিদেশী প্রভূর খুশির জন্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29138246 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29138246 2010-04-20 06:06:11
ভ্যাম্পায়ার!! ভ্যাম্পায়ার!!
ভয় লাগার মতই একটা ঘটনা ঘটল ভোরে। ৪:৫০ এর ঘুম থেকে উঠেছি। ৫:১০ এ ফজরের জামাত। সবাই ঘুমুচ্ছে, লাইট জ্বালানো যাবেনা, তাই অন্ধকারে মোবাইল ফোনের আলোয় টয়লেট পর্যন্ত যেতে হল। অযু করে বেরিয়ে আবার মোবাইল ফোনের অল্প আলোয় সিড়ি দিয়ে নেমে মসজিদে চলে গেলাম। নামাজ শেষে ফিরে এসে সিড়ির গোড়ায় দেখলাম কালোমত কি একটা যেন যেন। আকারে প্রজাপতির চেয়ে খানিকটা বড়। চোখে একটু কম দেখি তো এজন্য প্রথমেই ঠাহর করতে পারিনি যে, এটা একটা বাদুড়। বাদুড় দেখলেই ভ্যামপায়ারের কথা মনে পড়ে। তালা খুলে যেই সিড়িতে ঢুকলাম, অমনিই ওটা লাফ দিয়ে উঠল। লাফ দিয়ে উঠে উড়তে শুরু করল। উড়তে জানে, উড়বেই তাই ভেবে আমি একে কোন আমল দিলাম না। কিন্তু যখন ছোট্ট সিড়ি ঘরে একেক পাক ঘুরে ঠিক আমার দিকেই সাঁই করে বারবার আসতে লাগল তখন আমি আর ভয় না পেয়ে পারলাম না। বাদুড়টা বোধহয় উড়তে গিয়ে পথ ভূল করে গ্রিল ভেদ করে সিড়িতে ঢূকে গেছে। আন্দাজে উড়ে উড়ে হয়তো রাস্তা খোজার চেষ্টা করছে। এই ভেবে খানিকটা স্বস্তি পেলাম আন্দাজ করে নিলাম যে, দোতলায় উঠে গেলেই এর হাত থেকে নিস্তার পেয়ে যাব। দোতলায় উঠে দাড়াতেই দেখি ওটা ঠিকই আমার পেছন পেছন চলে এসেছে। এবার একটু হলেই এটা আমার পিঠের সাথে লেগে যেত। তাড়াতাড়ি করে তিনতলায় উঠলাম, না দাঁড়িয়েই চারতলায় চলে এলাম। এখানে এসে হাঁপ ছেড়ে যেই দাঁড়ালাম অমনি দেখি ওটা আমার দিকে ছুটে এল। এ বাসায় এমনিতেই অনেকের মুখেই ভুতটুতের কথা শুনেছি। তারউপর ভোররাতের গা ছমছম পরিবেশ। সত্যি বলতে আমার হৃদয় পুরোই কেঁপে উঠল। চোখমুখ বন্ধ করে দিলাম দৌড়, পাঁচতলায় উঠে দ্রুত দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেই আটকে দিলাম। এবার সত্যিই বাচা গেল। পান্জাবীটা খুলে ছোট্ট একটা স্বস্তির গড়াগড়ি দিলাম।

একটা ব্যপার আমার কিছুতেই পরিষ্কার হচ্ছেনা, বাদুড়টা কেন আমার পিছে লাগল। বাদুড়তো চোখে দেখেনা, আমারে দেখল ক্যামনে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29137022 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29137022 2010-04-18 07:48:18
সেইদিন থেকে বাংলাদেশ পুরোপুরি স্বাধীন হবে...
সেই দিন থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন বলা যাবে যেদিন-
১. সরকার দল ছাড়াও অন্য দলগুলো প্রকাশ্যে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত রাজনীতি করার অধিকার লাভ করবে।

২. প্রতিদ্বন্দ্ধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অকাতরে চিরুনী অভিযান হবেনা, কথায় কথায় ছাত্রদেরকে রিমান্ডে যেতে হবেনা।

৩. বিদেশি স্বার্থকে উপেক্ষা করে নিজেদের দেশীয় স্বার্থে অর্থনীতি কে ঢেলে সাজানো হবে, পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে এদেশীয় শিল্পকে। Click This Link

৪. সরকার দলের কর্মীরা প্রকাশ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে পারবেনা, ক্ষমতার জোরে লুটপাট করবেনা। Click This Link

৫. সমাজ ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী রীতিকে সম্মান দেখিয়ে বিদেশী সংস্কৃতির কুপ্রভাবকে দুরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

৬. ব্যবসায়ীরা নয় দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদগন দেশ চালাবেন।


ইত্যাদি।

সাইনবোর্ড সদৃশ রাজনীতিবিদদের ছত্রছায়ায় ব্যবসায়ীদের দিয়ে এদেশটা আজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মত শাষনের কবলে পড়েছে। আরেকটা যুদ্ধ করে এইসব ফ্যাসিবাদী বুর্জোয়া শক্তিকে দুর করতে না পারলে এদেশকে কিছুতেই স্বাধীন বলা যেতে পারেনা।

আসুন সবাই স্বাধীনতার শপথ নেই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29132174 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29132174 2010-04-10 09:24:22
HSBC ব্যাংকের সাথে লেনদেন এ সাবধান থাকুন!!
তার দুয়েকদিন পর আবারও আরেকটা চেক ভাঙিয়ে ফিরে এসে তিনি আরেকটা নকল নোট দেখতে পেলেন। এবারও ব্যাংকে গিয়ে জানাতে না জানাতেই কোন কথা না বাড়িয়ে কাউন্টারম্যান টাকাটা পরিবর্তন করে দিল।

আজ আবার ঘটল একই রকম আরেকটা ঘটনা এবং একই স্থানে। এবার একই ব্যবসায়ী ঐ একই ব্যাংক হতে চেক ভাঙিয়ে টাকা তুলে পাশের আরেক ব্যাংকে নিজের একাউন্টে টাকাটা জমা দিতে গেলে ঐ ব্যাংকের কাউন্টারম্যান সেই টাকাতে একটা জালনোট দেখতে পেলেন। টাকাটার উৎস সেই HSBC ব্যাংকে ফেরত দিতে গেলে এবার কাউন্টারম্যান টাকাটা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করল। তবে ব্যাংকের ঐ শাখার সুপার ভাইজারকে নোটটা দেখাতেই তিনি কোন যাচাই না করে, এমনকি সংশ্লিষ্ট কাউন্টারম্যানের সাথে কোন কথা না বলে এটাকে ভাল নোট বলে তা রেখে দিয়ে আসল আরেকটা নোট দিয়ে বিদায় করে দিলেন।


উপরোল্লিখিত তিনটি ঘটনায় কিছু মিল রয়েছে:
১. প্রতিবারই ক্লায়েন্ট ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর নকল নোটটি সনাক্ত করতে পেরেছে, অথচ ফেরত দিতে আসলে তা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করেনি কর্তৃপক্ষ। তাহলে নিশ্চয়ই তারা তাদের ব্যাংক থেকে নকল নোট যেতে পারে বলে স্পষ্ট ধারনা রাখে।
২. নকল নোট পাওয়া মাত্র তা নষ্ট করে ফেলার নিয়ম রয়েছে ব্যাংকে। অথচ সেই নিয়ম কোনবারই অনুসরন করেনি কর্তৃপক্ষ। তারা নোটটি নষ্ট না করে বরং তা সংরক্ষন করে রেখেছে।
৩. তৃতীয়বার স্পষ্ট নকল নোটকে ভাল নোট বলে আখ্যায়িত করে, নোট পরিবর্তন করে নকলটি রেখে দিয়েছে।

এইচ এস বি সি ব্যাংকের সাথে যেকোন লেনদেন এর ব্যাপারে সবাইকে সাবধান থাকতে অনুরোধ করছি। বিশেষ করে এর গুলশান সার্কেল এক শাখার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29129082 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29129082 2010-04-04 23:12:04
আধা ডিজিটাল বাংলাদেশে বালাই আছি, হাহ্(!!)
মোরাল: আধা ডিজিটাল বাংলাদেশের তুলনায় পুরা অ্যানালগ বাংলাদেশ অনেক বালা। আগে দিনে এক ঘন্টা কারেন্ট যাইত, আর সরকাররে গাইল পাড়তাম। এহন, দিনে কয়েক ঘন্টা কারেন্ট থাকে, সরকাররে কি কইয়া গাইল পাড়ুম সেইটা মাথায়ই আহেনা। পুরা বাকহীন বা গালীহীন হইয়া গ্যাছিগা। গালির ডিকশনারী থাকলে একটা ব্যবস্থা হইতে পারে। নেটে খুইজা দেহুম। পানি সব মনে হয় হাসিনায় খায়। হেতি বিন্পি মার্কা তত্ত্বাবধায়কের আমলের মত "পানি বন্ধ কইরা দিবাম, অক্সিজেন বন্ধ কইরা দিবাম" টাইপের দেশ চালাইতাছে। আমরা কি করছি যে, আমাগোরে চিকার মত কইরা গর্তে পুইরা পানি ঢাইলা চাইপা ফালাইছে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটি কোটি টাকা শ্যাষ কইরা ফালাইলো খালি একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত বিমানবন্দর নাম পরিবর্তন করতে গিয়া, অথচ সাধারন মানুষের চাকরানী হইয়াও কামের কাম কিচ্ছু করেনা। আমার এলাকার সংসদ সদস্যের টিকিটাও দেখলামনা, হালারে ক্যাডা যে ভোট দিল? ধারে কাছে পাইলে জুতাইতাম হালারে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29127491 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29127491 2010-04-01 22:56:15
ক্যামেরা
ঈদ মানে মামা আসবে, আর মামা যখনই আসেন তাঁর ব্যাগে করে ক্যামেরাটা নিয়ে আসেন। আর আমিও তক্কে তক্কে থাকি, যদি একবার সুযোগ পাই তো দেব ক্লিক করে। ঈদের দিন মামা আমাদের ভাইবোনদের নিয়ে বেড়াতে যেতেন, আর ছবি তুলতেন। এমনই কোন একদিন তিনিই আমাকে ছবি তোলার সুযোগ করে দিলেন। ছবি তুললাম, একটা কিংবা দুটো। ছবিগুলো ওয়াশ করার পর থেকে মামা কাউকে দিয়ে কোন ছবি তোলানোর প্রয়োজন বোধ করলেই আমাকে সুযোগ দিতেন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত ছবি তুলার ব্যপারে আমার আগ্রহে বিন্দুমাত্র ঘাটতি পড়েনি। তবে ঘাটতি পড়েছে একটা জিনিসের সেটি হচ্ছে ক্যামেরা।

ক্লাশ এইট পেরিয়ে যাবার পর, যখনি কোন পরিবারে কোন অনুষ্ঠান হয়েছে তখনি মামার ক্যামেরাটা ব্যবহার করার অনুমতি পেয়েছি। এর আগে কিছু কিছু ছবি তোলার সুযোগ পেলেও স্বাধীনতা ছিলনা, মামার ইন্সট্রাকশন মেনে ছবি তুলতে হতো। কিন্তু ক্লাশ এইট পেরিয়ে যাবার পর থেকে মুক্তভাবে ছবি তুলতে সুযোগ পেয়েছি। ফিল্ম কেমন করে ক্যামেরায় ভরতে হয় তা-ও মামা নিজেই খুব সুন্দর করে শিখিয়ে দিয়েছিলেন। নিজে সামনে থেকে অনেকবার প্রাকটিস করিয়েছেন আমাকে।


বড় আপার বিয়ের সময় সব ছবি আমি নিজেই তুলেছি। তারপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে গিয়েও আমিই ছবি তুলেছি। যদিও মামা সব সময় সাথে ছিলেন, তবে কখনো আমার ছবি তুলার ব্যপারে কোন ইন্সট্রাকশন চাপিয়ে দিতেননা। ফলে ইদানিং এমন অবস্থা হয়েছে যে, আমি ছবি তুলার সময় কেউ যদি পেছন বা সামনে থেকে কিছু বলে তবে মাথাটা গরম হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ক্যামেরা তার হাতে তুলে ছবি তোলায় রদ দেই। ছবি তোলায় পুর্নাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি আমি।

আগেই বলেছি, ছবি তোলায় আগ্রহ কখনোই ঘাটতি হয়নি আমার। তবে আজ পর্যন্ত আমার একটা ক্যামেরার ঘাটতি রয়েছে। তবে সব বাধা উপেক্ষা করে আমি এখনো ছবি তুলি। ইউনিভার্সিটি কিংবা অন্য কোথাও কোন অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত থাকলে সেখানকার ছবি তোলার দায়িত্ব পড়ে আমার উপর। ভার্সিটির কিংবা অনুষ্ঠান কর্তপক্ষই ক্যামেরা সরবরাহ করে।

ভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের শেষের দিকে অনেক কষ্ট করে টাকা জমিয়ে একটা মোবাইল ফোন কিনেছিলাম। ছয় হাজার টাকা দামের নোকিয়া ফোনটাতে একটা ক্যামেরা ছিল। সেটা দিয়ে বেশ কটি ছবি মেমোরিতে সেভ করা যেত। কম্পিউটারে তা সেভ করে মেমোরি খালি করে আবার ছবি তুলতাম। এরপর চাচাত ভাই আরেকটু ভাল ফোন কিনে দিয়ে আমারটা নিয়ে গেল। এটাতে বাড়তি সুবিধা পেলাম যে, এটাতে মেমোরি কার্ড আছে এবং এটার ক্যামেরাটা আগেরটার চেয়ে সামান্য একটু ভাল। এটা দিয়েই এখন চলছে আমার ছবি তোলার শখ পূরন।

কোন অনুষ্ঠান কিংবা মানুষের ছবি তোলার চেয়ে আমার বেশি ভাল লাগে প্রকৃতির ছবি তুলতে। মানুষ কিংবা অনুষ্ঠানের ছবি তুলতে গেলে কারো না কারো সেখানে স্বার্থ থাকে, মডেলদের মধ্যে বাড়তি প্রদর্শনের চেষ্টা থাকে, কিন্তু প্রকৃতি হল এমন এক সাজানো মডেল যার ছবি তুলতে কোন বাধা নেই, আবার ছবি তোলার ব্যাপারে তাড়া নেই, নেই তার কোন স্বার্থ। প্রকৃতিতে ফটোগ্রাফি নিয়ে কাজ করতে গেলেই কেবল দৃষ্টির পুর্নাঙ্গ স্বাধীনতা পাওয়া যায়। নিচে আমর তোলা কয়েকটা ছবি শেয়ার করলাম।








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123430 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123430 2010-03-25 23:46:55
এদেশে আন্দোলনে আর কিচ্ছু হবেনা
আন্দোলন ব্যর্থ। এদেশে আন্দোলনে কিছু হবে না আর। এদেশের মানুষের কোন অধিকার নাই, আছে শুধু .....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123398 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123398 2010-03-25 23:03:38
পানির দাবীতে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নেমে এল বাড্ডার এলাকাবাসী
আর কত সহ্য করবে ওরা। এবার গর্জে উঠেছে তারা। গনতান্ত্রিক দেশে তাদেরও কথা বলার অধিকার আছে। আছে অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করার অধিকার। শহরের একটা অংশের মানুষ পানির অভাবে মরতে বসেছে, তাদের কষ্ট দেখার জন্য কেউ নেই। এদের ভোট নিয়ে যে পার্লামেন্টের সদস্য হয়েছে তার দেখা পাওয়াও তো সূর্য পশ্চিম দিকে উদয় হবার মত ব্যপার। তাই এবার নিজেদের দাবী নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিল সবাই। কয়েকঘন্টা ধরে বাড্ডা বিশ্বরোড অবরোধ করে তাদের দাবী জানিয়েছে। হাস্যকর লেগেছে এই ভেবে যে, সেখানে ওয়াসা কিংবা সরকারের কাউকে দেখলাম না কোন আশ্বাস নিয়ে আসতে। বরং তারাই পুলিশ পাঠিয়ে সাধারন মানুষের মুখে কুলুপ এঁটে দিতে চেয়েছে।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123041 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29123041 2010-03-25 13:23:24
উওম না মইত্যা, কোন নামটা আসল?
গোলাম আযম কি নামে পরিচিত ছিল, তা জানালেও খুব ভাল হতো। আর সব রাজাকার কি ঝামাতি ছিল নাকি রাজাকারদের মধ্যে যারা ঝামাতি ছিল তাদের প্রতি আমাদের ক্ষোভ? একটু খুলে বললে ভাল হতো। কেউ আছে নাকি বলার মতো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29122275 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29122275 2010-03-24 07:27:06
পাশের তিনি কে ছিলেন?
কেন জানি মেয়েদের চেহারার দিকে তাকালে আমার খুব ভয় লাগে। আসলে ওটা বোধহয় ভয় না, সাহিত্যে কাঁচা বলেই এমন করে বলছি। ঐ অনুভূতিটাকে মনে হয় অস্বস্তি বলে। নতুন কারো সাথেতো আমি কখনোই কথা বলতে পারিনা। আমার ক্লাশমেট মেয়েদের সাথে প্রথমবার কথা হয়েছিল টানা আড়াইবছর একসাথে ক্লাশ করার পর। এখনো এদের সামনে আমি তেমন পড়িনা, প্রয়োজন হলে ওরা সাহায্য চেয়ে নেয় এই যা।

আধঘন্টা পেরিয়ে গেছে বাসে। মাথাটা নিচু করে রাখতে হচ্ছে এখনো। অসহ্য, আর ভাল্লাগেনা, কে বলেছিল উনাকে আমার পাশে বসতে। বাসে কোন মেয়ের পাশে বসার অভিজ্ঞতা এটা আমার দ্বিতীয়। তবে এর আগেরবারের সেই সহযাত্রীনী পাশে বসার সাথে সাথেই আমার গন্তব্য হাজির হয়ে গেছিল, এবার আর তেমন হচ্ছেনা। আমার কেমন যেন বন্দী বন্দী লাগছিল নিজেকে। এরমধ্যে বিব্রত হবার জন্য উপযোগী একটা ঘটনা ঘটল। হঠাৎ মাথা উঠিয়ে দেখিয়ে একটা ছোট্ট ফুলওয়ালা মেয়ে আমার ঠিক চোখের সামনে এনে কত্তগুলা গোলাপ ফুল ধরে রেখেছে। আর বলছিল, “ভাইজান, ভাইজান, ফুল নেন।“ আমার মাথায় কিছুতেই ধরলনা, এত্তবড় বাসে এত যাত্রী থাকতে পিচ্চি আমার কাছে কেন ফুল বিক্রি করতে এল। এমনিতেই আমি গাছ থেকে ফুল ছেড়া পছন্দ করিনা, আর তা কেনার তো প্রশ্নই আসেনা, অথচ পিচ্চি কিনা আমার কাছে ফুল বিক্রি করতে এসেছে! আমার মনে হয়, পিচ্চি মনে করেছে আমার পাশেরজন আমার পরিচিত এবং তার সাথে আমার ফুল দেয়াদেয়ির কোন সম্পর্ক আছে। ব্যাপারটা মনে হতে লজ্জায় আরো এতটুকুন হয়ে গেলাম। কতক্ষন পিচ্চির দিকে চেয়ে থাকলাম, আর এদিকে ক্ষীন একটা হাসির শব্দ শুনলাম। শব্দটা উনারই ছিল। মানে ঐ আলোচ্য সহযাত্রীনীর। হাসি শুনে আমার অস্বস্তির মাত্রা কয়েকগুন বেড়ে গেল। অনেকটা অস্ফুট স্বরে বাচ্চাটাকে ধমক দিলাম। আমার মনে হয়েছে ওটা ধমক, কিন্তু পিচ্চি ফুলওয়ালি নিশ্চয় ওটা একটা ফিসফিস শব্দ ছাড়া অন্য কিছু মনে করেনি। আর এদিকে ক্ষীন শব্দের হাসি মৃদু শব্দে পরিণত হল। অস্বস্তির মাত্রা কোথায় পৌছেছে ততক্ষনে আমার পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

এর কিছুক্ষন বাদেই উনি তাঁর বইপত্র, হেডফোন, হাতব্যাগ সব গুছিয়ে উঠে পড়লেন এবং আমাকে বাচালেন। তাঁকে বাস থেকে নেমে পড়া পর্যন্ত সময় দিয়ে তারপর মাথা উঠালাম, নিজেকে মুক্ত মনে হল। মুক্তি খুবই আনন্দদায়ক। তবে পাশের তিনি কে ছিলেন, কেন জানি এখন একটু একটু জানতে আগ্রহ হচ্ছে। সেই বাড্ডা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত একসাথে পাশাপাশি বসেছিলাম, কতগুলো যানজট সহ্য করলাম, মজার একটা পরিস্থিতি ফেইস করলাম অথচ তাঁর চেহারাটাও একবার দেখলামনা, কি অস্বাভাবিক। নাহ, কাজটা ঠিক হলনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29122191 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29122191 2010-03-24 00:33:37
বাংলাদেশ সংসদ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি নয়
বাংলাদেশের সংসদ ভবন দেশের বিলাসবহুল এক ভবন। এখানকার প্রতিঘন্টার খরচও প্রচুর বলে জানি। এখানে সারাদেশের জনপ্রতিনিধিগন দেশের সমস্যা সমাধান করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আলোচনায় বসেন। অথচ এখানে মূল সমস্যাগুলো আলোচিত হয়না। এখানে শুধু জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গালি দেয়ার সূচনা করা হয়। আর সেই গালিগালাজ ও গলাবাজি দেশের চা দোকান গুলো পর্যন্ত পৌছে যায়।

আমার এলাকার এমপি হলেন জনাব রহমতুল্লাহ। এমপি হওয়ার পরে তারে আর কোত্থাও দেখিনাই। আমার এলাকায় গত এক থেকে দেড় মাস ধরে লোকজন বিপর্যস্ত জীবন যাপন করছে। কোথাও পানি নাই। ওয়াসার পানির দেখা মেলেনা সারাদিনেও। সারাদিনে বেশ কয়েকবার বিদ্যুৎ আসে এক একটি ঘন্টার জন্যে। যখনি বিদ্যুৎ আসে তখনি এলাকার অট্টালিকাগুলোর বাসিন্দারা শক্তিশালি মোটরের সাহায্যে লাইনের সব পানি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ফলে সাধারন মানুষ বঞ্চিত হয় তাদের খাওয়ার পানিটুকু থেকেও। সারাদিন কয়েক ফোটা পানির জন্যে বৃদ্ধ, শিশু, নারী সবাই এদিক থেকে ওদিকে দৌড়দৌড়ি করে। কাল একটা ছো্ট্ট শিশুকে দেখলাম একটা কলসি আর একটা বালতিতে করে সেই মাইলখানেক দুর হতে সংগ্রহ করে ঘরে নিয়ে যাচ্ছে। পরিচিত একজনকে দেখেই সে কাঁদো গলায় অস্ফুট স্বরে বলে উঠল, "আর পারতাছি না।" রাতে দেখলাম এক কর্মস্থল ফেরত দিনমজুর খালিগায়ে দুই তিনটা পিচ্চি ছেলেমেয়েকে নিয়ে পানির সন্ধানে বেরিয়েছে। ওরা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় প্রায় দৌড়াচ্ছিল মাত্র দুএক জগ পানির জন্য। একটা নারীকে দেখলাম আজ যার এক কোলে একটা এক বছরের শিশু আর আরেক হাতে কলসী যা অনেকদুর থেকে ভরে আনা হচ্ছে। তার সাথে সাথে হাটছে দুতিন বছরের আরেকটা শিশু। এভাবে অজস্র মানুষ, বলতে গেলে হাতে গোনা কয়েকটা বাসার লোকজন ছাড়া আর সবাই এই দুর্ভোগের মধ্যে আছে।

সারাদিন বিদ্যুৎ থাকেনা। আগে একসময় আমরা সন্ধা ৭টা কিংবা রাত ৮টা বাজলে একঘন্টা লোডশেডিং সহ্য করার জন্য প্রস্তুতি নিতাম। কিন্তু এখন প্রতিঘন্টা পর পর আনলিমিটেড লোডশেডিং ধীরে ধীরে বিদ্যুৎবিহীন জংলী জীবন যাপনের প্রস্তুতি শেখাচ্ছে।

দেশের এত সমস্যা অথচ সংসদে কেউ নেই যে কিনা তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে সমাধানের একটা দুয়ার খুলে দিতে পারে। কোন সংসদ সদস্য তাদের নিজ নির্বাচনী এলাকায় বছরে একবার যায় কিনা সন্দেহ আছে। আজকে ওরা প্রেসিডেন্ট আর প্রধানমন্ত্রীর বেতন বাড়ানোর জন্য বিল পেশ করেছে। আমার ভাবতে অবাক লাগে শেখ হাসিনা কেমন করে ঘুমাতে যায়, যেখানে সাধারন মানুষকে সারারাত হাতপাখা নিয়ে বসে থাকতে হয়। কেমন করে তিনি দামী দামী খাবার খান যেখানে সাধারন মানুষ একগ্লাস পানি খেতে পারছেনা। এর উপর আবার তিনি কতটাই না স্বার্থপর যে, নিজের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব পাশ করানোর জন্য উঠেপড়ে লাগেন।

দেখলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মতিয়া চৌধুরীকে তার বিল পেশ করার সময় উৎসাহ দিয়ে কি কি যেন বলছেন। বিরোধীদল এসব প্রস্তাবের বিরোধীতা করলেও প্রায় আড়াইশতাধিক সংখ্যাগুরুর "হ্যা" শব্দের আড়ালে তাদের "না" শব্দ গুড়িয়ে গেছে। বিরোধীদল বিরোধীতা করতে গিয়ে অবশ্য জনগনের সমস্যা সম্বন্ধে অসংলগ্ন কিছু কথা বলেছে, তবে তা তেমন জোরাল নয়। সর্বোপরি সংসদ দেশের প্রতিচ্ছবি নয়।

হযরত উমার (রা) সারাদিন রাষ্ট্রের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা এবং গৃহস্থালী কাজ নিজের হাতে করেও আবার সারারাত শহরজুড়ে পদব্রজে হাঁটতেন। ঘুরে ঘুরে দেখতেন কার ঘরে কি সমস্যা। ক্ষুধার্ত পরিবারের কাছে নিজের পিঠে করে আটার বস্তা পৌছে দিতেন। কোথায় সেই রাষ্ট্রনায়ক? কোথায় সেই মানবতাবাদীর দল? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর দলকে রাসূলের (সা) সেই উম্মত হবার আহ্বান রইল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29121606 http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29121606 2010-03-22 23:57:19