ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিসের আওতায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর বিষয়টি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বিষয়টিতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মোবাইল ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে প্রথম ১ হাজার টাকার জন্য কমিশন ফি হবে মাত্র ২০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি ১ হাজার টাকার জন্য হবে ১০টাকা।
প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ মাসের ২৭ তারিখ থেকেই সারা দেশের ডাকঘরে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর বিষয়টি শুরু করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ডাক বিভাগ। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক কয়েক জায়গায় মোবাইলের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর কাজ শুরুও করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে দেশের ১ হাজার ৬শ’ বিভাগীয় ডাকঘরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যাবে।পরে ৮ হাজার ৫শ’ গ্রামীণ ডাকঘরেও এ সার্ভিস চালু করা হবে। এজন্য এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হবে। তারাই গ্রাহকদের কাছে মোবাইল ফোনে পাঠানো অর্থ হস্তান্তরের দায়িত্বে থাকবেন।
প্রচলিত পদ্ধতিতে মানি অর্ডারে পাঠালে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাপকের হাতে সেই টাকা পৌঁছতে ৭ থেকে ১০দিন লেগে যায়। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তিবিশেষ করে কমপিউটার, ইমেইল ও এসএমএস ব্যবহার করে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা পাঠালে সেটি মুহূর্তের মধ্যে দেশের যেকোনো স্থানে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, পল্লী এলাকায় অবস্থিত ডাকঘর থেকে ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার পরিশোধে বিলিকারী অফিস যদি বিভাগীয় শহরের বাইরের ডাকঘর হয় সে ক্ষেত্রে গ্রামীণ ডাকঘরগুলোতে পর্যাপ্ত সরকারি টাকা রাখা হয় না। তাই মোবাইল মানি ট্রান্সফার টাকা তাৎক্ষণিক ‘এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল এজেন্ট (ইডিএ) বা এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল ডেলিভারি এজেন্ট (ইডিডিএ)’ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রদান করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য তারা নির্ধারিত হারে কমিশনও পাবেন। এ ক্ষেত্রে এক হাজার পর্যন্ত টাকা পাঠাতে যে ২০ টাকা খরচ পড়বে তার ১৪ টাকা কমিশন হিসেবে ডাক বিভাগ পাবে এবং বাকি ছয় টাকা পাবে ইডিএ বা ইডিডিএ। বাদবাকি কমিশনও একই হারে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সূত্র উল্লেখ করেছে। সূত্রঃ Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


