মন'রে কৃষি কাজ জানো না, এমন মানব জমিন রইলো পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোনা

দেশী এ্যাডভাইজর বনাম বিদেশী এ্যাডভাইজর
১৬ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:০৪
আমরা যারা বাইরে পড়াশোনা করছি, সবাই একজন এ্যাডভাইজর এর তত্ত্বাবধানে থিসিস করছি। এই মর্াকিন মুল্লুকে নানাদেশের নানাজাতির লোক শিক্ষকতা পেশায় আছে। এই শিক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ বা খাইস্টা হিসেবে পরিচিত হচ্ছে দেশী প্রফেসররা।
দেশী বলতে যা বুঝি তা হচ্ছে, জন্ম এবং বেড়ে উঠা অন্য দেশে , র্বতমান আবাস মর্াকিন মুল্লুকে। তবে দেশী বলতে সাধারণত বাংলাদেশী, ইন্ডিয়ান , পাকিস্তানি বোঝানো হয়।
আমেরিকান প্রফেসররা এই ক্ষেত্রে অনেক প্রেফারেবল।
দেশী প্রফেসর নিয়ে অনেক সরস এবং করুণ কাহিনী আছে। শুনলে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরা থেকে, ভয়ে পায়ু পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আমার নিজের প্রফেসর ইন্ডিয়ান, কিন্তু 30 বৎসরের উপর এই দেশে থাকার পর সে অনেকটা আমেরিকান। মেন্টর হিসেবে সে অসাধারণ। বাট বলেনা '' খাছিয়ত যায় না মরলে, আর ইল্লত যায় না ধুইলে ''।
দেশীর মূল বৈশিষ্ট্য :
1। টাকা যা দেওয়া উচিত বা সাধারণত যা দেওয়া হয় তার চেয়ে কম দিবে।
2। কথায় এমন একটা ভাব থাকবে যেন জীবনে এটাই আপনার একমাত্র কাজ (আমাগো যেন বউ পোলা পান নাই)।
3। দিন হয় চবি্বশ ঘন্টায় , সে কাজ দিবে বিশ ঘন্টার। চার ঘন্টায় ঘুম ,খাওয়া, রান্না, নানাবিধ ব্রেক, ব্লগিং (আমার পরিবার নাই, তাই পরিবারের কথা বললাম না।যাদের পরিবার আছে তাদের বউয়ের অভিশাপ নিচ্ছি)।
4। আপনার জিহব্বা বের হয়ে গেলেও বলবে , চিয়ার আপ ম্যান।
5। ছুটি কি জিনিস বা ঐ শব্দটা আপনি যদি ভুলে যান, তার মানে আপনি দেশী প্রফেসরের আন্ডারে , যেমন : আমি। আমি শুক্রবার বুঝি জুমার নামাযের ডাক শুনে।
6। আপনার বউ যদি আপনার উপর রুষ্ট থাকে তার মানে আপনি দেশী প্রফেসরের আন্ডারে।
যাই হোক এর শেষ নেই। এবার আমার এখানকার একটা গল্প বলি। আমাদের চেয়ারম্যান পাকিস্তানি লোক MIT গ্রাজুয়েট । বিশাল ফান্ডিং , টপ লোক। বাট অতীব চামার । ম্যানারিজম খুব খারাপ, সালাম দিলে জবাব দেয় না। তার বিশাল গ্রুপ , অনেক পোস্টডক (Post Doctorate)। তার কোন পি.এইচ.ডি ষ্টুডেন্ট কে সে গাইড করে না। পোস্টডকরা করে। তার প্রধান পোস্টডক ইন্ডিয়ান, সে চামার লেভেলে এক কাঠি বাড়া। রিসেন্টলি ঐ পোস্টডক ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় ভিসা প্রবলেম ফেইস করছিল । আর এদিকে পোলাপাইন মিলাদ দিতেছে , দোয়া মাহফিল পড়ছে যাতে সে এই জীবনে আর ভিসা না পায়। মিলাদ পড়ুয়াদের মধ্যে পাকিস্তানি , ইন্ডিয়ান , আমেরিকান, চাইনিজ ,থাই মোটামুটি গোটা পৃথিবীর সব জাতিগোষ্ঠি আছে।
যাই হোক এটা গল্পের সবে শুরু, আপনারা আপনাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা র্বণনা করুন। এই তো সুযোগ, এই সুযোগ জীবনে বার বার আসে না, মন খুলে বলুন , দিল খুলে গালি দিন, যা পেয়েছেন তার চেয়ে দ্্বিগুণ ফিরিয়ে দিন , ..........
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
অতিথি বলেছেন:
আমি 'দেশী' বা ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ দেখলে নিজেই পালায় বেড়াই, সামাজিকতা ছাড়া অন্য সব ডিলিংসে এদের অতি সযতনে এড়িয়ে চলি। এত কথা ঝাড়তে গেলে কি না কি বলে ফেলি!
হযবরল বলেছেন:
হঅঅঅ চাইর চউক্ষু, একটা মেয়ে দেখে মন ভরেনা , তাই দুই দিয়া গুণ কইরা নিই।
আপন তারিক বলেছেন:
বস ফটো লাগাইলেন অবশেষে। হাতে গিটার ......। মাথায় ক্যাপ ...... মুখে হাসি !!! চোখে কি চশমা ?
হযবরল বলেছেন:
কথা ঝাড়লে ক্ষতি নাই , মোবাইল নাম্বার তো আর দিতাছ না, যে হুমকি পাঠাবো।
কালপুরুষ বলেছেন:
সবাই কি এক??
অতিথি বলেছেন:
বদ্দা আমি পাক বাহিনীর বর্বরতা নিয়ে একটা পোস্ট দিবো সময় পাইলে। খালি একটা হিন্টস দিয়া রাখি - এই প্রফেসরের ল্যাবে এখন আমিই একমাত্র ছাত্র, বাকিরা ভাগছে।
অতিথি বলেছেন:
অসাধারন বিশ্লেষন শোমোচৌ। একেই বলে গুরু।
অতিথি বলেছেন:
ভাল বিশ্লেষণ, শোহেইল ভাই।একটা কথা যুক্ত করতে চাই,
একটা কমন উপমহাদেশীয় মানসিকতাও আমাদের এলাকার টিচারদের এরূপ মানসিকতার কারণ হিসেবে যুক্ত আছে (আমাদের প্রাচীন পন্ডিত মশায়ী সিস্টেম)।
তা হলো, আমাদের এই উপমহাদেশে শিক্ষক মানেই হলো কেমন যেন ছাত্রদের সাথে সে ফ্রেন্ডলী হতে পারবেনা, মুড মেরে চলবে, বড়বড় ভাব দেখাবে।
এজন্য অনেকে ধরেই নেয় যে শিক্ষক হলে আমাকে এরকম কড়া আচরণ করতে হবে।
অথচ, কাউকে শেখাতে হলে যে আগে ভাল বন্ধু হতে হয়, সেটা অনেকেই বোঝেনা।
ব্যাক্তিগতভাবে আমি সবচেয়ে বেশী শিখেছি আমার বন্ধুদের কাছ থেকে।
তবে, জাপানী প্রফেসরগুলাও বদ আছে;
এমনিতে, ডেইলী লাইফে তারা খুব ফ্রেন্ডলী;
আমার সাথে আমার প্রফেসরের কিভাবে জাপানী মেয়েদের পটানো যায় এসব বিষয়েও জটিল আলোচনা হয়;
ব্যাটা আমাকে অনেক টিপস দেয়, আমিও মাঝে মাঝে চান্সে দুই-একটা ছাড়ি।
কিন্তু যখন ডিসকাশন হয়, পেপার রিভিউ হয় - মাই লর্ড!!! ব্যাটাকে আমার খোদ আজরাইল মনে হয় !!!
অতিথি বলেছেন:
কালপুরুষের প্রশ্ন থেকে শুরু করি না, সবাই এক না। আর সমস্যাটা হয়তো এলাকার না। অর্থাৎ দেশের না।
এরকম অভিজ্ঞতা লেখা দরকার। এটা কিছুটা আত্মসমালোচনামূলক লেখাই। নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করা যে আমাদের লোকগুলো এরকম কেন? হযবরল এ সংক্রান্ত কয়েকটা লেখা দিলে জবাবটা খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।
আস্ত যেটা বলেছে যে সে দেশি এড়িয়ে চলে। কেন চলে, তার অনেক কারণ আছে।
আমার খুব খারাপ অভিজ্ঞতা নেই। তবে অনেক পর্যবেক্ষণ আছে। সেগুলো নিশ্চয়ই লিখবো। তবে এধরনের আচরণ যারা করে তাদের ক্ষেত্রে নীচের বৈশিষ্ট্যগুলো আছে অনুমান করি:
1. অস্বচ্ছল পরিবারে বড় হওয়া। জীবন নিয়ে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয় এতে।
2. মা-বাপের লাত্থি-গুঁতা খেয়ে বড় হওয়া। অর্থাৎ অথরেটেরিয়ান ফ্যামিলিতে বড় হওয়ার কারণে বড় হয়ে নিজেকেও একই জায়গায় ভেবে মুরুবি্বর মত আচরণ করা।
3. শিক্ষা এদের কাছে শ্রেণী উত্তরণের মূল উপায়। অর্থাৎ এরা (মানে আমাদের এলাকার মধ্যবিত্ত শিক্ষামুখী জনগণ) মনে করে শিক্ষা দিয়েই আয়-রোজগার করে রাজা-বাদশাহ হয়ে যাবো। কিন্তু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যে কোনো ছোট ব্যবসায়ীর চেয়েও ভালো গাড়ি চড়তে পারবে না তা এরা বুঝতে পারে অনেক পরে। দেরীতে।
অস্বচ্ছল পরিবার-অথরিটিয়ান কালচার-শিক্ষার মাধ্যমে শ্রেণী উত্তরনের চেষ্টা এই তিনটি কারণেই মনে হয় এধরনের লোকজন এরকম যান্ত্রিক, নিষ্ঠুর আচরণ করে থাকে।
অতিথি বলেছেন:
বলেন কি, সুমন?'একাডেমিক হ্যারাসমেন্ট' নামে অভিযোগ করেনা কেন কেউ?
আমাদের এই খানে গতমাসেও এক ফিলিপিনো ছেলে এক প্রফেসরকে কড়া বাঁশ দিয়েছে
ব্যাটা ঐ ছেলের মাথায় কলম দিয়া এক বাড়ি মারছিল শুধু...
অতিথি বলেছেন:
সুমন ভাইয়ের সাথে একমত। তবে এখানকার সিস্টেমটাই জটিল। প্রফেসর গুলো আমার কাছে বেশ ভাল মনে হয়েছে। কোম্পানিতে নিয়োগে সবার আগে ওদের ছাত্রদের নিয়োগ দেয়। আমার বস তো আমাকে ডাইরেক্টই বলেছে- আমরা তোমার পোষ্টে একজন জার্মান খুজতেছিলাম, না পেয়ে তোমাকে নিয়েছি।আমার আমার থিসিস সুপারভাইজারতো আর এক কাঠি সরেস, থিসিস শুরু করার দুই মাস পর ও আমি এখন পর্যন্ত রেজিষ্ট্রেশন করিনি। ঐদিন শুনলাম থিসিসে নাকি দুইজন প্রফেসর লাগে, আমি প্রফেসরকে মেইল করে বল্লাম-তুমি কি আমার জন্য একজন সেকেন্ড প্রফেসর দেখে দেবে। বলেছে কোন অসুবিধা নাই। সে দেখবে।
আমার কোম্পানি বস ও বলে- তুমি এমন প্রফেসরকে তোমার মেন্টর করবে যে তোমার থিসিস সম্পর্কে কিছুই না জানে, তাহলে তোমাকে ভাল গ্রেড দেবে।
একদিকে বেশ ভাল আছি, এখানে কোন বাঙালি, ইন্ডিয়ান, পাকু প্রফেসর নাই(আমার দেখা মতে)।
অতিথি বলেছেন:
হ য ব র ল ,এইটা শুধু যুক্তরাষ্ট্রে না তাবৎ পশ্চিমে দেখা যায় । আমার চোখের সামনে পর পর দুইজন বাংলাদেশী ছাত্র, স্বদেশী প্রফেসরের কাছে বাঁশ খাইছে । সকলেই এইখানে একবাক্যে স্বীকার করে যতই রেসিস্ট হোকনা কেন , নাক উচা জামর্ানরা অন্তত একাডেমিক ছ্যাচড়ামি কম করে । টাকার ব্যাপারে পরিস্কার এগ্রিমেন্ট করে এক্কেবারে শুরুতেই । জামর্ান ছাত্রদের অগ্রাধিকারের ব্যাপারটা বিজ্ঞাপনেই উল্লেখ থাকে , তবুও আমি নিজে দেখেছি প্রিয় বাঙ্গালী ছাত্রকে নিয়োগ দিতে এক সপ্তাহের মাথায় বিজ্ঞাপন খুলে ফেলতে । আর বাংলাদেশী ভদ্রলোককে দেখেছি জামর্ানীতে বসে জেলা ইজম করতে । থিসিস করতে থাকা স্বদেশী ছাত্রকে দিয়ে বাজার-সদাই-মোট বওয়ানোর কাজ করাতে ।
অতিথি বলেছেন:
এটা বমে হয় হীনমন্যতা থেকে আসে।তারা যেভাবে ট্রিট হয়েছে, সেভাবে অন্যদের করতে চায়।আমার দেখা, রাশান টিচার রা ও ঐ রকম, সহজে হেল্প করতে চায় না, প্রবলেম দিয়ে দিবে , নিজ দায়িত্ব সলভ কর। জেন সবাই সব জানে, না পারা টা অন্যায়।এই ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষাব্যবসথা দায়ি।
আমি এখন ও কোন দেশী পাই নাই। তবে ব্যক্তিগত জীবনে তারা দরুন, কিন্তু ডিপার্টমেন্ট এ তারা যে জালায় বুঝা যায়, অন্যের কথা শুনে।
আমাদের এই খানে রিসার্স ফাউন্ডেশন এর ডিরেকটর বাঙ্গালী, সে ফিজিক্স এর, এবং অনেক নাম করা লোক, নাম বললে ই ই, এবং ফিজিক্স এর সবাই চিনে(দেশে বিদেশে)।তার অফিসে আমরা কজন বাঙালি স্টুডেন্ট গিয়েছিলাম সামাজিক কাজে, সে ইংলিশ ছাড়া কথা ই বলল না, আমি তো একটু ত্যদর,আমাকে করা সব কথার উত্তর আমি বাংলায় দিয়েছি।তার বাংলা কথা, আমার বাসায় এসো।
বাকীরা আগায় বুঝালো, অফিসে সে অন্য কোন ভাষায় কথা বলতে পারবে না।
আমি আমার চেনা কোন ইউরোপিয়ান কে তাদের দেশী বা তাদের আশে পাশের দেশের ছেলে মেয়েদের সাথে ইংরেজী বলতে শুনি না। তারা তাদএর ভাষায় কথা বলে।
(সে লোক ভাল)
হযবরল বলেছেন:
আরো কয়েকটা লিখা দিব এই নিয়ে, শোমচৌর উৎসাহে শোমচৌর লাইনে। কথা মাত্র বের হওয়া শুরু হয়েছে। সবাই খারাপ এটা বলবো না তবে একটা গণচরিত্র আছে এদের।
ইংলিশ বলার প্রবণতা অনেকটা রোগের মত।
অতিথি বলেছেন:
ইংলিশ বলা নিয়ে একটা কথা মনে পড়ল। এডমিশনের আগে আমি কয়েকটা ইউনিভার্সিটির প্রফেসরদেরকে ফোন করেছিলাম। মানে বাঙালী প্রফেসর। সবাই ব্যবহার দেখে আমি মুগ্ধ। খালি ড্রেক্সেলের এক প্রফেসর এমন খারাপ ব্যবহার করল যে মনটাই ভেঙ্গে গেল আমার। প্রথমত আমার সাথে ইংরেজী ছাড়া কথা বলল না, আর কথা তো না রীতিমত ঝাড়ি।অন্যান্য অনেকের কাছে শুনেছি, নামি দামী বাঙ্গালী প্রফেসর আছেন কয়েকজন এই একই রকম খাইস্টা।
অতিথি বলেছেন:
কর্মক্ষেত্রে ইংরেজি বললে আমার স্বস্তি লাগে। কারণ দেখেছি, কিছু চাইনীজ বা আরবগুলো যখন কাজের ক্ষেত্রে মিলিত হলেই সমানে চাইনীজে বা আরবিতে চাপা পিটানো শুরু করে তখন নিজের ভীষণ বিরক্ত লাগে। ইংরেজি কমন ভাষা, তাই সবার উপস্থিতিতে ইংরেজিই বলা উচিৎ।
হযবরল বলেছেন:
আস্তমেয়ে আপনার কথা ঠিক, চাইনিজদের এই অভ্যাসের কারণে ওরা ইংরেজীটাই শিখলো না। আমার রুমমেটের প্রাক্তন এ্যাডভাইজর খাজুরে আলাপ ও করেন ইংরেজিতে।
অতিথি বলেছেন:
আমার খারাপ লাগে না, কারন তারা আমি যখন তার অফিসে যাই, তখন তার দেশি থাকলে ও সে ইংরেজীতে কথা বলে। সবাই তখন আমরা ইংরিজীতে ই বলি।কিন্তু যখন শুধু বাঙ্গালী, তখন ইংরিজী বলাটা আমার কাছে স্বস্থিদায়ক না।
চাইনিজরা এই চায়না ইংরিজি বইলাও এই দেশে ডমিনেটিং। তাদের ছাড়া চলে না। এখন অনেক এই দেশী কে ই বলতে শুনি, আমারা শুধু এক ভাষায় কথা বলি, এই বেপারে আমরা খুব স্টাবর্ন এটা মনে হয় ঠিক না।আমাদের উচিৎ অন্য ভাষা ও শিখা...।
ওদের শিখতে হবে ই,আর তা যদি হয়
1 ।ফ্রেনচ
2।চাইনিজ
3।হিন্দি
শিখবে ওরা।শিখতে হবে বাধ্য হয়ে।তা আমরা কেন পিছিয়ে থাকব??
অতিথি বলেছেন:
আমি বলেছি, আমাদের বাংলা কেন পিছিয়ে থাকবে??আমার তো প্লান আছে আমাদের প্রয়োজনীয় বই গুলো বাংলায় অনুবাদ করা।জান চায়না গুলো হ্যালো শব্দ টা ও ব্য ব হার করে না। ওটার জন্য ও ওদের নিজেদএর শব্দ আছে।
হযবরল বলেছেন:
বাংলা অনুবাদ খুব ই সাহসী এবং কঠিন পদক্ষেপ , আমি আছি আপনার সাথে। আমি কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে বাংলায় বলতে গেলে 5 ঘন্টা কথা বলতে পারবো , কিন্তু এখানে লিখতে গেলে শব্দ পাইনা।
অতিথি বলেছেন:
ফ্রুলিংস এর কপাল ভালো । আমারে যে প্রফেসার প্রথম কাজ দিলো উনিও খুব ভালো লোক । কাজ দেরিতে জমা দিলে অসুবিধা নাই । জমা দেওয়ার পরে তার মনে পড়ে যে কখনও একটা কিছু করতে দিছিল । শেষে অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে মেয়াদ বাড়ানো । যাই হোক । জামর্ান প্রফেসারদের অনেকেও শয়তানি করে । তবে সেটা অনেকটাই আইনের খোলসের ভেতর । যেমন একটা প্রজেক্টে 1 জনের জায়গায় 4 জন পি.এইচ.ডি স্টুডেন্ট নিয়ে সবাইকে কোয়ার্টার হিসেবে টাকা দেওয়া ।
হযবরল বলেছেন:
আমার রুমমেটের বাংলাদেশী প্রফেসর সে কোন মেয়ের সাথে প্রেম করে সে খবর ও নিত। চেষ্টা করত জীবনের সবকিছু কনট্রোল করতে। নিজের মেয়ে ভাল ইংরেজি তে আমেরিকানদের চেয়েও ভাল এইটা নিয়ে তার অনকে র্গ ব, বাট বাংলা যে পারেনা এটা নিয়ে কোন দুঃখ নাই।
হযবরল বলেছেন:
এইটা এখানের বাংগু, আন্ডু পাকি রা খুব করে সুমন চৌঃ
হযবরল বলেছেন:
এখানে কেউ আসতে চাইলে আমি প্রথমে বলি আমেরিকান এ্যাডভাইজর ধইরা আসো , নাইলে '' আমেরিকার চিপেস্ট লেবারে '' পরিণত হইবা।
অতিথি বলেছেন:
হুম..। আমার এক ফ্রেন্ড এ প্লাস প্লাস পাওয়ার লোভে বাঙ্গালী সুপার ভাইজান লইয়া পরে কোন রকমে বি আটকাইছে । সেই সুপার ভাইজান ওরে লাট্টুর মতো ঘুরাইছে ।
হযবরল বলেছেন:
আমি হিন্দি তে কথা মোটামোটি বলতে পারি এখন স্প্যানিশ শিখার চেষ্টা করতেছি। কিন্তু আমি আমার ইন্ডিয়ান দোস্তের সাথে হিন্দিতে কথা বলতে পারলেও বলিনা। কারণ আমি হিন্দি বলতে পারলেও , ও যদি বাংলা বলার চেষ্টা না করে আমি কেন হিন্দি বলব।
হযবরল বলেছেন:
হা হা আপনি কন , আমি সিলটি বাদে জানিনা, দেখেন শালারা কি করে । রসিকতা। বিদেশ আসলেই ইংরাজীর চুলকানি ধরে ওগো।
অতিথি বলেছেন:
আরে একটা কথা বলতে ভুলে গেছি। ঐদিন জার্মনির Bangladesh embassy (Botschft) তে ফোন করেছিলাম।ফোন ধরেই বাংলায় কথা বলা শুরু করলাম। ভাবলাম নিজের দেশের লোক, বাংলা তো বলবেই। ওমা সে বলে হয় ইংরেজি না হয় ডয়েচ বলতে। মনে মনে বল্লাম- শালা তোমার চৌদ্দ গোষ্টির.....। ডয়েচ ও অতো ভাল না।আমি এখন ও কোন প্রফেসরের আন্ডারে কাজ করিনি। কোম্পানিতেই আছি। এডভাইজর হিসাবে বুড়ো দেখে প্রফেসরগুলো সিলেক্ট করি। বুড়োরা এতো কিছু মনে রাখতে পারে না। ভালই।
মাশীদ বলেছেন:
আমাদের এখানে, National University of Singapore(NUS) এ বরং সে হিসেবে কপাল অনেক ভাল। বাংলাদেশী টিচার আছেন 5-6 জন। দেশী যেকোন ছেলেমেয়ের জন্য ওনারা যথেষ্ট করে থাকেন। দেশের যেকোন দিবস পালনের জন্য ছাত্রদের থেকে স্যারদের বেশি উৎসাহ দেখি। কেমিক্যালের একজন স্যার আছেন, ওনার বাসা নিজের বাড়ি মনে হয়, নতুন কবিতা লিখলে ওনাকে দেখাই, অসম্ভব ভাল একজন মানুষ।আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং ডিপার্টমেন্টের বাংলাদেশী স্যারের আন্ডারে যারা, তারা সবচেয়ে রিল্যাক্সড থাকে। আমি ওনার আন্ডারে না হলেও যেকোন সমস্যায় ওনার সাথে কথা বলতে যাই। আরেকজন বাংলাদেশী অন্তপ্রাণ মানুষ। যেকোন বাংলাদেশী ছাত্রের জন্য he's always there. ওনাদের দেখে আমি টের পেয়েছি দেশের বাইরে থেকেও দেশের জন্য অনেক বেশি মানুষ কিভাবে করে। এখানে আমার সুপারভাইজার ঝামেলা হয়েছে বেশ। কিন্তু সেটা সিস্টেম, এক বছরের মাথায় মেইন সুপারভাইজের চাকরি ছেড়ে দেয়া আর মেইনলি আমার ফাঁকিবাজির কারণে। Not because they were bad or treated me badly. আমার মেইন যে কোরিয়ান সুপারভাইজার ছিলেন, Dr Lim,আমার দেখা অসাধারণ মানুষদের একজন। ওনাকে নিয়ে একটা পোস্ট লিখবনে।
তবে এখানেও অনেক টিচারের বাজে রেপুটেশান আছে। সাদিকের 1ম সুপারভাইজারের কাছে কোন ছাত্রই টেকে না। Student feedback system বেশ ভাল বলে অতটা বাড়াবাড়ি অনেকেই করে না।
তবে দেশের (বুয়েটের) টিচারদের সাথে এদের আকাশ-পাতাল তফাৎ। এখানে সবাই সবাইকে অনেক সম্মান দেয়...সে অনেক বড় স্যারই হোক না কেন। দেশের মত বিশাল দূরত্ব রাখাকেই প্রধান ব্রত হিসেবে নেয় না।
সাজিদ. বলেছেন:
কোরিয়ান গুলোকে ভালো বোল্লেন..... ঐ শালারাযে কি চীজ টা আমি হারে হারে জানি... ব্লগে আর মুখ খারাপ করলামনা। আস্ত হারামি একএকটা.....














