ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা গণহারে সবাইরে মামু কইতাম। শ্রাবণের লাইগা রামপুরায় ২০টা পোলা খাড়াইত। সবাইরেই কইতাম, '' কি মামু, কেমন আছ?''। কারোর নাম আর জানা হইল না, অথচ দেখলে এখনো হুংকার দিমু, '' মামু '' বইলা। মেয়েদের কখনো বলতে শুনি নাই, একজন আরেকজনরে '' মামী'' বইলা ডাকতে।
বাসের হেল্পার, ড্রাইভার, থেইকা লাইব্রেরিয়ান, কার্জন হলের সামনে খাইস্টা আইসক্রিম ওয়ালা, ডাইলপুরি বিক্রেতা সব মামা। লাইব্রেরীর লোকজন একটু ইনসাল্ট অনুভব করলো, '' ড্রাইভার ও মামা, আমরাও মামা ''। দুর্বার আন্দোলন। সব জায়গায় কাগজ সাঁটানো, '' মামা সম্বোধন করিবেন না''। জাত্যাভিমানের প্রশ্নে কোন আপোষ নয় গুরু। কয়দিন লাইব্রেরী গিয়া, ম কইয়া ব্রেক মারছি।
জাবি তে অবশ্যি রিকশাচালকদের কে ভালবেসে মামা বলে পুলাপাইন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

