মন'রে কৃষি কাজ জানো না, এমন মানব জমিন রইলো পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ জানাই
২০ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১১:০১
যে কোন পরিস্থিতিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ে বর্বর পুলিশী হামলার নিন্দা জানাই , প্রতিবাদ জানাই। যখন সেপাইয়ের বর্ম ভেদ করে ত্রসরেণু রুপী আন্দোলন ঢুকতে শুরু করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয় আক্রান্ত। দেশব্যাপী বন্যা মোকাবেলায়, ডায়রিয়া মোকাবিলায় যখন প্রয়োজন সদাজাগ্রত শিক্ষার্থীদের তখনই এহেন ঘৃণ্য কাজের প্রতি নিন্দা জানাই।
তীব্র এবং স্পষ্ট ভাষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এ কে ফায়েজ এর নিন্দা প্রকাশের প্রেস কনফারেন্স দেখতে চাই। প্রো-ভি সি ইউসুফ হায়দারের নয়। প্রো- ভি সি কে দিয়ে নিন্দা প্রকাশ, মূক সমর্থনেরই নামান্তর।
গর্জে উঠুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরেকবার।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
আমি কে বলেছেন:
৫
হাসিব বলেছেন:
৫
এস্কিমো বলেছেন:
সেনাবাহিনীর কাজ নিজের দেশ বারবার দখল করা নয়..সেটা সবাইকে বুঝতে হবে। অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সেনা প্রত্যাহার করার দাবীর প্রতি সমর্থন রইল।
অমিত বলেছেন:
যে জিনিস ব্রিটিশরা পারে নাই, যে জিনিস পাকিস্তানিরা পারে নাই, লেজেহোমো এরশাদের স্বৈরাচারী থাবা থেকে যে বিশ্ববিদ্যালয় বলেতে গেলে একাই দেশবাসীকে মুক্ত করেছে, তারে ঘাটাইতে আসছে এই ২ দিনের নেংটি পরা দাড়োয়ানের দল !! ধুর !!! গর্জাতে হবে, ছোট করে কাশলেই হবে...
অমিত বলেছেন:
গর্জাতে হবে না, ছোট করে কাশলেই হবে...(সংশোধিত)
স্বরহীন বলেছেন:
এইখান থেকে চিৎকার দিলে শুনা যাবে না?
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
আরে আমাদের এই হামলারে স্বাগতম জানানো উচিত। হেরা ভুলটা একদম জায়গা মত করসে। শিক্ষা হইয়া যাইবো।" দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি "
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
এটার রেটিং বাড়ান ভাইডিরা
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
অ্যাড করতে ভুইলা গেসিলামদেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
ফায়েজ দালালটা কই লুকাইছে কে জানে।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
কোন বরাহ সন্তান এটারে ১ দিসে? দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
সবাই খুব খেয়াল কইরা,আমাগো লোল-পুরুষ দেখেন আইয়া মুরগী খোজে,
এইসব আন্দোলনে তার কোন কথা নাই।
আসেন আমরা সবাই তারে ই-দেই।
রাশেদ বলেছেন:
রেটিং কমায় কেডা?
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
একজন কইরা যাইয়ো।
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
সবাই খুব খেয়াল কইরা,আমাগো লোল-পুরুষ দেখেন আইয়া মুরগী খোজে,
এইসব আন্দোলনে তার কোন কথা নাই।
আসেন আমরা সবাই তারে ই-দেই।
রাশেদ বলেছেন:
@ এ্যাটেম পার্টি...তুমি ফুটো কিছুখণের লাইগা।
সুনাগরিক বলেছেন:
"সেনাবাহিনীর কাজ নিজের দেশ বারবার দখল করা নয়..সেটা সবাইকে বুঝতে হবে।"অবিলম্বে ছাত্রদের দাবী মেনে নেয়া হোক।
নিন্দুক বলেছেন:
সেনাবাহিনীর অফিসারদের মাথায় অনেক বুদ্ধি! নাইলে কি আর এই রকম করে? ডঃ আইজউদ্দিনকে এক সদস্য করে এখনি তদন্ত কমিটি গঠন হউক। শিক্ষকদের (অধিকাংশ) ভাস্য কি? এখনত দুই ম্যাডামের কেউ নাই। কার দালালি করবেন? (শিক্ষকরা মাইন্ড কইরেন না, আমি আপনাদের একজন সব চেনা আছে)
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
কোন চুদির ভাই রেটিং কমাইছে?
সুনাগরিক বলেছেন:
নিন্দুক, আসেন আমরা কঠিন ভাষায় নিন্দা জানাই। শিক্ষকদের মাথা তো খালেদার আঁচল আর হাসিনার বগলের নিচে বর্গা দেয়া হয়েছে (সবাই না)। এখন তাদের বিবেক কাদেনা। পাছে জলপাই দন্ড ভেতরে প্রবেশ করে।
এহহামিদা বলেছেন:
সাবাশ ছাত্ররা! লেটেস্ট আপডেট দ্যান সাংঘাতিক ভাইরা!!আহত ছাত্রদের জন্য রইল সমবেদনা!!!
এহহামিদা বলেছেন:
আপডেট চাই!!
নিন্দুক বলেছেন:
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের জায়গা নাই। এদিক দিয়া আরামে আছি। ছাত্রদের সমস্যা নিয়া ভিসির কাছে গেলে ভিসি সময় দেননা। প্রভাষক হয়ে দাঁড়ায় থাকি। আর ছাত্রদল/ছাত্রলীগের পোলাপান সিনিয়র শিক্ষকসহ ভিসির টেবিলে চা খায় আর বাইরে গিয়া চাঁদাবাজি করে। এই আন্দোলনও জানি সাধারণ ছাত্রদের হাতছারা হবে। যে দল ক্ষমতায় থাকে ঐ দলের ছাত্রসমর্থক সেই দলকে টানে। সাথে থাকে প্রক্টর (অফিসিয়াল গুন্ডা)। এইবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। দেখি শিক্ষকরা কি কয়।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
প্রতিবাদ করছি।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
৫
নাভদ বলেছেন:
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়, আগস্ট ২০ (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে নেওয়ার দাবিতে সোমবার বিকেল থেকে বিক্ষোভরত ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কয়েক দফা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। রাবার বুলেট ও শর্টগানের গুলিও নিক্ষেপ করেছে। সেনাসদস্যদের মারধর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছে শতাধিক ছাত্র। এদিন বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলা চলার সময় এক সেনাসদস্য লোকপ্রশাসনের এক ছাত্রকে মারধর করার শির্ক্ষাথীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। খেলার মাঠে তাৎক্ষণিক বের হওয়া মিছিল ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। রাত দশটায় এই রিপোর্ট লেখার সময় ছাত্রদের বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাম্পাসে রাস্তায় রাস্তায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা সেনাক্যাম্পের দিকে ছুটে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। সেনা ক্যাম্প সরানোর দাবিতে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট ডেকেছে ছাত্ররা। দাবি মানা না হলে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে তারা। রাত সাড়ে ১০টায় সূর্যসেন হলের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পরিস্থিতি জানাচ্ছেন জান্নাতুল ফেরদাউস, গোলাম মর্তুজা অন্তু, লিটন হায়দার, প্রদীপ কুমার চৌধুরী ও সোহেল পারভেজ। (আরও তথ্যসহ-৫) প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে খেলার মাঠে লোকপ্রশাসন বিভাগের সঙ্গে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ফুটবল খেলা চলার সময় এ ছাত্রকে সেনাসদস্যদের মারধর করায় এই বিষ্ফোরোন্মুখ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রাত আটটার দিকে প্রায় ৩০০ ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সমাবেশ করে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়। ছাত্ররা অভিযুক্ত ওই সেনা কর্মকর্তার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানিয়েছে। রাত সাড়ে আটটার দিকে ছাত্ররা মিছিল নিয়ে খেলার মাঠের সেনা ক্যাম্পের দিকে ছুটে যায়। জহুরুল হক হল, মুহসিন হল, জিয়া হল, সূর্যসেন হল ঘুরে কয়েক হাজার ছাত্রের মিছিলটি সেনাক্যাম্পের সামনে গিয়ে ক্যাম্পের গেটে লাথি ও লাঠির বাড়ি মারতে থাকে। ক্যাম্পের ভেতরে ইটপাটকেল ছোড়ে। কার্জন হল এলাকার হলগুলো থেকে একটি মিছিলও এসে মূল মিছিলের সঙ্গে যোগ দেয়। তবে ছাত্ররা সেখানে এক মিনিটও দাঁড়াতে পারেনি। পুলিশ ও সেনাসদস্যরা ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। ছত্রভঙ্গ ছাত্ররা কার্জন হল, মোকাররম ভবন, মেডিক্যাল শহীদ মিনারের দিকে দৌড় দেয়। পুলিশও তাদের ধাওয়া করে এগিয়ে যায় ।
ছাত্রদের মূল মিছিলটি সেনাক্যাম্পের দিকে এগুনোর সময় উপাচার্যে বাসার সামনে, কলা ভবনের সামনে, টিএসসিতে পুলিশ তাদের কয়েকদফা থামানোর চেষ্টা করেও পারেনি। উপাচার্যের বাসার সামনে মিছিল থেকে পুলিশের একটি ভ্যান ভাঙচুর করে ছাত্ররা। পুলিশ এসময় বাধা দেয়নি।
রাত ৯টার দিকে উপাচার্যের বাসার সামনে অবস্থান নেওয়া প্রায় ৩০০ পুলিশের দিকে ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকে। বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক প্রদীপ কুমার চৌধুরী সেখান থেকে জানান, উপাচার্যের বাসার সামনে অবস্থান নেওয়া পুলিশের প্রতি ইটপাটকেল ছোঁড়ে স্যার এফ রহমান হল থেকে আসা একদল ছাত্র। পুলিশ তাদের হটিয়ে দিতে একের পর এক কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকে।
খেলার মাঠে ঘটনার সূত্রপাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে মারধরের শিকার লোকপ্রশাসনে মাস্টার্সের ছাত্র মেহেদী মোহাম্মদ বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বিকেলে খেলা দেখার সময় আমি ছাতা নিয়ে গ্যালারির পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় পিছন থেকে দুই ব্যক্তি অশ্লীল গালি দিয়ে আমাকে ছাতা সরাতে বলে। কে দিল এই গালিÑ আমি তা বললে একজন এসে আমার কলার ধরে বলে, 'জানস আমি আর্মি। সেনা ক্যাম্পে এসে মাস্তানি করিস।"
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মেহেদী ওই সেনাসদস্যের পাল্টা কলার ধরে। তখন দুই সেনাসদস্য তাকে বেদম পেটাতে থাকে। এই সময় পাশের ক্যাম্প থেকে আরও কয়েকজন সেনা সদস্য ছুটে এসে মেহেদীকে মারতে থাকে এবং তাকে ক্যাম্পের নিয়ে যাওয়ার জন্য টানাহেঁচড়া শুরু করে। ওই সময় লোকপ্রশাসনসহ অন্য বিভাগের ছাত্ররাও ছুটে আসে। এই পরিস্থিতিতে ক্যাম্পের কর্মকর্তা লে. কর্নেল হুদা এসে তার সৈনিকদের নিবৃত্ত করেন। এই ঘটনার সময় বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক মাহবুব আলম রনী সেখানে ছিলেন।
সেখানে ক্যাম্প থেকে আসা সেনাসদস্যরা প্রতিবাদকারী চার ছাত্রকেও পেটায়। এরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র লুকাত, দিপু , শফিক ও তৃতীয় বর্ষের মারুফ।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক কীভাবে আরও উন্নত করা যায় সে বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ কর্তৃপক্ষের এই মতবিনিময় সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটল।
বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে স্থাপিত সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লে. কর্নেল হুদা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, "অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সেনাক্যাম্প কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে। বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, "তারা (সেনা ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ) দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ঘটনায় জড়িত পাঁচ সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে তারা।"
সংঘর্ষ ও লাঠিপেটার আরও খবর
রাত সোয়া ৯টার দিকে জগন্নাথ হল থেকে ছাত্রদের একটি মিছিল টিএসসির দিকে আসতে চাইলে পুলিশ অন্তত ২০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ও লাঠিচার্জ করে। এসময় পুলিশ দুই সাংবাদিককেও পেটায় বারবার পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও সমকালের প্রতিবেদক ইশতিয়াক হুসেইন ও বাদশা মোল্লা মারের হাত থেকে রেহাই পায়নি। পুলিশ এখানে অন্তত ১৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
কিছু ছাত্র ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে পুনরায় সংগঠিত হয়ে আবার টিএসসির দিকে আসতে থাকে। পুলিশ তাদের আবার ধাওয়া দেয়। কিছু ছাত্র রোকেয়া হলের দিকে দৌড় দিলে পুলিশ তাদের পিছু নেয়। তাদের না পেয়ে কয়েকজন পুলিশ রোকেয়া হলের ফটকে লাথি মারতে থাকে।
কিছু ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে ঢুকে পড়লে পুলিশ সেখানে গিয়েও ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করে ও চিকিৎসা কেন্দ্রের ভেতরে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। জসীমউদদীন হলের ছাত্র মামুনুর রশদি সেসময় সেখানে ছিলেন। তিনি বলেন পুলিশ ঢুকে দোতালার বারান্দায় কয়েকজনকে মারধর করে। সেসময় কয়েকজন কর্তব্যরত চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকতে চাইলে অন্যরা তাদের বাধা দেন। চিকিৎসক ডা. শরীফ কামরুদ্দীন বলেন, টিয়ারসেলের কারণে আমরা কিছুক্ষণ এখানে চিকিৎসা দিতে পারিনি।
লাঠিপেটায় আহত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্র ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত একশ' শিক্ষার্থী।
রাত পৌনে ১০টার দিকে জহুরুল হক হল, মুসসিন হল, এফ রহমান হল, জসীমউদদীন হল, সূর্যসেন হল, জিয়া হল, বঙ্গবন্ধু হল, জগন্নাথ হল, এসএম হল থেকে ছাত্রদের খণ্ড খণ্ড মিছিল টিএসসির দিকে যাচ্ছিল। এসময় এফ রহমান হলের সামনে একটি মিছিলে ১০/১২ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় উপাচার্যের বাসার সামনে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়।
রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের আবারও সংঘর্ষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জিয়া, সূর্যসেন, জসীমউদদীন ও বঙ্গবন্ধু হলের ভেতরেও টিয়ারগ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। রাত সাড়ে ১০টায় সূর্যসেন হলের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদের ওপর বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ।
খেলার মাঠে সেনাসদস্যের মারধরে আহত মেহেদীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পিঠে এক্সরে করা হয়েছে।
মেহেদী জানান, "মারধরের সময় তার মোবাইিল ফোন ও মানিব্যাগ হারিয়ে যায়। ব্যাগে ছয় হাজার টাকা ছিল।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্ররা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলার মাঠে মিছিল করে দায়ী সেনাসদস্যের বিচার দাবি ও সেনাক্যাম্প সরানোর দাবি স্লোগান দেয়। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসেও মিছিল করে।
ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, প্রক্টর আ কা ফিরোজ, সহকারি প্রক্টর সিদ্দিকুর রহমান খান, উপ-উপাচার্য আ ফ ম ইউছুফ হায়দার, লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান াধ্যাপক. ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোবাশ্বের মুনিম বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আসেন।
রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মলচত্বরে আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। জিয়া, সূর্যসেন, জসীমউদদীন ও বঙ্গবন্ধু হলের ভেতরেও কাঁদানে গ্যাস ছোাড়ে পুলিশ। তিন ছাত্রকে পুলিশ ধরে যাওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। এই তিন ছাত্রকে পুলিশ সেনাক্যাম্পে সোপর্দ করেছে বলে ছাত্রদের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাশরীক হাসান মেহেদী, তরিকুল ইসলাম, মাজেদুল হাসান পায়েল, নাসিম, তরিকুল (সমাজবিজ্ঞান), শাহীন আক্তার, মোকাদ্দেস হোসেন, সাইফুল ইসলাম, শফিক, জাকির, রুবেল, মানরবেন্দ্র দেব, মলয় সাহা, লিটন, আইনুল হক, নাহিদ, ইমরান, ইমন, সাইদ মাহমুদ, আফজাল হোসেন, মিরাজ, তৌহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে। পুলিশ কনস্টেবল সাকায়েত, শহীদ এতে আহত হন।
আহত সাংবাদিকরা হলেন দেশবাংলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক তারেক আহমেদ, সমকালের প্রতিবেদক ইশতিয়াক হুসেইন, বাদশা মোল্লা, বাংলা বাজারের খোমেনী ইহসান।
এদিকে নীলক্ষেত মোড় থেকে বিডিনিউজের সিনিয়র প্রতিবেদক লিটন হায়দার জানান, নীলক্ষেত মোড়, পলাশী, শাহবাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে অনেক শিক্ষার্থী আটকা পড়ে আছেন। তাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। এদিকে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস সেল শেষ হয়ে যাওয়ায় রাত সাড়ে ১০টার সময় একদম চুপ হয়ে যায় পুলিশ। টিয়ারগ্যাস পাঠানোর জন্য ওয়ারলেসে পুলিশ সদস্যরা বারেবারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। এরপর পৌনে ১১টার দিকে একটি রায়ট কার থেকে টিয়ার সেল ছুঁড়তে ছুঁড়তে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে।
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের জিমনেশিয়ামে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র সাইফুল ইসলাম জুয়েল জানান, ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শির্ক্ষাথীদের জন্য শিক্ষাবর্ষের ৪০ দিন জিমনেশিয়ামে ক্লাস বা শারীরিক অনুশীলন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। দুই বর্ষে ৪০টি ক্লাস না করতে পারলে কোনো শির্ক্ষাথী উত্তীর্ণ হতে পারবে না। সেনাবাহিনী জিমনেশিয়ামে ক্যাম্প স্থাপন করায় শিক্ষার্থীরা তাদের বাধ্যতামূলক ক্লাস করতে পারছে না বলে অনেক ছাত্র অভিযোগ করেছেন।
এহহামিদা বলেছেন:
ছাত্ররা গর্জে উঠেছে!!
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
ভাই, এটা কি মন্তব্য নাকি রিপোর্ট!!!
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
এইসব আসলে সেনাবাহিনীর বাড়াবাড়ি।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
দিতে থাকেন আপডেট। আপনারে ধন্যবাদ।
গৌরীশ রায় বলেছেন:
5
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
প্রথম মন্তব্যটা ফিরিয়ে নিচ্ছি। রিপোর্ট থুক্কু মন্তব্যটা খুবই ভাল। লেটেস্ট নিউজ।
অমিত বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ....
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
কোন বরাহ সন্তান এটারে ১ দিসে? দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইসা যাবে খবর পাইছি।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
কোথায়?
অমিত বলেছেন:
সারওয়ার ব্যারাকে চলে যাও...
হযবরল বলেছেন:
আপডেট দিতে থাকেন বন্ধুরা। ৫, ৪, ৩, ২, ১ এবং 'কিছু না' প্রদানকারী সকলকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ সমস্বর হবার জন্য। তত্ত্বাবধায়ক, রাজনৈতিক, বাটপাড়, ল্যাম্পপোস্ট, সাধু, ক্যারাব্যারা, দি-এ টীম যে ক্ষমতায় থাকুক সমস্যা নাই। সমস্যা হইলো জলপাই মামারা ক্ষমতায় গেলে। এইটাই শেষ এবং একমাত্র ভাষ্য। সারা বছর আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় রেশন খাওয়ারা, আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভাঙবো, এইটা হইতে দেওয়া যায় না।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
অমিত ভাই কি বললেন বুঝলাম না।
সেনাবাহিনীও আমাদের, বিশ্ববিদ্যালয়ও আমাদের, ছাত্ররাও আমাদের। এইখানে সেন্টিমেন্ট দেখাতে মাত্রাজ্ঞান থাকতে হবে। উই ডু নট ওয়ান্ট এ্যা লিটল ডেস্ট্রাকশন অব বৌথ সাইড।
অমিত বলেছেন:
কথায় কথায় যেসব লোকজন বাঙালীর সমস্যা নিয়া মন্তব্য কইরা বসেন, তারা নিজেদের ঠিক কোন জাতের ভাবেন তা আমার জানা নাই এবং আপাতত জানার কৌতূহলও হচ্ছে না।তবে আপনি কোন জিনিসের দ্রব্যগুণে সেনাবাহিনী এবং সাধারণ ছাত্রসমাজকে একই মাপে দেখছেন সেটা জানার বেশ কৌতূহল হচ্ছে। সেই জিনিসটা যদি দেশের সম্পদ সেনাবাহিনীকে কোন ভাবে গিলিয়ে দেওয়া যেত তাহলে আর ব্লাডি সিভিলিয়ান বলে দেশে কিছুই থাকত না।পাছার মধ্যে সেনাবাহিনীর লাঠির বাড়ি পরার পরও যদি আপনি সেন্টিমেন্টের মাত্রাজ্ঞান চোদাইতে পারেন, তাহলে আমাদের দুইটা সিদ্ধান্তে ঊপনিত হওয়া ছাড়া উপায় নাই, এক হইতে পারে আপনে নির্বাণ প্রাপ্ত হইয়াছেন অথবা মস্তিষ্ক এবং নিতম্বের মধ্যকার ভারসাম্য রক্ষাকারী দন্ডটি হারাইয়াছেন। সে যাই হোক, মহাত্মণ যদি বলিতেন যে দেশের সার্বিক কল্যাণে আমাদের সেনাবাহিনী কি কি ভূমিকা রাখিয়াছেন বেকারত্ব দূর করা ছাড়া, তাহলে বাধিত হইতাম।
এহহামিদা বলেছেন:
নাটেরগুরুর প্রেসিডেন্ট হওনের স্বাদ জাগছে, তাই এই অবস্থা!!
এস্কিমো বলেছেন:
অমিত - সারওয়ার ব্যারাকের লোক না, মগবাজারের বুটপালিশওয়ালাদের লোক।
অমিত বলেছেন:
ঐ আর কি...ব্যারাকের গেলমান..
আমি বাঙালিই। এদেশের মাটির শিকড়ে আমার প্রাণ!
আমি বলতে চাই, হঠাৎ এই বিস্ফোরণের পেছনে কি আছে দেখতে হবে। পাছায় দুই চারটা লাঠির বাড়ি খাওয়াটা বড় কথা নারে ভাই! আমরা তো অনেক অনেক ত্যাগের পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছি অতীতে। অনেক রক্ত ঝরেছে ছাত্র-জনতার। লেটস ডিসকভার দ্যা ফেক্ট, বাই হুম দিস এরাপশন স্টিমুলেটেড। আই থিং দেয়ার ইজ সামথিং হাইডেন বিহাইন্ড ইট।
সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়া প্রশ্ন তোলার আগে আপনাকে ভাবতে হবে গত ৩৬ বছর সিভিল গভর্ণমেন্ট কী দিয়েছে? আমাদের অর্জন কী?
এহহামিদা বলেছেন:
৩০ ইউ এস ডলার জিডিপি ৫৫০ ডলারইকোনোমিক গ্রোথ রেট ৬।৭%
২০০৫ এর পর টপ ১০ টা ফাস্টেস্ট ইমার্জিং ইকোনোমির একটা!!
এক্সপোর্ট ১০ বিলিয়ন ডলার ক্রস করছে, ডাবল ডিজিট!
আরো আছে কমু..........।
রাগ ইমন বলেছেন:
৫
হযবরল বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ ।

















