somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ অসংখ্য ইকারুসের জন্মদাত্রী কষ্ট হয়, নষ্ট হয়
কষ্টেরা সব নষ্ট হয়
কিছুই থাকেনা প্রভূ
তোমারি বন্দনা করি না কভূ
আপন নিয়তি সরবে ঠুকি তোমার জ্ঞানবৃক্ষে
কিছুই টেকে না প্রভূ
তুমি আমি সকল বন্দনাকারী
সকলি বিলীন হয়
তুমি ও বিলীন হও প্রভূ
বন্দনাকারী বিহনে।

একজন নতমস্তক বন্দনাকারী এবং একজন ইকারুসের মধ্যে নতমস্তক বন্দনাকারী নন্দিত হয় এবং একজন ইকারুস জলপাই রাঙা সূর্যের লালিমায় আপন ভূমে প্রাণ বিসর্জন দেয়।

এবং আমরা ঘেন্না করবার প্রথম স্তবক পাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28727483 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28727483 2007-08-24 06:55:47
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ জানাই
যে কোন পরিস্থিতিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ে বর্বর পুলিশী হামলার নিন্দা জানাই , প্রতিবাদ জানাই। যখন সেপাইয়ের বর্ম ভেদ করে ত্রসরেণু রুপী আন্দোলন ঢুকতে শুরু করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয় আক্রান্ত। দেশব্যাপী বন্যা মোকাবেলায়, ডায়রিয়া মোকাবিলায় যখন প্রয়োজন সদাজাগ্রত শিক্ষার্থীদের তখনই এহেন ঘৃণ্য কাজের প্রতি নিন্দা জানাই।

তীব্র এবং স্পষ্ট ভাষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এ কে ফায়েজ এর নিন্দা প্রকাশের প্রেস কনফারেন্স দেখতে চাই। প্রো-ভি সি ইউসুফ হায়দারের নয়। প্রো- ভি সি কে দিয়ে নিন্দা প্রকাশ, মূক সমর্থনেরই নামান্তর।

গর্জে উঠুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরেকবার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28726815 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28726815 2007-08-20 23:01:49
টেকমোল্লাতন্ত্রের হেডঅপিসঃ সামহোয়্যার সাধুর পোস্ট কেন মুছলো, কেন বার বার মুছলো এবং কেন মন্তব্য করলে, সামনের পাতায় আহে না, এইটা পোস্টের বক্ত্যব্যে হৃদয়ঙ্গম হয়। যেই মুচছে, সে নিজেরে ছাগলের পয়দা না ভাবলে সাধুর পোস্টে মন্তব্য আকারে নিশ্চয়ই কইতো।

টেকমোল্লাতন্ত্রের জন্ম দিতাছে সামহোয়্যার, এই সার্ভারে আরেকটা লাল মসজিদ জন্মানোর আশংকা করতাছি, তা না হইলে নিশ্চিতভাবেই লাল খোঁয়াড়।

সেলাম মডু।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28723493 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28723493 2007-07-30 23:25:27
শহীদ জননী তোমায় সালাম
এই ছুটিতে হঠাৎ করে ''একাত্তরের দিনগুলি'' আবার পড়লাম। ভালো লাগা বই, পছন্দের বই বার বার পড়া উচিত বলে আমি মনে করি। এক বসায় অনেকবার পড়বার কথা বলছিনা, দুবছর কিম্বা তিনবছর বাদে পড়বার কথা বলছি। সময়ের সাথে সাথে আমাদের মনোজগতের মাঝে অনেক পরিবর্তন হয়। সে পরিবর্তনগুলো আমরা সচরাচর সনাক্ত করতে পারি না। নিজের মাঝে পরিবর্তন সনাক্ত করবার জন্য পরিচিত, ভালো লাগা বই একটা চমৎকার পদ্ধতি। একই শব্দ, একই লাইন আমরা নতুন আঙ্গিকে দেখি প্রতি পঠনে।

শহীদ জননী যখন ''একাত্তরের দিনগুলি'' বইটা লিখেছিলেন তখন নিশ্চয়ই প্রতিদিন নিজের জীবনের ঘটনাগুলো, কষ্টগুলো, আনন্দগুলো তুলে ধরছিলেন। তিনি নিশ্চয়ই ভাবেননি, তিনি ইতিহাস লিপিবদ্ধ করছেন। বইটা যখন প্রথম পড়েছিলাম, ভেবেছিলাম যুদ্ধের দিনগুলোর ইতিহাস পড়ছি। এখন পড়তে গিয়ে (কতবার পড়েছি ?) আবিষ্কার করলাম বইটা নিজেই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। একজন মায়ের রোজনামচা নেই বইটা আর, একটা দেশের রোজনামচা, একটা মুক্তিকামী মিছিলের কণ্ঠস্বর হয়ে গেছে, ''একাত্তরের দিনগুলি''।

আমাদের এক জীবনে, আমরা কয়টা জীবন্ত বই পড়বার সুযোগ পাই। আমি একটা পড়বার সুযোগ পেয়েছি। আমি নিজেকে ভাগ্যবান ভাবি এই কারণে।

(সচলায়তনের জন্মদিনে সবার জন্য নিজের ভাললাগাটুকু উপহার দিচ্ছি। সচলায়তনে প্রথম প্রকাশিত) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28718825 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28718825 2007-07-02 00:00:13
ভালোবাসা এবং মায়াঃ সম্পর্কের উপজাত
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে একটা জিন্স কিনেছিলাম চট্টগ্রাম হকার্স থেকে। সেই পাৎলুন সকাল থেকে রাত অবধি সাড়ে পাঁচ বছর আমাসংলগ্ন থেকে সারা দেশ দেখেছে। অনার্সের বিদায় উপলক্ষ্যের দিন ডান হাঁটুর কাছে পাৎলুন গেল ছিঁড়ে। অনেকদিন পরতে পরতে মায়া জন্মেছিল জিন্সটার উপর, সেদিন অনুভব করলাম উপজাত হিসেবে ভালোবাসা ও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ছাড়তে হয়। বস্তু মায়ায় উৎপন্ন ভালোবাসা, বেশ অর্ধতরল হলে ও ছাড়তে হয়। কারণ বস্তুর উপযোগীতা না থাকলে মায়া ফিকে হয় , তরল ভালোবাসা হেঁদিয়ে দূষিত হয়। তখন বস্তুর মায়া ভুলে যাই আমরা অবলীলায়।

রক্তমাংসের ভালোবাসা ও ফিকে হয়। যে কোন কার্ভের পতনের মতোই, মানবিক ভালোবাসা ও নিম্নগামী হয়। কিন্তু জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর মত নিম্নগামী সূচকের প্রান্তে পৌঁছে দেউলিয়া না হলে
যেটুকু অবশিষ্ট থাকে সেটি হচ্ছে মায়া। সচরাচর যেটিকে আমরা থ্রেশোল্ড রিকোয়ারমেন্ট বলি। এটি আসলে একধরণের অভ্যস্ততা।
এটা হচ্ছে সেই প্রথম প্রকারের ভালোবাসার উপজাত হিসেবে মায়া।

সামহোয়্যার ইন ব্লগ প্রথম দর্শনে হয়েছিল ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা দ্রবণ থেকে সম্পৃক্ত দ্রবণ অতঃপর অতিসম্পৃক্ত দ্রবণ হলো। একসময় অধঃক্ষেপ পড়বার পর, পরিশেষে অবশিষ্ট রইলো
এক ধরণের মায়ারুপ অভ্যস্ততা।

ভালোবাসা, ভাল বাসার বাস্তবতায় পড়ে অনেক সময়ই অধঃক্ষেপে পরিণত হয়। কিন্তু মায়ারুপ অভ্যস্ততা কিংবা উত্তর প্রজন্মবোধ থেকেই মায়াবোধের মায়াবী জালে পড়ে থাকে মানুষ ।
এটাই স্বাভাবিক। যদিও ভালোবাসা উপজাত, মায়া একধরণের পারস্পরিক অনুকম্পা ব্যতীত আর কিছুই নয়।

সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রতি এখন শুধু সেই মায়াটুকুই অবশিষ্ট আছে। তলানীতে ঠেকে যাওয়া সেই শ্যাওলা খচিত ভালোবাসার অবলম্বনে ঝুলে থাক নামটুকু। নীচে নামতে থাকুক অতিপৃক্ত ভালোবাসায়।

ঢুঁ মেরে যাব, মাঝে মাঝে প্রেমহীন চুম্বন চর্চায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28715320 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28715320 2007-06-09 21:39:31
হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন
মাহবুব মোর্শেদের নতুন শব্দ, অব্যবহৃত শব্দ পোস্টগুলো দেখে অনুপ্রাণিত। কিছু আঞ্চলিক শব্দ আছে যেগুলো সারাদেশের লোক জানেনা। এখন সেইরকম আর ব্যবহার ও হয় না। অন্তত আমি দেখিনা কাউকে ব্যবহার করতে। সেরকম কিছু শব্দের কথা ভাবছি মাঝে মাঝে বলবো।

এতে দুটো কাজ হবে। আম ও পাবো, ছালা ও পাবো। পোস্টের সংখ্যা বাড়া হচ্ছে আম। চট্টগ্রামের কিছু আঞ্চলিক শব্দ সবাইকে জানানো হবে, সেটা হচ্ছে ছালা।

এখন পিঠে ছালা বেঁধে, আরেকজনের বাসায় অনাহুত অতিথি হয়ে রাতের খাওয়া খেয়ে আসি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713939 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713939 2007-06-02 06:21:06
অ্যাবসার্ডঃ স্মৃতিখেলাপী
বড় ধরণের বিপর্যয় হবে যদি, একদিন সব কথা শেষ হয়ে যায়। সেরিবেলাম উল্টে পাল্টে, দেখা যাবে দেউলিয়া ঘোষিত হয়েছি। কিম্বা স্মৃতিখেলাপী ও ঘোষণা করা হতে পারে। ভেস্ট্রিবিউলোসেরেবেলামের বদৌলতে উচ্চ সুদের হারে স্মৃতি ধার করতে হবে। জলপাই মামাদের মত কিছু ধূসর পদার্থ হাঁটুতে স্থানান্তর একটা গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বোশেখ মাসে, আমাদের নদীতে হাঁটুজলে মজে যাবে অবশিষ্ট স্মৃতিটুকু ও। তখন উচ্চ আদালতে সমন জারি করে, ঢ়্যাঁডা পিটিয়ে তত্ত্বাবধানকারী বানিয়ে দেবে।

সে কারণেই ঠিক করেছি সব কথা বলা যাবে না,সব স্মৃতি কৌটো উপুড় করে দেওয়া যাবেনা। প্রতিটি পোস্টের বরাদ্দ থেকে কেটে রাখব ৩০ শতাংশ। এভাবে যখন তিনশো হাঁকাব, তখন ব্যাংক ব্যালান্স হবে নব্বুইটি পোস্ট।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713653 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713653 2007-05-31 11:40:47
আজাইরা-১৩
আইজ দেখলাম আমাদের সেরা ব্লগার আলী ভাই প্রেমিকা চাই শিরোনামে পোস্টাইছে। সেইটা দেইখা একটা মজার স্মৃতি মনে পড়লো। নটরডেমে আমি আছিলাম গ্রুপ সেভেনে। আমাদের বাংলা ক্লাস নিতো মুখতার স্যার। উনার একটা নিজস্ব স্টাইল আছিলো। আইজকা স্টাইল নিয়া কমু না। আইজকা প্রেমপত্র বিষয়ে। প্রেমপত্র বিষয়ে স্যারের একটা প্রধান মূলনীতি হইলো, বাবা’রা আর যাই করো প্রেমপত্রে বানান ভুল কইরো না। প্রেমপত্রে বানান ভুল করা আর, প্রেমিকারে আফামণি কইয়া দেওয়া একই সমান। প্রয়োজন হইলে আমার কাছে আইসো, কিন্তু মাগার বানান ভুল যাতে না হয়। সেই ভুলের উদাহরণ দিতে গিয়া উনি একটা এক্সাম্পল দিতেন। ঢাকা শহরের মেয়েদের একটা সেরা কলেজের খাতায় উনি কি দেখছিলেন। উনি একটু দাঁত খিঁচাইয়া কথা কইতেন, আর ছিলেন চিরকুমার। নটরডেমের লগে একটা ঐতিহাসিক ক্যাঁচ আছে ভিকারুন্নিসার। সুতরাং মেয়েদের সেরা কলেজ মানে ভিকি’গো বুঝাইতো।

মেঘনাদ বধ কাব্যের কবি’র নাম সেই মেয়ের খাতায় আছিলো, “মাইকেল মধুচুদন”।

আশা করি এটুকুই যথেষ্ট বানান ভুলের বিপদ বুঝতে।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713052 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28713052 2007-05-28 11:26:29
সবার লাইগা ভাল্লাগলেও পাঁচ, না লাগলেও পাঁচ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712999 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712999 2007-05-28 01:06:48
কর্তৃপক্ষঃ চিত্রত্যাচারের প্রতিবাদ করবার হাতিয়ার চাই
যূথচারীর ফাঁকা পোস্ট গুলো দেখে মনে হলো পেছনে গিয়ে দেখি কোন কলংক ঢাকবার জন্য সে ফাঁকা পোস্ট দিচ্ছে। যূথচারীকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। বাঙ্গালী হয়ে লজ্জা পাওয়ার মত একটা কলংকই সে ঢাকতে চাইছিল। গোলাম আযমের খাপসুরত দেওয়া একটা পোস্ট।

সচরাচর এ ধরণের একটা অশ্লীল, কদাকার এবং নৃশংস পোস্ট দেখলে আমি রিপোর্ট করুন বাটনে চাপ দিই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ সেই বাটন খুঁজে পেলাম না। এই জঘন্য চিত্রত্যাচার বিরুদ্ধে আমাদের একমাত্র হাতিয়ারটি কি ফেরত দেবেন। একান্ত অনুরোধ রইলো।


ধন্যাবাদান্তে
হযবরল


* হোসেইন এর মন্তব্যঃ

সমর্থন দেই।
বিশেষ করে কেউ যদি তার বাপের ছবি ঝুলাতে চায়,তাহা হইলে সেই ছবি তাহার মায়ের বেডরুমে ঝুলাক,ব্লগে কেন?
(হযু,লাভ হবে না।একটু পরে সাদিক এসে আপনেরে আইন শিখাইব।)

* রাগ ইমন এর মন্তব্যঃ

দাবীর প্রতি সমর্থন ।
মীর জাফরের ছবি ঝুলানো বাক স্বাধীনতা হইতে পারে না।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712768 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712768 2007-05-26 23:21:46
বিষয়ঃ ডালপুরি ভাজন এবং খাওন ভোর রাতের ভীমরতিতে ভাবলেন কিছু একটা করবেন। গিয়ে ধুয়ে ফেললেন হাড়ি-কুড়ি। এরপর মনে হলো আড়াইশো মাইল দূর থেকে কিনে আনা ডালপুরি গুলো ফ্রিজে মন খারাপ করে গাল চিপে বসে আছে। ওদের গাল ফুলোতে হবে, যেই ভাবা সেই কাজ। প্রস্তরীভূত নিয়ার্ন্ডথাল জমানার ডালপুরি ভাজতে বসে গেলেন। সকাল এখনো উঁকি দেয়নি। ঘড়িতে বাজে ৫.৩০। আপনি ডালপুরি খাচ্ছেন, যার এক পৃষ্ঠ মঙ্গলের ন্যায় রুক্ষ-কর্কশ অপর পৃষ্ঠ চাঁদের উজ্জ্বলতা নিয়ে দীপ্যমান।

আহা দেশে যেদিকে তাকাও সেদিকেই ডালপুরির দোকান।


* এর সাথে জাতীয়তাবাদের সম্পর্ক খুঁজবেন না দয়া করে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712643 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712643 2007-05-26 16:05:14
আসক্ত নিরাসক্ত বোধ আবিষ্কারের জন্যই বোধকরি এখন
একটি আসক্তি দরকার।।
কাকাতুয়ার ঢেউ খেলানো ঝুঁটিতেও কারো কারো নেশা হয়,
যদিও কাকতাড়ুয়ার নেশা কদাপি শুনিনি;
নারী এবং পুরুষে সম্পুরক নেশা হয়
যদিও ক্ষত্রিয় নারী-পুরুষ নিরাসক্ত বোধ করে, আসক্তিতে।।

ক্রমাগত সাহচর্যে থাকবার অন্তর্গত প্রেরণা বুঝি আমাদের আসক্ত করে। ব্লগাসক্ত, মদাসক্ত, নৃসক্ত, নানাবিধ আসক্তির পর, নতুন আসক্তির সন্ধানে ব্যাকুল এই আজি এই আসক্তরা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712631 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712631 2007-05-26 14:54:37
সেলফ এপ্রিসিয়েশন
পদোন্নতি পেলে কার না ভাল লাগে। পদের উন্নতি বলে কথা। কর্তা থেকে কর্ম, কর্ম থেকে করণ এভাবে শনৈ শনৈ উন্নতি কার না ভাল লাগে। আরো ভালো হয় সে উন্নতি যদি তারকা মন্ডিত হয়। আমাদের সমরপ্রবররা দেশ ও জনগণের চরম ও পরম উন্নয়ন কর্ম সম্পাদন করবার পর ভাবলেন একটা তৃপ্তির ঢেকুর তুলি। যেমনটি সচরাচর সারা সপ্তাহ ব্লগিং এর পর সপ্তাহান্তে আমি ভূনা খিচুড়ি খাই, ঠিক তেমনি। আমি এটির নাম দিয়েছে, সেলফ এপ্রিসিয়েশন।

আমাদের কুতুবখানার প্রধানরাও নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেবেন ঠিক করেছেন। প্রত্যেকে নিজেদের উর্দিতে একটা করে অতিরিক্ত তারকা যোগ করেছেন, এবং সাথে জুনিয়রদের উর্দিতেও একটা করে তারকা যুক্ত করেছেন। তারায় তারাময় কাঁধে দেশের ভার।

ইদি আমিন এক সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি কনক্যুয়েরার অফ দি বৃটিশ এম্পায়ার। কারণ তিনি দেশ থেকে বৃটিশদের ভাগিয়ে দিয়েছিলেন। হঠাৎ করে ইদি আমিন দাদার কথা মনে পড়ছে।

আমাদের সমরনায়কদের জন্য শুভকামনা। শুভস্য শীঘ্রম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712522 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712522 2007-05-25 19:17:08
দোহনবাজ এক নম্বর কার্পাস তুলার বালিশে মাথাটা ছটফট করে নাড়ছেন গাইসিদ্ধ ইসলাম। খুব সম্ভবত বেটা লেভেলে আছেন তিনি এখন।

সাড়ে সাত কিলো রাস্তার দুধারে বৃক্ষ রোপন করেছেন, ইট ফেলেছেন ৩০ হাজার। যদিও বন বিভাগের নিয়ম ছিলো প্রতি তিন ফিট অন্তর চারা লাগাতে হবে; কিন্তু ম্যানেজার কুতুব কে দিয়ে........।

যাই হোক, তিনি সদয় এবং ভাল লোক। জনগণের খেদমত করেন।

কিন্তু কি কারণে ঘুমের মধ্যে ছটফট করছেন সেটা বলা মুস্কিল।

সোনাই বরাবরই খুঁচিয়ে দেখার আদমী। দুগন্ধ ঠেকানোর জন্য ছোট সাইজের দুটো কড়ই গাছ নাকে গুঁজে, টুপ করে মগজে ঢুকে গেল সোনাই, গাইসিদ্ধ সাহেবের বিপুল সাইজের ডান কান দিয়ে।

===============================

মগজদৃশ্যঃ

দ্রুতগতির ছবির মত সোনাই যা দেখলো সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের এক মাথা থেকে শুরু করে আরেক মাথা পর্যন্ত্ সব গাইয়ের দুধ দোহন করছেন গাইসিদ্ধ। এখন তিনি সিডনী অপেরার সামনে। বিশাল এক গাই অপেরা হাউসের বর্তুলাকার অংশে হেলান দিয়ে আছে। গাই'কে খোঁচানো হচ্ছে। সে ঊঠলে পরেই তিনি ওলান ধরে ঝুলে পড়বেন এবং দোহন করবেন। এই গাই দোহন হলেই সত্যিকারের গাইসিদ্ধ হবেন
তিনি। কিন্তু ওলানের সাইজ দেখে, কিঞ্চিৎ ভীত গাইসিদ্ধ ইসলাম।

ঠিক এসময়টাতেই তিনি ছটফট করছিলেন ঘুমের মধ্যে।

সকালে নাস্তার টেবিলে বসে, তার দেশদোহন কোম্পানীর ম্যানেজারের সাথে শতকরা হিসাব করছেন গাইসিদ্ধ। ইলেকশনের খরচ ছয় কোটি টাকা। বাজারে তার মাল বেশী চলে বাচ্চাদের দুধের কৌটো, এর পরেই আছে মাঝারী সাইজের (মধ্যবিত্তের চায়ের দুধ) গুঁড়ো দুধের কোটো। গত চার বছরের বিক্রি দেখে অফিসে গিয়ে ঠিক করতে হবে, কোনটার দাম কত বাড়াবেন। প্রতি ইলেকশনের পরই দাম বাড়ান, ইলেকশনে রেজাল্ট যাই হোক না কেন।

মনটা একটু ফুরফুরে হয়ে গেল, এবার দিল খুলে ইলেকশনবাজী করতে পারবেন গাইসিদ্ধ ইসলাম। খরচ নিয়ে চিন্তা নেই। লাগে টাকা দেবে, দেশদোহন।

* দেশের প্রধান এবং মূল দুগ্ধ আমদানীকারক প্রতিবার ইলেকশনে খাড়ান, হারেন এবং ইলেকশনের পর দাম বাড়ান গুঁড়ো দুধের। এই দাম বৃদ্ধি সরাসরি গুঁড়ো দুধের ভোক্তার ঘাড়ে পড়ে। গাইসিদ্ধ ইসলামের স্বপ্নটা বাস্তব হলে মন্দ হতো না। সোনাই এবং আমি দুজনেই স্বপ্ন দেখি দোহনের মধ্য দিয়েই এসব দোহনবাজদের মোলাকাতের।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712105 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28712105 2007-05-23 07:56:16
আজাইরা-১২
কার্জন হলে জাহাঙ্গীর ভাইয়ের শেড কিম্বা মিলন ভাইয়ের দোকানের সামনে জবা গাছের নীচে তক্তায় চা-বিড়ি পান কইরা কইরা পুরা কার্জন হলের ছেলে-মেয়ে সবগুলিরে কম বেশী চেহারা চিনতাম। যেগুলির সাথে খাতির ছিলো তারমধ্যে অনেকের নাম জানতাম না কিম্বা ভুইলা যাইতাম। এদের সাথে দেখা হইলেই ডাক দিতাম, '' মাম্মা ''। বড়ই আজব ডাক।

এইরকম মাম্মা ডাকের এক দোস্ত সদ্য আমেরিকা আসছে। আরেকজনের কাছ থেইকা ও আমার নম্বর পাইয়া কল করছে। ধইরা প্রথমে বুঝি নাই কে। আমি নিজে না বুঝলেও, ঐ পক্ষরে বুঝতে দিইনা যে বুঝি নাই। এক মিনিটের মাথায় বুঝলাম, ও হইলো গাইবান্ধার খন্দকার। যাই হোক, কইলাম কি রে দোস্ত চিনছস? ও কইলো, চিনুম না ক্যান কি কছ। তারপর কইলো,

'' তুই গাইবান্ধার হযু না, তোগের বাড়ীর পাশেই আমার ইয়া থাকে না ব্যাটা। আসবার আগে তোর ছোট ভাইয়ের লগে ও কথা হয়িছে।''

ভরাট গলার এই দোস্তরে জাহাঙ্গীর ভাইয়ের ঐখানে দেখা মাত্র আমরা ডাক দিতাম,

'' কি রে গাই বান্ধা''

* গাইবান্ধাবাসীগণ নো অফেন্স। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711975 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711975 2007-05-22 10:12:32
গর্দভোদায়ক জনাব
গর্দভোদায়ক সরকার

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকে আদিমযুগে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কবে সমাপ্ত হবে জানা বড় দরকার।

ভাবছি ট্রান্সআটলান্টিক কবুতর পোষা শুরু করবো। দেশে ফোন করার চাইতে কবুতরের ডানায় খবর পাঠানো অনেক সহজতর কাজ। এই তত্ত্বাবধায়ক োদাই এর কল্যাণে জীবন বিপর্যস্ত হতে আর বেশী বাকী নেই।

গত চার মাসে সফল কল এবং কল প্রচেষ্টার অনুপাত ০.০১ এ ঠেকেছে। টিএন্ডটি মুখে ফিডার নিয়ে বসে থাকবে অনন্তকাল, যতদিন একে মনোপলি দেওয়া হবে। গাঢ় ভাড়া দিয়ে পয়সা আনতে পারলেই এই প্রতিষ্ঠান খুশী, উদ্যেগ নেবার কি দরকার।

কোন ধরণের বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তা মাথায় না রেখেই, জনপ্রিয়তা অর্জনে নেমেছিল হাঁটুবুদ্ধির খাকির দল। ঘোড়ার মত মুখ ফেনিয়ে ফেনিয়ে ইতং বিতং আর রাজা-উজির মারুর দল। এখন সাবমেরিন ক্যাবল থেকে শুরু করে, পারলে খোদ আকাশের নিয়ন্ত্রণ নিতে যায় আমাদের গাঢ়ল টেলিযোগাযোগ কোম্পানী। নিয়ে কি করবে? ভাড়ায় খাটাবে, বেসরকারী কোম্পনীগুলোর কাছে। নিজেদের আওকাতে একটা এক্সচেঞ্জ বসানোর সামর্থ্য নেই।

দয়া করে আমাকে জানান, কবুতর পোষা কবে শুরু করবো জনাব গর্দভোদায়ক সরকার।

বিনীত

হযবরল ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711961 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711961 2007-05-22 08:29:00
বাংলা ছবির গান চাই
পুরানো বাংলা ছবির গান কোন সাইটে কি আছে? কেউ জানলে একটু আওয়াজ দেন। হুমায়ুনের ফিল্মের গান না। হীরামন এবং ছায়াছন্দ আমলের গান। আলোর মিছিলের গান গুলি শুনতে মন চায়। রাজ্জাকের একটা গান আছে, '' ঐ দূর দূর দূরান্তে , কিছু জানতে না জানতে, অশান্ত এই মন ..............।

ভাই ও বোনেরা আগাইয়া আসেন। লালু জানতে পারে। ওরে পারলে কেউ খবর দেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711956 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711956 2007-05-22 06:49:43
রিক্সা
রিক্সা নিষিদ্ধ করবার অহর্ণিশ প্রয়াস চলছে,
আমাদের ঢাকা শহরে।
আমাদের প্রিয় ঢাকা শহরে।
বিজ্ঞাপন জর্জরিত পত্রিকাগুলোর খাঁজে খাঁজে গোপন তলোয়ার
হাওলাদারের ভবিষ্যৎনামার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়
রিক্সা বিতাড়ন করতে হবে।

শহরের মধ্যবিত্ত রাস্তাগুলোতে
ঠাঠা রোদে
তোমার চিবুকের লবণে,
আমড়া খাওয়ার দিন শেষ হয়ে এলো বলে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711922 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711922 2007-05-21 23:49:36
হা ঈশ্বর। এও হয়। এও শুনতে হয়। আজ ক্রিকইনফোতে মাশরাফি মুর্তাজা’র উপর একটা লিখা পড়ছিলাম। সিদ্ধার্থ মঙ্গা’র লিখা। অনেকদিন পর ক্রিকইনফোতে একটা ভাল লিখা পেলাম। পড়ছিলাম আর ভাল লাগছিল। মাশরাফির জন্য ভাল লাগছিল। গর্ব হচ্ছিল। নতুনভাবে মনের কোণে সুলুক সন্ধান করছিলাম। নড়াইলের ছেলে, চিত্রা নদীর পাড়ের ছেলে মাশরাফি। আমাদের মাশরাফি।

চিত্রা নদীতে সাঁতার কেটে বড় হওয়া ছেলে মাশরাফি। নড়াইলের রাস্তায় বাইক নিয়ে উড়ুক্কুবাজ ছেলে মাশরাফি। এই বয়সে একটা টেস্ট টিমের মূল বোলার, বাম হাঁটুতে তিনটে অপারেশন, ডান হাঁটুতে একটা, গোড়ালির লিগামেন্ট ইনজুরি দুবার, ব্যাক স্ট্রেস, কাঁধের ইনজুরি সব কিছুর সাথে যুদ্ধ করে আজ বাংলাদেশের সেরা বোলার। সম্ভবত পৃথিবীর সেরা বোলারের একজন হওয়ার পথে। নিজের ভালো-খারাপ দুটো দিকই খুব ভালভাবে অনুভব করতে পারা একটা মানুষ।

আচ্ছা কেউ কি বলে দেয়, তোমার বাড়ীর পাশের চিত্রা নদী তোমাকে ভালোবাসতে হবে। নিজের নদী অনুভব করবার কথা কি মুখ ফুটে উচ্চারণ করতে হয়। নিজের মায়ের হাতে মাছ, ভাত, পেঁয়াজ, সব্জি কাটার পর একটা গন্ধ থেকে যায়। হাত ধোয়ার পরও একটা গন্ধ থাকে। সেই উষ্ণ গন্ধটা সবাই চেনে। পাঠ্যপুস্তকে লেখা থাকেনা, কিম্বা স্কুলে হোমওয়ার্ক দেয় না, যে যাও মায়ের হাতের মিষ্টি গন্ধটা নাও।

এটা আমরা সহজাত প্রবৃত্তির বশেই করি। আমার বাসার পাশেই কনগ্যারী নদী। একটু জেদী, একটু চটুল কিন্তু সহজিয়া, আমি বুঝতে পারি। বই না পড়েই, নদীর পানির অম্ল-ক্ষার মাত্রা না জেনেই, নদীর দৈর্ঘ্য না জেনেই আমি অনুভব করতে পারি নদীকে।


একসময় বিটিভি যখন ছিলো একমাত্র চ্যানেল, তখন দিনের বেলা মাঝে মাঝে টেস্ট ট্রান্সমিশন চলতো। তখন আমি অনেক ছোটো ক্লাস থ্রি হবে হয়তো। কয়েকটা গান খুব বেশী প্রচার হতো।

‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটা কানে গেলেই মনে হতো, আমাদের সবার, সারা দেশের প্রাণভোমরা ঐ একটা ফুলে। ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এই গান অনুভব করবার জন্য, শুনবার জন্য আমার বাসায় কিন্তু কোন টিভি ছিলনা। ছিলনা কোন প্লেয়ার।
কিন্তু গানগুলো অনুভব করেছি।

এখন আমার আইপড আছে। সেখানে কিন্তু এই গানগুলো নেই। কিন্তু আমার মাথায় গানগুলো মাঝে মাঝেই বাজে। আমি নিজের সাথে বোঝাপড়া করি। আমি ইতিউতি তাকাই, কিন্তু দেখতে পাইনা কোন পুস্তক, কোন ধ্বজাধারী ভাষণ কিম্বা আধহাত মোটা কোন হরলাল রায়ের রচনা বই যেখানে লিখা আছে;
এগুলো আমাদের রক্তের দামে লিখা স্বরলিপি। এগুলো আমাদের ছিন্নভিন্ন বাংলার এক চিলতে উঠোন।

আমি হতাশ হই। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমার বাসার পাশের নদীটা থেমে গেছে অভিমান করে। আমি লজ্জিত হই, যখন শুনি কেউ বলছে;


৭১ নিয়ে আমার কোন আগ্রহ ছিলনা
জানিনা কারণ আমাদের হোমওয়ার্ক ছিলনা
জানিনা কারণ বিরক্ত বোধ করতাম ৭১ নিয়ে ধান্ধাবাজী দেখে,
জানিনা কারণ ভোট পাওয়ার জন্য নেতারা এটাকে ব্যবহার করেন।

ভোট পাওয়ার জন্য সবাই মাথায় কাপড় দেন, কই সবাইতো মাথায় কাপড় দেবার আগ্রহ হারায় না।
ভোটের জন্য মসজিদ বানায়, মন্দির বানায়, কলতলা বাঁধিয়ে দেয়, ইসলাম বেচে, শরিয়ত বেচে, ক্রিকেট বেচে, জগন্নাথ বেচে;

কই আমরাতো আগ্রহ হারাই না।

আমি নুয়ে যাই,
আমার নদী থেমে যায়,
এবং আমার আকাশ চিরে অতিবেগুনী রশ্মিরা হানা দেয়,
গোপন অলিন্দে;

কত লক্ষ মারা গেলে পরে আমরা অনুভব করতাম, এটা একটা যুদ্ধ ছিল। একত্রিশ লাখ, এক কোটি, দু কোটি, সাত কোটি, পুরো জনগোষ্ঠী। একটা সংখ্যা কত বড় হলে সেটা আমাদের চোখে পড়ে, আমাদের আগ্রহ তৈরি করে।

আমি বিস্ময়াহত, আমি স্তব্ধ।
আমার কবরের এপিটাফ বোধ করি,
অনেক বেশী প্রাণোচ্ছল হবে। কারণ সে জানেনা,
সে মৃতের উপরে দাঁড়িয়ে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711332 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711332 2007-05-19 02:08:42
কেমিক্যাল আলীর পোস্টের সূত্র ধরেঃ আমাদের সমাজরুদ্ধতা
কেমিক্যাল আলীর একটা পোস্ট থেকে এই লেখার সূত্রপাতঃ
কেমিক্যাল আলীর পোস্ট



ছোট্ট একটা ভূমিকা দিয়ে শুরু করি। আমাদের দেশে চাকরী-বাকরী এবং পর্যায়ক্রমে সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতিভূ হয়ে গিয়েছে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার। এই দুটো পেশার প্রতি এতো তীব্র অনুরাগ আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে যেটা এক ধরণের অবসেশনের পর্যায়ে পড়ে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হচ্ছে মেডিক্যাল গুলো এবং বুয়েট। আমাদের সমাজের এই তীব্র একমুখীতা এবং অবসেশন এমন একটা পর্যায়ে যে ছেলে-মেয়ে বুয়েট/কিংবা মেডিক্যালে ভর্তি হলে বাবা-মা গর্বের চেয়েও অহংকারে ভোগেন বেশী। সামাজিক মর্যাদায় উঁচু পিঁড়ি আসীন হবার আনন্দই তাদের বেশী হয়। এটা একটা কমন ফেনোমেনন, '' আমার ছেলে বুয়েটে পড়ে''। আমাদের দেশে জ্ঞান আহরণ কিংবা কোন বিষয় ভালবেসে পড়ার চাইতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত একটা কিছুর পিছনে ছোটাটাই মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। কোন বিষয়ে পড়ে সেটার চেয়ে, বুয়েট কিম্বা মেডিকেল পড়ে সেটা মূখ্য হয়ে যায়। কেউ যাচ্ছে কর্ণেল এ বায়োসেন্সর নিয়ে গবেষণা করতে; কিন্তু তার পরিচিত মহলে একটা শ্রেণী সে আমেরিকা যাচ্ছে সেই খুশীতেই মাতোয়ারা থাকে; একটু অগ্রগামীরা সে কর্ণেলে যাচ্ছে সেটা নিয়ে মাতোয়ারা থাকে; এই হচ্ছে সুপারসমাজবদ্ধ কিম্বা সমাজারুদ্ধ মানুষের মানসিকতা।

আমার খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ তে। অডিটোরিয়ামে সিনেমা দেখানো হবে তাই গিয়েছি। টিকেটে দায়িত্বে থাকা এক বিবিএ'র ছাত্রের কাছে টিকেট চাইলাম। সে জবাব দিলো ইংরেজীতে। আবার আরেকটা প্রশ্ন, আবার জবাব দিলো ইংরেজীতে। এটার কারণ সমাজ এবং ইনস্টিটিউট আরোপিত কিছু সুপারলেটিভনেস। আইবিএ বানাতে চায় কিছু দক্ষ ম্যানেজার, সুতরাং এটাই স্বাভাবিক।


বুয়েটের ব্যাপারে যেটা বলছিলাম। একসময় দেশের একমাত্র প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে এতো বেশী সোসাইটি ভ্যালু র‌্যাপ আপ করেছে বুয়েট যে বাবা-মা, পরিজন থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মানের চেয়েও, ইনস্টিটিউট গরিমায় ভোগে বেশী। সবার মাঝেই আমি কি গো হনুরে একটা ভাব আসে। এটা মেডিক্যালের ছেলে-মেয়েদের আরেকটু বেশী হয়। এটা আমাদের জীবনের সব ক্ষেত্রেই একইরকম ভাবে সত্য। জিলা শহরের সবচেয়ে বড় সরকারী স্কুলে, সেরা কলেজ, কিম্বা বুয়েট/মেডিক্যাল/ঢাবি ভর্তি হওয়ার পর বাবা-মা সন্তানের সাফল্যে যতখানি আনন্দিত হন, তারচেয়েও বেশী হন লোকজনকে বড় মুখ করে বলতে পারবেন ছেলে-মেয়ে অমুকে পড়ে, তমুকে পড়ে। কথাটা খারাপ শোনায়, কিন্তু এটাই সত্যি।

আমার বন্ধু ঢাবি জিওলজির ছাত্র ছিলো। সে একদিন বলছিলো, সে জিওলজিতে ভর্তি হওয়ায় তার বাবা-মা ভীষণ হতাশ হয়েছিলো। হতাশার কারণ ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে না।

সে কারণেই দেখেছি,'আমরা বুয়েট' এই ধরনের একটা মেমব্রেনে থাকার, অন্য সবার মাঝে নিজেকে একটু আলাদা ভাববার অভ্যাস বুয়েটিয়ানদের আছে।
কিন্তু এটা সেসব ছেলে-মেয়েদের দোষ বলে আমি মনে করিনা। এটা হচ্ছে আমাদের সমাজের দানাবাঁধা এক ধরণের শ্রেনীবৈষম্যের ফল। এটা ঠিক কারো ব্যক্তিগত অর্জন নয়।

=========================

এই জায়গাটায় আমার কষ্ট হয়। মেঘনাদ সাহা-জগদীশ-সত্যেন বোস-অজয় রায়- ললিত মোহন নাথ-জামাল নজরুল ইসলাম-মহলানবীশ এদের বংশধর হয়ে আমরা এখনো কুয়োর ব্যাঙ হয়ে রইলাম। বিংশ শতকের শুরুতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের যে রেঁনেসা কোলকাতায় শুরু হয়েছিল সেটার ফুটি-ফাটা ও আমরা অর্জন করিনি। জ্ঞানের চর্চা যে বিষয়ভিত্তিক সেই মূল সত্যই আমরা অনুধাবন করিনি। এখনো আমাদের সেরা ছাত্ররা ব্যাবসায় প্রশাসন, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডাক্তারী পড়তে চায়।
পদার্থ, গণিত, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান কেঊ পড়তে চায় না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711015 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28711015 2007-05-17 10:59:23
বুকে-বুক মিলাইয়া খেলার দিন শেষ
হিসাবটা তাইলে কি দাঁড়াইলো। আওয়ামী লীগ আরো একটা ধাক্কা হজম কইরা বুঝাইয়া দিল, দেশে রাজনৈতিক দল তারাই। বিএনপি এখন টুকরা-টাকরা জড়ো করায় ব্যস্ত। জামাতের কিছু বুঝা যাইতাছে না, তবে এইটা নিশ্চিত ওদের দশা বিএনপির মতো না। জাতীয় পার্টি এরশাদ ভিত্তিক যে কয়দিন আছে আছে। উনার বুকে-বুক খেলার ক্ষ্যামতা শেষ, পার্টিও শেষ। বাকী রইলো উর্দি সরকার। এরা যাওনের আগে একটা কিছু সিস্টেম করবো। কি করবো বলা মুশকিল। কারণ ওদের প্ল্যান-১, প্ল্যান-২ একটার পর একটা ডাব্বা মারতাছে। কত নম্বর প্ল্যানে গিয়া থামবো এইটা খুব বড় শমশের ও কইতে পারবো না। তয় নতুন একটা জাতীয় পার্টি করনের সম্ভাবনা উড়াইয়া দেওয়া যায় না। নিজেদের হালাল করণ বইলা কথা। কিন্তু তার আগে নানাবিধ, প্ল্যান কোনটা কাজে লাগে সেইটার উপর এখন সবকিছু নির্ভর করতাছে। তয় জনগণ একটা বিষয় উপলব্ধি করছে ত্রাণের টিন আর যাকাতের শাড়ীই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির একমাত্র কারণ না। আরো কারণ আছে। এতদিন গুলশান-খুলশী কেন্দ্রিক পুঁজির বিকাশ আছিলো, এবার ডিওএইচএস এ আমজনতার নজর গেছে। সুতরাং গুরু সাবধান, এইটা ফিজি ও না, পাকিস্তান ও না। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ আর দুইয়ের অধিক জমায়েত নিষিদ্ধ কইরা আরশে পাও ঝুলাইয়া বুকে-বুকে খেলার দিন শ্যাষ।

মাঠে নামছো কাকু, জাম্বুরা দিয়াই খেলতে হইবো ব্যারাকের ১ নম্বর ডিয়ার বল ভুইলা যাও।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28710762 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28710762 2007-05-15 17:49:15
ব্লগোৎসব ...... (ধূসর গোধূলি সমীপে)

ব্লগে খুব বেশী আসা হয় না, বস্তুত কম্পিউটার সারাদিন অনলাইন থাকলেও ব্লগানো হয়ে ওঠেনা। কিন্তু হাতের চুলকানো থামানোতো আর যায় না। লিখবার জন্য খচমচ করে, ব্লগে মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে দেখি যেরকম জাবড়াজাবড়ি দেখি তাতে আগ্রহ পানসা মেরে যায়। আজ হতাশ করা দুপুরে ডিমভাজি দিয়ে খিচুড়ী এবং সালাদ সাঁটানোর সময় পেলাম ধূসরের মেসেজ।

... আর্জেন্ট...নো কোশ্চেন...আগামী রবিবার রাত ৯ ঘটিকার সময় গানে গানে ভালবাসার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে... ... গান রেকর্ড করে রাখুন ... ... প্রতিযোগীতায় জমা দিতে হবে ----- ।

মুখে অতি মূল্যবান খিচুড়ী(একদিন রান্না করিয়া তিনদিন চালানো হয়) না থাকলে এক পেট হাসতাম। কিংবা বলা যায় পেট উল্টে, হাসতাম। কিংবা গব্বর সিং হলে বলতাম,
‘ ইয়াহা সে ২০০ মাইল দূর দূর তক, গাঁও গাঁও মে জিজু লোগ আপনে শালী ক্যাহতে হে --সো যা, নে হি তো হযুভাই গানা শুর করে গা’’
আমার এলেম এতোখানিই বিস্তৃত।

আমার গায়কীর ইতিহাস সুদূর ক্লাস থ্রি হইতে। কিংবা তার ও আগে হতে পারে। আমাদের ঘরে কোন গায়ক-গায়িকা নেই। ফলতঃ অধিকাংশ পোস্টমর্ডান ফ্যামিলির বাচ্চাদের মত আমাদিগকে আর্ট, নাচ , গান এসবের তালিম নিতে কোন প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় নাই। সুতরাং যাওয়া ও হয় নাই। আমার আশে পাশে ফুলকি’ই ছিল এসবের আগাড়। ফুলকি’তে গল্প বলা প্রতিযোগীতা কিংবা গ্যালিলিও সায়েন্স ফেয়ারে যাওয়া হলেও নাচ-গানের ক্লাসে যাওয়া হয়নি।

কিন্তু জনগণ তাই বলে এই সুপ্ত প্রতিভাতো আর লুকিয়ে রাখা যায় না। বিকশিত হবেই। প্রতিভা বলে কথা। ক্লাস থ্রিতে শুরু করলাম আমাদের পাড়ার, ‘জলসিঁড়ি’ খেলাঘরে যাওয়া। সাপ্তাহিক ছুটির দিন, সরকারী ছুটির দিন, সপ্তাহে দু-দিন বিকেলে আমাদের খেলাঘরের আসর। এক একদিন একেকজনের বাসায়। বড় ভাই-বোনেরা আয়োজক, আমরা কচি-কাঁচারা পারফর্মার, সে এক এলাহী ব্যাপার। বিশেষ বছরের শেষের দিকে যখন বাৎসরিক অনুষ্ঠানের সময় হতো তখন জোরদার প্র্যাকটিস, কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারীর সময়।
এই প্র্যাকটিসের মূল অংশ ছিলো কোরাস গান। মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে আমরা সকলে টুলু দিদি সঙ্গে গাইতাম, ‘সোনা সোনা সোনা, লোকে বলে সোনা; সোনা নয় তত খাঁটি’, ‘আমরা করবো জয় , আমরা করবো জয়’, ‘ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা’। কিছু গান ছিল যেখানে উদাত্ত গলার টান লাগত, যেমন ‘ঢেউ ভাঙা ঐ স্রোতের সাগর পাড়ি দেব রে’ এইখানে আরিফ ভাই ‘ ও ও ও ও ও’ বলে ডাক ছাড়তেন থামাথামির কোন লক্ষণ থাকতো না।

ফ্যাকড়া বাঁধালো ঐ কোরাস গানটাই। মানে কোরাসে ফ্যাকড়া না, কোরাসের থেকেই উৎপত্তি ফ্যাকড়ার। তখন সবে মাত্র ‘ আম পাকে বৈশাখে ’ জাতীয় কবিতা আবৃত্তি শুরু করেছি স্টেজে। ডিসেম্বর মাস, সামনে বাৎসরিক অনুষ্ঠান। টুলু দি এক পশলা হারমোনিয়াম ধরে একটা গানের কঠিন জায়গা সবাইকে দিয়ে আবার করালেন। কিন্তু কেন জানি একটু বেসুরো লাগছে উনার। আবার ধরলেন। হঠাৎ কি জানি মনে হলো, ভাবলেন সবাইকে আলাদা আলাদা ভাবে টেস্ট করবেন, তাহলেই হেঁড়ে হলার সিসিম ফাঁক হবে। যেই ভাবা সেই কাজ। প্রথমেই মেয়েদের গলা ভাঁজা হলো, এদের গলা এমনিতেই ভালো। এরপর ছেলেদের শুরু হলো। আমাকে গাইতে বললেন সেই লাইন। আমি গাইলাম। সব সময় যেরকম গেয়ে যাই, সেরকম গাইলাম। এখনো সেরকমই গেয়ে যাচ্ছি , আমার কাছে খুব একটা অস্বাভাবিক কখনোই লাগেনি। আজো লাগেনা, কিন্তু যারা শোনে তাদের লাগে।

আমার গান শুনে টুলু’দির চোখ এমন হলো যেন হাঁসজারু দেখেছেন। হুংকার এতদিন ধরে গান শিখিস তুই, একি দশা। সেইদিন ডিসিশন হলো, আবৃত্তির সাথে সাথে কিছু অংশ উপস্থাপনার দায়িত্ব ও আমার ঘাড়ে। এরপর ও অনেকদিন কোরাস চালিয়েছি। সাফল্য বলতে ক্লাস সেভেনে হামদ-নাত এ দ্বিতীয় পুরষ্কার। এখানে একটা গোমর আছে। যারা প্রথম হয়েছিল, ক্লাস নাইনের ভাইদ্বয়, উনারাই আমাদের বলেছিলেন হামদ-নাতে অংশগ্রহণ করতে। তাও আবার প্রতিযোগীতার ঘন্টা তিনেক আগে। কারণ কোন কম্পিটিটর ছাড়া পুরষ্কার নেওয়াই মজা নেই তো তাই। সো আমি বাই ডিফল্ট সেকেন্ড।

গান নিয়ে এরকম, আরো রোমহর্ষক, আনন্দদায়ক এবং ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আছে। সেসব আরেকদিন। সেই কোরাস কিস্‌সার পর থেকে ধীরে ধীরে শ্লোগানের দিকেই নিজের অমূল্য প্রতিভা বিনিয়োগ করা শুরু করেছি।

সুতরাং ধূসরের গানগ্রাম(টেলিগ্রাম টাইপ) পেয়ে সুপ্ত প্রতিভা চাগাড় দিলেও এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেবো না বলেই ঠিক করেছি। এমনিতেই ব্লগের বেহাল দশা। আমি গলা ছাড়লে বাকী ব্লগাররাও জান নিয়ে পালাবে। ব্লগের স্বার্থেই সুপ্ত প্রতিভা, আরো কিছুকাল সুপ্তই রাখবো ঠিক করেছি।

কিন্তু সবাইকে আহবান জানাই, দলে দলে ব্লগোৎসবে সামিল হোন। মাদল বাজিয়ে, ঝাঁপ-করতাল বাজিয়ে গেয়ে উঠুন নব আনন্দে।







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28709914 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28709914 2007-05-10 09:47:28
খুন
খুচরো খাচরা চাঁদের কণা গুলো বুকপকেটে গুঁজে, ঠায় দাঁড়িয়ে থাকি পাংশুটে মুখে । টিকিট নিয়ে জোৎস্না দেখতে যাওয়ার কাল এখন। ছুরির ফলার মতন উদ্যত হাসি মুখে নিয়ে বুক পকেটে থেকে গলে গলে পড়া জোৎস্না স্নানরতা, আমূল বসিয়ে দিল ধারালো হাসি এফোঁড় ওঁফোড় করে। এপিটাফের সিথানে বসিয়ে দিও, আমার বুকপকেট। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708819 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708819 2007-05-03 09:05:43
কালো ভবঘুরে শৈশবে আমাদের পাড়ায় এক ভবঘুরে দেখতাম। আমাদের পাড়ার বাসিন্দা সে ছিলোনা, তবে ঘুরে ঘুরে কিছুদিন পর পর আসতো। নির্দিষ্ট কিছু বাড়ী ছিলো যেগুলোর ছায়ার সে জ্যেষ্ঠ মাসের কড়া রোদে বিশ্রাম নিত। বেশ লম্বা, কালো পেটানো শরীর। পিঠে বিশাল এক বোঝার কারণে খুব ঝুঁকে থাকত। দেখে মনে হত দুঃখ ভারাক্রান্ত যোদ্ধা। চোখ দুটো ছিল শিশুর সারল্য। প্রায়শই ওর আস-পাশ ঘুরতাম, আগ্রহ অনুভব করতাম মানুষটার প্রতি। লোকটার কাঁধে এত বড় বোঝা কেন ? বিচিত্র এক বোঝা, কোল্ড ড্রিংক’স এর খালি প্লাস্টিক এর বোতল থেকে, লাল-নীল রংয়ের কাপড়ের টুকরো, পলিথিন, ছেঁড়া জুতো। খুব সাধারণ সব বস্তুর সমাহার। নিজের চেয়েও বড় সেই বোঝা বহন করছে, পিঠ কুঁজো করে। ওর কথা শুনবার একটা অদম্য ইচ্ছে ছিল, কিন্তু শোনা হয়নি। এখনো জানিনা সে কী কথা বলতে পারে না? না কি সে কথা বলতো না। আমার ধারনা সে কথা বলতে পারে, কিন্তু সে বলতো না। নিজের মাঝে এক বিশাল সমুদ্রে, সে একা এক নির্জন দ্বীপে বাস করত। কখনো দেখে মনে হয়নি, এই বিশাল দালান, জীবনের নানাবিধ আয়োজন কোনো কিছুই তার নির্জনতা ভঙ্গ করছে।

কিছু কিছু শিশুসুলভ আগ্রহ আমরা সযত্নে লালন করি, দীর্ঘদিন কিংবা অনন্তকাল। আগ্রহ মিটবার সম্ভাবনা খুব কম জেনেও আমরা সেই আগ্রহ ঝেড়ে পুঁছে যত্ন করে রাখি। ওর গলার স্বর শুনবার আগ্রহ, আমার সেই রকম একটা আগ্রহ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708566 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708566 2007-05-01 08:44:39
ওহে মডুরাম/মডুসীতা একটি আর্জি এই সব দেখানোর কাজে ব্যয় করলে মনে হয় ভালো হইতো ।

বিজ্ঞজনেরা এইটা এখনো খেয়াল করেন নাই মনে হয়। ডেভেলপারদের সাথে যাদের খাতিরের সম্পর্ক আছে তারা উনাগো কানে একটু কথাটা তুইলেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708373 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28708373 2007-04-29 19:38:11
চো সুং হুই এবং ওরা বত্রিশ জন
ভার্জিনিয়া টেক এর আততায়ী প্রথম দফা দুইজনকে হত্যা করবার পর এনবিসি চ্যানেল এর কাছে একটা পার্সেল পোস্ট করেছিল। এনবিসি সেটা আজ রিসিভ করেছে। সেখানে তার হাতে লিখা ২৩ পৃষ্ঠার জবান, অন্তত ১০ মিনিটের ভিডিও, এবং ১১ টা ছবি আছে।
যার প্রত্যেকটাতেই তেইশ বছরের চো সুং হুই(আততায়ী)চিৎকার করে বলছে, '' You had a hundred billion chances and ways to have avoided today ''। নিশ্চিত ভাবেই মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন যুবক সে।

আজ সকালেও আমি ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও দেখছিলাম, চোখ দিয়ে জল পড়ছিল না, কিন্তু মনে মনে কাঁদছিলাম। ছবি দেখছিলাম ভার্জিনিয়া'য় শোকযাত্রার। খুবই ক্লীশে শোনায়। কিন্তু
আসলেই কাঁদছিলাম মনে মনে। সব মৃত্যুই বেদনার, কিন্তু তবুও কিছু মৃত্যু নাড়া দিয়ে যায়।

এখন কষ্ট হচ্ছে হত্যাকারী চো সুং হুই এর জন্যে। কি নিদারূণ মানসিক অবসাদ এবং পৃথিবীর প্রতি ঘৃণা একটা তেইশ বছরের যুবককে সারা পৃথিবী ধ্বংসে উৎসাহিত করে, এক লহমায় বত্রিশ জনকে গুলি করে মেরে ফেলতে উৎসাহিত করে সেটা আমি ভাবতেও ভয় পাই। কি ভীষণ ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে বেঁচে ছিল সে ভাবতেই কষ্ট হয়।

যে বয়েসটা সৃষ্টির, স্বপ্ন দেখবার এবং দেখাবার, যে বয়েসটা স্লোগান দেবার যে বয়সে সে সবাইকে ঘোষনা দিয়ে জানালো সে ঘৃণা করে তাবৎ পৃথিবীকে। মানবজাতির জন্য এ বড় বেদনার।
এ সংকটা আমাদের সবার। শুধু এক আমেরিকান কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ার সংকটা না এটা। এরকম কোটি কোটি যুবক-যুবতী সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। সুযোগ এবং সম্ভাবনার দুয়ার দিয়ে কেউ বন্দুক নিয়েছে হাতে, কেউ এসিড কিংবা কেউ স্বপ্নহীনতার জীবন।

চো সুং হুই এবং বত্রিশ জন মৃতের হৃদয়ের শান্তি কামনা করছি।


আমাদের সময় হোক কবিতা পড়বার, লিখবার
আমাদের সময় হোক ভাববার
আমাদের সাহস হোক স্বপ্ন দেখবার এবং দেখাবার
আমাদের সামর্থ্যে হোক, প্রজন্মান্তরে স্বপ্নের বীজ বুনবার
আমাদের মধ্যে অবারিত নতুন শব্দের ঝর্ণা বয়ে যাক ।।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706872 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706872 2007-04-19 10:18:54
কাঙাল বানিয়ে ছাড়লো শেষতক
ব্লগের কি হচ্ছে বুঝে ওঠা দুষ্কর। আমার নামের নীচে প্রোফাইলের অংশে লিখা ছিল,
''এতদিন যে বসেছিলেম,
পথ চেয়ে আর কাল গুনে
দেখা পেলেম ফাল্গুনে।''

সেটা পরিবর্তন হয়ে, হয়ে গেছে '' কাঙাল '' । অবশ্য আগের লাইন দুটোর অন্তর্গত মানে ও কাঙাল। আমাকে বাস্তব জীবনে যদি কাঙাল বলা হয় সেটাও খুব একটা ভূল হবে না। ওটাতে আমার আপত্তি নেই।
কিন্তু ব্লগের প্রোফাইল, এডিটর এতখানি অন্তর্যামী সেটা মনে হয় না। হলে কবেই আমার ব্লগ স্বতস্ফুর্ত ভাবে বন্ধ করে দিত। এক সকালে লিখা উঠত, আপনি না লিখলেও চলবে। অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আর না। কিন্তু এসব এডিটর এর মনের ইচ্ছা বলে মনে হয় না। সম্ভবত ব্লগের এটা আরেকটা বাগ। মনপড়ুয়াবাগ। আর না
হলে কোন কৌতুকপ্রিয় হ্যাকার এর কাজ।

তবে এখন আসলে আনন্দ বা বিরক্ত হওয়ার মত কোন অবস্থায় নেই, তাই শুধু একটু অবাক হওয়া বাদে আর কিছুই করতে পারছি না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706687 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706687 2007-04-18 05:58:58
দুঃসংবাদ
আজ ১৬ই এপ্রিল ২০০৭ ভোর ৭.১৫ তে শুরু হওয়া গান ফায়ারে ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১ জন শিক্ষার্থী মারা গেছে। সকাল ৭.১৫ তে শ্যুটিং শুরু হয় একটা কো-এড ডরমিটরিতে এরপর ৯.১৫ তে একটা ক্লাস রুমের। ক্লাস রুমের বেশীর ভাগই গুলিতে মারা গেছে। কিছু গুরুতর আহত। আততায়ী নিজেও মারা গেছে। ছবি দেবার ইচ্ছে হচ্ছে না। তবে মোবাইলে তোলা একটা ভিডিও'র লিংক (http://tinyurl.com/2emhg5) দিলাম।

আমেরিকায় স্কুল শ্যুট আউটের সবচেয়ে জঘন্যতম ঘটনা এটা।

দেশ, জাতীয়তা, ধর্ম এবং বর্ণের বাইরে আমরা সবাই মানুষ। আমাদেরই বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই সব নিহতেরা। এখান থেকেই হয়তো আসতে পারতো যুগান্তকারী কোনো সাংবাদিক, বিজ্ঞানী কিংবা সমাজবিদ। এরাই কারো না কারো আদরের সন্তান। কারো প্রেয়সী কিংবা ভালোবাসার মানুষ।

ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।

মানুষের বুঝবার সময় কবে হবে
কখন মনে হবে, লাগাম টেনে ধরা দরকার ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706532 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706532 2007-04-17 01:29:03
বোষ্টমী বলেছে মোরে, যেতে হবে সদানন্দ সাগরে কদাচিৎই হয়,
দেনা কর্জের ফাঁপরে পড়ে
ইলিশ মাছ খাই না,
কিন্তু
তাই বলে যৌবন তো আর দাদনে
চাষ করিনা।।


সবটা শুনে ঘাটের মড়াও বল্লে
হরি হরি মরারে জাগিয়ে, আবার মারবি কেন গো।
এইখানেই কবি এবং কাঁথা-বালিশে তফাৎ
কাঁথা-বালিশ কাজে, আসে এবং সময়ে সময়ে ওম দে।
ওমের কথা আসলে উমদা কথাটাও চলে আসে,
এখনই উমদা সময় বল্লে, ‘জ্ঞানীজন’
খেটে-খুটে পাস মার্ক তুলে ফেলো
আখেরে আখরোট মিলবে।
আখরোট এর আশায় যৌবন জীবনানন্দে সঁপিয়া
তাই এখন একমনে বোষ্টমীর ধ্যান করিতেছি।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706409 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706409 2007-04-16 10:24:11
মর তুরা সব আর পারি না। বাশার তুই আউট হইয়া মুক্তি দে। হালায় এই হপ্তায় দুইটা ক্লাস নিতে হইবো, একটা নিজের পরীক্ষা দিতে হইবো। কুনো কাম না কইরা বইসা বইসা টেনশন লইতাছি। মনে মনে আবার কইতাছি, টেনশন নেহি লেনে ক্যা হ্যায়। এতগুলি কাম কি হালায় বাশার করবো। পুলা পাইন গুলি আউলা বাউলা খেলে। তরা
ক্যাঙারু গো লগে এরম খেল ভালা লাগবো, মুরগীগো লগে এইরম এক্কা-দোক্কা খেলায় কাম কা। হালার গোর হালা। মনে অইতাছে বাশু'র লুঙ্গি ধইরা টান দি । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706377 http://www.somewhereinblog.net/blog/tushonblog/28706377 2007-04-16 02:42:46