আমার প্রিয় পোস্ট
- পেনড্রাইভ থেকে সরাসরি ইউবান্টু লিনাক্স - ভাইরাস!
- ফ্রী সফটওয়্যার দরকার আপনার ?? - নিঃসঙ্গ
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
- মোঃ নাজমুল হাসান প্রথম হয়েছেন।
- গুপী গায়েন
- কীবোর্ডের সমস্যা হলেও পাসওয়ার্ড লিখে কম্পিউটার ওপেন করার উপায় - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- চান্কু আর নাজমুল ভাইয়ের জন্য ক্রিম রোল....... - গিফার
- বাংলা সিনেমার ডায়ালগ লিখি আসেন
- জটিল
- জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন? - আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট
- কবিতা এমনে ডিলিট করে দিলেই হয়

- k-79er34b
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৮)
২১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
একদিন ছাত্রীদের বললাম কালকে তোমাদের সবাইরে একটা করে রচনা লিখতে দেয়া হবে। ঠিক করে দিলাম কাকে কোনটা লিখতে দিবো। পরদিন যাওয়ার পর পড়াটা রিভাইজ দেওয়ার সময় দিলাম কিছুক্ষণ। যখন বললো যে স্যার রিভাইজ দেওয়া শেষ। তখন তাদের বই-খাতা নিয়ে তাদের সবাইকে রচনা লিখতে বলা শুরু করলাম।
সবাইকে খুব মনোযোগ দিয়ে লিখতে দেখলাম। বড় জনকে দেখলাম নিচের দিক তাকিয়ে মনে করার চেস্টা করতেছে, মেঝ জনকে দেখলাম আস্তে ধীরে লিখছে, ছোটটারে দেখলাম লিখছে আবার লিখটা কেটে ঠিক করছে।
লিখা শেষ করে বড় আর ছোট জন দিয়ে দিলো, মেঝোটার তখনো হয় নাই। আমি বললাম এক সাথে দিও, এখন দেখ বানান ঠিক আছে কিনা।
ছোটজনের খাতা নেয়ার পর দেখি, ওকে যে word কাটতে দেখছিলাম সেটা এখন আর কাটা নাই। মনে হয় যেন একবারেই লিখছে। তখন দুইটারেই নিয়াই আমার সন্দেহ লাগলো। আমি বড়টারে বললাম একটু দাড়াওতো, আর ছোটটারে যেই কাগজের উপর রেখে লিখছিলো সেটা দিতে বললাম। কিন্তু দুজনের একজনেই কিছু করলো না। ধমক মারার সাথে সাথেই একটা দাড়াল আর আরেকটা কাগজটা দিলো।
দেখি বড়টার পায়ের কাছে একটা কাগজে রচনাটা লিখা, আর ছোটটার ঐ কাগজে রচনাটা আগে থেকেই লিখে রাখা। আমি কিছু বলার আগেই বড়জন হাউ-মাউ করে কেদে আমার পা ধরে ফেললো। তার দেখাদেখি ছোটজনও এসে পা ধরলো। আমি তাদের কে পা ছাড়তে বলে জায়গাতে যেতে বলি। কিন্তু তারা যাবে যতক্ষণ না বলি যে তাদের বাবা-মাকে আমি বলবো না। আমি তাদের কোনরকম বুঝিয়ে যায়গাতে পাঠাই। তারপর অনেকক্ষণ তাদের বুঝানো হয়। তারাও বুঝতে পারে এবং বলে যে এইরকম আর করবে না। ওদের বাবা-মা এর কাছে আর ঘটনাটা বলি নাই। কিন্তু সত্যি তারা আর কোনদিন নকল করে নাই, আর যে পড়া দিতাম সবই করে দিত।
আমি যখন স্যার ছিলাম... (১)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (২)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৩)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৪)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৫)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৬)
আমি যখন স্যার ছিলাম... (৭)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্যার, স্যার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমি যখন স্যার ছিলাম বিভাগে ।
হুমায়ুন বলেছেন:
কিছু প্রতিশ্রুতি সত্যিই সুফল বয়ে আনে। তবে সেটা নগন্য।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
লুকার বলেছেন:
আপনি যদি আগ্রহ জাগাতে পারেন, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংকলনের উপায় শেখাতে পারেন, নিজে থেকে বানিয়ে লেখার কায়দা দেখিয়ে দিতে পারেন, প্রায়োগিক দিকটা তুলে ধরতে পারেন, তাহলে নকল করার দরকার হবে না। পড়াশোনাকে এরা বিরক্তিকর, ভয়ংকর আর কঠিন কাজ বলে মনে করে, তাই ফাঁকি দেয়ার বুদ্ধি বের করে। ছাত্রছাত্রী যদি আগ্রহ করে না শেখে, তাহলে সেটা শিক্ষকের ব্যর্থতা বলতে হবে। শাস্তি দেয়া কোন সমাধান না, উচিতও না। মুখস্ত করা তো আরো অনুচিত।
লেখক বলেছেন: আমি তাদের মুখস্থ করার জন্য কোন কিছু বলতাম না, করতাম না। আর এই গুলি মুখস্থ না করে উপায় কি?
কিন্তু ছোট ছোট প্রশ্ন, প্যারাগ্রাফ বা রচনা- এই সবই কিন্তু আমরা মুখস্থ করতাম
কিন্তু বড় হওয়ার পর অন্যরে মুখস্থ করতে নিষেধ করি!!!
লেখক বলেছেন: হ্যা ভাই, মন্তব্য নাই ![]()
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
ভালো কাজ হইছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, পড়ার জন্য
লুকার বলেছেন:
দয়া করে আমার মন্তব্য মুছে দিন।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, মন্তব্য মুছে দিলাম
রাশেদ বলেছেন:
আহারে!
লেখক বলেছেন: উহুরে
লেখক বলেছেন: হ জেডা, ভুল যখন স্বীকার করছে, কি আর করমু
গিফার বলেছেন:
এই পেরথম দেহি কোন ছাত্র আপনারে সম্মান দিসে....হা হা
লেখক বলেছেন: তাওতো ধরা খাইয়া দিছে
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কুন ক্লাসে পর্তো এগিলি !
লেখক বলেছেন: এই সময় কোন ক্লাসে পড়তো মনে নাই
তয় শুরু করি যখন তখন ছিলো ১ম, ২য়, আর ৪র্থ শ্রেণীর


















