somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... প্রতিবন্ধি- কোন অপবাদ নয় এই লেখাটি আমার এক বন্ধু যে কিনা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি, তাকে উৎসর্গ করে। ওর আম্মাকে আজ ফোন করলে যিনি অঝরে কেঁদে উঠেন। দুফোঁটা অশ্রুসহ এই পোস্ট তাকে উৎসর্গ করলাম

আজ ৩রা ডিসেম্বর। বিশ্বের প্রতিটি দেশে আজ এই দিবস পালিত হচ্ছে।

সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, নির্বিশেষে সমসুযোগ ও সমঅধিকার রয়েছে এবং জাতীয় উন্নয়নে দেশের সকল নাগরিকের সমঅংশীদারিত্বের সুযোগ সৃষ্টি একটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ৷ এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ও রয়েছে উন্নয়নের ও অংশগ্রহণের পূর্ণ অধিকার৷ প্রতিটি প্রতিবন্ধী নাগরিক প্রথমে নাগরিক, পরে প্রতিবন্ধী৷ কিন্তু আমাদের দেশের সামগ্রিক অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, প্রতিবন্ধী নাগরিকদের প্রতি অআমাদের অজ্ঞতা, ভয় ও কুসংস্কারচ্ছন্ন্ মনোভাবের কারণে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তথা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্বের অধিকার খুবই নগন্য ৷

প্রতিবন্ধি কারাঃ
বয়স, লিঙ্গ, জাতি,সংস্কৃতি বা সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী আর দশজন যে কাজগুলো করতে পারে ইমপেয়ারমেন্টের কারণে সে কাজগুলো প্রাত্যূহিক জীবনে করতে না পারার অবস্থাটাই হল ডিসএবালিটি বা প্রতিবন্ধিতা৷ ইমপেয়ারমেন্ট হল দেহের কোন অংশ বা তন্ত্র যদি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে, ক্ষণস্থায়ী বা চিরস্থায়ী ভাবে তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায় সে অবস্থাটিকেই বোঝায় ৷

প্রতিবন্ধিতার প্রকারভেদঃ
প্রতিবন্ধিতার প্রকারভেদ বিভিন্ন ভিত্তিতে করা হয়ে থাকে ৷ যেমন
(ক) কখন শুরু হয়েছে তার ভিত্তিতে
প্রাথমিক প্রতিবন্ধিতা : বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধিত্ব নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে তাকে প্রাথমিক প্রতিবন্ধিতা বলা হয় ৷
পরবতী বা অর্জিত প্রতিবন্ধিতা : জন্মের পরে বিভিন্ন কারণে প্রতিবন্ধিত্ব বরণ করে থাকলে থাকে পরবর্তী বা অর্জিত প্রতিবন্ধিতা বলা হয়৷

(খ) কোন অঙ্গ আক্রান্ত হয়েছে তার ভিত্তিতে:
শারীরিক প্রতিবন্ধী , দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শ্রবণ প্রতিবন্ধী, বাক প্রতিবন্ধী, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, বহুবিধ প্রতিবন্ধী

(গ) মাত্রা অনুযায়ী প্রতিবন্ধিতাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়:
মৃদু, মাঝারি, তীব্র, চরম। প্রতিবন্ধিতার কারণবেশীর ভাগ প্রতিবন্ধতার কারণ আমাদের জানা নেই ৷ কিন্তু যেগুলো সম্বন্ধে জানা যায়, তা কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়৷ যা নীচে উল্লেখ করা হলো

(ঘ) সাধারণ কারণ সমূহ
বংশানুক্রমিক, রক্তের সম্পর্ক রয়েছে এমন কোন কোন আত্মীয়ের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক (সন্তানদের মধ্যে), দুর্ঘটনা, উচ্চ মাত্রার জ্বর, বিষক্রিয়া, মস্তিষ্কের কিছু কিছু ইনফেকশন বা অসুখ বা টিউমার, পুষ্টি অভাব, ভিটামিনের অভাব, আয়োডিনের অভাব ইত্যাদি

(খ) জন্ম-সম্পর্কিত কারণ সমূহঃ
(১) জন্মের পূর্বেঃ মায়ের বয়স যদি ১৬ বছরের নীচে অথবা ৩০ বছরের উপর হয়, গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টির অভাব, গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসের মধ্যে যদি মা কিছু কিছু কড়া ঔষধ গ্রহণ করে থাকে অথবা কীটনাশক,, রাসায়নিক, রশ্মি, বিষক্রিয়া গ্রহণ করে থাকে। গর্ভাবস্থায় যদি মায়ের বিশেষ হাম হয়৷ এটি সাধারণত প্রভাব বিস্তারেও থাকে ইন্দ্রিয়স্থান (শ্রবণ এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে), ব্রেইনের সেরেব্রাল পালসি অথবা মানসিক প্রতিবন্ধী, অথবা শরীরের অভ্যন্তরের বাহুতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে৷ গর্ভধারণকারী মায়ের যদি হার্টের অসুখ বা ডায়াবেটিস থাকে৷ গর্ভধারণকারী মায়ের যদি বিভিন্ন অভ্যাস থাকে৷ যেমন- মদ পান, ধূমপান করা, তামাক ব্যবহার করা ইত্যাদি৷
(২) জন্মের সময়ঃঅপরিপক্বতা, ডেলিভারির সময় অব্যবস্থাপনা (সাধারণত অপ্রশিক্ষিত কোন কর্মীর দ্বারা), ডেলিভারির সময়, সঠিক ভাবে যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করা হলে, মাথায় আঘাত, প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাব
(৩) জন্মের পরেঃ মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হলে, প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাব, দুর্ঘটনা, উচ্চমাত্রার জ্বর, বিষক্রিয়া, মস্তিষ্কেও কিছু কিছু ইনফেকশন, রোগ এবং টিউমার
সাধারণত উপরোক্ত কারণে এসব প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়ে হয়ে থাকে ৷

প্রতিবন্ধী বিষয়ক জাতীয় নীতিমালা
যেহেতু বাংলাদেশের সংবিধানে এবং আন্তর্জাতিক ঘোষণাপত্র এবং সিদ্ধান্তসমূহে প্রতিবন্ধীদের পূর্ণ অংশগ্রহণ ও সমঅধিকার নিশ্চিতকরণের নীতিসমূহ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে সেহেতু বাংলাদেশ সরকার নিম্নোক্ত বিবৃতি ও ব্যবস্থাসমূহ সরকারের নীতি হিসেবে গ্রহণ করলেনঃ

প্রতিরোধ, চিহ্নিতকরণ ও নিরোধ, আগাম নিরোধ, উপকরণসমূহ, শিক্ষা, পুনর্বাসন, জনবল উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, গবেষণা, মুক্ত চলাচল ও যাতায়াতের সুযোগ-সুবিধা, তথ্য, চিত্ত বিনোদন, প্রতিবন্ধীর জন্য ও প্রতিবন্ধীদের দ্বারা স্বনির্ভর আন্দোলন, বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সাধন

প্রতিবন্ধীদের বর্তমান অবস্থা ও তাদের সমস্যা
শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আয় উপার্জন, বিবাহ, দাম্পত্য জীবন ও যৌতুক, সমাজ এবং পরিবারের মনোভাব, নির্যাতন, প্রজনন স্বাস্থ্য, স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক ও আবেগীয় বিষয়াবলী, মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ, সামর্থ্য, মর্যাদা ও আত্মোপলব্ধী

সূত্রঃ কিছুটা সংক্ষিপ্ত করে লেখা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28877675 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28877675 2008-12-03 14:01:07
এইডস কি?: বাঁচতে হলে জানতে হবে

আজ ১লা ডিসেম্বর। ডিসেম্বর মাসের এই দিনে বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়।

এইডস কি?
এইডস হচ্ছে এইচ.আই.ভি. (HIV) নামক ভাইরাসের কারণে সৃস্টি হওয়া একটি ব্যাধী, যা মানুষের শরীরের রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। এতে করে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে। এইচ.আই.ভি. সংক্রমণের সাথে সাথেই এইডস হয়না। কিন্তু একবার সংক্রামক এইচ.আই.ভি. শরীরে ঢুকলে এইডস প্রায় অনিবার্য। এইডস রোগের মূলে আছে যে ভাইরাস, এর নাম ‘হিউম্যান ইমুনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস’ বা এইচআইভি।

এইডসের আবিষ্কারঃ
১৯৮০ সালের শেষ বা ১৯৮১ সালের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকেরা কিছু রোগীর মধ্যে অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখতে পান। প্রথমে দেখা যায় নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু প্রমোদবালকের মধ্যে এমন কিছু অসুখ, যেমন-কাপোসিস সার্কোমা, ত্বকের বিরল এক ধরনের ক্যান্সার এবং শ্বাসযন্ত্রের পাখিবাহিত এক ধরনের সংক্রমণ। পরপরই এ রকম অসুখ দেখা গেল শিরায় নেশার ওষুধ নেয় কিংবা অনিরাপদ রক্ত নিয়েছে এমন লোকদের মধ্যে। ১৯৮২ সালে এ রোগের নাম দেয়া হয়-‘অ্যাকোয়ার্ড ইমুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম’-সংক্ষেপে এইডস (AIDS)।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গগুলো হলোঃ
শরীরের ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্তি বোধ করা, দীর্ঘদিন ধরে জ্বর থাকা, মুখে বা গলায় ঘা, বমিবমি ভাব বা বমি, এক মাসের বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া, মাথা, চোখ এবং মাংসপেশিতে ব্যথা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, চর্মের ওপর নানা ধরনের ফুসকুড়িঁ, নাক-কান-গলার সমস্যা, ঠোঁট ও যৌন অঙ্গের চারপাশে ধীরে ধীরে ফোসকা ও ঘা ছড়িয়ে পড়ে, দেহের ওজন শতকরা দশ ভাগের বেশি কমে যাওয়া, এক মাসের অধিক সময় ধরে মাঝে মধ্যে বা সারাক্ষণ জ্বর থাকা, এক মাসের অধিক সময় ধরে ডায়রিয়া থাকা।

এইচ.আই.ভি. কিভাবে ছড়ায়ঃ
এইচ.আই.ভি. তে আক্রান্ত কারো সাথে অসংরক্ষিত (কনডম ব্যবহার না করে) যৌন সম্পর্ক করলে, এইচ.আই.ভি. তে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহন করলে বা তার ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা সূঁচ ব্যবহার করলে, এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যেমন- সুঁচ, চাকু, কাঁচি, ব্লেড, ক্ষুর, সিরিঞ্জ ইত্যাদি ব্যবহার করলে, একই সিরিঞ্জ দিয়ে শিরার মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ব্যবহার করলে, এইডস আক্রান্ত নারী গর্ভধারণ করলে গর্ভের সন্তানেরও এইডস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এইডস আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ পানের মাধ্যমে শিশু এইডস আক্রান্ত হতে পারে



এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে যে সব আচরণে এইডসের ঝুঁকি নেইঃ
হাতে হাত মিলালে বা কোলাকুলি করলে, এক সঙ্গে বসবাস, খাওয়া দাওয়া বা খেলাধুলা করলে, একই পাত্রে খাদ্য গ্রহণ করলে, একত্রে গোসল করলে বা একই পুকুরে গোসল করলে, হাঁচি, কাশি ও থুথুর মাধ্যমে, বিড়াল, কুকুর, বা গৃহপালিত পশু-পাখি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে, রোগীর সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমালে বা রোগীর জামা-কাপড়, তোয়ালে-গামছা, থালা-বাসন, গ্লাস ব্যবহার করলে, একই পায়খানা ব্যবহার করলে, রোগীদের স্পর্শ করলে, খাদ্য, পানীয়, মশা, মাছি, উকুন, আরশোলা, তেলাপোকা বা অন্য কোনো কীটপতঙ্গের মাধ্যমে এইডস ছাড়ায় না।

কম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গগুলো হলোঃ
এক মাসের অধিক সময় ধরে কাশি থাকা, শরীরে চুলকানি থাকা, বার বার হারপিস জোস্টারে ভোগা, মুখগহ্বর ও গলায় ক্যানডিডা ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়া, হারপিস সিমপ্লেক্সের সংক্রমণ ক্রমাগতভাবে ছড়িয়ে পড়া, শরীরের বিভিন্ন স্থানের লিম্ফনোডগুলো ফুলে যাওয়া
উপরের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ও দু’টি কম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গগুলো এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্তের মধ্যে দেখা গেলে মনে করা যেতে পারে তিনি এইডস রোগে ভুগছেন যদিও আরো অনেক ভাইরাস রোগে ওই একই রকম উপসর্গগুলো দেখা যায়।

এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ
ব্যক্তিগত পদক্ষেপ, স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও নারী বা পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলন অনুচিত,
যৌনমিলনে প্রয়োজনে কনডম ব্যবহার করা উচিত, অপরের দাড়ি কামানোর ব্লেড, ক্ষুর ব্যবহার করা উচিত নয়, এইডস আক্রান্ত মহিলাদের গর্ভধারণ করা উচিত নয়, রক্ত গ্রহণ করার পূর্বে এইচআইভি পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত, সুঁচ ও সিরিঞ্জ একবার ব্যবহার করা উচিত।

বিশ্বে এইচআইভি বহনকারীর সংখ্যা ৪০ মিলিয়নঃ
পৃথিবীতে এইডসের জীবাণু বহনকারী লোকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে পৃথিবীর চার কোটির বেশি মানুষ এইডসের জীবাণু বহন করছে। রাষ্ট্রসংঘের এইডসবিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ৩ লাখ লোক এইচআইভি ধারণ করছে তাদের দেহে। প্রতিবেদনে দেখা যায় আফ্রিকা ও সাব সাহারা দেশসমুহে এখনো এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি। বিশ্বের এইচআইভি বহনকারী মানুষের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশই বসবাস করে সাব সাহারা দেশসমুহে।

বাংলাদেশে এইডসঃ
সরকারী তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৮৯ সালে একজন পুরুষের শরীরে এইচআইভি ভাইরাস পাওয়া যায়৷ ১৯৯১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ জনে৷ এর মধ্যে দুজন ছিলেন নারী৷ তারপর থেকে প্রতি বছরই এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে৷ গত বছর নতুন ১১৫ জনসহ এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৪৬৫ জন৷ এর মধ্যে এইডস হয়েছে ৮৭ জনের এবং মারা গেছেন ৪৪ জন৷ অন্যদিকে, এইডস সম্পর্কিত যৌথ জাতিসংঘ কর্মসূচি (ইউএনএইডস)-এর …রিপোর্ট অন দি গ্লোবাল এইচআইভি/এইডস এপিডেমিক ২০০২– প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশে এইচআইভি/এইডস আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার৷ সরকারের সেপ্টেম্বর ২০০৫-এর ষষ্ঠ পর্যায়ের জরিপ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সার্বিকভাবে বাংলাদেশে এইচআইভি/এইডস সংক্রমণের হার ১ শতাংশের নীচে৷

এইচআইভি সংক্রমণের ক্ষেত্রে নারী ঝুঁকিপুর্ণ হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো প্রধানত দায়ীঃ
দেশে বিরাজমান আর্থসামাজিক কাঠামোতে নারীর দুর্বল অবস্হান, প্রজনন স্বাস্হ্য শিক্ষার অভাব, অল্প বয়সে বিয়ে, পুরুষের আধিপত্য, নারী পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীদের গৌণ ভুমিকা, অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক স্হাপনে নারীদের বাধাদানের ক্ষমতার অভাব, যৌন কৌতুহল ও অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক, নারী ও শিশু পাচার ইত্যাদি।

এইডস ২০০৮-এঃ
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘নেতৃত্ব’, আর স্লোগান হলোঃ ‘রুখব এইডসঃ রাখব অঙ্গীকার’।
এ বছরের জন্য নির্বাচিত এই থিম-‘নেতৃত্ব’-যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এ অভিযানের মধ্য দিয়ে আহ্বান জানানো হচ্ছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে-কেবল সরকার নয়; সাধারণ মানুষ, পরিবার, সুশীল সমাজ, সবাইকে এইডস মোকাবিলায় উদ্যোগী হতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে। সর্বস্তরের মনুষকে সম্পৃক্ত করা ছাড়া এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন। তাই এ অভিযান চলবে ২০১০ সাল পর্যন্ত, আর বিশ্বের জন্য এ রোগের পরিস্থিতি সম্পর্কিত একটি থিমও নির্বাচন করা হবে।

বিনা চিকিৎসায় এইডস পর্যায়ে পৌছতে যদিও লাগে গড়ে দশ বছর তবে চিকিৎসার দ্বারা তাকে আরো কিছু বছর পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু "হার্রট"(HAART) নামে এইডস এর যে কম্বিনেশন ওষুধ দ্বারা চিকিৎসা পদ্ধতি তা অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ।

আসুন এইডস সমন্ধে জানি, এইডস থেকে দূরে থাকি

বাঁচতে হলে জানতে হবেঃ এইডস এক ভয়ংকর ব্যাধী- মৃত্যুই যার পরিনাম

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, দৈনিক প্রত্রিকা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28876610 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28876610 2008-12-01 07:04:09
ভাইরে, বহুত সমস্যায় আছি... (রেটিং দিয়া লাভ নাই, পারলে সমাধান দেন)
এইরকম হইলে সিপিইউ খুইলা ভিতরের তারতুর একটু নড়াচড়া করলে একটু পর আবার ঠিকই চালু হয়। গত রাতে এইরকম কইরা চালু করছি। সকালে উইঠা আবার চালু করতে গিয়া একই সমস্যা। আবার গুতাগুতি করার পর চালু হইছে। কিন্তু কি জন্য হয় তাতো আমি জানি না। এর থিকা রেহাই পাওয়ার উপায় কি আমারে একটু কইয়া দেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28875281 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28875281 2008-11-28 09:34:38
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১৩
ড্রয়ারে তার একটা ফাইল ছিলো যেটাতে বাবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ রাখতেন। আমি ফাইল খুলে ইলেকট্রিসিটির বিলটা খুজতে খুজতে দেখি একটা দরখাস্তের মতো কি জেনো একটা। ভালো মতো পড়ে দেখি। বাবা তাকে দেওয়া ছুটিগুলি এতোদিন নেন নাই। ঐ ছুটি গুলি এখন উনি বিক্রি করবেন। পড়ার পর আমার খুব খারাপ লাগে, কান্নাও চলে আসলো এঈতা ভেবে আমাদের কি এতই অভাব, যে বাবা তার ছুটি না নিয়ে এখন ঐগুলির বিনিময়ে টাকা নিতেছেন। কিন্তু আমাদের সব চাওয়া কত হাসিমুখে উনি মিটিয়ে দিচ্ছেন। আমি আর কাউকে আর কিছু বলি নাই। বিলটা দিয়েই আসি।

আরো পরে যখন দেখলাম এই বিষয়টা অনেকেই করেন। তখন একটু হলেও স্বান্তনা পেয়েছিলাম মনে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28874310 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28874310 2008-11-26 09:30:09
গড়াচ্ছি, গড়াইতেছি, গড়াগড়ি খাইতেই আছি আর খাইতেই আছি
পরের স্টেশন থিকা দেশি দুইটা পোলা উঠলো। বাংলা কথা শুইনা বুঝলাম দেশি ভাই। ভাই দুইটা যাইয়া মাইয়ার পাশের সিটে মানে আমার পিছনের সিটে বৈলো। একটু পর জোরে জোরে কৈতে শুরু কর্লো মাইয়ারে নিয়া কথা। আমি তো শুন্তাছি।

একটায় কয়, "দেখ, মাইয়াটা হট আর সেক্সি না? কোন দেশি হৈতে পারে?" পাশেরটা কয়, "ইন্ডিয়ান হৈতে পারে। কিন্তু মাইয়াটা চরম রে। নে, কথা কৈ। যদি পৈটা যায়, তাইলেতো হৈলোই।" প্রথমটা আবার কয়, "হ, শালীর শরীরের গঠনটা দেখ, আহ! শান্তি রে।"

একটু পরই মাইয়াটা বাংলাতে কৈয়া উঠলো, "আপনারা এমন অসভ্যের মতো কথা বলতেছেন কেন?" কৈয়াই নিচের বগিতে চৈলা গেলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28871304 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28871304 2008-11-19 19:40:02
অটো-রিফ্রেশ করুন আপনার নিজের ওয়েব সাইট (সাময়িক)
আপনার ওয়েব সাইটে গিয়ে যেই পেইজ রিফ্রেশ করতে চান ঐ পেইজে



এই কোডটা বসিয়ে দেন। আর কোডের শেষে যেখানে 15 লেখা আছে ঐখানে আপনি যতো লিখবেন ঠিক তত সেকেন্ড পরপর রিফ্রেশ দিবে।

এই ব্যাপারে আমারে কিছু জিগাইয়া লাভ নাই। কারন আমি টেকি-টুকি না। নেটে ঘাইটা এক সময় পাইছিলাম। আইজকা সামহোয়্যারের পেইজ প্রতি মিনিটে রিফ্রেশ মারতাছে। এইটা দেইখা দিলাম। অন্যগো কেমন লাগতাছে জানি না, কিন্তু আমার ভালো লাগতাছে না। মিনিমাম ৫ মিনিট পরপর রিফ্রেশ দিলে ভালো হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28868697 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28868697 2008-11-13 19:31:49
দুইজনের দুই এস.এম.এস আর আমাগো গড়াগড়ি খাওয়া... http://www.romsms.com আমি আর এই ব্লগের অদ্ভুত ভালবাসা একই বাসায় থাকতাম।

ওর বাসা থেকে একবার কিছু কাপড় পাঠাইতে চাইলো। ও বাসায় এস.এম.এস করে এইখানের ঠিকানা লিখে দিলো। কয়েকদিন পর ওর কাপড় যখন আসলো তখন দেখলাম কাপড়ের উপরে ঠিকানার পর বড় করে লেখা http://www.romsms.com। এইটা দেইখা আমরা রুমমেটরা হাইসা গড়াগড়ি খাইলাম।

কয়েকদিন পর আমার বাসা থেকে কাপড় পাঠাতে চাইলে আমি ফোন করা অবস্থায় এস.এম.এস দিয়ে ঠিকানাটা দিয়ে দেই। আর আমি নিশ্চিতও ছিলাম আমার বেলায় এইরকম ঘটবে না। কারন যে ঠিকানা লিখবে সে ভালো করেই জানে শেষের ঐটা কি।

এক সপ্তাহ পর আমি যখন পোস্ট অফিস থেকে কাপড় বাসায় এনে উপরের মোড়ক খুলি তখন দেখি ঠিকানার নিচে লেখা ঐ একই জিনিস বড় বড় করে লেখা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28867797 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28867797 2008-11-11 19:57:35
আমার বড় ভাই, একটা ক্যামেরা আর আমার আক্ষেপ...
বাবা-মার তিন ছেলের ভিতর সবচেয়ে ছোট সন্তান আমি। আমার বড় ভাই মোঃ মাহাবুব হাসান। বয়স আমার থেকে চার বছর বেশি হবে। ঢাকা কলেজ থেকে মাস্টার্স করার পর গুলশানের একটা এ্যাডফার্মে চাকুরী করতো ও। ছবি তোলা ওর শখ ছিলো, অনেক ছবি তুলতো বড় ভাইটা। প্রায়ই শুক্রবার ওর সনির ৩ এম.পি ক্যামেরা নিয়ে বাইরে চলে যেতো আর অনেক ছবি তুলে নিয়ে আসতো। তখন থেকেই মনে হতো কখনো সুযোগ পেলে ওকে একটা খুব ভালো ক্যামেরা কিনে দিবো।

আমার যখন যা লাগতো তখন ও আমাকে সেইটা দিয়ে দিতো। কখনোই না করতো না। ঈদের জামাকাপড়, কলেজের বেতন, স্যারের টাকা সব, সব দিতো। ৫০ টাকার নোট দিয়ে ৩৫ টাকার আরসি কোলা কিনতাম, কিন্তু বাকি টাকা কখনোই চাইতো না। মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আমার মোবাইলে ৩০০টাকার কার্ড রিচার্জ করে কখনো কখনো ১০০/২০০ টাকা নিয়ে বাকিটা আর নিতোনা। দুই বছর আগে এই সময়ে আমি বাইরে আসার আগে প্লেনের টিকিটের টাকা কিছু কম পরছিলো। এইটা জানার সাথে সাথে ওর অনেক বছরের ডিপিএস একাউন্ট ক্লোজ করে টাকা নিয়ে আসে। কিন্তু কারো কাছে থেকে ধার করতে নিষেধ করে।

বাইরে আসার পর অনেক ইচ্ছা ছিলো বড় ভাইয়ের জন্য একটা ক্যামেরা কিনে পাঠিয়ে দেওয়ার। ওকে বললে বললো যে আরো পরে দিতে। ঠিক তিন মাস পর আমি একদিন ওর মোবাইলে কল দেই। রিং হয় কিন্তু ধরে না, অনেক বার ট্রাই করে পরে বড় আপার মোবাইলে কল দেই। বলে ও একটু অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি। চিন্তা করিস না ঠিক হয়ে যাবে।

আমি ঐদিন প্রথম মাগরিবের নামায পড়ে ওর জন্য দোয়া করি। তার একটু পরেই আমার এক দূসম্পর্কের এক মামা যিনি আমার এইখানে থাকেন উনি আমাকে কল করে জানতে চায় আমি কোথায়। আমার তখন থেকে কেমন জানি লাগতে আরম্ভ করলাম। কেননা এই মামার বাসায় যখন প্রথম উঠি তখন তার চাচাতো ভাইকে কল করে তার বাসায় নিয়ে তার বাবার মৃত্যুর খবর দেয়। আমি তখনি জিজ্ঞেস মামা কোন সমস্যা, কিছু কি হইছে। সে বলে যে না কিছু হয় নাই, আমাদের ম্যারেজ ডে উপলক্ষ্যে সবাই আজকে বাইরে খেতে যাবো।

রাতে খাওয়ার পর গাড়িতে করে ফিরছি। কিন্তু যেখানে নামানোর কথা সেখানে আমাকে নামাচ্ছে না। আমি তাকেও কিছু বলছি না। এক সময় তাদের বাসায় নিয়ে নামালো, বললো বাসায় চলো একটু পর তোমাকে বাসায় দিয়ে আসবো।

তারা তিনজন যার যার রুমে গেলো কাপড় চেঞ্জ করতে, কিন্তু তারা যখন আসলো তখন আমার বুকটা কেমন করে উঠলো। মামা বলতে শুরু করলো, "টুটুল, তোমার বড় ভাই কেমন আছে?" আমি বললাম, "একটু সমস্যা হইছে তাই ওকে হাসপাতালে নিছে। তেমন সমস্যা না কালকেই মনে হয় বাসায় যেতে পারবে।" মামা বললো, "তোমার মেঝ আপা আজকে আমাকে ফোন করছিলো। তোমাকে কিভাবে বলি, বুঝই তো সবাই তো আর সব সময় বেঁচে থাকে না। আমি যখন দেশের বাইরে তখন আমার বাবাও মারা যাই। তোমার বড় ভাই গতকাল বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার পথে অসুস্থে হয়ে পরলে বাসায় ফিরে আসে, পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সে ঐখানে মারা যায়।" ঐ কথা শুনে আমি অনেকক্ষন স্বাভাবিকই ছিলাম। তারমানে বড় আপা আমার সাথে মিথ্যা কথা বলেছে। কিন্তু বেশীক্ষন স্বাভাবিক থাকতে পারি নাই। ভিতর থেকে এক চাপা কান্না বেড়িয়ে আসলো। আমি কোন কথাই আর বলতে পারলাম না।

আমার বড় ভাইয়ের মৃত্যুর কথা আমাকে দুই দিন পরে জানানো হলো। আমার জন্য যে তার নিজের জমানো অনেক কিছুই ত্যাগ করে দিলো, তার জন্য আমি সামান্য কিছুই করতে পারলাম না। তাকে শেষবারের মতো দেখতেও পারলাম না। দিতে পারলাম না তাকে একটা ক্যামেরা। এই কষ্টটা আজীবন আমার সাথী হয়ে থাকবে। খুব কষ্ট লাগে যখন কাউকে ক্যামেরা কিনতে দেখি, চোখ দিয়ে পানি চলে আসে। ক্যামেরা না দিতে পেরে, তার কথা মনে করে অনেক কেঁদেছি। কোনদিনও আর পারবো না তোমাকে একটা ক্যামেরা দিতে। এখন তো দোয়া ছাড়া তোমাকে আর কিছুই দিতে পারবো না...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28867198 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28867198 2008-11-10 14:36:39
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১২
ঐ সময় আমরা বাসার সবাই মিলা বিটিভির ছায়াছন্দ দেখতে বৈতাম। সব কাজ বাদ দিয়া ছায়াছন্দ দেখতে বৈতাম। একবার লাইট বন্ধ কৈরা সবাই যার যার জায়গা নিয়া দেখতে বৈছি। প্রথমে গান দিলো শাবানা আর রাজ্জাকের, শ্যাষও হৈয়া গেলো। এর পর আইলো রোজিনা আর ফারুক। আসার সাথে সাথেই ঘরের ভিতর ধুম ধাম কৈরা শব্দ।

লাইট জ্বলাইয়া দেখি রোজিনা ম্যাডামের নাচের শব্দে দূর্বল চিত্তের ঐ শোকেজের কাপ পিরিচ সহ্য কর্তে পারে নাই। তাই উপরের গুলা সব নিচে পৈরা গেছিলো...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28866870 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28866870 2008-11-09 21:43:23
আমার দুই বন্ধুর মাতলামী
একবার ঈদের আগের রাতে সব বন্ধুরা ঠিক করলাম সবাই বাইরে থাকবো। বাসায় বললাম, তেমন কিছু বলে নাই হয়তো ঈদের জন্য। রাতে বাহির হওয়ার পর কয়েক বন্ধু কইলো, "চল আইজকা মদ খাই।" আমি কইলাম "না আমি খামু না, তো রা খা।" তাগো দেখলাম ঠিকই কিছুক্ষন পর মদের বোতল নিয়া হাজির।

মাসুম, রানা, তুহিন তিনটায় মিলা খুব কইরা খাইলো। খাইয়া তিনটায় ছাদে চিত হইয়া শুইলো। একটা ঘুমাইলো, বাকি দুইটা পুরা টাল।

মাসুমঃ রানা?
রানাঃ হুঁ
মাসুমঃ অতীতের কথা কত মনে পড়ে তাই না?
রানাঃ হ রে দোছ, অতীত খুব খারাপ জিনিস
মাসুমঃ আচ্ছা রানা, অতীত কিরে?
রানাঃ হইবো কোন জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তির নাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28866707 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28866707 2008-11-09 14:43:15
ছিলাম... আছি... থাকবো মোঃ নাজমুল হাসান নিকে আর কমেন্ট করা হবে না। তাই বিদায় বলছিলাম। এও ভাবছিলাম যে নতুন নিকে এসে সবাইকে কারনটা বলে দিবো। কিন্তু এইটারে সবাই সিরিয়াস হিসাবে নিয়ে নেয়, নেয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো। দোষটা আমারই, কেননা আমি আসল কথা বলি নাই। আমি ভাবছিলাম যে নিক পাল্টালে পরে বলবো।

আমি ঐ পোস্টটা দিয়েই কাজে চলে যাই। পরে এসে দেখি যে আমার নিক পালটানো হইছে।

মাফ চেয়ে নিলাম সবার কাছে, আমি দুঃখিত ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ পোস্টের জন্য... কিন্তু ঐ পোস্টটা একটু মজা করা ছাড়া আর কিছুই ছিলোনা...

তারপরেও সবাইরে অনেক ধন্যবাদ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28865680 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28865680 2008-11-06 22:20:38
বিদায় সামহোয়্যার ইন ব্লগ http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28865423 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28865423 2008-11-06 11:30:49 রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন.........
ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ ব্যর্থ প্রেমিক হইবার লজ্জ্বা


দাড়ি কাটিবার জন্য মুখে কিছু গোটার মতো উঠিতে থাকিলো। ভাবিলাম এইবার একটু দাড়ি বড় করিয়া দেখি, হয়তো উপকার পাইতেও পারি। কালক্রমে দাড়ি কিছুটা বড়ও হইয়াছিলো। তাহা দেখিয়া আমার পিতা শুধাইলেন, "রবীন্দ্রনাথেরও কিন্তু বড় দাড়ি ছিলো। শুধুই কি দাড়ি বড় করিতেছো, নাকি উনার মতো বিদ্বানও হইতেছো। "

ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ বাবার কাছ হইতে কিছু লজ্জ্বা


একদা আমাদের ক্লাসের কিছু ছাত্র মিলিয়া পরামর্শ করিলাম যে ক্লাস হইতে পলায়ন করিয়া একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলিবো। যেইরকম ভাবিয়াছিলাম সেইরকম করিয়াই পলায়ন করিলাম আর চিত্তে আনন্দ লইয়া খেলিতে থাকিলাম। পরদিন স্কুলে পদার্পণ করিয়াই পূর্ব দিবসের কৃতকাজের জন্য ধৃত হইলাম এবং মাস্টার কর্তৃক বেদম প্রহারিত হইলাম। মাস্টার কহিলো, "স্কুল পলায়ন করিলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না, বৎস।"

ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ মাস্টারের কাছ হইতে কিছু লজ্জ্বা

রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সংগীত আমরা প্রত্যহ ক্লাস শুরু করিবার পূর্বেই গাহিতাম। একদিন আমার আর ইহা সহ্য হইলো না। সকলেই গাহিতেছে "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি" কিন্তু আমি গাহিতে থাকিলাম "জ্বালা জ্বালা জ্বালা, এই অন্তরে" এবং উত্তেজিত হইয়া নাচিতেও থাকিলাম। কিন্তু সারিবন্ধ ছাত্রদের মদ্ধে অসারিবদ্ধ আমি পিটি স্যারের দৃষ্টি হইতে বাচিতে পারিলাম না। আমাকে সকলের সম্মুখে লইয়া গেলেন এবং উত্তম মধ্যম প্রদান করিলেন। ভাবিলাম "জ্বালা জ্বালা জ্বালা, এই অন্তরে" এই সংগীত তিনি রচনা করিলে এই প্রহার আমাকে সহ্য করিতে হইতো না।


ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ জাতীয় সংগীত রচনা করিয়া কিয়দ লজ্জ্বা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28863987 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28863987 2008-11-03 13:04:02
আমি কী তোমাদের এই শহরে বন্ধুহীন থাকবো ?- বাইত যামু বাইত যামু- উনার প্রথম পাতায় লেখার সুযোগ না থাকায় আমি দিলাম]


প্রিয় ব্লগার,
এই শহরে আমি নতুন। শহরে আমার কোন বন্ধু নেই। সারাদিন কম্পিউটার নামক যন্ত্রের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমি যন্ত্র হয়ে যাচ্ছি। প্রতি দিনই কাটে বন্ধুহীন। এরই মাঝে একদিন somewhereinblog খোজ পাই। সবার লেখা পড়তে পড়তে। আমি ভক্ত হয়ে পড়ি আপনাদের লেখার। ঈদের কয়েকদিন আগে একদিন সাহস করে জয়েন করা হয়ে গেল এই ব্লগে। নতুন ব্লগার প্রথম পাতায় লেখার অনুমতি নেই। টুকটাক মন্তব্য পর্যন্ত আমার সীমানা।

ঈদ এলো আমার চারপাশের প্রায় সকল কলিগ, চলে গেল বাড়িতে। অফিস ফাঁকা আমরা কয়েক জন অফিস করি। প্রতিটি দিনই অসহ্য লাগতো। আর ভাবতাম কিভাবে এই বন্ধুহীন শহরে আমি ঈদ করব। সারাদিন somewhere মন্তব্য করা ছাড়া তেমন কাজ নেই । নিঃসঙ্গতা আর ঈদের ছুটি বড্ড হতাশ হয়ে পড়ি আমি। সারাদিন সময় কাটানোর মত somewhere ছাড়া আমার কোন উপায় ছিল না। এরই মধ্য একদিন আমি আমার হতাশার কথা জানিয়ে একটা পোষ্ট দেই। কিন্তু প্রথম পাতায় সুযোগ না থাকায় তা ছাপা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে কয়েকটি ঈদ বিষয়ক লেখায় মন্তব্য হিসেবে লেখাটি দিয়ে দেই।
আমার হতাশা, আর ইট, কাঠের বন্দী জীবনের কথা শুনে বাবুয়া আমাকে বন্ধুত্বে কথা বলেন।

আমি তার উত্তর দিতে পারিনি । তার আগেই ব্যান হয়ে যাই। গতকাল দেখি আমাকে আবারও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ভাবলাম আমি আমার বন্ধুকেই প্রথম জানাব আমি আবার ফিরে এসেছি। কিন্তু ব্যস্তার জন্য আর লেখা হয়নি। আজ বিকেলে যখন নেটে বসলাম। দেখি আমার বন্ধুর বিদায়ী পোস্ট। আমার বন্ধুটা চলে যাচ্ছে এই ব্লগ থেকে। ব্লগ পরিবারের অনেকেরই মন খারাপ হবে বাবুয়ার এই সিন্ধান্তে। কী কারণে বাবুয়া এই সিন্ধান্ত তা আমরা সবাই জেনেছি তার পোস্ট থেকে। ব্লগার আমরা এই সাইটে কেউ অর্থ উপার্যনের জন্য আসিনা। শুধু একটু সময় কাটাতে চাই। আমাদের অনুভূতিগুলো শেয়ার করতে চাই অন্যদের সঙ্গে। আমাদের মতের পার্থক্য থাবে তার অর্থ এই নয় আমরা এক একজনকে শত্রু ভাবব। আমি জানি না কে বাবুয়াকে হুমকি দিয়েছে। শুধু বলি আপনার যেই হুমকি দিয়ে থাকেন না কেন। যদি আপনার মধ্যে মনুষ্যত্ববোদ থাকে। এক সময় নিশ্চয় বুঝতে পারবেন বাবুয়ার এই বিদায় আমাদের কারো জন্যই সুখকর নয়। আমি জানি আপনি রাগাণিত হয়ে এই কাজ করেছেন। যখন আপনার রাগ কমবে আপনিও বুঝবেন, এই হুমকি আপনার আমার কার জন্য কোন আনন্দ বয়ে আনেনি। বরং আমরা সবাই একজন ব্লগার বন্ধু হারাছি। আমরা অপেক্ষায় আছি আপনিই বাবুয়াকে ফোন দিয়ে আবারও ফিরিয়ে আনবেন। প্রার্থনা করি আপনার মনুষ্যত্ববোধ খুব শীঘ্রই জাগ্রত হোক।
শুভ কামনা

প্রিয় বাবুয়া
ফিরে আসার জন্য আমি কোন অনুরুধ করতে চাই না শুধু বলতে চাই।

আমি কী তোমাদের এই শহরে বন্ধুহীন থাকবো ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28862144 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28862144 2008-10-30 18:41:49
আমি যখন স্যার ছিলাম... (১৭)
ভাবতে ভাবতে ঢুইকা পরলাম। ভাবছিলাম আমারে দেইখা ছাত্রের মা হয়তো একটু চুপ করবো। কিন্তু আমারে দেইখা ঝড়ের বেগ আরো বাইড়া গেলো। একটু পর থামলো। ভাবলাম আমার কিছু একটা কইতে হয় ছাত্ররে, না কইলে খারাপ দেখায়।

কইলাম, "সিগারেট খাও ক্যা, আর খাইবাই যখন ধরা পড় ক্যা"। ছাত্র কয়, " হ, স্যার। আপনি যে খান আপনার বাপ-মা কি কিছু কয়। কয় না।

কৃষ্ণ করলে লিলা
আমরা করলেই বিলা"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28862084 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28862084 2008-10-30 16:26:01
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১১
আমরা দুইজনে দেইখাই চইলা আইতে চাইলে ঐ আমাগো ডাক দিলো, "আবে খাড়া, কই যাস। চল এইটারে নিয়া যাই, খুইলা আমরা তাবিজ বোম বানাই।" আমরা দুইজনেই মানা করলাম। কিন্ত ঐ নিয়া যাইবোই। কইলো, "ঠিক আছে খালি আমার সাথে থাক। তোগো কিছুই করন লাগবো না"।

আস্তে আস্তে ধইরা জামার নিচে ভরলো। দোকান থিকা একটা ব্লেডও কিনা নিলো। এলাকার ভিতর একটা বাড়ি বানাইতাছিলো। ঐ বাড়ির ছাদে গিয়া উঠলাম তিনটা মিলা। তারপর ঐ খুলতে শুরু করলো। আমরা দুইজনেই একটু দূরে খাড়াইয়া রইলাম। ঐ হলুদ টেপে মোচড় মারে আর এইখানে আমাগো দিলে মোচড় মারে।

তারপর ডিব্বার মুখখা খুব ভালো কইরা কাটলো। মুখখা সড়াইয়া আমাগো দিকে খুব করুন ভাবে তাকাইলো। আমরা ডরে ডরে সামনে গেলাম। যাইয়া দেখি ভিতরে পুরাটাই বালি দিয়া ভরা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28861134 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28861134 2008-10-28 17:46:09
সবার টেনশন দেইখা আমিও পোস্ট দিলাম (২ দিনের পোস্ট)
জনপ্রিয় ব্লগার না হওয়ার এই একটা সুবিধা। আমাগো নিক নিয়া কেউ টানা হেচড়া করে না। জানতাম, তাই ধ্রুত কিছু করি নাই। দুই-তিন দিন পরেও এই নিক খালি পাইছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28860141 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28860141 2008-10-26 19:10:15
সরতবাবু এ চিঠি পাবে কিনা জানি না (সাময়িক)
আমরা যারা নিরাপদ নাগরিক আছি, তাদের মুখে অনেক কথাই মানায়। রঙ করতে পারি, তামাসাও করতে পারি। আবার আমরা অনেক কথাই কইতে পারি। দেশের প্রধানমন্ত্রীরে নিয়াও অনেক কথা কইতে পারি, কইতে পারি অন্য দেশের প্রেসিডেন্টরে নিয়াও। নানারকম মুডে কথা বলতে পারি আরেকজন নাগরিককে।

কিন্তু যারা প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে আছে তাদের রঙ, তামাসা কি মানায়। তাদের কি উচিত না তাদের নিজেদের ভাবটাকে ধরে রাখা। আমাদের মতো নাগরিকের মদ্ধে না আসা।

প্রধানমন্ত্রীকে হয়তো এই কথা গুলি আমি বলতে পারতাম। কিন্তু তাতে করে হয়তো সে আমারে গুলি করতো। নয়তো মিটারটা একটু বায়ে সরিয়ে দিয়ে নিরাপদ নাগরিক থেকে সাধারন নাগরিকে পরিনিত করে দিতে। কেড়ে নিতে পারতো অন্য কোথাও কথা প্রকাশের সুবিধা।

জানি না হাসিনা-খালেদার কাছে আমার এই চিঠিখানা যাবে কিনা। নাকি তার আগেই পোস্টম্যান এই চিঠিখানা গায়েব করে দিবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28857900 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28857900 2008-10-21 22:28:14
আমি যখন স্যার ছিলাম... (১৬)
প্রায়ই কল ধরতাম না। ঐভাবে রাইখা দিতাম। আর কল আসলে হাল্কা শব্দ দিতো। তখন ছাত্ররা বুঝতো যে কল আইছে। কল আইলেই জিগাইতো, "স্যার, কেঠায় কল করছে, ধরেন" আমি কইতাম, "বন্ধু করছে, হুদাহুদি। দরকারী না"

এইভাবে অনেকদিন গেলো। একদিন কয়, "আপনার বন্ধু আপনারে এত কল করে ক্যা? নাকি কোন মাইয়া করছে, আর আপনি কইতাছেন বন্ধু।" আমি কই, "আরে না মাইয়া না। "

ছাত্র কয়,

"স্যার ছোট বেলায় খাইছি সূজি,
এই বয়সে কিছু হইলেও বুঝি।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28856398 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28856398 2008-10-18 13:41:29
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১০
একদিন সন্ধ্যায় পড়তে বইসা দেখি চাবি নাই। প্যান্টের পকেটে খুইজাও পাইলাম না। বাসার পাশে একটা বেড়ীবাধ ছিলো। তার পাশের একটা মাঠে গিয়া বিকালে খেলছিলাম। ভাবলাম খেলতে গিয়া ঐখানে ফালাইছি।

ঐখানে যাইতে রাইতের অন্ধকার আর ছিনতাইকারীর ভয়ও করতো। কিন্তু চাবিটা তখনি লাগবো দেইখা একটা মোমবাতি আর ম্যাচ নিয়া যাই। মাঠের কাছে গিয়া মোমবাতি ধরাইয়া যেইখানে প্যান্ট রাখছিলাম তার আশেপাশে খুজতে থাকি।

একটু পর দেখি পুলিশ। হয়তো মোমবাতির আলো দেইখা আইছিলো। রাতের বেলা হেরোইন আর গাজার আসর বইতো দেইখা পুলিশ কিছুক্ষন পরপর ঐদিকে যাইতো। পুলিশ দেইখা আমার গলার পানি শুকায়া গেলো। আমারে জিগাইলো কি করি মোমবাতি জ্বালাইয়া। আমি কইলাম আমার চাবি হারাইছে তাই খুজি। পোলাপাইন দেইখা তেমন সন্দেহ করে নাই। খালি কইলো তাড়াতাড়ি বাসায় যাও, চাবি কালকে দিনে খুজো। আমি আর না দাড়াইয়া চইলা আসি।

চাবি না পাইয়া মন খারাপ কইরা পড়তে বইসা দেখি বালিশের নিচে সেই চাবি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28854246 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28854246 2008-10-13 17:02:21
জমিতে গোবর থাকলে ভালো সার হয়, আর মাথায় গোবর থাকলে ভালো বাংলা নাটক হয়
শুরুটা দেইখা মনে হইলো ভালোই হইবো। কিন্তু সময় যত যাইতে থাকলো মেজাজ ততোই খারাপ হইতে থাকলো। একসময় মনে হইলো নাটক না দেখতে দেখতে আমার রুচি মনে হয় খারাপ হইয়া গেছে। কিন্তু শেষ কইরা মনে হইলো অনেক আগে শুনছিলাম জমিতে গোবর থাকলে ভালো সার হয়, আর মাথায় গোবর থাকলে ভালো বাংলা সিনেমা হয় এই কথাটা ভুল। আসলে হইবো, জমিতে গোবর থাকলে ভালো সার হয়, আর মাথায় গোবর থাকলে ভালো বাংলা নাটক হয়। লেখক মনে হয় গাজা, আফিম, হেরোইন, ভাং, চরস, কোকেন, মরফিন, চান্ডু সব এক সাথে কইরা এক ছিলিম টানছে। আর তাতেই এই নাটক তার মাথা থিকা বাইরাইছে।

এর আর্টিস্ট যারা ছিলেন তারা মোটামুটি জনপ্রিয়। তারাই বা কিভাবে এই নাটক করতে রাজি হলেন বুঝলাম না। নাকি টাকাটাই তাদের কাছে এখন প্রধান???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28852201 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28852201 2008-10-08 09:54:48
আজকে প্রথম দেখলাম ক্যাঙগারু (ফেদারডেল ওয়াইল্ড লাইফ)...

রেপটাইল


হাস


কচ্ছপ


কোয়েলা


কোয়েলা


বাচ্চা ইমু


ক্যাঙগারু


ক্যাঙগারু


পেচা


পেংগুয়িন


কালো কাকাতুয়া


(নামটা মনে নাই)


(নামটা মনে নাই)


ডেভিল


টিয়া


ময়ূর


কুমির


সাদা ময়ূর


কাকাতুয়া
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28850131 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28850131 2008-10-01 18:14:04
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৯
একবার আচারওয়ালা তার ঘন্টা বাজালো। আমি তখনি মাকে বললাম টাকা দিতে বললাম আচার খাওয়ার জন্য। মা টাকাটা দিতে দেরী করলো। টাকা নিয়ে আচারওয়ালাকে খুজতে খুজতে বাসা থেকে একটু দূরে চলে গেলাম। কিন্তু আচারওয়ালাকে পেলাম না।

তাই বাসায় ফিরে যাবো, কিন্তু ঘুরেই দেখি আমি বাসা চিন্তে পারতেছি না। সাথে সাথেই কান্না শুরু করে দিলাম। তখন একটা ছোট ছেলে আমার মতোই বয়স আমার কাছে এসে ঘটনা শুনে আমাকে বললো, "আমাদের বাসায় চলো, তুমি আমাদের বাসাতেই থাইকো।" আমিও কিছু না বুঝে রওনা দেই। কিছুক্ষন হাটতেই দেখি এলাকার এক বড় ভাই।

আমাকে কান্না করতে দেখে জিজ্ঞেস করলো কি হইছে। আমি বললে আমাকে আমার বাসায় দিয়ে আসে। আর ঘটনা সবাইরে বলে দেয়। মা ঘটনা শুনেই শুরু করে দেয় প্যাদানী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28849345 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28849345 2008-09-29 16:21:31
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৮
কথা কাটাকাটির এক সময় আমি তার দিকে একটি চাড়া ছুড়ে মারি। মেরেই দেই দৌড়। দৌড়ে চলে যায় মেঝ ভাইয়ের স্কুলে। স্কুলে গিয়ে দেখি টিফিন পিরিয়ড চলে। তার সাথে টিফিন খেয়ে অনেক পর ভয়ে ভয়ে বাসায় ফিরি।

বাসায় ঢুকতেই মার হাতে ধরা। ধরে নিয়ে বলা শুরু করে "আজ থেকে বাসার বাইরে যাওয়া বন্ধ।" এই কথা বলে শুরু করে পিটানো পর্ব। খুব ধোলাই দেয় আমারে। পরে বোনেরা এসে আমারে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

পরে শুনি যাকে চাড়া উড়ায় মারছিলাম, ঐ চাড়াতে তার মাথা ফেটে যায়। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিলো। তিনটা সিলাই সহ ব্যান্ডেজ করানো লাগছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28847790 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28847790 2008-09-25 15:32:10
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৭
মা যা কইলো তাতে পুরাই টাস্কি খাইলাম। তার কথা শুইনা আকাশ থিকা পড়লাম, তাতে কইরা সব ব্যাথা চইলা গেলো।

মা কইলো, "গতকাল রাইতে তোর দুই ভাই তোরে নিয়া লুফালুফি খেলছে। তোর মেঝ ভাই একবার ধরতে পারে নাই। তখন তুই মাটিতে পইড়া গেছিলি।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28846942 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28846942 2008-09-23 16:22:41
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৬
পরীক্ষার দিন গেছি ভর্তি পরীক্ষা দিতে। সিটে বসার পর থেকেই চাপ দিলো বাথরুমের। আমি পাশের জনকে জিজ্ঞেস বললাম আমি বাথরুমে যাবো, আমারে কি করতে হবে। ও বললো, "ম্যাডাম যাইতে দিবে না, তোমারে খাতা জমা দিয়ে দিতে হবে।" কিন্তু আমি খাতা জমা দিবোনা। সবই আমি পারি। একটু পর বেশী চাপ দিয়ে দিলো। অগত্যা না পেরে আমি খাতা জমা দিয়েই চলে আসলাম। কিছুই লিখতে পারি নাই। আমি জানতামও না যে, খাতা জমা না দিলেও আমারে যাইতে দিবে।

নিচে এসে দেখি আপা দাঁড়ায় আছে। সে আমারে জিজ্ঞেস করলো, "কিরে এত তাড়াতাড়ি চলে আসলি যে?" আমি বললাম সবই সহজ ছিলো, তাই লিখতে দেরী হয় নাই, সব পারছি।

আমি ঐবার ঐ স্কুলে ভর্তি হইতে পারি নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28846609 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28846609 2008-09-22 20:37:53
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৫
আমি যেদিন দেশের বাইরে চলে আসবো সেইদিন আমার জন্য কিছু মাথা ব্যথার টেবলেট কিনতে আমার ভাগিনাকে বলি। তখন বাবা বলে আমিই যাই, আমারে দাও। বাবা টেবলেট নিয়ে আসে। দেখি তার চোখ লাল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি আপনার চোখ লাল কেন। বাবা বলে, "কি জেনো গেছে চোখে"। আমিও আর কিছু জিজ্ঞেস করি নাই। আর অন্য কিছুও ভাবি নাই।

বাইরে চলে আসার পর যখন প্রথম বাসায় ফোন দেই তখন মা বলে বাবা নাকি আমার জন্য তখনো কাদতেছে। আমি আর কিছু বলি নাই, তখন বুঝলাম বাবা ঐদিন আমাকে মিথ্যা বলেছিলো। আসলে তার চোখে কিছু
যায় নাই। সে তখন কাদতেছিলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28845282 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28845282 2008-09-19 16:54:11
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৪
এই রকম প্রায় প্রতিদিনই হতো। দেখা যেতো ঘুমের জন্য চোখ লাল হয়ে যেতো। কিন্তু আমরা কেউ ঘুমাতাম না। যদি আমার আগে অন্য কেউ নিয়ে আসে। বারবার চোখে পানি দিতাম তবুও ঘুমাতাম না। বসেই থাকতাম মিস্টি আর দইয়ের জন্য।

বেল দিলেই তিনজনে দিতাম দৌড়। এইভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর জানলাম যে, বাবাকে বিকালে টিফিন দেয়া হতো ঐ দই আর মিস্টি। কিন্তু তিনি না খেয়ে আমাদের জন্য নিয়ে আসতেন। বিকালটা তার তিন ছেলের জন্য না খেয়েই কাটাতেন।

(পরিবার থেকে আজকে আমি অনেক দূরে। একা একা থাকি তাই হয়তো এইগুলি খুব মনে পড়ে। বাবারে খুব মিস করি। এই একটাই মানুষ যার কথা খুব মনে পড়ে, এই একটাই মানুষ যার জন্য খালি কান্না আসে...)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28843984 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28843984 2008-09-16 16:06:23
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৩
দুজনে মিলে একেকদিন একেকটা কিনে খেতাম। একদিন দুইজন দুইটাকা দিয়ে দুইটা আইসক্রীম কিনলাম। আমি খেতে যাবো এমন সময় এক বন্ধুর ধাক্কা লেগে আমার আইসক্রীমটা মাটিতে পড়ে যায়। আইসক্রীম না খেতে পেয়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। আমার মেঝ ভাই এইটা বুঝতে পেরে নিজে না খেয়ে ওরটা আমাকে দিয়ে দেয়।

খুব সাধারন একটা ঘটনা। এখন দুজনেই অনেক বড়। জানি না তার মনে আছে কিনা। কিন্তু ছোট ভাইয়ের জন্য নিজে না খেয়ে নিজের আইসক্রীমটা তাকে দিয়ে দেওয়াটা আজো ভুলতে পারি নাই। ছোট এই ভাইয়ের ছোট এই মনে এখনো সেটা আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28843688 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28843688 2008-09-15 23:15:55
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-২
বইটা আমার খুব কিনতে ইচ্ছা করতেছিলো। কিন্তু আমার কাছে তখন দশ টাকা ছিলো না। তাই বাসায় যেয়ে মার কাছে গিয়ে দশ টাকা চাই ঐ বইটা কেনার জন্য। মা আমাকে উলটা ধমক দিয়ে আবার স্কুলে পাঠায় দেয়। স্কুলে যেতে যেতে অনেক খুব মন খারাপ হয়েছিলো বইটা কিনতে না পারার জন্য, এমনকি কেদেছিলামও।

কষ্ট পেয়েছিলাম মা কেন টাকাটা দিলো না, কিন্তু একবারও ভাবি নাই ঐ দশ টাকা হয়তো আমার মায়ের কাছে ছিলো অনেক টাকা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28842994 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28842994 2008-09-14 12:41:02