somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম
একটা সময় ছিলো সজাগ থাকা সবসময়টা ব্লগে পৈরা থাকতাম। এখন নানান কারনে আর থাকা হয় না।

তিন বছর আগের ব্লগ আর এখনকার ব্লগের মাঝে বিস্তর পার্থক্য। এইটাই স্বাভাবিক। অনেক্রেই মিস্করি। যেইখানেই তারা আছে, সবাই ভালো থাকুক...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29222636 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29222636 2010-08-14 19:28:15
বাবাকে দেখার জন্য... http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29062432 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29062432 2009-12-20 17:01:02 যে বাসায় আজকে ঈদের আনন্দ আসবে না
অনেক দিন আগে বাবাকে নিয়ে একটা লেখা এখানে দিয়ে দিলাম।

আমার বাবা তখন ঢাকা ওয়াসাতে চাকুরী করতো। প্রতিদিন রাতের বেলায় আমাদের তিন ভাইয়ের জন্য সে কিছু মিস্টি আর দই নিয়া আসতো। আমরা তিন ভাই রাত জেগে বসে থাকতাম সেই মিস্টি আর দইয়ের জন্য। বাবা সাইকেলে করে অফিসে যেতো। রাতে এসে বাসার গেটে সাইলেকের বেল দিতো। আমরা তিন ভাই দৌড় দিতাম কে আগে আনতে পারে। এই রকম প্রায় প্রতিদিনই হতো। দেখা যেতো ঘুমের জন্য চোখ লাল হয়ে যেতো। কিন্তু আমরা কেউ ঘুমাতাম না। যদি আমার আগে অন্য কেউ নিয়ে আসে। বারবার চোখে পানি দিতাম তবুও ঘুমাতাম না। বসেই থাকতাম মিস্টি আর দইয়ের জন্য। বেল দিলেই তিনজনে দিতাম দৌড়। এইভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর জানলাম যে, বাবাকে বিকালে টিফিন দেয়া হতো ঐ দই আর মিস্টি। কিন্তু তিনি না খেয়ে আমাদের জন্য নিয়ে আসতেন। বিকালটা তার তিন ছেলের জন্য না খেয়েই কাটাতেন। (পরিবার থেকে আজকে আমি অনেক দূরে। একা একা থাকি তাই হয়তো এইগুলি খুব মনে পড়ে। বাবারে খুব মিস করি। এই একটাই মানুষ যার কথা খুব মনে পড়ে, এই একটাই মানুষ যার জন্য খালি কান্না আসে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29050944 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29050944 2009-11-28 22:05:57
জীবন্টা ভাজা ভাজা হৈয়া গ্যালো
এত দিন পর একটা ডে অফ পাইলাম তাতেই কাজ-কাম থিকা রেহাই নাই। ঘরের মেলা কাজ জমা হৈয়া আছে। সেইগুলাও কর্তে হৈবো। সকাল বেলা উঠলাম, এম্নিতেই ডে-লাইট সেভিংসের জন্য এক ঘন্টা আগাইয়া দিছে। অনেক কাজ কৈরা রাখতে হৈবো। কিন্তু মঞ্চায় না। যেই রকম ছিলো সেই রকমই আছে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29020710 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/29020710 2009-10-05 11:24:40
বৌ সমাচার - ০১ http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28999546 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28999546 2009-08-25 16:51:16 ব্লগে দুই বছর ধরে আছি!!!
(এই পোস্টটা আমি আগেই দিতে চাইছিলাম, কিন্তু নেট না থাকার কারনে দিতে পারি নাই। কোন এক কামে নতুন বাসায় উঠছিলাম। নতুন বসায় উঠার লেইগা ফোন আর নেট কানেকশান পাইতে পাইতে দুই সপ্তাহের বেশী হৈয়া গ্যালো। আইজকা ঠিক হৈছে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28992228 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28992228 2009-08-11 17:51:36
একটা রিমিক্স আর একটা অরিজিনাল কবিতাল্প
এক ছিলো এক দেয়াল
তার বাপ দিছিলো একটা শেয়াল
শেয়ালটা পড়ে গেলো
দেয়ালটা মরে গেলো

অরিজিনাল কবিতাল্পঃ

এক ছিলো এক শেয়াল
তার বাপ দিছিলো একটা দেয়াল
দেয়ালটা পড়ে গেলো
শেয়ালটা মরে গেলো


(অনেকদিন ধৈরা কিছু লেখি না। কিছু একটা ল্যাখতে মঞ্চাইলো তাই ল্যাখলাম। যেকোনো সময় ডিলিট খাইতে পারে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28978341 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28978341 2009-07-14 22:21:47
এই নন-টেকির বা না-বুঝ পোলাটার দিকে সাহায্যের হাতটা বাড়ায় দেন, প্লিজ
আগের উইন্ডোজে সমস্যা ভেবে নতুন উইন্ডোজ ইন্সটল দিছি। তাতেও কাজ হয় নাই। পাঁচটা ড্রাইভ ছিলো। উবুন্টু ইন্সটল করে একটা ড্রাইভ বানাইছিলাম ভাইরাসের ভয়ে, যাতে একবার ফরমেটে কাজ হয়। অন্য কোনো ড্রাইভে ভাইরাস না থেকে যায়। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয় নাই।


১. সব এন্টিভাইরাস ইন্সটল হয় কিন্তু কোনো এন্টিভাইরাস আপডেট নেয় না। এন্টিভাইরাসের কোনো আপডেট ফাইল ডাউনলোড করতে গেলে ঐ পেইজ ওপেন হয় না। কিন্তু আইপি হাইড করে গেলে ওপেন হয়।

২. স্টার্ট থেকে উইন্ডোজ আপডেটে ক্লিক করলে গুগোলের পেইজ ওপেন হয়। মাইক্রোসফটের পেইজে যায় না। লিঙ্ক লিখে দিলেও যায় না।

৩. গুগোলে কোন কিছু সার্চ দিলে যে সার্চ লিস্ট আসে ঐখান থেকে যেকোনো লিঙ্কে প্রথমে ক্লিক করলে ঐ লিঙ্ক না এসে অন্য একটা পেইজে রি-ডাইরেক্ট হয়ে যায়। মাঝে মদ্ধে একটা সার্ভে করার সাইটে যায় আবার মাঝে মাঝে পর্ণ ওয়েব সাইটে চলে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়বার ক্লিক করলে আবার ঠিক পেইজেই যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28957572 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28957572 2009-05-29 22:23:37
প্রথম আলো পত্রিকার মোস্তফা কামাল আর একটা সংবাদ খবর্টা পাইলাম।

এইখানে মোস্তফা কামাল খবর্টা ল্যাখছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকাররে পক্ষ থেকে নাকি জানানো হৈছে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়াতে যাওয়া বাংলাদেশি ছাত্রদের দাখিল করা কাগজ পত্র নাকি কিছু জাল পাওয়া গ্যাছে। তারা নাকি পড়ার নাম কৈয়া যাইয়া নিজের টিউশান ফি নিজেই দেয়। যার জন্য তাগো অনেক কাজ কর্তে হয় আর রাইতে দেরী কৈরা বাসায় ফির্তে গ্যালে অনাকাংখিত ঘটনার জন্ম দেয়। যার জন্য সব মিলাইয়া বাংলাদেশকে নাকি চার স্তরে নামানো হৈছে।

কিন্তু জনাব মোস্তফা কামাল কি এইটা জানেন যে, বাংলাদেশকে প্রায় বছর খানেক আগেই এ্যাসেসমেন্ট লেভেল ফোরে নামানো হৈছে। উনার কথাতে মনে হৈছে যে দুইদিন আগে পরে এইটা করা হৈছে। আর এইখানে আইসা বেশী কাজ কোন দেশে মানুষই না করে। এখন কোনো ছাত্র যদি তার নিজের টিউশান ফি নিজে দিতে পারে পারে তাতে কৈরা সমস্যাটা কৈ।

কিছুদিন ধৈরা রাইতে একটু ঝামেলা হৈতাছে যার বেশীর ভাগই কর্তাছে লেবানীজেরা। নেপালীরাও গ্যাঞ্জাম কর্তাছে। আমি এখনো শুনি নাই কোন বাংলাদেশী বড়সড় কোনো গ্যাঞ্জাম কর্ছে। রাইতে কাজ কৈরা ফিরে বৈলা বাংলাদেশগো দোষ হৈয়া গ্যালো!!!

আর আইজকা অস্ট্রলিয়ান সরকারের ওয়েব সাইট অনেক কৈরা ঘাইটাও কোনোখানে পাইলাম না যে ৫০ লাখ টাকার কথা কোনোখানে কওয়া আছে। আর যেইখানে একটা কলেজে দেড় বছরের কোর্সের জন্য মাত্র ১২-১৫ লাখ টাকা দর্কার হয় (কলেজ ভিত্তিক, ইউনির কথা আলাদা) সেইখানে আমারে কেনো ৫০ লাখ টাকা দেখাইতে হবে!!! যেহেতু অস্ট্রলিয়ান সরকারের ওয়েব সাইতে এই ধরনের কিছু নাই তার্মানে মোস্তফা কামাল আর প্রথম আলো পত্রিকা যতৈ ফাল পারুক কোনো কামে আইবো না।

উনি ল্যাখলো এইটা নাকি নতুন শর্ত, এইটা বছর খানেক আগের বাসী খবর। কিন্তু এইরকম খবর দেরী কৈরা খবর ছাপাইয়া তারা ঠিক কি বুঝাইতে চাইলো? খামাখাই ছাত্রগো মাঝখানে আতংক ছড়ানোর মানে কি হৈলো তা বুঝলাম না!!!

সবচেয়ে ভালো হয় যার কাছ থেকে যাই শুনেন, এইখানেও একটু খোঁজ নিয়েন

http://www.immi.gov.au/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28947226 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28947226 2009-05-06 21:28:41
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১৬
ঐ বড় চুল নিয়াই মামার লগে একবার তার শ্বশুর বাড়িতে গ্যাছিলাম। নানার বাড়িতে তিন্দিন ছিলাম। একদিন বিকালে আমার শখের নীল গ্যাঞ্জি আর একটা থ্রী-কোয়ার্টার প্যান্ট পৈড়া এলাকাতে ঘুড়তে বাইড়াইছি মামার লগে।

তার এক খালা শ্বশুরের বাড়িতে গ্যালাম। যাওয়ার পর থিকাই দেখলাম মামার দুই খালা শ্বাশুরী আমারে দেইখা ফিস্ফিস কর্তাছে। কিছু বুঝবার পার্লাম না তাগো কথা। একটু পর আমাগো দুইজনেরে খাইতে দিলো।

খাওয়ার সময় আমার মামারে ডাক দিলো, "বাবা, তোমার ভাগ্নীরে নিয়া খাইতে আসো।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28941307 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28941307 2009-04-22 17:42:36
রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন........
ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ ব্যর্থ প্রেমিক হইবার লজ্জ্বা


দাড়ি কাটিবার জন্য মুখে কিছু গোটার মতো উঠিতে থাকিলো। ভাবিলাম এইবার একটু দাড়ি বড় করিয়া দেখি, হয়তো উপকার পাইতেও পারি। কালক্রমে দাড়ি কিছুটা বড়ও হইয়াছিলো। তাহা দেখিয়া আমার পিতা শুধাইলেন, "রবীন্দ্রনাথেরও কিন্তু বড় দাড়ি ছিলো। শুধুই কি দাড়ি বড় করিতেছো, নাকি উনার মতো বিদ্বানও হইতেছো। "

ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ বাবার কাছ হইতে কিছু লজ্জ্বা


একদা আমাদের ক্লাসের কিছু ছাত্র মিলিয়া পরামর্শ করিলাম যে ক্লাস হইতে পলায়ন করিয়া একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলিবো। যেইরকম ভাবিয়াছিলাম সেইরকম করিয়াই পলায়ন করিলাম আর চিত্তে আনন্দ লইয়া খেলিতে থাকিলাম। পরদিন স্কুলে পদার্পণ করিয়াই পূর্ব দিবসের কৃতকাজের জন্য ধৃত হইলাম এবং মাস্টার কর্তৃক বেদম প্রহারিত হইলাম। মাস্টার কহিলো, "স্কুল পলায়ন করিলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না, বৎস।"

ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ মাস্টারের কাছ হইতে কিছু লজ্জ্বা

রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সংগীত আমরা প্রত্যহ ক্লাস শুরু করিবার পূর্বেই গাহিতাম। একদিন আমার আর ইহা সহ্য হইলো না। সকলেই গাহিতেছে "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি" কিন্তু আমি গাহিতে থাকিলাম "জ্বালা জ্বালা জ্বালা, এই অন্তরে" এবং উত্তেজিত হইয়া নাচিতেও থাকিলাম। কিন্তু সারিবন্ধ ছাত্রদের মদ্ধে অসারিবদ্ধ আমি পিটি স্যারের দৃষ্টি হইতে বাচিতে পারিলাম না। আমাকে সকলের সম্মুখে লইয়া গেলেন এবং উত্তম মধ্যম প্রদান করিলেন। ভাবিলাম "জ্বালা জ্বালা জ্বালা, এই অন্তরে" এই সংগীত তিনি রচনা করিলে এই প্রহার আমাকে সহ্য করিতে হইতো না।


ভাবিলামঃ রবীন্দ্রনাথ আমাকে কি দিয়াছেন
পাইলামঃ জাতীয় সংগীত রচনা করিয়া কিয়দ লজ্জ্বা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936163 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936163 2009-04-10 11:23:56
দুইজনের দুই এস.এম.এস আর আমাগো গড়াগড়ি খাওয়া... http://www.romsms.com আমি আর এই ব্লগের অদ্ভুত ভালবাসা একই বাসায় থাকতাম।

ওর বাসা থেকে একবার কিছু কাপড় পাঠাইতে চাইলো। ও বাসায় এস.এম.এস করে এইখানের ঠিকানা লিখে দিলো। কয়েকদিন পর ওর কাপড় যখন আসলো তখন দেখলাম কাপড়ের উপরে ঠিকানার পর বড় করে লেখা romsms.com। এইটা দেইখা আমরা রুমমেটরা হাইসা গড়াগড়ি খাইলাম।

কয়েকদিন পর আমার বাসা থেকে কাপড় পাঠাতে চাইলে আমি ফোন করা অবস্থায় এস.এম.এস দিয়ে ঠিকানাটা দিয়ে দেই। আর আমি নিশ্চিতও ছিলাম আমার বেলায় এইরকম ঘটবে না। কারন যে ঠিকানা লিখবে সে ভালো করেই জানে শেষের ঐটা কি।

এক সপ্তাহ পর আমি যখন পোস্ট অফিস থেকে কাপড় বাসায় এনে উপরের মোড়ক খুলি তখন দেখি ঠিকানার নিচে লেখা ঐ একই জিনিস বড় বড় করে লেখা... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936162 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936162 2009-04-10 11:23:25
গড়াচ্ছি, গড়াইতেছি, গড়াগড়ি খাইতেই আছি আর খাইতেই আছি
পরের স্টেশন থিকা দেশি দুইটা পোলা উঠলো। বাংলা কথা শুইনা বুঝলাম দেশি ভাই। ভাই দুইটা যাইয়া মাইয়ার পাশের সিটে মানে আমার পিছনের সিটে বৈলো। একটু পর জোরে জোরে কৈতে শুরু কর্লো মাইয়ারে নিয়া কথা। আমি তো শুন্তাছি।

একটায় কয়, "দেখ, মাইয়াটা হট আর সেক্সি না? কোন দেশি হৈতে পারে?" পাশেরটা কয়, "ইন্ডিয়ান হৈতে পারে। কিন্তু মাইয়াটা চরম রে। নে, কথা কৈ। যদি পৈটা যায়, তাইলেতো হৈলোই।" প্রথমটা আবার কয়, "হ, শালীর শরীরের গঠনটা দেখ, আহ! শান্তি রে।"

একটু পরই মাইয়াটা বাংলাতে কৈয়া উঠলো, "আপনারা এমন অসভ্যের মতো কথা বলতেছেন কেন?" কৈয়াই নিচের বগিতে চৈলা গেলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936161 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936161 2009-04-10 11:22:17
একদিন এক পাবলিক টয়লেটে আমি বাথরুমে ঢুকে কথা বলা পছন্দ করি না, তারপরও আমি বললাম, " এইতো ভালোই আছি।"

সে বললো, "তুমি এখন কোথায় আছো?"

ভাবলাম কি ধরনের কথা এইটা, সে তো জানেই যে আমি কোথায় আছি। তাই আমি বললাম, "তেমন কোথাও না, একটু হাটতেছি"

সে বললো, "আমি আসবো নাকি?"

আমি খুব ঘাবড়িয়ে গেলাম তার কথা শুনে। তাড়াতাড়ি কথা শেষ করে দিতে চাইলাম। তাই বললাম, "এখন না, আমি একটু ব্যস্ত আছি।"

তখন পাশের জনের খুব রাগ্বত কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম। ফোনে বলছে, "শুনো, আমি তোমাকে একটু পর আবার ফোন করতেছি, এক গাধা পাশ থেকে আমার সব কথার উত্তর দিতেছে।"


(ইন্টারনেট থেকে) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936160 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936160 2009-04-10 11:21:48
একটু ব্রেক লন, বিজ্ঞাপন বিরতি... (১৮ বছর ১ মাস+)
রহিম: আমি পাঁচ মাস ধরে নাইট কলেজে পড়ছি এবং পরের সপ্তাহে একটা পরীক্ষা আছে। আর অনেক কিছু শিখেছিও।
করিম: ওহ তাই! কিনতু আমি ডে কলেজে পড়ি।
রহিম: তুই কি জানিস গ্রাহাম বেল কে?
করিম: না
রহিম: ১৮৭৬ সালে সে টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলো।

পরদিন একইভাবে কথা বলতে আরম্ভ করলো।
রহিম: তুই কি জানিস মার্কনি কে?
করিম: না
রহিম: সে রেডিও আবিষ্কার করেছিলো।

পরদিন আবার রহিম জিজ্ঞেস করলো: তুই কি জানিস হোমার কে?
করিম: না
রহিম: হোমার বিরাট একজন লেখক ছিল। তুইতো কিছুই জানিস না। যদি তুই নাইট কলেজে পড়তি তাহলে এই সবকিছুই জানতে পারতি।

করিম খুব রেগে গেল আর রহিমকে জিজ্ঞেস করলো: তুই কি জানিস সলিম কে?
রহিম: না
করিম: সলিম হলো সে যে কিনা প্রতিরাতেই তোর বউয়ের কাছে যায়। যদি তুই নাইট কলেজে পড়া বাদ দিতি তাহলে এইসব কিছুই জানতে পারতি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936159 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936159 2009-04-10 11:21:21
মেডি ক্লেইম (১৮ বছর ১দিন +)
বিশেষজ্ঞ: বলুন আপনাদের জন্য কি করতে পারি?

লোক: আমরা কি আপনার সামনে সেক্স করতে পারি? যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন যে আমাদের সমস্যাটা কোথায়।

বিশেষজ্ঞের মাথা ঘুরে গেলো, কিন্তু রাজিও হলো।

যখন শেষ হলো তখন বিশেষজ্ঞটি বললো যে আপনাদেরতো কোন সমস্যাই দেখলাম না এবং তাদেরকে ৫০০ টাকা ফিস্‌ দিতে বললো।

কয়েক সপ্তাহ ধরে এমন চলতে থাকলো। তারা বিশেষজ্ঞের কাছে যায়, কিন্তু বিশেষজ্ঞ বলে কোন সমস্যা নাই, তারপর ৫০০ টাকা ফিস্‌ দিয়ে চলে আসে।

শেষে একদিন বিশেষজ্ঞটি জিজ্ঞেস করলো: আসলে আপনারা কিসের সমস্যায় ভুগছেন?

লোকটি বললো: আমাদের দুজনের কোন সমস্যাই নেই। আমরা কিছুদিন আগে প্রেম করে বিয়ে করি। আমার স্ত্রী ওর বাসায় আর আমি বাসায় যেতে পারছিনা। আর তাছাড়া হোটেলগুলিতেও অনেক খরচ। আর আপনাকে যেই ফিস্‌ দেই সেটা মেডি ক্লেইম করে আবার ফেরতও পেয়ে যাই



(সংগৃহীত) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936158 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936158 2009-04-10 11:20:47
প্রেম, বিয়ে অতঃপর পারিবারিক সমস্যা !!!
ইংল্যান্ডের লোকটি আমেরিকানকে বললো, "আমার পরিবারকে নিয়ে ইদানিং খুব সমস্যায় আছি। তুমি কি জান যে, আমার পরিবার আমাকে বিয়ের জন্য খুব চাপ দিচ্ছে। তাও গ্রামের এক ক্ষ্যাত মেয়েকে। যাকে আমি কোন দিন দেখিও নাই। আমি এমন মেয়েকে বিয়ে করতে চাইনা যাকে আমি কোনদিন ভালবাসি নাই। আমি ভালবেসে বিয়ে করতে চাই। এই কথা আমি আমার পরিবারকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি।"

তখন আমেরিকান বললো, "ভালোবাসার বিয়ে!!! তাহলে আমার কথা শোনো। আমি এক বিধবাকে তিন বছর হৃদয় দিয়ে ভালোবাসার পর বিয়ে করি। তার একটি মেয়ে ছিল। দুই বছর পর আমার বাবা তার প্রেমে পরে এবং তাকে বিয়ে করে। হিসেব অনুযায়ী আমার বাবা আমার জামাতা আর আমি বাবার শ্বশুর হই। আবার আমার সত মেয়ে আমার মা হয়ে যায় আর আমার বৌ আমার নানি হয়ে যায়। আরো বেশি সমস্যা হয়ে যায় যখন আমার একটি ছেলে হয়। আমার ছেলে বাবার ভাই হয়ে যায় যার জন্য তাকে আমার চাচা ডাকতে হয়। পরিস্হীতি আরো খারাপ হয় যখন আমার বাবার একটি ছেলে হয়। কেননা বাবার ছেলে হওয়ায় তার ছেলে হয় আমার নাতি। আর তাই আমি হলাম তার দাদা। স্বভাবতই আমি নিজেই নিজের দাদা এবং নিজেই নিজের নাতি হলাম।

এখন তুমিই বলো তুমি কি তোমার পরিবারকে নিয়ে খুব সমস্যায় আছো? আর প্রেম করে বিয়ের মজাতো দেখলেই। এখনও কি প্রেম করে বিয়ে করতে চাও?"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936157 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936157 2009-04-10 11:20:10
সাত মুক্তিযোদ্ধা এবং একটি করুন মৃত্যু
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, আমার ছোটচাচা সহ ৭ জন গিয়েছিলেন বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে যুদ্ধ করতে। উনাদের মদ্ধে একজনের নাম ছিলো আবুল হোসেন (আমাদের বাসার পাশেই থাকতেন), বাকি পাঁচ জনের নাম আমার মনে নাই।

যখন ওনারা বিজয়ের কথা শুনলেন তখন ৭ মুক্তিযোদ্ধা নৌকা করে বাসার ফেরার পরিকল্পনা করলেন। ফেরার পথে বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকা নিয়ে সাতজন রওনা দিলেন। বিজয়ের উল্লাসে তারা খুব নাচানাচি আর গানবাজনা করতে থাকলেন। খুব ঝাকুনিতে হঠাৎ করে নৌকাটি ডুবে যায়।

সবার শরীর ভারী ছিলো গোলাবারুদ থাকায়। মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, উনি সাঁতার জানতেন না। বাকি ছয়জন সাঁতার কেটে বেঁচে গেলেও আবুল হোসেন অনেক চেস্টা করেও সেদিন সাঁতার কেটে বাঁচতে পারেননি। পরে সবাই মিলে খুজে বের করার চেষ্টা করেও লাভ হয়নি, খুজে পেয়েছেলেন উনার লাশ।

১৬ ডিসেম্বর বিজয়, মুক্তি আর উল্লাসের দিন হলেও তাদের বাসায় ছিলো কিছুটা স্তব্ধতা, এক মুক্তিযোদ্ধা ছেলেকে হারানো বাবা-মার কষ্ট...

তারপর থেকে এলাকাবাসীর দেয়া নামে ঐ লেনের নাম হয় "শহীদ আবুল হোসেন লেন।" কিন্তু সরকারী হিসাবে এখনো এর নামকরন হয় নাই। শুধু ঐ গলিতে ঢোকার সময় ছোট একটা টিনে ছোট একটু করে লেখা আছে "শহীদ আবুল হোসেন লেন" যা এখন প্রায় অস্পস্ট...

উনি সেই আবুল হোসেন, যিনি অন্য সবার মতো চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে। উনি সেই আবুল হোসেন, যিনি স্বাধীন করেছিলেন ঠিকই কিন্তু তার স্বাদ তিনি গ্রহন করতে পারেননি। উনি সেই আবুল হোসেন, যিনি তাঁর বুলেট দিয়ে ধ্বংশ করেছিলেন হাজারীবাগ এলাকার অসংখ্য পাক-আর্মি আর রাজাকারদের।

শহীদ আবুল হোসেন, এক বীর মুক্তিযোদ্ধা, আপনাকে হাজারীবাগ এলাকার প্রতিটি মানুষসহ বাংলাদেশের সব মানুষের পক্ষ থেকে জানাই সালাম... সেই সাথে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936156 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936156 2009-04-10 11:19:43
হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!!
স্যার: প্রতিদিন গভীর রাতে কেউ একজন আমার রুমে প্রবেশ করে
৯৯ জন ছাত্র: হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!!
১ জন ছাত্র: হি ! হি ! হি !

স্যার: কিন্তু সে কিছু চুরি না করে আমার মদের বোতলে হাত দেয়
৯৯ জন ছাত্র: হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!!
১ জন ছাত্র: হি ! হি ! হি !

স্যার: প্রতিরাতেই চোরটি আমার মদের বোতল অর্ধেক করে দেয়
৯৯ জন ছাত্র: হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!!
১ জন ছাত্র: হি ! হি ! হি !

স্যার: গতরাতেও চোরটি আমার ঘরে এসেছিল, আর অর্ধেক মদ সাবার করে দিয়েছিল
৯৯ জন ছাত্র: হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!!
১ জন ছাত্র: হি ! হি ! হি !

স্যার: কিন্তু হাসির কথা হলো, গতরাতে ঐ বোতলে মদ না রেখে বাথরুমের কাজটি ওটাতে সেরেছিলাম
৯৯ জন ছাত্র: হি ! হি ! হি !
১ জন ছাত্র: হায় ! হায় ! কি শুনলাম !!! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936155 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936155 2009-04-10 11:19:01
সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরণঃ যাদের জন্ম ১৯৯০ এর আগে পোস্টটা শুধু মাত্র তাদের জন্য
একদিন সেই লোক আর থাকতে না পাইরা সেই মেয়েটার কাছে গিয়া কইলো, "আমি তোমারে ১০০ টাকা দিবো যদি তুমি আমার সাথে সেক্স করতে রাজি হও। মেয়েটা রাগান্বিত হইয়া কইলো, "না, এইটা সম্ভব না।"

লোকটা কইলো, "খুব তাড়াতাড়িই হবে। আমি টাকা মেঝেতে ছুড়ে দিবো। তুমি নিচু হয়ে তুলবে। এর মাঝেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।"

মেয়েটা বললো আমার বয়ফ্রেন্ড কি বলে আগে শুনে নেই। তার বয়ফ্রেন্ডরে সে ফোন দিয়ে সব বললো। বয়ফ্রেন্ড বললো, "আরে বোকা নাকি তুমি? রাজি হয়ে যাও। যখনি সে টাকা মেঝেতে ছুড়ে মারবে সাথে সাথে তুমি নিচু হয়ে তুলে নিবে। তাহলে তো সে প্যান্টও খুলতে পারবে না।"

আধা ঘন্টা চলে গেলো, মেয়েটা ফোন করছে না দেখে আরো ১৫ মিনিট পর বয়ফ্রেন্ডই ফোন দিলো ঘটনা জানতে চেয়ে।

মেয়েটা কইলো, "বদমাশটা সব পাঁচ পয়সার কয়েন ছুড়ে মারছে" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936153 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936153 2009-04-10 11:13:09
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১৫
গিয়ে দেখি বাবা নামায পরছেন মাগরিবের। আমাদের দুজনকে দেখে বাবা একটু অবাকই হয়। কেননা বাবার অফিসে আমরা আগে কখনোই যাই নাই। বাবা আমাদের দুজনকে বসতে বলে। আমরা বসলে একটু পর বাবা চারটা পরোটা, ডাল আর একটা ডিম দিয়ে যায়। আমরা দুজনে সবই খেয়ে ফেলি। তারপর একটু বসে থেকে চলে আসি।

বাসায় এসে মার কাছ থেকে জানতে পারি আমরা যা খেয়ে এসছি তা ছিলো বাবার সন্ধ্যার নাস্তা। তারমানে বাবা তার খাবার আমাদের দিয়ে দিয়েছিলেন। আমাদের খাওয়ার জন্য বাবাকে সন্ধ্যায় না খেয়ে থাকতে হলো। খুব মন খারাপ হয়েছিলো তখন। এর পর বাবার অফিসে গেলেও কোনদিন আর কিছু খাই নাই।

(একটু আগে বাসায় ফোন দিয়েছিলাম। আমি কি খেয়েছি তা জানতে চাইলো প্রতিদিনের মতো। যানতে চেয়ে আবার বলে, "আমি যে প্রতিদিন জানতে চাই তাতে রাগ করো নাকি?" আমি কিছুই বলি নাই, শুধু হেসেছিলাম। অনেকদিন পর আজকে খুব ভাবে মনে পরছে সেইদিনের কথা)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936152 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936152 2009-04-10 11:11:45
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১৪
বাসায় চলে এসে হাসপাতালে গেলাম। ইমার্জেন্সী ওয়ার্ডে নিয়ে নার্স আমাকে একটা বেডে রেখে ডাক্তার ডাকতে গেলো। এই সময়ে বড় আপা বললো আমি যেনো ডাক্তারের সামনে জোরে জোরে চিৎকার করি। নাহলে আমাকে ভালো মতো দেখবে না।

ডাক্তার এসে পেটের এদিক ওদিক দেখে একটা টেস্ট করাতে বললো। টেস্ট করে এসে শুয়ে থাকলাম। রেজাল্ট দেখে ডাক্তার বললো আমার এ্যাপেন্ডিস্ক বড় হয়ে গেছে, এখনি যেনো অপারেশান করাই। কিন্তু আমি রাজি হলাম না। কারন পরেরদিন ইংরেজীর ফাইনাল পরীক্ষা। ডাক্তারকে বললে ডাক্তার বললো যেনো অপারেশান করিয়ে নেই। নাহলে পরে অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু আমি রাজি হলাম না। পরে আপা ডাক্তারের কাছে বললো যে আজকে করাবো না আপনি কিছু ওষুধ লিখে দেন, কিন্তু ডাক্তার ওষুধের নাম লিখে দিতে রাজি হলো না। পরে অনেক অনুরোধ করার পর দিলো। বড় আপা আর আমি ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরলাম।

পরদিন না পরেই পরীক্ষা দেই। সেই ব্যথা আমার এখনো আর উঠে নাই। শুনেছিলাম এইটা নাকি একা একাও ঠিক হয়ে যায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936151 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936151 2009-04-10 11:10:13
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১৩
ড্রয়ারে তার একটা ফাইল ছিলো যেটাতে বাবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ রাখতেন। আমি ফাইল খুলে ইলেকট্রিসিটির বিলটা খুজতে খুজতে দেখি একটা দরখাস্তের মতো কি জেনো একটা। ভালো মতো পড়ে দেখি। বাবা তাকে দেওয়া ছুটিগুলি এতোদিন নেন নাই। ঐ ছুটি গুলি এখন উনি বিক্রি করবেন। পড়ার পর আমার খুব খারাপ লাগে, কান্নাও চলে আসলো এঈতা ভেবে আমাদের কি এতই অভাব, যে বাবা তার ছুটি না নিয়ে এখন ঐগুলির বিনিময়ে টাকা নিতেছেন। কিন্তু আমাদের সব চাওয়া কত হাসিমুখে উনি মিটিয়ে দিচ্ছেন। আমি আর কাউকে আর কিছু বলি নাই। বিলটা দিয়েই আসি।

আরো পরে যখন দেখলাম এই বিষয়টা অনেকেই করেন। তখন একটু হলেও স্বান্তনা পেয়েছিলাম মনে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936150 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936150 2009-04-10 11:09:53
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১২
ঐ সময় আমরা বাসার সবাই মিলা বিটিভির ছায়াছন্দ দেখতে বৈতাম। সব কাজ বাদ দিয়া ছায়াছন্দ দেখতে বৈতাম। একবার লাইট বন্ধ কৈরা সবাই যার যার জায়গা নিয়া দেখতে বৈছি। প্রথমে গান দিলো শাবানা আর রাজ্জাকের, শ্যাষও হৈয়া গেলো। এর পর আইলো রোজিনা আর ফারুক। আসার সাথে সাথেই ঘরের ভিতর ধুম ধাম কৈরা শব্দ।

লাইট জ্বলাইয়া দেখি রোজিনা ম্যাডামের নাচের শব্দে দূর্বল চিত্তের ঐ শোকেজের কাপ পিরিচ সহ্য কর্তে পারে নাই। তাই উপরের গুলা সব নিচে পৈরা গেছিলো...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936149 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936149 2009-04-10 11:09:28
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১১
আমরা দুইজনে দেইখাই চইলা আইতে চাইলে ঐ আমাগো ডাক দিলো, "আবে খাড়া, কই যাস। চল এইটারে নিয়া যাই, খুইলা আমরা তাবিজ বোম বানাই।" আমরা দুইজনেই মানা করলাম। কিন্ত ঐ নিয়া যাইবোই। কইলো, "ঠিক আছে খালি আমার সাথে থাক। তোগো কিছুই করন লাগবো না"।

আস্তে আস্তে ধইরা জামার নিচে ভরলো। দোকান থিকা একটা ব্লেডও কিনা নিলো। এলাকার ভিতর একটা বাড়ি বানাইতাছিলো। ঐ বাড়ির ছাদে গিয়া উঠলাম তিনটা মিলা। তারপর ঐ খুলতে শুরু করলো। আমরা দুইজনেই একটু দূরে খাড়াইয়া রইলাম। ঐ হলুদ টেপে মোচড় মারে আর এইখানে আমাগো দিলে মোচড় মারে।

তারপর ডিব্বার মুখখা খুব ভালো কইরা কাটলো। মুখখা সড়াইয়া আমাগো দিকে খুব করুন ভাবে তাকাইলো। আমরা ডরে ডরে সামনে গেলাম। যাইয়া দেখি ভিতরে পুরাটাই বালি দিয়া ভরা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936147 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936147 2009-04-10 11:09:08
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-১০
একদিন সন্ধ্যায় পড়তে বইসা দেখি চাবি নাই। প্যান্টের পকেটে খুইজাও পাইলাম না। বাসার পাশে একটা বেড়ীবাধ ছিলো। তার পাশের একটা মাঠে গিয়া বিকালে খেলছিলাম। ভাবলাম খেলতে গিয়া ঐখানে ফালাইছি।

ঐখানে যাইতে রাইতের অন্ধকার আর ছিনতাইকারীর ভয়ও করতো। কিন্তু চাবিটা তখনি লাগবো দেইখা একটা মোমবাতি আর ম্যাচ নিয়া যাই। মাঠের কাছে গিয়া মোমবাতি ধরাইয়া যেইখানে প্যান্ট রাখছিলাম তার আশেপাশে খুজতে থাকি।

একটু পর দেখি পুলিশ। হয়তো মোমবাতির আলো দেইখা আইছিলো। রাতের বেলা হেরোইন আর গাজার আসর বইতো দেইখা পুলিশ কিছুক্ষন পরপর ঐদিকে যাইতো। পুলিশ দেইখা আমার গলার পানি শুকায়া গেলো। আমারে জিগাইলো কি করি মোমবাতি জ্বালাইয়া। আমি কইলাম আমার চাবি হারাইছে তাই খুজি। পোলাপাইন দেইখা তেমন সন্দেহ করে নাই। খালি কইলো তাড়াতাড়ি বাসায় যাও, চাবি কালকে দিনে খুজো। আমি আর না দাড়াইয়া চইলা আসি।

চাবি না পাইয়া মন খারাপ কইরা পড়তে বইসা দেখি বালিশের নিচে সেই চাবি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936146 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936146 2009-04-10 11:08:41
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৯
একবার আচারওয়ালা তার ঘন্টা বাজালো। আমি তখনি মাকে বললাম টাকা দিতে বললাম আচার খাওয়ার জন্য। মা টাকাটা দিতে দেরী করলো। টাকা নিয়ে আচারওয়ালাকে খুজতে খুজতে বাসা থেকে একটু দূরে চলে গেলাম। কিন্তু আচারওয়ালাকে পেলাম না।

তাই বাসায় ফিরে যাবো, কিন্তু ঘুরেই দেখি আমি বাসা চিন্তে পারতেছি না। সাথে সাথেই কান্না শুরু করে দিলাম। তখন একটা ছোট ছেলে আমার মতোই বয়স আমার কাছে এসে ঘটনা শুনে আমাকে বললো, "আমাদের বাসায় চলো, তুমি আমাদের বাসাতেই থাইকো।" আমিও কিছু না বুঝে রওনা দেই। কিছুক্ষন হাটতেই দেখি এলাকার এক বড় ভাই।

আমাকে কান্না করতে দেখে জিজ্ঞেস করলো কি হইছে। আমি বললে আমাকে আমার বাসায় দিয়ে আসে। আর ঘটনা সবাইরে বলে দেয়। মা ঘটনা শুনেই শুরু করে দেয় প্যাদানী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936145 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936145 2009-04-10 11:08:19
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৮
কথা কাটাকাটির এক সময় আমি তার দিকে একটি চাড়া ছুড়ে মারি। মেরেই দেই দৌড়। দৌড়ে চলে যায় মেঝ ভাইয়ের স্কুলে। স্কুলে গিয়ে দেখি টিফিন পিরিয়ড চলে। তার সাথে টিফিন খেয়ে অনেক পর ভয়ে ভয়ে বাসায় ফিরি।

বাসায় ঢুকতেই মার হাতে ধরা। ধরে নিয়ে বলা শুরু করে "আজ থেকে বাসার বাইরে যাওয়া বন্ধ।" এই কথা বলে শুরু করে পিটানো পর্ব। খুব ধোলাই দেয় আমারে। পরে বোনেরা এসে আমারে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

পরে শুনি যাকে চাড়া উড়ায় মারছিলাম, ঐ চাড়াতে তার মাথা ফেটে যায়। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিলো। তিনটা সিলাই সহ ব্যান্ডেজ করানো লাগছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936143 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936143 2009-04-10 11:07:52
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৭
মা যা কইলো তাতে পুরাই টাস্কি খাইলাম। তার কথা শুইনা আকাশ থিকা পড়লাম, তাতে কইরা সব ব্যাথা চইলা গেলো।

মা কইলো, "গতকাল রাইতে তোর দুই ভাই তোরে নিয়া লুফালুফি খেলছে। তোর মেঝ ভাই একবার ধরতে পারে নাই। তখন তুই মাটিতে পইড়া গেছিলি।" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936142 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936142 2009-04-10 11:06:18
শিশুনা কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে-৬
পরীক্ষার দিন গেছি ভর্তি পরীক্ষা দিতে। সিটে বসার পর থেকেই চাপ দিলো বাথরুমের। আমি পাশের জনকে জিজ্ঞেস বললাম আমি বাথরুমে যাবো, আমারে কি করতে হবে। ও বললো, "ম্যাডাম যাইতে দিবে না, তোমারে খাতা জমা দিয়ে দিতে হবে।" কিন্তু আমি খাতা জমা দিবোনা। সবই আমি পারি। একটু পর বেশী চাপ দিয়ে দিলো। অগত্যা না পেরে আমি খাতা জমা দিয়েই চলে আসলাম। কিছুই লিখতে পারি নাই। আমি জানতামও না যে, খাতা জমা না দিলেও আমারে যাইতে দিবে।

নিচে এসে দেখি আপা দাঁড়ায় আছে। সে আমারে জিজ্ঞেস করলো, "কিরে এত তাড়াতাড়ি চলে আসলি যে?" আমি বললাম সবই সহজ ছিলো, তাই লিখতে দেরী হয় নাই, সব পারছি।

আমি ঐবার ঐ স্কুলে ভর্তি হইতে পারি নাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936141 http://www.somewhereinblog.net/blog/tutul00mblog/28936141 2009-04-10 11:06:00