মঙ্গলদীপ জ্বেলে অন্ধকারে দু চোখ আলোয় ভরো প্রভু
তবু যারা বিশ্বাস করে না তুমি আছ, তাদের মার্জনা করো প্রভু
যে তুমি আলো দিতে, প্রতিদিন সুর্য উঠাও,
ওদের বুঝিয়ে দাও সেই তুমি পাথরেও ফুলকে ফোটাও
জীবন মরুতে করুনা ধারা ঝরাও প্রভু
বলো তার কি অপরাধ জন্ম হয়েছে যার পাকে
তোমার ক্ষমা দিয়ে তুমি ফোটাও পদ্ম করে তাকে
ভুলে পথে গেলে তুমি এসে হাত ধর প্রভু
আমাদের সকলের জন্য বলছি আমাদের সবারই কিছু সীমাবদ্ধতা আছে তার মাঝেই সুন্দর থাকতে হবে যারা সাথে আছেন তাদের ভালো রাখতে হবে...
আমাদের যত গ্লানি যত কষ্ট সব তুমি কমিয়ে দাও..
আমার চারপাশের জগত থেকেই অনেক কিছু শেখার আছে
আকাশ আমায় শিক্ষা দিল উদার হতে, ভাইরে মাটির কাছে সহিষ্ণুতা শিক্ষা আমি পাইরে...
পহেলা বৈশাখ। বাংলা সনের প্রথম দিন। বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় উৎসব-আনন্দে অবগাহন করার দিন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে একাকার আজ নববর্ষে আমাদেরও প্রত্যাশা : 'এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে... মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক.../মুছে যাক গ্গ্নানি ঘুচে যাক জরা/অগি্নস্নানে শুচি হোক ধরা।' শাশ্বত সেই শুচিশুভ্রতার স্বপ্নে অতীতের
জীর্ণ মালিন্যকে পেছনে ফেলে নতুন বছরকে বরণ করে নি পহেলা বৈশাখ। বাংলা সনের প্রথম দিন। বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় উৎসব-আনন্দে অবগাহন করার দিন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে একাকার আজ নববর্ষে আমাদেরও প্রত্যাশা : 'এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে... মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক.../মুছে যাক গ্গ্নানি ঘুচে যাক জরা/অগি্নস্নানে শুচি হোক ধরা।' শাশ্বত সেই শুচিশুভ্রতার স্বপ্নে অতীতেরজীর্ণ মালিন্যকে পেছনে ফেলে আজ নতুন বছরকে বরণ করে নি দূর হোক মনের যত কালিমা হীনমন্যতা আর বলি কবি কাজী নজরুলের সেই দৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা : 'তোরা সব জয়ধ্বনি কর/তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড় ... তোরা সব জয়ধ্বনি কর।' এই সুরধ্বনির ভেতর দিয়েই নতুন বছরে সব অপ্রাপ্তি আর ব্যর্থতার গ্গ্নানি ভুলে সমৃদ্ধি কামনায় উদযাপিত হবে নববর্ষ।
আমরা সকলে ভালো থাকি সহিষ্ণু হই এই টুকু চাওয়া। .

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



