সম্প্রতি ১৬ জুন ২০০৮ টিএসটি-গ্রামীন ফোন চুক্তি হয়েছে। ৩০ বছরের জন্য লিজ দেয়া হয়েছে গ্রামীণ ফোনের কাছে। জিপি যা যা করে দিবে বলে লোভ দেখিয়েছে
১. ক্যাফেটেরিয়া এসি করে দিবে
২. ঢাবির ৬টি প্রধান অনুষ্ঠান এ টাকা ঢালবে প্রতিবছর
৩. টিএসসির সামনে শান্তির পায়রা বানাবে
৪. কাস্টমার কেয়ার সেন্টার খুলবে
৫. সিম কেনাবেচার দোকান দিবে
৬. কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিজনেস সল্যুসন সিম দিবে
এতো লোভের ভিতর নিজেদের সামলাতে পারলো না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ছাত্ররা এখনো বিকিয়ে যায়নি। আন্দোলন শুরু হয়েছে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজৈনৈতিক মিলিয়ে ১৫ সংগঠন গঠন করেছে কর্পোরেট আগ্রাসন প্রতিরোধ মঞ্চ।
তাদের দাবি
১. দালাল চুক্তি বাতিল
২. অপরাধিদের চিহ্নিতকরণ এবং শান্তি নিশ্চিতকরণ
৩. ইউজিসির অবৈধ শিক্ষানীতি বাতিল করতে হবে
এনিয়ে প্রতিদিন কর্মসূচি চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় টিএসসির সোপার্জিত স্বাধীনতার পাদদেশে সংহতি সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলো গত ২০ জুন।
আপনারা ব্লগের বন্ধুরা সমর্থন জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।
আমরা কেবল বিরোধীতা করার জন্য বিরোধীতা করবো বিষয়টা এমন না। আমাদের সংস্কৃতি যেনো হুমকির মুখে পড়লে প্রতিরোধে একাট্টা হতে পারি তারই চর্চা হোক আমাদের সবসময়ের প্রচেস্টা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

