আমার প্রিয় পোস্ট
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট চূড়ায় মুসা ইব্রাহিম - ঠোঁটকাটা
- আমার দেখা ভালোলাগা কিছু মুভির তালিকা - ২ - মে ঘ দূ ত
- আরো কয়খান ১৮+++, কমন পরলে দোষ নাইক্কা - মেহরিন সাদিয়া সুমি
- যেকোন মুভির জন্য 字幕 --> Subtitle কিভাবে ব্যবহার করবেন? - বিডি আইডল
- ফেসবুকের সম্পর্ক ছড়াচ্ছে যৌনরোগ! - হুমায়ুন কিবর
- সাফ গেমসএর প্রথম দিন হোটেলের লিফট ছিড়ে নেপালি খেলোয়াড়,স্টেডিয়ামে সিড়ি ভেঙ্গে বিদেশি সাংবাদিক আহত ! - অবিশ্বাসী
- ছবিব্লগ: Ultra Click - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- বড়দের সেরা ২০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- একটি লোমহর্ষক গণহত্যার কাহিনী (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- কেমন আছি সৌদি আরবে -তৃতীয় পর্ব - মোঃমোজাম হক
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির উপর প্রামাণ্য চিত্র এবং অনলাইনে তার সমগ্র চিত্রকর্মের লিংক - তর্পন
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- কিছু সফটওয়ার সংগ্রহশালার ওয়েবসাইট - নাজিরুল হক
- সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ সত্যজিৎ রায়(একটি তথ্যমূলক পোষ্ট) - জয় সরকার
- হোটেল এন্ড স্পা লুথানঃ সম্পুর্ণ নারীদের হোটেল - জুল ভার্ন
- মোবাইল থেকে দেশে বিদেশে কথা বলুন free!!! - শর্বরী
- যে কোন ঘূর্ণিঝড়কে ট্র্যাক করুন আপনার Google Earth থেকে - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট ১৯০ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- লাল সেলাম নিশাচর!! - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীয়ন পেল মনথন এওয়ার্ড ২০০৮ - দূর্ভাষী
- টিউশন ফি বাড়ছে, আবার কি বন্ধ হতে চলেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো? - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- এরা কি বার বারই পার পেয়ে যাবে? - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে দুই ব্লগারের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই : জিতলেন শিবলী নোমান - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- বাপ-ব্যাটা ও একটি গাধা - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- আমার শিবির বিষয়ক যত পোস্ট - সবাক
- তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে, যতদুরে আমি ধাই...........! - জানা
এ গল্প রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বাটার মোড়ের জিলাপীর
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪২
দোকানের বাইরে কোন সাইন বোর্ড নেই। তবু চিনতে কারো অসুবিধা হয় না। ভিড় লেগেই আছে সারাণ। 'এই দোকানের সাইন বোর্ড লাগে না', খোদ মালিকের মুখে এমন কথা। মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীগুলো যখন বছরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কেবল তাদের পণ্যের প্রচারে। তাহলে রাজশাহীর এই পুচকে দোকান মালিকের মুখে এমন কথা কতটা সাহসের ! তবে সাদামাটা দোকানের ভেতরে ঢুকলেই বুঝতে পারবেন কেন সাইনবোর্ড দরকার নেই এই দোকানের।
রাজশাহীর জিরোপয়েন্ট একটু সামনে এগুলেই বাটার মোড়। আশপাশের দোকানের চেয়ে একটু খাপছাড়া ভাবেই রয়েছে একটা দোকান। এটাই রাজশাহীর বিখ্যাত বাটার মোড়ের জিলাপীর দোকান। গোটা রাজশাহী জুড়ে এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যে একবারও চোখ বন্ধ করে এই দোকানের জিলাপীর স্বাদ নেন নি। রাজশাহীবাসীর নানা আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গী বাটার মোড়ের এই জিলাপী। সারা শহরে মিষ্টির দোকান গজিয়ে উঠলেও বাটার মোড়ের জিলাপীর কদর কমে নি। প্রায় 50 বছর ধরে মাথা উচু করেই দাঁড়িয়ে আছে নাম-সাইনবোর্ড বিহীন এই দোকানটি। আস্তে রাজশাহীর ঐতিহ্যর সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে এই জিলাপী। কেবল রাজশাহীতেই নয়, সারা দেশেই নামকরা বাটার মোড়ের এই জিলাপী।
উত্তরাধিকার সুত্রে প্রায় 3 পুরুষ ধরে চলে আসছে এই জিলাপীর ব্যবসা। দোকানে বসেছিলেন সোহেল। তার দাদাই এই দোকানের প্রতিষ্ঠাতা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করে বাবার হাত ধরে চলে এসেছেন এই ব্যবসায়ে। তিনি জানালেন, প্রায় 50 বছর আগে তার দাদা তামিজ উদ্দিন এই দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এটি ছিল মিষ্টির দোকান। তারপর জিলাপীর কারিগর হিসেবে এখানে নিয়ে আসা হয় জামিল শাহ্ কে। তার হাতের তৈরি জিলাপীর খ্যাতি আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে রাজশাহী জুড়ে। তবে এখন তিনি আর জিলাপী তৈরি করেন না। তার ছেলেই এখন এই দোকানের 'ওস্তাদ'।
একটু পরেই 'ওস্তাদ' কালিবাবু তার স্থুল শরীর নিয়ে বেরিয়ে এলেন দোকানের ভেতর থেকে। তিনি জানালেন, কয়েক পুরুষ ধরেই তারা মিষ্টি তৈরির সাথে জড়িত। তার বাবা, দাদা, দাদার বাবা সকলেই ছিলেন মিষ্টির কারিগর। 1974/75 সাল থেকে তিনি এখানে জিলাপী তৈরি করেন। উত্তরাধিকার সুত্রে বাবার কাছ থেকেই তিনি জিলাপী তৈরি শিখেছেন। তারপর থেকে এখানেই কাজ করেন। এখান থেকেই কাজে অবসর নেবেন তিনি।
বাটার মোড়ের জিলাপী কেন আর সবার থেকে আলাদা? কিইবা এর আলাদা বৈশিষ্ট্য? কালিবাবু জানালেন, তৈরির পদ্ধতিই বাটার মোড়ের জিলাপীর বৈশিষ্ট্য। সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি করা হয় এই জিলাপী। আর এর বিভিন্ন উপাদানও নির্ভেজাল। এ কারণেই এই জিলাপীর স্বাদ আলাদা। তিনি বললেন, মালিকের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই জিলাপীর এই মান ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। বাজারে অনেক দোকানেই জিলাপী তৈরি হয়। কিন্তু রাজশাহীর মানুষের কাছে বাটার মোড়ের জিলাপী মানেই স্পেশাল, একেবারে আলাদা কিছু। অন্য দোকানে এভাবে মান নিয়ন্ত্রন করা হয় না। তাই খদ্দেররা এখানেই আসে। দোকানে জিলাপী খেতে আসা পঞ্চাশোর্ধ রফিক বললেন, এমন সুস্বাদু আর মচমচে জিলাপী আপনি আর কোথাও পাবেন না। এ কারণেই এখানে আসা। তবে বাটার মোড়ের জিলাপী নিয়ে বিড়ম্বনাও কম নয়। গতমাসেই এই দোকানের পাশেই শিফট হয়েছে সমকাল রাজশাহী বু্যরো অফিস। শুনুন সমকালের রাজশাহী বু্যরো প্রধান শিবলী নোমানের কথা। বললেন, এই মোড়ে অফিস নিয়েই বিপাকে পড়েছি। যেই আসে এখানে , সেই বাটার মোড়ের জিলাপী খেতে চায়। জিলাপী খাওয়াতে খাওয়াতে অবস্থা খারাপ।
খরিদ্দারদের কাছে জিলাপীর দাম নিতে ব্যস্ত সোহেল জানালেন, প্রতিদিন কমপ ে40 কেজি বিক্রি হয় জিলাপী। তাছাড়া, নানা অনুষ্ঠানের জন্যও অর্ডারে তৈরি করা হয় জিলাপী। এখন চিনি ও অন্যান্য জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে 60 টাকা দরে। আর রাজশাহীবাসীর ইফতারে তো আলাদা যায়গায় করে নিয়েছে এই জিলাপী। তিনি আরো জানালেন, বাবার নির্দেশেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এই ব্যবসায়ে এসেছেন। তবে তার সন্তানদেরকে তিনি এই ব্যবসায় না এনে আরো ভালো কিছু করতে বলবেন। তবে পুর্ব পুরুষদের পেশা এ সহজে ছেড়ে দিতে রাজি নন ওস্তাদ কালি বাবু। গরম কড়াইয়ে আঁচ উঠা তেলে জিলাপী ছাড়তে ছাড়তে তিনি বললেন, আমার অন্তত একটা ছেলেকে হলেও আমি এই পেশায় নিয়ে আসতে চাই।
...................................
30 সেপ্টেম্বর, 2006
3টা 40
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল, রাবি সংবাদ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
হাবিব ভাই, দাওয়াত রইলো।
হাবিবমহাজন বলেছেন:
ধন্যবাদ। বাট দাওয়াত রক্ষার প্রতিশ্রূতি দতে পারছিনা। ইট পাথরের ডাস্টবিনে যন্ত্র হয়ে ডিউটি দিচ্ছি। এর যেন শেষ নাই। আমার অনেক বন্ধুর বাড়ি ওখানে। খুব ইচ্ছে রাজশাহীকে দেখার!!
অতিথি বলেছেন:
আনিস ভাই, ঢাকার হাজির বিরিয়ানীর দোকানেরো একই অবস্থা। কোন সাইনবোর্ড নেই। আহামরি কোন ডেকোরেশনও নেই দোকানটার। কিন্ত একদিক খোলা দোকানটায় খেতে হলে কাঠাল কাঠের চেয়ার ধরে দাড়িয়ে থাকতে হবে, আগেরজনের শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
ঐতিহ্য অনেক ভেজাইল্যা জিনিষরে ভাই।
অতিথি বলেছেন:
রোজা মনে হয় গেল...
অতিথি বলেছেন:
সবই ঠিকাছে। কিন্তুনিউজটা করে বেশি ভাব বাড়ায়া দিছেন দোকানীর। গালিগালঅজ ছাড়া এখন সে আর কথাই বলে না ক্রেতাদের সঙ্গে।
অতিথি বলেছেন:
সাবি্বর ভাই: ইফতার কইরা লনসুজন: তোরাই জ্বালা ভালো বুঝছিস। দোকানদারের গালিগালাজ কেমন লাগছে সোনা?
অতিথি বলেছেন:
গালিগালাজের সূচনাটা করে দিয়েছেন আপনি। আপনার খবর আছে আশে-পাশে দেখলে।
অনিক বলেছেন:
এই জিলাপীর দোকানটা রানীবাজারে। আমাদের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সন্নীকটেই দোকানটির অবস্থান। 1975/76-এর পর থেকে সেই একই ভাবে আছে। খাওয়া খুব কম হয় ঢাকায় থাকার সুবাদে।অলকা'র মোড়ের সেই সদাহাস্য বিরেন দা'র (মারা গেছেন) সিঙ্গারা আর ফ্রেস চপ নিয়ে লিখবেন এর পর আশা করি।
অতিথি বলেছেন:
কপের্ারেট জিনিসটা এখন ভাল ভাবে ঢুকে নাই ওইখানে। নইলে টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখতেন, কারখানা খুলে ম্যাস প্রোডাকশন হতো সেই জিলাপী। থাকুক এইরকম কয়েকটা প্রানের খাবার দোকান কপের্ারেটের আওতার বাইরে।
অতিথি বলেছেন:
ইস জিলাপী! ভীষন মিস করছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















ধন্যবাদ