গত দুই বছরে কাতারে সবচেয়ে বেশী শ্রমীক রপ্তানী করেছে নেপাল। পাহাড়ী ঢলের মতই এরা আসছে এদেশে। সব ছোট-খাট সাইজের মানুষ। পাহাড়ী ভাষায় কথা বলে নিজেদের মধ্যে। তবে সবাই ভালো হিন্দি জানে। মোটামুটি সবাই নির্মান শিল্পের লেবার। এরা সর্বনিম্ন বেতনে কাজ করার জন্য এদেশে চলে আসে। এ কারনেই এদের এদেশে আসার হার এত বেশী বলে মনে হয়। আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, এরা কাজ-কর্ম ঠিকমতো করে এবং মালিকপক্ষকে ভয় পায়।
শুক্রবারে সারা দেশের সব নেপালী রাজধানীতে চলে আসে এবং একটা এলাকায় জড়ো হয়। সারাদিন এখানেই পরিচিতজনদের সাথে আড্ডা দেয়। সন্ধ্যায় যার যার আস্তানায় ফিরে যায়। কোম্পানী থেকে এদের পালানোর হার খুব বেশি। ইদানিং সরকার এদের ব্যাপারে খুব কঠোর হচ্ছে। মাসখানেক যাবত পুলিশ রাজধানী দোহায় এদের শুক্রবারের আড্ডাস্থল বন্ধ করে দিয়েছে। কাউকে কাছেও যেতে দেয়নি। এতে অবশ্য আমার একটা বড় ধরনের অসুবিধা হয়ে গেছে।
আমি সিনেমার পোকা বলে সময় পেলেই বসে বসে সিনেমা দেখি। নেপালীদের ওখানে খুব সস্তায় ডিভিডি ডিস্ক পাওয়া যেত। অনেকগুলো সিনেমার একেকটা ডিস্ক ৪ রিয়েল করে, যা দোকানে কিনতে গেলে একেকটার দামই ৫০-১০০ রিয়েল। এদেশে পাইরেসির বিরুদ্ধে খুব কঠোর আইন থাকায় এই অবস্থা। আর ডিভিডি সব জায়গায় পাওয়াও যায় না। বড় বড় শপিং সেন্টারের কিছু নামী-দামী ষ্টোরেই শুধু পাওয়া যায়। নীলক্ষেতের মতো ২৫ টাকা দিয়ে একটা সফটওয়ারের সিডি কিনে নিয়ে আসার কথা এখানে কল্পনাও করা যায় না। এক্সপির একটা ডিস্ক জোগাড় করতে না পেরে বহু ঝামেলা পোহাতে হয়েছে।
কাতার সম্বন্ধে আরো পোষ্ট এবং ছবিঃ আমার বাংলা ব্লগে
ভালো কথা। এখানে লিঙ্ক দেয়ার সিস্টেমটা কি চেঞ্জ হয়ে গেছে? লেখায় "লিঙ্ক যোগ করুন" অপশনটা কাজ করছে না। আগে ব্যবহার করতাম, সেটাও কাজ করছে না। আইই-৭ ব্যবহার করছি। ফায়ার ফক্স আপাতত এখানে ব্যবহার করা সম্ভব না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



