আমার প্রিয় পোস্ট

দ্য কাপালিক ইজ ব্যাক

কুরআনে বর্নিত কাহিনী। ২। যুলকারনাইন

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

তারা তোমাকে যুলকারনাইন সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে; তুমি বলে দাওঃ আমি তোমাদের নিকট তার বিষয়ে বর্ণনা করবো।

আমি তাকে পৃথিবীতে কর্তৃত্ব দিয়েছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের উপায় ও পন্থা নির্দেশ করেছিলাম।

সে এক পথ অবলম্বন করলো। চলতে চলতে যখন সে সূর্যের অস্তগমন স্থানে পৌঁছলো তখন সে সূর্যকে এক পংকিল (কর্দমাক্ত) জলাশয়ে অস্তগমন করতে দেখলো এবং সে তথায় এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলো; আমি বললামঃ হে যুলকারনাইন! তুমি তাদের শাস্তি দিতে পার অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পার। সে বললোঃ যে কেউ সীমালংঘন করবে আমি তাকে শাস্তি দিবো, অতঃপর সে তার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে এবং তিনি তাকে কঠিন শাস্তি দিবেন। তবে যে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে তার জন্য প্রতিদান স্বরূপ আছে কল্যাণ এবং তার প্রতি ব্যবহারে আমি নম্র কথা বলবো।

আবার সে এক পথ ধরলো। চলতে চলতে যখন সে সূর্যোদয় স্থলে পৌঁছলো তখন সে দেখলো ওটা এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদিত হচ্ছে যাদের জন্যে সূর্য-তাপ হতে আত্মরক্ষার কোন অন্তরাল আমি সৃষ্টি করি নাই। প্রকৃত ঘটনা এটাই, তার (আসল) বৃত্তান্ত আমি সম্যক অবগত আছি।

আবার সে এক পথ ধরলো। চলতে চলতে সে যখন পর্বত প্রাচীরের মধ্যেবর্তী স্থলে পৌঁছলো, তখন তথায় সে এক সম্প্রদায়কে পেলো যারা তার কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না। তারা বললোঃ হে যুলকারনাইন! ইয়াজুজ ও মা'জুজ পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করছে; আমরা কি তোমাকে কর দিবো এই শর্তে যে, তুমি আমাদের ও তাদের মধ্যে এক প্রাচীর গড়ে দিবে? সে বললোঃ আমার প্রতিপালক আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছেন তাই উৎকৃষ্ট; সুতরাং তোমরা আমাকে শ্রম দ্বারা সাহায্য কর, আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যস্থলে এক মযবুত প্রাচীর গড়ে দিবো।

তোমরা আমার নিকট লৌহপিণ্ড সমূহ আনয়ন কর; অতঃপর মধ্যবর্তী ফাঁকাস্থান পূর্ণ হয়ে যখন লৌহস্তুপ দুই পর্বতের সমান হলো তখন সে বললোঃ তোমরা হাঁপড়ে দম দিতে থাকো; যখন ওটা অগ্নিবৎ উত্তপ্ত হলো তখন সে বললোঃ তোমরা গলিত তাম্র আনয়ন কর, আমি ওটা ঢেলে দিই ওর উপর। এরপর ইয়াজুজ ও মা'জুজ তা অতিক্রম করতে পারলো না এবং ভেদ করতেও পারলো না। যুলকারনাইন বললোঃ এটা আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ; যখন আমার প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হবে তখন তিনি ওটাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিবেন এবং আমার প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি সত্য।

সুরা কাহ্ফ
আয়াতঃ ৮৩-৯৮

 

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: ঘটনাটা আমি ঠিক জানি না। সম্ভবত জ্বিন বা এই ধরনের আর কিছু হবে।

২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৩
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: না জাইনা কপি-পেষ্ট কিলাইগ্যা??
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: কপি পেষ্ট এই কারনে যে, মুসলমানদের যেই জিনিসটা সব সময় পড়া এবং বুঝার কথা, এবং সেই অনুসারে চলার কথা, সেই পবিত্র কোরআন কারো কারো ঘরে অত্যন্ত যত্ন এবং সম্মানের সাথে তুলে রাখা থাকলেও পড়ার সুয়োগ হয় না, আর সেটার অনুবাদ পড়ে জিনিসটা বোঝে এই রকম মানুষের সংখ্যা নগন্য। তাই আমি চাই, এইখানে যেই সব মুসলমান আছেন, তারা এই পবিত্র গ্রন্থের কিছুটা পড়ুক এবং বুঝুক।

৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
কুবের বলেছেন: ইয়াজুজ মাজুজ সম্পর্কে জানতে হলে




Click This Link
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এরা আসলে দুইটা উপজাতী এবং যুলকারনাইন ছিলেন একজন সম্রাট জিনি সমস্ত পৃথিবী শাসনকারী চারজনের মধ্যে একজন, আপনার রেফারেন্স থেকে জানতে পারলাম।

৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
রেডসিগনাল বলেছেন: আয়াতঃ ৮৩-১০১ পর্যন্ত দিলে অনেক ভাল হত ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অসীম ঘৃণা ভন্ডামীর প্রতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ