somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হোস্টেড ব্লগে বাংলা এম্বেডিং - কিভাবে সম্ভব ?
এই সমস্যাটা সমাধানের কোন সহজ উপায় কি কারো জানা আছে? কেউ একটা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ হোস্ট করলে টেমপ্লেটে সা.ইনের মতো একটা বাংলা এডিটর কিভাবে এম্বেড করা যায়? ডেভেলপাররা কেউ একটু সাহায্য করবেন দয়া করে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28865121 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28865121 2008-11-05 18:42:38
এই রমজানে আমাদের কৃচ্ছতায় অনাহারির মুখে জুটুক এক মুঠো খাবার
দেশে চলছে আকাল। খাবারের দাম আকাশ-ছোঁয়া। নিম্ন-বিত্ত মানুষেরা খাবারের কথা ভুলে গেছে অনেক আগেই। এবার মধ্যবিত্তের পালা। রমজানে বিশেষ ইফতারি দূরের কথা, দুইবেলা খাবার জোটানোই এখন দুস্কর। প্রতিবারের মত এবারও রমজানের আগে নিশ্চয়ই শুরু হয়ে যাবে কালোবাজারীদের ভেলকী। ইফতারের বিশেষ খাবারগুলোর দাম এবার নিশ্চয়ই আকাশ ছাড়িয়ে দৃষ্টিসীমার বাইরেই হারিয়ে যাবে। সেইগুলোর পেছনে না ছুটে আমরা বরং সিয়ামের মূল উদ্দেশ্যের দিকে মনোযোগ দেই।

প্রতিদিনের ইফতারের খরচ বাঁচিয়ে সেই টাকায় একজন অনাহারিকে এক মুঠো চাল কিনে দেই। আমাদের কৃচ্ছতায় একটা পরিবারের মুখে অন্তত এক বেলা আহার জুটুক। সেইটাই হবে সত্যিকারের ইবাদত। অন্যথায় নিষ্প্রয়োজন সারা দিন না খেয়ে থেকে এই কষ্ট করা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28833636 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28833636 2008-08-22 16:44:57
ফিরে আসা ছাগু বিশেষজ্ঞ অচল ব্লগারকে স্বাগতম
সেই আড্ডাখানা সকলের জন্য উন্মুক্ত না হওয়ায় নতুন অচলদের আমদানীর হার ইউরোপের কিছু দেশের জন্মহারের মতই নিম্নমুখী হইতে থাকে। ফলে এইসব বিছিষ্ট লেখকেরা পাঠকের অভাব বোধ করিতে থাকেন। কাকের মাংস কতদিনই বা আর কাকের মুখে রোচে! সুতরাং তাহাদের অতিরিক্ত উৎসাহ কমিতে থাকে। ভালো কিছু লেখা ছাড়া গড়পড়তা পোষ্টের পাঠসংখ্যা স্বাভাবিক ৪০-৮০ তে নামিয়া আসে। অচলেরা আবার এইখানে আসিয়া উকি-ঝুকি মারিতে থাকেন।

কথা-বার্তা ছাড়া হঠাৎ আসিয়া লিখা শুরু করিলে এত বড় বিছিষ্ট ব্লগারের ইজ্জ্বতে লাগে, তাই আরেকবার সাধিলেই খাইবোর মত অবস্থায় বসিয়া থাকিয়া শুধুই বিভিন্ন পোষ্টে কমেন্ট লিখিতে থাকেন। কোন পোষ্ট না লিখাটাই এইবার পরতিবাদ। যেহেতু নিজেদের মহাজ্ঞানী এবং ওভারস্মার্ট ভাবেন, তাই সেই কমেন্টও তাহারা যাহার-তাহার ব্লগে করেন না - নতুনদের ব্লগে তো নয়ই। নিজেদের বিছিষ্টতা তো বজায় রাখিতে হইবে!

সম্প্রতি আমাদের এই রকমের এক ছাগু বিশেষজ্ঞ যিনি নিজেকে ছাড়া আর সকলকেই ছাগু মনে করেন, দীর্ঘদিন বিভিন্ন পোষ্টে কমেন্টাইয়া আর থাকিতে না পারিয়া অবশেষে তাহার ছাগুত্ববাদ সকলকে জানাইতে সচেষ্ট হইয়াছেন। আসুন আমরা এই ছাগু বিশেষজ্ঞকে সা. ইনে স্বাগত জানাই। সেই সাথে অন্য অচলদেরও লজ্জ্বা ভাঙ্গিয়া আবার এইখানে তাহাদের ছাগুত্ববাদসহ অন্য সকল তত্ত্ব জাহির করিয়া সা. ইনের "মানহীন" পাঠকদের ধন্য করিতে এবং সা. ইনকে বহুদূর আগাইয়া লইয়া যাইতে সাহায্য করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830910 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830910 2008-08-14 19:20:04
গুগল হ্যাকিং: দেখুন লাইভ সিকিউরিটি ভিডিও
গুগল ওয়েব সাইটে যান।
সার্চ বক্সে লিখুনঃ inurl:/view.index.shtml
সার্চ দিন।
এইবার যেইসব লিঙ্ক গুগল আপনাকে দিবে সেইগুলো চোখ বন্ধ করে ক্লিক করুন। দেখুন কোন জায়গার সিক্রেট ক্যামেরার ভিডিও পাওয়া যায়।

আর অবশ্যই কি পেলেন সেটা এইখানে জানান। শুভ হ্যাকিং!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830899 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830899 2008-08-14 18:57:59
ঘুষখোরদের জন্য ইন্দোনেশিয়ান থেরাপী এবং আমাদের প্রেক্ষাপট
এই থেরাপী অনুসারে সাজাপ্রাপ্ত ঘুষখোরদের জেলখানায় উজ্জ্বল রঙের একটি বিশেষ ইউনিফর্ম পড়ানো হবে, যা জেলের সাধারন কয়েদীদের থেকে তাদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করবে। পেছনে বড় করে লেখা থাকবে তাদের নাম, মামলার সংখ্যা, এবং সাজার মেয়াদ। ফলে দূর থেকেও সহজেই তাদের সনাক্ত করা যাবে।এই থেরাপীর ফলে সমাজের উঁচু আসনে থাকা এইসব ঘুষখোরদের পাবলিকলি (শব্দটার একটা ভালো বাংলা বলেন তো!) টিজ করার দারুন একটা সুযোগ পাবে। ইন্দোনেশিয়ানরা আশা করছে, চোর-ছ্যাচ্ছরদের দ্বারা এই রকম পাবলিক হ্যারাসমেন্টের (আবারো বাংলা সমস্যা রে ভাই!) ভয়ে ঘুষখোর এবং ঘুষ প্রদানকারীরা (তাদের জন্যও একই চিকিৎসা) হয়ত এবার ঘুষ লেনদেন থেকে বিরত থাকবে।

কেমন হবে এই দারুন ব্যাবস্থাটি আমাদের দেশে প্রয়োগ করা হলে? আসুন কল্পনা করা যাক।

জেলের ভেতরে কমলা রঙের শাড়ী পড়ে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত দুই নেত্রী গালে হাত দিয়ে পাশাপাশি বসে আছে। জামার পেছনে বড় করে লেখা তাদের নাম এবং সাজার মেয়াদ শাড়ীর আঁচল দিয়ে ঢেকে বৃথাই পরিচয় লুকানোর চেষ্টা করছে। শাড়ীর রঙই অন্য কয়েদীদের কাছে তাদের পরিচয় প্রকাশ করে দিচ্ছে। অন্য নারী কয়েদিরা তাদের টিজ করছে - কেউ হয়ত পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে শাড়ীর আঁচল সরিয়ে দিয়ে নাম-ধাম-ইতিহাস প্রকাশ করে দিচ্ছে, মাথার চুল ধরে টান দিচ্ছে, দুষ্টোমি করে মাথায় মৃদু আঘাত করছে। ভাবী আপাকে অভিযোগ করছে, দেখলেন আপা কাজটা কি করলো? এত বড় নেত্রী হয়েও আমাদের কাছে এদের কোন শ্রদ্ধা নাই!

দারুন ব্যাপার হতো নিঃসন্দেহে! কিন্তু আমরা জানি, সেসব কিছুই ঘটবে না। সরকার প্রধান তো দূরের কথা, আমাদের মন্ত্রী-এমপিদেরও কখনো টিজ করে লজ্জ্বা দেয়ার সুযোগ একজন হামদু চোরা পাবে না। যেই অভিযোগেই তাদের আটক করা হোক না কেন, আমাদের আদালত কখনোই তাদের সাজা দিয়ে জেলে আটকে রাখতে পারবে না। বরং সরকার আঁতাত করে তাদের রক্ষা করবে। কোন এক অদৃশ্য আঙ্গুলী হেলনে একে একে সবাইকে জামিন দেয়া হবে। তারা আবার ভোটে দাঁড়াবে এবং জনগন তাদের ভোট দিয়ে সংসদেও পাঠাবে। কিছু মানুষ বসে বসে শুধু আফসোস করবে এই হঠকারীতা দেখে, কিন্তু তাদের আসলে বসে বসে দেখা আর ভাবা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।

তার চেয়ে আসুন বরং আমাদের মনের আদালতে বিচার করে তাদের শাস্তি দেই। কমলা রঙের ইউনিফর্ম পড়িয়ে সাধারন বন্দিদের কাছে প্রতি মুহূর্তে অপমানিত হওয়ার জন্য জেলে পাঠাই। সেখানে তাদের নিয়ে কি ধরনের হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরী হতে পারে, তা এখানে লিখি। নিজেদের বিবেকের কাছে অন্তত কৈফিয়ত দেই, যে আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে, এদের বিরুদ্ধে আমি তা প্রয়োগ করেছি। আমি নিজেকেও একই দলে নিয়ে যাইনি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830476 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830476 2008-08-13 16:57:53
সামরিক যুদ্ধের পাশাপাশি চলছে সাইবার-যুদ্ধ
আইটি সেক্টরে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইস্টোনিয়া গত বছরের এপ্রিল-মে মাসে রাশিয়ার দ্বারা একই রকমের আক্রমনের শিকার হয়। ইস্টোনেশিয়ায় সোভিয়েত আমলে নির্মিত একটি সেনা সৃতিস্তম্ভ রাজধানী থেকে একটি সামরিক এলাকায় স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে ইস্টোনিয়া এবং রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ত পর্যায়ে চলে আসে। সারা স্টোনিয়ায় প্রচন্ড বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময় রাশিয়ার হ্যাকাররা তাদের অফিসিয়াল এবং বানিজ্যিক সাইটগুলো গনহারে বন্ধ করে দিয়ে প্রচন্ড ক্ষতি সাধন করে। সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে ইস্টোনিয়ায় কঠিন আইন থাকলেও হ্যাকাররা রাশিয়ার ভূক্ষন্ডে অবস্থান করার তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়নি।

পৃথিবী দিনদিন যতই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছে, ততটাই যুকির মুখে পড়ছে সাইবার নিরাপত্তা। ইস্টোনিয়া এই ঝুকি মোকাবেলায় প্রাক্তন সোভিয়েত স্টেটগুলোকে রাশিয়ার আক্রমনের হাত থেকে বাঁচাতে সহযোগীকার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা তাদের উপর আক্রমনের মোকাবেলা করার অভিজ্ঞতা অন্য দেশগুলোর আইটি বিশেষজ্ঞদের সাথে শেয়ার করছে এই সাইবার যুদ্ধের মোকাবেলায়। এ বছরের শুরুতে ন্যাটো ইস্টোনিয়ার রাজধানীতে একটি সাইবার প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষন কেন্দ্র চালু করেছে। ইস্টোনিয়া কয়েক বছর আগে ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830154 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28830154 2008-08-12 17:29:56
একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আওয়ামীলীগের সেনা আতঙ্ক
জরুরী আইনের অধীনে সদ্য সম্পন্ন হওয়া সিটি-কর্পোরেশন এবং পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের একক বিজয় প্রমান করে সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে। জরুরী আইনের অধীনে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছে, যেখানে ভোট প্রদানের হার ছিল প্রায় ৭০%। এই প্রথমবারের মতো কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অরাজগতা ছাড়া একটি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, এবং বড় দলগুলো তাদের স্বভাবমতো নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ফলাফল বর্জন করার মত সুযোগ পায়নি। নির্বাচনে অসৎ প্রার্থী জয়ী হয়েছে, কিন্তু ৫,০০০ দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষকের কেউই নির্বাচনে কোন ধরনের কারচুপি হওয়ার অভিযোগ তোলেনি। সুতরাং বলা যায়, এই নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একটি সুষ্ঠ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আন্তরিক ইচ্ছাই প্রকাশ পেয়েছে।

তাহলে এই সরকারের অধীনে একই ভাবে জরুরী আইনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হলে, এবং আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সেনা মোতায়েন করা হলে এবং তাদের হাতে গ্রেফ্তার করার ক্ষমতা থাকলে আওয়ামীলীগের ভয়টা কিসের? জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে অন্য নির্বাচনেই বা তাদের কিসের আপত্তি? তাহলে কি "নির্বাচনে জয়ী হলে সুষ্ঠ নির্বাচন হয়েছে, আর পরাজিত হলে কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জন" - এই হীন নীতির প্রয়োগ করার অক্ষমতাই সেনা সদস্য মোতায়েনের পেছনে আওয়ামীলীগের আপত্তির প্রধান কারন?

সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে সিলেটের মতো জায়গায়ও কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা না হওয়া কি জরুরী আইনের প্রয়োজনীয়তাই প্রমান করে না? আওয়ামীলীগ কি আসলেই মনে করে, শুধুমাত্র ঘুষখোর পুলিশ প্রসাশনের মাধ্যমে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব? নাকি সেনা মোতায়েনের ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, এবং সেখানে হেরে গেলে কারচুপির অভিযোগ করে ফলাফল বর্জন করার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আতঙ্কই তাদের মনে প্রবল?

বড় দলগুলো এই ধরনের হীন মানসিকতা পরিহার করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুস্থ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল সহযোগীতায় এগিয়ে আসবে, এবং নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগনের মতামতকে সম্মান জানিয়ে একটি গনতান্ত্রিক সরকার গঠনে সাহায্য করে নাভিশ্বাস উঠে যাওয়া এই জাতীকে আর পিছিয়ে না দিয়ে সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিবে - এটাই তাদের কাছে আমাদের মতো সাধারন মানুষের প্রত্যাশা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28829401 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28829401 2008-08-10 16:55:43
মরুজীবন-৭: তুমারা বাল গিরতাহে?
এই রকম একটা শব্দ হচ্ছে "বাল"। সেলুনে গিয়েছি চুল কাটাতে। নরসুন্দর যখন এগিয়ে এসে বলে, "বাল কাটায়েগা?", এখনো প্রথমটা ভ্যাবচ্যাগা খেয়ে যাই। প্রশ্নটার আসল মানে যখন মাথায় ঢুকে যে সে আসলে জানতে চাচ্ছে চুল কাটাবো কি না, ততক্ষনে মিনিমাম দুই সেকেন্ড সময় পার হয়ে গেছে। যতবারই সেলুনে ঢুকি, ততবারই এই ধাক্কাটা খেতে হয়।

সেদিন এক পাঠানের সাথে গাড়ীতে যাচ্ছি। সে চালাচ্ছে, আমি চুপ করে পেসেঞ্জার সিটে বসে আছি। হঠাৎ সে জানতে চায়, কেয়া সোচতাহে? এ্যায়সে সোচেগা মে পুরা বাল সফেদ হো যায়েগা। আমি হেসে ফেলি। বলি, ইয়ে জবানা মে হার বাচ্চা সফেদ বাল কো সাথ পয়দা হোতাহে। ম্যায় তো বুড্ডা হোগিয়া। এই জমানায় সব পোলাপান পাকা চুল নিয়ে দুনিয়াতে আসে বলেছি মনে করে সে হেসে ফেলে, যদিও মনে মনে আমি বাল-পাকনা পোলাপানের কথা চিন্তা করেই আসলে হাসতে থাকি।

নতুন এক সাইটে এক কমবয়সী পাঠান সপ্তাহ দুয়েক যাবৎ পকলিন দিয়ে মাটি কাটার কাজ করছে। সারাদিন শুধু দুইজনে একসাথে সাইটে থাকায় তার সাথে বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। একদিন দুপুরে একসাথে দু'জনে যাচ্ছি মসজিদের দিকে। হঠাৎ সে বলে, মেরা তুমকো এক বাত পুছনেকা হ্যায়। বললাম, বলো। সে বলে, তুমারা বাল গিরতাহে? হো হো করে হেসে ফেলি। ভাবি, চুল পড়লে পড়তে পারে, বাল পড়ার কথা তো কখনো শুনি নাই! বলি, নেহি গিরতাহে। সে মাথায় হাত দিয়ে দেখায়, বলে, দেখো মেরা কিতনা বাল গিরতাহে। পুরা খালি হো গিয়া। তুম ইসকা কোই দাওয়াই জানতাহে? বলি, এর কোন ওষুধ নাই বোধ হয়। বেশি করে দুধ খাও। কাজ হতে পারে। বিয়ের চিন্তায় বেচারা অস্থির। টাক মাথার বরের ভাগ্য কোন দেশেই ভালো না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28828172 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28828172 2008-08-06 23:06:02
কাপালিক মন্তব্য করার অনুমতি হারাইছে
তার খালি বলার আছিল, ভাই, বহুত দিন বৃষ্টি দেহি নাই। প্রচন্ড রৌদ্রে আর গরমে রোজ পাঁচটা থিকা চাইরটা পর্যন্ত যখন বারবার সে ঘামে ভিজে জবজবা হয় আর শুকায়, তখন নিজের দেশের খোলা রাস্তায় বৃষ্টিতে ভিজতে তার বড্ড ইচ্ছা হয়, কিন্তু সেই উপায় তার নাই। আপনের বৃষ্টির ছবি গুলান বড়ই সৌন্দর্য হইছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28827671 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28827671 2008-08-05 17:04:40
কুয়েত ফেরত বাঙ্গালী শ্রমীকদের যে কারনে আমি সহমর্মীতার বদলে জুতা-পেটা করার পক্ষপাতি
বাংলাদেশী শ্রমীকরা কুয়েতে যেই নজিরবিহীন ভাংচুর এবং অচলাবস্থা সৃষ্টির ঘটনা ঘটিয়েছে, তার পেছনে তাদের কারন ছিল "যথাযথ বেতন এবং ভাতা প্রদানের দাবী" জানানো। এই কাজটা করার জন্য তারা যথাযথ পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছে ভাংচুরকে। কাজটা করার সময় তাদের মাথায় একবারও আসেনি যে তারা অবস্থান করছে বাংলাদেশে নয়, মধ্যপ্রাচ্যের একটা দেশে, যেখানে অপরাধ এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হয়, যার কারনে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় খুব উপরের সাড়িতে এদের অবস্থান। এই সব দেশে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটেনা তা নয়। অপরাধ অবশ্যই ঘটে, কিন্তু আমাদের সাথে পার্থক্য হলো, সেখানে ১০০ ভাগ ক্ষেত্রে সাথে সাথে সেই অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এসব দেশের সরকার তার নাগরীকদের সবচেয়ে বেশী যেই সেক্টরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে সেটা হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। খুঁজলে বোধ হয় সব ঘরেই একজন করে পুলিশ পাওয়া যাবে। এসব দেশের আইন-কানুন এতই কঠিন যে মানুষ অপরাধ করবে কি, চিন্তা করলেই ভয়ে আধমরা হয়ে যায়। সে আইন আবার আমাদের মত শুধুই খাতা-কলমের না, বাস্তবে তা প্রয়োগও করা হয় ১০০ ভাগ।

মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ কাতারে কিছু মাইনর অপরাধের শাস্তি কি হতে পারে তার উদাহরন দেই। রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় সিগনাল অমান্য করলে জায়গা অনুযায়ী ৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ রিয়েল পর্যন্ত জরিমানা। গাড়ি চালানোর সময় সীট-বেল্ট না বাধলে ৫০০ রিয়েল জরিমানা। কোন ট্রাক ওভারলোড করে রাস্তায় বের হলে ৩,০০০ রিয়েল জরিমানা। সেই সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ৩ পয়েন্ট মাইনাস। মোট ১৪ পয়েন্ট মাইনাস হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং ড্রাইভার সোজা জেলে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ২৫,০০০ রিয়েল জরিমানা এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরত। ড্রাইভিং টেস্টের সময় চোখের সামনে দেখলাম এক নেপালী খাতায় ভরে পুলিশকে ৫০০ রিয়েল ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করায় তাৎক্ষনিকভাবে গ্রেফতার করে দেশে পাঠিয়ে দিল। এইসব দেশে মেজর কোন অপরাধ করলে তার শাস্তি কি হতে পারে এবার সেটা কল্পনা করেন। কুয়েতে যারা ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কি ঘটনাটা ঘটানোর আগে সেখানকার আইন-কানুন কিছুই জানতো না বলে মনে হয়? অবশ্যই জানতো, এবং জেনে-শুনেই করেছে। বরং ঘটনাটা ঘটানোর আগে একবার চিন্তাও করেনি এটা তার নিজের পরিবার এবং দেশের প্রতি কি ভয়াবহ পরিনতি বয়ে আনতে পারে। এই চিন্তা না করার পেছনে কারন হচ্ছে বাঙ্গালীর মজ্জাগত স্বভাব।

আসা যাক "যথাযথ বেতন এবং ভাতা" প্রসঙ্গে। বাঙ্গালী শ্রমীকেরা যখন বিদেশে যায়, বিন্দুমাত্রও চিন্তা করেনা কোথায় যাচ্ছে, কেনো যাচ্ছে। সেখানে তার কাজ কি হবে, কত বেতন দেয়া হবে, যে ভিসায় সে যাচ্ছে তা পালন করার মতো যোগ্যতা তার আছে কি না। বেশিরভাগ শ্রমীক নিরুপায় হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যায় এ কথা সত্যি। কিন্তু তাই বলে তো পেটে ভাত নেই বলে আগুনে ঝাপ দিলে কোন লাভ নেই, বরং আগুনে পুড়ে যাবে। এরা যখন বিদেশে যাওয়ার দেয়ার কথা চিন্তা করে, মনে মনে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে যে কোন স্বপ্নপুরীতে যাচ্ছে, সেখানে গেলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। একবার পৌঁছাতে পারলে শুধু টাকা আর টাকা। দুনিয়ার সব সুখ এই টাকায় কিনে ফেলা যাবে। কিন্তু আসার পরে যখন আগুনের তাপটা গায়ে লাগে, তখন বাস্তবতা বুঝতে পারে। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে গেছে অনেক।

এই আসাটা কিভাবে হয় দেখা যাক। কোন একটা কোম্পানীর হয়ত কিছু দক্ষ শ্রমীক দরকার, যেমন মেসন বা কার্পেন্টার। তারা যখন সরকারের কাছে শ্রমীক নেয়ার আবেদন জানায়, তখন সরকার তাদের পলিসি অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমীক নেয়ার অনুমতি (ভিসা) দেয়, যেমন নেপাল থেকে ২ জন, শ্রীলঙ্কা থেকে ১ জন, বাংলাদেশ থেকে ২ জন ইত্যাদি। এই পেপারগুলো কোম্পানীর লোকজন তখন সংশ্লিষ্ট দেশের পরিচিতি কাউকে দিয়ে দেয় শ্রমীক এনে দেয়ার জন্য। বিশেষ করে ছোট কোম্পানীগুলো ট্রাভেল এজেন্সীর ঝামেলা এড়াতে এই ধরনের কাজ বেশী করে। কোম্পানীর মধ্যবর্তী কেউ হয়ত কিছু পয়সার বিনিময়ে কোন দালালকে ভিসাগুলো দিয়ে দেয়। এই দালালেরা তখন নিজের আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিতজনদের মোটা অঙ্কের পয়সার বিনিময়ে এইসব ভিসায় বিদেশে আসার সুযোগ করে দেয়। এক্ষেত্রে ভিসা অনুযায়ী কাজের যোগ্যতার কোন বিচার করা হয় না, বরং বিচার করা হয় টাকার পরিমানের।

এইভাবে কোন কিছু না জেনে যখন ইন্টারমিডিয়েট-পাস-করে-বেকার-হয়ে-ঘরে-বসে-থাকা একজন মোবারক ১২০০ রিয়েল বেতনের আশ্বাস পেয়ে কার্পেন্টার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে চলে আসে, তখনই ঘটে বিপত্তি। কোম্পানী দেখে, তার সদ্য আসা স্কিলড কার্পেন্টার আসলে হাতুড়ি কিভাবে ধরতে হয় সেটাই ভালো ভাবে জানে না, সাটারিং করা দূরে থাক। তখন আবার নতুন লোক আনার ঝামেলা এড়াতে, কিছুটা বা মানবতার খাতিরে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে তাদের কাজে রাখা হয় অদক্ষ শ্রমীক হিসেবে। ১২০০ রিয়েলের জায়গায় সঙ্গত কারনেই তার বেতন ধার্য্য করা হয় ৬০০ রিয়েল, সাথে কাজ শিখলে বেতন বাড়ার আশ্বাস। স্বাভাবিকভাবেই এটা মোবারকের কাছে "ন্যায্য বেতন দেয়ার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ"। এই মোবারকেরা বিদেশে এসে কি ধরনের আচার-আচরন এবং জীবন যাপন করে পুরো বাঙ্গালী জাতীর মুখে কলঙ্ক লেপন করে সেটা অন্য এক সময় বলা যাবে। এরাই কিছুদিন পর আইনের নিষেধের কোন তোয়াক্কা না করে যখন লুকিয়ে বাইরে কাজ করা আরম্ভ করে এবং দেখে যে বাইরে কাজ করলে কোম্পানীর চেয়ে ৩ গুন পয়সা পাওয়া যায়, তখনই এরা কোম্পানী থেকে পালিয়ে অবৈধ শ্রমীকের খাতায় নাম লেখায়। আর যদি না-ও পালায়, প্রতিক্ষন "ন্যায্য বেতন" না পাওয়ার রাগে ফুসতে থাকে। একসময় এরাই "বহুত কামাইছি, কি করবো? বেশী হইলে বাইত পাডায়া দিব" মনোভাব নিয়ে অতি উৎসাহে ভাংচুর করতে ঝাপিয়ে পড়ে।

এরা একবারও চিন্তা করে না এই ভাংচুরের ফলে সরকার তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি না করে বরং গন হারে সব বাঙ্গালী শ্রমীক দেশে ফেরত পাঠাবে এবং নতুন শ্রমীক নেয়া বন্ধ করে দেবে। এটা শুধু কুয়েতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং সমগ্র গালফেই ঘটবে। এরা যদি ভাংচুর করার আগে একবারও চিন্তা করতো যে তারা যা করছে তার পরিনাম শুধু সে একাই ভোগ করবে না, সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যাক্তিটির উপার্জন বন্ধ হওয়ায় অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে তার পুরো পরিবার, এবং শুধুই তার নিজের পরিবারই না, বিদেশে অবস্থানকারী প্রতিটি বাঙ্গালী শ্রমীকের পরিবার, নতুন করে যাদের বিদেশে যাওয়ার কথা ছিল যা এবার বন্ধ হচ্ছে তাদের পরিবার, তাহলে কোনভাবেই তারা পারতো না এই সহিংস পথ অবলম্বন করতে। বরং তারা সমস্যার কথা সেদেশে তার দেশের রাষ্ট্রদূতকে জানাতো, কাজ না হলে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করতো, অহিংস পদ্ধতিতে আমৃত্যু অনশন করতো, কিন্তু নিজের দেশ এবং পরিবারকে এইভাবে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতো না।

অর্থনৈকিভাবে চরমতম পঙ্গু একটি দেশের লাখ লাখ পরিবারকে যারা শুধুমাত্র নিজেদের উশৃঙ্খল স্বভাবের কারনে চরমতম হতাশার দিকে ঠেলে দিয়েছে, তাদের প্রতি এই কারনেই সহমর্মীতার কোন প্রশ্নই আমার মনে উদয় হয় না, বরং এদের দেখা মাত্রই দুই গালে চপেটাঘাতই এদের ন্যায্য পাওনা বলে মনে হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28827005 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28827005 2008-08-03 18:36:54
আসুন সা. ইনে গালিবাজ ব্লগারদের প্রতিহত করি
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, যখন অন্য ব্লগারটা এই সব অখাদ্য পোষ্ট পড়ে ভদ্র ভাবে যুক্তি প্রদর্শন করে এদের ভুলটা ধরিয়ে দেয়, এরা তখন রাগে অন্ধ হয়ে যুক্তির বদলে যুক্তি প্রদর্শন না করে অত্যন্ত কুৎসিৎ ভাষায় গালি প্রদর্শন করে। এতই নোংড়া এবং কুৎসিৎ এদের গালাগালি যা বস্তির মানুষেরাও মুখ দিয়ে বের করতে লজ্জ্বা পাবে। কিন্তু এইসব গালাগালি টাইপ করে ব্লগারদের উদ্দেশ্যে ছুড়ে দিতে এদের বিন্দুমাত্রও লজ্জ্বা হয় না। কোন পরিবেশ থেকে উঠে এসে এরা এখানে ব্লগিং করতে এসেছে, সেটা তখন প্রকাশ হয়ে পড়ে।

এই সব কুৎসিৎ কমেন্ট বেশির ভাগ সমই অন্য ব্লগারদের চোখে পড়ে না। তাই এদের কুৎসিৎ রূপটা জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য প্রয়োজন পড়ে প্রথম পাতায় পোষ্ট দিয়ে সবাইকে জানানোর। কিন্তু এইখানেই আপত্তি সা. ইন কর্তৃপক্ষের। তাদের ব্লগে তারা অন্য ব্লগারদের যতই গালাগালি করুক, সেটাতে কোন সমস্যা নেই। সেটা তার ব্লগারিক অধিকার। গালি আপনাকে সে দিতেই পারে। কিন্তু তাই বলে আপনি প্রথম পাতায় পোষ্ট দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দেবেন? সেটা কখনোই সহ্য করা হবে না। নৈব নৈব চ! কারন সেটা হয়ে যাবে "ব্যাক্তি আক্রমন"। কেউ তার ব্লগে সমষ্ঠি আক্রমন করলে সেটা জায়েজ, কিন্তু আপনার "ব্যাক্তি আক্রমন" কখনোই নয়। এটা করলে আপনার কপালে জুটবে সা. ইনে ব্যান খাওয়ার হুমকী সম্বলিত নোটিশ।

ব্লগে কারো পোষ্ট দেয়ার অর্থ হচ্ছে সবাইকে সেই লেখা পড়ার আহ্বান জানানো। সুতরাং সেই লেখা মানুষ পড়বে এবং মতামত জানাবে সেটাই কাম্য। কিন্তু সেই কমেন্টে মতের অমিল হলে যদি যুক্তির বদলে গালি প্রদর্শন করা হয়, তাহলে আমরাও কি পাল্টা গালি প্রদর্শন করে তার জবাব দেব? রাস্তার কুত্তার কামড় খেয়ে সেই কুত্তাকে উল্টা কামড় দেয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে? আমার মনে হয় না। তাহলে এক্ষেত্রে ব্লগারদের করনীয় কি?

যেহেতু এদের বাবা-মা এদের ভদ্রতা শিক্ষা দেয়নি, এবং পাবনা মেন্টাল হসপিটালেও এত পাগলের জায়গার সঙ্কুলান করা আমাদের মতো গরীব দেশের সরকারের পক্ষে সম্ভব না, সেহেতু এদের শিক্ষা দেয়া ব্যবস্থা নেয়া ব্লগারদেরই পবিত্র দায়িত্ব বলে আমার মনে হয়। কিভাবে এদের সেই শিক্ষা দেয়া যায়? এব্যাপারে আপনার পরামর্শ কি?


আমার মতামতঃ

# এই সব গালিবাজদের প্রতিহত করার জন্য একটা টিম গঠন করা হোক। টিমের নাম আপনারা ঠিক করেন।

# এই টিমের কি কি কাজ হতে পারে? সর্বপ্রথম কাজ হলো "বিয়োগ চিহ্ন" প্রদান। এই সব পোষ্টে যত বেশী মাইনাস রেটিং প্রয়োগ করা যায়, এই সা. ইনের জন্য ততই মঙ্গল।

# যেহেতু এদের গালি শুনলে বমি পায়, সেহেতু আসুন কুন্ঠিত না হয়ে সেইখানে উদারভাবে বমি করি। যত বেশি পেট সেইখানে খালি করা যায় ততই মঙ্গল। বমিই হোক এই টিমের সিম্বল।

বমি কিভাবে করবেন? কমেন্ট [img |http://www.tinyloader.com/smily/small/প.gif] কোডটি লিখুন। "প" এর জায়গায় লেখুন ১৩১। ব্যাস! বমির এনিমেটেড স্মাইলী চলে আসবে। img এর পরে একটা স্পেস আছে, সেটা রিমুভ করতে হবে। (এইখানে যত খুশি বমি করা প্রাকটিস করে নিতে পারেন, কোন অসুবিধা নাই!)

আর কি পদক্ষেপ নেয়া যায় আপনারাই ঠিক করুন। আসুন এই সব কুরুচীপূর্ণ ব্লগারদের সা. ইনে প্রতিরোধ করি এবং ব্লগে সুস্থ একটা পরিবেশ বজায় রাখি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28826670 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28826670 2008-08-02 22:20:32
সা. ইনে রুচিশীল কমেন্টের নমুনা Click This Link

এই পোষ্টে কিছু রুচিশীল কমেন্টের নমুনা আছে। দেখুন এবং ধন্য হউন। এরাই সা. ইনের গর্ব। কিন্তু এদের পরিচয়টা প্রকাশ করতে পোষ্ট দিলে সা. ইন থেকে ব্যান!

সুতরাং সাধু সাবধান!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28826304 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28826304 2008-08-01 17:55:35
মরুজীবন-৬: ফ্রি স্টাইল ফিলিপিনো
এদের জীবনযাত্রা ইউরোপীয় ধাঁচের - ফ্রি স্টাইলের। ধর্ম খ্রিষ্টান। ছেলে-মেয়ে দুই-ই এখানে সমানভাবে উপস্থিত। এদের ইনকামের রেঞ্জটা মোটামুটি ৩-৪ হাজার রিয়েলের মধ্যে। ভারতীয় উপমহাদেশের লোকজন যেখানে ২-৪ 'শ রিয়েল সিট ভাড়া দিয়ে পুরনো আমলের ভাঙা একতলা বাড়ীতে কোন মতে গাদাগাদি করে থাকে, সেখানে এরা কয়েকজন মিলে আস্ত একটা দুপ্লেক্স ভিলা ভাড়া নিয়ে নেয়। অনেক সময় একই ফ্ল্যাটে ছেলে-মেয়ে সব একসাথে থাকে। যা আয় করে তা এদেশেই শেষ। ভবিষ্যতের চিন্তা তেমন একটা নেই। চাকরী জোগাড় করা এদের জন্য কোন ঘটনাই না, এদেশে না হলে অন্য কোন দেশে। ভদ্র এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ায় সবাই এদের পছন্দ করে। সারা পৃথিবীতেই এরা এখন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এরা যে কখন সঙ্গী বদল করে তার কোন ঠিক নেই। পরস্পরের উপর বিশ্বাস এদের একদম কম। আমার এক ফিলিপিনো বন্ধু, নাম এলপিডিও, বয়স ৩৮, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার - এখনো সে বিয়েই করেনি। কবে করবে তারও কোন ঠিক নেই। বেচারা তার সর্বশেষ গার্লফ্রেন্ড নিয়ে খুবই হতাশ। সে একদিন গার্লফ্রেন্ডকে ফোন করে জানতে পারে সে বাসায়ই আছে। অফিস থেকে বের হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফেরার সময় দেখে আরেক ছেলের সাথে এক রেস্টুরেন্ট থেকে বের হচ্ছে। সুতরাং ঝগড়া এবং সম্পর্কচ্ছেদ। বিরক্ত হয়ে নারীসঙ্গই ছেড়ে দিয়েছে। এখন সে Gay।

পোষ্টের সব ছবি এখানে
কাতার সমন্ধে আরো পোষ্ট এখানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28820653 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28820653 2008-07-15 20:58:24
আমার নতুন ব্লগ এবং ওয়ার্ডপ্রেসের ধাক্কা
প্রথম যখন গুগলের এনালাইটিক সার্ভিসটা দেখি, ভাবলাম এটা আমার ব্লগে যোগ করতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেসে গিয়ে দেখি, এই ধরনের কোন কাস্টমাইজেশনই সেখানে সম্ভব না! বিল্ট-ইন যেসব ফিচার দেয়া আছে তা ছাড়া থার্ড পার্টি কোন সুবিধাই যোগ করা সম্ভব না। তারপরেও ওয়ার্ডপ্রেসই ব্যবহার করি এর চমৎকার ফিচারগুলোর জন্য।

কয়েকদিন আগে একটা পোস্ট দেখি - মিলিয়ন ডলার ব্লগিং। ব্লগ লিখে নাকি মিলিয়ন ডলার আয় করা যায়! পোষ্টটা পড়ে ভাবলাম দেখা যাক একটা চেষ্টা করে। মিলিয়ন ডলার না হয় বাদ দিলাম, কিছু ফুটা পয়সা ইনকাম করা গেলেও মন্দ কি? নতুন একটা ব্লগ খোলার চিন্তা করে ওয়ার্ডপ্রেসে গিয়ে ফের ধাক্কা। এরা পয়সা কামানোর কোন ধান্দাই সহ্য করে না!

অগত্যা সরনাপন্ন হতে হলো ব্লগারের। এখানে বিস্তর স্বাধীনতা। যা খুশি করো কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু সমস্যা হলো, বিল্টইন ফিচার বলতে কিছুই নাই। এমনকি ব্লগে কেউ আজোবধি এসে উকি দিল কিনা, সেটাও জানার কোন বুদ্ধি নাই। যা কিছু দরকার, টেম্পলেট কাস্টমাইজ করো। ভরসা হলো, অগনিত সাইট আছে শুধু ব্লগারের ব্লগারদের সাহায্য করার জন্য।

অনেক কষ্টের পর নতুন ব্লগ গেইনিং আইডিয়াস এর মোটামুটি গ্রেড ভিম দাড়া করাইছি। সাবজেক্ট হইলো অনলাইনে কেমনে পয়সা কামান যায়। দেখা যাক, এই বার আমার নিজের পয়সা কামানোর কি হয়! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28817857 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28817857 2008-07-07 21:56:23
অনলাইনে সার্ভে করে পয়সা কামাই
সার্ভেসেভি এমন একটা সাইট, যেখানে জয়েন করতে কোন পয়সা লাগে না - পুরোপুরি ফ্রি। প্রতিটা সার্ভের জন্য এরা দেয় ৩-৭৫ ডলার। আপনার রেফারেন্সে কেউ জয়েন করলে এবং তার রেফারেন্সেও কেউ জয়েন করে সার্ভেতে অংশ নিলে এদের সবার থেকে আপনি পাবেন ২ ডলার করে।

পেমেন্ট দেয়া হয় চেকের মাধ্যমে। আপনার যেকোন এমাউন্টের জন্য আপনি পেমেন্ট দেয়ার আবেদন করতে পারেন। চেকের মাধ্যমে সেটা আপনার কাছে পাঠানো হবে ৩ সপ্তাহের মধ্যে।

সাইটের লিঙ্ক এখানে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813748 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813748 2008-06-26 00:43:38
সামহোয়ারইনে সংকলিত পোষ্ট হওয়ার যোগ্যতা কি ?
এই পাতার মডারেটরই বা কারা? তাদের যোগ্যতাটাও জানা দরকার।

পোষ্টটির ছবি দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813587 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813587 2008-06-25 17:19:24
অনলাইনে আয় এবং পেমেন্ট ট্রান্সফার সমস্যা
এই বিষয়টার কোন সমাধান কি কারো জানা আছে? বিশেষ করে পে-প্যাল ব্যাবহারের বিষয়টা। আগে একজায়গায় দেখেছিলাম ভিসা প্রিপেইড কার্ড এর মাধ্যমে বিষয়টা সমাধান করা যায়, কিন্তু এখন দেখছি সেগুলোও শুধু ইউএস সিটিজেনদের জন্য সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন সাইটের মাধ্যমে ইউএস এড্রেস যদিও বা যোগাড় করা যায়, কিন্তু সোশাল সিকিউরিটি নাম্বারের কোন সুরাহা করা সম্ভব না। তাই এটাও আর সম্ভব হচ্ছে না।

এর কোন সমাধান কি এখানকার অভিজ্ঞ ব্লগারদের কারো জানা আছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813360 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28813360 2008-06-24 23:27:59
মরুজীবন-৫: পিচ্ছি সাইজের নেপালী
শুক্রবারে সারা দেশের সব নেপালী রাজধানীতে চলে আসে এবং একটা এলাকায় জড়ো হয়। সারাদিন এখানেই পরিচিতজনদের সাথে আড্ডা দেয়। সন্ধ্যায় যার যার আস্তানায় ফিরে যায়। কোম্পানী থেকে এদের পালানোর হার খুব বেশি। ইদানিং সরকার এদের ব্যাপারে খুব কঠোর হচ্ছে। মাসখানেক যাবত পুলিশ রাজধানী দোহায় এদের শুক্রবারের আড্ডাস্থল বন্ধ করে দিয়েছে। কাউকে কাছেও যেতে দেয়নি। এতে অবশ্য আমার একটা বড় ধরনের অসুবিধা হয়ে গেছে।

আমি সিনেমার পোকা বলে সময় পেলেই বসে বসে সিনেমা দেখি। নেপালীদের ওখানে খুব সস্তায় ডিভিডি ডিস্ক পাওয়া যেত। অনেকগুলো সিনেমার একেকটা ডিস্ক ৪ রিয়েল করে, যা দোকানে কিনতে গেলে একেকটার দামই ৫০-১০০ রিয়েল। এদেশে পাইরেসির বিরুদ্ধে খুব কঠোর আইন থাকায় এই অবস্থা। আর ডিভিডি সব জায়গায় পাওয়াও যায় না। বড় বড় শপিং সেন্টারের কিছু নামী-দামী ষ্টোরেই শুধু পাওয়া যায়। নীলক্ষেতের মতো ২৫ টাকা দিয়ে একটা সফটওয়ারের সিডি কিনে নিয়ে আসার কথা এখানে কল্পনাও করা যায় না। এক্সপির একটা ডিস্ক জোগাড় করতে না পেরে বহু ঝামেলা পোহাতে হয়েছে।

কাতার সম্বন্ধে আরো পোষ্ট এবং ছবিঃ আমার বাংলা ব্লগে

ভালো কথা। এখানে লিঙ্ক দেয়ার সিস্টেমটা কি চেঞ্জ হয়ে গেছে? লেখায় "লিঙ্ক যোগ করুন" অপশনটা কাজ করছে না। আগে ব্যবহার করতাম, সেটাও কাজ করছে না। আইই-৭ ব্যবহার করছি। ফায়ার ফক্স আপাতত এখানে ব্যবহার করা সম্ভব না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28812527 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28812527 2008-06-22 17:42:31
মরুজীবন-৪: কাবুলিওয়ালা বিশালদেহী পাঠান
শিক্ষার আলো এদের মধ্যে এখনো এসে পৌঁছেনি। সবাই অশিক্ষিত। এ কারনে সবাই লেবার। এদেশের ভারী ভারী যত কাজ আছে সব এরা করে। বুলড্রেজার, পকলিন, জ্যাক হ্যামার এগুলো সব এরাই চালায়। বড় বড় ট্রাক, লড়ির ড্রাইভারও বেশির ভাগ এরাই। এদের প্রায় সবারই গাড়ি আছে। রাস্তায় দাদার আমলের যত গাড়ি দেখা যায় সবগুলোর মালিক পাঠানরা। বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে ছোট ছোট টং দোকানের মতো আছে সিটি কর্পোরেশনের, যেগুলো আসলে মুচির দোকান। এগুলোর সব মুচিই পাঠান। এছাড়াও অবৈধ ট্যাক্সিগুলোর বেশিরভাগই চালায় পাঠানরা।

মজার ব্যাপার হচ্ছে কাতারে যত পাঠান আছে তার বেশির ভাগই বয়স পঞ্চাশের উপরে। কিন্তু হলে কি হবে, ভীষণ শক্ত শরীর। কম বয়সী পাঠান এখানে খুবই কম দেখা যায়। একেক জন ৩০/৪০ যাবতও আছে এদেশে। সবাই মসজিদে গিয়ে জামাতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, লম্বা দাড়ি রাখে। একেকটা এলাকাই আছে পুরো পাঠানদের দখলে। এসব জায়গায় কোন মসজিদে আজানের দশ মিনিট পড়ে গেলে আর জায়গা পাওয়া যায় না।
সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, এরা গন হারে Gay। কম বয়সী ছেলে দেখলেই প্রেমে পড়ে যায়। ফজরের নামাজ পড়েই এরা কাজে বেরিয়ে যায় এবং যোহরের আজান দিলে কাজ শেষ। এর পর কোটি টাকা দিলেও এদের দিয়ে আর কাজ করানো সম্ভব না।

ছবির লিঙ্কঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28812114 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28812114 2008-06-21 18:52:48
ফাইল শেয়ার করে পয়সা কামাই
এখানে দেখুনঃ Click This Link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28811044 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28811044 2008-06-18 21:12:12
বাংলা ব্লগের লিংক http://kapalicana.wordpress.com এখানে দিয়ে দিন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28810623 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28810623 2008-06-17 18:02:35
মরুজীবন-৩: বারো ('শ!) রকমের মানুষ-২
এখানে প্রথমে এসে কিছুদিন একটা পত্রিকা অফিসে কাজ করি। সেখানে আমার ডিপার্টমেন্টের সব কলিগ ছিল মালবারী। আমি তখন এদের সম্বন্ধে কিছুই জানতাম না। আমি হিন্দি জানি না বলে এরা ইংরেজিতেই আমার সাথে কথা বলতো। প্রথম যখন এদের নিজেদের মধ্যে নিজেদের ভাষায় কথা বলতে শুনি, ভীষণ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম বুঝতে পেরে যে এটা একটা স্বতন্ত্র ভাষা! আমি ভেবেছিলাম দু'জন বোধহয় দুষ্টোমি করে দু'জনকে ভেঙ্গাচ্ছে!

এদেশের যত মুদির দোকান এবং রেষ্টুরেন্ট আছে সব এরা চালায়। রেডিমেড গার্মেন্টস এবং স্বর্নের দোকানগুলোও সব এদের। আরবদের ঘরের ড্রাইভারও আছে অনেক মালবারী। অনেকেরই ফ্যামিলি আছে এখানেই। রাস্তায় ভারতীয় যত মহিলা দেখা যায় সবই মালবারী। এরা বাঙ্গালীর মতো শাড়ী এবং সালোয়ার-কামিজ পড়ে। এরা মুসলমান। কেরালা ছাড়া ভারতের অন্যান্য প্রদেশের মধ্যে হায়দারাবাদ, উত্তর প্রদেশ, কর্নাটক, গুজরাট এবং বিহারের লোকও আছে অনেক। এরা মূলত দোকানের স্যালসম্যানই বেশী। এছাড়া অন্যান্য প্রদেশের লোক দেখা যায় না খুব একটা।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28801396 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28801396 2008-05-22 18:12:24
মরুজীবন-২: বারো ('শ!) রকমের মানুষ-১
ভাষাগত ভাবে দেখলে এদেশে মানুষদের তিনভাগে ভাগ করা যায়। কাতারী এবং আফ্রিকা মহাদেশের মানুষদের ভাষা আরবী। উপমহাদেশের সবার সাধারণ ভাষা হচ্ছে হিন্দি। আর ওয়েস্টার্নদের ইংরেজি।

এখানে আসার আগে কাতারের কিছু বড় বড় বিল্ডিংএর ছবি দেখে ভেবেছিলাম এখানকার সবাই বোধ হয় হাইরাইজ বিল্ডিংএ বাস করে। এসে দেখি চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টা। রাজধানী ছাড়া অন্য কোথাও বড় কোন বিল্ডিংই নেই। আর পুরো রাজধানী হচ্ছে বিদেশীদের দখলে। এরা নিজেরা থাকে রাজধানীর বাইরে। এদের বাসভবন হচ্ছে ডুপ্লেক্স ভিলা। আগে এদেরকে সরকার থেকে যেসব বাড়ী বানিয়ে দিত সেগুলো ছিল এক তলা ভবন। এবছর থেকে নতুন যেসব বাড়ী হচ্ছে সেগুলোও সব হচ্ছে ডুপ্লেক্স ভিলা। যেদিকেই তাকাবেন আপনার দৃষ্টি কোন না নির্মানাধীন ভবনের উপর পরবেই!

এদেশে উপস্থিত আফ্রিকানদের বেশীরভাগ হচ্ছে মিশরী। এরা শিক্ষিত এবং কর্মঠ। এখানকার অফিস-আদালতগুলোর উঁচু পদগুলো সব এদের দখলে। ভাষা আরবী এবং শিক্ষিত হওয়ার পুরো সুবিধাটাই এরা পাচ্ছে। কাতারীরা এদের মর্যাদাও দেয় অনেক। সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং ছোটবেলায়ই খুব ভালো ক্বোরআন শিখে। এদের যে কেউ মসজিদে নামাজ পড়ানোর সাজস রাখে। হয়ও তাই। মসজিদে যেসব মুসুল্লি জামায়াতের পরে আসে, তারা যখন জামায়াত পরে তখন সেখানে কোন মিশরী উপস্থিত থাকলে সেই সাধারনত নামাজটা পড়ায়।

নির্মানশিল্পেও এদের উপস্থিতি অনেক। তবে তাদের সবাই ট্রেডসম্যান। লেবার খুব কমই আছে। কন্ট্রাকটারও আছে প্রচুর।এছাড়াও আছে বড় বড় ট্রাক ও ট্রেইলারের ড্রাইভার। এদের আরেকটা গুন হচ্ছে এরা নাম্বার ওয়ান ফটকাবাজ। কথায় এদের সাথে পারা মুশকিল। কথায় কথায় বলবে " ও আল্লাহ্!" মানে "আল্লাহর কসম!"। এরা যদি কোন দেয়ালের ইট গাঁথে, সেটাতে পেরেক ঠুকতে গেলে পুরো দেয়ালটাই পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বিশাল। তারপরেও এরা কাজ পায় মুখের জোরে। কাতারীদের সাথে দেখা হলে গালে চুমা-টুমা দিয়ে এমন গ্যাস দেয়, কাজ না দিয়ে উপায় কি? অবৈধ ট্যাক্সিও চালায় অনেকে।

আফ্রিকানদের পরে মিশরীদের পরে হচ্ছে সুদানীরা। এরা সাধারনত অফিসে চাকরী করে। অসম্ভব ভদ্র এবং সৎ। কাতারে এদেরকেই সবচেয়ে ভালো মানুষ বলা যায়। এদের পোশাক হচ্ছে কলার ছাড়া বড় সাদা পাঞ্জাবী যার দুই কাফ অসম্ভব ঢোলা। মাথায় পুরোটা গোল করে প্যাঁচানো সাদা পাগরী। এরা আরবীর সাথে ইংরেজীটাও মোটামুটি ভালোই জানে।

ইংরেজী মিশরীরাও জানে তবে সেটা হয় মারাত্মক ইংরেজী। একটা উদাহরন দেই। এখানকার ড্রাইভিং স্কুলগুলো ছাত্রদের ফ্রি ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটি দেয় স্কুলে যাতায়াতের জন্য। আমি একবার স্কুলে ক্লাশ শেষে সাইটে যাওয়ার জন্য এরকম এক বাসের মিশরী ড্রাইভারকে ইংরেজীতে জিজ্ঞেস করছি, মাইজার যায় কোন বাস? সে আমাকে বলে "তিন"। ভাবলাম উপমহাদেশের লোক দেখে বোধ হয় হিন্দিতে বলেছে। তারপরেও কনফার্ম হওয়ার জন্য আবার ইংরেজীতে জিজ্ঞেস করি "থ্রি"? সে না বোধক মাথা নেড়ে আবার বলে "তিন"। ইংরেজি বুঝে নাই ভেবে আমি এবার হাতের তিন আঙ্গুল দেখিয়ে জিজ্ঞেস করি, "থ্রি"? সে এবার ক্ষেপে গিয়ে দুই হাতের দশ আঙ্গুল দেখিয়ে আমাকে বলে "তিন, তিন"! এরপর পাশে বসা আরেক মিশরীকে আরবীতে বলছে, দেখ ইংরেজী বললাম তাও বুঝে না! আর দু'জনে কি হাসি। আমাকেই উল্টা মদন বানিয়ে দিয়েছে। তার ইংরেজি "টেন"-এর উচ্চারন হয়ে গিয়েছে "তিন"। বুঝেন এবার অবস্থা! এই কারনে এদেশে বাঁচতে হলে সবার আগে শিখতে হয় আরবী।

বিদেশীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী লোক নিঃসন্দেহে ভারতীয় উপমহাদেশের। এর মধ্যে আছে ভারতের মালবারী, পাকিস্তানের পাঠান, বাঙ্গালী, নেপালী, এবং শ্রীলঙ্কান। এদের সবার কমন ভাষা হচ্ছে হিন্দি। হিন্দি সিনেমা অপছন্দের কারনে হিন্দি ভাষাটা জানতাম না। প্রথম প্রথম এখানে এসে হিন্দি বুঝিনা বললে উপমহাদেশের লোকেরা রীতিমতো টিটকারী করতো।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28800516 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28800516 2008-05-20 18:44:22
মরুজীবন-১: কাতার
কাতারের নিজস্ব জনসংখ্যা মাত্র ৭ লাখের মতো। এক সময় এদের প্রধান জীবিকা ছিল সাগড়ে মাছ ধরা। এর পর মুক্তার চাষ। তেল আবিস্কারের পর এরা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতিগুলোর একটি। নির্মান শিল্পের মহা স্ফিতীর কারণে সারা দুনিয়ার লোক এসে হাজির হয়েছে এখানে জীবিকার তাগিদে। এখন এদেশে নিজস্ব জনসংখ্যার চেয়ে অনেক বেশী বিদেশী। সবচেয়ে বেশী লোক ভারতীয় উপমহাদেশের। তাই আরবীর পরেই এদেশে হিন্দির স্থান।

মধ্যপ্রাচ্য মানেই মরুভূমি। এদেশও তার ব্যাতিক্রম নয়। পুরো দেশটাই স্রেফ মরুভূমি। এরই মধ্যে তৈরী হয়েছে ঘর-বাড়ী, দোকান-পাট, রাস্তা-ঘাট। গাছপালা যে একদম নেই তা নয়। প্রচুর পরিমানে আছে খেঁজুর আর বড়ই গাছ। এদেশের বড়ই খুবই মজার। ধরেও প্রচুর পরিমানে। বেশীর ভাগ বাড়ীর সামনেই একটা-দুটা বড়ই গাছ পাওয়া যাবে। কিন্তু এরা নিজেরা এ বড়ই ছুঁয়েও দেখে না। বিদেশীরাই ইচ্ছেমতো নিয়ে খায়। কেউ কিছু বলে না। খেঁজুরের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। সব রাস্তার পাশে খালি খেঁজুর গাছ। এছাড়া আর যেসব গাছ জন্মে সবই ঝোপ ধরনের। শক্ত কান্ডওয়ালা উঁচু গাছ চোখে পড়ে না খুব একটা।

আবহাওয়া খুবই রুক্ষ। শীতের সময় প্রচন্ড ঠান্ডা, আর গরমের সময় স্রেফ নরক। মরুভূমির দেশে এত ঠান্ডা পড়ে তাই জানতাম না। তাই আসার আগে শীতের কাপড় তেমন একটা নিয়ে আসিনি। এসে দেখি প্রায় বরফ পড়ার কাছাকাছি ঠান্ডা। এখানে শীত নামায় বাতাস। কোথাও কিছু নেই - একদম স্বাভাবিক আবহাওয়া - হঠাৎ শুরু হয় বাতাস। প্রচন্ড বাতাস। এত বাতাস যে রাস্তায় বের হওয়া যায় না। আর প্রচন্ড ধূলা। সূর্যের মুখ দেখা যায় না। এ অবস্থা একটানা চলে কয়েকদিন। মজার ব্যাপার হলো এখানে শীতকালে বৃষ্টি হয়। সর্বোচ্চ পরিমান ঠান্ডা পড়ে বৃষ্টির সময়। একবার শুরু হলে সর্বনিম্ন এক সপ্তাহ। শহরে ড্রেনেজ সিস্টেম নেই বললেই চলে। বৃষ্টির সময় রাস্তায় কোমড় সমান পানি জমে যায়। শ'য়ে শ'য়ে গাড়ি অচল হয়ে পড়ে থাকে রাস্তায়। ট্যাঙ্কারে করে রাস্তার জমা পানি নিষ্কাশনের জন্য নিয়ে যায়। ইদানিং এরা পয়ঃ নিষ্কাশনের জন্য বড় বড় পাইপ বসানো শুরু করেছে। সব জায়গায় রাস্তার পাশে খোঁড়াখোঁড়ি শুরু করেছে। বৃষ্টির পর দেখা যায় আরবরা বড় রাস্তার পাশে বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে লাফ-ঝাপ করছে। তখন এরা মহা খুশি।

আর গরমের সময় অবস্থাটা স্রেফ নরক। সবচেয়ে বেশী গরম জুন-জুলাই-আগস্টে। এ যে কি গরম - কেউ নিজে না দেখলে কল্পনাও করতে পারবে না। প্রথমত রোদের প্রচন্ড তাপ। দ্বিতীয়ত প্রচন্ড গরম বাতাস। মনে হয় বাতাস চামড়া ভেদ করে চলে যাবে। সব সময় ফুল হাতা শার্ট পড়তে হয়। টুপি এবং চশমা মাস্ট। বড় রুমাল দিয়ে মাথা-ঘাড় সব ঢেকে রাখতে হয়। সারাক্ষণ গলা শুকিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর পর কুলারের ঠান্ডা পানি খেতে হয়। এদেশের প্রতিটা মসজিদে এবং অনেক বাড়ীর সামনের দেয়ালে রাস্তার পাশে কুলার বসানো থাকে, যেখানে বরফ শীতল পানি পাওয়া যায়। নির্মান শিল্পে লেবার ভিসায় যেসব শ্রমীক এখানে আসে, এরা যে কি অমানবিক কষ্ট করে টাকা রোজগাড় করে দেশে পাঠায়, দেশে বসে তা কল্পনা করা সত্যিই অসম্ভব!

(চলবে..তবে কত দিন জানি না <img src=" style="border:0;" /> !)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28796620 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28796620 2008-05-11 17:47:42
ঝড়ের ছবি http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28745997 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28745997 2007-11-17 17:48:20 "বিরানী খামু, ওহো বিরানী খামু"
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28735973 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28735973 2007-10-07 09:25:20
ওয়ার্ডপ্রেসে বাংলা ব্লগ
তাইলে টেরাই করেন! এর চেয়ে সোজা আর কোন সিস্টেম মনে হয় নাই!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28718090 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28718090 2007-06-27 16:38:33
ব্লগার জরিপঃ আপনার মত দিন
আগের পোষ্টের জরিপের ফলাফল -

ব্লগ ছাড়ছেন -
১. চোর
২. ধূসর ছায়া

ব্লগে থাকছেন -
১.অমুক
২.শাওন
৩. ভাস্কর চৌধুরী
৪. আড্ডাবাজ
৫. তারেক রহিম
৬. জ্বিনের বাদশা
৭. হেজাব
৮. মিয়া মোঃ হোসাইনুজ্জামান
৯. এস্কিমো
১০. মুহম্মদ জুবায়ের]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714715 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714715 2007-06-05 15:19:15
কে কে এখনো আছেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714568 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714568 2007-06-04 18:40:10 এগার সিন্ধুর প্রভাতীর যাত্রীরা
দলের একমাত্র পুরুষ ৮৪ বছরের মোসলেম, যার স্ত্রী মারা গিয়েছে মাত্র ২ মাস আগে। সর্বকনিষ্ঠের বয়স ৩৫। স্বামী তাকে ছেড়ে আবার বিয়ে করেছে দোকানের জন্য ২০ হাজার টাকা যৌতুক না দিতে পারার অপরাধে।

৫ ছেলের জননী ৭০ বছরের চানবানু। ৯ বছর বয়সে বিয়ে হয় ৩৫ বছরের এক সম্পন্ন গৃহস্থের সঙ্গে রায়টের বছর, যে মারা যায় স্বাধীনতা যুদ্ধে।

দুটি কন্যার জননী সুফিয়া খাতুন তার কন্যাদের একজনকে পুরো পরিবার সহ রেখে দিয়েছে নিজের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের অভাবে, যার একটি ছেলে জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী।

এরা সবাই এগার সিন্ধুর প্রভাতী'র যাত্রী। প্রতি মঙ্গলবার আসে ঢাকায়।

ক্যানভাস অফ লাইফ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714329 http://www.somewhereinblog.net/blog/ukiblog/28714329 2007-06-03 19:08:58