আমার প্রিয় পোস্ট
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- জি পি এস সাপোর্ট ছাড়াই আপনার অবষ্থান উদ্ধার করুন - সাঈফ শেরিফ
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ব্লগীয় অভিধান কাটাছিঁড়া: 'ছাগু' ও 'কেপি টেস্ট' - ইয়র্কার
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- বিশ্ববাজারে খাদ্যঘাটতি ও বাংলাদেশ: “ক্ষুধিতের বিপ্লব শুরু হতে আর দেরী নেই” - তীরন্দাজ
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- আমার লিখা প্রথম কবিতা! - জারীর
- নারীমূর্তি ভাঙায় ব্যস্ত পুরুষ ঈশ্বর (উত্সর্গঃ উত্স) - দীক্ষক দ্রাবিড়
- ভাষা আন্দোলন ২০০৮ - অপ বাক
- সাইদী : নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে - নরাধম
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরে যোগদিন (ভর্তি বিজ্ঞপ্তি) - বহুরূপী মহাজন
- শহরে ষোল জনা বোম্বেটে / করিয়ে পাগলপারা / নিলো তারা সব লুটে - মাহবুব মোর্শেদ
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- ব্রাউজিং স্পীড বাড়ান, ব্রাউজ করুন স্বাচ্ছন্দে-০১ - পথের মানুষ
- বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের নীতিমালা কেমন? - তানভীর
- সুশীল(?) সমাজের এনজিও ব্যবসা-মা হ মু দু র র হ মা ন - অভিযাত্রী
- উদ্দেশ্যহীন যন্তর - ফাহা
- ইন্টারনেট যখন সফটওয়্যার প্লাটফর্ম ... - আদনান™
আব্বার গাড়ি
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
নওগা থেকে ৪/৫টি তরুন উঠেছিল এস আর পরিবহনে, টুপি-পাজামা-পাঞ্জাবি, জুতা, দু-একজনের দাড়ি। বগুড়া হয়ে ঢাকার পথে ফুড ভিলেজে বিরতি। সকাল ১০-১০:৩০ হবে। বাসটা ছিল ঠেলাগাড়ি, মানে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে স্টার্ট করতে হয়। ৩০ মিনিট পর যাত্রীদের তাড়া আর ড্রাইভারকে বকাবকিতে জানা গেল কয়েকজন যাত্রী তখনো আসেনি। তাদেরকে খুজে আনলো গাড়ীর সুপারভাইজার। যাত্রীদের বক্রোক্তির জবাবে তারা বললো, মাইকিং শুনতে পায়নি। এটা কি আপনাদের আব্বার গাড়ি যে এতক্ষণ সবাইরে বসায়া রাখলেন- এক যাত্রীর জিজ্ঞ?সা। একজন জবাব দিল, ইচ্ছে করলে তারা ৩ ঘন্টা গাড়ি আটকায়া রাখতে পারে, জাহাঙ্গীরনগরে তাকে একডাকে সবাই চিনে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে তারা নেমে যাওয়ার পর আরো কয়েকজনকে নিয়ে আবার উঠে এল। মোবাইলে খবের দিয়েছিল হ্য়তো। যে যাত্রী তীর্যক মন্তব্য করেছিল, তাকে বলল, ভাই একটু নামেন, পরিচয় করি। যাত্রী না নামলে ওখানেই তাকে মারধর শুরু করলে বাসে হট্টগোল আর মেয়েদের কান্নাকাটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হওয়াতে এবং তাদের কাছে অস্ত্র থাকতে পারে এই ভয়ে কেউ তেমন কিছু করতে পারেনি। বাস সভার এলে কয়েকজন যাত্রীর সহযোগিতায় আহত যাত্রী থানায় রিপোর্ট করতে যায়। মেইন রোড থেকে একটু ভেতরে থানায় বাস নিয়ে যাওয়ার পর তারা বলে ঘটনাস্থল অন্য থানার অধীনে, তাই সেখানে যোগাযোগের চেষ্টা করতে থাকে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অন্য বাসে চলে আসি। গাড়ীর সুপারভাইজার বলছিল, এদের সাথে কেউ পারে না, অভিযোগ করা নিস্ফল। কিছু করতে গেলে গাড়ী পুড়িয়ে দেবে, সবাইরে পিটাবে।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য মনে হয় সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাড়িয়ে যাচ্ছে!
মদনবাবু বলেছেন:
এই এক নাবাল আবালের জন্য পুরো জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য নিয়া টান দিলেন?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের "লিগেছি"
আবূসামীহা বলেছেন:
ওখানে সেঞ্চুরী হয় জানেনতো?ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে বছর খানেক পড়েছিলাম বিদেশে চলে যাওয়ার আগে। প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যার সাথে কিছুটা নাড়ির সম্পর্ক আছে। ভাবতেই খারাপ লাগে।
খারেজি বলেছেন:
উন্মনা, আপনার অনুভূতির সাথে একাত্ম।ক্ষমতার এই স্বাদ মানুষকে পশু বানায়, ঢা বিতে দেখেছি নিজেই।
কিন্তু জা বি একমাত্র জায়গা যেখান থেকে সেঞ্চুরিয়ানদের হাজার হাজার ছেলে মেয়ে মিলে বহিষ্কার করছে, ক্ষমতাসীন হয়েও তারা রেহাই পায়নি।
আরও একটা কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক- এখানকার ছেলেমেয়েরা শিবিরের দখল প্রতিহত করেছিল অসাধারণ এক প্রতিরোধ গড়ে তুলে।
ফলে কেউ আবু সামীহা র কথায় দুঃখ পাবেন না। মক্কাতেই নবীর জন্ম হয়েছিল, জাবিতেই শিবিরের দখলদার আর ছাত্রগীগের ধর্ষক উভয় নিপাত গিয়েছিল।
শাওন বলেছেন:
অসয্যকর ঘটনা
সাইফুর বলেছেন:
আব্বার গাড়ি
নেহার পুরকায়স্থ বলেছেন:
দেশটা যেন মগের মুল্লুক হয়ে গেছে!
মানুষ বলেছেন:
বলে লাভ নাই।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
এই অবস্থা !!!!
কতবতবকতকত বলেছেন:
unmona apu, khub chomotkar kore likhesen apni. ghotonata mone rakhar moto...
মুহিব বলেছেন:
আপনার অনুভূতির সাথে একাত্ম।
দিনমজুর বলেছেন:
উন্মনা,
কিছু মনে করবেন না- আপনার লেখাটি ভালো লাগলো না!
এ ধরণের ঘটনা তো মিডিয়ার বদৌলতে আমরা নিত্যই জানতে পারি। ফলে- সালেহ, শাহরিয়ার, শাওন.... প্রমুখের কাছে এটাইতো বিশ্বিদ্যালয়ের অবস্থা- ছাত্ররা মানে এরকমই।
সেঞ্চুরিয়ান মানিক, আনিসের নাম এরা যতবার নিবে ততবার তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলবে না!!!
তাই পোস্টের চেয়েও খারেজীর কমেন্ট অনেক বেশি ভালো লাগে- আজ যে, আমাদের আত্মবিশ্বাসটি অর্জন অনেক বেশি পরয়োজন, আমাদের গৌরবের, আমাদের লড়াইয়ের গল্প তাই বেশি করে বলা উচিত।
উন্মনা রহমান বলেছেন:
ওই উদ্ধত সন্ত্রাসী ছেলেগুলি শিবিরের ছিল। ঐ সময় ঈদের বন্ধ না থাকলে যে কী করত কে জানে। শেষের বাক্যে হ্য়তো মনে হচ্ছে সব ছাত্রকে দোষারোপ করা হয়েছে, কিন্তু সাধারণ যাত্রীরা তো ভাববে যে ওখানকার সব ছাত্রই বুঝি এরকম। ছাত্রদের আগে মানুষ স্নেহ করতো, এখন এধরনের ঘটনায় তার বদলে ঘৃনা ও ভয় করবে।
যাই হোক, দিনমজুর, আপনি যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন, যদিও সংখ্যায় কম, কিন্তু খুব উচুমানের। আর আমি এখানে দৈনন্দিন বিষয়ে ২-৪ টা পোস্ট দিয়েছি মাত্র। আমার ব্লগে আসার জন্য ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
উন্মনা,
আমার উপরের আলোচনা / পোস্টের সমালোচনার জায়গাটি মনে হয় আপনাকে পরিস্কার করতে পারিনি,.....
আমি বলতে চাইছি- প্রতিদিনই ছাত্রদের চরিত্র নিয়ে নানা ঘটনার কথা আমরা সবাই জানতে পারি...... আপনার এই পোস্ট সেধরণেরই একটি সংযোজন...... এর সমালোচনার জায়গাটি হলো, এটির উপস্থাপন ভঙ্গিটি......
ঐ যে, আপনি বললেন- "ছাত্রদের আগে মানুষ স্নেহ করতো, এখন এধরনের ঘটনায় তার বদলে ঘৃনা ও ভয় করবে।" বিষয়টি এরকম না, ছাত্রদের বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিরুদ্ধে আমার মনে হয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই মানুষের মনকে বিষিয়ে তোলার সমস্ত আয়োজন হচ্ছে.... কেননা- এখনও দেখবেন, ছাত্ররাই দেশের যেকোন ঘটনায়, জাতির যেকোন দুর্যোগে সবার আগে, সবচেয়ে ত্বরিত ভূমিকা পালন করে, গত সিডরের সময়- এই শীতে- বন্যায়-মঙ্গায় ছাত্রদেরই ছোটাছুটি করতে দেখবেন...... তাহলে, কেন ছাত্রদের মানুষ ঘৃণা করবে???
ঘটনা হচ্ছে, বাস্তবতা হচ্ছে- ছাত্ররা আর আগের মত সে আস্থার জায়গায় নেই!!! কেন?? আপনার মতে তারা এসব কুঘটনা ঘটায় সেজন্য। আমি এখানেই আপনার সাথে দ্বিমত করি....
কেননা, ছাত্রদের কত অংশ এ ধরণের ঘটনায় জড়িত?? তারপরেও সমস্ত ছাত্রদের কথা চলে আসে? আসে, কেননা- এ ধরণের কুঘটনার উপস্থাপন ভঙ্গিটি!!!
সন্ত্রাস সেই ইয়াহিয়ার ঠ্যাঙ্গারে বাহিনীও করেছিল, এরশাদের অভি-নিরু বাহিনীও করেছিল, কিন্তু সেসয়ে সে ঘটনাগুলোকে উপস্থাপিত করা হয়েছে- সবসময়ই- ইয়াহিয়ার ঠ্যাঙ্গারে বাহিনী বা জাতীয় ছাত্র সমাজের গুণ্ডা বাহিনী হিসাবে- তাদের ছাত্র হিসাবে বলা হয়নি, তার চেয়েও বড় কথা- এসব ঘটনার চেয়েও ছাত্রদের লড়াই-সংগ্রামের কথা বেশি প্রচারিত হতো (দেখবেন, ঢা.বি.'র ইয়াহিয়ার ঠ্যাঙ্গারে বাহিনীর কথা বা জাতীয় ছাত্র সমাজের ভূমিকার কথা খুব বেশি মানুষ জানেও না!!!)। কেননা- আমাদের লড়াইএর, সংগ্রামের, আমাদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশটুকুই আসলে প্রধান!!!
আপনি যে গল্পটি বলেছেন- সেটির শেষ লাইনটিই আপনার এই গল্পটির উদ্দেশ্যটিকেই(কেননা, আপনার বিভিন্ন কমেন্ট থেকে আপনার সম্পর্কে যে ধারণা হয়েছে) ব্যহত করেছে। কেননা, এখানেও ঐ কতিপয় গুণ্ডাকে উপস্থাপন করা হলো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসাবে!!!!!!!!
আর যখন ঐতিহ্যের কথা যখন বললেন- তখন ঐ গুণ্ডাদের কাজ-কারবারে আপনি সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যকেই টান মারলেন!!!!
আসলে, এ কাজটিই করা হয় আমাদের মিডিয়াতে!!!!!
যখন, এভাবে প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করা হয়- তখন সেই প্রতিষ্ঠানের দাঁড়াবার শক্তিটিকেও নষ্ট করে দেয়া হয় বলে আমার মনে হয়!!!
যেভাবে, ছাত্র রাজনীতিই নিয়ে যেভাবে সকলে কথা বলে!!!!!!
এ করে করে, সমস্ত সম্ভাবনাকেই ধংস করার আয়োজন চলছে যেন!!!!!!!!!!
দিনমজুর বলেছেন:
স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে কি এসব কুকর্ম-কুকীর্তির কথা চেপে যেতে হবে???
আমি কিন্তু সেটা বলছি না, সেই ঘটনা এমন ভাবে উপস্থাপন করতে হবে যে, এতে কোনভাবেই সাধারণভাবে কোন অংশের মানুষের উপর ঘৃণা বা তাচ্ছিল্য যুক্ত হয়!!!!
আপনি, এই ঘটনাটিই এমনভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন- যাতে শিবিরের রাজনীতির প্রতি ঘৃণা তৈরি হতে পারতো, বা বুর্জোয়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা তৈরি হতে পারতো, বা এমনকি বর্তমান সমাজব্যবস্থা/ এর শিক্ষাব্যবস্থা অনেক কিছুকেই আপনি টার্গেট করতে পার্তেন.........
যাহোক, আমার মতামতটি জানালাম মাত্র...
এমনিতে আমার মনটা অবশ্য খুব ভালো নেই.......
ভালো থাকবেন,
আপনাকে ধন্যবাদ।
উন্মনা রহমান বলেছেন:
মানলাম আপনার কথা। আমার প্রকাশভঙ্গিটা ঠিক হয়নি।
তবে ঐ সময় সেঞ্চুরিয়ানের কথাও আমার মনে হয়েছিল। ওর কি বিচার হয়েছিল? এত সুন্দর একটা ক্যাম্পাসে একজন ১০০ টা ধর্ষণ করে সেটা উদযাপন করবে, এ বিষয়টা কিন্তু পাবলিক হজম করতে পারেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব হয়ে আসছে। আবার দেখেন পুলিশ ও কিছু করে না।
ছাত্ররা সবরকম আন্দোলনে ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে এগিয়ে যায় এটা আমরা স্বীকার করি। আশা করব মুষ্টিমেয় কুলাঙ্গারদের অন্য ছাত্রেরাই প্রতিহত করবে।
দিনমজুর বলেছেন:
হুম, আপনার কমেন্ট দেখেই লগ ইন করলাম-........
দেখেন আমার আগের কথা আবার বলছি, (বিরক্ত হবেন না!!)-
আমি আসলে চাই- যারা অপরাধী তাদের একদম প্রোপার নাউন ধরে বলা হোক- কোন কমন ফেনোমেনাতে না ফেলেই, এবং তার ঐ অপরাধের রুটকেও ধরে বলা হোক...... এটাই উচিত.... কিন্তু বর্তমান শাসক গোষ্ঠী বা তাদের বংশবদ মিডিয়া তা করবে না। ফলে, একজন ১০০ টা ধর্ষণ করেছে বা একজন ছাত্র না বলে- একজন মানিক/আনিসের কথা বলাই শ্রেয়, এবং ছাত্র রাজনীতির কথা না বলে- ছাত্রলীগের রাজনীতির কথা বলাই এখানে শ্রেয়। (মানিকের জন্য ছাত্রলীগের নাম নেয়া ঠিক কিনা এ প্রশ্ন করলে বলবো ঠিক, কেননা, এই বুর্জোয়া ধারার রাজনীতি মানুষকে কোনো নৈতিকতা দিতে পারে না- পারে শুধু তাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে- এবং ছাত্রলীগ বা বুর্জোয়া ধারার ছাত্ররাজনীতির জন্য পুরো ছাত্ররাজনীতিকে দোষারোপ করাও সঠিক নয়)।
এ বিষয়টা মাথায় রাখা অতীব জরুরি, কেননা- শাসক গোষ্ঠী- এসব অপরাধকে তৈরি করে, কিন্তু তারাই আবার এসবের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে জেনারালাইজড করে বলে।
এতে ফলাফলটা গিয়ে দাড়ায়- সাধারণভাবে সবার উপর গিয়ে রাগটি গিয়ে পড়ে, কিন্তু আসল হোতা শেষ পর্যন্ত পার পেয়ে যায়। যেমন, ওদের মিডিয়ার প্রচারে ঐ ঘটনায়- জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেই যেন দেশ জুড়ে একটা কলঙ্ক রটে যায়, অথচ- মানিক/আনিসরা যেন কিছুই না!! (ছাত্রছাত্রীদের সেই আন্দোলনটা না হলে, ওদের প্রতিরোধ না করা হলে- দেশের কেউ এই নামগুলো সে ভাবে জানতেও না!!)। আবার দেখেন, সে সময়ে ধর্ষকদের পক্ষে শিক্ষকদের ভূমিকা হিসাবে প্রচারে এসেছিল- স্পেসিফিকভাবে ভিসির ভূমিকা, সেলিম আল দীনের ভূমিকা আমরা সেভাবে জানতে পারিনি- আর তাই তো, শিক্ষক রাজনীতি বা শিক্ষকদের উপর আমাদের যত রাগ থেকে গেছে, তার বিন্দু পরিমাণ ঐ ভিসি, ঐ সেলিম আল দীনদের, ঐ আওয়ামি পন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তৈরি হয় না!!!!!
যেমনটা, সাধারণ ভাবে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে যত গলা ফাটিয়ে ফেলি- অথচ- যে রাজনীতির বলয়ের / প্রভাবের/ অন্যায়ের কারণে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে বলি বা বন্ধ করেও দিতে বলি- সেই ছাত্রলীগ নতুবা ছাত্রদলকেই কিন্তু ক্যাম্পাস নির্বাচনে ভোট দিয়ে আসি......
এর কারণ- এরা কখনও বলবে না- ছাত্রদলের বা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, এরা সর্বদাই বলবে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বা ছাত্র রাজনীতির সন্ত্রাস!!!!!
যাহোক, আপনার পোস্টে কমেন্ট করার সুযোগ দেয়ায় অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
শীঘ্রই সা.ইন থেকে বিদায় নিবো বলে মনোস্থির করেছি.... আশা করি দেখা হবে অন্য কোথাও------ সচলায়তনে বা প্যাচালিতে বা নগরবালক বা অন্য কোথাও.......
উন্মনা রহমান বলেছেন:
@ দিনমজুরবিদায় নেবেন কেন? অন্য ব্লগ সাইটে যাওয়া হয় না, এটাতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
বই টই বের হলে বলবেন।
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন:
ঘটনাটা পড়ে খারাপ লেগেছে। ছাত্র সমাজকে আরো বেশী রক্ষণশীল হতে হবে। আর ছাত্র রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।বিঃদ্রঃ দয়া করে আমার উপরের পোস্টগুলো মুছে দেবেন। ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা থাকার কারণে বার বার লিখার পরেও মন্তব্যটা পোস্ট হয়নি।


















