somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সতী পুরুষ নিঝুম মজুমদার ও তার ড. আসিফ নজরুলের চরিত্র হননমূলক পোস্টের সার্জারী

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা জোকস দিয়েই শুরু করি তাহলে।

একদা একজন উকিল ক্রস এক্সামিন করছিলেন এক পুলিশ অফিসারকে। তো জেরা চলছিলো এভাবে...

উকিল: অফিসার, আপনি কি আমার মক্কেলকে ঘটনার স্থান থেকে পালাতে দেখেছেন।
পুলিশ: না স্যার, কিন্তু পরবর্তীতে অভিযুক্তের চেহারার বর্ননার সাথে মিল আছে এমন একজনকে কয়েক ব্লক দূরে দৌড়াতে দেখেছি।
উকিল: কে এই চেহারার বর্ননা আপনাকে দিয়েছে।
পুলিশ: সেই অফিসার যে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলো।
উকিল: এই তথাকথিত অভিযুক্তের বর্ননা যিনি দিয়েছেন তিনি আপনার সহকর্মী। আপনি কি আপনার সহকর্মীকে বিশ্বাস করেন?
পুলিশ: হ্যাঁ স্যার, আমার জীবন দিয়ে।
উকিল: আপনার জীবন দিয়ে বিশ্বাস করেন। তাহলে আমাকে একটা প্রশ্ন করতেই হয় আফিসার, পুলিশ স্টেশানে আপনাদের কি কোন লকার রুম আছে? যেখানে দৈনন্দিন কাজের জন্য আপনাদের কাপর-চোপড় পরিবর্তন করতে হয়।
পুলিশ: হ্যাঁ স্যার। আমাদের আছে।
উকিল: আপনার কি কোন লকার আছে ঐ রুমে?
পুলিশ: হ্যাঁ স্যার, আছে।
উকিল: আপনার কি কোন তালা আছে লোকারের জন্য?
পুলিশ: হ্যাঁ স্যার, আছে।
উকিল: তাহলে এখন বলুন অফিসার আপনার সহকর্মীদের সাথে শেয়ার করা রুমের লকারে কেন আপনার তালা দেয়ার প্রয়োজন যখন আপনি তাদের কে জিবন দিয়ে বিশ্বাস করেন??
পুলিশ: আপনি তো জানেন স্যার কোর্ট কমপ্লেক্স এর সাথেই আমাদের পুলিশ স্টেশান এবং মাঝে মধ্যে উকিল সাহেবরা আমাদের লকার রুমের পাশ দিয়ে হেঁটে যান।

ওটা নিতান্তই একটা জোক্স, বাদ দেন জোক্সের কথা।

আইন ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন সেই সূদুর অতীত থেকে। সেই সব প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়ে থাকে যে আইন ব্যাবসায়ীদের মিথ্যা বলা শেখানো হয়না। তারা কেবল মাত্র সত্যকে টুইস্ট করেন। সত্যকে টুইস্ট করা আর মিথ্যা বলার মাঝে ফারাক কতটুকু তা বিচার করার মতো জ্ঞান আমার নেই বলেই মনে করি। তবে আজকাল দেখতে পাই আইন ব্যাবসায়ীরা নিজেই যে শুধু মিথ্যা বলেন তা নয় বরং সাক্ষীদেরকেও আগে ভাগে কোর্টে গিয়ে কিভাবে মিথ্যা বলতে হয় তার ট্রেনিং দেন এমনকি সাক্ষী হাতে সম্ভাব্য প্রশ্নের উত্তরও লিখে আনে। এ যেমন কোচিং সেন্টার থেকে পাওয়া পরীক্ষায় আসার সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তরের লিস্ট।

যাই হোক পোস্টের মূল প্রসংগে চলে আসি:
নিঝুম মজুমদার, ব্লগের একজন জনপ্রিয় লেখক। আমিও তার লেখা পড়ি। যতদূর জানি তিনি বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংগঠিত মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের আ্যাডভোক্যসীর কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ব্লগে তিনি এ বিষয়ক লেখা দিয়ে বিচার কাজ ত্বরান্বিত করার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকের কাছ থেকে সাধুবাদ পাচ্ছেন। আমরা তার এ মহৎ কর্মকে অবশ্যই মোবারকবাদ জানাই। এ ধরনের কাজের জন্য যথেষ্ট ধৈর্য ও প্রজ্ঞার দরকার আমার মনে হয় নিঝুম সাহেবের সেটা আছে। গত ৩রা জানুয়ারী তিনি একটি পোস্ট দিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নন্দিত শিক্ষক ও বিশিষ্ট আইনবিদ ড. আসিফ নজরুল কে রং পাল্টানো গিরগিটি আখ্যা দিয়ে।
আসিফ নজরুলঃ এক রং পাল্টানো গিরগিটি

সেখানে নিঝুম ড. আসিফ সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিখেছেন

১. গত ৩১ শে ডিসেম্বর বাংলাভিশনের “ফ্রন্ট লাইন” নামের একটি টকশো তে চলমান যুদ্ধাপরাধ নিয়ে এবং এই ট্রাইবুনালের বিচারক, আইনী প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। একটি পর্যায়ে তিনি দাবী করে বসেন যে, রাজাকার দেইল্যা ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী যুদ্ধাপরাধী নয়।

২. মনে হচ্ছিলো, অর্থের কাছে, ক্ষমতার কাছে, বৈভবের কাছে কি মানুষ এত নোংরা ভাবে বিক্রি হয়ে যায়? কিংবা যেতে পারে? এও কি সম্ভব? আসিফের লেখা বই থেকেই আমরা জানতে পারি যে জাহানারা ইমাম তাকে কতটা বিশ্বাস করতেন।

৩. যেহেতু তিনি আইন বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন এবং এই আইনের উপর পি এইচ ডি ডিগ্রীও নিয়েছিলেন, সেক্ষেত্রে বুঝে ও জেনেই মন্তব্য করেছিলেন বলে যদি ধরে নেই, তবে আজ মাত্র ২ বছরের মাথায় আসিফ কেন এই একই আইনের সমালোচনা করছেন? কত টাকা পেলে এমন ভোল পালটে ফেলা যায.।

এ ধরনের আরো হিংসা, বিদ্বেষ প্রসূত, চরিত্রহননমূলক উদ্দেশ্য প্রনোদিত কথাবার্তা। ড. আসিফ আমার দল, মত বা আদর্শের কেউ নয়। তবে একজন শিক্ষিত ব্যাক্তি যিনি বিদেশে পড়াশোনা করে বার করার মতো মর্যাদা অর্জন করেছেন, সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধের বিচার করার মতো চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয়ের সূরাহা করার জন্য আ্যডভোকেসী করে যাচ্ছেন তার কাছ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক যিনি মোটামোটি সত্য কথা বলার চেস্টা করছেন সত্যবাদীতার এই মহা আকালের সময়ে তাকে তুই তোকারী, গালি গালাজ করে সত্যা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ব্যাক্তি চরিত্রহনন মূলক পোস্ট দিয়েছেন। যা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আমার দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়। এবং আমি নিঝুম সাহেবকে পোস্ট বিষয়ক দু একটা প্রশ্ন করি?


এটা হচ্ছে ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণু একজন সতি নিঝুম মঝুমদারের আচরন আর ট্যাগকরন।



একজন ব্লগারের পর্যবেক্ষন, যিনি ব্রেক ডাউন করেছেন আসিফ নজরুলের দৃষ্টিভংগি ও আলোচনা।

এবং একপর্যায়ে নিঝুম তার সত্যবাদীতা(!) ও সাহসের(!) বাহাদূরি ফলাতে গিয়ে বললেন এই পোস্টটির জন্য তাকে জেনারেল করা হয়েছে। আমি প্রতিবাদে বলেছিলাম আইনের লোক হয়ে র‌্যানো মিথ্যা কথা বলছেন। তিনি আমাকে উল্টা মিথ্যা বাদি বলে জামাতী হিসেবে ট্যাগায়িত করলেন।


এটা হচ্ছে মূল কারন যে কারন নিঝুম মজুমদারকে জেনারেল করা হয়েছে। যদি পোস্টের কারনে জেনারেল করা হতো তাহলে তার পোস্ট মুছে দেয়া হতো। আমার জানামতে এটাই সামুর নিয়ম।

সবশেষে সেই তথাকথিত সাহসী ব্লগার নিঝুম আমাকে ব্যান করে রাখলেন তার ব্লগে আর বললেন তিনি নাকি আগে আমাকে লোকেট করতে পারেন নি?

তথাকথিত সাহসী নিঝুম মজুমদারের ব্যান করনের নিদর্শন যেনো তার ওখানে গিয়ে আর কোন বিতর্ক না করা যায়।

উপরের ছোট্ট আলোচনা আর তার পোস্ট, আসিফ নজরুলের টকশো ফ্রন্ট লাইন, ড. আসিফকে তুই তোকারী করে গালি গালাজ এবং তার (নিঝুম) পোস্টের মন্তব্য ৪৬,৪৭,৫১,৫৬ ও এগুলোর উত্তরে অসংলগ্নতা দেখে আপনারাই বলুন আসিফ নজরুল উত্তম না তার মতো ঘেউ ঘেউ করা সার্টিফিকেট ধারী উত্তম?

সমাজের বিভিন্ন ব্যাক্তিকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে পোস্ট করা নিঝুম মজুমদারের একটা পুরানো অভ্যাস। তার মতের পক্ষে প্রপাগ্যান্ডা মিনিস্টার গোয়েবলসের মতো সায় না দিলে সবাইকেই রাজাকার হতে হচ্ছে অথবা জামাতি স্পাই হতে হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় অচিরেই সমাজের আরো কিছু মহান মুক্তিযোদ্ধা ও দেশ বরন্যে জ্ঞানী ব্যাক্তিদের চরিত্রহননমুলক উদ্দেশ্যা প্রনোদিত পোস্ট আসবে বলে আশা রাখি।

তার এই নিচ মনমানসিকতার পোস্টগুলো দেখে সাবেক আয়ামেরিকান প্রেসিডেন্ট বুশের একটা উক্তি মনে পরে যায়। বুশ তখন এতোই উদ্ধত ছিলেন যে তিনি বলেছিলেন "Either you are with us, or you are with the terrorists.

আজকাল আওয়ামী নেতা কর্মী, আওয়ামী বান্ধব বুদ্ধিজীবি এমনকি হালের নিঝুম মজুমদারদের কথাও বুশের মতো শোনা যায়। কিছুটা এরকম
"Either you are with us, or you are with the rajakars.

সবশেষে নিঝুম সাহেবকে আপনাদের আব্বা শেখ মুজিব (শ্রদ্ধেয় মানুষ, আমার ব্যাক্তিগত শ্রদ্ধা এ মূহুর্তে প্রকাশ করলাম না) তার রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর একটা গল্প বলবো।

সোহরাওয়ার্দীকে ইংরেজ বিচারকরা খুব হিংসা করতো তার বুদ্ধীদিপ্ত ওকালতির জন্য। একদিন এক ইংরেজ জাজ বিচারকক্ষে তাচ্ছিল্য করে বলছে মি. সোহরাওয়ার্দী আপনি এতটুকুন মানুষ যাকে আমার পকেটের মধ্যে পুরে রাখতে পারি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাৎক্ষনিক উত্তর দিয়েছিলেন, তাহলে যে আপনার মাথার চেয়ে পকেটেই বেশী বুদ্ধি থাকবে মিলর্ড।

নিঝুম সাহেবকে বলবো মিথ্যাচার না করে, মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ না করে, বানোয়াট লেখা না লিখে, দ্বিমত কারী ও মতের বাইরের লোকদের গালিগালাজ না করে সুন্দর ও শালীন ভাবে সমালোচনা করুন। আর যদি অশালীন ব্যবহার চালিয়ে যাবেন বলেই শপথ নিয়ে থাকেন তাহলে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলা, ব্যবসা করা, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আ্যাডভোকেসী করা
দয়া করে বন্ধ করে দিন। এটাই আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ।

প্যাট্রিক মুরে একবার বলেছিলেন
একজন উকিল যেকোন কিছুই করতে পারে একটি মামলা জেতার জন্য, এমনকি মাঝে মধ্যে সত্য কথাও বলে ফেলেন। দয়া মাঝে মাঝে অন্তত সত্য কথা বলুন নিঝুম সাহেব।

অফটপিক: যেহেতু আমি নিঝুম মজুমদারের ব্লগে ব্যান তাই কথাগুলো অপরিহার্যভাবে একটা পোস্টের মাধ্যমে বলতে হলো।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৮
২০টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×