আমার প্রিয় পোস্ট

ঈশ্বরের সন্ধানে

১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

ঈশ্বর, আর মানুষের সাথে তার/তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানারকম ভাববাদী আলোচনা সম্ভব, তাকে তুষ্ট করার জন্য, বা তাদেরকে আনুগত্য দেখিয়ে সুবিধা লাভের জন্য বিভিন্ন প্রথা সভ্যতার সমান পুরোনো, বা তার চেয়ে বেশীই পুরোনো৷ ভাববাদে আমার আগ্রহ নেই, কুসংস্কারকেও ভয় হয় না, রাশিচক্র পড়ার প্রয়োজন বোধ করি না, হাতও দেখাইনা কাউকে৷ কিন্তু প্রশ্ন তবু থেকেই যায়, ঈশ্বরের ঘটনাটা কি? কেউ কি আছে এরকম? থাকলে একজন না অনেকজন? কোন বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রমান বা অপ্রমান কি করা যেতে পারে? জ্যামিতির উপপাদ্য বা এ্যালগরিদমের প্রুফ দেয়ার মতো? উত্তরটা যেদিকেই যাক, একটা মেনে নেয়ার মতো সায়েন্টিফিক প্রুফ কি হতে পারে, অথবা এরকম প্রুফ করার জন্য যথেষ্ট ইনফরমেশন আছে কি না আমাদের?

আলকেমিদের উদাহরনটা এপ্রসঙ্গে উল্লেখ করার মতো মনে হয়৷ মধ্যযুগে আলকেমিদের টার্গেট ছিল লোহা বা এরকম সহজলভ্য ধাতু থেকে স্বর্ন তৈরী করা৷ আলকেমিরা জানতো না আদৌ লোহা থেকে সোনা বানানো যায় কি না৷ সম্ভব না অসম্ভব কোন পক্ষেই সিদ্ধান্তে পৌছার মতো যথেষ্ট তথ্য/জ্ঞান তখন তাদের ছিল না৷ তবে এর ভাল দিকটা হচ্ছে লোহাকে সোনা বানানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আলকেমিরা অনেক গুরুত্বপুর্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়া আবিস্কার করে, পরবর্তিতে যেগুলো রসায়ন শাস্ত্রের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হতো৷ উনবিংশ শতাব্দিতেই পরিস্কার হতে শুরু করলো আসলে কোন ধরনের রাসায়নিক প্রক্রিয়াতেই লোহা থেকে সোনা বানানো সম্ভব নয়৷ বিংশ শতাব্দিতে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের কল্যানে এখন আমরা জানি কেবল মাত্র নিউক্লিয়ার রিএ্যাকশনেই লোহা বা এরকম এক ধরনের মৌলিক পদার্থ থেকে আরেক ধরনের মৌলিক পদার্থ তৈরী করা যেতে পারে, রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব নয়৷ আলকেমিদের কথাটা বললাম এজন্য যে কয়েকশ বছরের পরে অবশেষে বোঝা গেল যে লোহা থেকে সোনা বানানো যায়, তবে এটাও সত্য যে, কোন ধরনের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়, যেটা আলকেমিরা জানলে পন্ডশ্রম না করে অন্য কিছু করতো৷

তো ঈশ্বরের ব্যাপারে ফেরা যাক, এখানে এরকম কিছু কি প্রমান বা অপ্রমান করা যায়? বিশ্বে বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সি আছে, তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর আছে? কিভাবে? অথবা তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর নেই? সেটাই বা কিভাবে? ধরা যাক এরকম একটা যুক্তি দেই এগুলো নিশ্চয়ই কাউকে বানাতে হয়েছে (কেন?) তাহলে সে-ই হয়তো ঈশ্বর, কিন্তু মাত্র একজনে বানিয়েছে তার প্রমান কি? হতে পারে না কয়েকজনে বানিয়েছে? এরকম আরো বলা যায়, যেমন গত সপ্তাহে আমাদের পাশের গ্যালাক্সিতে বিশাল বড় সুপারনোভা বিস্ফোরন হলো, তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর আছে? থাকলে কয়জন? অথবা নেই? দিনে দুবার জোয়ার ভাটা হচ্ছে তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর আছে? থাকলে কয়জন? নাকি নেই? জন্মালে সব প্রানী মারা যায়, তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর আছে? থাকলে কয়জন? অথবা নেই? কিন্তু না সব প্রানী মারা যায় না, কারন বিলিয়ন বছর আগের যে এ্যামিবাটা জন্মেছিল সে কেবল কোষ বিভাজনের মাধ্যমে সংখ্যা বাড়িয়েছে, এখনকার সব এ্যামিবাই সেই আদি এ্যামিবার ভাঙ্গা টুকরো, তার মানে এ্যামিবা এক অর্থে কখনই মরে যাচ্ছে না৷ তাতে কি প্রমান হয় ঈশ্বর নেই, অথবা আছে, থাকলে কয়জন?

সকালে বাসা থেকে বের হয়ে দেখলাম গাছের একটা শুকনা পাতা অদ্ভুতভাবে ঘুরে ঘুরে পড়ছে, তাতে কি প্রমান হয় আমার বস আজকে অফিসে আসবে না, অথবা আসবে? এসে মহাবিরক্তিকর একটা কাজ দেবে৷ নাহ আসলে এগুলোর কোনটাই কোনটাকে প্রমান করে না, অপ্রমানও করে না৷ ঈশ্বর আছে বা কতজন তার দ্ব্যার্থহীন সায়েন্টিফিক কোন প্রমান নেই, ঈশ্বর নেই তারও কোন সায়েন্টিফিক প্রমান নেই৷ ঈশ্বর থাকতেও পারে, হয়তো একজন আছে, হয়তো দশজন আছে, হয়তো ঈশ্বরদের একটা কমিটি আছে, সেখান থেকেই তারা ডিজাইন করে, হয়তো কয়েক শ্রেনীর ঈশ্বর আছে, কেউ পিয়ন ঈশ্বর, কেউ মহাজন৷

হয়তো এখানেই লেখাটা শেষ করা যেত, কিন্তু এই প্যারাটা না লিখলেই নয়৷ যেজন্য আলকেমিদের উদাহরন দিলাম৷ ঈশ্বর আছে বা নেই প্রমান করতে পারবো না৷ তবে এছাড়া বেশ কিছু জিনিষ আছে যেগুলো প্রমান করতে পারবো৷ যেমন আমাদের উপমহাদেশে প্রচলিত ছিল সম্ভবত সাতমাথা কচ্ছপ দেবতার মাথার ওপর পুরো পৃথিবীটা আর কচ্ছপ যখন মাথা বদলায় তখন ভুমিকম্প হয়৷ নাহ যে ঈশ্বর এই কাহিনী ফেদে ছিলেন তিনি নেই৷ যেমন আরেক ঈশ্বর দাবী করে সে নুহের বন্যা ঘটিয়েছিলো পৃথিবী ব্যাপী, এরকম ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বন্যার কোন ভুতাত্ত্বিক প্রমান নেই, তার মানে এই ঈশ্বর স্রেফ চাপাবাজ৷ আরেকজন দাবী করে যে পুরুষের বীর্য তৈরী হয় বুকের হাড় থেকে, এটাও চাপা, ভুল, মহাভূল৷ এই ঈশ্বর জানেই না মানুষের শরীর সম্বন্ধে৷ এই ভন্ড ঈশ্বর নেই৷ আরেক জায়গায় বলে যে পর্বতগুলো অনড়, ঈশ্বরের ভুগোল জ্ঞান দেখে আশ্চর্য হতে হয়৷ ধর্ম বইয়ের এই মোল্লা ঈশ্বর যার জ্ঞানের বহর হাইস্কুলের ছাত্রের চেয়েও কম সে আসলে একজন imposter, বেশ ধুরন্ধর con artist, সত্যিকার ঈশ্বর বা ঈশ্বরেরা যদি থেকেও থাকে তাদেরকে বেচে ভালই খেয়ে নিচ্ছে এই বানানো ঈশ্বর৷ এ লোক সে লোক নয় রে ভাই এ লোক সে লোক নয়৷ এজন্য চমকাই না যখন দেখি এ ঈশ্বর তার মন মতো কাজের পুরষ্কার ঘোষনা দেয় অনন্তকাল সুন্দরী সঙ্গমের প্রতিশ্রুতি দিয়ে৷ যেমন ঈশ্বর তেমন তার পুরষ্কার তেমনই তার বান্দারা৷

 

 

  • ৪১ টি মন্তব্য
  • ৪৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: একেশ্বরীরা ঈশ্বরের কমিটি বা গ্রুপ অফ ঈশ্বরস এর বিপরীতে যেই যুক্তি দেয়: কোঅর্ডিনেশন। অরগেনাইজেশন। সব কিছুর পিছনে অরগেনাইজড পারপাস। প্রবল ক্ষমতাধারী একাধিক জন থাকলে কিছুই যে সুষ্ঠু ভাবে হয় না তার প্রমান চারপাশে।
২. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: পুরোপুরি একমত
৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৫
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ভালৈ ..হাহহাহাহা
৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৯
comment by: অমিত বলেছেন: এরম একটা কথাই আজকে কইছিলাম যুঞ্চিক্ত ভাইরে.." একটা কথা কই, ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের অনস্তিত্ব প্রমাণ করাটা কোন ঘটনা না..তয় মানুষের সৃষ্টিকর্তা থাকার একটা সম্ভাবনা কিন্তু থাইকেই যায়..."
৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:০২
comment by: মুনতাসির হাসান বলেছেন: ঈশ্বর আছে কি নেই তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঈশ্বরের প্রয়োজনীয়তা আছে কি নেই। আমরা কি ঈশ্বরহীন পৃথিবীতে বেচে থাকার মতো যথেষ্ঠ সভ্য? মনে হয় না।সভ্য মানুষের মতো বিবেক তৈরী না হলে বিকল্প বিবেক হিসেবে ঈশ্বর প্রয়োজন।
৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অমিত ধর্মগ্রন্থের ঈশ্বরের ব্যাপারেও এত সহজে কনক্লুশন টানা যায়না ... সমস্যাটা হচ্ছে আপনি কিভাবে পারসিভ করছেন তার ওপর ...
যেমন খ্রীস্টান ধর্মে আছে পুরুষের রিব থেকে মেয়েদের সৃষ্টি করা হয়েছে ...
এটাকে ডাইরেক্ট বা লিটারেলী না নিয়ে রোমান্টিক ভিউপয়েন্ট থেকে দেখে ঈশ্বরের সৌন্দর্য কেউ অনুভব করে ... আবার এটাকে পাগলের প্রাপ ভেবে কেউ তাকে উড়িয়ে দেয়।
৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: মানুষের যতটুকু দেখার ক্ষমতা আছে, বোঝার ক্ষমতা আছে..... তার বাইরে সে জানে না, কেবল ধারণাই করতে পারে। নুহের প্লাবনের ইতিহাস কত পুরানো? ভুতাত্তিক বিশ্লেষনে আপনি জানেন না, কারণ আপনার কাছে প্রমান নাই। যতটুকুর ইতিহাস জানেন ততটুকুর ফয়সালা আপনি নিতে পারেন, বাকীটা বাকীই রয়ে যাচ্ছে। এখন কি করা যেতে পারে? একটা ধারণা করা যেতে পারে। আপনি সেটাই করছেন।
সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ধারণা প্রসুত কোন বিষয় নয়, সম্পূর্ণই বিশ্বাসের বিষয়। বিশ্বাসটা কেন? তাঁর নিদর্শন। সৃষ্টির নিদর্শন। তাঁর কথার মধ্যে থাকতে হবে সমন্বয়।

আমি এমন এক স্রষ্টার সন্ধান পেয়েছি যেখানে আমাকে আকাশ পাতাল ভাবতে ভাবতে শেষ হয়ে যেতে হয় না। তাঁর বলা কথার মধ্যে কোন ফাঁক দেখতে পাই না।
৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
comment by: অমিত বলেছেন: রোমান্টিক ভিউ পয়েন্ট টা কিরম ??
৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৭
comment by: অমিত বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাইয়া, তোমার শত ক্ষুরে পড়ি, প্লিজ, সবখানে এরম কইরা বামহাত ঢুকাইতে হয় না..বালের মেজাজটাই খারাপ হয়া গেল..যাইগা..
১০. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৯
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি আমার রুমের চাবিটা রুমের কোথাও হারিয়ে ফেলেছি। খুঁজে পাচ্ছি না, তাহলে কিন্তু বলতে পারি না যে চাবি সেখানে নেই।

যদি খুঁজে পাই, তাহলে কিন্তু নিশ্চিত করেই বলতে পারি চাবি আছে।

মানুষের সীমাবদ্ধতা এখানে বড় একটা ফ্যাক্টর।
১১. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২১
comment by: অরূপ বলেছেন: ঈশ্বরবাদীরা নিরীশ্বরবাদীদের নিয়ে বিরক্ত হন..
মুস্কিল হল এরাই যুগে যুগে একজন আরেক জনের ঈশ্বরের জায়গা দখলের যুদ্ধে গেছে । বটমলাইন নিজের ঈশ্বর ঠিক, বাকিদেরটা ভোদাই.. ফানি
১২. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৩
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: যে বিশ্বাস করে তার কাছে ব্যাপরাটা সামথিং লাইক ডিভাইনলি রিলেটেড ...
যে সময়ে খ্রীস্টধর্ম প্রচার হয়েছে সে সময়ে এমনকি কিছুকাল আগে পর্যন্তও ছেলে মেয়েকে 'প্রটেক্ট' করার বিষয়টা ছিল খুব স্বাভাবিক ... সে হিসেবে রিবের ব্যাপারটা খুবই মেটাফোরিক ... খুবই রোমান্টিক

পয়েন্টটা হলোই আসলে আপনি কিভাবে নিচ্ছেন, পজিটিভলি নিলে পজিটিভলি নেয়া যায়, নেগেটিভলি নিলে নেগেটিভলি নেয়া যায়।

বটমলাইনটা কোথায়?

পৃথিবীতে যার ইচ্ছা ধর্মপালন করুক, যার ইচ্ছা না করুক এমন সম্যাবস্থা থাকলে কোন সমস্যা হবার কথা না।

কিন্তু বুদ্ধির বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষ নিজেরটাকে শ্রেষ্ঠ বলে চালানোর পথ খুঁজতে থাকে ... তখন দন্দ্ব লাগে। সেটা যেকোন মতের লোকদ্বারাই হতে পারে এবং হচ্ছে।
১৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: [দন্দ্ব লাগে। সেটা যেকোন মতের লোকদ্বারাই হতে পারে এবং হচ্ছে]


সব ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব কিন্তু খারাপ না। দ্বন্দ্ব থিকাও মানুষ শিখে, আগায় যায়! না?
১৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: মুনতাসির হাসান বলেছেন: সামনে যে আরেকজন ঈশ্বর আসবে না তার কোন নিশ্চয়তা নাই। যেকোন সময় আবির্ভাব ঘটতে পারে আরেক অবতারের সাথে সাথে আরেক ঈশ্বরের। হয়তো সেটা হবে আরেকটু বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বর।
১৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা শব্দটা ব্যবহারে কিছু নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়। ক্রিয়া বলতে মানুষ যা ঘটানো হয়,যায় বা যেতে পারে এইরকম একটা আপাত: সসীমকে বোঝে। যা ঘটে তাকে ধরে নেওয়া হয় অসীম। এই অসীমের কর্তা হিসেবে ঈশ্বরের আগমণ। এই কর্তা যে কর্ম করেন সেটা আবার মানুষের তৈরী ব্যাকরণ সম্মত ক্রিয়া। জোয়ার-ভাঁটা কিংবা সুপারনোভা বিস্ফোরণ ধরনের ঘটনায় ব্যাকরণের অর্থে কর্তা অসম্ভব।
১৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩১
comment by: অমিত বলেছেন: জ্বিনের বাদশা...আজকে আর হইব না রে ভাই..এক মহাজ্ঞানীর আগমনে মুডটা পুরা অফ হয়ে গেসে..ঐদিকে ত্রিভুজের ব্লগে এক পাবলিকের লগে একটু মশকরা করতে গেলাম, সে তো পারলে আমারে বটি দিয়ে কোপায়..যাই কই !!!
১৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: যাদের কাছে ধারণা নেই তারা স্রষ্টাকে খেলার পুতুলই মনে করে। আর সেটা নিয়েই ঝগড়া, তারটা ঠিক নয় আমারটা ঠিক নয়।
১৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪
comment by: চোর বলেছেন: লোহাকে সোনা বানানো যায় না - কথাটা মানতে পারলাম না। বাংলা নাটকে নিজের চোখের সামনে দেখেছি, পরশ পাথরের স্পর্শে...
১৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: আরে মাহবুব সুমন লোকটা খারাপ না। হটাত মাথা গরম হৈয়া গেছে গা মনে হয়
২০. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: সোনারে লোহা বানান যায় না?@চোর
২১. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭
comment by: চোর বলেছেন: যুঞ্চিক্ত ঠিক বলেছেন। মাহবুব সুমন ভাই বেসিক্যালি ভদ্র লোক। যাস্ট কিছু কিছু উইক পয়েন্ট আছে: যেমন, রাজাকারদের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেললেও আস্তমেয়ে সম্পর্কে উনার সফট কর্নার...
২২. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮
comment by: চোর বলেছেন: বানানো যায় তো। 'পরশ পাথর' নামের একটা নাটকে দেখেছিলাম। নায়িকা সম্ভবত বিপাশা ছিলো।
২৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯
comment by: চোর বলেছেন: এখন যুক্তি হলো, যেহেতু বাসা থেকে স্কুলে যাওয়া গেলে আবার স্কুল থেকে বাসায় ফিরে আসা যায়, সেহেতু লোহা থেকে সোনা বানানো গেলে সোনা থেকেও লোহায় ব্যাক করা যায়।
২৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: দূর্গাপূজার কয়দিন পর কালীপূজা?
২৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ওকে ব্রো @অমিত
হা হা হা @চোর ... আপনে আসলেই মজার মানুষ

সুমন (বদ্দা), আপনার কমেন্টের শেষ শব্দটা কি অসম্ভব হবে নাকি 'থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে' হবে। অসম্ভব হইলে কইলাম খেলা শেষ
২৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
comment by: চোর বলেছেন: বদ্দা, ভানুরে জিগান।
২৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৫
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: [যুঞ্চিক্ত ঠিক বলেছেন। মাহবুব সুমন ভাই বেসিক্যালি ভদ্র লোক। যাস্ট কিছু কিছু উইক পয়েন্ট আছে: যেমন, রাজাকারদের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেললেও আস্তমেয়ে সম্পর্কে উনার সফট কর্নার...]

হে: হে:, আস্ত মেয়েরে নাকি আপনেরা হগগলতে মিলা গালাইছিলেন? আমি মিস করছি পোস্ট গুলান। আমারো ত ্উনারে খারাপ লাগতাছে না, হে: হে:..।
২৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৭
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আবার ঈশ্বর!!! যাউগ্গা মানব সমাজে বিমূর্ত বিশ্বাস এবং কালে কালে এই বিমূর্ত বিশ্বাস লইয়া মাতামাতি একটা ইনটেরেস্টিং জায়গা। যেমুন এই পোষ্টের পর কমেন্টগুলা। মজার বিষয় হইল ঈশ্বর বিশ্বাসীরা ঈশ্বরের চাইতে সবদিক দিয়া বেশি এ্যাকটিভ, , কিন্তু তারপরো তারা নিজের জায়গাটা দেখতে পায়না। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হইল মানুষ। মানুষ কি না ফালাফালিটা করতে পারে।
২৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৮
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: জ্বিনের বাদশা,
কর্তার সংজ্ঞার্থ মানুষের তৈরী। মানুষ ব্যাকরণের থিকা পুরাণা। মহাবৈশ্বিক ঘটনাবলী মানুষের থিকা পুরাণা। ক্রিয়া বলতে ব্যাকরণের আওতা বহির্ভূত ঘটনা ব্যাকরণের কর্তারে দিয়া করানো কি ঠিক?
৩০. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৯
comment by: অমিত বলেছেন: "সোনারে লোহা বানান যায় না?@চোর"---
বদ্দা আপনে অশ্লীল।
"আরে মাহবুব সুমন লোকটা খারাপ না। হটাত মাথা গরম হৈয়া গেছে গা মনে হয়"----
আরে পাবলিক যে কিরম সেটা তো জানি। এত ভারি ভারি কথার মাঝে সঠাত্ত কইরা কয় "আল্লাহু আকবর"। আমি ভাবি এই সময়ে এইটা কিসের আযান দেয় ?? সরল মনে জিগাইলাম, পাবলিকে তো পুরা হট..
৩১. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫০
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: অনেক ঈশ্বর ঈশ্বর হইছে.... এখন তিনটা বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দেয়া উচিৎ: মানুষ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আর মহাবিশ্ব।
৩২. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫১
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কিন্তু বিজ্ঞানের ব্যাখ্যার অধীন সব ক্রিয়াও তো ব্যাকরণের ক্রিয়ার আওতায় পড়বে@সুমন
কেউ ঘটায়নাই মানলাম ... তার মানে কি এমনে এমনেও ঘটেনাই?

বাই দ্য ওয়ে, সুপারনোভা বিস্ফোরণ বা মহাবিশ্ব সবই কিন্তু সসীম।
৩৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:০২
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: কেমনে ঘটছে তা বাইর করার দায় বিজ্ঞানের। বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভেরিয়েবল। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে ব্যাখ্যার প্রক্রিয়া আর জেনারেল গ্রামাটোলজির ইতিহাস আলাদা। কেন্দ্রীভূত বা বিকেন্দ্রীভূত যেই কর্তার কথাই বলা হোক সেইটা কর্তার ব্যাকরণিক অবয়ব ধারণ করে, যেইটা হোমোসেপিয়েনের লগে মিলা যায়। তাতে ঘটনা আর প্রাকৃতিক অর্থাৎ লৌকিক থাকে না ।
৩৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:১১
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন: চালায় যান ভাইয়েরা। অনেস্টলি কইতেছি, পড়তেছি এবং শিখতেছি।
৩৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:২১
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: তারমানে আপনি বলতে চান ব্যাকরণের ক্রিয়া বলতে যা বুঝায় তা মানুষের পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ততটুকু সীমার মধ্যে আবদ্ধ?
তাইলে কিন্তু দাদা একটিভ ভার্ব আর প্যাসসিভ ভার্বের মধ্যে আজকে একটা বিরাট তফাৎ আবিষ্কার হইল।

তবে আমি তা মনে করিনা।
কারণ, মানুষ একটা ক্রিয়া ইউজ করে 'চিন্তা করা' বা 'ইমাজিন' ... এইটা কিন্তু মানুষের 'সসীম' ক্ষমতার লগে যায়না
৩৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:২১
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: উৎস দাদা , পঠন ঊত্তর বড়ই আনন্দ লভিয়াছি !
কুর্নিশ !

ত্রিভুজের পোস্টে দেখলাম ঝালেমা বাজানো হইয়াছে । স্থান , কাল ও পাত্র এবং পাত্রী বিবেচনা করিয়া কিছু লিখিতে প্রবৃত্তি হয় নাই । আপনার পোস্টে লিখির্ষা ( লিখিবার ইচ্ছা) র ক্ষীণ প্রতিফলন পাইয়া আনন্দিত ।

আপনার চিন্তার সামান্য ধারন করি নিজের চেতনায় ।

বিশ্বাসী হিসেবে , একজন স্রষ্টায় বিশ্বাসী হইতে আমার কোনই আপত্তি নাই , কারন এই হেন বিশ্বাসে কোন " অবভিয়াস অমঙ্গল " দেখিনা। কিন্তু, বর্নিত স্রষ্টারে নিয়ে আমার বিতং আছে ।

মানুষের বর্ননা তো । তাহাতে " মানব স্বার্থের প্রমান " রন্ধ্রে রন্ধ্রে ।
৩৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৫
comment by: উৎস বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে। শরৎ, ঠিকাছে, আমি ঈশ্বরকে পিছনে ফেলে চলেই গিয়েছিলাম, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে লেখা শুরু করেছিলাম কয়েক মাস আগে, যখন বলছেন আবার ঐ নিয়েই লিখব।
৩৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:১০
comment by: তাসনিম নুসরাত বলেছেন: উৎস ভাই, লেখাটা অসামান্য। আবার ঐ নিয়ে লিখবেন শুনে স্বস্তি বোধ করছি (এবং অপেক্ষা করছি)
শরৎ ভাইকেও ধন্যবাদ রিমান্ডার দেয়ার জন্য!

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে মাথাব্যাথা নেই, ঐটা আপগ্রেড হতে থাকবে। ইমন আপুই ঠিক, ধর্ম কেবল মধ্যবিত্তের মাথাব্যাথা। মধ্যবিত্ত হয়ে কিঞ্চিৎ বিপদে আছি, উদ্ধার করুন :)
৩৯. ০১ লা আগস্ট, ২০০৭ রাত ১২:৩১
comment by: মানচুমাহারা বলেছেন: লাস্ট প্যারাটাই সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে
৪০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: জটিল পোস্ট।
৪১. ০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
আসলেই...

 



 

comment by:
উৎসের সন্ধানে ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৮৯৩৬