আমার প্রিয় পোস্ট

এ কোন আমি ! দেয়ালে এ কার ছায়া !! আয়নার এ কার প্রতিবিম্ব !!!

স্বপ্ন...শেষ পর্ব

১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

আগের লেখাগুলো পড়তে চাইলে-
স্বপ্ন...১
স্বপ্ন...২
স্বপ্ন...৩
স্বপ্ন...৪
স্বপ্ন...৫
স্বপ্ন...৬
স্বপ্ন...৭
স্বপ্ন...৮
স্বপ্ন...নয়
:|

স্বপ্ন...শেষ পর্ব


আজ ১৫ই মার্চ। সারা দিন হাল্কা মেজাজে অফিস চলেছে। আকাশ সব কাজ গুছিয়ে আনছে। ও ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে হীরা অর কাজ গুলো দেখবে। বিকাল ৪’টার দিকে অফিসে আকাশের বাবা’র ফোন এলো। জানা গেল, দাদীর শরীরটা একটু বেশীই খারাপ। অফিসে সবার থেকে বিদায় নিয়ে আকাশ ছুটি করলো।

...অফিস থেকে ফিরেই দেখা গেল আজ বাড়িতে অনেক মেহমান। ভীড় ঠেলে এগোতেই মা’কে দেখা গেল। মা’কে দেখে আকাশ তার কাছে যেতেই তিনি আব্‌দারের সুরে জিজ্ঞেস করলেন, কি রে এই তোর আসা হলো? আকাশ ভেবে পায়না আজকের দিনের বিশেষত্ব কোথায়! সে মনে মনে শুধালো -বিষয়টা কি? সে কোন উত্তর না পেয়ে ধীর পায়ে নিজের রুমের দিকে এগুলো। দরজা ঠেলে আকাশ রুমে ঢুকলো। কিন্তু, এ কি কান্ড! ওর রুমটা ফুলে ফুলে সাজানো। মিষ্টি একটা গন্ধ মৌ মৌ করছে। এসব ছাপিয়েও একটি বিষয় তাকে অস্থির করে তুললো- একজন বধূ বেশে তার বিছানায় বসে আছে। ...অবিশ্বাস্য ! আকাশ বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। অফিস ফেরৎ আকাশ দেখে কাকতালীয় ভাবে তার স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিল। হায়, প্রকৃতি আমাদের নিয়ে কত খেলাই না খেলে !

...তাকে চমকে দিয়ে নীলিমা বললো, আমাকে একটু পানি দাও না প্লীজ। সম্বিত ফিরে পেয়ে টেবিলে রাখা জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢাললো। নীলিমাকে সাবধানে পানির গ্লাসটা দিল সে। পানি খেয়ে পানির গ্লাসটা ওর হাতে দিয়ে নীলিমা বললো, ‘আকাশ, আমার প্রচন্ড নার্ভাস লাগছে। আব্বু বললো, তোমার দাদুর শরীর খুব খারাপ। দাদুর ইচ্ছা উনি হাসপাতালে যাবার আগে আমাদের বিয়েটা দেখে যেতে চান। এরপর সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজই বিয়ে পড়ানো হবে। কিছুক্ষনের মধ্যে কাজী সাহেব চলে আসবেন। ব্যাপারটার আকস্মিকতা আমি এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।‘
- হুম্‌ম। তারপর আকাশ জিজ্ঞেস করলো, 'আমার বাবা কই জানো? '
নীলিমা মাথা নেড়ে জানালো- সে জানে না।
বেরিয়ে যাবার আগে আকাশ ওকে বললো, ‘তুমি রিল্যাক্সড্‌ হয়ে বসো। আমি দেখি কাউকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।‘

বাবাকে পাওয়া গেল দাদীর ঘরে। মা’ও আছেন ওখানে।
আকাশকে দেখে দাদীর মুখে হাল্কা হাসির রেখা ফুটে উঠলো। ও কাছে যেয়ে দাদীর কাছে বসলো। দাদী ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি দাদু ভাই, পাগরি পড়বা না?’
আকাশ হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে একটু হাসলো। দাদী আকাশের মুখে হাত বুলিয়ে ওর হাতে চুমু খেলেন। আকাশের খুব ভেতরে কোথাও একটা মোচড় খেয়ে উঠলো। ওর চিবুক বেয়ে চোখের পানিটা টপ করে নীচে পড়ে যাবার আগেই ও রুম থেকে বের হয়ে এল।

নিজের রুমে যেয়ে তৈরী হয়ে নিল ও।
খবর এলো কাজী সাহেব এসেছে।
রোবটের মত বাড়ীময় ঘুরছে অনেক মানুষ।
নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে পড়ানো হলো।
সদ্য বিবাহিত বর-কনে কে দাদীর রুমে নেওয়া হলো। ওরা দাদীর কাছে যেয়ে ওনার পা ছুঁয়ে সালাম করলো। আকাশ দেখলো দারুন এক প্রশান্তি দাদীর চোখে মুখে। এই প্রিয় বৃদ্ধাকে এতটুকু শান্তি দিতে পারায়, আকাশ মনে মনে সবাইকে ধন্যবাদ দিল ।
ওদেরকে পাশে বসতে বললেন- বাবা। তারপর, নীলিমার হাতে একটা খাম দিলেন তিনি।
খামের উপরে কাঁপা হাতে লেখা-
‘চোখে চোখ
হাতে হাত
অন্তরে অন্তর
জনম জনম।‘

আকাশ খামটা খুললো। দেখা গেল, কক্সবাজার এ যাওয়ার জন্য দু'জনের ফুল প্যাকেজ প্রোগ্রাম। বাস ছাড়বে আজ রাতে কলাবাগান থেকে।

নিয়মিত আকাশের বাবা ফলমূল- এটা ওটা কিনতে হলে বাড়তি হাতখরচের জন্য কিছু টাকা পাঠাতেন। ঐ টাকা আর নিজের জমানো টাকা মিলিয়ে তিনি তার নাতির জন্য সুন্দর একটি উপহার বেছে নিয়েছেন। আকাশের জন্য পৃথিবীতে এর থেকে উপযুক্ত উপহার আর কি হতে পারে...?
আকাশ পরম শ্রদ্ধায় দাদীর কপালে একটা চুমু খেল।
নীলিমাও তাকে অনুসরন করলো।

আমাদের কাছের মানুষ গুলো এমন নিঃস্বার্থ ভাবে দিনের পর দিন আমাদেরকে পরম মায়ার জালে আবদ্ধ করে রাখেন। আর তাই হঠাৎ তাদের হারাবার ভয়ে আমারা বড্ড বিচলিত হয়ে পড়ি।
সবচেয়ে বিধ্বস্ত লাগছে আকাশের বাবাকে।
মাথার উপর থেকে ছায়া সরে যাবার ভাবী যন্ত্রনায় কাতর তিনি। ক্ষনে ক্ষনে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন তিনি। হাসান সাহেব ওনার সাথে সাথে আছেন সব সময়।

ঐ দিকে আকাশের মা কিঞ্চিৎ রান্নার আয়োজন করেছিলেন। এরপর বাড়ীতে আগত মেহমানদের আপ্যায়ন করা হলো।

সময় ঘনিয়ে এলো, বাস ছাড়বার।
আকাশ একবার বাবাকে প্রশ্ন করেছিল যে, এসময়ে না গেলে হয়না ? উত্তরে তিনি তার মা’র এই ইচ্ছার কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন।
তাই সময় হলে দাদী, দুই বাবা মা আর আত্মীয় স্বজনদের থেকে বিদায় নিয়ে ওরা বাস স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিল।

ওরা বের হওয়ার সাথে সাথে আকাশের বাবা হাসপাতালে ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স আসতে বললেন।
হাসপাতালে স্পেশাল কেবিনে শুয়ে আকাশের দাদী একটু স্বাভাবিক হয়ে উঠলেন। তাই দেখে সবাই আশান্বিত হলেন।
কিন্তু ,এ সময় ডাক্তার সবাইকে বাইরে চলে যেতে বললেন।
সবাই বেরিয়ে যেতে উদ্যত হলে ডাক্তার আকাশের বাবাকে থাকতে বললেন।
-জ্বী, ডাক্তার সাহেব?
-আপনি আপনার মা’র কাছে থাকুন।

সীমান্ত চৌধুরী তার মা’র মাথার কাছে বসলেন। নাকে মুখে নল ঢুকানো আছে কয়েকটি। মনিটর স্ক্রীনে হার্টবিটের সাথে সাথে লাইন গুলো থেকে থেকে উঠা নামা করছে।
উনি ঘড়ি দেখলেন - ১০টা ২৮ বাজে।
কিছুক্ষনের মধ্যে হয়তো বা আকাশ'দের বাসটা ছেড়ে দিবে।
এমন সময় সাগরিকা চৌধুরী কেবিনে ঢুকলেন। তিনি এসে আকাশের বাবার পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, ওদের বাসটা বুঝি এখনই ছাড়বে।
উত্তরে- আকাশের বাবা একটু মাথা নাড়লেন।

এরপর দুজনই এক পলকে আকাশের দাদীর দিকে চেয়ে রইলেন।
খানিক বাদে আকাশের বাবা জিজ্ঞেস করলেন,
‘ সাগর আমার চশমাটা কই?’
আকাশের মা দেখলেন, উনি চশমা পড়েই আছেন। বোধকরি, ওনার চোখদুটি ঝাপসা হয়ে গেছে!
তিনি পরম উষ্ণতায় আকাশের বাবা'র হাত দুটি শক্ত করে ধরে, বিছানার পাশে ঠাঁই দঁড়িয়ে রইলেন...।।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শেষ নয় শুরু ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে ।

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ২৪২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি। সব একবারে পড়বো।
ধন্যবাদ।
শুভ কামনা।
১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: চিটি,

হুম্‌ম।
বুঝলাম।
পড়ুন, অপেক্ষায় থাকলাম।
ভাল থাকুন।

২. ১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
comment by: কৃষ্ণকলি বলেছেন: আপনি আগের পোষ্টগুলো রি-পোষ্ট করতে পারেন। প্রথম পাতায় এলে যারা আগে পড়েননি তারা পড়ার সুযোগ পাবেন। দেখুন ভেবে সেটা ঠিক হবে কিনা।
১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: কৃষ্ণকলি,

ধন্যবাদ আপনাকে।
স্বপ্নে'র লিংক গুলো দিলাম।

বাকিগুলো...
হুম্‌ম একটু ভেবে দেখি। পাছে আবার অন্যরা বিরক্ত না হয়ে যান।

৩. ১৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: পড়লাম।
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন:
জানলাম রাশেদ।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৪. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: সবগুলো পড়ার সময় হলোনা, তবে কয়েকটা পড়লাম। বেশ ভালো লাগলো! লিখতে থাকুন...
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
যে কটা পড়েছেন; তা ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম।

অনেক শুভেচ্ছা নিন।

৫. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: পড়লাম। ভালো।
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন:
শামীম,

উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।
ভাল থাকুন।
এই কামনায়~

৬. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
comment by: মুকুল বলেছেন: এই পর্বটা পড়লাম। আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি। কিছুটা নাটকীয় মনে হলো। তবে আপনার লেখার হাত ভালো। নিয়মিত লিখে যান... :)
১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল।
ঠিকই বলেছেন।
জীবন কদাচিৎ নাটকীয় বটে !
আপনার উৎসাহে অনুপ্রানিত হলাম।
শুভেচ্ছা নিন।

৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখাগুলো পড়তে কোথাও হোঁচট খেতে হয়নি,আরো লিখুন।
১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ফারহান,

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সবগুলো লেখা পড়ার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে যথেষ্ট উৎসাহ যোগাবে।

শুভেচ্ছা নিন। মন খারাপ রাখবেন না কিন্তু।
:)

৮. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
comment by: রোডায়া বলেছেন: হুম৷

এইরকম নিঃছিদ্র নিরাপত্তাযুক্ত জীবনের গল্প পড়তে কেন যেন ভালো লাগে না৷ বড় বেশি সাজানো জীবন! কে জানে, হয়তো আমার জীবনটা অত সাজানো না বলেই!
১৯ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন:
রোডায়া,

আপনার মন্তব্যের সাথে একশ ভাগ সহমত।

চারপাশে এত কষ্ট - এত অনুযোগ - অপার অরাজকতা।

চোখ বুজে তাই 'ফুল প্রুফ' - একদম স্বপ্নময় সাজানো একটা জীবন এর খোঁজে এই খেয়ালী প্রচেষ্ঠা... !

সেই অর্থে 'স্বপ্ন' নামকরনটাও আমায় হয়তো খানিকটা উদ্ধার করবে বলে আমার বিশ্বাস। ;)

আপনার প্রকৃত মতামত এর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ;)

৯. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৫
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: শেষ হয়ে গেলো?
ভালো লাগলো।
কেমন চলছে জীবন?শুভেচ্ছা থাকলো।
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: হুম্‌ম।
আপু শেষ হয়ে গেল। :)

শুরু হলে শেষ তো হবেই।
তবে আকাশ আর নীলা'র এখানে শেষ নয় শুরু।
কদিন যাক।
আরও কিছু গুঞ্জন দানা বাঁধলে আবার ঝুলি নিয়ে বসবো।

আর বেশী স্বপ্ন দেখবো না। অতি স্বপ্ন বাস্তবতা কে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। কিন্তু, জানেন যতক্ষন স্বপ্ন দেখি ততক্ষনই যেন প্রানে বাঁচি...।

আপনার ভাল লাগা আমায় অশেষ উৎসাহ দেয় আপু।
অনেক ধন্যবাদ।

মাঝে ক'দিন খুব ব্যস্ত ছিলেন বুঝি !
আমার শুভেচ্ছা জানুন।

১০. ২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯
comment by: পুষ্প বলেছেন: +++
বেশি সময় ব্লগে বসতে পারি না তাই প্রতিবার এসে বিচ্ছিন্নভাবে এক পর্ব পড়ে যাই।এত তারাতারি শেষ করলেন কেন?:(


শেষ পর্বটা পরে মনে হল হ্য়তো আরও কিছু ঘটাতে পারতেন,অতৃপ্তির সৃষ্টি হয়েছে।

০৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: হুম্‌ম।

কেমন আছেন?

ব্যস্ততার মাঝেও আপনি সময় করে সব গুলো পর্ব পড়েছেন জেনে ভাল লাগলো ।

অনেক ধন্যবাদ।

ঠিকই বলেছেন। শেষ পর্বটা অতৃপ্তি দিয়েই শেষ হয়েছে।
ভেবে দেখতে হবে...!

আর ওরা তো কেবল কক্সবাজার গেল; সামনে কি হয় কে জানে?
সবই প্রকৃতির খেয়াল...।
:)

১১. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: অনেক দিন থেকেই চেষ্টা করছিলাম, আজ টানা সবগুলো পর্ব পড়লাম। বরাবরের মতই মুগ্ধ...
২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: :)

অনেক ধন্যবাদ স্বাপ্নিক।

আপনার মন্তব্যটা আপনার নিক এর মতই মিষ্টি লাগলো।

অনেক শুভেচ্ছা নিন।

১২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২১
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সবগুলা পর্বই সময় করে পড়তে হবে। :)
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন:
বিনীত ধন্যবাদ আপনাকে শামীম ভাই।
:):)

১৩. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৩
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন:
আমিআমার স্বপ্নকে নিয়ে লেখা এই পোস্টে আপনাকে রিপ্লাই দিয়েছি। তবে দেরীতে দেবার জন্য খুব সরি ভাইয়া।

আপাততঃ আপনার পোস্টা প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। কালকের ভিতরই পড়ে ফেলার ইচ্ছা আছে। কাল সপ্তাহের প্রথম দিন তো। অনেক তাড়া থাকবে। এখন ঘুমাতে যাচ্ছি। অনেক সকালে উঠতে হবে অফিসের জন্য। ভালো থাকবেন।

আরেকটা কথা, আপনি আমার সেই পুরনো পোস্টাকে কোথা থেকে সেদিন খুজেঁ বের করেছিলেন?
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন:
আপনিই সে পোস্টের কথা বলেছিলেন।
আমি তারপর গিয়ে দেখে এসেছিলাম।

দেরীতে জবাব দেয়ায় দুঃখিত হবার কিছু নেই ভাই।
ধন্যবাদ জানুন।
প্রিয়তে ঠাঁই পাওয়ায় আমার প্রয়াসটুকুস ত্যি ধন্য হলো।
:)

সিরিজটা পড়ে নিন।
তারপর স্বপ্ন নিয়ে আরো কথা হবে।
অনেক শুভেচ্ছা।

 



 


জীবন মানে উঁচু নীচু পথে অবিরাম গড়িয়ে যাওয়া।
পথ চলতে ভাবনাগুলো বয়ে যায় বহতা সময়ের সাথে।
কিছু হারিয়ে যায় -...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৪১৬৪