somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের গল্প (রিপোস্ট)

১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এ্যাই নৌকা এ্যাই।
কোন নড়াচড়া না দেখে রাতুল গলার স্বর উঁচু করে আবার ডাকলো-
অ্যাই... নৌকা অ্যাই...।
এতক্ষণে নৌকাটি নড়তে শুরু করলো। রাতুল আর কিংশুক শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। নৌকাটি কাছে আসতেই ওরা লাফ দিয়ে উঠে পড়লো। নৌকার মাঝি ধীরে ধীরে তার নৌকা ঘুরিয়ে খেয়াপাড়ের দিকে অগ্রসর হলো।
এরা এখন ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে। বিকেলে তারা নারায়নগঞ্জ এর সোনাকান্দায় এসেছিল রেশমার বিয়ের অনুষ্ঠানে। ওরা সবাই একসাথে পড়তো কলেজে। সাধারন বন্ধুত্বের সীমানা পেরিয়ে রাতুল আর রেশমার সর্ম্পকে যে খানিকটা অনুরাগের ছোঁয়া ছিল - তারই ছায়া অনুসরন করে যেন প্রকৃতি আজ তার প্রমান দিল। বলা নেই কওয়া নেই, রেশমার বাবা হুট করে এক আর্মি অফিসারের সাথে ওর বিয়ে দিয়ে ফেললেন, যেন গাছ থেকে পাতাটি পড়বার ফুসরত পেলনা। এ নিমন্ত্রনে আসবার ওদের কারুরই তেমন ইচ্ছে ছিল না। তথাপি, প্রকৃতির খেয়ালেই হয়তো আসা হয়েছিল! যখন রাতুল আর রেশমা সামনাসামনি হলো তখন কোন কথাই হলো না। মূলতঃ একে অপরের চোখে চোখ রাখায় যে অনুযোগের মেঘ দানা বাধতে শুরু করেছিলো, তা তাদের দুজনকে এক পলকে নিয়ে গেল ফেলে আসা দিনগুলোতে। অব্যক্ত অনুভূতিটুকু কেন সাহসী হয়ে সেই সময়গুলোতে প্রকাশ পায়নি - তাই যেন আজ নৈঃশব্দের মাঝে বারবার মিনতি করেছে। অসহ্য মুহূর্তটুকু থেকে একপ্রকার পালিয়ে এলো সে। ওকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন, একজন ফর্মে থাকা ব্যাট্‌সম্যানকে, আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে শুন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়ানে ফিরতে হচ্ছে। রেশমার চোখে তখন জল ছিল। সবাই ভেবেছে বিয়েতে সব মেয়েরাই কাঁদে। ভাগ্যিস, চোখের জল দেখে তার কারণ বোঝা যায় না!

রাতুল আর কিংশুক বসেছে ছৈয়ের নিচে। নদীতে ছোট-বড় বেশ কিছু লঞ্চ শব্দ করে পানি কেটে কেটে এগিয়ে চলেছে। পাড় ঘেষা লাইট পোস্টগুলো যে প্রতিবিম্ব তৈরী করে সেই আলোর রেখাগুলো ঢেউয়ের সাথে সাথে ভেঙে ভেঙে যায়, আবার কিছু বাদে জোড়া লাগে। কিংশুক পকেট থেকে বাংলা ফাইভের প্যাকেট বের করে একটা সিগরেট ঠোঁটে দিল।তারপর ম্যাচ ঠুকিয়ে আগুন জ্বালালো। জ্বলন্ত কাঠিটিকে চোখের সামনে নিভে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ধরে রাখল। বিড়বিড় করে কাঠিটিকে বলল, আমার কাছে মাফ নাই রে কাঠি! আমি সবকিছুর শেষ দেখতে ভালোবাসি। একরাশ ধোঁয়া কুন্ডুলী পাকিয়ে ছেড়ে দিয়ে সে মাঝিকে শুধালো, কি মাঝি ভাই! একটা গান হবে নাকি? মাঝি কোন জবাব দিল না। নৌকার টিমটিমে আলোয় মাঝির যে চেহারাটা ফুটে উঠল, তাতে অপারগতার থেকে অবজ্ঞাটাই যেন দৃঢ়ভাবে প্রকাশ পেল।
ওদিকে রাতুল একদৃষ্টে নদীর জলের দিকে তাকিয়ে ছিল। নৌকাটি পাড়ে ভিড়তেই ধাক্কা খেয়ে সে যেন সম্বিৎ ফিরে পেল। মাঝিকে দশটাকা দিয়ে ওরা পাড়ে নেমে গেল।

ওরা ঢাল বেয়ে উপরে উঠে এসে দেখল পাঁচ-ছয় বছরের দুটো বাচ্চা মাটিতে বসে কি যেন কুড়াচ্ছে। কাছে এসে দেখা গেল ওরা একটা বুটের আড়তের সামনে বসে বুটের ডাল কুড়াচ্ছে। তাদের দেখে কিংশুকের খুব মায়া হল। সে হঠাৎ করেই যেন অনুধাবন করল, জগতে আমরা সবাই কম বেশি জিনিস কুড়িয়ে বেড়াই। কোন মনীষী বলেছিলেন জ্ঞানের সমুদ্রে তিনি আজীবন নুড়ি পাথরই কুড়িয়েছেন।সাধারন মানুষ পাথেয় কুড়িয়ে বেড়ায় । আর বড়লোকেরা কুড়ায় পয়সা। ওরাই বোধকরি সবচেয়ে বেশি গরীব! খানিকটা এগিয়ে দেখা গল একটু দূরে একটি কিশোরি আড়ষ্ট ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে। পড়নে তার রঙ্গচঙ্গে শাড়ি, ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক। অসিদ্ধ হাতের সাজ তার পরিচয় বলে দেয়। মোড়ের কাছে কলার টুকরি নিয়ে একজন বৃদ্ধ বসা। দেখেই বোঝা যাচ্ছে - আজ সারাদিন বেঁচা-কেনা হয়নি, এতরাতে তাই জীবিকা উপার্জনের এই নিরলস প্রচেষ্টা। মেইন রোডের গোল চত্বরে একটি সিজি ১২৫ মটর সাইকেলে একজন সার্জেন্ট নির্বিকার ভংগিতে বসে আছেন। সারাদিনের ডিউটি শেষে তাকে এখন বেশ ক্লান্তই দেখাচ্ছে। সবকিছু দেখে কিংশুক বেশ বুঝতে পারে, সবখানেই 'সুখ' নামক শব্দটি কেন জানি বড্ড ফাঁকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। রাতুল একটা রিক্সা ডেকে বাস স্ট্যান্ডে যাওয়ার জন্য বলল। ওরা শীতল (এসি) বাসের দুটো টিকেট কিনে বসে পড়ল। এটাই শেষ বাস। এখনো বেশ ভীড়। কিংশুক বলল, শুনেছিলাম এই গরীব দেশে নাকি এসি বাস চলবে না। দেখেছিস রাতুল, এ বাসের কি একটাও সীট ফাঁকা? আমরা বুঝি প্রগতির পথে অনেকখানি এগিয়ে গেছি রে...! বাস ছাড়ল। ওদের গন্ত্যব্য ফার্মগেট।

...বাস থামল ফার্মগেটের ওভার ব্রীজের নিচে। তখন অনেক রাত। ওরা পায়ে হেঁটেই ওদের মেসের দিকে রওনা দিল। রুমের সামনে এসে জানালার পাল্লায় লুকিয়ে রাখা চাবি দিয়ে তালা খুলে ওরা রুমে ঢুকল। কিংশুকের মশারীটা তখনো তিন দিক দিয়ে বাঁধা। টেবিলে আধখোলা বাসি পেপারটা পড়ে আছে। ছাইদানীতে অনেকগুলো সিগরেটের টুকরো জমে রয়েছে। বাঁ দিকের দেয়ালে ওয়াসিম আকরামের হাসি হাসি মুখের বড় একটা পোস্টার। কাপড় বদলে তারা শোবার আয়োজন করল। রাতুল একটা কয়েল জ্বালালো। এসব কয়েলে মশা মড়ে কিনা জানা নেই, তবে মশা কমড়াবে না এমন একটা স্বান্তনা নিয়ে ঘুমানো যায়। ছোট-বড় এমন অনেক স্বান্তনা নিয়েই তো আমরা বেঁচে আছি। দেখতে দেখতে আর ও একটি রাত কেটে যাবে। আসবে নতুন দিন। কাল সকালে রাতুলের জামালপুরে ছুটতে হবে।

একটা এনজিও’তে ফিল্ড অফিসার হিসাবে কাজ করছে রাতুল। নিজের যোগ্যতা এবং নিষ্ঠার কারণে এই ক’বছরেই সে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। বাবা নেই। গ্রামে মা আর একটা ছোট বোন আছে। মায়ের অনেক আত্নত্যাগের ফলেই আজ- সে এ জায়গায় পৌঁছেছে। আর তাই, বেতনের সিংহভাগটা ছোট বোনের পড়ার খরচ আর সংসার চালানোর জন্য দ্ব্যার্থহীন ভাবে দিতে পারাটাই তার কাছে অনেক সম্মানের। পূর্ব দিকের সূর্য্য ওঠার সাথে সাথে আজকের দিনের ঘটনাটিকে পাশ কাটিয়ে সে আবার শুরু করবে তার পথ চলা।

সকাল আট'টা বাজল। কিংশুক ঘুম থেকে উঠে দেখে রাতুল বেড়িয়ে গেছে। ওকেও বের হতে হবে এখনি। ওর অফিস নয়টা থেকে। কিংশুক একটা কম্পিউটার ফার্মে কাজ করছে। সেখানে সে একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আছে। ও বাস ধরে সাড়ে আট'টায়। এসময়টা অনেকটা ইচ্ছে করেই নির্ধারন করা হয়েছে। কেননা, ঠিক এসময়ে রাত্রিও বাসে ওঠে। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কিংশুকের তাই রবীন্দ্রনাথের ক্যামেলিয়া’র কথা মনে পড়ে যায়। বাসে উঠে ভীড় ঠেলে সে রাত্রিকে বসবার জায়গা করে দেয়। আর রাত্রির ক্রমাগত তৃতীয় অনুরোধের পর- সে জড়তা নিয়ে তার পাশে বসে। কিন্তু, আজ এর ব্যতিক্রম হল। রাত্রির প্রথম অনুরোধেই সে সহজাত ভঙ্গিতে তার পাশে বসে পড়ল। রাত্রি মুচকি হেসে শুধালো, হঠাৎ অনিয়ম? এর উত্তরে কিংশুক জানালো আজ অফিস শেষে আরো অনিয়ম হবে। ওর কন্ঠে ছিল হার না মানা উচ্ছ্বাস।

রাত্রি বাবা-মা’র একমাত্র সন্তান। মা'র অমতে কেবল বাবার প্রশ্রয়েই তার সখের এই চাকরী করা। সেও একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। নিজেকে
স্ব-প্রতিষ্ঠিত করার জেদেই ছেলেদের পাশাপাশি তার এই আত্নপ্রকাশ। অফিসের সহযোগী হিসেবে কিংশুকের সাথে তার আলাপন। আর প্রতিদিনের বাসযাত্রা তাদের মাঝে এক কোমল মাত্রা যোগ করেছে।

...বিকাল সোয়া পাঁচটায় একটা সস্তা হোটেলে দেখা গেল - তারা দুজন সামনা-সামনি বসে আছে। টেবিলের উপর দু'টা সিংগারা আর দু’কাপ চা। হোটেল বয় যখন দিয়ে গেছে তখন দু’টোই গরম ছিল। এখন আর নেই। কেননা হোটেলে বসেই, কিংশুক আচমকা স্লগ ওভারে খেপে যাওয়া কোন ব্যাটস্‌ম্যানের মতই বেপরোয়া ভাবে তার বুকের ভেতর জমানো সব অভিব্যক্তিগুলো প্রকাশ করে ফেলেছিল। এখন সেখানে হাততালির বদলে শুধুই নৈঃশব্দের হাহাকার! রাত্রির দৃষ্টি অবনত। কিংশুক আগ্রহী চোখে প্রতীক্ষমান। এভাবে পেরিয়ে গেল বেশ কিছুটা সময়। তারপর কিছু না বলে ধীর পায়ে রাত্রি হোটেল থেকে বেড়িয়ে চলে গেল। কিংশুক আরো কিছুক্ষণ বসে রইল, তারপর হোটেলের বিল চুকিয়ে গন্ত্যব্যহীন ভাবে হাঁটা শুরু করল। হাঁটতে হাঁটতে সে খামাড়বাড়ির কাছে পার্কে চলে আসলো। সেখানে নিরুত্তাপ ভংগীতে একটা বেঞ্চির উপর বসে রইল, সন্ধ্যা পর্যন্ত।

আঁধার নেমে এলে সে মেসের দিকে এগুলো। রুমের কাছে আসতেই দেখা গেল রাতুল চিন্তিত ভংগিতে দাঁড়িয়ে। তাকে দেখেই জিজ্ঞেস করল, কিরে এতো দেরি করলি? কিংশুক উত্তর দিল না। রাতুল বলল, তুই যা। ঘরে গিয়ে বোস, আমি একটু নিচ থেকে আসছি। কিংশুক মাথা নিচু করে ঘরে ঢুকল। হাতের ব্যাগটি রেখে মাথা তুলে তাকাতেই দেখল - তার খাটের উপর রাত্রি বাসে আছে। সে নিজেকে উপহাস করে বলল, আমায় বুঝি হেলুসিনেশনে পেয়েছে! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্বপ্ন দেখছি।

রাত্রি এতক্ষনে বলে উঠল, এই তোমার বাড়ি ফেরা? হঠাৎ রাত্রির কথা শুনে কিংশুক হকচকিয়ে যায়। সে অবিশ্বাসের সুরে জানতে চায়, স্বপ্ন দেখছি না তো? রাত্রি বলল, নাহ্‌, স্বপ্ন নয়। এটা বাস্তব এবং কঠিন বাস্তব। কিংশুক এই বার পরিপূর্ন ভাবে রাত্রির দিকে তাকালো। হালকা নীল রঙের সিল্কের শাড়িতে তাকে এই অগোছালো রুমেও দারুণ দীপ্তিময় দেখাচ্ছে। রাত্রি হাসলে গালে টোল পড়ে, তখন তার উপর থেকে চোখ ফেরানো যায় না। এটা সে জানে। তবে এই মুহুর্তে নিজের অজান্তেই সে তার হাসি দীর্ঘস্থায়ী করে রাখল! তারপর যেন নিজেকেই বলছে - এই ভংগীতে বলে গেল যে, একবার বাবাকে জিজ্ঞেস না করে আমার জীবনের এত বড় এই সিদ্ধান্তটি নিতে মনে জোর পাচ্ছিলাম না। তো...? অবশেষে আপনারই জয় হল মহারাজ।

এসময় রাতুলের প্রবেশ। তার হাতে মোগলাই পরোটা আর এক লিটার পেপসির বোতল। ওকে দেখেই যেন এদের বড্ড ক্ষুধা পেয়ে গেল। তাই খাবারগুলো ফুরোতে আর সময় লাগলো না। খাওয়ার পর্ব শেষ করে ওরা নিচে নেমে এল। রাতুল একটু এগিয়ে। কিংশুক আর রাত্রি গা ঘেষে হাঁটছে। ঢাকার রাস্তায় তখন তারা তিনটি সজীব প্রান। তাদের কাছে আজকের পৃথিবীটা সবচাইতে সুন্দর! রাতুল সত্যিকার অর্থেই কিংশুকের জন্য অসম্ভব সুখ অনুভব করছে। এ জীবনে কেউ পায়, কেউবা হারায়। কেউ পেয়ে খুশি, কেউ বা হারিয়েও সুখী। এর নাম হলো 'জীবন', এটা জীবনের গল্প।।
:)
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৪
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×