(১)
Click This Link
(২)
Click This Link
দৃশ্যপটঃ ৩
লিংকঃ শেষ দেখা
ওপেনিং শট - ফ্রেমে রাতের আকাশে লাইট জ্বেলে একটা হেলিকপ্টারের ঢিকি ঢিকি শব্দ করে ঊড়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণায়মান রোটরে জুম ইন করে ফ্রেম সুপার ইমপোজ হবে হেলিকপ্টারের ভেতরে।
ফেড ইন-ফ্রেমে অক্সিজেন মাস্ক পরিহিত আহত সদস্যা। তার ডানে ফ্রেম মুভ করলে ভেসে উঠবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পালস্ মনিটরে তখনও রেখাগুলো লাফালাফি করছে।
সেটঃ
ইনডোর- একটি আধুনিক অপারেশন থিয়েটার।
টেক -৩।
ভার্টিকাল ব্লাইন্ড করে পরের ফ্রেমে অপারেশন থিয়েটারের দরজা ঠেলে
ট্রলিতে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হবে নায়িকাকে।
দপ করে অপারেশন থিয়েটারের লাইট জ্বলে উঠবে।
মাস্ক পরিহিত ডাক্তার ছুরি কাচি চালিয়ে শেষে
চিমটা দিয়ে দুইটা বুলেট বের করে টুং টাং করে পটে ফেলবেন।
তারপর হঠাৎ করে পালস্ মনিটরের বিপ বিপ করে ওয়ার্নিং শোনা যাবে।
একজন নার্স উৎকন্ঠিত কন্ঠে বলে উঠবে- স্যার আমরা বিট মিস করছি।
ডাক্তার ব্যস্ত হয়ে একবার মনিটরে দেখবেন । তারপর বলবেন-
‘Prepare Defibrillator. Charge…….. (Ready)... Apply.’
(হৃৎপিন্ডের কাছে প্যাড দুটি চেপে ধরতেই বৈদ্যুতিক আবেশে প্রবল ঝাকুনী খাবে নায়িকার শরীর।)
‘Another Attempt…. Charge…….. (Ready)... Apply.’
(হৃৎপিন্ডের কাছে প্যাড দুটি চেপে ধরতেই বৈদ্যুতিক আবেশে প্রবল ঝাকুনী খাবে নায়িকার শরীর।)
পালস্ মনিটরে তখন কেবল একটি সরল রেখা ফুটে উঠবে !
নায়িকার নিথর দেহটা আধুনিক অপারেশন থিয়েটারকে পরিহাস করে
চিরদিনের মত নিস্তেজ হয়ে পড়ে রবে অপারেশন থিয়েটারের বেডে।
দপ করে নিভে যাবে হাই পাওয়ারের লাইট; ক্লান্ত ডাক্তার হতাশ হয়ে বেরিয়ে এসে
হসপিটাল ওয়েস্ট বিনে ছুঁড়ে ফেলে দিবেন মাস্ক আর তার হ্যান্ড গ্লাভস দুটি।
(ডাক্তার এর চলে যাওয়া দেখিয়ে ফ্রেমটা তারপর ঝির ঝির করে মিলিয়ে যাবে।)
লিংকঃ হৃদয়ে এনকাউন্টার
ওপেনিং শট - ওয়াইড আঙ্গেলে ফ্রেম এসে পরে জুম ইন হবে -
একটি চৌকস দল বাংলাদেশ আর ব্ল্যাক ফোর্সের পতাকায় ঢাকা একটি কফিন
ধীর গতিতে বহন করে মাঝ বরাবর এনে রাখবে।
সেটঃ
আউটডোর- ব্ল্যাক ফোর্স সদর দপ্তরে হার্ড গ্রাউন্ডে সুসজ্জিত ফিউরেনাল প্যারেড।
টেক -৪।
জোরে একটা আদেশের সাথে সাথে সশস্ত্র সালাম জানানো হবে।
সাত বার আকাশে গুলি ছুঁড়ে শেষবারের মত সম্মান প্রদর্শন করা হবে
ব্ল্যাক ফোর্সের অকুতোভয় শহীদ লেডি অফিসারকে।
সারিবদ্ধ প্যারেডের পেছনে ক্যামেরা চ্যানেলের উপর এক পাক খেয়ে
জুম করে ফ্রেমে আনবে সেদিনকার সফল টীম লীডার এর মলিন মুখ।
অভিযানের বিরাট সফলতায় তার চেহারা বা মননে কোন উচ্ছ্বাস নেই।
স্মৃতিতে ভেসে উঠে প্রিয় সহকর্মীর সাথে তাদের ফেলে আসা দিন গুলি।
শ্রদ্ধাঞ্জলী জানাতে মাথার ক্যাপ খুলে হাতে নিয়ে প্রার্থনা করার সময় তাই
ব্যথিত নায়কের অন্তরে শুধুই প্রতিধ্বনিত হবে কয়েকটি লাইন বারংবার-
আজ এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট এর রাজ্য ভরা হাহাকার
ভালবাসায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তার হৃদয়ে কেন এনকাউন্টার !
নায়কের চেহারা ফ্রেমে ফেড আউট হয়ে ব্লক বিল্ডিং হয়ে পরবর্তী ফ্রেম।
শেষ দৃশ্যঃ
সেটঃ
আউটডোর- জনমানব হীন সমাধি স্থল।
টেক - ৫।
ফ্রেমে একটি বিশেষ সমাধির সামনে শ্বেত পাথরের এপিটাফ।
সেখানে কালো গোটা গোটা অক্ষরে লেখা-
‘এখানে যে শুয়ে আছে~
তার নাম একদিন মুছে যাবে।
কিন্তু সমাজের জঘন্য ক্ষত গুলো
অপসারনের প্রয়াস আর প্রচেষ্ঠা
অব্যাহত থাকবে যুগে যুগে...’
( ডান দিক থেকে বাংলাদেশের পতাকা হাওয়ায় ভেসে এসে এপিটাফ এ জড়িয়ে যাবে।)
ফ্রেম স্টিল।।। তারপর ব্ল্যাক আউট।
(কাট । প্যাক আপ।)
পরিশিষ্টঃ
আবহ সঙ্গীতঃ বেল ২১২ এয়ার আম্বুলেন্স আর পালস মনিটরের শব্দ।
এবং প্যারেডের আদেশ ও সাতবার তোপ ধ্বনি।
আলোক সজ্জাঃ সূর্যোদয় আর ভোরের আলো।
ক্যামেরাঃ পাঠকের দৃষ্টি।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ ব্লগার ফয়সল নোই।
পরিকল্পনা আর পরিচালনাঃ উত্তরাধিকার।
ছবি সূত্রঃ
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

