সভ্যতার আদিতে প্রকৃতির কোলেতে
স্নিগ্ধ শুভ্রতারই বসবাস ছিল !
তখন এতটা দূষণ ছিলনা বাতাসে।
তাইতো হৃৎপিন্ড এখন একটুতেই হাঁপিয়ে উঠে।
শুদ্ধতার মোহে তাড়িত হই আমি পথ থেকে পথে।
সবার জীবনেই ছোট বড় দীর্ঘশ্বাস জমে যায়
এ জন্যই হয়তো শব্দের ছলনায়
তাদের আমরা ভুলে থাকতে চাই।
জোর করে আঁকতে চাই শুধুই সুখছবি।
তবুও এসে যায় ভায়োলিনের কান্না।
অভিমানে এক বুক আঁধার নিয়ে
ছাইমাখা জীবনে উড়ে চলি
অনিশ্চয়তার সীমানায় !
তারপর আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠি,
আবার স্বপ্ন দেখা...
আবার পথ পাড়ি দেয়া...
অবিরাম খুঁজে চলা সেই বাঁশীওয়ালা কে।
যাদুকরী বাঁশীওয়ালা হ্যামিলন শহর পেরিয়ে
কোন শহরে গেছে কেউ জানে না!
সূর্যের চতুর্দিকে ঘুরে বেড়ায় পৃথিবী
পারস্পরিক টানা পোড়েন এ।
দিনে দিনে তবুও বেঁচে থাকা
আর কাটে জীবন প্রচন্ড অভ্যাসে বাঁধা ।
এক জীবনে খুঁজে খুঁজে আমি চষে বেরিয়েছি সর্বত্র
কোথাও মেলেনি প্রত্যাশিত বাঁশীওয়ালা।
শেষ বার যাওয়ার সময় বাঁশীওয়ালা কানে কানে কথা দিয়েছিল-
একদিন আবার সে আসবে। স্বেচ্ছায় আমাদেরকে উদ্ধ্বার করতে;
মানুষের অন্তরে আর সময়ের আবর্তে জড়ানো পঙ্কিলতাকে শুষে
এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে দিয়ে যাবে সে তার বাঁশীর সুরে।
আমি তাই চেয়ে রই ছকে বাঁধা-পাথুরে দেয়ালের চৌকাঠে-
নাহ! সে তো এলো না। সেও বুঝি ‘কথা না রাখা’দের দলে !
ছবি সূত্রঃ
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

