আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

উর্মি-শর্মি , মুনকার-নাকীর জানি কই থাকে?(শেষ পর্ব- উৎসর্গ সাব্বির)

২২ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৮:৪৯

শেয়ারঃ
0 1 0

[সত্য এই ঘটনা তুলে ধরতে কিছু শব্দ এসেছে যা আমি ব্যবহার করি না।ক্ষমাপ্রার্থী কেউ যদি বিব্রত হয়ে থাকেন।]

: "কুত্তার বাচচা , নাই মানে? নিয়ার ডেথ পেশেন্ট কি হাইটা বাইরে গেলো না উইড়া? ইউ মাদার ফাকার , আই উইল মেক দা হেড ফাক উইথ ইউ এ্যান্ড দেন ইউ উইল নো । টাকার লাইগা তোরা তো বউরেও মা..........তেও বেইচা দিবি । উর্মি কই ? "

বর্নার চিৎকারে চারিদিকে ঘোর অমঙ্গল নামে। চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী মারমুখী হয়ে ওঠে । যদিও প্রচুর টাকা খেয়েছে আমাদের কাছ থেকে , তবু গালাগালি , তাও ওয়ার্ড ভর্তি লোক জনের সামনে । বাবুল ফুঁসতে থাকে লেজে পা পড়া সাপের মত ।কিছু করতে পারে না , কারন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল রিপোর্টার ,কে জানে কোন পত্রিকার , সাংবাদিক বন্ধু টন্ধু নিয়ে ওয়ার্ডেই ছিলো । চারিদিক থেকে ইন্টার্নী ডাক্তার , নার্সরা হই হই ছুটে আসে।

আমি ছাড়া বর্নাকে কেউ সামলাইতে পারে না। কিন্তু আজকে আমার ওর দিকে তাকাতেও ইচ্ছা করে না । মরলে মরুক, আমার কি- টাইপের একটা নির্লিপ্ততা চেপে বসে থাকে বুকে ।

উর্মি নেই ! নাস্তা খেয়ে খোঁজ নিতে এসে দেখি বেডে নাই । তার পর ওয়ার্ড , বারান্দা , সব তোলপাড় করেও আমরা পাই না ওকে । ছুটে দোতলায় যাই আমি । বিশ্বাস হয় না নার্সদের কথা । শর্মি , উর্মির ছোট্ট বোনটা মারা গ্যাছে । মাত্র ৩০ না ৪০ % বার্ন নিয়ে মারা যায় কি করে? সারারাত যমে আর উর্মিতে টানাটানি করেছে । আমরা ৩ জন মিলে বাঁচিয়ে তুলেছি ওকে । শর্মির তো সেই রকম কিছু লাগতো না। শুধু স্যালাইন ইনফিউশনের কাজটা করলেই ...........বার্ন ম্যানেজমেনেটের একটা সহজ সূত্র আছে । এত কেজি ওজনের এত বয়সের বাচচার এত % বার্ন থাকলে , এত ঘন্টায় এত মিলি স্যালাইন ঢুকবে । এই সূত্র সব ডাক্তার আর নার্সের মুখস্থ । পাশাপাশি শুধু একটু " ইউরিন আউটপুট মানে শরীর থেকে কত পানি বেরিয়ে গেল" এই মাপটা রেখে "যোগ-বিয়োগের ব্যালেন্সটা" করে নিতে হবে । ব্যস , এই তো ।কি এমন কঠিন কাজ!

এই কাজটাই যেই পোস্ট গ্রাজুয়েশনের স্টুডেন্ট ডাক্তারকে দেওয়া হয়েছিলো , সে করেনি ।ওয়ার্ডের বেডে শুইয়ে , স্যালাইনের একটা চ্যানেল চালু করে দিয়ে , নার্সদের উপর সব দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে উনি বাড়ি চলে গেছেন ঘুমাতে । রাত ভর সিনিয়ার কোন ডাক্তার না থাকলে , হাসপাতালের নার্সরা কে কেমন দায়িত্ব পালন করে , আপনারা যদি কেউ রাত্রিযাপন করে থাকেন ইমার্জেন্সী ওয়ার্ডে , তা হলে জানবেন। আল্লাহ ও ধনিকের । হাড় হাভাতে গরীবের "ফুটা পয়সা দামেরও না" মেয়ে শর্মিকে তাই কেউ বাঁচায়নি । না তার ডাক্তার , না নার্স , না আল্লাহ ।

যে অমানবিক, নিষ্ঠুর , স্বার্থপর শহর আর হাসপাতালে শর্মির মৃত্যু হয়েছে , সেখানে উর্মিকে আর এক মুহূর্ত রাখতে চায়নি তার গ্রাম্য সহজ সরল বাবা মা। তাঁরা জেনে গেছেন , এই শহর ,এই চাকচিক্য ভরা সর্বগ্রাসী ইট কাঠের রাক্ষুসে ক্ষুধায় পড়ে তাকলে উর্মিও বাঁচবে না। আর তাছাড়া , এখানে কে তাকে দেখে রাখবে ? কে চালাবে চিকিৎসার খরচ? শর্মিকে নিয়ে কবর দেওয়ার জন্য কে যাবে আর কে রয়ে যাবে পিছনে দ্বিতীয় একটি দীর্ঘায়িত , খরুচে অবহেলার পরিণতির জন্য ? যে ডাক্তাররা এক রাত ঘুম বিসর্জন দিতে চায় না , একটি শিশুর প্রাণ বাঁচানোর জন্য , তাদের হাতে নিরাপদ নয় কোন প্রান্তিক মায়ের বুকের ধন। তাই তাঁরা শর্মির লাশ কাঁধে নিয়ে , আপাদমস্তক পুড়ে যাওয়া উর্মিকে বুকে জড়িয়ে চলে গেছেন এই হাসপাতালের চত্বর ছেড়ে । কর্মচারীরা কেউ তাঁদের ঠিকানা রাখে নাই , রাখে নাই ধরে উর্মির পোড়া দেহ , রাখে নাই খোঁজ - কি প্রকারে এই হত দরিদ্র পরিবারটি পৌঁছাবে বহুদুর ছোট্ট তাদের গ্রামে । তবে টিপ সই নিতে ভোলেনি সেই ছাড়পত্রে , যেখানে মুখ ব্যাদান করে কয়েকটি শব্দ জানান দেয় , উর্মির মত "আল্লাহর মাল" আল্লায় নিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমেই দায়ী থাকিবেন না । উর্মিকে তাহার অবিবেচক পরিবার সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে বুঝিয়া পাইয়া , লইয়া যাইতেছে ।

বর্নার উন্মত্ত গালাগালি বন্ধ করা যায় না। ইন্টার্ন'স রুমে ওর অক্ষম চিৎকারও আমাকে সরব করতে পারে না। আমাকে কে কে , কি কি যেন বোঝাতে চেষ্টা করে ।

" আমাদের কিছু করার ছিলো না ।"
" এই সব অশিক্ষিত বাপ মা রে কি বোঝানো যায়?"
"একটা বাচচা মরছে বলে হাসপাতালটাই অপয়া হয়ে গেল? রাবিশ!"
"অন্য বাচচাটা ও তো মরবে , স্রেফ চিকিৎসা না পেয়ে , আরে বাবা , এই সব কেস কি বাড়িতে ম্যানেজ করা যায় !"

আমি শুধু একবার জিগেস করি , "ছাড়পত্র দেওয়ার আগে কনসার্ন্ড ডাক্তারের সাইন লাগে । আমারে ডাকেন নাই কেন? আমি তো ক্যান্টিনেই ছিলাম !"
"আহা, ইমন বোঝার চেষ্টা করো । দে ডিড নট ওয়ান্ট টু ওয়েট । ওদের নাকি লঞ্চ ছেড়ে দিবে । আমাদের কিছু করার ছিলো না।"
"একটা মাত্র বাচচা মরেছে বলে মন খারাপ? আরে এই রকম কত মরবে। এই সব ফালতু ইমোশন ভুলে যাও।" - সকালের রাউন্ডে এসে জ্ঞান দিয়ে গেলেন ডিপার্টমেন্ট হেড !

আমি সব বুঝতে পারি । আমি খুব তুখোড় ছাত্রী বরাবরই । আমি খুব মন দিয়ে ক্লাস করি , সব কটা বই মন দিয়ে পড়ি , প্র্যাকটিকাল ক্লাস গুলাতে মন দিয়ে সব দেখি আর মনে রাখি । তাই আমার সব মনে পড়ে যায় । আমি সব আমার কল্পনার চোখে দেখতে পাই। কি ভাবে উর্মি নামের একটা মাত্র ৭ বছরের মেয়েদেহ একটু একটু করে পঁচে যাবে । পোড়া জায়গা গুলোতে থাকবে গলিত , বিবমিষা জাগানো মাংস । একটু একটু করে সে গুলো আলগা হয়ে যাবে হাড় থেকে । প্রতিটা উন্মুক্ত নার্ভ এর ছড়ানো ছিটানো মাথা গুলো অকল্পনীয় , অসহ্য ব্যাথায় উর্মিকে প্রতি মুহূর্তে বাধ্য করবে দ্রুত মৃত্যু কামনা করতে। ওর সারা গা পোড়া , কোথাও কোন চামড়া নেই। শরীর থেকে একটু একটু করে বেরিয়ে যাবে দেহরস । উর্মি পিপাসায় কাতর হবে । পানি চাইবে । পুড়ে যাওয়া ফুসফুস আর কন্ঠনালী থেকে সেই করুন আকুতির সাথে গমকে গমকে বেরিয়ে আসবে রক্ত । একটি ফোটা পানিও ওর ঝলসে যাওয়া জিহবায় এসিডের মত মনে হবে। ও মরবে । তবে ধীরে ধীরে , একটু একটু করে , হাবিয়া দোজখের পাপিষ্ঠার মত ।

পাপীই তো । বাংলাদেশের মত দেশে অত গরীব হওয়াটাই সবচেয়ে বড় পাপ।

আমি আমার সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে বার বার একটাই দোয়া করি উর্মির জন্য , আমার হারিয়ে যাওয়া পোড়া মেয়েটার জন্য , যার বিয়ের নাক ফুল আমার কানে লতায় ফাঁসির বৃত্ত হয়ে ঝুলে থাকে , আমি ওই মেয়েটার জন্যই দোয়া করি ----- আল্লাহ , মৃত্যু যেন হয় দ্রুততম। এক্ষনি । এই মুহূর্তে । ওকে আর একটা সেকেন্ড ও কষ্ট দিও না।
----------------------------------------------
২০০৩ সালের ঐদিন বর্না আর আমি সিদ্ধান্ত নেই ডাক্তারী ছেড়ে দেব। আমাদের উর্মি-শর্মিরা হাসপাতালে পৌঁছাতে পারে না। তার আগেই মরে যায়। জন্মানোর মুহূর্তটাই আসলে ওদের জন্য মৃত্যু সমন। ওরা বাংলাদেশের সেরা হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারলেও মরে যায় । কি হবে প্রেসক্রিপসন লিখে ? দারিদ্রের কোন ওষুধ বেরিয়েছে ? অথবা অবহেলা নিরোধক কোন সিরাপ? ভালোবাসা নামক কোন ম্যাজিক পোশন? তাহলে আর কাগজ লিখে কি হবে ।ওটা করার জন্য হাজার হাজার ডাক্তার আছে । বর্না আর আমি ইট কাঠের চত্বর ত্যাগ করে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে , হাট-মাঠ-ঘাটে ঘুরি ফিরি পাবলিক হেলথের নামে । যদি কোথাও , কোন শান্ত জংলায় পেয়ে যাই কোন দিন , আমার হরিনী চোখের উর্মি আর তুলতুলে শর্মিকে !
---------------------------------------------
!@@!582972 !@@!582973 !@@!582974 !@@!582975 !@@!582976

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অগল্পহ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ২:১৬
অতিথি বলেছেন: জাস্ট কেঁদে ফেললাম আমি। আজই নতুন একটা পোস্ট করেছি কেন আমি ইন্টারমিডিয়েটের পর ডাক্তার হতে চাইনি। এখন মনে হচ্ছে না বুঝেই সেদিন একটা ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। অন্তত আমাকে দেখতে হয়নি কোনো শিশুর মৃতু্য। বর্ণার মতো কিছু করতে না পারার যন্ত্রণায় হাত-পা ছুড়তে হয়নি।

৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৩৯
অতিথি বলেছেন: এজন্যই বাংলাদেশের ডাক্তার গুলোকে আমার কাছে কসাই বলে মনে হয়।যতদুর জানি ডাক্তারী পেশায় প্রবেশ করার আগে তাদের কে একটা শপথ নিতে হয়, কিন্তু পেশাদার হয়ে গেলে তারা সেই শপথ বাক্যটি ভূলে যায়।
৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৩
রাগ ইমন বলেছেন: জান পানি করে যেই তিন জন উর্মিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে , তারাও কিন্তু ডাক্তারই ছিলো ।

ডাক্তার হওয়া , না হওয়ার সাথে উর্মির মৃত্যুর কোন সম্পর্ক তো নেই !

একটা শিশুর মৃত্যুর কারন শুধু হাসপাতালে আসতে পারা -না পারার উপর নির্ভর করে না ! উর্মিকে বেস্ট পসিবল চিকিৎসা দেওয়ার পরেও মরতে হলো। কেন? কারন , তার ছোট বোনটা বাঁচে নি , একজন ডাক্তারের অবহেলা, কারন বাবা মার মনোভাব, কারন বাংলাদেশের নন-ফাংশনিং পাবলিক হেলথ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম - নইলে হয়ত ওরা বাড়ির কাছেই কোথাও চিকিৎসা পেত , অনুন্নত অবকাঠামো , যার জন্য ওদের পৌঁছাতে দেরি হয়েছে , দারিদ্্র..............অনেক কারন আছে ।

পাবলিক হেলথ সেকটর চেষ্টা করছে হাসপাতালের বাইরের কারন গুলোকে যতটা সম্ভব মিনিমাইজ করতে । কতটা পারবো , কে জানে!

আমি আর বর্না হলে তো হবে, আপনাদেরও সাহায্য প্রয়োজন। তবে সাবধানে, এই সেকটরেও ভন্ডদের অভাব নেই।
৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা :(
ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইলেও পারছি না ট্যাকনিকেল কারনে।
খারাপ ভালো সব জায়গাতেই আছে, তবে যেখানে জীবন-মরন ব্যাপার জড়িত বা শেষ আশ্রয় , সেখান থেকে তা না পাওয়া গেলেই ব্যাপারটা অন্যরকম, উদাঃ পুলিশ, ডাক্তার। আর এ দু পেশায়ই যুক্ত আমার খুবি আপনজন। কি আর বলব ।
৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৭
হুদাই বলেছেন: আপনজন হইলেই কিছু বলা যাইব না?
৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪২
মাহবুব সুমন বলেছেন: এ বিষয়ে ইমনের বড় কমেন্টাই আমার কথা।
১০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪৯
রাগ ইমন বলেছেন: হুদাই , কাকে কি বলতে চাইলেন বুঝলাম না।

মন্তব্যের ব্যাপারে বলতে পারি , যা ইচ্ছা লিখতে পারেন।

ডাক্তারদের সমালোচনা আমি সবচেয়ে বেশি করি । আমি নিজে ডাক্তার , আমার পরিবার ভরা ডাক্তার । আপনজন বলে , পিঠ চুলকানোর স্বভাব নাই আমার ।

তবে, শুধু ডাক্তারদের আচরন এই পোস্টের ফোকাস নয় । ঐদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যা--- একটা মৃত্যুর পিছনে অনেক অনেক স হযোগী কারন থাকে । সবাই খালি ডাক্তার হইতে চায়। কারন এইটা সম্মানজনক পেশা আর টাকা আছে ।

ভুলে যায় , ডাক্তার পর্যন্ত পৌছানোর আগেই মানুষ ঝরে যায় ।

আজও আমাদের 73-75% বাচ্চা হয় বাড়িতে , দাই এর হাতে । জন্মের 1 দিন সময়ের মধ্যেই মারা যায় বেশির ভাগ শিশু ।মারা যায় বালিকা বিবাহের শিকার শিশুর মা , যে কিনা নিজেও শিশু।

গালাগালি করেন, মনের ঝাল মিটান, কিন্তু অন্ধ হয়েন না । বাকি কারন গুলা ভুলে যাইয়েন না। এটাই বলতে চাইলাম।

অনেক অনেক সমস্যা আছে , যে গুলাতে কেউ হাত দেয়নি এখনো ।
১১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫১
মাহবুব সুমন বলেছেন: পিঠ চুলকাচ্ছে , কি করবো ?
১২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৩
রাগ ইমন বলেছেন: হুদাই , আপনাকে লেখার আগে মাহবুব সুমনের মন্তব্যটা পড়ি নাই। সরি।

সুমন , আপনার আপনজনরা ভালো মানুষ হতে পারে । তাই বলে আলোচনা হবে না?

সব ডাক্তারকে গালি দিবেন কেন?

ঐ রাতেও জান বাজি রেখেছিলো 3 জন ডাক্তার , অবহেলা করেছে মাত্র 1 জন।

ঢালাও ভাবে সব ডাক্তারদের গালি দিলে একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে নিজের বিবেচনাকে আপনি কিন্তু ঠিক সুবিচার করবেন না।
১৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০০
রাগ ইমন বলেছেন: মাহবুব, এই পোস্টে কোন রকম ঠাট্টা করবেন না।
আমার সহ্য হবে না।

আমি আজও দুইজন শিশুর লাশ আমার কাঁধের উপর অনুভব করি । এই মৃত্যু দুটো আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে , ছেড়ে দিয়েছি মানুষের সেবা করার জন্য আমার প্রিয় পেশা ।

You should try to understand , how I might feel. Don't crack jokes here . That's insensitive and unkind to the memory of Urmi and Shormi.
১৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০২
মাহবুব সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ, এজন্য আপনাকে পছন্দ করি @ ইমন।
পছন্দটা অপছন্দের দিগুন।
আপনার এ লেখাতা 3 বার পড়লাম, কষ্ট লেগেছে, আর কিছু বলতে চাই না।
১৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: স্যরি সিসটার স্যরি, আমি অনুভব করতে পারছি, স্যরি এগেইন। কোনদিন সামনা সামনি দেখা হলে বলব আপনার কিছু লেখা কি রকম স্পর্শ করেছে আমাকে।স্যরি
১৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:২৪
অতিথি বলেছেন: প্রায় মাস খানেক পর ব্লগে আসলাম, নানান সমস্যায় ছিলাম, শেষবার পড়েছিলাম, আপনি আর আসবেন না, ফিরে এসেছেন, ভাল লাগছে।

আর কিছু লিখতে পারছি না . . . শর্মির জন্য শুধু কষ্ট হচ্ছে।
১৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: ঠিকাছে , মাহবুব সুমন।
১৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
নজমুল আলবাব বলেছেন: এখানে কোন মন্তব্য নেই...
ইমন খুব বাজে মানুষ, খুব বাজে...
১৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: আসলেই বাজে নজমুল ভাই, না হলে বাঁচাতে পারলাম না কেন!
২০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৫৮
বিকেল বলেছেন: চোখ দু'টো ঝাপসা হয়ে গেলো কেনো ??
সব দোষ আপনার রাগ দি , সব দোষ আপনার । লেখাটা না লিখলে চোখ ঝাপসা হতো না ।
২১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: পুরো উপস্থাপন জনকনঠীয় দোষে দুষ্ট হইছে, কিন্তু শক্তিশালী!
২২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:১৬
রাগ ইমন বলেছেন: ধন্যবাদ বাকী, সত্যকথনের জন্য।

উর্মি -শর্মির সাথে ন্যায় করার মত যোগ্যতা আমার নাই। কখনোই ছিল না হয়ত ।

না ডাক্তার হিসেবে ।

না কথক হিসেবে ।

এইজন্যই গত কয়মাস ধরে সাহস করতে পারছিলাম না , লেখার ।

লেখার সময় একটা মদের বোতল মনে হয় দরকার ছিলো । যারা কেঁদে বুক ভাসায় , তারা ভালো লেখে না।

যদি পারো, ঘটনাটা সত্যিকারের লেখক কাউকে দিও ।

আমারটা জবানবন্দ ী হয়েছে । বুকের এত কাছে থেকে মনে হয় এর চেয়ে ভালো পারা সম্ভব না।
২৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:১২
অরুনাভ বলেছেন: রাগ ইমন আপনার লেখা টা ( সত্যঘটনাটি) মরম শপষী । ঘটনার effect টা অনেক ......
এখানে মন্তব্য করাটা উচিৎ হবে কিনা সেটা চিন্তা না করেই লিখছি.......
এক জন ডাক্তারের অবহেলার জন্য আপনাদের প্রানান্তকর প্রচেষ্টা এক ঝলকায় শেষ.......দুটি নিরীহ জীবনের সমাপ্তি.....আপনাদের ডাক্তারি ছেড়ে দেওয়া.........আমার কাছে মনে হয়েছে আপনাদের সিদ্ধান্ত অনেক imotional । কারন আপনাদের মত করে চিন্তা করার মত ডাক্তারের সংখ্যা কম .... অনেক কম ...... এক জনের অবহেলার জন্য কত জন দরিদ্র মানুষ আপনার চিকিৎসা পাচ্ছে না তা কি আপনি চিন্তা করেছেন?
( ব্যক্তিগত কারনে ডাক্তার দের উপর একই সাথে প্রচন্ড ঘৃনা এবং প্রচন্ড ভালবাসি।
ডাক্তাররা অনেকটা ঈশ্বরের মত। মানুষ নিজের জীবন ডাক্তারের কাছে দিয়ে দেয় আরও কিছুদিন এই সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দর ভাবে বাচার জন্য.....আমার কাছে তো আসে না......কোন ডাক্তারের কাছেই তো যায়..........
এই লেখাটি আপনাকে আঘাত করার জন্য অবশ্যই নয় )
২৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
অরুনাভ বলেছেন: রাগ ইমন আপনার লেখা টা ( সত্যঘটনাটি) মরম শপষী । ঘটনার effect টা অনেক ......
এখানে মন্তব্য করাটা উচিৎ হবে কিনা সেটা চিন্তা না করেই লিখছি.......
এক জন ডাক্তারের অবহেলার জন্য আপনাদের প্রানান্তকর প্রচেষ্টা এক ঝলকায় শেষ.......দুটি নিরীহ জীবনের সমাপ্তি.....আপনাদের ডাক্তারি ছেড়ে দেওয়া.........আমার কাছে মনে হয়েছে আপনাদের সিদ্ধান্ত অনেক imotional । কারন আপনাদের মত করে চিন্তা করার মত ডাক্তারের সংখ্যা কম .... অনেক কম ...... এক জনের অবহেলার জন্য কত জন দরিদ্র মানুষ আপনার চিকিৎসা পাচ্ছে না তা কি আপনি চিন্তা করেছেন?
( ব্যক্তিগত কারনে ডাক্তার দের উপর একই সাথে প্রচন্ড ঘৃনা এবং প্রচন্ড ভালবাসি।
ডাক্তাররা অনেকটা ঈশ্বরের মত। মানুষ নিজের জীবন ডাক্তারের কাছে দিয়ে দেয় আরও কিছুদিন এই সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দর ভাবে বাচার জন্য.....আমার কাছে তো আসে না......কোন ডাক্তারের কাছেই তো যায়..........
এই লেখাটি আপনাকে আঘাত করার জন্য অবশ্যই নয় )
২৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
অতিথি বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়ে ভেবেছিলাম কোনভাবে হয়ত ওরা বেচে যাবে
২৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১:৪৮
অতিথি বলেছেন: কিছু একটা কমেন্ট লেখার জন্যে পেজটা খুলেছিলাম, বাট কি লিখবে বুঝতে পারছি না ... মন খুব খারাপ হয়ে গেল আপনার লেখা পড়ে ...
২৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:১৩
রোবট রাজকন্যা বলেছেন: ঊর্মি - শর্মি ক্ষমা করো আমাদের,এই নাবালকদের ।

পুড়ে যাওয়া শরীর নিয়ে হাসপাতালের নিরাপদ বেডে পৌঁছাতেই তোমাদের পাড়ি দিতে হয় দীর্ঘ পথ । আবার সেখান থেকেই কখনো পোড়া দেহে , কখনো পোড়া মনে ফিরে আসো ( শুধু একটা কল,আমার সবকিছুই ঠিক আগেরমত করে দিলো -- হাহ,এই সেবা আমরা তোমাদের দিতে পারিনা, এই স্বস্তিও তোমরা কখনও পাও না )।

বিধাতা আমাদের তোমাদের মতন এত অভাবী করেননি ঠিকই ..... কিন্তু আমরা নিজেরাই করেছি আমাদের বেশী অভাবী । জ্ঞানের অভাব,দায়িত্ববোধের অভাব, মনুষ্যত্বের অভাবে আমরা নিজরাই নিজেদের করেছি রিক্ত ।।

তোমাদের জন্য আমরা কাঁদছি ... কিন্তু যে বর বিধাতা তোমাদের না দিয়ে আমাদের দিয়েছেন তার কি মূল্য আমরা রেখেছি ? আমরা ব্যুফে ডিনারে একবেলাতেই 500টাকা খরচ করি আর তোমরা 10টাকা দিয়ে হাসপাতালের ইমার্জেন্সী টিকেট কাটতে পারো না ।
প্রয়োজনীয় ওষুধটাও আমরা তোমাদের জন্য ফ্রি করতে পারি না ।

এক ঊর্মি-শর্মি আমাদের ঠিকি কাঁদিয়ে যায় কিন্তু তাই বলে আরেক ঊর্মি - শর্মিকে আমরা বাঁচাতে পারি না ।

আমরা বন্দী আমাদের নিজে ভূমে নিজ কারাগারে নিজ লোভের নিকট ।

কতটা দরদ দিয়ে নিঃস্বার্থভাবে আমরা তোমাদের কাছে ডাকতে পারি .....? আমরা জিম্মি আমাদের নিজেদের লোভের কাছে, আমাদের অলসতার কাছে ।



পারি না, কিছুই করতে পারি না ।। বোবা দুচোখে দেখা রাজ্যের সব ভুলকে, রাজ্যের সব অপরাধকে তাই ক্ষমা করেই দিতে হয় । তাকিয়ে থাকা দু চোখ তার অসহায়ত্বের ক্ষতিটা পুষিয়ে নেই শুধু নিষ্ফল কান্নায় ।।
২৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
রোবট রাজকন্যা বলেছেন: এই নির্ভুল সত্য পোস্টটা পড়তে গিয়ে কোথাও কোথাও গা শিড়শিড়িয়ে উঠে ..... কেঁদে উঠে মন, ঊর্মি-শর্মির জন্য ।

শর্মি ত মরেই গেছে আর ঊর্মি এক দগ্ধ শরীরে রাজ্যের ইনফেকশন বয়ে বেড়াবে কত শত দিন ?

কিন্তু এই অনুভব আর কোন ঊর্মি-শর্মিকে কষ্টের মৃত্যু থেকে র্বাঁচাতে পারে না ..... এই আমি আর কোন ঊর্মি-শর্মিকে বাঁচাতে এগিয়ে যাই না .....


এই পোস্ট পড়ে ফিরে যাওয়ার পর বাস্তবতাও তাই তথৈবচ ।।

পারি না, কিছুই করতে পারি না ..... শুধুই নিষ্ফল অনুভব,নিষ্ফল বাক্যবাণ,নিষ্ফল সময় ।।

ঊর্মি-শর্মি ---
যদি ক্ষমা চাই, তাও হয়তো বেশী হয়ে যাবে ।। ক্ষমা করো না আমাদের ।।

২৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
রাগ ইমন বলেছেন: অরুণাভ , হাসপাতালে বসে ভালো চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভালো মানুষ আর ভালো ডাক্তার আছে । সামনে আরও আসবে। কিনতু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে ও পরের অংশটুকুতে কাজ করার জন্যও ডাক্তার দরকার।পড়েননি?
Prevention is better than cure
আমি এখন ঐ আগে -পরের জায়গাটাতে কাজ করছি।
৩০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
রাগ ইমন বলেছেন: যাদের মন খারাপ হয়েছে , তাদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি ঃ

আরো হাজারো উর্মি -শর্মি রয়ে গেছে , ওরা এখনো মারা যায়নি।

চোখের পানি আপনার মানবিকতাকে প্রকাশ করে , স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সেটার দাম আছে ।

কিন্তু , উর্মি -শর্মিদের দরকার সাহায্য , চোখের পানি নয় ।

যে যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করুন কিছু একটা করতে । শুনতে খুব খারাপ লাগলেও , পাবলিক হেলথে চোখের পানির কোন দাম নেই । দাম আছে কাজের। শুকনো চোখে , ঠান্ডা মাথায় , কাজ করে যাওয়া - যাতে আজকের উর্মি শর্মিরা বেঁচে যায়।

অমানুষ , কান্না থামাও। তোামরও কিছু করার আছে ।

" আমার কিছু করার নেই"--- এইটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা । একটু আশে পাশে তাকাও ।কারো না কারো জন্য , তুমি নিশ্চয়ই কিছু করেছো, কিছু করছো । সুযোগ খুঁজতে থাকলে আরও করবে।
৩১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৮:১১
নজমুল আলবাব বলেছেন: আমিও মাঝে মাঝে চেস্টা করি একেবারে সত্যটা লেখনিতে নিয়ে আসি। পারিনা! হয়না। শব্দের ভান্ডারে টান পড়ে। সাহসে কুলায়না। বোধহীন হয়ে পড়ি...

স্যালুট তাকে, যে পারল
৩২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৪৮
অতিথি বলেছেন: মন্তব্য পড়ে ভাবছি, লেখাটা পড়বো কিনা! মন খারাপ করতে চাইছি না।
৩৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪২
আজকাল বলেছেন: মনটা খারাপ হয় ে গেল
৩৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
রাগ ইমন বলেছেন: মন আমারও খারাপ হয়ে যাচ্ছে বার বার। যত বারে এই পোসটে ফেরত আসছি ।

এমন করে আর লেখা ঠিক হবে না........বড় বেশি " ইমোশোনালি ড্রেইনিং" ।
৩৫. ১৭ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিছু ডাক্তার আর জানোয়ার পুরাই এক।
তবুও যেতে হয়, যেমনটি জেনেও খেতে হয় ফর্মালিন যুক্ত মাছ।
৩৬. ১৭ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জগতে কিছু লোক জাহান্নামে যাবে, উকিল, নেতা, ডাক্তার, রাজাকার, আর আমি!
৩৭. ১৭ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জগতে কিছু লোক জাহান্নামে যাবেই, উকিল, নেতা, ডাক্তার, রাজাকার, আর আমি!
৪০. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:৪০
তারেক রহিম বলেছেন: এটা আর পড়তে চাই না, বহুদিন পর কেন নজরে আনলেন আবার? :(
৪১. ২৩ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৬:৫৮
সাব্বির বলেছেন: মন্তব্য দিতে অনেক দেরি হয়ে গেল....

কে কি করেছে,সব কিছুই কিন্তু নোট করা হচ্ছে।শুধু ভালভাবে পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা...

ভাল থাকুন।
৪২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:৫০
রাগ ইমন বলেছেন: সাব্বির , তুমি হারাইলা কই?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৬৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ