আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলিফুল ?
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
খুব সক্কাল বেলা ইস্কুলে যেতে হতো । একদম সেই কাক ডাকা ভোরে আব্বু এসে মাথার কাছে দাঁড়াতেন । আব্বুর ঘুম থেকে উঠানোর স্পর্শটা ভীষন প্রিয় ছিলো । আব্বু খুব আস্তে হেঁটে পাশে দাঁড়াতো । তারপর একটু বোঝার চেষ্টা করতো , আমি জেগেছি না এখনো ঘুমিয়ে কাদা । আন্দাজে বোঝা হলে , বা , না হলেও একটু ঝুঁকে পড়তো মুখের উপর । যেমন মৃদু বাতাসে ডাল নুয়ে দেয় বৃক্ষ তার ক্লান্ত পথিকের মুখশ্রীর উপর । খুব ধীরে ডান হাতটা কপালে রাখতো আর আলতো কিন্তু চটুল একটা ডাক ফিস ফিস করে ভেসে আসতো ,
" এই যে ! আমার লম্বা মেয়েটা ! ঘুম কি ভাঙলো ?"
আমার খুব সুন্দর একটা নয় , মোট তিনটা নাম আছে । একেবারে আকিকা দিয়ে আড়ম্বরে প্রতিষ্ঠিত নাম । তারপর ও এই দুষ্টু নামটায় , এই আলতো ডাকটায় এমন আদর ছিলো , আমি অনেক আগে ঘুম ভেঙে গেলেও মটকা মেরে পড়ে থাকতাম , শুধু আব্বুর অপেক্ষায় ।
আব্বু আর ডাকে না অমন করে ।
কেউ কি ডাকবে এতটা আদর নিয়ে ?
---------------------------------------------
আমার খুব জ্বর হতো ।আব্বুকে একদিন না দেখলেই জ্বর । ডাক্তার সিরিঞ্জ সিরিঞ্জ রক্ত নিয়েও বের করতে না পেরে , শত শত ওরাসিন কে খাইয়েও জ্বর বন্ধ করতে না পেরে বলে দিলো ," আপনার মেয়ে আপনাকে না দেখে থাকতে পারে না । এইটা মানসিক শক এর প্রতিক্রিয়া।"
আব্বু হতভম্ব তাকিয়ে ছিলো । এই এত্তটুকুন মেয়েটা কি এমন ভালোবাসলো যে না দেখলেই জ্বর! আব্বুকে এখনো তেমন করেই ভালোবাসি । এখনো একদিন না দেখতে পেলে , কোথাও গেলে , কেমন যেন সব কিছু অসহ্য লাগতে শুরু করে । হয়ত সারাদিন কথাই হলো না ।হয়ত অফিস নিয়েই পড়ে আছি । তবু আব্বু বাসায় থাকা মানে মনের ভিতর একটা কথা প্রজাপতির মত উড়তে থাকা , "আছে তো ! এই তো আশে পাশেই আছে । "
এমন তুমুল জ্বরে একবার আমি যশোরে , আব্বু ঢাকায় । আব্বু ছুটি চাইলো , বস দেবে না । সোজা চাকরী ছাড়ার দরখাস্ত বসের পিয়নের হাতে ফেলে দিয়ে যশোর চলে এলো , অফিসে পিয়ন তখন পাগলের মত খুঁজছে - স্যার , আপনার ছুটি মঞ্জুর হয়েছে , কাগজটা নিয়ে যান দয়া করে । কে শোনে কার কথা ! সন্ধ্যা নাগাদ আব্বু যশোরে । বাড়িতে ঢুকে কারো সাথে কোন কথা নাই , এমন কি মামণির সাথেও না । আমাকে বুকের ভিতর জাপটে ধরে জানালার পাশে , গাল ভিজে যায় ফোটায় ফোটায় । কালা পাহাড়ের মতন দশাসই লোকটাকে ৩০ বছরে আর একবার মাত্র কাঁদতে দেখেছি , দাদী যেদিন মারা গেলো ।
কেউ কি এমন করে কাঁদবে আমার জন্য ?
---------------------------------------------------
ইস্কুলে একটা শিউলি গাছ ছিলো । ক্লাস রুমের পাশেই । তখন পড়ি ক্লাস টু কি থ্রিতে । গাছটা ক্লাস থ্রি আর ফোরের মাঝামাঝি মাঠে । বড় ক্লাসের মেয়েরা চলে এলে ছোটরা আর ফুল কুড়াতে পারে না ।তাই সোয়া সাতটার ভিতর ইস্কুলে যেতাম । গায়ে সোনা রোদ । পরনে নীল জামা । পিঠের উপর ডাকাতের মত মোটা এক ব্যাগ । পায়ে কালো জুতো । সাদা ধবধবে মোজা । টুক টুক করে হেঁটে চলেছি ।পকেটে সুঁই আর সুতো । গুন গুন করে গাইছি , " ও আমার বাংলা মা তোর ।" অথবা "রাঙামাটির রঙে চোখ জুড়ালো "। মন খুব ফুরফুরে থাকলে , " সোম বারে পাখিটির ডিম ছিলো দুটি " কিংবা " ফিঙে নাচে ঝিঙ্গে পাতায়" । দুষ্টু মুডে থাকলে ," তোমরা বলো সন্ধ্যে হতেই যদি ভোঁ ভোঁ করে মশা " ।
কোন মতে ক্লাসে ব্যাগটা রেখেই ছুট ছুট । উর্মিকে খুব হিংসে কারন ওর বাড়িটা ইস্কুলের মাঠের ঠিক পিছনে ! রেহনুমার মা ওকে ঠিক সাতটায় ইস্কুলে দিয়ে হাসপাতালে ডিউটি করতে যায় । নীতুর বাবা অনেক দূরে চাকরী করে । কখনো সাতটা দশের পরে আসাও হয় না তাই ! আমি কিছুতেই ওদের আগে পৌঁছাতে পারি না । সাদা কমলায় স্বপ্নের মতো মাটিতে লুটায় আমার ফুল । আমি ওদের মালায় গাঁথবো বলে সুঁই সুতো নিয়ে হেঁটে যাই শরতের মেঘ ভরন্ত সকালে । সাদা মেঘ , ছাই রঙা মেঘ , গোলাপি , লালচে আর কতকটা শিউলি বোটার মত কমলা ।
খুব ইচ্ছে করে । এক এক করে ফেলে দেব কমলা বাহুল্য । আমার সাদা খুব প্রিয় । শুধু সাদা পাপড়ি গুলো নিয়ে এক এক করে গাঁথবো সুতোয় । মুহুর্তের পর মুহুর্ত পার হয়ে একটা অকল্পনীয় সুন্দর , নিখাঁদ , পবিত্র মালা হবে । একটা নয়, দুটো । নীতু, রেহনুমা আর উর্মিরা অনেক আগেই মালা নিয়ে ঢুকে পড়ে জগতের ক্লাস রুমে । আমার কেবলই দেরী হয়ে যায়!
আমি আঙ্গুলে সুঁই ফুটিয়ে রক্তাক্ত বসে থাকি। এখনো । কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলি ফুল ?
দেহলিতে কপট কিঙ্কর
দেবসভায় দেবারি দরাশে
রই অন্তরীন অন্তরে একা
দেহী গ্রাসে তমসা তরাশে !
ছায়া নীরে মুকুলিত মৃদুল জটা
স্বপনে দহিত দুহিতা নিবিলো ছটা
আরশে আশা দলে উত্তর
সওয়ালে সিঁদুর প্রকাশে
গৃহী ভস্মে সুলুক বিস্তর
দহিতা মগন সকাশে !
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাগাশ্রিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
ভাল লাগসে পিলাস দিলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । কষ্ট করে পড়ার জন্য ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
+ ছাড়া গতি নাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুন্না ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল । পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ।
পলাশমিঞা বলেছেন:
আমারো দুটা মেয়ে আছে। আপনার কথা শুনে মন খারপ হচ্ছে কারণ বড় মেয়েটার বয়স এখন ১৪। আর লেখতে পরবনা দুঃখিত। ++++++++++
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করে দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি । আমি দুঃখিত ।
প্রিয়তি বলেছেন:
খুব টাচি । লেখাটা পড়তে পড়তে আমি দেখছিলাম, তোমার বাবা তোমাকে কোলে নিয়ে বসে আছেন, কোন অভিমানী ছোট্ট মেয়ে শিউলি ফুলের সাথে অভিমান করে নিজেকেই রক্তাত্ব করে চলেছে।শিউলিফুল আমারো খুব প্রিয় ফুল।
তোমাকে আমার লেখা কিছু লাইন উৎসর্গ করি।
কতই না বেদনা দিয়েছি পাড়ি,
দিয়েছি আশার জলান্জলি।
তবু, প্রানে মোর শান্তির বানি
যখন তোমারেই জানিয়াছি আমি।
তুমি-ই যে ভালবাসার সণ্চার ওগো
তুমি-ই যে এই ক্ষুদ্র মনের শুভ্র।
লেখাটা আমার আরেকটি নিকে লিখেছিলাম।
লেখক বলেছেন: ( প্রিয়তি , অনেক ঋনী করে দিলে
ভাবি এমন দানে প্রতিদান কি মিলে?
আমি কি যোগ্য তোমার এ উপহারে
তুমি কি প্রণতি জানাইছো অযোগ্যতারে ! )
একজন অক্ষম কবির কিছু লাইন দেই তোমাকে,
একবার নয় আগুনই দাও এই চোখে
পুড়ে দাও আরো কালো করে এই মনি
যখন বিবেক , বুদ্ধি , চেতন না রোখে
তোমাকে দেখার আশে কাঁদে যখনি
দাও পুড়ে ,দাও ঢেলে ভস্ম মাটি
দাও নিবে জগতের প্রতিটা উজ্জ্বল সুখ
আমিও দেখি কতটা অন্ধ হলে খাঁটি
মুছে যায় আমার নয়নে তোমার মুখ ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আপনার লেখায় অনেক আবেগ। তাই আপনার লেখা পড়ার আগে কম্পিউটারে গান ছেড়ে দেই। যাতে বেশি মনোযোগ না পড়ে। কম্পিউটারের মনিটরের দিকে তাকিয়ে কাদতে দেখলে সবাই বলবে মুন্নার চোখে সমস্যা হইছে কম্পিউটার চালাইতে চালাইতে। তখন কম্পিউটার জনমের তরে শেষ।
লেখক বলেছেন: কি যে বলো । বেশি আবেগ ভালো না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুজতবা । কৃতজ্ঞতা।
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:
মুগ্ধ হয়ে পড়লাম । লগ অন না করে পারলামনা ।
লেখক বলেছেন: লজ্জা লাগে এমন সব প্রসংশায়। নির্বাক থাকি !
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আবেগ কমাতে হবে। একটা ওষুধ দেন আপু
লেখক বলেছেন: আবেগের ওষুধ হলো ঘুম । ঘুমায় যাও ।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
চমতকার হয়েছে...!
লেখক বলেছেন: আপনার নিকের মত? ঃ)
প্রিয়তি বলেছেন:
মুন্না ভাই আবেগ কমানোর কোন ঔষধ নাই। থাকলে আমি নিজে অনেক আগে খেতাম। তবে ডাক্তাররা মনে করেন ব্রেইনের নার্ভ যখন দূর্বল থাকে, তখন মানুষ অকারনেও আবেগ প্রবন হয়ে থাকেন। নার্ভ শক্ত করুন ঠিক হয়ে যাবে। লেখক বলেছেন: ব্রেইনের নার্ভ না ,এইটা মগজের মাংশপেশীর দুর্বলতা ।মগজের মাংশপেশীর ব্যায়াম করলে সব ঠিক হয়ে যাবে । সাথে আয়োডিন খেতে হবে । আর দিনে ২৫ ঘন্টা করে ঘুমাতে হবে - সৌজন্যে সামহোয়ার বিন
লেখক বলেছেন: ঘন করে স্টার্চ দিয়ে শুকাইলে মনে হয় শক্ত হইতে পারে ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আমি অকারণে আবেগ প্রবণ হইনাই। আপু যা লিখে.........একটু মন দিয়া পড়লে আপনার আর আমার চোখের পানিতে ব্লগে বন্যা হইয়া যাইবো।
লেখক বলেছেন: সিডরের পরে আবার বন্যা ? রক্ষা করো মাবুদ! তার চেয়ে মুছে ফেলি এই পোস্ট ?
প্রিয়তি বলেছেন:
প্রিয়তি বলেছেন:
তাইলে ঠিক আছে মুন্না ভাই। দিদি ছরি এইখানে পেচাল পারবার জন্য। আমি অফ যাচ্ছি।
ধ্রুব বলেছেন:
দারুন ৫ + + +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধ্রুব । অনেক দিন পরে এলেন ।
লেখক বলেছেন: আদরের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা । বড় হয়ে গেছি তো , এখন আর কেউ মনে করে আদর করে না
মিরাজ বলেছেন:
বাবাকে নিয়ে লেখা যে কোন লেখাই একটা আলাদা আবেগের জন্ম দেয়।আপনার লেখার আবেগ মন ছুয়ে গেল।
বাবা পাশে থাকাটা যে কতটা সৌভাগ্যের সেটা বলে বোঝানো সম্ভব নয় ।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ।
লাল দরজা বলেছেন:
কিরে ভাই কমেন্ট একখান করছিলাম, মুইছা গেল ক্যান! শাপ মোছন না ইচ্ছা মোছন কে জানে!
লেখক বলেছেন: আমিও তো বুঝলাম না ।আবার করো ।
নাভদ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ ।
মনটা খারাপ করে দিলেন।
লেখক বলেছেন: আমার ও মন খারাপ ।
নির্বাসিত বলেছেন:
পুত্রদের জন্য বাবারা একটু ভিন্ন চেহারায় দেখা দেন যা কন্যাদের কাছে সর্বদা প্রতীয়মান হয়না।আমার হিটলার বাবাটিরও গোপন কিছু কোমল মুহুর্তের দর্শক ছিলাম কয়েকবার। মাঝে মাঝে লুকিয়ে সেগুলোর আঘ্রাণ নেই। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে তিনি এই স্মৃতিগুলোকে কেড়ে নেননি।
আপনার লেখায় ন্যাপথলিনের গন্ধ পেলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নির্বাসিত , আমার বাবাও কম কড়া নন । আবেগের প্রকাশে তিনি মোটেই দক্ষ নন। কিন্তু , ভয়ংকর এই লোকটা ভেতরে ভেতরে কতটা কোমল , এইটা বোধ হয় তার অযোগ্য কন্যাত্রয়ই শুধু জানে ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আমার আব্বা-আম্মা গ্রামের বাড়ি গেছিলো। এখন আসতাছে ২টা পর্যন্ত সজাগ থাকা লাগবো। সুতরাং, নো ঘুম। জাস্ট ব্লগিং।খালি ব্লগিং কইরা সময় কাটনা। চ্যাটিং করবার চাই। ইয়াহুতে মাত্র দুইজন
গুগল টক আর এমএসএন-এ কেউই নাই
লেখক বলেছেন: মুন্না ,দয়া করে তিন হাত দূরে থাকো ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আমি যে পরিমাণে লবণ খাই তাতে আমার আম্মা বলে তোর কলিজায় সমস্যা হবে। আমি তাও খাওয়ানো কমাই না। এইবার বলেন আর কি কারণে আবেগ বাড়ে?
লেখক বলেছেন: আবেগ না কমাতে চাইলা !
কিছুই করতে হবে না ।ঘুমাইলেই হবে ।আবেগে আক্রান্ত হলেই ঘুমাই যাবা ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ সাব্বির । সেটাই ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
মনের ভুলেও পোস্ট মুইছেন না। তাইলে আপনার ব্লগই ভাসাইয়া দিমু।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
বেশি কমেন্ট করায় আপনি কি রাগ করতাছেন নাকি, আপু?
লেখক বলেছেন: আব্বু আম্মুর জন্য বাথ্রুমে পানি গরম করে রাখো ।আর পরিষ্কার টাওয়েল। খিদা লাগতে পারে ।কয়টা বিস্কিট বের করে রাখো ।আর বিছানাটা ঝেড়ে পরিষ্কার করে মশারী টাঙিয়ে রাখো ।
েবহাগ বলেছেন:
ধন্যবাদ দেয়া হয়নি। থ্যাংকু।শিউলি আমাদের ইস্কুলেও ছিল। মেয়েরা তুলে মালা গাঁথত। আর আমি ভাবতাম আমার জন্য গাঁথছে।
আমার প্রিয় ফুল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নাই বেহাগ । ঃ) এখন ভালো আছো তো?
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এধরণের সুন্দর পোস্ট পেলে নস্টালজিয়ায় ভুগি। মিস্টি শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছা করে। ++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আমার ও । মাঝে মাঝে ।
তবু মহাদেব সাহার সেই প্রিয় কবিতাটা মনে পড়ে গেল।
শেফালী ফুলের ঋতু
শেফালী ফুলের ঋতু গন্ধময় তাকে
শহরে শিউলি বলে ডাকে-----
-----
শেফলী ফুলের ঋতু তোমাকে প্রণাম
লেখক বলেছেন: কবিতা , শিউলি , স্মৃতি । খারাপ কম্বিনেশন । ঃ)
একস্লিপ বলেছেন:
খুবই ভালো পোস্ট।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
নিবেদীতা বলেছেন:
আমাকে বুকের ভিতর জাপটে ধরে জানালার পাশে , গাল ভিজে যায় ফোটায় ফোটায়।চোখ ভিজে উঠল
সব বাবারাই বোধহয় এমন হয়।
শউলি আমার সবচেয়ে প্রিয় ফুল, এর সঠে জড়িয়ে আছে আমার শৈশব।
শুভেচ্ছা রইল।
নিবেদীতা বলেছেন:
সঠে=সাথে
লেখক বলেছেন: কিছু শুভ্রতা বড় হ্যাঁচকা টান দেয় । ফিরতে ইচ্ছে করে।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
এত অসাধারন লিখছেন আমি কিভাবে সেটা প্রকাশ করব বুঝতে পারতেছিনা। আমি ও টুকিটাকি লেখালেখি করি। কিন্তু, এখানে আসার পর থেকে আমি লিখি সেটা মনে হচ্ছেনা। কেন জানেন??? এখানের ব্লগার'রা এত সুন্দর লেখে...সেখানে আমার লেখাগুলোকে হাস্যকর মনে হচ্ছ। যাইহোক, আপনার এই সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার পোষ্টগুলো একবার দেখলে অনেক খুশী হব(সময় থাকলে)। আবারও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । চেষ্টা করবো পড়তে ।
নরাধম বলেছেন:
রাগাপু, আপনার বিরুদ্ধে আমার অনেক অভিযোগ। আমি ব্লগে থাকলে আপনি পোস্ট দেননা। আমি চলে গেলে তারপর দেন। পরে এসে পোস্ট খুঁজলে দেখি কবিতা দিয়েছেন। কোবতের আগা মাথা কিছু বুঝিনা, তাই পড়িনা, তবে প্লাস দিয়ে চলে যাই অথবা ছোট কমেন্ট করি।গদ্য পোস্ট দেন খুব কম, অথচ সেগুলো অসাধারণ। আমি বুঝতে পারি আপনার কবিতাগুলাও নিশ্চয় অসাধারণ হবে। আচ্ছা কবিতা বুঝার জন্য কি করতে হবে? সিরিয়াসলি বলছি কিন্তু।
দেশে আসলে ইনশাআল্লাহ আপনার আব্বার সাথে দেখা করব আর নির্বাসিত দাদার ভাইয়ের সাথে।
জোর কদমে এগিয়ে চলুন, সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: অনেক বড় অভিযোগ ভাইয়া । আমার তো তাহলে অনেক শাস্তি পাওনা হয়েছে । আমি মাথা পেতে নিলাম , যা শাস্তি দিবে দাও !
কবিতা তো আমি বুঝি না নারদ , আমি লেখি । যা অনুভব করি , মাথায় শব্দরা ঘুর ঘুর করে কামড়াতে শুরু করলে যন্ত্রনা মুক্তির জন্য ও গুলোকে খপ করে ধরে ব্লগে ফেলে দেই । লোক জন ওইটারে কবিতা মনে করলে আমার কি দোষ ?
তার মানে হলো , পেইন ইন মাই হেড ইজ আ পেইন ইন ইওর অ্যা*
( হা হা হা হা হা হা হা হা হা )
কবিতা বুঝার কোন বুদ্ধি নাই। এইটা অনুভব করার বিষয় । তবে শব্দের অর্থ গুলা জানা থাকলে বুঝতে সুবিধা হয় ।
আব্বুর দর্শন প্রার্থী তাইলে দুই জন পাওয়া গেলো । আসো , আব্বু খুশিই হবেন।
লাল দরজা বলেছেন:
সকলেরই বুঝিবা শৈশবে এমন একটা শিউলি গাছ এমন একটা শিশির ভেজা শিউলিতলা থাকে! আমারো ছিল, আমরাও গেথেছি কত এমন সজীব শুভ্র শিউলি মালা।
সেই শৈশব বৃক্ষকে নাড়িয়ে যে স্মৃতির শিউলি আজ বন্ধু তুমি ঝরালে, তাকে কুড়াবার ফুরসত এখন কেন আর হয় না আমাদের!
সকালের শিউলি ফুল দুপুর হতে হতেই কেমন নেতিয়ে যায়! সেই নেতানো কুসুম দিয়ে যায়না গাথা ঠিকঠাক তেমন কোন মালা, হায় জীবন তুই এতো ছোট কেনে!
লেখক বলেছেন: লালু ,
শিউলি তলা গুলো হারিয়ে যায়নি তো । কিন্তু গাছগুলো যেন বন্ধ্যা । নাকি মালীর অবর্তমানে সেও হয়েছে অভিমানী ?
তানজিলা হক বলেছেন:
আব্বুকে নিয়ে বলা শুরু করলে তার আর শেষ নেই ................তাই চুপ চাপ চলে গেলাম।৫
লেখক বলেছেন: জিলাপী ,প্যাঁচ কি আর শেষ হয় ? ঃ)
লেখক বলেছেন: চুপ চাপ নিলাম ।
লেখক বলেছেন: টারটল ,কেমন আছো ? আগামী শুক্রবার ঢাকায় চলে আসো ।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা সফল হোক । আমীন ।
খোলাচিঠি বলেছেন:
ইস আপনি আমার দুটো সৃতি মনে করে দিলেন !এক,
আমার বাবা ঠিক আপনার বাবার মতন ঘুম থেকে আমাকে আর আমার বোন কে জাগায়। বাবা আমাদের প্রথমে পায়ে শুরশুরি দিয়ে তারপর মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলবে " আব্বুরে উঠো উঠো , মামণি উঠো উঠো"।
দুই,
ছোট বেলায় আমিও খুব জরে ভুগতাম, এ জিনিসটা আমার এখোনো আছে বটে। একবার কঠিন জরে বিছানায় পরে ছিলাম। বাবা আমার জর কমানোর জন্যে সুরা পরে আমাকে ফু দিচ্ছিলেন। বাবাকে দেখে আমার জরের চেয়েও বেশি কষ্ট লাগছিল। এখোনো মনে পরে ওই সন্ধ্যাটা, আমি নিঃশব্দে কেঁদে যাচ্ছিলাম আর বাবার সুরা পড়া শুনছিলাম। বাবা ভাবলো জরে আমি কাঁদছি। আজো বলিনি বাবা আমি তোমার জন্যে কাঁদছিলাম।
আপনার পোষ্টটি বলা বাহুল্য সুন্দর হয়েছে।
বাই দ্য ওয়ে, সাদা আমারও প্রিয় রঙ =)
লেখক বলেছেন: দারুন লাগলো স্মৃতি কথা পড়ে । ধন্যবাদ ভাগ করে নেওয়ার জন্য । ঃ)
লেখক বলেছেন: আসল কথাই তো বললে না । খুশি হয়েছে না খুব?
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
অপূর্ব দত্ত বলেছেন:
নো কেমন্ট। ওনলি কম্প্লিমেন্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , অপূর্ব ।স্বাগতম ।
লেখক বলেছেন: নো এন্সার , জাস্ট থাং কু ঊ ঊ ঊ
আবু সালেহ বলেছেন:
হি হি হি...........
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আমার বাকি কাজগুলোতো করাই লাগে নাই তবে মশারী টাঙ্গিয়ে দেওয়ায় প্রতিদিনের মতো খুশি হইছে।
খুশবু বলেছেন:
বাবারা যেন কেমন হয় । বাবাকে কত ভালোবাসতাম আর বাবা কিনা আমাকে রেখে চলে গেল । খুব দুখ লাগে ।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকো খুশবু!
"কালা পাহাড়ের মতন দশাসই লোকটাকে"-- এইটা পড়ে হঠাৎ ১টা কথা মনে হলো। সবাই কি বাবা-মা কে এমনভাবে দেখে? মানে,সম্বোধনটার মাঝে এমন কিছু ১টা আছে,যেন বাবা মাত্রেই তো দশাসই জাঁদরেল কিছু ১টা হবে,আবার যে সন্তান বলবে--"নিতান্তই নিরীহ ভালমানুষ গোছের লোকটাকে",তার কথা শুনলেও মনে হবে যেন তাই তো,বাবারা তো আসলে ওরকমই হবে,হওয়াই উচিত। আমার খালু তাঁর মা কে ডাকতেন "ইন্দিরা গান্ধী" বলে,শুনে মনে হতো হুম,মা হবে এমন,ইন্দিরার মত প্যাঁচালো কঠিন না হলে কি এত বড় সংসার চলে? আবার আমার মা যখন বলে তার "আলাভোলা মা" তখন মনে হয় মা কে তো আলাভোলাই হতে হবে,নাহলে আমাদের জ্বালাতন হজম করবে কিভাবে? ভাবার চেষ্টা করি কখনো কখনো,আমাদের কাছে মা-বাবা কি,কি নামে,কি ভাবে তাঁদের ডাকা যায়,ভাবা যায়,কিন্তু এই মন্তব্যটার মতই এলোমেলো হয়ে হাল ছেড়ে দিই।
মনে হয় বুঝাতে পারলাম না,মা-বাবাকে নিয়ে লেখার মত জোর আসলে এই হাতে এখনো হয়নি।
লেখক বলেছেন: ফারহান , অতি সত্য কথা বলে ফেলেছো হে ভাইয়া । আমার বাবাকে নিয়ে এই পর্যন্ত কয়েকটা পোস্ট দিয়ে ফেলেছি । কিন্তু মামনি!
হায় রে , এই মহীয়সীকে লেখনীতে ধারন করার চেষ্টা করার মত সাহস এখনো আমার হলো না। মামণি তুলনাহীন একটা মানুষ । আমি কিছুতেই তাকে আমার অযোগ্য শব্দভান্ডারে টেনে নামাতে পারি না ।
কষ্ট ! কষ্ট !
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
মানুষের পুরনো একটা লেখায় পড়েছিলাম - ও ওর ক্লাস থ্রিতে পড়া বাচ্চা বোনটাকে সারা দিন ভাত না খাইয়ে রেখে দিয়ে ছিল। দে না ব্যাটা তোর বোনটাকে - নিজের মেয়ের মতো করে মানুষ করি। মনে মনে বলেই নিজের অসহায় একাকীত্ব ঢাকতে হয়েছিল। জানো, আমার না মনে হয়, একটা মিষ্টি রিনরিনে গলায় বাবা ডাক শোনার জন্যেই আমার জন্ম হয়েছে - আমীন বলবে না? তা না হলে যখন সবে ইশকুলের গন্ডি পেরিয়ে আঠেরোতে, হাবিজাবি কাটাকুটি করতে আরম্ভ করে ছিলাম খাতায়, প্রথম লেখা উপন্যাসেই কেন ঘুরে ফিরে সেই আমার মেয়ের কথা আসবে?...i have had a wonderful slumber after that...and just came with this present...please accept.লেখক বলেছেন: তুমি ছোঁও না খালি লজ্জাশীলা
আমি তোমার উপর আছি বিলা
এমন তোমাকে দেব না প্রীতি
"ছেঁড়ে দে মা" , গাইবে গীতি !
উপহারের জন্য ধন্যবাদ ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আপনার পোস্ট কাইটা দেন ক্যান? কত প্রশ্ন করি। মাগার উত্তর পাইনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ ।
রাগ ইমন বলেছেন:
আপনার মন্তব্যটাও মন ছোঁয়া ।
বাচ্চা বলেছেন:
অসাধারন লেখা। খুব মজা পেলাম। অনেক মন দিয়ে পরলাম....
রিয়েল ডেমোন বলেছেন:
দারুন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















