আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলিফুল ?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

শেয়ারঃ
0 0 0

খুব সক্কাল বেলা ইস্কুলে যেতে হতো । একদম সেই কাক ডাকা ভোরে আব্বু এসে মাথার কাছে দাঁড়াতেন । আব্বুর ঘুম থেকে উঠানোর স্পর্শটা ভীষন প্রিয় ছিলো । আব্বু খুব আস্তে হেঁটে পাশে দাঁড়াতো । তারপর একটু বোঝার চেষ্টা করতো , আমি জেগেছি না এখনো ঘুমিয়ে কাদা । আন্দাজে বোঝা হলে , বা , না হলেও একটু ঝুঁকে পড়তো মুখের উপর । যেমন মৃদু বাতাসে ডাল নুয়ে দেয় বৃক্ষ তার ক্লান্ত পথিকের মুখশ্রীর উপর । খুব ধীরে ডান হাতটা কপালে রাখতো আর আলতো কিন্তু চটুল একটা ডাক ফিস ফিস করে ভেসে আসতো ,

" এই যে ! আমার লম্বা মেয়েটা ! ঘুম কি ভাঙলো ?"

আমার খুব সুন্দর একটা নয় , মোট তিনটা নাম আছে । একেবারে আকিকা দিয়ে আড়ম্বরে প্রতিষ্ঠিত নাম । তারপর ও এই দুষ্টু নামটায় , এই আলতো ডাকটায় এমন আদর ছিলো , আমি অনেক আগে ঘুম ভেঙে গেলেও মটকা মেরে পড়ে থাকতাম , শুধু আব্বুর অপেক্ষায় ।
আব্বু আর ডাকে না অমন করে ।

কেউ কি ডাকবে এতটা আদর নিয়ে ?

---------------------------------------------

আমার খুব জ্বর হতো ।আব্বুকে একদিন না দেখলেই জ্বর । ডাক্তার সিরিঞ্জ সিরিঞ্জ রক্ত নিয়েও বের করতে না পেরে , শত শত ওরাসিন কে খাইয়েও জ্বর বন্ধ করতে না পেরে বলে দিলো ," আপনার মেয়ে আপনাকে না দেখে থাকতে পারে না । এইটা মানসিক শক এর প্রতিক্রিয়া।"
আব্বু হতভম্ব তাকিয়ে ছিলো । এই এত্তটুকুন মেয়েটা কি এমন ভালোবাসলো যে না দেখলেই জ্বর! আব্বুকে এখনো তেমন করেই ভালোবাসি । এখনো একদিন না দেখতে পেলে , কোথাও গেলে , কেমন যেন সব কিছু অসহ্য লাগতে শুরু করে । হয়ত সারাদিন কথাই হলো না ।হয়ত অফিস নিয়েই পড়ে আছি । তবু আব্বু বাসায় থাকা মানে মনের ভিতর একটা কথা প্রজাপতির মত উড়তে থাকা , "আছে তো ! এই তো আশে পাশেই আছে । "

এমন তুমুল জ্বরে একবার আমি যশোরে , আব্বু ঢাকায় । আব্বু ছুটি চাইলো , বস দেবে না । সোজা চাকরী ছাড়ার দরখাস্ত বসের পিয়নের হাতে ফেলে দিয়ে যশোর চলে এলো , অফিসে পিয়ন তখন পাগলের মত খুঁজছে - স্যার , আপনার ছুটি মঞ্জুর হয়েছে , কাগজটা নিয়ে যান দয়া করে । কে শোনে কার কথা ! সন্ধ্যা নাগাদ আব্বু যশোরে । বাড়িতে ঢুকে কারো সাথে কোন কথা নাই , এমন কি মামণির সাথেও না । আমাকে বুকের ভিতর জাপটে ধরে জানালার পাশে , গাল ভিজে যায় ফোটায় ফোটায় । কালা পাহাড়ের মতন দশাসই লোকটাকে ৩০ বছরে আর একবার মাত্র কাঁদতে দেখেছি , দাদী যেদিন মারা গেলো ।

কেউ কি এমন করে কাঁদবে আমার জন্য ?

---------------------------------------------------

ইস্কুলে একটা শিউলি গাছ ছিলো । ক্লাস রুমের পাশেই । তখন পড়ি ক্লাস টু কি থ্রিতে । গাছটা ক্লাস থ্রি আর ফোরের মাঝামাঝি মাঠে । বড় ক্লাসের মেয়েরা চলে এলে ছোটরা আর ফুল কুড়াতে পারে না ।তাই সোয়া সাতটার ভিতর ইস্কুলে যেতাম । গায়ে সোনা রোদ । পরনে নীল জামা । পিঠের উপর ডাকাতের মত মোটা এক ব্যাগ । পায়ে কালো জুতো । সাদা ধবধবে মোজা । টুক টুক করে হেঁটে চলেছি ।পকেটে সুঁই আর সুতো । গুন গুন করে গাইছি , " ও আমার বাংলা মা তোর ।" অথবা "রাঙামাটির রঙে চোখ জুড়ালো "। মন খুব ফুরফুরে থাকলে , " সোম বারে পাখিটির ডিম ছিলো দুটি " কিংবা " ফিঙে নাচে ঝিঙ্গে পাতায়" । দুষ্টু মুডে থাকলে ," তোমরা বলো সন্ধ্যে হতেই যদি ভোঁ ভোঁ করে মশা " ।

কোন মতে ক্লাসে ব্যাগটা রেখেই ছুট ছুট । উর্মিকে খুব হিংসে কারন ওর বাড়িটা ইস্কুলের মাঠের ঠিক পিছনে ! রেহনুমার মা ওকে ঠিক সাতটায় ইস্কুলে দিয়ে হাসপাতালে ডিউটি করতে যায় । নীতুর বাবা অনেক দূরে চাকরী করে । কখনো সাতটা দশের পরে আসাও হয় না তাই ! আমি কিছুতেই ওদের আগে পৌঁছাতে পারি না । সাদা কমলায় স্বপ্নের মতো মাটিতে লুটায় আমার ফুল । আমি ওদের মালায় গাঁথবো বলে সুঁই সুতো নিয়ে হেঁটে যাই শরতের মেঘ ভরন্ত সকালে । সাদা মেঘ , ছাই রঙা মেঘ , গোলাপি , লালচে আর কতকটা শিউলি বোটার মত কমলা ।

খুব ইচ্ছে করে । এক এক করে ফেলে দেব কমলা বাহুল্য । আমার সাদা খুব প্রিয় । শুধু সাদা পাপড়ি গুলো নিয়ে এক এক করে গাঁথবো সুতোয় । মুহুর্তের পর মুহুর্ত পার হয়ে একটা অকল্পনীয় সুন্দর , নিখাঁদ , পবিত্র মালা হবে । একটা নয়, দুটো । নীতু, রেহনুমা আর উর্মিরা অনেক আগেই মালা নিয়ে ঢুকে পড়ে জগতের ক্লাস রুমে । আমার কেবলই দেরী হয়ে যায়!

আমি আঙ্গুলে সুঁই ফুটিয়ে রক্তাক্ত বসে থাকি। এখনো । কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলি ফুল ?


দেহলিতে কপট কিঙ্কর
দেবসভায় দেবারি দরাশে
রই অন্তরীন অন্তরে একা
দেহী গ্রাসে তমসা তরাশে !

ছায়া নীরে মুকুলিত মৃদুল জটা
স্বপনে দহিত দুহিতা নিবিলো ছটা

আরশে আশা দলে উত্তর
সওয়ালে সিঁদুর প্রকাশে
গৃহী ভস্মে সুলুক বিস্তর
দহিতা মগন সকাশে !

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাগাশ্রিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
এম.এ.হামিদ বলেছেন: ভাল লাগসে পিলাস দিলাম
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । কষ্ট করে পড়ার জন্য ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুন্না ।

৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
মুকুল বলেছেন:
আলাদা করে বিশেষণ দিয়ে কিছু বলার নাই

*****
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল । পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ।

৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
পলাশমিঞা বলেছেন: আমারো দুটা মেয়ে আছে। আপনার কথা শুনে মন খারপ হচ্ছে কারণ বড় মেয়েটার বয়স এখন ১৪। আর লেখতে পরবনা দুঃখিত। ++++++++++
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: মন খারাপ করে দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি । আমি দুঃখিত ।

৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫২
প্রিয়তি বলেছেন: খুব টাচি । লেখাটা পড়তে পড়তে আমি দেখছিলাম, তোমার বাবা তোমাকে কোলে নিয়ে বসে আছেন, কোন অভিমানী ছোট্ট মেয়ে শিউলি ফুলের সাথে অভিমান করে নিজেকেই রক্তাত্ব করে চলেছে।

শিউলিফুল আমারো খুব প্রিয় ফুল।

তোমাকে আমার লেখা কিছু লাইন উৎসর্গ করি।

কতই না বেদনা দিয়েছি পাড়ি,
দিয়েছি আশার জলান্জলি।
তবু, প্রানে মোর শান্তির বানি
যখন তোমারেই জানিয়াছি আমি।
তুমি-ই যে ভালবাসার সণ্চার ওগো
তুমি-ই যে এই ক্ষুদ্র মনের শুভ্র।

লেখাটা আমার আরেকটি নিকে লিখেছিলাম।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: ( প্রিয়তি , অনেক ঋনী করে দিলে
ভাবি এমন দানে প্রতিদান কি মিলে?
আমি কি যোগ্য তোমার এ উপহারে
তুমি কি প্রণতি জানাইছো অযোগ্যতারে ! )

একজন অক্ষম কবির কিছু লাইন দেই তোমাকে,

একবার নয় আগুনই দাও এই চোখে
পুড়ে দাও আরো কালো করে এই মনি
যখন বিবেক , বুদ্ধি , চেতন না রোখে
তোমাকে দেখার আশে কাঁদে যখনি
দাও পুড়ে ,দাও ঢেলে ভস্ম মাটি
দাও নিবে জগতের প্রতিটা উজ্জ্বল সুখ
আমিও দেখি কতটা অন্ধ হলে খাঁটি
মুছে যায় আমার নয়নে তোমার মুখ ।

৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আপনার লেখায় অনেক আবেগ। তাই আপনার লেখা পড়ার আগে কম্পিউটারে গান ছেড়ে দেই। যাতে বেশি মনোযোগ না পড়ে। কম্পিউটারের মনিটরের দিকে তাকিয়ে কাদতে দেখলে সবাই বলবে মুন্নার চোখে সমস্যা হইছে কম্পিউটার চালাইতে চালাইতে। তখন কম্পিউটার জনমের তরে শেষ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: কি যে বলো । বেশি আবেগ ভালো না।

৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
আহমাদ মুজতবা বলেছেন: জট্টিল হইছে কইলাম।
আমি পইড়া ইমোশনাল হয়ে গেছিলাম।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুজতবা । কৃতজ্ঞতা।

৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৯
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: মুগ্ধ হয়ে পড়লাম । লগ অন না করে পারলামনা ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: লজ্জা লাগে এমন সব প্রসংশায়। নির্বাক থাকি !

১০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১১
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আবেগ কমাতে হবে। একটা ওষুধ দেন আপু
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: আবেগের ওষুধ হলো ঘুম । ঘুমায় যাও ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার নিকের মত? ঃ)

১২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৮
প্রিয়তি বলেছেন: মুন্না ভাই আবেগ কমানোর কোন ঔষধ নাই। থাকলে আমি নিজে অনেক আগে খেতাম। তবে ডাক্তাররা মনে করেন ব্রেইনের নার্ভ যখন দূর্বল থাকে, তখন মানুষ অকারনেও আবেগ প্রবন হয়ে থাকেন। নার্ভ শক্ত করুন ঠিক হয়ে যাবে। :)
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ব্রেইনের নার্ভ না ,এইটা মগজের মাংশপেশীর দুর্বলতা ।মগজের মাংশপেশীর ব্যায়াম করলে সব ঠিক হয়ে যাবে । সাথে আয়োডিন খেতে হবে । আর দিনে ২৫ ঘন্টা করে ঘুমাতে হবে - সৌজন্যে সামহোয়ার বিন

১৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২০
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: এইটা আবার কেমনে করুম? :(
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ঘন করে স্টার্চ দিয়ে শুকাইলে মনে হয় শক্ত হইতে পারে ।

১৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২২
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমি অকারণে আবেগ প্রবণ হইনাই। আপু যা লিখে.........


একটু মন দিয়া পড়লে আপনার আর আমার চোখের পানিতে ব্লগে বন্যা হইয়া যাইবো।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: সিডরের পরে আবার বন্যা ? রক্ষা করো মাবুদ! তার চেয়ে মুছে ফেলি এই পোস্ট ?

১৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৪
প্রিয়তি বলেছেন: :) নার্ভের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হলেই এটা ঠিক হয়ে যায়। এর জন্য ডাক্তার আপনাকে ঔষধ দিতে পারেন।
১৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬
প্রিয়তি বলেছেন: তাইলে ঠিক আছে মুন্না ভাই। দিদি ছরি এইখানে পেচাল পারবার জন্য। আমি অফ যাচ্ছি।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধ্রুব । অনেক দিন পরে এলেন ।

১৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪০
তারার হাসি বলেছেন: এই মেয়ে এত মন খারাপ করতে হয় না...............আশে পাশে তোমার দলের অনেক মানুষ আছে, সবার ভালবাসা তোমার আর তোমার বাবার জন্য। অনেক আদর তোমাকে............।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: আদরের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা । বড় হয়ে গেছি তো , এখন আর কেউ মনে করে আদর করে না

১৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
মিরাজ বলেছেন: বাবাকে নিয়ে লেখা যে কোন লেখাই একটা আলাদা আবেগের জন্ম দেয়।

আপনার লেখার আবেগ মন ছুয়ে গেল।

বাবা পাশে থাকাটা যে কতটা সৌভাগ্যের সেটা বলে বোঝানো সম্ভব নয় ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ।

২০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
লাল দরজা বলেছেন: কিরে ভাই কমেন্ট একখান করছিলাম, মুইছা গেল ক্যান! শাপ মোছন না ইচ্ছা মোছন কে জানে!
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: আমিও তো বুঝলাম না ।আবার করো ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ ।

২২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০০
ভাইটামিন বদি বলেছেন: আমার এক্সিডেন্টের পর যখন যাবতীয় শারীরিক ব্যাথা ভুলে মানসিক একটা স্টেজে.....তখন আব্বা এসেছিলন....সময় বা অন্য কোন কিছু মনে নেই....নিজের ভেতরে নেই কোন শারীরিক বেদনা.....সামান্য হুশ বোধহয় তখনো আছে......আব্বা পৌছেই আমার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, আব্বু এইতো আমি চলে এসেছি.......আজো বাজে এই কথাগুলো....আমার এক্সিডেন্টে মরো মরো দেহে কি যে প্রাণ দিয়ছিল কথাগুলো.....সেই বাবা এখন অসুস্থ হলে একগালাস পানিও এগিয়ে দিতে পারি না।।।। কষ্ট কষ্ট।।।।

মনটা খারাপ করে দিলেন।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: আমার ও মন খারাপ ।

২৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৭
নির্বাসিত বলেছেন: পুত্রদের জন্য বাবারা একটু ভিন্ন চেহারায় দেখা দেন যা কন্যাদের কাছে সর্বদা প্রতীয়মান হয়না।
আমার হিটলার বাবাটিরও গোপন কিছু কোমল মুহুর্তের দর্শক ছিলাম কয়েকবার। মাঝে মাঝে লুকিয়ে সেগুলোর আঘ্রাণ নেই। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে তিনি এই স্মৃতিগুলোকে কেড়ে নেননি।
আপনার লেখায় ন্যাপথলিনের গন্ধ পেলাম। ধন্যবাদ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: নির্বাসিত , আমার বাবাও কম কড়া নন । আবেগের প্রকাশে তিনি মোটেই দক্ষ নন। কিন্তু , ভয়ংকর এই লোকটা ভেতরে ভেতরে কতটা কোমল , এইটা বোধ হয় তার অযোগ্য কন্যাত্রয়ই শুধু জানে ।

২৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমার আব্বা-আম্মা গ্রামের বাড়ি গেছিলো। এখন আসতাছে ২টা পর্যন্ত সজাগ থাকা লাগবো। সুতরাং, নো ঘুম। জাস্ট ব্লগিং।


খালি ব্লগিং কইরা সময় কাটনা। চ্যাটিং করবার চাই। ইয়াহুতে মাত্র দুইজন :(। তাগো মইধ্যে একজন আবার মহাব্যস্ত ত্রিভুজ ভাই। আরেকজনের নাম বলা নিষেধ।

গুগল টক আর এমএসএন-এ কেউই নাই :((
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: মুন্না ,দয়া করে তিন হাত দূরে থাকো ।

২৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২১
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমি যে পরিমাণে লবণ খাই তাতে আমার আম্মা বলে তোর কলিজায় সমস্যা হবে। আমি তাও খাওয়ানো কমাই না। এইবার বলেন আর কি কারণে আবেগ বাড়ে?
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আবেগ না কমাতে চাইলা !

কিছুই করতে হবে না ।ঘুমাইলেই হবে ।আবেগে আক্রান্ত হলেই ঘুমাই যাবা ।

২৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩
সাব্বির বলেছেন: প্রিয় মানুষ গুলো....
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ সাব্বির । সেটাই ।

২৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: মনের ভুলেও পোস্ট মুইছেন না। তাইলে আপনার ব্লগই ভাসাইয়া দিমু।
২৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৫
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: বেশি কমেন্ট করায় আপনি কি রাগ করতাছেন নাকি, আপু?
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আব্বু আম্মুর জন্য বাথ্রুমে পানি গরম করে রাখো ।আর পরিষ্কার টাওয়েল। খিদা লাগতে পারে ।কয়টা বিস্কিট বের করে রাখো ।আর বিছানাটা ঝেড়ে পরিষ্কার করে মশারী টাঙিয়ে রাখো ।

২৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৫
েবহাগ বলেছেন: ধন্যবাদ দেয়া হয়নি। থ্যাংকু।

শিউলি আমাদের ইস্কুলেও ছিল। মেয়েরা তুলে মালা গাঁথত। আর আমি ভাবতাম আমার জন্য গাঁথছে।

আমার প্রিয় ফুল।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নাই বেহাগ । ঃ) এখন ভালো আছো তো?

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

৩০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: এধরণের সুন্দর পোস্ট পেলে নস্টালজিয়ায় ভুগি। মিস্টি শৈশবে ফিরে যেতে ইচ্ছা করে।



++++++++++++++++++
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: আমার ও । মাঝে মাঝে ।

৩১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৫
কিবয়াল বলেছেন: ব্যবসায়িক মানুষের জন্য স্মুতিকাতরাতা ভাল নয়।
তবু মহাদেব সাহার সেই প্রিয় কবিতাটা মনে পড়ে গেল।

শেফালী ফুলের ঋতু

শেফালী ফুলের ঋতু গন্ধময় তাকে
শহরে শিউলি বলে ডাকে-----

-----

শেফলী ফুলের ঋতু তোমাকে প্রণাম
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: কবিতা , শিউলি , স্মৃতি । খারাপ কম্বিনেশন । ঃ)

৩২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৮
একস্লিপ বলেছেন: খুবই ভালো পোস্ট।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।

৩৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪০
নিবেদীতা বলেছেন: আমাকে বুকের ভিতর জাপটে ধরে জানালার পাশে , গাল ভিজে যায় ফোটায় ফোটায়।

চোখ ভিজে উঠল
সব বাবারাই বোধহয় এমন হয়।
শউলি আমার সবচেয়ে প্রিয় ফুল, এর সঠে জড়িয়ে আছে আমার শৈশব।

শুভেচ্ছা রইল।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: কিছু শুভ্রতা বড় হ্যাঁচকা টান দেয় । ফিরতে ইচ্ছে করে।

৩৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এত অসাধারন লিখছেন আমি কিভাবে সেটা প্রকাশ করব বুঝতে পারতেছিনা। আমি ও টুকিটাকি লেখালেখি করি। কিন্তু, এখানে আসার পর থেকে আমি লিখি সেটা মনে হচ্ছেনা। কেন জানেন??? এখানের ব্লগার'রা এত সুন্দর লেখে...সেখানে আমার লেখাগুলোকে হাস্যকর মনে হচ্ছ। যাইহোক, আপনার এই সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার পোষ্টগুলো একবার দেখলে অনেক খুশী হব(সময় থাকলে)। আবারও ধন্যবাদ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । চেষ্টা করবো পড়তে ।

৩৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
নরাধম বলেছেন: রাগাপু, আপনার বিরুদ্ধে আমার অনেক অভিযোগ। আমি ব্লগে থাকলে আপনি পোস্ট দেননা। আমি চলে গেলে তারপর দেন। পরে এসে পোস্ট খুঁজলে দেখি কবিতা দিয়েছেন। কোবতের আগা মাথা কিছু বুঝিনা, তাই পড়িনা, তবে প্লাস দিয়ে চলে যাই অথবা ছোট কমেন্ট করি।

গদ্য পোস্ট দেন খুব কম, অথচ সেগুলো অসাধারণ। আমি বুঝতে পারি আপনার কবিতাগুলাও নিশ্চয় অসাধারণ হবে। আচ্ছা কবিতা বুঝার জন্য কি করতে হবে? সিরিয়াসলি বলছি কিন্তু।

দেশে আসলে ইনশাআল্লাহ আপনার আব্বার সাথে দেখা করব আর নির্বাসিত দাদার ভাইয়ের সাথে।
জোর কদমে এগিয়ে চলুন, সাথে আছি।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক বড় অভিযোগ ভাইয়া । আমার তো তাহলে অনেক শাস্তি পাওনা হয়েছে । আমি মাথা পেতে নিলাম , যা শাস্তি দিবে দাও !

কবিতা তো আমি বুঝি না নারদ , আমি লেখি । যা অনুভব করি , মাথায় শব্দরা ঘুর ঘুর করে কামড়াতে শুরু করলে যন্ত্রনা মুক্তির জন্য ও গুলোকে খপ করে ধরে ব্লগে ফেলে দেই । লোক জন ওইটারে কবিতা মনে করলে আমার কি দোষ ?

তার মানে হলো , পেইন ইন মাই হেড ইজ আ পেইন ইন ইওর অ্যা*

( হা হা হা হা হা হা হা হা হা )

কবিতা বুঝার কোন বুদ্ধি নাই। এইটা অনুভব করার বিষয় । তবে শব্দের অর্থ গুলা জানা থাকলে বুঝতে সুবিধা হয় ।

আব্বুর দর্শন প্রার্থী তাইলে দুই জন পাওয়া গেলো । আসো , আব্বু খুশিই হবেন।

৩৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
লাল দরজা বলেছেন:

সকলেরই বুঝিবা শৈশবে এমন একটা শিউলি গাছ এমন একটা শিশির ভেজা শিউলিতলা থাকে! আমারো ছিল, আমরাও গেথেছি কত এমন সজীব শুভ্র শিউলি মালা।
সেই শৈশব বৃক্ষকে নাড়িয়ে যে স্মৃতির শিউলি আজ বন্ধু তুমি ঝরালে, তাকে কুড়াবার ফুরসত এখন কেন আর হয় না আমাদের!
সকালের শিউলি ফুল দুপুর হতে হতেই কেমন নেতিয়ে যায়! সেই নেতানো কুসুম দিয়ে যায়না গাথা ঠিকঠাক তেমন কোন মালা, হায় জীবন তুই এতো ছোট কেনে!
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: লালু ,

শিউলি তলা গুলো হারিয়ে যায়নি তো । কিন্তু গাছগুলো যেন বন্ধ্যা । নাকি মালীর অবর্তমানে সেও হয়েছে অভিমানী ?

৩৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
তানজিলা হক বলেছেন: আব্বুকে নিয়ে বলা শুরু করলে তার আর শেষ নেই ................তাই চুপ চাপ চলে গেলাম।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: জিলাপী ,প্যাঁচ কি আর শেষ হয় ? ঃ)

৩৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইসব লেখায় কিছু কইতে ইচ্ছা হয়না......চুপেচাপে + দিয়া গেলাম..........
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: চুপ চাপ নিলাম ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: টারটল ,কেমন আছো ? আগামী শুক্রবার ঢাকায় চলে আসো ।

৪১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
সাইফুর বলেছেন: আছি মোটামুটি........

থ্যাংকু.....

চেষ্টায় আছি........
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: চেষ্টা সফল হোক । আমীন ।

৪২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২৩
খোলাচিঠি বলেছেন: ইস আপনি আমার দুটো সৃতি মনে করে দিলেন !

এক,

আমার বাবা ঠিক আপনার বাবার মতন ঘুম থেকে আমাকে আর আমার বোন কে জাগায়। বাবা আমাদের প্রথমে পায়ে শুরশুরি দিয়ে তারপর মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলবে " আব্বুরে উঠো উঠো , মামণি উঠো উঠো"।

দুই,

ছোট বেলায় আমিও খুব জরে ভুগতাম, এ জিনিসটা আমার এখোনো আছে বটে। একবার কঠিন জরে বিছানায় পরে ছিলাম। বাবা আমার জর কমানোর জন্যে সুরা পরে আমাকে ফু দিচ্ছিলেন। বাবাকে দেখে আমার জরের চেয়েও বেশি কষ্ট লাগছিল। এখোনো মনে পরে ওই সন্ধ্যাটা, আমি নিঃশব্দে কেঁদে যাচ্ছিলাম আর বাবার সুরা পড়া শুনছিলাম। বাবা ভাবলো জরে আমি কাঁদছি। আজো বলিনি বাবা আমি তোমার জন্যে কাঁদছিলাম।

আপনার পোষ্টটি বলা বাহুল্য সুন্দর হয়েছে।
বাই দ্য ওয়ে, সাদা আমারও প্রিয় রঙ =)
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: দারুন লাগলো স্মৃতি কথা পড়ে । ধন্যবাদ ভাগ করে নেওয়ার জন্য । ঃ)

৪৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: হুমমমমম.............

গোসল করেনাই, খায়নাই, মশারী টাঙ্গিয়ে দিছি।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: আসল কথাই তো বললে না । খুশি হয়েছে না খুব?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৪৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
অপূর্ব দত্ত বলেছেন: নো কেমন্ট। ওনলি কম্প্লিমেন্ট।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , অপূর্ব ।স্বাগতম ।

৪৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
আবু সালেহ বলেছেন: নো কমেন্ট.....
জাস্ট ৫++++++
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: নো এন্সার , জাস্ট থাং কু ঊ ঊ ঊ

৪৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আমার বাকি কাজগুলোতো করাই লাগে নাই ;)


তবে মশারী টাঙ্গিয়ে দেওয়ায় প্রতিদিনের মতো খুশি হইছে।
৪৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
খুশবু বলেছেন: বাবারা যেন কেমন হয় । বাবাকে কত ভালোবাসতাম আর বাবা কিনা আমাকে রেখে চলে গেল । খুব দুখ লাগে ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ভালো থাকো খুশবু!

৫০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখার বিষয়বস্তুতে আর না যাই,সবাই বলে ফেলেছে,বরং যে জায়গাটা নাড়া দিলো ঐটা নিয়ে ২-৪ কথা বলি।
"কালা পাহাড়ের মতন দশাসই লোকটাকে"-- এইটা পড়ে হঠাৎ ১টা কথা মনে হলো। সবাই কি বাবা-মা কে এমনভাবে দেখে? মানে,সম্বোধনটার মাঝে এমন কিছু ১টা আছে,যেন বাবা মাত্রেই তো দশাসই জাঁদরেল কিছু ১টা হবে,আবার যে সন্তান বলবে--"নিতান্তই নিরীহ ভালমানুষ গোছের লোকটাকে",তার কথা শুনলেও মনে হবে যেন তাই তো,বাবারা তো আসলে ওরকমই হবে,হওয়াই উচিত। আমার খালু তাঁর মা কে ডাকতেন "ইন্দিরা গান্ধী" বলে,শুনে মনে হতো হুম,মা হবে এমন,ইন্দিরার মত প্যাঁচালো কঠিন না হলে কি এত বড় সংসার চলে? আবার আমার মা যখন বলে তার "আলাভোলা মা" তখন মনে হয় মা কে তো আলাভোলাই হতে হবে,নাহলে আমাদের জ্বালাতন হজম করবে কিভাবে? ভাবার চেষ্টা করি কখনো কখনো,আমাদের কাছে মা-বাবা কি,কি নামে,কি ভাবে তাঁদের ডাকা যায়,ভাবা যায়,কিন্তু এই মন্তব্যটার মতই এলোমেলো হয়ে হাল ছেড়ে দিই।
মনে হয় বুঝাতে পারলাম না,মা-বাবাকে নিয়ে লেখার মত জোর আসলে এই হাতে এখনো হয়নি।
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ফারহান , অতি সত্য কথা বলে ফেলেছো হে ভাইয়া । আমার বাবাকে নিয়ে এই পর্যন্ত কয়েকটা পোস্ট দিয়ে ফেলেছি । কিন্তু মামনি!

হায় রে , এই মহীয়সীকে লেখনীতে ধারন করার চেষ্টা করার মত সাহস এখনো আমার হলো না। মামণি তুলনাহীন একটা মানুষ । আমি কিছুতেই তাকে আমার অযোগ্য শব্দভান্ডারে টেনে নামাতে পারি না ।

কষ্ট ! কষ্ট !

৫১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮
মৈথুনানন্দ বলেছেন: মানুষের পুরনো একটা লেখায় পড়েছিলাম - ও ওর ক্লাস থ্রিতে পড়া বাচ্চা বোনটাকে সারা দিন ভাত না খাইয়ে রেখে দিয়ে ছিল। দে না ব্যাটা তোর বোনটাকে - নিজের মেয়ের মতো করে মানুষ করি। মনে মনে বলেই নিজের অসহায় একাকীত্ব ঢাকতে হয়েছিল। জানো, আমার না মনে হয়, একটা মিষ্টি রিনরিনে গলায় বাবা ডাক শোনার জন্যেই আমার জন্ম হয়েছে - আমীন বলবে না? তা না হলে যখন সবে ইশকুলের গন্ডি পেরিয়ে আঠেরোতে, হাবিজাবি কাটাকুটি করতে আরম্ভ করে ছিলাম খাতায়, প্রথম লেখা উপন্যাসেই কেন ঘুরে ফিরে সেই আমার মেয়ের কথা আসবে?...i have had a wonderful slumber after that...and just came with this present...please accept.

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: তুমি ছোঁও না খালি লজ্জাশীলা
আমি তোমার উপর আছি বিলা
এমন তোমাকে দেব না প্রীতি
"ছেঁড়ে দে মা" , গাইবে গীতি !



উপহারের জন্য ধন্যবাদ ।

৫২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৫
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আপনার পোস্ট কাইটা দেন ক্যান? কত প্রশ্ন করি। মাগার উত্তর পাইনা।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ ।

৫৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: দারুন মন ছোঁয়া লেখা ইমন।
শুভেচ্ছা।
৫৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
রাগ ইমন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাও মন ছোঁয়া ।
৫৬. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:


খুবই স্পর্শকাতর অসাধারণ লেখা!

প্রিয়তে নিলাম।
৫৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫১
নাজনীন১ বলেছেন: রোকেয়া হলে আমি যেই রুমটায় থাকতাম, তার ঠিক সামনেই একটা শিউলী ফুলের গাছ ছিল। মনে হয় এখনো আছে। শরৎকালে প্রতিদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে তিনতলার বারান্দায় গিয়ে গাছের নীচে ছড়ানো ফুলগুলোর সৌন্দর্য দেখতাম, খুব ভাল লাগতো। মাঝে মাঝে ফুল কুড়িয়েও আনতাম। আপনার এই লেখা দেখে সে সময়ের কথা মনে পড়ে গেল।
৫৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
আনহা বলেছেন: মুগ্ধ হয়ে পড়লাম।
অসাধারণ।
৫৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:১৬
বাচ্চা বলেছেন: অসাধারন লেখা। খুব মজা পেলাম। অনেক মন দিয়ে পরলাম....

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ