তবু কেন জল আসে রে ... ... ...
ক্রি রি রি রি ই ই ই ই ং
টেলিফোনের শব্দটা দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ পায় একটা মাত্র কারনে । প্রিয়তি নামের দারুন মিষ্টি আর হাস্যোচ্ছ্বল মেয়েটা আজকে রায় বাঘিনীর রুপ ধারন করে কড়া অধ্যাদেশ জারি করেছে -" আমি ছাড়া আর কেউ ফোন তুললে কিন্তু ... ... ... "
বাকিটা আর দরকার হয়নি বলবার । আজকের দিনটায় ও মেয়ে চাঁদ চাইলে মই লাগাবে লোকে ; মান করলে জ্বালিয়ে চিতা মরবে সবাই শোকে ! সুতরাং কিরিং কিরিং বেজেই চললো বেচারা টেলিফোন । তা'পরই ঘটলো ঘটনাটা । স্বয়ং সি আই ডি'র জাঁদরেল মামাও বলতে পারবেন না , অপরাধ কার ছিলো আর কাকে ধরে দেওয়া দরকার শাস্তি ।
ধুড়ুম করে দরজা খুললো । লালে সোনায় হলুদে সবুজে মাখামাখি একটা অগ্নিশিখা ছুটে বেরুলো । ঝন ঝন না হলে ছন ছন , ঠুং ঠাং করে কাচ ভাঙলো । আ আ আ , একি , ওহো , আস্তে ধরনের কিছু শব্দ পাওয়া গেলো বিভিন্ন প্রকার কন্ঠ স্বরে । পরক্ষণেই একটা তীব্র উফফফফ , ঠাস , ধুরো এর পরে একটা দারুন উত্তেজিত হ্যালো ও ও ও ও !
আলপনায় নতুন মাত্রা যোগ করে গড়িয়ে গেলো রক্ত । হাতের চুড়ি ভেঙে পায়ে ঢুকেছে। ফুলের ডালা গায়ের ধাক্কায় রওনা দিয়েছে দিনাজপুর । মঙ্গল প্রদীপের তেল চুপি চুপি এর ওর শাড়ির পাড় বেয়ে হয়েছে উচ্চাভিলাষী । মোটামুটি কমের উপর দিয়েই গ্যাছে ধরে নেওয়া যেতে পারে ।
প্রিয়তি ফোনটা কানে চেপে আছে এত জোরে যেন অতলান্তিকের ঐ পাশের মৃদু শ্বাসটুকুও তার কর্ণ কুহরে শুষে নেওয়া চাই ।
ওপাশে কি হচ্ছে বোঝা যায় না । প্রিয়তি একটা চিল চিৎকার করে ,
ঃ মা আ আ আ
ঃ (মৃদু ভাঙা ভাঙা আওয়াজে) হ্যালো
ঃ মা আ
ঃ হ্যা শুনতে পাচ্ছি তো
ঃ (আরেকটু জোরে ) মা মা মা
ঃ (কিছুটা উদ্ভ্রান্ত ) হ্যাঁ , শুনছি তো , এত বার ম্যা ম্যা করছিস কেন তিতির ?
ঃ মা মা মা মা মা মা মা মা
ঃ ওরে মোর আল্লাহ , তুই কি এখনো বড় হবি না তিতির ?
ঃ ( কিছুটা অস্পষ্ট , কিছুটা রুদ্ধ ) মা আ আহ !
এবার ওপারে নিঃস্তব্ধতা ।
এক এক করে কেটে গেলো দশটা মিনিট । সময় , নদীর ঢেউ আর জীবন নাকি কারো জন্য থেমে থাকে না । চারপাশের জীবন তাই বয়ে যেতে থাকে নির্বিকার । ফুলির মা ঝাড়ু দিয়ে কাচের টুকরো নিয়ে যায় । তেলের শিশি ভাঙলো বলে খুকুর পরে কেউ রাগ করে না । ফুল গুলো সসম্মানে তাদের স্থান গ্রহন করেন পূণরায় ।
কেবল , তিন হাজার কিলোমিটার দূরত্বে টেলিফোনের এক পাশে থমকে থাকে কিছু মেঘ , আর অন্যপাশে কয়েক ফোটা অশ্রু !
( প্রিয়তির ঘরে তখনো বেজে চলেছে প্রিয় অপ্রিয় সুর "সেই দু হাতে আজকে গ্যাছে মেহেদী রঙ ছেয়ে , তবু কেন জল আসে রে আমার দু চোখ বেয়ে... ... ..." )
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।