আমার প্রিয় পোস্ট
- প্রথম লজ্জা - মানুষ
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- নীলক্ষেত ও নির্বাণ লাভ! (আব্জাব) - (অ)গাণিতিক
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- অনুনয় - মানুষ
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- প্রিয় কবিতা-১ - মানুষ
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আমরা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি,কার তাতে কী ?-(দ্বিতীয় এবং শেষ কিস্তি) - আরিফ জেবতিক
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
আমার পিতার খুনি আর আমি এখনো এক দেশে জীবন যাপন করি । তবে পার্থক্যটা হলো , সে আরেকটা হত্যার প্রস্তুতি নেয় , আমি আরেকটা যুদ্ধের !

জন্মদিন ( উৎসর্গঃ রাত মজুর)
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩
মেয়েরা কেন যে লাল শাড়ি পরে ! ধুত্তারি! এই যে মানুষ মহিষ তাড়ানোর জন্য লাল রঙ দিয়ে রাগায় সেইটা থেকেও তো কিছু শেখার আছে, আছে না? মানে, পুরুষ আর মহিষ খুব একটা পার্থক্য কি? নাই বলেই তো বৃষ রাশি বলে একটা রাশি আছে । গজ গজ করতে করতে ছেলেটা অসহায় চোখে আড়াল খোঁজে । মেয়েটা লাল শাড়ি পরবে, সেইটা কারো দোষ না । লাল শাড়ি পরলে ছেলেরা তাকাবে , সেইটাও কারো দোষ না। কিন্তু ছেলেটা কেন রাস্তার হাজার হাজার চোখ গুলোতে ঘুষি মেরে আলু বানাচ্ছে না, সেইটা তার দোষ । শুধুমাত্র এই যন্ত্রনার কারনেই ওকে বলেছিলো , বাইরে গিয়ে কাজ নেই চলো ফাস্ট ফুডে বসি । ঝাড়ি খেতে হলো । এটা নাকি মেয়েটাকে বিয়ের আগেই মোটা বানিয়ে শাশুড়ির চক্ষুশূল বানানোর চিন্তা । রীতিমত দেশদ্রোহীতার কাছাকাছি । এই সব ভ্যান তারা কাঁহাতক সহ্য হয়? বন্ধুর বাসার কথা বলে শেষ করতে পারে নাই , এ টি এম শামসুজ্জামানের মতন নারীলোলুপ ভিলেন জাতীয় উপাধি , তারপর কান্না এবং যথারীতি কথা বন্ধ ।
“আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম।“ আরে মর জ্বালা রে ! কিয়ের মধ্যে কি! আর পারি নাহ! এই শহরটার মাথায় ঝাটার বাড়ি । একটা জায়গা নাই যেখানে একটু শান্তিমত বসে কথা বলা যায় । ছেলেটা এবার সত্যি সত্যি অসহায় বোধ করে । ইফতারের পরে টিউশনিতে যেতে হবে । যদিও সে নিজে মহা রোযাদার না কিন্তু না চাইলেও থাকতে হয় কারন এ সময় মেসে রান্না বন্ধ থাকে । বুয়ার রান্নার খরচ সবাই মিলে দেওয়া হয় । কেউ না খেলে একার পক্ষে রান্নার টাকা দেওয়া ছেলেটার পক্ষে সাজে না। ও সব বিলাসিতায় না গিয়ে বরং একমাস ধার্মিক হওয়া ভালো । কিন্তু আজকে মানছে না গো। মাথাটা কেমন ঘুরায় । রাত করে ঘুমিয়ে সেহরীতে ওঠাও হয়নি । পাশের ঘরের বড়ভাই দুই একবার ডেকে ক্ষান্ত দিয়েছেন হয়ত । মনেও নেই । লাশের মত ঘুম হয় আজকাল । পয়সা বাচাতে গিয়ে পান না , সিগারেট না, চা না – শখ করে কিছু করা বললে তো ঐ ঘুমই । ঐটুকু সে পুরোমাত্রায় আদায় করেই নিতে চায় ।
“তাহলে কি রিকশায় করে ঘুরবে? “ উত্তরের আশংকায় এই প্রখর রোদেও ছেলেটার ঘাম আসে । এক ঘন্টা মানে ৭০ থেকে ১০০ টাকা । মেয়েটার মাথা নাড়া দেখে হাপ ছেড়ে বাঁচে ছেলেটা । মনে মনে একটু আদর ও করে দেয় ওর ভেজা লালচে গাল দুটোয় । আহারে, রোদের ভিতর দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে হাপিয়ে উঠেছে । “তাহলে চলো রাস্তায় বসি।“ “ এমা! ছিঃ ! রাস্তায়?” পাট ভাঙ্গা সুতির শাড়িটার দিকে তাকিয়ে মেয়েটার মুখটা করুন হয়ে ওঠে । জ্বালালে দেখছি! “তাহলে কি ইফতার পর্যন্ত এরকম দাঁড়িয়ে থাকবো ?”
গলার স্বর কি একটু উঠে গিয়েছিলো ! মেয়েটা কুকড়ে যায়। নাহ , ঠিক হলো না । লক্ষ একটা রক্তরাঙ্গা চোখ এড়িয়ে , হাজারটা কাজের থেকে সময় বাঁচিয়ে এই যে একটা ঘন্টার জন্য শহরের এ প্রান্তে আসা- সে তো তারই জন্য। হয়ত হেঁটে এসেছে অনেকটা পথ । স্বীকার করবে না যদিও। মনটা খারাপ লাগে । আকাশের ও মন খারাপ। একটা ছাই রঙা পর্দা এগিয়ে আসছে উত্তর পূবে । পশ্চিম তখনও রোদে উজ্জ্বল, তাপ নেই অতটা । ঘড়ি বলছে একটু পরেই নামবে অন্ধকার। বেশ খানিকটা দর কষাকষি করে একটা রিকশাতে উঠেই পড়ে । ধানমন্ডি লেক। মেয়েটা ব্যাগ থেকে এক বোতল পানি বের করে। আর কাগজে মোড়ানো কিছু একটা । কালোমত বস্তুটা যে একটা খাদ্যদ্রব্য উহা না বলিলে বুঝা যাইতো না । মেয়েটার চিকন স্বর আরেকটু ফিস্ফিসে হয়ে উঠে । “না মানে , ওভেন তো নেই তাই সস্পেনে একটু চেষ্টা করেছিলাম।“ বস্তুটির নাম কি হইলেও হইতে পারে যেইটা ওভেনে বানাইতে হয় ভাবতে ভাবতে ছেলেটা আরেকটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। ও আসলেই ভুলে যায় মেয়েটার মাথায় বেলী ফুলের কথা, লাল আঁচলের কথা, দেখা করার তাগিদের কথা আর কাগজে মোড়ানো বস্তুর তাৎপর্যের কথা। সূর্য ডোবে , তার সাথে ডোবে ছেলেটার নাম খুঁজে পাওয়ার আশা । মেয়েটা একটু ঘন হয়। শুভ জন্মদিন ! নাও, কেক খাও। জন্মদিন ! আজ তার জন্মদিন নাকি! যে মানুষটার নাম, পরিচয়, শরীর, জীবন, অস্তিত্ব এই শহর উপেক্ষা করে , ভূমিষ্ঠ হইবার স্থানটি যাকে ভুলে যেতে পারে অবলীলায় – সেই তার জন্মদিন কারো স্মরণের যোগ্য হয় ! কেউ তাকেও উদযাপন করে ! বিস্ময় ! বিস্ময়!
সারাদিনের ক্লান্তি, কষ্ট, ক্ষুধা, হতাশা ডিঙিয়ে শান্ত বাতাসে এইবার ছেলেটা সব দেখে। বেলী ফুল দেখে। লাল শাড়ি দেখে। কাঁচা হাতে টানা কাজল দেখে। আর দেখে মানুষ কেন ভালোবাসে। এই কোটি কোটি মানুষের পৃথিবীতে কেউ একজন কি এমন গুরুত্ব বহন করে ? আমাদের কয়জনকে মানুষ মনে রাখে? কেনই বা রাখবে? অর্থহীন এই বেঁচে থাকায় একজন কেউ যদি বলে , আমি তোমায় মনে রাখি। তোমার ছোট ছোট একঘেয়ে দিন গুলোকে, দুঃস্বপ্নের রাত গুলোকে, তুচ্ছ আবেগ ভুল গুলোকে – আমি দেখি। আমি তোমাকে দেখি। সেই তো ভালোবাসা। অতি সাধারন কেউ, কারো চোখে অসাধারন হয়ে ওঠা।
ছেলেটা আর মেয়েটা হাতে হাত রাখে। ভীষন বিচ্ছিরি আর কালো তিতকুটে জিনিসটা খেতে খেতে ওরা হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে । ওদের কোন নাম নেই । আমরা ওদের নাম জানি না। জানতে চাইও না । কারন আমাদের কাছে ওরা মনে রাখার মত কেউ নয়।
যদিও , ওরা পরস্পরে মনে রাখে। ভালোবাসে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অগল্পহ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: আরে আমারে না, ধন্যবাদ ভালোবাসা রে ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে প্লাস।
মনজুরুল হক বলেছেন:
"ওরা পরস্পরে মনে রাখে। ভালোবাসে। "আমার চালকুমড়োমার্কা মাথায় কিছুই খেলতাসে না,কি তে কি হইতাসে ?তয় লেখাডা ভাল। কিছু একটা আসে যা ধর্তার্তেসিনা !!
লেখক বলেছেন: ভালোবাসা নামক দুর্ঘটনাতে কি যেন একটা থাকে, আমিও ধর্তারি না। ঃ(
রাতমজুর বলেছেন:
ভালোবাসা আসলেতে
পিটুইটারীর খেলা
আমরা বোকারা বলি প্রেম....
Click This Link
ভালো লাগলো, ধন্যবাদ, সেদিন লাইন চলে গেছিলো, পরে আর ম্যাসেন্জারে আসা হয়নি। আসবো, এসে কল দেবো একদিন।
লেখক বলেছেন: তুমি যাই বলো আমি ভালোবাসার পখেই রায় দেব
তুমি যতই ধরো টুঁটি চেপে প্রেমের গানই গাবো ।
ঠিক আছে, দিও কল ।
লেখক বলেছেন: ঠিক ঠিক । লিখাটা কেমন হইসে কেউ কয় না । ঃ( আফসুস !
বাচ্চারা লিখতে শিখবো কি করে ? বড়রা সাহায্য করে না।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অনেকদিনপরে রাগআপুর ছোটগল্প। রাতমজুরকে নিয়ে গল্পটা ভালোই হইছে।রাতমজুর ভাইরে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
তোমাকে ও অনেক শুভেচ্ছা আপু।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ঠাংকু ঊ ঊ ঊ ঊ
লেখক বলেছেন: সম্পূর্ণ সহমত ।
কেকটা কেমন হইলো , গুল নাহার বিবি ?
মনজুরুল হক বলেছেন:
রাত মজুররে উৎসর্গ কইরা একটা গান ছাড়লাম......লিঙ্ক ওপেন হইল না! শেষ পর্যন্ত আনাড়িই রয়ে গেলাম......
লেখক বলেছেন: দুষ্ক !
গোলাপি বলেছেন:
শুভ জন্মদিন রাতমজুর...
নামহীন মানব বলেছেন:
আজকি ধ্রুব ভাইয়ের জন্মদিন নাকি? জানা ছিলো না। ধ্রুব ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।@লেখকঃ কেমন আছ আপু?
লেখক বলেছেন: ভালো আছি নামা, তোমার কি খবর ? বহুদিন কথা হয় না ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
৩ আর ৪ কম্পাইল কইরা কিছু একটা যেন ধর্তার্তেসি.........ফুলেরা পাঁপড়ি মেলেছে.............
ইমরান হাসান বলেছেন:
জটিল লিখেছ আপু
দাম্পত্য বলেছেন:
"অর্থহীন এই বেঁচে থাকায় একজন কেউ যদি বলে , আমি তোমায় মনে রাখি। তোমার ছোট ছোট একঘেয়ে দিন গুলোকে, দুঃস্বপ্নের রাত গুলোকে, তুচ্ছ আবেগ ভুল গুলোকে – আমি দেখি। আমি তোমাকে দেখি। সেই তো ভালোবাসা। অতি সাধারন কেউ, কারো চোখে অসাধারন হয়ে ওঠা। "অনেক অনেক মানবিক ভালবাসার কথা বলেছেন। ধন্যবাদ
নুশেরা বলেছেন:
হুমমম। শুভ জন্মদিন, রাতমজুর
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লাগলো ইমন..। দারুণ লিখেছো।কেমন আছো?
শুভকামনা তোমার জন্য।
(ধ্রুব.....অনেক শুভেচ্ছা জন্মদিনে)।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ধ্রুব ভাইয়ের জন্যে শুভেচ্ছা ওনার ব্লগেই রেখে এসেছি। এখানে তাই আপনার লেখারই প্রশংসাটুকু করি। পড়ে খুবই ভালো লেগেছে!
মিঞা ভাই বলেছেন:
এইটাকি ওগের গল্প?
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
দারুণ লেখছেন...জন্মদিনের শুভেচ্ছা...কার জন্মদিন বুঝি নাই যদিও...বাঙ্গালী হইলাম আরকি, দেখাদেখি শুভেচ্ছা
নাঈম বলেছেন:
I was about to cry after reading this post....
চাঙ্কু বলেছেন:
রাগু আপু @ লেখা আমাগো পাশের বাসার লেখার লাহান হইছে । তয় সেই লেখা কিরাম হেইডা কমু না , কইলে কইবেন আমি চাম্পাবাজি করি।আফসুস
বাবুয়া বলেছেন:
খুব সুন্দর লেখা। কিছু কিছু লেখকের লেখা সব সময়ই সুন্দর। আপনি তাদেরই একজন।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
জন্মদিনে রাতমজুরকে শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছা আপনাকে........!
ভালো থাকুন......! শুভেচ্ছা রইলো।
এমিল বলেছেন:
কত্তদিন পর আপনার লেখা পেলাম
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
না । ভূল । ভালোবাসা নেই , ছিলও না । জানো ভালো করেই , তবুও কেন অস্বীকার করো ? রাগ লাগে
শুভ জন্মদিন ধ্রুব !
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
সাস্পেনসহীন মিষ্টি প্রেমের গল্প।অনটপিকঃ রাতমজুরের সাথে লালশাড়ির সম্পর্কের বিষয়টি নিজের ভাষায় সবিস্তারে বর্ণনা করো।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
মনে থাকবে কি করে , এ চিত্র তো এক থেকে লক্ষে


















শুভেচ্ছা আপু তোমায়.........