আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

কিছু চিন্তার বিষয়

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯

শেয়ারঃ
0 3 0

ঘটনা কি ঘটেছে , কেন ঘটেছে , কি ভাবে ঘটেছে সেই সব নিয়ে প্রচুর জল্পনা চলছে । আমার মাথায় শুধু একটা জিনিসই বার বার চিৎকার করে উঠছে , ফলাফল খারাপ । ফলাফল অত্যন্ত খারাপ ।

প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়ম কানুন ও সমস্যা

যে কোন কথা বলার আগে একটা জিনিস বলতে চাই, পৃথিবীর যে কোন প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটা জিনিস মেনে চলতেই হয় আর তা হলো চেইন অফ কমান্ড । উর্ধতন অফিসার যখন কোন কমান্ড করবেন, তখন অধঃস্তনকে সেইটা বিনা প্রশ্নে মেনে নিয়ে পালন করতে হবে । এইটা কোন ভাবেই কোন গণতান্ত্রিক পদ্ধতি না । এইখানে আলাপ আলোচনার কোন সুযোগ নাই । তবে শর্তহীন বিশ্বাসের একটা অতি জরুরী জায়গা আছে । কমান্ডারকে বিশ্বাস করতে হয় যে তিনি যা বলবেন তা কার্যে পরিণত হবে আর কমান্ডেড বিশ্বাস করেন কমান্ডার তার বেস্ট পসিবল সিদ্ধান্তটা নেবেন। এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারটা পারস্পরিক জীবন রক্ষার ব্যাপারেও সত্যি। এই চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়লে শুধু যুদ্ধে পরাজয় হয় তাই না, কমান্ডার ও কমান্ডেড দুইজনেই মৃত্যু বরণ করেন ।

এখন সমস্যা কি ?

প্রথম সমস্যা হলো , যখন কেউ এই চেইন অফ কমান্ড ভেঙে ফেলে , তখন পারস্পরিক বিশ্বাসটাও আর থাকে না । সুতরাং , যে কোন প্রতিরক্ষা বাহিনী তার বৈশিষ্ট্যগত কারনেই এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারন করে থাকে । আমার কষ্টটা এইখানেই । আজকের পরে বিডি আর কি পাবে জানি না , কিন্তু সংশ্লিষ্ট সকলের অন্তত চাকরী চলে যাবে । কোর্ট মার্শাল হবে কারো কারো , মৃত্যুদন্ড ও হতে পারে যারা সরাসরি হত্যার সাথে জড়িত । চেইন অফ কমান্ড ধরে রাখতে হলে এই চরম শাস্তি গুলো দিতেই হবে ।

উল্লেখ্য , পাকিস্তান বাংলাদেশ যুদ্ধে বাংলাদেশ আক্রমনের সিদ্ধান্তটা রাজনৈতিক হলেও যুদ্ধে হেরে যাওয়ার কারনে পাকিস্তান আর্মির সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয় । এই রকম আর অনেক উদাহরন পাওয়া যাবে ।

বাংলাদেশ একমাত্র উজবুক জাতি যারা পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের চাকুরীতে রেখে বাংলাদেশী অফিসার বনাম পাকিস্তান ফেরত অফিসার - এই দুই দলে বিভক্তি তৈরী করে প্রথম থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ক্যু, হত্যা, বিদ্রোহের বীজ বুনে রেখেছে । শুধু তাই না , সরাসরি শত্রুপক্ষ এর নেতা গোলাম আজমের ছেলেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চৌকস অফিসার করে রেখেছে । এই বাহিনী যে নানান কুকীর্তির জন্ম দেবে তা আর আশ্চর্য কি? একজন মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে যদি গোলাম আজমের ছেলের কাছ থেকে কমান্ড নিতে হয় , তার অবস্থাটা একবার চিন্তা করেন ।

আমরা ব্লগার হয়ে ওয়ালী কিংবা ওয়ামীর ( রাজাকার কামরুজ্জামানের পোলা) কোন মাতব্বরি সহ্য করি না ব্লগে । আর দেশ রক্ষার দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি গোলাম আজমের ছেলেকে ।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো , বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সীমাহীন দুর্নীতি । এইটা কোন বিচ্ছিন্ন সমস্যা না । রাজনৈতিক নেতারা , সমাজের মাথারা , ব্যবসায়ীরা সবাই আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত । সেইখানে ক্ষমতাধর আর্মি অফিসাররা কি ব্যতিক্রম হবেন? কালো টাকা তো কেউ একলা খায় না । একজন বেশ্যা যেমন পুলিশ, দালাল, বেশ্যা সর্দার , এলাকার মাস্তান -- সকলকে বখরা দেয় ......... সেই একই ভাবে চোরাচালানীরাও রাজনীতিবিদ ও পুলিশের পাশাপাশি আর্মি অফিসারদের ও বখরা দিয়েই সব করে । ( প্রমান চাইলে দিতে পারবো না , শুধু এইটুকু বলবো দুর্ভাগ্যবশত জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনের সুযোগ হয়েছিলো আপন কারো । ২ সপ্তাহে বিরাট বিরাট চোরাচালান ধরার পরে সাথে সাথে তাকে অন্য জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয় । চালান গুলো না ধরার জন্য যাদের নামে যত গুলো হুমকি তাকে দেওয়া হয়েছিলো তার সব কয়টি সেনা কর্মকর্তা, এমন কি সেনা প্রধানের নামটি সহ)

এই সীমাহীন দুর্নীতির কারনেই বিডি আর জওয়ানরা তাদের বঞ্চনা আর ক্ষোভের জায়গা গুলো তৈরী হতে দেখেছেন বছরের পর বছর । তাদের দাবী যতগুলো এখন পর্যন্ত দেখলাম , কোনটাই অন্যায্য নয় । প্রতিটা কথা সত্যি । আমার কষ্টটা হলো , আর্মি অফিসারদের স্বেচ্ছাচারিতা , দুর্নীতি , হত্যা -- এই সবের কোনটারই খুব শক্ত বিচার করা হাসিনার পক্ষে সম্ভব হবে না । এর কারন গুলো ,

ক) এই সরকার পুরোপুরিভাবে আর্মি ব্যাকড সরকার
খ) বাংলাদেশ আর্মি পুরোপুরি আমেরিকা ব্যাকড বাহিনী
গ) এই সরকারের অবস্থান বিভিন্ন কারনেই নড়বড়ে । নিজের ঘরের পাপীরা তো আছেই । লোম বাছতে কম্বল উজাড় হয়ে যাবে ।

তৃতীয় সমস্যা হলো , বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন জবাবদিহিতা নেই । বাংলাদেশের মত একটা গরীব দেশে আর্মির কোন খাতে কত টাকা কেন খরচ করা হচ্ছে , সেইটা এখনো সাধারন মানুষ জানতে পারে না । আজকে সময় এসেছে এই তথ্যগুলো পাবলিক করে দেওয়ার । এমনিতেই প্রতিরক্ষাবাহিনীর লোক অতিরিক্ত সুযোগ সুবিধা ভোগ করে। তাদের জন্য খাবার , একটু উপরে বাড়ি , আরেকটু উপরে গাড়ি , বিনা মূল্যে চিকিৎসা , স্বল্পমূল্যে শিক্ষা ---- জীবনের সর্ব ক্ষেত্রেই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে । কিন্তু কেন?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি নিজে কোন টাকা পয়সা আয় করে ?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি আমেরিকার সেনাবাহিনীর মত রিসার্চ, ইনোভেশন ইত্যাদির সাথে জড়িত যে গুলো মানুষের কাজে লাগে?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি একটাও যুদ্ধ লড়েছে যার জন্য আমরা তাদের এত টাকা দিয়ে লালন করি ?
নাকি অদূর ভবিষ্যতে আমাদের ইচ্ছা আছে যুদ্ধ করার যার জন্য এত সুবিধা দিয়ে তাদের লালন করতে হবে?

প্রতিটা উত্তর চিন্তা করে দিন তারপর নিজেই চিন্তা করুন। রক্ত পানি করে যেই টাকা রোজগার করেন , তারই ট্যাক্সের টাকায় আর্মি চলে । সেই আর্মি বৃটিশ প্রভু এবং পাকিস্তানী প্রভু এর পরে বাংলাদেশী প্রভু সেজে আপনার আমার টাকায় বিলাসী জীবন যাপন করবে ----- আমরা কেন জানবো না তারা ঠিক কত টাকা , কিসের পিছনে ব্যয় করছে ?

কেন জানবো না তাদের সত্যিকারের আয় কত ?

কেন জানবো না তারা নিজেরা কয় পয়সা ট্যাক্স দেয় ?

কেন জানবো না , ১৫ হাজার , ২০ হাজার টাকা বেতন পেয়ে তাদের ছেলে মেয়েরা কি ভাবে আমেরিকা, কানাডা পড়তে যায় ?

কেন জানবো না , তারা কি করে স্কলাস্টিকা, আগা খান, আমেরিকান ইন্টারন্যশানাল স্কুলের ৫০ হাজার, ১ লাখ টাকা বেতন দিতে পারে ?



বি ডি আর ভাইদের দোষ দেই না । ভারতীয় বি এস এফ এর দাদাগিরি আর বুলেটে প্রতি মাসে তারা মারা যায় । খেয়ে না খেয়ে দেশের সীমানা পাহারা দেয় । প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নেয় । আর তারপর যদি দেখে ডিজির বউ ১১ টা গাড়ি ব্যবহার করে আর তাদের ডাল ভাতের টাকা মার যায় --- তাদেরকে দোষ দেওয়া যায় না ।

তারা না হয় সহ্য করেন নাই । আজকে বিদ্রোহ করে বসেছেন । আমরা কি করবো ? তাদেরকেই শাস্তি দেব , যারা প্রতিবাদ করেছেন অন্যায়ের ?

হয়ত সেটাই হতে চলেছে । সাধারন ক্ষমায় কিচ্ছু হবে না , যদি না অন্যায়, অবিচারের মূল জায়গা গুলো বদলায় ।


[ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সৎ , ত্যাগী ও দেশপ্রেমিক প্রতিটি ভাই ও বোনের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো । আমি শুধু যারা অপরাধের সাথে জড়িত তারা এবং একটি সিস্টেম যা কিনা দুর্নীতিকেই প্রশ্রয় দেয় সেই সিস্টেমটার বিরুদ্ধে লিখেছি]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
পথিক!!!!!!! বলেছেন: অনেক কিছু আছে লেখার মধ্যে
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: তার পরেও অনেক কথা লেখা হয়নি । বি ডি আর এর কাউরে পারলে একটু বলেন , দাবী দাওয়ার মধ্যে এইটাও যোগ করুক ,

প্রতিরক্ষা বাহিনীর বাজেট ডিটেইলস পাবলিক করে দেওয়া এবং অফিসারদের আয় ব্যায়ের হিসাব , রাজনৈতিক নেতাদের মতন পাবলিক করে দেওয়া হোক । আর তা না হলে , এই শোষন , ভোগ আর অন্যায় চলতেই থাকবে ।

গুলি কইরা লাভ নাই । সিস্টেম চেঞ্জ দরকার । আজকে সুযোগ পাইসে , কাজে লাগাইতে পারলে হয় ।

নাইলে দুইজন অফিসার আর তার পরিবারের রক্ত বৃথাই যাবে ।

২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
মনজুরুল হক বলেছেন: খুবই চমৎকার লিখেছেন। আমার খারাপ লাগছে ভিড়ভাট্টার ভেতর লিখতে। কিন্তু এই ধরণের একটা লেখার দরকার ছিল।

শেষে অনাবশ্যক ডিসক্লেইমারটা না দিলেও পারতেন। ভয় হয়। তার মানে আমরা আরো অনেক দিন ধরে ভয় পেতেই থাকব। এটাই যেন আমাদের নিয়তি !!
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: আর চমৎকার লেখা । বি ডি আরের মানুষ গুলা , এবং বড় করে গোটা বাংলাদেশের জন্যই প্রচন্ড খারাপ লাগছে ।

অনেকেই আসলে বুঝতে পারছে না , এই ঘটনাটার ফলাফল কতটা সুদূর প্রসারী ... এর ফলাফল কতটা ভয়াবহ ।

সরকার নিজেও এখন শাঁখের করাতে পড়েছে । ক্ষমা না করলেও সমস্যা । ক্ষমা করলেও সমস্যা ।

বি ডি আরকে দীর্ঘদিন ধরে আর্মির ব্যাট ম্যান বানিয়ে রাখার ফল এইটা । কিন্তু , সমাধান করার মত বুদ্ধি এই সরকারের আছে কিনা , আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে ।

সদিচ্ছা যে নাই , সেইটা খুব ভালো করেই জানি। বাঁশ ডলা দিয়ে বের করে না নিলে সরকার গনমুখী কোন সিদ্ধান্ত নেবে না ।

নিয়তি টিয়তি মানি না । এইটাই বুঝি , আদায় করে না নিলে মায়ের দুধ ও মেলে না । সুতরাং , মাইরের উপর অষুধ নাই ।

৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৭
স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:
গোলাম আযমের ছেলে যে গোলাম আযমের মতো হবে আপনি কিভাবে নিশ্চত
হইলেন? তাহলে শেখ হাসিনার মেয়ের শশুরের বাপ তো প্রমানিত রাজাকার তাহলে
সে কিভাবে মন্ত্রী হয়???

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: গোলাম আজম যে ক্ষতিকর , এইটা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

পরের কথায় আসি, ছেলে যে বাপের আদর্শে আদর্শিত না , এইটার প্রমান আছে আপনার কাছে ? পারলে দেখান । সেকি তার পিতারে ত্যায্য পিতা করসে ?


আমি কি বলেছি শেখ হাসিনার মেয়ের শশুরকে ছেড়ে দিতে ? পারলে তারে গিয়া একটা লাত্থি দিয়া আসেন । আল্লাহর কসম, আপনার রিকশা ভাড়া , জুতার দাম আমি নিজের পকেট থেকে দিয়ে দেব।

তবে , গোলাম আজমের ছেলের কেসটা আরো সিরিয়াস । শেখ হাসিনার বেয়াই এর হাতে দেশের সেনাবাহিনী তো আর জিম্মি না । কিন্তু , গো আর পোলা বাংলাদেশ সেনা বাহিনী চালাবে , এইটার মত উজবুকগিরি আর হয় না ।

তারে সেনা বাহিনী থেকে আজকেই বরখাস্ত করা উচিত । ঢুকতে দেওয়াই উচিত হয় নাই ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: সি উপচায় সুনামি হয়ে গেলো , এখনো ওয়েট ?

৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: + তুলনামূলক কম সুবিধা পেয়ে রৌমারী সীমান্তে নিজের রক্ত দিয়ে দেশ রক্ষা করে বিডিআররা পায়য় সরকারের কাছ থেকে - বঞ্চনা।

আর দেশের বাজেটের বড় একটা অংশ নিয়ে বাংলাদেশের মত দেশে রাজার হালে বসবাস করেও দুর্নীতিবাজ সেনাবাহিনী করে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত আর সাধারন মানুষ ও ছাত্রদের উপর নির্যাতন। তারপরও কথা বলার সময় সেনাবাহিনীর আগে দেশপ্রেমিক শব্দটা না জুড়লে রাজনীতিবিদদের শান্তি হয় না।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের বেশির ভাগ সাধারন মানুষই আসলে দেশপ্রেমিক । সুতরাং সেনাবাহিনীর আগে দেশপ্রেমিক লাগালে কোন সমস্যা দেখি না ।

সমস্যা অন্য জায়গায় ।

আমাদের কোন সিদ্ধান্ত গুলো দেশের বিপক্ষে যায় , সেইটাই আমরা অনেক সময় বুঝি না । দেশের বেশির ভাগ মানুষই বোঝে না । ভারতীয় ডিম কিংবা পিঁয়াজ কম দামে কিনলে পরিবারের পয়সা বাঁচে কিন্তু দেশ গরীব হয় এবং শেষ পর্যন্ত , ইন দা লং রান , আমার নিজের পকেট থেকেই বেশি পয়সা বেরিয়ে যায় , এইটা কয়জন বোঝে ?

অন্যদিকে , আমেরিকার চাপে কিনতে বাধ্য হওয়া টনকে টন আমেরিকান চাল জাপানের দোকান গুলোতে পড়ে থাকে , জাপানীরা বেশি দামে নিজের দেশের চাল কেনে।


পরিবারের খালুরা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে লেক্সাস কিনলে আমরা চড়িয়া আনন্দ পাইবো আর রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হইতে বলবো , আর্মির অফিসারদের বলবো ২০ বছরের পুরানা গাড়ি কিনে চলতে --- হবে এটা ?

সত্যি কথাটা হলো , আমরা পরিবার ও বন্ধু বলয়ে দুর্নীতির প্রতিবাদ করি না । সুযোগ পেলে গ্রহন করি । নিজেরাও ছোট খাট দুর্নীতি করে লোন নেই , ঘুষ দিয়ে সার্টিফিকেট্টা আগে তুলি কিংবা খটাশ করে সালাম দিয়ে একজন জওয়ান যখন লাইন ভেঙে আমাদেরকে ভি আই পি লাউঞ্জে নিয়ে যায় , ডাক্তার এ্যাপয়েন্মেন্ট ছাড়াই আগে দেখে দেয় ---- খুব খুশি মনেই আমরা সেইগুলা গ্রহন করি ।

নেতারা একটু বড় বড় করে ।

আমরা ছোট ছোট করি ।

ফলাফল ? আজকের বাংলাদেশ ।

৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পোস্টে প্লাস। এই কথাগুলিই এতক্ষণ কেউ বলে নাই।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: তাই ? আমি তো ভাবলাম আমি সবার পরে বলছি । ব্লগে আমার চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ এবং ভালো লেখক আছেন ।


তারা কেন যে সাহস করে লেখেন না , কারনটা খুঁজে পাই না ।

৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: বাপ রাজাকার হলে ছেলে ভাল হবে না এমন নিশ্চিয়তা কিন্তু নাই ...পয়েন্টটা ঠিক ...

তবে ...এই যে ক্ষেত্রে বলেছেন ..এইটা সম্পর্কে জানিনা...। আন্দাজে বলা ঠিক না, তাই চুপ ।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: আন্দাজের উপরে দেশ রক্ষার দায়িত্বটা শত্রুর ছেলেকে কোন বুদ্ধিমান লোক দেয় কিনা একটু বলেন আমারে , তারপর আমিও পয়েন্টা বুঝি ।

বিয়ে তো করেন নাই ।

কোন রাজাকারের মেয়েরে বিয়ে করবেন নাকি ? অথবা নিজের বোনকে বিয়ে দেবেন ওয়ালী কিংবা ওয়ামীর সাথে ?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ফলাফল আর ও খারাপ ।

বাংলাদেশে সিভিল ওয়ার লাগানোর চেষ্টা চলছে বহু আগে থেকেই । তবে আওয়ামী লীগ ভোট খুব বেশি পেয়ে যাওয়াতেই সমস্যা কিছুতেই কম্বে না ।

বাংলাদেশে কোন স্টেবল সরকার আমেরিকাও চায় না , ভারতও চায় না , চায়নাও চায় না । আমরা এখন গরীবের সুন্দরী বউ ।

৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬
মজনু মিয়া বলেছেন: সহমত। খুব ভাল লাগল আপনার লেখা পড়ে। মনের কথা।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৯
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: হায়রে মানুষ।তারা ১/১১ এর পরে আর্মীকে সাপোর্ট দিল।পরে আবার পল্টি দিল।এখন এত গুলা মানুষ হত্যাকারী বিডিআর কে সাপোর্ট দেয়।আরে বাবা .......তোদের রেশনের দাবীর জন্য কি মানুষ মারতে হয়?????
শালার আবেগ.........।যাদের আত্মীয় আজকে মারা গেছে বা ভিতরে আটকা পড়ে আছে.....তাদের কে বইলেন
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: আমার আত্মীয় ভিতরে আটকা পড়ে নাই , এই তথ্য কই পাইলেন ? সবাই তো আর আপনি বাঁচলে বাপের নাম করে না , তাই না?

আমার প্রিয়জনের আত্মীয় মারা গেছেন ( ইন্না ... রাজেউন) । এখন কি বলবেন , বলেন ।

১১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৯
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: "প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়ম কানুন ও সমস্যা"

এই শিরোনামটা দেখেই আমি আশান্বিত হয়েছিলাম। লেখাটা ভালো লেগেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি(প্রতিরক্ষা) যেভাবে সাধারণ মানুষের আস্থা জয় করে রেখেছে কোন এক প্রকারে সেটাকে ভাঙার কোন পথ নেই, দুর্নীতির তদন্ত তাই সম্ভব না। এ ধরণের প্রচিষ্ঠানে মনে হয় চেইন অফ কমান্ড ধরে রাখা ছাড়া প্রতিষ্ঠান টেকানো যায় না। অনেকটা আন্ডারওয়ার্ল্ডের মতন। +++
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: চেইন অফ কমান্ড ছাড়া প্রতিরক্ষা বাহিনী চালানো যায় না , এইটা রুঢ় সত্য । সেই জন্যই এই বিদ্রোহের পরিণতির কথা ভেবে কষ্ট হচ্ছে । কারোরই কোন লাভ হবে না যদি না সিস্টেমাইজড খারাপ নীতি ( যেমন, সেনাবাহিনীর বাজেট লুকিয়ে রাখা, সেনাবাহিনীকে সিভিল মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য না করা) গুলো না পালটায় ।

আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর মত চালানো হয় তাই সেই রকম লাগে । কিন্তু , সবকিছু ট্রান্সপারেন্ট করে দিলে তখন আর আন্ডার ওয়ার্ল্ডের মত লাগবে না ।

১২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: পোষ্টে প্লাস।বিশেষত এক নির্মম সময়ে অনেক কিছুই গুছিয়ে লিখেছেন বলে।

তবে পরিস্থিতির শেষ পরিণতি নিয়ে আমি খুব চিন্তিত।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: শুধু লিখে তো কিছু হবে না । মানুষ কি উদ্যোগী হবে এই রীতিনীতি গুলো পাল্টানোয় ?


শেষ পরিণতি নিয়ে আমিও চিন্তিত ।

১৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কি খবর দুস্ত, গায়ে কত গুস্ত?

কেমুন আছো?

আমি ভালো আছি তয় টাইম নাই। একাধারে ৫ টা ডেট নিয়া ঝামেলায় আছি। সবাই টাইম নিবার চায়, কিন্তু কেউ ভাবে না টাইম পয়দা হয় কই থিকা!

যাউক গা, তুমার ভাষ্যমত চুশীল সমাজরে নিয়া কিছু কথা লিখছি এি বোলগে। এখন তো আর তেমুন লিখি না, লেখালিখির ক্যারিয়ার শুরু হওনের আগেই অবসর লইছি! তাও কয়লা সাদা হয় না সার্ফ এক্সেল মারলে, আর আমার না লেইখাও থাকবার পারি না। হাত নিশপিশ করে।

যাউক গা, খালি পড়লেই হবে। আমার লেখা মনে হয় আর ভালো হয় না। সব লেখাই গার্বেজ লাইক মি, এ্যা গার্বেজ বয় (ওর ভাষ্য মতে, উনি আবার সব অসাধারন লোক দেখেন কিনা!)!

ভালো লিখছো!
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: তোমার ব্যক্তিগত সমস্যাগুলা কেটে যাক , এই কামনাই করি । সব কিছুর পরেও তুমি একজন ভালো বন্ধু এইটা আমি বিশ্বাস করি , সুতরাং গারবেজ বয়রে এক্সপাঞ্জ করা হইলো । তোমার ভিতরের সম্ভাবনা গুলারে গলা টিপে হত্যা করে শুধু স্বপ্নগুলারে বাড়তে দিয়েছো এতদিন -- সেই জন্যই ব্যর্থতা তোমার পিছু ছাড়ে না । দেয়ার ইজ নো শর্টকাট টু সাকসেস মাই ফ্রেন্ড - এইটা তোমার পছন্দ না হইলেও সত্য ।

তোমার লেখা পড়বো , চিন্তা কইরো না ।

১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০১
স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:

শুনেন আপামনি আপনার কাছে কি এমন প্রমান আছে যে গোলাম আযমের ছেলে
সেনাবাহিনী কে জিম্মি করে রেখেছে? কৈ আপনি তো হাসিনার বেয়াই কে মন্ত্রী করার
প্রতিবাদ করে পোষ্ট দিতে পারলেন না!

দেখেন প্রত্যেকেই তার কর্ম ফলের জন্য দায়ী। তার ছেলে মেয়ে নয়। গোলাম
আযমের প্রতি ক্ষোভ যদি তার ছেলের উপর আমরা ঝারি আর মানবতার গান গাই।
কিভাবে ?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: গোলাম আজমের কর্মের জন্য তার ছেলেকে শাস্তি দিতে বললে আমি তার ছেলে অবিলম্বে ফাঁসি চাইতাম । সেইটা তো চাই নাই , তাই না?

গোলাম আজমের ছেলেকে দেশরক্ষা বাহিনীর মত একটা সেন্সিটিভ এবং গুরুত্বপূর্ন জায়গায় কখনোই দেখতে চাই না । তাকে বিশ্বাস করি না । আমার বিশ্বাস অর্জনের মত কোন কাজ তিনি করেছেন , তাও না ।

বাংলাদেশের মানুষ দেশকে ভালোবেসে বিশ্বাসঘাতক গোলাম আজমকে মনে প্রানে প্রত্যাখ্যান করেছে । তো , গোলাম আজমের ছেলেকে কেন বিশ্বাস করবো যখন তাকে এখনো বাবার আদর্শ ও কৃত বিশ্বাসঘাতকতাকে প্রত্যাখান করতে দেখা যায় নাই ?

প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভিতরে পারস্পরিক বিশ্বাস সবচেয়ে বড় ব্যাপার । দেশ রক্ষার জন্য কার হাতে অস্ত্র এবং অস্ত্রজনিত ক্ষমতা তুলে দেব , সেইটাও বিশ্বাসের ব্যাপার ।


আমার শত্রুর ছেলের হাতে আমার ঘর রক্ষা করার অস্ত্র আমি তুলে দিতে চাই না ।

এই রকম উজবুকি দুনিয়ার কোন দেশে , কোন সরকার , কোন জাতি , কোন রাষ্ট্র করে না , সঙ্গত কারনেই করে না । আমিও এই চরম ভুলটা শোধরাতে চাই ।

ক্লিয়ার ?

শেখ হাসিনার বেয়াই এর ছেলে বা মেয়ে প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দিতে চাইলেও আমি একি কথা বলবো ...... না । কখনোই না।

অবিলম্বে গোলাম আজমের ছেলেকে সেনা বাহিনী থেকে বের করে দেওয়া উচিত ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: মানবতার গান এর আবেগ টেনে কোন লাভ নাই । সেনাবাহিনী মানবিক সংস্থা না , যুদ্ধের বাহিনী । যুদ্ধের বাহিনীর সিদ্ধান্ত রণকৌশল মেনেই নিতে হবে , আবেগ দিয়ে না ।

সাধারন আবেগ আর মানবিকতার কথা যদি চিন্তা করতে হয় তাহলে তো হত্যার জন্য মুক্তিবাহিনীর বিচার চাইতে হবে । এখন কি বলবেন? বাংলাদেশের জন্য যারা যুদ্ধ করেছেন , শত্রু হত্যা করেছেন, তারা বীর না খুনি ?

এই সব আবেগের ধুলা ছোড়া বন্ধ করেন । আমি কি বলছি, কেন বলছি , সেইটা আমার কাছে খুব স্পষ্ট । যারা পড়ছেন , তাদের কাছেও স্পষ্ট করেই তুলে ধরতে জানি ।

১৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৮
কাবিল কৈতর বলেছেন: বিডিআর আনসার ভিডিপি গ্রাম-প্রতিরক্ষা বাহিনী হইল এদেশের সবচে দূর্ভাগা প্রতিষ্ঠান। এদের অফিসার ও বড় বড় পদ সেনাবাহিনীর হাতে। দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীর হাতে থাকার কারণে এদের কিছুই হয় নি। পুলিশের মত আলাদা ট্রেনিং এর জায়গাও এদের নাই। ফলে ঘুরেফিরে ঐ সেনাবাহিনীর উপর এরা নির্ভরশীল। তাই একরাতের প্রধানমন্ত্রীর আদেশে এরা স্বায়ত্বশাসিত হবে না এটা বলে দেয়াই যায়। তাছাড়া এরা রেগুলার বাহিনী। একরাতের মধ্যে এদের শ'খানেক অফিসার রিপ্লেস করবে কি দিয়ে? রেগুলার বাহিনী চালানোর ক্ষমতা/অভিজ্ঞতা পুলিশ বা সরকারি ক্যাডারদের নেই।

সেনাবাহিনীকে আমরাই মাথায় তুলছি। বান্দরকে আদর দিয়ে মাথায় তুললে তো মাথায় তো পেশাব করবেই। সেনাবাহিনীর এত এত সুবিধা একরাতের মধ্যে নিয়ে নিলে, কালকেই মার্শাল ল হবে দেশে।

এই বিডিআর জওয়ানদের প্রথমে নিরস্ত করা হবে। তারপর দেশের কোনা-কানচিতে পাঠানো হবে। তার পর সেনাবাহিনী দিয়ে আবার ধরে আনা হবে। ধরার পর কোর্টমার্শাল হবে। জেল ফাঁসি কিছুই বাদ দেয়া হবে না। সরকার বহুত আশা দিবে। কিন্তু কিছুই হবে না। আর এই কোর্টমার্শালগুলোর ফাইল কোনদিনই সূর্য্যের আলো দেখবে না
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত দুঃখের সাথে একমত হতে বাধ্য হচ্ছি ।

১৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮
এস.আই.তানজিল বলেছেন: দেশ আসলেই সংকটের মধ্যে আছে। এই প্রেক্ষিতে আপনার পোষ্টটি অসাধারণ। তবে আপনার একটি বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারছি না।
আপনি বলেছেন "ক) এই সরকার পুরোপুরিভাবে আর্মি ব্যাকড সরকার "। যদি ব্যাখ্যা দিতেন বুঝতে সুবিধা হত।
সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১

লেখক বলেছেন: গত দুই বছরের কোন কার্যের কোন রকম বিচার করা হবে না - এই আত্মসমর্পন করেই তো সরকার গঠন হয়েছে - তাই না? এইটা প্রথম কারন ।

দ্বিতীয় কারন, আর্মির সমর্থন ছাড়া , আরেকটু পরিষ্কার করে বললে , প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে কোন সরকারই আসতে পারে না । এই ধরনের বিরোধীতা থাকলে হয় ক্যু হবে , না হলে আর্মি বনাম সিভিল যুদ্ধ শুরু হবে ।

শুধু এই সরকার না , বাংলাদেশে যত সরকার গঠন হয় , হয়েছে , সবগুলোই আর্মির সমর্থনসহই হয়েছে , হচ্ছে , হবে ।

দেশে কোন রকম সিগ্নিফিক্যান্ট পরিবর্তন আনতে পারবে না , আর্মিকে অতটা ক্ষমতাহীন করে দিলে হয়ত ভবিষ্যতে আর্মির ব্যাকিং ছাড়া সরকার পাওয়া সম্ভব । অথবা , দেশের ৯০% মানুষ সরকার গঠনকারী দলের সমর্থক হইলে । সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনী সমর্থন না থাকলেও সাহস করে কিছু করতে পারবে না ।

বোঝাতে পারলাম ?

১৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৫
রাফা বলেছেন: সহমত।কোন বাহিনীরই প্রতিবাদের ভাষা এমন হওয়া উচিত নয়।তারা সরাসরি সরকারের কাছে আবেদন জানাতে পারতো।

গো.আজমের ছেলেকে সেনাবাহিনীতে ঢুকতে দেওয়াই ঠিক হয়নি।ধন্যবাদ
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

আবেদন জানিয়ে কুম্ভকর্নের ঘুম ভাঙেনি বোধ হয় । আমাদের রাজনীতিবিদেরা তিনহাতা হইলে আমাদের কপালে এই রকম তো হবেই ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । বড় চিন্তায় আছি।

১৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: বাংলাদেশের বেশির ভাগ সাধারন মানুষই আসলে দেশপ্রেমিক । সুতরাং সেনাবাহিনীর আগে দেশপ্রেমিক লাগালে কোন সমস্যা দেখি না ।

সমস্যা অন্য জায়গায় ।

আমাদের কোন সিদ্ধান্ত গুলো দেশের বিপক্ষে যায় , সেইটাই আমরা অনেক সময় বুঝি না । দেশের বেশির ভাগ মানুষই বোঝে না । ভারতীয় ডিম কিংবা পিঁয়াজ কম দামে কিনলে পরিবারের পয়সা বাঁচে কিন্তু দেশ গরীব হয় এবং শেষ পর্যন্ত , ইন দা লং রান , আমার নিজের পকেট থেকেই বেশি পয়সা বেরিয়ে যায় , এইটা কয়জন বোঝে ?

- মানলাম

অন্যদিকে , আমেরিকার চাপে কিনতে বাধ্য হওয়া টনকে টন আমেরিকান চাল জাপানের দোকান গুলোতে পড়ে থাকে , জাপানীরা বেশি দামে নিজের দেশের চাল কেনে।
- বুঝলাম

পরিবারের খালুরা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে লেক্সাস কিনলে আমরা চড়িয়া আনন্দ পাইবো আর রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হইতে বলবো , আর্মির অফিসারদের বলবো ২০ বছরের পুরানা গাড়ি কিনে চলতে --- হবে এটা ?

- মানতে পারলাম না। লেক্সাস তেনারাও কেনেন, সাধারনের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে বাকীটা পকেটস্থ করেন।

সত্যি কথাটা হলো , আমরা পরিবার ও বন্ধু বলয়ে দুর্নীতির প্রতিবাদ করি না । সুযোগ পেলে গ্রহন করি । নিজেরাও ছোট খাট দুর্নীতি করে লোন নেই , ঘুষ দিয়ে সার্টিফিকেট্টা আগে তুলি কিংবা খটাশ করে সালাম দিয়ে একজন জওয়ান যখন লাইন ভেঙে আমাদেরকে ভি আই পি লাউঞ্জে নিয়ে যায় , ডাক্তার এ্যাপয়েন্মেন্ট ছাড়াই আগে দেখে দেয় ---- খুব খুশি মনেই আমরা সেইগুলা গ্রহন করি ।

- বুঝলাম। ঐভাবে বললে প্রতিটা দেশেই দুর্নীতি হচ্ছে। কিন্তু তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা এত খারাপ কেন? সমস্যা টা হল - আমরা দুর্নীতি করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছে যে দেশ না, মাঝে মাঝে নিজেদেরও বিক্রি করি। সবকিছুর একটা পরিমিতিবোধ আছে - দুর্ভাগ্যক্রমে যেটা আমাদের নাই - কোনটায় সরাসরি দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বোধটা নেই। মালয়েশিয়া আর ভারতের রাজনীতিবিদরাও অহরহ ঘুষ খাচ্ছেন। এমনকি আমাদের দেশে জনশক্তি রপ্তানীর সময় টাকার একটা অংশ যায় মালয়েশিয়ার মন্ত্রীদের কাছে। তারপরও ওরা এগিয়েই যায়, আমরা পিছিয়েই থাকি।


নেতারা একটু বড় বড় করে ।

- ঠিক এই জায়গাটাতেই সমস্যা, এতই বড় বড় করে যে নিজেরাও বোঝে না কোনটা করা উচিত আর কোনটা করা উচিত না।

আমরা ছোট ছোট করি ।

- মানলাম।

ফলাফল ? আজকের বাংলাদেশ ।
- বুঝলাম

@ রাফা,

গতকাল বিডিআরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বলতে চাওয়া হলেও তিনি শোনেনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানানো হলেও তিনি কিছু করেননি। বহুদিনের ক্ষোভ থেকেই এক প্রকার বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছে বিডিআর। আর তাই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কিছু বাড়াবাড়ি করছে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: পয়েন্টা ধরতে পেরেছেন , সেই জন্য আমি খুশি ।

দিনে রাতে উঠতে বস্তে খাইতে শুতে যদি দুর্নীতির মুখোমুখি হতে হয়, মেনে নিতে হয়ে , নিজেও করতে হয় -- তখন আর বড় বড় দুর্নীতিবাজদের ধরার কোন পথ খোলা থাকে না , এইটুকু যদি বুঝতে পারেন , তাহলেই বুঝবেন কেন আজকের বাংলাদেশ এই অবস্থায় । দুর্নীতি সব দেশেই হয় , এইটা সত্যি কিন্তু তাকে একটা সহনীয় পর্যায়ে না রাখতে পারলে রাষ্ট্র যন্ত্রটাই ভেঙে পড়ার উপক্রম হয় --- সেইটা হইলো আসল শিক্ষনীয় সত্যি । বাংলাদেশ কি সহনীয় পর্যায়ে আছে ?

ভারত আর মালয়শিয়ার উদাহরন নিয়ে আলোচনায় যাচ্ছি না, অতি দীর্ঘ হয়ে যেতে পারে । পরে কোন্দিন অন্য কোন পোস্টে না হয় আলোচনা করা যাবে । আজকে এইটুকু বলে শেষ করে দিতে চাই যে ভারতের কন্টেক্সট , মালয়শিয়ার কনটেক্সট আর বাংলাদেশের কনটেক্সট -- এক না । সুতরাং ভারতীয় চোলি কিংবা মালয়শিয়ান কুরুঙ্গ বাংলাদেশের সমস্যা সমাধান করতে পারবে না ।

বাংলাদেশের জন্য কাস্টমাইজড সমাধান লাগবে।

২০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: "বি ডি আর ভাইদের দোষ দেই না । ভারতীয় বি এস এফ এর দাদাগিরি আর বুলেটে প্রতি মাসে তারা মারা যায় । খেয়ে না খেয়ে দেশের সীমানা পাহারা দেয় । প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নেয় । আর তারপর যদি দেখে ডিজির বউ ১১ টা গাড়ি ব্যবহার করে আর তাদের ডাল ভাতের টাকা মার যায় --- তাদেরকে দোষ দেওয়া যায় না ।

তারা না হয় সহ্য করেন নাই । আজকে বিদ্রোহ করে বসেছেন । আমরা কি করবো ? তাদেরকেই শাস্তি দেব , যারা প্রতিবাদ করেছেন অন্যায়ের ?

বিডিআরের ছেলেগুলোর ভবিষ্যৎ ভেবে চরমভাবে শংকিত,একই দেশের ছেলেরা প্রতিশোধের জন্য একে অপরের উপর ঝাঁপাচ্ছে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর হয়না।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: এইটাই তো চরম দুঃখ ফারহান ।

এই বঙ্গ নামক ভূখন্ডের ইতিহাসে , সাধারন সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ প্রথমে রাজা, জমিদার--- তারপর বৃটিশ ----- তারপর পাকিস্তানী ----- আর ৭১ এর পর থেকে বাংলাদেশী শোষকের হাতে শোষিত হয়েই চলেছে ।

স্বাধীন বলো আর পরাধীন বলো ---- সাধারন মানুষের কিন্তু কোনবারই মুক্তি হয়নি । সাধারন মানুষ কেবল রক্তই দিয়ে গেছে । আর ক্ষমতার যন্ত্র যারা দখল ও ভোগ করেছে তাদের জাত পরিবর্তন হয়েছে , চামড়া পরিবর্তন হয়েছে , ভাষা পরিবর্তন হয়েছে ......কিন্তু শাসন ও শোষনের যন্ত্রটার কোন পরিবর্তন হয় নাই ।

বার বার আমরা জল্লাদটাকে টেনে নামাই , কিন্তু জল্লাদের দা/চাপাতিটাকে ভাঙি না । ফলে , নতুন যে আসে , সেও গলা কাটে । অনিবার্যভাবে গলা গুলো আমাদেরই কাটা পড়ে বার বার ।

২১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০০
চামেলী হাতে নিম্নমানের মানুষ বলেছেন: "অন্যদিকে , আমেরিকার চাপে কিনতে বাধ্য হওয়া টনকে টন আমেরিকান চাল জাপানের দোকান গুলোতে পড়ে থাকে , জাপানীরা বেশি দামে নিজের দেশের চাল কেনে।"

আপাতঃ অপ্রাসঙ্গিক একটা মন্তব্য করি...
আমি আট বছর ধরে জাপানে আছি...আজ পর্যন্ত কোন দোকানে আমেরিকান চাল দেখি নাই...জাপান সরকার নিজের দেশের কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করার জন্য চাল আমদানীর ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করে...তাই 'বেশি দামে নিজের দেশে চাল কেনা' দিয়ে জাপানীদের দেশপ্রেম বিচার করতে যাওয়াটা একটা অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য...
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: তাহলে এখন আমাকে সূত্র খুঁজতে হবে কবে কখন ঘটেছিলো । ঐ সময় জাপানের চাল উৎপাদনকারীরা এবং / অথবা আমদানি কারকেরা ধর্মঘট করেছিলো , যতদূর মনে পড়ে । ঘটনাটা আট বছরের আগেও হতে পারে ।

আরও যা মনে পড়ে , সামান্য কিছু আমদানি করা হলেও দোকানি / জাপান সরকার বলেছিলো কেউ কিনছে না , তাই আর আমদানি করা হবে না ।

এখন ডিটেইলস এ ভুল থাকতে পারে , তবে ঘটনা নিয়ে আমার সন্দেহ নাই । আমি দুঃখিত , এইটার সূত্র খোঁজার সময় আমার আপাতত নাই। অনেক আগের ঘটনা ।

তবে এইখানে সামান্য উল্লেখ আছে তাদের রেষারেষির

Click This Link

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: দোকানে কেন চাল দেখেন না , সেইটার উল্লেখ ও লিঙ্কটাতে আছে ।

২২. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৭
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: “আজকের পরে বিডিআর কি পাবে জানি না , কিন্তু সংশ্লিষ্ট সকলের অন্তত চাকরী চলে যাবে । কোর্ট মার্শাল হবে কারো কারো , মৃত্যুদন্ড ও হতে পারে যারা সরাসরি হত্যার সাথে জড়িত”। - হত্যাকারীদের মৃত্যুদন্ড হওয়া কি উচিত নয়? এটা কি শুধুই “চেইন অফ কমান্ড” রক্ষার জন্যই? আজকে যদি অফিসারদের হাতে বিনা বিচারে সৈন্যরা মারা যায়, আমরা কি তার বিচার চাবনা?

“পাকিস্তান বাংলাদেশ যুদ্ধে বাংলাদেশ আক্রমনের সিদ্ধান্তটা রাজনৈতিক হলেও যুদ্ধে হেরে যাওয়ার কারনে পাকিস্তান আর্মির সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়”- প্রথমত, যুদ্ধের সিদ্ধান্ত সামরিক কর্তৃপক্ষের, রাজনৈতিক না। আর সংশ্লিষ্ট কারো তেমন কোন শাস্তি হয় নাই। নিয়াজী আর তার স্টাফ অফিসার বকর সিদ্দিকির চাকরি চলে যায়, পেন্সন দেয়া হয়নি। আর কারো কোন শাস্তি হয় নি। মূল নায়ক ইয়াহিয়া দুটো পেন্সন পায়-রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান হিসেবে।

“বাংলাদেশ একমাত্র উজবুক জাতি যারা পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের চাকুরীতে রেখে বাংলাদেশী অফিসার বনাম পাকিস্তান ফেরত অফিসার - এই দুই দলে বিভক্তি তৈরী করে প্রথম থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ক্যু, হত্যা, বিদ্রোহের বীজ বুনে রেখেছে” – বিপুল সংখক বাংগালি অফিসার ( সামরিক ও বেসামরিক এবং তাদের পরিবার- সংখ্যাটা ৪ লক্ষ) যারা ইচ্ছার বিরুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্থানে গৃহবন্দী ছিল, তাদের আমরা আর কি করতাম? কেন তাদের পোস্টিং তখন ওখানে ছিল - একথা বলে কান ধরে ফেরত পাঠাতাম সেখানে? নাকি চাকরী থেকে বের করে দিতাম? আর কথাটা “বাংলাদেশী অফিসার বনাম পাকিস্তান ফেরত অফিসার” এটা কেন বলা হল। মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা কেউ কেউ যুদ্ধের পর ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে পরে, আর তার সুবিধা নেয় এরশাদের মত কেউ কেউ। ( কেউ যেন দেশপ্রেমিক নিস্বার্থদের একথার সাথে মিশিয়ে না ফেলেন)

গোলাম আজমের ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন অফিসার, একমাত্র নয়। আর জাতি হিসেবে এ লজ্জা আমাদের যে আমরাই এই রাজাকারদের নির্বাচিত করি ভোট দিয়ে। এবারো নিজামি এক লাখ উনিশ হাজার ভোট পেয়েছে (যতদূর মনে পরে)

“এই সীমাহীন দুর্নীতির কারনেই বিডি আর জওয়ানরা তাদের বঞ্চনা আর ক্ষোভের জায়গা গুলো তৈরী হতে দেখেছেন বছরের পর বছর” দূর্ভাগ্যজনক সত্যি হ্ল, বিডিআর জওয়ানরা এর বাইরে নন। বর্ডারে চোরাচালানের ভাগ তারাও নেয়। এই বিদ্রোহ কোন ভাবেই দেশের কল্যানে তারা করেনি, বরং নিজেদের সুবিধা আরো বাড়ানোর জন্য করেছে।এটা কোন মহান বিপ্লব নয়, ঘৃন্য অপরাধের প্রদর্শনী।

“ এই সরকার পুরোপুরিভাবে আর্মি ব্যাকড সরকার
বাংলাদেশ আর্মি পুরোপুরি আমেরিকা ব্যাকড বাহিনী”
-সেনাবাহিনী দেশের সরকারের অংশ। আর আমেরিকান জুজুর ভয় না দেখানোই ভাল।

“বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন জবাবদিহিতা নেই” – সহমত। এখানে পরিবর্তন আবশ্যক। দরকার গণমুখী সেনাবাহিনী।

“বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি একটাও যুদ্ধ লড়েছে যার জন্য আমরা তাদের এত টাকা দিয়ে লালন করি ? নাকি অদূর ভবিষ্যতে আমাদের ইচ্ছা আছে যুদ্ধ করার যার জন্য এত সুবিধা দিয়ে তাদের লালন করতে হবে?” – ১৯৭১ এর যুদ্ধে তাদের অবদানকে অস্বীকার কর? আমাদের প্রতিরক্ষানীতি আত্মরক্ষামূলক, তাই বলে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করতে পারি না!!

“আমরা কেন জানবো না তারা ঠিক কত টাকা , কিসের পিছনে ব্যয় করছে ?” - স্বচ্ছতা আনতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই।

“ আমরা কি করবো ? তাদেরকেই শাস্তি দেব , যারা প্রতিবাদ করেছেন অন্যায়ের ?” না, অন্যায়ের প্রতিবাদকারীদের উপর গনশাস্তি বা নির্যাতন কোন ভাবেই করা যাবে না। কিন্তু যারা প্রতিবাদের নামে লুটপাট, হত্যা (এখন এমনকি ধর্ষণের কথা শোনা যাচ্ছে) তাদের বিচার করতেই হবে। ভয় পাচ্ছি, এখানে নিরাপরাধরাও না শাস্তি পায়।

আমার প্রিয় একজন ছাত্রের লেখায় আবেগের অনেকখানি ভুল প্রকাশ দেখে এত বড় মন্তব্য লিখে ফেললাম!! ঘটনা দেখে মনে হল, জাতিগতভাবে আমাদের সংযম আর ধৈর্যের চূড়ান্ত এক পরিক্ষার সময় এসেছে।(আমার লেখাটা বিশাল হওয়ায় আমি এখন সংযমের কিছুটা অভাব দেখছি)

২৩. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৩
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: “আমার প্রিয় একজন ছাত্রের লেখায় আবেগের অনেকখানি ভুল প্রকাশ দেখে এত বড় মন্তব্য লিখে ফেললাম” – দুখীত, আমার কোন ছাত্রের লেখা নয় এটা। নিক নিয়ে এই বিভ্রান্তি!!
২৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৩
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: @হাসান শহীদ ফেরদৌস স্যার : আপনার কোন প্রিয় ছাত্রকে নিয়ে নিক-বিভ্রান্তি হইসে ?
২৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: হা হা হা। তোমার অন্য এক যায়গায় লেখা নিয়েই সম্ভবত বিভ্রান্তির সূত্রপাত।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ