আমার প্রিয় পোস্ট
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন

- সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- ইল্যুমিনাটি, ফ্রিম্যাসন এবং শয়তানের উপাসক। - নাজিম উদদীন
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
১৬৮ আর্মি অফিসারের পরিবার, বি ডি আরের পরিবার বনাম ১৫ কোটি বাংগালীর পরিবার
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
এই পোস্টটিকে স্টিকি করার অনুরোধ করছি
নিচে আমার প্রতিক্রিয়া মন্তব্য , জরুরী অংশ গুলো আমাদের সবারই জানা উচিত বলে পোস্ট আকারে তুলে দিলাম ।
কয়েকটা পয়েন্ট তুলে ধরি।
১। প্রথম পয়েন্ট ঃ এই পোস্টটাকে অবশ্যই স্টিকি করা দরকার ।
কারন,
ক) আর্মির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার , মানুষজনের আবেগ ও অবস্থা বোঝা
খ) সৎ অফিসার যারা নিজেরা সজ্ঞানে অন্যায় করেননি তারাও ঘটনার শিকার হয়েছেন, আমরা কিছু রত্ন অফিসারও হারালাম এইটা জানা
গ) আর্মির সাধারন সৈনিকেরাও আসলে শেষ পর্যন্ত কি ভাবে দুর্নীতিবাজ ও বিদেশীদের টাকা খেয়ে ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদ , প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপরের দিকের অফিসার, সিভিলিয়ান বুদ্ধিজীবী ও বিশেষ করে " সরকারী আমলা"দের হাতে ব্যবহৃত হয় সেইটা একটু চক্ষু খুলে দেখা
উল্লেখ্য , টিভিতে দেওয়া এক আর্মি জওয়ানের বক্তব্য মনে করিয়ে দিতে চাই যিনি বি ডি আরের বিরুদ্ধে এ্যাকশন সম্পর্কে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন " আমি কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো? আমরা নিজেরাও তো উপরের অফিসারদের অত্যাচারের শিকার" ।
২। দ্বিতীয় পয়েন্ট ঃ আপনার ঔপনিবেশিক মনোভাবের পরিবর্তন দরকার
আর্মির কাজ শুধু লেফট রাইট করা , গুলি ছোড়া আর যুদ্ধ করা -- এই তথাকথিত আভিজাত্যবোধ কি ভাবে আর্মি এবং তাদের পরিবারকে ঘিরে রেখেছে সেইটার প্রমান এই পোস্ট । এই মনোভাবের জনক প্রথমে রাজতন্ত্রের রক্ষাকারী অত্যাচারী "যোদ্ধা" দলের যারা প্রজার রক্ত শোষন করা সম্পদ রাজাকে সাপ্লাই দিতো , তার একটা বড় অংশ বিলাসী জীবনে ভোগ করতো আর সাধারন প্রজাদের ইতর শ্রেনী ভাবতো । তারা ছিলো বেতনভূক "এলিট", প্রজাদের প্রভু।
এই একই মনোভাব দেখিয়েছে বৃটিশ কোম্পানি ইস্ট ইন্ডিয়ার যোদ্ধা কর্মকর্তারা আর তারপর পশ্চিম পাকিস্তানী উর্ধ্বতন অফিসারেরা । আর এখন দেখাচ্ছে বাংলাদেশী অফিসারেরা । রাজার যোদ্ধাদলসহ অন্যান্যরা না হয় জন্মসূত্রেই, সিস্টেমেটিকালি (বাংলাদেশের) গণমানুষের বিরুদ্ধে প্রভুত্ব করা দল । কিন্তু আপনারা এই একই আচরন , একই মানসিকতা ধারন করেন কেন?
জমিদার, বৃটিশ , পাকিস্তানীরা না হয় আমাদের চাকরই মনে করতো । তাই আমাদের উপকার করতে তাদের আঁতে লাগে , জাত যায় বলে গণ্য হত । কিন্তু আপনার জাত যাবে কেন? আর্মি ( বিদেশী প্রভুর হোক আর দেশী ) যাদের টাকা লুট করে , শোষন করে আর ৭১ এর পর বেতন ভাতা হিসেবে নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রিভিলিজড লাইফ লিড করে এসেছে , সেই গণমানুষের জন্য কাজ করতে বললে নিজেকে চাকর মনে হয় ?
আরে বাহ!
আর্মি কি নিজেদের কি উর্দিপরা নবাব মনে করে?
নবাবী সুবিধা আপনাদের দেওয়া হয় ঠিকই , সেইটা হয়ত নিচের লেভেলের জওয়ানেরা ভোগ করতে পারে না ততটা, কারন তারাও তো আবার বড় অফিসারদের চাকর ( এই সিস্টেমটাও বৃটিশের অবদান , কারন তখন নিচের জোয়ানরা হত এই দেশী, আর বস লোক জন বৃটিশ ) তাই বলে , এই নবাবী মন মানসিকতা দেখে কেন চোখের জল ফেলতে হবে ভাই বলেন তো ?
যুদ্ধের সময়ে যুদ্ধ করা যদি সেনাবাহিনীর কাজ হয়ে থাকে, তাহলে , শান্তির সময়ে দেশ গঠনে ও দেশের যে কোন কাজে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব গ্রহনে প্রস্তুত থাকা উচিত - সেইটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনই হোক আর দোকানদারিই হোক। " মুদিগিরি করতে হলে " সেনাবাহিনীর মোরাল নষ্ট হওয়া উচিত না , বরং ভাবা উচিত " আমরা সবই পারি। দোকানদারিও করতে পারি , যুদ্ধও করতে পারি।"
" হাল চাষ,গবাদি পালন, সবজি চাষ, ত্রাণ বিতরণ , দেশকে সঙ্ঘাত আর হাত থেকে রক্ষা করা, দোকানদারি করা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন, পানি বিতরণ, উদ্ধার অভিযান, বন্যা, খরা, সিডর আরও কত কি করতে হবে…" ----
এইটা নিয়া আপনার আক্ষেপ দেখে আর্মিরে করুনা করবো না ঘৃণা , বুঝছি না ।
কেন রে ভাই ? এইগুলা করা কি অস্ত্র চালানোর চেয়ে কম সম্মানজনক ? এই গুলা কি এলিট ফোর্সের কাজ না , ইতর লোকের দায় ও দায়িত্ব ? ব্লাডি সিভিলিয়ান্স যা করে , সেই গুলা আর্মি হইয়া কেমনে করবেন , তাই না?
নিজের লেখার এই অংশটা পড়েন । ঠিক এই নাক উঁচু ভাবটার জন্যই আজকে আর্মি কোন সহানুভূতি পাচ্ছে না ।
অথচ , এই তীব্র অসন্তোষ , অবিশ্বাস, ঘৃণা অনেকটাই ঘটতো না যদি না ডিফেন্সের সব কিছু লোক চক্ষুর অন্তরালে ঘটতো । কে কত টাকা পায় , কে খায় কে খায় না , এইসব আমরা কি করে জানবো? আমরা সাধারন চোখে যা দেখি, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে আর্মি খাবার, পোশাক, বাড়ি, গাড়ি, নিজস্ব স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল , নিরাপত্তা , সম্মান সবই পাচ্ছে ; যা পেতে আমরা রক্ত পানি করে ফেলছি আর আর্মিকে দিতে ট্যাক্স দিচ্ছি । ভালো কাজ যা হয় তা মনে থাকে না যখন আর্মি আমাদের সাথে প্রভুর আচরন করে। আমাদের নেতাদের হত্যা করে। আমাদের গনতন্ত্রকে বন্দী করে। দুর্নীতিবাজ নেতাদের বন্দী করে নিজেরাই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে। স্বচ্ছতা নাই, জবাব্দিহিতা নাই বলেই আমরা জানতেও পারি না আর্মির ভিতরেও রাজা , প্রজা, চাকর এর শ্রেনীভেদ আছে , সবুজ রঙে সব একাকার হয়ে যায় ।
এখন সময় হয়েছে , দরজা, জানালা , পর্দা খুলে এই সবকিছুকে স্বচ্ছ, জবাব্দিহিতামূলক করার ।
৩। তৃতীয় পয়েন্ট ঃ পোস্ট বনাম মন্তব্যের অনেক অংশ পড়ে বোঝা যাচ্ছে , আর্মি এবং সাধারন জনগণকে মুখোমুখি শত্রু বানানোর যে চেষ্টাটা গোলাম আজমের পোলা আর তার বন্ধুবান্ধবদের বহুদিনের ষড়যন্ত্র , সেইটা শেষ পর্যন্ত সফল হতে চলেছে । এই জনগণ বনাম আর্মি বড় ভয়াবহ ইঙ্গিত দেয় । এর আগেও মানুষ বিরোধিতা করেছে । মার্শাল ল এর , আর্মিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী এরশাদ , জিয়া, মঈন ইত্যাদি ব্যক্তির বিরোধিতা করেছে । সরাসরি গোটা আর্মির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি । দেশরক্ষা বাহিনীকে সম্মান করেই এসেছে , এই বাহিনী আমাদের ভীষন বড় একটা গর্বেরও জায়গা । প্রতিরক্ষা বাহিনীর মানুষেরা কি কি ত্যাগ স্বীকার করে এসেছে, এখনো করে , দরকার হলে জীবন দেয় , দেবে বলেই কিছু কিছু ব্যাপার নিয়ে ক্ষোভ ছিলো , শত্রুতা ছিলো না ।
এইবার , সরাসরি শত্রুতা তৈরী করা হলো । যার ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা একদিকে চরম ভাবে বিপন্ন । আরেক দিকে দেশে একটা গৃহ যুদ্ধ বাধানোর অপচেষ্টা প্রায় সফল হয় হয় অবস্থা চলে এসেছে । বাংলাদেশের মানুষ আসলেই শান্তিকামী এবং অনেক বেশি রাজনীতি ও ষড়যন্ত্র সচেতন বলেই বার বার এই অপচেষ্টা ঠেকিয়ে দিচ্ছে --- কিন্তু কতবার ? ভয় লাগে , একবার না একবার রিভোল্ট করতেই পারে ।তখন হুটু আর টুটসিদের মত অবস্থা হবে ।
৪। চতুর্থ পয়েন্ট ঃ আর্মি বনাম সিভিল পিপল এর রেষারেষি , অবিশ্বাস , মারামারি কাটাকাটিতে আসলে শেষ পর্যন্ত কারা লাভবান হয় ?
কখনোই বাংলাদেশের সাধারন জনগন না। এই সিভিল ওয়ারের চরম ক্ষতিগ্রস্ত বরং আমরা । নিজেরা নিজেরা খুন হবো । এই চরম টাল মাটাল অবস্থার সুযোগ নিয়ে সত্যিকারের দেশ প্রেমিক অফিসারদের হত্যা করা হবে । ( উদাহরন - জিয়া হত্যা বিচারের নামে ১৩০০ মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ফ্রেম করে ফাসিতে ঝোলানো) । কিছু দেশপ্রেমিক সিভিলিয়ান হত্যা হবে । ( চার নেতা , কিবরিয়া , বুদ্ধিজীবী হত্যার মত) । সব শেষে আমরা একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দুর্বল বাংলাদেশ পাব যেই দেশ বিদেশী শক্তির জন্য একটু নতজানু চাকর হবে । ফাকতালে , যত সাধারন মানুষ মরে লোক জনে কমে যাবে , প্রভুদের জন্য ততই লাভ। ( ফ্রেঞ্চ রেভুলেশনের মত আমরা একটা অভিজাতবিহীন সাধারনের কল্যানী, গণমুখী রাষ্ট্রও যে পেতে পারি , সেই সম্ভাবনাটার উপরে এখনো ভরসা করতে পারছি না , যেহেতু ওইটা পাওয়ার জন্য যেই পরিমান একতা দরকার সেই একতা ৭১ এর পরে আর পাওয়া যায়নি। একতাবদ্ধ যাতে না হই, সেই ঠেলাঠেলিগুলাই বরং এখনো প্রবল আছে । তার উপর এখন আমরা নেতৃত্বশূন্য। )
মানে , বাংলাদেশে আজকে যাই ঘটুক , কিছু মহলের কোনই ক্ষতি নাই । আমরা যুদ্ধ না করলে তাদের ব্যবসা ও পুঁজি রক্ষা হয় । যুদ্ধ করে মরলেও তাদের স্বার্থ রক্ষা হয় । ( মূলত চায়না ঠেকাও, ভারতরে বেশি বেশি বাড়তে দিও না, পাকিস্তান আর বাংলাদেশরে দৌড়ের উপর রাখো --- এই প্ল্যানের অংশ আমরা। আর রিজনাল পলিটিক্সে ভারতের দাদাগিরি, পাকিস্তানীদের পুরান শত্রুতা এই সব তো আছেই। ভারত অবশ্য নিজের স্বার্থেই এখানে গৃহযুদ্ধ চাইবে না।)
এই নির্মম সত্য গুলো কি বুঝবেন আপনি ? আপনার চোখের জল কি দৃষ্টিকে এতটাই ঝাপ্সা করে দিয়েছে যে আপনি দেখতেই পাচ্ছেন না , কি করে আমরা সবাই দিন কে দিন কিছু মহলের স্বার্থ স্বার্থ খেলার পুতুল হয়ে উঠেছি ? আর সুতোয় বাঁধা পুতুলের মতই গুলি ছুড়ছি , কিন্তু নিজেদের দিকে । বার বার , নিজেদের দিকে ।
আর অট্টহাসি হেসে খেলারাম রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়ে তামাশা দেখছে ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
লেখক বলেছেন: কমেন্টের মূল পয়েন্টে পুরোপুরি একমত ।
প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপরের দিকের অফিসার, .........দের হাতে ব্যবহৃত হয় সেইটা একটু চক্ষু খুলে দেখা
- আর্মি কারও দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে,নাকি নিজেরাই নিজেদের ব্যবহার করছে সেটাও ব্যাপার।
উপরের দুইটা লাইন পাশাপাশি রেখে পড়েন, নিজের বোঝার ভুলটা নিজেই ধরতে পারবেন ।
দ্বিতীয় পয়েন্টা পরিবর্ধন/মার্জন করা হয়েছে । আশা করি এইবার স্পষ্ট হবে ।
আর্মির সাধারন সৈনিকেরাও আসলে শেষ পর্যন্ত কি ভাবে দুর্নীতিবাজ ও বিদেশীদের টাকা খেয়ে ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদ , প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপরের দিকের অফিসার, সিভিলিয়ান বুদ্ধিজীবী ও বিশেষ করে " সরকারী আমলা"দের হাতে ব্যবহৃত হয় সেইটা একটু চক্ষু খুলে দেখা।
কে কত টাকা পায় , কে খায় কে খায় না , এইসব আমরা কি করে জানবো? আমরা সাধারন চোখে যা দেখি, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে আর্মি খাবার, পোশাক, বাড়ি, গাড়ি, নিজস্ব স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল , নিরাপত্তা , সম্মান সবই পাচ্ছে ; যা পেতে আমরা রক্ত পানি করে ফেলছি আর আর্মিকে দিতে ট্যাক্স দিচ্ছি । ভালো কাজ যা হয় তা মনে থাকে না যখন আর্মি আমাদের সাথে প্রভুর আচরন করে। আমাদের নেতাদের হত্যা করে। আমাদের গনতন্ত্রকে বন্দী করে। দুর্নীতিবাজ নেতাদের বন্দী করে ছেড়ে দেয় আবার নিজেরাই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে। স্বচ্ছতা নাই, জবাব্দিহিতা নাই বলেই আমরা জানতেও পারি না আর্মির ভিতরেও রাজা , প্রজা, চাকর এর শ্রেনীভেদ আছে , সবুজ রঙে সব একাকার হয়ে যায় ।
সবুজপাতা বলেছেন:
আপনার সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: অনেক বড় লেখা , পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
১......[[উল্লেখ্য , টিভিতে দেওয়া এক আর্মি জওয়ানের বক্তব্য মনে করিয়ে দিতে চাই যিনি বি ডি আরের বিরুদ্ধে এ্যাকশন সম্পর্কে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন " আমি কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো? আমরা নিজেরাও তো উপরের অফিসারদের অত্যাচারের শিকার" ।]------------ এই কথাটি আমি নিজেও শুনেছি পরিচিত সেনা সৈনিকের কাছে। দেখেছিও সেনাবাহিনীতে কমিশন আর ননকমিশনের মাঝে সেই রাজা আর দাস এর মত একটা বৈপরীত্য সম্পর্ক বিদ্যমান । এটা সেই উপনিবেশকিতা থেকে যেমন এসেছে তেমনি এটা টিকিয়ে রাখা হয় বিলাসিতার মাঝে একটা জীবন স্বল্প আয়ের জীবনে নিজের ক্ষমতার পরিসরে রাজকীয় হালে চলতে। রাষ্ট্রের এখানে কিছূ ব্যর্থতা অস্বীকার করা যায়না।
তেমনি আর্মি অফিসাররা শিশুদের প্রতি এক অমানবিক আচরণ করে শুনেছি এইভাবে যে তাদের নাকি বয় থাকে জুতা টুতা খুলে দেয়ার জন্য , পড়িয়ে দেয়ার জন্য। শিশুশ্রম ব্যবহারেরর এই মানসিকতা উগ্র রাজকীয়।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ । ব্যাটম্যান বলে অল্প বয়সী কাজের ছেলে থাকে । বৃটিশরা জুতা খুলিয়ে অপমান করতো , এখন আমরাই আমাদের দেশের শিশুদের এই অপমানটা করি ।
পথিক , সুবিধা নিতে বেলায় কারোরই খারাপ লাগে না । যেই যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ । কেউ আর এই রাবণগিরি বাদ দিয়ে নতুন সিস্টেম চালু করে না ।
এই বদমাইশি বর্তমান সকল রাজনৈতিক দলের । আমাদের আন্দোলন তাই এখন আর দল বদলের হওয়া উচিত না , হওয়া উচিত সিস্টেম বদলের ।
নইলে , বি এন পি, লীগ, জাপা, জামাত --- সবই ঐ রাজাই হবে , আমরা হবো নপুংশক চাকর ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
২........[যুদ্ধের সময়ে যুদ্ধ করা যদি সেনাবাহিনীর কাজ হয়ে থাকে, তাহলে , শান্তির সময়ে দেশ গঠনে ও দেশের যে কোন কাজে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব গ্রহনে প্রস্তুত থাকা উচিত - সেইটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনই হোক আর দোকানদারিই হোক। " মুদিগিরি করতে হলে " সেনাবাহিনীর মোরাল নষ্ট হওয়া উচিত না , বরং ভাবা উচিত " আমরা সবই পারি। দোকানদারিও করতে পারি , যুদ্ধও করতে পারি।"" হাল চাষ,গবাদি পালন, সবজি চাষ, ত্রাণ বিতরণ , দেশকে সঙ্ঘাত আর হাত থেকে রক্ষা করা, দোকানদারি করা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন, পানি বিতরণ, উদ্ধার অভিযান, বন্যা, খরা, সিডর আরও কত কি করতে হবে…" ----
এইটা নিয়া আপনার আক্ষেপ দেখে আর্মিরে করুনা করবো না ঘৃণা , বুঝছি না ।
কেন রে ভাই ? এইগুলা করা কি অস্ত্র চালানোর চেয়ে কম সম্মানজনক ? এই গুলা কি এলিট ফোর্সের কাজ না , ইতর লোকের দায় ও দায়িত্ব ? ব্লাডি সিভিলিয়ান্স যা করে , সেই গুলা আর্মি হইয়া কেমনে করবেন , তাই না?]
----------------
আর্মিরা অনেককাজ পারবে দেখেই তাদের জন্য এত এত বাজেট খরচ করে ট্রেনিং করানো..আলাদা স্টাইলে শেখানো...
তাদের সম্মান এ জন্যই আলাদা। কিন্তু ...আমাদের দেশ তো সত্যিকার অর্থে সভ্য দেশ না। এখানে অসভ্যতার নিদর্শন পথে পথে ...এখানে টকার লোভ রাস্তায় রাস্তায়, দুর্নীতির লোভনীয় আকর্ষন আর ডাক যত্রতত্র
তাই যখনই বারবার আর্মিদের বাইরে আনা হয় নানান সামাজিক কাজে ..তখনই তারা সেই সব কিছূর সাথে মিলিত হয়। আর গরীব দেশে বেতন তো আসলেই সব সরকারী লোকজনে প্রয়োজনের তুলনায় নিসন্দেহে কম। সেখানে যেই টাকার গন্ধ সামনে আসে লোভ সামলানো খুব কষ্ট হয়ে যায়।
ব্লাডি সিভিলিয়ান শব্দটা ......অবশ্যই সিভিলিয়ানরা তৈরী করে নি।
আবার শব্দটা বৈষম্য এবং ঝগড়া উদয়করণ টাইপ। ...
তাই এই শব্দ যারা মনে ধারন করে তারা কখনই সাধারণ মানুষের মনে স্থান পাবে কি করে?
লেখক বলেছেন: ঠিক ।
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
বি ডি আর এর গুলিতে সাধারন মানুষ আহত নিহত হওয়ার পরও, বি ডি আরই সবার সাপোর্ট পাচ্ছে।
আমরা তো মইন ইউকে দেখলাম সে ধান কাটা থেকে বই লেখা পয্যন্ত সবকিছুতে পারঙ্গম..
...সবকিছুতে ট্রান্সপারেন্সি আনা হোক।
বি ডি আর বা আর্মি কারো বিরোধীতাই দেশের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না।
দেশের স্বার্থেই ট্রান্সপারেন্সি দরকার।
রাগ ইমনকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দেশের মানুষ যে খুন শুধু নয়, খুনের পেছনের কারনটা নিয়েও ভাবছে - এইটা একটা শুভ লক্ষণ ।
তাছাড়া গত ২ বছরের আর্মি শাসনের অভিজ্ঞতা তো শুকায়নি । কিন্তু , তারপরেও শেষ কথা হলো , আমরা এই শ্ত্রুতা , এই বিরোধী মনভাব চাই না ।
অপরাধের ন্যায্য বিচার হোক । দুই পক্ষই যেন ন্যায্য বিচার পায় । তারপর আমরা বন্ধু ও সহযোদ্ধা হিসেবে সামনে আগাতে চাই ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
খেলারাম খেলে যায়.......খেলারামের বোধহয় রক্ত খুব পছন্দ
আর পছন্দ একই মানুষ্য রূপে
জাত বিজাত আর কাজে বিভক্ত করে
নানান বিভেদে ক্যচাল।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
পোস্টটিকে স্টিকি করার অনুরোধ করছি
লেখক বলেছেন: কোনটা ?
আশা করি , আমারটা না, ড়ৎশড় ওরফে অর্কেরটা । আমিও তাই চাই ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এই পোষ্টটাকে ষ্টিকি করা যেতে পারে
লেখক বলেছেন: উপরের জবাব কপি পেস্ট
কাবিল কৈতর বলেছেন:
একটা সেনাবাহিনী দেখান যেটা আমাদের মডেল হতে পারে। কোন দেশেই ডিফেন্স বাজেটের ট্রান্সপারেন্সি নাই। যা আছে সব নামকা ওয়াস্তে। সত্য কথা হলো আজ/কাল যদি সত্যিই দেশে যুদ্ধ পরিস্হিতি সৃষ্টি হয়, আমি-আপনি কয়জন তাতে অংশ নিব। আজ যারা গলা ফাটাচ্ছেন তারা ঐ দুঃসময়ে পালিয়ে বাঁচবেন। আর আজ গালি খাওয়া সেনাবাহিনীই তখন নিজেকে উৎসর্গ করবে। এখন হয়ত বলবেন এটাই তাদের কাজ। অবশ্যই এটা তাদের কাজ। দুর্যোগের সময় বন্যা খরাতে আমরা তো খালি বুলি মারি। কাজের কাজ অল্প করলেও এরাই করে। দুর্নীতিতে চাপা পড়া একটা সমাজে আপনারা কিভাবে সৎ সেনাবাহিনী আশা করেন? নিজেরা সৎ থাকি না আবার অন্যের সততা নিয়ে প্রশ্ন করি কেন? উত্তর দিতে পারবেন? নিজেদের কি কিছুই করার নাই? নিজেদের এসব প্রশ্ন করুন।আমাদের নিজেদের অনেক সমস্যা আছে। কেন সেনাবাহিনী আজকে এখানে? কেন তাদের এত উদ্ধত আচরণ। আমরা যদি জানিই যে তাদের এরকম ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে কেন আমরা সেসব জনপ্রতিনিধিদের বার বার ভোট দেই? নিজেদের অনেক প্রশ্ন করার আছে? খামাখা অন্যের পিছনে আগে দৌড়ানোর মানে নাই। সেনাবাহিনীর কাজ-সীমাবদ্ধতা-দায়িত্ব ও সর্বোপরি এদের সুযোগ-সুবিধা যদি এখনই সীমার মধ্যে আনা না হয়, তবে এ জাতি আরও রক্তবন্যা দেখবে।
লেখক বলেছেন: সহমত ।
Click This Link
আমার এই পোস্টে উল্লেখিত দ্বিতীয় সমস্যা দেখেন । আমিও তাই বলেছি ।
____________________________________________
"এই একই মনোভাব দেখিয়েছে বৃটিশ কোম্পানি ইস্ট ইন্ডিয়ার যোদ্ধা কর্মকর্তারা আর তারপর পশ্চিম পাকিস্তানী উর্ধ্বতন অফিসারেরা ।"
-দ্বিমত। ব্রিটিষদের সিভিলিয়ান এ্যাডমিনিসট্রেসন আর সামরিক বাহিনীর প্রশাসন কিন্তু এক নয়।
কারন ব্রিটিষ ইনডি্যান আর্মির আইন কানুন তৈরি হয়েছিল ব্রিটিষ ইমপেরিয়াল আর্মির্র আদলে , আর ইনডিয়ান সিভিল সারভেন্টস এর আইন করাহয়েছিল ইন্ডিয়াকে শোষন করার জন্যে।
-সূত্র:
দ্যা ইনডিয়ান মুসলমানস, ডাবলিউ ডাব্লিউ হান্টার।
একটা সুত্রই দিলাম আরো আছে।
লেখক বলেছেন: সূত্রের জন্য ধন্যবাদ ।
তবে আমি নিয়ম কানুনের কথা তুলিনি । আমি বলেছি মন মানসিকতার কথা । বৃহৎ অর্থে আমরা তো চাকরই ছিলাম , তাই না? আফ্রিকার মানুষের মত " ইতর শ্রেনীর অসভ্য জাত" --- তাদের চোখে ।
সহেলী বলেছেন:
তোমার অনেক কথাই ঠিক ।আর্মি , বিডিআর --সবাই তো আমাদেরই লোক । কারো ভিতর হামবড়াই ভাব থাকার কথা না । আর অনেকে বোঝেনা যে তারা কারো ইশারায় যা করে সেটা তার নিজের জন্য হিতকর নয় ।
শুভেচ্ছা রইল ।
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা ।
পালটা শুভ কামনা । ঃ)
আতিকুল হক বলেছেন:
দূর্নীতির আখরা হয়ে গেছে মানলাম। কিন্তু বিদ্যুতের খাম্বায় দূর্নীতির মুল দায় বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের সচিবের নয়, কার সেটা আপনারা সবাই জানেন। সামরিক বাহিনীর দূর্নীতিতে তাদের কোন দায় নাই, মুল দায় আর্মির, কিছু বলার নাই। একটা কথা মনে রাখবেন, নিয়মের বেড়াজালে এইসব দূর্নীতির খবর যেমন আপনাদের কানে যেমন কম পৌছায়, এইসব বাহিনীদের কর্মকর্তাদের সব জানার পরেও প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকে আরো কম। অতএব, ইচ্ছামত গালি দিন, মৃত্যুতে উৎসব করেন।যারা বিডিআরের ঘটনায় মারা গেলেন, তারা আর্মির অফিসার ছিলেন অথবা আর্মি অফিসারের স্বজন এই অপরাধে ঢালাও হত্যার স্বীকার হলেন। ভেতরের কি অবস্হা আমরা জানি না। কিন্তু অনেক হত্যা এবং গুমের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাভিশনে শুনছিলাম একজন উদ্ধারকর্মী বলছিলেন, বাসা গুলোর অবস্হা নারকীয়। একটা স্বাধীন দেশে এমন হতে পারে সেটা অবিশ্বাস্য। শতাধিক অফিসার নিখোজ, কিন্তু লাশ পাওয়া গেল ১১ টি। যারা এমন হত্যা এবং গুম করেছেন তাদের বিচার না হওয়াটা আরেকটা বড় মাপের অপরাধ।
বিডিআর হওয়ার কারনেই কেউ ঢালাও হত্যার স্বীকার হোক তা অবশ্যই চাই না, কিন্তু এই জঘন্য হত্যাকান্ডের বিচার হবে না এটা মেনে নেয়া যায় না। এটা যদি না হয়, আমি নিশ্চিত এমন ঘটনা আমরা বারবার ঘটতে দেখবো। কাল এই শিশুটির জায়গায়, আপনার সন্তান বলবে, আমার আব্বু-আম্মুকে ছাড়া যাব না।
লেখক বলেছেন: কারো সাফাই গাইতে চাই না । কাউকে ফেরেস্তা , কাউকে ইবলিশও বানাতে চাই না । আবেগে অন্ধ না হয়ে , অত্যন্ত নির্লিপ্ত , নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে পুরো ঘটনার একটা ন্যায্য বিচার চাইছি --- আমার মনে হয় আমার আগের পোস্ট গুলো সহ এই পোস্টে সেইটা স্পষ্ট করেই বলা আছে ।
আপনার সাথে একমত ।
কাজ করে খাই বলেছেন:
একমত প্রায় সব পয়েন্টগুলোতে। ভালো লেখা। ভালো লাগার মতো লেখা পেলাম। + ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । আপ্নিও ভালো থাকুন ।
আতিকুল হক বলেছেন:
আমার বক্তব্যটা আপনার পোষ্ট কেন্দ্রিক ছিল না। ব্লগের অনেকের আচরনে আমি সত্যিই হতাশ। এমন ইস্যুতেও যদি আমরা এক হতে না পারি, দেশের ভবিষ্যত বলে কিছু বাকি থাকে না।
লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই । আমি মনে হয় আপনার মনভাবটা বুঝতে পারছি । ভাই , সময়টা তো জাতীয় শোকের । যে মেরেছে , সেও ভাই , যে মরেছে সেও ভাই । মনটা বড্ড খারাপ ।
সবারই মনে হয় এইটাতে একমত হওয়া উচিত যে এইটা জাতি হিসেবে , আমাদের শোকের দিন । এক জাতি , এক দেশ হিসেবে ।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ড়ৎশড় ওরফে অর্কেরটা ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
দীর্ঘদিন পরে রাগইমনকে ব্লগিংয়ে পেয়ে ভালো লাগল।তবে পোস্টের কিছু অংশ উদ্ভট এবং হাস্যকর ।
"আর্মির কাজ শুধু লেফট রাইট করা , গুলি ছোড়া আর যুদ্ধ করা -- এই তথাকথিত আভিজাত্যবোধ কি ভাবে আর্মি এবং তাদের পরিবারকে ঘিরে রেখেছে সেইটার প্রমান এই পোস্ট ।"
আর্মির কাজ তো লেফটরাইট করা আর গুলি ছোড়াই , এই কাজের জন্যই তাদেরকে হায়ার করা হয় ।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন আর দোকানদারি করাটা তাঁদের দায়িত্বের অংশ নয় । যুদ্ধের সময় এই কাজ আর শান্তির সময় ঐ কাজ , কাজের এমন কোন ডেফিনেশন দিয়ে আর্মিতে চাকুরি দেয়া হয় না ।
আপনি ডাক্তার , রোগী এলে রোগীর সেবা দেয়া আপনার পেশাগত দায়িত্ব । কিন্তু যেদিন রোগী আসবে না , সেদিন ডাক্তারকে দিয়ে হাসপাতালের সামনের ঘাস কাটালে আমি এই উদ্ভট আইডিয়ার নিন্দা করব ।
আর্মি যদি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করে , তাহলে ট্রাফিক পোষার জন্য সরকারকে যে টাকা দেই , সেটা দিয়ে কী করে ? ট্রাফিকের কাজ যুদ্ধ করা নয় , আর্মির কাজও ট্রাফিক কন্ট্রোল করা নয় ।
লেখক বলেছেন: দীর্ঘদিন পরে রাগইমনকে ব্লগিংয়ে পেয়ে ভালো লাগল।--- ঘটনার দীর্ঘক্ষণ পরে আপনার বড় বড় দুইটা লেখা পেয়ে ভালো লাগলো । জাতির এই রকম একটা দুঃসময়ে কিছু কার্যকরী লেখা যাদের কাছ থেকে আশা করি , আপনি তাদের একজন । না পেয়ে খুব খারাপ লেগেছে ।
তবে পোস্টের কিছু অংশ উদ্ভট এবং হাস্যকর ।--- হাসতে পারাটাও মাঝে মাঝে অতি দুর্লভ । ইতিবাচক ভাবেই নিলাম ।
"আর্মির কাজ শুধু লেফট রাইট করা , গুলি ছোড়া আর যুদ্ধ করা -- এই তথাকথিত আভিজাত্যবোধ কি ভাবে আর্মি এবং তাদের পরিবারকে ঘিরে রেখেছে সেইটার প্রমান এই পোস্ট ।"
আর্মির কাজ তো লেফটরাইট করা আর গুলি ছোড়াই , এই কাজের জন্যই তাদেরকে হায়ার করা হয় ।--- এইটা খুব সীমাবদ্ধ চিন্তা মনে হলো । তাদেরকে আর কোন কাজে লাগালে জাত যাবে কিংবা তারা অন্য কোন কাজের যোগ্য না , আমি এই ধারনার সমর্থক না । তবে লাগানো হবে কিনা , সেইটা সম্পূর্ণ প্রয়োজন, সুযোগ ও কার্যকারিতা , বিকল্প আছে কিনা সেই সব কনটেক্সটের উপর নির্ভর করে ।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন আর দোকানদারি করাটা তাঁদের দায়িত্বের অংশ নয় । যুদ্ধের সময় এই কাজ আর শান্তির সময় ঐ কাজ , কাজের এমন কোন ডেফিনেশন দিয়ে আর্মিতে চাকুরি দেয়া হয় না ।--- হয় না বলে সেইটা কোরানের অকাট্য আয়াত হয়ে যায় নাই । বাংলাদেশ আগামী ২০ বছরে কারো সাথে যুদ্ধ না করলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদেরকে শুধু গুলি ছোড়া প্র্যাক্টিস করাতে রাজি না আমি । আমার ধারনা আরো অনেকেই এই ব্যাপারে একমত হবেন । এমন ব্যয়বহুল সাদা হাতি দরকার নাই ।
আপনি ডাক্তার , রোগী এলে রোগীর সেবা দেয়া আপনার পেশাগত দায়িত্ব । কিন্তু যেদিন রোগী আসবে না , সেদিন ডাক্তারকে দিয়ে হাসপাতালের সামনের ঘাস কাটালে আমি এই উদ্ভট আইডিয়ার নিন্দা করব ।--- সেইটা আপনার ব্যক্তিগত মতামত । গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে এই কাজ ডাক্তাররা করেও । ঘাস কাটা জরুরী হলে এবং সেটা করলে আমার সম্মানের কোন হানি হয় বলে আমি মনে করি না । তবে , ডাক্তার রোগী না এলে ঘাস না কেটে তার স্কিল ও জ্ঞানকে শিক্ষা দেওয়া, সচেতনতা তৈরী এবং রিসার্চের কাজে লাগাতে পারে , তাতে রিসোর্সের বেটার ব্যবহার হবে বলেই বিশ্বাস করি । আর, আপনার উদাহরনের জন্য ধন্যবাদ , উপরের কাজ গুলো অবসরে করেই এসেছি ।
অবসর পেয়েছি বলে স্টেথিস্কোপ গলায় কি ভাবে ঝুলাতে হয় প্র্যাক্টিস করে বেতন হালাল করিনি ।
আর্মি যদি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করে , তাহলে ট্রাফিক পোষার জন্য সরকারকে যে টাকা দেই , সেটা দিয়ে কী করে ? ট্রাফিকের কাজ যুদ্ধ করা নয় , আর্মির কাজও ট্রাফিক কন্ট্রোল করা নয় ।---- একটু এক্সট্রিম এ নিয়ে গেলেন। আমি সেই রকম কোন অদল বদল করতে বলেছি বলে কোথাও উল্লেখ নেই । ট্রাফিক থাকলে , আর্মি লাগবে কেন ? না থাকলে জরুরী অবস্থায় অন্য কথা । বাই দা ওয়ে , ক্যান্টন মেন্টে ট্রাফিক আর্মিই নিয়ন্ত্রন করে । কেন করে !!!!!
আর্মি একটা সুশৃংখল সংগঠন । আর্মির এই ডিসিপ্লিন এবং অন্যান্য স্কিল যেখানে কাজে লাগানো যায় সেখানে কাজে লাগানোর কথাই বলেছি । তাই বলে যেই স্কিল তার নাই ( যেমন ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট কিংবা ক্রিকেট খেলা নিয়ন্ত্রন ) সেইসব জায়গায় ধরে ধরে সেনা কর্মকর্তা বসাতে বলিনি ( মার্শাল ল এর মত)
রান্না করা আপনার সাধারন দায়িত্ব নয় বুঝলাম । কিন্তু ভাবী অসুস্থ হলে বা দরকার পড়লে আপনাকে রান্না করতে বলাটা নিশ্চয় খুব অনুচিত অনুরোধ হবে না , তাই না? অথবা অবসর পেলে ঘর গোছাতে বললে? অথবা টেক্সটাইল ব্যবসার অবসরে বই লিখতে বললে ? যদিও আপনাকে সেইকাজে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নাই । তবে , আপনাকে গর্ভবতী আমি হতে বলবো না । আপনার উদাহরনটাই ( ট্রাফিক আর সৈনিকের অদল বদল) আমার কাছে উদ্ভট আর হাস্যকর লাগলো , আমার প্রস্তাব নয় । কিংবা যেই মন মানসিকতার প্রতিবাদ করেছি , সেই প্রতিবাদটাও নয় ।
আপনাকে ধন্যবাদ ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
মনে রাখতে হবে যখনই আর্মিকে দিয়ে তাঁর দায়িত্বের বাইরে কাজ করানো হয়েছে তখনই দূর্ণীতির অভিযোগ এসেছে । ট্রাফিক কন্ট্রোলে আর্মি , এমনকি ওয়াসার পানি বিতরনেও আর্মি ! রাজউকের একটা লটারি করবে , সেটার জন্যও তাঁরা আর্মির সাহায্য চেয়েছে ।
এই চরম অরাজক ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ।
কালকে দেখলাম বিটিআরসির চেয়ারম্যান করা হয়েছে এক জেনারেলকে যিনি গোয়েন্দা ছিলেন । বিটিআরসি চালাতে কেন গোয়েন্দা জ্ঞানের দরকার হবে তা আমার নিরেট মস্তিস্কে ঢুকেনি ।
এই ডালভাত বিক্রীর দায়িত্ব দেয়াতেই দূর্ণীতির প্রশ্নটি সামনে এসেছে । ডালভাত বিক্রী করে ইউনিফর্মধারীদের মাঝে অনৈক্য তৈরী ও প্রায় দুইশত প্রানহানি ঘটেছে ।
অবিলম্বে আর্মিদেরকে লেফটরাইটে ফিরিয়ে নেয়া উচিত ।
আর্মিকে ব্যারাকের বাইরে এনে ধানগাছ আর মাগুরচাষ করানোর অসুস্থ প্রক্রিয়া থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে ।
লেখক বলেছেন: মনে রাখতে হবে যখনই আর্মিকে দিয়ে তাঁর দায়িত্বের বাইরে কাজ করানো হয়েছে তখনই দূর্ণীতির অভিযোগ এসেছে ।
ট্রাফিক কন্ট্রোলে আর্মি , এমনকি ওয়াসার পানি বিতরনেও আর্মি ! রাজউকের একটা লটারি করবে , সেটার জন্যও তাঁরা আর্মির সাহায্য চেয়েছে ।------ এইটা আর্মিকে অন্য কাজে লাগানোর ফল বলতে চাইলে মানতে পারলাম না । বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আপাদমস্তক গোটা সমাজ , রাষ্ট্রের প্রতিটা যন্ত্রে দুর্নীতি ঢুকে পড়েছে । আর্মি তার বাইরে থাকবে , এইটা একটা উদ্ভট দিবাস্বপ্ন । আর যত্র তত্র অযৌক্তিকভাবে সব জায়গায় আর্মিকে ঢুকানোর ব্যাপারে আগেই বক্তব্য দিয়েছি ।
এই চরম অরাজক ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ।
কালকে দেখলাম বিটিআরসির চেয়ারম্যান করা হয়েছে এক জেনারেলকে যিনি গোয়েন্দা ছিলেন । বিটিআরসি চালাতে কেন গোয়েন্দা জ্ঞানের দরকার হবে তা আমার নিরেট মস্তিস্কে ঢুকেনি ।----- এই ব্যাপারে আগের মন্তব্যে উত্তর দিয়েছি । আম গাছে কেউ কাঁঠাল লাগাক , এমন প্রস্তাব যে আমি দেব না , আপনি এটা বোঝেননি দেখে খুব অবাক হলাম ।
এই ডালভাত বিক্রীর দায়িত্ব দেয়াতেই দূর্ণীতির প্রশ্নটি সামনে এসেছে । ডালভাত বিক্রী করে ইউনিফর্মধারীদের মাঝে অনৈক্য তৈরী ও প্রায় দুইশত প্রানহানি ঘটেছে ।-- দায়িত্ব না দিলে দুর্নীতি হইতো না , এইটা অনেকটা দরজা বন্ধ করে ভ্রমটাকে রুখি, সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকির কথা মনে করিয়ে দিলো । টাকা পয়সা কিংবা ডাল, ভাতের দায়িত্ব দিলেই আর্মি দুর্নীতি করবে , এই যদি ব্যাপার হয় তাহলে রক্ত পানি করা কোটি কোটি টাকার ( অবশ্যই জনগণের টাকা) প্লেন , আর্মস , যন্ত্রপাতি , গাড়ি এই সব দেই কেন আমরা ?
দেশব্যাপি লাখ লাখ সৈনিকের মাসিক রেশনটা যদি আর্মি বিতরন করতে পারে , তাহলে সাধারন মানুষের ডাল ভাত বিতরন করতে দিলেই সব দুর্নীতিবাজ হয়ে যাবে , ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে --- এই আলাপ মানা সম্ভব হইলো না । সরি ।
অনৈক্য আগেই তৈরী হয়েছিলো । বি ডি আরকে চাকরের মত ব্যবহার করা আর তাদের দ্বিতীয় শ্রেনীর মানুষ বানিয়ে রাখার ফলাফল দুইশত প্রান হানি । ডাল ভাত না । নিজেরা ৬০০ কোটি টাকা মেরে দেওয়ার ফলাফল প্রানহানি , ডাল ভাত কর্মসূচি না ।
বেসিকালি , আর্মিকে সম্পূর্ণ জবাবদিহিতাবিহীন করে রাখার ফলাফল হলো এই প্রানহানি । সমস্যার ব্রড বেসটাকে উহ্য রেখে ঘটনার কারনের এমন সরুদৃষ্টি ভঙ্গীকে বিপদজনক মনে হলো । আশা করি ভেবে দেখবেন ।
অবিলম্বে আর্মিদেরকে লেফটরাইটে ফিরিয়ে নেয়া উচিত ।
আর্মিকে ব্যারাকের বাইরে এনে ধানগাছ আর মাগুরচাষ করানোর অসুস্থ প্রক্রিয়া থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে ।------------ সরকার ও রাষ্ট্র যন্ত্রের পা থেকে মাথা পচে গেলে শুধু লেফট রাইট করেই সেনাবাহিনী কি ভাবে " রাইট ট্র্যাকে " থাকবে , বোঝা গেলো না । যে দেশের রাজনীতিবিদ , আমলা থেকে শুরু করে জেনারেল, এয়ার কমোডর , নেভাল চীফেরা মিসাইল, প্লেন , জাহাজ কেনা সংক্রান্ত দুর্নীতির সাথে জড়িত , সেইখানে দুইটা মাছ কিংবা চালের ব্যবস্থা করতে পারলে আমি বরং আর্মিকে সাধুবাদ দিব ।
পেন্টাগন ও তাদের রিসার্চের প্রোডাক্ট বেচে টাকা রোজগার করে । সেনা কল্যান সংস্থা বহু মহিলার সেলাই রোজগারের সহায়ক হয়েছে । অর্থকরী কাজে নিয়োজিত হওয়াটা খারাপ কিছু না । সমস্যাটা হয় তখনই যখন লাভের টাকা খরচ ও ভাগে কোন হিসাব এবং জবাবদিহিতা থাকে না ।
আপনার দুইটা মন্তব্যের জন্যই ধন্যবাদ । কিছু দরকারী বিষয় আলোচনায় এসেছে । ভালো থাকুন ।
বাফড়া বলেছেন:
আরিফ ভাইয়ের পয়েন্ট টা ভ্যালিড পয়েন্ট- কিন্তু সমস্যা টা হচ্ছে যে ডাক্তারের জন্য রোগীরা একদিন অনুপস্হিত থাকলেও বছরের বাকি দিন গুলাতে অন্তত হাজির থাকবে.।ভীড় লাইগা থাকে যদ্দুর জানি...।কিন্তু আমাদের ব্যায়মবীর আর্মিদের যে কাজের জন্য রাখা হইছে তার যে খুব দরকার লাগছে প্রতিদিন তা ও না.। এই অবস্হায় ব্যায়ামবীর আর্মিদের কি বসায়া বসায়া খাওয়া যামু নাকি সারাজীবন? এদেরে তো কোন একটা কাজে লাগাইতে হইব নাকি? তো যাও বাছাধন রা ট্রাফিক কন্ট্রোলই কর...।
(কেউ যেন আবার না ভাবে যে আমি আর্মি রে তাদের ইনটেন্ডেড কাজে লাগানোর জন্য অন্য দেশগুলার সাথে যুদ্ব ঘোষনা করার দাবি জানাইতাছি)
ফ্রুডো বলেছেন:
আর্মিদের উপর আমার এতদিন একটা আস্হা ছিল, তারা এত সুযোগ সুবিধা পায়, তারা অন্তত পুকুর চুরি করবে না... কিন্তু অবস্হা আরো ভয়াবহ ... লেখকের সাথে একমত।
আতিকুল হক বলেছেন:
আরিফ ভাইয়ের সাথে সম্পূর্ণ একমত। উনি যে কথাটা বলেছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর্মির কাজ ঐটুকুই। এর বাইরে লাগাতে গেলেই সামরিক শাসন, বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড এসব হবেই। এটা মেনে নিয়েই আর্মি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি এটাকে অপচয় মনে হয়, তাহলে অপচয়ই। কিন্তু আর্মিকে দিয়ে এর বাইরে কিছু করানো যাবে না। বিটিআরসির চেয়ারম্যান, সব মেডিক্যাল কলেজের প্রধান আর্মি থেকে হতে হবে কেন? এসব হবে, আর তারা দূর্নীতি করবেন না, এটা হতে পারে না।
বাফড়া বলেছেন:
সরি আরিফ ভাই, আপনার কমেন্ট টা পড়লেও , এখন মনে হচ্ছে পুরৎা মগজসঝ হয়নাই আগেরবার পড়ার সময়..। আসলে লিংকে দেয়া পোস্টের ব্যাপারে মনযোগ ছিল বলেই হয়ত... আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আসলে লিংকের পোস্টে আপদকালীন কাজে আর্মিকে ব্যাভার করা নিয়ে কয়েকটা কথা ছিল, কিন্তু আপনি বলেছেন সাধারন পদে নিোয়োগ দেয়া সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে তাই এই ভুল। সরি।আমার মন্তব্য টা আসলে ছিল ইন্ডিভিজুয়াল সেনাকর্মকর্তাদের নিয়ে না, বরং আপদকালীন, বা শর্_টেজে থাকা অবস্হায় বা আড় কোন কারনে ফোর্সের একাংশ ব্যাভার করা নিয়ে। সরি
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
বাফড়া , কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে রাখতেই হবে , কিছু কিছু পেশাকে রাখতেই হবে , তাদের হয়তো কোনদিনই কাজে লাগবে না , কিন্তু যদি লাগে , এই চিন্তাতেই তাঁদের পুষতে হবে ।যেমন ধরুন ফায়ার সার্ভিসের একটা স্টেশন আপনার শহরে আছে । এদের কাজ সবসময় এলার্ট থাকা । কিন্তু এখন ঐ শহরে আমার বাড়িতে কিংবা আপনার বাড়িতে আগুন লাগে না, এটা নিশ্চয়ই ঐ ফায়ার সার্ভিসের লোকদের অপরাধ নয় ।
কিন্তু যদি কোনদিন লেগে যায় , এই চিন্তাতেই ফায়ার সার্ভিসকে রাখতে হবে । তাদের পাম্প মেশিন দিয়ে গ্রামে বোরোখেতের সেচ দেয়া যাবে না ।
পেশার বাইরে গেলেই দূর্ণীতির সুযোগ তৈরী হয় । অবসরপ্রাপ্ত আর্মির অফিসাররা চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগের লোভে ( রাষ্ট্রদূত , বিভিন্ন কমিশনের চেয়ারম্যন ইত্যাদি লাভজনক পোস্ট ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারেন , এটা তাদের মোরালকে ধ্বংস করে দেবে ।
যুদ্ধের সময় আমাদের দরকার হবে নৈতিক ভাবে সৎ একটা বাহিনী , আর এজন্যই তাদেরকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে হবে ।
অঞ্জন সানি বলেছেন:
আমি গতকাল বি ডি আর দের পক্ষে কথা বলেছিলাম । কিন্তু আজকে টিভি নিউজে অনেক কিছু দেখে মনে হলো বি ডি আর রা যা করেছে সেটা আসলেই আতিরিক্ত এবং পূর্ব পরিকল্পিত.....................তদন্ত করা উচিত এবং বি ডি আর দের শাস্তি হওয়া উচিত........।...।
বাফড়া বলেছেন:
আরিফ ভাই- সেইটা আমিও জানি... আমি একমত ও। কিন্তু তাই বইলা একটা স্কিলড ফোর্সরে কি সিডরে ত্রাণ বিতরনে লাগামু না? বন্যায় পর্যুদস্ত যোগাযোগ ব্যবস্হা ঠিক করার জন্য ব্রিজ বানাইতে আর্মির ইন্জিনিয়ার ইউনিট রে কাজে লাগামু না? নাকি বসায়া রাইখা দিমু? আমি তাদেরে প্_রাইভেটাইজেশন বোর্ডে বা ক্রীড়া সংস্হায় পদ দেয়ার কথা কইনা.। কিন্তু স্কিলড ফোর্সরে কাজে না লাগাইলে গরীব দেশ তো আরো রসাতলে যাইব... এইক্ষেত্রে আমি কিন্তু শুধুই আপদকালীন পরিস্হিতিতে ব্যাভার করার কথা কইতাছি। অন্য ক্ষেত্রেও বিবেচনা কইরা ব্যাভার করা যাইতে পারে হয়তবা।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ঘটনার দীর্ঘক্ষণ পরে আপনার বড় বড় দুইটা লেখা পেয়ে ভালো লাগলো । জাতির এই রকম একটা দুঃসময়ে কিছু কার্যকরী লেখা যাদের কাছ থেকে আশা করি , আপনি তাদের একজন । না পেয়ে খুব খারাপ লেগেছে ।
হা : হা : হা : ! বহুদিন পরে এসেছেন বলেই বোধহয় জানেন না , (আমার ধারনা ) একজন ফুলটাইম মডারেটর আমার লেখা পড়ার জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে । যাই লেখি , সেটাই নীতিমালায় ধরা খায় । "ভাত খাইলাম" লেখাটাও তাঁরা প্রথম পাতা থেকে সরিয়েছেন , প্রথম পাতার বিষয়বৈচিত্র রক্ষার ধারা দেখিয়ে । কোনটা সরে যায় " বিষয়বৈচিত্র রক্ষার " ধারায় , কোনটা " উষ্কানিমূলক" ধারায় আবার কোনটা " বোধগম্য নহে " ধারায় । এখন মডারেটররা আমার লেখা যদি না বুঝেন , আমি কী করতে পারি ? বাসায় গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে আসব ?
স্ট্যাটাস নামিয়ে দিয়ে জেনারেল বানিয়েছে আমাকে , চাইলেও প্রথম পাতায় লিখতে পারব না ।
অপরাধ ছিল , একজন ব্লগার নারী ব্লগারের শরীর নিয়ে খুবই কুৎসিত কথা বলায় এর প্রতিবাদ করে শিরোনামহীন থেকে হাসিব পর্যন্ত অনেক ব্লগার ব্যান/বাতিল হওয়ার প্রতিবাদ করা ।
নারী ব্লগারদের হেনস্থা করলে যে হেনস্থাকারীদের চাইতে প্রতিবাদকারীরাই বেশি ভুগেন , এইটুকু স্মৃতি নিশ্চয়ই আপনার মনে আছে ।
লেখক বলেছেন: সে কি !!!! একি ভয়াবহ ব্যাপার !
নাহ , সামুর মডারেশন সমস্যা কবে যে কাটবে ।
অবিলম্বে আপনাকে সেফ করার দাবী জানাইলাম ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
বাফড়া , জাতীয় দূর্যোগে অবশ্যই সেনাবাহিনীকে কাজে লাগাতে হবে । কারন একমাত্র তাদের কাছেই রিসোর্স আছে যা দিয়ে দেশের যে কোন প্রান্তে তারা দ্রুততম সময়ে পৌছাতে পারে ।আর সেই রিসোর্স এই জাতির টাকায় কেনা ।কিন্তু শান্তির সময়ে হালচাষ করানোতে আমি একমত নই ।
বাফড়া বলেছেন:
সেইটাই.. আপদকালীন... হালচাষ করতে আমিও কইনা..। তবে তাদের মাঝে গরু কিসিমের কেউ থাকলে অন্য কথা!!! অবশ্য সেইটা আমাদের সবার মাঝেই আছে
লেখক বলেছেন: দেশে এত কৃষক থাকতে সেনা দিয়ে হাল চাষ করলে ফলন আরো কমে যেতে পারে । সেই রকম আজব পরিস্থিতি না হোক ।
তবে , কৃষকের ছেলে সেনা অফিসার হয়েই যখন হাল চাষ করাটাকে অতি অসম্মানজনক কাজ মনে করা শুরু করে , হাল ধরলে জাত যাবে ধরনের সুচিবাইগ্রস্ততা দেখায় তখন সেই মনভাবের চরম নিন্দা আমি জানাবোই ।
সব এন্টিটিরই কিছু স্পেশাল স্কিল থাকে । সেইটারে জায়গামত কাজে লাগানোর দরকার ।
উদাহরন দেই । ব্রাহ্মনবাড়িয়া যেতে একটা ব্রীজ পড়তো যেইটারে ১/১১ এর আগে খালি ঠুক ঠুক করতে দেখতাম । কন্ট্রাক্টর খালি সময় বাড়ায় আর বিল উঠায় । ব্রীজ আর হয় না । ১/১১ এর পরে আর্মি গিয়ে শুধু একটা ঝাড়ি দিতেই কাজ সমাধা । এইটা ভালো দিক ।
এখন এইটা দেখে যদি কেউ মনে করে সেনাবাহিনী দিয়ে দেশ পরিচালনা করলে ভালো , তাইলে গত দুই বছরের অসহনীয় অবস্থাটা মনে করলেই হবে ।
কার কোন স্কিলটা কোথায় কতটুকু কার্যকর হতে পারে , এইটা পর্যবেক্ষন সাপেক্ষ ব্যাপার ।
আচ্ছা , আজকের মত বিদায় । ভালো থাকেন ।
আতিকুল হক বলেছেন:
স্কিল কাজে লাগালে উপকার হয়, কিন্তু বিপত্তিটাও কিন্তু অনেক হয়। এই যে ব্রীজের কথা বললেন, ঝাড়িতে কাজ হলো। কিন্তু আর্মিকে এমন কন্ট্রাকটরকে ঝাড়ি দিতে পাঠালে সে কিন্তু পাশের বাড়ির যার সাথে জমি নিয়ে গন্ডগোল তাকেও ঝাড়ি দিয়ে যাবে।এজন্যই সাময়িক লাভ হলেও একান্তই আপদকালিন ব্যপার যেমন সিডরে ত্রানতৎপরতা ছাড়া আর্মিকে লাগানো দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
সিস্টেম এর বদল চাই এটা আমার প্রাণের দাবী সর্বদা
















- আর্মি কারও দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে,নাকি নিজেরাই নিজেদের ব্যবহার করছে সেটাও ব্যাপার। এই অংশটুকু পড়ে মনে হল - আর্মির নিজের বিবেক বুদ্ধি বলতে কিছু নেই, সবাই তাকে ব্যবহার করছে। আসল ঘটনা উল্টো।
আর্মি ভেতরের দুর্নীতিগুলো বাইরের কেউ এসে করেনি।তারা নিজেরাই করেছে। সুতরাং তারা ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিজেদের অফিসারদের দ্বারাই,তারা ধোয়া তুলসী পাতা নয়। ওদের সবকিছু হয় জনগণের অগোচরে।
আর্মির ব্রিটিশ আমলের স্ট্রাকচার ভেংগে নতুন করে গড়ে তোলা হোক। আর সবকিছুতে ট্রান্সপারেন্সি আনা হোক।