somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশপ্রেমের ধাপ সমূহ, ২৮ অক্টোবর ২০০৬ , ১৯৭১ ও প্রজন্মের দায়িত্ব

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৮ শে অক্টোবর ২০০৬ এ একটা ঘটনা ঘটে । লগি বৈঠা তথা লাঠি নিয়ে একদল লোক অন্য একটা দলের লোকের একজনকে পিটিয়ে হত্যা করে । আপাত দৃষ্টিতে ঘটনাটা বিবেককে ধাক্কা দেয় ভীষণ । আমাকেও দেয় । বাংলাদেশে হত্যার ঘটনা , মানে একজনকে হত্যার ঘটনা , এমন কি কয়েক জন মিলে একজনকে হত্যার ঘটনা মোটেই নতুন কিছু নয় । রাজনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশে জন্মের শুরু থেকে এরকম হত্যা প্রচুর হয়ে আসছে । কখনো , পূর্ব পাকিস্তান বনাম পশ্চিম পাকিস্তান, কখনো পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ , কখনো পাকিস্তানপ্রেমী রাজাকার বনাম দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী , কখনো সামরিক বাহিনী বনাম অসামরিক জনগণ , সামরিক ব্যারাকের রাজিনীতি বনাম অসামরিক পক্ষের রাজনীতি , আর পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ , বি এন পি, জাতীয় পার্টি , জামায়াত ইসলামী - নানা পক্ষ বিপক্ষের হত্যাকান্ড শুনে ও পড়ে আমরা অভ্যস্ত । নতুন করে ধাক্কা খাওয়ার বা বিবেকে নাড়া খাওয়ার সম্ভাবনা নাই তেমন। যদি না কেউ ধাক্কা খাওয়াতে উঠে পড়ে লাগে ।

জামায়াত শিবিরের বর্তমান কর্মকান্ডে এই ধাক্কা দেওয়ার একটা চেষ্টা আমরা গত তিন বছর ধরে শুনে আসছি । " এই নৃশংসতা , এই বর্বরতা , এই মায়ের বুক খালি করা" ইত্যাদি।অনেকেই বিরক্ত হয়ে লাথি দেওয়া শুরু করেছেন । আমিও দিয়েছি ২৮ এর রাতে । কিন্তু পরে আমার একটা কথা মনে হইলো । আমরা কি কোন কিছু বুঝতে ভুল করছি ?

মানে , সারা বিশ্বে ভিডিও প্রচার করে " আওয়ামী বর্বরতা" বলে প্রচার করলেও এইটা তো রাজনৈতিক হত্যার বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ। তাই নয় কি? এতদিন তো জামায়াতের মুখে রাজনৈতিক হত্যার প্রতিবাদ বা বিচার চাওয়ার কোন নমুনা দেখিনি ! কতকিছুই তো তখন ভেবেছি! ভেবেছি , জামায়াত শিবির বাংলাদেশ জন্মের লগ্নে ১৯৭১ থেকেই তাদের ইসলামী ছাত্র সংঘ ( বর্তমানে নাম পালটে ছাত্র শিবির ) , রাজাকার, আল বদর, আল শামস , শান্তি কমিটি এর লোক জনের মাধ্যমে মীরজাফর এর মতন দেশের সাথে গাদ্দারি করে , কওমের সাথে বেঈমানি করে প্রায় ৩০ লাখ হত্যার সাথে জড়িত । তাই বিচার চায় না । ভেবেছি , এই জামাত শিবির রাজশাহী , চট্টগ্রামে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষের ছাত্রদের হত্যার সাথে জড়িত । তাই রাজনৈতিক হত্যার প্রতিবাদ করে না, বিচার চায় না । এরা ১৯৭১ এ ২ লাখ ধর্ষনের সাথে জড়িত । তাই এই বাংলাদেশে প্রতিদিন যত ধর্ষন এর ঘটনা ঘটে , কত মুসলিম মা - বোন- কন্যা এই পাশবিকতার শিকার হয়ে হয় খুন হন বা আত্মহত্যা ( এইটাও এক রকম খুনই) করেন , তবু জামায়াত শিবির কখনো তার মুসলিম মা - বোনের ধর্ষনের বিচার চেয়ে রাজপথে মিছিল করে না । আমার চোখে পড়ে নাই আর কি ।

আজকে তাদের আমূল পরিবর্তন দেখে আমি লাফিয়ে উঠি । তারপর আতিপাতি করে খুঁজি , " জামায়াত কি মামলা করেছে ?" ওদের লেখায়, ওদের ভিডিওতে খুঁজি, পাই না!

তাইলে যে কথায় কথায় বলে , " জামায়াত শিবির যদি হত্যার সাথে জড়িত থাকে তো যান, আদালতে গিয়ে মামলা করেন। ব্লগে এসে লাশের রাজনীতি করেন কেন? একটা মানুশ মারা গেছে , তার লাশ নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করেন।" এই কথা কতবার যে পড়েছি এই ব্লগে । এইটা ত মাত্র একটা হত্যা । ৩০ লাখ মানুষ এর হত্যা নিয়ে যখন প্রতিবাদ চলে, তখনও সেই একই কথা শুনেছি । আমি আঁতিপাতি করে খুজি , তাহলে কি জামায়াত ২৮শে অক্টোবরের পরে ৩০ লাখ হত্যার বিচারও চাইছে ? ১ টা হত্যা অপরাধ হইলে ৩০ লাখ হত্যা নিশ্চয়ই অপরাধ? ১ জনের হত্যার প্রতিবাদের যদি ইন্টারনেট ভরে যায় ভিডিও প্রতিবাদে , তাহলে আমরা যখন ৩০ লাখ হত্যার প্রতিবাদ করবো , জামায়াত শিবির কি আমাদের সাথে হাত মিলিয়ে ভিডিও আপলোড করবে ? কন্ঠ মিলিয়ে চিৎকার করবে যারা জড়িত তাদের শাস্তি চাই?

জামায়াত শিবির নিজে যদি জড়িত নাই থাকে এই ৩০ লাখ হত্যা, ২ লাখ ধর্ষন , ১৫ই অগাস্টের হত্যা , জেলে চার নেতার হত্যা , জিয়া হত্যা , সামরিক বাহিনীর ক্যু জনিত হত্যা , জেএমবির নাম নিয়ে হত্যা , উদিচি ও রমনার হত্যা, নির্বাচনের পরে হিন্দু ধর্ষন -- এই রকম সকল অন্যায় জুলুম এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে নিশ্চয়ই ? এই সব জুলুমের প্রতিবাদ করে ভিডিও আপলোড করবে নিশ্চয়ই ? সারা বিশ্বের কাছে ১ জন হত্যা ও ৩০ লাখ হত্যা - সবটারই বিচার ও প্রতিকার চেয়ে আবেদন করবে নিশ্চয়ই ?

জামায়াত শিবির জড়িত ছিলো কি ছিলো না , এইটা নিয়ে ৭১ এর পরে জন্মানো যারা জামায়াত শিবির করেন, ইসলামী দল ভেবে ইসলামী শাসন কায়েমের জন্য দল করেন , তারা এইটুকু তো জানেন যে বিনা রক্তপাতে কোন যুদ্ধ হয় না? মোহাম্মদ (সাঃ) ও জীবনে অনেক যুদ্ধ করেছেন ও তাতে অনেক মুসলিম শহীদ হয়েছিলেন। ১৯৭১ এর যুদ্ধেও এমন লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন । কে জড়িত ছিলো , সেইটা না জেনেও তো প্রতিবাদ করা যায় , যায় না? হত্যা যে হয়েছিল, এইটাত তো শিওর? আসেন তাহলে , সেই অজ্ঞাতনামা হত্যাকারীদেরই বিচার চাই ! আপনার তো কিছু হবে না । আপনি তো আর কাউকে হত্যা করেন নাই, তাই না?

এই পরিবর্তন যতদিন না দেখছি আমরা ততদিন লাত্থি খেতেই হবে । প্রতি বছর ২৮শে অক্টোবর লাথি চলবে । ৩০ লাখ হত্যা, ২ লাখ ধর্ষন , ১ কোটি উদবাস্তুর কান্নায় যাদের মনে ব্যথা লাগে না , তাদেরকে হঠাৎ ১ জনের হত্যা নিয়ে কানতে দেখলে আমরা তাদেরকে বিশ্বাস করতে পারি না । "সাপের মতন মনে হয়"। তাই, "সাপের উপযুক্ত শাস্তিই তাদের দেওয়া হয়।"

বাংলাদেশের ঘটে যাওয়া যুদ্ধাপরাধ ও সকল রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের , রাজনৈতিক ধর্ষন, লুট পাট এর প্রতিবাদ ও বিচার চাইতে গেলে আরেকটা কথা প্রায়ই শুনি । আগে কেন বিচার হয়নি? আগে কেন বিচার করেন নি ? আগে কেন চাননি ?

আপনারা যেমন বলেন না , " ১৯৭১ এ তো জন্মই হয়নি , তাহলে রাজাকার হইলো কি করে? " । সেই রকম আমরাও , মানে আমার প্রজন্মও ১৯৭১ এর পরে জন্মেছে । তাই এতদিন বিচার করার জন্য বড় হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম । ছোটবেলাতেও মনে মনে চেয়েছি, মুখে বলেছি তবে কাজে করে দেখানোর জন্য যেই ভোটটা দেওয়া লাগে , ওইটার জন্য ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। যেই আইনটা লাগে , সেইটা শিখতে পড়ালেখা করতে হয়েছে । যেই টাকাটা লাগে সেই টাকা যোগাড়ে উপার্জনক্ষম হতে হয়েছে । এই জন্য সময় লেগেছে । এখন সময় হয়েছে , ভোট-শিক্ষা-টাকার যোগাড় হয়েছে , এইবার মামলা সহ অন্যান্য কাজ শুরু হবে ।

আপনি যেহেতু রাজাকার না , আসেন , এই বিচার ও শাস্তির কাজে আপনিও সামিল হোন। আল্লাহ বলেছেন জালিমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, এই লড়াই এ সামিল হোন।

আরেকটা কথা প্রায়ই শুনি , ওমুকে ক্ষমতায় ছিলো , তমুকে বিচার করতে পারতো , করে নাই কেন? আমাদের আগের প্রজন্ম অর্থাৎ যেই প্রজন্মে আমাদের সকলের বাপ মা , আত্মীয় মুরুব্বিরা আছেন , তাদের প্রতি একটা রাগ, ক্ষোভ, ঘৃণা আমাদের মনে তৈরী করার একটা চেষ্টা চলে ।

এইটার উত্তর হলো, দুনিয়াতে সকল প্রজন্মের একটা দায়িত্ব থাকে । ১৯৪৭ সালের প্রজন্ম যারা তরুণ ছিলো , তাদের বাপ মা বৃটিশের বিরুদ্ধে লড়াই করে একটা শক্ত জমিন তৈরী করে দিয়েছিলো । তার উপরে ভিত্তি করে ছেলেমেয়েরা স্বাধীনতা এনেছিলো । পাকিস্তান হয়েছিলো । বৃটিশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে লেগেছিলো ২০০ বছর । তারপর সেই অন্যায় যখন পশ্চিম পাকিস্তান নিজে করা শুরু করলো , সেই পশ্চিম পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে লেগেছে ২৩ বছর । যুদ্ধ করেছে ১৯৪৭ এ যারা তরুন ছিলেন তাদের ছেলে মেয়েরা , মানে আমাদের বাপ মা । আর তারপর সেই একই রকম অন্যায় যখন করতেই থাকলো নামে বাংলাদেশী আসলে পাকিপ্রেমী কিংবা দেশবিরোধী কুলাঙ্গার এর দল , তখন এর বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে লেগেছে ৩৮ বছর । এদেশের এক একটা প্রজন্ম এক একটা বড় কাজ করেছে । একটা প্রজন্মের পক্ষে সব কাজ করা সম্ভব না । প্রতিটা দেশপ্রেমিকের একটাই স্বপ্ন । একটা দেশ যেখানে প্রতিটা নাগরিক একই রকম সুযোগ ও সুবিধা নিয়ে খেয়ে পরে , নিজের বাড়িতে , সুস্থ অবস্থায় একটা শান্তিময় জীবন কাটিয়ে যেতে পারবে ।

সেইটার প্রথম ধাপ - বিদেশী শত্রু তাড়িয়ে স্বাধীনতা অর্জন । এইটা আমাদের দেশপ্রেমিক বাপ মায়ের প্রজন্ম করে গেছে ।

দ্বিতীয় ধাপ - দেশের ভিতর থেকে দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী শত্রু গুলোকে তাড়ানো
এইটা আমাদের প্রজন্মের কাজ । সেই কাজ আমরা হাতে নিয়েছি ।

তৃতীয় ধাপ - একটা বাই দা পিপল, ফর দা পিপল, অফ দা পিপল রাষ্ট্রযন্ত্র , শাসন ও বিচার ব্যবস্থা , শিক্ষা-উপার্জন-সুস্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা । এইটা আমাদের ছেলেমেয়েরা করবে।

শেষে আবারো ২৮শে অক্টোবর । ২৫শে মার্চ ১৯৭১ থেকে শুরু করে আজকে পর্যন্ত অনেক অনেক দেশপ্রেমিক বাংগালী হত্যা হয়েছে । ধর্ষন হয়েছে । লুটপাট হয়েছে। এতদিন আমরা ছোট ছিলাম । পালটা মারতে পারিনি । আমাদের বাবা মা তো ৭১ এই মেরেছে । ভেবেছিলো, এ দেশীয় শত্রু যে কয়টা বেঁচে গেছে, তারা মনে হয় পালিয়ে যাবে, নয়ত তওবা করে ভালো হয়ে যাবে । আমাদের বাপ মায়ের ভুল ভেঙেছে । আমরাও বড় হয়েছি । এখন পালটা মাইর শুরু হতে যাচ্ছে আবার । এতদিন পড়ে পড়ে মার খেয়েছি, বিচ্ছিন্ন ভাবে প্রতিবাদ করেছি, আর ভেতরে ভেতরে সংগঠিত হয়েছি। ২৮শে অক্টোবর আসলেই কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা না । বৃটিশ আমলে ১টা /২ টা করেই বৃটিশ সাপ মারা শুরু হয়েছিলো । ২৬শে মার্চ ১৯৭১ থেকে ১টা/২টা করেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আর এদেশীয় রাজাকার সাপ মারা শুরু হয়েছিলো । ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ থেকে ১টা জামায়াত শিবির সাপ মারা শুরু হইলো । সব সাপ কি আর একবারে মারা যায়? ১টা দিয়ে শুরু হইলো মাত্র ।

এইটা হুমকি না । এইটা প্রতিজ্ঞা ।
ইটস নট এ থ্রেট , ইট ইজ এ প্রমিস !
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×