আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

৭১ পাকিস্তানের গৃহ যুদ্ধ ছিলো? এই রকম ভাবলে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া কি হবে?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
comment by: সততার আলো বলেছেন: সংগঠন কোন প্রানী নয় যে, একে গলা টিপে মেরে ফেললে তার মৃত্যু ঘটবে। সংগঠন হলো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি অনুসরনকারী মানুষের একটি দল, যারা তাঁদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নে অটল। সরকার যদি গত সংসদ নির্বাচনের আগের কিছু মূর্খ লোকের দেয়া সংজ্ঞায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের চেষ্টা করে দেশে বিরাজমান ইসলামী আন্দোলনকে থামিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করে তবে আমার মতে এটা তাদের দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই হবেনা। হয়তো "বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী" নামে একটা দল নিবন্ধন হারাবে, কিন্তু ইসলামী সমাজ কায়েমের নেশা কি থেমে যাবে এ আন্দোলনের কর্মীদের হৃদয় থেকে? হত্যা খুন আর জেল একটা শরীরকে আটকে রাখে কিন্তু অবাধে বিচরনশীল আত্নাকে থামিয়ে রাখতে পারেনা। শারীরিক অত্যাচারের শরীরকে পঙ্গু করা যায় আত্নাকে নয়।

৭১ এর গনহত্যার প্রতি যদি কারো কোনরূপ সামান্য অবদানও থাকে তবে তার বিচার হওয়া উচিত, ৭১ এ পাকিস্তানের গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে বিভক্তিকে কেউ যদি অসমর্থন জানায় তা যুদ্ধাপরাধ হতে পারেনা। আদালত যখন স্বচ্ছভাবে বিচার করতে যাবে তখন প্রকৃত অপরাধীরই বিচার হবে, কিন্তু মূর্খ মিডিয়াগুলো যেভাবে নিরীহ জনগনের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায় তার জন্যে তাদেরও বিচার করা উচিত।

যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে

পি মুন্সীর উপরের পোস্টে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের দাম দিয়ে কেনা স্বাধীনতার যুদ্ধকে " পাকিস্তানের গৃহযুদ্ধ" বলে সততার আলো চরম অপমান করেছেন ।

এইটা পার পাইলো কি ভাবে?

কারোরই কি চোখে পড়ে নাই?

কেউই রিপোর্ট করে নাই?

-------------------------

সততার আলোকে তীব্র ধিক্কার জানাই ।

আর পি মুন্সীর গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি সবাইকে পড়তে অনুরোধ জানাই ।

আমরা যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই, তারা আসলে কি চাই ?

১। জামাত শিবির নির্মূল ?
২। ইসলামকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার সুযোগ নির্মূল ?
৩। যুদ্ধের সময় যেই সব ব্যক্তি অপরাধ করেছে শুধু তাদের নির্মূল? ,
নাকি,
৪। যারা যুদ্ধের সময়ে অপরাধ করেছে , তাদের বিচার এবং বিচারের রায়ে যা হয় তাই ?

আমরা যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রক্রিয়াটা কি ভাবে হোক চাই?

১। নির্মূল করার লক্ষ্যে হত্যার মাধ্যমে ( ফাঁসি) , বিচার আচার দরকার নাই ।
২। দেশের আইন আদালতের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াকে নিজ গতিতে চলতে দিয়ে ( সেক্ষেত্রে রায় মনপূত না হলে আমরা কি সেই রায় মেনে নিতে পারবো ? বিচার কি নিরপেক্ষ হবে? গোলাম আযমের নাগরিকত্ব মামলার মতন হবে নাত?)

নাকি,
৩। কোন রকম শাস্তির ব্যবস্থা না রেখে নিঃশর্ত অপরাধ স্বীকারের ট্রুথ কমিশন গঠন করে ? ( সাউথ আফ্রিকায় ট্রুথ কমিশন এর মত )

আমরা যে যাই চাই , সেই চাওয়া যদি পেয়ে যাই, তার পরিণতি কি হবে? আর যদি না পাই, তাহলে আমরা কি করবো? আমরা কি ভেবে দেখেছি?

এই প্রশ্নটা করার যথেষ্ট কারণ আছে । সততার আলোর মত অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় বা করে , ৭১ এর যুদ্ধ ইন্ডিয়ার ফুসলানিতে বাধায় দেওয়া গৃহযুদ্ধ ছিলো । এই বিশ্বাসীদের সংখ্যা কত? জামাত শিবিরকে হত্যা শুরু করলে এই গোষ্ঠী কি চুপ করে বসে থাকবে? আমরাই বা তাদের নিয়ে কি করবো?

( বলে রাখি, শাস্তি বিহীন ট্রুথ কমিশন আমি মানতে পারবো না , দরকার হইলে আরো ৫০ বছর ধাওয়া করে , ধরে , বিচার ও শাস্তি দেওয়ার পক্ষপাতি আমি)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশমাতৃভূমিমুক্তিযুদ্ধরাজাকারযুদ্ধাপরাধবিচারপ্রজন্ম ৭১ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: শঠতার আলু যে শিবিরের কর্মী এইডা এদ্দিনে জানলেন? /:)
আমাদের দেশে এই যে এরকম একটা যুদ্ধ হওয়ার পরেও, এরকম একটা বিজয় অর্জনের পরেও কুত্তাস্থানের জন্যে অনেকের মন কান্দে তার কারণ হৈলো তথাকথিত ফাকিং ইসলামি ভ্রাত্যিত্ববোধের চেতনা। ধর্ম জিনিসটা এতই স্পর্শকাতর, বিশেষ করে এই ইসলাম ধর্মটা, যে এইটার দ্বারা বায়াসড হৈলে দেশ টেশ কোন ব্যাপার্না, আপ্নার জাতভাই কোন্দেশে থাহে ঐটাই আপনার সগ্য। এই ব্লগে উম্মু আব্দুল্লাহ'র মত ম্যাদাবি শিবির কর্মী দেখসি, যারা বুইঝা শুইনা শিবির করে। কারণ টা কি? বালের ধর্ম। আর শঠতার আলুরা হৈলো গিয়া ব্রেইন ওয়াশড। ধর্মের বড়ি খাইয়া অচেতন হয়া আছে।

বিভক্তি এই কারণেই। জামায়াত শিবির ধম্ম বেইচা খাওনের সুজোগ না পাইলে এদ্দিনে এইসব শুকরের পালের সৃষ্টি হৈতোনা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আরে এত খেপেন না। ডেসটিনি কি আপনাকে শেখায় নাই, " রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন" যান বিজনেস স্কুল বইটা পড়ে আসুন। ( হা হা হা হা হা)

মাথা ঠান্ডা করেন ভাই। আলু যে শিবির এবং কার অন্যতম নিক সেইটা আমি জানি । নিচে দেখেন আরেক নিক এসে পোস্টের প্রসঙ্গের বাইরে প্যান প্যান শুরু করে দিয়েছে । তাদের এই নিরন্তর ছাগলামিও আমার চোখে করুণার ও হাস্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

ধর্ম নিয়ে স্পর্শ কাতরতা কিন্তু কাটিয়ে দেওয়ার একটা ভালো পন্থা আছে । আমার আত্মীয়ের ভিতরেই একজনের খুউব দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো যে পাকিস্তান মানেই ইসলামী কান্ট্রি ব্লাহ ব্লাহ। আমরা তারে কিছুতেই সেই ধারণা থেকে সরাতে পারছিলাম না । তো, একবার ট্রেনিং কোর্সে পাকিস্তান গেলো । ফিরে এসে আর দেখি পাকিস্তান নিয়ে টু শব্দ করে না ।

কি ব্যাপার?

পার্টিতে পাকিস্তানী উচ্চশিক্ষিত ইসলামী নারীদের দেখে উনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে । নারী ও পুরুষের পশ্চিমা ধাপের ফাস্ট লাইফ দেখে আরো ধাক্কা খেয়েছে । পরিশেষে ( সুদর্শন যুবক হিসেবে) বিবাহিত বলার পরেও কতিপয় 'সুপ্রস্তাব' ও মৃদু শ্লীলতাহানির পরে উনার পাকি প্রেম একবারেই ছুটে গেসে ।

এখন হয়ত খাঁটি ইসলামী দেশ হিসেবে ইরান তুরান নিয়ে আছে , আল্লাহ জানে এই অন্ধদের আলো দেখানোর রাস্তা কি!

যারা শুধু ইসলামের কারণে পাকিস্তান ভালোবাসে তাদেরকে রাষ্ট্রীয় সফরে পাঠাইলে কেমন হয়?
----------------------

পোস্টের ২য় অংশ নিয়ে কিছু বললেন না ?

২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
গরীবের কথা বলেছেন: জ্বি, আগের স্বভাবেই ত্যানা আরো ভাল করে পেচানো শুরু করেন। পোষ্টানো শেষে টাইপিং দক্ষতা সামান্য হইলেও বৃদ্ধি পাইছে, সেইজন্য আপনার পোষ্টে পুত্তুম কমেন্টের পাশাপাশি, পুত্তুম পেলাচ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: ১ম তো হতে পারলা না ।

যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোন কথা আছে?

৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৫
লালসালু বলেছেন: পলিটিকাল প্যাঁচাল, তাই কমেন্ট করলাম না। আমার আবার হাত পায়ের রগের ইন্সুরেন্স করা নাই। জীবনের ভয় আমার আছে। একটাই মাত্র জীবন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: এইটাও তো কমেন্টই ।

না করা কি ভাবে হইলো?

পিঠে পাঙ্খা , হাতে তীর ধনুক , তারপরেও এত কাপুরুষ হইলে চলে?

৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৬
বাঙ্গাল বলেছেন: "২। দেশের আইন আদালতের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াকে নিজ গতিতে চলতে দিয়ে ( সেক্ষেত্রে রায় মনপূত না হলে আমরা কি সেই রায় মেনে নিতে পারবো ?
বিচার কি নিরপেক্ষ হবে? গোলাম আযমের নাগরিকত্ব মামলার মতন হবে নাত?)"

-------------------------
বিচারই শুরু হইল না। আর নিরপেক্ষ! বিচার যাদের করার কথা তাদের না ধরে, পুইচকা শিবিরকর্মী ধরপাকড় করে স র কার ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশয় দিচ্ছে এবং যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবিকে পাশ কাটিয়ে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা করছে। আপনি কি মনে করেন?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি কি মনে করি?

আমি মনে করি আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার (নির্বাচনের আগে) এবং এখনকার ধড় পাকড় নিজের ইচ্ছায় করছে না ।

করেছে এবং করছে চাপে পড়ে ।

ইমেজ এইখানে লীগ বা বি এন পির জন্য কোন ইস্যুই না ।

প্রথমত , গরীব, দ্বিতীয়ত অশিক্ষিত , তৃতীয়ত অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল ও বেকারদের দেশে ভোট যেইভাবেই হোক বর্তমান সরকার সব সময়ই খারাপ করবে । ছিলো দিন ভালো , এখন দিন খারাপ - সূত্রে বিরোধী দল পরের বার ক্ষমতায় আসবে । সো, এইখানে গণতন্ত্র স্বভাবতই মৃত । খুব ভালো করেই নিশ্চ্যই জানেন , যেই প্রতিযোগিতায় দলের সংখ্যা থাকে দুই , সেইটা আসলে কোন কম্পিটিশনই না , রেজাল্ট প্রিডিটারমাইন্ড । অতএব, ইমেজ নিয়ে মাথা ঘামায় কোন গাধা?

কোল্ড ওয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আম্রিকার কর্পোরেট পুঁজিবাদের মূলত কোন প্রতিপক্ষ নেই । এইখানে , আমেরিকা - ইউরোপ- চায়না - আসিয়ান বিভিন্ন মেরুকরণে বাংলাদেশের সরকার তার একাধিক প্রভু ও বসের থাপ্পড় খেয়ে নিজে যতটুকু নেগোশিয়েট করতে পারবে , এবং রাজায় রাজায় যুদ্ধে উলুখাগড়ার উপর যেই নীতি আরোপিত হবে , সেইটার উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার নামক একটি নাগরিক ও ঐতিহাসিক দাবী শেষ পর্যন্ত রাজনীতির মাঠে মুখ থুবড়ে পড়বে নাকি দাঙ্গা -ফ্যসাদ বাধিয়ে একটা পরিণতিতে পৌছাবে ।


মোদ্দা কথা হইলো ,

যুদ্ধাপরাধের বিচার - বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ছাড়া - কোন রাজনৈতিক দলই চায় না ।

তাইলে বিচার কেমনে হবে?

দেশের অন্তত ১০-১২ কটি লোক যদি এই ব্যাপারে একমত হয়, তাইলে হইতে পারে ।

অথবা অর্থ ও ক্ষমতাধারী লোকজনের অন্তত বড় একটা সংখ্যা । ( উচ্চবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত পর্যন্ত)

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: পোস্টের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করলে বেশি খুশি হইতাম। প্লাসের আশায় তো পোস্ট দেই নাই। তাই না?

দয়া করে প্রশ্ন গুলা পড়ুন।

৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭
স্তব্ধতা' বলেছেন: পোষ্টটা প্রিয়তে রেখে দিলাম।গুরুত্বপূর্ণ, পড়ে এসে মন্তব্য করবো।এই মূহুর্তে ভীষণ ক্লান্ত।আমার প্রোফাইল এডিটেড।ভুল করার অনুমতি আছে।তবে ঐ সংক্রান্ত ভুল ধরিয়ে দেয়ার অনুমতি নেই (নাম বাচক বিশেষ্য)।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ।

আপনার মন্তব্যে প্লাস ।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: মানিক ভাই , আপনার কাছ থেকে দায়সারা প্লাসে তো চলবে না ভাই। আপনার কাছ থেকে আলোচনা আশা করি। দয়া করে হতাশ করবেন না।

৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
মইন বলেছেন: কিছুদিন শিবিরের সাথে ছিলাম। তাদের প্রতিটি ধাপ পার হওয়ার জন্য একটি পরীক্ষা দেওয়া লাগে। এমনিতেই আমি ক্লাসের পড়া পড়তাম বহুত কষ্ট কইরা, তার উপর শিবিরের বই পইড়া পরীক্ষা, অসম্ভব ছিলো। এখনও সহানুভূতি সমর্থন থাকলেও, অনেকদূরে আমি তাদের থেকে।

তাদের কিছু অনুষ্ঠান হতো, যেখানে প্রশ্নোত্তর একটা পর্ব থাকতো। আমি কিছু প্রশ্ন প্রায়শই রাখতাম, যা সযতনে তারা এড়িয়ে যেতো,
প্রথমটা হলো, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাত্রে যে হত্যাকান্ড ঘটেছিলো তারপরও কোন দল কিভাবে হত্যাকারীদের সাপোর্ট করে?
দ্বিতীয়টি হলো, ঢাকার বাইরে শিবিরের যে অস্ত্রধারী দল আছে, তাদের কেন তারা দল থেকে বের করে দিচ্ছেনা?
সদুত্তর পাইনি কখনো। এখনও দু-এক জন বন্ধুর সাথে কথা হয়, কিন্তু ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তাদের বক্তব্য শুনলে আমারই হাসি পায়।


---------------------------------------------------
মাঝে মাঝে হাসি পায় লীগের কর্মকান্ড দেখলে, যেমন বর্তমানে তাদের শিবির বিরোধী তাদের যে অভিযান সেখানে আমার মতো অনেকেরই শিবিরের প্রতি সহানুভূতি বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে যে সমস্যা চলছে, এই ফাদঁটা জামাত-শিবির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রূখতে বা লীগ বিচারটাকে পিছিয়ে ইস্যুটাকে জিইয়ে রাখতে ফেদেঁছে কিনা আমি জানিনা। তবে এতে লীগ এর পদক্ষেপ গুলি সত্যিই বোকামী বোকামী লাগছে।

------------------------------------------------------
বিচারের নামে প্রহসন চাইনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যত তাড়াতাড়ি হয়, সেটাই ভালো। কারণ বিচার যতই দীর্ঘতর হবে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তী ততই বাড়বে। আর চাই না বিচারের নামে শুধুমাত্র ফারুকের বিচার হোক, আর বকরের মৃত্যু হযে যাক একটি সাধারণ ঘটনা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: এখনও সহানুভূতি সমর্থন থাকলেও, অনেকদূরে আমি তাদের থেকে।---- এই সহানুভূতির উৎসটা কি একটু ব্যাখ্যা করবেন?

কেন সহানুভূতি?
কেন সমর্থন?

করতেন বা এখনো করেন কেন, তাই জনাওতে চাইছি । এইটাকে আক্রমণ নয়, কৌতুহল হিসেবে নিয়ে উত্তর দিন প্লিজ।

৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০
সুবিদ্ বলেছেন: ধর্মের অপব্যবহার করে যারা ফায়দা লুটছে, তাদেরকে ঠেকাতে হলে ধর্মকে বাদ দিয়ে নয় বরং ধর্মের মর্মবানী দিয়েই করা উচিত......আজকে ধর্মবিরোধিতা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের সমাজে......এই প্রবণতা আত্মঘাতি......

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটা যেন লোক দেখানো না হয়, সেইটা নিশ্চিত করা জরুরি, যদিও ভরসা পাইনা........

আমার মনে হয়, এই আমলে সরকার প্রক্রিয়া শেষ করবেনা......আগামীবারের ভোট টানতে ব্যবহার করতে পারে
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: ধর্মের অপব্যবহার করে যারা ফায়দা লুটছে, তাদেরকে ঠেকাতে হলে ধর্মকে বাদ দিয়ে নয় বরং ধর্মের মর্মবানী দিয়েই করা উচিত...

-------- এইটা কি ভাবে করা যায় , সেই প্রক্রিয়াটা একটু ব্যাখ্যা করবেন?

১। ধর্মের সঠিক অর্থ , ব্যাখ্যা , উদাহরণ এই গুলা বাংলাদেশের মানুষ যেই ভাষায় বুঝে , সেই বাংলা ভাষায় পড়ালে ও বুঝালে আপনি মেনে নিবেন?

২। কোন ধর্মই যে আসলে খারাপ কথা বলে না ( একত্ব , বহুত্ব এই সব বাদ দিলে) , ভালো কাজই করতে বলে , এইটা ছোট বেলা থেকে বুঝতে দিলে কেমন হয়?

৩। শুধু মুসলিম হিসেবে নয়, বাঙ্গালী হিসেবেই সত্য কথা বলা , সৎ থাকা আমাদের জাতীয় গুণ , এই ভালো ভালো জিনিস গুলা ছোট বেলা থেকে শিখালে কেমন হয়?

৪। ইসলাম ধর্মের শিক্ষা বাংলা ভাষায় স্কুলে ও কলেজে মুসলমান শুধু না , হিন্দু , বৌদ্ধ , খ্রিস্টান - সবাইকে পড়ালে কেমন হয়? আর জিনিসটা ফেয়ার রাখার জন্য আমরাও যদি নিয়ম করে বেদ, গীতা, ত্রিপিটক , বাইবেল পড়ি - যাতে আমরা সকলেই বুঝি ওরা যা বিশ্বাস করে , কেন করে ? - তাইলে কেমন হয়?

১০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৪
বুমবুম বলেছেন: গৃহযুদ্ধে বিশ্বাসি কুলাংগারের সংখ্যা তো একেবারে কম ও দেখিনা,আর এদের এই বিশ্বাসের ভিত কিন্তু গড়তেছি এই আমরাই...
সরকারের কথা আর কি কমু আফা!গদিতে থাইকাই উনাগো রগ কাটা পড়তেছে :|
মোদ্দা কথা আফনে যা বলছেন
যুদ্ধাপরাধের বিচার - বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ছাড়া - কোন রাজনৈতিক দলই চায় না ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: পরের প্রশ্ন গুলা নিয়ে কি মত?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ভাই, প্লাসের জন্য ধন্যবাদ কিন্তু প্লাস নিয়ে কি করবো?

তার চেয়ে প্রশ্ন গুলা নিয়ে নিজের মত বলেন।

১২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬
বাঙ্গাল বলেছেন: ৪ এর মন্তব্যে প্রীত হলাম। তবে ক্ষমতার সমীকরনের সরলিকরনের মাঝেও দেশ-সমাজ পাল্টাচ্ছে। রাষ্ট্র ক্ষমতা হল ধাওয়া আর পালটা ধাওয়ায় প্রাপ্ত জিনিস। রাষ্ট্রের দায়িত্বজ্ঞান এখন চায়ের দোকানের বাকের ভাইয়ের চেয়েও খারাপ। তাই আজ একে ধরে, কাল ওকে।নির্মূল, দমন এগুলো তার রুটিন কাজ। বিরোধী দলের কারো রক্ত ঝড়লে সেটা মুরগির রক্ত হিসাবে ধুয়ে ফেলাটাই রাষ্ট্র দায়েত্ব হিসেবে নিয়েছে। এমনটা হতেই পারে। রেস্পনসিবিলিটী এখানে ব্লেমের প্রতি শব্দ। তাই ওটা আর কেউ নিচ্ছে না। তবে সরকারের এইসব সিদ্ধান্ত কি উগ্র জাতীয়তাবাদের দিকেই ঠেলে দিচ্ছে না? সামনের সংঘাতগুলো কি আরো রক্তক্ষয়ী হবার ইঙ্গিত দেয় না?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: তবে সরকারের এইসব সিদ্ধান্ত কি উগ্র জাতীয়তাবাদের দিকেই ঠেলে দিচ্ছে না? সামনের সংঘাতগুলো কি আরো রক্তক্ষয়ী হবার ইঙ্গিত দেয় না?
----

হ্যাঁ দেয় । তবে সিদ্ধান্ত তো শুধু একলা সরকারই নেবে না । সাধারণ আম পাবলিকও নিবে । আপনি যেই সংঘর্ষের আশংকা করছেন , সেইটা ঘটবে যদি সরকারী আর পাবলিক সিদ্ধান্ত দুইটা কিংবা তিনটা ভিন্ন যুদ্ধরত পক্ষে বাংলাদেশকে বিভক্ত করে ফেলে ।

সবাই কি আর রাস্তায় নামতে চায়?

পেটে ভাত পাইলে নামবে না । ভাত না থাকলে বিচার আচার দেখা দেখি নাই, ভাং গাড়ি হয়ে যাবে।

রক্তক্ষয়ী হবে কিনা , সেইটা এখনি বলতে পারছি না । বাঙ্গালী জাতিগত ভাবে একটু আইলসা , কিছুটা সহনশীলও । সহজে খুনা খুনি করে না । তবে , যাতে করে , সেই অবস্থাটা তৈরী করা হচ্ছে বহুদিন ধরেই । ক্ষেত্রটা প্রস্তুত করা হয়েছে । এখন রিসার্চার বসে বসে গোঁফে তা দিচ্ছেন , আমরা - ল্যাব র‌্যাটরা কি করি দেখার জন্য।

১৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৯
আট আনা বলেছেন: * বাংলাদেশের স্বাধীণতা সংগ্রামকে পাকিস্তানের গৃহযুদ্ধ বললে শুনতে একটু খারাপ শোনায় বৈ কি। উইকি'তে গিয়ে দেখলাম গৃহযুদ্ধের সংজ্ঞা--

A civil war is a war between organized groups within a single nation state,[1] or, less commonly, between two nations created from a formerly-united nation state.[2] The aim of one side may be to take control of the nation or a region, to achieve independence for a region, or to change government policies.[1] It is high-intensity conflict, often involving regular armed forces, that is sustained, organized and large-scale.

http://en.wikipedia.org/wiki/Civil_war

* ওয়ার ক্রাইমের সংজ্ঞা ( http://en.wikipedia.org/wiki/War_crime ) অনুযায়ী বর্তমান জামায়াতের নেতা বা অন্যান্য যারা রাজাকার যারা যারা আছে তাদের সহ তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত দোষী সবারই বিচার করতে হবে। এরজন্য হয়ত প্রয়োজন আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার। কোন নির্দিষ্ট সংগঠন ব্যান করা কোন সমাধান হতে পারেনা।

আমার কমনসেন্স থেকে নিরপেক্ষভাবে কথাগুলো বলার চেষ্টা করলাম। ধন্যবাদ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: প্রয়োজন আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার।
-------------

আপনার মনে হয় জানা নেই বা জেনেও এড়িয়ে যাচ্ছেন , আন্তর্জাতিক আদালত বিচার আচার করে নিজেদের স্বার্থে আর স্বার্থ না থাকলে রাষ্ট্রের অনুরোধে , রাষ্ট্রের খরচে ।

ওদের কি ঠেকা পড়েছে বাংলাদেশের নাগরিকদের যারা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য বিচারের ব্যবস্থা করার ?

সুতরাং , দায় , খরচ, দায়িত্ব বাংলাদেশের ।

আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রয়োজন , এইটা ঠিক । কিন্তু বিচারালয় বাংলাদেশের হওয়াটাই বাঞ্ছনীয় । পাকিস্তান দোষী ব্যক্তিদের হস্তান্তর করুক আর না করুক, বাংলাদেশের ভিতরে যারা আছে , তাদের বিচার দিয়েই শুরু করা উচিত । পরেরটা পরে।

----------------------------

গৃহযুদ্ধ বলাতে আমি কোন আপত্তি জানাই নাই , জানিয়েছি যে বলেছে তার বিরুদ্ধে , তার অবস্থানকে ।

এখানে হিসাবটা স্পষ্ট ঃ

যেই মানুষের মনে প্রাণে সম্পূর্ণ প্রেম বাংলাদেশের প্রতি , তার চোখে ৭১ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ । কারণ তার অবস্থান সব সময়ই বাংলাদেশের পক্ষে । তার দেশ বাংলাদেশ । তার চোখ বাংলাদেশী চোখ।

আর যেই ব্যক্তির মনে প্রাণে সম্পূর্ণ প্রেম পাকিস্তানের প্রতি, তার চোখে ৭১ হলো গৃহযুদ্ধ , যেই যুদ্ধে তার দেশ পাকিস্তান ভেঙে টুকরো হয়ে একটা ভিন্ন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে । কারণ তার অবস্থান পাকিস্তানের পক্ষে । তার দেশ পাকিস্তান। তার দেখার চোখ পাকিস্তানী ।

সততার আলো সেই পাকিস্তানী ।

আমার দেশ বাংলাদেশ । এই ব্লগ বাংলাদেশের জন্য ব্লগ । এইখানে একজন বাংলাভাষী পাকিস্তানী এসে যখন বলে , " ৭১ এর গৃহযুদ্ধে " তখন বাংলাদেশী হিসেবে আমি তো ক্ষুব্ধ হবোই, তাই না?

১৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
লালসালু বলেছেন: এক লোক বিমান বাহিনীতে পাইলট হিসেবে চাকুরির জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছে।
অফিসারঃ আপনি এত বাহিনী থাকতে বিমান বাহিনীতে কেন জয়েন করতে চান?
লোকটির উত্তরঃ যুদ্ধের সময় দ্রুত পালানোর জন্য।

আমিও পাঙ্খা রেখেছি উড়াল দেয়ার জন্য। ব্লগে অনেক ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা আছে। তাদের ভাব দেখে মনে হয় তারা ৭১'এ যু্দ্ধ করেছে। রাজাকার পেলেই গদাম। কিন্তা তারা এটা বোঝে না যে বাংলাদেশের মানুষকে খালি পেটে রেখে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও কিছু হবে না। আপনার আগের পোষ্টে দেখেছিলাম জামাতীরা ওদের কর্মীদের চাকুরীর ব্যবস্থা করছে। আমি একটা বেসরকারী ব্যাঙ্কে ব্যাংকিং করি যাদের মালিক আওয়ামী লীগের বড় মাপের নেতা। সেই ব্যাঙ্কের উচ্চ পজিশনে (মালিকের পরেই) চাকুরী করছেন জামাতের চিহ্নিত এক ব্যাংকার।
তিন আগে বছর ইসলামী ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখায় গিয়েছিলাম। বাইরে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। ২ ঘন্টা ব্যাঙ্কে ছিলাম। এক জাঁদরেল আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখলাম। গাজীপুরে ওনার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী আছে। ওনার প্রজেক্ট ইসলামী ব্যাংকের প্রজেক্ট। কিছুক্ষন পরে দেখলাম এক বয়স্ক লোক ব্যাংকে ঢুকেছে। ব্যাংকের সব অফিসার ওনাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। প্রথমে ভেবেছিলাম উনি হয়তো ইসলামী ব্যাংকের বড় কোন অফিসার হবে। পরে এক অফিসার জানাল উনি ইসলামী ব্যাঙ্কের সাবেক এক অফিসার। এখন একটা সুদী ব্যাংকে এমডি হিসেবে জয়েন করেছেন। সুদী ব্যাংকের মালিক পক্ষ অনেক বড় বড় আওয়ামী লীগ নেতা। ওনাকে নিয়োগ দেয়ার টার্গেট হল ৫ বছরের মধ্যে ঐ ব্যাংকটাকে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
আমাদের এক পার্টির গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে গত বছর আগুন লেগেছিল। ইন্সুরেন্স করা হয়েছে একটা ইসলামী ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে। ভেবেছিলাম ওইটা হয়ত জামাতের লোকদের ইন্সুরেন্স কোম্পানী হবে। জিজ্ঞেস করলাম ওই ইন্সুরেন্সের মালিক কে? উত্তরে জামাতের তিন জন নেতা আর আওয়ামী লীগের তিন নেতার নাম জানলাম। এর মধ্যে সাবেক মেয়রের ছেলে সাঈদ খোকনও আছেন!!!
এরকম হাজার হাজার উদাহরন আছে যা বলতে চাচ্ছি না। বলতে গেলে আমার নাম হবে লালছাগু !!
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: উপরে দেখেন বড় বড় করে লিখে রেখেছি ,

যুদ্ধাপরাধের বিচার - বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ছাড়া - কোন রাজনৈতিক দলই চায় না ।

কেন চায় না , আপনার দেওয়া তথ্যগুলা হইলো তার প্রমান । এখন এই সব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কি আপনি কষ্ট করে বাংলাদেশের মানুষকে জানাবেন?

নাহ !

আপনি ব্লগে আসেন বিনোদনের জন্য । তাই আপনি মিষ্টি মিষ্টি ছড়া লিখবেন , আর লীগ ও জামাতের এই বেশ্যাগিরি না লিখে বাংলাদেশের সকল অধঃপতনের জন্য দায়ী করবেন লাক্স সুন্দরীদের ।

এইগুলি লিখলে ছাগু কইতাম না ।

লিখেন না বলেই ছাগু ডাকবো , সিদ্ধান্ত নিলাম । এখন এই ডাক শুনবেন না বিবেকের ডাক শুনবেন , সেইটা আপনার পছন্দ !

১৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
রোবোট বলেছেন: কিছু অগভীর কমেন্ট (বিশিষ্ট বিদ্বান ফিফা আমাকে মাছরাংগা বলেছিলেন এক কমেন্টে) :

১। যুদ্ধাপরাধের বিচার একটি প্রসেস, জামাতের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া হবে এই প্রসেসের বাই প্রোডাক্ট।

২। যুদ্ধাপরাধী হয়ত অনেক দলেই আছে, কিন্তু সাংগঠনিক ভাবে শুধু জামাতই ৭১এ পাকিস্তান সমর্থক (মুসলিম লীগকে মৃত ধরে) ছিলো।

৩। তথ্য, চেতনা, আবেগ, বিশ্লেষণ দিয়ে গড়ে না তুললে শুধু বিচার কেন জামাত/শিবির নির্মূল করেও পাকি চেতনা বিলোপ করা যাবে না।

৪। আমার ধারণা শিবিরের এই সাম্প্রতিক সন্ত্রাস জামাতের একটি ট্র্যাপ। পুরো ব্যাপারটাই এখন বিরোধী দলের উপর নির্যাতন হিসাবে দেখানো যাবে।

৫। ইসলাম ধর্মের দৃষ্টিতে পাকিস্তান/জামাতের ৭১এর ভুমিকা যে পুরোই অনৈসলামিক এটা কেউ বলে না।

৬। যুদ্ধাপরাধীদের প্রশাসনে ঢোকার/নির্বাচন করার যোগ্যতা থাকা উচিত না।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: রবট কি এম সি কিউ ( এস এস সি) ব্যাচ?

পুরা রবোটিক সারাংশ দিলেন।

ধন্যবাদ । তথ্যমূলক বাদ দিলে ঘটনামূলক অন্তব্য গুলাকে সম্ভাবনাময় বলেই মনে হচ্ছে ।

১৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
গরীবের কথা বলেছেন: আফা হুনেন -
আপ্নার পূর্বাতন ত্যানা প্যাচানোর ও তদ্দারা ভিন্নমতাবলম্বীদের নিককে ব্যান খাওয়ানোর রেকর্ড খুবি উজ্জ্বল, তাই আমার মতামত দিয়া আপনার রাগী মন টাকে আর উতলাই দিলাম না।

পোষ্টের ভারে জর্জরিত আপনার প্রোফাইল, আমি চুনোপুটি মানুষ। আমার বমি আপনার গায়ে লাগবে না। তবুও কিছু কথা বলি-

যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়ক বহু জটিলতা আছে, ঝানু ঝানু ব্যারিষ্টার ঘোল খাইতেছে - তাই এত দ্রুত ফ্রুটিকা আশা করাটা বাতুলতা।

আমি ইয়ং জেনারেশন, মুক্তিযুদ্ধ আমি দেখি নাই। আমি দেখতাছি বর্তমান। আর জাসদেরে জবাই কইরা যে লীগ যুদ্ধের ক্রেডিট একায় নিছে, তাদের কাজ-কর্ম দেইখা আমি তাজ্জব।

আপ্নিও স্বপ্ন দেখতে থাকেন, আমিও সার্কাস দেখতে থাকি। শেষ-মেষ দেখা যাবে মুক্তিযোদ্ধা আমি নিজ আখের গোছানোর লাইগা ক্লাস কমিটি বানাইতেছি(হাজারী ভাই) অথবা নির্ঝরের স্বপ্নভগ্ন হয়ে জামাতে ইস্লামীর রাজশাহীর আমীর হচ্ছি।

---

সর্বশেষঃ ব্লগে আসি, মজা করি। আপ্নারা হয়তোবা এটাকে সহজভাবে নাও নিতে পারেন। কিসের জন্য আপ্নারা এতবড় লেখা দেন, তা বুঝবার বয়স এখনো হয় নাই। তবে আমি আমার ছোট মন দিয়ে যেটা বুঝি তা হল - আপ্নারা মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ করতে করতে মুখ দিয়া ফেনা উঠাই ফেলতেছেন, অথচ মুক্তিযুদ্ধ যে কারণে হয়েছিল, সেই চেতনাকে থোরাই কেয়ার করতেছেন।

কেন আজ লাখ লাখ বস্তিবাসী? জামাত করছে এগুলান? নাকি ওদের শ্রমিক-কল্যাণ পরিষদ? মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্ট লীগ কেন গুটিকয়েক কোটিপতির ব্যাংক ব্যালান্সের হিসাব নিতে পারে না? কি লাভ হল আমাদের সেই মুক্তিযোদ্ধার যে কিনা আমার কাছে থেকে সার্টিফিকেট দেখাইয়া পাচ টাকার একটা কয়েন নিল? কোথায় আমার মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনা?

আপ্নারা আরেকটা গণআদালত করে জামাতের টপ ৩০টা লাশ ফেলে দেন- দেখি তারপরের দিন 'সদ্য সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন' বাংলাদেশে কেম্নে আমার মত গরীবদের মুখে ভাত আসে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করে আর কতদিন? পারবেন মিত্থুক হাসিনার প্রতি পরিবারে একজনকে চাকুরীর আশ্বাসটাকে সত্যে পরিণত করতে? তাইলে কি লাভ হল ৭১-এ আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্তদান? এমন অনিয়মের দেশে নিঃস্বার্থ কতজন মুক্তিযোদ্ধা সুখে আছে?

**
পুত্তুম পেলাচ যেটা দিসি সেটা এক সেন্সে ঠিক আছেঃ এর আগে বিশেষ ভয়ে আপনার ব্লগে কোন কমেন্ট/রেটিং করি নাই। তাই।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করে আর কতদিন?
--------------

এই একটা উপলব্ধি যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আপনি সঠিক পথেই আছেন।


আপ্নারা মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ করতে করতে মুখ দিয়া ফেনা উঠাই ফেলতেছেন, অথচ মুক্তিযুদ্ধ যে কারণে হয়েছিল, সেই চেতনাকে থোরাই কেয়ার করতেছেন।


কেয়ার করি বলেই ঘুম ফেলে, কাজ ফেলে , জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন উপেক্ষা করে ব্লগে লিখি। এই চেতনার মূলনীতি সমাজ ও অর্থনীতিতে বাস্তবায়িত না হলে আমরা কেউই ভালো থাকতে পারবো না , ধনী - গরীবের দূরত্ব বাড়তে থাকবে , এইটুকু বুঝে যদি আগাতে পারেন তাহলেই আর কিছু লাগবে না ।

বাকি মন্তব্যের পুরোটা জুড়ে অনেক অনেক হতাশা । বর্তমান বাস্তবতায় সেই হতাশার পিছনের কষ্ট ও ক্ষোভকে আমি বুঝি ।
---------------
মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ করে মুখে ফেনা না তুললে তো ভাই এই আপনিই স্কুল কলেজে পড়ে জানতেন যে , " মুক্তিযোদ্ধারাই আপনার এই কষ্ট ও ক্ষোভের কারণ , সব কয়টাকে ধরে ফাঁসি দেওয়া দরকার।"

এর চাইতে বড় মিথ্যা আর দুনিয়াতে নাই । মানুষকে ভুল পথে নিতে হইলে আগে কিছু মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হয় । এই যেমন ,

আপ্নার পূর্বাতন ত্যানা প্যাচানোর ও তদ্দারা ভিন্নমতাবলম্বীদের নিককে ব্যান খাওয়ানোর রেকর্ড খুবি উজ্জ্বল, --- এইটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা । এই জন্যই কোন প্রমান আপনার হাতে নাই । থাকলে , সেইটা মন্তব্যে দিয়েই আপনি কথা শুরু করতেন।

ভিন্ন মত দিয়ে ব্যান খাওয়া আর কারো সাথে নোংরামি , গালি গালাজ করে ব্যান খাওয়া নিশ্চয়ই এক জিনিস না , তাই না? বাংলাদেশের স্বাধীনতা , মুক্তিযুদ্ধ , নিয়ে নোংরামি করে ব্যান খাওয়াও তো এক কথা না , তাই না?

আপনার কোন নিকটা আমার কারণে ব্যান হয়েছিলো , একটু প্রমান দেন তো । একটা নিকের নাম বলতে পারবেন?
--------------------------

পারবেন না । মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাস্তবায়িত করতে হলে জামাত শিবির থেকে শুরু করে সব কয়টা দলের রাজনৈতিক বরাহদের উপড়ে ফেলতে হবে ।

১৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলা সংবিধান বিরোধী সুবাদে রাষ্ট্রবিরোধী ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: একমত ।

------------------

এইবারও প্রশ্ন গুলা নিয়ে কিছু বললেন না । /:) /:) /:) /:) /:) /:)

১৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
রোবোট বলেছেন: ১৬ নাম্বার কমেন্টের প্রসংগ- ইমন কাউকে ব্যান খাইয়েছিলেন জানিনা, তবে যদি লালসালুর রেফারেন্স দেন, তবে ভূল করবেন। উনি জেনারেল হয়েছিলেন। আমি সহ আরো কয়েকজন মুলত কমেন্ট রিপোর্ট করে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: আপ্নার পূর্বাতন ত্যানা প্যাচানোর ও তদ্দারা ভিন্নমতাবলম্বীদের নিককে ব্যান খাওয়ানোর রেকর্ড খুবি উজ্জ্বল, --- এই লাইনটা যতবার বিভিন্ন ব্লগে , পোস্টে দেখি , তার ভিতর একবার ও কিন্তু কোন নিকের উল্লেখ থাকতে দেখি না ।

কোন নিক , কোন " ভিন্ন মত" এর কারনে , রাগ ইমনের হাতে ব্যান খাইলো তার কোন রেফারেন্স নাই । ব্যাপারটা মজার না ?

আমি যতদূর অনুমান করতে পারি , ব্যান করার একমাত্র এখতিয়ার শক্তিশালী মডু ( আরিল্ড, জানা ইত্যাদি ) দের হাতে থাকে । আমার কোন রিপোর্ট গৃহিত হইলো তা আমি নিজে কখনোই জানতে পারি না ।

অথচ , এই ব্যক্তিরা সামুর এত ভিতরের খবর ( কে কার রিপোর্টে ব্যান হইলো) কি ভাবে জানে?

১৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০২
ও.জামান বলেছেন: অন্য একটি পোস্টে করা মন্তব্যটা আপনার এখানে আবার করলাম।

''সরকারের ইচ্ছা থাকলে বুদ্ধিজীবী হত্যা মামলা ঠিকই চালাতে পারে। দুই দশকের চাপা পড়া হারিয়ে যাওয়া ১৫ই আগষ্ট হত্যা মামলার বিচার কিন্তু ঠিকই হয়েছে। কারণ সরকারের ইচ্ছা ছিল।''

আসুন আমরা সরকারকে ছাই দিয়ে চেপে ধরি যেন পিছলে যেতে বা বিচারের নামে প্রহসন করতে না পারে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: আসুন আমরা সরকারকে ছাই দিয়ে চেপে ধরি যেন পিছলে যেতে বা বিচারের নামে প্রহসন করতে না পারে।--------------- সেইটা করতে পারলে তো ভালোই।

কোন প্রক্রিয়াতে বিচার হোক বলে আপনি চান?

২০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৫
সাইফুর বলেছেন: যে এটাকে গৃহযুদ্ধ বলে..সে কেমন বাংলাদেশী ..সেটাই চিন্তা করতেছি
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: ভুল করিও না ,

সে বাংলা ভাষী পাকিস্তানী ।

কারণ ১৯৭১ বাংলাদেশের চোখে স্বাধীনতা যুদ্ধ হলেও পাকিস্তানের চোখে গৃহযুদ্ধ ।

২১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৪
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চিনে রাখলাম সততার আলু কে । আপত্তি জানাচ্ছি ।

প্রশ্ন গুলো ভাল , পি মুন্সীর পোস্ট ও পড়েছি ।

তবে অধিকাংশের আচরণ দেখে ২ ই মনে হবে!!
রাজাকার গুলা মানুষ কে বোঝাচ্ছে এই কাজ করা হচ্ছে ইসলামের বিরুদ্ধে, অন্য দিকে যারা বিচার চাচ্ছেন তাদের একটা অংশ রাজাকার দের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে ধর্মের বিরুদ্ধেই বেশি লিখে ফেলছেন ।
যেমন এই খানে আলোচনায় একটা বিশাল অংশে ঘুরে ফিরে ব্লগ/ছাগু/ব্যান কথা গুলো চলে আসছে!!!


সোজা কথা রাজাকারদের বিচার চাই, শাস্তি পেতে দেখতে চাই । তা যতটা তাড়াতাড়ি হয় , ততই মঙ্গল ।


[ গুলাম আযম এর নাগরিকত্ব মামলার বিষয়ে তেমন কিছু জানি না তো :( ]
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: াগরিকত্ব মামলা নিয়ে একটু পড়াশুনা করো , জানতে পারবা । আইন বড়ই গোলমেলে , আরও গোলমেলে আনজ্ঞদের আচরণ !!!

২২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৭
ডঃ জেকিল বলেছেন: '৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে স্পষ্টতই দু'টি পক্ষ ছিল। একপক্ষে সদ্যঘোষিত নতুন একটি দেশ বাংলাদেশ যার একটি অস্থায়ী সরকার ব্যবস্থা ছিল (মুজিবনগরে) গঠিত, আরেকপক্ষে ছিল পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্র। একে গৃহযুদ্ধ বলা মুক্তিযুদ্ধকে অপমানের অপচেষ্টা, স্পষ্টতই দেশদ্রোহিতা।

বানান ভুল মার্জনীয়।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন: ঠিক

২৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: প্রত্যক্ষভাবে প্রমাণিত কোন অপরাধীর প্রাপ্য শাস্তির হ্রাস বা মওকুফের পথ হচ্ছে অপরাধীকে পরাধীন দেখানো (বা পাগল), মানে তার অপরাধকে অন্যের ইচ্ছাধীন দেখানো। তো পোস্টার ভাইও এটাকে ব্যবহার করে আলীগের অপরাধকে প্রায় মওকুফের রাস্তা করে দিচ্ছেন! আর প্রতিবারই এধরনের কাজ শুরু হয়, যখন কিনা আলীগ ক্ষমতায় এসে বুঝানোর চেষ্টা করে তারা বাইরের চাপে বিচার করতে পারছে না অথবা বিচার করলে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে না বা তাদের আলটিমেট পুজি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে! অথচ প্রতিবারই নির্বাচনের ঠিক আগেই কিন্তু ৩০ লক্ষ শহীদ আর মা-বোনের ইজ্জতকে ক্ষমতায় যাওয়ার পুজি হিসেবে ব্যবহার করা! এখন এধরনের পুজি নিয়ে ব্যবসা করাটাকে সাধারন কেউ যদি যু্দ্ধাপরাধীর পর্যায় বা তার থেকেও বড় কোন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে তাহলে ভুলটা কই??!!
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: আপনার কবিতা ভালো হয়েছে ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগের দাবী নয় ।

সমগ্র জাতির দাবী ।

২৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
টুটুল বরকত বলেছেন: ম্যডাম , বাংলাদেশের মানুষের নীতি ঠিক থাকে না - এটা আরেকটা বিপদ ।
শহীদ জননী জাহানার ইমামের ডান হাত বলে পরিচিত আসিফ নজরুল আজ কি বলেছেন দেখেন
Click This Link

আজকাল সাঈদী ও জামাতিরা আসিফ নজরুলের কথাকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে ।
ধরেন সরকার বিচার শুরু করল । হঠাত একজন কমিশন সদস্য আসিফ নজরুলের মত বলে উঠল , তদন্ত করে দেখেছি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয়নি ।দেশে আদৌ কোন যুদ্ধাপরাধী নেই ।
’৭৫এ ১৫ আগস্টের পর শেখ মুজিবের স্নেহভাজন আলীগ এমপি এবিএমমুসা কিভাবে পালিয়ে দৌড়ের উপর ছিলেন তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন । লালসালুর বক্তব্য পূরোটাই সত্য । দেশে হট্টগোল তৈরি হলে আ।লীগের ত্যাগী –বঞ্চিতরা পদ পায়নি বলে চুপ থাকবে , সুবিধাবাদীরা সুযোগ খুঁজবে ,বাকিরা পালাবে ।
এজন্য সাহারা ও শফিক কয়েকদিন পরপরই বলে আগামী মাসেই..................।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা , এই যে আপনারা ঘুরে ফিরে কতগুলো সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদের নষ্টামি তুলে ধরেন বিচারের কথা বললেই , কেন করেন?

কি উদ্দেশ্য নিয়ে করেন একটু পরিষ্কার করবেন?

বিচার কি আমরা আওয়ামী লীগের ভালো হবে, সুবিধা হবে বলে চাই নাকি নিজেদের জন্য চাই?

আওয়ামী লীগ কি করলো , কি বললো তাতে আমাদের কি?

আমরা কি বিচারের " কপিরাইট" লীগের কাছে বেচে দিয়েছি? আশ্চর্য তো!!

বিচার চাই জাতির পক্ষ থেকে । এখানে কোন ব্যক্তি নাই, দল নাই, গোষ্ঠী নাই ।

বিচার হতেও হবে জাতির হাতে । এইটুকু স্পষ্ট থাকলেই তো হলো ।

২৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০০
বাঙ্গাল বলেছেন: ৪ নং এর মন্তব্য থেকে "এখনকার ধড় পাকড় নিজের ইচ্ছায় করছে না । করেছে এবং করছে চাপে পড়ে । "
-------------------------------
এই চাপটা কি নতুন সুপার পাওয়ারদের নাকি শুধুই ছাত্রলীগের ইমেজ রক্ষার তাগিদ থেকে দলের ভিতরের চাপ?
এর সাথে আর দুটো তথ্য যোগ করতে চাইঃ ভারত এখন আমেরিকার নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের অংশীদার। ছাত্রশিবির এখন খোদ আমেরিকার হোম ল্যান্ড সিকিউড়িটির ব্ল্যাকলিস্টে। এবং সদ্য সমাপ্ত ভারত সফরে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সন্ত্রাসবাদদমনে ভারতের সাথে চুক্তি।এগুলোকে কি এক লাইনে ফেলা যায়?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: আমি আগেই বলেছি , ইমেজের চিন্তা লীগ , দল কেউ করে না । কেন করে না , সেটাও বলেছি ।

চাপ দুই পক্ষ থেকে । একটা প্রভুদের ইন্টারেস্ট রক্ষার চাপ, এইটা পি মুন্সি খুব ভালো ব্যাখ্যা করেছেন ।

আর অন্যটা জন মানুষের দাবীর , আন্দোলনের চাপ।

দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন উদ্দেশ্য থেকে পরিচালিত কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এক লাইনে পড়ে যেতে পারে।

২৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
নন্দনপুরী বলেছেন: পলিটিকাল প্যাঁচাল, তাই কমেন্ট করলাম না। আমার আবার হাত পায়ের রগের ইন্সুরেন্স করা নাই।

যদীও জীবনের ভয় আমার নেই।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই........

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের " আমি ভয় করবো না " গানটি শুনুন ।

২৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
হেমায়েতপুরী বলেছেন: আর কিছু বুঝিনা শুওরগুলার বিচার চাই।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: না বুঝে বিচার চাইলে কি বিচার পাওয়া যাবে?

বুঝে শুনেই তো চাইতে হবে , নাকি?

২৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩
অলস ছেলে বলেছেন: ধন্যবাদ, পি মুন্সীর পোষ্টটার লিংকের জন্য। আগে দেখিনি, চমৎকার লেখা।
আমার একটা প্রশ্ন ছিলো। উনার কাছে করেছি। আপনি যেহেতু এ বিষয়টা উত্থাপন করলেন, আপনাকেও করছি, জানা থাকলে বলবেন আশা করি।


গতবছর বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু বই পড়তে গিয়ে দেখি অনেক লেখকই মুক্তিযুদ্ধকে সিভিল ওয়ার নামে অভিহিত করেছেন, ৩ ডিসেম্বরে শুরু হওয়া ভারতীয় মিত্রবাহিনীর অভিযানের আগ পর্যন্ত। অনেকদিন হয়ে গেলো, দরকার হলে বইগুলো খুঁজে বের করে রেফারেন্স সঠিকভাবে দিতে পারবো। যদ্দুর মনে পড়ছে এখন, ভারতীয় একজন শিব লাল এর লেখা একটা বই, আর রিচার্ড ওডোনিল এবং আরেকজনের নাম ভুলে গেছি, আমেরিকান লেখক এর লিখা এবং নামকরা কোন এক পাবলিকেশন্স থেকে বের হওয়া দুইটা বইতে এমন উল্লেখ ছিলো, আমার তখন একটু খটকা লাগলেও মুল প্রসঙ্গ ছিলোনা, তাই নোট রাখিনাই। তখন তৎকালীন সরকার সমর্থক বাঙ্গালী এবং পাকিস্তানি উভয় দিকেরই প্রো-পাকিস্তানী কিছু লেখকের লিখা্ও পড়েছিলাম, যারা মুক্তিযুদ্ধকে সরাসরি বিচ্ছিন্নতাবাদি নামে আখ্যা দিয়েছিলো, কিন্তু বিশ্লেষণে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হলেও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলো পুর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যের কথা। ঐগুলোকে অথেনটিক মনে না করলেও অন্যদিকে বিদেশী লেখকদের এই 'সিভিল ওয়ার' নামে আখ্যায়িত করার কমন ট্রেন্ড টা নিয়ে খটকাই লেগেছিলো। নিরপেক্ষভাবে এবং জ্ঞানগত দিক থেকে সৎ হয়ে এ বিষয়ে আপনার কিছু জানা থাকলে বলবেন? প্রকৃত বিষয়টা কি হবে?

সিভিল ওয়ার হোক, মুক্তিযুদ্ধ হোক আর যাইহোক, একাত্তরে যে গণহত্যা আর স্বাধীনতা আন্দোলন এর ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ এর জন্ম হয়েছে তার পেক্ষাপট এবং ঘটনাগুলো মোটামুটি পরিস্কার। কিন্তু নামকরণ বা টার্ম ব্যবহার নিয়ে এ বিতর্ক কেন? অন্যথায় বিদেশী লেখক গবেষকরা এ টার্ম ব্যবহার করলেন কেন? এটাই আমার প্রশ্ন আপাতত।
২৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সুমনের মত করে যদি বলতে পারতাম, "প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো জানা"(The answer is my friend, blowin inthe wind........)!
কিন্তু, সেভাবে বলতে পারছি না। এ নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু ধ্যান-ধারনা এবং চিন্তা-চেতনা ছে। কোনদিন সময়-সাহস করে লিখে দেব আর আপনার এই পোষ্টে লিংক দিয়ে যাব, আশা রাখি।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

৩০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৮
স্তব্ধতা' বলেছেন: অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একত্রিত ভাবে এসেছে।রীতিমতো আর একটা পোষ্ট দেয়া যায়।তবে যেহেতু এর আগে বড় মন্তব্য করার সাহস জুগিয়েছেন তাই তেমন একটা ভাবছিনা।হোক বড়:

প্রথমত:

সততারআলোর মন্তব্য নিয়ে একটুকুই বলার আছে যে, বাহিরের লোক আমার সন্তানকে কানা ডাকে কিন্তু আমি আমার সন্তানকে কানা ডাকতে পারি কি না? যদি পারি তাহলে আমার সন্তানের সাথে আমার নাড়ীর যোগে সমস্যা আছে (যেমন আছে ওনার সাথে বাংলাদেশের)। তাছাড়া সিভিল ওয়ার ও ইনডিপেন্ডেন্স ওয়ার অনেক লেখক্ই এক করে ফেললেও(@অলস ছেলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে)একটা সূক্ষ উদ্দেশ্যগত পার্থক্য আছে দুটির মধ্যে।সিভিল ওয়ার এর উদ্দেশ্য হতে পারে ক্ষমতাসীন একটি দলের বিরুদ্ধে আরেকটি দলের বিদ্রোহ।এবং তাতে শুধু ক্ষমতারই পরিবর্তন সাধিত হয়/হয়না, স্বাধীনতার মাধ্যমে ভৌগলিক বা সাংবিধানিক কোন পরিবর্তন হয়না।স্পেনের গৃহ যুদ্ধ, আমাদের ৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলন এগুলোকে উদারহরন হিসেবে আনা যায়। আমরা সব সময়ই একটা গৃহ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সেই অর্থে ৭১ সম্পূর্ণরূপে একটি স্বাধীনতার আন্দোলন এবং একে গৃহযুদ্ধ বলা ধারণাগত ভুল।

দ্বিতীয়ত:

আমরা যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই তারা আসলে কি চাই? জামাত শিবির নির্মূল একটি ভিন্ন ইস্যূ।ইস্যূটি মূলত ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনৈতিক মতবাদের সাথে সম্পর্কিত।সে ব্যাপারে পরে আসছি।যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই যারা তাদের মধ্যে আমার কথা বলতে পারি।যুদ্ধের পরে ১৯৫ পাকি যুদ্ধপরাধী যারা জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমেও প্রোটেক্টেড ছিলোনা তাদের আমরা ক্ষমা করে দিলাম।এই ঐতিহাসিক ভুলের মাশুল হাজার কান্নাকাটি করলেও সম্ভবনা।কিন্তু তাদের দোসর দেশীয় হারামীর বাচ্চাগুলাতো চিহ্নিত।তাদের তালিকাও আছে।তাদের সিভিল কোর্টের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়া করানো হোক (বলুক শালাদের কি বলার আছে)।আইন আনুযায়ী যে শাস্তি হওয়ার হবে।ফাঁসী, জেল, দ্বীপান্তর …. তবে পি মুন্সীর সাউথ আফ্রিকান ট্রুথ কমিশন চাইনা, এটা কি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ক্লিন্টন সাহেবরে টেবিলের তলে মনিকার ব্লো-জব নাকি যে ইমপিচমেন্ট দিলো আর হইয়া গেলো (দু:খিত, ব্লগার ত্রিভূজের পেটেন্ট করা শব্দ ‘প্রতিক্রিয়াশীলতা’ আমার মধ্যে ভর করার জন্য)।বিচার হোক, অন্তত এই দূর্ভাগা জাতির পরবর্তী ইতিহাসে লেখা হোক স্বাধীনতার বিরোধী দোসরদের পরিণতির কথা।

একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে যুদ্ধাপরাধীর বিচার এর মাধ্যমে কোন ইজমের মৃত্যু ঘটবেনা।আমি এ ক্ষেত্রে পি মুন্সীর সাথে সর্বাত্মক ভাবে একমত।তত্ত্বের বিরুদ্ধাচারন তত্ত্ব দিয়েই করতে হবে। মাথা কেটে ফেললেই যদি তত্ত্বের মৃত্যু ঘটতো তবে চারু মজুমদার, শাহ আজীজুল হকদের মৃত্যুর পর আজ আর লালগড়ের ছত্রধরদের আন্দোলন হতোনা।এটা ছোট উদাহরন।হাজার হাজার আছে।এ জন্যই বামপন্থীরা বলে, ‘It’s the communists who are dead not the communism’।তেমনি যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে ধর্মের লেবাসধারী কোন তত্ত্বের মৃত্যু ঘটবেনা।তাই আমার দাবী যুদ্ধাপরাধীর বিচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।এর সঙ্গে জামাত এর রাজনীতি করার তাত্ত্বিক অধিকার আমি এক করে ফেলতে রাজী নই।

তৃতীয়ত:

জামাত শিবির নির্মূল এবং ইসলামকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা: আমরা কেনো জামাত শিবির এর নির্মূল চাই? এরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে এই জন্য? সে কে না করে? শেখ হাসিনাওতো ভোট চাইতে মাথায় ঘোমটা দেয়, হাতে তসবীহ গুনে।খালেদাও এ ব্যাপারে সরস আর ভোটের পরে সবাই বিরস। নাকি আমরা জামাতীদের নির্মূল চাই কারন এদের মতবাদের গোড়াপত্তন যুদ্ধাপরাধীদের হাতে? তাহলে সেই মতবাদের স্রষ্টাদের ক্ষমা করার দোষে আলীগেরও মূলৎপাটন চাওয়া যৌক্তিক এবং পূণর্বাসনের জন্য বিএনপিরও গলা কাটা যাওয়া উচিত (সাকার রক্ত নিয়েও বিএনপি রাজনীতি করে যাচ্ছে)। যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়, সেটার বিরুদ্ধে কথা বলার বুকের পাটা কারও থাকবেনা কিন্তু জামাত এর রাজনীতি বন্ধ করলে পরবর্তীতে যে আলীগ/বিএনপি নির্মূল হোক এরকম দাবী আসবেনা তা কিন্তু বলা যায়না, ইতিহাস কাহাকেও ছাড়েনা।আর তাই, পি মুন্সীর ভবিষ্যত দাঙ্গার আশঙ্কাটা একেবারে অমূলক নয় কিন্তু।

এখন আসি জামাতীদের রাজনীতির অধিকারের বিষয়ে। ডান/বাম দলগুলি যদি একটা আদর্শ (আইডলজি)নিয়ে রাজনীতি করতে চায়, আর ধর্ম যদি একটা আদর্শ (আইডলজি) হয় আর সে আদর্শ নিয়ে যদি কেউ রাজনীতি করতে চায় তাকে আপনি কি দিয়ে ঠেকাবেন? অর্থ্যৎ গণতান্ত্রিক অধিকারের বলে জামাতিদের রাজনৈতিক অধিকারে আপনি হস্তক্ষেপ করতে পারছেননা।এটা গেলো এক পক্ষ।

অপর পক্ষে রাষ্ট্র নীতি অবশ্যই ধর্মনীতি থেকে পৃথক হওয়া উচিত।যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে রাষ্ট্র সেখানে হস্তক্ষেপ করবেনা আবার রাষ্ট্রের কোন নীতি ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হবেনা।যেহেতু জামাতীদের ম্যানুফেষ্টো ধর্ম ভিত্তিক এবং রাষ্ট্রনীতিতে তৈরীতে এর প্রভাব থাকবে সেহেতু জামাতীদের রাজনীতি করার কোন অধিকার থাকা উচিতনা। আমি যুক্তি খুঁজছি। এই দুটো বিষয়ের দোদুল্যমান চিপায় পড়ে আমার মন ও মগজ যুদ্ধে অবতীর্ণ।তত্ত্ব হত্যায় তত্ত্ব খুঁজছি।ভালো থাকবেন।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ব্লগের মত করে বলি, আমি বড় মন্তব্যকে মোটেই " ভুই " পাই না।

অনেক অনেক ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য ।

৩১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১
পি মুন্সী বলেছেন: রাগ ইমন আমার এক বছরের বেশি পুরানো এক পোষ্টকে আবার জীবিত করে এখানে এনে ফেলেছেন - একেবারেই জানা ছিল না। গতকালকে ঐ পুরানো পোষ্টে "অলস ছেলের" মন্তব্যের একটা লম্বা জবাব লেখার সময় একবার দেখেছিলাম যে রাগ ইমনের কাছে থেকে "অলস ছেলে" আমার পোষ্টের সুত্র পেয়েছেন।
যাই হোক দেরিতে হলেও এসে আমি সত্যিই অবাক। এক বছর আগে নিক বাতিলের মচ্ছবের খারাপ সময়ে মাথা খুড়ে মরেও আমার এই পয়েন্টগুলোর দিকে কারও নজর ফিরাতে পারি নাই, অথচ রাগ ইমন আপনি পেরেছেন, আমি সত্যিই কৃতার্থ; আপনি সফল।

আমার ঐ পুরানো পোষ্টে "গৃহযুদ্ধ অথবা বিচ্ছিন্নতাবাদ" কিছু বলার জন্য অলস ছেলের প্রশ্নের উত্তরে নতুন করে এক লম্বা জবাব জুড়েছি গতকালকে, দেখবেন আশা করি।

যুদ্ধাপরাধ বা জামাত নিয়ে আমি অনেক পোষ্ট লিখেছি, অনেকের পোষ্ট মন্তব্যও রেখেছি। সেগুলোর মধ্যে শেষের দিকের এক মন্তব্যটা এখানে প্রাসঙ্গিক: Click This Link
এখানে ১২ নম্বরে আমার মন্তব্য পড়ে দেখতে পারেন। আমরা জামাত নিয়ে কথা বলার সময় এর আইনী দিক ও রাজনৈতিক দিক - এই দুটোকে গুলিয়ে ফেলি। দুটোকে কীভাবে আলাদা করে বিবেচনা করা যেতে পারে তা বুঝার দিক থেকে এই মন্তব্য গুরুত্ত্বপূর্ণ।
আপনার এখানে দেখলাম নিক স্তব্দ্ধতা আপনার মতই আমার পয়েন্টগুলোকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন; আমি ভাবাতে পেরেছি মনে হচ্ছে। ফলে বিনীত ভাবে তাঁরও মনোযোগ আকর্ষণ করছি।

একটা আসল কথাই বলা হয়নি; কেন যুদ্ধাপরাধ এখন ইস্যু তা নিয়ে।

১. যুদ্ধাপরাধ এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে জ্বলজ্বলে ইস্যু হয়েছে। এটা এজন্য হয়নি যে বাংলাদেশের ব্যাপক মানুষের মধ্যে এই অমীমাংসিত ইস্যুতে ক্ষোভ আছে। এমনকি, ভোটের রাজনীতিতে সংখ্যাতত্ত্বের হিসাবে জামাত দূর্বল হয়ে গেলে আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ার সম্ভাবনা - এই ভাবনাও সেই মুল কারণ নয়।
২. কারণটা এক্সটারনাল। ৯/১১ এর পর থেকে অনেক চেষ্টা করেও বাংলাদেশের জনগণের মনোভাবকে - আমেরিকার ওয়ার অন টেররের যে রাজনীতি দুনিয়াকে দুভাগ করে নিজের পক্ষে দল ভারী করে নেবার যে চেষ্টা করছে - এর পক্ষে নিতে সক্ষম হয়নি; গেল নয় বছরে, না কোন সরকার না জনগণ - কাউকে রাজি করাতে পারেনি। "সন্ত্রাসবাদ" বা কিছু একটা বলে অন্যের যুদ্ধকে নিজের কাঁধে টেনে নিবার বিপদ - হুকুমতে পাকিস্তানের দুর্দশার অভিজ্ঞতা আমাদের কারও নজর এড়িয়ে যাবার কথা নয়।
আমাদের মানুষের সাধারণ বৈশিষ্ট হলো, সে যেমন রাজনৈতিক তেমন সহনশীলও বটে। হুট করে কোন সিদ্ধান্তে একে টেনে নামানো যায় না, যদিও এখনও ভারতের মাধ্যমে আমেরিকার এই চেষ্টার অন্ত নাই। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে এবার ঘুর পথে - যুদ্ধাপরাধের বিচার যা নিয়ে মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ হতাশা আছে, একে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; যুদ্ধাপরাধের বিচার আর তাদের "সন্ত্রাসবাদ"কে গুলিয়ে ফেলার চেষ্টা করে।
পশ্চিমের "সন্ত্রাসবাদ" - যার ফাঁদে চিপায় সারা পশ্চিম আটকা পরে বের হবার পথ হাতরাচ্ছে - আমাদের সবাইকে যার যত স্হানীয় ব্যাথা, দুঃখ আছে তাকে "সন্ত্রাসবাদ" এর ফর্মুলায় ফেলে ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের দল ভারী করা আর তাদের যুদ্ধ, তাদের শত্রুকে আমাদেরও যুদ্ধ ও শত্রু মানাতে আপ্রাণ চেষ্টা জারি রেখেছে। কারণ, একবার যদি ঢুকিয়ে ফেলতে পারে তাহলে তাহলে আমরাই ওদের হয়ে যুদ্ধ লড়ব, আমরাই হব তাদের যুদ্ধ ক্ষেত্র, পাকিস্তানের মত ওরা কেবল দূর থেকে ড্রোন বিমান ও পরামর্শ সরবরাহ করবে - ভারী মজা।
৩. সার কথা হলো, আমাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের আকাঙ্খা প্রতারিত হতে দিতে চাই কী না? আমাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের আকাঙ্খা "সন্ত্রাসবাদের" ফাঁদে প্রতারিত হয়ে রাস্তায় রাস্তায় লাশের এক নরক কুন্ডলী যদি বানাতে চাই তাহলে ঠিক আছে, আমার বলা শেষ। কেবল একটা কথা মনে করিয়ে দিব এরপরও ঐ যুদ্ধের পর যদি আমরা কেউ বেঁচে থাকি তো দেখব আমাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের আকাঙ্খা তেমনকার তেমনি আছে - কোন হাল হয়নি।
৪. এখন কী চলছে, কী সে সময় পার হচ্ছে, যাচ্ছে? আগে বলেছি এবার আমাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের আকাঙ্খাকে বেঁচা হচ্ছে ওয়ার অন টেররের দলে বাংলাদেশকে সামিল করার উদ্দেশ্যে। আমাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের আকাঙ্খার পরিপূরণ নয়, এটাই মুল উদ্দেশ্য। কাজেই এখনকার সময় যাচ্ছে একটা ফর্মুলা বের করতে যাতে সাপও না মরে লাঠিও না ভাঙ্গে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের আওয়াজ তুলে বিচার এড়িয়েই যদি বাংলাদেশকে ওয়ার অন টেররের দলে, ওদের "সন্ত্রাসবাদী" ভাবনায় বাংলাদেশকে সামিল করার যায় তাহলেই তো টার্গেট হাসিল। এই হলো সেই ফর্মুলা।
৫. হয়ত এই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হবে, কিন্তু নিট ফলাফল সমাজে দাঙ্গার সম্ভাবনা যে বাড়ছে তা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। রাস্তায় রাস্তায় পিটিয়ে মেরে লাশ বানানোর দিকে আমরা ক্রমশ উৎসাহিত হয়ে উঠছি। এক সময় বিচারের কিছু হলো না, কিছু হবে না - এথেকে এরকম এক গভীর হতাশায় ভুগে তা থেকে মানসিক পরিত্রাণের জন্য এই আমরাই হয়ত কেউ রাস্তায় রাস্তায় পিটিয়ে মেরে লাশ বানাবো আর বাকিরা এটাকে হয়ত সমর্থন দিয়ে যুক্তি তুলে ধরব - ওছাড়া আর কিইবা করার ছিল - এরকমের।

আমরা যদি আসলেই বিচার চাই - বিচার মানে কোর্ট কাচারি, কাগজ দলিল, যুক্তি রায় ইত্যাদি - ওখানে আমরা কেউ লাঠি বল্লম অস্ত্র নিয়ে জিততে যাব না; বরং লাঠি বল্লম অস্ত্র এগুলো যদি আমাদের হাতে থাকে তবে এজলাসের বিচারকের রায়ের আগেই হাতে রক্তের দাগ নিয়ে একএকজন বিচারক হয়ে উঠব।
বিচার চাওয়া মানে উল্টা - অস্ত্রশস্ত্র সম্বরণ, মনের জিঘাংসা সম্বরণ করে একটা শান্ত পরিবেশ বজায় রাখা। বিচারের আগেই সমাজে টেনশন সন্ত্রাস কায়েম মানে আসলে মানুষের মনে একটা চরম ঘৃণা, জিঘাংসা তৈরি করা যাতে মানুষ নিজেই এক এথনিক ক্লিনজিং এ মেতে উঠি - এরই উস্কানি। সেই সাথে "সন্ত্রাসবাদের" বিরুদ্ধে যুদ্ধের মালা গলায় পরে নেয়া।
ফারুক রশিদদের মৃত্যদন্ডের রায় ও তা কার্যকর হওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে তাদের দুরাত্মীয়দের বাসায় আগুন দেয়া হয়েছে - যেন শত্রুর লাশ কবর হবার পর সেই কবরে উঠে আমরা আনন্দে নৃত্য করছি। শত্রুকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো, শাস্তি দেয়া এমনকি নিজে হাতে গুলি করে মারা পর্যন্তও হয়ত আমি কারও সাথে থাকতে পারি কিন্তু ওর লাশ কবর হবার পর সেই লাশের উপর নৃত্য, আনন্দ প্রকাশ - এটা জিঘাংসা; গভীর এক মানসিক অসুখ, প্যাথলজিক্যাল সমস্যা - এরপর সে আর মানুষ নাই, ওর শত্রুর চেয়েও সে অধম হয়ে যায়। তবু এতে আমাদের সামাজিক প্রতিক্রিয়া দেখিনি। সমাজে এগুলো কিসের আলামত? আমরা কী সমাজে সেই জিঘাংসার চাষাবাদ শুরু করে দিয়েছি?

আদালতের রায়ে আমার শত্রুর ফাঁসিতে লটকে মৃত্যু হয়েছে। আমি কী এখন খুশি হব? আল্লার কাছে হাত তুলে নিজের খুশি প্রকাশ করব? নাকি একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া হওয়ার কথা। আমার যা গেছে তা তো গেছে, আমার ব্যাথা আমি বুঝি। তাই বলে শত্রুর ফাঁসীর মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করব? শেষ বিচারে ওটাও তো একটা মানুষ, কারণ, ফাঁসী হয়ে যাবার পর ওর সাথে আর কোন শত্রুতা থাকতে পারে না, নাই; একটা মৃত লাশের সঙ্গে শত্রুতা? - এটা অমানবিক, ঘোরতর অমানবিক, মনে মনে জিঘাংসা চর্চা করা। আর আল্লাকে বিপদে ফেলা। আল্লার এক বান্দার ফাঁসীতে আর এক বান্দা খুশি প্রকাশ করে দোয়া চাচ্ছে। আল্লা এখন কোন ফিলে যাবে? নাদান বান্দা এভাবে আল্লাকে মাঝে মাঝে বিপদে ফেলে দেয়।

তা সে আল্লা আর তার বান্দার নিয়ে সমস্যা - আল্লা বুঝুক।
আমি ভাবছি, আমাদের মন, আমাদের সামাজিক মন কী চর্চা করছে, কীসের চর্চায় সবকিছু ছেয়ে যাচ্ছে। আমাদের সাথে তা শেয়ার করতে গিয়ে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আমাকে মাফ করবেন।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: মাথা খুড়ে মরেও আমার এই পয়েন্টগুলোর দিকে কারও নজর ফিরাতে পারি নাই, অথচ রাগ ইমন আপনি পেরেছেন, আমি সত্যিই কৃতার্থ; আপনি সফল।
-----

এই সব বলে লজ্জা দেবেন না দয়া করে । আপনার লেখা আমরা খুঁজে খুঁজে পড়ি । হয়ত সবাই সমান ভাবে জানান দেই না ।

আমাদের মানুষের সাধারণ বৈশিষ্ট হলো, সে যেমন রাজনৈতিক তেমন সহনশীলও বটে। ------------- আমি শুধু এই একটা ভরসায় থাকি এখনো ।

আমরা যদি আসলেই বিচার চাই - বিচার মানে কোর্ট কাচারি, কাগজ দলিল, যুক্তি রায় ইত্যাদি - ওখানে আমরা কেউ লাঠি বল্লম অস্ত্র নিয়ে জিততে যাব না; বরং লাঠি বল্লম অস্ত্র এগুলো যদি আমাদের হাতে থাকে তবে এজলাসের বিচারকের রায়ের আগেই হাতে রক্তের দাগ নিয়ে একএকজন বিচারক হয়ে উঠব। বিচার চাওয়া মানে উল্টা - অস্ত্রশস্ত্র সম্বরণ, মনের জিঘাংসা সম্বরণ করে একটা শান্ত পরিবেশ বজায় রাখা। বিচারের আগেই সমাজে টেনশন সন্ত্রাস কায়েম মানে আসলে মানুষের মনে একটা চরম ঘৃণা, জিঘাংসা তৈরি করা যাতে মানুষ নিজেই এক এথনিক ক্লিনজিং এ মেতে উঠি - এরই উস্কানি। সেই সাথে "সন্ত্রাসবাদের" বিরুদ্ধে যুদ্ধের মালা গলায় পরে নেয়া।
---- সম্পূর্ণ একমত ।

ফারুক রশিদদের মৃত্যদন্ডের রায় ও তা কার্যকর হওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে তাদের দুরাত্মীয়দের বাসায় আগুন দেয়া হয়েছে - যেন শত্রুর লাশ কবর হবার পর সেই কবরে উঠে আমরা আনন্দে নৃত্য করছি। শত্রুকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো, শাস্তি দেয়া এমনকি নিজে হাতে গুলি করে মারা পর্যন্তও হয়ত আমি কারও সাথে থাকতে পারি কিন্তু ওর লাশ কবর হবার পর সেই লাশের উপর নৃত্য, আনন্দ প্রকাশ - এটা জিঘাংসা; গভীর এক মানসিক অসুখ, প্যাথলজিক্যাল সমস্যা - এরপর সে আর মানুষ নাই, ওর শত্রুর চেয়েও সে অধম হয়ে যায়। তবু এতে আমাদের সামাজিক প্রতিক্রিয়া দেখিনি। সমাজে এগুলো কিসের আলামত? আমরা কী সমাজে সেই জিঘাংসার চাষাবাদ শুরু করে দিয়েছি?

------- খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই আমি আমার পুঁজিবাদ সিরিজে স্পষ্ট করেই বলেছি বাংলাদেশের সহনশীল ত্যাগী সংস্কৃতিকে বছরের পর বছর ধরে একটু একটু করে অস্থির আর ভোগী করে তোলা হচ্ছে ।

লোভী আর জিঘাংসায় উন্মত্ত করে তোলা হচ্ছে ।

৩২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
নাজনীন১ বলেছেন: @ পি মুন্সী, আপনার পোস্টটি ঐ সময়েই পড়ে মৌন সম্মতি জানিয়ে নিজের প্রিয় লিস্টে সংযোজন করে রেখেছিলাম। আপনার চিন্তাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ সিদ্ধান্তটা আরেকটু মডিয়ফাইড রকমে চিন্তা করে ভেবে রেখেছি, কিন্তু সেটা নিয়ে কোন কিছু বলতে চাইনি। শেষ পর্যন্ত আমি জালিম এবং মজলুমের একটা ভারসাম্যপূর্ণ সমঝোতাতে বিশ্বাসী, যাতে জালিম একেবারে পার পেয়ে না যায়, যার দ্বারা নতুন জালিমরা অনুপ্রাণিত হতে পারে (কারণ আমাদের মাঝে অনেকেই সুযোগসন্ধানী, আমাদের চরিত্র বেশী ভাল না), আবার মজলুমের মনেও যেন কোন আক্ষেপ অবশিষ্ট না থাকে, তার যা ক্ষতি হয়েছে তা তো পুরোপুরি পূরণ করা যাবে না, কিন্তু যদি বর্তমান বাস্তবতায় সেই জালিমকে বাধ্য করা হয় মজলুমের কোন উপকার করে দিতে, জালিমের ধন-সম্পদ বা ক্ষমতা ব্যবহার করে মজলুমের পরিবারকে পুনর্বাসন করার কোন উপায় যদি বের করা যায়------এরকম একটা ভাবনা। তবে এ ভাবনা সত্যিই আপনার পোস্ট পড়ার পরেই এসেছে, আগে কনফিউজড ছিলাম আসলে কি চাই আমি এ নিয়ে, এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

কিন্তু আপনি যুদ্ধপরাধ কেন এখন ইস্যু, সেটার কারণ যা বললেন তা হয়তো ঠিক এ মূহুর্তে সঠিক। কিন্তু এ ইস্যু তো পুনর্জীবিত হয়েছে মূলত গোলাম আজম নাগরিকত্ব পাবার পর থেকেই, আমার অন্ততঃ তাই ধারণা। ৯১ এর নির্বাচনে জামাআতের ১৮টি সীট পাওয়াও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেখান থেকেই গরে উঠলো ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, যেটা প্রথমে নির্দলীয় আন্দোলন ছিল। পরে আওয়ামী লীগ এটার পুরোপুরি ফায়দা লুটে সেই ৯৬ তে এবং এই ২০০৮-এও।

এর মাঝে ঘটলো ৯/১১-এর ঘটনা, তারপরেই মনে হয় মার্কিনীরা এ ইস্যুকে তাদের স্বার্থে লাগানোর কথা চিন্তা করে, বলা যায় সুযোগের সদ্ব্যবহার। একসময়ে মানে সেই একাত্তর থেকেই তো দেখা যাচ্ছে মার্কিনীরা বাংলাদেশের বিপক্ষেই ছিল মূলত, উপরে শুধু সহযোগিতার ভাব দেখিয়েছে, আর ৯/১১ পরে মার্কিনীদের যুদ্ধাপরাধী বিচারের পক্ষে যাওয়া বা সহযোগিতা করা তার নিজস্ব একটা সুবিধাবাদী কৌশল, আর এটা চীনের বিপক্ষে এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখার ক্ষেত্রে ভারতের সাথে আতাত করার ব্যাপারেও কাজে লাগতে পারে।

হয়তো আমি পুরোপুরি সঠিক নাও হতে পারি, তবে এরকম ধারণা করি। ধন্যবাদ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: শেষ পর্যন্ত আমি জালিম এবং মজলুমের একটা ভারসাম্যপূর্ণ সমঝোতাতে বিশ্বাসী, যাতে জালিম একেবারে পার পেয়ে না যায়, যার দ্বারা নতুন জালিমরা অনুপ্রাণিত হতে পারে (কারণ আমাদের মাঝে অনেকেই সুযোগসন্ধানী, আমাদের চরিত্র বেশী ভাল না), আবার মজলুমের মনেও যেন কোন আক্ষেপ অবশিষ্ট না থাকে, তার যা ক্ষতি হয়েছে তা তো পুরোপুরি পূরণ করা যাবে না, কিন্তু যদি বর্তমান বাস্তবতায় সেই জালিমকে বাধ্য করা হয় মজলুমের কোন উপকার করে দিতে, জালিমের ধন-সম্পদ বা ক্ষমতা ব্যবহার করে মজলুমের পরিবারকে পুনর্বাসন করার কোন উপায় যদি বের করা যায়------এরকম একটা ভাবনা।

----- আপনার এই ভাবনায় ১৯৭১ এর ঘটে যাওয়া যুদ্ধাপরাধের " জালিম" কে হবে যার ধন সম্পদ দিয়ে আপনি মজলুমের পুনর্বাসন করবেন?

পাকিস্তান?

জামাত শিবির?

এইটা কি মনে হয় আপনার , করা বাস্তবে সম্ভব হবে?

তার চেয়েও বড় কথা , যার পরিবারের বাপ মা ভাই বোন খুন হয়েছে , যার বোন ধর্ষিত হয়েছে , যাদের ঘর বাড়ি ধন সম্পদ লুট হয়েছে , আগুনে পুড়েছে - তাদের সবাই কি শুধু অর্থ সম্পদে " ন্যায়" পাবে বলে আপনার বিশ্বাস ?

আমি তো একটিও টাকা নিতে রাজি নই ।

আমার পরিবারের তিনটি সরাসরি হত্যা আর ১৯৭১ এর পরে অভাব অনটনের অমানুষিক কষ্ট - এই সবের ক্ষতিপূরণ কি ভাবে হবে? অভাবের তাড়নায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে করতে যেই দুই জন অকালে মরে গেলো , তার জন্য আমি কাকে দায়ী করে কত ক্ষতিপূরণ চাইবো?

আজকে আমরা সকলেই নিজেদের চেষ্টায় সুপ্রতিষ্ঠিত । কিন্তু , আমাদের মনে তো কোন শান্তি নাই। আমি চিৎকার করে বিচার চাই।

হত্যার বিচার চাই ।
যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই।

৩৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৫
পি মুন্সী বলেছেন: "কেন যুদ্ধাপরাধ এখন ইস্যু তা নিয়ে" - এটা বলতে আবার অর্থেই বলতে চেয়েছি। সবাই যেহেতু জানে এই ইস্যু বারবার এসেছে তাই। "আবার" শব্দটা দয়া করে যোগ করে নিবেন।

আবার বলেই তো বলেছি এটা অমীমাংসিত হয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। ধন্যবাদ আপনাকে আমাকে সচকিত করে দেবার জন্য।

বাকি কথায় এখন তো আমিই কনফিউজড হয়ে গেলাম, আমি কি আপনার ভাল করলাম না খারাপ করলাম - বুঝতে পারি নাই।

শেষ প্যারায় যা বলেছেন তা আমি মনে করি একদম ঠিক বলছেন।
"মার্কিনীদের যুদ্ধাপরাধী বিচারের পক্ষে যাওয়া বা সহযোগিতা করা তার নিজস্ব একটা সুবিধাবাদী কৌশল" - এটা একশত ভাগ সত্য।
আমরা ভুলে যেতে পারি না জামাতে ইসলামী কোল্ড ওয়ারের যুগের রাজনীতিতে সবচেয়ে নৃসংশ ও ঘনিষ্ট এ্যালী। তখন জামাতকেই ব্যব হার করে কমিউনিষ্টরা ধর্মবিরোধী বলতে বলাতে জামাতকেই কাজে লাগাত। তখন আমেরিকান পররাষ্ট্র নীতি মনে প্রাণে "ধার্মিক" ছিল।

আর ৯/১১ এরপর বদরুদ্দোজার প্রেসিডেন্ট আমল থেকে ১/১১ হয়ে বর্তমান সরকার পর্যন্ত বাংলাদেশকে তাদের "সন্ত্রাসবাদের" রাজনীতির দোসর বানানোর জন্য একটার পর একটা প্রচেষ্টা নিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্র বাংলাদেশের প্রথম মুরীদ তারা বানাতে সক্ষম হয়েছিল যে ব্যক্তিকে তিনি প্রেসিডেন্ট বদরুদ্দোজা।
আমাদের বেকুব রাজনীতি, রাজনৈতিক চিন্তার একপদ - খালেদা জিয়া ভেবেছিল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোড়ে বদরুদ্দোজাকে প্রেসিডেন্ট থেকে পদত্যাগ করিয়ে দিতে পারলেই আমেরিকান খায়েস মোকাবিলা করা যাবে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে এই ধরণের দল ও তার নেতাদের হাতে আমাদের দেশকে রক্ষা করার দায়িত্ত্ব দিয়েছি, দিতে হয়। এরা দীনদুনিয়ার হালচাল রাজনীতি, স্বার্থ সম্পর্ক এতই বেঘোর নাদান যে এরা নিজেই স্বার্থও বুঝার যোগ্যতা নাই। আমেরিকানরা যাতে দুর্নীতিকে অজুহাত করে আমাদের নড়বড়ে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নেতা, সমাজের রাজনৈতিকতা সবকিছুকে "মাইনাস" করতে ধ্বংসের মহাপরিকল্পনা আটছে সেটা বুঝার ক্ষমতাও এদের নাই। সমাজে দুর্নীতির মাত্রা কমাবে কী আরো বেশি করার সমস্ত ব্যবস্হা পাকা করে গেছে। ফলাফল এক এগার, মাইনাস ফর্মুলা। এখন শেষ চেষ্টা হাসিনাকে দিয়ে যুদ্ধাপরাধের ইস্যুকে উছিলা করে বাংলাদেশকে যদি তথাকথিত "সন্ত্রাসবাদ" বিরোধীতার জোটে সামিল করে নেয়া যায়।

অবস্হা আজ এমন দিকে যে যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় বরং ওকে উছিলা করে সমাজে সেকুলার বনাম ধর্ম এভাবে ভাগ ও দাঙ্গা লাগালোর সমস্ত আয়োজন যেন সম্পন্ন করতে চলেছে; এরই নীট রেজাল্ট আমেরিকানদের আশা আমরা তাদের জোটে গিয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।

আমাদের সমাজে, রাজনীতিতে সেকুলার বনাম ধর্ম এই বিবাদ আছে, এটা আমরা এখন মীমাংসায় আসতে পারি নাই। যুদ্ধাপরাধের বিচার, জামাত বা ইসলামি রাজনীতির প্রসঙ্গ উঠলেই আমরা এই বিভক্তি টের পেয়ে যাই। এরকম অনেক কিছুই রাজনীতিতে অমীমাংসিতআছে থাকবে, খুঁজে পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক চিন্তার উৎকর্ষতা, বিতর্ক, পর্যালোচনা, সমালোচনা পথ ধরে এগুলো সমাধা হয়, গায়ের জোরে না। দেখেন না ব্যক্তিমালিকানার বিষয়টা: স্বাধীনের পর থেকে এটা আমরা সমাধা করতে পারি নাই। আমরা ভুগেছি, দীর্ঘ কষ্টকর অভিজ্ঞতা, দুর্ভিক্ষের ভিতর দিয়ে আমরা পার হয়েছি। এখনও সমাধা না হলেও ব্যবহারিকভাবে ব্যক্তিমালিকানা সমাজ, রাজনীতি মেনে নিয়েছে; যদিও তত্ত্বে এখনও সমাধা হয় নাই।

একইভাবে সেকুলার বনাম ধর্ম এই বিবাদ সমাধা হয় নাই বলে এটাকে পরস্পরকে রাস্তায় রাস্তায় পিটিয়ে লাশ বানিয়ে এখনই সমাধান করে ফেলতে হবে - এই চিন্তা মারাত্মক আত্মঘাতি, আত্মধ্বংসী; বদমতলবীদের ইসারায় পা দেয়া। সমাজে, রাজনৈতিক কোন বিবাদ এভাবে সমাধান হতে পারে না, ইতিহাসে কখনও ঘটে নাই। সেজন্য আমি মনে করি যুদ্ধাপরাধের বিচার যদি সত্যিই আমরা চাই তবে সেকুলার বনাম ধর্ম এই রাজনৈতিক বিবাদের সাথে না মিলিয়ে এটা করতে হবে। রাজনৈতিক বিতর্ক আর অপরাধীর অপরাধের বিচার দুটাকে মিলিয়ে ফেলার কোন দরকার নাই। রাজনৈতিক বিরোধ কোর্টের মীমাংসা জায়গাও নয়, কোর্টের কাজও নয়, কোর্টে মীমাংসা হয় না , হবে না।

যুদ্ধাপরাধের বিচার, এটা অপরাধীর অপরাধের বিচার - এটা কোনভাবেই কারও উস্কানিতে পড়ে সেকুলার বনাম ধর্ম এই রাজনৈতিক বিবাদের সাথে যদি মিশিয়ে ফেলি তবে এর অর্থ হবে একটা দাঙ্গা ডেকে আনা, আমেরিকান ফাদে পা দেয়া। মাঝখান থেকে আমাদের অস্তিত্ত্ব, রাষ্ট্র সবকিছুকে হুমকির মুখে ফেলে বিলীন করার রাস্তায় হাটা।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: একমত ।

আপনার কি মনে হয় ? শেখ হাসিনা কোন পথে হাটছেন, হাটবেন?

৩৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬
নাজনীন১ বলেছেন: @ পি মুন্সী, "আমরা ভুলে যেতে পারি না জামাতে ইসলামী কোল্ড ওয়ারের যুগের রাজনীতিতে সবচেয়ে নৃসংশ ও ঘনিষ্ট এ্যালী। তখন জামাতকেই ব্যব হার করে কমিউনিষ্টরা ধর্মবিরোধী বলতে বলাতে জামাতকেই কাজে লাগাত। তখন আমেরিকান পররাষ্ট্র নীতি মনে প্রাণে "ধার্মিক" ছিল।"

----- যদিও এ পোস্টে প্রাসঙ্গিক না, তবুও আলোচনায় চলে আসলো বলে জানতে চাচ্ছি কমিউনিস্টরা কি ধর্মবিরোধী ছিল না? রাশিয়ায়, চীনে কি সমাজতন্ত্রের আমলে প্রকাশ্যে কেউ ধর্মচর্চা করতে পারতো? তৎকালীন পাকিস্তানের বামেরা কি ধর্ম মানতো? রাজনৈতিকভাবে বা ব্যক্তিগত জীবনে? মার্কিনীদের "ধার্মিক" ব্যাপারটা রাশিয়ার বিরুদ্ধে জয়ী হবার জন্যই ছিল। তবে তারা তো এখনো সো কল্‌ড "ধার্মিক", তাইতো বুশ ৯/১১-র পরে "ক্রুসেড" ঘোষণা করেছে।

আর জামাতের ইতিহাস যা জানি তা হলো পাকিস্তানভাগের সময়ে মওদুদী বিরোধিতা করেছিল এ কথা বলে যে মুসলিম লীগ আসলে সাচ্চা মুসলিম না, আদমশুমারীতে গণনা হবার মতো মুসলিম, তাদের অধীনে থাকার চেয়ে অমুসলিম ভারতীয় হিন্দু শাসকদের অধীনে থাকা ঢের ভাল। পরে ধীরে ধীরে তিনি তার মত পরিবর্তন করেন। তৎকালীন পাকিস্তানে যে বামদলগুলো যে নিষিদ্ধ ছিল সেটা কি জামাতের দাবীর ফলে হয়েছে নাকি পাকিস্তানী শাসকরাই নিষিদ্ধ করেছে? এটা জানা নেই। এখানে লক্ষ্যণীয় যে জামাত কিন্তু পাকিস্তানেও সবসময়ে বিরোধী দল ছিল। একসময়ে যদিও মুসলিম লীগের সাথে জোট বাঁধে আইয়ুবের বিরুদ্ধে। আর মার্কিনীরা তো পাকিস্তানী শাসকদেরও তো মিত্র ছিল, নাকি?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন আপনার কাছে ।

আপনার কি মনে হয় বাংলাদেশের কোন দল ( ছোট হোক আর বড়) জন্মের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত " প্রকৃত ইসলাম" প্রতিষ্ঠার সাথে বিন্দুমাত্র সংযুক্ত ?

উত্তর হ্যাঁ হলে , কোন দল?

৩৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০
রোবোট বলেছেন: নাজনীন-১ কে বলছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে ইস্যু করা ৮০র দশকেই শুরু হয়।
৮০-৮১ সালে সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-জামাতের বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ হয়। সেসময় পত্রপত্রিকায় অনেকে এ ব্যাপারে দাবী তোলেন।
আশির দশকের মধ্যভাগে "একাত্তরের ঘাতক-দালালরা কে কোথায়" নামে একটি সাড়া জাগানো বই বের করা হয়। কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান, শফিক আহমেদ (আইনমন্ত্রী), শাহরিয়ার কবির এরা এতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন বলে জানি।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এই টাইম লাইনের প্রশ্নটা তোলাটা একেবারেই অবান্তর ।

হত্যা , ধর্ষণ , অগ্নি সংযোগ গুলো ঘটেছে ১৯৭১ সালে । ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করলে তো বলতে হয় ৫২ থেকে হত্যার শুরু । এখন কথা হলো , মানুষ সংঘটিত হয়ে , একতাবদ্ধ হয়ে , চিৎকার করে বলতে পারে নাই বলেই কি মানুষ বিচার চায় নাই ধরে নিতে হবে?

বৃটিশ তাড়াতে ২০০ বছর লেগেছিলো । তার মানে কি আমরা ১৯৪৭ এর আগে ১৯৯ বছর ধরে বৃটিশদের পায়ের তলায় দাস হিসেবে পড়ে থাকতে চেয়েছিলাম?

" এই আমরা মানে সাধারন মানুষেরা"। মীর জাফর রা নয় ।

যেই সময় থেকে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে , মানুষ সেই সময় থেকেই বিচার চায়। চেয়ে আসছে । এইটা রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে রাজনৈতিক দল তুলে নিয়েছে পরে । ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে ছুড়ে ফেলেও দেবে ।

কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ কি ছুড়ে ফেলে দিতে পারে তাদের প্রাণের দাবী?

৩৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
স্তব্ধতা' বলেছেন: @পি মুন্সী: ধন্যবাদ দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য।আপনার পোষ্টটিতে মন্তব্য করে এসেছি এবং করার পর এখানে এসে দেখলাম এখানেও প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলছে।ধন্যবাদ আমার দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য। উপরে আপনার ও নাজনীন১ এর আলোচনাটা পড়লাম।পড়ে মনে হলো আমরা একই রাস্তায় ভাবছি।আপনার পোষ্টটিতে সবশেষে আমার মন্তব্য দ্রষ্টব্য।কিন্তু কথা হলো, শুধু আমরা ব্লগে বসে ভাবলেতো হবেনা।আম জনতাকে কে বোঝাবে? আপনার পোষ্টটিতে আমার মন্তব্যে আপনার পোষ্ট সম্পর্কিত একটি অনুরোধ করে এসেছি, সম্ভব হলে ভেবে দেখবেন।আমাদের সচেতনা দরকার।গুটি কয়েক লোকের মাঝে ভাবনা সীমাবদ্ধ থাকলে চলবেনা।ধন্যবাদ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: এইটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ।

ম্যাস পপুলেশন এর কাছে পৌছানোর জন্য ম্যাস মিডিয়া কি আমরা ব্যবহার করতে পারবো এই ইস্যুতে ?

৩৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আমরা যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই, তারা আসলে কি চাই ?

৪। যারা যুদ্ধের সময়ে অপরাধ করেছে , তাদের বিচার এবং বিচারের রায়ে যা হয় তাই ?

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: মানিক ভাই আসলেই অলস !!!

৩৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: সততার আলোকে তীব্র ধিক্কার জানাই ।

আর পি মুন্সীর গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি সবাইকে পড়তে অনুরোধ জানাই ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই

৩৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২
নাজনীন১ বলেছেন: ৩২ এর জবাবে আপনি যা বললেন, আমি হত্যার বিচার চান, যুদ্ধাপরাধের বিচার চান। কিন্তু কেমন বিচার চান, কার বিচার চান তা বলেননি। আমি শুধু শাস্তির একটা সম্ভাব্য রূপের কথাই বলেছি, তার মানে কি দাঁড়ালো? বিচার হলে পরেই তো, আসামী নির্দিষ্টভাবে দোষী প্রমাণিত হবে। তারপর বিচারক তার অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তি নির্ধারণ করবেন। আমি আসলে আপনার-আমার যে বিচার চাওয়া, সে বিচার হবার পরের ধাপের কথাই বলতে চাচ্ছি।

এখন যুদ্ধাপরাধ করেছে পাকিস্তানী শাসক, সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা। তাত্ত্বিক হিসেবে এই তিনপক্ষেরই বিচার হওয়া উচিত। এখন আপনার কি মনে হয়? বাস্তবে আসলে কার কার বিচার করা সম্ভব হবে বলে আপনার মনে হয়?

যাই হোক্‌, আমি একটা সিনারিও বিবেচনা করি উদাহরণস্বরূপ। মনে করি, "ক" অঞ্চলে "খ" নামের এক ব্যক্তি এবং তার ১০ জন সহকারী মিলে ২০ জন পাকিস্তানী আর্মিকে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ইত্যাদি করতে সাহায্য করেছে বলে সন্দেহাতীতভাবে উপযুক্ত প্রমাণসহকারে প্রমাণিত হলো। এবার শাস্তি নির্ধারণের পালা। ঐ বিশজন সেনাকে এখন ধরতে পারা খুবই কঠিন কাজ, ধরে নিলাম আসামী পলাতক হিসেবে ধরে তাদের শাস্তি দেয়া হবে। তাদের দ্বারা স্বভাবতই ঐ এলাকার কম করে হলেও ১০০ বা ১০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সব পরিবারেই কোন না কোন পুরুষ মারা গেছে, কোন না কোন নারী ধর্ষিত হয়েছে, সবারই ঘর-বাড়ী তখন পুড়ে গেছে। তাহলে হাতের কাছের ঐ ১১ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি কি হতে পারে?

১। ১১ জনের ফাঁসী, ফাঁসী একবারই দেয়া যাবে, বার বার নয়, ১০০ বা ১০০০ বার নয়।

২। তাদের একবারে মারা নয়, খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ধীরে ধীরে মারা।

৩। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুরুষ সদস্যদের দ্বারা তাদের স্ত্রী-মা-বোনদের ধর্ষণ করানো, যুদ্ধের সময় হয়তো একেকজন নারী বেশ কয়েকবার ধর্ষিত হয়েছে। তাহলে সংখ্যাটাও এখানে বিবেচনায় আনা যেতে পারে।

৪। তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে বিলি-বন্টন করা।

৫। ক্ষমা করে দেয়া।

৬। শেষ বিচারের দিন হাশরের ময়দানে আল্লাহ্‌র কাছে বিচার চাওয়া।

৭। অন্যান্য (আর যদি কোন রকমের শাস্তির উপায় থাকে সেটা)।


এবার আপনি ঠিক করুন কোনটা নাকি সবগুলো আপনার পছন্দ, কি শাস্তি হলে পরে আপনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি ন্যায় হবে বলে আপনি মনে করেন?




[আমি ৪ বা ৬ পছন্দ করবো, এর মধ্যে ৬ আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি। আমি আমার পরিবারের জন্য এটাই প্রিফার করবো। এটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত মত। এ মতকে বিবেচনায় নেয়ার দরকার নেই।]
----------------------------------------------------------------------



৩৪ এর জবাবে বলি, আগে নিজে বুঝি "প্রকৃত ইসলাম" কি, তারপর নিজেকে যাচাই করি আমি সে "প্রকৃত ইসলাম"-এর মধ্যে আছি কিনা, তারপর অন্য কেউ "প্রকৃত ইসলাম"এ আছে কিনা সেটা যাচাই-এর ব্যাপার আসবে, এতো বড় কথা বলার দায়দায়িত্ব আমি নেব না। কারণ, এতে করে আমি সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতে পারি। কারণ, কার মনে কি আছে, কার ইবাদত কবুল হয়, কে সামনে কি বলে, পিছনে কি করে, এটা আমার পক্ষে বোঝা কখনো সম্ভব না। তবে যার যতটুকু কার্যক্রম প্রকাশ্যে দেখা যায় সেটা নিয়ে আমরা হয়তো আলোচনা বা তর্ক-বিতর্ক করি, উপরে তাই করেছি। এর জন্য কোন একটা নির্দিষ্ট দলের পক্ষ সবসময় নিতে হবে তা কিন্তু নয়। যার যা ভাল লাগে, প্রশংসা করবো, যা খারাপ লাগে সমালোচনা করবো। আমার সরকারী বা বিরোধী দলের কাছে কোন চাওয়া থাকলে সেটা দাবী করবো.........

এরপর যখন ভোট দেবার প্রসংগ আসবে, তখন আমি আমার ভোট আমার বুঝমতো দিব (সেটা অবশ্যই গোপনীয় ব্যাপার), যার দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ আমার, এর জন্য আমাকে আল্লাহ্‌র কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
৪০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪২
পি মুন্সী বলেছেন: ৩৩ নম্বরে আপনার জবাবে মধ্যে যে প্রশ্ন:
"আপনার কি মনে হয় ? শেখ হাসিনা কোন পথে হাটছেন, হাটবেন?" -এর উত্তরে কিছু কথা।

সংক্ষেপ করে বলার চেষ্টা করব দেখি পারি কী না:
১. আমেরিকান পররাষ্ট্র নীতি যা চাচ্ছে:
আমরা "সেকুলার" আর ধর্মবাদীতায় সমাজে ভাগ হয়ে যাই। এই নীতি আশা করে এতে "সেকুলার" অংশ বাকী অন্যদের গায়ের জোড়ে দাবড়িয়ে তার যুদ্ধ নীতির সমর্থক হয়ে উঠবে; তার স্বার্থ, যুদ্ধের কাজকে সহজ করে দিবে; নিজে যে যুদ্ধের চিপায় আটকা পড়েছে এর কিছু দায়ভার আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে পারবে।
আমাদেরকে যুদ্ধজোটে সামিল করার এটাই একমাত্র পথ।

এটা আমাদের জন্য আত্মঘাতি। আমাদের সমাজে, রাজনীতিতে সেকুলার বনাম ধর্ম এই বিবাদ আছে, এটা আমরা এখনও রাজনৈতিক মীমাংসায় আসতে পারি নাই। এই বিতর্কটা রাজনৈতিক, তাই সমাধান পেতে হবে সমাজের রাজনৈতিক তর্কবিতর্কের ফয়সালার মধ্য দিয়ে, চিন্তার ক্ষমতা দিয়ে। অন্ততপক্ষে পরস্পর পক্ষকে রাস্তায় রাস্তায় হত্যা, পিটিয়ে লাশ বানিয়ে এর সমাধান হবে না, বলাই বাহুল্য। এমন কি আর একটা ট্রেন্ড ধেয়ে আসতে আমরা দেখতে পাচ্ছি - কোর্টের মাধ্যমে; পছন্দসই বিচারক নিয়োগ দিয়ে তাঁর "রায়ের" মাধ্যমে।
সব রাজনৈতিক বিতর্ক যদি পছন্দসই বিচারক নিয়োগ দিয়ে তাদের ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে সমাধান করে ফেলা যেত তাহলে তো দুনিয়ায় কোন সমস্যাই থাকত না। রাজনৈতিক বিতর্ক কোর্টে "বিচার" করে ফয়সালা করা যায় না, কোর্টের কাজও সেটা নয়। এটা তাদের কে বুঝাবে, আমরা তো যুদ্ধাপরাধের বিচারের স্বপ্নে উন্মাতাল, বুঁদ হয়ে আছি।

রাষ্ট্র গড়ার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভুমিকা যদি কোন জাজের জানা থাকে তাহলে সেই জ্ঞানবুদ্ধি ব্যবহার করে তিনি সামাজিক রাজনৈতিক বিতর্ক কোর্টের কাঁধে সওয়ার হয়ে গেলেও তিনি সমাজে, রাজনীতিতে তা ফেরত পাঠাবার পথ ধরবেন যাতে রাজনৈতিকভাবেই তা সমাজে সমাধান হয়ে আসে, সেই সুযোগ তিনি করে দিবেন। বিতর্কের পক্ষগুলো সমান সুযোগ পেতে নাগরিক মৌলিক অধিকার বজায় থাকছে না একে অপরের উপর সুবিধা নিচ্ছে - এর জায়গা করে দেয়াই তার কাজ। এটা বুঝবেন। এর জন্য বাইরে থেকে তাঁর যা করার আছে ততটুকুই সহায়ক ভুমিকা রাখবেন। কারণ, জাজের সেই দূরদৃষ্টি খেয়াল রাখে সামাজিক রাজনৈতিক বিতর্ক ঘরে ফয়সালা হবার সুযোগ না পেলে রাস্তায় রাস্তায় পরস্পরকে নির্মুল করে ফয়সালার পথে চলে যাবে; এক মানবিক দুর্যোগ ডেকে আনবে। এমনকী ঐ বিতর্কের এজলাসে বিচারক তাঁর নিজস্ব যে চিন্তা মতামত আছে তা বাইরে বের করবেন না, রায়ে এর ছাপ রাখবেনও না। ঐ চিন্তা মতামত দিয়ে সামাজিক রাজনৈতিক বিতর্ককে নিজে একাই "রায়" ঘোষণা করে ফয়সালা করার বালখিল্যতা করবেন না। যদি করেন এর মানে হলো, তিনি, রাষ্ট্র গড়ার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভুমিকা তিনি জানেন না, কখনও ভেবে দেখেন নি; সামাজিক, রাজনৈতিক বিতর্ক কিভাবে একটা রাষ্ট্র দক্ষ হাতে ফয়সালা করে তা রাষ্ট্রে সমাজে অঙ্গীভুত হয়ে যায় - এদিকটা তিনি কখনও খেয়াল করে দেখেননি; বিচার কাজকে নেহায়েতই একটা আইনী টেকনিক্যাল বিষয় ভেবে নিয়েছেন। [ পঞ্চম সংশোধনী বিষয়ক রায় নিয়ে একটা একাডেমিক আলোচনামূলক পোষ্টের পরিকল্পনা মাথায় আছে। দেখি পারি কী না।]

২. আমেরিকান পররাষ্ট্র নীতির এই একই চিন্তার আলোকে, ভারতের চোখ ও স্বার্থ দিয়ে দেখে হাসিনার ভারত সফরে Joint communiqué তে সই করেছেন। এটাতে "সন্ত্রাসবাদ" বলে যে সংজ্ঞায় শত্রুকে চিহ্নিত করা হয়েছে তা দেখলেই বুঝা যায়। ওতে একটা ধরে নেয়া আগাম ধারণা আছে। ভারত রাষ্ট্র যাদেরকে ইতোমধ্যেই সে "সন্ত্রাসবাদী" শত্রু গণ্য করে ফেলেছে আর বাংলাদেশের "সেকুলার" যাদেরকে শত্রু করে ফেলতে যাচ্ছে - এদেরকে একদড়িতে ফাঁসি দিতে পারলেই বাংলাদেশের করিডোর শুধু নয়, Joint communiqué এর সবকিছুই ভারত হাসিল করতে পারবে। যেন ওরা কল্পনায় দেখতে পাচ্ছে ভারতের লংহুইল কনটেইনারবাহী ট্রাকগুলো ভারতীয় অথবা বাংলাদেশের অথবা যৌথ সামরিক সৈন্যসামন্ত পাহারায় তরতর করে ভারতের সাতবোন রাজ্যে আসাযাওয়া করছে।

কিন্তু এর আগে - "সেকুলার" আর ধর্মবাদীতায় বিতর্ক রাজনৈতিক বিতর্কে নয়, চিন্তার ক্ষমতায় নয় - স্রেফ বল প্রয়োগে ঢাকার রাস্তায় রক্তের হোলি খেলে ফয়সালার abortive চেষ্টার কারণে, এথিনিক ক্লিনজিংয়ের দায় নিয়ে আদৌও অতদূর তারা পৌছাতে পারবে কি না - সেটা ভাববার অবস্হায় কেউ নাই।
পৌছাতে পারুক না পারুক আর গর্তেই ফেলুক হাসিনা আমাদের সেপথেই ক্রমশ নিয়ে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে ব্লু হেলমেটের আওয়াজও আমরা শুনতে পাচ্ছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ