আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

(নারী) পুরুষের যৌণ সমস্যা নাকি আমাদের শিক্ষার সমস্যা ?

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:২৮

শেয়ারঃ
0 141 3

এইটা একটি হালকা (বাজেট, অর্থনীতি , পুঁজিবাদ কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের তুলনায়) লেখা । মানে , আপনি যদি তরুণ বয়সের কোন পুরুষ না হোন বা আপনার জীবনে জ্ঞানী বন্ধু , বড় ভাই কিংবা জ্ঞানের সূত্রের অভাব না থাকে , তাহলে এই অভিজ্ঞতার সাথে আপনি পরিচিত নন। তাই, নির্বিঘ্নে অন্য কোন পোস্টে চলে যেতে পারেন । এইটা কোন আদিরসাত্মক কিংবা ধর্মীয় পোস্ট নয় । সুতরাং, যারা ডাক্তারের মত নিরাসক্ত দৃষ্টি নিয়ে সমস্যাকে বিশ্লেষন করতে পারেন না , তারাও এখনি অন্য পোস্টে চলে যেতে পারেন।
-------------------------
শুরু করি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে ।

আমার ধারণা ছিলো , ডাক্তার হিসেবে আমি খুব একটা খারাপ বুঝাই না। তো একজন অনুজ , নতুন বন্ধু আমার ডাক্তার পরিচয় পাওয়ার পরে একদিন সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে আমার সাথে বাড়ি ফিরতে চাইলেন। তার বাড়ির রাস্তা ভিন্ন দিকে আর আমিও রোগী দেখে দেখে ততদিনে বুঝতে পারি অনেক কিছুই। বুঝলাম , একটু আড়ালে কিছু আলোচনা করতে চান। আন্দাজে ভুল হয়নি। অতি সংক্ষেপে তিনি আমাকে জানালেন তার প্রেমিকার সাথে তার প্রথম যৌণ অভিজ্ঞতায় তার অতি দ্রুত স্খলনের ( প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন) সমস্যার কথা। ঘটনাটা তাকে এতটাই বিপর্যস্ত করেছে, তিনি একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ নিয়েছেন। আরো অনেকের সাথে কথা বলে পথ্য সংগ্রহ করেছেন । এখন তিনি আমার কাছে সেই সব ওষুধের / ব্যবস্থাপত্রের ভালো মন্দ যাচাই করতে চান। আমি হতভম্ব !
প্রথমত , আমার ডাক্তারি বিদ্যা যৌণ সমস্যা লাইনের নয় । তাই বুঝলাম বাংলাদেশের মানুষ ডাক্তার শ্রেণীটার উপরে কতটা হতাশ ও আস্থাহীন হলে কেউ বিশ্বাসযোগ্য যে কোন মানুষ খোঁজে!
দ্বিতীয়ত, এই ছেলেটি যথেষ্ট শিক্ষিত, মুক্তমনা ও যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী । সুতরাং , ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
তৃতীয়ত, তার কাছ থেকে ওষুধের লিস্ট দেখার পরে বুঝলাম, তার এই " শিক্ষা" ও "যুক্তি" তার কোন কাজেই আসে নাই । কারণ , কবিরাজি তুকতাক এড়াতে পারলেও এই তরুণ বৈজ্ঞানিক বা এলোপ্যাথির তুকতাক এড়াতে পারেন নাই।

মানে কি?

তার লিস্ট জুড়ে কেবল ভিটামিন আর ভিটামিনের নাম। একই ভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একই ধরনের মাল্টিভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির । তার ধারণা , উনি ১১ টি ভিন্ন অষুধের নাম লিখে এনেছেন । ( যে যা বলেছে , তার সব গুলাই । এবং যৌণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপ্শন শুদ্ধ )
এরপর , আমি তাকে যতই বুঝাই , যত ভাবেই বুঝাই , এগুলো কোন রোগের ওষুধ না । কিংবা , তার কোন রকম রোগ নাই। কিংবা , দ্রুত স্খলন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন কোন যৌণ রোগ না - উনি কিছুতেই কিছু বুঝে না । কোন রকম গঠনগত (এনাটমিকাল) কিংবা কার্যকারিক (ফিজিওলজিকাল) কোন রকম রোগ বা সমস্যা যদি থেকেও থাকে , সেইটা ভিটামিন দিয়ে সারবে না - এইটাও তার মাথায় ঢুকাইতে পারলাম না ।
তার মাথায় গেঁথে গেছে , উনি যৌন ভাবে দুর্বল । আর আমি ভাবছি - ভিটামিনও একটা ওষুধ । এক সাথে এক গাদা খেলে ভিটামিনোসিস নামক বিষক্রিয়াতে না আক্রান্ত হয়!

শেষে কি হলো?

কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে । আর হতাশা এই জন্য যে, এই ছেলেটি আরো হাজার হাজার বাংলাদেশী তরুণের মত হলফ করে বলবে,
১। আমার মত দুইপাতা ডাক্তারি পড়া ডাক্তাররা কিচ্ছু জানে না। যৌণ দুর্বলতা একটা ভয়ংকর রোগ।
২। মাত্র ১১ প্রকারের ( আসলে একই ) ভিটামিন , মাল্টিভিটামিন খেলেই এই রোগ থেকে ভালো হওয়া যায়।
৩। উপরের দুইটা কথার প্রমাণ উনি নিজে।

তাহলে সমস্যাটা কোথায় ?

আসুন , আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি ঘটনাটা আসলে কি ঘটেছে। ছেলেটির সমস্যা ছিলো অতিদ্রুত স্খলন। এর সরাসরি ফলাফল যেইটা হয় , পুরুষ বা নারীর যৌণ তৃপ্তি বা ক্লাইমেক্স / অর্গাজম এ পৌছানোর আগেই সঙ্গম শেষ হয়ে যাওয়া । ব্যাপারটা অনেকটা প্রচন্ড ক্ষুধার মুখে দুই লোকমা খাওয়ার পরে প্লেট কেড়ে নেওয়ার মতন। বিস্তারিত আর বললাম না ।

কেন ঘটে এই রকম? যাদের সত্যি সত্যি কোন রকম ইনফেকশন ( যৌণ রোগ), এনাটমিক বা যৌণাঙ্গের গঠনগত সমস্যা আছে কিংবা ফিজিওলজিকাল বা কার্যকারিতার দিক থেকে কোন সমস্যা আছে - তারা ছাড়া বাকি সবার জীবনেই এইটা ঘটতে পারে মানসিক কারণে ।
প্রথমত, জীবনে প্রথম যৌণ সঙ্গম করতে গেলে ১ম কিছুদিন অতিরিক্ত উত্তেজনার কারণে অতিদ্রুত স্খলন ঘটতে পারে। নিজের উত্তেজনাকে মানসিক ও শারীরীক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারাটাই কারণ ।
দ্বিতীয়ত , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে কোন রকম অপরাধবোধে ভুগলে ।
তৃতীয়ত , কোন কারণে যথেষ্ট সময় না থাকলে তাড়াহুড়া ও টেনশনে ।
চতুর্থত , আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে অতিরিক্ত টেনশনে ।
পঞ্চমত , সঙ্গিনীর সাথে কোন কারণে যথেষ্ট স্বস্তি বা কম্ফোর্ট লেভেল না থাকলে ।

এখন কথা হলো , এর জন্য ওষুধ বা ভিটামিন খাওয়া কত জরুরী?

যাদের কোন কারণে যৌণ রোগ বা ইনফেকশন আছে কেবল তাদের জন্যই ঔষুধ প্রয়োজন হতে পারে। জীবনের ১ম যৌণ অভিজ্ঞতায় কোন রোগ কারণ না হওয়ারই কথা । রইলো বাকি এনাটমিকাল ও ফিজিওলজিকাল কোন সমস্যা । এইটা প্রকৃতিতে খুবই রেয়ার। ডাক্তারের পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে এইটা বের হয়ে আসবে। কিন্তু উল্লেখিত তরুণের এই ধরনের কোন সমস্যা ধরা পড়ে নাই।

আর মানসিক সমস্যার জন্য ভিটামিন? বুঝতেই পারছেন, এইটা ঠিক খাপ খায় না । তারপরেও মাঝে মাঝে নাছোড়বান্দা রোগী হইলে কিছু ডাক্তার রোগীর মন রক্ষা করতে গিয়ে ভিটামিন, স্যালাইন - এইসব বেকার জিনিস পত্র প্রেস্ক্রাইব করেন। তাহলে ছেলেটি উপকার পেলো কি করে?

এখানে আমাদের আসলে তার সমস্যার মূলে পৌছাতে হবে। আমি যা বুঝেছিলাম, উনি তার প্রেমিকাকে তৃপ্ত করতে পারবেন কি পারবেন না সেই অতিরিক্ত টেনশন, সাথে ১ম বারের অতিরিক্ত উত্তেজনা = এর ফলে সমস্যায় পড়েছিলেন। ভিটামিন খাওয়ার পরে তার ভিতরে বিশ্বাস চলে আসে যে উনার সমস্যা মিটে গেছে । উনি এখন যৌন ভাবে সবল । এই ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ও কমফোর্ট লেভেল তাকে যে রিল্যাক্সসেশন বা আরাম দিয়েছে - তাতেই উনি পরের বার গুলোতে ভালো পারফর্ম করতে পেরেছেন।

এখন , ঝড়ে বক পড়লো আর তাতে ফকিরের / ভিটামিনের কেরামতি বেড়ে গেলো।

এই রকম কেরামতি কেন দরকার হয়? মূল সমস্যা কি? সমাধান কি?

একজন ডাক্তার হয়েও সেই তরুণকে বুঝাতে ব্যর্থ হওয়ার পরে আমি এইটা নিয়ে অনেক ভেবেছি। কেন উনি বুঝতে চাইলেন না একেবারেই? এবং ভেবে ভেবে , তার সাথে এর উপরে পড়ালেখা করে আমি যা বের করেছি তা হলো , মানুষের বিশ্বাসের সাথে তথ্যের লড়াইয়ে বিশ্বাসের জয় হবেই। এই তরুণের বয়ঃসন্ধির সময় থেকেই কোন যৌণ শিক্ষা নেই । তার শেখার সূত্র ছিলো হয়ত আদিরসাত্মক সাহিত্য , নীল ছবি কিংবা নিদেন পক্ষে বড় ভাইদের অভিজ্ঞতা । এর কোনটাই সঠিক শিক্ষা দেয় না , দিতে পারে না । বরং এসব থেকে মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ভয়াবহ ভুল শেখে । আবার এই সব সূত্র গুলো কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা সমস্যা আর কোনটা রোগ- তাও শিক্ষা দেয় না । যারা এই সব নোংরা পথে কিছু শিখতে পছন্দ করেন না , তাদের জন্য কি কোন ভিন্ন পরিষ্কার পথ খোলা আছে? সার্বিক ভাবে - নাহ। যারা সেই রকম উচ্চ শিক্ষিত এবং ইন্টারনেট এ সংযুক্ত , তারা কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন। ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন কিন্তু সেই ওয়েবসাইট গুলো কি নির্ভরযোগ্য?

এইখানে, আবার একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। অনেক দিন পর্যন্ত ইংরেজি ছবির নায়ক-নায়িকাদের দেখে দেখে আমার ধারণা ছিলো পশ্চিমা পুরুষ এর বুকে ও নারীদের হাতে পায়ে কোন লোম থাকে না । বড় হয়ে সেই কুশিক্ষা আমার দূর হয়েছে মেডিকেলে পড়তে গিয়ে। সুতরাং, দেখুন, এমন কি ছবিও কি ধরনের ভুল শিক্ষা দেয় মানুষকে !


আমাদের দেশের তরুণ তরুণিদের তাই মূল সমস্যা হলো একটা ভালো, ভদ্র , পদ্ধতিগত ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষা বা জ্ঞানের মাধ্যম - যা থেকে মানুষ সঠিক শিক্ষাটা নিতে পারে- তার অভাব। আর এরই সুযোগ নেয় যত রকমের মঘা, ইউনানী, কবিরাজি , হার্বাল আব জাব কোম্পানি গুলো। বাংলাদেশে অশিক্ষা তো আছেই , তার চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো , যারা স্কুল কলেজে পড়েন, তারা কুশিক্ষিত কিংবা অর্ধ শিক্ষিত ।



এখনো মানুষ জানে না , মেয়েদের প্রতি মাসে রক্তপাত হওয়াটা (মাসিক বা রজঃস্রাব) যেমন একটা স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া , সেই রকম পুরুষের কিছুদিন পর পর ইরেকশন বা যৌণাঙ্গ দৃঢ় হওয়া থেকে শুরু করে ইজাকুলেশন বা ধাতু নির্গত হওয়াটা একটা অতি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া । স্বপ্নদোষ নামে যাকে ধর্মভীরু মানুষ এটা সেটা খেয়ে রোগমুক্তির আশা করে, সেইটা আসলে কোন রোগই না । একবার চিন্তা করুন, মেয়েরা যদি দল বেধে "ঋতুদোষের" জন্য কবিরাজি ওষুধ খাওয়া শুরু করে তাহলে ব্যাপার কি দাঁড়াবে?

সময়ের আগেই ধাতু নির্গমন বা ইজাকুলেশন কোন দুর্বলতার লক্ষণ নয় । এইটা কোন রোগও নয়। তবে , পুষ্টিহীন নারী শরীরে যেমন ঋতুস্রাবের সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত পুষ্টিহীনতায় ভুগলে পুরুষেরও পারফর্মেন্সে ঘাটতি হতে পারে। তবে সে সব ঘাটতি কবিরাজি, ইউনানী হালুয়া খেয়ে কিংবা মলম মেখে দূর করা যায় না । বেটার পার্ফর্মেন্সের জন্য চাই বেটার স্বাস্থ্য । সুস্বাস্থ্য।

যারা জানেন না , তাদের জন্য বলি, অতিরিক্ত শুকনা কিংবা অতিরিক্ত মোটা হলে , উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে , সিগারেট - মদ জাতীয় বদভ্যাস থাকলে - যৌণ দক্ষতা কমে যেতে পারে। বাচ্চা হতেও সমস্যা হতে পারে। তার মানে এইনা যে আপনাকে সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে জিমে গিয়ে ডাম্বেল ভাজতে হবে, কিন্তু , স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান না হলে প্রেমিকা /স্ত্রীর প্রেম পাইতে কিংবা বাচ্চার বাপ হইতে সমস্যা হতেই পারে।


যারা যৌণ শিক্ষার নাম শুনলেই সব গেলো গেলো বলে চিল্লাতে ভালোবাসেন, সেই সব মানুষদের মন রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের পাঠ্য বই গুলাতে যথা সম্ভব কম তথ্য দেওয়া থাকে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে , উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত আগে মানব দেহ সিলেবাসেই ছিলো না ( বায়োলজি) । আশা করি এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মানুষের যৌণ বা রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আমি উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াতে দেখিনি। এমন কি , মেডিকেলের ফিজিওলজি ম্যাডাম আমাদের বলেছিলেন, " এইটা তোমরা বাড়িতে পড়ে নিও।" এই থেকেই বুঝা যায় , মানুষের দেহের এই অংশ বা সিস্টেমটিকে নিয়ে সঠিক শিক্ষার পরিবেশ বাংলাদেশে প্রায় অনুপস্থিত । কিন্তু তাতে কি প্রলয় বন্ধ আছে?

যারা বলেন, সঠিক যৌণ শিক্ষা দিলে মানুষের নৈতিক আচরণে ধ্বস নামবে , এতদিন তো এই শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধই আছে এক রকম, তাতে কি ধ্বস নামা বন্ধ হয়েছে? কমেছে? নাকি, বেড়েছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে । কিন্তু যৌণ সঙ্গম কি বেড়েছে না কমেছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে যৌণ সুড়সুড়ি দেওয়া কি বন্ধ আছে?
যারা এর বিরোধিতা করেন, তারা কি দায়িত্ব নিয়েছেন ছেলে মেয়ে গুলো যাতে কোন বিপদে না পড়ে , অশিক্ষা - কুশিক্ষা জনিত স্বাস্থ্যহানি না ঘটায় - সেইটা বন্ধে?
অসামাজিক কার্যকলাপ বাদ দেন, যারা সামাজিক কার্যকলাপ (বিয়ে, বাচ্চা নেওয়া, একটা স্বাভাবিক যৌণ জীবন কাটাতে চান) করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিপদ , আপদ, রোগ, শোক, বিব্রতকর অবস্থা এবং কখনো কখনো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছেন , তাদের শিক্ষার কোন ব্যবস্থা কি নিয়েছেন?

আমরা যারা ডাক্তার , তারা প্রতিদিনই কারো না কারো মারাত্মক কোন সমস্যার কথা শুনি বলে আমরা টের পাই , এই " লুকিয়ে রাখা" , " চেপে রাখা" , "দমিয়ে রাখা" যৌণ অজ্ঞতাজনিত সমস্যা গুলো কি হারে মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করছে। আর কত সহজেই একটা সঠিক শিক্ষা মানুষকে এই কষ্ট গুলো থেকে রক্ষা করতে পারে।
কিছু ঘটনা ঃ

১। এই ২০১০ সালেও এসে শুনতে হয় মঘা , ইউনানী, কবিরাজি, মান্ডার তেল আর শিয়ালের বাম এর বেচাবিক্রির শোর গোল।
২। এই যুগেও মানুষ জানে না কোনটা স্বাভাবিক যৌণতা আর কোনটা অস্বাভাবিক।
৩। অতি আধুনিক দম্পতিকেও বিয়ের পরে পর্ণ দেখে শিক্ষা নিতে হয় কেমনে কি করে। যারা এই সব দেখা পাপ বলে বিশ্বাস করেন, তাদের অবস্থা আরো করুণ।
৪। পতিতার কাছ থেকে "অভিজ্ঞতা" ও "জ্ঞান " আহোরণ করতে গিয়ে যৌণ রোগ বাধিয়ে আসে।
৫। জানে না কিভাবে বাচ্চা হয়।
৬। বিয়ের আট মাসেও না জানা কি ভাবে সঙ্গম করতে হয়।
৭। জানে না কি ভাবে গর্ভ ধারণ আটকানো যায়।
৮। অবৈধ গর্ভপাত এখনো বাংলাদেশের অন্যতম বড় ব্যবসা।
৯। এখনো সন্তান ছেলে কিংবা মেয়ে হওয়া নিয়ে স্ত্রীকেই দায়ী করা হয়।
১০। এখনো যে কোন সমস্যা হলে মানুষ পরিচিত ডাক্তারদের কাছে ছোটে । বেশির ভাগই লজ্জায় চেপে রাখে।
১১। এই যুগে মানুষ মান্ডার তেল, শিয়ালের বাম, শিকড় বাকড় , তাবিজ আর ভিটামিন- স্যালাইনের পিছনে টাকা নষ্ট করে।

এখন সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি । স্রেফ " কি ভাবে আদর করতে হয় জানে না বলে" স্ত্রীকে বছরের পর বছর ধরে যা করা হয়েছে তাকে শুধু তুলনা করা চলে "ধর্ষণ" হিসেবে । স্ত্রী স্বামীকে ভালোবাসেন কিন্তু তার যন্ত্রনা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যে অত্যন্ত ধর্ম ভীরু সেই দম্পতি যৌণতা এক প্রকার বাদ দেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীকে অনুরোধ করেন, " তোমার দরকার হলে তুমি বাইরে থেকে করে এসো । আমি মানা করবো না।"

এখন প্রশ্ন হইলো , আল্লাহ মানুষের ভিতর যৌণ সঙ্গম নামক একটা প্রক্রিয়া দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশিত হওয়ার কথা। যার মাধ্যমে নতুন শিশু জন্ম হওয়ার কথা । সেই প্রক্রিয়াটা একজন স্ত্রীর জন্য এত কষ্টের কেন হবে? কেন একজন স্ত্রীর মনে হবে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে ? আর স্বামীই বা কেন বুঝবে না কোনটা ভালোবাসা আর কোনটা ধর্ষণ ? এই মারাত্মক অবস্থাটা কিন্তু আমি দেখেছি আমার পরিচিত গন্ডিতে ! ঘটনার কেউ মূর্খ , অশিক্ষিত নয়। বরং উচ্চ শিক্ষিত । এরা কেউ পাশবিক নয় বরং সঙ্গী- সঙ্গীনীর প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। এরা কেউ ধর্মহীন নয় - এদের কেউ কেউ প্রচন্ড ধার্মিক ( ১ম তরুণ বাদে) ।

বাংলাদেশের সমাজের যেই অংশটি অশিক্ষিত , তাদের অবস্থা আরো ভয়াবহ।

আমাদের বুঝতে হবে , যৌণ শিক্ষা শুধুমাত্র বায়োলজির বিষয় নয়। এর সাথে জড়িত আছে স্বাস্থ্য। এর সাথে জড়িত আছে যৌণতার সামাজিক, ধর্মীয়/নৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক ইস্যু । যৌণতার সাথে জড়িত আছে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ও আবেগ এর বিকাশ। এখনো বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার ভয়াবহ। আমরা এখনো এই সব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করতে পারছি না বলে অন্য কোন দিকে উন্নতির কথা ভাবতেই পারছি না । প্রতিনিয়ত পিছিয়ে যাচ্ছি দুনিয়া থেকে। আমরা কি একটা স্বাস্থ্য, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক,পারিবারিক (বাচ্চা হওয়া থেকে শুরু করে একটা বাচ্চাকে সঠিক ভাবে লালন পালন করতে কি কি করা লাগে, কেমন খরচ হয়) ও নৈতিক শিক্ষাসহ একটা পরিপূর্ণ ও ব্যালেন্সড যৌণ শিক্ষার সিলেবাস তৈরী করতে পারি না? দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যৌণসমস্যাশিক্ষাকুসংস্কারপুরুষ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৪৩
সেলটিক সাগর বলেছেন:
সমস্যাটা আমাদের মানসিকতার। সেটাতে পরিবর্তন করতে হবে সবার আগে। এই আধুনিক তথ্য-প্রবাহের যুগে চাইলে যেকেউ (বা অন্তত শিক্ষিতরা) এই বিষয়ে বিস্তারিত ও সঠিক জ্ঞানলাভ করতে পারেন।


সেবা প্রকাশনীর 'যৌন বিষয়ে সাধারন জ্ঞান' - লেখক বিদ্যুৎ মিত্র (কাজীদা) - এটা প্রত্যেকের পড়া উচিত।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: ভালো কথা বলেছেন । কিন্তু , সমস্যা গুলো তো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না । বরং যারা ইন্টারনেট এ এসব জানতে পারেন না , তাদের মধ্যেই বেশি।

সেবা প্রকাশনীর এই বইয়ের কথা কয়জন জানে বলেন? আর জানলেও এর লভ্যতা কি সহজ খুব?

তাই, স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করাটাই সবচেয়ে আগে দরকার ।

এখনো গ্রামে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায় ১২/১৩ /১৪ / ১৫ তে । বাচ্চা হয়ে যায় ১৫ এর ভিতর । এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে বহু বছর লেগে যাবে।

সুতরাং, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বয়স অনুযায়ী যৌণ শিক্ষা ( আসলে যৌণ না বলে জনন অঙ্গের ও সিস্টেমের শিক্ষা বলাই ভালো । যৌণ শুনলেই লোকে ভাবে , কেউ চশমা পরে হাতে বেত নিয়ে ছাত্রদের বলছে, " যা , তোদের যা শিখিয়েছি তা করে দেখা" ) চালু করাটা জরুরী।

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: আরেকটা কথা , যতদূর মনে পড়ে , সেবা প্রকাশনীর বইটাতে যৌণতার সামাজিক, অর্থনৈতিক দিন গুলো ছিলো না । সুতরাং , এই বইটিও আংশিক শিক্ষা দেয় , পরিপূর্ণ শিক্ষা দেয় না।

যৌণ শিক্ষার সাথে নৈতিকতা বা ধর্মের শিক্ষা যুক্ত থাকতে পারবে না , তা কিন্তু নয় । আমরা প্রায়শই এমন অনেক বই দেখি যেখানে , বিজ্ঞান মানে ধর্ম নিয়ে বলা যাবে না । আবার ধর্মীয় হলে , যৌণতা পাপ , দোজখে কি কি শাস্তি হবে - এই সব দিয়ে ভরা ।

আমি চাইছি একটা পরিপূর্ণ সিলেবাস । যেইটা যৌণোতার সাথে সম্পৃক্ত সব কয়টা বিষয়কে আলোচনা করবে। কোন একটি খন্ডিত দৃষ্টিভঙ্গী নয়, চাই পরিপূর্ণ আলোচনা । শুধু ইসলাম ধর্মই নয় - হিন্দু , বৌদ্ধ , খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মে যৌণতা নিয়ে কি বলা হয়েছে , কেন বলা হয়েছে - সেগুলো নিয়েও খোলামেলা আলোচনা চাই। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।

২. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫১
আতেল তাপস বলেছেন: ডাঃ মুহিত কামাল এর একটা বই পড়েছিলাম আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে, নামটা মনে করতে পারছিনা দুঃখিত।

চমৎকার ভাবে অতি প্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলেছেন
+
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাপস। মনে পড়লে অবশ্যই জানাবেন।

৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন। ধন্যবাদ।

এই সচেতনতা যত দ্রুত আমাদের সবার মাঝে আসবে ততই আমরা সুন্দর স্বাস্থ্যবান সমাজের দিকে এগিয়ে যাব।

এরকম অনেক অভিজ্ঞতা আমারও হয়েছে। এবং স্রেফ তাদের সাধারন ভুল ভেঙ্গে কিছু সাধারন শৃঙ্গার পদ্ধতি প্রয়োগ করে তারা খুব সূখি....
তার মধ্যে সাধারন যেমন আছেন ধর্ম ভীরু মোল্লাও!
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভৃগু । মানুষ হলেই তার ভিতরে যৌণতা থাকবেই। তাই শিক্ষাটাও সকলের জন্যই জরুরী।

৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০০
মানুষ বলেছেন: গুল্লি পোষ্ট লিখছ। বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে তাকালে মনে হবে বুঝি এই দেশের সমস্ত পুরুষ দ্রুত স্থলন এবং আগা মোটা গোড়া চিকন রোগে আক্রান্ত। যেদিকে তাকাই শুধু চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞদের (!) বিজ্ঞাপন। পাঠ্যক্রমে সঠিক যৌন শিক্ষা নিয়ে সকলের আপত্তি কিন্তু পথে প্রান্তরে এইসব আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। এই সবের আশু প্রতিকার হওয়া দরকার।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে তোমাকে আমার পোস্টে দেখে ভালো লাগলো ।

ঠিকই বলেছো । গাড়ির ভিতরে ছুড়ে দেওয়া অনেক বিজ্ঞাপনের ভাষা পড়লে বমি চলে আসে । তারা আছে বহাল তবিয়তে , শুধু স্কুল কলেজে ভদ্র ভাবে শিক্ষা দিতে চাইলেই সকলের চক্ষু কপালে!

৫. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০১
হাসান মাহবুব বলেছেন: পোস্টটি ১০ জনের ভালো লেগেছে, কিন্তু কমেন্ট মাত্র ৪ টা। হাহা! ভালো পোস্ট। তবে এসব ব্যাপার আগ্রহ নিয়ে জানার চেষ্টা কর্সি সবসময় বলে কোন ভ্রান্ত ধারণা নাই। অনেকের উপকারে আসবে অবশ্য এই পোস্টটা।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন:

সেইটা কি খুব অপ্রত্যাশিত কিছু? এই ব্লগেই কনডম/যৌণতা বিষয়ক পোস্ট দিয়ে " এ টিমের" কিছু বিখ্যাত সদস্যদের কম গালি তো খাই নাই। বিখ্যাত এটিম তাদের জামাত হটাও ব্লগে তাদের নৈতিকতা ও সততার পরকাষ্ঠা দেখিয়ে জামাতী অনেক লেখার পাশে সেই লেখাকেও যুক্ত করে অবিস্মরনীয় করে রেখেছেন। বুঝুন, কোন জামাতীর কিন্তু এই সাহস আজ পর্যন্ত হয় নাই! ( এইবার কিন্তু মাইনাসের বন্যা বয়ে যাবে) ।

আবার ইসলামের ধ্বজাদারি জামাতী ব্লগারদের গালিও কম পড়ে নাই। এই পোস্টে মন্তব্য করে কে এই সব রিস্ক নিবে?

আজকে পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করলে আমি নিশ্চিত নারী শিক্ষিকারা পথে মিছিল করবে।

কারণ তখন কতিপয় মানুষ নামধারী পশুই তারিয়ে তারিয়ে গল্প করবে , " জানিস , অমুক বাড়ির বউ তো স্কুলে ঐসব পড়ায়!"

কিংবা, " আপা, আজকে কি আপনি ঐসব পড়াবেন ক্লাসে? " বলে সহকর্মীরাই ফাজলামো করবে।

বাংলাদেশে ছিনতাইকারিরা রাস্তায় নিরাপদ , শুধু প্রেমিক প্রেমিকা হাত ধরলে সামাজিক বিবেক রাম দা নিয়ে লাফিয়ে পড়ে - ধর্ম গেলো , জাত গেলো , দেশ উচ্ছন্নে গেলো বলে ।

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০২
সিউল রায়হান বলেছেন: চমৎকার লিখা। যৌন বিষয়ক ট্যাবুটা ভাঙ্গা দরকার, বিশেষ করে সন্তান জন্মের জন্যে ঢালাওভাবে শুধু স্ত্রীকেই দায়ী করাটার মত অমানবিক আর কিছুই হতে পারে না।

তবে এই সংস্কার ঠিকমত সম্ভব নাকি সে বিষয়ে আমার যথেষ্ঠই সন্দেহ আছে। যেই সরকারই এমন পদক্ষেপ নিতে যাবে তার বিরোধী দল "অশ্লীলতার পৃষ্ঠপোষক সরকার" বলে সেটার বিরোধীতা করবে। পুরো দেশ একসাথে একত্রে কিছু করবে এটা মনে হয়না এখন আর সম্ভব।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি , আমি এই মন্তব্যের সাথে একমত ।

উপরের মন্তব্যে আমার নিজের অভিজ্ঞতা লিখেছি এই ব্লগেই। আমি যখন ব্লগে এই ট্যাবু ভাঙ্গার চেষ্টা করেছি তখন পজিটিভ কোন সাড়া পাই নাই । গল্প করার ছলে লেখা সেই ট্যাবু ভাঙ্গা পোস্ট মাইনাসের রেকর্ড ভেঙেছে ।

আর আমাকে দেখিয়েছে কিছু পরিচিত মানুষের পেছনের চেহারাটা কি পরিমান ভয়ংকর নোংরা।

আরো দেখিয়েছে , দলবদ্ধতার দোহাই দিয়ে চরম নোংরামিও কি করে তথাকথিত ভদ্ররা প্রশ্রয় দেয় ।

নইলে এই দেশে এত মা কেন মরবে ?
এত শিশু কেন মরবে?
এত স্ত্রী কেন যন্ত্রনায় নীল হবে?

যারা আশে পাশে বসে দেখতে পায়, তারা কিছু করে না বলেই তো! তাই না!

৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০৩
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: আপনার পোস্ট টার জন্য ধন্যবাদ।

আপনার লেখাটায় যথেষ্ঠ গভিরতা আছে। তবে আমার একটি পোস্টে আমি আরেকটু সহজ ভাষায় শুধুমাত্র দুই টা সমস্যার কথা ব্যাখা করেছি।
আসলে বেশিরভাগ সমস্যার জন্য কোন ঔশুধের থেকে মৌখিক ব্যাখা অনেক কাজের। কিন্তু বাংলাদেশের মেডিক্যাল কালচার টা একদম গেছে।

আপনার অনুমতি না নিয়াই লিংকটা দিলাম। বেয়াদপি মাফ করবেন।ছেলে এবং মেয়েদের যৌন অক্ষমতার সমস্যা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান। ( ১৮ +)

বলা বাহুল্য আমার এই পোস্ট টি ব্লক করা হয়েছে এবং কড়া একটা ব্যান খাইছিলাম এটার জন্য। তাই আপনার পোস্ট টার ভবিশ্যত নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় আছি।

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আমি মন্তব্য করেছি।

আমার এই বিষয়ে পড়ালেখা কম বলে আমি মেডিকেল নলেজে বেশি ফোকাস করতে চাই নাই । আমি চেয়েছি আমাদের সামাজিক অবস্থা বর্ননা করে নতুন শিক্ষা নীতি/ সিলেবাসে যৌণ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফোকাস করতে।

আর মানুষকে কিছুটা এই ধারণা দিতে যে যৌণতা কেবলই বায়োলজির বিষয় নয়। মেডিকেলের বিষয় নয় । এর সাথে একটা ছেলে বা মেয়ের মানসিক স্বাস্থ্য, আবেগ , সামাজিক, পারিবারিক, সাংস্কৃতিক , ধর্মীয় /নৈতিক , এমন কি অর্থনৈতিক বিষয়ও জড়িত । তাই শিক্ষা দিলে সেইটা যেন পরিপূর্ণ শিক্ষা হয় । স্রেফ , বায়োলজি না হয়।

৯. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০৩
০৭৭৯ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন ।

আপনার সাহস এবং বিষয় নির্বাচনের জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হচ্ছে।

ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ .......।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১০. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০৯
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: বলাবাহুল্য আমার পোস্ট টা ব্যান খাবার পরেও শতাধিক মানুষ প্রুয়তে রেখেছে। আপনার টা ব্যান না খেলে সেই সংখ্যা ১০০০ পার হলেও অবাক হব না।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টে ব্যান করার মত কিছু খুঁজে পাই নাই । হয়ত " পেনিস ঢুকাতে সমস্যা হয়" জাতীয় লাইন দেখে মডূরা ভয় পেয়েছে । এত সরাসরি কথা বার্তা বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে এখনো ঠিক মানায় না ।

আপনি আরেকটু কঠিন কিংবা ঘুরানো প্যাচানো বাংলা বললে হয়ত ব্যান খাইতেন না। জানেন তো, এত সরাসরি আমাদের মেডিকেল বই ছাড়া আর কোথাও মানুষ লেখে না।

মেডিকেলের বই থেকে অনুবাদ না করে কিংবা মেডিকেল বই এর মত লাইন না লিখে ব্লগের মত লিখুন। আমরা যারা মেডিকেলের বই পড়েছি তারা মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই পড়েছি। যারা ব্লগ পড়ছেন , তারা ঐ রকম লাইন দেখলে শকড হবেন , এইটাই স্বাভাবিক।

এটুকু বাদ দিলে আপনার পোস্টটা বেশ ভালো লেখা।

১১. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:১৬
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: হুমম ।
ভিটামিনোসিস না হাইপার ভিটামিনোসিস ?
তাড়াহুড়া বা টেনশন বা অতিরিক্ত টেনশন বা অপরাধবোধ ..... এগুলো সব এনজাইটি ডিসঅর্ডারে পড়ে .... এগুলোর কারনে কখনোই প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হতে পারেনা । যা হতে পারে তা হলো ডিলেইড ইরেকশন ।
আপনার এই তথ্যগুলো ভুল মনে করছি ।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: হাইপার ভিটামিনোসিস - ই বেশি প্রচলিত ও সঠিক।

প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিয়ে আপনার জানা শোনা বেশি হতেই পারে তবে যতদূর মনে পড়ে , সাইকোলজিকাল ফ্যাক্টর গুলো এই রকমই পেয়েছিলাম। আপনি কিন্তু চিন্তা করার সময় " জীবনে ১ম বার সঙ্গমের সময় কেন সেই তরুণের হয়েছে " -- এই ভাবে চিন্তা করবেন । এইটা খুবই স্পেসিফিক সিচুয়েশন ( একটা সিঙ্গেল কেস) নিয়ে আমার ধারণা মাত্র। এইটা কোন মেডিকেল ডায়াগনোসিস নয়।
------------------
Possible psychological and environmental factors

Psychological factors commonly contribute to premature ejaculation. While men sometimes underestimate the relationship between sexual performance and emotional well-being, premature ejaculation can be caused by temporary depression, stress over financial matters, unrealistic expectations about performance, a history of sexual repression, or an overall lack of confidence. Interpersonal dynamics strongly contribute to sexual function, and premature ejaculation can be caused by a lack of communication between partners, hurt feelings, or unresolved conflicts that interfere with the ability to achieve emotional intimacy. Neurological premature ejaculation can also lead to other forms of sexual dysfunction, or intensify the existing problem, by creating performance anxiety. In a less pathological context, premature ejaculation could also be caused simply by extreme arousal.

According to the theories developed by Wilhelm Reich, premature ejaculation may be a consequence of a stasis of sexual energy in the pelvic musculature, which prevents the diffusion of such energy to other parts of the body[4].

One study of young married couples (Tullberg, 1999) reported that the husband's IELT seems to be affected by the phases of the wife's menstrual cycle, the IELT tending to be shortest during the fertile phase. Other studies suggest that young men with older female partners reach the ejaculatory threshold sooner, on average, than those whose partners are their own age or younger[citation needed].

১২. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২২
নাজনীন১ বলেছেন: আমার পরিচিত এক হলমেট অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে প্রায় মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আসছিল, সেখানে অবশ্য মেয়েটা তার হাজবেন্ডের সাথে সম্পর্কের সময় নার্ভাস হয়ে যেত, তাই সমস্যা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে স্কুল-কলেজের সিলেবাসের পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনগুলোতেও আলোচনা চলতে পারে, তাতে করে শিক্ষিত অনেকেই জানতে পারে।

খুব ভালো পোস্ট। ডাক্তার আপারে ধন্যবাদ।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজনীন । স্রেফ আগে থেকে জানত না বলে বিভিন্ন দম্পতির দুরবস্থা কিংবা স্বামীর সাথে ১ম সেক্স এ-ই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরে পরিচিতাদের আতংক , কান্না , বাপের বাড়ি পালিয়ে যাওয়া , কেন বার বার পালিয়ে চলে আসে মুখ ফুটে বলতে না পারা , বাচ্চা মরে যাওয়া --- এই সব দেখতে দেখতে ভাই লজ্জা শরম পিছনের জানালা দিয়ে ফেলে দিয়েছি।

লজ্জা শরমের চেয়ে একটা মানুষের জীবন, একটা শিশুর জীবন অনেক বড়!

১৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: সাবলীল উপস্থাপন...

যৌন ''সমস্যা'' র কারণে ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে আসলে তাবিজের পোস্টে করা আপনার কমেন্টের একটু অংশের প্রতিধ্বণি করি- ওষুধ গুলো শারীরিক সক্ষমতায় কোনো হেরফের না ঘটালেও মানসিক সক্ষমতায় বড় ধরণের পরিবর্তন ঘটায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ''যৌন অক্ষমতায়'' ভোগা পুরুষেরা ''অভিজ্ঞ''দের কাছ থেকে এই সব ওষুধের নাম ঠিকানা যোগার করে। যেহেতু তার মাথায় আছে যে সে ''অক্ষম'' তাই তার ওষুধের প্রয়োজন, এবং ''অভিজ্ঞ'' একজন যখন কিছু (এ্যলো, হোমিও, ইউনানী, কোব্রেজী) প্রেসক্রাইব করে অটোমেটিক ভাবে তার মাথায় ঢুকে যায় এই ওষুধে কাজ হবেই, মানসিক দৃঢ়তা আসার সাথে সাথে তার শারীরিক সক্ষমতাও রিগেইন হয়।

আসল কথা হ'লো আমাদের যৌন বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার অভাব। যে বিষয়টা আপনি চমৎকার আলোচনা করেছেন...

ধন্যবাদ লেখার জন্য...
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি খুব সুন্দর করে বুঝেছেন এবং বুঝিয়েছেন । এই জন্যই ভিটামিন লেখাকে আমি বন্ধ করতে বলিনি । স্রেফ বিপদ এড়াতে বলেছি। এই সব ভিটামিন বা স্যালাইনের কাজ হচ্ছে " মানসিক আস্থা বা শান্তি কিংবা বিশ্বাস জনিত ইফেক্ট" - যাকে আমরা বলি প্লাসিবো।

জেনে আশ্চর্য্য হবে , সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে অষুধের প্লাসিবো ইফেক্ট প্রায় ৫০% বা তারও বেশি। তার মানে ওষুধ ছাড়াই ৫০% সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। স্রেফ বিশ্বাসের জোরে। তাই বিশ্বাস খারাপ জিনিস না।

তবে, বিশ্বাস যেন কোন ক্ষতি না করে । এই আর কি!

মঘা হালুয়া কিংবা ইউনানী বাম এর ক্ষতি কি কেউ পরিমাপ করে দেখেছি?

১৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৪
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: দূর্যোধনের হাত বলেছেন: হুমম ।
ভিটামিনোসিস না হাইপার ভিটামিনোসিস ?
তাড়াহুড়া বা টেনশন বা অতিরিক্ত টেনশন বা অপরাধবোধ ..... এগুলো সব এনজাইটি ডিসঅর্ডারে পড়ে .... এগুলোর কারনে কখনোই প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হতে পারেনা । যা হতে পারে তা হলো ডিলেইড ইরেকশন ।
আপনার এই তথ্যগুলো ভুল মনে করছি । [/sb


খাইছে রে, সিনওর ডাঃ ভাই আইসা পরছে। তবে ইমন ভাইয়ের তথ্য ভুল নয়, এনজাইটি ডিসঅর্ডারে প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন এবং ডিলেইড দুটোই হওয়া সম্ভব।

আমি নিজে কিছু খেত্রে এন্টি এনজাইটি মেডিসিন ( সেট্রালিন ) দিয়ে থাকি এবং তা এফেকটিভ কাজ করে ।


আমার পোস্ট টা তে কোন ভুল পাবেন না বলে আশা করি।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টোকাই ।

আপনি কোন মেডিকেলের ?

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: লিংকের জন্য ধন্যবাদ । যদিও একটু অপ্রাসঙ্গিক ।

১৬. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৬
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে। আমারব্লগে একজন কয়েকটা পোষ্ট দিয়েছিলো এই নিয়ে।

মলিকিউলের এটা, http://molecule.amarblog.com/posts/21691

যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে--- হা হা হা !

কেনরে ভাই?

আরো কেন দিব?

১৭. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: প্রথমেই অনেক মূল্যবান একটি লেখার জন্য ডাক্তার সাহেবকে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের অনেক মানুষের সার্টিফিকেট আছে। কিন্তু কয়জন মানুষ আর শিক্ষিত বলুন! না হলে ভন্ড পীর কি ভাবে এখনো এদেশে কেরামতী প্রদর্শন করে?

আবুল হাসানাত-এর "যৌন বিজ্ঞান" বইটি একটি ভাল বইয়ের রেফারেন্স হতে পারে। কিন্তু বইটি অনেক দুর্লভ।মাধ্যমিক পর্যায়ে যৌন শিক্ষার ব্যবস্থা থাকা উচিত। আমাদের সমাজে মা তার মেয়েকে সামান্য হলেও যৌন শিক্ষা দেবার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাবারা তো তাদের ছেলেদেরকে এব্যাপারে কোন কিছু বলতে পারেন না।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন । অনেক ডাক্তার পেয়েছি যাদের সাথে যৌণতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রোগীদের নরক বাস হয়ে গেছে । সেই রোগীদের জবানবন্দী থেকেই বলতে পারি, ডাক্তারদের মধ্যেও কুশিক্ষিতের অভাব নেই!

বইয়ের নাম এর জন্য ধন্যবাদ । আমি এইটাই বলতে চেয়েছি আমার পোস্টে - ভাল শিক্ষা সুলভ নয় এই বিষয়ে ।

মাধ্যমিক অনেক দেরী হয়ে যাবে । প্রাথমিকের পরে অনেকেই ঝরে পড়ে , বেশির ভাগই মেয়ে । আর গ্রামে এখনো বিয়ে হয়ে যায় ১২/১৩ তেই।

১৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৮
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে ।

এটা হাইপোভিটামিনোসিস হবে।

^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

আপনার পোস্ট ভালো লাগলো। সাহসী লেখা। তবে অসম্পূর্ন।

অলটারনেটিভ ও কম্প্লিমেনটারী মেডিসিনকে আপনি সরাসরি পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। আজকের মর্ডান অ্যালোপেথিক মেডিসিন কিন্তু হিপোক্রিটেস, গ্যালেন বা ইবনে সিনার গ্রিকো-অ্যারাবিক সিস্টেমের একটি পরিবর্তিত সংস্করণ।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: বেশি বেশি ভিটামিন খেলে হাইপো হয় না ভাই , হয় হাইপার ।

হাইপো মানে স্বাভাবিকের চেয়ে কম।
হাইপার মানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। --- ঐ তরুণ ১১ রকমের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির বি কম্পলেক্স আর মাল্টি ভিটামিন খাচ্ছিলো । হইলে হাইপারই হইত।
-------------------
অল্টারনেটিভ বা হোমিওপ্যাথিকে আমি এড়াইনি। ওরা আমার এই পোস্টের ফোকাসই ছিলো না । ফোকাস ছিলো মানুষ যৌন বিষয়ে জানতে চেয়ে - জানতে পারে কি না।

বাংলাদেশের হোমিও প্যাথি আত জার্মানি , আমেরিকার হোমিও প্যাথিকে গুলিয়ে ফেলবেন না দয়া করে ।

উন্নত বিশ্বের হোমিওপ্যাথরা এলোপ্যাথি পড়ে তারপর হোমিও প্যাথিতে যায় , যেতে পারে। তারা পাল্লা দিয়ে ব্লাড টেস্ট করে। এম আর আই দিয়ে খুঁজে দেখে মাথার ভিতরে কি সমস্যা । সিটি স্ক্যান করে । আধুনিক সমস্ত ডায়াগ্নোসিস যন্ত্রই ব্যবহার করে ।

আমি সেই রকম হোমিও প্যাথি , চাইনিজ মেডিসিন , আকুপাংচার কিংবা ভারত উপমহাদেশের কবিরাজিকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি ।

আমার আপত্তি শুধু অল্টারনেটিভ মেডিসিনের নামে অবৈজ্ঞানিক কিছুর চর্চা কিংবা লোন ঠকানোর জন্য মান্ডার তেল, হালুয়া , শিয়ালের বাম বিক্রি করা নিয়ে ।

আমার আপত্তি সকল জটিল ও গোপন রোগের ১০০% গ্যারান্টি সহকারে চিকিৎসা নিয়ে ।

আমার আপত্তি ক্যান্সারের ১০০% রোগ মুক্তির বিজ্ঞাপন নিয়ে ।

১৯. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩০
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: ডাঃ ফিরোজের মনোজগতের লিখা বইগুলো ও অসাধারন, http://www.monojagot.ws
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: লিংক তো এরর দেখায় ।

http://www.markosweb.com/www/monojagot.ws/#

২০. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৩
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: comment by: কায়েস মাহমুদ বলেছেন: এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে। আমারব্লগে একজন কয়েকটা পোষ্ট দিয়েছিলো এই নিয়ে।

মলিকিউলের এটা, http://molecule.amarblog.com/posts/21691

যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান? [/sb


এর কারনেই সামু ছেরে কোথাও যাই না।

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: জানলাম।

২১. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাগো, কি ফাটাফাটি পোস্ট, যতক্ষন পড়ছি মনে হইলো একখান লংড্রাইভে আছি আর যখন শেষ হইলো তখন মনে হইলো হঠাৎ কইরা কে জানি ব্রেক কষলো। পুরা স্পিড মেটাল লেখা!



হার্টবিট অখনো দেখি কমে নাই!
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ুমম

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৬
সাইফ সামির বলেছেন:

ভীষণ সময়োপযোগী লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ

২৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৭
খান ফেরদৌস বলেছেন: এখানে সাহসের কিছু নেই ,আমাদের জিবনের সব চাইতে প্রয়জনিয় বিষয় টা আমরা পাশ কাটিয়ে যাই ,যে কারনে আমাদের সমাজে বারছে পরকিয়া ,যা ভয়াবহ নিতে সময় লাগবেনা ।
আপনার পোষ্ট পরে ভাল লেগেছে ,আপনাকে ধন্যবাদ
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: সাহসের দরকার আছে কারণ আমাদের জীবনের আরেকটা প্রয়োজনীয় জিনিস খাদ্য নিয়ে আলাপ করতে আমাদের কোন সমস্যা হয় না , যতটা হয় যৌনতা নিয়ে।

সেক্স এডুকেশনের অভাবে পরকীয়া বাড়ছে , এমন কজ এন্ড ইফেক্ট এর কোন রিসার্চ এখনো পড়িনি । তাই এই ব্যাপারে একমত হইতে পারলাম না ।

তবে জীবনের জরুরী বিষয় গুলো এড়ানোর ফলে পরকীয়া বাড়ে , এইটাতে একমত ।

২৫. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৩
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: @ঢাকাইয়া টোকাই
কটাক্ষ কর্লেন সিনিওর কৈয়া ? :|
আমি জানিনা আপনি ছেলে না মেয়েকে সার্ট্রালিন দেন ,কিন্ত মহিলাদের যে সার্ট্রালিনের যৌন ইচ্ছা কমে যায় (লিবিডো ) ,তা নিশ্চই জানেন ! :P
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে , যৌণতা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব --- এই ওষুধ কেমনে দূর করে? :-& :-& :-& :-&

২৬. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৫
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: * সার্ট্রালিনের সাইড ইফেক্ট
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

২৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৯
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: দূর্যোধনের হাত বলেছেন: @ঢাকাইয়া টোকাই
কটাক্ষ কর্লেন সিনিওর কৈয়া ? :|
আমি জানিনা আপনি ছেলে না মেয়েকে সার্ট্রালিন দেন ,কিন্ত মহিলাদের যে সার্ট্রালিনের যৌন ইচ্ছা কমে যায় (লিবিডো ) ,তা নিশ্চই জানেন ![/sb

অবশ্যই ছেলেদের কে দেই। কারন মেয়েদের যে বিজ্রপাত হয় তা আমার জানা ছিল না।

আমি কটাক্ষ করি নাই। মজা করছি।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: নন- মেডিকেল পাঠকদের কিন্তু বজ্রপাত হইতে পারে এই সব মেডিকেলের জারগন দেখিয়া! :|

২৯. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৪
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
আর আমার জানামতে প্রিম্যাচিউর ইজাকিউলেশনের ড্রাগ ট্রিটমেন্ট দু' ধরণের হয়ে থাকে, ওরাল ও লোকাল। ওরাল ড্রাগের ভেতর খেয়াল করলে দেখবেন এন্টি-ডিপ্রেসিভ ড্রাগের (এস এস আর আই- ফ্লুক্সেটিন, প্যারোক্সিটিন বা সারট্রালিন) ব্যাপক ইউজ রয়েছে; কিন্তু এদের রিকারেন্স রেট, সাইড ইফেক্ট প্রোফাইল এবং ইফিকেসি কিন্তু তেমন ভালো নয়। আলফা এডরেনোরিসেপ্টর ব্লকিং এজেন্টগুলো তেমন একটা ইউজ না হলেও এদের ব্যাবহারের ইতিহাস ফার্মাসিউটিকাল সায়েন্সে রয়েছে। ফসফোডাইএস্টারেজ টাইপ ৫ ব্লকিং ড্রাগের মাঝে সিলডেনাফিলতো (দ্য ম্যাজিক ড্রাগ ভায়াগ্রা) ইতিহাস।

এই সমস্যা যতটুকু ফিজিওলজিকাল তার চেয়ে বেশি সাইকোলজিকাল, সেক্স পার্টনার যদি কো-অপারেটিভ হয় এবং দু' জনার মাঝে যদি ভালো আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকে তবে বহু ক্ষেত্রে এই সমস্যাকে পাশ কাটানো যেতে পারে, তবে পুরুষের কনফিডেন্স থাকাটাও জরুরী। এর সাথে সাথে ডাক্টারের সাথে কাউন্সেলিং ও বিহেভিয়ারাল থেরাপীও দরকার। (একটা প্রশ্ন থেকে যায় এদেশে ডাক্টারের পেশেন্ট কাউন্সিলিং-এর সময় আছে কিনা; কোন একটা রিপোর্টে পড়েছিলাম আমাদের দেশে একজন ডাক্টার গড়ে একজন রুগীকে ৫৬ সেকেন্ড!!! সময় দেন)।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: এই সমস্যা যতটুকু ফিজিওলজিকাল তার চেয়ে বেশি সাইকোলজিকাল --- সম্পূর্ণ একমত ।

কিন্তু আমরা তো ওষুধ লিখেই দায় দায়িত্ব খাল্লাস করতে ব্যস্ত এই বাংলাদেশে !

কাউন্সেলিং ও যৌণ শিক্ষা তাই অতীব জরুরী।

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: জ্যাডা , আপনি?

অনেক দিন বাচপেন। আপনারে স্বপ্নে দেখিসি কাইল।

৩১. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৫
স্নিগ বলেছেন: সাহসী লেখা।সিরিজ করতে পারেন।প্রায় সবারই এ সম্পর্কে জানার পরিধি কম।নেট ইউজারদের একটা মুষ্টিমেয় অংশ ব্লগিং করে।তারপরও অল্প করেই শুরু হোক।+
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । সিরিজের কথা বলতে পারি না । এম বি বি এস এর কেউ করলে বেটার হয় মনে হয়!

৩২. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আবুল মনসুর আহমদের পরিবার পরিকল্পনা একটা অতি উপকারী বই। বিবাহপ্রত্যাশী যে কোনো যুবকের জন্য এটা একটা অবশ্যপাঠ্য বই। তবে বইটি পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ; আমি আজ থেকে ২৩ বছর আগে পড়েছি। ডাঃ নুরুল ইসলামেরও যৌন সমস্যা বা এ রকম নামের একটা ভালো বই আছে। আরেকটা বই আছে, সম্ভবত নাম যৌন শিক্ষা, ১ম-৩য় খণ্ড- খুবই ব্যবহারিক জ্ঞানের বই। বিদ্যুৎ মিত্রের যৌন বিজ্ঞানও বেশ ভালো প্রাইমারি শিক্ষার জন্য।

সঠিক যৌনজ্ঞান দাম্পত্যজীবনকে মধুময় করে। তবে, সঙ্গিনীর প্রতি মমত্ববোধ না থাকলে বিদ্যার জাহাজ হলেও কোনো লাভ নেই, স্বার্থপরের মতো নিজের ক্ষুধাই মেটাবে শুধু, সঙ্গিনীর কথা না ভেবে। স্টেমিনা আসে ধৈর্য্য থেকে। পুরুষকে ধৈর্য্যের আধার হতে হবে।

ভালো বিষয়ের উপর লিখেছেন। গড়পড়তা আমাদের শিক্ষিত ছেলেরা আজকাল এসব যৌন বিষয়ে ভালো জ্ঞানই রাখেন। কিন্তু সবচেয়ে ভুক্তভোগী অশিক্ষিতের বউয়েরা, যারা অনেকেই সারা জীবনে অর্গাজম কী জিনিস তা তো জানেই না, অধিকন্তু, ৩-৪ মিনিটের চেয়ে বেশি সময় ধরে সঙ্গমের কোনো অভিজ্ঞতাই তাদের অনেকের হয় না; ঘণ্টার পর ঘণ্টা সুদীর্ঘ ধরে সঙ্গমের কথা তারা কল্পনাও করতে পারে না:(:(:(
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: দারুন সব তথ্য দিলেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০০
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
আর একটা মজার বিষয় খেয়াল করলাম মন্তব্যে সেক্স এডুকেশনের কত অভাব আমাদের দেশে।

ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: দূর্যোধনের হাত বলেছেন: @ঢাকাইয়া টোকাই
কটাক্ষ কর্লেন সিনিওর কৈয়া ? :|
আমি জানিনা আপনি ছেলে না মেয়েকে সার্ট্রালিন দেন ,কিন্ত মহিলাদের যে সার্ট্রালিনের যৌন ইচ্ছা কমে যায় (লিবিডো ) ,তা নিশ্চই জানেন ![/sb

অবশ্যই ছেলেদের কে দেই। কারন মেয়েদের যে বিজ্রপাত হয় তা আমার জানা ছিল না।

আমি কটাক্ষ করি নাই। মজা করছি।

অর্গাজম শব্দটকে আমরা কিভাবে এড়িয়ে যাই...
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: আমার কিছু বলার নাই।

৩৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৯
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাইপার ভিটামিনোসিস - ই বেশি প্রচলিত ও সঠিক।

হাইপার মানে বেশি (যেমন হাইপারঅ্যাকটিভ- বেশি অ্যাকটিভ)... হাইপো মানে কম। হাইপোভিটামিনোসিস হবে। স্যরি সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক করা হয়ে গেল।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ব্যাপার না ।

৩৫. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১২
বিবেকহীন বলেছেন: এককান কতা আছিলো। সেক্সুয়াল এডুকেশন আইছে খুব বেশি দিন কিন্তু অয় ন। আমরা বাঙ্গালরাতো এইটা আরো কম জানি। তাইলে আদি যুগের মানুষ গুলা কি এই ক্ষেত্রে প্রায়ই ভুল কইরত? নাকি সেক্সুয়ালিটির নিউ এইজের কারনে জ্ঞানটা জরুরী মনে করেন? বিভিন্ন কারনে (মানসিক, শারিরিক) বিষয়ডারে অস্বাভাবিক ভাবে নেয়ার কারনে ভুল হয়, এইডা কি ঠিক? আর আই যদ্দুর হুইনছি, বিয়ার হরে ফ্যামিলির সিনিয়র বা অভিজ্ঞদের কাছ থেকেই পোলা-মাইয়ারা এইসব জ্ঞান লাভ করে, এইডা কি ঠিক? আন্নের ঐ জুনিয়র পোলা সময় হওনের আগে (বিয়া) করার কারনে ভুল ধারনা তৈরি হইছে, উনিও এইডারে অস্বাভাবিকভাবে নিছিলো মনে অয়। হ্যাতেনরে ভাইটামিন দেওনটা ঠিক মনে হইছে। জনস্বার্থে কয়েকটা লিঙ্ক দিতে হাইরতেন।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: সেক্সুয়াল এডুকেশন আইছে খুব বেশি দিন কিন্তু অয় ন। আমরা বাঙ্গালরাতো এইটা আরো কম জানি। তাইলে আদি যুগের মানুষ গুলা কি এই ক্ষেত্রে প্রায়ই ভুল কইরত? নাকি সেক্সুয়ালিটির নিউ এইজের কারনে জ্ঞানটা জরুরী মনে করেন?

---------- অনেক লম্বা করে উত্তর দেওয়া যাইত কিন্তু তার আগে আপনি আগের দিনের মাতৃ মৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার গুলো আজকের হারের সাথে তুলনা করে একটু দেখেন।

আমার মনে হয় আপনার উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন।
আগের দিনের যৌনতা জনিত কিংবা রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম জনিত রোগ , জটিলতায় মৃত্যুর হারের সাথে বর্তমানের হার মিলিয়ে দেখুন , তাহলেই বুঝবেন ---

কেন সেক্স এডুকেশন দরকার ।

বাই দা ওয়ে , ধর্মও কিন্তু এক ধরনের সেক্স এডুকেশন । ধর্ম নিজে সেক্স নিয়ে কম আলোচনা করে নাই, বরং অনেক অনেক বেশি করেছে । আপনি কি বলেন?

ধর্ম পৃথিবীতে কবে আসছে?

সুতরাং , সেক্স এডুকেশন অল্প দিন হইলো আসছে, আপনার এই ধারণাটা ভীষণ ভাবে ভুল।

বাৎসায়নের কামসূত্র এক ধরনের গবেষণা পত্র । এইটা লেখা ও শিক্ষা দেওয়ার কালটা কতদিন আগে ছিলো?

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৫
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে ।

স্পষ্টতই সে সবগুলো ভিটামিন খেয়েছে আর তাই ভিটামিনের অভাব হওয়ার হাত থেকে সে বেঁচে গেল। আমি এখানে হাইপো হবে বলেছি।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আমি মনে হয় বুঝতে ভুল করেছি । যাক গে, এইটা ব্যাপার না।

৩৯. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩০
জেরী বলেছেন: +++
দরকারী ও জানার মত পোস্ট
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেলিবু

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ুম্ম

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪২. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৫
ভোরের তারা বলেছেন: জরুরী পোষ্ট। সরকার এই ব্যপারে কেন এখনও চুপ বুঝিনা।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা।

আমরা চুপ তাই তারাও চুপ মনে হয়।

৪৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৭
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
কিন্তু আমরা তো ওষুধ লিখেই দায় দায়িত্ব খাল্লাস করতে ব্যস্ত এই বাংলাদেশে ! কাউন্সেলিং ও যৌণ শিক্ষা তাই অতীব জরুরী।

আপনি পেশাগত জীবনে ডাক্তার কিনা জানিনা। ডাক্তারদের পেশেন্ট কাউন্সিলিং-এর সময় নেই। এই এলিট শ্রেনীটি ইদানিংকালে চরমভাবে দূর্নীতিগ্রস্ত (আমি খুবই দুঃখিত যদি কাউকে আঘাত করে থাকি)। কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী ডাক্তার কমিউনিটিকে নগদ নারায়নের লোভ দেখিয়ে বশ করেছে (এন্টি-ডায়াবেটিক ও এন্টি-হাইপারটেনসিভ ড্রাগ মার্কেট সম্পর্কে যদি আপনার ধারণা থাকে তাহলে আমার বক্তব্যের সত্যতা বুঝতে পারবেন)। যতদিনে দেশে কমিউনিটি ফার্মেসী বা হসপিটাল ফার্মেসীকে ইনট্রিডিউস না করা যাবে এ সমস্যা থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি বিষয়টিকে কোন গুরুত্ব দেয়নি। খসড়া স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে আমরা অনেক হাতি-ঘোড়া মারার চেষ্টা করেছি... কিছু করে উঠতে পারিনি।

সেক্স এডুকেশন, অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। কিন্তু এটা নিয়ে কে কথা বলবে? এটা নিয়ে কথা বললে আপনি মহাপাতক, অছ্যুৎ-এ পরিনত হবেন। যদি সরকার এটা নিয়ে সামনে এগুতে চায় কাঠমোল্লা আর তথাকথিত ধর্মীয় লেবাসধারী ইসলাম রক্ষকদের জন্য তারা নিশ্চিৎ ব্যর্থ হবে; এমনকি সরকারের গদি নিয়ে টানাটানি পরে যাওয়াও অসম্ভব কিছু নয়।

সেক্স ইজ এ ম্যাটার হুইচ ক্যান বি ডান ইনসাইড দ্য হাউজ আপন এ বেড, ইউ ক্যান্ট আটার ইট ইনফ্রন্ট অব পিপল।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: জ্বি, আমি একজন ডাক্তার ।
তবে, নিজ পেশার লোকজনের দুর্নীতিকে লুকানোর চেষ্টা করি না । বরং, জানি বলেই সোচ্চার ।
মাল্টিন্যাশনাল ফার্মা দ্বারা ডাক্তার কমিউনিটিকে দিয়ে বিশ্ব জুড়ে শুধু ওষুধই লেখানো হয় না, আরো অনেক অণৈতিক কাজ করানো হয়। এর ভিতর রিসার্চ আছে । লুকিয়ে চুরিয়ে ড্রাগ ট্রায়াল আছে । আছে অনেক কিছুই । সুতরাং, আপনি যা বললেন , তা নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নাই।

বাকি কথার সাথেও একমত । সরকার নিজে থেকে কিছু করার রিস্ক নেবে না ।

জনমতের চাপ হিসেবে দেখাতে পারলে কিছু করতে পারে।

৪৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১২
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: দরকারী পোস্ট।

মানুষ বলেছেন: "বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে তাকালে মনে হবে বুঝি এই দেশের সমস্ত পুরুষ দ্রুত স্থলন এবং আগা মোটা গোড়া চিকন রোগে আক্রান্ত। যেদিকে তাকাই শুধু চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞদের (!) বিজ্ঞাপন"

এই ব্যপারটা আলোচনার দাবী রাখে
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: একমত

৪৫. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৪
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: comment by: জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাইপার ভিটামিনোসিস - ই বেশি প্রচলিত ও সঠিক।

হাইপার মানে বেশি (যেমন হাইপারঅ্যাকটিভ- বেশি অ্যাকটিভ)... হাইপো মানে কম। হাইপোভিটামিনোসিস হবে। স্যরি সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক করা হয়ে গেল।


এইখানে হাইপার হবে ;)


আর .....
স্পষ্টতই সে সবগুলো ভিটামিন খেয়েছে আর তাই ভিটামিনের অভাব হওয়ার হাত থেকে সে বেঁচে গেল। আমি এখানে হাইপো হবে বলেছি।



কেমনে কি ????? ;) ;)
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এই পোস্টে এই ব্যাপারটা খুব একটা জরুরী না । এই নিয়ে মন্তব্যের ফলে আসল বক্তব্য থেকে ফোকাস সরে যাচ্ছে ।

ভিটামিন খেয়েছে বলে (হাইপো) ভিটামিনোসিসের হাত থেকে বেচে অতিরিক্ত ভিটামিন বা (হাইপার) ভিটামিনোসিসের ঝুঁকিতে পড়তে পারত কিন্তু ওষুধে ভেজাল থাকার কারণে সেইটা হয়নি। ---- এই রকম একটা কিছু হইতে পারে।

আমার মনে হয় আমরা যে যার মত করে চিন্তা করছি বলে কেউ কাউকে বুঝতে পারছি না । কিন্তু তারপরেও , এই হাইপো আর হাইপার নিয়ে তর্ক থামা উচিত । মূল পোস্টের সাথে এর তেমন কোন সম্পর্ক নেই।

আশা করি , অনুরোধটা রাখবেন।

৪৬. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২০
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: যাই হৌক ........ আরো বিশদ আলুচনা দর্কার :) পিলাচ
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ । আশা করছি মূল বক্তব্য নিয়ে আলোচনা চলবে।

৪৭. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২৭
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: হমমমম আমার এক দোস্ত কইসিলো যেইভাবেই হোক আপনার লেখার বিরোধিতা করতে , তাই মনোযোগ দিয়া পরলাম . এখন বিরোধিতা করতে পারুম না ..করণ পোষ্ট তা অসাধারণ ....আবার পরুম দেখি কিছু ভুল বাহির করা যায় কিনা ! বন্ধুর কথাও তো রাখতে হয় তাই না !!
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সেই বন্ধুকে ধন্যবাদ । বিরোধিতা করতে না বললে কি এত মনযোগী পাঠক পেতাম?

৪৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৩০
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
@ দূর্যোধনের হাত ,

এখানে লেখক দুবার ভিটামিনোসিস শব্দটি ব্যাবহার করেছেন;


** একজায়গায় হবে হাইপার-

আর আমি ভাবছি - ভিটামিনও একটা ওষুধ । এক সাথে এক গাদা খেলে ভিটামিনোসিস নামক বিষক্রিয়াতে না আক্রান্ত হয়!

** অন্যটিতে হবে হাইপো-

কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে ।

** এভাবে পড়ুন-

কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনের অভাবজনীত রোগ-এর হাত থেকে বেঁচে গেছে ।

### হাইপোভিটামিনোসিস = ভিটামিনের অভাবজনীত রোগ
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৫০. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৩৬
সাধারণমানুষ বলেছেন: পোষ্ট + এর কমেন্ট থেকে অনেক কিছু জানলাম :) আশা করি ভবিষ্যতে কাজে দিবে
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । অন্যদেরকেও জানানোর ব্যাপারে সাহায্য করুন।

৫১. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আমার কথায় হাসলেন ক্যান?
আমি কি হাসির কথা কইছি?

বাই দ্য ওয়ে, আপ্নের কন্যার খবর কি? ;)
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: হাসি পাইলো তাই হাসলাম ।

আমার কন্যা! কি আর কবো রে ভাই। বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপতিই এই রকম কোন স্বপ্ন না দেখায় বিষয়টা কেবল পিছিয়েই যাচ্ছে । /:) /:) /:) /:)

৫২. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪০
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: জনমতের চাপ হিসেবে দেখাতে পারলে কিছু করতে পারে।

জনমত কেন আপনার আমার পাশে আসবে?

আপনি কোন মেয়কে প্রশ্ন করুন যৌনতা বিষয়ে, সে মুখ লুকাবে। কোন ছেলেকে বললে তার সামনে এটি ফ্যাক্ট হিসেবে না এসে একধরণের সুরসুরে অনুভুতি হিসেবে আসবে। বাবা-মা'রা বিষয়টাকে এড়িয়ে যেতে পারলে বাঁচে। বিয়ের রাতে মেয়েকে মা বা দাদি স্থানীয় কেউ কিছু পরামর্শ দেবেন আর ছেলেকে তার বন্ধুরা কিছু আদি রসাত্মক মাল মশলার যোগান। বিয়ে পরবর্তী দিন মা বা দাদি চুপিচুপি প্রশ্ন করবেন; জামাই আদর করে কিনা।

কারা শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব নেবে?
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ুমমমমম , তাও তো কথা!

৫৩. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪১
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টোকাই ।

আপনি কোন মেডিকেলের ? [/sb

আমি জার্মানির একটি মেডিকেল থেকে সদ্য পাশ করলাম।
নামটা ব্লগে দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত। একটু বেশি খোলাশা হইয়া যায়
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: খাইসে! এইটা তো আরো( বেশি দেওয়া উচিত রে ভাই! আপনি কি চান না আর কেউ এই সুযোগ পাক?

৫৪. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @হেমা- (৪৩নং এর প্রেক্ষিতে)- কিছু ফার্মাসিউটিকাল না সব ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানীই এই মেথড ফলো করে এখন। ডাক্তারদের পেছনে টাকা পয়সা ইনভেস্ট করে মোটামুটি কিনে ফেলে। প্রায় ৯০% ডাক্তারের ক্ষেত্রেই এই কথাটা ধ্রুব সত্যের মত দাঁড়ায়া গেছে :(, আমি জানি কজ আমিও প্রায় আড়াই বছর ফার্মাসিউটিকাল কোং এ কাজ কর্ছি।

ছোট্ট একটা উদাহরণ দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছি না।

মেডিনোভায় বসেন, বিএসএমএমইউ এর একজন উচ্চপদধারী প্রফেসর আছেন। দিনে (আসলে বিকাল ৫টা থেকে রাত ১২টার ভিতরে) ৫০ নতুন, এরাউন্ড ৩৫ পুরানো রোগী দেখেন। তার প্রেসক্রিপশনে তিনটা কোম্পানীর ওষুধ ১,২,৩ এই সিরিয়ালে থাকে। এবং সেটা তার এক্সপার্টাইজ রিলেটেড না। মানে সেগুলো অক্সিলারী ওষুধ। এই তিনটা ওষুধ লেখার কারণ এই তিনটা কোং তাকে মাসিক হিসেবে পে করে। এবং পেমেন্টের বেশী কমের উপর ভিত্তি করে ওষুধের সিরিয়াল। আমি এতকথা জানি কারণ, আমি তাকে আমাদের কোং এর ফার্স্ট এভার ইন বাংলাদেশ, এবং তার এক্সপার্টাইজের অন্যতম প্রথম চয়েজের ড্রাগ নিয়ে এপ্রোচ করেও লিখাতে পারি নি কারণ আমদের কোং প্রাথমিক ভাবে ডাক্তারের পিছনে ইনভেস্টের পক্ষে ছিলো না।

সরি অপ্রাসঙ্গিক আলোচনার জন্য।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ।

এই রকম কত গল্প যে জানি!

৫৫. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৬
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?

আচ্ছা এই কোর্সে কি প্র্যাকটিকাল থাকবে ২০ মার্কের :P
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: থাকতে পারে । প্লাস্টিকের ডামির উপর।

আপনি তাই চান?

আমার অবশ্য বাংলা আর ইংরেজিতে প্র্যাকটিকাল রাখার ইচ্ছা । আই ই এল টি এস এর মত লিসেনিং আর স্পিকিং টেস্ট হওয়া উচিত ।

৫৬. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমাদের দেশের মায়েরা হয়তো সামান্য কিছু জ্ঞান দেন মেয়েদের প্রথম মাসিক হওয়ার সময়। তবে ছেলেরা একেবারেই অজ্ঞ থাকে এসব বিষয়ে। ফলে কুশিক্ষার পাকে-চক্রে পড়ে যায়। ৬০ ফোটা রক্তে ১ ফোটা বীর্য - এরকম কথা আমাদের মৌলানারা হরহামেষাই প্রচার করেন। যে কোন কিশোরই একই সাথে ভয় আর অপরাধ বোধে ভূগে বীর্য স্খলন (ন্বদোষ) অথবা মাষ্টারবেশনে। আমাদের একজন বন্ধু আছে যাকে আমরা এখনও মাঝে-মধ্যে ক্ষ্যাপাই 'টপসি' বলে। বেচারা এরকম কোন ঘটনা ঘটলে বেশী করে ডিম-দূধ নিদেন পক্ষে টপসি (সেই আমলের জনপ্রিয় জুস) খেতো হারানো শৌর্য-বীর্য পূনরুদ্ধারের জন্য। কুশিক্ষার আরেকটি মাধ্যম হলো পর্নো ছবি। ছবির সুপারম্যানদের দেখে সবাই সেরকম হতে চায়। সেখানে যে ক্যামেরার কারুকাজ, ১০ ঘন্টায় ধারণ করা ছবিকে এডিট করে ৩০ মিনিটে নামিয়ে আনা বা স্প্রে বা এজাতীয় কিছু ব্যবহার করা হয় সেটা বোঝার মতো মানসিকতা আসলে তখন কারো থাকে না।

তবে যৌন শিক্ষার ব্যাপারটা নিয়ে বেশ কিছু চিন্তাভাবনার ব্যাপার আছে। শিক্ষাটা এমনভাবে হওয়া দরকার যাতে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা অতি আগ্রহী হয়ে না উঠে। পাশ্চাত্যে টিন এজ প্রেগন্যান্সি কিন্তু একটা বড় সমস্যা।

তবে সেক্স ব্যাপারটি পূরোটাই মনো-দৈহিক। দেহগত ব্যাপারটি আসলে নিয়ন্ত্রণ করে মন। একজন ষ্টেডি পার্টনারের সাথে সেক্স আর ব্লাইন্ড ডেটের সাথে সেক্স এর তারতম্য খুবই স্বাভাবিক।

ধন্যবাদ পোষ্ট এর জন্য।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: তবে যৌন শিক্ষার ব্যাপারটা নিয়ে বেশ কিছু চিন্তাভাবনার ব্যাপার আছে। শিক্ষাটা এমনভাবে হওয়া দরকার যাতে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা অতি আগ্রহী হয়ে না উঠে। পাশ্চাত্যে টিন এজ প্রেগন্যান্সি কিন্তু একটা বড় সমস্যা। ---- বাকি কথার সাথে একমত । শুধু এই জায়গাটাতে একটু ভুল ভাঙিয়ে দিতে চাই।

টিন প্রেগ্নেন্সির কারণ কিন্তু সেক্স এডুকেশন নয় । বরং , ফলাফল।

৫৭. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০১
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: কিছুদিন আগে জিওগ্রাফি চ্যানেলে একটা অনুষ্ঠান দেখালম ..তারা প্রাচীন তুক তাক অষুধের উপর গবেষণা চালাচ্ছে ...দেখা গেছে যে আদা নাকি ক্ষমতা বাড়ায়? এটি নিচের লাইন প্রসঙ্গে বলা

দ্বিতীয়ত, এই ছেলেটি যথেষ্ট শিক্ষিত, মুক্তমনা ও যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী । সুতরাং , ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যা --- গবেষণা করে বলতে চান?
দুঃখিত , বাংলাদেশে এমন বিদ্বান গবেষকের কথা আমি জানি না।

৫৮. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০১
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
@ কাভু, বিষয়গুলা আমার জানা আর পিএমডিতে থাকায় মোটামুটি কাছ থিকাই দেখছি। মাসে আমাদের ২/৩টা মার্কেট ভিজিট থাকতো। শুধু ঢাকানা, সব জায়গার চিত্র এক, প্রায় সব জায়গার।

একটা এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করার লোভ সামলাইতে পারলামনা। রাজশাহী গেছি ভিজিটে, এক ডাক্তার মোটামুটি পেরিফেরীতে বসে, সকাল ৬টা থিকা পেশেন্ট দেখা শুরু করে, দিনে ১০০-র উপরে পেশেন্ট!! আমাগো একটা এন্টিবায়োটিক; সেফিক্সিম তারে দিয়া লিখাইতে চাইছি। সে প্রতিবছর তার নাতনীরে নিয়া নেপাল যায়, দুইজনার যাওনের ব্যাবস্থা করলে মাসে ১০০ প্রেশক্রিপশন দিবো। আমার আগের কোম্পানী পলিসিতে না থাকায় এই জনকল্যানমূলক সেবা সেই ডাক্তাররে দিতে পারিনাই। শেষে রফা হইলো একটা জিএফসি ফ্যান (দাম ৪০০০ টাকা)।

চট্টগ্রামে এক ডাক্তার পাইছিলাম যে এমনকি কোন ফিজিশিয়ান স্যাম্পলও নেয়না, টাকা পয়সা বা গিফটতো নেয়ইনা। তারে আমার পুরা ফেরেশ্তা মনে হইছে।

সরি অপ্রাসঙ্গিক আলোচনার জন্য।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: দুই রকম চিত্রই তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ।

০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬০. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৫
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: যারা এই সব নোংরা পথে কিছু শিখতে পছন্দ করেন না , তাদের জন্য কি কোন ভিন্ন পরিষ্কার পথ খোলা আছে? সার্বিক ভাবে - নাহ।

নোংরা পথ কোন গুলা ???/ জবাব চাই ....

আদি রসাত্বক সাহিত্য , নিল ছবি এগুলা কেমনে নোংরা
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনি কি বাংলাদেশে একজনকেও চিনেন না - যারা আদি রসাত্বক সাহিত্য , নিল ছবিকে নোংরা বলে বিশ্বাস করে?

৬১. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: রাষ্ট্রপতিরে দিয়া কাম কি? অন্তত একজন ভাবী প্রধানমন্ত্রী তো আগ্রহ দেখাইছে ;)

বিনিময়ে আপ্নেরে স্বাস্থ্য এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদ মর্যাদায়) নিয়োগ করা হইবে। :)
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: া হা হা হা , এইটা পছন্দ হইসে। উত্তম জাঝা।

৬২. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৩
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: View this link এই লিঙ্ক সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে হইবেক
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: ঐখানে আমার আগে অনেকেই ভালো ভালো তথ্যমূলক মন্তব্য দিয়েছেন। আমার না গেলেও চলত আসলে । বেশ কিছু অসহায় গোষ্ঠীকে ভয়াবহ অপমান করা হয়েছে।
আর নিজের বক্তব্যের সপক্ষে কোন তথ্য সূত্র নাই।

এইটা অনেকটা ," আমি বলেছি , তাই সঠিক " গোত্রের পোস্ট । প্রধান্মন্ত্রীর নির্দেশে ঈদের চাঁদ না দেখাই ভালো মনে হয়।

৬৩. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৫৪
দ্রীঘাংচু বলেছেন: @হেমা- আম্মো পাইছিলাম খোদ ঢাকা শহরেই এক ডাক্তার যে কিচ্ছু নিবার চায় না, শুদু লিটারেচার লয়। আর তার কাছে যদি অপশন্থাকে তৈলে যেই লিটারেচার দিয়া ভিজিটাইবো হের প্রডাক্ট লেখনের।
আবার এরামো দেখছি নারানগন্জের সাধারণ এলেমেফ ডাক্তার্রে মাসে মাসে টেকা দিতে।
খারাপো আছে ভালাও আছে। সব মিলায়াই দুইন্যা। তয় ভালারা রেয়ার স্পিসিস। :)
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: শুধু লিটারেচার মানে?

একটু বিস্তারিত বলবেন? কিসের লিটারেচার?

৬৪. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১:০৮
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: দুঃখিত , বাংলাদেশে এমন বিদ্বান গবেষকের কথা আমি জানি না।

ইউনানী বা আয়ুর্বেদিক মেডিসিন নিয়ে Jahangir Nagar ইউনির কিছু ছেলেপেলে এবং এক স্যার কাজ করেন।

ফাইটোকেমেস্ট্রি নিয়ে অনেক কাজ হয়, আমি জানি। আমার নিজেরই তিনটা কাজ আছে, জার্নালে ৩টা পাবলিকেশন আছে। কিন্তু এসকল স্টাডি সরাসরি ইউনানী বা আয়ুর্বেদিক মেডিসিনকে রিপ্রেজেন্ট করেনা।

কবিরাজী মেডিসিন নিয়ে বলতে পারবোনা তবে তুকতাক মানে ফোক মেডিসিন নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: কিন্তু এসকল স্টাডি সরাসরি ইউনানী বা আয়ুর্বেদিক মেডিসিনকে রিপ্রেজেন্ট করেনা-- নিজেই তো বুঝেন । আমি আর কি বলবো?

রাস্তাঘাটে কিংবা দোকানে , অফিসে বসে যারা মানুষের চিকিৎসা করেন, তাদের কয়জন গবেষনা করেন?

আর ব্যাতিক্রম কেন উদাহরণ হবে?

৬৫. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:০৪
বিবেকহীন বলেছেন: জন্মদানে নারী ও শিশু মৃত্যুর লগে সেক্সুয়ালিটির সরাসরি কোন সম্পর্ক আছে নি? ধর্মের সেক্সুয়াল বিষয় গুলা আঁই তেমন জানি না, জানার সুযোগও আসে নাই।:| ভালা লাইগলো কয়েকজন ডাক্তররে দেই। আন্নেরাতো এই বিষয়ে এককান জ্ঞানী সিরিজ দিতেন হারেন। প্রয়োজনে ধর্মের লগে তুলনা করি। এতে আস্তিক, নাস্তিক, আম্বালীগ, বিএনপি আর জামাইত্যাগোও বুঝনের সুযোগ অইবো। দেশে অন সঠিক চরিত্রের সংকট চরমে।

আন্নের মন্তব্যের লাই ধইন্যবাদ
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: নারে ভাই ,
সরাসরি সম্পর্ক কেন থাকবে ! আমারই ভুল ! আমি জানতাম না ,

মুখে ব্যথা হলে আপনি মুখ দিয়ে ,
পায়ে ব্যথা হলে পা কেটে পায়ের ভিতর দিয়ে ,
কোমরে ব্যথা হলে পেট কেটে কোমরে ,
মাথায় ব্যথা হলে খুলি ফুটা করে সরাসরি মগজে ব্যথার ট্যাব্লেট নাপা নিয়ে থাকেন।

স্বীকার করতেই হচ্ছে , সেক্স্যুয়ালিটির সাথে মাতৃত্বের কিংবা শিশু জন্মের আসলে আপনার অষুধ নেওয়ার মতন - তেমন সরাসরি কোন সম্পর্ক নাই । (জোকিং)
------------------------------

তাইলে আদি যুগের মানুষ গুলা কি এই ক্ষেত্রে প্রায়ই ভুল কইরত?

--- ভুলের কারণে মৃত্যু কেমনে হইত সেইটা বুঝবেন ভেবেছিলাম। বাল্যবিবাহ যে ভুল , এইটা কি আপনি মনে করেন না?

কোন বয়সে মানুষের শরীর ও মন সেক্সের জন্য রেডি হয় , তার আগে করা উচিত না - এই গুলা নিয়া ভ্রান্ত ধারণা আদি যুগে ছিলো এইটা কি আপনি জানেন না?

যৌণ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভার্জিন ধর্ষণ জাতীয় কুসংস্কার ছিলো ( আফ্রিকাতে এখনো আছে) এইটা জানেন না?

নাকি সেক্সুয়ালিটির নিউ এইজের কারনে জ্ঞানটা জরুরী মনে করেন?

সেক্সুয়ালিটি নিউ এইজ জিনিস? হা হা হা হা হা হা হা । আমি তো জানতাম সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি হইলো জগতের সব থেকে পুরানা বিষয় । সেই মানব সভ্যতার শুরু থেকেই এই নিয়ে চর্চা চলছে।

বরং ইতিহাস বলে , যেই সব এজে মানুষ খোলাখুলি কথা বলতে পেরেছে , সেই সব এইজেই ভুল চুক কম হয়েছে । যৌণ শিক্ষা আর অবাধ যৌণতা কিন্তু এক বিষয় না । ফ্রি এডুকেশন আর ফ্রি সেক্স যেমন এক বিষয় না ।

সঠিক জ্ঞান জরুরী কারণ সেক্স ছিলো , আছে , থাকবে ।

বিভিন্ন কারনে (মানসিক, শারিরিক) বিষয়ডারে অস্বাভাবিক ভাবে নেয়ার কারনে ভুল হয়, এইডা কি ঠিক?

--- হ্যাঁ ঠিক। রিসার্চ ডাটা তো তাই বলে।

জন্মদানে নারী ও শিশু মৃত্যুর লগে সেক্সুয়ালিটির সরাসরি কোন সম্পর্ক আছে নি? ধর্মের সেক্সুয়াল বিষয় গুলা আঁই তেমন জানি না, জানার সুযোগও আসে নাই।

স্বজাতির করোটি খুড়ে লেখার অভ্যাস থাকা সত্ত্বেও আপনি কিছুই জানেন না?

এগুলো নিয়ে ধর্মে যা বলা আছে , সেইগুলা কি জীবনেও পড়েন নাই? অবাধ যৌনতা নিয়ে যে সব বিধি নিষেধ ধর্মে আছে , সেই বিধি নিষেধ গুলা সেক্স এডুকেশনেরও অংশ , এইটাও জানে না ?

থাক , বেশি খুলে বলতে চাই না । কান টানলে ডাইনোসর এসে পড়বে ।

৬৬. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:১৭
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
শুধু লিটারেচার মানে?

লিটারেচার মানে কার্ড, যেখানে প্রোডাক্টের নাম সহ কিছু ফিচার থাকে। কিছু ইনফরমেশন থাকে। অনেকে ফ্ল্যাশ কার্ডও বলে।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা । ভেবেছিলাম উনি পুরা রিসার্চ পেপারই চাইতেন কিনা । এইটাই চাওয়া উচিত সকল ডাক্তারের ।

ফার্মা গুলা কোন কিছুকে ভালো বললেই তা মেনে নেওয়া উচিত না । এই ভাবে অন্ধের মত নতুন ওষুধ লেখার পরে অনেক ওষুধকে বাজার থেকে সরিয়ে নিতে হয়েছে । আমি কাজ করার সময়েই কিডনী অকেজো করে দেয় এমন একটা পেইন কিলারকে উঠিয়ে নিতে হয়েছিলো।

ফার্মাটি হিউমেন ট্রায়ালে বয়স্ক মানুষের উপর মনে হয় এই ট্রায়াল করে নাই। ওষুধের প্রি মার্কেটিং পেরিয়ডের প্রুফ দেওয়া আরো কঠিন করা উচিত। ( স্টেজ ত্রি ক্লিনিকাল ট্রায়াল)

৬৭. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৩৩
দেশী পোলা বলেছেন: আপ্নে দাঁতের ডাক্তারী ছাইড়া দিয়া চর্ম ও যৌন চিকিৎসা শুরু করলেন কবে?

অফ টপিক: বাংলাদেশে চর্ম ও যৌন বিভাগ এক জায়গায় কেন? এদের কানেকশনটা কৈ? নাক কান গলার কানেকশন আছে বুঝি, চর্ম ও যৌন বিভাগ এক করার মাজেজা বুজলাম না
০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:২৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা , আমি কেমনে কমু?

চিকিৎসা শুরু করি নাই তো ! আমি তো কথা বলিতেছি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যৌণ শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি নিয়া ।

আপনে মিয়া পোস্ট না পইড়াই মন্তব্য করেন । X(

৬৮. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৫২
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: দেশী পোলা বলেছেন: আপ্নে দাঁতের ডাক্তারী ছাইড়া দিয়া চর্ম ও যৌন চিকিৎসা শুরু করলেন কবে?

অফ টপিক: বাংলাদেশে চর্ম ও যৌন বিভাগ এক জায়গায় কেন? এদের কানেকশনটা কৈ? নাক কান গলার কানেকশন আছে বুঝি, চর্ম ও যৌন বিভাগ এক করার মাজেজা বুজলাম না [/sb

শুধু বাংলাদেশে নয় প্রিথিবির বেশিরভাগ দেশেই যৌন রোগের বিষেশোগ্য রা চর্ম রোগের ও বিশেষোগ্য হয়ে থাকেন। কারন অনেক যৌন রোগের সিম্পটোম স্কিনে দেখা দেয়। ।
০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:২৬

লেখক বলেছেন: অসুবিধা নাই । স্পেশালাইজেশন আরো হাই হয়ে গেলে তখন হয়ত চর্ম ও যৌণ বিভাগ আলাদা হয়ে , চর্ম , কর্ম ও যৌণ ৩ টা আলাদা বিভাগ হয়ে যাবে।

৬৯. ০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:৪৩
'লেনিন' বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। আমার অভিজ্ঞতা অবশ্য ভিন্ন। বাবা কলেজের অধ্যক্ষ হওয়াতে অনেক অনেক ছোটবেলাতেই সব শ্রেণীর বই-পত্র দেখে ফেলেছিলাম। তো ক্লাস ফোর/ফাইভেই উচ্চমাধ্যমিকের বায়োলজি বই পড়া হয়ে গিয়েছিলো। সেখানে তো জননাঙ্গের বিষয়ে বিস্তারিতই ছিলো। বইটি ছিলো তপন-হাসান-চৌধুরি লিখিত। কলেজে অনেক সময় আমার বিষয়ের ক্লাস না থাকলে বায়োলজি ক্লাসে বসা হতো, যেহেতু সংখ্যাগরিষ্ঠের বিষয়ই বায়োলজি ছিলো। সেখানে আমাদের বায়োলজি ম্যাডাম খুবই গুরুত্ব সহকারে এই বিষয় পড়াতেন লক্ষ্য করেছি।

আপনার বন্ধুকে হাইপার ভিটামিনোসিস থেকে রক্ষার জন্য অন্তত বলতে পারতেন, যদি ভিটামিনগুলো খেতেই হয় তবে এই এই গুলো একই গোত্রের সুতরাং একটা খেলে অন্যটা বাদ দিতে। এভাবে কিছুটা হলেও তাকে বিশ্বাস করাতে পারতেন আপনার দু'পাতার বিদ্যা। :)

পোস্টে একটাও মাইনাস পড়েনি অভাবিত অবস্থা!

০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: পড়েছে একটা। আমার কোন মন্তব্যের আক্রোশ এইখানে এসে ঝেড়ে গেলো হয়ত !
হে হে হে

যাক সে সব, আপনার কি করে ধারণা হইলো সে কথা আমি তাহাকে বলি নাই! ওইটাই তো প্রথম বলেছি। অর্থনীতি হইলো সবচেয়ে বড় নীতি ।

বললাম, টাকা নষ্ট হবে, একই জিনিস । আমার বিদ্যা জাহির করতে মাল্টি ভিটামিনের কোন কোম্পানির বোতলে, কোন ভিটামিন , কত পরিমাণে থাকে , দৈনিক কত দরকার তাও বলে দিয়েছিলাম। কাজ হয় নাই।

আপনাকে বুঝতে হবে, তার যেই "সমস্যা" ছিলো , সেই সমস্যার কাছে জগৎ সংসার সব তুচ্ছ ।

একটা মজার বিষয় কি জানেন ?

সিগারেট যৌণ ক্ষমতা কমায় আর ক্ষুধা কমিয়ে শুকাতে সাহায্য করে - রিসার্চে এইটা বের হওয়ার পরে ছেলেরা সিগারেট খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে আর মেয়েরা বাড়িয়ে দিয়েছে। ( বাংলাদেশে না , বিদেশের ডাটা)

এইবার বুঝেন , ডাক্তার হিসেবে তথ্য সরবরাহ করলেই তার ফল সব সময় প্রত্যাশিত হয় না মোটেই!

৭০. ০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:৪৩
স্পর্শক বলেছেন: খুব কাজের পোস্ট হইছে ইমনাপু .... +++

সামুতে এখন আর ঢোকা হয় না .. শুধুমাত্র প্লাস দেবার জন্য ঢুকলাম .... অনেকদিন পর ...
০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: ুঝলাম না । আমার সাম্প্রতিক কোন লেখাই কি আপনাকে লগ ইন করতে উদবুদ্ধ করতে পারে নাই? এইটাই পারলো?
আমি একটু কনফিউজড । কেন বলবেন?

৭১. ০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:৩১
স্পর্শক বলেছেন: ;) ;) ;)

আসলে আমি সামুতে ঢুকি ই না বলতে গেলে ... আমি আবার অচ্ছ্যুত টাইপ তো ... স্বচ্ছ মডারেশন নিয়া চিল্লাইতে চিল্লাইতে গলা ধইরা গেসে ... আপনারা ধৈর্যশীল আছেন , পারেন .... আমার ধৈর্য কম ....

আজকে প্রথম পাতায় গিয়া সাম্প্রতিক কমেন্টগুলি দেখতেছিলাম , আপনের একটা কমেন্ট দেখলাম ... আপনি যেহেতু , কমেন্টে জ্বালাময়ী কিছুই লিখবেন দেইখা আসলাম , পরে দেখি আপনেরই পোস্ট ....

আপনার সাম্প্রতিক লেখাগুলি পড়া হয় নাই ... আসলে ব্লগে আসতে ইচ্ছা করে না .... পুরানা কিছু কথা মনে পইড়া যায় ... পুরানা লোকজনরে খুব মিস করি .... এখন সবাইতো আমাগো ফিফা মার্কা না .. কেউ কেউ চ্যাটরুম থেইকা উইঠা আসছি ... সহব্লগারদের খুব খুব মনে পড়ে ....

আপনার সাথে কিছু কিছু পোস্টে আমারও দ্বিমত আছে ... ( না , আমি কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী কিছু না ... :P :P :P .... এমনি ঢালাও নারীবাদ আর ঢালাও পুরুষ-ভিলেনবাদ নিয়া কিছুটা দ্বিমত আছে আরকি ) ... দ্বিমত থাকবে এইটাই স্বাভাবিক ... তবে আমি আপনার লেখার বরাবরই ফ্যান ....

আজকে ঘুম ধরসে ... পরে একসময় আপনার এখনকার পোস্টগুলি পইড়া নিবো .... ( যদি দ্বিমত না থাকে তাইলে এক-আধটা কমেন্টও করতে পারি :) :) )

অনেক ভালো থাকবেন ........
০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: যাক, নিশ্চিন্ত হইলাম। অত খারাপ তাহলে এখনো লিখছি না ।

দ্বিমত , অমত কোন ব্যাপার না । মত একটা আছে , এইটাই স্বস্তির ।

৭২. ০৭ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:৫২
ত্রিশোনকু বলেছেন: এ ধরনের লেখা অনেক আসা প্রয়োজন।

আমি একটা অবিশ্বাস্য উদাহরন দিচ্ছিঃ

আমার এক বন্ধুর (ছোট বেলায় চিটাগাং এ একসাথে পড়েছি) অনেক দিন বাচ্চা হচ্ছিলনা। বিশেষজ্ঞ দেখিয়েও কাজ হচ্ছিল না।

কারন বিশেষজ্ঞ্ রা ভাবতেই পারেনি যে তারা শুধু পায়ু মৈথুন করে।

ঘটনাক্রমে একদিন তার স্ত্রী অন্য এক দম্পতির মৈথুন দেখে ফেলে এবং ভুল বুঝতে পারে।

এখন তাদের দুটি সন্তান। হাটুর নীচে ঘোরাঘুরি করে।

ধন্যবাদ আপনাকে।
০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নাই!

৭৩. ০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৭:৫৯
িশপু মাস্তান বলেছেন: আমি তো মনে করি বাংলাদেশের সবাই ডাক্তার নামের এক একজন কসাই।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ডাক্তার নিয়ে আপনার তিক্ত অভিজ্ঞতার জন্য সমবেদনা রইলো।

বাংলাদেশের সবাই ডাক্তার বললেন নাকি সবাই কসাই বললেন?

০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭৫. ০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:১১
পারভীন রহমান বলেছেন: Dr. Mohit Kamaler lekha boiti pore amar hubby bolechilo je sobar i ei boiti pora dorkar............Dhur chai...Boitar namta keno je mone asche na :(
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা । নাম মনে পড়লে জানাইয়েন।

৭৬. ০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: ভালো লাগলো পোষ্টটা। এইভাবে খোলামেলা আলোচনা হতে পারে।অনেকেই নতুন কিছু জানবে। আর পাঠ্যসূচিতেও এসব বিষয় অন্তর্ভূক্তি দরকার।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । একমত ।

৭৭. ০৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:১৫
অস্থির পোলাপাইন বলেছেন: আপনার সাথে একমত। পাঠ্যসূচিতে এর অন্তর্ভূক্তি জরুরি । আমাদের স্কুল, কলেজে পড়ানো হয়েছে, আলাদা ক্লাস ও নেওয়া হয়েছে কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম ভালো স্কুল-কলেজ গুলোতে এগুলো নিয়ে আলোচনাই হয় না ।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: কোথায় কোথায় কতটুকু পড়ানো হয়েছে , জানাতে পারবেন?

এইটা একটা ভালো খবর।

৭৮. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৬
বিবেকহীন বলেছেন: "স্বজাতির করোটি খুড়ে লেখার অভ্যাস থাকা সত্ত্বেও আপনি কিছুই জানেন না?" আন্নে আঁরে এই কতা কিল্লাই শুনাইলেন সেইটা আঁর মাতাত ঢুকের না।:| অবাধ যৌনতা, অল্প বয়সে বিবাহ এইগুলানতো ফড়াশুনা ছাড়াই সবাই জানে। আর এগুলাতো আন্নের পোস্টের মূল বিষয়ও না, এই জইন্য ঐদিকে চিন্তাও করি ন। আর লাস্টে কোন ধরনের ডাইনোসরের কতা কইলেন, বুঝি ন। সবাইর সেইটা জানা দরকার হইলে জানাইয়েন (তেইল্লা ছাড়া কোন কিছুরে ডরাই না)। আগের জবাবের লাই দইন্যবাদ, কষ্ট অইলে এইটার জবাব ন দিলেও চইলবো।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: কিছুই বুঝি নাই!

৭৯. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮
পৃথিবীর আমি বলেছেন: ত্রিশোনকু বলেছেন: এ ধরনের লেখা অনেক আসা প্রয়োজন। আমি একটা অবিশ্বাস্য উদাহরন দিচ্ছিঃ আমার এক বন্ধুর (ছোট বেলায় চিটাগাং এ একসাথে পড়েছি) অনেক দিন বাচ্চা হচ্ছিলনা। বিশেষজ্ঞ দেখিয়েও কাজ হচ্ছিল না। কারন বিশেষজ্ঞ্ রা ভাবতেই পারেনি যে তারা শুধু পায়ু মৈথুন করে। ঘটনাক্রমে একদিন তার স্ত্রী অন্য এক দম্পতির মৈথুন দেখে ফেলে এবং ভুল বুঝতে পারে। এখন তাদের দুটি সন্তান। হাটুর নীচে ঘোরাঘুরি করে। ধন্যবাদ আপনাকে।


বিশ্বাস হয়না!!!!
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ুমম

৮০. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৪
মেঘ বলেছেন: ইমন, লিখা ভালো লাগলো।
আমাদের মিডিয়াগুলো তো একেবারে বেনিয়া - তোমার মনে আছে কি না জানি না, আগে কিন্তু বিভিন্ন সমাজ সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন টিভি বেতারে দিতো। যেমন ধরো জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়া, পরিবার পরিকল্পনা। এখন আমি সেরকম কিছু শুনি না বা দেখি না। বেতারের মতো একটি শক্তিশারী মাধ্যম আমরা ঠিকভাবে ব্যবহার করতে শিখলাম না। স্বাভাবিক যৌনতাকে চেপে রাখতে রাখতে আমরা একটা ধর্ষক যুবগোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠেছি। তুমি আমি বেশি কিছু বল্লেই হয়ে যাব -তসলিমা নাসরিন। ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ার সময় প্রায়ই দেখতাম বাথরুমের কমোড থেকে সুইপার মামুরা আস্ত ব্যবহৃত স্যানিটারী ন্যাপকিন তুলে আনছে, তার আগ পর্যন্ত বাথরুম বন্ধ হয়ে আছে। তুমি এই জনগোষ্ঠীকে কি বলবে?টয়লেট ইউজ করতে জানে না, পরিচ্ছন্নতা কি জানে না, সঙ্গম মানে বুঝে কোনমতে অঙ্গ স্থাপন- এদেরকে যৌন শিক্ষা দেয়ার কথা উঠলে লুঙ্গির উপর দিয় জায়গা চুলকানো গোষ্ঠী "ধর্ম" যাবার এজেন্সি খুলে বসবে। আর মেয়েদের যৌনশিক্ষা তো এদেশের কোন মানুষই সে নারী হোক বা পুরুষ হোক দিতে রাজী হবে না। নারী যে মুহূর্তে নিজের শরীর চিনবে সেই মুহূর্তে কত ধ্বজভঙ্গ বিকৃতের জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাবে!
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: কি আর বলবো । বড় বেশি সত্যি কথা এই গুলা।

৮১. ০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৩২
নীল_পদ্ম বলেছেন: কিছুই বলার নেই, খুবই কাজের লেখা। ব্যাপারটা শুধুই মানসিক, দ্রূত স্খলন কোন যৌণ রোগ নয়। আমি অনেক ঘরও ভেঙ্গে যেতে দেখেছি, শুধুমাত্র স্বামীর অক্ষমতার দোহাই দিয়ে। আগে বুঝি নাই, ছোট ছিলাম। শুনতাম অমুকের বউ আর আসবে না, কারণ হিসেবে নানা কথা শুনতাম। ছোট ছিলাম বলে কেউ কিছু বলত না, আসল কারণ এখন বুঝি।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: সমস্যা তাহলে কতখানি ছড়ানো সেইটা আলোচনা হয় না বলেই আমরা জানতে পারি না !

বাংলাদেশের কত দম্পতি এই সব সমস্যায় ভুগছে , আমরা কি জানি?

৮২. ০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫১
মদন বলেছেন: বাসর রাতে স্বামী যেমন মর্দানী দেখানোর জন্য বউএর উপর ঝাপিয়ে পড়ে, ঠিক তেমনি পরবর্তীতে বউ ও সারাজীবন নিশ্চল পুতুল হয়ে নীচে থেকে স্বামী সেবা(!) দিয়ে যায়।

যতটা না স্বাস্থ্যগত তার চেয়ে হাজারগত মানসিক এবং না জানার সমস্যা।

আর কর্পোরেট কালচারে হাজারটা টেনশন নিয়ে স্বামী যখন ঘুম-ক্লান্তি এবং টেনশন নিয়ে বিছানায় আসে তখন ভিটামিন বেচারা আর কত সাপোর্ট দিবে???
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: ৩টা ভিন্ন ভিন্ন অতি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেছেন।

৮৩. ০৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:২০
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। গড়ে ৪৫মি-১ঘন্টা ১৫মিনিট মনে হয় ভালো টাইমিং। সবই আসলে যত্ন আর শিক্ষার বিষয়।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: কিসের সময় দিলা?

৮৪. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ৮:২৩
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: অবশেষে পড়লাম!!!
আর আপনাতে ধন্যবাদ দিলাম!!!

এই লেখার সব বিষয়ের সঙ্গে এক মত!!!
তবে আমার মনে হয়!
বিসয়টি নিয়ে একটু গভীর ভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন!!!
দেশের ডাক্তারদেও মধ্যে অনেক ভুল আছে!!!
যেমন ইদানিং অনেক ডাক্তার এমন ওষুধ দেয়!! কেবল সে ডাক্তার তা প্রমাণ করার জন্য!!!!
যদি ওষুধ না দিয়ে একটু বোঝাত তাহলে অনেক ভালো হতো!!!


অাপনাকে ধন্যবাদ!!!
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন

০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গরম কফি।

০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৮৭. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০২
রাগ ইমন বলেছেন: আচ্ছা , কেউ কি জানেন , ইউ টিউব শেষ ২-৩ মিনিট কেটে দেয় কেন?

আমার প্রতিটা রেকর্ড এর বেলায় এইটা হচ্ছে ।

এই সমস্যার সমাধান কেউ কি জানেন?
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: শরৎ কিসের টাইম দিলো আমি বুঝি নাই ।
তুমি মনে হয় বুঝছো , এখন আমারে বুঝায় দাও।
এইটা কিসের টাইম?

৮৯. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: সঙ্গমকালের গড় দৈর্ঘ্য কি ৪৫ মিনিট থেকে ৭৫ মিনিট হওয়া বাঞ্ছনীয়?

শুইন্যাই তো ডর লাগ্তাছে :P :P :P
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯২. ০৯ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
রিফাত হোসেন বলেছেন: হাহাহাহাহা
হা হা প গে
হাসতে হাসতে পইরা গেলাম
হেহেহেহেহ


আমি যখন ভিয়েনাতে স্কুলে পড়ি তখনকার কথা বলি,
একদিন আমাদের শিক্ষা ভ্রমনে নিয়ে যাবে । তো গেলাম সব ক্লাসমেটদের । শুনলাম আজ সেক্স এডুকেশন এর উপর সফর হইবে । ;) চিন্তা করলাম প্র্যাকটিক্যালী করায় মৌখিক । যাই হোক যেভাবে হোক সেভাবেই হলেই হল । তারপর একটি সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল । ছেলে ও মেয়েদেরকে আলাদা রুমে নিয়ে গেল । :( চিন্তা করলাম সেক্স এডুকেশনে কি তারা ছেলে ছেলে করায়া শিখায় নাকি । এরকম উদ্ভট চিন্তায় ছিল । তারপর আমাদের রুমে একজন মহিলা টিচার আসল । প্রথমে বুঝি নাই পরে শুনলাম মেয়েদের টিচ করার জন্য ছেলে টিচার যায় । তারপরে বুঝলাম কারণ এতে সমস্যা গুলো তারা(বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষার্থী)বলত না । যাই হোক । আমাদের ডাক্তার বিবি সবই বর্ণনা দিতে লাগলেন । বয়োসন্ধির ব্যাপারে ডাক্তারী বিদ্যা কি বলে । সব কিছুই একজন পুলা সাহস করে বলল আমার খান তো আর বউর ভিতর আর প্রবেশ করে না । কারণ কি ? এরপর তিনি পুরা প্রজেক্টর এ চালু করে দিল ভিডিও আমি তখন দেখে চরক গাছ । কারণ আমার তো ডার্লিং নাই । তিনি বলিল এভাবে এভাবে করতে হইবেক । তবে অবশ্যই কনডম সাথে রাখিতে হইবেক । তা পরানোর নিয়মাবলীও বলে দিল । দরকার পরলে আকৃতি অনুসারী একাধিক পরতে হবে কারণ এতে ফেটে যাবার সম্ভাবনা আছে । আমি কই মাশাল্লাহ আমি চিন্তা করি এসব কারণেই হয়ত এই দেশে এইডসের সমস্যা কম বলতে গেলে নাই । তবে উপদেশ দেন ১৬ এর আগে মিলিত না হতে, পারলে যেন ১৮+ এর পর হলে উত্তম কারণ এতে শরীর বাড়তে থাকে যা এই অল্প বয়সে মিলন শারিরীক উপাদান তৈরীতে বাধা দেয় । তারপর এক পুংটা পুলা বলে রজ:স্রব সম্বন্ধে কিন্তু ডাক্তার বিবি একটা ধমক দিয়ে বলে এটা মেয়েদের জানা প্রয়োজন । তারপর বাকি টুকু বই থেকে পড়ে জানতে বলে । এই না হল সিস্টেম । যাই হোক পরে মেয়েরাও বাহির হয় তারপর জিজ্ঞাসা করি কি পড়াল তারা জবাব যা বলল তা একই বুঝলাম । কিন্তু তাদের মাসিক সম্বন্ধে একটু এক্সটা জ্ঞান বিতরন করে ।

তারপর আমাদের একজন লাইভ জননীর কাছে নেওয়া হল । দেখানো হল বাচ্চা হবার সম্ভাবনা কি কি। এগুলো একসাথেই দেখানো হয় । তারপর কিভাবে কি যন্ত্রের মাধ্যমে বাচ্চা সনাক্ত করা হয় ছেলে না মেয়ে । তারপর কিভাবে পেটে বাবু আসে নাকি না আসে তা আগে পরীক্ষা । এগুলো মেয়েরা বিনামূল্যে পেল । তারপর জন্ম বিরতি করণ এর বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করা হল । কিন্তু তাতে আমাদেরকে নিরুতসাহিত করা হল। কারণ অস্ট্রিয়াতে জন্ম হার খুবই কম । জনসংখ্যাও কম ।

তারপর ফ্রি কনডম বিতরণ করাইল । পুলাদের থেকে মাইয়্যাদের বেশী আগ্রহ তাই বুঝলাম। আমারগুলি ফ্রেন্ডদের দিয়ে দিলাম । কইল লাগ ব না ? আমি কইলাম , লাগত যদি এইখানে জন্মগ্রহন করতাম ।;)

উল্লেখ্য: অশুদ্ধ ভাষায়, আর এই আমার ক্লাসে বিভিন্ন ধর্মালম্বীর ছেলে মেয়েছিল, বিভিন্ন জাতির সমাহার ছিল ।
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ

৯৩. ১০ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
কাব্য বলেছেন: বেশী চিন্তাইলে চিন্তা বাড়ে।নো চিন্তা উইল ডু ফুর্তি ;) B-)

সোন্দর পোষ্ট :)
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: াই ?

৯৪. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩০
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: মানুষ বলেছেন: গুল্লি পোষ্ট লিখছ। বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে তাকালে মনে হবে বুঝি এই দেশের সমস্ত পুরুষ দ্রুত স্থলন এবং আগা মোটা গোড়া চিকন রোগে আক্রান্ত। যেদিকে তাকাই শুধু চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞদের (!) বিজ্ঞাপন। পাঠ্যক্রমে সঠিক যৌন শিক্ষা নিয়ে সকলের আপত্তি কিন্তু পথে প্রান্তরে এইসব আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। এই সবের আশু প্রতিকার হওয়া দরকার।

প্রিয়তে রাখলাম। এ নিয়ে আমার ছড়াটা পড়ার নিমন্ত্রন রইল।

এখানে ক্লিক করুন
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: সেইটাই

৯৫. ১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
সুবিদ্ বলেছেন: আমাদের সময় নতুন পাঠ্যবই চালু হয় ৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষে.......তাতে HSC-তে মানবদেহ অন্তর্ভুক্ত হয়, কিন্তু স্যার বলেছিলেন নিজেরাই যেন ওটা পড়ে নিই.......

সেক্স এডুকেশন HSC-র আগে চালু করাটা ঠিক হবেনা বলে মনে হয় আমার
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: অত পরে চালু করে কোন লাভ নাই।

বাংলাদেশে যৌনতার স্বাদ / বিয়ের অভিজ্ঞতা , বিশেষ করে গ্রামের মেয়েরা , মানুষ আরো অনেক কম বয়সে পায়।

৯৬. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
পারভেজ আলম বলেছেন: সত্যি কথা বলতে গেলে এইটা একটা জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।

আমি কোন ডাক্তার না, কিন্তু এখন পর্যন্ত বহুত বন্ধুরে বহুত কষ্ট কইরা বুঝাইতে হইছে যে প্রিম্যাচিউর ইজেকুলেশন কোন শারীরিক সমস্যা না, এইটা একটা সাময়িক এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যা।

আমাদের দেশের পুরুষ মানুষদের খুব সম্ভবত একটা বড় অংশই প্রিম্যাচিউর ইজেকুলেশন অথবা স্বল্পকালিন ডিউরেশনের সমস্যায় ভোগে। জরিপ করলে সঠিক তথ্য পাওয়াআ যাইতে পারে। ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং যৌনতা নিয়া পাপবোধ এই সমস্যার একটা অন্যতম কারণ বইলা মনে করি। চুরি করা খারাপ জিনিস, চোর এই কাজটা তাই নিজের অজান্তেই খুব তারাতারি করতে চায়। যৌনতারে পাপ কাজ হিসাবে যারা গণ্য করে তাদের পক্ষে স্বল্পকালিন ডিউরেশন খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে বিবাহিত স্বামী স্ত্রীও নিজেদের মধ্যে যৌন সম্পর্করে খারাপ এবং নোংরা জিনিস বইলা গণ্য করে।
২০ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

২০ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: কেন?

৯৮. ১৭ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
বিডি আইডল বলেছেন: ব্লগে যে আমি আসলেই অনিয়মিত তার প্রমাণ হলো এই লেখা আগে দেখি নাই....এই বিষয়ে নিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সীমাহীন অভিযোগের কথা লিখতে গেলে এর চেয়ে বড় পোষ্ট হয়ে যাবে....চটি বই/পর্ণো দেখে শেখা যৌণজ্ঞাণের হাতুড়ী জ্ঞাণ নিয়ে জীবন পার করে দেয়া একেকজন...উপরের কমেন্টেও বিষয়গুলো উঠে এসেছে...ক্লাস টেনের আগে এইসব বিষয়ে শিখানো ঠিক হবে না বললো একজন?! যেখানে ক্লাস ৫-৬ এ একটা ছেলে/মেয়ের বয়ঃসন্ধি পার হয়??
২০ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: কোন বয়স থেকে দেওয়া উচিত , এইটা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত

৯৯. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৩০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: খুব জরুরি একটা লেখা ।
এবং উপস্থাপনা খুব সহজ হইছে ।
+++++++
২০ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০০. ২০ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৫
শাওকী আজাদ বলেছেন: আসলেও চমৎকার একটি লেখা।
২০ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০১. ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১:১৭
পরান বলেছেন: ভালো লাগলো পোষ্টটা। এইভাবে খোলামেলা আলোচনা হতে পারে।
১০২. ২৫ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৪৪
স্বজন বলেছেন: অনেক কিছুই জানা হল।রাগাপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১০৩. ২৯ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:১৪
সজীব আকিব বলেছেন: আপনি বলেছেন, ' আল্লাহ মানুষের ভিতর যৌণ সঙ্গম নামক একটা প্রক্রিয়া দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশিত হওয়ার কথা।'
সব জায়গায় আল্লা-টাল্লা এগুলো না আনলেই কি নয়?
তবে প্রবন্ধটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ও +
১০৪. ৩০ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
িজসান বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা ।।এর চেয়ে বেশী কিছু থাকে ।সেটা দিলাম
১০৬. ০৫ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭
দ্যা ডেডলক বলেছেন: লেখাটি পড়ে অনেক জ্ঞান লাভ করলাম
১০৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩০
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:


উপকারী পোষ্ট অনেকের কাজে আসবে। তবে ধারাবাহিক ভাবে আরো বিশেষ কিছু সামনে আনতে পারলে অনেকের উপকার হবে বলে ধারনা। যাহোক ধন্যবাদ আপনাকে।
১০৮. ২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৪
আই আনাম বলেছেন: আপু, আপনি এই লেখাটি চমৎকার। অবশ্য আপনার সব লেখাই অসাধারণ। অনেক ধরণের সন্দেহ দূর হবে আপনার লেখাটি পড়ার পরে। আমি ভাগ্যবান যে আমি বেশিরভাগ তথ্যই জানতাম। বাবা-মা চিকিৎসক এবং বড় ভাই অত্যন্ত বন্ধুসুলভ হওয়ায় বয়ঃসন্ধিকালে আমাকে পরোক্ষভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হয়েছে। অনেক সময়ে প্রত্যক্ষভাবেই অনেক কিছু জানান হয়েছে।

পাঠ্যপুস্তকে স্বাস্থ্য শিক্ষার বিষয়টি অপ্রধানভাবে থাকলেও আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে "প্রজনন স্বাস্থ্যে" প্রসঙ্গটি সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ক্লাসের বইয়ে। শিক্ষকগণও এ ব্যাপারে সংকোচ বোধ করেন। জাতীয় পর্যায়ে চিকিৎসকমণ্ডলীর উদ্যোগে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয় গোষ্ঠীর জন্য প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সভার আয়োজন করা যায় কি?? এতে করে ইভ টিজিং এর মত সামাজিক অপরাধগুলোরও একটি নিরাময় হওয়া সম্ভব বলে মনে হয়। অবশ্য বিদ্যালয়গুলো এ ব্যাপারে সায় দেবে কিনা সেটাও ভাববার বিষয়।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। + এবং প্রিয়তে।
১০৯. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:২৮
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: একদম সময়োপযোগি লেখা। ধন্যবাদ।
১১০. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৫৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পোষ্ট পুরোটা পড়ার ধৈয্য নাই এই মুহুর্তে বিষয়টা বুঝতে পারছি। দেশের পোলাপানের কথা বলে লাভ নাই। শিক্ষা এরা কম পায় বলে মনে হয় না, তারপরেও উল্টাপাল্টা ভাবে, যে ধরনের ভাবনা ১৪/১৫ বছর বয়সের ছেলেপুলেদের কৌতুহলের ভাবনা হওয়া উচিত তা আমাদের দেশে ২৪/২৫ বছরের ছেলেরাও ভাবে।

শেষ লাইনের শিক্ষায় এটি যোগ করাতে তেমন কোন উপকার হবে বলে মনে হয় না। স্কুলের পাঠ্যসুচীতে দিয়ে দিলে প্রিম্যাচিউরডদের সেক্সুয়াল রিলেশনের মাত্রা বাড়বে।

আমাদের কালচারে সেক্স নিয়ে যে নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ ভাব আছে, এবং তা নিয়ে সমাজে যে সব কুসংস্কার আছে সেইগুলো কাটাতে হবে। তার জন্যে আসলে পাঠ্য পুস্তকে এই নিয়ে এডুকেশন কাজে দিবে বলে মনে হয় না, বরং তা অযাচিত সুরসুরিই দিতে পারে। যেমনটা সহিহ নামাজ শিক্ষা বই দিয়ে থাকে :)
১১১. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৫৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: লোম থাকা না থাকা বিষয়ে আপনার ধারনা চেইন্জ হয়েছে মেডিকেলে গিয়ে এটা বিশ্বাস করতে বলেন?
১১২. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:০২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পোষ্টে উল্লেখিত সমস্যাগুলোর মধ্যে বড় সমস্যা হচ্ছে ধর্ষন আর আদরের পার্থক্য না বুঝতে পারা।

পোলাপানের এই যে ভিটামিন খাওয়া, সন্ডা মন্ডা গুন্ডা তেল এগুলো প্রায় সবদেশেই ছেলেপুলে করে থাকে। মানে তারা কিভাবে নিজেকে সেক্সুয়ালী আরও একটিভ করা যায় তার উপায় খুজতে থাকে আরকি। ভায়াগ্রার জনপ্রিয়তাটা দেখুন। এছাড়াও এডাল্ট শপে চাইনিজ হার্বাল জাতীয় নানান হাবিজাবি পাওয়া যায় এসবের জন্যে এবং বিপুল জনপ্রিয়। এটা থাকবেই। বেশীরভাগ ছেলেরা তো জিম করে যাতে মেয়েদের নজরে পড়তে পারে। কিসের নজর? ;)
পশ্চিমা মেয়েরা তো একবাক্যে এটা বিশ্বাস করে যে কালো ছেলেরা সেক্সুয়ালী বেশী একটিভ হয়, তাই তারা কালো ছেলেদের প্রতি একটু বেশী দুর্বল থাকে।
তো, এইসব ব্যাপার সবখানেই থাকবে। আমাদের দেশে সেক্সুয়াল মুল সমস্য হচ্ছে লোকজন প্রপার সেক্সের অভাবে রেইপ করে। এবং সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সে সেলফিস হয়ে বউ এর সাথে আসলে ধর্ষনই করে। এইটা দুর করতে হবে।
১১৩. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সেক্সুয়াল এডুকেশন নিয়ে আমি একটু কনফিউজড। ইউরোপের স্কুলে সেক্সুয়াল এডুকেশন চালু আছে। আমি যে দেশে আছি সেদেশের স্কুল গুলোতে এই শিক্ষা চালু হবার পর চাইল্ড প্রেগন্যন্সি বেড়ে গেছে। এমনকি প‌্যক্ট প্রেগন্যান্সিও হচ্ছে। সেক্স কম্পিটিশনও হচ্ছে। এই জন্যে সেক্স এযুকেশনের বিপক্ষে আছি আপাতত। স্কুলে ক্লাসরুমে টিচার জিজ্গেস করল এই যে ভার্জিন আছো হাত তোলো। তখন হাতে গোনা যে কয়জন হাত তোলে, লজ্জায় পড়ে প্রেস্টিজ বাচাতে নেক্সট্ উইকের ক্লাসের আগেই তারা এমন ব্যবস্থা করে যারে তারে ধরে যাতে আর হাত তুলতে না হয়। যদিও বা তাদের এইজ তখন ১৩ কি ১৪
১১৪. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৯
কালের শপথ বলেছেন: আপনার মতো না হলেও চেষ্টা করেছিলাম। ধন্যবাদ।

Click This Link
১১৫. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন: একদম সময়োপযোগি লেখা, ধন্যবাদ ।
১১৬. ০২ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫০
জুবায়ের হাসান বলেছেন: আপু/ভাইয়া আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পোষ্ট+কমেন্ট পড়ে অনেকের উপকার হচ্ছে। আমি অবশ্য আগেই অনেক কিছু জানি! পোংটা ছিলামতো!!!
১১৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
আবু মোশাররফ রাসেল বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চমৎকারভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন। পুরো পোষ্টটিই একনজরে পড়লাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১১৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৮
টানজিমা বলেছেন: অশ্লিল পোষ্ট........... /:)
১২০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৪২
এক্স বলেছেন: সেক্স কিভাবে করতে হয় তা আগে না শিখিয়ে আগে শেখানো দরকার সেক্স জিনিসটা কি আর এর প্রয়োজনীয়তা, সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট আর পবিত্রতা. দৃষ্টিভঙ্গী যদি প্রকৃতি ও সৃষ্টির উদ্দেশ্যের সাথে খাপ না খায় তবে মেথড শিখালেও কাজ হবে না. ঠিক যেভাবে গ্রামার শিখিয়ে ইংরেজী শেখানো যায় না তেমনিই সঠিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিষ্ঠা না করলে এটাও শিখানো যাবে না.

যেমন মুসলমানদের কাছে সেক্স জিনিসটাও একটা ইবাদাত এবং কোন অশ্লীলতা নয়. যতক্ষন তা জেনারেল গাইডলাইন অনুযায়ী হয়. এটা তখনই অশ্লীলতা যখন তা সৃষ্টির উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে নিজ নিজ খেয়াল খুশি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে করা হয়. তবে এগুলো শিখানোর জন্য অভিভাবকদেরও সন্তানদের সাথে দূরত্ব কমানো উচিত.
১২১. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
আমার স্বপ্ন আমার আকাশ বলেছেন: নুতন করে ঢেলে সাজাতে হবে সব কিছু ... এক নুতন জাতি জেগে উঠবে তা হলে ... আসুন সব কিছু একটু নতুন করে ভাবি, আধুনিক ভাবে চিন্তা করি ... ক্ষতি কি তাতে?
১২২. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
অনিকেত কবি বলেছেন: মুখে ব্যথা হলে আপনি মুখ দিয়ে ,
পায়ে ব্যথা হলে পা কেটে পায়ের ভিতর দিয়ে ,
কোমরে ব্যথা হলে পেট কেটে কোমরে ,
মাথায় ব্যথা হলে খুলি ফুটা করে সরাসরি মগজে ব্যথার ট্যাব্লেট নাপা নিয়ে থাকেন

কি মারাত্মক লাইন!!

এইটাই সেক্স এডুকেশনের বিপক্ষে যারা কথা বলে তাদের জন্য আমার সবচেয়ে বড় যুক্তি মনে হয়েছে!! :)
১২৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৫
ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: ভাই আমার বিচি তে গত দুই বছর যাবত চুলকানি...।কোন মেডিসিন আছে নাকি?
১২৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৪২
আমি? রুবেল বলেছেন: দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?

এই বিষয়টা সরাসরি না দিলেই ভালো হয়। আপনি যেভাবে লিখেছেন, তা একটু এডিট করলেই চলবে।

১২৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৩৫
আরাফাত হোসেন অপু বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।বাস্তবিকতা এখনো অনেক দূরে........।
১৩০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৬
রাজ ভাই বলেছেন: ভালোই লাগল..
১৩১. ১৯ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:২১
অবলা পুরুষ বলেছেন: + সহ......সোজা প্রিয়তে।
১৩২. ২১ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৪
াহবুব বাবুই বলেছেন: চমতকার পোস্ট। আবুল হাসানাত এর যৌণবিজ্ঞান বইটা খুব ই ভালো।
১৩৩. ২৩ শে মে, ২০১১ রাত ২:২৭
কিছু নেই বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগ্ল।এক্তা কথা খুব মনে ধরসে।ছিন্তাইকারিরা খুব সহজে চলতে পারে আর ছেলে মেয়ে একসাথে হাত ধরলেই জাত গেল।হাহাহাহা।ঃ)
বাস্তবসম্মত লেখা। বর্তমান সমস্যা নিয়ে লেখা আপনার এই ব্লগ।মনে প্রাণে চাই এটা ব্যান না করা হক।দোয়া রইল আপনার জন্য।আর আমাদের মত কিছু হতভাগা , সল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য।ধন্নবাদ।ভাল থাকবেন।ঃ)
১৩৪. ১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৩৬
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: জটিল পোস্ট দিয়েছেন আপু... আমাদের সচেতনতা বাড়াতে অনেক কাজে দিবে... ধন্যবাদ। :)
১৩৬. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৯
পাগলমন২০১১ বলেছেন: দারুন পোস্ট।খুব ভাল লাগলো।ধন্যবাদ খোলামেলা ভাবে শেয়ার করার জন্য।ভাল থাকা হয় যেন আপু।আবারো ধন্যবাদ।
১৩৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩২
নানাভাই বলেছেন: প্রিয়...প্রিয়.....প্রিয়
১৩৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৯:৩৩
মুসফিক বলেছেন: লেখাটি আপনি http://www.bn.bdeduarticle.com/ এই ওয়েব সাইটে দিতে পারেন। এখানে লিখলে লেখাটির মর্মার্থ যাদের বোঝার কথা তারা দেখতে পারবেন ও আত্মস্ত করতে পারবেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন?
১৩৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৪৪
ইংলা বলেছেন: বাহ, অবস্থা দেখি করুন। ইন্টারনেটের রহমতে সব কিছুই জানা হয়ে গেছে এতদিনে। আপনার সাথে একমত, মানসিক শক্তিটাই আসল।

সেক্স এডুকেশন যোগ করা উচিত হবে। কারন বাপ-মা-রাও কিছু বলতে চায় না। ছেলেরা নাহয় কোনো ভাবে জেনে যায়, কিন্তু অনেক মা আছে যারা তার মেয়েকে মাসিকের ধারনা ক্লিয়ার করে দেয় না!!!!
১৪০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৫৫
সমাধানদাতা বলেছেন: থ্যাংকু স্যার।
আমার এমন বাস্তব মানসিকতাসম্পণ্ণ বউ চাই।
১৪১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৫২
রোজেল০০৭ বলেছেন: মাখন পোষ্ট।

পিলাচ+++
১৪৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩০
যাযাবরমন বলেছেন: পরে মন্তব্য দিব
১৪৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩২
ইকারাস ইমন বলেছেন: simply osadharon.............

 

মোট সময় লেগেছে ০.৫৮১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ