আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
(নারী) পুরুষের যৌণ সমস্যা নাকি আমাদের শিক্ষার সমস্যা ?
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:২৮
এইটা একটি হালকা (বাজেট, অর্থনীতি , পুঁজিবাদ কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের তুলনায়) লেখা । মানে , আপনি যদি তরুণ বয়সের কোন পুরুষ না হোন বা আপনার জীবনে জ্ঞানী বন্ধু , বড় ভাই কিংবা জ্ঞানের সূত্রের অভাব না থাকে , তাহলে এই অভিজ্ঞতার সাথে আপনি পরিচিত নন। তাই, নির্বিঘ্নে অন্য কোন পোস্টে চলে যেতে পারেন । এইটা কোন আদিরসাত্মক কিংবা ধর্মীয় পোস্ট নয় । সুতরাং, যারা ডাক্তারের মত নিরাসক্ত দৃষ্টি নিয়ে সমস্যাকে বিশ্লেষন করতে পারেন না , তারাও এখনি অন্য পোস্টে চলে যেতে পারেন।
-------------------------
শুরু করি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে ।
আমার ধারণা ছিলো , ডাক্তার হিসেবে আমি খুব একটা খারাপ বুঝাই না। তো একজন অনুজ , নতুন বন্ধু আমার ডাক্তার পরিচয় পাওয়ার পরে একদিন সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে আমার সাথে বাড়ি ফিরতে চাইলেন। তার বাড়ির রাস্তা ভিন্ন দিকে আর আমিও রোগী দেখে দেখে ততদিনে বুঝতে পারি অনেক কিছুই। বুঝলাম , একটু আড়ালে কিছু আলোচনা করতে চান। আন্দাজে ভুল হয়নি। অতি সংক্ষেপে তিনি আমাকে জানালেন তার প্রেমিকার সাথে তার প্রথম যৌণ অভিজ্ঞতায় তার অতি দ্রুত স্খলনের ( প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন) সমস্যার কথা। ঘটনাটা তাকে এতটাই বিপর্যস্ত করেছে, তিনি একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ নিয়েছেন। আরো অনেকের সাথে কথা বলে পথ্য সংগ্রহ করেছেন । এখন তিনি আমার কাছে সেই সব ওষুধের / ব্যবস্থাপত্রের ভালো মন্দ যাচাই করতে চান। আমি হতভম্ব !
প্রথমত , আমার ডাক্তারি বিদ্যা যৌণ সমস্যা লাইনের নয় । তাই বুঝলাম বাংলাদেশের মানুষ ডাক্তার শ্রেণীটার উপরে কতটা হতাশ ও আস্থাহীন হলে কেউ বিশ্বাসযোগ্য যে কোন মানুষ খোঁজে!
দ্বিতীয়ত, এই ছেলেটি যথেষ্ট শিক্ষিত, মুক্তমনা ও যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী । সুতরাং , ইউনানী, কবিরাজি , তুক্তাক বিদ্যার উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
তৃতীয়ত, তার কাছ থেকে ওষুধের লিস্ট দেখার পরে বুঝলাম, তার এই " শিক্ষা" ও "যুক্তি" তার কোন কাজেই আসে নাই । কারণ , কবিরাজি তুকতাক এড়াতে পারলেও এই তরুণ বৈজ্ঞানিক বা এলোপ্যাথির তুকতাক এড়াতে পারেন নাই।
মানে কি?
তার লিস্ট জুড়ে কেবল ভিটামিন আর ভিটামিনের নাম। একই ভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একই ধরনের মাল্টিভিটামিন ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির । তার ধারণা , উনি ১১ টি ভিন্ন অষুধের নাম লিখে এনেছেন । ( যে যা বলেছে , তার সব গুলাই । এবং যৌণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপ্শন শুদ্ধ )
এরপর , আমি তাকে যতই বুঝাই , যত ভাবেই বুঝাই , এগুলো কোন রোগের ওষুধ না । কিংবা , তার কোন রকম রোগ নাই। কিংবা , দ্রুত স্খলন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন কোন যৌণ রোগ না - উনি কিছুতেই কিছু বুঝে না । কোন রকম গঠনগত (এনাটমিকাল) কিংবা কার্যকারিক (ফিজিওলজিকাল) কোন রকম রোগ বা সমস্যা যদি থেকেও থাকে , সেইটা ভিটামিন দিয়ে সারবে না - এইটাও তার মাথায় ঢুকাইতে পারলাম না ।
তার মাথায় গেঁথে গেছে , উনি যৌন ভাবে দুর্বল । আর আমি ভাবছি - ভিটামিনও একটা ওষুধ । এক সাথে এক গাদা খেলে ভিটামিনোসিস নামক বিষক্রিয়াতে না আক্রান্ত হয়!
শেষে কি হলো?
কিছুদিন পরে উনি জানালেন , ভিটামিন গুলো খাওয়াতে তার অনেক উপকার হয়েছে । তিনি এখন তার কাজে আগের চেয়ে ভালো মান দেখাতে পারছেন । আমি একই সাথে স্বস্তি আর হতাশার একটা কাষ্ঠ হাসি দিলাম। স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে । আর হতাশা এই জন্য যে, এই ছেলেটি আরো হাজার হাজার বাংলাদেশী তরুণের মত হলফ করে বলবে,
১। আমার মত দুইপাতা ডাক্তারি পড়া ডাক্তাররা কিচ্ছু জানে না। যৌণ দুর্বলতা একটা ভয়ংকর রোগ।
২। মাত্র ১১ প্রকারের ( আসলে একই ) ভিটামিন , মাল্টিভিটামিন খেলেই এই রোগ থেকে ভালো হওয়া যায়।
৩। উপরের দুইটা কথার প্রমাণ উনি নিজে।
তাহলে সমস্যাটা কোথায় ?
আসুন , আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি ঘটনাটা আসলে কি ঘটেছে। ছেলেটির সমস্যা ছিলো অতিদ্রুত স্খলন। এর সরাসরি ফলাফল যেইটা হয় , পুরুষ বা নারীর যৌণ তৃপ্তি বা ক্লাইমেক্স / অর্গাজম এ পৌছানোর আগেই সঙ্গম শেষ হয়ে যাওয়া । ব্যাপারটা অনেকটা প্রচন্ড ক্ষুধার মুখে দুই লোকমা খাওয়ার পরে প্লেট কেড়ে নেওয়ার মতন। বিস্তারিত আর বললাম না ।
কেন ঘটে এই রকম? যাদের সত্যি সত্যি কোন রকম ইনফেকশন ( যৌণ রোগ), এনাটমিক বা যৌণাঙ্গের গঠনগত সমস্যা আছে কিংবা ফিজিওলজিকাল বা কার্যকারিতার দিক থেকে কোন সমস্যা আছে - তারা ছাড়া বাকি সবার জীবনেই এইটা ঘটতে পারে মানসিক কারণে ।
প্রথমত, জীবনে প্রথম যৌণ সঙ্গম করতে গেলে ১ম কিছুদিন অতিরিক্ত উত্তেজনার কারণে অতিদ্রুত স্খলন ঘটতে পারে। নিজের উত্তেজনাকে মানসিক ও শারীরীক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারাটাই কারণ ।
দ্বিতীয়ত , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে কোন রকম অপরাধবোধে ভুগলে ।
তৃতীয়ত , কোন কারণে যথেষ্ট সময় না থাকলে তাড়াহুড়া ও টেনশনে ।
চতুর্থত , আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে অতিরিক্ত টেনশনে ।
পঞ্চমত , সঙ্গিনীর সাথে কোন কারণে যথেষ্ট স্বস্তি বা কম্ফোর্ট লেভেল না থাকলে ।
এখন কথা হলো , এর জন্য ওষুধ বা ভিটামিন খাওয়া কত জরুরী?
যাদের কোন কারণে যৌণ রোগ বা ইনফেকশন আছে কেবল তাদের জন্যই ঔষুধ প্রয়োজন হতে পারে। জীবনের ১ম যৌণ অভিজ্ঞতায় কোন রোগ কারণ না হওয়ারই কথা । রইলো বাকি এনাটমিকাল ও ফিজিওলজিকাল কোন সমস্যা । এইটা প্রকৃতিতে খুবই রেয়ার। ডাক্তারের পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে এইটা বের হয়ে আসবে। কিন্তু উল্লেখিত তরুণের এই ধরনের কোন সমস্যা ধরা পড়ে নাই।
আর মানসিক সমস্যার জন্য ভিটামিন? বুঝতেই পারছেন, এইটা ঠিক খাপ খায় না । তারপরেও মাঝে মাঝে নাছোড়বান্দা রোগী হইলে কিছু ডাক্তার রোগীর মন রক্ষা করতে গিয়ে ভিটামিন, স্যালাইন - এইসব বেকার জিনিস পত্র প্রেস্ক্রাইব করেন। তাহলে ছেলেটি উপকার পেলো কি করে?
এখানে আমাদের আসলে তার সমস্যার মূলে পৌছাতে হবে। আমি যা বুঝেছিলাম, উনি তার প্রেমিকাকে তৃপ্ত করতে পারবেন কি পারবেন না সেই অতিরিক্ত টেনশন, সাথে ১ম বারের অতিরিক্ত উত্তেজনা = এর ফলে সমস্যায় পড়েছিলেন। ভিটামিন খাওয়ার পরে তার ভিতরে বিশ্বাস চলে আসে যে উনার সমস্যা মিটে গেছে । উনি এখন যৌন ভাবে সবল । এই ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ও কমফোর্ট লেভেল তাকে যে রিল্যাক্সসেশন বা আরাম দিয়েছে - তাতেই উনি পরের বার গুলোতে ভালো পারফর্ম করতে পেরেছেন।
এখন , ঝড়ে বক পড়লো আর তাতে ফকিরের / ভিটামিনের কেরামতি বেড়ে গেলো।
এই রকম কেরামতি কেন দরকার হয়? মূল সমস্যা কি? সমাধান কি?
একজন ডাক্তার হয়েও সেই তরুণকে বুঝাতে ব্যর্থ হওয়ার পরে আমি এইটা নিয়ে অনেক ভেবেছি। কেন উনি বুঝতে চাইলেন না একেবারেই? এবং ভেবে ভেবে , তার সাথে এর উপরে পড়ালেখা করে আমি যা বের করেছি তা হলো , মানুষের বিশ্বাসের সাথে তথ্যের লড়াইয়ে বিশ্বাসের জয় হবেই। এই তরুণের বয়ঃসন্ধির সময় থেকেই কোন যৌণ শিক্ষা নেই । তার শেখার সূত্র ছিলো হয়ত আদিরসাত্মক সাহিত্য , নীল ছবি কিংবা নিদেন পক্ষে বড় ভাইদের অভিজ্ঞতা । এর কোনটাই সঠিক শিক্ষা দেয় না , দিতে পারে না । বরং এসব থেকে মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ভয়াবহ ভুল শেখে । আবার এই সব সূত্র গুলো কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা সমস্যা আর কোনটা রোগ- তাও শিক্ষা দেয় না । যারা এই সব নোংরা পথে কিছু শিখতে পছন্দ করেন না , তাদের জন্য কি কোন ভিন্ন পরিষ্কার পথ খোলা আছে? সার্বিক ভাবে - নাহ। যারা সেই রকম উচ্চ শিক্ষিত এবং ইন্টারনেট এ সংযুক্ত , তারা কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন। ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন কিন্তু সেই ওয়েবসাইট গুলো কি নির্ভরযোগ্য?
এইখানে, আবার একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। অনেক দিন পর্যন্ত ইংরেজি ছবির নায়ক-নায়িকাদের দেখে দেখে আমার ধারণা ছিলো পশ্চিমা পুরুষ এর বুকে ও নারীদের হাতে পায়ে কোন লোম থাকে না । বড় হয়ে সেই কুশিক্ষা আমার দূর হয়েছে মেডিকেলে পড়তে গিয়ে। সুতরাং, দেখুন, এমন কি ছবিও কি ধরনের ভুল শিক্ষা দেয় মানুষকে !
আমাদের দেশের তরুণ তরুণিদের তাই মূল সমস্যা হলো একটা ভালো, ভদ্র , পদ্ধতিগত ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষা বা জ্ঞানের মাধ্যম - যা থেকে মানুষ সঠিক শিক্ষাটা নিতে পারে- তার অভাব। আর এরই সুযোগ নেয় যত রকমের মঘা, ইউনানী, কবিরাজি , হার্বাল আব জাব কোম্পানি গুলো। বাংলাদেশে অশিক্ষা তো আছেই , তার চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো , যারা স্কুল কলেজে পড়েন, তারা কুশিক্ষিত কিংবা অর্ধ শিক্ষিত ।
এখনো মানুষ জানে না , মেয়েদের প্রতি মাসে রক্তপাত হওয়াটা (মাসিক বা রজঃস্রাব) যেমন একটা স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া , সেই রকম পুরুষের কিছুদিন পর পর ইরেকশন বা যৌণাঙ্গ দৃঢ় হওয়া থেকে শুরু করে ইজাকুলেশন বা ধাতু নির্গত হওয়াটা একটা অতি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া । স্বপ্নদোষ নামে যাকে ধর্মভীরু মানুষ এটা সেটা খেয়ে রোগমুক্তির আশা করে, সেইটা আসলে কোন রোগই না । একবার চিন্তা করুন, মেয়েরা যদি দল বেধে "ঋতুদোষের" জন্য কবিরাজি ওষুধ খাওয়া শুরু করে তাহলে ব্যাপার কি দাঁড়াবে?
সময়ের আগেই ধাতু নির্গমন বা ইজাকুলেশন কোন দুর্বলতার লক্ষণ নয় । এইটা কোন রোগও নয়। তবে , পুষ্টিহীন নারী শরীরে যেমন ঋতুস্রাবের সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত পুষ্টিহীনতায় ভুগলে পুরুষেরও পারফর্মেন্সে ঘাটতি হতে পারে। তবে সে সব ঘাটতি কবিরাজি, ইউনানী হালুয়া খেয়ে কিংবা মলম মেখে দূর করা যায় না । বেটার পার্ফর্মেন্সের জন্য চাই বেটার স্বাস্থ্য । সুস্বাস্থ্য।
যারা জানেন না , তাদের জন্য বলি, অতিরিক্ত শুকনা কিংবা অতিরিক্ত মোটা হলে , উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে , সিগারেট - মদ জাতীয় বদভ্যাস থাকলে - যৌণ দক্ষতা কমে যেতে পারে। বাচ্চা হতেও সমস্যা হতে পারে। তার মানে এইনা যে আপনাকে সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে জিমে গিয়ে ডাম্বেল ভাজতে হবে, কিন্তু , স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান না হলে প্রেমিকা /স্ত্রীর প্রেম পাইতে কিংবা বাচ্চার বাপ হইতে সমস্যা হতেই পারে।
যারা যৌণ শিক্ষার নাম শুনলেই সব গেলো গেলো বলে চিল্লাতে ভালোবাসেন, সেই সব মানুষদের মন রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের পাঠ্য বই গুলাতে যথা সম্ভব কম তথ্য দেওয়া থাকে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে , উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত আগে মানব দেহ সিলেবাসেই ছিলো না ( বায়োলজি) । আশা করি এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মানুষের যৌণ বা রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আমি উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াতে দেখিনি। এমন কি , মেডিকেলের ফিজিওলজি ম্যাডাম আমাদের বলেছিলেন, " এইটা তোমরা বাড়িতে পড়ে নিও।" এই থেকেই বুঝা যায় , মানুষের দেহের এই অংশ বা সিস্টেমটিকে নিয়ে সঠিক শিক্ষার পরিবেশ বাংলাদেশে প্রায় অনুপস্থিত । কিন্তু তাতে কি প্রলয় বন্ধ আছে?
যারা বলেন, সঠিক যৌণ শিক্ষা দিলে মানুষের নৈতিক আচরণে ধ্বস নামবে , এতদিন তো এই শিক্ষা বাংলাদেশে বন্ধই আছে এক রকম, তাতে কি ধ্বস নামা বন্ধ হয়েছে? কমেছে? নাকি, বেড়েছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে । কিন্তু যৌণ সঙ্গম কি বেড়েছে না কমেছে?
যৌণ শিক্ষা বন্ধ আছে কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষকে যৌণ সুড়সুড়ি দেওয়া কি বন্ধ আছে?
যারা এর বিরোধিতা করেন, তারা কি দায়িত্ব নিয়েছেন ছেলে মেয়ে গুলো যাতে কোন বিপদে না পড়ে , অশিক্ষা - কুশিক্ষা জনিত স্বাস্থ্যহানি না ঘটায় - সেইটা বন্ধে?
অসামাজিক কার্যকলাপ বাদ দেন, যারা সামাজিক কার্যকলাপ (বিয়ে, বাচ্চা নেওয়া, একটা স্বাভাবিক যৌণ জীবন কাটাতে চান) করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিপদ , আপদ, রোগ, শোক, বিব্রতকর অবস্থা এবং কখনো কখনো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছেন , তাদের শিক্ষার কোন ব্যবস্থা কি নিয়েছেন?
আমরা যারা ডাক্তার , তারা প্রতিদিনই কারো না কারো মারাত্মক কোন সমস্যার কথা শুনি বলে আমরা টের পাই , এই " লুকিয়ে রাখা" , " চেপে রাখা" , "দমিয়ে রাখা" যৌণ অজ্ঞতাজনিত সমস্যা গুলো কি হারে মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করছে। আর কত সহজেই একটা সঠিক শিক্ষা মানুষকে এই কষ্ট গুলো থেকে রক্ষা করতে পারে।
কিছু ঘটনা ঃ
১। এই ২০১০ সালেও এসে শুনতে হয় মঘা , ইউনানী, কবিরাজি, মান্ডার তেল আর শিয়ালের বাম এর বেচাবিক্রির শোর গোল।
২। এই যুগেও মানুষ জানে না কোনটা স্বাভাবিক যৌণতা আর কোনটা অস্বাভাবিক।
৩। অতি আধুনিক দম্পতিকেও বিয়ের পরে পর্ণ দেখে শিক্ষা নিতে হয় কেমনে কি করে। যারা এই সব দেখা পাপ বলে বিশ্বাস করেন, তাদের অবস্থা আরো করুণ।
৪। পতিতার কাছ থেকে "অভিজ্ঞতা" ও "জ্ঞান " আহোরণ করতে গিয়ে যৌণ রোগ বাধিয়ে আসে।
৫। জানে না কিভাবে বাচ্চা হয়।
৬। বিয়ের আট মাসেও না জানা কি ভাবে সঙ্গম করতে হয়।
৭। জানে না কি ভাবে গর্ভ ধারণ আটকানো যায়।
৮। অবৈধ গর্ভপাত এখনো বাংলাদেশের অন্যতম বড় ব্যবসা।
৯। এখনো সন্তান ছেলে কিংবা মেয়ে হওয়া নিয়ে স্ত্রীকেই দায়ী করা হয়।
১০। এখনো যে কোন সমস্যা হলে মানুষ পরিচিত ডাক্তারদের কাছে ছোটে । বেশির ভাগই লজ্জায় চেপে রাখে।
১১। এই যুগে মানুষ মান্ডার তেল, শিয়ালের বাম, শিকড় বাকড় , তাবিজ আর ভিটামিন- স্যালাইনের পিছনে টাকা নষ্ট করে।
এখন সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি । স্রেফ " কি ভাবে আদর করতে হয় জানে না বলে" স্ত্রীকে বছরের পর বছর ধরে যা করা হয়েছে তাকে শুধু তুলনা করা চলে "ধর্ষণ" হিসেবে । স্ত্রী স্বামীকে ভালোবাসেন কিন্তু তার যন্ত্রনা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যে অত্যন্ত ধর্ম ভীরু সেই দম্পতি যৌণতা এক প্রকার বাদ দেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীকে অনুরোধ করেন, " তোমার দরকার হলে তুমি বাইরে থেকে করে এসো । আমি মানা করবো না।"
এখন প্রশ্ন হইলো , আল্লাহ মানুষের ভিতর যৌণ সঙ্গম নামক একটা প্রক্রিয়া দিয়েছেন যার মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশিত হওয়ার কথা। যার মাধ্যমে নতুন শিশু জন্ম হওয়ার কথা । সেই প্রক্রিয়াটা একজন স্ত্রীর জন্য এত কষ্টের কেন হবে? কেন একজন স্ত্রীর মনে হবে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে ? আর স্বামীই বা কেন বুঝবে না কোনটা ভালোবাসা আর কোনটা ধর্ষণ ? এই মারাত্মক অবস্থাটা কিন্তু আমি দেখেছি আমার পরিচিত গন্ডিতে ! ঘটনার কেউ মূর্খ , অশিক্ষিত নয়। বরং উচ্চ শিক্ষিত । এরা কেউ পাশবিক নয় বরং সঙ্গী- সঙ্গীনীর প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। এরা কেউ ধর্মহীন নয় - এদের কেউ কেউ প্রচন্ড ধার্মিক ( ১ম তরুণ বাদে) ।
বাংলাদেশের সমাজের যেই অংশটি অশিক্ষিত , তাদের অবস্থা আরো ভয়াবহ।
আমাদের বুঝতে হবে , যৌণ শিক্ষা শুধুমাত্র বায়োলজির বিষয় নয়। এর সাথে জড়িত আছে স্বাস্থ্য। এর সাথে জড়িত আছে যৌণতার সামাজিক, ধর্মীয়/নৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক ইস্যু । যৌণতার সাথে জড়িত আছে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ও আবেগ এর বিকাশ। এখনো বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার ভয়াবহ। আমরা এখনো এই সব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করতে পারছি না বলে অন্য কোন দিকে উন্নতির কথা ভাবতেই পারছি না । প্রতিনিয়ত পিছিয়ে যাচ্ছি দুনিয়া থেকে। আমরা কি একটা স্বাস্থ্য, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক,পারিবারিক (বাচ্চা হওয়া থেকে শুরু করে একটা বাচ্চাকে সঠিক ভাবে লালন পালন করতে কি কি করা লাগে, কেমন খরচ হয়) ও নৈতিক শিক্ষাসহ একটা পরিপূর্ণ ও ব্যালেন্সড যৌণ শিক্ষার সিলেবাস তৈরী করতে পারি না?
দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যৌণ, সমস্যা, শিক্ষা, কুসংস্কার, পুরুষ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভালো কথা বলেছেন । কিন্তু , সমস্যা গুলো তো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না । বরং যারা ইন্টারনেট এ এসব জানতে পারেন না , তাদের মধ্যেই বেশি।
সেবা প্রকাশনীর এই বইয়ের কথা কয়জন জানে বলেন? আর জানলেও এর লভ্যতা কি সহজ খুব?
তাই, স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করাটাই সবচেয়ে আগে দরকার ।
এখনো গ্রামে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায় ১২/১৩ /১৪ / ১৫ তে । বাচ্চা হয়ে যায় ১৫ এর ভিতর । এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে বহু বছর লেগে যাবে।
সুতরাং, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বয়স অনুযায়ী যৌণ শিক্ষা ( আসলে যৌণ না বলে জনন অঙ্গের ও সিস্টেমের শিক্ষা বলাই ভালো । যৌণ শুনলেই লোকে ভাবে , কেউ চশমা পরে হাতে বেত নিয়ে ছাত্রদের বলছে, " যা , তোদের যা শিখিয়েছি তা করে দেখা" ) চালু করাটা জরুরী।
লেখক বলেছেন: আরেকটা কথা , যতদূর মনে পড়ে , সেবা প্রকাশনীর বইটাতে যৌণতার সামাজিক, অর্থনৈতিক দিন গুলো ছিলো না । সুতরাং , এই বইটিও আংশিক শিক্ষা দেয় , পরিপূর্ণ শিক্ষা দেয় না।
যৌণ শিক্ষার সাথে নৈতিকতা বা ধর্মের শিক্ষা যুক্ত থাকতে পারবে না , তা কিন্তু নয় । আমরা প্রায়শই এমন অনেক বই দেখি যেখানে , বিজ্ঞান মানে ধর্ম নিয়ে বলা যাবে না । আবার ধর্মীয় হলে , যৌণতা পাপ , দোজখে কি কি শাস্তি হবে - এই সব দিয়ে ভরা ।
আমি চাইছি একটা পরিপূর্ণ সিলেবাস । যেইটা যৌণোতার সাথে সম্পৃক্ত সব কয়টা বিষয়কে আলোচনা করবে। কোন একটি খন্ডিত দৃষ্টিভঙ্গী নয়, চাই পরিপূর্ণ আলোচনা । শুধু ইসলাম ধর্মই নয় - হিন্দু , বৌদ্ধ , খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মে যৌণতা নিয়ে কি বলা হয়েছে , কেন বলা হয়েছে - সেগুলো নিয়েও খোলামেলা আলোচনা চাই। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
আতেল তাপস বলেছেন:
ডাঃ মুহিত কামাল এর একটা বই পড়েছিলাম আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে, নামটা মনে করতে পারছিনা দুঃখিত।চমৎকার ভাবে অতি প্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলেছেন
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাপস। মনে পড়লে অবশ্যই জানাবেন।
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
দারুন। ধন্যবাদ।এই সচেতনতা যত দ্রুত আমাদের সবার মাঝে আসবে ততই আমরা সুন্দর স্বাস্থ্যবান সমাজের দিকে এগিয়ে যাব।
এরকম অনেক অভিজ্ঞতা আমারও হয়েছে। এবং স্রেফ তাদের সাধারন ভুল ভেঙ্গে কিছু সাধারন শৃঙ্গার পদ্ধতি প্রয়োগ করে তারা খুব সূখি....
তার মধ্যে সাধারন যেমন আছেন ধর্ম ভীরু মোল্লাও!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভৃগু । মানুষ হলেই তার ভিতরে যৌণতা থাকবেই। তাই শিক্ষাটাও সকলের জন্যই জরুরী।
মানুষ বলেছেন:
গুল্লি পোষ্ট লিখছ। বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে তাকালে মনে হবে বুঝি এই দেশের সমস্ত পুরুষ দ্রুত স্থলন এবং আগা মোটা গোড়া চিকন রোগে আক্রান্ত। যেদিকে তাকাই শুধু চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞদের (!) বিজ্ঞাপন। পাঠ্যক্রমে সঠিক যৌন শিক্ষা নিয়ে সকলের আপত্তি কিন্তু পথে প্রান্তরে এইসব আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। এই সবের আশু প্রতিকার হওয়া দরকার।
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে তোমাকে আমার পোস্টে দেখে ভালো লাগলো ।
ঠিকই বলেছো । গাড়ির ভিতরে ছুড়ে দেওয়া অনেক বিজ্ঞাপনের ভাষা পড়লে বমি চলে আসে । তারা আছে বহাল তবিয়তে , শুধু স্কুল কলেজে ভদ্র ভাবে শিক্ষা দিতে চাইলেই সকলের চক্ষু কপালে!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
পোস্টটি ১০ জনের ভালো লেগেছে, কিন্তু কমেন্ট মাত্র ৪ টা। হাহা! ভালো পোস্ট। তবে এসব ব্যাপার আগ্রহ নিয়ে জানার চেষ্টা কর্সি সবসময় বলে কোন ভ্রান্ত ধারণা নাই। অনেকের উপকারে আসবে অবশ্য এই পোস্টটা।
লেখক বলেছেন:
সেইটা কি খুব অপ্রত্যাশিত কিছু? এই ব্লগেই কনডম/যৌণতা বিষয়ক পোস্ট দিয়ে " এ টিমের" কিছু বিখ্যাত সদস্যদের কম গালি তো খাই নাই। বিখ্যাত এটিম তাদের জামাত হটাও ব্লগে তাদের নৈতিকতা ও সততার পরকাষ্ঠা দেখিয়ে জামাতী অনেক লেখার পাশে সেই লেখাকেও যুক্ত করে অবিস্মরনীয় করে রেখেছেন। বুঝুন, কোন জামাতীর কিন্তু এই সাহস আজ পর্যন্ত হয় নাই! ( এইবার কিন্তু মাইনাসের বন্যা বয়ে যাবে) ।
আবার ইসলামের ধ্বজাদারি জামাতী ব্লগারদের গালিও কম পড়ে নাই। এই পোস্টে মন্তব্য করে কে এই সব রিস্ক নিবে?
আজকে পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করলে আমি নিশ্চিত নারী শিক্ষিকারা পথে মিছিল করবে।
কারণ তখন কতিপয় মানুষ নামধারী পশুই তারিয়ে তারিয়ে গল্প করবে , " জানিস , অমুক বাড়ির বউ তো স্কুলে ঐসব পড়ায়!"
কিংবা, " আপা, আজকে কি আপনি ঐসব পড়াবেন ক্লাসে? " বলে সহকর্মীরাই ফাজলামো করবে।
বাংলাদেশে ছিনতাইকারিরা রাস্তায় নিরাপদ , শুধু প্রেমিক প্রেমিকা হাত ধরলে সামাজিক বিবেক রাম দা নিয়ে লাফিয়ে পড়ে - ধর্ম গেলো , জাত গেলো , দেশ উচ্ছন্নে গেলো বলে ।
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সিউল রায়হান বলেছেন:
চমৎকার লিখা। যৌন বিষয়ক ট্যাবুটা ভাঙ্গা দরকার, বিশেষ করে সন্তান জন্মের জন্যে ঢালাওভাবে শুধু স্ত্রীকেই দায়ী করাটার মত অমানবিক আর কিছুই হতে পারে না।তবে এই সংস্কার ঠিকমত সম্ভব নাকি সে বিষয়ে আমার যথেষ্ঠই সন্দেহ আছে। যেই সরকারই এমন পদক্ষেপ নিতে যাবে তার বিরোধী দল "অশ্লীলতার পৃষ্ঠপোষক সরকার" বলে সেটার বিরোধীতা করবে। পুরো দেশ একসাথে একত্রে কিছু করবে এটা মনে হয়না এখন আর সম্ভব।
লেখক বলেছেন: অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি , আমি এই মন্তব্যের সাথে একমত ।
উপরের মন্তব্যে আমার নিজের অভিজ্ঞতা লিখেছি এই ব্লগেই। আমি যখন ব্লগে এই ট্যাবু ভাঙ্গার চেষ্টা করেছি তখন পজিটিভ কোন সাড়া পাই নাই । গল্প করার ছলে লেখা সেই ট্যাবু ভাঙ্গা পোস্ট মাইনাসের রেকর্ড ভেঙেছে ।
আর আমাকে দেখিয়েছে কিছু পরিচিত মানুষের পেছনের চেহারাটা কি পরিমান ভয়ংকর নোংরা।
আরো দেখিয়েছে , দলবদ্ধতার দোহাই দিয়ে চরম নোংরামিও কি করে তথাকথিত ভদ্ররা প্রশ্রয় দেয় ।
নইলে এই দেশে এত মা কেন মরবে ?
এত শিশু কেন মরবে?
এত স্ত্রী কেন যন্ত্রনায় নীল হবে?
যারা আশে পাশে বসে দেখতে পায়, তারা কিছু করে না বলেই তো! তাই না!
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
আপনার পোস্ট টার জন্য ধন্যবাদ।আপনার লেখাটায় যথেষ্ঠ গভিরতা আছে। তবে আমার একটি পোস্টে আমি আরেকটু সহজ ভাষায় শুধুমাত্র দুই টা সমস্যার কথা ব্যাখা করেছি।
আসলে বেশিরভাগ সমস্যার জন্য কোন ঔশুধের থেকে মৌখিক ব্যাখা অনেক কাজের। কিন্তু বাংলাদেশের মেডিক্যাল কালচার টা একদম গেছে।
আপনার অনুমতি না নিয়াই লিংকটা দিলাম। বেয়াদপি মাফ করবেন।ছেলে এবং মেয়েদের যৌন অক্ষমতার সমস্যা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান। ( ১৮ +)
বলা বাহুল্য আমার এই পোস্ট টি ব্লক করা হয়েছে এবং কড়া একটা ব্যান খাইছিলাম এটার জন্য। তাই আপনার পোস্ট টার ভবিশ্যত নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় আছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আমি মন্তব্য করেছি।
আমার এই বিষয়ে পড়ালেখা কম বলে আমি মেডিকেল নলেজে বেশি ফোকাস করতে চাই নাই । আমি চেয়েছি আমাদের সামাজিক অবস্থা বর্ননা করে নতুন শিক্ষা নীতি/ সিলেবাসে যৌণ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফোকাস করতে।
আর মানুষকে কিছুটা এই ধারণা দিতে যে যৌণতা কেবলই বায়োলজির বিষয় নয়। মেডিকেলের বিষয় নয় । এর সাথে একটা ছেলে বা মেয়ের মানসিক স্বাস্থ্য, আবেগ , সামাজিক, পারিবারিক, সাংস্কৃতিক , ধর্মীয় /নৈতিক , এমন কি অর্থনৈতিক বিষয়ও জড়িত । তাই শিক্ষা দিলে সেইটা যেন পরিপূর্ণ শিক্ষা হয় । স্রেফ , বায়োলজি না হয়।
০৭৭৯ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন ।আপনার সাহস এবং বিষয় নির্বাচনের জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হচ্ছে।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ .......।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
বলাবাহুল্য আমার পোস্ট টা ব্যান খাবার পরেও শতাধিক মানুষ প্রুয়তে রেখেছে। আপনার টা ব্যান না খেলে সেই সংখ্যা ১০০০ পার হলেও অবাক হব না।
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টে ব্যান করার মত কিছু খুঁজে পাই নাই । হয়ত " পেনিস ঢুকাতে সমস্যা হয়" জাতীয় লাইন দেখে মডূরা ভয় পেয়েছে । এত সরাসরি কথা বার্তা বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে এখনো ঠিক মানায় না ।
আপনি আরেকটু কঠিন কিংবা ঘুরানো প্যাচানো বাংলা বললে হয়ত ব্যান খাইতেন না। জানেন তো, এত সরাসরি আমাদের মেডিকেল বই ছাড়া আর কোথাও মানুষ লেখে না।
মেডিকেলের বই থেকে অনুবাদ না করে কিংবা মেডিকেল বই এর মত লাইন না লিখে ব্লগের মত লিখুন। আমরা যারা মেডিকেলের বই পড়েছি তারা মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই পড়েছি। যারা ব্লগ পড়ছেন , তারা ঐ রকম লাইন দেখলে শকড হবেন , এইটাই স্বাভাবিক।
এটুকু বাদ দিলে আপনার পোস্টটা বেশ ভালো লেখা।
দূর্যোধনের হাত বলেছেন:
হুমম ।ভিটামিনোসিস না হাইপার ভিটামিনোসিস ?
তাড়াহুড়া বা টেনশন বা অতিরিক্ত টেনশন বা অপরাধবোধ ..... এগুলো সব এনজাইটি ডিসঅর্ডারে পড়ে .... এগুলোর কারনে কখনোই প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হতে পারেনা । যা হতে পারে তা হলো ডিলেইড ইরেকশন ।
আপনার এই তথ্যগুলো ভুল মনে করছি ।
লেখক বলেছেন: হাইপার ভিটামিনোসিস - ই বেশি প্রচলিত ও সঠিক।
প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিয়ে আপনার জানা শোনা বেশি হতেই পারে তবে যতদূর মনে পড়ে , সাইকোলজিকাল ফ্যাক্টর গুলো এই রকমই পেয়েছিলাম। আপনি কিন্তু চিন্তা করার সময় " জীবনে ১ম বার সঙ্গমের সময় কেন সেই তরুণের হয়েছে " -- এই ভাবে চিন্তা করবেন । এইটা খুবই স্পেসিফিক সিচুয়েশন ( একটা সিঙ্গেল কেস) নিয়ে আমার ধারণা মাত্র। এইটা কোন মেডিকেল ডায়াগনোসিস নয়।
------------------
Possible psychological and environmental factors
Psychological factors commonly contribute to premature ejaculation. While men sometimes underestimate the relationship between sexual performance and emotional well-being, premature ejaculation can be caused by temporary depression, stress over financial matters, unrealistic expectations about performance, a history of sexual repression, or an overall lack of confidence. Interpersonal dynamics strongly contribute to sexual function, and premature ejaculation can be caused by a lack of communication between partners, hurt feelings, or unresolved conflicts that interfere with the ability to achieve emotional intimacy. Neurological premature ejaculation can also lead to other forms of sexual dysfunction, or intensify the existing problem, by creating performance anxiety. In a less pathological context, premature ejaculation could also be caused simply by extreme arousal.
According to the theories developed by Wilhelm Reich, premature ejaculation may be a consequence of a stasis of sexual energy in the pelvic musculature, which prevents the diffusion of such energy to other parts of the body[4].
One study of young married couples (Tullberg, 1999) reported that the husband's IELT seems to be affected by the phases of the wife's menstrual cycle, the IELT tending to be shortest during the fertile phase. Other studies suggest that young men with older female partners reach the ejaculatory threshold sooner, on average, than those whose partners are their own age or younger[citation needed].
এ ব্যাপারে স্কুল-কলেজের সিলেবাসের পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনগুলোতেও আলোচনা চলতে পারে, তাতে করে শিক্ষিত অনেকেই জানতে পারে।
খুব ভালো পোস্ট। ডাক্তার আপারে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজনীন । স্রেফ আগে থেকে জানত না বলে বিভিন্ন দম্পতির দুরবস্থা কিংবা স্বামীর সাথে ১ম সেক্স এ-ই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরে পরিচিতাদের আতংক , কান্না , বাপের বাড়ি পালিয়ে যাওয়া , কেন বার বার পালিয়ে চলে আসে মুখ ফুটে বলতে না পারা , বাচ্চা মরে যাওয়া --- এই সব দেখতে দেখতে ভাই লজ্জা শরম পিছনের জানালা দিয়ে ফেলে দিয়েছি।
লজ্জা শরমের চেয়ে একটা মানুষের জীবন, একটা শিশুর জীবন অনেক বড়!
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সাবলীল উপস্থাপন...যৌন ''সমস্যা'' র কারণে ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে আসলে তাবিজের পোস্টে করা আপনার কমেন্টের একটু অংশের প্রতিধ্বণি করি- ওষুধ গুলো শারীরিক সক্ষমতায় কোনো হেরফের না ঘটালেও মানসিক সক্ষমতায় বড় ধরণের পরিবর্তন ঘটায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ''যৌন অক্ষমতায়'' ভোগা পুরুষেরা ''অভিজ্ঞ''দের কাছ থেকে এই সব ওষুধের নাম ঠিকানা যোগার করে। যেহেতু তার মাথায় আছে যে সে ''অক্ষম'' তাই তার ওষুধের প্রয়োজন, এবং ''অভিজ্ঞ'' একজন যখন কিছু (এ্যলো, হোমিও, ইউনানী, কোব্রেজী) প্রেসক্রাইব করে অটোমেটিক ভাবে তার মাথায় ঢুকে যায় এই ওষুধে কাজ হবেই, মানসিক দৃঢ়তা আসার সাথে সাথে তার শারীরিক সক্ষমতাও রিগেইন হয়।
আসল কথা হ'লো আমাদের যৌন বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার অভাব। যে বিষয়টা আপনি চমৎকার আলোচনা করেছেন...
ধন্যবাদ লেখার জন্য...
লেখক বলেছেন: আপনি খুব সুন্দর করে বুঝেছেন এবং বুঝিয়েছেন । এই জন্যই ভিটামিন লেখাকে আমি বন্ধ করতে বলিনি । স্রেফ বিপদ এড়াতে বলেছি। এই সব ভিটামিন বা স্যালাইনের কাজ হচ্ছে " মানসিক আস্থা বা শান্তি কিংবা বিশ্বাস জনিত ইফেক্ট" - যাকে আমরা বলি প্লাসিবো।
জেনে আশ্চর্য্য হবে , সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে অষুধের প্লাসিবো ইফেক্ট প্রায় ৫০% বা তারও বেশি। তার মানে ওষুধ ছাড়াই ৫০% সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। স্রেফ বিশ্বাসের জোরে। তাই বিশ্বাস খারাপ জিনিস না।
তবে, বিশ্বাস যেন কোন ক্ষতি না করে । এই আর কি!
মঘা হালুয়া কিংবা ইউনানী বাম এর ক্ষতি কি কেউ পরিমাপ করে দেখেছি?
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: হুমম ।ভিটামিনোসিস না হাইপার ভিটামিনোসিস ?
তাড়াহুড়া বা টেনশন বা অতিরিক্ত টেনশন বা অপরাধবোধ ..... এগুলো সব এনজাইটি ডিসঅর্ডারে পড়ে .... এগুলোর কারনে কখনোই প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হতে পারেনা । যা হতে পারে তা হলো ডিলেইড ইরেকশন ।
আপনার এই তথ্যগুলো ভুল মনে করছি । [/sb
খাইছে রে, সিনওর ডাঃ ভাই আইসা পরছে। তবে ইমন ভাইয়ের তথ্য ভুল নয়, এনজাইটি ডিসঅর্ডারে প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন এবং ডিলেইড দুটোই হওয়া সম্ভব।
আমি নিজে কিছু খেত্রে এন্টি এনজাইটি মেডিসিন ( সেট্রালিন ) দিয়ে থাকি এবং তা এফেকটিভ কাজ করে ।
আমার পোস্ট টা তে কোন ভুল পাবেন না বলে আশা করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টোকাই ।
আপনি কোন মেডিকেলের ?
লেখক বলেছেন: লিংকের জন্য ধন্যবাদ । যদিও একটু অপ্রাসঙ্গিক ।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে। আমারব্লগে একজন কয়েকটা পোষ্ট দিয়েছিলো এই নিয়ে।মলিকিউলের এটা, http://molecule.amarblog.com/posts/21691
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?
লেখক বলেছেন: এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে--- হা হা হা !
কেনরে ভাই?
আরো কেন দিব?
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
প্রথমেই অনেক মূল্যবান একটি লেখার জন্য ডাক্তার সাহেবকে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের অনেক মানুষের সার্টিফিকেট আছে। কিন্তু কয়জন মানুষ আর শিক্ষিত বলুন! না হলে ভন্ড পীর কি ভাবে এখনো এদেশে কেরামতী প্রদর্শন করে? আবুল হাসানাত-এর "যৌন বিজ্ঞান" বইটি একটি ভাল বইয়ের রেফারেন্স হতে পারে। কিন্তু বইটি অনেক দুর্লভ।মাধ্যমিক পর্যায়ে যৌন শিক্ষার ব্যবস্থা থাকা উচিত। আমাদের সমাজে মা তার মেয়েকে সামান্য হলেও যৌন শিক্ষা দেবার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাবারা তো তাদের ছেলেদেরকে এব্যাপারে কোন কিছু বলতে পারেন না।
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন । অনেক ডাক্তার পেয়েছি যাদের সাথে যৌণতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রোগীদের নরক বাস হয়ে গেছে । সেই রোগীদের জবানবন্দী থেকেই বলতে পারি, ডাক্তারদের মধ্যেও কুশিক্ষিতের অভাব নেই!
বইয়ের নাম এর জন্য ধন্যবাদ । আমি এইটাই বলতে চেয়েছি আমার পোস্টে - ভাল শিক্ষা সুলভ নয় এই বিষয়ে ।
মাধ্যমিক অনেক দেরী হয়ে যাবে । প্রাথমিকের পরে অনেকেই ঝরে পড়ে , বেশির ভাগই মেয়ে । আর গ্রামে এখনো বিয়ে হয়ে যায় ১২/১৩ তেই।
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
স্বস্তি , কারণ আমাদের নকল ও ভেজাল ভিটামিন কোম্পানির ( ছোট খাট কোম্পানি না শুধু , বড় বড় কোম্পানিও আটা চিনির গুড়া ক্যাপ্সুলে ভরে ভিটামিন হিসেবে বিক্রি করে) বদৌলতে বেচারা ভিটামিনোসিস এর হাত থেকে বেঁচে গেছে ।এটা হাইপোভিটামিনোসিস হবে।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আপনার পোস্ট ভালো লাগলো। সাহসী লেখা। তবে অসম্পূর্ন।
অলটারনেটিভ ও কম্প্লিমেনটারী মেডিসিনকে আপনি সরাসরি পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। আজকের মর্ডান অ্যালোপেথিক মেডিসিন কিন্তু হিপোক্রিটেস, গ্যালেন বা ইবনে সিনার গ্রিকো-অ্যারাবিক সিস্টেমের একটি পরিবর্তিত সংস্করণ।
লেখক বলেছেন: বেশি বেশি ভিটামিন খেলে হাইপো হয় না ভাই , হয় হাইপার ।
হাইপো মানে স্বাভাবিকের চেয়ে কম।
হাইপার মানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। --- ঐ তরুণ ১১ রকমের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির বি কম্পলেক্স আর মাল্টি ভিটামিন খাচ্ছিলো । হইলে হাইপারই হইত।
-------------------
অল্টারনেটিভ বা হোমিওপ্যাথিকে আমি এড়াইনি। ওরা আমার এই পোস্টের ফোকাসই ছিলো না । ফোকাস ছিলো মানুষ যৌন বিষয়ে জানতে চেয়ে - জানতে পারে কি না।
বাংলাদেশের হোমিও প্যাথি আত জার্মানি , আমেরিকার হোমিও প্যাথিকে গুলিয়ে ফেলবেন না দয়া করে ।
উন্নত বিশ্বের হোমিওপ্যাথরা এলোপ্যাথি পড়ে তারপর হোমিও প্যাথিতে যায় , যেতে পারে। তারা পাল্লা দিয়ে ব্লাড টেস্ট করে। এম আর আই দিয়ে খুঁজে দেখে মাথার ভিতরে কি সমস্যা । সিটি স্ক্যান করে । আধুনিক সমস্ত ডায়াগ্নোসিস যন্ত্রই ব্যবহার করে ।
আমি সেই রকম হোমিও প্যাথি , চাইনিজ মেডিসিন , আকুপাংচার কিংবা ভারত উপমহাদেশের কবিরাজিকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি ।
আমার আপত্তি শুধু অল্টারনেটিভ মেডিসিনের নামে অবৈজ্ঞানিক কিছুর চর্চা কিংবা লোন ঠকানোর জন্য মান্ডার তেল, হালুয়া , শিয়ালের বাম বিক্রি করা নিয়ে ।
আমার আপত্তি সকল জটিল ও গোপন রোগের ১০০% গ্যারান্টি সহকারে চিকিৎসা নিয়ে ।
আমার আপত্তি ক্যান্সারের ১০০% রোগ মুক্তির বিজ্ঞাপন নিয়ে ।
লেখক বলেছেন: লিংক তো এরর দেখায় ।
http://www.markosweb.com/www/monojagot.ws/#
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
comment by: কায়েস মাহমুদ বলেছেন: এইরকম পোস্ট আরো দিয়েন, অনেক দোয়া করমু আপনাকে। আমারব্লগে একজন কয়েকটা পোষ্ট দিয়েছিলো এই নিয়ে।মলিকিউলের এটা, http://molecule.amarblog.com/posts/21691
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান?
যৌন বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে: কি জানতে চান? [/sb
এর কারনেই সামু ছেরে কোথাও যাই না।
লেখক বলেছেন: জানলাম।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মাগো, কি ফাটাফাটি পোস্ট, যতক্ষন পড়ছি মনে হইলো একখান লংড্রাইভে আছি আর যখন শেষ হইলো তখন মনে হইলো হঠাৎ কইরা কে জানি ব্রেক কষলো। পুরা স্পিড মেটাল লেখা!হার্টবিট অখনো দেখি কমে নাই!
লেখক বলেছেন: ুমম
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
খান ফেরদৌস বলেছেন:
এখানে সাহসের কিছু নেই ,আমাদের জিবনের সব চাইতে প্রয়জনিয় বিষয় টা আমরা পাশ কাটিয়ে যাই ,যে কারনে আমাদের সমাজে বারছে পরকিয়া ,যা ভয়াবহ নিতে সময় লাগবেনা ।আপনার পোষ্ট পরে ভাল লেগেছে ,আপনাকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: সাহসের দরকার আছে কারণ আমাদের জীবনের আরেকটা প্রয়োজনীয় জিনিস খাদ্য নিয়ে আলাপ করতে আমাদের কোন সমস্যা হয় না , যতটা হয় যৌনতা নিয়ে।
সেক্স এডুকেশনের অভাবে পরকীয়া বাড়ছে , এমন কজ এন্ড ইফেক্ট এর কোন রিসার্চ এখনো পড়িনি । তাই এই ব্যাপারে একমত হইতে পারলাম না ।
তবে জীবনের জরুরী বিষয় গুলো এড়ানোর ফলে পরকীয়া বাড়ে , এইটাতে একমত ।
দূর্যোধনের হাত বলেছেন:
@ঢাকাইয়া টোকাইকটাক্ষ কর্লেন সিনিওর কৈয়া ?
আমি জানিনা আপনি ছেলে না মেয়েকে সার্ট্রালিন দেন ,কিন্ত মহিলাদের যে সার্ট্রালিনের যৌন ইচ্ছা কমে যায় (লিবিডো ) ,তা নিশ্চই জানেন !
লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে , যৌণতা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব --- এই ওষুধ কেমনে দূর করে?
দূর্যোধনের হাত বলেছেন:
* সার্ট্রালিনের সাইড ইফেক্ট
লেখক বলেছেন: আচ্ছা।
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: @ঢাকাইয়া টোকাইকটাক্ষ কর্লেন সিনিওর কৈয়া ?
আমি জানিনা আপনি ছেলে না মেয়েকে সার্ট্রালিন দেন ,কিন্ত মহিলাদের যে সার্ট্রালিনের যৌন ইচ্ছা কমে যায় (লিবিডো ) ,তা নিশ্চই জানেন 
একদিন আমাদের শিক্ষা ভ্রমনে নিয়ে যাবে । তো গেলাম সব ক্লাসমেটদের । শুনলাম আজ সেক্স এডুকেশন এর উপর সফর হইবে ।
এরকম উদ্ভট চিন্তায় ছিল । তারপর আমাদের রুমে একজন মহিলা টিচার আসল । প্রথমে বুঝি নাই পরে শুনলাম মেয়েদের টিচ করার জন্য ছেলে টিচার যায় । তারপরে বুঝলাম কারণ এতে সমস্যা গুলো তারা(বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষার্থী)বলত না । যাই হোক । আমাদের ডাক্তার বিবি সবই বর্ণনা দিতে লাগলেন । বয়োসন্ধির ব্যাপারে ডাক্তারী বিদ্যা কি বলে । সব কিছুই একজন পুলা সাহস করে বলল আমার খান তো আর বউর ভিতর আর প্রবেশ করে না । কারণ কি ? এরপর তিনি পুরা প্রজেক্টর এ চালু করে দিল ভিডিও আমি তখন দেখে চরক গাছ । কারণ আমার তো ডার্লিং নাই । তিনি বলিল এভাবে এভাবে করতে হইবেক । তবে অবশ্যই কনডম সাথে রাখিতে হইবেক । তা পরানোর নিয়মাবলীও বলে দিল । দরকার পরলে আকৃতি অনুসারী একাধিক পরতে হবে কারণ এতে ফেটে যাবার সম্ভাবনা আছে । আমি কই মাশাল্লাহ আমি চিন্তা করি এসব কারণেই হয়ত এই দেশে এইডসের সমস্যা কম বলতে গেলে নাই । তবে উপদেশ দেন ১৬ এর আগে মিলিত না হতে, পারলে যেন ১৮+ এর পর হলে উত্তম কারণ এতে শরীর বাড়তে থাকে যা এই অল্প বয়সে মিলন শারিরীক উপাদান তৈরীতে বাধা দেয় । তারপর এক পুংটা পুলা বলে রজ:স্রব সম্বন্ধে কিন্তু ডাক্তার বিবি একটা ধমক দিয়ে বলে এটা মেয়েদের জানা প্রয়োজন । তারপর বাকি টুকু বই থেকে পড়ে জানতে বলে ।
এই না হল সিস্টেম । যাই হোক পরে মেয়েরাও বাহির হয় তারপর জিজ্ঞাসা করি কি পড়াল তারা জবাব যা বলল তা একই বুঝলাম । কিন্তু তাদের মাসিক সম্বন্ধে একটু এক্সটা জ্ঞান বিতরন করে । তারপর আমাদের একজন লাইভ জননীর কাছে নেওয়া হল । দেখানো হল বাচ্চা হবার সম্ভাবনা কি কি। এগুলো একসাথেই দেখানো হয় । তারপর কিভাবে কি যন্ত্রের মাধ্যমে বাচ্চা সনাক্ত করা হয় ছেলে না মেয়ে । তারপর কিভাবে পেটে বাবু আসে নাকি না আসে তা আগে পরীক্ষা । এগুলো মেয়েরা বিনামূল্যে পেল ।
তারপর জন্ম বিরতি করণ এর বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করা হল । কিন্তু তাতে আমাদেরকে নিরুতসাহিত করা হল। কারণ অস্ট্রিয়াতে জন্ম হার খুবই কম । জনসংখ্যাও কম ।তারপর ফ্রি কনডম বিতরণ করাইল । পুলাদের থেকে মাইয়্যাদের বেশী আগ্রহ তাই বুঝলাম।
আমারগুলি ফ্রেন্ডদের দিয়ে দিলাম । কইল লাগ ব না ? আমি কইলাম , লাগত যদি এইখানে জন্মগ্রহন করতাম ।উল্লেখ্য: অশুদ্ধ ভাষায়, আর এই আমার ক্লাসে বিভিন্ন ধর্মালম্বীর ছেলে মেয়েছিল, বিভিন্ন জাতির সমাহার ছিল ।
লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: াই ?
পাহাড়ের কান্না বলেছেন:
মানুষ বলেছেন: গুল্লি পোষ্ট লিখছ। বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে তাকালে মনে হবে বুঝি এই দেশের সমস্ত পুরুষ দ্রুত স্থলন এবং আগা মোটা গোড়া চিকন রোগে আক্রান্ত। যেদিকে তাকাই শুধু চর্ম, যৌন ও সেক্স বিশেষজ্ঞদের (!) বিজ্ঞাপন। পাঠ্যক্রমে সঠিক যৌন শিক্ষা নিয়ে সকলের আপত্তি কিন্তু পথে প্রান্তরে এইসব আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। এই সবের আশু প্রতিকার হওয়া দরকার।প্রিয়তে রাখলাম। এ নিয়ে আমার ছড়াটা পড়ার নিমন্ত্রন রইল।
এখানে ক্লিক করুন
লেখক বলেছেন: সেইটাই
সুবিদ্ বলেছেন:
আমাদের সময় নতুন পাঠ্যবই চালু হয় ৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষে.......তাতে HSC-তে মানবদেহ অন্তর্ভুক্ত হয়, কিন্তু স্যার বলেছিলেন নিজেরাই যেন ওটা পড়ে নিই.......সেক্স এডুকেশন HSC-র আগে চালু করাটা ঠিক হবেনা বলে মনে হয় আমার
লেখক বলেছেন: অত পরে চালু করে কোন লাভ নাই।
বাংলাদেশে যৌনতার স্বাদ / বিয়ের অভিজ্ঞতা , বিশেষ করে গ্রামের মেয়েরা , মানুষ আরো অনেক কম বয়সে পায়।
পারভেজ আলম বলেছেন:
সত্যি কথা বলতে গেলে এইটা একটা জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। আমি কোন ডাক্তার না, কিন্তু এখন পর্যন্ত বহুত বন্ধুরে বহুত কষ্ট কইরা বুঝাইতে হইছে যে প্রিম্যাচিউর ইজেকুলেশন কোন শারীরিক সমস্যা না, এইটা একটা সাময়িক এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যা।
আমাদের দেশের পুরুষ মানুষদের খুব সম্ভবত একটা বড় অংশই প্রিম্যাচিউর ইজেকুলেশন অথবা স্বল্পকালিন ডিউরেশনের সমস্যায় ভোগে। জরিপ করলে সঠিক তথ্য পাওয়াআ যাইতে পারে। ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং যৌনতা নিয়া পাপবোধ এই সমস্যার একটা অন্যতম কারণ বইলা মনে করি। চুরি করা খারাপ জিনিস, চোর এই কাজটা তাই নিজের অজান্তেই খুব তারাতারি করতে চায়। যৌনতারে পাপ কাজ হিসাবে যারা গণ্য করে তাদের পক্ষে স্বল্পকালিন ডিউরেশন খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে বিবাহিত স্বামী স্ত্রীও নিজেদের মধ্যে যৌন সম্পর্করে খারাপ এবং নোংরা জিনিস বইলা গণ্য করে।
লেখক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।
হুপফূলফরইভার বলেছেন:
এইডা! কি দিলারে আপি ?
লেখক বলেছেন: কেন?
বিডি আইডল বলেছেন:
ব্লগে যে আমি আসলেই অনিয়মিত তার প্রমাণ হলো এই লেখা আগে দেখি নাই....এই বিষয়ে নিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সীমাহীন অভিযোগের কথা লিখতে গেলে এর চেয়ে বড় পোষ্ট হয়ে যাবে....চটি বই/পর্ণো দেখে শেখা যৌণজ্ঞাণের হাতুড়ী জ্ঞাণ নিয়ে জীবন পার করে দেয়া একেকজন...উপরের কমেন্টেও বিষয়গুলো উঠে এসেছে...ক্লাস টেনের আগে এইসব বিষয়ে শিখানো ঠিক হবে না বললো একজন?! যেখানে ক্লাস ৫-৬ এ একটা ছেলে/মেয়ের বয়ঃসন্ধি পার হয়??
লেখক বলেছেন: কোন বয়স থেকে দেওয়া উচিত , এইটা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শাওকী আজাদ বলেছেন:
আসলেও চমৎকার একটি লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পরান বলেছেন:
ভালো লাগলো পোষ্টটা। এইভাবে খোলামেলা আলোচনা হতে পারে।
স্বজন বলেছেন:
অনেক কিছুই জানা হল।রাগাপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সব জায়গায় আল্লা-টাল্লা এগুলো না আনলেই কি নয়?
তবে প্রবন্ধটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ও +
িজসান বলেছেন:
ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা ।।এর চেয়ে বেশী কিছু থাকে ।সেটা দিলাম
নিষ্কর্মা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ
দ্যা ডেডলক বলেছেন:
লেখাটি পড়ে অনেক জ্ঞান লাভ করলাম
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
উপকারী পোষ্ট অনেকের কাজে আসবে। তবে ধারাবাহিক ভাবে আরো বিশেষ কিছু সামনে আনতে পারলে অনেকের উপকার হবে বলে ধারনা। যাহোক ধন্যবাদ আপনাকে।
আই আনাম বলেছেন:
আপু, আপনি এই লেখাটি চমৎকার। অবশ্য আপনার সব লেখাই অসাধারণ। অনেক ধরণের সন্দেহ দূর হবে আপনার লেখাটি পড়ার পরে। আমি ভাগ্যবান যে আমি বেশিরভাগ তথ্যই জানতাম। বাবা-মা চিকিৎসক এবং বড় ভাই অত্যন্ত বন্ধুসুলভ হওয়ায় বয়ঃসন্ধিকালে আমাকে পরোক্ষভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হয়েছে। অনেক সময়ে প্রত্যক্ষভাবেই অনেক কিছু জানান হয়েছে।পাঠ্যপুস্তকে স্বাস্থ্য শিক্ষার বিষয়টি অপ্রধানভাবে থাকলেও আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে "প্রজনন স্বাস্থ্যে" প্রসঙ্গটি সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ক্লাসের বইয়ে। শিক্ষকগণও এ ব্যাপারে সংকোচ বোধ করেন। জাতীয় পর্যায়ে চিকিৎসকমণ্ডলীর উদ্যোগে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয় গোষ্ঠীর জন্য প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সভার আয়োজন করা যায় কি?? এতে করে ইভ টিজিং এর মত সামাজিক অপরাধগুলোরও একটি নিরাময় হওয়া সম্ভব বলে মনে হয়। অবশ্য বিদ্যালয়গুলো এ ব্যাপারে সায় দেবে কিনা সেটাও ভাববার বিষয়।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। + এবং প্রিয়তে।
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন:
একদম সময়োপযোগি লেখা। ধন্যবাদ।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
পোষ্ট পুরোটা পড়ার ধৈয্য নাই এই মুহুর্তে বিষয়টা বুঝতে পারছি। দেশের পোলাপানের কথা বলে লাভ নাই। শিক্ষা এরা কম পায় বলে মনে হয় না, তারপরেও উল্টাপাল্টা ভাবে, যে ধরনের ভাবনা ১৪/১৫ বছর বয়সের ছেলেপুলেদের কৌতুহলের ভাবনা হওয়া উচিত তা আমাদের দেশে ২৪/২৫ বছরের ছেলেরাও ভাবে।শেষ লাইনের শিক্ষায় এটি যোগ করাতে তেমন কোন উপকার হবে বলে মনে হয় না। স্কুলের পাঠ্যসুচীতে দিয়ে দিলে প্রিম্যাচিউরডদের সেক্সুয়াল রিলেশনের মাত্রা বাড়বে।
আমাদের কালচারে সেক্স নিয়ে যে নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ ভাব আছে, এবং তা নিয়ে সমাজে যে সব কুসংস্কার আছে সেইগুলো কাটাতে হবে। তার জন্যে আসলে পাঠ্য পুস্তকে এই নিয়ে এডুকেশন কাজে দিবে বলে মনে হয় না, বরং তা অযাচিত সুরসুরিই দিতে পারে। যেমনটা সহিহ নামাজ শিক্ষা বই দিয়ে থাকে
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
লোম থাকা না থাকা বিষয়ে আপনার ধারনা চেইন্জ হয়েছে মেডিকেলে গিয়ে এটা বিশ্বাস করতে বলেন?
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
পোষ্টে উল্লেখিত সমস্যাগুলোর মধ্যে বড় সমস্যা হচ্ছে ধর্ষন আর আদরের পার্থক্য না বুঝতে পারা।পোলাপানের এই যে ভিটামিন খাওয়া, সন্ডা মন্ডা গুন্ডা তেল এগুলো প্রায় সবদেশেই ছেলেপুলে করে থাকে। মানে তারা কিভাবে নিজেকে সেক্সুয়ালী আরও একটিভ করা যায় তার উপায় খুজতে থাকে আরকি। ভায়াগ্রার জনপ্রিয়তাটা দেখুন। এছাড়াও এডাল্ট শপে চাইনিজ হার্বাল জাতীয় নানান হাবিজাবি পাওয়া যায় এসবের জন্যে এবং বিপুল জনপ্রিয়। এটা থাকবেই। বেশীরভাগ ছেলেরা তো জিম করে যাতে মেয়েদের নজরে পড়তে পারে। কিসের নজর?
পশ্চিমা মেয়েরা তো একবাক্যে এটা বিশ্বাস করে যে কালো ছেলেরা সেক্সুয়ালী বেশী একটিভ হয়, তাই তারা কালো ছেলেদের প্রতি একটু বেশী দুর্বল থাকে।
তো, এইসব ব্যাপার সবখানেই থাকবে। আমাদের দেশে সেক্সুয়াল মুল সমস্য হচ্ছে লোকজন প্রপার সেক্সের অভাবে রেইপ করে। এবং সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সে সেলফিস হয়ে বউ এর সাথে আসলে ধর্ষনই করে। এইটা দুর করতে হবে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
সেক্সুয়াল এডুকেশন নিয়ে আমি একটু কনফিউজড। ইউরোপের স্কুলে সেক্সুয়াল এডুকেশন চালু আছে। আমি যে দেশে আছি সেদেশের স্কুল গুলোতে এই শিক্ষা চালু হবার পর চাইল্ড প্রেগন্যন্সি বেড়ে গেছে। এমনকি প্যক্ট প্রেগন্যান্সিও হচ্ছে। সেক্স কম্পিটিশনও হচ্ছে। এই জন্যে সেক্স এযুকেশনের বিপক্ষে আছি আপাতত। স্কুলে ক্লাসরুমে টিচার জিজ্গেস করল এই যে ভার্জিন আছো হাত তোলো। তখন হাতে গোনা যে কয়জন হাত তোলে, লজ্জায় পড়ে প্রেস্টিজ বাচাতে নেক্সট্ উইকের ক্লাসের আগেই তারা এমন ব্যবস্থা করে যারে তারে ধরে যাতে আর হাত তুলতে না হয়। যদিও বা তাদের এইজ তখন ১৩ কি ১৪
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন:
একদম সময়োপযোগি লেখা, ধন্যবাদ ।
জুবায়ের হাসান বলেছেন:
আপু/ভাইয়া আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পোষ্ট+কমেন্ট পড়ে অনেকের উপকার হচ্ছে। আমি অবশ্য আগেই অনেক কিছু জানি! পোংটা ছিলামতো!!!
আবু মোশাররফ রাসেল বলেছেন:
খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চমৎকারভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন। পুরো পোষ্টটিই একনজরে পড়লাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন:
চ্রম
এক্স বলেছেন:
সেক্স কিভাবে করতে হয় তা আগে না শিখিয়ে আগে শেখানো দরকার সেক্স জিনিসটা কি আর এর প্রয়োজনীয়তা, সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট আর পবিত্রতা. দৃষ্টিভঙ্গী যদি প্রকৃতি ও সৃষ্টির উদ্দেশ্যের সাথে খাপ না খায় তবে মেথড শিখালেও কাজ হবে না. ঠিক যেভাবে গ্রামার শিখিয়ে ইংরেজী শেখানো যায় না তেমনিই সঠিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিষ্ঠা না করলে এটাও শিখানো যাবে না.যেমন মুসলমানদের কাছে সেক্স জিনিসটাও একটা ইবাদাত এবং কোন অশ্লীলতা নয়. যতক্ষন তা জেনারেল গাইডলাইন অনুযায়ী হয়. এটা তখনই অশ্লীলতা যখন তা সৃষ্টির উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে নিজ নিজ খেয়াল খুশি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে করা হয়. তবে এগুলো শিখানোর জন্য অভিভাবকদেরও সন্তানদের সাথে দূরত্ব কমানো উচিত.
আমার স্বপ্ন আমার আকাশ বলেছেন:
নুতন করে ঢেলে সাজাতে হবে সব কিছু ... এক নুতন জাতি জেগে উঠবে তা হলে ... আসুন সব কিছু একটু নতুন করে ভাবি, আধুনিক ভাবে চিন্তা করি ... ক্ষতি কি তাতে?
অনিকেত কবি বলেছেন:
মুখে ব্যথা হলে আপনি মুখ দিয়ে ,পায়ে ব্যথা হলে পা কেটে পায়ের ভিতর দিয়ে ,
কোমরে ব্যথা হলে পেট কেটে কোমরে ,
মাথায় ব্যথা হলে খুলি ফুটা করে সরাসরি মগজে ব্যথার ট্যাব্লেট নাপা নিয়ে থাকেন
কি মারাত্মক লাইন!!
এইটাই সেক্স এডুকেশনের বিপক্ষে যারা কথা বলে তাদের জন্য আমার সবচেয়ে বড় যুক্তি মনে হয়েছে!!
ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন:
ভাই আমার বিচি তে গত দুই বছর যাবত চুলকানি...।কোন মেডিসিন আছে নাকি?
বাবুআনা বলেছেন:
বেশ ভাল!
চিন্তায় আছি বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++
আমি? রুবেল বলেছেন:
দেশে নতুন শিক্ষানীতি চালু হতে যাচ্ছে । সরকার কি যৌণ শিক্ষার এই দিকে কিছু সিস্টেমিক ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন?।এই বিষয়টা সরাসরি না দিলেই ভালো হয়। আপনি যেভাবে লিখেছেন, তা একটু এডিট করলেই চলবে।

আরাফাত হোসেন অপু বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম।বাস্তবিকতা এখনো অনেক দূরে........।
রাজ ভাই বলেছেন:
ভালোই লাগল..
অবলা পুরুষ বলেছেন:
+ সহ......সোজা প্রিয়তে।
াহবুব বাবুই বলেছেন:
চমতকার পোস্ট। আবুল হাসানাত এর যৌণবিজ্ঞান বইটা খুব ই ভালো।
কিছু নেই বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগ্ল।এক্তা কথা খুব মনে ধরসে।ছিন্তাইকারিরা খুব সহজে চলতে পারে আর ছেলে মেয়ে একসাথে হাত ধরলেই জাত গেল।হাহাহাহা।ঃ)বাস্তবসম্মত লেখা। বর্তমান সমস্যা নিয়ে লেখা আপনার এই ব্লগ।মনে প্রাণে চাই এটা ব্যান না করা হক।দোয়া রইল আপনার জন্য।আর আমাদের মত কিছু হতভাগা , সল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য।ধন্নবাদ।ভাল থাকবেন।ঃ)
পাগলমন২০১১ বলেছেন:
দারুন পোস্ট।খুব ভাল লাগলো।ধন্যবাদ খোলামেলা ভাবে শেয়ার করার জন্য।ভাল থাকা হয় যেন আপু।আবারো ধন্যবাদ।
নানাভাই বলেছেন:
প্রিয়...প্রিয়.....প্রিয়
মুসফিক বলেছেন:
লেখাটি আপনি http://www.bn.bdeduarticle.com/ এই ওয়েব সাইটে দিতে পারেন। এখানে লিখলে লেখাটির মর্মার্থ যাদের বোঝার কথা তারা দেখতে পারবেন ও আত্মস্ত করতে পারবেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন?
সেক্স এডুকেশন যোগ করা উচিত হবে। কারন বাপ-মা-রাও কিছু বলতে চায় না। ছেলেরা নাহয় কোনো ভাবে জেনে যায়, কিন্তু অনেক মা আছে যারা তার মেয়েকে মাসিকের ধারনা ক্লিয়ার করে দেয় না!!!!
যাযাবরমন বলেছেন:
পরে মন্তব্য দিব
ইকারাস ইমন বলেছেন:
simply osadharon.............
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


























.gif)

সমস্যাটা আমাদের মানসিকতার। সেটাতে পরিবর্তন করতে হবে সবার আগে। এই আধুনিক তথ্য-প্রবাহের যুগে চাইলে যেকেউ (বা অন্তত শিক্ষিতরা) এই বিষয়ে বিস্তারিত ও সঠিক জ্ঞানলাভ করতে পারেন।
সেবা প্রকাশনীর 'যৌন বিষয়ে সাধারন জ্ঞান' - লেখক বিদ্যুৎ মিত্র (কাজীদা) - এটা প্রত্যেকের পড়া উচিত।