আমার প্রিয় পোস্ট
- হাসিনার ভারত সফর: যৌথ ঘোষণার সুক্ষ কারচুপি - পি মুন্সী
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং অথবা বৈশ্বিক উষ্ণায়নঃ বাংলাদেশ কি করবে...? - মুনশিয়ানা
- মূলধারা'৭১ বইটি থেকে : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় - একরামুল হক শামীম
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৯) - পি মুন্সী
- আবারও টিফা: নাছোড়-বান্দা আমেরিকা নতজানু সরকার - দিনমজুর
- আবারও টিফা: নাছোড়-বান্দা আমেরিকা নতজানু সরকার-২(খসড়া টিফার অনুবাদ ও তথ্যসূত্র) - দিনমজুর
- কিছু প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। - বেশিরভাগই নিজের ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা থেকে দেয়া। - ১ম পর্ব। - নির্ভয় নির্ঝর
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (২) - পি মুন্সী
- আমি কমিনিস্ট বা নাস্তিক নই বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম ---সাক্ষাৎকার গ্রহণে : সৈয়দ মবনু - সৈয়দ মবনু
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- লিংক জেনারেটর আসলে কি এবং একটি দারুন লিংক জেনারেটরের ঠিকানা। - অমিত০৯৭
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির উপর প্রামাণ্য চিত্র এবং অনলাইনে তার সমগ্র চিত্রকর্মের লিংক - তর্পন
- সভ্য (!!) ইউ, এস আর্মির নগ্ন বর্বরতার কিছু অসভ্য ছবি - সব্যসাচী প্রসূন
- অডিসিয়াস ল্যাম্পপোস্ট ও বিসর্জিত দীপুমণি : আত্মবলিদানের প্রথম ধাপে যারা - ফারুক ওয়াসিফ
- আমার ভাগ্নে শপথ করেছে - শরিফ রনি
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- পাকিস্তান সোয়াত - আসলেই কী এটা শরিয়া আইনের জন্য যুদ্ধ? (তৃতীয় ও শেষ পর্ব) - পি মুন্সী
- "বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন ভূ-খন্ডের প্রয়োজনীয়তা কার স্বার্থে?" - আমাদের স্বার্থে। - পি মুন্সী
- বিডিআর ঘটনা: ইনটেলিজেন্স ও রাষ্ট্র (প্রথম পর্ব) - পি মুন্সী
- বিডিআর ঘটনা: ইনটেলিজেন্স ও রাষ্ট্র (শেষ পর্ব) - পি মুন্সী
- কি দাঁড়ালো: প্রণব ও বাউচারের সফরের পর - ২ - পি মুন্সী
- বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র টিফাচুক্তি কিংবা দিন বদলের পয়লা গান - দিনমজুর
- আসছে বিপা(BIPA): ভারতের সাথে বাণিজ্যিক দাসত্ব চুক্তির পায়তারা - দিনমজুর
- ঘোড়ার ডিম আর আদিপাপের ফ্যালাসি: রিফাত হাসানের পোস্ট গুম হওয়া প্রসঙ্গে সামহোয়ারইন ব্লগের একটি পর্যালোচনা। - তরিকুল হুদা
- মিডিয়া, ব্লগ ও সামহয়ারইন - পি মুন্সী
- ফকির লালনের গানের অর্থ: বিপ্লবীর কর্তব্য (দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব) - ভূপর্যটক
- রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- চিন্তার ইতিহাসে: ধর্ম কী - ভূপর্যটক
- কয়েকটা রেপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিংক জেনারেটর সাইট। - লুলুপাগলা
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- আহা! আমারো একটি ব্লগ খুলিবার সাধ হয় (টোটাল ফান-ক্যাতা পোস্ট এবং আলু ব্লগকে নাপিষীয় শুভেচ্ছা)
- নাফিস ইফতেখার
- খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি। - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- ধর্মীয় বিয়ে ও নাগরিক বিয়ে - ভূপর্যটক
- ঢাকার রাস্তায় মেট্রোরেল ও বাস্তবতা ২য় - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- বাঙ্গালীর ব্যাংক ব্যবসা ও বাংলাদেশের আর্থিক খাত-৩ - শওকত হোসেন মাসুম
- হুমায়ূন আহমেদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়, হৈ চৈ - ছটিক মাহমুদ
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- জল ও খুন (সিরিয়ান গল্প) - আশরাফ মাসরুর
- জাহাজ ডুবতে শুরু করার লক্ষণ হলো নেংটি ইদুরের দৌড়াদুড়ি আর দিকবিদিকশুণ্য হয়ে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা - পি মুন্সী
- ক্ষমতা ও রাষ্ট্র: ক্ষমতার উৎস, ন্যায্যতা ও কনষ্টিটিউশন - পি মুন্সী
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- জামাত রাজনীতির রাজনৈতিক বিচার - পি মুন্সী
- হারিয়ে যাওয়া জাতীয় ইতিহাস- শামসুল হক (আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক) - মুনতাসির আলম
- ইতিহাসের ভুল পাঠ : কার নেতৃত্বে গঠিত হয় আওয়ামী লীগ? মাওলানা ভাসানী নাকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান? - মিরাজ
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- একটি অনুসন্ধানঃ ইসলামের মিস্টিক ভাবের বলয় এবং ফরহাদ মজহার'র লালন ব্যাখ্যা ও এতদবিষয়ক কুয়াশাচ্ছন্নতা প্রসঙ্গ - সারওয়ারচৌধুরী
- পলি ও পল্লবের দেশে - আজহার ফরহাদ
আমাদের আর বর্ণ ও অক্ষরের জ্ঞান পাওয়া হলো না: চলে গেলেন ভাবান্দোলনের উজ্বল সাধক লবান শাহ
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
![]()
নদীয়ার ভাব পরিমন্ডলের মধ্যে বেড়ে ওঠা সাধন-ধারার অন্যতম প্রধান সাধক ফকির আবদুর রব ওরফে লবান শাহ গত কাল কুষ্টিয়াতে দেহ রেখেছেন। তিরোধানকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি বাংলার ভাবান্দোলনের চূড়ামণি দার্শনিক ফকির লালন শাহ'র সাক্ষাত শিষ্য ভোলাই শাহ'র ঘরের লোক। ভোলাই শাহ এর সরাসরি শিষ্য আরেক প্রখ্যাত সাধক কোকিল শাহ ছিলেন তাঁর দীক্ষা গুরু। গুরুর কাছে খেলাফত প্রাপ্তির পর থেকে তিনি লবান শাহ নামে পরিচিত হন। তার নিজস্ব আখড়াবাড়ি কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের খৈলশাকুন্ডিতে। যা জ্যোতিধাম নামে পরিচিত। প্রতি বছর দোলোৎসবের পরে সেখানে সাধুসঙ্গ হতো। এবারেও হবার কথা। সেমতো সবাইকে দাওয়াতও করে ছিলেন। আমাদের কয়েকজনেক অভিমান করে বলেছিলেন, তোদের একটারও কথার ঠিক নাই! আসবি আসবি বলস কিন্তু আসস না... তোদের দাওয়াত দিয়া কি লাভ? মনে মনে ঠিক করেছিলাম যত কাজই থাকুক, যাইকিছু হোক—এবার যাবোই সঙ্গের সময়টাতে। সাঁইজী এতটা মন খারাপ করেছে বুঝতে পারি নাই। কিন্তু এখন তিনি আর নেই...
লালনের প্রতিনিধিত্বশীল ঘরের মধ্যে লবান শাহের শিষ্য-ভক্ত-অনুরাগিদের ধারাটিই বর্তমানে সর্বাধিক পরিচিত ও প্রভাবশালী। বাংলা ১৪১৬ সাল অনুযায়ী কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের ১১৯তম তিরোধান দিবস ছিল পহেলা কার্তিক। কুষ্টিয়া একসময় ছিল বৃহত্তর নদিয়া জেলার অংশ। নদীয়ায় যে ভাববিপ্লব ঘটিয়েছিলেন ‘তিন পাগল’ কুষ্টিয়া সেই নদীয়ারই প্রাণ। তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানে বরাবরের মতো উপস্থিত হতে তিনি ছেঁউড়িয়ায় সাঁইজির ধামে এসেছিলে।
কিন্তু খুব মনখারাপ করে আমাদের বললেন, তোরা যে কেন এখানে আসিস! নদীয়া তো এখানে আর নাই। এখানে নদীয়া আর খুঁজে পাবিনা। বোঝা যাচ্ছিল আখড়ার মেলা ও বাণিজ্যিক পরিবেশে তিনি মর্মাহত।
তখনও শরীর তেমন একটা ভালছিল না। এর আগে হার্টের সমস্যায় কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তিও হতে হয়েছিল। তবে ছিলেন বেশ হাসিখুশি ও প্রাণবস্ত। দূরদূরান্ত থেকে লালনের স্মৃতিধামে ছুটে আসা সাধু-গুরুদের সাথে দেখা করছিলেন, কথা বলছিলেন। আমাদের মতো তরুণ ও অল্প বয়সের লালন অনুরাগীদের তিনি আন্তরিকতার সাথে বুঝাচ্ছিলেন নানান তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলো। বলছিলেন, শ্রীচৈতন্য বা শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু নদিয়ায় যে লীলা করে গিয়েছিলেন তার রাজনীতিক গুরুত্বের কথা। গণমানুষের পক্ষে জাতপাত, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদবিরোধী যে সংগ্রাম তখন শুরু করেছিলেন, সেটা আবার উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণের হাতে পড়ে উচ্চকোটির বর্গে উঠে গিয়ে কিভাবে নির্জিব হয়ে গেছে। বিশেষত, বৃন্দাবনের ষড় গোস্বামীদের সংস্কৃত ভাষায় শাস্ত্রচর্চায় টিকাভাষ্যে গৌরাঙ্গের শিক্ষা যে রূপ নিয়ে দাঁড়ায় সেটা আর গণমানুষের ধর্ম বা লড়াই হয়ে টিকে থাকে নি। দিনানুদৈনিকের লড়াই থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সেটা আধুনিক ইস্কনের রূপ নিয়েছে।
সুলতানি আমলে ইসলামের জাতপাতবিরোধী চৈতন্যের সংস্পর্শে যে বৈপ্লবিক রূপান্তরের সূচনা ঘটেছিল সেটাও ক্রমে ম্লান হয়ে যায়। কিন্তু তিন পাগলের ‘আসল’ পাগল নিত্যানন্দ থেকে যান নদিয়ায়। অন্য ‘পাগল’ অদ্বৈতাচার্যকে কেন্দ্র করে ‘শান্তিপুর’ ভাবচর্চার আরেকটি কেন্দ্র হয়ে ওঠে। কিন্তু নদিয়ার গণমানুষের লড়াই ও তত্ত্বচর্চার মূল ধারাটি পুরো ধরে রাখা যায় নি। যতোটুকু এখন অবধি আছে তার ছাপ কিছুটা ফকির বয়াতিদের গানে ও সাধুগুরুদের জীবনযাপনের মধ্যে খুঁজলে পাওয়া যায়। আর জারিকৃত লড়াইয়ের চিহ্ন যার বদৌলতে টিকে আছে তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং নিত্যানন্দ মহাপ্রভু। তিনি এ বঙ্গ ছেড়ে যান নি। তাইতো তিনি দয়াল নিতাই: ''ধরো চরণ ছেড়ো না, দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না...''।
লালনের তত্ত্বচিন্তা, ভাব, ভক্তি, সেবা ও করণকর্মের বিষয়গুলো এভাবেই ব্যাখা করতে পারতেন খুব সহজ করে, প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখে। বিশেষত, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত নানান অনুমান I অস্পষ্ট ধারণার গোড়াটা তিনি খুব ভালোভাবে বুঝতেন। তাই বরাবার সর্তক করে দিতেন। বিরক্তও হতেন। আমরা যখন কথা বলছিলাম, সেসময় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোক এসে তার মুখে ধরে বসল, বলল আপনি কিছু বলেন। বেচারা ভেবেছিল উনি গদগদ হয়ে ফিরিস্তি দেওয়া শুরু করবেন। তিনি বললেন: ''এই ক্যামেরা সরা... কি জানতে চাস সেটা আগে বুঝ, তার পরে মাইনসেরে দেখাইস''। ছেলেটি আবারো প্রশ্ন করল: 'লালন সম্পর্কে কিছু বলেন। এইবার সাইজি দিলেন ধমক, বললেন: 'লালনরে আমি দেখি নাই, লোকমুখে শুনছি, শোনা কথা তোরে কি বলব...' । এখানে একটা নোক্তা দেই, সাঁইজী এভাবেই ভ্যবাচ্যাকা খাওয়া কথা দিয়ে শুরু করতেন। তবে এর মানে তিনি কথার কথা বলতেন তাও নয়। যেমন, এখানে তিনি বুঝাতে চাচ্ছিলেন বাক্য ও বাক্যার্থের সম্পর্ক বা সত্যাসত্য আসলে কিভাবে নির্ণিত হয় সেই দিকটা। কোনো বাক্য শুধু বাক্য আকারে কোনো সত্য ধারণ আদৌ করে কিনা সেটাই উস্কে দিচ্ছিলেন। যেমন, নবী যখন বলে এটা ঐশী বা পরমার্থিক সত্তার বাণী তখন তা বাক্যের গুণে নির্ণয় করার কোনো জো নাই। বরং এটা সম্পূর্ণতই নির্ভরশীল খোদ নবীর উপর বিশ্বাসে, নবীর নবীত্বে। তার দাবি সত্য আকারে স্বীকার করে নেওয়াই এর সত্যাসত্য বিচারের শর্ত। এখন লালন নিয়ে এই কথা বলার পেছনে তার ইঙ্গিতটা হলো গুরুরূপে যিনি আছেন, যিনি বলবেন বা অর্থ করবেন তার কর্তৃত্বের কর্তা সম্পর্ক আগেই নিশ্চিত করতে হবে। অর্থ বা সত্যাসত্য নির্ণয়ের এই গুরুসূত্র ধরেই তিনি কথা বলছিলেন। হঠাৎ শুনলে অনেকেরই কানে জিনিষটা পৌঁছাবে না। খাঁটি দর্শনের স্বাধ সহজ কথোপকথনের মধ্যে কিভাবে উঠে আসে তার দুর্দান্ত নজির ছিলেন সাঁইজী। এটা বাংলার ভাবান্দোলনেরই শক্তির জায়গা। নিজের ভাষায় ভাবের আদানপ্রদানের জৌলুশ।
গত নয় বছর ধরে বছরে দুইবার অন্তত ছেঁউড়িয়ায় যাওয়া পড়ে। দোলে ও কার্তিকে। প্রতিবারই সাঁইজীর সাথে দেখা হয়েছে প্রতিবারই কিছুনা কিছু প্রশ্ন দিয়েছেন ভাবার জন্য। আর হাসতে হাসতে বলতেন: দেখি তোরা কি পড়াশুনা করস...। কসম, আমার কেতাবি বিদ্যা তার কিছুরই কূলকিনারা করতে পারে নাই। গিয়ে আবার তাকেই ধরেছি। অনেকেই দেখি আজকাল কুষ্টিয়ায় যায়, সেটা ভালো, আগ্রহ বাড়ছে। কিন্তু বিপত্তির জায়গা হলো গিয়ে যখন গাঁজার আসার খুঁজে। এই দ্রব্যটা ঢাকায় বসেই সেবন করা যায়, কষ্ট করে কুষ্টিয়া যাওয়ার তো কোনো দরকার নাই।
একবার তাকে জিগগেস করেছিলাম এই ব্যাপারটা। বললেন : বস্তুর উপর আসক্তি দিয়ে নেশাগিরি হয় সাধুগিরি হয় না। তিনি সাধনার ধারার সাথে যেকোনো ধরণের মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহারের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এক্ষেত্রে তিনি লালনের নীতি কঠোরভাবে পালন করতেন। তবে এমনিতে, এটা করলে তাকে খারাপ বলা বা পাপ পুণ্যে কথা তোলা এই ধারার কাজ না।
দীর্ঘদিন থেকেই নবপ্রাণ আন্দোলনের সাথে তার ভাবগত যোগাযোগ। কুষ্টিয়ায় আসলে নবপ্রাণের আখড়াবাড়িতে উঠতেন। সেখানে সেবা নিতেন। সকালের গোষ্ঠগান ও সন্ধ্যার দৈন্যগানের
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
থ্যাংকস। সময় করে পড়বো।
লেখক বলেছেন: আশা করি সময় করে পড়বেন।
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
আমাদের আর বর্ণ ও অক্ষরের জ্ঞান পাওয়া হলো না..
পড়তে পড়তে অনেক স্মৃতি উঁকি দিচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আমিও আপনার পাশে বসে সব দেখছি।
মনের ভিতর একটা শূন্যতা অনুভব করছি। হাতড়ে বারবার খুঁজছি শরীরে কোথায় কী যেন একটা আর নাই।
লেখক বলেছেন: আপনার আর্শিবাদ... তবে মনখারাপের তোড়ে খুব একটা গুছিয়ে লিখতে পারিনি।
অনেক স্মৃতি আছে, আছে অনেক শিক্ষা; আস্তে আস্তে লিখতে হবে।
আওয়াজ বা উচ্চারণ বলেছেন:
জহিরের লেখার সাথে একমত হয়ে লবান শাহ কে স্মরণ করছি ।
সাধু অাত্মা লবান শাহর মৃত্যু নেই । যিনি জীবের জীবনরে অতিক্রম করে মানুষ হয়ে উঠেছেন সেই রব ফকির অমর ।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
এইবার লালন তিরোধান উৎসবের শেষের দিনের তার শেষ কথাগুলান এখনো কানে বাজে!
লেখক বলেছেন: তাঁর কথা শুনবার সৌভাগ্য আপনার মতো যাদের হয়েছে তারা কিছুটা টের পাবে এই ডিজিটাল 'ফোক' হিরো বানানোর যুগে তিনি কেন মধ্যবিত্তের কাছে অত পরিচিত হন নাই।
বিডি আইডল বলেছেন:
বাপরে...
সাদী বলেছেন:
চমৎকার লাগল।।
সৈয়দ মবনু বলেছেন:
ঢাকায় গিয়ে আসলাম। আপনার মোবাইল নম্বারটা হারিয়ে গেলো বলে আর যোগাযোগ করতে পারিনি। দয়া করে নম্বারটা দিবেন ই-মেইল করে।
ইচ্ছেফড়িং বলেছেন:
পাঠের আগে ভয় হয় , এই সব হেভীওয়েট ব্যপার স্যাপার বুঝবার পারুম কিনা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















