কখনো চাই নাই দূরে থাকি...তবু দূরগুলো বারে বারে আসে...

প্রতিবাদ নিয়া আমার কনফেশন: (উৎসর্গ যূথচারী)

২২ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯

শেয়ারঃ
0 0 0

গত কয় বছরের চাকরীকালীন অভিজ্ঞতায় আমি দেশের প্রথিতযশা বহুত এনজিওর মাতৃত্ব আর যৌনতা নিয়া ব্যবসা ভালোই দেখনের সুযোগ পাইছি। ২০০১ সালে যখন প্রথম ভিটামিন এ আর বি লইয়া মানে, লাল ক্যাপসুল আর নীল ক্যাপসুলের প্রসার বাড়াইতে তিনটা প্রযুক্তিময় অভিনব বিজ্ঞাপণধর্মী ছবি বানাইবার কাজ করতেছি, ঠিক শ্যুটিং শুরুর দিন পত্রিকার সংবাদে চোখ আটকায়...ভারতের বিহার এলাকায় ৭৫০ জন মা ভিটামিন ক্যাপসুলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুপথযাত্রী! আমার ছোট বোইন ঠিক একইরম প্রজেক্টে চাকরী করে বিধায় তৎক্ষণাত তারে ফোনাইয়া জানলাম...এইটা হইতেই পারে। কারণ এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পরিমাপের লেইগাই বাংলাদেশেও প্রায় ৩ বছর ধইরা একই গবেষণা চলতেছে উত্তরবঙ্গের প্রায় ৫০ হাজার মায়ের উপর।

আমাগো শ্যুটিং আটকানের মতো সমাজবিপ্লবের বাস্তবতা আমার এই মুহুর্তে নাই। কিম্বা এই মানবাধিকার লঙ্ঘনেও আমি চাকরী ছাইড়া দিতে পারি না! রাজনৈতিক সংগ্রাম থেইকা সইড়া আসনের পর থেইকা এইরম শঠমানুষ হইছি! গন্ডারের চামরায় নিজেরে ভালোই বানছি...কোন ভ্রুক্ষেপও থাকে না অনেক সময়...বন্ধুগো আড্ডায় চায়ের কাপে ঝড় তোলা বাদে।

আর তাই নীরব চোখে ক্যামেরার সাদা কালো ভিউ ফাইন্ডারে দেখছি জরুরী প্রজনন সেবার নামে অপারেশন কইরা বাচ্চা প্রসবের তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা। প্রকল্প পরিচালকরে যখন জিগাইলাম, "মাঈদা আপা এই যে ক্যামেরা নিয়া অপারেশন থিয়েটারে ঢুইকা পরতেছি...নিজেগো শরীরও তেমন কোন স্টেরিলাইজ করনের সুযোগ নাই (ক্যামেরাতো কোন ছাড়!), এইটা যদি উন্নত দেশ আমেরিকা কিম্বা লন্ডন হইতো তাইলে কি হইতো?" তিনি মুখ চাইপা হাসছিলেন খালি। অন্য যেকোন স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার সুযোগ আছে এরম দেশে এই শ্যুটিং-এর লেইগা প্রস্তুতি লাগতো বহুদিনের...নাইলে আদালতে মামলা হইতো!

২০০২'এর শেষভাগ থেইকাই শুরু হইলো ঘাতক ব্যাধি এইডসের সাবধানবানী। আগে যেই প্রজেক্টগুলি ছিলো সেইগুলিই খোলনলচে পাল্টাইতে শুরু করলো খালি। একই লোক...একই নিয়ন্ত্রণ কর্তা...খালি ডোনেশনের ধরণ আর প্রজেক্ট টাইটেল আলাদা! নবজাত শিশুর বাঁচানের প্রকল্পতেও এইডস ঢুকানের লেইগা সেইটার দেখভালের আওতা বাড়ানো হইলো।

যূথচারী আমার একটা কথারে উদ্ধৃত কইরা একটা সম্পূর্ণ পোস্ট পয়দা করনের পর আমার প্রথমে মনে হইলো আসলেইতো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী হয় যেকোন রিফ্যুজিরা! পরক্ষণেই আমার উদ্দেশ্যের কথা মনে পড়লো। এইচআইভি/এইডসের সংক্রমণ বিষয়ে তারা ঝুঁকিপূর্ণ হয় এইটা ছিলো আমার গবেষণার উপপাদ্য। তাগো আমি প্রিমিটিভ বানাইছি...যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে অযাচারে ফালাইছি...তারপর তাগো কইছি এইচআইভি তাগো শিরায় আসতে পারে যেকোন সমে এইটা ভবিতব্য!

নিজেরে অনেক ছোট লাগছে যখন এই কল্প প্রকল্পের ভিত্তিমূল শক্ত করনের রসদ জোগাইছি। কিন্তু আসলেই অনেক ভীতু হইছি এখন...দারিদ্রের ভয়ে প্রতিবাদও ভুইলা যাই মাঝে মাঝে!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কনফেশন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
তিমুর বলেছেন: ভাইরে আপনি যে আসলেই বড় মাপের মানুষ সেইটা নিজের কৃতকর্মরে ব্যাবচ্ছেদ কইরা প্রমান করলেন ।

স্যালিউট ।
৪. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৩৮
হাসিব বলেছেন: এই জন্যই স্বপ্ন দেখি না আজকাল
৫. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:১৪
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: হুমম , এইসব বাস্তবতার সাথে আপোষে চলে আমাদের দিন ।
৭. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:৪২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: সবগুলো নোট করে রাখুন।পারলে কিছু অফট্র্যাক ভিডিও জমা করে রাখুন।
একদিন একটা সিনেমা বানাবেন।সেই সিনেমা দিয়ে মুছে দেবেন ভেতরের যতো গ্লানি।ততোক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা...
৮. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
হাসিব বলেছেন: সবগুলো নোট করে রাখুন।পারলে কিছু অফট্র্যাক ভিডিও জমা করে রাখুন।
>>একদিন একটা সিনেমা বানাবেন।সেই সিনেমা দিয়ে মুছে দেবেন ভেতরের যতো গ্লানি।ততোক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা...

জেবতিক ভালো কইছেন । একটা গল্প মনে পড়লো । আমার এক ছোট ভাই ছোটবেলায় আমার ধার্মিক নানীরে সারাদিন নামাজ পড়তে দেখতো । একদিন সে হঠাত করে নানীকে জিজ্ঞেস করলো পাচওয়াক্ত নামাজ পড়ে কি হবে ? একবারে এশার নামাজ পড়ে মোনাজাতের সময় মাফ চেয়ে নিলেই হয় ।

ভাইটি আমার ৪-৫ কি পাঁচ বছরের ছিলো । কিন্তু প্রশ্নটা করছিলো বহুত গুরুত্বপূর্ণ ।
১১. ২৩ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:০৮
সুমন চৌধুরী বলেছেন: প্প্বঙ্প্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্বষপ্প্ম ............
১৬. ২৩ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:০৮
দ্রোহী বলেছেন: সুমন বদ্দা: প্লাটিকের ঠোঙায় ভরে চালান করেন। সংক্রমিত হইবে না ! (নির্দোষ হাসি)
১৮. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৫
জামাল ভাস্কর বলেছেন: তিমুর
বড় মানুষ কিম্বা ছোট মানুষ না। এইসব ছোটখাটো ব্যবচ্ছেদ নিজেরে স্রোতে ভাইসা যাওন থেইকা বাঁচায়। নাইলে কোনদিন হয়তো আমিও ইনুস সাবের নোবেল পাওয়ারে জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিকোনে দেইখা ফেলতে পারি...তার পিছনের সাম্রাজ্যবাদী মনোভঙ্গী এড়াইয়া...এনজিওগো কনডম বিলানোরে উন্নয়নমূলক ভাইবা ফেলনের দ্বিতীয়চিন্তা করবারও সম্ভাবনা থাকে, যেই আবহে থাকি সেইখানে।

জেবতিক
আসলেই আমার একটা পার্সোনাল ডক্যুমেন্টারী বানানের সাধ আছে...যেইখানে নিজের এই দ্বিতীয় সত্ত্বা হয়তো মুক্তি পাইবো...

সৌরভ
আপোষনামা দিয়া খুব বেশিদিন চলন যায় না। আমিও চলুম না মনে হয়...নিজের গর্জাইয়া উঠনের মুরোদ নাই আর, কিন্তু অন্য কারো যথার্থ ডাকে সম্বিত ফিরানের সকল যোগ্যতা এখনো আছে...এই অপেক্ষায় আছি! আমাগো পরের প্রজন্ম...মানে এই আপনেগো অনেকের মধ্যেই আমি সম্ভাবনা দেখি।

কনডম দিয়া বহুত কিছু প্রতিরোধ করতে পারলেও, বিপ্লব আটকাইয়া রাখনের মনে হয় না সাধ্য আছে পশ্চিমাগো!
১৯. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৪
রাগ ইমন বলেছেন: জামাল ভাই , খুব ভালো পোস্ট । সাহসী লেখা । অভিনন্দন আপনাকে ।

আমার একটা কবিতায় লিখেছিলাম "কনডম পুঁজিবাদ" । কেউ কেউ জানতে চেয়েছিলেন ব্যাখ্যা । আমার হয়ে ব্যাখ্যা করে দিলেন বলে ধন্যবাদ ।

কনডম পুঁজিবাদ
২০. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ @ রাগ ইমন
২১. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৪
হেজাব বলেছেন: [আমাগো শ্যুটিং আটকানের মতো সমাজবিপ্লবের বাস্তবতা আমার এই মুহুর্তে নাই। কিম্বা এই মানবাধিকার লঙ্ঘনেও আমি চাকরী ছাইড়া দিতে পারি না! রাজনৈতিক সংগ্রাম থেইকা সইড়া আসনের পর থেইকা এইরম শঠমানুষ হইছি! গন্ডারের চামরায় নিজেরে ভালোই বানছি...কোন ভ্রুক্ষেপও থাকে না অনেক সময়...বন্ধুগো আড্ডায় চায়ের কাপে ঝড় তোলা বাদে।................

নিজেরে অনেক ছোট লাগছে যখন এই কল্প প্রকল্পের ভিত্তিমূল শক্ত করনের রসদ জোগাইছি। কিন্তু আসলেই অনেক ভীতু হইছি এখন...দারিদ্রের ভয়ে প্রতিবাদও ভুইলা যাই মাঝে মাঝে!]

আপনেত এখন লাইফের সাথে কম্প্রমাইজ কইরা চলতাছেন বাধ্য হইয়া বলেন বা অন্য যেই কারণেই বলেন। দুই দিন পরে পাজেরো না হোউক সুজুকি অলটোই চালাইবেন। কিন্তু:

"এখন" আপনার কি মাঝেমধ্যে কখনও খারাপ লাগে বা অনুশোচনা হয় সেই গরীব কৃষকের জন্য যার সন্তান আপানর/আপনাদের রাজনৈতিক আদর্শে আদর্শিত হইয়া পড়াশুনা ছাড়ছে/জেল খাটছে/জীবন দিছে?

"এখন" আপনার কি কখনও মনে হয় যে স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের মগজ ধোলাইকরণটা ঠিক না? এই রাজনৈতিক জ্ঞান-দানটা একজন বাচ্চা সাবালক হইবার পরেই দেওন উচিত?

২৩. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
জামাল ভাস্কর বলেছেন: না ভাই সেই বিষয়ে আমার কোন অনুশোচনা নাই...
২৪. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮
হেজাব বলেছেন: ঠিকাছে।

আর স্কুল পড়ুয়াদের মগজ ধোলাইয়েরটা বলবেন না?
২৫. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০২
জামাল ভাস্কর বলেছেন: স্কুলের পোলাপাইনের মহল্লার মাস্তান হওনের চাইতে আদর্শের মগজ ধোলাই(?) হওনটারে আমি যথার্থ মনে করি...
২৬. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২১
হেজাব বলেছেন: গুড!!

শিবিরও আপনাদের (বাম রাজনীতির ধারক/বাহকদের) মতই স্কুলের পোলাপানরে টার্গেট করে। তাইলে কি তাদেরটাও যথার্থ?

নাকি এই এইজ গ্রুপটারে টার্গেট করলে সাক্সেস রেট বেশি হইব বইলাই আপনাগমত চরম বাম/শিবিরের মত চরম ডানপন্থীরা এগরে বাইছা নেন?

২৭. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৩৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: শিবিরের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী আর মতাদর্শিক অবস্থান যেহেতু আমি ঠিক মনে করি না তাই তাগো যথার্থ মনে করনেরও কোন কারন নাই।
আর চরম বাম শিবির ব্যাপারটা বুঝি নাই...শিবির ক্যান বাছে তা জানি না কিন্তু ছাত্ররা যেই বয়সেরই হোক না ক্যান অধিকার বঞ্চিততো ঠিকই হয়...
২৮. ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:১৭
হেজাব বলেছেন: একটা স্কুলে পড়া বা সদ্য স্কুল পাশ করা বাচ্চার কি বুঝতে পারনের কথা বাম ভাল না শিবির ভাল? কারণ আপনেরা দুই গ্রুপ যখন মগজ ধোলাইয়ে যান কেউত নিশ্চই কন না যে আপনেরা খারাপ বা ঠিক না!! যারে বুঝাইতাছেন তার কি বুঝনের বয়স হওনের পরে বুঝানটা ভাল না?

২৯. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫
জামাল ভাস্কর বলেছেন: যেই দেশে অধিকাংশ পোলাপাইনরে দাড়ি-গোফ উঠনের আগেই সংসারের আয়ের চিন্তা নিয়া ভাবতে হয়, যেই দেশে অধিকাংশ শিশুরে বাপের সাথে ভোরে ক্ষেতে যাওনের লেইগা স্কুলে যাওন বন্ধ করতে হয়...তার অধিকার বুঝতে পারনের ক্ষমতা নিয়া কইতাছেন? শিবির আর একটা বামপন্থী ছাত্র সংগঠন দল একই বক্তব্য নিয়া কোনসমে যায় না...এইটা অন্ততঃ আপনের বুঝতে পারনের কথা...
৩০. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ৯:২৪
হেজাব বলেছেন: আপনে মনে হয় প্রশ্নটা বুঝেন নাই।

আবার করতাছি:

একটা স্কুলে পড়া বা সদ্য স্কুল পাশ করা বাচ্চার কি বুঝতে পারনের কথা বাম রাজনীতি ভাল না আওয়ামী রাজনীতি ভাল না বিএনপির রাজনীতি ভাল?

আমার প্রশ্নে স্কুল বলতে এইজ গ্রুপ বুঝাইছি। বাম আর শিবির আনছি এই কারণে যে আমার জানামতে এই দুই রাজনৈতিক দল ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক বিশ্বাসের দল স্কুলে পড়া পোলাপাইনরে টার্গেট করে না রাজনীতিতে আসার জন্য।
৩১. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ৯:৪০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: হেজাব
আমরা যখন রাজনীতি করছি ছাত্র অধিকারের বক্তব্য নিয়াই স্কুলে যাইতাম...তখন তাগো বাম ভালো না শিবির ভালো এই বক্তব্য বুঝানের মতো মাস্টারীতে যাওনের দরকার মনে করি নাই কোন কালে...আমরা তাগো বর্তমান অবস্থার পরিনতিটাই চোখে আঙুল দিয়া দেখাইতাম।

আর ঐ সময়েও বিভিন্ন স্কুলে আওয়ামি-বিএনপি'র মাস্তানগো থ্রেট আমাগো খাইতে হইছে...উল্লেখ্য হইলো এই থ্রেট গুলি করতো ঐসব স্কুলের পোলাপাইনরাই বিভিন্ন বড় ভাইগো বরাত দিয়া।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৯০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না পাওয়ার সম্ভাবনায় শৈশবে কোন চাওয়া ছিলো না আমার...মধ্যবয়সে এসে অনেক পাল্টে গেছি...এখন আমি চাইতে শিখেছি...কেবল না পাওয়ার সম্ভাবনাটা গেছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ