মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধ মানেই কি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী?
৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৬
১.
ধর্ম আসলেই কি আফিম? ধর্ম কি আসলেই নিপীড়িতের একমাত্র আশ্রয়? ধর্ম কি আসলেই অজানা ভয়ের একটা না চেনা প্রতিক্রিয়া? ধর্ম পালনের প্রশ্নটা আসলে কি? অনুশাসনের মার্কিংয়ে ভয়? পরকালে ফ্রিতে পাওয়া সুখ হারাইয়া যাওনের ভয়? আমি জানি না কারণ ধর্মের গল্পে আমার বিশ্বাস নাই...ধর্মের পরকাল ভীতির চাইতে আমি মানুষের ক্ষমতায় আস্থা রাখতে আগ্রহী...
২.
ধর্ম নিরপেক্ষ মানে আসলে কি? একজন ব্যক্তি কি ধর্ম নিরপেক্ষ হয়? আমি অনেকরেই বলবার চেষ্টা করছি একজন ব্যক্তির আসলে ধর্ম নিরপেক্ষ হওয়াটা অসম্ভব...একজন ব্যক্তি কোন ধর্ম ধারণ কইরা অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটাইতে পারেন, একজন ব্যক্তি সর্ব ধর্মের সমন্বয়ের কথা ভাবতে পারেন, একজন ব্যক্তি ধর্ম হীন হইতে পারেন...কিন্তু ব্যক্তির ধর্ম নিরপেক্ষতার মর্তবাটা আমি বুঝি না। একই প্রসঙ্গ যদি আসে রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ হওনের প্রশ্নে...হ্যা, একটা রাষ্ট্র ধর্ম নিরপেক্ষ হইতে, সে পারে মানুষের প্রয়োজনে নির্বাহী নীতিমালা পরিচালনা করতে, সে পারে ধর্মরে কোনরম পৃষ্ঠপোষকতা না কইরা চলতে, সে পারে সকল ধর্মরে সমানভাবে-সমান বিবেচনায় দেখতে।
৩.
ধর্মীয় রাষ্ট্র মানে কি? রাষ্ট্রের ধর্মভিত্তিক অনুশাসন মানে কি? সোজা কথায় আমি যা বুঝি, কোন বিশেষ ধর্মের অনুশাসনরে কোন দেশের নির্বাহী আর আইন-বিচার বিভাগের একমাত্র পথ বানাইয়া ফেলনের স্বপ্ন। আমি বিজ্ঞানের পরিবর্তনের নিয়মে আস্থাশীল...আমি মনে করি শ্রেণীকরনের প্রক্রিয়া থেইকা মুক্তিই অর্থনৈতিক বৈষম্য থেইকা মুক্তির প্রধান উপায়...পরম সত্য বইলা আসলে কিছু নাই...সত্য সকল সময়েই পরিবর্তনের সম্ভাবণা নিয়াই বিরাজ করে।
৪.
১৯৭১-এ বাঙালীর মুক্তির আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম একটা বড় রোল প্লে করছিলো...এই অনুভূতি নিয়া অতীতে আমি বহুত জায়গায় গেছি...অনেকেই কনভিন্সড হইছে, অনেকই ব্যাজার। কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন যাগো ছিলো...যারা বিশ্বাস করে ধর্মভিত্তিক শাসনের নীতিমালাই পরকালের নিশ্চয়তায় একমাত্র পথ...তারা আসলেই তা চাইছিলো। আর যেই কারনে দেশের যেই সংখ্যালঘু অংশ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করছিলো, তারমধ্যে ধর্মভিত্তিক অংশটাই শক্তিশালী ছিলো। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতায় তখন আরেকটা অংশও ছিলো, তৎকালীন চীনপন্থী কম্যুনিস্ট দলগুলি, যারা বিশ্বাস করতো এই দেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম আসলে ভারত আর রাশিয়ার সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করলেও এই অংশ রাজাকার বাহিনীর সাথে কখনো মার্চ করে নাই। তাগো মূল শত্রু ছিলো মুজিব বাহিনী...মাঝে মাঝে পাকি বাহিনীর বিরুদ্ধেও তারা বিভিন্ন অপারেশনে গেছে...
৫.
রাজাকার বাহিনী ছিলো সুনির্দিষ্ট অর্গানোগ্রামআলা একটা সংগঠন, জামায়াতে ইসলামী রেযাকার বাহিনীর লগে কাগজে কলমে না থাকলেও তাগো নিয়মিত বাহিনী আর কর্মীরা রেযাকারগো পরিপূর্ণ সহযোগিতা দিছে এইটাও সত্য বইলাই জানে সকলে। তয় ধর্মভিত্তিক দলগুলি আজকের জমানায় আইসা যতো শক্তিশালী হইছে, তখন কিন্তু এতো শক্তিশালীও আছিলো না। তখনো ওয়াহাবীরা এতো মোড়লগীরি করনের সুযোগ পায় নাই।
৬.
ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসের নজীর এই দেশে প্রথম শুরু হয় স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ১৯৭৪'এ পাবনায় রফিকুল ইসলাম বকুল(প্রাক্তন আওয়ামি আর বিএনপি নেতা)'এর মন্দির ভাঙনের কর্মসূচী দিয়া। আওয়ামিগো একটা অংশ তখনই ধর্মনিরপেক্ষতার বাইরে গিয়া মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠের পার্ট গাইতেছিলো। শেখ মুজিব নিজেও সাচ্চা মুসলমানই ছিলেন...যেই কারনে একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ তৎকালেই ওআইসি'র সদস্য হইয়া যায়। আর যেইটা ঘটে তা হইলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেইকা দেশ একটু একটু কইরা দূরে সরনের প্রক্রিয়ায় যায়।
৭.
৮০'র দশকেও ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলি এতো শক্তিশালী ছিলো না। জামায়াত নিজেই তখনো ইমার্জিং। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ছাত্র সংগঠন প্রতিপক্ষের সহযোগিতায় বাইড়া উঠতেছে। রাজশাহীতে ছাত্র মৈত্রীর জনপ্রিয়তারে দমাইতে ছাত্র দল শিবিররে সামনে আনে, আর চট্টগ্রামে জাসদ/বাসদের জনপ্রিয়তায় টালমাটাল হইয়া ছাত্রলীগ সকল শক্তি দিয়া শিবিরের স্থায়িত্বের দায়িত্ব নিছিলো। কিন্তু ৯০ পরবর্তী কালে হঠাৎই কোত্থেইকা জানি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলি ক্ষমতায়িত হইতে শুরু করে। বিশ্ব পরিস্থিতি সহায়ক ছিলো, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জনরোষ, এইসব কিছু মিলাইয়াই এরা সহজে মানুষের কাছাকাছি চইলা আইতে শুরু করলো।
৮.
৯০'এ সোভিয়েত বিপর্যয়ের পর থেইকাই এই দেশের বামপন্থী দলগুলি, বিশেষ কইরা দেশের সবচেয়ে সংগঠিত সিপিবি ভাঙতে শুরু করে। আওয়ামি লীগ তখন তাগো দলীয় মূলনীতিরে সংশোধন করে...এই অবস্থায় মুসলমানেরা কি করবো? তারা আরো মুসলমান হয়, প্রত্যেক মুসলমানই তাগো পোটেনশিয়ালিটি মাফিক জঙ্গীবাদী হওনের সম্ভাবনার দিকে আরো ধাবিত হয়।
৯.
ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা যে কয় তারে রাজাকার বইলা ধইরা নেওয়া ...ধর্মনিরপেক্ষ না হইলেই রাজাকারী মতাদর্শ...অর্থনৈতিক বন্টনে সমাজতন্ত্রী না হইলেই আল-বদর...
বাঙালী জাতীয়তাবাদের বাইরে ভাবলে রাষ্ট্রদ্রোহী...এইরম ভাবতে পারলে ভালোই শান্তি পাইতাম...কিন্তু আসলে যারা একসময় মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজী রাখছেন তাদের অনেকেই আজ এইসব থেইকা শতহস্ত দূরে। তারাও পুঁজিবাদের এই করালগ্রাসে হারাইয়া গেছে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের জোয়ারে।
১০.
এখন ব্লগার কৌশিকরে বলি, গালি যদি এই চেতনার বিরোধীগো দেওন লাগে তাইলে সবাইরেই দেওন লাগে। রাজাকার বাহিনী-আলবদর-আল শামস নামের চিহ্নিতগো কোন ক্ষমা নাই সেইটা মানি। কিন্তু এই প্রজন্মের যেই প্রতিনিধি এখনো খালি পারিপার্শিক প্রভাবে এইরম ভাবে তারে আমি ক্যাটেগোরাইজ করি কেমনে সে রাজাকার!? তার বিশ্বাস ভুল কইতে পারি, তারে যুক্তির বেড়াজালে ফালাইতে পারি...কিন্তু যে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে না তারে আমি অপরাধী কই কি কইরা! সঠিক ইতিহাস কি আমরা আদৌ লিখছি? আওয়ামি ইতিহাস-বিএনপি ইতিহাস-জামায়াতী ইতিহাসের ল্যাবিরিন্থে পইরা যাওয়া জাতি আসলে কেমনে তার ইতিহাস পূণর্পঠন করে?
বি:দ্র:
এই পোস্ট কিন্তু রাজাকারদের অপরাধমুক্তির পোস্ট না। এই পোস্টে আমি নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কীত ধারণারে পূনর্বিবেচনা করনের ব্যাপারটা নিয়া ভাবছি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
হ, পাঁচ দিলাম। তয় সাদিক মিয়ারে সবাই দোষায় ক্যা?
১. আপনি যে বললেন, রাষ্ট্রের সত্যিকারের ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব, পৃথিবীতে কি এখন কোন প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র আছে নাকি সেটা এখনও পর্যন্ত একটা য়ুটোপিয়ান ড্রিম?
২. ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সরল অর্থ কি? রাষ্ট্র কোন বিশেষ ধর্মকে প
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এত ট্রু, ট্রু কইর্যা না প্যাচাইয়া কন দেহি ট্রু ইসলামিক রাষ্ট্র কয়টা আছে দুনিয়ায়। যে সব দেশের নাম কইলেন হেই সবদেশ atleat আক্ষরিক অর্থে কোন ধর্মরে পৃষ্টপোষকতা করে না।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
atleastঐ সব দেশের সব ধর্মের নাগরিকরা আইগত ভাবে একই মর্যাদা আর অধিকার ভোগ করে। তয় ধনী-দরিদ্রের পার্থক্যের কারনে এইটা হয়তো ব্যহত হয়।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
১.স্রষ্টার ক্ষমতায় আস্থা রাখলে কি মানুষের ক্ষমতায় আস্থা রাখা যায় না?
২.
সবাইকে কি আসলেই সমানভাবে সমান বিবেচনায় দেখা সম্ভব? এইখানে নিরপেক্ষতার ব্যাপার না এসে জাস্টিসের ব্যাপার আসতে পারে। সবাইকে সমানভাবে দেখাটা ন্যয়বিচার হতে পারে না।
৩.
কমিউনিস্টের চিন্তা ভাবনা ভালো হতে পারে। কিন্তু তা বাস্তব সম্মত নয়। কিন্তু পক্ষান্তরে ইসলামের চিন্তা ভাবনা মোর প্র্যাকটিকেল এবং তা ১০০ পারসেন্ট অপটিমাম সল্যুশন দেয়।
৯.
এরকম ভাবতে পারলে কেন, আমার তো মনে হয় এভাবেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়।
হাসিব বলেছেন:
পরম সত্য বইলা আসলে কিছু নাই...সত্য সকল সময়েই পরিবর্তনের সম্ভাবণা নিয়াই বিরাজ করে। >> ঠিকাছে । কিন্তুক কথাটা আমাগো মনে থাকে না বইলাই নিজে যা ঠিক মনে করি সেইটারে নিয়া মুলামুলি করি । যেইটারে মৌলবাদি আচরন করা বলা যাইতে পারে।
বিশ্ব পরিস্থিতি সহায়ক ছিলো, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জনরোষ, এইসব কিছু মিলাইয়াই এরা সহজে মানুষের কাছাকাছি চইলা আইতে শুরু করলো।
>> জেএমবির উত্থানেও এই ব্যাপারটা কাজ করছে বলেই আমার ধারনা । সাথে অন্য উপকরণও আছে ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"ইসলামের চিন্তা ভাবনা মোর প্র্যাকটিকেল এবং তা ১০০ পারসেন্ট অপটিমাম সল্যুশন দেয়।"-কোন্ দেশে আর কোন্ সময়ে দিছে?
আমি বিশ্বাস করি মানুষ তার নিজের ভবিতব্য ঠিক করে, কোন স্রষ্টা করে না।
২.
তখনি দেখা সম্ভব যখন আপনে আসলে কেবল মানুষ দেখবেন কোন প্রিভিলেজ্ড দৃষ্টিভঙ্গী ছাড়া। এইটাই আসল বিচার...
৩.
ইসলামের চিন্তা ভাবনা মোর প্র্যাকটিকেল এবং তা ১০০ পারসেন্ট অপটিমাম সল্যুশন দেয় - এই তথ্য কই পাইছেন? অথেনটিক বচন সহ আসেন...স্টেটমেন্ট দিয়েন না।
৯.
এইরম ভাবতে পারলে আমি শান্তি পাইতাম কারন এমনেই আসলে মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন হওনের পথ প্রশস্ত হইতো। @ মা.র.
আমি জানতে চাইছি জনতা যে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাইবে সেটা কি রকম হবে? সোভিয়েত ইউনিয়নের মত? তাইলে তো টিকবে না।
ব্যক্তির পক্ষে যেই কারণে পুরাপুরি ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব না, সেই একই কারণে কোন রাষ্ট্রের পক্ষে রিয়েলেস্টিক্যালি ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব বলে আমার মনে হয় না।
য়ুটোপিয়ান ড্রিম আর রিয়েলিস্টিক ড্রিম এই অর্থে আলাদা যে যাহা য়ুটোপিক তা অতীতেও কখনও পৃথিবীর মুখ দেখে নাই। যা অতীতে একবার হলেও সম্ভব হয়েছিল, তা নতুন কনটেক্সটেও সম্ভব হবে, শুধু সঠিক ব্যাপার স্যাপার ট্রিগার করা লাগবে, সঠিক পথে আগাতে হবে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
এটা কোন অথেনটিক সোর্সের বক্তব্য নয়। স্রেফ নিজের অভিজ্ঞতা। কোন একটা সমস্যার কথা বলেন তো দেখি যেটার সমাধান ইসলাম দিতে পারে নাই। আবশ্যই সেটা মৌলিক সমস্যা হতে হবে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আল্লাহর রাসুলের শেষ জামানায়। আর্ধেক পৃথিবী শাসিত হয়েছে।@ দ্বিতীয়নাম।যে ১ টাকা চুরি করে আর যে ১ কোটি টাকা চুরি করে উভয়ের বিচার সমান করতে চান? এখানে ইকুয়ালিটি নয় ইকুইটি করতে হবে।
মানুষের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা কইতে কি বুঝাইতেছেন? সোভিয়েত বিপর্যয়ের ব্যাপারে এই অ্যানালিসিস মনে হয় প্রথম শুনলাম...সোভিয়েত ভাঙছে তার আরো অনেক নেগেটিভ কারন আছে বইলাও জানি...আর যদি স্বাভাবিক বাইড়া উঠনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওনের লেইগাই সোভিয়েত বিপর্যয় হয় তাইলে তো এই বিপর্যয়ের পর যেই স্বাভাবিক বাইড়া উঠনের অবস্থা দেখতেছি অমনে বাইড়া উঠনটা মনে হয় না মানুষের কোনকালে কাম্য হইতে পারে...
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
বোঝা গেল, ইসলাম সম্পর্কে আপনার ধারণা স্বচ্ছ নয়। ইসলাম সবসময়ই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে। ইসলামের নাম করে কেউ এর প্রয়োগ ভুল পথে করলে নিশ্চয়ই তার জন্য ইসলাম দায়ী নয়।
কাঠুরিয়া. বলেছেন:
ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসের নজীর এই দেশে প্রথম শুরু হয় স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ১৯৭৪'এ পাবনায় রফিকুল ইসলাম বকুল(প্রাক্তন আওয়ামি আর বিএনপি নেতা)'এর মন্দির ভাঙনের কর্মসূচী দিয়া।--রেফারেন্সটা দেবেন কি?
কাঠুরিয়া. বলেছেন:
সরি মিস করেছিলাম
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
ভালা পোস্ট। আমার চোখে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা হৈল, রাষ্ট্র ধর্মরে মানুষের "প্রাইভেট" ব্যাপার হিসাবে রাখব, রাষ্ট্র পরিচালানার লগে জড়াইব না। রাষ্ট্র কোন বিশেষ ধর্মরে পেট্রোনাইজ করব না, আবার কাউরে ধর্ম পালনে বাধাও দিব না। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে একজন আস্তিক যতটুকুন অধিকার, সু্যোগ-সুবিধা ভোগ করব, একজন নাস্তিকও রাষ্ট্রীয়ভাবে ঠিক ততটুকুই অধিকার, সু্যোগ-সুবিধা পাইব। নো (রিলিজিয়াস) ডিসক্রিমিনেশন।
হনুমানজী বলেছেন:
যুঞ্চিক্ত তুমি ইসলাম বিরোদী, ইসলাম চোদাচুদি তাইক্কা কবর পরজন্ত গাইড দিসে আর তুমি মুনাফেকি করতাস। তোমার কল্লা ফালায়া দিমো
সুমি বলেছেন:
আমি আপনার লেখা পড়লাম না, শুধু শিরোনাম পড়ে মন্তব্য করছি--আপনার কাছে আমার জানতে চাওয়া -
আপনি কি মনে করেন ?
এবং আপনি কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পক্ষে ?
সরাসরি জবাব দিবেন---
কোন মারপ্যচ করেবন না।
সোনার বাংলা বলেছেন:
আমার মনে হয় হাসিনা ভালো কইতে পারবো?তেনার বহুত ডক্টরেট আছে,যা এই বাংলার আর করো
নাই।আমি তো ভাই গনতন্ত্র জিনিষটা কি হে কথায়ই
বুঝি না! আবার ধর্ম 'নিরপেক্ষতা' আইটেম টা কি ভাই ইহা কি মানুষ খায় না পরে!
মানুষ কে ভালোবাসি। আর শয়তানদের বাঁশ দিয়া কে
ভালো কর্ম, ধর্ম মনে করি।
মানুষ জিনিষটা বড়ই জটিল!
হ।স।ন বলেছেন:
আগে কন গালি দিবেন না খাবেন? কোন মধ্যখান নাই।
পোস্টেই আমি এই বিষয়ে আমার মনোভাব কইছি @ হ।স।ন
আপনে না বুঝলে আমার কিছু করনের নাই। বড়জোর কইতে পারি চালায়া যান।@ সোনার বাংলা
হ।স।ন বলেছেন:
দেইখেন সাদিকের মত আবার রেজাকার হইয়া বাইর হইয়েন না।
তার মানে এই খানে আরেকটা ফ্যাক্টর আসল, কোন ধর্মকে প
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধ মানেই কি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী? ----- হ।
হনুমানজী বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি এতোই যদি ভালা ইসলামিক রাস্ট্র তাইলএ অস্ট্রেলিয়া বাদ একে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তায় খ্রীস্টান নাসার, ভালা দেইখা কোন ইসলামিক দেস দেইকা চইলা যাও
আমার মনে হয় না মুহাম্মদ (সা) এর সময় যেই অন্তর্নিহিত স্পিরিট ছিল ইসলামিক রাষ্ট্রের, তার কোনটা এখন যারা নিজেদের ইসলামিক রাষ্ট্র বলে দাবী করে তাদের মধ্যে আছে।
ওদের মধ্যে আদর্শ ইসলামিক রাষ্ট্রের কিছু এলিমেন্ট আছে, কিছু মিসিং। পশ্চিমের যেই দেশে আছি, সেই খানেও আদর্শ ইসলামিক রাষ্ট্রর কিছু আছে, কিছু মিসিং (যা আছে, যেমন ওয়েল ফেয়ার স্টেইট, মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতা ইত্যাদি)।
আমার মনে হয় এখন ইসলামিক রাষ্ট্রগুলাতে যা মিসিং সেগুলাই প্রথম আসা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। যতদিন না আসতেছে, ততদিন ওই খানে যাওয়ার গরজ নাই।
হনুমানজী বলেছেন:
হ গাচেরও খাইবা তলার ও কুড়াইবা, টিপিকাল হিপোক্রেটরা তাই করে
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
হ গাচেরও খাইবা তলার ও কুড়াইবা, টিপিকাল হিপোক্রেটরা তাই কর-----একদম সত্য বলেছেন হনুজী।
যদি কও ক্যান নাই, তাইলে শুনো:
ইসলামিক রাষ্ট্র নিয়ে মুসলিম কমিউনিটির ভাবনাটা নতুন কইরা রিভাইভড হইছে। ১৯২০ সালের আগে খিলাফত ছিল বলে কারো মাথা ঘামানো লাগে নাই, যদিও যুগের সাথে সাথে সংস্কারের যেই প্রয়োজন এবং ইসলামী রাষ্ট্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ এলিমেন্ট ওইটা খলীফারা ইগনোর করে আসছিল, তবু সাধারন মুসলিমদের মানসিক শান্তনা ছিল, ইসলামিক রাষ্ট্র আছে। তাই এটা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন হয় নাই। সেই সময়টা মুসলিমরা পার হয়ে আসছে এখনও কিন্তু ১০০ বছরও হয় নাই। সেই সময়ে যারা খিলাফতের উপর বিরক্ত হয়ে পুরা ইসলামিক রাষ্ট্র সিস্টেমের উপর বিতশ্রদ্ধ হয়ে গ্যাছে, ওই জেনারেশনের পরের জেনারেশন থেকে সচেতনতা শুরু হয়েছে। এই সচেতনতাটা এখন এমার্জিং, দিনে দিনে বাড়বেই।
এখনও পর্যন্ত নতুন কনটেক্সটে ইসলামিক রাষ্ট্র কি করে প্রতিষ্ঠিত হবে এইটা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চলতেছে। আমার নিজের কনটেক্সট বাংলাদেশ আর পশ্চিমা দেশ, এইখানে আমার জন্ম, এই খানে টিনেজ কাল থেকে আছি। আমার নিজের কনটেক্সট নিয়ে আমি চিন্তিত। অন্য দেশ নিয়ে আমি করব? নিজের দেশের প্র্যাকটিকেল সল্যুশন খুঁজি।
হনুমানজী বলেছেন:
"আপনি কি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশে আছেন, যেই দেশের সংবিধানকে ধর্ম বিন্দুমাত্র বায়াস করতে পারে না? "আমি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশের নাগরিক আমার দেসের সঙবিধানে আচে কোন রেলিজিয়নকে ফেভার করা যাবেনা আর কোন রেলিজয়ন বেইষড আইন বানানো যাবেনা
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
বলছি নাকি, ধর্মনিরপেক্ষ দেশে থাকতে চাই। কই মনে তো পড়ে না।
হনুমানজী বলেছেন:
The separation of church and state is an important legal and political principle derived from the First Amendment to the United States Constitution, which reads, "Congress shall make no law respecting an establishment of religion, or prohibiting the free exercise thereof . . . ." The phrase separation of church and state was introduced by Thomas Jefferson in an 1802 letter to the Danbury Baptists. The phrase itself does not appear in the constitution, or any other founding American document, but it has been quoted in several opinions handed down by the United States Supreme Court.
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
তবে ধর্মনিরপেক্ষ দেশে থাকতে চাই। ধর্ম যেন রাষ্ট্রের কোনো কার্যে হস্তক্ষেপ না করে। আছেন নাকি আমার লগে এই দেশে থাকার জন্য ?
হনুমানজী বলেছেন:
The point of such an amendment is twofold. First, it ensures that religious beliefs - private or organized - are removed from attempted government control. This is the reason why the government cannot tell either you or your church what to believe or to teach. Second, it ensures that the government does not get involved with enforcing, mandating, or promoting particular religious doctrines. This is what happens when the government "establishes" a church - and because doing so created so many problems in Europe, the authors of the Constitution wanted to try and prevent the same from happening here. Can anyone deny that the First Amendment guarantees the principle of religious liberty, even though those words do not appear there? Similarly, the First Amendment guarantees the principle of the separation of church and state - by implication, because separating church and state is what allows religious liberty to exist.
Related Myths about the Separation of Church and State:
ক্রুসেড খুব ধর্মনিরপেক্ষ আইডিয়া!!!
হনুমানজীর কোটেশন থেকে...
"The phrase itself does not appear in the constitution"
বাহ বাহ!
হনুমানজী বলেছেন:
For that comment ha had expressed his deepest regret so, please dumbass. It was not on the original constitution, it was later ammended you
আরশাদ রহমান বলেছেন:
আলোচনা এখন মনে হচ্ছে ধর্মে গিয়া ঠেকছে।জামাল ভাস্কর, ধর্ম নিরপেক্ষ হওয়া যাবেনা কেন? আপনি কিভাবে সংগায়িত করবেন তার উপর নির্ভর করবে হওয়া যাবে কি যাবেনা। আপনার কথাটা অনেকটা কেউ নিরপেক্ষ হইতে না পারার মত। সেই হিসাবে একজন মা ও তাঁর সব ছেলেময়েরে সমান ভালবাসতে পারেনা। আমি মনে করি অবশ্যই সম্ভব নিরপেক্ষ হওয়া ধর্ম নিরপেক্ষ হওয়া।
সন্ধাবাতি, বুশ কি করলো তার জন্য পুরা আমেরিকাকে এক ভাবে দেখা ঠিকনা। এই আমেরিকাতে ৩য় বিশ্বের অনেক নিজের অধিকার যে ভাবে খাটায় তা নিজের দেশেও পারেনা। তাঁদের যেমন খারাপ আছে তেমনি ভালোও আছে। ধর্মে রাস্ট্রনীতি থেকে যত আলাদা রাখা যাবে ততই দেশের সাধারন জনগণের জন্য ভালো। ধর্ম যার যার একান্ত বিশ্বাস হওয়া উচিত। কে ভালো কি বভালো তা ধর্মের উপরে নির্ভর করেনা। এই যে এত অন্যায় অত্যাচার এইসব যারা করে কিংবা করেনা তা ধর্মের কথা বিবেচনা কইরা করেনা। বেশির ভাগ মানুষ ভালো থাকে শাস্তির ভয়ে। যেই দেশে আইনের প্রয়োগ আছে সেই দেশেই অন্যায় কম হয়।
হনুমানজী বলেছেন:
"১৯২০ সালের আগে খিলাফত ছিল বলে কারো মাথা ঘামানো লাগে নাই, " অটোমান সাম্রাজ্য খিলাফত, ওরে তোরা আমারে ধররে, এই আহাম্মক কয় কি?
আমেরিকার ভাল দিক আছে আমি কিন্তু কখনই অস্বীকার করি নি। যা বুঝাতে চেয়েছি তা হলো, ধর্মনিরপেক্ষতার আইডিয়াটা এখনও মিথিক্যাল হয়ে আছে, এখনও রাষ্ট্র ধর্ম থেকে পুরা আলাদা না। আমেরিকার কথা জানি না, কিন্তু এখানে ক্রিসমাস আর ইস্টারে মহা ঘটা করে ছুটি দেয়, পুরা দেশ সাজায়। একটা দেশ, যেখানে দাবি করছে ধর্মের সাথে কোন সম্পর্ক নেই, সেই দেশটা কেন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করবে? আর করলে কেনই বা কেবল একটা নির্দিষ্ট ধর্মের অনুষ্ঠানকে কেবল পালন করবে? এগুলো হিপোক্রেসী।
আর ইসলামী রাষ্ট্রের ব্যাপারে অনেকেই ভুল ধারণা নিয়ে থাকে। যেই ইসলামিক রাষ্ট্র মুহাম্মদ (সা) এর সময়ে ছিল, সেখানে প্রত্যেকে তার নিজের ধর্ম পালন করতে পারত, প্রচার করতে পারত। প্রতিটা ধর্মের উপসানালয় রাষ্ট্রীয় ভাবে পবিত্র ছিল, রাষ্ট্র প্রটেকশন দিত। সেটাই ইসলামিক স্পিরিট।
ইসলামিক রাষ্ট্রের যেই ব্যাপারটা ইউনিক সেটা হলো যেই ব্যাপারগুলো পুরা সমাজ এবং সব মানুষকে এফেক্ট করে, সেই ব্যাপারের ভালো খারাপ কুরআন সংজ্ঞায়িত করেছে। তাই সমকামিতা, রাষ্ট্রীয় ভাবে খারাপ বলে জানা হবে, এলকোহলকে কোন ভাবেই প
হনুমানজী বলেছেন:
"আমেরিকার কথা জানি না, কিন্তু এখানে ক্রিসমাস আর ইস্টারে মহা ঘটা করে ছুটি দেয়, পুরা দেশ সাজায়। " তো সমস্যা কি ? সেকুলার ডাজ নট মিন দে উইল নট আ্যালও রেলিজন, ইট মীনস সরকার উইল নট বী দ্যা স্পনসর আফ ওয়ান
হনুমানজী বলেছেন:
Absolutely not! Governor is not letting influence its policy based on that one religion, now if they force you to go to Sunday Bible School, then it will be violation of the secular conduct. You have the right not to observe Easter and use the day as you please. On your personal religious day you can ask for paid time off and they are bound to give it you. Allowing a majority Holiday is for convenience not for religious bigotory
হনুমানজী বলেছেন:
আবার সুরু কইরোনা আমারে পিলিজ
রনপি বলেছেন:
রামছাগলের মতো কথা কও কেন হনুমান?একজন খিস্টান বড়দিনে ছুটি পাবে। আবার একজন মুসলিম ঈদের দিনে ছুটি পাবেনা। অফিসে যেতে হবে বা ছুটি নিতে হইলে বছরের ছুটি থেকে কাটাতে হবে। এইদেশে কিভাবে সব ধর্মকে সমান অধিকার দেওয়া হইল। হিন্দুও তো কমনা ইউ.এষ তে। তারাও তো পুজার ছুটি ায়না
আরশাদ রহমান বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আমি বিশ্বাস করি মানুষের সত্যিকারের কল্যান হবে যে দেশে ধর্ম রাস্ট্র চালনায় প্রভাভ ফেলবেনা। ধর্মনিরপেক্ষতা আইডিয়াটা যদি মিথিক্যাল হয় তবে ধর্মভিত্তিক একটা দেশের নাম দিন যা আমরা আদর্শ হিসাবে নিব। একটা দেশকে যদি বলেই দি যে এই দেশটা ইসলামিক কিংবা হিন্দুদের কিংবা ক্রিস্টান ধর্মের অনুসারে চলবে তাহলে অন্য ধর্ম কে কি ভাবে পালন করবে? ধর্মভিত্তিক রাস্ট্রে যদি যে যার ধর্ম পালন করতে পারে তবে ধর্ম নিরপেক্ষ রাস্ট্রে আরো ভালো ভাবে পালান করতে পারবে। মানুষের সবচয়ে আগে দরকার অর্থনৈতিক মুক্তি সুতরাং আগে চিন্তা করা উচিত কি ভাবে মানুষের পেটে ভাত দেয়ার ব্যবস্থা করা যায়। দেখা যাবে যদি বাংলাদেশের মানুষ কে বলা হয় আমেরিকা/কানাডা/জাপান/জার্মান/অস্ট্রেলিয়া/ইংল্যান্ড এর মত যাবার সুযোগ দেয়া হবে এবং অথবা অন কোন আরব দেশে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হবে তখন সাবাই ধর্মের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিবেনা।
আরশাদ রহমান বলেছেন:
রনপি আমি যতদূর জানি যে যার আপনি যদি চান ঈদের দিনে ছুটি নিতে পারেন। অন্য ধর্মাবলম্বির সংখ্যা যেহেতু কম তাই বন্ধের দিনটা বলতে হয়। তা ছাড়া ছুতি কবে হবে তাতো আগে থেকে বালাও যায়না।
আমি যেই ইসলামিক রাষ্ট্র কে আদর্শ মনে করি, অর্থ্যাৎ মুহাম্মদ (সা) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং এরপরে অনেকে কিছু সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল সেখানে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকবে--
১. ইসলামিক রাষ্ট্র বলতে ইসলাম কোন ধর্মের ট্যাগ নয়। (হিন্দু ধর্ম কিন্তু হিন্দুস্তানের, জুডাহ একটা গোত্রের নাম সেখান থেকে ইহুদীবাদ, খ্রীষ্ট একটা ব্যক্তির নাম)। ইসলামের মূল কনসেপট কিন্তু কোন ধর্মের ট্যাগ নয়, ইসলাম একটা কনসেপ্ট, ইসলাম অর্থ শান্তি, পুরা রাষ্ট্রের মৌলিক লক্ষ্য হবে মানুষের প্রকৃতির সাথে সংগতিপূর্ণ একটা রাষ্ট্র গড়ে তোলার।
২. আগেই বলেছি এখন কোন আদর্শ ইসলামিক রাষ্ট্র নেই, আরব দেশগুলো তে তো না-ই। তাই মানুষকে আমেরিকা আর আরব দেশের মধ্যে চয়েস দেয়ার অর্থহীন।
৩. অর্থনৈতিক মুক্তি আগে আসতে হবে, তারপরে ইসলামিক রাষ্ট্র ইসলামিক রাষ্ট্র হবে। কখনও সুযোগ পেলে রাসুল (সা) এর জীবনী পড়ে নিয়েন। দেখবেন আগে কি করে মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়েছেন, তারপরে ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।
৪. আগেই বলেছি, প্রতিটা ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ব্যাপার স্যাপার পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। তারপরেও কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে। কোন ধর্মে যদি নরবলি দেয়ার বিধান থাকে, তাহলে রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে, কারণ সেটা মানব অধিকার লংঘন। যদি বিধবাকে পুড়িয়ে মারার বিধান থাকে, তাহলে রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে, কারণ সেটা মানব অধিকার লংঘন। এই মানব অধিকারের সংজ্ঞাটাই স্রেফ কুরআন অনুযায়ী হবে, এই তো। ইতিহাসে ইসলামিক রাষ্ট্রে যখন অমুসলিমরা ছিল, তারা কিন্তু খুবই ভালো ছিল, নিজেদের ধর্ম পালন করার পূর্ণ স্বাধীনতা ছিল তাই।
হনুমানজী বলেছেন:
Seperation of church vs state is important in a secular country. It is taken into consideration that all religion is similar and that will not influence governing or state bsiness. Having a religion based society by default assumes that one religion is better than the other.
আমার কথাগুলোর জবাব দাও। আমি তর্কে জিতার জন্য আসি না। তাই কেউ তর্কে জেতার জন্য কোন কথা এড়ায় গেলে সেইটা মনে রাখি। তোমার চেয়ে পনের বছরের ছোট, মাই আইডিয়াজ আর স্টিল ফরমিং।
আর তুমি বাংলায় কথা কও। তোমার চেয়ে ছোট বয়সে আমি দেশ ছাড়সি, আমার চেয়ে বেশি দেশপ্রেমিক মনে করো নিজেরে কিন্তু আফস
















