ধর্মভিত্তিক রাজনীতি আর রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে!
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
মুম্বাই শহরে জেহাদী জোশের বলি হইলো দুইশ'র উপর মানুষ। তাগো অনেকের অপরাধ তারা জন্মাইছে নাসারাগো দেশে। তাগো অনেকে ভিন্ন ধর্মের অনুসারী। কেউ কেউ আগ্রহী পথচারী। কমান্ডো প্রতিরোধে হামলাকারী জঙ্গীগো একজন বাদে সবাই এখন মৃত...লোকান্তরে বেহেশ্ত বাসী। রাজনৈতিক অনেক ব্যখ্যা বিশ্লেষণ আসতে শুরু করছে এখন...জঙ্গীরা ভারতীয়, না পাকিস্তানী, নাকি ভারতীয়-পাকিস্তানি-বাংলাদেশ আর ব্রিটিশ নাগরিক এইসব চিন্তায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে শুরু করছে নীতি আর গোয়েন্দাকৌশল নির্ধারক কর্মকর্তারা।
আমার নিজের কিছু উপলব্ধি আছে, ব্যখ্যাও আছে জঙ্গীগো উদ্দেশ্য লক্ষ্য আর অস্তিত্ব নিয়া। কিন্তু প্রায় মধ্যরাইতে যখন খবর পাই আমাগো দেশীয় জঙ্গীরাও চেষ্টা চালাইতে শুরু করছে তাগো অস্তিত্ব জাহিরের। যখন আমাগো দেশীয় ধর্মের ধ্বজাধারীরাও সংস্কৃতিরে বলি দেওনের অপচেষ্টায় রত তখন মুম্বাইয়ের হত্যাকান্ডরে বহুদূরের কন্সপিরেসী লাগে।
বলাকা চত্বরের নিষ্পাপ স্থবির বলাকারা আঘাতপ্রাপ্ত হয় কার স্বার্থে সেইটা আমার মাথায় ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। মুম্বাইয়ে তা'ও জঙ্গীরা কওনের চেষ্টা করছে তাগো এই অমানবিক হামলা মুসলমানগো নির্যাতনের প্রতিবাদে সংঘটিত হইছে। কিন্তু আমাগো মূর্তি ভাঙনের কন্ট্রাক্টররা কি কইবো!?
যূগে যূগে কালে ধর্মরে ব্যবহার কইরা শাসক প্রতিনিধিরা ফায়দা লুটনের ষড়যন্ত্রমূলক খেলায় নামছে। যেমন তা ঘটে মুম্বাইতে ঠিক তেমনি ঘটে বিমানবন্দরের সামনে, মতিঝিলে...
প্রতিবাদ জানাই ধর্মের ব্যবহারে জর্জরিত এই রাজনৈতিক কন্সপিরেসী খেলার। আহ্বান জানাই সকল সচেতন মানুষরে এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর হইতে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হমপগ্র বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ার দরকার নেই। শিরোনামটাই যথেষ্ট!
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
হ।প্রতিবাদ জানাই ধর্মের ব্যবহারে জর্জরিত এই রাজনৈতিক কন্সপিরেসী খেলার।
Click This Link
লেখক বলেছেন: এইটা বাস্তবতা হইছে অনেক ক্ষেত্রে...কিন্তু তাই বইলা কমুনা তা তো হইতে পারে না। ধর্মের ব্যবহারে এই দেশের ইতিহাস বহুত ঝড়-ঝঞ্ঝা পার হইছে...এইটা বন্ধ করন ছাড়া গতি নাই...
শঙ্খচীল বলেছেন:
কমিউনিস্ট রাজনীতি ও নিষিদ্ধ করা দরকার। কারন কমুনিস্ট রা বিপ্লবের নামে বাংলাদেশেই হাজার হাজার নিরিহ মানুষ জবাই করছে। সর্বহারা, লাল পতাকা এরা সবাই কমুনিস্ট রাজনীতির পতাকা বাহী। ভারত - নেপালেও কমুনিস্ট রা অনেক মানুষ হত্যা করছে।
লেখক বলেছেন: ধর্মীয় মৌলবাদরে ঠেকানের যৌক্তিকতা হিসাবে যদি আপনের বক্তব্য আইসা থাকে, তাইলে তাতে সমর্থন না থাকলেও নিশ্চুপ থাকতে পারি এইবেলা...আসেন রাজনীতিতে অন্ধ ভক্তির মতাদর্শিক আগ্রাসন থামাইয়া দেই...
পারভেজ বলেছেন:
আহ্বান আম জনতাকে জানালে লাভ নাই। যারা ক্ষমতায় তারা নিজের নিজের ধান্দায় থাকেন।
লেখক বলেছেন: যারা ক্ষমতায় যায় তারাই তো কন্সপিরেসীটা করে...আমজনতা ছাড়া তাগো আর কে থামাইবো ক'ন!?
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
সর্ব ধর্মই কিন্তু সামাজিকতা শিখায়, যারা এসব করছে প্রকৃত পক্ষে তারা সমাজের সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট পাবার জন্যে ধর্মের ব্যবহার করছে, আমার মনে হয় ধর্মের সাথে রাজনীতির কোনো বিভেদ নেই যদি সেই রাজনীতিতে কোনো কলুষতা না থাকে।
বিধান রিবেরু* বলেছেন:
ভাস্কর দা, আফসোসের বিষয় কি, এই মূর্তি ভাঙা দলটারেই আপনি আগামী নির্বাচনে দেখবেন, কোনো না কোনো বড় দলের লেঞ্জুর হইয়া গেছে।
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
জামাল ভাষ্কর কোনটা কোনটা দিয়া যোগফল টান।এই রকমের যোগফল টাইনা দিলে ফলাফল কি হইব ???
লেখক বলেছেন: রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার কইরাই ৭১'এ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি দাঁড়াইছিলো...রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের সকল যোগফল, বিয়োগফল, ভাগফল এক...গুণিতকেও...
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
চোরাগুপ্তা কর্মকান্ডগুলো যারাই করছে তাদের ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক ভালো মানুষ বা সভ্য সমাজের মানুষ বলতে পারিনা
রাঙা মীয়া বলেছেন:
আপনার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ও সহমত। এই বিষয়ে আমার একটি পোস্ট ছিলো।সমালোচনাও কম হয়নি !
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি আর রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতেই হবে, এছাড়া আমদের কোনো উপায় নেই। ধীরে ধীরে সব কিছু শুকরের পেটে চলে যাচ্ছে, কেউ কিছু বলছেনা।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ধর্ম কেন রাজনীতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে? এর একটাই কারন; তা হল মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের ঘুচিয়ে নেয়া।সেদিন খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে, ইসলামী মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখতে হলে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ভোট দিতে হবে।
অথচ তার চলাফেরা, কর্মকান্ড- কোন কিছুই ইসলামী মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
বলাকা ভাস্কর্যের গলায় লাগানো দড়িটা দৃশ্যমান, তবে অদৃশ্য একটা দড়ি আমাদের সবার গলায় বাধা, আমাদেরও টান লাগছে কোথাও, দমবদ্ধ লাগছে,ভাস্কর্য কিংবা মুর্তির উপাস্য হয়ে উঠবার সক্ষমতা বিষয়ে অনেক বক্তব্যই আছে, তবে মূলত কথাটা শেষ পর্যন্ত উপাসনার, যেই মানুষগুলো পবিত্রকর্মজ্ঞানে বলাকার গলায় রশি বেধে টানছে তারা কি কোনো ভাবে এই বলাকার উদ্দেশ্য সেজদা দিবে?
যদি বলাকার উপাস্য হয়ে উঠবার কোনো সম্ভবনা না থাকে, তবে সেটা নির্মাণ করাও বৈধ, এই উজবুক মোল্লারা বোধ হয় কোরান হাদিস না পড়েই জীবনযাপন করে,
নামাজের স্থানের সামনে জীবন্ত প্রাণীর প্রতিমূর্তি রাখা নিষেধ, তবে জীবন্ত পশুর প্রতিকৃতি কিংবা ছবি পাপোষে রাখা যায়, সেটা দিয়ে গৃহসজ্জ্বার বিষয়টাতে মোহাম্মদের আপত্তির জায়গাটা উপলব্ধি না করেই এইসব উন্মাদনা অর্থহীন।
মোল্লাদের মাথায় টুপি থাকে তবে এই উত্তাপেই বোধ হয় তাদের মগজ উবে যায়-
দস্যু বনহুর বলেছেন:
শঙ্খছাগলের পাছায় কইষ্যা লাথি। ছাগলের ম্যাৎকারে আর ব্লগে থাকা যাচ্ছে না। গতকাল দেখলাম আরেক ছাগল ফিলিস্তিন আর ইরাকের দোহাই দিয়া ভারতে হামলার পিছে যুক্তি বাইর করতাসে। আরে বাইনচোদ, ইসরাইল আম্রিকার লগে তোগো কুণো সমুস্যা থাকলে সেইখানে গিয়া হামলা করগা, জেহাদী জোস ঐখানে গিয়া ফলা। ধর্মের ধোনটা নিরপরাধ নিরস্ত্র মাইনসের দিকে তাক না কইরা ইসরাইলে যা, জেহাদ পুটকি দিয়া ভইরা দিব।
ইয়র্কার বলেছেন:
রাজনীতির মাধ্যমে ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ হোক।
দিনমজুর বলেছেন:
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। করতেই হবে।
কিন্তু কে করবে? কিভাবে বন্ধ হবে। ধর্ম যে আজ সবচেয়ে বড় হাতিয়ার!!!!
সহমত!!!
মকসুদ আলম বলেছেন:
রাজনীতির মাধ্যমে ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ হোক।
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন:
সমাজ এবং রাজনীতিতে নানান উপাদান থাকে। ঘটনা ও প্রেক্ষিতানুসারে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে সক্রিয় বিভিন্ন দল, শক্তি বা শ্রেণী সেইসব উপাদানকে আশ্রয় করে তাদের বয়ান সাজাতে দেখা যায়। নিজেদের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও পরিচয় নির্মাণ করে। একএকজন একএকভাবে।উপাদান হিসেবে ধর্মের বেলায়ও একই কথা খাঠে। এর এককেন্দ্রিক একাট্টা কোনো ব্যাখ্যা যেমন নাই তেমনি একে আশ্রয় করে গড়ে ওঠা সব রাজনীতিও একরকম নয়। হেরফেরটা আমরা চিহ্নিত করতে পারলে সরলীকরণের হাত থেকে রেহাই পাই।
আপনার উদ্বেগটা আর দশজনেরও। আমরা কিভাবে এসব ঘটনার মুখোমুখি হব, সমাধানের পথ কি? তাই কার্যকর পন্থা বের করার চেষ্টায় অগাম সিদ্ধান্তহীন আলোচনা আমাদের হয়তো কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।
মনজুরুল হক বলেছেন:
যে দুটি দল ইচ্ছে করলেই কাজটা পারে,তারা তা করবে না, কারণ তারাও ধর্মের রাজনীতির সুবিধাবাদীতা উপভোগ করে। সেটা দিয়ে জননিপীড়ন করে। এখন কোন ম্যাসিভ স্কেলের মুভমেন্ট ছাড়া এটা হবে না। সেই মুভমেন্টের জন্য যে দল বা শ্রেণীর অংশগ্রহন দরকার তারা এখন পর্যন্ত সঙ্গবদ্ধ নয়। তার মানে এই নয় যে তারা কখনোই তা হবে না ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















