আমার নিজের কিছু উপলব্ধি আছে, ব্যখ্যাও আছে জঙ্গীগো উদ্দেশ্য লক্ষ্য আর অস্তিত্ব নিয়া। কিন্তু প্রায় মধ্যরাইতে যখন খবর পাই আমাগো দেশীয় জঙ্গীরাও চেষ্টা চালাইতে শুরু করছে তাগো অস্তিত্ব জাহিরের। যখন আমাগো দেশীয় ধর্মের ধ্বজাধারীরাও সংস্কৃতিরে বলি দেওনের অপচেষ্টায় রত তখন মুম্বাইয়ের হত্যাকান্ডরে বহুদূরের কন্সপিরেসী লাগে।
বলাকা চত্বরের নিষ্পাপ স্থবির বলাকারা আঘাতপ্রাপ্ত হয় কার স্বার্থে সেইটা আমার মাথায় ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। মুম্বাইয়ে তা'ও জঙ্গীরা কওনের চেষ্টা করছে তাগো এই অমানবিক হামলা মুসলমানগো নির্যাতনের প্রতিবাদে সংঘটিত হইছে। কিন্তু আমাগো মূর্তি ভাঙনের কন্ট্রাক্টররা কি কইবো!?
যূগে যূগে কালে ধর্মরে ব্যবহার কইরা শাসক প্রতিনিধিরা ফায়দা লুটনের ষড়যন্ত্রমূলক খেলায় নামছে। যেমন তা ঘটে মুম্বাইতে ঠিক তেমনি ঘটে বিমানবন্দরের সামনে, মতিঝিলে...
প্রতিবাদ জানাই ধর্মের ব্যবহারে জর্জরিত এই রাজনৈতিক কন্সপিরেসী খেলার। আহ্বান জানাই সকল সচেতন মানুষরে এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর হইতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

