মাঝেমাঝেই মনে হয় কিছু একটা লিখি। লেখা মানে কেবল অক্ষরের সমষ্টি। কোন অর্থ হইলে হইলো নাইলে কিছু হইলো না। তয় আমার অহমবোধ আমারে খুব ভোগায় যাই লিখতে যাই তাতেই কেমনে জানি নিজে চইলা আসি। যদিও নিজেরে কখনো আলাদা কিছু ভাবনের মতোন কইরা এমন কিছু করি না। অহমবোধ বিষয়টাই হোক না লেখার উপলক্ষ্য। তয় আমি আমার এই অহম খুব সুনির্দিষ্ট গতিপথে আটকাইয়া থাকে। তার যাত্রা শুরু যেইখানে আর যেইখানে গন্তব্য...তার কোনখানেই আর কিছু যুক্ত হয় না কখনো। তারা অহম'ই থাকে...অহমিকা হয় না।
সেই ছোটবেলা থেইকা ভাবছি বহুকিছু হমু। সুপার হিরো হওনের স্বপ্ন ছিলো। মা জানতেন কেমনে আমার সৈন্যবাহিনীরা গুড়াইয়া দিতো প্রতিপক্ষের সকল কামান। জয়টা ছিলো আমারই। কিন্তু সবকিছু নিজের ইচ্ছামতোন ঘটতো। সেইখানে প্রতিপক্ষের যোগ্যতা তৈরী হইতো আমার নিজের নিরীখেই। আহারে শৈশব তুমি আবার ফিরে আসো...সবকিছু ভেঙেচূড়ে আবার তৈরী করি নিজের জগত। যেইখানে সমুদ্রে ভেসে যায় এক বিলাসী জাহাজ। একলা আমি নাবিক আর তুমি আছো কম্পাস হাতে, দিকশুন্যপূরের দিক কেবল তুমিই যেহেতু জেনেছো।
আর আমি মিটিমিটি হাসি। কারণ দিকশুন্যপূরের একটা স্বপ্ন সে'রাতে আমি দেখেছিলাম। খুব ক্লোজশটে থাকা স্বপ্নে কেবল আমি পাশাপাশি দুটো মুখ দেখি। তোমার বুজে রাখা চোখ থেকেই আমি টের পাই এই সেই গন্তব্য। আমার চোখ খুলতে হয়েছিলো স্বপ্নে। না হলে তো আর চেনা হতো না কোথায় যেতে চাই! কোথায় গেলে আসলে আল্টিমেইট হ্যাপিনেস!!
তোমার খোলা চোখের চাইতে বুজে রাখা চোখেরেই আমি যেনো বেশি চিনেছি।
আমাদের জাহাজের এই শৈশব চলুক না আজীবন...খুব যে নিরুদ্বিগ্ন যাবো তা কিন্তু আমি ভাবি নাই, জানো! তবু ভাবি নাবিক হিসাবে আমি ঠিক অজেয়...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

