ধান্দাবাজদের প্রেম দেখলে আমার হাসি পায় না! কারন তাদের
বংশগত ধান্দাবাজী চেতনার কতা যারা জানে বা বুঝে তাদের
মইধ্যে আমি ও একজন। তয় আসল কতায় আসি সব কিছু'র পর ও,আমরা যতই নিচে নামি না কেন দৈহিক গড়নে যেহেতু আমরা মানুষ তাই আমাদের মানব দেহের ও একটা মুল্য আছে। নীচতার সীমানা যেখানে নাই সেখানে কোন চেতনারই মুল্য নাই।
যদি আমরা নিজেদের মানুষ হিসেবে দাবী করি তাহলে
চোখের দেখা যেন সমান হয় সব রঙের মানুষের জন্য। শত্রু বা
বন্ধুর অন্যায় কে যোগ বিয়োগ না করে সূত্রের সমাধানে ছেড়ে
দেয়াই হলো চেতনা বা আর্দশের ১ম বিধান। যারা সে বিধানের
প্রতি বিশ্বাস রাখে না তারা মানুষ ঠিকই, তবে সাধারন অসাধারন বা মাঝা
মাঝি কিছু ও নয়.... ,পশুর থেকে ১'' উপরে।
১.
এই কিছু দিন আগে বিডি নিউজে দেখালাম কোন এক রাজাকারের মৃত্যু পরবর্তিকাহিনী। সে রাজাকার কে নিজ গ্রামে কবর দিতে দেয়নি গ্রামেরই মানুষেরা! আমি তখন খুবই দুঃখ পেয়ে ছিলাম! কারন জীবিত রাজাকার কে তার পাপের শাস্তি না দিয়ে মৃত দেহ নিয়া কানা মাছি খেলাতে।আর আমাদের অনেক হাতি পাতি নেতারা তো কম প্রেম করেনি রাজাকারদের সাথে।এক মহারতির তর্জমা করিয়াছিলেন.... বাংলার মাটিতে কোন রাজাকার কে মাটি দিতে দেয়া হবে না। অথচ রাজাকারের অনেক শিরোমনিরা বাংলার মাটির তলেই আছে...., আরো অনেকই যাবে ভবিষত্তে
....,যে গুলা নিচে আচে পারলে প্রথমে হেই গুলা উঠাইয়া ল। যা হইবে না কোন দিন বা যার সাথে যায় না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা , সে কতা কেন চালিয়ে দেব দলীয় স্বার্থে? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে কি মানবতার কোন সম্পর্ক
নাই?আগে শুনছিলাম বর্ণ বৈষম্য, কম্বল বৈষম্য,খালি বালি গন্জ বৈষম্য এখন বুঝলাম আরো বৈষম্য আছে! রাজাকার বৈষম্য। মানুষ মারা যাবার পরে তার দেহ নিয়া রাজনীতি করা যে কত ভালা কাম হেইড়া মানুষেরই বুঝা উচিত। নীতি বেইচা দলীয় ধান্দা করা যায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যবসা কইরা চেতন হওয়া যায় কিন্তু সে স্বপ্নের বীজ রোপন করা যায় না! আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এত নিষ্ঠুর নয়...। যদি নিষ্ঠুর হইতো তাহলে জাতির পিতা কিভাবে সাধারন ক্ষমা করে সাধারন অপরাধীদের(যুদ্ধাপরাধী নয়)? আবার আজকে যারা গলা পাটাইতেছে চেতনা চেতনা কইরা
তাদের অনেকরই বাপ দাদা বোনের জামাই রাজাকার আছিলো!
অনেক কতা কইয়া পালাইলাম ........ জানি আমারে
অনেকই রাজাকার কইয়া গালি দিবো তা নতুন কিছু না! আবালেরা আমারে রাজাকার কইবো না তো কে কইবো?
২.
আমাদের স্বার্থবাদী(দলীয় চামিচাবাদী) সাংঘাতিকেরা সব কিছু
পারে! এক রাজাকার কে বাংলার মাটিতে কবর না দেয়ার
খবরের উম্মাদতার সাথে যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের লিংক সেতু নির্মানে... ,যার সাথে মানবাধিকারের ফেনা দেখি নাই! শুধু
নিজেদের স্বার্থের তেন ছেন হইলে মানবাধিকার গেছে যাইতে
আছে... বইলা ফেনা পালায়।
আর এই সব রাজাকারদের যারা গড ফাদার আছিলো তাদের
মইধ্যে ভূইটা মানে বেনাজিরের বাপ একজন। যে "ভাঙি দে ঠ্যাং" এর
জনক। এই সে ভূইটার বাপ যে বাঙালীদের ঘৃণা করিতো, বলা যায় ৭১রের যুদ্ধের অনেক পেচানো ২ নম্বরি বুদ্ধির জনক হইলো এই ভূইটা। আর তার মাইয়া বেনজির জীবনে কোন দিন বাপের অন্যায়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে নাই!
অথচ তার মাইয়ার সাথে আমাদেরহসিনার ভালোবাসা ছিলো.... আমাদের মিড়িয়া ওয়ালা সাংঘাতিকদের কামে শামে মনে হয় তিনি আমাদের শুভকামনা প্রার্থী ছিলেন! এক সাংঘাতিকে খবর দিলো বাংলাদেশের রসমলাই আরো কি জানি তার প্রিয়, আরেক জনে কইলো বঙদেশের বাবুর্চি না কি
তার বিয়ার রদ্দণ কামে ছিলো! কত ভিতড়রের খবর!
আর আজকে মুনি নামক এক সাংঘাতিক তো আমারে নাই কইরা
দিলো .....দেহেন কি কইছে ঃ-
জয়পুরহাট, ডিসেম্বর ২৯ (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)- জয়পুরহাট সদরের চক বরকত গ্রামের 'মাদ্রাসাতুল বানাত' এর তিনটি জলপাই গাছই আজ পরিণত। কিন্তু তারা কি জানে যার হাত ধরে এখানে তাদের জীবন বিকশিত হয়েছে বেনজির ভুট্টো নামে সেই মানুষটি আর নেই? ঘাতকের বোমা ও গুলি তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। ১৯৮৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর বাংলাদেশের এ নিভৃত কোণে
সফরের ঘটনা জানাচ্ছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জয়পুরহাট প্রতিনিধি মোমেন মুনি
জলপাই গাছগুলোর মতো জয়পুরহাটবাসীও বেনজিরের মৃত্যুতে শোকার্ত ও স্তব্ধ। একদিনের জন্য হলেও তারা প্রিয়দর্শিনী এ বিদেশীকে নেত্রীকে আপন করে পেয়েছিলেন। সময়টা ছিল ১৯৮৯ সালের ২ অক্টোবর। বেনজির ভুট্টো সেদিন বাংলাদেশে পৌঁছেই দুপুরে হেলিকপ্টারে করে চলে আসেন জয়পুরহাটে। জলপাই গাছগুলোর মতো জয়পুরহাটবাসীও বেনজিরের মৃত্যুতে শোকার্ত ও স্তব্ধ।
একদিনের জন্য হলেও তারা প্রিয়দর্শিনী এ বিদেশীকে নেত্রীকে আপন করে
পেয়েছিলেন। সময়টা ছিল ১৯৮৯ সালের ২ অক্টোবর। বেনজির ভুট্টো সেদিন
বাংলাদেশে পৌঁছেই দুপুরে হেলিকপ্টারে করে চলে আসেন জয়পুরহাটে। "
**** বেনাজিরের জন্য বঙদেশের গাছ ও কাঁদতে আছে! শোকে
জয়পুরহাটের মানুষ স্তব্ধ? আমাদের মুক্তিসেনানী রাজনীতিবিদেরা ও স্তব্ধ!
অথচ সাধারন একজন মৃত রাজাকারের শোকে যখন গাছ বা তার পরিবার কাঁদতে ছিলো তখন আমরা মানুষ ছিলাম না! মুক্তি চেতনার ব্যবসায়ী ছিলাম। সে তো এই মাটিরই সন্তান ছিলো। শত কিছুর পরে আমরা মানুষ
বাঘ বা শুয়োর নই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে এই চেতনা ও
যেন থাকে...
জানি সে সাধারন রাজাকারটা ইনুর মুসলিমলীগার বাপ বা
রাশেদ খানের বোনের জামাই বা হাসিনার মাইয়ার শশুর,সলমান রহমান বা সাকা চৌ নয় তাহলে এমন হইতো না!
কারন ক্ষমতার কাছে সব কিছুই নত হয়।স্বার্থের কাছে তিন চোখ অন্ধ হয় যাদের তাদের চৈতন্য কেমন হবে আর। স্বার্থ
তন্ত্র দিয়ে যারা অন্যায়ের বিচার করে তারা মানুষ না।
এই জন্য আমি কই> সবাই যহন মসজিদে আযন দেয়,আমি
তহন আপন ঘরে আযান দিই। শয়তান ঘরে রাইখা চেতনা
বিলামু সে মানুষ আমি নই।
নিজের ঠিকানা ঠিক করো তাহলে পোষ্টম্যানেরা চিঠি
জায়গা মতো দিবো। না হলে চেতনা বেইছা খাওন ছাড়া আর
কোন পথ নাই। তা অবশ্য অনেক আগেই শুরু হইয়াছে ......
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



