আওয়ামী লীগ এবং বি.এন.পি অতীতে ও অনেক বিষয়ে একমত হয়ে ছিলো দল কেন্দ্রীক বা ব্যক্তি স্বার্থের জন্য, দেশের জন্য নয়। "না"ভোটের ব্যপারে ও তারা একমত! তাদের মতে এই সিষ্টেম উদ্ভট পাগলামী! কিন্তু কেন? আমার বিশ্বাস "না" ভোট সিষ্টেম অনেক বেশী গনতান্ত্রিক। মানুষের ইচ্ছা দুই বা তিনটির মধ্যে সীমবদ্ধ থাকবে না। যার ফলে অনেক অযোগ্য নেতা নির্বাচন করার সাহস করবে না।
প্রার্থী বানিজ্যো ধীরে ধীরে বন্ধ হবে। আমাদের দেশে দেখা যায় অনেক যোগ্য প্রার্থী কে দলীয় ভাবে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হয় না। সে তার এলাকায় জনপ্রিয় হওয়ার পরে ও। এভাবে আমরা শুধু একজন যোগ্য দলীয় রাজনীতিবিদ কে হারিয়ে থাকি না। দেশের একজন সত্যকারের সেবক কে ও হারিয়ে থাকি সে যে দলেরই হোক না কেন। দলের যতটুকু ক্ষতি হয় তার চেয়ে হাজার গুন ক্ষতি হয় দেশের। তার সাথে সাথে মানুষের মনে বিশ্বাস জন্মে যে ভোট দিয়ে কি হবে যে আশার সে তো আসবেই। এখানে প্রতিবাদ জানানোর কোন ব্যবস্হাই নেই শুধু পক্ষ বিপক্ষ ছাড়া। যদি যোগ্য প্রার্থী কে প্রত্যেক আসন থেকে নির্বাচিত করা না যায় দলীয় বিবেচনার কারনে তাহলে সংসদীয় পদ্ধতি কেন? যে লোকেই প্রার্থী হোক দল করি তাই তাকে ভোট দেয়াতে কি সংসদীয় গনতন্ত্রের কিছু আছে? তাহলে তো রাষ্টপতি পদ্ধতিই অনেক ভালো। আমি কোন দলীয় বিবেচনা থেকে বলছি না..., যে দেশে ডক্টর কামালের মতো লোক নির্বাচিত হয় না সে দেশে কি হবে ভাবতেই কষ্ট লাগে। হয়তো অনেকই তার অনেক বিষয়ে বিরুদ্ধীতা করে সেটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সে কি যোগ্য নয়? না ভোটে গনতান্ত্রিক ব্যবস্হার জন্য খারাপ কিছু নেই তাহলে বি.এন.পি আওয়ামী লীগের আপত্তির গভীর কারনটা কি? পৃথিবীর কোথাও নাই এমন অনেক কিছুই তো আমাদের দেশে এবং রাজনীতিক দল সমূহের মধ্যে আছে। যা থাকার কথা ছিলো না। এক এক ব্যক্তি একই দলীয় পদে ৩০/৩৫ বছর! যা পৃথিবীর অনেক গনতান্ত্রিক দেশে কল্পনা ও করা যায় না। নতুন নেতা নেত্রী আসার পথ তো গোড়াতেই বন্ধ। আর যারা এর মধ্যেই আসে তাদের দুই বা তিন জন ভালো হয় প্রাকৃতিক নিয়মে বাকী সব চাটুকার সুযোগ সন্ধানী হয়ে থাকে ঝোপ বুঝে কোপ মারার মতো( আজ কে আওয়ামী লীগে কালে কে বি.এন.পিতে তারপরের দিন জাতীয় পাটি বা জাসদ, জামাতে) ৫ বছরে লুটপাটের সন্ধানে থাকে। রাজতন্ত্রের মতো জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দলীয় পদের কেন্দ্রে থাকা কোন দেশ এবং দলের জন্যই মঙ্গলজনক নয়। সংস্কার কবে হবে নাকি বাংলা ভাষার শব্দ কোষ থেকেই সংস্কার নামক শব্দটা কে সংস্কার করা হবে?
সংখ্যায় আবেগ জড়িত!
২০০০৮ নয় ১৯৭২। অনেক আবেগই জড়িত ছিলো। সব কিছু কি এ দেশের মানুষ পেয়েছে? না পাওয়ার বেদনা তো কম নয় তাই সংখ্যার ব্যাকরণে না গিয়ে কর্মতেই মন দেয়া দরকার সে আবেগের লাল সবুজ দেশটির জন্য। সংখ্যার আবেগে মুল্য নাই যদি পেট না ভরে! মনে কি নাই স্বাধীনতার তিন দিন পরের( আজকের তুলনায়) কবিতা ....ভাত দে হারামজাদা না হলে ..... খামু। সংখ্যা তো সে তুলনায় কিছুই না। তাই আবেগের ব্যবসার সময় এখন নয় অনেক হয়েছে .... তীর ভাঙা এই ঢেউ'র সাগর ফাঁড়ি দেয়ার অনেক পথ এখনো বাকী।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



